IPAC International Patient Assistance Centre

IPAC International Patient Assistance Centre We are Authorized service provider of renowned hospitals in Singapore, Thailand and India. we provid

Parkway is a leading healthcare group based in Singapore, operating 16 hospitals with more than 3,000 beds in Asia. It owns and operates Gleneagles Hospital, Mount Elizabeth Hospital, Mount Elizabeth Novena Hospital and Parkway East Hospital in Singapore has extended its customer service free of charge, to Chittagong, Bangladesh to help patients with enquirers and appointments, financial estimates for treatment and also help with airport pick-up services and hotel bookings at corporate and discounted rates, if they so desire. This efficient and convenient service can help you minimize your cost by spending less time and money in trying to identify the right doctor or getting a fixed appointment. Specialists’ appointments can be arranged to suit individual preferences without any additional cost.

প্রথমে মনে হয়েছিল ঘরে থাকলে ও খুব করে নিয়ম মানলে করোনা ঘেঁষতে পারবে না কাছে। এক জন থেকে অন্য জনে করোনাভাইরাস সংক্রমণের শ...
29/05/2020

প্রথমে মনে হয়েছিল ঘরে থাকলে ও খুব করে নিয়ম মানলে করোনা ঘেঁষতে পারবে না কাছে। এক জন থেকে অন্য জনে করোনাভাইরাস সংক্রমণের শৃঙ্খল ভেঙে যাবে। কমবে অতিমারির প্রকোপ। তত দিনে গরম এসে যাবে, কিছু ভাইরাস মরবে দাবদাহে। আর বিজ্ঞানীদের গবেষণা তো চলছেই। ওষুধ বা টিকা কিছু একটা বেরলে সমস্যা মিটবে পুরোপুরি।
কিন্তু কোনওটাই হল না। কিছু মানুষ লকডাউন মানলেন, কিছু মানলেন না। কেউ কেউ মানতে পারলেন না। ফলে সংক্রমণের গ্রাফ ঊর্ধমুখী রইল। গরম ও গবেষণা কোনও সুখবর নিয়ে এল না। শেষমেশ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েই দিল, এ বার ধীরে ধীরে অদৃশ্য এই শত্রুর সঙ্গে বসবাসের কৌশল শিখে নিন। যেমন ভাবে ডেঙ্গি, এডসের সঙ্গে মিলেমিশে আছেন, সে ভাবে।
অর্থাৎ এ বার বাড়িতে পরিচারিকা ঢুকবেন। ধরাচুড়ো পরে অফিস যেতে হবে। উঠতে হবে গণপরিবহণে। কাজেই আগে যেমন সপ্তাহে এক বার মাত্র বাজার যেতেন, প্লাস্টিকের চটি পরে, চোখে রোদচশমা ও নাকে এন-৯৫ এঁটে, ফিরে এসে জামা-জুতো-ব্যাগ থেকে শুরু করে নিজেকেও আপাদমস্তক সাবান-জলে রগড়ে ধুয়ে নিতেন, সবার ছোঁয়াচ বাঁচিয়ে চলতেন, ঘণ্টায় ঘণ্টায় হাত ধুতেন, সে সব আর হবে না। তার উপর ‘করোনা সামলাতে’ যে সব দাওয়াই চলত নিমেষে নিমেষে— গরম জল, আদা-তুলসী-লবঙ্গ-গুড়ুচি ইত্যাদির ক্কাথ্, লেবু-জল, চা, ভিনিগার, কমলালেবু, রান্নায় আদা-রসুন-জিরে-হলুদ দিতেন আচ্ছা করে, ভাবতেন এই পথেই বাড়বে ইমিউনিটি, বিদায় নেবে করোনা, সময়ের অভাবে অত খুঁটিনাটি করতে পারবেন না। চড়া রোদে ঘণ্টাখানেক দাঁড়িয়ে ভাইরাস ও নিজেকে পুড়িয়ে ঝামা করার যে কৌশল নিয়েছিলেন, তা-ও হবে না। বরং অফিসে কাজের ফাঁকে অন্যের হাতে বানানো এক-আধ কাপ চা-কফি খেতে হবে। টিফিন না বানাতে পারলে বাজারের ঝালমুড়ি বা ধোকলা খেতে হতে পারে কখনও। দামি জামা-কাপড়, চটি-জুতো, বেল্ট ইত্যাদি রোজ ধুতে ধুতে তাদের হাল খারাপ হবে। এমনকি, বাড়ি ফিরে চুল ভিজিয়ে শ্যাম্পু করে স্নানও করে উঠতে পারবেন না সবাই। ফলে যা হবে, তা হল প্রবল মানসিক অশান্তি, এই বুঝি রোগ ঢুকে পড়ল, আর বয়কট করল সবাই। এ ভাবে বাঁচা যাবে!
মাস্ক পরার অভ্যাস চালিয়ে যেতে হবে আপাতত।
তা হলে বাঁচার পথ কী?

