মেহের মেডিকো

মেহের মেডিকো রুমালিয়ারছড়া,কক্সবাজার

  একটি probiotic medicine। এতে Bacillus clausii spores থাকে (প্রতি ৫ ml এ প্রায় ২ বিলিয়ন)। এটি অন্ত্রের ভালো ব্যাকটেরিয়া...
04/03/2026

একটি probiotic medicine। এতে Bacillus clausii spores থাকে (প্রতি ৫ ml এ প্রায় ২ বিলিয়ন)। এটি অন্ত্রের ভালো ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি করে digestion ও immunity উন্নত করতে সাহায্য করে।

#ব্যবহার
>Antibiotic খাওয়ার পর হওয়া diarrhea
>Acute বা chronic diarrhea
>Indigestion, bloating, গ্যাস ও abdominal discomfort

#ডোজ
Adults: দিনে ২–৩ বার ১ vial (৫ ml)
Children: দিনে ১–২ বার ১ vial (৫ ml),

ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করার আগে vial ভালোভাবে ঝাঁকাতে হবে। সরাসরি বা পানির সাথে মিশিয়ে খাওয়া যায়। খালি পেটে বা খাবারের পর দুইভাবেই খাওয়া যায়।

25/02/2026
ফাস্টফুড, কোমল পানীয়, চিপস জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন। এগুলো রুচি কমিয়ে দেয় ও অনেকক্ষণ পর্যন্ত পেট ভরিয়ে রাখে।Carmina Syrup ...
28/06/2025

ফাস্টফুড, কোমল পানীয়, চিপস জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন। এগুলো রুচি কমিয়ে দেয় ও অনেকক্ষণ পর্যন্ত পেট ভরিয়ে রাখে।

Carmina Syrup
ক্ষুধামন্দা, পেট ফাঁপা, বায়ুজনিত পেটব্যথা, পাকস্থলী ও লিভারের দুর্বলতা, কোষ্ঠকাঠিন্য, রুচি বৃদ্ধি করতে গুরুত্বপূর্ণ ঔষধ।

স্বাভাবিক নিয়মে খেলে কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যায় না।

"ঔষধের" নামে বিষ! আমরা যখন গিনিপিগ! "ছয়মাস আগে প্রিয়াঙ্কা নামে দুই আড়াই বছরের ফুটফুটে একটা বাচ্চা মেয়েকে আমার কাছে নিয়ে ...
20/04/2025

"ঔষধের" নামে বিষ! আমরা যখন গিনিপিগ!

"ছয়মাস আগে প্রিয়াঙ্কা নামে দুই আড়াই বছরের ফুটফুটে একটা বাচ্চা মেয়েকে আমার কাছে নিয়ে আসে।বাচ্চার পিতা মাতার অভিযোগ,একমাস হচ্ছে ছোট্ট মেয়েটার ব্রেস্ট বড় হয়ে যাচ্ছে। আসলে সত্যি। বাচ্চাটার ব্রেস্ট বড় হয়ে যাচ্ছে।চিকিৎসা বিজ্ঞানে এটাকে বলে Gynecomastia.
আমি বাচ্চাটার হিস্ট্রি নেওয়ার চেষ্টা করি।বাচ্চা কিছু খেতে চায়না।এই কারণে মাস দুয়েক আগে শহরের এক বড় চিকিৎসক দেখিয়েছেন। চিকিৎসক ঔষধ দিয়েছেন।এখন বাচ্চা খাবার খায়।কিন্তু বাচ্চার অন্য সমস্যাটি ই দেখা যাচ্ছে।আমি ডাক্তারবাবুর প্রেসক্রিপশনটা দেখি।মেডিসিনে, সিরাপ মেজেস্টল লিখা।এক চামচ করে তিনবার।বাচ্চার পেরেন্টস'কে জিজ্ঞেস করি "এই সিরাপটা কয়টা খাওয়াইছেন? পিতা বলল,তিন চারটে হবে,এখনো চলছে।আমি সিরাপটা "না খাওয়ানোর" জন্য অনুরোধ করি।কয়েকটি হরমোনাল পরীক্ষা দেয়।বাচ্চার মেয়েলি হরমোন বেড়ে গিয়েছে।

