Zohadia dawakana - জোহাদীয়া দাওয়াখানা

Zohadia dawakana - জোহাদীয়া দাওয়াখানা Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Zohadia dawakana - জোহাদীয়া দাওয়াখানা, Alternative & holistic health service, Zohadia dawakhana, , rowsan hat, taher market, Chittagong.

রোগ নির্দেশন:-💢💢💢 অপুষ্টি,শারীরিক ও স্নায়ুবিক দুর্বলতা, গভর্কালীন রক্তস্বল্পতা, মানসসিক চাপ ও অসুস্ততা, রোগ প্রতিরোধ ক্ষ...
19/01/2026

রোগ নির্দেশন:-
💢💢💢 অপুষ্টি,শারীরিক ও স্নায়ুবিক দুর্বলতা, গভর্কালীন রক্তস্বল্পতা, মানসসিক চাপ ও অসুস্ততা, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস,অ্যান্টিবায়োটিক কারনে ভিটামিনের ঘাটতি ও দুর্বলতা,পরিশ্রম সাধ্য ব্যায়াম, ক্ষুধামন্দা, অতিরিক্ত বিপাক ও ওজন হ্রাস,লিভারের গোলযোগ,মাতৃদুগ্ধ নিঃসরন হ্রাস।
💢💢 মিছালি পরিবারের সকলের জন্য সব ঋতুতে নিরাপদ ও কার্যকরি একটি আর্দশ শক্তিবর্ধক।

🎋রোগ নির্দেশনা:  শ্বাসকষ্ট,কাশ,সাধারণ দূর্বলতা,অকাল বাধর্ক্য,স্মরণশক্তি বৃদ্ধি করে,শিশুর কৃশতা,ভিটামিন সির অভাবে কার্যকর...
28/12/2025

🎋রোগ নির্দেশনা: শ্বাসকষ্ট,কাশ,সাধারণ দূর্বলতা,অকাল বাধর্ক্য,স্মরণশক্তি বৃদ্ধি করে,শিশুর কৃশতা,ভিটামিন সির অভাবে কার্যকরী।

🎋🎋২০টির ও বেশী শক্তিশালী ভেষজ উপাদান দিয়ে তৈয়রী ইহা চ্যবনপ্রাশ এর সিরাপ রুপ।

🎋🎋রোগ নির্দেশনা: সিরাপ সু'অাল:-বুকের জমাট বাধাঁ কফ ও কাশি নিরাময়ে বিশেষ কার্যকরি।🎋🎋tab surfin:-রোগ নির্দেশনা: কাশ, গলাব্...
02/12/2025

🎋🎋রোগ নির্দেশনা: সিরাপ সু'অাল:-বুকের জমাট বাধাঁ কফ ও কাশি নিরাময়ে বিশেষ কার্যকরি।

🎋🎋tab surfin:-রোগ নির্দেশনা: কাশ, গলাব্যথা, শ্বাসনালীর প্রদাহ, সর্দি, ইনফ্লুয়েঞ্জা ও গলা পরিস্কার করে।
🕍🕍 সেবন মাত্রা ও সেবন বিধি: ১-২ টি করে ট্যাবলেট
দৈনিক ২-৩ বার অথবা চিকৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী।

🎋🎋সিরাপ এজাজ :- শুকনো কাশ,বুকে কফ জমা, শুকনো সর্দি,নাকের শুকনো সর্দি, সম্পূর্ণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মুক্ত।

পুষ্টিগুণ ও উপাদেয়তার দিকটি বিবেচনা করে যদি আমরা খাবারের একটি তালিকা করি, সে তালিকার প্রথম সারিতেই থাকবে ‘মধু’র নাম। এটি...
24/11/2025

পুষ্টিগুণ ও উপাদেয়তার দিকটি বিবেচনা করে যদি আমরা খাবারের একটি তালিকা করি, সে তালিকার প্রথম সারিতেই থাকবে ‘মধু’র নাম। এটি শরীরের জন্য উপকারী এবং নিয়মিত মধু সেবন করলে অসংখ্য রোগবালাই থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায়। এটি বৈজ্ঞানিকভাবেই প্রমাণিত।

