Azmyn 19 Mind & Body Yoga

Azmyn 19 Mind & Body Yoga Yoga for good Health, Fitness & Beauty
সুস্থতাই হচ্ছে আল্লাহ?

27/01/2025
মশা-মাছির উপদ্রব এবং ছড়ানো রোগে অস্থির হয়ে উঠেছে জনজীবন। সরকারি ও বেসরকারিভাবে ওষুধ ব্যবহার করেও কোনো কূলকিনারা হচ্ছে না...
23/07/2022

মশা-মাছির উপদ্রব এবং ছড়ানো রোগে অস্থির হয়ে উঠেছে জনজীবন। সরকারি ও বেসরকারিভাবে ওষুধ ব্যবহার করেও কোনো কূলকিনারা হচ্ছে না। বরং রোগের বিস্তার বাড়ছে। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মশার কামড়ে ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া, ফাইলেরিয়া ও মশাজাতীয় বিশেষ জীবাণুবাহী বেলে মাছির মাধ্যমে কালাজ্বরের প্রকোপ লেগেই আছে।এ ছাড়া চিকনগুনিয়া ও জাপানিজ এনকেফালাইটিসের ঝুঁকিও থাকছে। চায়না বাংলা জয়েন্ট ভেঞ্চার কোম্পানির এডভান্সড ফর্মুলায় তৈরী পাওয়ার গোল্ড এবং কাউগার্ড মশার কয়েল মশা মাছি ও ক্ষতিকর কীটপতঙ্গ তাড়াতে সমানভাবে কার্যকর। ফ্লাট রেট ও আকর্ষনীয় কমিশনে ডিলার নিতে যোগাযোগ করুন।
সরাসরিঃ ০১৮৯৪৯১৮২১৭

05/11/2021

পুরুষ কিংবা নারী মে কোন ধরনের চুলের সমস্যার জন্য আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন সমাধান নিশ্চিত।।।

14/09/2021

মাথাব্যথা :

মাথাব্যথা আসলে কোনো রোগ নয় , একটি উপসর্গ মাত্র।সব বয়সী মানুষই বিভিন্ন সময়ে এই উপসর্গে ভুগে থাকতে পারেন।এর মধ্যে প্রায় অধিকাংশ ব্যক্তিই টেনশন টাইপ মাথাব্যথা বা মাংসপেশীর সংকোচনজনিত মাথাব্যথায় ভুগে থাকেন, এর পরেই আসে মাইগ্রেন । এছাড়া কেউ কেউ দীর্ঘস্থায়ী মাথাব্যথায়ও আক্রান্ত হয়ে থাকেন।

কারন:
মাথাব্যথার খুব সাধারণ কিছু কারণ হলো- ক্লান্তি, পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব, পানিশূন্যতা, কোষ্ঠকাঠিন্য, দুশ্চিন্তা, মানসিক চাপ, হতাশা, বিষণ্নতা, অতি উজ্জ্বল আলো, উচ্চ শব্দ, দীর্ঘ সময় টেলিভিশন দেখা বা মোবাইল ব্যবহার,অতিরিক্ত পরিশ্রম, দৃষ্টিক্ষীণতাসহ চোখের বিভিন্ন রোগ, জন্মনিয়ন্ত্রণ পিলসহ বিভিন্ন ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, জ্বর, সর্দি, সাইনোসাইটিস, মাথায় আঘাত, দাঁতের রোগ, এমনকি দীর্ঘ সময় অভুক্ত থাকা, উচ্চ রক্তচাপ, হরমোনজনিত সমস্যা, গর্ভাবস্থা প্রভৃতি।

প্রকারভেদ:
মাথাব্যথা প্রধানত দুই ধরনের, যেমন- প্রাইমারি এবং সেকেন্ডারি।যে ধরনের মাথাব্যথায় চোখ বা মস্তিষ্কসহ শরীরের অন্য কোনো অঙ্গে দৃশ্যত কোনো প্যাথোলজি থাকে না, তখন এ ধরনের মাথাব্যথাকে প্রাথমিক ব্যথা বলা হয়। মাইগ্রেন, টেনশন টাইপ হেডেক, ক্লাস্টার হেডেক, অক্সিপিটাল নিউরালজিয়া ইত্যাদি হলো প্রাথমিক মাথাব্যথা।সাইনোসাইটিস, গ্লুকোমা, স্ট্রোক, মাথায় আঘাতজনিত কারণে বা মস্তিস্কের টিউমারের জন্য মাথায় ব্যথা হওয়া, প্রভৃতি হলো মাথাব্যথার সেকেন্ডারি কারণ। অর্থাৎ চোখ, মুখমণ্ডল বা মস্তিষ্কের কোনো রোগ কিংবা এসব অঙ্গে কোনো ধরনের আঘাতের জন্য সেকেন্ডারি পর্যায়ে মাথাব্যথা হয়ে থাকে।