ভারতের সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ অমিতাভ নন্দী বললেন,
“নিয়ম মানলে তো ভাল। কিন্তু যা হচ্ছে তা কোনও নিয়ম নয়। অবৈজ্ঞানিক সব ব্যাপার। এই যে গরমের মধ্যে ঘণ্টায় ঘণ্টায় গরম জল খাচ্ছেন, চা খাচ্ছেন, কী এর কারণ? ভাইরাস মরবে? ভাইরাসকে মারতে গেলে জলের তাপমাত্রা যা হতে হবে, তাতে তো মানুষই মরে যাবে! অত চা খেলে অম্বল বাড়বে না!’’ অমিতাভবাবু বলছেন, কেউ আবার রোদে দাঁড়িয়ে থাকছেন ঘণ্টার পর ঘণ্টা। কারণ তাতে ভিটামিন ডি তৈরি হবে, করোনা পালাবে! ভিটামিন ডি দরকার। এখন বলে নয়, সব সময়েই দরকার। কিন্তু বাড়াবাড়ি করলে তো বিপদ। তাঁর অভিমত: ‘‘আসলে মানুষকে ভাল করে বোঝানো হচ্ছে না। স্রেফ বলে দেওয়া হচ্ছে এটা করো, ওটা করো। কেন করতে হবে, না করলে কী হবে তা না বুঝলে যা হয়। কেউ গুরুত্ব দিচ্ছেন না। কেউ বাড়াবাড়ি করছেন। আর রোগ থেকে যাচ্ছে রোগের মতো। অতিমারীর মোকাবিলা এ ভাবে হয় না।’’ তাঁর পরামর্শ, সমাজের সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে সমন্বয় গড়ে তুলতে হয়। ট্রেনিং দিতে হয় লাগাতার। তারপর সবাই যখন বোঝেন এই পথে চললে ভাল হবে, তাঁরা নিজেরাই ঠিকঠাক নিয়ম মানেন, উপর থেকে চাপিয়ে দিতে হয় না।”

ঠিকঠাক নিয়মগুলি কী কী

• ‘‘রোগ ঠেকানোর ৮০ শতাংশ চাবিকাঠি আছে হাত ধোওয়ার মধ্যে।” বলছেন জনস্বাস্থ্য বিষয়ক চিকিৎসক সুবর্ণ গোস্বামী, “কিন্তু তার মানে এই নয় যে ঘণ্টায় ঘণ্টায় হাত ধুতে হবে। আপনি যদি এমন জায়গায় হাত দেন যেখানে জীবাণু থাকার আশঙ্কা আছে, যেমন গণপরিবহণে উঠলে, ভিড় কাটিয়ে বেরলে, লিফটের বোতাম-দরজার হাতল বা সিঁড়ির রেলিং ধরলে, পাঁচ জন ব্যবহার এমন কিছুতে হাত দিলে, টাকা দেওয়া-নেওয়া করলে ইত্যাদি, সেই হাত নাকে-মুখে-চোখে বা অন্য কোথাও লাগার আগেই ভাল করে ধুয়ে নিতে হয়। ধুতে হয় খাওয়ার আগে, টয়লেট থেকে এসে। কাজেই বাইরে বেরনোর সময় সঙ্গে ছোট একটা সাবান ও ৭০ শতাংশ অ্যালকোহল আছে এমন স্যানিটাইজার নিন। কিছু টিস্যু পেপার বা পরিষ্কার রুমাল রাখুন। হাত ধোওয়ার সুযোগ থাকলে সাবান জলে হাত ধুয়ে নিন। না হলে স্যানিটাইজার ব্যবহার করুন। সাধারণ সাবান হলেই হবে। অ্যান্টিব্যাক্টিরিয়াল সাবানের কোনও দরকার নেই। তার আলাদা কোনও ভূমিকা নেই। তা ছাড়া আপনার লড়াই তো ব্যাক্টিরিয়ার বিরুদ্ধে নয়, ভাইরাসের বিরুদ্ধে।”

• সাধারণ মানুষের গ্লাভস পরার দরকার নেই। নিয়ম মেনে না পরলে উল্টে বিপদের আশঙ্কা বেশি। তার চেয়ে হাত ধুয়ে নেওয়া অনেক নিরাপদ।

• রাস্তায় বেরলে মাস্ক বাধ্যতামূলক। অফিসেও পরে থাকবেন। কাপড়ের ট্রিপল লেয়ার মাস্ক সবচেয়ে ভাল। তবে গরমে অসুবিধে হলে ডাবল লেয়ারই পরুন। বেশ বড় মাপের। নাকের উপর থেকে চিবুকের নীচ ও কান পর্যন্ত গালের পুরোটাই ঢাকা থাকতে হবে। আপনার ৬ ফুটের মধ্যে কেউ যেন মাস্ক না পরে আসেন, সে দিকে খেয়াল রাখবেন। বাড়ি ফিরে সাবান জলে মাস্ক ধুয়ে শুকিয়ে নিতে হবে। বা যদি ৫টা মাস্ক থাকে ও আলাদা করে রাখার জায়গা থাকে, পর পর ৫ দিন আলাদা আলাদা মাস্ক পরে আবার ষষ্ঠ দিন আবার এক নম্বর মাস্ক দিয়ে শুরু করতে পারেন। রোগ ঠেকানোর ২০ শতাংশ দায়িত্ব আছে মাস্কের উপর।