একবছর ধরে ইয়াং ছেলেদের মধ্যে বিয়ের আগে ডাক্তার দেখানোর একটা প্রচলন দেখা যায়।প্রায় ইয়াং ছেলেগুলো আসে একটাই প্রবলেম নিয়ে,"তাদের জৈবিক চাহিদা কমে গেছে"।কাম উত্তেজনা হয়না বললেই চলে।অনেকের আবার দ্রুতপতন,স্থায়িত্ব কম,( Erectile dysfunction, premature ej*******on) ইত্যাদি রোগও দেখা যায়।আমি তাদের হিস্ট্রি জানার চেষ্টা করি।এই সব স্মার্ট, সুদর্শন,ছেলে গুলো এপেটিজ সিরাপ অথবা মেজেস্টল সিরাপ চিকিৎসকের পরামর্শে অথবা বিনাপরামর্শে স্বাস্থ্যবান হওয়ার জন্য দীর্ঘদিন সেবন করছে।তাই আজ তাদের এই অবস্থা।

চলুন,এই নীরব ঘাতক মেজেস্টল ও এপেটিজ সিরাপ সম্পর্কে সংক্ষেপে জেনে আসি...

"সিরাপ দুটোর জেনেরিক নাম মেজেস্ট্রল এসিটেট।এটা একধরনের হাইড্রক্সিপ্রজেস্টেরন হরমোন।স্টেরয়েড জাতীয়।এটা ব্রেস্ট ক্যান্সারে নির্দেশিত তবে কিছুক্ষেত্রে এইডস রিলেটেড কিংবা কেমোথেরাপি রিলেটেড ক্ষুধামন্দায় নির্দেশিত।"

কিন্তু চিকিৎসক, কোম্পানির,মেডিকেল রিপ্রেজেনটেটিভদের কথায় বিশ্বাস রেখে যে কোন ধরনের ক্ষুধামন্দায়,ভিটামিন হিসেবে যেকোন বয়সী মানুষকে দিয়ে দিচ্ছে।যদিও মেডিসিনটি ৬৫ বছরের উর্ধ্বে বয়স্কদের জন্য এবং ১২ বছরে নিচে
কোন ভাবেই ব্যবহার করার যাবেনা।

কিন্তু চিকিৎসকগন এসব না ভেবে, যাচ্ছেতাই ভাবে রোগিদেরকে ভিটামিন হিসেবে যেকোন ক্ষুধামন্দায় দিয়ে দিচ্ছে।"এই সিরাপ খেলে মোটা হয়" কথাটি একজন থেকে আরেকজন শুনে শুনে, মানুষ, "মারাত্মক" এই ঔষধটি খাচ্ছে।ফলে ঔষধের সাইডইফেক্ট ও মিসইউজ এর শিকার হচ্ছে।

যেসব সাইড ইফেক্ট হয়,
যেহেতু ঔষধটি হাইড্রক্সি প্রজেস্টোরন (একধরনের মেয়েলি হরমোন)তাই এই ঔষধ ব্যবহারে ৪৫ বছরের কম বয়সী মেয়েদের মেন্স সার্কেল অনিয়মিত হয়ে যায়।
দীর্ঘদিন মেন্স(ঋতু) না হওয়ায় জরায়ুতে Endometriosis হতে পারে।
এলবুমিনুরিয়া, লিউকোরিয়াও হতে পারে।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয় ছেলেদের।তাদের সেক্সুয়াল আসক্তি কমে যায়।উত্থান হয়না।দ্রুত আউট হয়ে যায়।এটা মেয়েলি হরমোন হওয়ার কারণে,অনেক ছেলেদের মেয়েলি স্বভাব চলে আসতে পারে,কন্ঠ মেয়েলি মেয়েলি হয়ে যেতে পারে,স্তন বড় হয়ে যেতে পারে,এমনকি! ইম্পোটেন্স impotence (বন্ধা) হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও থাকে।

তাছাড়া মাথায় টাক হতে পারে,আবার চামড়া সাদা সাদা (আংশিক শ্বেতী) হতে পারে,চর্মরোগও হতে পারে,

আর যদি ঔষধ খাওয়া ছেড়ে দেওয়া হয়,
পূর্বের ন্যায় আবারও ক্ষুধামন্দা দেখা দেয়।যেটুকু স্বাস্থ্যবান হয়েছিল তার চেয়ে বেশি ওজন কমে যায়,শরীরের ভেতর জ্বর লেগেই থাকে,কলিজা কাপা বেশি হতে পারে(Tachycardia)

কলিজা ধুপধাপ করে, চোখ মুখ অন্ধকার হয়ে, নিশ্বাস স্লো হয়ে যেতে পারে।মনে হবে এই বুঝি প্রাণ বের হয়ে যাবে,অন্যরকম চটপটানি হবে,(Panic disorder)..
দিনে অনেকবার এই রকম চটপটানি হবে।