লক্ষণ :
মাথাব্যথার সাথে আরো যেসব লক্ষণ রোগীর থাকতে পারে সেগুলো হল: বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া, মাথা দপ দপ করা, আলো বা অতিরিক্ত শব্দ সহ্য না হওয়া, নাক বন্ধ থাকা, নাক দিয়ে পানি পড়া, ঘাড়ে ব্যথা, মাথা ঘোরানো ইত্যাদি।

প্রতিকার:
নিয়মিত ঘুম, আহার ও শরীরচর্চা, মাথাব্যথা শুরু করতে পারে এমন সব কিছু এড়িয়ে চলার প্রচেষ্টা করা, মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ, অহেতুক দুশ্চিন্তা ত্যাগ করা ইত্যাদি মাথা ব্যথা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। প্রাথমিকভাবে প্যারাসিটামল জাতীয় ব্যথানাশক ওষুধ সেবন করা যেতে পারে।নিয়ন্ত্রণ না হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

করোনা মহামারী শুরুর পর থেকে হাতের জীবাণু ধ্বংস করতে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের কোন বিকল্প নেই।হ্যান্ড স্যানিটাইজার একটি তরল ...
13/09/2021

করোনা মহামারী শুরুর পর থেকে হাতের জীবাণু ধ্বংস করতে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের কোন বিকল্প নেই।হ্যান্ড স্যানিটাইজার একটি তরল বা জেল যা সাধারণত হাতে, রোগ সংক্রামক জীবাণু ধ্বংস করতে ব্যবহৃত হয়। কিছু স্বাস্থ্যসেবা পরিবেশে বেশিরভাগ পরিস্থিতিতে সাবান এবং জল দিয়ে হাত ধৌত করার চাইতে অ্যালকোহল মিশ্রিত বস্তু ব্যবহার অধিক ভাল।এটি সাধারণত জীবাণু মারবার ক্ষেত্রে আরও অধিক কার্যকর এবং সাবান ও জলের চেয়ে ত্বকের জন্য ভাল সহনশীল হয়ে থাকে।
পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা, সাধারণ রোগজীবাণু, করোনা ভাইরাস ও পরিবারের সবার সুরক্ষায় Azmine 19 Mind & Body Yoga তে সুলভে পাবেন China থেকে আমদানিকৃত Chlorhexidine Gluconate 0.5% + Isopropyl alcohol 70% সমৃদ্ধ আন্তর্জাতিক ব্রান্ডের লিকুইড হ্যান্ড স্যানিটাইজার Daily Guard যা ৯৯.৯% আপনাকে ও আপনার পরিবারকে সুরক্ষিত রাখবে।।

12/07/2021

যে ১০ অভ্যাস থাকলে কিডনির দফারফা...

কিডনি আমাদের শরীরে কতটা গুরুতবপূর্ণ অঙ্গ তা আলাদ করে বলার কিছু নেই। এক কথায় আমাদের শরীরকে নোংরামুক্ত করে কিডনি। খাওয়া-দাওয়া বা দূষণ থেকে শরীরে জমা হওয়া নানা টক্সিন শরীর থেকে বার করে, রক্ত পরিষ্কার করে, নানা হরমোন ক্ষরণ করে এবং গুরুত্বপূর্ণ মিনারেল শরীরে শোষণ করে। বুঝতেই পারছেন, এটা ছাড়া আমাদের শরীর একটা আস্তকুড়ে পরিণত হবে। তবে দৈনন্দিন জীবনে আমরা ক্রমাগত এমন কিছু ভুল করে চলেছি যাতে কিডনি ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
দীর্ঘ দিন ধরে এটা চলতে থাকলেও বিশেষ একটা কিছু বোঝা যায় না। নিদেন পক্ষে ২০ শতাংশ ঠিকঠাক থাকলেও কিডনি তার কাজ করেই চলে। তবে যখন বোঝা যায়, তখন বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অনেক দেরি হয়ে যায়। তাই সময় থাকতে সজাগ হোন আর এই ১০ বদ অভ্যাস থাকতে তা অবিলম্বে ত্যাগ করুন।
১) পানি কম খাওয়া: কিডনির কাজ শরীরকে পরিষ্কার রাখা। তার জন্য পরিমিত জলের প্রয়োজন। শরীরে জমা হওয়া টক্সিন এবং ক্ষতিকারক বর্জ্য জলের সাহায্যে ধুয়ে বের করে কিডনি। যদি পানি কম খাওয়া হয়, তবে সেই টক্সিন জমা হতে থাকে কিডনিতে। যেটা একেবারেই কাম্য নয়।
২) খাবারে লবন বেশি খাওয়া: প্রত্যহ শরীর চালনার জন্য সোডিয়াম দরকার। তবে অনেকেরই লবন বেশি খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে। যা রক্তচাপ বাড়িয়ে কিডনিতে চাপ ফেলে। দিনে ৫ গ্রামের বেশি নুন মানেই সেই চাপ আপনি ডেকে আনছেন।
৩) দীর্ঘ ক্ষণ মূত্রের বেগ চেপে রাখা: রাস্তায় ঘুরতে বেরিয়ে বা বাইরে কোথাও পর্যটনে গেলে পাবলিক টয়লেট ব্যবহারে অনেকেরই আপত্তি থাকে। তাই জল কম খেয়ে বা প্রচণ্ড বেগ চেপে রেখে হোটেলে বা বাড়িতে ফিরেই বাথরুমে যান। নিজের অজান্তেই কিডনির বড় ক্ষতি করে ফেলছেন। এর ফলে কিডনিতে পাথর তো হয়ই, সঙ্গে কিডনি বিকলও হতে পারে।
৪) চিনি বেশি খাওয়া: গবেষণায় দেখা গিয়েছে, দিনে ২ বারের বেশি চিনিযুক্ত পানীয় শরীরে গেলে মূত্রের সঙ্গে প্রয়োজনীয় প্রোটিন বেরিয়ে আসে। এটা কিডনি খারাপ হওয়ার প্রাথমিক লক্ষ্মণ।

