মারকাযুস শিফা রুকইয়াহ এন্ড হিজামা সেন্টার

  • Home
  • Bangladesh
  • Chittagong
  • মারকাযুস শিফা রুকইয়াহ এন্ড হিজামা সেন্টার

মারকাযুস শিফা রুকইয়াহ এন্ড হিজামা সেন্টার জ্বিন, যাদুটোনা, বদনজর, ওয়াসওয়াসা, ইত্যাদি প্যারানরমাল সমস্যার কোরআন সুন্নাহভিত্তিক আধুনিক নববী চিকিৎসা চিকিৎসা পদ্ধতি।
যোগাযোগঃ 📞01779851688

একটি শিক্ষণীয় ঘটনা: ভুল চিকিৎসার পরিণতি এবং রুকইয়ার মাধ্যমে আরোগ্য​সম্প্রতি আমাদের টাঙ্গাইল সেন্টারে একজন আলেম এসেছিলেন...
28/01/2026

একটি শিক্ষণীয় ঘটনা: ভুল চিকিৎসার পরিণতি এবং রুকইয়ার মাধ্যমে আরোগ্য

​সম্প্রতি আমাদের টাঙ্গাইল সেন্টারে একজন আলেম এসেছিলেন তার ছেলের সমস্যার সমাধান খুঁজতে। শুরুতে তিনি নিজের পারিবারিক কিছু তথ্য গোপন করলেও, বিস্তারিত আলোচনার পর বেরিয়ে আসে এক চাঞ্চল্যকর এবং দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত সমস্যার ইতিহাস।

​প্রাথমিক সমস্যা:
তার মাদ্রাসা পড়ুয়া ছেলে মাদ্রাসায় থিতু হতে পারছিল না। সেখানে গেলেই সে অসুস্থ হয়ে পড়ত এবং তার মনে আত্মহত্যার মতো ভয়ানক চিন্তা আসত।

​গভীরতর অনুসন্ধান:
কাউন্সেলিংয়ের এক পর্যায়ে আমি বাচ্চার মায়ের শারীরিক ও মানসিক অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাই। তখন তিনি একে একে বলতে শুরু করলেন

ভয়ংকর সব তথ্য:
​স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদের উপক্রম হওয়া।
​দীর্ঘদিনের অনিদ্রা এবং রহস্যময় অসুস্থতা।
​প্রথম সন্তান গর্ভেই নষ্ট হয়ে যাওয়া (Miscarriage)।
​দ্বিতীয় সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার কয়েক মাসের মাথায় কোনো রোগ ছাড়াই মারা যাওয়া।

​ডায়াগনোসিস ও মূল রহস্য:
সবগুলো লক্ষণ বিচার করে আমরা বুঝতে পারি এটি মূলত 'সিহরুল মাউরুস' বা বংশগত যাদুর একটি মারাত্মক প্রভাব। এই যাদুর উৎস খুঁজতে গিয়ে জানা গেল, উক্ত আলেম অতীতে দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত কবিরাজি পদ্ধতির মাধ্যমে জ্বীন ছাড়ানো এবং তাবীজ-তদবীরের কাজ করতেন। মূলত সেই সময়কার কোনো তান্ত্রিক বা জ্বীনের পক্ষ থেকে উনার বংশের ওপর এই যাদু করা হয়েছিল বলে প্রবল ধারণা করা হয়।

​ফলাফল:
পরবর্তীতে রুকইয়াহ ডায়াগনোসিসের মাধ্যমে দেখা যায়, ঐ আলেম নিজেও জ্বীন ও যাদুর মাধ্যমে আক্রান্ত। আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের সেন্টারে কয়েক ধাপের ডায়াগনোসিস এবং সুন্নাহসম্মত রুকইয়াহ সেশনের পর এখন উনারা আগের চেয়ে অনেক বেশি সুস্থ বোধ করছেন।

​শিক্ষা:
কুরআন-সুন্নাহ বহির্ভূত তাবীজ বা কবিরাজি চিকিৎসা কেবল ঈমানই নষ্ট করে না, বরং এটি পুরো বংশের ওপর বিপদ ডেকে আনতে পারে। তাই যেকোনো সমস্যায় একমাত্র 'রুকইয়াহ শারইয়াহ' বা সুন্নাহসম্মত পদ্ধতির ওপর আস্থা রাখাই নিরাপদ।

ইস্তিখারা কি জীন-যাদুর সমস্যা নির্ণয়ের মাধ্যম? একটি তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ​ইসলামে কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের...
21/01/2026

ইস্তিখারা কি জীন-যাদুর সমস্যা নির্ণয়ের মাধ্যম? একটি তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ

​ইসলামে কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে আল্লাহর কাছে কল্যাণ প্রার্থনার জন্য 'সালাতুল ইস্তিখারা' একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাহ। কিন্তু বর্তমানে এক শ্রেণির মানুষ ইস্তিখারার ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছে।

​১. ইস্তিখারা কেন করা হয়?
​আরব বিশ্বের প্রখ্যাত আলেম শাইখ ইবনে উসাইমীন (রহ.) বলেন, "ইস্তিখারা হলো কোনো হালাল কাজের ক্ষেত্রে দুটি বিষয়ের মধ্যে কোনটি উত্তম হবে, তা নির্ধারণে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়া।" (ফাতাওয়া নূরুন আলাদ দারব)।

​জাবির (রা.) বর্ণিত হাদীসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ (সা.) সাহাবীদের ইস্তিখারা শিক্ষা দিতেন যেমন তিনি কুরআনের সূরা শিক্ষা দিতেন। এটি মূলত কোনো কাজ শুরু করার আগে তার 'খায়ের' বা কল্যাণ জানার পদ্ধতি; কোনো অদৃশ্য বিষয় উদঘাটন কিংবা চোর-জাদুকর ধরার মাধ্যম নয়।

​২. ইস্তিখারা বা কিতাব দেখে 'গণনা করা' কি জায়েজ?
​বর্তমানে অনেক তথাকথিত হুজুর বা আধ্যাত্মিক ব্যক্তি ইস্তিখারা করে বা কিতাব খুলে বলে দেন— "অমুক ব্যক্তি আপনার ওপর যাদু করেছে" বা "অমুক আত্মীয় তাবিজ গেড়েছে।"

​শাইখ বিন বায (রহ.) এ বিষয়ে কঠোর সতর্কতা দিয়ে বলেন, "যারা গায়েবি বা অদৃশ্য বিষয়ের খবর দেওয়ার দাবি করে এবং জীন বা আধ্যাত্মিক উপায়ে চোর কিংবা জাদুকরের নাম বলে দেয়, তারা মূলত গণক (কাহিন) বা জাদুকর।"

​ভণ্ডামি: এরা মূলত জীনের মাধ্যমে খবর সংগ্রহ করে, যা সরাসরি কুফরির পর্যায়ভুক্ত।
​বিবাদ সৃষ্টি: এদের কথায় বিশ্বাস করলে পারিবারিক ও সামাজিক সম্পর্ক নষ্ট হয়, যা ইসলামের দৃষ্টিতে হারাম।

​৩. জীন-যাদুর সমস্যা নির্ণয়ের সঠিক পদ্ধতি (রুকইয়াহ শারইয়াহ)
​ইসলামে জীন বা যাদুর চিকিৎসা ও রোগ নির্ণয় পদ্ধতি সম্পূর্ণ আলাদা। আপনি আক্রান্ত কি না, তা বুঝতে নিচের কোরআনিক পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করতে পারেন:

​কুরআন তিলাওয়াত শ্রবণ: বিশেষ করে সূরা বাকারা অথবা রুকইয়াহর আয়াতসমূহ (যেমন: আয়াতুল কুরসি, সূরা ফালাক, সূরা নাস বা কোনো অভিজ্ঞ রাক্বীর সাজেস্টকৃত রুকইয়াহ অডিও) শুনলে যদি শরীরে প্রচণ্ড অস্বস্তি, কাঁপুনি বা দম বন্ধ হয়ে আসার উপক্রম হয়, তবে বুঝবেন সমস্যা থাকতে পারে।

​শারীরিক প্রতিক্রিয়া: রুকইয়াহ চলাকালীন অস্বাভাবিক কান্না, বমি ভাব, অতিরিক্ত কফ বা থুথু আসা, শরীরে ব্যথা, শরীর ঝাঁকি দেওয়া, প্রচণ্ড ঘুম আসা, শরীরের অঙ্গ বাঁকা বা শক্ত হয়ে যাওয়া, স্বয়ংক্রিয়ভাবে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নড়াচড়া করা, শরীর উত্তপ্ত হওয়া কিংবা অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো ঘটনাগুলো জীন-যাদুর উপস্থিতির লক্ষণ।

​স্বপ্ন ও মানসিক অবস্থা: দুঃস্বপ্ন দেখা বা ইবাদতে প্রচণ্ড অনীহা আসা প্রাথমিক সংকেত। এছাড়াও শরীর দুর্বল লাগা, একটার পর একটা অসুস্থতা লেগে থাকা, ডাক্তারি ট্রিটমেন্ট দ্বারা কোন উন্নত না হওয়া, অহেতুক ভয় বা বুক ধড়ফড় করা, কাজে মন না বসা, অনিদ্রা, স্বপ্নে সাপ, কুকুর, বিড়াল বা ষাঁড়ের আক্রমণ দেখা এবং স্বপ্নে বারবার খাবার খেতে দেখা ইত্যাদিও লক্ষণ হতে পারে।

