ডাঃ সুমন পিয়াস

ডাঃ সুমন পিয়াস 👨‍⚕️Medicine Minor Surgery Skin, Sexual, Maternal and pediatric Diseases.

MPH(Medicine-Premier University CTG).MCH(Dhaka Child Hospital).Community Peramedical (RTM International Dhaka)Gov't BNMC Reg-10120👨‍⚕️.
ফ্রী_চিকিৎসা-র জন্য ইনবক্স করুন,ধন্যবাদ।☎️

লিভার কেন নষ্ট হয় বা পঁচে যায় ?? লিভার নষ্টের ৯ কারণ জেনে নিন !! মানুষের দেহের প্রধান অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলোর মধ্যে অন্যতম হল...
09/08/2025

লিভার কেন নষ্ট হয় বা পঁচে যায় ?? লিভার নষ্টের ৯ কারণ জেনে নিন !!
মানুষের দেহের প্রধান অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলোর মধ্যে অন্যতম হল লিভার। দেহের স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনায় লিভারের সুস্থতা অনেক জরুরী। কিন্তু কিছু বাজে অভ্যাসের কারণে প্রতিনিয়ত মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে লিভার। এরই ফলাফল হিসেবে লিভার ড্যামেজের মতো মারাত্মক সমস্যায় ভুগতে দেখা যায় অনেককেই। এই অঙ্গটি নষ্ট হওয়ার পিছনে কারণগুলি দেখে নেওয়া যাক
১) দেরি করে ঘুমোতে যাওয়া এবং দেরি করে ঘুম থেকে ওঠা দুটোই লিভার নষ্টের কারণ। এতে শারীরিক সাইকেলের সম্পূর্ণ উল্টোটা ঘটতে থাকেএবং তার মারাত্মক বাজে প্রভাব পরে লিভারের উপরে।
২) অনেকেই সকালে ঘুম থেকে উঠেও কুড়েমি করে প্রস্রাবের বেগ হলেও বাথরুমে না গিয়ে তা চেপে শুয়েই থাকেন। এতে লিভারের উপরে চাপ পড়ে এবং লিভার স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা হারায়।
৩) অতিরিক্ত বেশি খাওয়াদাওয়া করা লিভারের পক্ষে ক্ষতিকর । অনেকেই আবাব বহুক্ষণ সময় না খেয়ে একবারে অনেক বেশি বেশি করে খেয়ে ফেলেন। এতে হঠাৎ করে লিভারের উপরে চাপ বেশি পরে এবং লিভার ড্যামেজ হওয়ার আশংকা থাকে।
৪) সকালের খাবার না খাওয়ায় লিভার পক্ষে ক্ষতিকর। যেহেতু অনেকটা সময় পেট খালি থাকার কারণে অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গের পাশাপাশি খাদ্যের অভাবে কর্মক্ষমতা হারাতে থাকে লিভারও।
৫) অনেক বেশি ঔষধ খেলে লিভার নষ্ট হয়৷ বিশেষ করে ব্যথানাশক ঔষধের জেরে লিভারের কর্মক্ষমতার হ্রাস পায়ে। এছাড়াও ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় ক্ষতি হয় লিভারের। এতে করে লিভার ড্যামেজ হয়ে যাওয়ার আশংকা দেখা দেয়।
৬) কেমিক্যাল সমৃদ্ধ যেকোনো কিছুই লিভারের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। কিন্তু আলসেমি ও মুখের স্বাদের জন্য আমরা অনেকেই প্রিজারভেটিভ খাবার, আর্টিফিশিয়াল ফুড কালার, আর্টিফিশিয়াল চিনি ইত্যাদি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলি যা লিভার নষ্টের অন্যতম কারণ।
৭) খারাপ তেল ও অতিরিক্ত তৈলাক্ত খাবার লিভারের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। একই তেলে বারবার ভাজা খাবার বা পোড়া তেলের খাবার বেশি পরিমাণে খাওয়া হলে লিভার তার স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা হারাতে থাকে।
৮) অতিরিক্ত কাঁচা খাবার খাওয়াও লিভারের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। যেমন আপনি যদি খুব বেশি কাঁচা ফলমূল বা সবজি খেতে থাকেন তাহলে তা হজমের জন্য অতিরিক্ত কাজ করতে হয় পরিপাকতন্ত্রের। এর প্রভাব পড়ে লিভারের উপরেও। সুতরাং অতিরিক্ত খাবেন না।
৯) অতিরিক্ত পরিমাণে মদ্য পান করা লিভার নষ্টের আরেকটি মূল কারণ। অ্যালকোহলের ক্ষতিকর উপাদান সমূহ লিভারের মারাত্মক ক্ষতির কারণ।

♦️অস্টিওআর্থারাইটিস একটি দীর্ঘস্থায়ী অটোইমিউন রোগ যা জয়েন্টগুলিতে প্রদাহ, ব্যথা এবং শক্ত হয়ে যায়। অস্টিওআর্থারাইটিসে...
08/08/2025

♦️অস্টিওআর্থারাইটিস একটি দীর্ঘস্থায়ী অটোইমিউন রোগ যা জয়েন্টগুলিতে প্রদাহ, ব্যথা এবং শক্ত হয়ে যায়।

অস্টিওআর্থারাইটিসের বিপরীতে, যা জয়েন্টগুলিতে ক্ষয় এবং ছিঁড়ে যাওয়ার কারণে ঘটে, আরএ তখন ঘটে যখন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা ভুল করে তার নিজস্ব সুস্থ টিস্যুগুলিকে আক্রমণ করে, বিশেষ করে জয়েন্টগুলির আস্তরণকে।

✅আরএ:
আরএ লক্ষণগুলি প্রায়শই কয়েক সপ্তাহ বা মাস ধরে ধীরে ধীরে বিকাশ লাভ করে। এগুলি "প্রসারণ" এবং "ক্ষতির" সময়কালে আসতে এবং যেতে পারে। সবচেয়ে সাধারণ লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে:

* অস্টিওআর্থারাইটিসের তীব্রতা: এটি প্রায়শই একটি কম্পনশীল, যন্ত্রণাদায়ক ব্যথা যা সকালে বা নিষ্ক্রিয়তার পরে আরও খারাপ হয়। RA থেকে সকালের শক্ত হওয়া এক ঘন্টা বা তার বেশি সময় ধরে স্থায়ী হতে পারে, যা এটিকে অস্টিওআর্থারাইটিসের সাথে সম্পর্কিত শক্ততা থেকে আলাদা করে।

* জয়েন্টের আস্তরণের প্রদাহ: জয়েন্টের আস্তরণের প্রদাহের ফলে জয়েন্টগুলি ফোলা, কোমল এবং স্পর্শে উষ্ণ বোধ করতে পারে।

* রোগ নির্ণয়, রোগ নির্ণয়, রোগ নির্ণয়: এগুলি হল সাধারণ লক্ষণ যা জয়েন্ট-নির্দিষ্ট লক্ষণগুলির আগে বা তার সাথে থাকতে পারে।

* রোগ নির্ণয়: আক্রান্ত জয়েন্টের কাছে ত্বকের নিচে শক্ত পিণ্ড, যাকে রিউমাটয়েড নোডুলস বলা হয়, তৈরি হতে পারে।

RA সাধারণত হাত ও পায়ের ছোট জয়েন্টগুলিকে প্রভাবিত করে তবে কব্জি, কনুই, হাঁটু, গোড়ালি এবং কাঁধের মতো বৃহত্তর জয়েন্টগুলিকেও প্রভাবিত করতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে, প্রদাহ শরীরের অন্যান্য অংশকেও প্রভাবিত করতে পারে, যার মধ্যে রয়েছে পা, পা, পা, পা, পেট, পেটের ব্যথা।

𝗖𝗮𝘂𝘀𝗲𝘀
RA এর সঠিক কারণ অজানা, তবে এটি জেনেটিক এবং পরিবেশগত কারণগুলির সংমিশ্রণ বলে মনে করা হয়। জয়েন্টগুলিতে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার আক্রমণ এই রোগের লক্ষণ। যদিও নির্দিষ্ট জিনগুলি একজন ব্যক্তির ঝুঁকি বাড়াতে পারে, এই জিনগুলির সকলেরই RA বিকাশ হয় না। ধূমপান বা নির্দিষ্ট সংক্রমণের মতো পরিবেশগত কারণগুলিও ভূমিকা পালন করতে পারে।

RA
RA এর কোনও প্রতিকার নেই, তবে লক্ষণগুলি পরিচালনা, জয়েন্টের ক্ষতি কমাতে এবং জীবনের একটি ভাল মান বজায় রাখার জন্য প্রাথমিক রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চিকিৎসা পরিকল্পনা প্রায়শই বহুমুখী হয় এবং এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে:

* চিকিৎসা:
* চিকিৎসা-প্রক্রিয়া: এগুলি হল RA চিকিৎসার মূল ভিত্তি। মেথোট্রেক্সেট, সালফাসালাজিন এবং হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইনের মতো ওষুধগুলি রোগের অগ্রগতি ধীর করে এবং স্থায়ী জয়েন্টের ক্ষতি রোধ করে।