• মাস্ক পরছেন বলে মানুষের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রাখবেন না, এমন যেন না হয়। ৬ ফুটের বেশি দূরত্ব রাখতে পারলে সবচেয়ে ভাল। নয়তো কম করে ৩ ফুট।

• চোখে চশমা থাকলে আর কোনও সাবধানতা লাগবে না। না থাকলে রোদচশমা পরে বেরন। কারণ চোখ দিয়েও কিন্তু জীবাণু ঢুকতে পারে।

• বড় চুল হলে চুল ভাল করে বেঁধে স্কার্ফ বা ওড়নায় মাথা ঢেকে নেবেন। কারণ বাসে-ট্রামে খোলা চুল অন্যের নাকে-মুখে উড়ে লাগতে পারে। তাঁদের রোগ আছে কি না তা তো জানেন না। সেই চুল আপনার নাকে-মুখে লাগলে বিপদ হতে পারে। তা ছাড়া বড় চুলে রোজ শ্যাম্পুও করা যায় না। বিপদ বাড়ে তা থেকে।

• নিয়মিত ধোওয়া যায় এমন চটি বা জুতো পরে বেরবেন।

• গয়নাগাটি পরে বেরবেন না। কারণ ধাতুর উপর প্রায় পাঁচ দিন থেকে যেতে পারে জীবাণু। ঘড়ি পরারও দরকার নেই।

• অফিসে নিজস্ব কাপ রেখে দেবেন। সাবান-জলে ধুয়ে সেই কাপে চা বা কফি খাবেন। ক্যান্টিন থেকে যে পাত্রেই আসুন, চা-কফির তাপে সেখানে জীবাণু থাকবে না। ভয় নেই।

• বাড়ী থেকে টিফিন নিয়ে যাবেন। নয়তো খোসা ছাড়িয়ে খেতে হয় এমন ফল খাবেন। প্যাকেটের বিস্কুট বা বাদাম খেতে পারেন মাঝেমধ্যে। প্যাকেট খুলে পরিষ্কার করে ধোওয়া পাত্রে ঢেলে তারপর হাত ধুয়ে খাবেন।

• রাস্তার কিছু খাওয়া এ সময় ঠিক নয়। বড় রেস্তরাঁয় যদি সব নিয়ম মেনে খাবার বানানো হয়, এক-আধ বার খেতে পারেন। তবে সে সবও যত এড়িয়ে যেতে পারবেন তত ভাল। খাবার বাড়ীতে এনে গরম করে খেলে অবশ্য অসুবিধে নেই।

• জুতো বাইরে খুলে ঘরে ঢুকবেন। পাঁচ জোড়া জুতো থাকলে এক এক দিন এক একটা পরতে পারেন। ষষ্ঠ দিনে আবার প্রথম জোড়াটা পরবেন। কারণ ৫ দিন পর্যন্ত ভাইরাস লেগে থাকতে পারে জুতোয়। না থাকলে সাবান-জলে জুতো ধুয়ে তবে ঘরে ঢোকাতে পারবেন। এর পর নির্দিষ্ট কাবার্ড বা ঝোলায় ব্যাগ রেখে বাথরুমে গিয়ে জামাকাপড়, চশমা সাবান-জলে ধুয়ে, তুলোয় স্যানিটাইজার ভিজিয়ে মোবাইল পরিষ্কার করে ভাল করে সাবান মেখে, শ্যাম্পু করে স্নান করবেন।

• বাড়ীতে কাজের লোক বা অন্য কেউ এলে ঘরে ঢোকার আগে হাত এবং পা ভাল করে সাবান জলে ধুয়ে নিতে হবে। ধোওয়া মাস্ক পরতে হবে। স্নান করে জামাকাপড় বদলে নিতে পারলে আরও ভাল।

• খাওয়াদাওয়ার দিকে নজর দিতে হবে। বাহুল্য বর্জিত হালকা খাবারই ভাল এই সময়। ঘরে বানানো সাধারণ বাঙালী খাবার। ভাজা-মিষ্টি একটু কম খাওয়া ভাল। ফল খাবেন সুবিধেমতো। মাছ-মাংস-ডিম, যাঁর যেমন সুবিধে।

• প্রচুর জল খাওয়ার কোনও দরকার নেই। শরীর যতটুকু চায় ততটুকু খেলেই হবে।

• ভেষজ উপাদান খেতে ইচ্ছে হলে খাবেন। না খেলেও ক্ষতি নেই। কারণ আদা, ভিনিগার ইত্যাদিরা ভাইরাস মারতে পারে না। পুষ্টিকর সহজপাচ্য খাবার খেলে, অল্প ব্যায়াম করলে ও ভাল করে ঘুমোলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এমনিই ঠিক থাকবে।

• গায়ে হালকা রোদ লাগানো খুবই দরকার। সকালের দিকে একটু মর্নিং ওয়াকে গেলে ব্যায়ামও হবে, রোদও লাগবে গায়ে। ভাইরাস বাতাসে ভেসে বেরায় না। কাজেই ভয় নেই। সময় থাকলে একটু বেলার দিকেও বেরতে পারেন। চড়া রোদ ঠেকাতে ছাতা নিয়ে নেবেন। মানুষের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রাখাও সহজ হবে।

• জিম বা বিউটি পার্লারেও এখনই যাওয়ার দরকার নেই।

অনুগ্রহ করে এই সময়ে সেল্ফ কয়ারেন্টাইন মেনে চলুন....
19/04/2020

অনুগ্রহ করে এই সময়ে সেল্ফ কয়ারেন্টাইন মেনে চলুন....