​দ্রষ্টব্য: নির্ভুলভাবে রোগ নির্ণয় এবং যাদুর ধরন জানতে অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ রাক্বীর তত্ত্বাবধানে সরাসরি 'রুকইয়াহ ডায়াগনোসিস' করিয়ে নেওয়া উত্তম।

​৪. সমাধান ও সতর্কতা
​ইস্তিখারা কোনো 'ডিটেকটিভ টুল' বা গোয়েন্দা মাধ্যম নয়; এটি আল্লাহর সাথে বান্দার কথোপকথন। যদি কেউ আপনার সমস্যার কারণ হিসেবে কারও নাম নির্দিষ্ট করে দেয় বা অযৌক্তিক কোনো সমাধান দেয়, তবে বুঝে নেবেন সে ভণ্ড বা জীন পূজারী।
​আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন:
"বলুন, আল্লাহ ব্যতীত আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে কেউই অদৃশ্য বিষয়ের (গায়েবের) জ্ঞান রাখে না।" (সূরা আন-নমল: ৬৫)

​উপসংহার:
আপনার সমস্যা সমাধানের জন্য কোনো ভণ্ড পীর বা তান্ত্রিকের কাছে না গিয়ে বিশুদ্ধ রুকইয়াহর আশ্রয় নিন। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, সকাল-সন্ধ্যার জিকির এবং মাসনুন দোয়াগুলো নিয়মিত পাঠ করলে আল্লাহ আপনাকে যাবতীয় অনিষ্ট থেকে রক্ষা করবেন ইনশাআল্লাহ।

হিজমা কীভাবে আধ্যাত্মিক সমস্যা (জ্বীন, জাদু, বদনজর) দূর করতে সাহায্য করে, সে বিষয়ে নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:​১. হিজ...
28/12/2025

হিজমা কীভাবে আধ্যাত্মিক সমস্যা (জ্বীন, জাদু, বদনজর) দূর করতে সাহায্য করে, সে বিষয়ে নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

​১. হিজামার উপকারিতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ হাদিস
​রাসূলুল্লাহ (সা.) হিজামাকে সর্বোত্তম চিকিৎসা হিসেবে অভিহিত করেছেন। এর সপক্ষে কিছু উল্লেখযোগ্য হাদিস হলো:
​সর্বোত্তম চিকিৎসা: রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "তোমরা যেসব পদ্ধতিতে চিকিৎসা করো, তার মধ্যে হিজামা করাই হলো সর্বোত্তম।" (সহিহ বুখারি ও মুসলিম)।

​মিরাজের রাতে ফেরেশতাদের পরামর্শ: রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, "মিরাজের রাতে আমি ফেরেশতাদের যে দলের পাশ দিয়েই যাচ্ছিলাম, তারা আমাকে বলছিলেন—হে মুহাম্মদ! আপনি আপনার উম্মতকে হিজামা করার নির্দেশ দিন।" (সুনানে ইবনে মাজাহ)।

​রোগ থেকে মুক্তি: জাবির (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বলেছেন, "যদি তোমাদের কোনো ওষুধের মধ্যে কল্যাণ থেকে থাকে, তবে তা হলো হিজামা করা অথবা মধুর পানীয় পান করা..." (সহিহ বুখারি)।

​২. জ্বীন, জাদু ও বদনজর ধ্বংসে হিজামার ভূমিকা:

​আধ্যাত্মিক ব্যাধি বা 'রুকইয়াহ'র ক্ষেত্রে হিজামা অত্যন্ত কার্যকরী। এটি শুধু শারীরিক রক্ত পরিষ্কার করে না, বরং আধ্যাত্মিক বিষক্রিয়া শরীর থেকে বের করে দেয়।
​ক) জাদুর প্রভাব নষ্ট করা
​জাদুর (সিহর) উপকরণ অনেক সময় রক্তের মাধ্যমে শরীরের নির্দিষ্ট অঙ্গে প্রভাব বিস্তার করে। হাদিসে এসেছে, শয়তান মানুষের রক্ত চলাচলের শিরা-উপশিরায় বিচরণ করে। হিজামা করার ফলে শরীরের দূষিত রক্ত বের হওয়ার পাশাপাশি জাদুর যে 'টক্সিন' বা প্রভাব রক্তে মিশে থাকে, তা দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

