MIL HOMEO

MIL HOMEO Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from MIL HOMEO, Doctor, Chittagong.

অর্শ বা পাইলস নিরাময়ে আধুনিক হোমিও চিকিৎসাঅর্শ বা পাইলস মলদ্বারের একটি জটিল রোগ। এ রোগে মলদ্বারের বাইরে বা ভেতরে, একপাশে...
05/06/2024

অর্শ বা পাইলস নিরাময়ে আধুনিক হোমিও চিকিৎসা
অর্শ বা পাইলস মলদ্বারের একটি জটিল রোগ। এ রোগে মলদ্বারের বাইরে বা ভেতরে, একপাশে বা চারপাশে, একটি বা একাধিক, গোলাকৃতি বা সুচাল গুটিকা দেখা দেয়। এ গুটিকাগুলোকে আমরা আঞ্চলিক ভাষায় ‘বলি’ বা ‘গেজ’ বলি। পায়খানা করার সময় এ বলিগুলো থেকে অভ্যন্তরীণ সমস্যার অনুপাতে কারো অধিক পরিমাণে, কারো স্বল্প পরিমাণে রক্ত যায়। আবার অনেকের রক্ত যায়ই না। অনেকের ব্যাথা থাকে অনেকের থাকেনা।
পাইলস বলতে আমরা বুঝি মলদ্বারের ভেতরে ফুলে ওঠা রক্তের শিরার একটি মাংসপিণ্ড। এরূপ রক্তের শিরার মাংসপিণ্ড বা ‘কুশন’ সব মানুষেরই রয়েছে। তাই প্রকৃত অর্থে পাইলস বা ‘হেমোরয়েড’ আমরা তখনই বলি যখন এটি কোনোরূপ উপসর্গ সৃষ্টি করছে। যেমন মলদ্বারের বাইরে ঝুলে পড়া মাংসপিণ্ড অথবা রক্ত যাওয়া।
অর্শের কারণ :-
ক. দীর্ঘমেয়াদী কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়া।
খ. শরীরের অতিরিক্ত ওজন।
গ. মহিলাদের গর্ভাবস্থায় জরায়ুর ওপর চাপ পড়লে।
ঙ. লিভার সিরোসিস।
চ. মল ত্যাগে বেশী চাপ দেয়া
ছ. শাকসব্জী ও অন্যান্য আঁশযুক্ত খাবার এবং পানি কম খাওয়া।।
জ. পরিবারে কারও পাইলস থাকা মানে বংশগত।
ঝ. ভার উত্তোলন, দীর্ঘ সময় বসে থাকা ইত্যাদি কারনে হয়ে থাকে। তাছাড়া যাদের প্রায় চিকেন ফ্রাই, ড্রাই, ফাস্টফুড, সব ধরনের কাবাব যেমন- বাটি কাবাব, টিক্কা কাবাব, গ্রিল কাবাব, বিবিধ খাবারের অভ্যাস আছে।
লক্ষণসমূহ :-
পায়খানা করার সময় অত্যধিক বা অল্প পরিমাণে রক্ত যেতে পারে।
গুহ্য দ্বারে জ্বালাপোড়া এবং ফুলে যায়।
টাটানি ও যন্ত্রণা।
কাঁটাবিদ্ধ অনুভূতি।
মাথা ধরা ও মাথা ভার বোধ।
উরুদেশ, বক্ষ, নাভির চারপাশে ব্যথা ও মলদ্বারে ভার বোধ। • কোমর ধরা ও কোষ্ঠবদ্ধতা।
অর্শ বা পাইলস রোগে আক্রান্তদের করণীয় :-
১. কোষ্ঠকাঠিন্য যেন না হয় সে বিষয়ে সতর্ক থাকা এবং নিয়মিত মলত্যাগ করা।
২. বেশী পরিমাণে শাকসবজী ও অন্যান্য আঁশযুক্ত খাবার খাওয়া এবং পানি (প্রতিদিন ১২-১৮ গ্লাস) পান করা
৩. সহনীয় মাত্রার অধিক পরিশ্রম না করা
৪. প্রতিদিন ৬-৮ ঘন্টা ঘুমানো
৫. শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণ করা
৬. টয়লেটে অধিক সময় ব্যয় না করা
৭. সহজে হজম হয় এমন খাবার গ্রহণ করা
৮. ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোন চিকিৎসা গ্রহণ না করা।
৯. মল ত্যাগে বেশী চাপ না দেয়া
১০. দীর্ঘমেয়াদী ডায়রিয়া ও কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে তার চিকিৎসা নেয়া।
১১. চিকিৎসকের পরামর্শমতো বিশ্রাম নেয়া।
১৩. পেটে হজম হতে চায় না এমন খাদ্য বর্জন করা।
১৪. হাতুরে ডাক্তার বা কবিরাজ দিয়েচিকিৎসা না করা।
১৫. অধিক মশলা জাতীয় খাদ্য পরিহার করা।
কি খাব: শাকসবজি, ফলমূল, সব ধরণের ডাল, সালাদ, দধি, পনির, গাজর, মিষ্টি কুমড়া, লেবু ও এ জাতীয় টক ফল, পাকা পেপে, বেল, আপেল, কমলা, খেজুর, ডিম, মাছ, মুরগীর মাংস, ভূসিযুক্ত (ঢেঁকি ছাঁটা) চাল ও আটা ইত্যাদি খাবারের কিছুটা অভ্যাস গড়ে তুলতে পারি তাহলে কিছুটা প্রতিকার পেতে পারি। আর যাদের অর্শ হয়ে গেছে তারা এই খাবারগুলি অবশ্যই খাবারের অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।
কি খাবনা: গরু, খাসি ও অন্যান্য চর্বিযুক্ত খাবার, বিশেষ করে শুটকির ভুনা, চা, কফি, চীজ, মাখন, চকোলেট, আইসক্রীম, কোমল।
পানীয়, সব ধরণের ভাজা খাবার যেমনঃ পরোটা, লুচি, পুরি, পিঁয়াজি, সিঙ্গারা, চিপস ইত্যাদি এই খাবার গুলি বর্জন করতে হবে। চিকেন ফ্রাই, ড্রাই, ফাস্টফুড, সব ধরনের কাবাব যেমন- বাটি কাবাব, টিক্কা কাবাব, গ্রিল কাবাব, অতিরিক্ত ঝাল, ভুনা খাবার, কাঁচা লবণ, দেশী বিদেশী হরেক রকমের বাহারি নামের অস্বাস্থ্যকর খাবার গুলি বর্জন করতে হবে।
অর্শ বা পাইলস রোগের চিকিৎসাঃ এই অর্শ রোগীদের নিয়ে আছে অনেক কবিরাজি, হেকিমি, তাবিজ, মানে চিকিৎসা নামে অনেক অপচিকিৎসা। এই বিষয়ে একটু সচেতন হয়ে আমাদের চলতে হবে। বিজ্ঞান ও বাস্তব সম্মত চিকিৎসা বিধান হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় রয়েছে এর সুন্দর ও স্বাস্থ্য সম্মত চিকিৎসা। যা কোন অপারেশনের প্রয়োজন হয়না। আমার চিকিৎসা জীবনে দেখেছি অনেকেই অপারেশন করেছে কিন্তু কিছুদিন পর আবার দেখা দিয়েছে। আবার অনেকের দেখেছি জটিল আকার ধারণ করতে।
অর্শ রোগের হোমিও ঔষধ :
লক্ষন ভেদে নিচের ঔষদ গুলো ব্যাবহার করতে পারেন:
নাক্স ভম (Nux vom)– নাক্স ভম কোষ্ঠকাঠিন্য নিরাময়ে সহায়তা করে। খাওয়ার এক ঘন্টা পরে পেটের ভারী ভারী অবস্থা দেখা দেয়। মল জন্য অকার্যকর বাসনা সঙ্গে কোষ্ঠকাঠিন্য। গলায় খাদ্যদ্রব্য জমে যাওয়ার অনুভূতি সহ বুক জ্বলন। ব্যক্তিটি নার্ভাস ইরিটেটেবল হাইপোকন্ড্রিয়াক এবং রোষাক্রান্ত প্রকৃতির। তৈলাক্ত সমৃদ্ধ খাবার বা জাঙ্ক ফাস্ট ফুড খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে যা তাদের সমস্ত লক্ষণ বিকাশের কারণ হয়।
অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভাস বা ত্রুটিযুক্ত জীবনযাত্রার কারণে কোষ্ঠকাঠিন্য বা অনিয়মিত অন্ত্র অভ্যাস নিরাময়ের জন্য পাইলস বা অর্শ এর মধ্যে এটি অন্যতম কার্যকর ওষুধ।
ব্রায়োনিয়া (Bryonia) – কোষ্ঠকাঠিন্যে পরামর্শ দেওয়া হয় যদি মল খুব শক্ত হয় এবং মল পাস করার সময় ব্যক্তি আরও স্ট্রেন দেয়। মল কঠোর পাশাপাশি কালো রঙ এবং পাস করা শক্ত। বেশি জল নেওয়ার প্রবণতা রয়েছে কারণ ব্যক্তিটি সর্বদা তৃষ্ণার্ত বোধ করে।
লাইকোপোডিয়াম (Lycopodium) – অতিরিক্ত পেট ফাঁপা সমস্যাযুক্ত ব্যক্তি। পেটে গুড়গুড় বা কাঁপুনি দিয়ে শব্দে পেটে ফুলে উঠা সংবেদন রয়েছে। পেটের ভারী ভারী অবস্থা সাধারণত বিকেলে হয়। ভাল খিদে আছে তবে অল্প খাবারই তাকে পেট ভরে দেয়। মুখের মধ্যে একটি টক স্বাদ সহ বুক এবং টক জাতীয় জ্বলন রয়েছে
কার্বো ভেজি (Carboveg) – পেটের ফোলা সংবেদন সহ পেট ফাঁপা আছে। আরও অনেক বেশি বিড়বিড় হয় এবং তার পরে ব্যক্তি স্বস্তি বোধ করে। এত বেশি পেট ফাঁপা হওয়ার প্রবণতা যে সে খায় তা সবকিছুই গ্যাসে রূপান্তরিত করে। সাধারণত পেটের উপরের পেটের ভারী ভারী অবস্থা থাকে।
অ্যানাকার্ডিয়াম (Anacardium) – খালি পেটে ব্যথার সাথে কোষ্ঠকাঠিন্যের প্রবণতা রয়েছে। যখন ব্যক্তি খালি পেটে থাকে তখন মাথাব্যথার অনুভূতি হয়। খাবার গ্রহণ মাথা ব্যথা এবং পেটের ব্যথা থেকে মুক্তি দেয়। ব্যক্তির ভুলে যাওয়া এবং স্বল্প আত্মবিশ্বাসের প্রবণতা রয়েছে। এই লক্ষণগুলি যদি কোনও কোনও ব্যক্তির মধ্যে উপস্থিত থাকে তবে অ্যানাকার্ডিয়াম একটি উপযুক্ত প্রতিকার
সালফার (Sulphur) – মলের পরে মলদ্বারের জ্বলন সংবেদন হয়। সবসময় মলদ্বার চুলকানি থাকে। বিছানা থেকে উঠার ঠিক পরে লোকটির খুব ভোরে মলের ঝোঁক থাকে। অল্প আওয়াজে ঘুম ভাঙার অভ্যাস রয়েছে। অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন নিয়ে ব্যক্তি প্রকৃতি সম্পর্কে ঘাবড়ে যায়।
এস্কুলাস (Aesculus) – মলদ্বারে জ্বলন এবং সেলাইয়ের মতো ব্যথা মল পরে দীর্ঘ ঘন্টা অবধি থাকে। মলদ্বার চুলকানি আছে। পাইলস বা অর্শ এর প্রদাহের কারণে মলদ্বারের ভিতরে কিছু আটকে যাওয়ার অনুভূতি। কোষ্ঠকাঠিন্যের প্রবণতা রয়েছে। স্তূপের সমস্যাটি একটি ব্যাক ব্যথার সাথে জড়িত।
অবশ্যেই একজন অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের পরামর্শ নিন সুস্থ থাকবেন। মনে ররাখবেন, অর্শ এমন একটি রোগ যা বারবার অপারেশন করা যায়না। কিছু অভ্যাস চেঞ্জ ও কিছু নিয়ম পালন করলে অবশ্যই এ রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।
ডা. বেবী আকতার
ডিএইচএমএস(ঢাকা)
চেম্বার: এম আই এল হোমিও ফার্মেসী।

অর্শ বা পাইলস নিরাময়ে আধুনিক হোমিও চিকিৎসাঅর্শ বা পাইলস মলদ্বারের একটি জটিল রোগ। এ রোগে মলদ্বারের বাইরে বা ভেতরে, একপাশে...
05/06/2024

অর্শ বা পাইলস নিরাময়ে আধুনিক হোমিও চিকিৎসা
অর্শ বা পাইলস মলদ্বারের একটি জটিল রোগ। এ রোগে মলদ্বারের বাইরে বা ভেতরে, একপাশে বা চারপাশে, একটি বা একাধিক, গোলাকৃতি বা সুচাল গুটিকা দেখা দেয়। এ গুটিকাগুলোকে আমরা আঞ্চলিক ভাষায় ‘বলি’ বা ‘গেজ’ বলি। পায়খানা করার সময় এ বলিগুলো থেকে অভ্যন্তরীণ সমস্যার অনুপাতে কারো অধিক পরিমাণে, কারো স্বল্প পরিমাণে রক্ত যায়। আবার অনেকের রক্ত যায়ই না। অনেকের ব্যাথা থাকে অনেকের থাকেনা।
পাইলস বলতে আমরা বুঝি মলদ্বারের ভেতরে ফুলে ওঠা রক্তের শিরার একটি মাংসপিণ্ড। এরূপ রক্তের শিরার মাংসপিণ্ড বা ‘কুশন’ সব মানুষেরই রয়েছে। তাই প্রকৃত অর্থে পাইলস বা ‘হেমোরয়েড’ আমরা তখনই বলি যখন এটি কোনোরূপ উপসর্গ সৃষ্টি করছে। যেমন মলদ্বারের বাইরে ঝুলে পড়া মাংসপিণ্ড অথবা রক্ত যাওয়া।
অর্শের কারণ :-
ক. দীর্ঘমেয়াদী কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়া।
খ. শরীরের অতিরিক্ত ওজন।
গ. মহিলাদের গর্ভাবস্থায় জরায়ুর ওপর চাপ পড়লে।
ঙ. লিভার সিরোসিস।
চ. মল ত্যাগে বেশী চাপ দেয়া
ছ. শাকসব্জী ও অন্যান্য আঁশযুক্ত খাবার এবং পানি কম খাওয়া।।
জ. পরিবারে কারও পাইলস থাকা মানে বংশগত।
ঝ. ভার উত্তোলন, দীর্ঘ সময় বসে থাকা ইত্যাদি কারনে হয়ে থাকে। তাছাড়া যাদের প্রায় চিকেন ফ্রাই, ড্রাই, ফাস্টফুড, সব ধরনের কাবাব যেমন- বাটি কাবাব, টিক্কা কাবাব, গ্রিল কাবাব, বিবিধ খাবারের অভ্যাস আছে।
লক্ষণসমূহ :-
পায়খানা করার সময় অত্যধিক বা অল্প পরিমাণে রক্ত যেতে পারে।
গুহ্য দ্বারে জ্বালাপোড়া এবং ফুলে যায়।
টাটানি ও যন্ত্রণা।
কাঁটাবিদ্ধ অনুভূতি।
মাথা ধরা ও মাথা ভার বোধ।
উরুদেশ, বক্ষ, নাভির চারপাশে ব্যথা ও মলদ্বারে ভার বোধ। • কোমর ধরা ও কোষ্ঠবদ্ধতা।

অর্শ বা পাইলস রোগে আক্রান্তদের করণীয় :-
১. কোষ্ঠকাঠিন্য যেন না হয় সে বিষয়ে সতর্ক থাকা এবং নিয়মিত মলত্যাগ করা।
২. বেশী পরিমাণে শাকসবজী ও অন্যান্য আঁশযুক্ত খাবার খাওয়া এবং পানি (প্রতিদিন ১২-১৮ গ্লাস) পান করা
৩. সহনীয় মাত্রার অধিক পরিশ্রম না করা
৪. প্রতিদিন ৬-৮ ঘন্টা ঘুমানো
৫. শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণ করা
৬. টয়লেটে অধিক সময় ব্যয় না করা
৭. সহজে হজম হয় এমন খাবার গ্রহণ করা
৮. ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোন চিকিৎসা গ্রহণ না করা।
৯. মল ত্যাগে বেশী চাপ না দেয়া
১০. দীর্ঘমেয়াদী ডায়রিয়া ও কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে তার চিকিৎসা নেয়া।
১১. চিকিৎসকের পরামর্শমতো বিশ্রাম নেয়া।
১৩. পেটে হজম হতে চায় না এমন খাদ্য বর্জন করা।
১৪. হাতুরে ডাক্তার বা কবিরাজ দিয়েচিকিৎসা না করা।
১৫. অধিক মশলা জাতীয় খাদ্য পরিহার করা।
কি খাব: শাকসবজি, ফলমূল, সব ধরণের ডাল, সালাদ, দধি, পনির, গাজর, মিষ্টি কুমড়া, লেবু ও এ জাতীয় টক ফল, পাকা পেপে, বেল, আপেল, কমলা, খেজুর, ডিম, মাছ, মুরগীর মাংস, ভূসিযুক্ত (ঢেঁকি ছাঁটা) চাল ও আটা ইত্যাদি খাবারের কিছুটা অভ্যাস গড়ে তুলতে পারি তাহলে কিছুটা প্রতিকার পেতে পারি। আর যাদের অর্শ হয়ে গেছে তারা এই খাবারগুলি অবশ্যই খাবারের অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।
কি খাবনা: গরু, খাসি ও অন্যান্য চর্বিযুক্ত খাবার, বিশেষ করে শুটকির ভুনা, চা, কফি, চীজ, মাখন, চকোলেট, আইসক্রীম, কোমল।
পানীয়, সব ধরণের ভাজা খাবার যেমনঃ পরোটা, লুচি, পুরি, পিঁয়াজি, সিঙ্গারা, চিপস ইত্যাদি এই খাবার গুলি বর্জন করতে হবে। চিকেন ফ্রাই, ড্রাই, ফাস্টফুড, সব ধরনের কাবাব যেমন- বাটি কাবাব, টিক্কা কাবাব, গ্রিল কাবাব, অতিরিক্ত ঝাল, ভুনা খাবার, কাঁচা লবণ, দেশী বিদেশী হরেক রকমের বাহারি নামের অস্বাস্থ্যকর খাবার গুলি বর্জন করতে হবে।
অর্শ বা পাইলস রোগের চিকিৎসাঃ এই অর্শ রোগীদের নিয়ে আছে অনেক কবিরাজি, হেকিমি, তাবিজ, মানে চিকিৎসা নামে অনেক অপচিকিৎসা। এই বিষয়ে একটু সচেতন হয়ে আমাদের চলতে হবে। বিজ্ঞান ও বাস্তব সম্মত চিকিৎসা বিধান হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় রয়েছে এর সুন্দর ও স্বাস্থ্য সম্মত চিকিৎসা। যা কোন অপারেশনের প্রয়োজন হয়না। আমার চিকিৎসা জীবনে দেখেছি অনেকেই অপারেশন করেছে কিন্তু কিছুদিন পর আবার দেখা দিয়েছে। আবার অনেকের দেখেছি জটিল আকার ধারণ করতে।
অর্শ রোগের হোমিও ঔষধ :
লক্ষন ভেদে নিচের ঔষদ গুলো ব্যাবহার করতে পারেন:

নাক্স ভম (Nux vom)– নাক্স ভম কোষ্ঠকাঠিন্য নিরাময়ে সহায়তা করে। খাওয়ার এক ঘন্টা পরে পেটের ভারী ভারী অবস্থা দেখা দেয়। মল জন্য অকার্যকর বাসনা সঙ্গে কোষ্ঠকাঠিন্য। গলায় খাদ্যদ্রব্য জমে যাওয়ার অনুভূতি সহ বুক জ্বলন। ব্যক্তিটি নার্ভাস ইরিটেটেবল হাইপোকন্ড্রিয়াক এবং রোষাক্রান্ত প্রকৃতির। তৈলাক্ত সমৃদ্ধ খাবার বা জাঙ্ক ফাস্ট ফুড খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে যা তাদের সমস্ত লক্ষণ বিকাশের কারণ হয়।
অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভাস বা ত্রুটিযুক্ত জীবনযাত্রার কারণে কোষ্ঠকাঠিন্য বা অনিয়মিত অন্ত্র অভ্যাস নিরাময়ের জন্য পাইলস বা অর্শ এর মধ্যে এটি অন্যতম কার্যকর ওষুধ।
ব্রায়োনিয়া (Bryonia) – কোষ্ঠকাঠিন্যে পরামর্শ দেওয়া হয় যদি মল খুব শক্ত হয় এবং মল পাস করার সময় ব্যক্তি আরও স্ট্রেন দেয়। মল কঠোর পাশাপাশি কালো রঙ এবং পাস করা শক্ত। বেশি জল নেওয়ার প্রবণতা রয়েছে কারণ ব্যক্তিটি সর্বদা তৃষ্ণার্ত বোধ করে।
লাইকোপোডিয়াম (Lycopodium) – অতিরিক্ত পেট ফাঁপা সমস্যাযুক্ত ব্যক্তি। পেটে গুড়গুড় বা কাঁপুনি দিয়ে শব্দে পেটে ফুলে উঠা সংবেদন রয়েছে। পেটের ভারী ভারী অবস্থা সাধারণত বিকেলে হয়। ভাল খিদে আছে তবে অল্প খাবারই তাকে পেট ভরে দেয়। মুখের মধ্যে একটি টক স্বাদ সহ বুক এবং টক জাতীয় জ্বলন রয়েছে
কার্বো ভেজি (Carboveg) – পেটের ফোলা সংবেদন সহ পেট ফাঁপা আছে। আরও অনেক বেশি বিড়বিড় হয় এবং তার পরে ব্যক্তি স্বস্তি বোধ করে। এত বেশি পেট ফাঁপা হওয়ার প্রবণতা যে সে খায় তা সবকিছুই গ্যাসে রূপান্তরিত করে। সাধারণত পেটের উপরের পেটের ভারী ভারী অবস্থা থাকে।
অ্যানাকার্ডিয়াম (Anacardium) – খালি পেটে ব্যথার সাথে কোষ্ঠকাঠিন্যের প্রবণতা রয়েছে। যখন ব্যক্তি খালি পেটে থাকে তখন মাথাব্যথার অনুভূতি হয়। খাবার গ্রহণ মাথা ব্যথা এবং পেটের ব্যথা থেকে মুক্তি দেয়। ব্যক্তির ভুলে যাওয়া এবং স্বল্প আত্মবিশ্বাসের প্রবণতা রয়েছে। এই লক্ষণগুলি যদি কোনও কোনও ব্যক্তির মধ্যে উপস্থিত থাকে তবে অ্যানাকার্ডিয়াম একটি উপযুক্ত প্রতিকার
সালফার (Sulphur) – মলের পরে মলদ্বারের জ্বলন সংবেদন হয়। সবসময় মলদ্বার চুলকানি থাকে। বিছানা থেকে উঠার ঠিক পরে লোকটির খুব ভোরে মলের ঝোঁক থাকে। অল্প আওয়াজে ঘুম ভাঙার অভ্যাস রয়েছে। অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন নিয়ে ব্যক্তি প্রকৃতি সম্পর্কে ঘাবড়ে যায়।
এস্কুলাস (Aesculus) – মলদ্বারে জ্বলন এবং সেলাইয়ের মতো ব্যথা মল পরে দীর্ঘ ঘন্টা অবধি থাকে। মলদ্বার চুলকানি আছে। পাইলস বা অর্শ এর প্রদাহের কারণে মলদ্বারের ভিতরে কিছু আটকে যাওয়ার অনুভূতি। কোষ্ঠকাঠিন্যের প্রবণতা রয়েছে। স্তূপের সমস্যাটি একটি ব্যাক ব্যথার সাথে জড়িত।

অবশ্যেই একজন অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের পরামর্শ নিন সুস্থ থাকবেন। মনে ররাখবেন, অর্শ এমন একটি রোগ যা বারবার অপারেশন করা যায়না। কিছু অভ্যাস চেঞ্জ ও কিছু নিয়ম পালন করলে অবশ্যই এ রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।

ডা. বেবী আকতার
ডিএইচএমএস(ঢাকা)
চেম্বার: এম আই এল হোমিও ফার্মেসী।

16/06/2023

*** Physiology of Respiratory System :

RespiratorySystem বা শ্বসনতন্ত্র প্রধানত নাক, অরোফ্যারিনক্স, স্বরযন্ত্র, শ্বাসনালী, ব্রঙ্কি, ব্রঙ্কিওল এবং ফুসফুস নিয়ে গঠিত।
ফুসফুস হলো আরও পৃথক লোবে বিভক্ত হয়, যা শেষ পর্যন্ত ৩০০ মিলিয়নেরও বেশি অ্যালভিওলিতে উপবিভক্ত থাকে ।
অ্যালভিওলি গ্যাস এক্সচেঞ্জের প্রাথমিক অবস্থান।

*** Different types of Respiratory Physiology :

তিন ধরনের শ্বাসপ্রশ্বাসের মধ্যে রয়েছে internal, external, and cellular respiration।
বাহ্যিক শ্বসন হল শ্বাস-প্রশ্বাসের প্রক্রিয়া। এতে গ্যাসের শ্বাস-প্রশ্বাস এবং শ্বাস-প্রশ্বাস জড়িত।
অভ্যন্তরীণ শ্বসন রক্ত এবং শরীরের কোষের মধ্যে গ্যাস বিনিময় কাজে যুক্ত।

*** Respiratory System এর ৭ টি প্রধান অংশ সমূহ:

*নাক
* মুখ.
* গলা (গলা)
* ভয়েস বক্স (স্বরযন্ত্র)
* উইন্ডপাইপ (শ্বাসনালী)
* বড় শ্বাসনালী (ব্রঙ্কি)
* ছোট শ্বাসনালী (ব্রঙ্কিওল)
* শ্বাসযন্ত্র.

10/06/2023

*** স্তন ক্যান্সার
স্তন ক্যান্সার শুরু হয় যখন স্তনের কোষগুলি অস্বাভাবিক এবং অনিয়ন্ত্রিত উপায়ে বিভক্ত এবং বৃদ্ধি পেতে শুরু করে।
প্রাথমিক স্তন ক্যান্সার হল স্তন ক্যান্সার যা স্তন বা বাহুর নীচে লিম্ফ নোড (গ্রন্থি) এর বাইরে ছড়িয়ে পড়েনি।

*** স্তন ক্যান্সার কেন হয়?
যেসব মহিলারা উত্তরাধিকারসূত্রে নির্দিষ্ট জিনে পরিবর্তন (মিউটেশন) পেয়েছেন, যেমন BRCA1 এবং BRCA2, তাদের স্তন এবং ডিম্বাশয়ের ক্যান্সারের ঝুঁকি বেশি।

১২ বছর বয়সের আগে মাসিক শুরু হওয়া এবং ৫৫ বছর বয়সের পরে মেনোপজ শুরু করা মহিলাদের হরমোনের
বেশি সময় ধরে, তাদের স্তন ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়।

*** স্তন ক্যান্সারের লক্ষণ গুলো কি কি?

* স্তনে বা আন্ডারআর্মে (বগল) নতুন পিণ্ড।
* স্তনের অংশ মোটা হওয়া বা ফুলে যাওয়া।
* স্তনের ত্বকে জ্বালা বা ডিম্পলিং।
* স্তনবৃন্ত অঞ্চলে বা স্তনের লালভাব বা ফ্ল্যাকি ত্বক।
* স্তনের বোঁটা টেনে নেওয়া বা স্তনবৃন্তের জায়গায় ব্যথা হওয়া।

08/06/2023

মানুষের সংবহন ব্যবস্থা হল ধমনী, শিরা, কৈশিকগুলির একটি নেটওয়ার্ক যা শরীরের বিভিন্ন অংশে প্রয়োজনীয় খনিজ, পুষ্টি এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপাদান সরবরাহ করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এটি শরীর থেকে ফিল্টার বা বহিষ্কৃত করার জন্য বিপাকীয় বর্জ্যও সংগ্রহ করে।

হৃৎপিণ্ড, রক্ত এবং রক্তনালী একসাথে কাজ করে শরীরের কোষগুলোকে সেবা দিতে। ধমনী, শিরা এবং কৈশিকগুলির নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে, রক্ত ফুসফুসে কার্বন ডাই অক্সাইড বহন করে (শ্বাস ছাড়ার জন্য) এবং অক্সিজেন গ্রহণ করে।

হৃৎপিণ্ডের ৭টি প্রধান কাজ কী কী?

হার্টের গঠন ও কার্যকারিতা | ফার্মেসি
হৃৎপিণ্ড মানবদেহে নিম্নলিখিত ভূমিকা পালন করে:
শরীরের অন্যান্য অংশে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত পাম্প করা। ...
শরীরের বিভিন্ন অংশে হরমোন এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় পদার্থ সঞ্চালন। ...
অক্সিজেন-দরিদ্র রক্ত গ্রহণ এবং অক্সিজেনেশনের জন্য ফুসফুসে পাম্প করা, শরীর থেকে বর্জ্য পণ্য পরিবহন করা। ...
রক্তচাপ বজায় রাখা।

*** গর্ভাবস্থায় কোমর ব্যথা?অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায়, বিশেষ করে শেষের দিকে কোমর ব্যথা মেয়েদের একটি বড় কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।...
03/06/2023

*** গর্ভাবস্থায় কোমর ব্যথা?

অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায়, বিশেষ করে শেষের দিকে কোমর ব্যথা মেয়েদের একটি বড় কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কোমর ব্যথার কারণে হাঁটা, চলাচল করতে কষ্ট, রাতে ঘুম আসে না, অনেকে সারা রাত পিঠে বালিশ দিয়ে বসে কাটান।

* কোমর ব্যথা কেন হয়?
গর্ভাবস্থায় শরীরের ওজন বাড়ে, ভারী হয়। তাই পেশি ও সন্ধির ওপর চাপ বাড়ে।
প্রসবের কিছুদিন আগে থেকে স্বাভাবিক প্রসবের প্রস্তুতিস্বরূপ রিলাক্সিন হরমোনের প্রভাবে কোমরের স্যাক্রোআইলিয়াক জয়েন্টের লিগামেন্টগুলো শিথিল হয়, ফলে ভার বহনক্ষমতা কমে যায়। ব্যথা বাড়ে।

জরায়ু বড় হওয়ার কারণে মায়ের শরীরের ভরকেন্দ্র পরিবর্তিত হয়, পিঠের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে। কোমর ব্যথার এটিও একটি কারণ।
মাতৃত্বকালীন স্ট্রেসও কোমর ব্যথার কারণ হিসেবে কাজ করে।

✔️ কী করে আরাম পাবেন?
* সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি হলো ব্যায়াম। নিয়মিত ব্যায়াম কোমরের পেশি ও সন্ধির কার্যক্ষমতা বাড়াবে, ব্যথা কমাবে। গর্ভাবস্থায় হাঁটাহাঁটি ও সাঁতার হলো সবচেয়ে ভালো ব্যায়াম।
* হাইহিল ও একেবারে ফ্ল্যাট জুতো—দুটোই শরীরের ওজনের ভারসাম্য নষ্ট করে। হালকা উঁচু নরম সোলের জুতো ব্যবহার করতে হবে।
* চিত হয়ে না শুয়ে বাঁ কাত হয়ে শুতে চেষ্টা করুন। দুই পায়ের মাঝখানে এবং পিঠের নিচে বালিশ দিয়ে ঘুমালে মেরুদণ্ডের চাপ কমবে।
* গরম ও ঠান্ডা পানির সেঁক নিতে পারেন। তবে পানির তাপমাত্রা যেন সহনীয় থাকে।
* নিচু হয়ে ঝুঁকে কোনো কাজ করা যাবে না। সোজা দাঁড়িয়ে বা বসে কাজ করুন। ভারী কিছু ওঠাবেন না।
* যোগব্যায়াম, মেডিটেশন ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। পিঠে ও কোমরে হালকা ম্যাসাজও করা যেতে পারে।
** ধন্যবাদ।

02/06/2023
*** পাইলস কেন হয়, লক্ষণপায়ুপথের রোগগুলোর মধ্যে পাইলস ও ফিস্টুলা অন্যতম।  এই রোগে অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয়।  সঠিক সময়ে রোগ...
01/06/2023

*** পাইলস কেন হয়, লক্ষণ

পায়ুপথের রোগগুলোর মধ্যে পাইলস ও ফিস্টুলা অন্যতম। এই রোগে অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয়। সঠিক সময়ে রোগ শনাক্ত করে চিকিৎসা না নিতে পারলে বড় ধরনের স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি হয়। অনেক সময় ক্যান্সারও হতে পারে।

সাধারণত বৃহদান্ত্রের শেষাংশে রেকটামের ভেতরে ও বাইরে থাকা কুশনের মতো একটি রক্তশিরার জালিকা থাকে। যা প্রয়োজন সাপেক্ষে সংকুচিত ও প্রসারিত হয়। এর নাম হেমোরয়েডস বা পাইলস।

যখন পায়ুপথে এসব শিরার সংক্রমণ এবং প্রদাহ হয়, চাপ পড়ে তখন হেমোরয়েডস বা পাইলসে প্রদাহ হয়। যাকে সাধারণ ভাষায় অর্শ্বরোগ বলা হয়।

পাইলসের প্রধান কারণগুলো হচ্ছে দীর্ঘদিন কোষ্ঠকাঠিণ্যে ভোগা, পুরনো ডায়রিয়া, মলত্যাগে দীর্ঘক্ষণ টয়লেটে বসে থাকা ও দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা। এছাড়া পারিবারিক ইতিহাস, আঁশযুক্ত খাবার কম খাওয়া, ভারি মালপত্র বহন করা, স্থুলতা, কায়িক শ্রম কম করা।

*** লক্ষণ

পাইলসের যেসব লক্ষণ দেখা যায় তা হচ্ছে- পায়ুপথের অন্ত্র বা ভেতরের অর্শরোগে সাধারণত তেমন কোনো ব্যথা বেদনা, অস্বস্তি থাকে না, অন্যদিকে পায়ুপথের বহিঃঅর্শরোগে পায়ুপথ চুলকায়, বসলে ব্যথা করে, পায়খানার সঙ্গে টকটকে লাল রক্ত দেখা যায় বা শৌচ করা টিস্যুতে তাজা রক্ত লেগে থাকে, মলত্যাগে ব্যথা লাগা, পায়ুর চারপাশে এক বা একের অধিক থোকা থোকা ফোলা থাকে।

*** পাইলস সাধারণত তিন ধরনের হয়ে থাকে। যথা-

* পায়ুপথের বহিঃঅর্শরোগ

* পায়ুপথের অন্ত বা ভেতরের অর্শরোগ

* আবার কখনও দুই অবস্থা একসঙ্গেও থাকতে পারে।

পায়ুপথের ভেতরের অর্শরোগ বা পাইলস ফুলে মলদ্বারের বাইরে বের হয়ে আসাকে ৪টি পর্যায় ভাগ করা হয়।

* প্রথম পর্যায় (পাইলস ফুলে বাইরে বের হয়ে আসে না বা প্রলেপস হয় না)

* দ্বিতীয় পর্যায় (পায়খানার পর পাইলস ফুলে বাইরে বের হয়ে আসে এবং তারপর আপনা-আপনি ঠিক হয়ে যায়)

* তৃতীয় পর্যায় (পাইলস ফুলে বাইরে বের হয়ে আসে এবং নিজে ঠিক করতে হয়)

* চতুর্থ পর্যায় (পাইলস ফুলে বাইরে বের হয়ে আসে বা প্রলেপস হয়ে এবং তা আর নিজে ঠিক করা যায় না)

***অর্শ বা পাইলস রোগে করণীয়

১. কোষ্ঠকাঠিন্য যেন না হয় সে বিষয়ে সতর্ক থাকা এবং নিয়মিত মলত্যাগ করা।

২. পর্যাপ্ত পরিমাণে শাকসবজী ও অন্যান্য আঁশযুক্ত খাবার খাওয়া এবং প্রতিদিন ৮-১০ গ্লাস পানি পান করা।

৩. সহনীয় মাত্রার অধিক পরিশ্রম না করা।

৪. প্রতিদিন ৬-৮ ঘন্টা ঘুমানো।

৫. শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণ করা।

৬. টয়লেটে অধিক সময় ব্যয় না করা।

৭. সহজে হজম হয় এমন খাবার গ্রহণ করা।

৮. ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া লেকজেটিভ বেশি গ্রহণ না করা।

৯. মল ত্যাগে বেশি চাপ না দেয়া।

১০. দীর্ঘমেয়াদী ডায়রিয়া থাকলে তার চিকিৎসা নেয়া।

***অর্শ বা পাইলস রোগে গ্রহণীয় কিছু খাবার

শাকসবজি, ফলমূল, সব ধরণের ডাল, সালাদ, দধি, পনির, গাজর, মিষ্টি কুমড়া, লেবু ও এ জাতীয় টক ফল, পাকা পেপে, বেল, আপেল, কমলা, খেজুর, ডিম, মাছ, মুরগীর মাংস, ভূসিযুক্ত (ঢেঁকি ছাঁটা) চাল ও আটা ইত্যাদি।

*** অর্শ বা পাইলস রোগে বর্জনীয় কিছু খাবার

খোসাহীন শস্য, গরু, খাসি ও অন্যান্য চর্বিযুক্ত খাবার, মসৃণ চাল, কলে ছাঁটা আটা, ময়দা, চা, কফি, চীজ, মাখন, চকোলেট, আইসক্রীম, কোমল পানীয়, সব ধরণের ভাজা খাবার যেমন- পরোটা, লুচি, চিপস ইত্যাদি।

**** ধন্যবাদ

31/05/2023

একটি করোনারি এনজিওপ্লাস্টি হল একটি পদ্ধতি যা অবরুদ্ধ বা সংকীর্ণ করোনারি ধমনী (হৃদপিণ্ড সরবরাহকারী প্রধান রক্তনালী) প্রশস্ত করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
"এনজিওপ্লাস্টি" শব্দের অর্থ হল একটি সরু বা অবরুদ্ধ ধমনী খোলার জন্য একটি বেলুন ব্যবহার করে।

(AN-jee-oh-PLAS-tee) একটি রক্তনালীতে খোলা অংশকে বড় করার একটি পদ্ধতি যা প্লেক দ্বারা সংকীর্ণ বা অবরুদ্ধ হয়ে গেছে (রক্তনালীর ভেতরের দেয়ালে চর্বি এবং কোলেস্টেরল জমা হওয়া)। এনজিওপ্লাস্টির উদাহরণ হল বেলুন অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি এবং লেজার অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি।

যেকারণে চিকিৎসার জন্য অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি ব্যবহার করা যেতে পারে:

* হার্ট অ্যাটাকের সময় বা পরে করোনারি ধমনীতে ব্লকেজ।

*এক বা একাধিক করোনারি ধমনীর অবরোধ বা সংকীর্ণতা যা খারাপ হৃদযন্ত্রের কার্যকারিতা (হার্ট ফেইলিওর) হতে পারে
সংকীর্ণতা যা রক্ত প্রবাহকে হ্রাস করে এবং ক্রমাগত বুকে ব্যথা (এনজাইনা) সৃষ্টি করে যা ওষুধ নিয়ন্ত্রণ করে না

29/05/2023

* ঋতুস্রাব হল একজন মহিলার মাসিক স্বাভাবিক যোনিপথে রক্তপাত, যাকে পিরিয়ড বলা হয় *🤰 🤱💁‍♀️
যখন একটি মেয়ে শিশুর জন্ম হয়, তখন তার ডিম্বাশয়ে কয়েক হাজার ডিম থাকে, যা বয়ঃসন্ধি শুরু না হওয়া পর্যন্ত নিষ্ক্রিয় থাকে।
একটি মেয়ের পিরিয়ড হওয়ার জন্য একটি সঠিক বয়স নেই তবে বেশিরভাগ মেয়েরা তাদের স্তন বিকশিত হতে শুরু করার প্রায় 2 বছর পর তাদের প্রথম মাসিক হয়। যখন তাদের বয়স 10 থেকে 15 এর মধ্যে হয় তবে এটি আলাদা, প্রতিটি মেয়ের শরীরের নিজস্ব সময়সূচী থাকে। মস্তিষ্কের দুটি কাঠামো, পিটুইটারি গ্রন্থি এবং হাইপোথ্যালামাস জটিল হরমোন তৈরি করে যা ডিম্বাশয়কে উদ্দীপিত করে যাতে মহিলাদের যৌন হরমোনগুলি মাসিক চক্র শুরু এবং নিয়ন্ত্রণ করে। এবং এটি প্রায় 51 বছর বয়স পর্যন্ত চলতে থাকবে। সাধারণত তিন থেকে 8 দিন স্থায়ী হয়।
মাসিক চক্র বেশ কয়েকটি পর্যায় অন্তর্ভুক্ত করে।
মাসিক চক্রের প্রথম পর্যায় রক্তপাতের প্রথম দিনে শুরু হয় এবং প্রায় 14 দিন স্থায়ী হয়।

Address

Chittagong

Opening Hours

Monday 15:00 - 09:00
Tuesday 15:00 - 09:00
Wednesday 15:00 - 09:00
Thursday 15:00 - 09:00
Saturday 15:00 - 09:00
Sunday 15:00 - 09:00

Telephone

+8801982246112

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when MIL HOMEO posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to MIL HOMEO:

Share

Category