Avijit Nath - Psychologist

Avijit Nath - Psychologist "You don’t have to control your thoughts. You have to stop letting them control you." — Dan Millman.

21/05/2026

আপনার সন্তানের সাথে আপনার কমিউনিকেশান কেমন হবে? কতটুকু স্পষ্টতা থাকবে আপনার কথায়।

"আমি জানি সে আমার জন্য ক্ষতিকর, তাও কেন তাকেই আমার এত মনে পড়ে?""এত কিছুর পরও কেন আমি তাকেই মিস করি?"কোনো খারাপ সম্পর্ক থ...
19/05/2026

"আমি জানি সে আমার জন্য ক্ষতিকর, তাও কেন তাকেই আমার এত মনে পড়ে?"
"এত কিছুর পরও কেন আমি তাকেই মিস করি?"

কোনো খারাপ সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসার পর এই প্রশ্নটি অনেককেই প্রতিনিয়ত তাড়া করে বেড়ায়। বাইরে থেকে মানুষ খুব সহজেই বলে ফেলে, "যে তোমাকে এত কষ্ট দিচ্ছে, তাকে ছেড়ে চলে আসছ না কেন?" অনেকে ভাবেন, ভুক্তভোগী হয়তো আর্থিকভাবে নির্ভরশীল, বা কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই, অথবা সে খুব দুর্বল।

কিন্তু বাস্তবতা সবসময় এমন নয়। অনেক সময় মানুষ কোনো বাহ্যিক বাধা ছাড়াই মানসিকভাবে একটা অদৃশ্য শিকলে বন্দি হয়ে পড়ে। একেই ইউনিভার্সিটি অব কেমব্রিজের সাম্প্রতিক গবেষণায় বলা হয়েছে 'ওয়েপনাইজড অ্যাটাচমেন্ট' (Weaponised Attachment) বা 'অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত আবেগীয় টান'।

💔মোহনার গল্প:

মোহনা কোনো দুর্বল বা পরনির্ভরশীল নারী ছিলেন না। তার চাকরি ছিল, নিজস্ব উপার্জন ছিল, বন্ধু-বান্ধব এবং একটি সুন্দর সামাজিক জীবনও ছিল। বাইরে থেকে তাকে দেখে বোঝার উপায় ছিল না যে তিনি কোনো মানসিক নির্যাতনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন।

শুরুতে তার সঙ্গী তাকে পৃথিবীর সবচেয়ে বিশেষ মানুষ হিসেবে অনুভব করিয়েছিল। মোহনা প্রতিটি ছোটখাটো পছন্দ-অপছন্দের খেয়াল রাখত সে। নিজের অতীতের কষ্ট, একাকীত্ব ও আবেগের দুর্বলতাগুলো লিসার সামনে প্রকাশ করে সে বলেছিল, "তোমার আগে আমি কাউকেই এত বিশ্বাস করতে পারিনি।"

মোহনার মনে তার জন্য গভীর মায়া এবং এক ধরণের দায়িত্ববোধ তৈরি হলো। সঙ্গী যখনই হঠাৎ রেগে যেত, কথা বলা বন্ধ করে দিত বা খারাপ ব্যবহার করত, মোহনা ভাবতেন— "ও আসলে ভেতরে ভেতরে খুব কষ্টে আছে, তাই এমন করছে।"

🔄 'দ্য সুইচ' (The Switch) বা আচরণের ওঠানামা
ধীরে ধীরে সম্পর্কের রূপ বদলাতে শুরু করল। কিছু দিন সে চমৎকার, রোমান্টিক এবং মোহনার প্রতি ভীষণ অনুগত থাকত। আবার কিছু দিন সে চরম নিষ্ঠুর আচরণ করত, অবহেলা করত এবং মোহনাকে খাটো করে কথা বলত।

ঠিক যখনই মোহনা মানসিকভাবে দূরে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিতেন, তখনই সে আবার সেই আগের নরম ও অনুতপ্ত মানুষটি হয়ে ফিরে আসত। বলত, "আমাকে ক্ষমা করে দাও, আমি বুঝতে পারি না কেন এমন করি। তুমি ছাড়া আমাকে বোঝার আর কেউ নেই।"

মোহনা থেকে গেলেন। কোনো বোকামির কারণে নয়, বরং তার স্নায়ুতন্ত্র (Nervous System) ততদিনে এই চক্রে অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছিল। সঙ্গীর একটুখানি ভালোবাসা হয়ে উঠেছিল তার মানসিক অশান্তির একমাত্র ওষুধ। ক্ষতিকর আচরণ করার পর সঙ্গী যখন আবার অনুতপ্ত হয়ে ফিরে আসত, লিসার মস্তিষ্ক তখন স্বস্তি অনুভব করত। একেই বলে ইন্টারমিটেন্ট রিইনফোর্সমেন্ট (Intermittent Reinforcement) বা 'আচরণের ওঠানামা দিয়ে নিয়ন্ত্রণ'।

