রুকইয়াহ আশ-শারইয়্যাহ হচ্ছে কুরআন ও সুন্নাহ মোতাবেক ঝাড়ফুঁক। বিস্তারিত জানতে কল করুন 01521-226403
(2)
25/04/2026
বাচ্চা না হওয়ার জাদু বা গর্ভের সন্তান নষ্ট করার জাদুতে আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণসমূহ:
১. সহজেই সবকিছু ভুলে যাওয়া। মন ভুলার সমস্যা বেড়ে যাওয়া।
২. ঘুমের মধ্যে অস্থিরতা থাকা, ঠিকভাবে ঘুমাতে না পারা।
৩. ঘুমালেও ভয়ংকর স্বপ্ন দেখা।
৪. মানসিক অশান্তিতে থাকা। বিশেষ করে বিকেল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত।
৫. মেরুদণ্ডের নিচের দিকে ব্যথা অনুভব করা
৬. বুকের মধ্যে ভারি অনুভব হওয়া।
৭. হ্যালুসিনেশন বেড়ে যাওয়া।
25/04/2026
আমাদের সেন্টারে আজ কুমিল্লা ও বাঁশখালী থেকে শুধুমাত্র রুকইয়াহর জন্য রোগী এসেছেন। দূর-দূরান্তের রোগীদের এই ভালোবাসা আল্লাহর জন্যই।
23/04/2026
আসুন জুমু'আর দিন বেশি বেশি ইস্তেগফার, বেশি বেশি দরূদ ও সূরা কাহফ তিলাওয়াতের বিষয়ে আরো যত্নশীল হই...
22/04/2026
আমাদের থেকে রুকইয়াহ করানো বিয়ে বন্ধের জাদুতে আক্রান্ত চট্টগ্রামের ঈদ্গার এক বোনের গত জুমাবার বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ
22/04/2026
বুধবার জোহর থেকে আসরের মধ্যবর্তী সময় দুআ কবুলের অন্যতম সময়। আসুন বেশি বেশি ইস্তেগফার ও দুআ করি।
20/04/2026
"৭০ হাজার মানুষ বিনা হিসেবে জান্নাতে যাবে যারা ঝাড়ফুঁকের আশ্রয় গ্রহণ করে না" -এই বিষয়ে সংশয় দূরীকরণ
20/04/2026
রসূল (ﷺ) বলেছেন, "যে ব্যক্তি কোনো কিছু ঝুলাবে তাকে তার উপর ন্যাস্ত করা হবে" (তিরমিযী:২০৭২)
19/04/2026
সংশয়: কুরআনুল কারিমকে আল্লাহ তা'আলা শিফা (রোগ নিরাময়ক) বলেছেন তাহলে তা দ্বারা তাবীজ ঝুলালে সমস্যা কি?
নিরসন: জি, কুরআন যে শিফা তাতে কোনো সন্দেহ নেই। যেমন আল্লাহ তা'আলা বলেন,
“হে মানব জাতি! তোমাদের কাছে তোমাদের প্রতিপালকের তরফ থেকে উপদেশ ও অন্তরের রোগের নিরাময় এবং বিশ্বাসীদের জন্য পথপ্রদর্শক ও করুণা সমাগত হয়েছে।” (সূরা ইউনুস: ৫৭)
“আমি অবতীর্ণ করি কুরআন, যা বিশ্বাসীদের জন্য আরোগ্য ও করুণা, কিন্তু তা সীমালংঘন কারীদের ক্ষতিই বৃদ্ধি করে।” (সুরা ইসরা: ৮)
“বল,বিশ্বাসীদের জন্য তা (আল কুরআন) পথনির্দেশক ও ব্যাধির প্রতিকার।” (সূরা ফুসসিলাত: ৪৪)
কিন্তু আল্লাহ তা'আলা উপরের আয়াত সমূহে বা রাসুল (ﷺ) তার কোনো হাদিসে সেগুলো লিখে ঝুলানোর কথা বলেননি। এমনকি গ্রহনযোগ্য কোনো তাফসিরেও এই আয়াত গুলোর ব্যাখ্যায় আয়াতগুলো লিখে ঝুলানোর কথা বলেননি বরং কুরআন অবতীর্ণ করা হয়েছে তা পড়ে আমল করার জন্য, যা কুরআনের অসংখ্য আয়াত ও হাদিস থেকে জানা যায়। যদি আয়াত লিখে ঝুলানোর বিধান থাকত তাহলে রাসুল (ﷺ) এর পক্ষ থেকে এর স্বপক্ষে কোনো দলিল থাকত, কিন্তু এর স্বপক্ষে দলিল থাকা তো দূরের কথা বরং বিপক্ষে কঠোর হুশিয়ারি রয়েছে, যা আমরা উপরে জেনেছি। তবে আল্লাহর রসুল (ﷺ) কুরআন ও শরীয়ত সম্মত দু'আ দ্বারা রুকইয়াহ করতেন যেমন,
وَقَالَ القَاضِي أَبو بَكْرٍ في شَرح التِرْمِذِي تَعْلِيقُ القُرْآنِ لَيْسَ مِن طَرِيقِ السُّنة
وَإِنَّمَا السُّنَّةُ فِيهِ الذِّكْرُ دُونَ التعليق.
“আবু বকর ইবনুল আরাবি তিরমিযীতে তাবীজ ঝুলানো সম্পর্কে হাদিসের ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেন কুরআন ঝুলানো সুন্নত পদ্ধতি নয় বরং সুন্নত পদ্ধতি হচ্ছে (মুখে) যিকির করা।
রসূল (ﷺ) বলেছেন, "যে ব্যক্তি কোনো কিছু ঝুলাবে তাকে তার উপর ন্যাস্ত করা হবে" (তিরমিযী:২০৭২)
আমাদের থেকে রুকইয়াহ করানো বিয়ে বন্ধের জাদুতে আক্রান্ত চট্টগ্রামের হালিশহরের এক বোনের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ
18/04/2026
অসুস্থ বানানোর জাদুতে আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণসমূহ-
১. প্রচন্ড অসুস্থতায় ভোগা, কিন্তু মেডিকেল টেস্টে কোন কিছু ধরা না পড়া
২. কিছুই খেতে না পারা। আবার খাওয়া স্বাভাবিক থাকলেও অস্বাভাবিকভাবে স্বাস্থ্যহানি ঘটা।
৩. শরীরের কোন অঙ্গে সবসময় ব্যথা থাকা।
৪. কোন অঙ্গ একেবারে অচল হয়ে যাওয়া বা পুরো শরীর নিশ্চল হয়ে যাওয়া।
৫. কোন ইন্দ্রিয়শক্তি নষ্ট হয়ে যাওয়া। (যেমন: গন্ধ না বুঝতে পারা)
৬. মাঝেমধ্যে শরীর খিচুনি দিয়ে বেহুঁশ হয়ে যাওয়া ।
বিঃদ্রঃ উপরে উল্লেখিত লক্ষণগুলো শারীরিক অসুস্থতার জন্যও হতে পারে। সেক্ষেত্রে আগে মেডিকেল টেস্ট ও ট্ৰিটমেন্টের ব্যবস্থা করতে হবে। যদি মেডিকেল টেস্টে কোন রোগ ধরা না পড়ে বা অনেকদিন ট্রিটমেন্ট করার পরেও কোনো উন্নতি না হয়, তাহলে রুকইয়াহ করে দেখতে হবে
16/04/2026
ওয়াসওয়াসা রোগে আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণসমূহ-
১. এক ধরনের উদাস ভাব চলে আসা। মাথায় বিক্ষিপ্ত চিন্তা ঘোরাঘুরি করার কারণে দৈনন্দিন কাজ, সালাত, ইবাদাত, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির ইত্যাদিতে যথাযথ মনোযোগ দিতে না পারা।
২. ওযু, গোসল অথবা নামাজের বিশুদ্ধতা নিয়ে দ্বিধায় থাকা। বারবার মনে হওয়া, গোসল কিংবা ওযু ভালোভাবে হয়নি। অথবা নামাজে সুরা- দুয়া ঠিকমত হচ্ছে না।
৩. টয়লেট বা গোসলখানায় অপ্রয়োজনে অতিরিক্ত সময় ব্যয় করা। ওযু-গোসল বা শৌচকর্মে এক অঙ্গ বারবার ধোয়া, এরপরও তৃপ্ত হতে না পারা।
৪. পরনের কাপড় নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা করা। বারবার মনে হওয়া- ওযু ভেঙে যাচ্ছে, অথবা প্রস্রাবের ফোঁটা পড়ছে অথবা সবসময় এমন মনে হয় যে, পেছন থেকে বায়ু বের হচ্ছে। বিশেষ করে নামাজের সময় এই অনুভূতি হওয়া, কিন্তু নিশ্চিত হতে না পারা।
৫. আল্লাহ তায়ালা, রাসূল (সাঃ) অথবা ইসলামের ব্যাপারে বারবার মাথায় অবমাননাকর চিন্তা আসা।
৬. এমন মনে হওয়া যে, কানের কাছে কেউ ফিসফিস করে বলছে-"আপনি কুফরী করছেন বা কাফের হয়ে যাচ্ছেন।
৭. মাঝেমধ্যে অদ্ভুত শব্দ বা কণ্ঠ শুনতে পাওয়া। অন্যদিকে অবস্থা এমন হয় যে, কারো সাথে এই ব্যাপার নিয়ে আলোচনা করলে ভাবে, আপনি পাগল হয়ে যাচ্ছেন।
৮. নামাজে রুকু - সাজদাতে দ্বিধা সৃষ্টি হওয়া। নামাজের রাকাত নিয়েও দ্বিধায় ভোগা। এবং এই সমস্যায় প্রায়শই ভোগা।
৯. রুকু - সাজদা দীর্ঘায়িত করতে না পারা। অথবা রুকু-সাজদায় মনে অশ্লীল চিন্তা আসা।
১০. প্রিয় মানুষদের নিয়ে বাজে স্বপ্ন দেখা। অথবা স্বপ্নে নোংরা, ময়লা, পায়খানা ইত্যাদি দেখা।
ওয়াসওয়াসা থেকে বাঁচার উপায় সমূহ-
১. যথাসম্ভব গুনাহ থেকে বেঁচে থাকার চেষ্টা করা।
২. ওয়াসওয়াসা অনেকটা চোরাবালির মতো। তাই ওয়াসওয়াসাকে বেশি পাত্তা দিলে এই সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসা কষ্টকর। তাই ওয়াসওয়াসাকে পাত্তা না দেয়া।
৩. মনে ওয়াসওয়াসা আসলেই কোনো ভালো কাজ দ্বারা সেটির মোকাবেলা করা। সেটি হতে পারে নফল নামাজ, রোজা, দান করা কিংবা জিকির করা।
৪. পুরুষরা জামাতে সালাত আদায় করা। এবং দ্বীনি পরিবেশের মধ্যে নিজেকে রাখার চেষ্টা করা।
৫. ঈমান নিয়ে ওয়াসওয়াসা আসলে, সূরা ইখলাস বেশি বেশি করে তিলাওয়াত করা।
৬. সালাতের মধ্যে ওয়াসওয়াসা আসলে বাম দিকে তিনবার হালকা করে থুতু ফেলা।
৭. নাপাক থেকে বেঁচে থাকা। বিশেষ করে প্রস্রাবের ছিটা থেকে বেঁচে থাকা।
৮. টয়লেটে প্রবেশের পূর্বে দোয়া করা। সকাল-সন্ধ্যার ও ঘুমের আগে মাসনুন আমল করা।
Be the first to know and let us send you an email when রুকইয়াহ সাপোর্ট চিটাগং-Ruqyah Support Chittagong posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.
রুকইয়াহ সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা এবং এই পেজের উদ্দেশ্য
রুকইয়াহ কি?
রুকইয়াহ অর্থ ঝাড়ফুঁক করা। রুকইয়াহ আশ-শারইয়্যাহ মানে শরিয়াত সম্মত রুকইয়াহ, কোরআনের আয়াত অথবা হাদিসে বর্ণিত দোয়া দ্বারা ঝাড়ফুঁক করা। শরীয়াহর পরিভাষায় যখন কোনো ব্যক্তি কুরআনের আয়াত, দোয়া কিংবা আল্লাহ তায়ালার কোনো নাম বিশেষ কোনো উদ্দেশ্যে- যেমন: নিজের বা অন্যের সুস্থতার জন্য, কিংবা অন্য কোনো লক্ষ্য অর্জনের জন্য একমাত্র আল্লাহর সাহায্য চেয়ে পাঠ করে, তাকে রুকইয়াহ বলা হয়।
উপকারিতা:
সাধারণত বদনজরের সমস্যা, জিন ঘটিত সমস্যা ও তাবিজ-যাদু বিষয়ক সমস্যার জন্য রুকইয়াহ করা হলেও সর্বাবস্থায় যেকোনো রোগের জন্য রুকইয়াহ করা যায়। শারীরিক, মানসিক এবং আত্মিক রোগের জন্য রুকইয়াহ করা হয়। রুকইয়াহ মনের আশা পূরণের জন্য কোনো জাদুমন্ত্র নয়। রুকইয়াহ কারো মনের সুপ্ত আকাঙ্খা পূরণের জন্য সমাজে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কবিরাজি বিদ্যা নয়। এছাড়াও রুকইয়াহ আমাদের সমাজে প্রচলিত কুফরীর মাধ্যমে হাজিরা দেখার পদ্ধতিও নয়। রুকইয়ার মূল রহস্য হচ্ছে সর্বাবস্থায় মহান আল্লাহ তালার উপর বিশ্বাস ও আস্থা রেখে তাঁর নিকট সাহায্য কামনা করা।
গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা:
আমরা এমন এক সময় অতিবাহিত করছি যখন আমাদের চারপাশে হাজারো কবিরাজের ছড়াছড়ি। এইসব কবিরাজরা সাধারণ মানুষকে ধোঁকা দিয়ে তাদেরকে কুফরী ও শিরকের সাথে সম্পৃক্ত করছে। এবং সহজ সরল মানুষগণ তাদের বিশ্বাস করে নিজেদের ঈমান বিক্রি করে দিচ্ছে। আর জাদুকর কবিরাজরা নিজেদের পকেট ভারী করছে। অথচ আল্লাহর কালামেই সকল সমস্যার জন্য শেফা আছে। আল্লাহ আমাদের দুনিয়াতে পাঠিয়েছেন পরীক্ষা করার জন্য। কোনো সমস্যায় পড়লে আল্লাহর উপর আস্থা না রেখে কবিরাজের পেছনে দৌড়ানো আসল মুসলমানের কাজ হতে পারে না। তাই আমাদের উচিত বিপদের পতিত হলে আল্লাহর উপর আস্থা রাখা এবং তার নিকট সাহায্য চাওয়া।
এই পেজের উদ্দেশ্য:
আমাদের প্রধান উদ্দেশ্যই হচ্ছে বিভিন্ন রোগ নিরাময় ও সমস্যা সমাধানে নবীর সুন্নাহকে পুনর্জীবিত করা ও এই সকল ভন্ড কবিরাজদের থেকে মানুষকে সচেতন করা। শয়তান তার কর্মী বাহিনী নিয়ে আমাদের চারপাশে সদা ব্যস্ত আমাদের ঈমান ধ্বংসের জন্য। এই সকল কবিরাজ শয়তানের কর্মী বাহিনীর অংশ। শয়তানের উদ্দেশ্য যাতে সফল না হয়, সেই দিকে সকল মুসলিমকে সজাগ দৃষ্টি দিতে হবে। আমরা এই পেজের মাধ্যমে রুকইয়াহ সম্পর্কিত সকল বিষয়ে মানুষকে জানাবো। আপনাদের সমস্যাগুলো আমাদের ইনবক্স করতে পারেন। আমাদের কোনো রুকইয়াহ সেন্টার নেই। তবে যথাযত পর্দা মেইনটেইন করতে পারলে, চট্টগ্রামের মধ্যে আমাদের রাক্বী ভাইয়েরা রোগীর বাসায় গিয়ে রুকইয়াহ করেন। এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে যারা রুকইয়াহ করান বা রাক্বী তাদের কোন ক্ষমতা নেই যে অসুস্থ ব্যক্তিকে সুস্থ করে দিবেন। এই ধরণের বিশ্বাস যদি কোন অসুস্থ ব্যক্তি তার অন্তরে লালন করেন তাহলে তার ঈমান চলে যাবে। শেফা দানের ক্ষমতা একমাত্র মহান আল্লাহ তায়ালার। আল্লাহ আমাদের আকাঙ্খাগুলোকে কবুল করে নিক ও আমাদের কর্মে বরকত দান করুক।