৫) সুষম আহার না করা: ভিটামিন বা মিনারেলযুক্ত খাবার বা এক কথায় বলতে গেলে প্রচুর শাকসব্জি এবং ফল খাওয়ার ব্যাপারে অনেকের অনীহা থাকে। এটা কিডনিতে পাথর হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটা বাড়িয়ে দেয়।
৬) রেড মিটের ভক্ত: মাংস বলতেই বোঝেন রেড মিট। এমন লোকের অভাব নেই। কিন্তু জানেন কি রেড মিট বেশি খেলে কিডনিতে মেটাবলিক লোড বেশি পড়ে। কারণ প্রচুর প্রোটিনযুক্ত খাবার শরীরে প্রচুর টক্সিনের জন্ম দেয়। যা পরিষ্কার করতে কিডনিকে নিরন্তর কাজ করে যেতে হয়। যাতে পরবর্তীকালে কিডনি ভয়ানক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
৭) কম ঘুমোনো: ক্রমাগত যদি ঘুম কম হয়, তবে শরীরে নানা রোগে বাসা বাঁদে। কিডনি জমিত সমস্যাও এর মধ্যে রয়েছে। সারা দিন কাজ করার পর রাতে ঘুমোনোর সময় আপনার কিডনি তার ক্ষতি হওয়া টিস্যুগুলোকে মেরামত করে। ফলে রাতে ভালো ঘিমোন এবং কিডনিকেও বিশ্রাম নিতে দিন।
৮) অতিরিক্ত কফি: নুনের মতোই ক্যাফেনও রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়। সঙ্গে কিডনির চাপও বাড়ায়। দিনে বার বার কফি খাওয়ার অভ্যাস থাকলে এখনই তা ত্যাগ করুন।
৯) কথায় কথায় পেইন কিলার: সামান্য ব্যাথা পেলেন কি মাথাব্যাথা হল, সঙ্গে সঙ্গে পেইন কিলার চালান করলেন পেটে। অতিরিক্ত পেইন কিলার পরবর্তীকালে লিভার এবং কিডনি দুই শেষ করে।
১০) অতিরিক্ত মদ্যপান: কদাচিত বন্ধুদের আড্ডায় সামান্য মদ্যপান, বা মাসে ২ দিন ওয়াইন শরীরের ক্ষতি করে না। কিন্তু সেটাই যখন সপ্তাহে সপ্তাহে ফিরে আসে, তখনই তা চিন্তার বিষয়। কারণ অ্যালকোহল বা মদ্যপান শরীরে সরাসরি টক্সিনের প্রবেশ করায়। যা লিভার এবং কিডনির পক্ষে অত্যন্ত খারাপ।

12/07/2021

শরীরের যে অঙ্গগুলি খালি হাতে ছোঁয়া উচিত নয় ...