​খ) জ্বীনের উপদ্রব কমানো
​যদি কোনো ব্যক্তির ওপর জ্বীনের আছর থাকে, তবে হিজামা সেই জ্বীনকে দুর্বল করে দেয়। যেহেতু জ্বীন রক্তে চলাচল করতে পারে, তাই হিজামার মাধ্যমে সেই চলাচলের পথে বাধা সৃষ্টি হয় এবং আক্রান্ত ব্যক্তি দ্রুত সুস্থবোধ করেন।

​গ) বদনজর (আইন) দূর করা
​বদনজরের কারণে শরীরে ক্লান্তি, অলসতা, গিঁটে ব্যথা বা চামড়ায় সমস্যা দেখা দিতে পারে। হিজামা শরীরের সেই অবরুদ্ধ শক্তিকে মুক্ত করে দেয় এবং বদনজরের অশুভ প্রভাব শরীর থেকে টেনে বের করে আনে।

​৩. আধ্যাত্মিক নিরাময়ে হিজামার পদ্ধতি
​আপনি যদি জ্বীন বা জাদুর চিকিৎসার জন্য হিজামা করতে চান, তবে কিছু বিষয় লক্ষ্য রাখা জরুরি:
​রুকইয়াহ ও হিজামার সমন্বয়: হিজামা করার সময় বা আগে রুকইয়াহ (কুরআনের আয়াত পাঠ) শোনা বা পড়া হলে এর কার্যকারিতা বহুগুণ বেড়ে যায়।
​সুনামধন্য স্থান: সবসময় অভিজ্ঞ এবং সুন্নতি পদ্ধতি অনুসরণকারী হিজামা থেরাপিস্টের কাছে যাবেন।

​নিয়ত: সুস্থতার পাশাপাশি এটি যে একটি 'সুন্নত', সেই নিয়ত রাখা জরুরি।
​বিশেষ দ্রষ্টব্য: হিজামা একটি পরিপূরক চিকিৎসা। আধ্যাত্মিক সমস্যার জন্য এর পাশাপাশি নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, সকাল-সন্ধ্যার জিকির এবং মাসনুন দোয়াগুলো পাঠ করা অপরিহার্য।

ফসল রক্ষায় জুতা ঝুলানোর বিধান:আমাদের সমাজে একটি প্রচলিত দৃশ্য হলো—গাছে নতুন ফল আসলে বা ফসলের মাঠে লাঠির আগায় পুরনো ছেঁ...
24/12/2025

ফসল রক্ষায় জুতা ঝুলানোর বিধান:

আমাদের সমাজে একটি প্রচলিত দৃশ্য হলো—গাছে নতুন ফল আসলে বা ফসলের মাঠে লাঠির আগায় পুরনো ছেঁড়া জুতা, ঝাড়ু বা কালো হাঁড়ি ঝুলিয়ে রাখা হয়। সাধারণ মানুষের ধারণা, এর ফলে ফসল 'বদনজর' বা 'জাদুটোনা' থেকে রক্ষা পাবে। কিন্তু ইসলামী শরীয়তের দৃষ্টিতে এটি একটি ভয়াবহ কুসংস্কার এবং শিরক।

১. তাওহীদের পরিপন্থী বিশ্বাস
ইসলাম শিক্ষা দেয় যে, উপকার বা অপকার করার একমাত্র মালিক মহান আল্লাহ। কোনো জড় বস্তু (যেমন: জুতা বা কাপড়) মানুষকে বিপদ থেকে রক্ষা করার ক্ষমতা রাখে না। কুরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন:
> "যদি আল্লাহ তোমাকে কোনো কষ্টে ফেলেন, তবে তিনি ছাড়া আর কেউ তা দূর করতে পারে না। আর যদি তিনি তোমার মঙ্গল চান, তবে তাঁর অনুগ্রহ কেউ রোধ করতে পারে না।" (সূরা ইউনুস: ১০৭)
>
২. এটি একটি ছোট শিরক (Shirk al-Asghar)
রাসূলুল্লাহ (সা.) তাবীজ বা এই জাতীয় বস্তু ঝুলিয়ে রাখাকে শিরক হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি বলেছেন:
> "যে ব্যক্তি (অকল্যাণ থেকে বাঁচতে) কোনো কিছু ঝুলালো, তাকে ওই বস্তুর ওপরই সোপর্দ করে দেওয়া হয়।" (সুনানে তিরমিজি)
>
যদি কেউ বিশ্বাস করে যে, এই জুতা বা পুতুলটি নিজেই ফসলকে রক্ষা করছে, তবে তা বড় শিরক হিসেবে গণ্য হবে, যা একজন মুমিনকে ইসলাম থেকে বের করে দিতে পারে।
৩. বদনজর থেকে বাঁচার সঠিক উপায়
বদনজর সত্য, কিন্তু তা থেকে বাঁচার জন্য ইসলামে সুন্দর ও কার্যকরী আমল শিখিয়ে দেওয়া হয়েছে। জুতা ঝুলানোর পরিবর্তে আমাদের যা করা উচিত:
* মাশাআল্লাহ (MashaAllah) বলা: নিজের বা অন্যের কোনো সুন্দর জিনিস দেখে 'মাশাআল্লাহ' বললে তাতে বদনজর লাগে না।
* দোয়া করা: আল্লাহর কাছে ফসলের বরকত ও নিরাপত্তার জন্য দোয়া করা।
* ইখলাস ও ফালাক-নাস পাঠ: সকাল-সন্ধ্যায় সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক ও সূরা নাস পাঠ করা।
* যদি কোন ফসল/ক্ষেতের উপর বদনজর পতিত হয় সেক্ষেত্রে আমরা রাসূল ﷺ এর শিখানো বদনজরের দোআ এবং সূরা ইখলাস, ফালাক, নাস পাঠ করে পানি ফুঁ দিয়ে সেটা ক্ষেতখামারে ছিটাতে পারি।