14/04/2020

ধরা যাক, আপনার একটু গলা ব্যথা করছে। সঙ্গে সামান্য শুকনো কাশি। শরীরটাও একটু গরম মনে হচ্ছে। অন্য সময় হলে আপনি নিশ্চয়ই একে মৌসুম বদলের সময়কার সমস্যা বলে উড়িয়ে দিতেন। কিন্তু করোনাভাইরাসের সংক্রমণের এই সময়ে এসব সমস্যায়ও অনেকে আতঙ্কিত হয়ে পড়ছেন। গবেষকেরা বলছেন, অতিরিক্ত চাপ ও উদ্বেগ শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাকে দুর্বল করে দেয়, আত্মবিশ্বাসে ভাঙন ধরায়। কাজেই যত সত্য জানবেন, তত সতর্কতা বাড়বে, আর মোকাবিলাও করতে পারবেন ভালোভাবে।

১. সংক্রমণ হলে কি মৃত্যু অনিবার্য?

প্রতিদিন শত শত মৃত্যুর খবর আমাদের ভয় ধরানোর জন্য যথেষ্ট। কিন্তু মনে রাখতে হবে, বিশ্বজুড়ে ৬৬ থেকে ৮০ শতাংশ কোভিড-১৯ রোগী মৃদু বা সামান্য উপসর্গ দেখা দেওয়ার পর সেরে উঠছেন। ৪ থেকে ৬ শতাংশ মানুষের অবস্থা জটিল হতে পারে, নিবিড় পরিচর্যার প্রয়োজন হতে পারে। কাজেই ভালো থাকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে। যদি অসুস্থ বোধ হয়, তবে নিজেকে অন্য সবার কাছ থেকে আলাদা করে ফেলুন। পুষ্টিকর সুষম খাবার খান। পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে অনলাইনে বা ফোনে যোগাযোগ অব্যাহত রাখুন। উদ্বেগ কমাতে বই পড়ুন বা গান শুনুন। চিকিৎসকের পরামর্শ অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলুন। আর নিয়মিত নিজের উপসর্গগুলো লক্ষ করতে থাকুন।

২. উপকার পাওয়া যায়, এমন কোনো ওষুধ আছে?

নভেল করোনাভাইরাস একটি নতুন ভাইরাস। এখন পর্যন্ত এর কোনো কার্যকর ওষুধ বা টিকা নেই। তবে বিজ্ঞানীরা এর টিকা আর জুতসই ওষুধ খুঁজে বের করার চেষ্টা চালাচ্ছেন। তাই নানা ধরনের চটকদার বিজ্ঞাপনে বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টের ছলনায় ভুলবেন না। মনে রাখতে হবে, দীর্ঘমেয়াদি ও নির্ভরযোগ্য ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল বা গবেষণা ছাড়া কোনো ওষুধ কার্যকরী কি না, তা জানা যায় না। আর এমন কিছু পাওয়া গেলে নিশ্চয়ই চিকিৎসকেরা আপনার ওপর তা যথাসময়ে প্রয়োগ করবেন। তাই আগে থেকে এসব নিয়ে চিন্তা করার কিছু নেই। বরং নিজেকে আর পরিবারকে নিরাপদ রাখার দিকে নজর দিন, সতর্ক থাকুন।

৩. আমার বয়স কম, চিন্তা কী?

বিশ্বজুড়েই অপেক্ষাকৃত তরুণেরা নতুন করোনাভাইরাসের সংক্রমণকে সেভাবে গুরুত্ব দিচ্ছেন না, সামাজিক দূরত্বের নিয়মকানুন প্রায়ই মানছেন না। কেননা, তাঁদের ধারণা, এটা বয়স্কদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ রোগ। মনে রাখতে হবে, কেবল ষাটোর্ধ্ব বয়সই নয়, অন্তর্নিহিত কোনো রোগ বা রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থায় জটিলতার কারণে এই ভাইরাস যে কারও জন্য মারাত্মক হয়ে উঠতে পারে। তা ছাড়া আপনি কোভিড-১৯ আক্রান্ত হলে প্রিয়জনদের জন্যও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারেন।

৪. আমার কাশিটা কি কোভিড-১৯–এর জন্য?

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে, শুকনো কাশি, জ্বর, ক্লান্তি আর শ্বাসকষ্ট—এগুলো হলো কোভিড-১৯-এর মূল উপসর্গ। কারও কারও গায়ে ব্যথা, নাক বন্ধ, গলাব্যথা, ডায়রিয়া হতে পারে। এসব উপসর্গ দেখা দিলে ঘাবড়ে না গিয়ে আগে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলুন। প্রয়োজন হলে তিনিই আপনাকে পরীক্ষা করাতে বলবেন। পরীক্ষা হোক আর না হোক, নিজেকে আলাদা রাখুন। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন।

৫. মাস্ক পরে বাইরে গেলে কি সমস্যা হবে?