নিজের শরীরের প্রতিটি অঙ্গ ও অংশের উপরে আমাদের সম্পূর্ণ অধিকার রয়েছে। তবে তা সত্ত্বেও শরীরের এমন কয়েকটি জায়গা রয়েছে যেগুলিকে খালি হাতে ছোঁয়া একেবারেই অনুচিত। এই অঙ্গগুলিকে খালি হাতে ছুঁলে সেখান থেকে নানা ধরনের ব্যাকটেরিয়া ও জীবাণু হাতের মাধ্যমে আমাদের শরীরে প্রবেশ করতে পারে। আমরা হাত ধুয়ে নিলেও অনেকসময়ে ওই অঙ্গ থেকে চলে আসা জীবাণু হাতে থেকে যায় এবং তা শরীরের মধ্যে প্রবেশ করে। এর থেকে নানা সংক্রমণও হয়ে থাকে। জেনে নিন, শরীরের কোন অঙ্গগুলিকে খালি হাতে একেবারেই ছোঁয়া উচিত নয়।
কান : অনেকেরই আঙুল বা সরু জিনিস ঢুকিয়ে কান খোঁচানোর অভ্যাস রয়েছে। এমন করলে যেকোনও মুহূর্তে শ্রবণ ক্ষমতা নষ্ট হতে পারে। একইসঙ্গে কানের মধ্যে কোথাও সংক্রমণ হলে তাতে বিপদ আরও বাড়তে পারে।
চোখ : খালি হাতে চোখে হাত দেওয়া মানেই বহু জীবাণুর সংক্রমণ হওয়া। চোখ জ্বালা করলে বা চুলকানি হলে পরিষ্কার নরম কাপড় দিয়ে ধীরে ধীরে চোখে বোলাতে পারেন, খালি হাত নয়।
মুখের ত্বক : মুখের ত্বক খুব সংবেদনশীল হয়। মুখ ধোওয়ার সময় বাদে যখন-তখন মুখে হাত দিলে চামড়ার মারাত্মক ক্ষতি হয়। ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে চামড়ায় সংক্রমণও হতে পারে।
মুখের ভিতর: খাওয়ার সময়ে আমরা মুখের ভিতরে হাত দিই। তবে অন্য কোনও সময়ে নোংরা হাত মুখে দিলেই জীবাণুর সংক্রমণ হবে।
নখ : নানা ধরনের ব্যাকটেরিয়া আঙুলের নখের ভিতরে বাস করে।
দাঁত: দিয়ে নখ কাটা মানে সেই ব্যাকটেরিয়াগুলিকে মুখে প্রবেশ করানো।
নিতম্ব : বিশেষ কারণ ছাড়া নিতম্ভের মাঝে অবস্থিত মলদ্বারের আশেপাশে কখনওই হাত দেওয়া উচিত নয়। এই জায়গাটিতে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ অনেক বেশি থাকে। ফলে তা হাতের মাধ্যমে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থেকে যায়।
গোপনাঙ্গ : গোপনাঙ্গ বা বগলে, এমনকী মাথার চুলেও হাত দিলে সঙ্গে সঙ্গে হাত ধুয়ে নেবেন কারণ সেখানেও বহু ব্যাকটেরিয়ার বাস।
নাক : অনেকেরই নাক খোঁটার অভ্যাস রয়েছে। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, এমন করলে নখের ভিতরের জীবাণু সব হাত দিয়ে নাকে প্রবেশ করে।

12/07/2021

৮ ঘণ্টার বেশি কাজ হতে পারে মৃত্যুর কারন...
আট ঘণ্টা কর্মদিবসের দাবিতে আন্দোলন এখন ইতিহাস। শ্রম আইন অনুযায়ী সরকারি ও বেসরকারি ক্ষেত্রে কর্মচারীদের দৈনিক কাজের স্বীকৃত সময় আট ঘণ্টা। তবে, সেই আট ঘণ্টাটাই নয় এমনকী ১০-১২ ঘণ্টাতেও রূপান্তরিত হয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে।
আবার কিছু জায়গায় কর্মদিবস আটঘণ্টা নির্ধারিত থাকলেও, 'বস'কে খুশি করতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বেশি খেটে দেন অনেকেই। তবে, যে কারণেই হোক, যাঁরা দিনে আট ঘণ্টার বেশি সময় অফিসে কাটান, তাঁদের জন্য কিন্তু ভবিষ্যতে অপেক্ষা করে রয়েছে সমূহ বিপদ। একটি সমীক্ষা বলছে, দিনে আট ঘণ্টার বেশি কাজ করলে ত্বরান্বিত হবে মৃত্যু।
ঘণ্টার নিরিখে কতটা সময় কাজ করলে তা শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর হতে পারে, তা নিয়ে গবেষণা চালানো হয়েছে। প্রায় ৬ লক্ষ মানুষের উপর সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গিয়েছে, যাঁরা সপ্তাহে ৫৫ ঘণ্টা বা তার বেশি সময় কাজ করেন, তাঁদের মধ্যে বেড়ে যায় স্ট্রোক হওয়ার সম্ভাবনা।
স্বাভাবিক যে কাজের সময়, অর্থাত্ যাঁরা সপ্তাহে ৩৫ থেকে ৪০ ঘণ্টা কাজ করেন, তাঁদের থেকে অধিক সময় অফিসে কাটানো কর্মীদের স্ট্রোক হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায় ৩৩%। শুধু তাই নয়, ১৩% ক্ষেত্রে বেড়ে যায় হার্টের সমস্যাও।
গত ন বছর ধরে ইউরোপ, আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়ার ৬,০৩,৮৩৮ জন পুরুষ ও মহিলা কর্মীদের উপর ২৫টি সমীক্ষা চালানো হয়েছে। তারই সম্মিলিত ফল প্রকাশিত হয়েছে এই সমীক্ষায়। লন্ডন ইউনিভার্সিটি কলেজের অধ্যাপক মিকা কিভিমাকি এই সমীক্ষা চালিয়েছেন।