মোটকথা:
জুতা, ঝাড়ু বা কাকতাড়ুয়া সদৃশ কোনো পুতুল ঝুলিয়ে ফসল রক্ষার চেষ্টা করা কেবল একটি অর্থহীন কাজই নয়, বরং এটি আমাদের ঈমানকে ধ্বংস করে দেয়। সুতরাং, আসুন আমরা এই সকল কুসংস্কার পরিহার করি এবং প্রতিটি কাজে একমাত্র আল্লাহর ওপর ভরসা করি।

​ #কুসংস্কার #সচেতনতা #ইসলামিক_শিক্ষা #শিরক_থেকে_বাঁচুন #ঈমান

আশিক জ্বীনের লক্ষণ এবং তার প্রভাব!প্রথমত বলে রাখা ভালো যে, আশিক জ্বীনে দুইভাবে আক্রান্ত হতে পারে।(ক) আইন/হাসাদ বা ব্যক্ত...
22/12/2025

আশিক জ্বীনের লক্ষণ এবং তার প্রভাব!

প্রথমত বলে রাখা ভালো যে, আশিক জ্বীনে দুইভাবে আক্রান্ত হতে পারে।

(ক) আইন/হাসাদ বা ব্যক্তির প্রতি ভালো লাগা থেকে।
(খ) যাদুর মাধ্যমে অর্থাৎ কোন ব্যক্তি ভিক্টিমকে কোন কারণে যাদু করলে সেই যাদুর খাদেম জ্বীন পরবর্তীতে আশিক জ্বীনের রূপ নিতে পারে।

​একপাক্ষিক আসক্তি: এরা কোনো মানুষের সৌন্দর্য, গুণ বা আচরণের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে তার প্রেমে পড়ে যায়। এদের ভালোবাসা অনেকটা 'অবসেশন' বা আচ্ছন্নতার মতো।

​হিংসুটে ভাব: এরা ওই ব্যক্তিকে অন্য কারো সাথে (বিশেষ করে জীবনসঙ্গী) ভাগ করে নিতে চায় না। তাই তারা মানুষের বৈবাহিক বা ব্যক্তিগত জীবনে অশান্তি তৈরির চেষ্টা করে।

​নির্জনতা প্রিয়: এরা চায় ভুক্তভোগী মানুষটি একা থাকুক, যাতে তারা তাকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। (এজন্য অনেক সময় দেখা যায় আশিক জ্বীনে আক্রান্ত ব্যক্তি কারো সাথে মিশতে চায় না এমনকি কথাও বলতে চায় না নিরবে একা বা অন্ধকারে থাকতে বেশি স্বাচ্ছন্দবোধ করে)

​২. ঘুমের মধ্যে শারীরিক হয়রানির ধরন
​যেহেতু জ্বীনরা সূক্ষ্ম জগতের বাসিন্দা, তারা সাধারণত মানুষের অবচেতন মনের সুযোগ নিয়ে ঘুমের মধ্যে আক্রমণ করে:
​প্যারালাইসিস বা বোবায় ধরা: ঘুমের মধ্যে মনে হয় কেউ বুকের ওপর চেপে বসে আছে, কিন্তু নড়াচড়া করা বা চিৎকার করা যায় না।

​অস্বাভাবিক স্বপ্ন: ঘুমের মধ্যে কোনো অপরিচিত বা পরিচিত মানুষের সাথে ঘনিষ্ঠ হওয়ার (সহবাস করার) স্বপ্ন দেখা। এই স্বপ্নগুলো বারবার ফিরে আসে।