অনেকেই বাড়িতে থাকতে চাইছেন না। ভাবছেন মাস্ক পরে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিয়ে একটু বাইরে যাই, বন্ধুদের সঙ্গে মিশি, হাঁটাহাঁটি করি। মনে রাখতে হবে, মাস্ক আপনাকে পূর্ণ সুরক্ষা দিতে পারবে না। ভাইরাসটি বাতাসে ভেসে বেড়ানোর চেয়ে বরং বস্তু বা তলে লেগে থাকে বেশি। বাইরে যাওয়া মানে আপনি নিজের ও পরিবারের জন্য বিপদ ডেকে আনছেন। আপনার এই সামান্য ভুল সর্বনাশ ডেকে আনতে পারে। তাই সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন। অত্যন্ত প্রয়োজন ছাড়া বাইরে যাবেন না।

৬. আমার অস্থির লাগছে

নানা উৎস থেকে নানা ধরনের খবর আর পরামর্শে আপনাকে অস্থির, ভীত আর উদ্বিগ্ন করে তুলতে পারে। কাজেই খুব বেশি খবর জানার প্রতি মনোযোগী না হয়ে পরিবারকে সময় দিন। ভালো কিছু করুন। দিনে এক বা দুবার নির্ভরযোগ্য কোনো সূত্র থেকে খবর পাওয়ার চেষ্টা করুন।
---
অধ্যাপক ডা. মো. আজিজুর রহমান
মেডিসিন ও বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ
তথ্যসুত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো

20/03/2020

ডাঃ আফতাফুজ্জামান, নিউজিল্যান্ড প্রবাসী ট্রপিক্যাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ২০ তম ব্যাচের ছাত্র, কক্সবাজারের কৃতি সন্তান, তাঁর পেইজ থেকে,

যারা এখনও অবস্থার গভীরতা বুঝতে পারছেন না :

সহজে বুঝার জন্য একটি হাইপোথেটিক্যাল দেশ ভাবা যাক। যেখানে ২০ কোটি লোক বাস করে। সেখানে একেকজন মানুষ গড়ে কোনও না কোনওভাবে তিনজন নতুন মানুষের সংস্পর্শে আসে। হঠাৎ একজন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলেন, তাহলে সংক্রামণের সংখ্যা ১ থেকে বেড়ে পুরো পপুলেশনে ছড়িয়ে পড়তে সময় লাগবে ১৫ দিন।
অনেকটা এভাবে,

1
3
12
48
192
768
3,072
12,288
49,152
196,608
786,432
3,145,728
12,582,912
50,331,648
201,326,592

এখন সেদেশের মানুষ যদি চলাচলকে সীমাবদ্ধ করে প্রতিদিন দুইজন নতুন মানুষে নামিয়ে আনতে পারে তাহলে ওই একই ১৫ দিন শেষে সংক্রামণের সংখ্যা দাঁড়াবে 3,188,646।

তারা যদি আরও সীমাবদ্ধ করে ১০ দিনে ৫ জনে নামিয়ে আনে তাহলে ১৫ দিন শেষ সংক্রামিত জনসংখ্যা হবে 223,517

যদি তারা চলাচলকে আরও সীমাবদ্ধ করে ১০ দিনে ১ জন নতুন মানুষের সংস্পর্শ নিশ্চিত করে তাহলে ১৫ দিন শেষে আক্রান্তের সংখ্যা হবে 16,992

এখন নিশ্চই বুঝতে পেরেছেন সংক্রামক রোগের ক্ষেত্রে চলাচলের উপর সীমাবদ্ধতা আরোপ করা কেন এত জরুরী। এরপর থেকে দয়া করে আর ৩ শতাংশ বিষয়টিকে খাটো করে দেখবেন না। ১০০ জনে ৩ জন হয়তো অনেক ছোট বিষয়। কিন্তু ১০০ কোটির ৩ শতাংশ কিন্তু ৩ কোটি। এটা খেয়াল রাখতে হবে।

এপিডেমিওলজি মোতাবেক একটি সংক্রামক ব্যাধিকে নিয়ন্ত্রণ করতে হলে কেইস আইডেনটিফাই করে কন্টাকট ট্রেসিং করে সবাইকে কোয়ারেন্টাইন করতে হবে।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে আমাদের করণীয় কী? আমাদের করণীয় হচ্ছে যতটা সম্ভব বাসায় থাকা। যাদের বাসায় থাকা সম্ভব নয়। যারা সুপার স্প্রেডার, যেমন ডাক্তার, তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা। প্রতিটি কমিউনিটিতে একটি দলকে প্রশিক্ষণ দিয়ে তৈরি রাখা যারা এই কন্টাকট ট্রেসিং করতে পারবেন। (কারণ, আমাদের পর্যাপ্ত বিশেষজ্ঞ নেই)

এবং হাত না ধুয়ে চোখে, নাকে, মুখে হাত দেওয়া যাবে না। বাসার কাজের বুয়াকে এক মাসের জন্য বৈতনিক ছুটি দিয়ে দিন। দুই সপ্তাহ নিজের কাজ নিজেই করেন। নিজেকে সম্পূর্ণরূপে আইসোলেট করে ফেলুন। আমরা সবাই মিলে এক মাস কষ্ট করলে এই অবস্থার ব্যাপকতা ঘটবে না। এখন যদি একমাসের জন্য আমরা নিজেদের বন্ধ না করে ফেলি তাহলে একমাত্র আল্লাহ জানেন কতদিনের জন্য দুর্ভোগ আসছে।

আবারও বলছি করোনাকে পার্সেন্টেজ দিয়ে বিবেচনা করবেন না। ম্যাগনিচিউড দিয়ে বিবেচনা করুন।

১০০ জনের তিনজন হয়তো অনেক নগণ্য কিন্তু ১৬ কোটির ৩ শতাংশ কিন্তু ৪৮ লাখ। যা পুরো দেশকে মৃত্যুপুরি বানাবে।

সবচেয়ে মারাত্মক বিষয়টি হচ্ছে এর ১০ ভাগের একভাগও যদি ঘটে তাহলে কেবল করোনাভাইরাসের রোগীতে সব হাসপাতাল ভরে যাবে। অন্য কোনও আর্জেন্ট অসুখ, যেমন হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক এসব অসুখের জরুরী চিকিৎসা দেওয়া যাবে না তাই বাড়বে এভোয়েডেবল ডেথের সংখ্যা। ফলত, মৃত্যুর সংখ্যা বাড়বে জ্যামিতিক হারে।

সবাই সতর্ক থাকুন, একা থাকুন।

[Collected]

আল্লাহ আমাদের সহায় হোন ।

30/09/2019
যারা ভাবেন গর্ভকালটা একদমই ফিজিওলজিক্যাল, তাদের জানা দরকার বাংলাদেশে মায়ের মৃত্যুর হার এখনো বেশি। এর মধ্যে ২০ ভাগ কিন্তু...
02/09/2019

যারা ভাবেন গর্ভকালটা একদমই ফিজিওলজিক্যাল, তাদের জানা দরকার বাংলাদেশে মায়ের মৃত্যুর হার এখনো বেশি। এর মধ্যে ২০ ভাগ কিন্তু প্রি-একলামসিয়ায়। এটি প্রতিরোধ করা যায়। এরপর ৩১ শতাংশ কিন্তু গর্ভকালীন রক্তক্ষরণ। সাত ভাগ ক্ষেত্রে হলো সংক্রমণ, ৪০ ভাগ ক্ষেত্রে অন্যান্য। এগুলো তো সবই প্রতিরোধযোগ্য। তাহলে আপনাকে জানতে হবে গর্ভকালীন অবস্থায় আপনাকে চেকআপে যেতে হবে। বের করতে হবে, আপনার গর্ভকালীন অবস্থা ঝুঁকিপূর্ণ কি না।

❖ চেকআপে কতদিন পর পর যেতে হবে?

উত্তর : আমরা বলি, ২৮ সপ্তাহ পর্যন্ত আপনি প্রতি মাসে মাসে যাবেন। এতবার চেকআপ না করাতে পারলে, ডাব্লিউ এইচও কিন্তু একটি আদর্শ সেট তৈরি করেছে। এই নয় মাসে আপনি চার বার যান অন্তত। তাহলেও জানা যাবে, তারটা ঝুঁকিপূর্ণ বা ঝুঁকিহীন কি না।

এরপর দ্বিতীয় কথা হলো, কোনো পরিকল্পনা নেই যে কোথায় ডেলিভারি করবে। হাসপাতালে না কি বাড়িতে। বাড়িতে যদি করতে চায়, তাহলে দেখতে হবে কোনো প্রশিক্ষিত দাই রয়েছে কি না। প্রশিক্ষিত দাই পেয়ে থাকলে, দেখতে হবে, দাই জানেন কি না যেকোনো সময়টা রোগীকে রেফার করতে হবে। রেফার করতে হলে তার যাতায়াত ব্যবস্থা কী এবং কাছকাছি স্বাস্থ্যকেন্দ্র কোথায় জানতে হবে। অনেকে জানেন না তার ব্লাড গ্রুপ কী, প্রয়োজনে কোথা থেকে তাকে রক্ত নিতে হবে এবং কে কে দিতে পারবে। প্রসব পূর্ববর্তী পরিকল্পনা তো সে অ্যান্টিনেটাল চেকআপের মাধ্যমেই জানতে পারবে। অ্যান্টিনেটাল চেকআপ ছাড়া তো সে জানতে পারবে না। পানি ভাঙ্গা, জ্বর আসা, খিচুনি হওয়া, মাথা ঘুরানো, চোখে ঝাপসা দেখা যে বিপজ্জনক লক্ষণ, সেটাও সে জানতে পারবে, যদি চেকআপের ভেতর থাকে।