12/07/2021

মহাষৌধ মাছ ...
বাংলাদেশের মানুষ মাছে-ভাতে থাকতে ভালোবাসে। সারা দুনিয়ায় এই সুনাম আমাদের রয়েছে। ভাতের সঙ্গে একটুকরো মাছ না হলে বহু মানুষ রয়েছেন যাদের খাওয়া অতৃপ্ত থেকে যায়। তবে এই অভ্যাস যে কতোটা উপকারী স্বাস্থ্যের পক্ষে, তা এবার জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরাই। মাছের মধ্যে এমন সব উপাদান রয়েছে যা সুস্থ থাকতে অনুঘটকের কাজ করে। তাই আমিশাষীরা মাংসের বদলে মাছ বেশি করে খাওয়া অভ্যাস করলে অনেক বেশি উপকার পাবেন। জেনে নিন কোন কোন উপকার পেতে মাছকে রাখবেন আপনার প্রতিদিনের খাবার টেবিলে।
নানা পুষ্টিগুণে ঠাসা : মাছ নানা ধরনের মাছের মধ্যে রয়েছে হাজারো পুষ্টিগুণ। ভিটামিন ডি, ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের মতো উপাদানগুলি শরীরের হাজারো সমস্যায় প্রতিষেধকের কাজ করে। এছাড়াও নানা ধরনের প্রোটিন ও আয়োডিন থাকে মাছের মধ্যে।
সুস্থ বৃদ্ধির সহায়ক : ছোটবেলা থেকেই মাছ খেলে বাচ্চাদের বৃদ্ধি অনেক ভালো হয়। এছাড়াও মস্তিষ্কের বিকাশ ও চোখের দৃষ্টি মজবুত হয় মাছ খেলে।
অবসাদ কমাতে : সাহায্য করে অবসাদগ্রস্ত মানুষদের মেজাজ অনেক সময়ই খারাপ থাকে। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, মাছের মধ্যে থাকা ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড অবসাদ কমাতে সাহায্য করে।
হার্টের রোগ কমায় : হার্টের যেকোনও সমস্যাকে আটকাতে সাহায্য করে মাছ খাওয়া। প্রতিদিন মাছ খেলে স্ট্রোকের মতো সমস্যার প্রবণতা অনেক কমে যায়।
ঘুম ভালো হয় : আজকের দিনে হাজারো চিন্তায় ঘুম ভালো করে হয় না বহু মানুষের। তবে সপ্তাহে অন্তত ২দিন করে মাছ খেলে ঘুম ভালো হবে।
মস্তিষ্কের জন্য ভালো : বয়সের সঙ্গে সঙ্গে মস্তিষ্কের ক্ষমতা অনেক কমে যায়। তবে সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, যারা নিয়মিত মাছ খান, তাদের ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ হারে কমে যায় মস্তিষ্কের বয়স। ফলে মস্তিষ্ক বেশি সচল থাকে।
সুস্থ ত্বক : ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের কারণে নিয়মিত মাছ খেলে ত্বক ও চুল ভালো থাকে।
ভিটামিন ডি-তে সমৃদ্ধ : এখনকার দিনে অনেকেরই সূর্যের তাপে পুড়ে ভিটামিন ডি গ্রহণ করা হয় না। তবে তার বিকল্প হিসাবে মাছ খেলে শরীরে ভিটামিন ডি-র ঘাটতি পূরণ হয়।
চোখের সমস্যা কমায় : মাছ খেলে চোখের নানা সমস্যা সহজে দেখা দেয় না।
স্পার্মের মান ভালো হয় : বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, যে পুরুষেরা মাছ বেশি খান, তাদের স্পার্মের মান অনেক বেশি ভালো হয়।
ক্যানসারের প্রবণতা কমায় : মাছের মধ্যে থাকা ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ক্যানসারের প্রবণতাকে ৩০-৫০ শতাংশ পর্যন্ত কম করতে পারে। কোলন ক্যানসার, ব্রেস্ট ক্যনসার ও ওরাল ক্যানসারের প্রবণতা মাছ খেলে অনেক কমে যায়।
ডায়বেটিসের সম্ভাবনা কমে : প্রতিনিয়ত মাছ খেলে রক্তচাপ ও তাতে শর্করার পরিমাণকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। ফলে ডায়বেটিসের আশঙ্কা কমে যায়।