হস্তমৈথুনের প্রভাব: আশিক জ্বীনে আক্রান্ত হওয়া ব্যক্তি বেশিরভাগ সময় হস্তমৈথুন জড়িয়ে পড়ে হাজারো চেষ্টা করার পরেও এ অভ্যাস থেকে বের হতে পারে না।

​শারীরিক ছাপ: ঘুম থেকে ওঠার পর শরীরে কোনো কারণ ছাড়াই নীলচে বা কালচে দাগ, আঁচড় বা ব্যথার অনুভূতি হওয়া।
​অর্ধ-জাগরণ অবস্থা: অনেক সময় ভুক্তভোগী অনুভব করেন যে কেউ তাকে স্পর্শ করছে বা তার পাশে শুয়ে আছে, কিন্তু চোখ মেলে কাউকে দেখা যায় না।

​৩. দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব
​আশিক জ্বীনের উপস্থিতির কারণে মানুষের আচরণে কিছু পরিবর্তন দেখা দিতে পারে:
​অত্যধিক অলসতা: বিশেষ করে ধর্মীয় কাজে বা ইবাদতে অনীহা আসা।
​মেজাজ খিটখিটে হওয়া: বিনা কারণে প্রিয়জনদের ওপর রাগ করা বা একা থাকার তীব্র ইচ্ছা।

​শারীরিক দুর্বলতা: পর্যাপ্ত ঘুমানোর পরেও সকালে শরীর প্রচণ্ড ক্লান্ত লাগা।

আশিক জ্বীনের প্রাথমিক কিছু সেল্ফ সাজেশনঃ
১। নিয়মিত সকাল সন্ধ্যার মাসনুন আমলগুলো করা।
২। ঘুমের আগের মাসনুন আমগুলো করা যেমনঃ ঘুমের আগে অজু করে নেয়া, বিছানা তিনবার ঝেড়ে নেয়া, আয়াতুল কুরসি তিনকুল তিনবার করে পাঠ করা ইত্যাদি।
৩। সূরা আন-নূর এবং ইউসুফ তেলাওয়াত করা, না পারলে অন্তত প্রতিদিন শোনা।
৪। কোরআনে বর্ণিত যিনা ফাহিশার আয়াতগুলো পাঠ করে পানিতে অলিভ অয়েল ফুঁ দিয়ে ইউজ করা।

✍️ Raqi Mahmud

জ্বীন–যাদুর রোগীদের কেন শয়তান সালাত ও ইবাদতে বাঁধা দেয়?শয়তানের সবচেয়ে বড় লক্ষ্য হলো মানুষকে আল্লাহর রহমত ও নৈকট্য থ...
12/12/2025

জ্বীন–যাদুর রোগীদের কেন শয়তান সালাত ও ইবাদতে বাঁধা দেয়?

শয়তানের সবচেয়ে বড় লক্ষ্য হলো মানুষকে আল্লাহর রহমত ও নৈকট্য থেকে দূরে করা। কারণ শয়তান খুব ভালো জানে—
যে মানুষ আল্লাহর সাথে মজবুতভাবে যুক্ত থাকে, তার ওপর শয়তানের কোনো আধিপত্য থাকে না।

আর আল্লাহর নৈকট্য লাভের সবচেয়ে বড় মাধ্যম হলো সালাত।
সালাত হলো ঈমানের ভিত্তি, হৃদয়ের শান্তি, এবং রূহের শক্তির উৎস।

তাই শয়তান যখন কারো ওপর তার প্রভাব শক্তিশালী করতে চায়—বিশেষ করে জ্বীন–যাদুর রোগীদের ক্ষেত্রে—
তখন তার প্রথম কাজ হলো:

১️⃣ সালাত থেকে দূরে রাখা

কারণ সালাত শয়তানের জ্বালা ও প্রভাবকে দুর্বল করে দেয়।
রোগী যদি পাঁচ ওয়াক্ত নিয়মিত সালাত আদায় করে, তাহলেই শয়তান তার মনের ওপর দখল হারাতে শুরু করে।

২️⃣ ইবাদতে আলসতা, ভয়, অশান্তি তৈরি করা

শয়তান জানে—
যতক্ষণ মানুষ ইবাদতে থাকে, ততক্ষণ সে সুরক্ষিত।
তাই জ্বীন আক্রান্তদের মাঝে ভয়, আলসতা, অলসতা, মনোযোগ ভঙ্গ করা, বিরক্তি—এগুলো তৈরি করা শয়তানের একটি বড় কৌশল।