🕸️ আসক্তির মতো এক ফাঁদ
একটা সময় লিসা যখন বুঝতে পারলেন তিনি মানসিক নির্যাতনের শিকার, তখন সম্পর্ক থেকে বের হওয়াটাকে তার কাছে স্বাধীনতা মনে হয়নি, বরং মনে হয়েছিল তীব্র কোনো আসক্তি থেকে জোর করে দূরে থাকা (Withdrawal)। তার বুদ্ধি বলছিল এই মানুষটি বিপজ্জনক, কিন্তু তার শরীর ও মন তীব্রভাবে তাকেই চাচ্ছিল।

অপরাধী যখন ভালোবাসা দেয়, আবার কেড়ে নেয়, এবং পুনরায় সেটাকে ভালোবাসার প্রমাণ হিসেবে ফিরিয়ে দেয়— তখন ভুক্তভোগী সেই ভালোবাসা পাওয়ার জন্য নিজের সমস্ত আত্মসম্মান বিসর্জন দিতেও দ্বিধাবোধ করে না।

❌ ভুল ধারণা বনাম আসল সত্য
আমাদের সমাজ প্রায়ই ভুক্তভোগীকে দোষারোপ করে (Victim Blaming)। বলা হয়, তারা হয়তো 'সহ-নির্ভরশীল' (Codependent) বা তারা নিজেই কষ্ট পেতে পছন্দ করে। কিন্তু গবেষণা বলছে, এই আবেগীয় টান ভুক্তভোগীর কোনো জন্মগত দুর্বলতা নয়; বরং অপরাধী অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে, সুনিপুণ ম্যানিপুলেশনের মাধ্যমে এই টানটি তৈরি করে।

যেহেতু আমরা 'আবেগ ও টান'-কে ভালোবাসা বা রোমান্সের প্রতীক মনে করি, তাই এই ধরণের মানসিক নির্যাতনকে চট করে চেনা যায় না। কেউ তার অত্যাচারী সঙ্গীর জন্য কাঁদলে সমাজ ধরে নেয়, "তাদের মধ্যে নিশ্চয়ই গভীর প্রেম আছে।" ফলে এই অদৃশ্য নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠে।

💡 মনে রাখবেন:
ক্ষতিকর সঙ্গীকে মিস করার মানে এই নয় যে আপনি তার অন্যায়গুলোকে মেনে নিচ্ছেন।

কোনো অত্যাচারী মানুষ কেবল ভয় দেখিয়েই নিয়ন্ত্রণ করে না, অনেক সময় মায়া, দুর্বলতা এবং কান্নাকাটি করেও নিয়ন্ত্রণ (Coercive Control) করতে পারে।

এই চক্র থেকে বের হতে সময় লাগে। নিজের মনকে দোষ দেওয়া বন্ধ করুন। আপনি কোনো ভুল করেননি, আপনি কেবল একটি মনস্তাত্ত্বিক ফাঁদের শিকার হয়েছিলেন।

💬 আপনার কি মনে হয়? আমাদের সমাজে এই ধরণের মানসিক নিয়ন্ত্রণকে কি আসলেই 'গভীর ভালোবাসা' বলে ভুল করা হয়? কমেন্টে আপনার মতামত জানান।