***(**আইবুপ্রোফেনের মতো NSAIDs ব্যথা এবং প্রদাহ উপশম করতে সাহায্য করতে পারে।**

***প্রেডনিসোন: প্রদাহ এবং ব্যথা দ্রুত কমাতে প্রেডনিসোনের মতো ওষুধ অল্প সময়ের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে।* দৈনন্দিন কাজ করুন এবং আপনার জয়েন্টগুলিকে সুরক্ষিত রাখুন।

* সতর্কতা: গুরুতর জয়েন্টের ক্ষতির ক্ষেত্রে, আক্রান্ত জয়েন্টগুলি মেরামত বা প্রতিস্থাপনের জন্য অস্ত্রোপচার একটি বিকল্প হতে পারে।

✅ কোমরে একটু ব্যথা হলেই বুকটা ধক করে ওঠে...এই বুঝি কিডনিটা গেল!আর পায়ে পানি এলে তো কথাই নাই...সামান্য একটু পা ফুললেই মনে...
08/08/2025

✅ কোমরে একটু ব্যথা হলেই বুকটা ধক করে ওঠে...এই বুঝি কিডনিটা গেল!
আর পায়ে পানি এলে তো কথাই নাই...সামান্য একটু পা ফুললেই মনে শংকা জাগে...কিডনি ভাল আছে তো!
অথচ বেশিরভাগ রোগীই দেখি ভিন্ন কথা বলে! বিশেষ করে অল্প বয়স্ক বা মধ্য বয়স্ক রোগী!

কত আর বয়স হবে... এই ৩০ কিংবা ৪০!
হঠাৎ করেই কিডনি অকেজো...হয় চেঞ্জ করা লাগবে...নয়ত বাকী জীবন ডায়ালাইসিস করেই কাটাতে হবে!
ব্যপারটা খুব কষ্টের না?
দিব্বি একটা সুস্থ মানুষ! বয়সে একেবারেই ইয়াং...কিছু বুঝে ওঠার আগেই কিডনি শেষ!

না ছিল তাদের কোমর ব্যথা, না পা ফোলা!
তবে সবারই কিছু কমন উপসর্গ ছিল, যা তারা পাত্তাই দেননি!

১.
খাবারে অরুচি।
হঠাৎ করে কিছুদিন ধরে কিছু খেতে ইচ্ছে করেনা। প্রিয় খাবার গুলো ভালো লাগেনা!
২.
শরীর খুব দূর্বল লাগে!
কোন কিছুতেই এ দূর্বলতা কাটেনা! একেবারে কোন এনার্জি নাই।
জাস্ট এই দুইটা উপসর্গ। কারো কারো প্রস্রাবের পরিমান কিছুটা কমে যায়!
এসব উপসর্গ নিয়ে ডাক্তারের কাছে গেলেন...ডাক্তার CBC করতে দিলেন....Serum Creatinine দেখতে বললেন!
ফলাফল, ক্রিয়েটিনিন অনেক হাই....হিমোগ্লোবিন অনেক কম!
ডাক্তারের মুখে বিষন্নতা!

কিডনি ফেইল্যর এর রোগী আপনি!
অল্প বয়সে কিডনি বিকল!
কেন এমন হয়?
১.
ব্যথা নাশক ঔষধ ঘনঘন খেলে
২.
প্রেসার/ডায়াবেটিস থাকলে যদি নিয়ন্ত্রণে রাখা না হয়!
৩.
ছোটবেলায় কিডনির ইনফেকশনের ইতিহাস থাকলে!
এসবই মূল কারণ!

তাই, কারো যদি খুব দূর্বল দূর্বল লাগে...একেবারে রুচি কমে যায়!
তবে প্লিজ, CBC, Serum Creatinine আর Urine R/M/E (প্রস্রাবের পরীক্ষা) করে নিবেন! নিকটস্থ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
আসুন...ভালো তথ্য ছড়াই...অন্যকে ভালো থাকার অসিলা হই!

ঔষধ পরিচিতি ও ব্যবহার

゚viralシviralシfypシ゚viralシalシ

👉কোন্ প্রাণী কামড়ালে কী করবেন.?? জলাতঙ্ক + কুকুর-বিড়াল বা ইদুরের কামড় আথবা যারা কুকুরকে বাসায় পালেন ও আদর করে চুমু খান, ...
07/08/2025

👉কোন্ প্রাণী কামড়ালে কী করবেন.??
জলাতঙ্ক + কুকুর-বিড়াল বা ইদুরের কামড় আথবা যারা কুকুরকে বাসায় পালেন ও আদর করে চুমু খান, তাদের জন্য রয়েছে দুঃসংবাদ বা অশনী সংঙ্কেত!!!
আমাদের দেশে প্রতি বছর অনেক মানুষ কুকুর-বিড়াল ও ইদুর সহ বিভিন্ন প্রানির কামড়ে মারা যায়!! অনেকের-ই মনে প্রশ্ন, কি কি পশু কামড়ালে ভেক্সিন দিতে হয়? আজকে তুলে ধরছি তার আন্তপান্ত!"!
বিষয়টি সম্পর্কে ভালোভাবে অবগত হওয়ার জন্য লেখাগুলো পড়ুন এবং নিন্মে দেওয়া ভিডিও দুটি ও ছবিগুলো ফলো করুন এবং জন সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ও নিজের পরিচিত জনদেরকে জানানোর জন্য পোষ্টটি বেশি বেশি #শেয়ার করুন।।
র্যাবিস(Rabies) বা জলাতঙ্ক প্রতিরোধে প্রতিষেধকের (Anti rabis vaccine) বিকল্প নাই কারন র্যাবিস / জলাতঙ্ক হলে মৃত্যু অবধারিত। এবং যারা বাসা-বাড়িতে কুকুর / বিড়াল পালেন এবং আদর করে চুমু খান ও কোলে বা বুকে জড়িয়ে নেন, তাদের জন্য ও রয়েছে রেড সিগনাল!!🔫 তাদেরকে অনুরোধ ১ম ভিডিও টি গুরুত্ত্ব দিয়ে দেখুন এবং সাবধান হউন!!! আর গ্রামের যারা এই সকল প্রানী কামড়ালে ফকিরের কলা পড়া ও পানি পড়া খান ও বিশ্বাস করে, তারা দয়া করে ২য় ভিডিওটি দেখুন।।
জলাতঙ্ক বা হাইড্রোফোবিয়া কি? কুকুর/বিড়াল/শিয়াল/বেজী/বানর/বাদুর/ইদুর/চিকা কামড়ালে করণীয় কি??
জলাতঙ্ক বা হাইড্রোফোবিয়া মূলত একটি ভাইরাসজনিত মারাত্মক রোগ। এ রোগকে হাইড্রোফোবিয়া না বলে র‌্যাবিস’ও (Rabies) বলা হয়। র‌্যাবিস শব্দটি একটি ল্যাটিন শব্দ, যার অর্থ পাগলামী করা। সাধারণত কুকুর, বিড়াল, বানর, চিকা, শেয়াল, বেজি ইত্যাদি প্রাণী জলাতঙ্কের বাহক। ভাইরাসজনিত র‌্যাবিস জীবাণু দ্বারা মানুষ আক্রান্ত হলে যে রোগ-লক্ষণ প্রকাশ পায় তাকে জলাতঙ্ক বলা হয়। মূলত জলাতঙ্ক আক্রান্ত পশু বা রোগীর আচরণ থেকেই এই নামকরণের সূত্রপাত। এ রোগের প্রধান লক্ষণ জল দেখলেই ভয় পাওয়া, জল খাওয়া বা পান করার সময় খাদ্য নালীর উর্ধভাগের মাংসপেশীতে তীব্র ব্যথা ইত্যাদি।
জলাতঙ্ক একবার হলে রোগীকে বাঁচানো একটু কঠিন বা অনেক ক্ষেত্রে বাঁচানো সম্ভব হয় না। তবে বর্তমানে এ রোগের উন্নত চিকিৎসা আছে। কুকুরে কামড়ানোর সাথে সাথেই চিকিৎসকের পরামর্শ মত ভ্যাকসিন নেয়া শুরু করলে ভয়ের সম্ভাবনা অনেক কমে যায়। সাধারনত কুকুর, বিড়াল, শেয়াল, বানর, ইঁদুর, বেজি ইত্যাদি প্রাণী বিশেষ করে কুকুর, র‌্যাবিস জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হলে এবং মানুষকে কামড়ালে এ রোগ হয়। এসব প্রাণীর মুখের লালায় র‌্যাবিস ভাইরাস জীবাণু থাকে এবং এ লালা কামড় বা কোন পুরানো ক্ষতের মাধ্যমে বা আঁচড়ের মাধ্যমে রক্তের সংস্পর্শে আসলে রক্তের মাধ্যমে শরীরে ছড়িয়ে পড়ে এবং জলাতঙ্ক রোগ সৃষ্টি হয়। সব কুকুরে কামড়ালেই কিন্তু জলাতঙ্ক রোগ হয় না। যদি কুকুরটির লালায় র‌্যাবিস জীবাণু না থাকে তাহলে কুকুরের কামড়ে এ রোগ হবে না। মূলত কুকুরের কামড়েই আমাদের দেশে শতকরা ৯৫ ভাগ জলাতঙ্ক রোগ হয়। জলাতঙ্ক র‌্যাবিস এর অনেকগুলো লক্ষণের একটি। বাতাসভীতিও এ রোগের আরেকটি লক্ষণ।
জলাতঙ্ক আক্রান্ত মানুষের লক্ষণ
Rabies নামক এক প্রকার ভাইরাস জলাতঙ্ক বা হাইড্রোফোবিয়া (Hydrophobia) রোগের জন্য দায়ী। কুকুর কামড়ানোর ১ থেকে ৭ সপ্তাহের মধ্যে জলাতঙ্কের লক্ষণগুলো দেখা দিতে শুরু করে। লক্ষণ প্রকাশের পূর্বেই অর্থাৎ কুকুরে কামড়ালেই চিকিৎসা শুরু করতে হবে৷ Rabies ভাইরাসে আক্রান্ত কুকুর কোন মানুষকে কামড়ালে, ভাইরাসটি সেই ব্যক্তির দেহে প্রবেশ করে ও কিছু অস্বাভাবিক লক্ষণের প্রকাশ ঘটায়। যেমন-
এর প্রধান লক্ষণ হল জল বা কোন তরল দেখে আতঙ্কিত হওয়া, পানি খেতে চায় না, পানি দেখলে ভয় পায়।
কামড়ের জায়গায় ব্যথা ও চিনিচিন করে আবার চুলকানি হতে পারে।
পেটে ব্যথা
স্নান করতে অনীহা ভাব
শরীরের পেশীতে টান লাগা
মুখ থেকে অতিরিক্ত থুতু বের হওয়া।
শ্বাস কষ্ট হওয়া
পানি পিপাসা থাকা
মুখ থেকে লালা পড়ে
মৃদু জ্বর, ঢোক গিলতে অসুবিধা
খিঁচুনি হতে পারে।
শান্ত অবস্থা থেকে হঠাৎ রেগে যাওয়া বা অতিরিক্ত উত্তেজনা
রোগী অজ্ঞান হয়ে যেতে পারে এবং প্যারালাইসিস হতে পারে।
অনেক ক্ষেত্রে মৃদু বায়ু প্রবাহেও রোগী ভয় পেতে পারে।
আবোল তাবোল কথা বলা।
অনেক ক্ষেত্রে আক্রান্ত মানুষ অন্য আক্রান্ত প্রানির মতো অন্য মানুষকে কামরাতে চাইতে পারে।
কুকুর কামড়ালে কি করবেন?
লক্ষণ প্রকাশ পাবার পর এ রোগের কোনো চিকিৎসা নেই এবং রোগীর মৃত্যুর সম্ভাবনাই বেশি। তবে এই মারাত্মক রোগ সম্পূর্ণরূপে প্রতিরোধযোগ্য। কুকুর বা অন্য কোন প্রাণীর কামড়ের সাথে সাথে ক্ষতস্থান সাবান বা এনটিসেপটিক দ্বারা পরিস্কার করলে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী যাথাযথ ভেকসিন গ্রহন করলে সহজেই এই রোগ প্রতিরোধ করা যায়।
প্রথমেই ক্ষতস্থানটি সাবান, পটাসিয়াম পারম্যাঙ্গানেট দ্রবণ, ৪০-৭০% অ্যালকোহল, পোভিডিন অথবা আয়োডিন যেকোনো একটি দিয়ে ক্ষতস্থানটিকে ভালো করে ভিজিয়ে পরিস্কার করে নিতে হবে। এতে ক্ষতিকর ভাইরাস ক্ষত স্থানে লেগে থাকলে তা নষ্ট হয়ে যাবে।
তারপর দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ইঞ্জেকশান রাবিপুর
১ম দিন একটি
এর ৩ দিন পর একটি
এর ৭ দিন পর একটি
এর ১৪ দিন পর একটি
এর ২৮তম দিনে একটি,
এবং এরপর ৯০তম দিনে একটি,
সর্বমোট ৬টি টিকা দিতে মাংসপেশিতে নিতে হবে। আক্রান্ত কুকুর কামড়ানোর পরও টিকা নিলে অনেকটা নিরাপদ অবস্থায় থাকা যায়।
আগে বলা হতো, কোনো কুকুর কামড়ালে সেই কুকুরকে ১০ দিন বেধে রেখে পর্যবেক্ষণ করতে হবে এবং ১০ দিনের মধ্যে কুকুরটি যদি মারা না যায়, তাহলে চিকিৎসার প্রয়োজন নেই। কিন্তু এখন সে ধারণা সত্য নয় বলে প্রমাণিত হয়েছে অর্থাৎ বাইরে থেকে আপাত সুস্থ দেখতে কুকুরের মধ্যেও জলাতঙ্কের জীবাণু থাকতে পারে। তাই কুকুরে কামড়ালে দেরি না করে অবশ্যই টিকা নিতে হবে। সেই সঙ্গে ইমিউনোগ্লোবিওলিন ইনজেকশনও দিতে হবে।
অপরদিকে যারা এসব প্রাণী নিয়ে কাজ করেন তারা সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী আগেই টিকা দিয়ে রাখতে পারেন।
জলাতঙ্ক বা হাইড্রোফোবিয়া কি? কুকুর কামড়ালে করণীয়
জলাতঙ্ক প্রতিরোধে করনীয়
পোষা কুকুর বা বিড়ালকে নিয়মিত টিকা দিতে হবে।
বেওয়ারিশ কুকুর মেরে ফেলার ব্যবস্থা করতে হবে।
যেসব প্রাণীর আঁচড় বা কামড়ে জলাতঙ্ক রোগ হয়, যেমন- কুকুর, বিড়াল ইত্যাদি প্রাণী থেকে সাবধানে থাকতে হবে। বিশেষ করে বাচ্চাদের এসব প্রাণী থেকে দূরে রাখতে হবে।
পূর্ব প্রস্ততি হিসেবে কুকুরে না কামড়ালেও আগে থেকে এ টিকা দেওয়া যায়। সেক্ষেত্রে ০, ৭, ২১ অথবা ২৮তম দিনে তিন থেকে চারটি টিকা দিতে হবে।
কুকুর কামড়ালে সাথে সাথে ক্ষতস্থান সাবান দিয়ে ভালভাবে ধুতে হবে। এরপর সেখানে পভিডন আয়োডিন দিতে হবে।
কামড়ানোর স্থান কোন কিছু দিয়ে ঢেকে রাখা যাবে না।
জলাতঙ্ক রোগ হতে পারে এমন কুকুর বা অন্য পশু কামড় বা আঁচড় দিলে সঙ্গে সঙ্গে টিকা নেওয়া উচিত। সেক্ষেত্রে
১ম দিন একটি
এর ৩ দিন পর একটি
এর ৭ দিন পর একটি
এর ১৪ দিন পর একটি
এবং এর ২৮তম দিনে একটি, সর্বমোট ৫টি টিকা দিতে হবে।
জলাতঙ্ক আক্রান্ত কুকুরের লক্ষণ
কুকুর বা অন্য কোনো প্রাণী কামড়ালে দিশেহারা না হয়ে প্রাণীটিকে ধরে ভালভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। দংশিত প্রাণীটিকে হত্যা না করে ১০ দিন বেঁধে রেখে পর্যবেক্ষণ করে যদি নিম্নলিখিত লক্ষনসমূহ প্রকাশ পায় তবে বুঝতে হবে প্রাণীটি ভাইরাসে আক্রান্ত। দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পদক্ষেপ নিতে হবে। লক্ষনসমূহ নিম্নরুপঃ
আক্রান্ত প্রাণী পাগলের মতো আচরন করে এবং সব কিছু কামড়ানোর প্রবনতা দেখা যায়।
উদ্দেশ্যহীন ভাবে ছোটাছুটি করতে পারে।
খাবার কিংবা জল গ্রহণ বন্ধ করে দেওয়া।
মুখ থেকে অত্যধিক হারে লালা নিঃসৃত হবে।
ঘন ঘন ঘেউ ঘেউ অথবা বিড় বিড় শব্দ করা।
হাপ টেনে শ্বাস নেওয়া।
এক পর্যায়ে গলার মাংস পেশিতে পক্ষাঘাত হওয়ায় আর ঘেউ ঘেউ করতে পারে না।
আবার কিছু ক্ষেত্র আক্রান্ত প্রানীর মধ্যে উত্তেজনা ভাব প্রকাশ না পেয়ে চুপচাপ থাকতে পারে।
কুকুরটি খাওয়া বন্ধ করে দেওয়ার কারনে নিস্তেজ হয়ে পড়ে এবং কয়েক দিনের মধ্যে মারা যায়। সাধারণভাবে আক্রান্ত কুকুরটি ১০ দিনের মধ্যে মারা যায়।
পোষা প্রাণীর ক্ষেত্রে জলাতঙ্ক প্রতিরোধে করনীয়
যেহেতু জলাতঙ্কে আক্রান্ত হলে বাঁচার সম্ভাবনা খুবই কম, তাই সতর্কতা অবলম্বন করা এবং প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণ করাই একমাত্র পথ। যেমন-
পোষা কুকুরটি গলায় ব্যাল্ট পরিয়ে রাখতে হবে।
রাস্তার বেওয়ারিস কুকুরগুলো মেরে ফেলতে হবে।
পোষা কুকুর-বিড়ালকে চিকিৎসকের মাধ্যমে জলাতঙ্কের টিকা দিতে হবে।
এ্যান্টি র‌্যাবিস ভ্যাকসিন “রাবিপোর”
কুকুর কামড়ালে এখন আর নাভির চারদিকে ১৪টি ইঞ্জেকশন নিতে হয় না। দেশের সকল জেলাতেই এখন বিনামূল্যে এ্যান্টি র‌্যাবিস ভ্যাকসিন রাবিপোর পাওয়া যায়। ৫টি ইঞ্জেকশনে এক ডোজ। প্রতিটি জেলার সিভিল সার্জনের অধীনে একটি করে জলাতঙ্কের টিকাদান কেন্দ্র আছে, যেখান থেকে বিনামূল্যে এ টিকা সংগ্রহ করা যাবে।
সবশেষে
মোটামুটিভাবে বাংলাদেশে জীবজন্তুর কামড়ের ব্যাপকতা প্রতি এক হাজার জনে ১৩ জন। তার মধ্যে ৬ থেকে ১০ বছরের শিশু কিশোরের হারই সর্বাধিক অর্থাৎ ২৭.৬% এবং তারপরে ৪১ থেকে ৬০ বছর বয়সের মানুষের হার ১৬.৩%। অর্থাৎ ১৫ বছরের নিচে শিশু কিশোর ও বয়স্ক মানুষ এ রোগের জন্য অধিক ঝুঁকিপূর্ণ, কারন- শিশুরা জীব জন্তু নিয়ে খেলা করে এবং বয়স্ক ব্যক্তিরা জীব জন্তু প্রতিহত করার ক্ষমতা কম রাখে। আবার আক্রান্ত মানুষের মধ্যে শতকরা ৩৩.৩ জন ভ্যাকসিন গ্রহণ করে, ৬২.৫ জন ভ্যাকসিন গ্রহণ করে না এবং ৩.১ জন ভেকসিন সম্পর্কে জানেই না। দারিদ্রতা এবং অসচেতনতাই বেশিরভাগ মানুষ ভ্যাকসিন না নেয়ার অন্যতম প্রধান কারন। তাই, সচেতনতা বাড়ানোর মাধ্যমেই জলাতঙ্ক প্রতিরোধ করা সম্ভব।
কথায় আছে – রোগ বালাই বলে কয়ে আসে না। কথাটা পুরোপুরি সত্য নয়। যেকোনো অসুখ মারাত্মক আকার ধারণ করার আগে নানা ধরণের উপসর্গ দেখা দেয়। আমরা অনেক ক্ষেত্রেই সেসব উপসর্গকে গুরুত্ব সহকারে দেখি না। ফলে সম্ভাব্য ঝুঁকি এড়ানো যায় না। অথচ সামান্য একটু সচেতনতাই পারে যেকোনো অসুখ প্রকট আকার ধারণ করার আগে আরোগ্য লাভের ক্ষেত্রে সাহায্য করতে।
জলাতঙ্ক (Rabies) একটি মারাত্মক ভাইরাসজনিত রোগ, যা সাধারণত রোগাক্রান্ত প্রাণীর কামড়, আঁচড় বা লালার মাধ্যমে মানুষ বা অন্যান্য প্রাণীর দেহে ছড়িয়ে পড়ে।
যে সব প্রাণীর কামড়ে বা আঁচড়ে ভ্যাকসিন নিতে হয়-
১/ কুকুর
২/বিড়াল
৩/শিয়াল
৪/বেঁজি
৫/ বানর
৬/বাদুর
যে সব প্রাণীর কামড়ে বা আঁচড়ে ভ্যাকসিন নিতে হয় না -
১/ইদুর
২/ খরগোশ
৩/কাঠবিড়ালি
৪/গুইসাপ
৫/মানুষ
কুকুর কামড়ালে কী করবেন?
১/ আক্রান্ত জায়গা ১০-১৫ মিনিট প্রবাহিত পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন
২/জেলা সদর হাসপাতাল বা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এ জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন বিনামূল্যে পাওয়া যায়, তা গ্রহণ করুন।
৩/ এলাকায় বা পোষা কুকুর বা বিড়ালকে ভ্যাকসিন দিন..

#শেয়ার
#মানবদেহ_নিয়ে_গুরুত্বপূর্ণ_সব_তথ্যঃ

🩺 স্বাস্থ্য ও রোগ বিষয়ক MCQ:১. ডায়াবেটিস রোগে শরীরের কোন অঙ্গ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়?ক) যকৃতখ) ফুসফুসগ) অগ্ন্যাশয় ✅ঘ...
01/08/2025

🩺 স্বাস্থ্য ও রোগ বিষয়ক MCQ:
১. ডায়াবেটিস রোগে শরীরের কোন অঙ্গ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়?
ক) যকৃত
খ) ফুসফুস
গ) অগ্ন্যাশয় ✅
ঘ) পাকস্থলী

২. রক্তচাপ পরিমাপের যন্ত্রের নাম কী?
ক) থার্মোমিটার
খ) স্টেথোস্কোপ
গ) স্পাইগমোম্যানোমিটার ✅
ঘ) গ্লুকোমিটার

৩. এইচআইভি ভাইরাস কোন ধরণের কোষকে আক্রান্ত করে?
ক) স্নায়ু কোষ
খ) লোহিত রক্তকণিকা
গ) টি-হেল্পার সেল ✅
ঘ) প্লেটলেট

৪. হেপাটাইটিস-বি রোগটি প্রধানত কোন অঙ্গকে আক্রমণ করে?
ক) হৃদপিণ্ড
খ) যকৃত ✅
গ) কিডনি
ঘ) ফুসফুস

৫. ক্যান্সার একটি —
ক) ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগ
খ) ভাইরাসজনিত রোগ
গ) অস্বাভাবিক কোষ বিভাজনের ফল ✅
ঘ) বংশগত রোগ

৬. ডেঙ্গু রোগটি কোন মাধ্যমে ছড়ায়?
ক) খাদ্য
খ) জল
গ) এডিস মশা ✅
ঘ) বাতাস

৭. কোন রোগের টিকা 'BCG' নামে পরিচিত?
ক) হাম
খ) পোলিও
গ) যক্ষ্মা ✅
ঘ) হেপাটাইটিস

৮. পোলিও রোগে আক্রান্ত হলে শরীরের কোন অংশ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়?
ক) কিডনি
খ) যকৃত
গ) স্নায়ুতন্ত্র ✅
ঘ) হৃদপিণ্ড

৯. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে কোন ভিটামিন সাহায্য করে?
ক) ভিটামিন এ
খ) ভিটামিন বি
গ) ভিটামিন সি ✅
ঘ) ভিটামিন কে

১০. টাইফয়েড জ্বর কোন ব্যাকটেরিয়া দ্বারা হয়?
ক) স্যালমোনেলা টাইফি ✅
খ) ই-কোলাই
গ) স্ট্যাফিলোকক্কাস
ঘ) বাসিলাস

১১. কলেরা ছড়ায় —
ক) বাতাসে
খ) দুষিত পানির মাধ্যমে ✅
গ) কাশি ও হাঁচিতে
ঘ) চামড়ার সংস্পর্শে

১২. ক্যান্সার শনাক্তকরণে কোন টেস্ট ব্যবহৃত হয়?
ক) এমআরআই
খ) সিটি স্ক্যান
গ) বায়োপসি ✅
ঘ) ইসিজি

১৩. জলাতঙ্ক রোগের জীবাণু —
ক) ব্যাকটেরিয়া
খ) ভাইরাস ✅
গ) ফাংগাস
ঘ) প্রোটোজোয়া

১৪. থ্যালাসেমিয়া একটি —
ক) ভাইরাসজনিত রোগ
খ) সংক্রামক রোগ
গ) বংশগত রোগ ✅
ঘ) ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ

১৫. মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে কী বলে?
ক) শ্বাসপ্রণালী
খ) স্নায়ুতন্ত্র
গ) ইমিউন সিস্টেম ✅
ঘ) পরিপাকতন্ত্র
সৌজন্যে ঃ- বেনু মেডিকেল সেন্টার

Pompholyx (Dyshidrotic Eczema) সম্পর্কে বিস্তারিত।🔍 Pompholyx কী?Pompholyx, যাকে Dyshidrotic Eczema ও বলা হয়, এটি এক ধর...
01/08/2025

Pompholyx (Dyshidrotic Eczema) সম্পর্কে বিস্তারিত।

🔍 Pompholyx কী?

Pompholyx, যাকে Dyshidrotic Eczema ও বলা হয়, এটি এক ধরনের চর্মরোগ যেখানে রোগীর হাত বা পায়ের তালু ও আঙুলে ছোট ছোট পানিভর্তি ফোসকা দেখা যায়। এটি সাধারণত খুব চুলকানিযুক্ত ও অস্বস্তিকর হয়। এই রোগটি শিশুদের মধ্যে তুলনামূলকভাবে কম দেখা যায়, তবে দেখা গেলেও এটি চিনে নেওয়া জরুরি।

📌 প্রধান লক্ষণসমূহ

১. ছোট ছোট ফোসকা – প্রধানত হাত বা পায়ের তালু এবং আঙুলের পাশে হয়।
২. তীব্র চুলকানি – ফোসকার আগমনের আগে বা সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়।
৩. ফোসকা ফেটে যাওয়া – মাঝে মাঝে ফোসকা ফেটে গিয়ে ব্যথা ও জ্বালাপোড়া হতে পারে।
৪. ত্বক খোসা ছাড়ানো – ফোসকা শুকিয়ে গেলে চামড়া উঠে যেতে পারে।
৫. লালচে ও স্ফীত ত্বক – আক্রান্ত অংশ ফুলে যায় এবং লালচে দেখায়।

⚠️ রোগের ধাপ (Stages):

১. Initial stage: ছোট ছোট ফোসকা ওঠা
২. Acute stage: ফোসকা ফেটে যাওয়া ও ব্যথা
৩. Healing stage: খোসা ছাড়ানো ও শুকানো

🧪 Pompholyx হওয়ার সম্ভাব্য কারণ

Pompholyx-এর সঠিক কারণ এখনো পুরোপুরি নিশ্চিত নয়, তবে কিছু সম্ভাব্য কারণ হলো:
• অ্যালার্জি প্রবণতা (Atopy)
• অতিরিক্ত ঘাম (Hyperhidrosis)
• অ্যালার্জিক কন্টাক্ট ডার্মাটাইটিস
• মানসিক চাপ বা উদ্বেগ
• গরম ও আর্দ্র আবহাওয়া
• ছারপোকা, ডিটারজেন্ট বা ধুলো-ময়লার সংস্পর্শ।

🧼 বাসায় করণীয় যত্ন (Home Care):

করণীয় বর্ণনা

✅ ত্বক পরিষ্কার ও শুকনো রাখা নরম তোয়ালে দিয়ে মুছুন, ঘেমে গেলে দ্রুত পরিষ্কার করুন
✅ মাইল্ড সাবান ব্যবহার করা
✅ ঠান্ডা পানির সেঁক চুলকানি কমাতে দিনে ২-৩ বার
✅ ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ভেসলিন বা ক্রিম
✅ নখ ছোট রাখা চুলকানির সময় আঁচড়ে ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত না হয়
✅ তুলার মোজা ও হাতমোজা ত্বক ঘর্ষণ থেকে রক্ষা পাবে।

💊 চিকিৎসা (Medical Treatment):

১. মলম / ক্রিম:
• Mild cases: Emollient এবং moisturizing cream
• Moderate: Steroid cream (e.g. hydrocortisone অথবা বেটামেথাসন)
• Severe: দীর্ঘমেয়াদে পুনরাবৃত্তি হলে Topical calcineurin inhibitors (Tacrolimus বা Pimecrolimus)
২. Oral antihistamines: চুলকানি কমাতে।
৩. ফোসকা ইনফেক্টেড হলে: Topical অথবা Oral Antibiotic
৪. Wet compress: ফোসকা শুকানোর জন্য।

⚠️ যা করা যাবে না:

❌ ফোসকা ফাটানো যাবে না
❌ চুলকাতে দেওয়া যাবে না
❌ গরম পানিতে হাত/পা ডুবানো যাবে না
❌ স্টেরয়েড ক্রিম অতিরিক্ত ব্যবহার করা যাবে না
❌ ডিটারজেন্ট, সাবান বা কেমিক্যালে হাত ডুবানো যাবে না

উপসংহার:
Pompholyx (Dyshidrotic Eczema) একটি সাধারণ কিন্তু অস্বস্তিকর চর্মরোগ। যথাযথ পরিচর্যা, পরিচ্ছন্নতা এবং প্রয়োজনে সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে এটি সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য।

দয়াকরে আপনারা সবাই সচেতন হবেন।

পোস্টটি শেয়ার করুন। অসংখ্য বাবা-মায়ের সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য এই পোষ্টটি পড়া অত্যন্ত জরুরী।

ধন্যবাদ 🙏

📢 ভয়াবহ ভাইরাস জ্বর চলছে — সতর্ক হোন, যত্ন নিন!এই মুহূর্তে একটা নতুন ধরনের ভাইরাস জ্বর ছড়িয়ে পড়েছে চারদিকে।ডেংগু বা ...
31/07/2025

📢 ভয়াবহ ভাইরাস জ্বর চলছে — সতর্ক হোন, যত্ন নিন!

এই মুহূর্তে একটা নতুন ধরনের ভাইরাস জ্বর ছড়িয়ে পড়েছে চারদিকে।
ডেংগু বা চিকনগুনিয়া নয়, তবে লক্ষণগুলো ভয়াবহ এবং অনেকেই এতে আক্রান্ত হচ্ছেন।

আমার অনেক পরিচিতরাই এই জ্বরে ভুগছে,
শুধু বলছে মাথা ব্যথা পা ব্যথা হাত ব্যাথা,
যে অসুস্থ হবে
তাকে কিছুক্ষণ পরপর স্বাস্থ্যকর খাবার দিবেন খাবারের উপরে কোন মেডিসিন নাই।
আমি ছোটবেলা থেকেই বাচ্চাদেরকে জ্বর হলে এন্টিবায়োটিক দেই না,
ঘরোয়া এন্টিবায়োটিক হলুদের পানি
আমার কাছে মনে হয় এটা সব রোগের জন্য কাজ করে
সকালে খালি পেটে হলুদের পানি খাওয়াই এবং রাতে খাবার আগে,

এইসব রোগীরা খাবার দেখলে মনে করে বি*ষ, অল্প অল্প করে কিছুক্ষণ পরপর খাবার দিবেন
বমি করলে বমির মেডিসিন দিয়ে বমি বন্ধ করবে আগে।

🛑 লক্ষণগুলো:

হঠাৎ করে তীব্র জ্বর (১০৩°–১০৪°F)

শরীরের বিভিন্ন জায়গায় প্রচণ্ড ব্যথা (মাসল, জয়েন্ট, চোখ, পিঠ) মাথা ব্যাথা

প্রচণ্ড দুর্বলতা, মাথা ঘোরা

প্রেসার লো হয়ে যেতে পারে

খাবার খেতে না পারা

জ্বর নেমে যাওয়ার পরও শরীরের ব্যথা রয়ে যায় অনেকদিন এবং প্রচুর দুর্বল থাকে।

✅ কী করবেন? চিকিৎসা ও সেরে ওঠার টিপস:

🥣 খাবার:

1. ভিটামিন সি-যুক্ত ফল: মাল্টা, কমলা, লেবু, আমলকি আমড়া,পেয়ারা,

2. জিঙ্ক ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ খাবার: কলা, পাকা পেঁপে, ডিমের কুসুম

3. প্রোটিন: ডিম (সিদ্ধ), চিকেন স্যুপ, ডাল, খিচুড়ি মাছ

4. পানি বেশি করে খান – দিনে অন্তত ৩ লিটার ( স্যালাইন
বা লেবুর শরবত খাওয়া যেতে পারে) তবে চিনি খাওয়া মোটেই ঠিক নয়।

🧊 ব্যথা ও জ্বরের জন্য:

প্যারাসিটামল (ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী)

গরম পানির সেঁক বা হালকা ম্যাসাজ

তুলসি, আদা, মধু দিয়ে ভাপ বা কাশির জন্য পানীয়

💆 জ্বরের পরের শরীর ব্যথা কমানোর ঘরোয়া টিপস:

গরম পানিতে লবণ দিয়ে গা মুছানো

হালকা স্ট্রেচিং বা ধীরে ধীরে হাঁটা শুরু করা

ম্যাগনেসিয়ামযুক্ত খাবার (পানিতে ভেজানো বাদাম, কলা)

আয়ুর্বেদিক তেল (যেমন নারকেল তেল বা পুদিনার তেল) দিয়ে হালকা মালিশ
⚠️ কখন হাসপাতালে যাবেন:

বারবার জ্বর আসছে

প্রেসার খুব কমে যাচ্ছে

খাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে/অজ্ঞান ভাব

রক্তচাপ ও হৃদস্পন্দন অনিয়মিত
🧘‍♀️ মনে রাখবেন:

> জ্বর চলে গেলেও শরীর পুরোপুরি দুর্বল হয়ে পড়ে।
তাই ধৈর্য ধরে বিশ্রাম, ভালো খাবার, আর পর্যাপ্ত পানি–এগুলোই দ্রুত সেরে ওঠার চাবিকাঠি।

আপনাদের আশেপাশে কেউ আক্রান্ত হলে পোস্টটা শেয়ার করে তাকে জানাও কীভাবে একটু ভালোভাবে যত্ন নিতে পারে।

❤️ সুস্থ থাকুক পরিবারের পাশে থাকুন, বন্ধুবান্ধব, আশপাশের সবাই।আরো জানতে চায়লে কমেন্ট করুন ধন্যবাদ👨‍⚕️
.

অস্ত্রোপচারের দীর্ঘদিন পরেও সেলাইয়ের জায়গায় চুলকানির পেছনে কিছু কারণ: ১. নিউরোপ্যাথিক ইচিং (Neuropathic Itching):চুলকানি...
31/07/2025

অস্ত্রোপচারের দীর্ঘদিন পরেও সেলাইয়ের জায়গায় চুলকানির পেছনে কিছু কারণ:

১. নিউরোপ্যাথিক ইচিং (Neuropathic Itching):
চুলকানির এই ধরনটি হয় যখন স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হয় বা পুনরায় সঠিকভাবে সংযুক্ত না হয়।
এই চুলকানিটা সাধারণ চুলকানির মতো নয়।এটা ভেতর থেকে আসা এক ধরনের অস্বস্তিকর অনুভূতি, যেটা চুলকালে কমেও না।

২. ডার্মাটোফাইটোসিস (Fungal Infection on Scar):
অস্ত্রোপচারের জায়গাটি শুকনো ও সংবেদনশীল হওয়ায় ফাঙ্গাস সহজে বাসা বাঁধতে পারে, বিশেষ করে যদি সেখানে ঘাম জমে।

৩. Delayed-Type Hypersensitivity (DTH):
কোনো ওষুধ, সেলাই উপাদান, বা ড্রেসিংয়ের উপাদানে শরীর ধীরে ধীরে অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া দেখায়, যা কয়েক মাস বা এক বছর পরও দেখা দিতে পারে।

৪. Scar Contracture বা Adhesion:
দাগটা ভেতরের টিস্যুর সঙ্গে আটকে গিয়ে চামড়ার নড়াচড়া রোধ করতে পারে, এতে ত্বকে চাপ পড়ে এবং চুলকানির অনুভূতি হয়।

ঘরোয়া কিছু চুলকানি কমানোর উপায়:

ওটমিল বাথ (Oatmeal soak): প্রাকৃতিকভাবে ত্বকের জ্বালা কমায়।
অ্যালোভেরা জেল: ঠান্ডা করে ও প্রদাহ কমায়। সিলিকন বেইজড স্কার জেল/শীট: চুলকানি ও টান কমায়।
ম্যাসাজ: হালকা ম্যাসাজ স্কার টিস্যু নরম করে দেয়।
ঠান্ডা পানির কাপড়: ত্বকে চাপ সৃষ্টি করে এবং চুলকানি কমায়।

কখন চিকিৎসকের পরামর্শ জরুরি?
১ বছরের বেশি সময় ধরে নিয়মিত চুলকানি।
দাগ শক্ত, মোটা বা চামড়ার নিচে গুটির মতো
বারবার ইনফেকশন হয়।
চুলকানির কারণে ঘুম ব্যাহত হয়।
বা আরো সমস্যা বাড়তেছে এমন হইলে।।

🌟 শিশুর প্রথম সলিড খাবার: কখন, কী, আর কিভাবে? 🌟আপনার ছোট্ট সোনামণির ৬ মাস পূর্ণ হলেই (৬ মাস ১ দিন থেকে), মায়ের দুধের পা...
27/07/2025

🌟 শিশুর প্রথম সলিড খাবার: কখন, কী, আর কিভাবে? 🌟
আপনার ছোট্ট সোনামণির ৬ মাস পূর্ণ হলেই (৬ মাস ১ দিন থেকে), মায়ের দুধের পাশাপাশি সলিড খাবার শুরু করার উপযুক্ত সময়। কিন্তু প্রথম খাবার বেছে নেওয়া ও খাওয়ানোর কৌশল ঠিক কী হবে? আসুন জেনে নিই:: 👇

🥣 প্রথম সলিড ফুড কী হতে পারে?
✅ চটকানো পাকা কলা
✅ মিষ্টি আলুর পিউরি
✅ আপেল পিউরি
✅ সেদ্ধ গাজর
✅ ডালের পানি মিশিয়ে চটকানো নরম ভাত
✅ জাউ ভাত, সেদ্ধ সবজি
✅ ফলের রস
✅ আস্তে আস্তে চাল, ডাল ও সবজি দিয়ে নরম খিচুড়ি।

🍽️ খাদ্য তালিকায় রাখুন প্রধান ৬ গ্রুপের ৪টি:
🥚 প্রোটিন: মাছ, মাংস, ডিম, কলিজা
🥦 ফলমূল ও সবজি
🍚 ভাত, রুটি
🥛 দুগ্ধজাত খাবার
🌰 ঘি, তেল, বাদাম
🥣 ডাল জাতীয় খাবার।

🕒 খাবার দেওয়ার নিয়ম (ধাপে ধাপে শুরু করুন):
🔹 ১ম দিন: ১ চামচ দুপুরে
🔹 ২য় দিন: ২ চামচ সকালে ও দুপুরে
🔹 ৩য় দিন: ৩ চামচ সকালে, দুপুরে ও রাতে
⏳ একবারে সব খাবার না দিয়ে ধীরে ধীরে নতুন খাবার দিন, যাতে হজম করতে শেখে।

🥗 ১ বছরের নিচে শিশুর ডে-টাইম ফুড চার্ট (নমুনা):
🕗 সকাল ৮টা: নরম খিচুড়ি
🕚 সকাল ১১টা: বুকের দুধ/ফর্মুলা দুধ/পায়েস/ফল
🕑 দুপুর ২টা: নরম ভাত + ডাল + মাছ/মাংস
🕔 বিকেল ৫টা: কলা/পেঁপে/ডিমের কুসুম/নরম বিস্কুট
🕗 রাত ৮টা: দুপুরের মতো খাবার
🌙 ঘুমানোর আগে: বুকের দুধ।

⚠️ বাড়তি সতর্কতা:
🚫 ১ বছরের আগে লবণ ও চিনি নয়
🚫 বাজারের প্যাকেটজাত খাবার এড়িয়ে চলুন
🚫 ব্লেন্ডার বা ছাঁকা খাবার না দিন
✅ খাবারের পর পায়খানা নজর রাখুন
✅ পানির অভ্যাস করান (সেদ্ধ ঠান্ডা পানি)
✅ প্রতিটি নতুন খাবার ৩ দিন পর্যবেক্ষণে রাখুন।

👶 ঘরে তৈরি খাবারে শিশুর স্বাদ গড়ে তুলুন—এটাই ওর ভবিষ্যৎ পুষ্টির ভিত্তি।

📌 শিশুর পুষ্টি ও সুস্বাস্থ্য বিষয়ক আরও দারুণ টিপস পেতে আমাদের পেজটি ফলো করুন। আপনার সোনামণির বেড়ে ওঠার যাত্রায় আমরা পাশে আছি! 💖

#শিশুর_খাদ্য #সলিডফুড #মায়েরদুধ #শিশুর_পুষ্টি #বেবি_ফুড #নিউমম #মা_হওয়া_একটি_ভাল্লাগার_যাত্রা #শিশুর_পুষ্টি

✅ সাপে কাটলে তাৎক্ষণিক করণীয় ও চিকিৎসাঃ সাপ দেখলে বা সাপের কথা শুনলে গা শিরশির করে না, এমন মানুষ মেলানো যায় না। অথচ সাপে...
26/07/2025

✅ সাপে কাটলে তাৎক্ষণিক করণীয় ও চিকিৎসাঃ সাপ দেখলে বা সাপের কথা শুনলে গা শিরশির করে না, এমন মানুষ মেলানো যায় না। অথচ সাপের প্রতি এই ভীতি অনেকাংশেই অহেতুক।

গোখরা আর ব্ল্যাক মাম্‌বা ছাড়া কোন সাপই আসলে বিনা প্ররোচনায় মানুষকে কামড়ায় না। আর এ দু’টোর মধ্যে শুধু প্রথমটাই আমাদের দেশে দেখতে পাওয়া যায়। তাছাড়া সব সাপই যে বিষাক্ত এমনটাও নয়।

সাপ নিয়ে এই অহেতুক ভীতির ফলে সাপের কামড় নিয়ে তৈরি হয়েছে অনেক কুসংস্কার। এখন বর্ষাকাল। এই সময়টায় সাপের উৎপাত বছরের যে কোন সময়ের তুলনায় বেড়ে যায়। তাই একটু সাবধানতা অবলম্বন করলে এবং প্রাথমিক চিকিৎসার দু’-একটি নিয়ম জানা থাকলে তা হয়ে উঠতে পারে জীবন রক্ষাকারী।

♦️সাপে কাটার লক্ষণঃ
১. পাশাপাশি দু’টো ক্ষত থাকে (সাধারণত বিষাক্ত সাপের ক্ষেত্রে)
২. কোন কোন সাপের কামড়ে ক্ষতস্থানে তীব্র ব্যথা থাকতে পারে
৩. ক্ষতস্থান থেকে রক্তপাত হতে পারে
৪. কোন কোন সাপের কামড়ে ক্ষতস্থান ছাড়াও নাক, মুখ বা শরীরের অন্যান্য স্থান থেকেও রক্তপাত হতে পারে। এমন রক্তপাত খুব বেশি হলে তা জীবনসংহারী হয়ে উঠতে পারে
৫. ক্ষতস্থানের চারপাশে ফুলে যেতে পারে, এমনকি ফোস্কা পড়তে পারে
৬. ক্ষতস্থানের চারপাশের এলাকা কালচে বা নীলচে বর্ণ ধারণ করতে পারে
৭. চোখে দেখা, কথা বলা বা শ্বাস নেয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দিতে পারে
৮. চোখে তীব্র ব্যথা থাকতে পারে, শরীর অবশ হয়ে আসতে পারে

♦️তাৎক্ষণিক করণীয়ঃ
১. সম্ভব হলে সাপটি দেখতে কেমন তা লক্ষ্য করুন। সাপের বর্ণনা পরবর্তীতে ডাক্তারকে চিকিৎসা পরিকল্পনায় সাহায্য করতে পারে। তবে সাপ দেখার চেষ্টা করতে গিয়ে একেবারেই সময় নষ্ট করা যাবে না।

২. আক্রান্ত ব্যক্তিকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে আনুন। তাকে সাহস দিন। আশেপাশে মানুষজন না থাকলে শরীরের আক্রান্ত অংশ যতটা সম্ভব কম নড়াচড়া করে নিরাপদ স্থানে চলে আসুন।

৩. আক্রান্ত ব্যক্তিকে শুইয়ে দিন। তার বুকের নিচে কিছু একটা দিয়ে বুকটা উঁচু করে রাখুন।

৪. যতটা সম্ভব শান্ত থাকুন, একদমই নড়াচড়া করবেন না।

৫. আক্রান্ত অঙ্গে ঘড়ি, চুড়ি, নূপুরসহ কোন গহনা বা অন্য যে কোন আঁটোসাটো জামাকাপড় অথবা জুতা-মোজা থাকলে তা খুলে ফেলুন।

৬. পরিস্কার ব্যান্ডেজ বা নরম সুতির কাপড় দিয়ে ক্ষতস্থানটি ঢেকে দিন।

৭. আক্রান্ত ব্যক্তিকে যতটা সম্ভব কম নড়াচড়া করে অতিসত্ত্বর হাসপাতালে নিয়ে যান।

♦️যে কাজগুলো একেবারেই করা যাবে না:
১. সাপে কাটা রোগীর জীবন বাঁচাতে প্রতিটি মুহূর্তই অতি গুরুত্বপূর্ণ। তাই ওঝা বা কবিরাজের কাছে গিয়ে মূল্যবান সময় নষ্ট করবেন না।

২. ক্ষতস্থানের চারপাশে কিছুটা কেটে দিলে বিষ বের হয়ে যায় বলে এক ধরণের ভ্রান্ত ধারণা প্রচলিত আছে। এ কাজ কখনোই করা যাবে না।

৩. মুখ দিয়ে টেনে বিষ বের করার চেষ্টাও কোনভাবেই করা করা যাবে না।

৪. দড়ি বা কাপড় দিয়ে আক্রান্ত হাত/পা কোনভাবেই বেঁধে রাখা যাবে না। এতে উপকারের বদলে ক্ষতিই বেশি হয়।

৫. ক্ষতস্থানে পানি বা বরফ লাগাবেন না।

♦️চিকিৎসা:
সঠিক সময়ে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে পারলে সাপের কামড়ের চিকিৎসা মোটেও জটিল কিছু নয়। একটি সাধারন এন্টিভেনোম ইনজেকশন আর তার সাথে একটি এন্টি-টিটেনাস সিরাম ইঞ্জেকশনই যথেষ্ট একজন রোগীর জীবন বাঁচানোর জন্য। আমাদের দেশে শুধুমাত্র শঙ্খচূড় সাপ ছাড়া আর প্রায় সব বিষাক্ত সাপেরই এন্টিভেনোম ইনজেকশন বাজারে পাওয়া যায়। আর শঙ্খচূড় শুধুমাত্র রাজশাহী অঞ্চলেই দেখা যায়। তাই, সাপে কামড়ালে ভয় পেয়ে দিশেহারা না হয়ে মাথা ঠাণ্ডা রেখে উপরের ধাপগুলো অনুসরণ করুন।

♦️সাপের কামড় থেকে বেঁচে থাকার কিছু টিপস:
১. আশেপাশে কোথাও কোন সাপ দেখলে তাকে চলে যেতে সুযোগ দিন। আঘাত করবেন না, বা এমন কিছু করবেন না যাতে এটি কামড়াতে প্ররোচিত হতে পারে। বহুল প্রচলিত একটা ভুল ধারণা হচ্ছে যে, সাপকে কিছুটা আঘাত করে চলে গেলে সাপ লোকটাকে চিনে রাখে এবং রাতে ওই আঘাতকারী লোকের বাড়ি গিয়ে দংশন করে। মূলত সাপের স্মৃতি শক্তি খুবই কম এবং এ ধরণের অপধারণার কোন ভিত্তিই নেই।

২. ঘরে সাপ থাকার সম্ভাবনা থাকলে, বিশেষত যদি মাটির ঘর হয় এবং তাতে ইঁদুরের গর্ত থাকে, তবে কার্বলিক এসিড কিনে বোতলসহ ঘরের কোনাগুলোতে রেখে দিন। গর্তে কিছুটা কার্বলিক এসিড ঢেলেও দিতে পারেন।

৩. এক গোছা খড়ের ভেতরে কয়েকটি শুকনো মরিচ নিয়ে আগুনে পুড়িয়ে গর্তে ধোঁয়া দিলেও সাপ থাকলে বেরিয়ে যাবে।

৪. বাড়ির আশেপাশে ঝোপঝাড় থাকলে তা পরিস্কার করে ফেলুন।

৫. বর্ষায় কোথাও ঘুরতে গেলে হাঁটা চলার সময় কিছুটা সতর্কতা অবলম্বন করুন।
🐍

■ জেনে নিন, কোলেস্টেরল কি? কীভাবে কোলেস্টেরলের হাত থেকে নিজেকে রক্ষা করবেন? :::::: কোলেস্টেরল এক ধরনের চর্বি। এটি বেড়ে গ...
25/07/2025