৩️⃣ আল্লাহ থেকে দূরত্ব তৈরি হলে বাকিটা সহজ

শয়তান যদি কাউকে আল্লাহ থেকে দূরে করতে পারে, তাহলে তার ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা খুব সহজ হয়ে যায়।
তখন সে রোগীর চিন্তা, অনুভূতি, আবেগ পর্যন্ত প্রভাবিত করতে পারে।

অনেকেই মনে করেন জ্বীন লোহাকে ভয় পায়। মনে করেন, সাথে লোহা রাখলে জ্বীন থেকে রক্ষা পাওয়া যায় এবং জ্বীন ক্ষতি করতে পারে ...
11/12/2025

অনেকেই মনে করেন জ্বীন লোহাকে ভয় পায়। মনে করেন, সাথে লোহা রাখলে জ্বীন থেকে রক্ষা পাওয়া যায় এবং জ্বীন ক্ষতি করতে পারে না। তাই অনেকেই বিছানায় লোহা রাখেন, কোথাও গেলে বা সফরে গেলে সাথে লোহা বা ধাতব বস্তু নিয়ে যান।

এগুলো সম্পূর্ণ কুসংস্কার ও ভিত্তিহীন ধারণা। জ্বীনের সাথে এগুলোর কোনো সম্পর্ক নেই।

কবিরাজ ও শয়তানরা সাধারণ মানুষকে মূর্খ রাখার জন্য, কুরআন থেকে দূরে রাখার জন্য, শয়তান পূজায় লিপ্ত করার জন্য, টাকা উপার্জনের জন্য ভিত্তিহীন ও কুফরী-শিরকি বিভিন্ন নিয়ম-পদ্ধতি আবিষ্কার করেছে। যেমন:
- শরীর বন্ধের জন্য তাবিজ লাগবে,
- সুস্থতার জন্য তাবিজ ব্যবহার করতে হবে,
- ঘর বন্ধের জন্য চারকোনায় তাবিজ বা পেরেক ইত্যাদি রাখতে/পুঁতে রাখতে হবে,
- আঁতুড়ঘর বা যে ঘরে বাচ্চা জন্ম গ্রহণ করেছে ৪০ দিন পর্যন্ত সে ঘরে গেলে তাবিজ নষ্ট হয়ে যায়,
- তিন বা চার রাস্তার মোড়ে গোসল করতে হবে ইত্যাদি।

জ্বীন তাড়াতে বা জ্বীনের ক্ষতি থেকে রক্ষা পেতে সাথে লোহা রাখাও এসব কুসংস্কার ও ভিত্তিহীন নিয়ম-পদ্ধতির একটি।

লোহা সাথে রাখলে জ্বীন কোনো ক্ষতি করতে পারবে না—এমন বিশ্বাস রাখা বা এসব বস্তু সাথে রাখা সম্পূর্ণ শিরক। এছাড়াও বাস্তবে এগুলোর কোনো ফায়দা নেই। কুরআন ও হাদীসের কোথাও এর প্রমাণ নেই যে, এগুলো সাথে রাখলে জ্বীন-শয়তান থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

সুতরাং জ্বীন-শয়তান, জাদুটোনা, নজর-হাসাদ এবং সকল প্রকার অনিষ্ট থেকে বাঁচার জন্য, সুস্থতার জন্য কেবলমাত্র আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইতে হবে, বৈধ উপায় গ্রহণ করতে হবে এবং আল্লাহর উপরই ভরসা করতে হবে।

10/12/2025

জাদুর একটি কমন লক্ষণ হলো, বুকে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব হওয়া; বিশেষত রাতের বেলায়।

জ্বিনের বা শাইত্বনের বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য নির্দিষ্ট কিছু বাক্য ও যিকির ব্যবহার। ১. জাদুর বিরুদ্ধে আল্লাহর কালাম:আরবি: م...
08/12/2025

জ্বিনের বা শাইত্বনের বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য নির্দিষ্ট কিছু বাক্য ও যিকির ব্যবহার।

১. জাদুর বিরুদ্ধে আল্লাহর কালাম:

আরবি: مَا جِئْتُمْ بِهِ السِّحْرُ ۖ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ

বাংলা অনুবাদ: "তোমরা যা কিছু নিয়ে এসেছ তা জাদু; নিশ্চয়ই আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন।"

২. শয়তানি মন্ত্রের বিরুদ্ধে যিকির: যখন অনুভব করবেন শয়তান শরীরের ভেতরে কিছু করার চেষ্টা করছে বা মুখ চেপে ধরছে, তখন মনে মনে বা প্রকাশ্যে এটি বলুন:

আরবি: لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ

বাংলা অনুবাদ: "আল্লাহর সাহায্য ও শক্তি ছাড়া কোনো ক্ষমতা বা শক্তি নেই।"