18/05/2026

Overthinking কিভাবে কমাবেন?
আপনি চাইলে এই একটা টেকনিক ব্যবহার করা শিখতে পারেন।

15/05/2026

একজন নারী সবসময় সম্মানের পাত্রী। আপনি যদি প্রোপার সম্মানটুকু দিতে না পারেন তাহলে এটা বুঝতে হবে আপনার পরিবারগত শিক্ষা বা প্যারেন্টিং এর মধ্যে প্রবলেম ছিলো। আমাকে যখন কেউ বলে যে পোষাকের স্বাধীনতা, বা চলাফেরার স্বাধীনতা তখন আমি শুধু এটুকুই বলি যে, আপনি যেমন ঘরে যে কাপড়গুলো পড়েন সেগুলো পরিধান করে কোন একটা বিয়ের প্রোগ্রামে এটেন্ড করেন না ঠিক তেমনি যখন আপনি একটা সোসাইটিতে থাকবেন তখন আপনার অবশ্যই অই সোসাইটির কিছু রুলস এন্ড রেগুলেশান মেইনটেইন করা জরুরি, বাট এটা আপনার একান্ত ব্যক্তিগত ব্যাপার।
আমরা সবসময় ভুল মানুষকে প্রমোট করি। তাদেরকে ডাকি বিভিন্ন টক শোতে, বিভিন্ন জায়গায়।বাট যে সকল মেয়েরা মেডিকেলে ভালো করছে, ইঞ্জিনিয়ারিং এ ভালো করছে, বাইরে ভালো পি এইচ ডি করছে, সফল একজন উদ্যোক্তা, ভালো একজন মেন্টর, বিভিন্ন জায়গায় আমাদের দেশের জন্য সম্মান বয়ে আনছে, আমাদের নারী ফুটবল টিমের মেয়েদের নিয়ে- ওনাদের নিয়ে তো কোন সমালোচনা তো করা হয় না।
গতকাল অদ্ভূত ভাবে দেখলাম যে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক আপুরা ফান পোস্ট করছে যে, যে সকল ছেলেরা ফর্সা তারাও চিট করছে, আবার যে সকল ছেলেরা কালো তারাও চিট করছে। তাহলে আমরা কার কাছে যাবো?
বিষয়টা খুবই সেনসিটিভ মনে হলো আমার কাছে। এরকম সিরিয়াস একটা বিষয় নিয়ে মানুষ কিভাবে আনন্দ পেতে পারে? আমাকে অনেকে জাজমেন্টাল ভাবতে পারেন, বাট এটা আমার কনসার্ন সবার জন্য।

কিছুদিন আগে কলকাতার একজন অভিনেত্রী বলেন যে - রামায়ণ, মহাভারতে পরকীয়ার কথা উল্লেখ আছে। কতটুকু এফোর্টলেস এন্ড শেইমলেস কথাবার্তা। পুরো রামায়ণ, মহাভারত এতবার পড়ার পরেও এইরকম কিছুর অস্তিত্ব চোখে পড়লো না কেন ভাবছি আমি 🤔🤔
আপনার মাইন্ড আপনার ইমোশানকে খুশি করার জন্য অনেক কিছু বলবে, বাট দ্যা থিং ইজ আপনি যা করছেন সাময়িক আনন্দ বা খুশির জন্য ভবিষ্যতের আগত কষ্টের জন্য আপনি প্রস্তুত কিনা?

14/05/2026

Overthinking এর পিছনে কারণগুলো কি কি?
Chapter - 01

একটা ছোট গল্প শেয়ার করি আপনাদের।  একজন আংকেল এর বাসায় গিয়ে দেখলাম যে, ওনার ১০ বছরের ছেলে কিছু আতর এর ছোট ছোট বোতল সাজাচ্...
12/05/2026

একটা ছোট গল্প শেয়ার করি আপনাদের।
একজন আংকেল এর বাসায় গিয়ে দেখলাম যে, ওনার ১০ বছরের ছেলে কিছু আতর এর ছোট ছোট বোতল সাজাচ্ছে৷ অনেক কিউরিসিটি থেকে আস্ক করলাম কি করবে এগুলো দিয়ে?
ছেলেটি বললো - এগুলো আমি সেল করবো স্কুলে, আমার বিভিন্ন ফ্রেন্ডজ এর কাছে। আমি শুনে খুবই অবাক হলাম।
বিষয়টি হলো - তারা দুই বন্ধু মিলে মাত্র ১০০০ টাকা পুঁজি দিয়ে আতরের এই ব্যবসাটি শুরু করেছে এবং তারা এখান থেকে ৩০০০ টাকা সেল করে এবং এই টাকা দিয়ে তারা আস্তে আস্তে পুঁজি বাড়ায় আর লাভের একটা অংশ পরিবারে দেয়। সে কিন্তু একজন মধ্যবিত্ত পরিবারের সংসার। বিষয়টা এমন না যে, পরিবারের টাকা দরকার তাই সে এ ব্যবসা করছে।
ছেলেটা এই ব্যবসা করার ফলে তার অনেক গুলো জায়গা ডেভলপ হলো।
১) প্যারেন্টিং - সে অবশ্যই একটা ভালো ফিডব্যাক পাচ্ছে বা পিতা মাতার সাথে তার সম্পর্ক ঠিক আছে না হলে এই রকম চিন্তা ভাবনা আসতো না।
২) সৃজনশীলতা - ছেলেটি অন্য ৫ জন ছেলের চাইতে এগিয়ে থাকবে বিকজ সে পড়াশোনার পাশাপাশি অন্য একটা বিষয়ে মনোযোগ দিচ্ছে, যা তাকে বিভিন্ন অপকর্ম থেকে দূরে রাখছে।
৩) কমিউনিকেশান স্কিল - সে এই ছোট উদ্যোগ এর মাধ্যমে একটা কস্কলি শিখছে, একই সাথে সে বিজনেস এর ব্যপার গুলোতেও আগ্রহ বাড়ছে।
৪) ভালো চিন্তা ভাবনা --- তার চিন্তা ভাবনার বিষয়গুলো অনেক সাবলিল থাকবে এবং নিজেকে ধীরে ধীরে কনফিডেন্ট ফিল করাতে পারবে।