অনেক উন্নত দেশে দেখবেন গর্ভাবস্থার আগেই তারা চিকিৎসকের কাছে যাচ্ছেন। এটি কেন প্রয়োজন আমি বলি, ফলিক এসিড নামে ভিটামিনটি আমাদের দেহে বেশি থাকলে, দেহে নিউরালটিভ ডিফেক্টটা হয় না। নিউরাল টিউব কিন্তু তৈরি হয়ে যায় ২৪ থেকে ২৮ সপ্তাহের মাধ্যমে। এর অর্থ কী? প্রথম যখন মা জানতে পারে সে গর্ভধারণ করেছে, দেড় মাস পরে তার আগেই কিন্তু শিশুর নিউরাল টিউব তৈরি হয়ে যাচ্ছে। তার শরীরে যদি ফলিক এসিডের ঘাটতি থাকে, তাহলে অবশ্যই শিশুর নিউরাল টিউবের ঘাটতি হবে। কিন্তু সে যদি গর্ভধারণের আগে চিকিৎসকের চেকআপে যায়, তাহলে সে জানতে পারে, ফলিক এসিড নামের ভিটামিনটা তাকে খেতে হবে। এরপর রয়েছে রুবেলা ভাইরাস। রুবেলা ভাইরাস দিয়ে গর্ভকালে সংক্রমিত হলে, তাহলে আমরা জানি যে বাচ্চা জন্মগতভাবে বধির হয়। তাহলে তার গর্ভ পূববর্তী অবস্থায় ব্লাড টেস্টের মাধ্যমে সব জানতে হবে রুবেলা পজিটিভ বা নেগেটিভ কি না। যদি নেগেটিভ হয়ে থাকে, তাহলে তাকে ভ্যাকসিন দিতে হবে। হেপাটাইটিস ভাইরাসের অনেক জটিলতা রয়েছে আমরা জানি। এ জন্য হেপাটাইটিস প্রতিরোধী ভ্যাকসিনেশন করা রয়েছে কি না দেখতে হবে। এসব বিষয় সে গর্ভ পূর্ববর্তী চেকআপে জানতে হবে। কেবল তাই নয়, সে গর্ভ ধারণের জন্য ফিট কি না সেটিও জানতে পারবে।

এরপর থেলাসেমিয়ার কথা বলি। হঠাৎ করে স্বামী-স্ত্রী দুজনেই জানতে পারল যে সে থেলাসেমিয়া মাইনর। এগুলো সে আগে জানতে পারত, যদি সে গর্ভ পূববর্তী স্ক্রিনিংয়ে যেত।

আরেকটি বিষয়। বাচ্চা হয়তো মায়ের বুকের দুধ খাচ্ছে, তবু সে সুস্থ নয়। তাহলে ওই মা জানলই না পুষ্টি একটি বিরাট বিষয় এ ক্ষেত্রে। বাচ্চা যদি আড়াই কেজির নিচে হয়, সেই বাচ্চার মৃত্যুর হার স্বাভাবিক ওজনের বাচ্চার তুলনায় ৪০ শতাংশ বেশি। তাহলে মা-কে পুষ্টিযুক্ত খাবার খেতে হবে। তাকে ফিট থাকতে হবে। দুই বছরের একটি বিরতি দিতে হবে, দুইটি বাচ্চার মাঝখানে। কারণ, একজন সুস্থ মা-ই তো সুস্থ সন্তান জন্ম দিতে পারে।

এখানে আরো কিছু বিষয় রয়েছে, আমরা যদি দেখি যে সে আগে থেকে ডায়াবেটিসে ভুগছে, তার উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে, তাকে কিন্তু জানতে হবে, ডায়াবেটিস অনেক কমিয়ে নিয়ে তাকে গর্ভবতী হতে হবে। তার এসব বিষয় সেট করে নিয়েই কিন্তু গর্ভবতী হওয়া উচিত। তখনই সম্ভব একজন সুস্থ মা ও সুস্থ নবজাতক পাওয়া।
-
Prof. Dr. Sangjukta Saha.


