মধুর উপাদান
মধুতে প্রায় ৪৫টি খাদ্য উপাদান থাকে। ফুলের পরাগের মধুতে থাকে ২৫ থেকে ৩৭ শতাংশ গ্লুকোজ, ৩৪ থেকে ৪৩ শতাংশ ফ্রুক্টোজ, ০.৫ থেকে ৩.০ শতাংশ সুক্রোজ এবং ৫ থেকে ১২ শতাংশ মন্টোজ। আরও থাকে ২২ শতাংশ অ্যামাইনো অ্যাসিড, ২৮ শতাংশ খনিজ লবণ এবং ১১ শতাংশ এনকাইম। এতে চর্বি ও প্রোটিন নেই। ১০০ গ্রাম মধুতে থাকে ২৮৮ ক্যালরি।

মধুর উপকারিতা

শক্তি প্রদায়ী : মধু ভালো শক্তি প্রদায়ী খাদ্য। তাপ ও শক্তির ভালো উৎস। মধু দেহে তাপ ও শক্তি জুগিয়ে শরীরকে সুস্থ রাখে।

হজমে সহায়তা: এতে যে শর্করা থাকে, তা সহজেই হজম হয়। কারণ, এতে যে ডেক্সট্রিন থাকে, তা সরাসরি রক্তে প্রবেশ করে এবং তাৎক্ষণিকভাবে ক্রিয়া করে। পেটরোগা মানুষের জন্য মধু বিশেষ উপকারী।

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে: মধুতে রয়েছে ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স। এটি ডায়রিয়া ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। ১ চা–চামচ খাঁটি মধু ভোরবেলা পান করলে কোষ্ঠবদ্ধতা এবং অম্লত্ব দূর হয়।

রক্তশূন্যতায়: মধু রক্তের হিমোগ্লোবিন গঠনে সহায়তা করে বলে এটি রক্তশূন্যতায় বেশ ফলদায়ক। কারণ, এতে থাকে খুব বেশি পরিমাণে কপার, লৌহ ও ম্যাঙ্গানিজ।

ফুসফুসের যাবতীয় রোগ ও শ্বাসকষ্ট নিরাময়ে: বলা হয়, ফুসফুসের যাবতীয় রোগে মধু উপকারী। যদি একজন অ্যাজমা (শ্বাসকষ্ট) রোগীর নাকের কাছে মধু ধরে শ্বাস টেনে নেওয়া হয়, তাহলে সে স্বাভাবিক এবং গভীরভাবে শ্বাস টেনে নিতে পারবে। অনেকে মনে করে, এক বছরের পুরোনো মধু শ্বাসকষ্টের রোগীদের জন্য বেশ ভালো।

অনিদ্রায়: মধু অনিদ্রার ভালো ওষুধ। রাতে শোয়ার আগে এক গ্লাস পানির সঙ্গে দুই চা–চামচ মধু মিশিয়ে খেলে এটি গভীর ঘুম ও সম্মোহনের কাজ করে।

যৌন দুর্বলতায়: পুরুষদের মধ্যে যাঁদের যৌন দুর্বলতা রয়েছে, তাঁরা যদি প্রতিদিন মধু ও ছোলা মিশিয়ে খান, তাহলে বেশ উপকার পাবেন।

প্রশান্তিদায়ক পানীয়: হালকা গরম দুধের সঙ্গে মিশ্রিত মধু একটি প্রশান্তিদায়ক পানীয়।

মুখগহ্বরের স্বাস্থ্য রক্ষায়: মুখগহ্বরের স্বাস্থ্য রক্ষায় মধু ব্যবহৃত হয়। এটা দাঁতের ওপর ব্যবহার করলে দাঁতের ক্ষয়রোধ করে। দাঁতে পাথর জমাট বাঁধা রোধ করে এবং দাঁত পড়ে যাওয়াকে বিলম্বিত করে। মধু রক্তনালিকে সম্প্রসারিত করে দাঁতের মাড়ির স্বাস্থ্য রক্ষা করে। যদি মুখের ঘায়ের জন্য গর্ত হয়, এটি সেই গর্ত ভরাট করতে সাহায্য করে এবং সেখানে পুঁজ জমতে দেয় না। মধু মিশ্রিত পানি দিয়ে গড়গড়া করলে মাড়ির প্রদাহ দূর হয়।

পাকস্থলীর সুস্থতায়: মধু পাকস্থলীর কাজকে জোরালো করে এবং হজমের গোলমাল দূর করে। এর ব্যবহার হাইড্রোক্রলিক অ্যাসিড ক্ষরণ কমিয়ে দেয় বলে অরুচি, বমিভাব, বুকজ্বালা এগুলো দূর করা সম্ভব হয়।