আপনাদের আশে পাশেও এরকম কোন আইডিয়া থাকলে আপনারা জানাতে পারেন।

"পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সাইকোলজিস্ট হলো মা।"আমরা বড় হই, ব্যস্ত হই, জীবনের জটিলতায় হাঁপিয়ে উঠি। কিন্তু দিনশেষে সেই শৈশবের মত...
10/05/2026

"পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সাইকোলজিস্ট হলো মা।"

আমরা বড় হই, ব্যস্ত হই, জীবনের জটিলতায় হাঁপিয়ে উঠি। কিন্তু দিনশেষে সেই শৈশবের মতোই শান্তি খুঁজে পাই মায়ের কোলে মাথা রেখে। কেন মাকে পৃথিবীর সেরা সাইকোলজিস্ট বলা হয়?

বিনা শব্দে মনের ভাষা পড়া: আপনি মুখে কিছু না বললেও মা আপনার চোখের কোণে জমে থাকা মেঘ ঠিকই বুঝে নেন।

নিরাপদ আশ্রয়ের অনুভূতি: বাইরের পৃথিবীর সব ঝড়-ঝাপটা থেকে মায়ের আঁচল আমাদের সবচেয়ে বড় ঢাল।

ধৈর্যের পাহাড়: হাজারো ভুল আর আবদার মা যেভাবে ধৈর্য ধরে শোনেন এবং শুধরে দেন, তা আর কারো পক্ষে সম্ভব নয়।

নিঃস্বার্থ ভালোবাসা: কোনো বিনিময় ছাড়াই মা আমাদের মানসিক প্রশান্তির একমাত্র ঠিকানা হয়ে থাকেন।

এই ছবিতে মায়ের হাতের স্পর্শ আর সন্তানের নিশ্চিন্ত চাহনি যেন এক গভীর মানসিক প্রশান্তির গল্প বলছে। আমাদের সবার জীবনে মা-ই হলেন সেই জাদুকরী মানুষ, যার কাছে গেলে সব দুশ্চিন্তা নিমেষেই উধাও হয়ে যায়।

ভালোবাসা সকল মায়েদের জন্য। ❤️✨

যারা ধর্ম চর্চা করে তারা  কেন বেশি সুখী হন? মনস্তাত্ত্বিক গবেষণা বলছে, এর পেছনে কোনো রহস্য নেই, বরং আছে একটি সহজ সত্য: "...
09/05/2026

যারা ধর্ম চর্চা করে তারা কেন বেশি সুখী হন?

মনস্তাত্ত্বিক গবেষণা বলছে, এর পেছনে কোনো রহস্য নেই, বরং আছে একটি সহজ সত্য: "পৃথিবীর আমাকে প্রয়োজন"—এই বিশ্বাস।

সহজ কথায় বিষয়টি কী?
যখন আমরা অনুভব করি যে আমাদের অস্তিত্বের একটি অর্থ আছে এবং আমরা কারও না কারও কাজে আসছি, তখন আমাদের মস্তিষ্ক প্রশান্তি অনুভব করে। একেই বলা হয় 'ম্যাটারিং' (Mattering) বা গুরুত্ব পাওয়ার অনুভূতি।

মনে রাখার মতো ৩টি পয়েন্ট:

১. উদ্দেশ্য খুঁজে পাওয়া: এটি কোনো দম্ভ নয়, বরং নিজের জীবনের একটি মহৎ উদ্দেশ্য খুঁজে পাওয়া।

২. একাকীত্ব দূর করা: যখন আপনি মনে করেন পৃথিবী আপনাকে চায়, তখন নিজেকে আর একা বা মূল্যহীন মনে হয় না।

৩. সবার জন্য সমান সুযোগ: আপনি ধার্মিক হোন বা না হোন—মানুষের সেবা করা, অন্যের যত্ন নেওয়া কিংবা নিয়মিত নিজের কাজ নিয়ে ভাবলে আপনিও এই একই সুখ অনুভব করতে পারেন।