12/07/2021

বিবাহিত জীবনে ভালোবাসা বাড়ায় যেসব খাবার...
খাবার কী ভালোবাসার সর্ম্পকে কোনো ভুমিকা রাখে ? বিশেষজ্ঞরা বলেন আলবত রাখে। বিবাহিত জীবনে প্রবেশের পর স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভালোবাসার সম্পর্ক গোটা জীবনকে সুন্দর করে তোলে। মন সুস্থ থাকলে তার সুপ্রভাব শরীরের উপরও পড়ে। বিবাহিত জীবনকে আরও সুন্দর করে তুলতে কিছু খাবারের জুড়ি মেলা ভার। স্বামী-স্ত্রীর সুস্থ সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যেতে কোন খাবারগুলি কী ভুমিকা রাখে দেয়া নেয়া যাক।
বাদাম : হার্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে বাদাম খাওয়া আবশ্যক। এছাড়াও ক্ষতিকারক কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে রক্তনালী গুলিকে পরিষ্কার রাখে বাদাম।
ডার্ক চকোলেট : বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ডার্ক চকোলেট তৎক্ষণাৎ আপনার খারাপ মুড ভালো করতে পারে। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও ফাইটো-নিউন্ট্রিয়েন্টস। এছাড়াও রয়েছে ম্যাগনেশিয়াম যা শরীরের পেশি ও নার্ভগুলিকে রিল্যাক্স করে।
টম্যাটো : টম্যোটোতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্টস ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় পুষ্টিগুণ যা বিশেষ করে পুরুষের যৌনাঙ্গে রক্তের প্রবাহকে বাড়িয়ে তোলে।
স্ট্রবেরি : স্ট্রবেরিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি যা মাংসপেশি ও নার্ভের জন্য উপযোগী। ফলে যে খাবার আপনার নার্ভকে সুস্থ রাখবে তা নিঃসন্দেহে ভালোবাসা বাড়িয়ে তুলবে।
কপি : কপির পাতায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি ও ম্যাগনেশিয়াম। যা শরীরে গেলে যৌন মিলনের সময় বৃদ্ধি পায়।
গাজর : গাজরের রস খান বা কাঁচা বা সবজি বানিয়ে, সবভাবেই উপকার পাবেন।
মাছ : মাছে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। যা খেলে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ককে আরও সুন্দর হয়ে ওঠে।
পালং শাক : সবুজ পালংয়ের পাতায় রয়েছে ফাইটো-নিউট্রিয়েন্টস, অ্যান্টি অক্সিডেন্টস, ভিটামিন, খনিজের মিশেল। এই সবকিছুই শরীরে রক্তের প্রবাহকে বাড়িয়ে তোলে।
ব্রকোলি : বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ব্রকোলিতে রয়েছে এমন উপাদান যা ভালোবাসার মাত্রাকে কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়। বাজার চলতি নানা ধরনের পিল ব্যবহার করার চেয়ে ব্রকোলির উপর ভরসা রাখতে পারেন।
ভুট্টা : ভুট্টায় রয়েছে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, লোহার মতো খনিজ যা শরীরের জন্যও অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।
শশা : শশা এমনিতে শরীরের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। স্বামী-স্ত্রীর ভালোবাসা বাড়াতেও এটি অনুঘটকের কাজ করে।
রসুন : খাবারে রসুনের প্রয়োগ রান্নার স্বাদ বাড়িয়ে দেয়। তেমনই এটি ভালোবাসাকেও বাড়িয়ে দিতে পারে কারণ এটি রক্ত সঞ্চালনকে তরান্বিত করতে পারে।
কলা : কলায় রয়েছে ম্যাগনেশিয়াম ও পটাশিয়াম। এছাড়াও রয়েছে নানা উপকারী খনিজ। রোজ একটি করে কলা শরীরের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

পেঁয়াজ : যৌন চাহিদাকে বাড়িয়ে তুলতে পেঁয়াজের জুড়ি মেলা ভার। প্রতিদিন স্যালাডের সঙ্গে পেঁয়াজ খেলে বিবাহিতরা বেশি উপকার পাবেন।
খেঁজুর : খেঁজুরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও লোহা, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়ামের মতো খনিজ যা বিবাহিতদের জন্য প্রয়োজনীয়।

12/07/2021

যে ১০ বদভ্যাস আপনার বুদ্ধির ধার কমায়...