৩. শয়তানের অসাফল্য সম্পর্কে আল্লাহর আয়াত:

আরবি: وَلَا يُفْلِحُ السَّاحِرُ حَيْثُ أَتَىٰ

বাংলা অনুবাদ: "জাদুকর যেখানেই আসুক না কেন, সে সফল হবে না।"


#জ্বীন #জাদু

© মূল রাক্বী আহমদ আছ-ছুছী

04/12/2025

জ্বীন যাদুতে আক্রান্ত পেশেন্ট ছাড়া জ্বীন যাদুর রোগীর কষ্ট কেউ বুঝে না। এক পেশেন্ট তার দুলাভাই এবং বাবাকে নিয়ে আসলো আমাদের সেন্টারে রুকইয়াহ করাতে, পেশেন্ট এসে বসার পর যখন শরীর দুর্বলতা মনের ভয় ইত্যাদি সমস্যার কথা বলতেছিলেন তখনি তার দুলাভাই তাকে এই বলে শাসাচ্ছে যে, কিরে তুই নিয়মিত ব্যয়াম করস না? তোকে না বলছি নিয়মিত ব্যয়াম করলে এসব সমস্যা থাকবে না! পেশেন্ট কাছুমাছু করে বলো করতে পারি না তো! আমি তার দুলাভাইকে জানালাম আসলে জ্বীন যাদুতে যে, আক্রান্ত এটা ভুক্তভোগী ছাড়া কেউ বুঝবে না। তাকে যে, শয়তান সব দিক দিয়ে বেঁধে রাখছে এটা কেবলি সে অনুভব করবে।



#রুকইয়াহ
#রুকইয়াহ_শারইয়্যাহ
#রুকিয়া_চিকিৎসা

03/12/2025

"الرُّقْيَةُ الشَّرْعِيَّةُ لِعِلَاجِ سِحْرِ التَّفْرِيق"

বিচ্ছেদের যাদুর রুকইয়াহ, এসেছিলেন মেয়ের সমস্যা নিয়ে, পরে দেখা গেলে মা এবং মেয়ে উভয়ে বিচ্ছেদের যাদুতে আক্রান্ত! যদিও আরো একাধিক যাদু আছে।

দেখুন প্রত্যেকটা পরিবারে কিরূপ যাদুর ভয়াবহতা বেড়ে গেছে!

#রুকইয়াহ
#রুকইয়াহ_শারইয়্যাহ
#রুকিয়া_চিকিৎসা

আপনি কি জানেন — “মাটি (মাটির কাদা বা ধূলা)” দিয়েও চিকিৎসা করা যায়?শুধু শরীরে তা মেখে দিলেই হয়!মাটির ভেতরে রয়েছে এমন কিছু...
07/10/2025

আপনি কি জানেন — “মাটি (মাটির কাদা বা ধূলা)” দিয়েও চিকিৎসা করা যায়?
শুধু শরীরে তা মেখে দিলেই হয়!
মাটির ভেতরে রয়েছে এমন কিছু উপাদান, যেগুলোতে রয়েছে আরোগ্য লাভের ক্ষমতা।

মাটি মানুষের শরীরকে বহু রোগ থেকে রক্ষা করে —
কারণ এটি শরীরের বিষাক্ত পদার্থ শোষণ করে নেয়।

এটি আমাদের নবী ﷺ-এর একটি ভুলে যাওয়া সুন্নাহ।

রাসূলুল্লাহ ﷺ অসুস্থ ব্যক্তিকে বলতেন: ⤵️

بِسْمِ اللهِ، تُرْبَةُ أَرْضِنَا، بِرِيقَةِ بَعْضِنَا، يُشْفَى سَقِيمُنَا، بِإِذْنِ رَبِّنَا
“আল্লাহর নামে, আমাদের মাটির ধূলা ও আমাদের কারো লালা দ্বারা, আমাদের অসুস্থ ব্যক্তি সুস্থ হয়ে উঠুক — আমাদের রবের অনুমতিতে।”

(এই দোয়াটি সহিহ হাদিসে বর্ণিত (সহিহ বুখারী ও মুসলিম), যা মূলত ছোটখাটো ক্ষত বা ফোঁড়ার স্থানে হালকা চিকিৎসার জন্য বলা হত — মাটির কিছু অংশ ও থুথু মিশিয়ে আল্লাহর নামে লাগানোর মাধ্যমে।)

#সংগৃীত

Address

Kalmia Bazar, Chittagong
Chittagong

Telephone

+8801824991190

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মারকাযুস শিফা রুকইয়াহ এন্ড হিজামা সেন্টার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to মারকাযুস শিফা রুকইয়াহ এন্ড হিজামা সেন্টার:

Share