মূল কথা:
সুখ কেবল পাওয়ার মধ্যে নয়, বরং আপনি অন্যের কতটা প্রয়োজনে আসছেন—তার মধ্যেই লুকিয়ে আছে আসল সার্থকতা।

আপনার কি মনে হয়? আপনার ছোট কোনো কাজে কি অন্য কেউ উপকৃত হয়েছে? শেয়ার করুন আমাদের সাথে। 👇

#মানসিকস্বাস্থ্য #সুখ #জীবনবোধ

Hirdaramani Bangladesh (Kenpark & Regency), located in the Chattogram EPZ, recently hosted two seminars on 'Nurturing Me...
08/05/2026

Hirdaramani Bangladesh (Kenpark & Regency), located in the Chattogram EPZ, recently hosted two seminars on 'Nurturing Mental Wellbeing.' I had the pleasure of attending as a guest speaker representing LifeSpring. It was a wonderful experience; the team was incredibly welcoming, and the participants showed a deep commitment to mental health and workplace resilience.

একসাথে কাটুক আরও কিছু ভালো দিন: শোনার জাদুকরী শক্তি 🕊️২০২৬ সালের মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা মাসের মূলমন্ত্র হলো— “More Goo...
05/05/2026

একসাথে কাটুক আরও কিছু ভালো দিন: শোনার জাদুকরী শক্তি 🕊️

২০২৬ সালের মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা মাসের মূলমন্ত্র হলো— “More Good Days, Together”। আমাদের চারপাশের অনেক কিছুই আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই, কিন্তু একটি বিষয় সবসময় আমাদের হাতে থাকে: অন্যের কথা মন দিয়ে শোনা।

গবেষণা বলছে, কেবল একজন 'সহমর্মী শ্রোতা'র উপস্থিতি তরুণ প্রজন্মের আত্মহত্যার ঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে দেয়। একজন অভিভাবক বা মেন্টর হিসেবে আপনার মন দিয়ে শোনা একটি জীবন বাঁচাতে পারে।

কিভাবে একজন ভালো শ্রোতা হবেন? 👂

উপস্থিতিই সব: সব সময় গম্ভীর আলোচনার প্রয়োজন নেই। পাশাপাশি বসে কাজ করার সময় বা পথ চলার সময় গল্প করুন। সরাসরি চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলার চেয়ে অনেক সময় পাশাপাশি বসে কথা বললে তারা বেশি সহজ বোধ করে।

সমাধানের তাড়না কমান: আমাদের 'সব ঠিক করে দেওয়ার' (Fix-it reflex) প্রবণতা অনেক সময় আলোচনার পথ বন্ধ করে দেয়। তারা সমস্যা সমাধানের আগে চায় আপনি তাদের আবেগটা বুঝুন।

বিচার না করে শোনা: "তুমি এটা কেন করলে?" বা "এমন করা উচিত হয়নি"—এসব না বলে বরং জিজ্ঞেস করুন, "তুমি এখন কেমন বোধ করছ?" বা "আমি তোমাকে কিভাবে সাহায্য করতে পারি?"

কখন পেশাদার সাহায্য নেবেন? 🚩
যদি দেখেন প্রিয়জনের আচরণে বড় পরিবর্তন এসেছে, পড়াশোনা বা সামাজিক কাজে অনীহা তৈরি হয়েছে কিংবা সে নিজের ক্ষতির কথা বলছে—তবে দেরি না করে দ্রুত মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

মনে রাখবেন: আমাদের লক্ষ্য শুধু কথা শোনা নয়, বরং প্রিয়জনের জন্য একটি নিরাপদ আশ্রয় তৈরি করা।

এই মাসে চলুন আমরা একে অপরের জন্য একটু ভালো শ্রোতা হই। ❤️

#মানসিক_স্বাস্থ্য #একসাথে_ভালো_থাকি

04/05/2026

2 Million+ Views 😯😯😯😯

That means অনেকেই এই সমস্যা নিয়ে মারাত্মক আকারে ভুগছে। অনুগ্রহপূর্বক যে যার জায়গা থেকে সাহায্য নিন। কিছু কাউন্সেলিং সেশনই পারে আপনার ছেলেমেয়ের জীবনটাকে বদলে দিতে অথবা যারা এই সমস্যা নিয়ে ভুগছো তারা এই প্রবলেমটি থেকে বের হয়ে আসতে পারবে ।

Address

Agrabad
Chittagong
4100

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Avijit Nath - Psychologist posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share