■ জেনে নিন, কোলেস্টেরল কি?
কীভাবে কোলেস্টেরলের হাত থেকে নিজেকে রক্ষা করবেন?
:::::: কোলেস্টেরল এক ধরনের চর্বি। এটি বেড়ে গেলে শরীরে বিভিন্ন ধরনের রোগ হয়। কোলেস্টেরল রক্তের এক রকম উপাদান, যা রক্তে মিশে থাকে এবং রক্তের সঙ্গে রক্তনালি দিয়ে সারা শরীরে চলাচল করে। শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ রক্ত থেকে কোলেস্টেরল সংগ্রহ করে বিভিন্ন রকম হরমোন ও প্রয়োজনীয় জিনিস তৈরি করে থাকে।
★★ কোলেস্টেরল বেড়ে যায়, প্রথমত আমাদের খাদ্যাভ্যাসের কারণে। আর এমন জীবন যাপন যদি করেন, বেশি শুয়ে বসে থাকা। তারপর কিছু অভ্যাস আছে যেমন ধূমপান, মদ্যপান, জর্দা সেবন এসব কারণে হয়। আর কিছু রোগ রয়েছে এটার জন্য দায়ী ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ ইত্যাদি। আর কিছু ওষুধ আছে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।
★★কোলেস্টেরল জমা হয় রক্তনালিতে। জমা হতে হতে রক্তনালির স্বাভাবিক যে রক্তস্রোত তা বাধাগ্রস্ত হয়। এর ফলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেড়ে যায়। সুতরাং কোলেস্টেরল শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় চর্বিজাতীয় রক্তের উপকরণ, যা নির্দিষ্ট মাত্রা পর্যন্ত প্রয়োজন, কিন্তু মাত্রাতিরিক্ত হলে তা রক্তনালিতে জমে যায়। রক্তনালিতে জমে গেলে রক্তনালি সরু হয়ে যায় এবং রক্ত চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে। ফলে শরীরে অনেক রকম সমস্যা দেখা দেয়। হার্টের রক্তনালিতে জমলে বুকে ব্যথা, হার্ট অ্যাটাক; মস্তিষ্কের রক্তনালিতে জমলে স্ট্রোক, কিডনির রক্তনালিতে জমলে কিডনি ফেইলর এ রকম অনেক সমস্যা দেখা দিতে পারে।
★★ কোলেস্টেরলের আবার ভাগ আছে, যেমন- এলডিএল, এইচডিএল, ট্রাইগ্লিসারাইড। এলডিএল শরীরের জন্য সবচেয়ে খারাপ কোলেস্টেরল। এই কোলেস্টেরল রক্তনালিতে জমে বেশি। এইচডিএল শরীরের জন্য ভালো কোলেস্টেরল, রক্তনালিতে চর্বি জমতে বাধা দেয়, আর ট্রাইগ্লিসারাইড রক্তে বেশি থাকলে অগ্ন্যাশয়ে সমস্যা সৃষ্টি করে, আবার হার্টেও সমস্যা করতে পারে।
★★ অনেক ক্ষেত্রেই রক্তের বেশি কোলেস্টেরল পারিবারিকভাবে পেয়ে থাকে, কখনও কখনও জীবনযাপন পদ্ধতি এর জন্য দায়ী। রক্তের বিভিন্ন কোলেস্টেরলের নিরাপদ মাত্রা আছে।
★★ চিকিৎসা বিজ্ঞান অনুযায়ী, সর্বমোট কোলেস্টেরলের মাত্রা প্রতি ডেসিলিটারে ১৭০ মিলিগ্রামের নিচে, এলডিএল কোলেস্টেরল ডেসিলিটারে ১০০ মিলিগ্রামের নিচে, আর ট্রাইগ্লিসারাইড ডেসিলিটারে ১৫০ মিলিগ্রামের নিচে। ভালো কোলেস্টেরল এইচডিএলের মাত্রা ডেসিলিটারে ৪০ মিলিগ্রামের ওপরে রাখা ভালো।
★★ আমরা কীভাবে রক্তের চর্বির মাত্রা নিয়ন্ত্রণে আনতে পারি, তা জানা এবং নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা অত্যন্ত জরুরি।
●● প্রথমত, আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার অভ্যাস পরিবর্তনের মাধ্যমে;
●● দ্বিতীয়ত, ওষুধ সেবনের মাধ্যমে আমরা কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করতে পারি।
■■ জীবনযাত্রার অভ্যাস পরিবর্তন
★★ খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন
◆◆ খাদ্যতালিকায় শাকসবজি, ফলের পরিমাণ বাড়াতে হবে। আঁশযুক্ত খাবার খেতে হবে। খোসাসহ সবজি খাওয়া ভালো।
◆◆ খাদ্যতালিকা থেকে প্রাণিজ চর্বি বাদ দিতে হবে, যেমন খাসির মাংস, মুরগির চামড়া, মেটে, মাথা, মাছের ডিম, ডিমের কুসুম, চিংড়ি মাছ প্রভৃতি।
◆◆ রান্নায় কম তেল দিতে হবে। তেলে ভাজা খাবার কম খেতে হবে। ভাপা সেদ্ধ গ্রিলড খাবার খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে।
◆◆ ঘি, মাখন, পনির, মেয়নেজ, ড্রেসিং খাওয়ার অভ্যাস বাদ দিতে হবে।
◆◆ রিফাইন্ড খাবার বাদ দিয়ে খাবার খেতে হবে (যেমন- জুসের বদলে ফল, ভুসিসহ লাল আটা)।
★★ শারীরিক পরিশ্রম করতে হবে
◆◆ প্রতিদিন কমপক্ষে ৪০ মিনিট করে সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন জোরে জোরে হাঁটতে হবে।
◆◆ বাড়ীর টুকটাক কাজ নিজের হাতে করার অভ্যাস করতে হবে।
◆◆ কাছাকাছি জায়গায় রিকশা না নিয়ে হেঁটে যাওয়ার অভ্যাস করা যেতে পারে।
◆◆ ধূমপান ছেড়ে দিতে হবে। তামাক বাদ দিতে হবে।
◆◆ ডায়াবেটিস ও রক্তচাপ ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
■■ কোলেস্টেরল কমায় এমন কয়েকটি খাবার।
★★রসুন: বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যার সমাধানে কার্যকর এই মসলা। গবেষণা মতে, রক্তনালীর গায়ে কোলেস্টেরেল জমা হওয়া রোধ করে। ফলে রক্ত জমাট বেঁধে রক্তনালী বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা কমে।
★★অ্যাভোকাডো: এর ‘বেটা-সিস্টোসেরল’ উপাদান খাবার থেকে শরীরে কোলেস্টেরল শোষণের পরিমাণ কমায়। এছাড়াও শরীরে ‘এইচডিএল’ নামে পরিচিত উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়াতেও সাহায্য করে।
★★পালংশাক: বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যার সমাধানে কাজে লাগে। কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ তার মধ্যে অন্যতম। দৈনিক খাদ্য তালিকায় এই শাক থাকলে কোলেস্টেরলের কারণে রক্তনালী বন্ধ হওয়ার ঝুঁকি কমবে অনেকটাই।
★★ চা: এতে থাকা ‘ফ্লাভানয়েডস’ একটি শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট যা, ‘এলডিএল’ বা ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রায় কমায়। রক্তনালীতে ‘প্লাক’ জমে তা বন্ধ করার পেছনে অনেকটাই দায়ী এই ‘এলডিএল’।
★★ডার্ক চকলেট: রয়েছে প্রচুর ‘ফ্লাভানয়েডস’। তাই চায়ের মতোই এটি লড়াই করে ‘এলডিএল’য়ের বিরুদ্ধে।
★★এক কাপ বীজজাতীয় খাবার: সব ধরনের বীজজাতীয় খাবার যেমন- কিডনি বিন, মটরদানা বা মটরশুঁটি কোলেস্টেরল কমাতে সহায়ক। কারণ এসবে রয়েছে কোলেস্টেরল কমাতে সহায়ক দ্রবণীয় আঁশ।
★★ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড: হৃদযন্ত্রের প্রাকৃতিক ওষুধ এই উপাদান। চর্বি যুক্ত মাছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডের উল্লেখযোগ্য উৎস। তাই নিয়মিত এই মাছগুলো খেলে হৃদস্পন্দনের তাল ঠিক থাকবে, কোলেস্টেরল কমবে এবং ধমনীর প্রদাহ দূরে থাকবে।
★★সয়া: ভোজ্য চর্বি ও মাংসের স্বাস্থ্যকর বিকল্প হল সয়া। উদ্ভিজ্জ আমিষের এক চমৎকার উৎস সয়া, যাতে প্রকৃত মাংসে থাকা ‘স্যাচুরেইটেড ফ্যাট’ নেই। কোলেস্টেরল কমানোর পাশাপাশি কিছু নির্দিষ্ট ধরনের ক্যান্সারের বিরুদ্ধেও লড়াই করে এই শষ্য।
★★ওটস: বা যব’য়ের স্বাস্থ্যগুণের গোপন উৎস দ্রবণীয় আঁশ, যা কোলেস্টেরলকে শরীর থেকে ধুয়ে বের করে দেয়। গবেষণায় জানা গেছে, দ্রবণীয় আঁশনির্ভর খাদ্যাভ্যাস শরীরের মোট কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে পারে ১০ থেকে ১৫ একক পর্যন্ত।
★★বাদাম: হৃদরোগের ঝুঁকি ৩৯ শতাংশ পর্যন্ত কমাতে পারে বাদাম খাওয়ার অভ্যাস। চিনাবাদাম, আখরোট ও কাজুবাদাম বেশি উপকারী। বাদামে চর্বি বেশি থাকলেও তা ‘মনোস্যাচুরেইটেড’ ও ‘পলিম্যাচুরেইটেড’ ধরনের, যা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। এছাড়াও কমায় ‘সিআরপি’ এবং ‘ফাইব্রিনোজেন’য়ের মাত্রা, দুটাই প্রদাহ সৃষ্টিকারী। তাই সপ্তাহে কমপক্ষে পাঁচবার এক আউন্স পরিমাণ বাদাম খাওয়ার অভ্যাস গড়তে হবে।
★★ জীবনযাত্রার অভ্যাস পরিবর্তনের দু-তিন মাস পরও যদি রক্তের কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে না আসে, তাহলে ওষুধ খেয়ে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। মনে রাখতে হবে, যাদের পারিবারিকভাবে রক্তে অধিক কোলেস্টেরলের প্রবণতা আছে, তাদের কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করা অন্যদের চেয়ে অনেক কঠিন। তাই তাদের অনেক বেশি চেষ্টা করতে হবে। ওষুধ খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জীবনযাত্রার অভ্যাসগুলোকেও মানতে হবে। রক্তের কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে হৃদরোগ, ব্রেইন স্ট্রোক ও কিডনি ফেইলরের ঝুঁকি এড়াতে পারেন। মনে রাখতে হবে, প্রতিরোধ সব সময়ই প্রতিকারের চেয়ে ভালো।

Address

Chittagong

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ডাঃ সুমন পিয়াস posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to ডাঃ সুমন পিয়াস:

Share

Category