তাপ উৎপাদনে: শীতের ঠান্ডায় এটি শরীরকে গরম রাখে। এক অথবা দুই চা–চামচ মধু এক কাপ ফুটানো পানির সঙ্গে খেলে শরীর ঝরঝরে ও তাজা থাকে।

পানিশূন্যতায়: ডায়রিয়া হলে এক লিটার পানিতে ৫০ মিলিলিটার মধু মিশিয়ে খেলে দেহে পানিশূন্যতা রোধ করা যায়।

দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে: চোখের জন্য ভালো। গাজরের রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে দৃষ্টিশক্তি বাড়ে।

রূপচর্চায়: মেয়েদের রূপচর্চার ক্ষেত্রে মাস্ক হিসেবে মধুর ব্যবহার বেশ জনপ্রিয়। মুখের ত্বকের মসৃণতা বৃদ্ধির জন্যও মধু ব্যবহৃত হয়।

ওজন কমাতে: মধুতে নেই কোনো চর্বি। পেট পরিষ্কার করে, চর্বি কমায়, ফলে ওজন কমে।

হজমে সহায়তা: মধু প্রাকৃতিকভাবেই মিষ্টি। তাই মধু সহজে হজম হয় এবং হজমে সহায়তা করে।

গলার স্বর: গলার স্বর সুন্দর ও মধুর করে।

তারুণ্য বজায় রাখতে: তারুণ্য বজায় রাখতে মধুর ভূমিকা অপরিহার্য। এটি অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট, যা ত্বকের রং ও ত্বক সুন্দর করে। ত্বকের ভাঁজ পড়া ও বুড়িয়ে যাওয়া রোধ করে। শরীরের সামগ্রিক শক্তি ও তারুণ্য বাড়ায়।

হাড় ও দাঁত গঠনে: মধুর গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ ক্যালসিয়াম। ক্যালসিয়াম দাঁত, হাড়, চুলের গোড়া শক্ত রাখে, নখের ঔজ্জ্বল্য বৃদ্ধি করে, ভঙ্গুরতা রোধ করে।

রক্তশূন্যতা ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে: এতে রয়েছে ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স, যা রক্তশূন্যতা ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

আমাশয় ও পেটের পীড়া নিরাময়ে: পুরোনো আমাশয় এবং পেটের পীড়া নিরাময়সহ নানাবিধ জটিল রোগের উপকার করে থাকে।

হাঁপানি রোধে: আধা গ্রাম গুঁড়ো করা গোলমরিচের সঙ্গে সমপরিমাণ মধু এবং আদা মেশান। দিনে অন্তত তিনবার এই মিশ্রণ খান। এটা হাঁপানি রোধে সহায়তা করে।

উচ্চ রক্তচাপ কমায়: দুই চামচ মধুর সঙ্গে এক চামচ রসুনের রস মেশান। সকাল-সন্ধ্যা দুইবার এই মিশ্রণ খান। প্রতিনিয়ত এটার ব্যবহার উচ্চ রক্তচাপ কমায়। প্রতিদিন সকালে খাওয়ার এক ঘণ্টা আগে খাওয়া উচিত।

রক্ত পরিষ্কারক: এক গ্লাস গরম পানির সঙ্গে এক বা দুই চামচ মধু ও এক চামচ লেবুর রস মেশান। পেট খালি করার আগে প্রতিদিন এই মিশ্রণ খান। এটা রক্ত পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। তা ছাড়া রক্তনালিগুলোও পরিষ্কার করে।

রক্ত উৎপাদনে সহায়তা: রক্ত উৎপাদনকারী উপকরণ আয়রন রয়েছে মধুতে। আয়রন রক্তের উপাদানকে (আরবিসি, ডব্লিউবিসি, প্লাটিলেট) অধিক কার্যকর ও শক্তিশালী করে।

হৃদ্‌রোগে: এক চামচ মৌরি গুঁড়োর সঙ্গে এক বা দুই চামচ মধুর মিশ্রণ হৃদ্‌রোগের টনিক হিসেবে কাজ করে। এটা হৃৎপেশিকে সবল করে এবং এর কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

রোগ প্রতিরোধশক্তি বাড়ায়: মধু শরীরের রোগ প্রতিরোধশক্তি বাড়ায় এবং শরীরের ভেতরে এবং বাইরে যেকোনো ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ প্রতিহত করার ক্ষমতাও জোগান দেয়। মধুতে আছে একধরনের ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধকারী উপাদান, যা অনাকাঙ্ক্ষিত সংক্রমণ থেকে দেহকে রক্ষা কর।

🏞️"হেয়ার টনিক" কার্যকরিতা: নিয়মিত ব্যবহারে মাথার চুল পড়া বন্ধ করে,চুলকালো করে,চুলের গোড়া শক্ত করে,মাথা ঠান্ডা করে।💒 উপাদ...
18/11/2025

🏞️"হেয়ার টনিক" কার্যকরিতা: নিয়মিত ব্যবহারে মাথার চুল পড়া বন্ধ করে,চুলকালো করে,চুলের গোড়া শক্ত করে,মাথা ঠান্ডা করে।
💒 উপাদান‌ : আমলকি, মেহেদী পাতা,বহেড়া,ভৃঙ্গরাজ ,নীম,মেথী,একাংগী,জাঠামাংসী, কালোজিরা তেল, কাস্টার অয়েল,(ভেরেনডা,)তিল তেল,তিসির তেল,বাদাম তেল ও অনন্য উপাদান।
🕌 মূল্য 100 মিলি 200টাকা মাএ 200মিলি 400 টাকা

যে ১০ টি কারনে অশ্বগন্ধা খাওয়া উচিত।যতি সুস্থ্য থাকতে চান প্রতি দিন অশ্বগন্ধা খান।অশ্বগন্ধা একটি ভেষজ উদ্ভিদ। যদিও এ পাত...
17/11/2025

যে ১০ টি কারনে অশ্বগন্ধা খাওয়া উচিত।
যতি সুস্থ্য থাকতে চান প্রতি দিন অশ্বগন্ধা খান।

অশ্বগন্ধা একটি ভেষজ উদ্ভিদ। যদিও এ পাতাটি সাধারণত আয়ুর্বেদ চিকিৎসা শাস্ত্রে ঔষধি বস্তু হিসাবে ব্যবহৃত হয়। অশ্বগন্ধার ব্যবহার প্রায় ৬০০ খ্রিস্টাব্দ বা তার আগে থেকে শুরু হয়েছে। এটি মূলত স্ট্রেস, ক্লান্তি, নানা ধরণের ব্যথা ও প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। অশ্বগন্ধার সব ধরণের গুণের কারণ হলো এতে উপস্থিত একধরনের ফাইটোকেমিক্যাল উপাদান। সঠিক পরিমাণে অশ্বগন্ধা ক্যা-ন্সারের ক্ষেত্রেও নাকি কার্যকরী।
#অশ্বগন্ধার #উপকারিতা
১. কোলেস্টেরল দূর করে
#আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে বলা হয়, অশ্বগন্ধা শরীরের খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে পেশির শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।
২. #অনিদ্রা দূর করে
অশ্বগন্ধা ক্লান্তি দূর করে স্নায়ুকে আরাম প্রদান করে। তাই ঘুম আসে খুব তাড়াতাড়ি। বিভিন্ন গবেষণার থেকে জানা যায় যে, অশ্বগন্ধা ব্যবহার করলে মনোযোগ বৃদ্ধি পায়।
৩. স্ট্রেস কমায়
অশ্বগন্ধায় উপস্থিত অ্যানজাইলটিক উপাদান থাকে। এটি এই স্নায়ুতন্ত্রের ওপর কাজ করতে সক্ষম। ভয় পেয়ে অনেকেরই প্যানিক অ্যাট্যাক হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। এই সমস্যা এড়াতে অশ্বগন্ধা সাহায্য করে।
৪. যৌ-ন ক্ষমতা বাড়ায়
প্রাচীনকাল থেকেই ছেলেদের যৌ-ন সমস্যা দূর করতে অশ্বগন্ধা ব্যবহার করা হয়। এটি প্রমাণিত যে অশ্বগন্ধা শরীরে টেস্টোস্টেরন ও প্রোজেস্টেরনের পরিমান বাড়াতে পারে। ফলে যৌন মিলনের ইচ্ছে বাড়ে। কিছু গবেষণা থেকে জানা যায় এটি কামশক্তি, বীর্যের পরিমান ও মান বৃদ্ধি করতে সক্ষম।
৫. ক্যা-ন্সার প্রতিরোধ করতে
আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে অশ্বগন্ধা ক্যান্সারের প্রতিরোধক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এর পাতা ও মূলের নির্যাসে উপস্থিত ফাইটোকেমিক্যালস টিউমার কোষকে ধ্বংস করতে ও সেই কোষে রক্ত সরবারহ বন্ধ করে দেয়।
কেমো থেরাপির মধ্যে দিয়ে যাদের যেতে হয়, তাদের জীবনের মানের উন্নতি ঘটাতে পারে অশ্বগন্ধা।
৬. ডায়াবেটিসের সমস্যা কমাতে
অশ্বগন্ধার মূল ও পাতার নির্যাসে অ্যান্টি-ডায়াবেটিক উপাদান থাকে। এটি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত মানুষদের শরীরে ইনসুলিন ও লিপিডের পরিমাণ বাড়াতে সাহায্য করে।
৭. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়
অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান থাকার জন্য অশ্বগন্ধা শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
৮. থাইরয়েডের সমস্যা কমাতে
শরীরে থাইরক্সিন হরমোনের পরিমান বাড়ায় অশ্বগন্ধা।যাদের শরীরে থাইরয়েড হরমোনের পরিমান কম থাকে তাদের এই সমস্যা দূর করতে এটি ব্যবহৃত হয়।
৯. চোখের সমস্যা কমাতে
চোখের স্বাস্থ্য ভালো করতে অশ্বগন্ধা ব্যবহার করা হয় বলে জানা যায় ।
১০. আর্থ্রাইটিস সারাতে
আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে আর্থ্রাইটিস সারাতে অশ্বগন্ধা ব্যবহার রয়েছে। ব্যথার তীব্রতা কমাতে অশ্বগন্ধার গুঁড়ো খুবই উপযোগী।

কার্যকরিতা: দূষিত রক্ত শোধন করে, সকল প্রকার চর্ম রোগ দূর করে ও ওজন কমায়, ডায়াবেটিস, মুখ ও গায়ের দুর্গন্ধ, রোগ জীবানুর সং...
09/11/2025

কার্যকরিতা:
দূষিত রক্ত শোধন করে, সকল প্রকার চর্ম রোগ দূর করে ও ওজন কমায়, ডায়াবেটিস, মুখ ও গায়ের দুর্গন্ধ, রোগ জীবানুর সংক্রমন,রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস,প্রস্রাবের জ্বালা -পোড়া, হাম,জলবসন্ত, সোরাইসিস,ব্রণ,একজিমা,শ্বেতি, আর্টিকেরিয়া,নাক দিয়ে রক্তক্ষরন এবং দেহ হতে বিষাক্ত পদার্থ বের করে।

☘️☘️🌿মরিঙ্গা পাউডার 🌿☘️☘️সজনে পাতার গুড়া (Moringa Powder) পৃথিবীতে আজ পর্যন্ত আবিষ্কৃত সবচেয়ে শক্তিশালী খাবার ।সজনে পাত...
07/11/2025

☘️☘️🌿মরিঙ্গা পাউডার 🌿☘️☘️

সজনে পাতার গুড়া (Moringa Powder) পৃথিবীতে আজ পর্যন্ত আবিষ্কৃত সবচেয়ে শক্তিশালী খাবার ।

সজনে পাতায় কমলা লেবুর চেয়ে ৭ গুণ ভিটামিন-সি,
দুধের চেয়ে ৪ গুণ ক্যালসিয়াম
এবং দুই গুণ আমিষ,

গাজরের চেয়ে ৪ গুণ ভিটামিন-এ,

কলার চেয়ে ৩ গুণ পটাশিয়াম বিদ্যমান।

এটি পৃথিবীর সবচেয়ে পুষ্টিকর হার্ব। তাই সজনে পাতাকে বলা হয় পুষ্টিগুণে ভরপুর সুপার ফুড এবং সজনে গাছকে বলা হয় মিরাক্কেল ট্রি। আমরা অনেকেই সজনে সবজি হিসেবে খাই। কিন্তু আমরা অনেকেই জানি না যে সজনের সাথে সাথে সজনে পাতাও খাওয়া যায়। সজনে গাছের পাতায় বিপুল পরিমাণে পুষ্টি উপাদা্ন রয়েছে।

তাই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং জীবন ধারনের জন্য পুষ্টি উপাদান দুটোই পাওয়া যায়। এই জন্য অনেকেই বলে থাকেন সজনে গাছ যাদের বাড়ীতে আছে তাদের বাড়ীতে ভিটামিনের ফ্যাক্টরি আছে।

তাই হাজার হাজার টাকা খরচ করে কমলা লেবু , দুধ, গাজর, কলা না খেয়ে মাত্র 100 গ্রাম সজনে পাউডার দিয়ে পূরণ করতে পারেন 30 দিনের ওই খাবার গুলোর ভিটামিনের চাহিদা। বাজারের অধিকাংশ ফলেই ফরমালিন, তাই টাকা দিয়ে বিষ না খেয়ে সম্পূর্ণ অর্গানিক সজনে পাতার গুঁড়া খান, আর নিজেকে করে তুলুন আরো শক্তিশালী এবং রোগমুক্ত ।

হিমালয়ান পিংক সল্ট🔥হিমালয়ান সল্ট বা পিঙ্ক হিমালয়ান ক্রিস্টাল সল্ট বা গোলাপী লবণের কথা অনেকেই শুনে থাকবেন।হিমালয়ান সল্...
06/11/2025

হিমালয়ান পিংক সল্ট🔥

হিমালয়ান সল্ট বা পিঙ্ক হিমালয়ান ক্রিস্টাল সল্ট বা গোলাপী লবণের কথা অনেকেই শুনে থাকবেন।হিমালয়ান সল্ট পৃথিবীতে পাওয়া সবচেয়ে বিশুদ্ধ লবণ যা বিষাক্ত ও দূষিত পদার্থ মুক্ত। এটি এক প্রকার খনিজ লবণ । এটি ভারত থেকে চীণের যে প্রসারিত পর্বতশ্রেণী রয়েছে তার মধ্যে পাওয়া যায়।। এর মধ্যে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বত “হিমালায় পর্বত” ও অন্তভুক্ত আছে। হিমালয় পর্বতশ্রেণী থেকে এই লবণের দেখা পাওয়া যায় বলে একে হিমালয়ান সল্ট বলা হয়। এতে গোলাপী,সাদা এবং লাল রং এর খনিজ উপাদান বিদ্যমান থাকায় এর রং গোলাপী দেখায়। এর পুষ্টিগুণ সাধারণ লবণের থেকে অনেক বেশী।

এই লবণ হিমালয় পর্বত থেকে তৈরি হয় এবং সেখানে এটি “হোয়াইট গোল্ড” নামে সুপরিচিত। এই লবণের অনন্যতার কারণ হচ্ছে এর গোলাপি বর্ণ যা আয়রন অক্সাইডের উপস্থিতির জন্য হয়ে থাকে। একারণে এ লবণকে “পিংক সল্ট” ও বলা হয়।

প্রধানত হিমালয়ান সল্ট সোডিয়াম ক্লোরাইড নিয়ে গঠিত। তবে এতে সালফেট, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ফসফরাস, কপার, জিংক, সেলেনিয়াম, আয়োডিন এবং ফ্লোরাইডসহ প্রায় ৮০টির মত উপাদান থাকে। এই লবণের খনিজ উপাদানগুলো আঠালো গঠনে থাকে এবং মানুষের শরীরের কোষে খুব সহজেই শোষিত হতে পারে। খনিজ লবণে সমৃদ্ধ হওয়ায় এই লবণ শরীর ও মনের নিরাময়ে বিস্ময়কর ভাবে কাজ করে।

এই লবণ ঠাণ্ডা, জ্বর, ফ্লু, অ্যালার্জির বেশ কিছু রোগের হাত থেকে বাঁচায়। মাংসপেশির ব্যথা কমাতে সাহায্য করে ।হিমালায়ান পিংক সল্ট রক্ত চাপ কমায়, ওজন কমায়, ত্বকের সমস্যা কমায়।

"দন্ত  শেফা" কে কে ব্যবহার করেন ? ভালো মন্দ কমেন্ট করে জানান।
05/11/2025

"দন্ত শেফা" কে কে ব্যবহার করেন ? ভালো মন্দ কমেন্ট করে জানান।

ম্যালেরিয়া জ্বর, ঘুষঘুষে জ্বর, কালাজ্বর, পালাজ্বর, জন্ডিসের জ্বর, সকল প্রকার পুরাতন  জ্বরের মহৌষধ।
30/07/2025

ম্যালেরিয়া জ্বর, ঘুষঘুষে জ্বর, কালাজ্বর, পালাজ্বর, জন্ডিসের জ্বর, সকল প্রকার পুরাতন জ্বরের মহৌষধ।

Address

Zohadia Dawakhana, , Rowsan Hat, Taher Market
Chittagong
4381

Telephone

+8801741741710

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Zohadia dawakana - জোহাদীয়া দাওয়াখানা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share