কারোও বুদ্ধি ক্ষুরধার, কারও বা ভোঁতা। মানুষের বুদ্ধিমত্তা কী যে কোনও পরিস্থিতিতে তফাৎ গড়ে দিতে পারে। বুদ্ধি যদি সঙ্গী থাকে তাহলে যে কোনও পরিস্থিতিতে শুরু বুদ্ধির জোরেই বাজিমাত করাও সম্ভব। কিন্তু বুদ্ধি এমন একটি জিনিস যাকে প্রতিনিয়ত ঘষামাজা করতে হয়। মাথাকে যদি কাজ না করানো যায়, তাহলে সেই ত্বেজী বুদ্ধি নিজের ত্বেজ হারাতেও সময় নেয় না। আচ্ছা ধ্যান, যোগাভ্যাস কী বুদ্ধি তীক্ষ্ন করতে সাহায্য করে? উত্তর হবে, কিছু ক্ষেত্রে হ্যাঁ।
আচ্ছা এমন কোনও বিশেষ অভ্যাসের জন্য কী আপনার বুদ্ধির ধার কমতে পারে? উত্তর, অবশ্যই। এটুকু শুনেই বেশি ঘাবড়ে যাবেন না। সবসময় একটি জিনিস মাথায় রাখবেন, সুস্থ বুদ্ধি, সুস্থ শরীরেই বসবাস করে। সুস্থ বলতে এখানে শুধু শরীর নয়, মনও বটে। অর্থাৎ শরীরের পাশাপাশি মনকেও সুস্থ রাখতে হবে। আর সেক্ষেত্রে অবশ্যই জানা দরকার কোন কোন বদভ্যাস থেকে আপনার বুদ্ধি খর্ব হতে পারে।
অতিরিক্ত ঘুম : কোনও কিছুই মাত্রাতিরিক্ত করা ভাল নয়। ঘুমও নয়। অতিরিক্ত ঘুম মানসির স্বাস্থ্যের জন্য একেবারেই উপকারি নয়। অতিরিক্ত ঘুমের ফলে ক্রমে মস্তিষ্ক অলস হতে শুরু করে। এর ফলে মন খারপ অসুখেও পরিণত হতে পারে।
ধূমপান : ধূমপান মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কাজে বাধা প্রদান করে। ফলে মস্তিষ্ক তার স্বাভাবিক কাজ করতে পারে না। ধীরে ধীরে বুদ্ধির ধার কমতে থাকে। পাশাপাশি স্মৃতিশক্তিতেও প্রভাব পড়ে।
অপুষ্টি : অপুষ্টির জেরেও বুদ্ধি লোপ পেতে শুরু করে। কারণ মানসিক ও শারীরিক সুস্থতার জন্য যে পুষ্টিগুন আমাদের প্রয়োজন তা সঠিক পরিমান আমাদের শরীরে ঢুকছে না। এই জন্য রোগা হওয়ার জন্য না খেয়ে থাকা, ক্র্যাশ ডায়েট করা একেবারেই উচিত নয়।
মস্তিষ্কে অতিরিক্ত চাপ নেওয়া : আজকালকার প্রতিযোগিতার দুনিয়ায় মানসিক চাপ ক্রমশই বেড়ে চলেছে। কিন্তু অকারণে মানসিক চাপ নেওয়া অনেকের চারিত্রিক বৈশিষ্টর মধ্যে পড়ে। এর ফলে মস্তিষ্কে চাপ পড়ে, আর এর ফলে আপনার মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কাজের গতিবিধি ব্যহত হয়।
জীবনযাপন : আপনার জীবন যদি গতানুগতিক হয়, সেক্ষেত্রেও আপনার মানসিক স্বাস্থ্যে তার প্রভাব পড়তে পারে। সচল জীবনযাপন আপনার মাথাকে অতিরিক্ত অক্সিজেন জোগায়। যা আপনার বুদ্ধিকে ঘষে মেজে তৈরি করতে সাহায্য করে।
অপর্যাপ্ত ঘুম : বেশি ঘুমও যেমন শরীরের পক্ষে ভাল না, তেমনই ৭-৮ ঘন্টার কম ঘুমও শরীরের পক্ষে ভাল না। অনেকেই আছেন, সকাল তাড়াতাড়ি কাজে বেরনো সত্ত্বেও দেরি করে ঘুমতো যান। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, দেরি করে ঘুমলে গভীর ঘুম হওয়ার সম্ভাবনা ৬০ শতাংশ কম থাকে। তার উপর ৭-৮ ঘন্টা ঘুম না হলে শরীর অসুস্থ হয়ে পড়ে। যা আপনার বুদ্ধিতেও প্রভাব ফেলতে পারে।
অ্যালকোহল অতিরিক্ত পরিমানে অ্যালকোহল সেবন করলে তার ফলে ডিপ্রেশন বা সারাক্ষণ উদ্বিগ্ন থাকার সমস্যা দেখা যেতে পারে। এর ফলে আপনার মানসিক শক্তিতে প্রভাব পড়তে পারে।
মাথার ব্যায়াম: যে কোনও যন্ত্রপাতি বহুদিন ধরে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থাকলে তাতে জং পড়ে যায় কাজ করতে পারে না যন্ত্রপাতিগুলি। আমাদের মাথার মধ্যেও এরকম একাধিক যন্ত্রপাতি রয়েছে। কিন্তু আমরা যদি নতুন কিছু শেখার মা জানার চেষ্টা না করি, মাথা যদি না খাটাই তাহলে মাথার ভিতরেরে যন্ত্রপাতিগুলোও অচল হয়ে পড়ে। ফলে ধীরে ধীরে বুদ্ধি লোপ পেতে থাকে।
একাকীত্ব : সবসময় চেষ্টা করুন একার সঙ্গে সময় না কাটিয়ে, ভারচুয়াল লাইফের বাইরে বাস্তব জীবনে মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করুন। একার সঙ্গে সময় কাটাতে থাকলে সামাজিক জীবনের অভাব আপনার মস্তিষ্কে ও বুদ্ধিমত্তায় পড়তে পারে।

12/07/2021

যে সব খাবারে আপনার স্মৃতিশক্তি লোপ পেতে পারে!...
বয়সের সঙ্গে ধীরে ধীরে স্মৃতিশক্তি ক্ষমতা কমতে থাকে, এবং অনেকে ক্ষেত্রে তা ক্রমেই অ্যালজাইমার নামের রোগে পরিণত হয়। এর ফলে প্রাথমিকভাবে কোনও কিছু মনে রাখার ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হয়। ধীরে ধীরে স্মৃতিশক্তি লোপ পায়। স্মৃতিশক্তির সমস্যা মস্তিষ্কে আঘাত লাগলে হতে পারে। স্ট্রোকের ফলে হতে পারে, টিউমার এমনকী সুগার থেকেও হতে পারে।
এক্ষেত্রে খাওয়াদাওয়ার একটা বড় ভূমিকা রয়েছে। কারণ যে খাবার আপনি খাচ্ছেন তার প্রভাব কিন্তু আপনার স্মৃতিশক্তিতে পরতে পারে। ফসফরাসে পরিপূর্ণ খাবার আঙুর, কমলালেবু, খেজুর এই ধরণের খাবার স্মৃতিশক্তি জোরদার করতে সাহায্য করে। অন্যদিকে কার্বোহাইড্রেটে পরিপূর্ন খাবার শরীরের উৎপন্ন টক্সিনের উদ্দীপক হিসাবে কাজ করে, এবং মস্তিষ্কের কাজকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। আসুন ঝটপট দেখে নেওয়া যাক কোন ধরনের খাবার খেল স্মৃতিশক্তির ক্ষয় হতে পারে।

ময়দা থেকে তৈরি খাবার পাউরুটি, পাস্তা, নুডলস, জাতীয় খাবারে কার্বোহাইড্রেট বেশি থাকে। যা শরীরের শর্করা স্তরকে বাড়িয়ে দেয়। আর ডায়বেটিস স্মৃতিশক্তি লোপের অন্যতম কারণ হতে পারে।

মাইক্রোওয়েভ পপকর্ন ইনস্ট্যান্ট পপকনের যে প্যাকেটগুলি বাজারে পাওয়া যায় তাতে ডায়াসেটল নামের একটি উপাদান থাকে। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, এই উপাদানের যোগ রয়েছে অ্যালজাইমার রোগের সঙ্গে। মস্তিষ্কে রক্তচলাচল বাধাপ্রাপ্ত করে।

কেমিক্যাল সুইটনার কেমিক্যাল সুইটনারে নানা ধরনের ক্ষতিকর উপাদান থাকে, যার ফলে মাথা ধরা, ওজন ঘাটতি, তন্দ্রাচ্ছন্ন থাকা, স্মৃতিশক্তিভ্রমের মতো নানা অসুবিধা হতে পারে।

বিয়ার যারা দিনে বিয়ারের দুটি করে পাইট খান তাদের অ্যালজাইমার রোগ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। একটি সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, যারা ১৫-২০ বছর ধরে অ্যালকোহল সেবন করছে তাদের জীবনের শেষের দিতে স্মৃতি ভ্রমের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।

প্রসেসড চিজ চিজ থেকে প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়। কিন্তু আমেরিকান চিজ বা মোজারেলা চিজে সম্পৃক্ত চর্বি রয়েছে। যা স্মৃতিশক্তি লোপ পাওয়ার সম্ভবনাকে ত্বরাণ্বিত করে।

Address

Chittagong
4212

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Friday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801961100100

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Azmyn 19 Mind & Body Yoga posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Azmyn 19 Mind & Body Yoga:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram