Pharmacist Association Chittagong - PAC

Pharmacist Association Chittagong - PAC To make bridge with fresh and professionals.

ফার্মাসিস্ট এসোসিয়েশন চট্টগ্রামের প্রেসিডেন্ট ও আমাদের প্রিয় শিক্ষক প্রফেসর মহিউদ্দিন চৌধুরীর সহধর্মিণী   মৃত্যুতে আমরা ...
07/04/2021

ফার্মাসিস্ট এসোসিয়েশন চট্টগ্রামের প্রেসিডেন্ট ও আমাদের প্রিয় শিক্ষক প্রফেসর মহিউদ্দিন চৌধুরীর সহধর্মিণী মৃত্যুতে আমরা শোকাহত।

04/03/2021
07/06/2020

করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন থেকে আমরা কত দূরে ?
ডঃ এস এম আনিসুল ইসলাম, ওরাইস ফেলো, ইউএসএফডিএ
এলামনাই,ফার্মেসি বিভাগ,আইআইইউসি।

যদিও শুরু থেকে এই পর্যন্ত ১২০ টির বেশি ভ্যাকসিন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এক্সপ্লোর করা হয়েছে। এই সম্ভাব্য ভ্যাকসিন গুলোর মধ্যে মাত্র ১০ টি পটেনশিয়াল COVID-19 ভ্যাকসিন এই পর্যন্ত Clinical Trial এ যেতে সক্ষম হয়েছে। Clinical Trial কি সেই বিষয়ে একটু পর আসছি।

১) প্রথমেই বলা যাক, ভ্যাকসিন জিনিস টা আসলে কি?
ভ্যাকসিন হচ্ছে একটা বাহ্যিক উপকরণ (যেমনঃ দুর্বল অথবা মৃত ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, অথবা ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাসের এর শরীরের কিছু অংশ), যেটার আসল প্যাথজেন যেমন ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ইত্যাদির সাথে সদৃশ রয়েছে), মানব শরীরে প্রবেশ করালে যেটা শরীরের সাধারন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে এমনভাবে বৃদ্ধি করে যাতে শরীর ঐ আসল প্যাথজেন দ্বারা আক্রান্ত হলে সেটাকে সহজভাবে ট্যাকল করতে পারে। শরীর এই কাজটা করে কিছু ইমিউন কোষ যেমন Macrophage, T cell, B-Cell তৈরির মাধ্যমে। এই পুরো বিষয়টাকে বলা হয় ইমিউনিটি অথবা ইমিউন রেসপন্স। কিছু ভ্যাকসিন স্থায়ী হয় সারা জীবনের জন্য, আবার কিছু ভ্যাকসিন স্থায়ী হয় অল্প সময়ের জন্য।

২) একটা ভ্যাকসিন বাজারে আসতে কত সময় লাগতে পারে?
সাধারনত একটা ভ্যাকসিন ডেভেলপ করতে ১০ থেকে ১৫ বছর সময় লাগে, ক্ষেত্র বিশেষে আরো বেশি সময়ও লাগতে পারে। প্রশ্ন হচ্ছে একটি ভ্যাকসিন আসতে এত সময় লাগার কারন কি? ভ্যাকসিন ডেভেলপমেন্ট হচ্ছে একটা সময় সাপেক্ষ Multistage Research Process। এই সময় সাপেক্ষ Process এর উদ্যেশ্য হল এমন একটা ভ্যাকসিন তৈরি করা যা সত্যিকার অর্থে মানব দেহে কাজ করবে এবং যেটা খুবই সেইফ। এই Multistage Reseacrh Process গুলো হচ্ছেঃ

Exploratory Stage:
এটা হচ্ছে ভ্যাকসিন তৈরির প্রাথমিক পর্যায়, যেখানে গবেষকরা ব্যাকটেরিয়া অথবা ভাইরাস রিলেটেড বিভিন্ন উপাধানগূলো (যেমন DNA, mRNA, Antigen) যা শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করতে সক্ষম তা বের করার চেষ্টা করেন। এই স্টেইজ মুলত সম্পাদন করা হয় বিভিন্ন কম্পিউটার সিমুলেশন মডেলে এবং পরীক্ষাগারে, কালচার পেট্রিডিসে ও ফ্লাস্কে।

Preclinical Stage:
কিছু ভ্যাকসিন ক্যান্ডিডেটগুলো নির্বাচন করার পর সেগুলো এবার বিভিন্ন এনিমাল মডেলে ট্রাই করা হয়। এই স্টেইজ টা গবেষকদের বুঝতে সাহায্য করে সম্ভাব্য ভ্যাকসিনটি বায়োলজিক্যাল সিস্টেমে কাজ করতে সক্ষম কি না। অনেক ভ্যাকসিন ক্যান্ডিডেট এই স্টেইজে বাতিল হয়ে যায় কেননা এগুলো কোনো ইমিউন রেসপন্স ঘটাতে পারেনা বলে।

Clinical Trial Stage:
একটা ভ্যাকসিন প্রিক্লিনিকাল ইভালুয়াশন এ পাশ করলে সংশ্লিষ্ট অথরিটি তখন FDA বরাবর (আমেরিকার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য) একটা অ্যাপ্লিকেশান ফাইল করে যা Investigation New Drug অথবা IND নামে পরিচিত। FDA যদি IND অ্যাপ্লিকেশান অনুমোদন দেয় তখন ভ্যাকসিনটা মানুষের উপর পরীক্ষার জন্য অগ্রসর হয় যা নিম্নে উল্লেখিত বিভিন্ন পর্যায়ে বিভক্তঃ

Phase I Clinical Trial
Phase I এ ভ্যাকসিনটি ২০ থেকে ১০০ জন হেলথি ভলান্টিয়ার উপর পরীক্ষা করে দেখা হয়। এই Phase থেকে ফলাফল পেতে কয়েক মাস সময় লাগে।

Phase II Clinical Trial
এই পর্যায়ে ভ্যাকসিনটি কয়েকশ ভলান্টিয়ার এর উপর পরীক্ষা করে দেখা হয়। বলাবাহুল্য এই পর্যায়ে অনেক এক্সপেরিমেন্টাল সাব্জেক্টেরই ভ্যাকসিনের উপাধান যেমন পরীক্ষাকৃত ব্যাকটেরিয়া অথবা ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত হওয়ার ঝুকি থাকে। এই Phase থেকে মুলত ভ্যাকসিন সেইফটি, ডোজ, ইমিউন রেসপন্স, মেথড অফ ডেলিভারী, ইত্যাদি দেখা হয়। এই Phase টা স্থায়ী হয় কয়েক মাস থেকে কয়েক বছর।

Phase III Clinical Trial
Phase II থেকে সন্তোশজনক ফলাফল পাওয়ার পর, কয়েক হাজার মানুষের উপর ভ্যাকসিনটি পরীক্ষা করে দেখা হয় যাতে করে বড় এক্সপেরিমেন্টাল পপুলেশনে এর কার্যকারিতা কেমন তা দেখা যায়। এই Phase III ট্রায়াল সম্পন্ন হতে সাধারনত এক থেকে চার বছর পর্যন্ত সময় লাগে। Phase III সফল হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট অথরিটি তখন আবার FDA বরাবর (আমেরিকার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য) আরেকটা নতুন অ্যাপ্লিকেশান ফাইল করে যা Biologics License Application অথবা BLA নামে পরিচিত।

Post Marketing Phase
FDA ভ্যাকসিনটির Clinical Trial ডাটা এবং মানুফ্যাকচারিং ফ্যাসিলিটি পর্যবেক্ষণ করার পর বাজারজাত করার ফাইনাল অনুমোদন দেয়। কিন্তু বাজারজাত করার পরও FDA ভ্যাকসিনের সেইফটি মনিটর করতে থাকে।
এই হচ্ছে একটা ভ্যাকসিনের শুরু থেকে বাজারে আসার আগ পর্যন্ত বিভিন্ন ধাপ। সুতরাং বুঝাই যাচ্ছে এটা একটা লম্বা প্রক্রিয়া।

৩) করোনা ভ্যাকসিন ডেভেলপমেন্ট কোন পর্যায়ে?

শুরুতে যে ১০ টি পটেনশিয়াল COVID-19 ভ্যাকসিনের কথা বলছিলাম সেগুলোর মধ্যে ৩ টি আমেরিকায়, ৫ টি চায়নাইয়, ১ টি যুক্তরাজ্যে এবং ১ টি আমেরিকা, চায়না, এবং ইউরোপের যৌথ উদ্যোগ এ পরিচালিত হচ্ছে।

যে ভ্যাকসিনটি ডেভেলপমেন্টের দিক থেকে সবচেয়ে এগিয়ে সেটা হচ্ছে যুক্তরাজ্যে The University of Oxford, Astra Zeneca Biotech Company এবং Serum Institute of India এর যৌথ প্রচেস্টায় পরিচালিত AZD1222 ভ্যাকসিনটি যেটি এখন Phase III Clinical Trial এ রয়েছে। এই ভ্যাকসিনটির উপাধান হচ্ছে Non Replicating Viral Vector. আশা করা হচ্ছে আমরা এই ভ্যাকসিনটি এই বছরের শেষ নাগাদ পাবো যাদিও এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মহল ক্লিয়ার কোনো কিছু এখনও জানাইনি।

এছাড়া, আমেরিকার ১ টা (INO-4800, a DNA Based Vaccine by Inovio Pharmaceuticals) এবং চায়নার ১টা (Unnamed, The Institute of Medical Biology and Chinese Academy of Medical Sciences) ভ্যাকসিন ছাড়া অন্য সবগুলো Phase II Clinical Trial এ রয়েছে।

আমেরিকার যে ভ্যাকসিন নিয়ে সবাই সবচেয়ে বেশি আশাবাদী সেটা হচ্ছে The National Institute of Allergy and Infectious Diseases and Moderna Biotech ক্তৃক পরিচালিত mRNA নির্ভর mRNA-1273 ভ্যাকসিন যেটি এখন Phase II Clinical Trial এ আছে। Phase I Clinical Trial এ দেখা গেছে এই ভ্যাকসিনটি হেলথি ভলান্টিয়ার এর শরীরে COVID-19 এর বিরুদ্ধে এন্টিবডি তৈরি করে যা COVID-19 কে সফলভাবে প্রতিরোধ করতে সক্ষম।

The National Institute of Allergy and Infectious Diseases (আমেরিকা) এর পরিচালক ডঃ এন্তনি ফাউসির মতে আমরা যদি Multistage Reseacrh Process টা অনেক কাট সাট করেও আগাই তাহলেও আমাদের এক থেকে দেড় বছর সময় লাগবে একটা সফল ভ্যাকসিন পেতে।

পরিশেষে, আমরা যদি খুব ভাগ্যবান হই এবং সবকিছু ক্লিক করে তাহলে হয়তোবা আমরা এই বছরের (২০২০) শেষে ডিসেম্বর থেকে আগামী বছরের (২০২১) মাঝামাঝি জুন নাগাদ করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন পেতে পারি।

সবাইকে ধন্যবাদ।

বিঃ দ্রঃ সবার বুঝার সুবিধার্থে অনেক টেকনিকাল টার্ম এড়িয়ে যাওয়ার চেস্টা করেছি। কোনো কনফিউশন থাকলে কমেন্ট এ জানান।

কুমুদিনী ফার্মাসিউটিক্যালস এর প্ল্যান্ট ম্যানেজার ডঃ মনোরঞ্জন পাল করোনায় আক্রান্ত হয়ে কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ...
25/04/2020

কুমুদিনী ফার্মাসিউটিক্যালস এর প্ল্যান্ট ম্যানেজার ডঃ মনোরঞ্জন পাল করোনায় আক্রান্ত হয়ে কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। ফার্মাসিস্ট মনোরঞ্জন পাল করোনায় আক্রান্ত হওয়ার আগ মূহুর্তেও ফ্যাক্টরিতে কাজ করছিলেন। আমরা তার আত্বার শান্তি কামনা করছি।

ফার্মাসিস্ট এসোসিয়েশন চট্টগ্রাম এর পক্ষ থেকে শোক প্রকাশ করছি।

23/04/2020

এই দূর্যোগে আপনি নিশ্চয়, এখনো অফিস করছেন, সরবরাহ দিচ্ছেন নিরবিচ্ছিন্ন ঔষধ।
দয়া করে কোম্পানির নামটা লিখে ফেলুন কমেন্টে।

19/04/2020

ফার্মাসিস্ট স্ট্রাইকঃ
বাংলাদেশে শিক্ষিত,সচেতন মানুষের সংখ্যা শতকরা নেহায়েত কম না।বেশিরভাগ মানুষ ই নিজেদের চিন্তা চেতনায় খুব স্মার্ট ভাবেন আমার তাদের স্মার্টনেস নিয়ে কোনো প্রশ্ন নাই কিন্তু উনাদের অতি স্মার্টনেস আচরণের জন্য অনেকবার বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছি ব্যাপারটা একটু ভেঙ্গে বলি বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শুরুর পর যখনই বাড়ির মুরুব্বি,পরিচিত আংকেল,আব্বুর বন্ধু,বয়সে কিছুটা সিনিয়র,জুনিয়র এদের একটা প্রশ্নে প্রায়শই বিব্রত হয়েছি বা হচ্ছি সেটি হলো অনার্স কিসে করছি সে প্রশ্নের উত্তরে বলতাম ফার্মেসির উপর তখনই উনারা খুব মর্মাহত হতো, একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলতেন আর ভালো সাব্জেক্ট পাইলি না এরচেয়ে বাংলায় পড়লেও শিক্ষকতা করতে পারতি, ফার্মেসি দেয়ার জন্য আবার অনার্স করতে হয় নাকি তখন বাধ্য হয়ে ইজ্জত বাঁচাতে ছোটোখাটো একটা ক্লাস নিয়ে নিতাম।যাক আশা করি প্রশ্নকর্তা দের ভুল কিছুটা হলেও ভাঙ্গাতে পেরেছি বলে আমার বিশ্বাস।দোষ টা আসলে তাদের না কারণ আমাদের দেশের মানুষ ফার্মাসিস্ট নামক শব্দটির সাথে খুব বেশি পরিচিত না তারা ফার্মেসির দোকানদার দের কেই ফার্মাসিস্ট ভাবে।স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্ট যেসব নীতিনির্ধারকেরা আছেন অনেকেই এ সম্পর্কে জানলেও ফার্মাসিস্ট দের বিভিন্ন কারনেই কাজের সুযোগ করে দেয় না সে আলোচনা অনেক লম্বা।
যাইহোক সাধারণ মানুষ হিসেবে আপনি যখন কোনো একটা রোগে আক্রান্ত হয়ে খুবই কষ্ট পাচ্ছেন এবং এক পর্যায়ে আপনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হলেন তখন ডাক্তার সাহেব আপনাকে ভালো করে পরীক্ষা- নীরিক্ষা করে ঔষধ লিখে দিলেন।আপনি ঔষধ কেনার জন্য ফার্মেসিতে গেলেন দেখলেন ডাক্তার আপনাকে যে ঔষধগুলো প্রেসক্রাইব করেছে তার একটিও আপনি খুঁজে পেলেন না।কারন অনুসন্ধান করে দেখলেন আপনি যে ওষুধ খুঁজছেন তার সববরাহ বন্ধ কারন ফার্মাসিস্ট রা ধর্মঘট করছে নিজেদের প্রাপ্য সম্মান ও অধিকার আদায়ের জন্য।তখন শুধু আপনি না এদেশের সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ যারাই রোগে কষ্ট পাচ্ছেন সবাই ই দুর্ভোগের মধ্যে পড়বেন।এমনটা হয়তো আমরা ফার্মাসিস্ট রা কখনোই করবোনা কারন এখন পর্যন্ত ফার্মাসিস্ট রা নিজেদের কাজ ও পেশাগত দায়িত্ব পালনে সর্বোচ্চ উদারতার পরিচয় দিয়ে আসছে।হাজারো ফার্মাসিস্ট ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানি গুলোর প্ল্যান্টে নীরবে,নিভৃতে শতভাগ নির্ভুল ভাবে ঔষধ উৎপাদনের কাজ করে যাচ্ছে।এমনকি এই করোনা মহামারির মধ্যও লকডাউন চলাকালীন শত বাধা বিপত্তি পেরিয়ে নিজের জীবনকে বিপন্ন করে কর্মস্থলে হাজির হচ্ছেন শুধুমাত্র ঔষধ যা কিনা মানুষের মৌলিক চাহিদার মধ্যই পরে তার সরবরাহ নিশ্চিত এবং নির্বিঘ্ন রাখতে। অথচ আজকের এই মহামারির সময়, মানুষের জীবন বাঁচানোর জন্য যারা দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন এই ফার্মাসিস্টদের কোন স্বীকৃতি বা সম্নান কোনটাই নেই।ফার্মাসিস্ট দের কাজ করার স্কোপ খুব বেশি নাই, বেশিরভাগ ফার্মেসির ছাত্ত শিক্ষাগত জীবন শেষ করার পর চাকরি পায় না কারন ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানির প্ল্যান্ট ছাড়া সত্যিকার অর্থেই ঐভাবে ফার্মাসিস্ট দের নিজেদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের ফিল্ড এখনো বাংলাদেশে তৈরি হয় নি।আমাদের দেশের সরকার যারাই ক্ষমতায় এসেছেন তারা তা করতে পারেন নি বা করতে ব্যার্থ হয়েছেন।
অথচ উন্নত বিশ্বের দিকে তাকান স্বাস্থ্য সেবায় ফার্মাসিস্ট দের ভূমিকা কি এবং ফার্মাসিস্ট দের কাজের ক্ষেত্র ও পেশাগত দায়িত্ব পালনে তারা কতটা সম্মান পান।আমরা কথায় কথায় বলি দেশ আজ ডিজিটাল,দেশের জিডিপি বেড়েছে, সকল খাতে দেশ অনেক বেশি এগিয়েছে তাহলে আপনাকে আমরা চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখাতে পারি স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন কোথায়,সব ই ফাঁকা বুলি।স্বাস্থ্যসেবার বিভিন্ন দিক নিয়ে এখনো আমাদের কে তাকিয়ে থাকতে হয় উন্নত বিশ্বের দিকে, এরকম টা আসলে কেনো?