Eid Mubarak to all of you
11/08/2019

Eid Mubarak to all of you

31/07/2019

যারা পেঁপে পাতার রসকে ডেংগুর মহৌষধ মনে করেন,তারা প্লীজ এটা পরেন। যা করার প্লীজ বুঝে-শুনে করেন। রিস্ক বাড়ায়েন না
#পেঁপে_পাতা_ও_ডেঙ্গি
#শেষ_প্রযন্ত_পড়ুন
পেঁপে পাতা ডেঙ্গুর চিকিৎসা!?
ওয়েল, পেঁপে পাতা নিয়ে সম্ভাবত সর্ব প্রথম স্টাডি হয় শ্রীলঙ্কাতে সেখানে দেখানো হয়েছে পেঁপে পাতার রস খাইলে প্ল্যাটিলেট কাউন্ট বাড়ে!।
এরপরে কয়েক্টা স্টাডি হয়েছে ইন্ডিয়া তে তারাও সিগনিফিকেন্ট রেজাল্ট পেয়েছেন।
(লিঙ্ক কমেন্টে)
কথা হলো।
এটা কি আপনি খেলেই হবে??? ডাক্তারের কাছে যেতে হবেনা??????
সমস্যাটা এখানেই।
ডেংগির জন্য আমাদের ৩ ধরনের সমস্যা হয়।
১। শুধু ফিভার (Dengue Fever)
২। ডেংগি রক্তক্ষরণ ফিভার (Dengue Haemorrhagic fever)
৩। ডেংগি শক সিন্ড্রোম (dengue Shock syndrome)
৩ টা আবার একই সময় একই জনের নাও হতে পারে।
১।
#শুধু ডেঙ্গি ফিভারের চিকিৎসা হলো : পানি, পানি জাতীয় খাবার আর প্যারাসিটামল।
২ এবং ৩ দুটাতেই হাসপাতালে ভর্তি মাস্ট।
কারণ
২।
#ডেঙ্গি রক্তক্ষরণ ফিভারে : প্লাটিলেট কমিয়ে শরীরের বিভিন্ন জায়গা থেকে রক্ত ক্ষরণ হতে পারে! এর এখন প্রযন্ত মেডিকেল চিকিৎসা হলো #রক্ত দেয়া :-
----- ----------------------------------
তবে হ্যাঁ শুধু মাত্র এই জায়গায় সম্ভাবত পেঁপে পাতার ইফেক্ট আছে প্লাটলেট বাড়াতে, তবে সেটা অবশ্যই হাসপাতালে ডাক্তারের সুপারভিশনে। বাসায় কোন অবস্থাতেই নয়!
আর ইফেক্ট পাওয়া গেলেও আমাদের ন্যাশনাল গাইডলাইন /বা পৃথিবীর কোন মেডিকেল সোসাইটি এটাতে এখনো বৈধতা দেয়নি, ফলে ডাক্তার আপনাকে পেঁপে পাতা খাইতে বলতে পারেনা, যতক্ষণ প্রযন্ত অফিশিয়াল বৈধতা আসতেছে ততক্ষণ কারণ এখন প্রযন্ত এটা ডাক্তার এর জন্য অপ-চিকিৎসা।
ফলে ডাক্তার কেন আপনাকে পেঁপে পাতা খাইতে দিলনা সেটা নিয়ে চিল্লানোর কিছু নাই।
আপনি নিজ ইচ্ছায় যেমন পানি পরা খাইতে পারেন তেমন এটাও নিজ ইচ্ছায় করতে হবে। তবে সেটা কোন অবস্থাতেই ১ ও ৩ এর ক্ষেত্রে নয়।
৩ :
শক সিন্ড্রোম :
এখানে ডেঙ্গি ভাইরাসের ইফেক্টের ফলে (ব্যাসিকাল্লি ইমিউন ইফেক্টের ফলে)
আপনার রক্ত নালীতে ছোট ছোট ছিদ্র তৈরী হবে বা আগের ছিদ্রগুলো বড় হয়ে যাবে : ----- ফলে রক্তের পানিয় অংশ রক্তনালীর বাইরে চলে আসবে > রক্ত ঘন হয়ে যাবে > রক্ত চলাচল কমে যাবে > শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অর্গান যেমন ব্রেইন রক্ত পাবে না >আপনি মারা যাবেন।
দেখুন এখানে কিন্তু কমলো শুধুমাত্র পানি। রক্ত নয়!
ফলে এর চিকিৎসা স্যালাইন (রক্তের পানির সমতুল্য, খাওয়ার পানি নয়) সেটা অবশ্যই ইচ্ছে মত নয়, হিসেব করে। এবং
এটা অবশ্যই হতে হবে হাসপাতালে, না হয় আপনি শেষ।
এখানে যদি আপনি পেঁপে পাতা খান তাহলে হিতে বিপরীত হয়ে যাবে।
পেঁপে পাতা রক্তে প্ল্যাটিলেট (এমনকি RBC) আরো বাড়িয়ে দিবে।
রক্তের ঘনত্ব আরো বেড়ে যাবে > শক আরো বাড়বে >আপনি আরো তাড়াতাড়ি মারা যাবেন।
তাই সাবধান হওয়ারই ভালো।
২ লাইন জেনে পন্ডিতি করা অনেক সময় জীবন শেষ করে দিতে পারে।
----------------------------------------------------------
ডাঃ কাজী মুনিরুল ইসলাম
এম বি বি এস, বিসিএস
এমডি (কোর্স) স্টুডেন্ট (নিউরোমেডিসিন)
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।

Eid Mubarak ❤️⠀ I pray that Allah accepts all of our efforts and duas in the blessed month of Ramadhan and allows us to ...
04/06/2019

Eid Mubarak ❤️

I pray that Allah accepts all of our efforts and duas in the blessed month of Ramadhan and allows us to live until the next one as well!

Happy Mother's Day
12/05/2019

Happy Mother's Day

Address

Suite C-2, Level 3, 1287, O. R. Nizam Road, (West Side Of CSCR Hospital). Chittagong
Chittagong
4000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when IPAC International Patient Assistance Centre posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Our Story

International Patient Assistance Center(IPAC) is a One stop Medical Assistance center based in Bangladesh,representing all the best hospitals with more than 10,000 beds in Asia. It Collaborated with prominent hospitals in Singapore, Thailand, India & Bangladesh.

IPAC has extended its customer service free of charge to help patients with enquirers and appointments, financial estimates for treatment and also help with airport pick-up services and hotel bookings at corporate and discounted rates, if they so desire. This efficient and convenient service can help you minimize your cost by spending less time and money in trying to identify the right doctor or getting a fixed appointment. Specialists’ appointments can be arranged to suit individual preferences without any additional cost.