Disability Care Centre

Disability Care Centre -Physical therapy -Speech therapy -Occupational therapy

03/12/2025
28/11/2025

স্পেশাল শিশুর বাবা-মা হলেন আল্লাহ্ তায়ালার বিশেষভাবে বাছাই করা মানুষ—যাদের হৃদয়ে আছে সীমাহীন সাহস, ভালবাসা ও করুণা।

🌸 বাচ্চার জেদ কমানোর ১১টি কার্যকরী উপায় 🌸১️⃣ শান্ত থেকে কথা বলুনচিৎকার নয়, ধীর স্বরে বলুন — “আমি তোমার কথা বুঝতে চাই, কি...
09/10/2025

🌸 বাচ্চার জেদ কমানোর ১১টি কার্যকরী উপায় 🌸

১️⃣ শান্ত থেকে কথা বলুন
চিৎকার নয়, ধীর স্বরে বলুন — “আমি তোমার কথা বুঝতে চাই, কিন্তু আগে একটু শান্ত হও।”
👉 এতে ধীরে ধীরে বাচ্চা নিজে থেকেই ঠান্ডা হয়।

২️⃣ মনোযোগ দিয়ে শুনুন
তার চোখের দিকে তাকিয়ে বলুন — “তুমি কি কিছু বলতে চাও?”
👉 এতে সে বুঝবে, তার অনুভূতি গুরুত্ব পাচ্ছে।

৩️⃣ বিকল্প দিন
“আইসক্রিম নয়, তবে তুমি ফল বা দই নিতে পারো।”
👉 বিকল্প দিলে বাচ্চা সিদ্ধান্তে অংশ নিতে শেখে।

৪️⃣ নিয়ম তৈরি করুন, শাস্তি নয়
আগে থেকেই নিয়ম ঠিক করুন — “টিভি দেখা যাবে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত।”
👉 এতে সে জানবে, কখন কী করা ঠিক।

৫️⃣ জেদের কারণ বুঝুন
ক্ষুধা, ক্লান্তি বা ঘুমের অভাবে জেদ বেড়ে যায়।
👉 তাই তার আবেগ ও শারীরিক অবস্থাও খেয়াল রাখুন।

৬️⃣ ভালো আচরণের প্রশংসা করুন
যখন সে শান্তভাবে খেলে, বলুন — “আজ তুমি খুব ভালো behaved করছো, গর্ব হচ্ছে!”
👉 এতে ভালো আচরণ বাড়ে।

৭️⃣ সময় দিন ও ধৈর্য ধরুন
জেদ করলে বলুন — “আমরা পরে আবার কথা বলব।”
👉 এতে সে নিজে ঠান্ডা হতে শেখে।

৮️⃣ ভালোবাসা দিয়ে বোঝান
বকা নয়, আলতো করে জড়িয়ে বলুন — “আমি তোমায় ভালোবাসি, কিন্তু চিৎকার করা ঠিক না।”
👉 এতে ভয় নয়, ভালোবাসা থেকে শিক্ষা পায়।

৯️⃣ খেলার মাধ্যমে শেখান
পুতুল বা গাড়ি দিয়ে গল্প করুন — “পুতুলটা খুব জেদ করত, কিন্তু পরে বুঝল কথা শুনলে সবাই খুশি হয়।”
👉 খেলতে খেলতে শেখা সবচেয়ে কার্যকর।

১০ [] সব আচরণে মনোযোগ না দিন
সব সময় বাচ্চার প্রতিটি আচরণে প্রতিক্রিয়া দেওয়া দরকার নেই।
👉 কখনও কখনও চুপচাপ এড়িয়ে চলাই সঠিক।
সে যতই কান্না করুক, যদি দেখে আপনি অতিরিক্ত মনোযোগ দিচ্ছেন না — ধীরে ধীরে আচরণটা কমে যাবে।

💡 মনোযোগ অন্যদিকে ঘুরিয়ে দিন
তার পছন্দের কাজ, ছবি আকা,খেলনা বা গল্পে তাকে যুক্ত করুন।
👉 এতে মনোযোগ বদলে যায়, জেদ বা রাগ স্বাভাবিকভাবে কমে আসে।

১১️⃣ নিজে ভালো উদাহরণ দিন
আপনি ধৈর্য ধরলে বাচ্চাও শেখে শান্ত থাকতে।
👉 কারণ শিশুরা সবসময় বড়দের অনুকরণ করে।

🌼 শেষ কথা:
ভালোবাসা, ধৈর্য ও বোঝাপড়া — এই তিনটিই বাচ্চার জেদ কমানোর সবচেয়ে শক্তিশালী উপায়। 💛
চাপ নয়, ভালোবাসার স্পর্শেই বদলে যায় ছোট্ট মন। 😌🌸

সেরিব্রাল পালসি:সেরিব্রাল পালসি (Cerebral Palsy) হলো শৈশবে ঘটে যাওয়া একদল শারীরিক অবস্থার সমষ্টি, যা বিকাশমান মস্তিষ্কের...
06/10/2025

সেরিব্রাল পালসি:

সেরিব্রাল পালসি (Cerebral Palsy) হলো শৈশবে ঘটে যাওয়া একদল শারীরিক অবস্থার সমষ্টি, যা বিকাশমান মস্তিষ্কের ক্ষতি বা অস্বাভাবিকতার কারণে ঘটে। এর ফলে নড়াচড়া, ভঙ্গি, ভারসাম্য এবং সমন্বয়ে সমস্যা দেখা দেয়, যার কারণে পেশী শক্ত হয়ে যাওয়া, দুর্বল পেশী, কম্পন, এবং অন্যান্য সংবেদনশীল ও জ্ঞানীয় সমস্যা দেখা দিতে পারে।

মস্তিষ্কের ক্ষতি: এটি একটি স্নায়বিক ব্যাধি যা মস্তিষ্কের নড়াচড়া ও ভঙ্গি নিয়ন্ত্রণকারী
অংশগুলোর ক্ষতির কারণে ঘটে।

উন্নয়নশীল মস্তিষ্কে ঘটে: এই ক্ষতি সাধারণত গর্ভাবস্থায়, জন্ম নেওয়ার সময় বা জন্মের প্রথম কয়েক বছরে ঘটে থাকে, যখন মস্তিষ্ক এখনও বিকশিত হতে থাকে।

নড়াচড়ার ব্যাধি: এর মূল প্রভাব হলো নড়াচড়া ও ভঙ্গি নিয়ন্ত্রণে সমস্যা।

সাধারণ লক্ষণ ও বৈশিষ্ট্য:

পেশী সংক্রান্ত সমস্যা: পেশী শক্ত হয়ে যাওয়া (স্প্যাস্টিসিটি), দুর্বল পেশী, এবং অস্বাভাবিক বা অনিয়ন্ত্রিত নড়াচড়া।

সমন্বয়ের অভাব: নড়াচড়া এবং ভারসাম্য বজায় রাখতে অসুবিধা।

বিকাশে বিলম্ব: অনেক ক্ষেত্রে শিশুরা স্বাভাবিকের চেয়ে দেরিতে বসতে, হামাগুড়ি দিতে বা হাঁটতে শেখে।

অন্যান্য সমস্যা: দৃষ্টি, শ্রবণ, কথা বলা এবং চিন্তা বা যুক্তির ক্ষেত্রেও সমস্যা হতে পারে।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
সেরিব্রাল পালসি একটি অবস্থা যা সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তিত হতে পারে এবং এর তীব্রতা ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে।
অনেক ক্ষেত্রে সেরিব্রাল পালসির সঠিক কারণ জানা যায় না।

Address

Halderpara Brahmanbaria
Chittagong
3400

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Disability Care Centre posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share