খুবই দুঃখের সাথে বলতে হয় সত্যিই যদি দেশ ডিজিটাল হতো আজ উন্নত দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও হসপিটাল ফার্মেসি চালু হতো এবং ফার্মাসিস্ট দের জন্য প্রয়োজনীয় গবেষণার ব্যাবস্থা থাকতো এবং ফার্মাসিস্ট রা নতুন নতুন ঔষধ নিয়ে গবেষণা করতে পারত এবং জনগনকে ঔষধের সঠিক মাত্রা ও সঠিক প্রয়োগ সম্পর্কে বিস্তারিত জানাতে পারতো।কিন্তু এই স্বাস্থ্য খাতের এ বেহাল দশার পরিবর্তনের কোন সম্ভাবনাই দৃশ্যমান না।ফার্মাসিস্ট যে ডাক্তারের পরিপূরক এ ধারণা টিই এদেশে প্রতিষ্ঠিত হয়নি।ডাক্তার রোগ নির্ণয় করবে ফার্মাসিস্ট ওষুধ সাজেস্ট করবে এবং সকল ধরনের ধারণা দিবে এমনটাই হওয়া উচিত।দেশে ফার্মাসিস্ট দের জন্য নাই কোনো সরকারি চাকরি,তাই ফার্মাসিস্ট দের আজও প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানের চাকরির উপর নির্ভর করে চলতে হয়।আমাদের আজও আন্দোলন করতে হয় হসপিটাল ফার্মেসি বাস্তবায়ন, মডেল ফার্মেসি প্রাকটিস সহ নানা বিষয় নিয়ে কিন্তু এসবে স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্ট কারোর ই কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই।
আমরা আশাবাদী হয়তো বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্ট কর্তাব্যাক্তিদের বোধদয় হবে
হয়ত সে দিন খুব দুরে নয় যেদিন ফার্মাসিস্ট রা যোগ্য সম্মান পাবে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সহ বাকি কর্তা ব্যাক্তিরা যত তাড়াতাড়ি বুঝবে ততোই ভাল হবে এ দেশের মানুষের।দেশ হবে স্বাস্থ্য খাতে উন্নত।

মনে রাখবেন ডাক্তার ভুল করলে একজনের ক্ষতি হবে আর ফার্মাসিস্ট ভুল করলে পুরা জাতির জন্য ভয়ংকর কিছু হবে।
সবার জন্য শুভকামনা রইলো, দেশেই সবার সর্বোচ্চ স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চত হোক।

আসসালামু আলাইকুম, ডাক্তার, ফার্মাসিস্ট, নার্স,হেলথকেয়ার স্টাফ একদম সামনে থেকে যুদ্ধ করছেন অনেকেই। আপনাদের জন্য দোয়া করছি...
17/04/2020

আসসালামু আলাইকুম,
ডাক্তার, ফার্মাসিস্ট, নার্স,হেলথকেয়ার স্টাফ একদম সামনে থেকে যুদ্ধ করছেন অনেকেই। আপনাদের জন্য দোয়া করছি।আপনাদের প্রতি অনুরোধ ফর্মটা একটু ফিলাপ করে দেন।
সার্ভেতে সহযোগিতা করবেন দয়া করে।

অগ্রিম ধন্যবাদ।

Corona virus disease 2019 (COVID-19) is an infectious disease caused by severe acute respiratory syndrome corona virus 2 (SARS-CoV-2).The disease was first identified in December 2019 in Wuhan, the capital of China's Hubei province, and has since spread globally, resulting in the ongoing 2019–20 c...

১৫ তারিখের মানববন্ধন সফল করার লক্ষ্যে চট্টগ্রামের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের ছাত্র রা আজকে সভায় মিলিত হয়েছ...
06/02/2020

১৫ তারিখের মানববন্ধন সফল করার লক্ষ্যে চট্টগ্রামের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের ছাত্র রা আজকে সভায় মিলিত হয়েছি। আশা করছি ভালো একটা সফল প্রোগ্রাম হবে। যারা আসছেন সবাইকে ধন্যবাদ।

https://pharmabangla.com/opinion/844
01/02/2020

https://pharmabangla.com/opinion/844

সুস্থ্য-সুন্দর ভাবে বেঁচে থাকা প্রতিটি মানুষের মৌলিক অধিকার। বেঁচে থাকার তাগিদেই আধুনিকতর সমাজব্যবস্থায় নিত্য....

Address

91/9 Hotel Shajahan Arcade, Sadarghat Road
Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Pharmacist Association Chittagong - PAC posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Pharmacist Association Chittagong - PAC:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram