Mother & Child Care

Mother & Child Care Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Mother & Child Care, Hospital, Zevco M. K Plaza, Agrabad Access Road Near City Hall Conversion, Halishahar, H/E, Chittagong.

Pregnancy & Women Related Service
Normal Delivery
Painless Normal Delivery
LSCS
D&C
any kind of Operation
Digitalized Operation Theater
Pediatric & New Born Baby Related Service
NICU
Neonatal Word with latest facility
HDU
Ambulance
Any kind of vaccines

শিক্ষনীয় হচ্ছে- যে কোন ব্যথার ঔষধ খাবার আগে কমপক্ষে একটা CBC (platelet count নরমাল কিনা দেখার জন্য), S. bilirubin & SGPT...
23/08/2025

শিক্ষনীয় হচ্ছে- যে কোন ব্যথার ঔষধ খাবার আগে কমপক্ষে একটা CBC (platelet count নরমাল কিনা দেখার জন্য), S. bilirubin & SGPT (লিভার ঠিক আছে কিনা দেখার জন্য), S. creatinine (কিডনি ঠিক আছে কিনা দেখার জন্য) ECG (হার্টে কোন সমস্যা আছে কিনা দেখার জন্য) করা উচিত। রোগী গরীব কিংবা ধনী এসব দেখার সুযোগ নেই।

ডাক্তাররা কেন টেস্ট করেন? কারনে না অকারনে? নাকি কমিশনের জন্য?। প্রথমে 2 টি ঘটনা বলি...
১। একবার 2 দিনের জ্বর নিয়ে ৩০ বছর বয়সী একজন রোগী আমাকে দেখালেন। আমি দেখার পর মনে হল ভাইরাল ফেভার। রোগীর প্রেসার কম আর খেতে পারছে না তাই রুটিন টেস্ট দিয়ে ভর্তি করলাম। ভর্তি হবার 2 ঘন্টা পর (তখনও রিপোর্ট আসে নাই) রোগী হঠাত খারাপ হয়ে গেল। রোগী খুবই ছটপট শুরু করল, প্রেসার 200/120, শ্বাসকষ্ট হচ্ছে, রোগীকে আইসিইউতে নেয়া হল, কিছুক্ষণ পর (৩০ মিনিট এর মধ্যে) রোগী মারা গেল। ওই সময় আমি আর আমার একজন সিনিয়র স্যার সেখানে উপস্থিত ছিলাম। রোগী মারা যাবার পর রিপোর্ট আসল, আমরা দেখলাম platelet count 30000.

রোগীর লোকের কাছে আবারো ইতিহাস নেয়া হল। রোগীর লোক বলল গতকাল অনেক জ্বর ও গায়ে ব্যথা ছিল, গ্রামের ফার্মেসীতে গিয়ে ঔষধ চেয়েছি, diclofen ট্যাবলেট দিয়েছিল। শরীরে platelet count কম থাকলে যে কোন সময় রক্তক্ষরন শুরু হতে পারে। আবার ব্যথার ঔষধগুলো শরীরে রক্তক্ষরনের ঝুঁকি বাড়ায়। এই রোগীর platelet count কম ছিল, তার উপর diclofen খেয়ে ব্রেনে রক্তক্ষরন হয়ে রোগী মারা গেছে।

২। ৩/৪ দিন আগে একজন ডায়াবেটিসের রোগী জ্বর নিয়ে আমাকে দেখালেন, আমার মনে হল তার প্রসাবে ইনফেকশন, আমি প্রসাবের পরীক্ষা দিলাম, কিডনীর টেস্ট আগে করা ছিল, নরমাল ছিল তাই আর করালাম না। রোগী বাসা গেলো। ২ দিন পর রোগী হাস্পাতালে ভর্তি হল, রোগীর তেমন কোন উন্নতি নেই, C/S দেখার পর এ্যান্টবায়োটিক পরিবর্তন করবো, ভাবলাম কিডনী কেমন আছে দেখি (আগের রিপোর্ট খুজে পেলাম না, তাই কিডনীর পরীক্ষাটা করতে দিলাম)। রিপোর্ট আসার পর আমার কোনভাবেই সঠিক মনে হয় নাই, কারন S. creatinine 12 mg/dl ছিল, ল্যাবে বললাম রিপিট কর, রিপোর্ট একই আসল। S. electrolyes করে দেখলাম hyperkalaemia আছে। রোগীর গতকাল ডায়ালাইসিস করা হয়েছে।

তাহলে এসব টেস্ট কি অকারনে করা হয়েছিল???শিক্ষনীয় হচ্ছে-ডায়াবেটিস/হাইপ্রেসারের রোগীর মাঝে মাঝে (অন্তত ৬ মাসে ১ বার) এবং যে কোন acute illness এ ভাইটাল অর্গানগুলো চেক করা উচিত। (এই রোগীকে প্রথমেই কিডনীর পরীক্ষা দিলে, রোগী বলত সামান্য জর নিয়ে এলাম আর ডাক্তার এত গুলো পরিক্ষা অকারনে দিল, আর রোগী যখন খারাপ হয়ে গেল তখন রোগির লোকের ভাষ্য-আপনি আগে কেন কিডনী টেস্ট করালেন না)।

এবার আসি পরীক্ষা-নীরিক্ষায়। কোন পরীক্ষা কেন করা হয়??
CBC করে আমরা অনেকগুলো তথ্য পাই, যেমন-শরীরে রক্তের পরিমান কেমন, শরীরে কোন ইনফেকশন আছে কিনা, ব্লাড ক্যন্সার আছে কিনা এবং platelet count কেমন, যা কমে গেলে শরীর থেকে রক্ত ক্ষরন হতে পারে। যে কোন রোগির এই টেস্ট না করে তার শরীরের সার্বিক অবস্থা বুঝা সম্ভব না।

RBS এই পরীক্ষা দিয়ে কারো ডায়াবেটিস আছে কিনা তা স্ক্রেনিং করি। ১৮ বছর পর এই পরীক্ষা বছরে অন্তত একবার করা উচিত, তবে যাদের বাবা-মায়ের ডায়াবেটিস আছে আর যাদের ওজন বেশি তাদের বছরে অন্তত ২ বার (৬ মাস পর পর) করা উচিত। কারো যদি ডায়াবেটিস untreated or uncontrolled থাকে তবে তার কিডনী নষ্ট হয়ে যেতে পারে, হারট এ্যাটাক, ষ্ট্রোক, অন্ধত্ত সহ আরো অনেক জটিল রোগ হতে পারে।

S. creatinine এই টেস্ট দিয়ে আমাদের কিডনী ঠিক আছে কিনা দেখা হয়। কিডনী রোগ যত তারাতারি ধরা পরবে তত ভালো হবার সম্ভবনা বেশি। যাদের ডায়াবেটিস/হাইপ্রেসার আছে তাদের কিডনী নষ্ট হবার সম্ভবনা অনেক বেশি। তাছাড়া যে কোন ধরনের ব্যথার ঔষধ , কিছু প্রেসারের ঔষধ, কিছু ডায়াবেটিসের ঔষধ, বাত রোগের ঔষধ, ক্যান্সারের ঔষধ দেয়া না দেয়া, কি ডোজে দিতে হবে তা নির্ভর করে S. creatinine এর উপর। বছরে অন্তত একবার S. creatinine করা উচিত।

Urine R/E এটি খুবই সাধারন একটি পরীক্ষা কিন্তু খুবই ইনফরমেটিভ, এটি দিয়ে প্রসাবে ইনফেকশন আছে কিনা, কিডনীতে কোন সমস্যা আছে কি না, কিডনীতে কোন পাথর আছে কিনা, ডায়াবেটিস আছে কিনা ইত্যাদি জানা যায়। এছাড়াও কারো কিডনীতে সমস্যা কেবল শুরু হয়েছে কিনা (যা চিকিতসায় ভালো করা সম্ভব) তাও বোঝা যায় (প্রসাব দিয়ে যদি protein যায় তবে বুঝতে হবে কিডনীতে সমস্যা শুরু হয়েছে)।

ECG গত সপ্তাহে একজন ডায়াবেটিস রোগী দেখেছিলাম, যিনি ঔষধ খাওয়া বন্ধ করে দিয়েছিলেন, ভেবেছিলেন ঔষধ খাবার আর দরকার নেই, তার ডায়াবেটিসের পরীক্ষা, কিডনীর পরীক্ষা আর ECG করতে দিলাম, ECG তে Recent anterior MI আসল, ইকো করার পর Ischaemic cardiomyopathy আসল। ডায়াবেটিস ও হাইপ্রেসারের রোগীর বছরে অন্তত একবার এবং বুকে যে কোন সমস্যা হলে ECG করা উচিত। কারন Heart attack বয়স্ক এবং ডায়াবেটিসের রোগীর বুকে কোন ব্যাথা ছাড়াই হতে পারে।

আমার নন-মেডিকেল বন্ধুদের বলছি কেউ যদি এসব টেস্ট (CBC, RBS, S. creatinine, Urine R/E, ECG) করেন, তাহলে ভাববেন না আর জীবনেও এসব করা লাগবে না, আপনি যদি আজ সব টেস্ট করেন আর কালকেই যদি আপনার বুকে ব্যাথা হয় তবে আবারো ECG করতে হবে। দয়া করে ভুল বুঝবেন না। ডাক্তার যে টেস্ট করতে দেন তা আপনার জন্যই, আপনার চিকিতসার জন্যই।

আমি আমার ছাত্র-ছাত্রীদের বলছি, তোমরা কোন রোগীকে চিকিতসা দেবার আগে সবসময় চেষ্টা করবে রুটিন পরীক্ষাগুলো করাতে, কারন একটা জিনিস মনে রাখবে, মেডিকেল সাইন্সে হিরো কখনই তুমি হতে পারবেনা, কিন্তু তোমার এক ভুলে তুমি জিরো হয়ে যাবে। রোগী গরীব বা ধনী সবাইকে আইডিয়াল এপ্রোচ করবে, যে টেস্ট লাগবে তা রোগীকে করতে বলবে, রোগি যদি করতে না চায় তবে নোট লিখে রাখবে এবং চিকিতসা দিবে; রোগী ভালো না হলে তোমাকে বেশি চার্জ করবে না, কারন চিকিতসার জন্য দরকা্রি পরিক্ষাতো তারা করান নাই। কিন্তু তুমি যদি পরীক্ষা না করাতে দাও আর রোগীর উন্নতি না হয় বা ঔষধের কোন সাইড ইফেক্ট হয় তবে তোমার ঘাড় ধরে বলবে আপনি কেন পরীক্ষা না করিয়ে চিকিতসা দিলেন??

সবার জন্য বলছি আপনি আপনার টিভি, ফ্রিজ, বাইক, গাড়ি মাঝে মাঝে চেক করেন, সার্ভিসিং করেন, নিজের শরীরটার বছরে ১ বার সার্ভিসিং করেন, বছরে ১ বার CBC, RBS, S. creatinine, Urine R/E, ECG, Fasting lipid profiles করে একজন ফিজ়িশিয়ানকে দেখান। এসবের জন্য ২০০০-২৫০০ টাকার বেশি খরচ হবে না। নিজের জন্য বছরে অন্তত এই টাকাটা খরচ করুন, তাহলে ভবিষ্যতে অনেক ভালো থাকবেন।.............................................

টিকা নিন সুস্থ থাকুন
11/08/2025

টিকা নিন সুস্থ থাকুন

 #জাম্বুরারউপকারিতা...👨‍⚕️ জাম্বুরা তে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি থাকে যা শক্তিশালী এন্টি-অক্সিডেন্ট👨‍⚕️ জাম্বুরার ভিটামি...
11/08/2025

#জাম্বুরারউপকারিতা...
👨‍⚕️ জাম্বুরা তে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি থাকে যা শক্তিশালী এন্টি-অক্সিডেন্ট
👨‍⚕️ জাম্বুরার ভিটামিন সি বাচ্চার ঘনঘন জ্বর ও সর্দি-কাশি লাগা প্রতিরোধ করে
👨‍⚕️এটি মুখের ঘা সারাতে সাহায্য করে
👨‍⚕️ বাচ্চাদেরর মুখের রুচি ফেরাতে জাম্বুরা ফল অত্যন্ত কার্যকর
👨‍⚕️ জাম্বুরা রক্তে কোলেস্টেরল এবং ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমায়, যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে পারে
👨‍⚕️ জাম্বুরাতে ক্যালোরি ও ফ্যাট কম থাকে এবং ফাইবার বেশি থাকে, যা ওজন কমায়
👨‍⚕️ জাম্বুরাতে ফলিক অ্যাসিড এবং বিটা ক্যারোটিন রয়েছে, যা গর্ভবতী মা ও গর্ভস্থ শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী

“গভীর শোকের সাথে জানাচ্ছি যে, মাদার এন্ড চাইল্ড কেয়ার  হসপিটালের সম্মানিত ডাইরেক্টর আমাদের সবার প্রিয় ডা: দেবাশীষ  গত রা...
11/08/2025

“গভীর শোকের সাথে জানাচ্ছি যে, মাদার এন্ড চাইল্ড কেয়ার হসপিটালের সম্মানিত ডাইরেক্টর আমাদের সবার প্রিয় ডা: দেবাশীষ গত রাত ১২:৩০ মিনিটে পরলোকগমন করেছেন। তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করি।”

মনোবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে শিশুদের আলিঙ্গনের নানা ধরনের উপকারিতা রয়েছে। যেমন-অক্সিটোসিন হরমোনের নিঃসরণ: শিশুকে জড়িয়ে ধরলে শরী...
10/08/2025

মনোবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে শিশুদের আলিঙ্গনের নানা ধরনের উপকারিতা রয়েছে।
যেমন-

অক্সিটোসিন হরমোনের নিঃসরণ: শিশুকে জড়িয়ে ধরলে শরীরে “ভালোবাসার হরমোন” অক্সিটোসিন নিঃসৃত হয়, যা মানসিক শান্তি ও নিরাপত্তা তৈরি করে।

মানসিক চাপ কমায়: অক্সিটোসিন কর্টিসল (স্ট্রেস হরমোন) নিয়ন্ত্রণ করে, ফলে শিশুর উদ্বেগ ও বিষণ্ণতা কমে যায়

মস্তিষ্কের বিকাশে সহায়ক: নিয়মিত স্পর্শ ও আলিঙ্গন শিশুদের ইন্দ্রিয় উদ্দীপনা বাড়ায়, যা মস্তিষ্কের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে

আত্মবিশ্বাস ও সামাজিক দক্ষতা বৃদ্ধি: শিশুরা নিরাপদ ও ভালোবাসা-পূর্ণ পরিবেশে বেড়ে উঠলে তাদের আত্মবিশ্বাস ও সম্পর্ক গড়ার ক্ষমতা বাড়ে

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: আলিঙ্গনের ফলে শরীরে রোগ প্রতিরোধকারী হরমোন সক্রিয় হয়, যা শিশুকে আরও সুস্থ রাখে।
জনস্বার্থে #মাদারএন্ডচাইল্ডকেয়ারহসপিটাল

 #স্ট্রোক_স্ট্রোক_স্ট্রোক আমরা সবাই-যদি স্ট্রোক (Stroke) এর এই ছোট্ট সাধারণ শণাক্তকরণ উপায় টা শিখে ফেলি,তবে হয়তো আমরা ...
09/08/2025

#স্ট্রোক_স্ট্রোক_স্ট্রোক
আমরা সবাই-যদি স্ট্রোক (Stroke) এর এই ছোট্ট সাধারণ শণাক্তকরণ উপায় টা শিখে ফেলি,তবে হয়তো আমরা স্ট্রোকের ভয়ংকর অভিজ্ঞতা থেকে আমাদের প্রিয়জনদের রক্ষা করতে পারবো।

একটি সত্যি গল্পঃ
একটা অনুষ্ঠানে গিয়ে একজন ভদ্রমহিলা হঠাৎ হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলেন। উঠে দাঁড়িয়ে তিনি বললেন, সবকিছু
ঠিক আছে, মেঝের টাইলসে তার নতুন জুতোর হীল বেঁধে যাওয়ায় তিনি পড়ে গিয়েছিলেন। কেউ একজন এম্বুলেন্স ডাকার কথা বললেও তিনি তাতে রাজি হলেন
না। সবকিছু ঠিকঠাক করে, পরিস্কার করে তিনি নতুন করে প্লেটে খাবার নিলেন। যদিও মনে হচ্ছিলো যেন তিনি একটু কেঁপে কেঁপে উঠছেন।
অনুষ্ঠানের সম্পূর্ণ সময় জুড়েই তিনি উপস্থিত
থাকলেন। পরদিন দুপুরে ভদ্রমহিলার স্বামী ফোন
করে জানালেন, তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সন্ধ্যা ছয়টার সময় তিনি মারা গেলেন। মূল যে ঘটনা ঘটেছিল, তা হলো,তিনি অনুষ্ঠান চলাকালীন সময় স্ট্রোক করেছিলেন। সেখানে যদি কেউ জানতেন, কিভাবে স্ট্রোক শনাক্ত করা সম্ভব,তাহলে হয়তো ভদ্র মহিলা আজও বেঁচে থাকতেন।
সবাই যে মৃত্যুবরণ করে, তা নয়। অনেকের ঠাই হয় বিছানায়,সাহায্যহীন, ভরসাহীন মূমুর্ষূ অবস্থায়।মাত্র কিছু সময় নিয়ে এটা পড়ে ফেলুন।
একজন মস্তিষ্ক বিশেষজ্ঞ বলেছেন, যদি একজন স্ট্রোকের শিকার রোগীকে স্ট্রোক হবার তিন ঘন্টার মধ্যে হাসপাতালে নেয়া যায়,
তবে তাকে সম্পূর্ণভাবে সুস্থ অবস্থায় ফেরত
পাওয়া সম্ভব। শুধু আমাদের জানতে হবে কিভাবে স্ট্রোক চেনা যায় এবং কিভাবে রোগীকে উল্লেখ্য সময়ের মধ্যে মেডিকেল কেয়ারে নেয়া যায়।

স্ট্রোককে_চিনুন…
সহজ তিনটি ধাপঃ- S T ও R…পড়ুন এবং জানুন!
মাঝে মাঝে স্ট্রোকের উপসর্গ শনাক্ত করা অনেক কঠিন হয়ে পড়ে। আমাদের অজ্ঞতার কারণেই নেমে আসে যাবতীয় দুর্যোগ। স্ট্রোকের শিকার রোগীর মস্তিষ্কে যখন ভয়ানক
রকম ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে, পাশে দাঁড়ানো প্রিয় জনটিই হয়তো বুঝতে পারছে না, কি অপেক্ষা করছে তাদের কাছের মানুষের জীবনে।সহজ উপায়ে স্ট্রোক শনাক্ত করার উপায়।

সহজ তিনটি প্রশ্ন জিজ্ঞেস করুনঃ
S – Smile রোগীকে হাসতে বলুন।
T – Talk রোগীকে আপনার সাথেসাথে একটি বাক্য বলতে বলুন।
উদাহরণঃআজকের দিনটা অনেক সুন্দর।
R – Raise hands. রোগীকে একসাথে দুইহাত উপরে তুলতে বলুন।এর কোনো একটিতে যদি রোগীর সমস্যা বা কষ্ট হয় তৎক্ষণাৎ দেরি না করে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান এবং চিকিৎসককে সমস্যাটি খুলে বলুন।
(রোগী বলতে স্ট্রোকের শিকার সন্দেহ করা ব্যক্তি বোঝানো হয়েছে)
সনাক্তকরণের আরেকটি উপায় হচ্ছে, রোগীকে বলুন তার জিহবা বের করতে। যদি তা ভাঁজ হয়ে থাকে,
বা অথবা যদি তা বেঁকে যে কোনো একদিকে চলে যায়,সেটাও স্ট্রোকের লক্ষণ।
তৎক্ষণাৎতাকে হাসপাতালে নিয়ে যান।
যদি আমরা সবাই-ই
এই সহজ ব্যাপারগুলো জেনে রাখি,তবে আমরা একজনের হলেও জীবন বাঁচাতে পারবো।
শেয়ার কে সবাইকে সতর্ক করুন

ভয়াবহ ভাইরাস জ্বর চলছে — সতর্ক হোন, যত্ন নিন!......এই মুহূর্তে একটি নতুন ধরনের ভাইরাল ফিভার দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।ডেংগু ব...
09/08/2025

ভয়াবহ ভাইরাস জ্বর চলছে —
সতর্ক হোন, যত্ন নিন!......
এই মুহূর্তে একটি নতুন ধরনের ভাইরাল ফিভার দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।
ডেংগু বা চিকনগুনিয়া নয়, তবে লক্ষণগুলো মারাত্মক এবং অনেকেই আক্রান্ত হচ্ছেন।

👶 বাচ্চাদের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ:
আপনার সন্তান আক্রান্ত হলে আপনি ভেঙে পড়বেন না।
আপনার শক্ত মনোবলই তার সেবা করার মূল চাবিকাঠি।
অধিকাংশ শিশুরা এই জ্বরে ভুগছে, সবসময় বলে, “মাথা ব্যথা, পা ব্যথা…”
তাকে ২০-৩০ মিনিট পরপর অল্প অল্প করে স্বাস্থ্যকর খাবার দিতে হবে

❗ খাবারের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি।
✖️ মেডিসিন দিয়ে রোগ সারানো যাবে না যদি শরীর ঠিকভাবে পুষ্টি না পায়।
✔️ বমি হলে প্রথমে বমি বন্ধের ওষুধ দিন (ডাক্তারের পরামর্শে)। তারপর খাবার দিন।

🛑 মূল লক্ষণগুলো:
হঠাৎ করে জ্বর (১০৩°–১০৪°F পর্যন্ত)
শরীরের বিভিন্ন স্থানে ব্যথা (মাসল, জয়েন্ট, চোখ, মাথা)
তীব্র দুর্বলতা, মাথা ঘোরা, প্রেসার লো হয়ে যাওয়া
জ্বর চলে যাওয়ার পরও শরীরের ব্যথা ও দুর্বলতা রয়ে যায়

✅ কি করবেন? চিকিৎসা ও যত্নের টিপস:
🥣 খাবার:
1. 🍊 ভিটামিন সি-যুক্ত ফল: মাল্টা, কমলা, লেবু, আমলকি, পেয়ারা
2. 🍌 জিঙ্ক ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট: কলা, পেঁপে, ডিমের কুসুম
3. 🍲 প্রোটিন: সিদ্ধ ডিম, চিকেন স্যুপ, ডাল, খিচুড়ি, মাছ
4. 💧 তরল: দিনে অন্তত ৩ লিটার পানি (স্যালাইন, লেবুর শরবত),
❌ চিনি এড়িয়ে চলুন

🧊 ব্যথা ও জ্বর কমাতে:
প্যারাসিটামল (ডাক্তারের পরামর্শে)
গরম পানির সেঁক
আদা, তুলসি ও মধুর গরম পানীয়
প্রয়োজন হলে নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন
💆 জ্বরের পর দুর্বলতা ও ব্যথা কমাতে:
গরম পানিতে লবণ মিশিয়ে গা মুছানো
ম্যাসাজ: নারকেল তেল/পুদিনা তেল ব্যবহার করে
হালকা স্ট্রেচিং বা ধীরে হাঁটা শুরু করুন
ম্যাগনেসিয়াম-যুক্ত খাবার (পানিতে ভেজানো বাদাম, কলা, কিশমিশ)
⚠️ যখন চিকিৎসকের কাছে যাওয়া জরুরি:
বারবার উচ্চ জ্বর আসছে
রক্তচাপ খুব নিচে নেমে গেছে
পানি ও খাবার একদম নিচ্ছে না
চোখে ঝাপসা, অজ্ঞান ভাব
হৃদস্পন্দন অনিয়মিত
🧘‍♀️ মনে রাখবেন:
জ্বর চলে গেলেও শরীর দুর্বল থাকে।
👉 বিশ্রাম, পুষ্টিকর খাবার, এবং তরল পানিই দ্রুত সুস্থ হওয়ার মূল উপায়।
💌 শেষ কথা:
আপনার আশপাশে কেউ আক্রান্ত হলে পোস্টটি শেয়ার করুন।
একটি তথ্য, একটি যত্ন–কারও সুস্থতার কারণ হতে পারে।
❤️ আপনার পরিবার, প্রতিবেশী ও বন্ধুরা যেন নিরাপদ ও সুস্থ থাকে এই কামনাই।
জনস্বাথে #মাদারএন্ডচাইল্ডকেয়ারহসপিটাল

 #ব্যাথামুক্ত_নরমাল_ডেলিভারি 🧤২০২২ সালের জুলাই মাস থেকে আমারা প্রসূতি মায়েদের এই সেবা প্রদান করছি🧤আস্থা এবং ভরসার কারনে ...
08/08/2025

#ব্যাথামুক্ত_নরমাল_ডেলিভারি
🧤২০২২ সালের জুলাই মাস থেকে আমারা প্রসূতি মায়েদের এই সেবা প্রদান করছি
🧤আস্থা এবং ভরসার কারনে অনেক ডাক্তার এবং তাদের পরিবারের সদস্য আমাদের হসপিটালে ব্যাথামুক্ত নরমাল ডেলিভারি করিয়েছেন
বিস্তারিত জানতে ফোন করুন:
+01836-216014

কিছু বিষয় জানা প্রয়োজনঅজ্ঞতা বা অর্থাভাবে কিছু মা দুধ পাতলা করে খাওয়ান, কিংবা তাতে তাল-মিছরি মিশিয়ে দেন।এই অভ্যাস শি...
06/08/2025

কিছু বিষয় জানা প্রয়োজন
অজ্ঞতা বা অর্থাভাবে কিছু মা দুধ পাতলা করে খাওয়ান, কিংবা তাতে তাল-মিছরি মিশিয়ে দেন।
এই অভ্যাস শিশুর জন্য ভয়ানক ক্ষতির কারণ হতে পারে —
যেমন -অপুষ্টি, হজমের সমস্যা, এমনকি দীর্ঘমেয়াদে বৃদ্ধি ও বুদ্ধির বিকাশে বাধা।
সব কোম্পানির ফর্মুলা দুধ এক বছর পর্যন্ত বানানোর নিয়ম প্রতি ৩০ মিলি পানির জন্য এক চামচ দিয়ে বানাতে হয়। এক বছরের বেশি বয়সী বাচ্চাদের ক্ষেত্রে কিছু কিছু কোম্পানির ফর্মুলা দুধ বানানোর নিয়ম ব্যতিক্রম হতে পারে। তাই প্যাকেটে নির্দেশিকা দেখবেন।
বর্তমান বাজারে ফর্মুলা দুধের দাম সাধারণ পরিবারগুলোর জন্য অনেকটা চ্যালেঞ্জিং। বিশেষ করে দিনমজুর, নিম্নবিত্ত কিংবা অনেক মধ্যবিত্ত পরিবারও এই খরচ বহন করতে হিমশিম খায়।
শিশুর জন্মের পর প্রথম কয়েক মাসে মাসে ২-৩ হাজার টাকা দুধের পেছনে খরচ হলেও, এক বছর বয়স হওয়ার পর সেটা বেড়ে গিয়ে ১০-১৫ হাজার টাকায় পৌঁছায়। এই ব্যয় সামলানো সত্যিই সবার পক্ষে সম্ভব নয়।
তবে আশার কথা হলো—
যদি আপনার শিশুর গরুর দুধে হজমের সমস্যা না থাকে, তাহলে এক বছর বয়সের পর থেকে গরুর দুধ ধীরে ধীরে খাওয়ানো শুরু করতে পারেন। এতে খরচ অনেকটাই সাশ্রয় হবে, এবং শিশুর প্রোটিন ও ক্যালসিয়ামের চাহিদাও পূরণ হবে।
📌 তবে মনে রাখবেন— গরুর দুধ সবার জন্য উপযুক্ত নয়।
আপনার শিশুর পেটে গরুর দুধ সমস্যা করছে কিনা জানতে অবশ্যই কমেন্ট চেক করবেন।
জনস্বাথে #মাদার_এন্ড_চাইল্ড_কেয়ার_হসপিটাল

নবজাতক ও শিশু এবং গাইনী ও প্রসূতি রোগের চিকিৎসায় চট্রগ্রামের সেরা প্রাইভেট হসপিটাল হলো আগ্রাবাদে অবস্থিত  #মাদার_এন্ড_চা...
06/08/2025

নবজাতক ও শিশু এবং গাইনী ও প্রসূতি রোগের চিকিৎসায় চট্রগ্রামের সেরা প্রাইভেট হসপিটাল হলো আগ্রাবাদে অবস্থিত #মাদার_এন্ড_চাইল্ড_কেয়ার_হসপিটাল। Mother & Child Care Hospital গুগল ম্যাপ লোকেশন:
https://maps.app.goo.gl/gYVc6D4QFUyYJwwY8?g_st=ipc
২৪ ঘন্টা যোগাযোগের নাম্বার:
+01836-216014
#আমাদের_সেবাসমূহ:

Address

Zevco M. K Plaza, Agrabad Access Road Near City Hall Conversion, Halishahar, H/E
Chittagong
4216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mother & Child Care posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category