চিকিৎসকরা রোগ নির্ণয়ে বার বার ব্যর্থ হবেন।
এটাই "মেজেসট্রল এসিটেট" সাইডইফেক্ট। ঠিক স্টেরয়েড খাওয়ার মতন। ছেলেদের ক্ষেত্রে তার চেয়ে অনেক বেশি।

এই ঔষধ, মেজেস্টল নামে জিসকা ফার্মার,এপেটিজ নামে এরিস্টোফার্মার,মেজেস্ট নামে বিকন ফার্মার,মেস্ট্রল নামে ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল, মেজোক্সিয়া নামে এভারেস্ট ফার্মার পাওয়া যায়।

মনে রাখবেন,এটা ক্ষুধাবৃদ্ধির ভিটামিন নই।এই মেডিসিন এড়িয়ে চলুন।নিজে সচেতন হউন।অন্যকে সচেতন করুন।

"ডাঃ কামরান উদ্দিন "

_অ্যান্টিবায়োটিক দিয়েও রোগ সারছে না, বাংলাদেশের শিশুদের জন্য ভয়া'বহ সংকেত"⁉️✍️মিসেস তাসমিন নাহার মিথুনের আট বছরের মেয়...
14/04/2025

_অ্যান্টিবায়োটিক দিয়েও রোগ সারছে না, বাংলাদেশের শিশুদের জন্য ভয়া'বহ সংকেত"⁉️

✍️মিসেস তাসমিন নাহার মিথুনের আট বছরের মেয়ে গত কয়েকদিন ধরে ঢাকার শিশু হাসপাতালে আছে। সাধারণ ইউরিন ইনফেকশনের সমস্যা নিয়ে তাকে এখানে ভর্তি করা হয়েছিল।

কিন্তু ডাক্তারি পরীক্ষায় ধরা পড়ে যে মেয়েটি 'মাল্টিপল অ্যান্টিবায়োটিক রেসিস্ট্যান্ট' -
অর্থাৎ তার শরীরের জীবাণু ধ্বংস করতে বেশ কয়েক ধরণের ওষুধ এখন আর কাজ করবে না।

এমন অবস্থায় চিকিৎসকরা তার মেয়ের জন্য কিছু ওষুধ দিয়ে পুনরায় পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দেন।

দ্বিতীয় পরীক্ষাতেও সেখানে দেখা যায় যে, শিশুটির শরীরে জীবাণু ধ্বংস করতে ওষুধটির যে শক্তিকে কাজ করার কথা ছিল, সেটা তেমনটা কাজ করছেনা।

এখন তৃতীয় ধাপের ওষুধ ও ডাক্তারি পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে যেতে হচ্ছে মিসেস মিথুনের মেয়েকে। তার পুরোপুরি সেরে ওঠা নিয়ে নিজের উদ্বেগের কথা জানান মিসেস মিথুন।

"ইউরিন কালচারে ১৮টা অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে টেস্ট করা হয় এর মধ্যে ১১টাই রেসিস্ট্যান্ট আসে। যেগুলো রেসিস্ট্যান্ট নয়, সেগুলোর মধ্যে একটা ঠিকমতো কাজ করছে না। "আমি ভাবতেও পারিনি, আমার মেয়ের এমন অবস্থা হবে" - বলছিলেন মিসেস তাসমিন নাহার।
সম্প্রতি ঢাকার একটি হাসপাতালে এক নবজাতকের মেডিকেল পরীক্ষাতেও দেখা যায় যে শিশুটি প্রায় ১৮টি অ্যান্টিবায়োটিক রেসিস্ট্যান্ট।
এ থেকে ধারণা করা যায় যে, এই অ্যান্টিবায়োটিক রেসিস্ট্যান্স বাংলাদেশের জন্য এখন নতুন আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

📌এন্টিবায়োটিক রেসিস্ট্যান্স কি?
চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে অ্যান্টিবায়োটিক হচ্ছে সেই সব ঔষধ - যা রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক বা পরজীবী ধ্বংস করে।
এখন এই ওষুধ যদি সঠিক নিয়মে প্রয়োগ করা না হয় - তাহলে এক পর্যায়ে ওই জীবাণু সেই ওষুধের বিরুদ্ধে নিজেদের প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে। ফলে সেই ওষুধে আর কোন কাজ হয়না।
একেই বলে 'অ্যান্টিবায়োটিক রেসিস্ট্যান্স' - অর্থাৎ যখন ব্যাকটেরিয়ার ধ্বংস করার ক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিকের কার্যকারিতা থাকে না।

📌শিশুদের কেন এন্টিবায়োটিক রেসিস্ট্যান্ট হয়?

আইসিডিডিআরবির জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানী জানান,প্রতিদিন হাসপাতালে ভর্তি আসা রোগীদের একটি বড় অংশের মধ্যেই এই সমস্যা দেখা যায়।
"আমরা এরকম শিশুদের পরীক্ষা করেছি, যারা আমাদের কাছে আসার তিন মাস আগেও কোন অ্যান্টিবায়োটিক খায়নি। অথচ তাদের শরীরের ব্যাকটেরিয়াগুলো মাল্টিপল ড্রাগ রেসিস্ট্যান্ট।"
"এর মানে শিশু এন্টিবায়োটিক না খেলেও প্রকৃতি-পরিবেশে থাকা এসব ড্রাগ রেসিস্ট্যান্ট জীবাণু তাদের শরীরে প্রবেশ করছে এবং ওষুধ কাজ করছে না। অর্থাৎ আমরা কেউই অ্যান্টিবায়োটিক রেসিস্ট্যান্ট নই। শিশুরা তো নয়ই।"
বর্তমান পরিস্থিতিকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বড় ধরণের অশনি সংকেত হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।
বিশ্বে যে হারে নতুন অ্যান্টিবায়োটিক তৈরি করা হচ্ছে তার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি হারে বাড়ছে অ্যান্টিবায়োটিক রেসিস্ট্যান্স। যার ফলে অদূর ভবিষ্যতে সামান্য হাঁচি-কাশি-জ্বরেও মানুষের মৃত্যু ঝুঁকি হতে পারে বলে সতর্ক করছেন।
"একটা অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কার করতে লাগে ১৫ বছর, ওটার বিপরীতে ব্যাকটেরিয়া রেসিস্ট্যান্স হতে লাগে এক বছর। আগামী সাত বছরে দুইবারের বেশি অ্যান্টিবায়োটিক আসার সম্ভাবনা নেই। এক সময় দেখা যাবে, রোগের জীবাণুকে কোন ওষুধ দিয়েই ধ্বংস করা যাচ্ছে না।"

📌পরিবেশে এই রেসিস্ট্যান্স কিভাবে তৈরি হয়?
শিশুদের এমন অ্যান্টিবায়োটিক রেসিস্ট্যান্ট হওয়ার পেছনে জেনেটিক বা বংশগত কোন কারণ না-ও থাকতে পারে।
তবে আমরা যেসব প্রাণীর মাংস বা শাকসবজি খাই - সেইসব প্রাণীর শরীরে বা সবজির উৎপাদনে যদি অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয়, সেগুলো রেসিস্ট্যান্স তৈরি করে, যার প্রভাব মানুষের ওপর পড়ে।
"মানুষের প্রোটিনের জন্য যেহেতু, মাছ, মুরগি, গরু দরকার এবং সেগুলোকে সস্তায় বাঁচানোর জন্য অ্যান্টিবায়োটিক দরকার। অর্থাৎ মানুষকে তার প্রোটিনের জন্যে ভবিষ্যতকে ঝুঁকিগ্রস্ত করা হচ্ছে।"
এছাড়া হাসপাতাল থেকে শুরু করে রেসিস্ট্যান্ট ব্যক্তির হাঁচি-কাশি মল-মূত্র থেকেও তা ছড়াতে পারে বল।

📌করণীয় কি?
চারটি প্রাথমিক সচেতনতা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে বলে জানান বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক।

✔️প্রথমত, চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া এন্টিবায়োটিক কেনা/বিক্রি বন্ধ করতে হবে।

✔️দ্বিতীয়ত, সকল অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধের প্যাকেটের রং লাল করতে হবে। এবং অন্যান্য ওষুধ থেকে আলাদা রাখতে হবে, যেন মানুষ সহজেই পার্থক্য করতে পারে।

✔️তৃতীয়ত, অ্যান্টিবায়োটিকের ডোজ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া খাবেন না, ডোজ সম্পূর্ণ করতে হবে এবং নিয়ম মেনে খেতে হবে।

✔️চতুর্থত, জ্বর, সর্দি, কাশি ও ডায়রিয়া এই চারটি রোগ সারাতে অ্যান্টিবায়োটিকের কোন প্রয়োজন নেই। তাই চিকিৎসককে এই চারটি কন্ডিশনে অ্যান্টিবায়োটিক দেয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

সব মিলিয়ে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি, ওষুধ সেবন করার বিষয়ে যথার্থ জ্ঞান ও তার প্রয়োগের মাধ্যমে এই ভয়াবহ অভিশাপ ঠেকানো সম্ভব।

তথ্যসুত্র:বি'বি'সি'

11/04/2025

ঢাকা শহরের সেরা হাসপাতালগুলো: স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সঠিক হাসপাতাল নির্বাচন করুন!

ঢাকা শহর, বাংলাদেশের প্রাণকেন্দ্র, যেখানে প্রতিদিন লাখো মানুষের চিকিৎসা, শিক্ষা ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে অসংখ্য সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল কাজ করছে। যেহেতু সঠিক সময়ে সঠিক হাসপাতাল নির্বাচন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তাই আজকের এই আর্টিকেলে আমরা আপনাদের জন্য ঢাকার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতালগুলোর তথ্য নিয়ে এসেছি। এখানে পাবেন প্রতিটি হাসপাতালের ঠিকানা, যোগাযোগ নম্বর এবং তাদের সেবা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য।

সরকারি হাসপাতালগুলোঃ

1. ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (DMCH)

ঠিকানা: বাকশীবাজার, ঢাকা-১০০০

ফোন: ৮৬২৬৮১২

বিশেষত্ব: দেশের সবচেয়ে বড় সরকারি হাসপাতাল। এখানে জেনারেল মেডিসিন, সার্জারি, গাইনি, শিশু, নিউরো-সার্জারি সহ প্রায় সব ধরনের চিকিৎসা সেবা পাওয়া যায়।

2. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (BSMMU)

ঠিকানা: শাহবাগ, ঢাকা

ফোন: ০২-৯৬৬১০৫১

বিশেষত্ব: উচ্চতর চিকিৎসা, এমডি ও এমএস কোর্সসহ বিশেষায়িত চিকিৎসার জন্য এটি অন্যতম সেরা প্রতিষ্ঠান।

3. শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

ঠিকানা: কলেজ গেট, শেরে বাংলা নগর

ফোন: ০২-৯১২২৫৬০

বিশেষত্ব: উন্নত সার্জারি এবং চিকিৎসা সেবার জন্য খ্যাত।

4. মিটফোর্ড হাসপাতাল (স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল)

ঠিকানা: নয়াবাজার, পুরান ঢাকা

ফোন: ০২-৭৩১০০৬১

বিশেষত্ব: পুরান ঢাকার মানুষের প্রধান চিকিৎসা ভরসা।

5. জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল

ঠিকানা: শেরে বাংলা নগর

ফোন: ০২-৯১২২৫৬০

বিশেষত্ব: হৃদরোগ নিরাময়ে অন্যতম নির্ভরযোগ্য হাসপাতাল।

বেসরকারি হাসপাতালগুলোঃ

1. ইউনাইটেড হাসপাতাল

ঠিকানা: গুলশান-২

ফোন: ০২-৮৮৩৬০০০

বিশেষত্ব: আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসা সেবা প্রদানকারী হাসপাতাল। এখানে ক্যান্সার, হৃদরোগ, কিডনি ট্রান্সপ্লান্টসহ জটিল চিকিৎসা সেবা পাওয়া যায়।

2. স্কয়ার হাসপাতাল

ঠিকানা: পান্থপথ

ফোন: ০২-৯১৩০৪৭৭

বিশেষত্ব: আধুনিক চিকিৎসা সুবিধা এবং দক্ষ ডাক্তারদের সমন্বয়ে একটি সেরা হাসপাতাল।

3. এভারকেয়ার হাসপাতাল ঢাকা (সাবেক অ্যাপোলো)

ঠিকানা: বসুন্ধরা

ফোন: ১০৬৭৮

বিশেষত্ব: আন্তর্জাতিক চিকিৎসকদের সমন্বয়ে পরিচালিত এবং জটিল অপারেশনসহ এনআইসিইউ, হৃদরোগ চিকিৎসায় খ্যাতনামা।

4. ল্যাবএইড হাসপাতাল

ঠিকানা: ধানমন্ডি

ফোন: ০২-৯৬৬৪১৮১

বিশেষত্ব: উচ্চমানের ডায়াগনস্টিক সুবিধা এবং সার্জিক্যাল বিশেষজ্ঞদের সেবা।

5. বারডেম জেনারেল হাসপাতাল

ঠিকানা: সেগুনবাগিচা

ফোন: ০২-৯৬৬১৫৫১

বিশেষত্ব: ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য বিখ্যাত। ইনডোর ও আউটডোর সেবা সহ রয়েছে গবেষণা ল্যাব।

শেষ কথাঃ
ঢাকায় চিকিৎসা সেবা সহজলভ্য হলেও কখন কোথায় যেতে হবে এবং কী ধরনের চিকিৎসা কোথায় পাওয়া যাবে, সে সম্পর্কে আগে থেকে জানা জরুরি। এই আর্টিকেলটি আপনাকে যদি উপকারে আসে, তাহলে এটি শেয়ার করে আপনার বন্ধুদেরও জানিয়ে দিন।

স্বাস্থ্যই সম্পদ—এটি রক্ষায় সঠিক হাসপাতালের সঠিক ঠিকানা জানাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

দীর্ঘ সময় ধরে জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল (যেমন Femicon,Noret,Ovastat Femipil, Marvelon ইত্যাদি) খেলে কিছু ক্ষতিকর পার্শ্বপ্রতিক্র...
03/02/2025

দীর্ঘ সময় ধরে জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল (যেমন Femicon,Noret,Ovastat Femipil, Marvelon ইত্যাদি) খেলে কিছু ক্ষতিকর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে। তবে এটি নির্ভর করে পিলের ধরণ, শরীরের অবস্থা এবং ব্যক্তির জীবনযাত্রার ওপর।

🔴 দীর্ঘমেয়াদি পিল খাওয়ার ক্ষতিকর দিক:
১. হরমোনজনিত সমস্যা
🔹 ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরনের মাত্রা পরিবর্তনের কারণে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে
🔹 পিরিয়ড অনিয়মিত হতে পারে বা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যেতে পারে
🔹 লিবিডো (যৌ/ন আগ্রহ) কমে যেতে পারে

২. রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি (Blood Clots & Stroke)
🔹 যারা ধূমপান করেন বা উচ্চ রক্তচাপের রোগী, তাদের ক্ষেত্রে হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যায়
🔹 পায়ে বা শরীরের রক্তনালীতে ব্লক (Deep Vein Thrombosis - DVT) হতে পারে

৩. ওজন বৃদ্ধি ও পানি জমে যাওয়া
🔹 অনেকের শরীরে পানি ধরে রাখার কারণে ওজন বেড়ে যেতে পারে
🔹 কিছু ক্ষেত্রে বুকের বা মুখের আশেপাশে ফ্যাট জমতে পারে

4. মাইগ্রেন ও মাথাব্যথা
🔹 নিয়মিত পিল খেলে মাথাব্যথা বা মাইগ্রেনের সমস্যা বেড়ে যেতে পারে

5. লিভার ও কিডনির ওপর চাপ
🔹 দীর্ঘদিন পিল খেলে লিভারের কার্যক্ষমতা কমে যেতে পারে
🔹 কিডনির ওপরও অতিরিক্ত চাপ পড়ে, বিশেষ করে যদি কম পানি পান করা হয়

6. গর্ভধারণে দেরি হতে পারে
🔹 অনেক বছর ধরে পিল খেলে বন্ধ করার পর গর্ভধারণে দেরি হতে পারে
🔹 কিছু ক্ষেত্রে পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (PCOS) বা অন্য হরমোনজনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে

7. স্তন ও জ/রা/য়ুর ক্যান্সারের সম্ভাবনা (Rare Cases)
🔹 গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘমেয়াদি জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল খেলে কিছু ক্ষেত্রে স্তন বা জ/রা/য়ুর ক্যান্সারের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে (যদিও এটি খুব কম দেখা যায়)

✅ করণীয় ও সাবধানতা:
✔ নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করুন (বিশেষ করে লিভার ও রক্তচাপ চেক করুন)
✔ বেশি বছর ধরে পিল না খেয়ে বিকল্প জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার করুন (যেমন ক/ন্ড/ম, IUD বা কপার টি)
✔ পিল খাওয়ার পাশাপাশি পর্যাপ্ত পানি পান করুন ও স্বাস্থ্যকর খাবার খান
✔ যদি মাথাব্যথা, রক্তচাপ বৃদ্ধি বা অন্য কোনো সমস্যা হয়, তাহলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

লিভার ধংসকারী এসব রূচিবর্ধক নিম্ন মানের ঔষধ পরিহার করুন।
01/02/2025

লিভার ধংসকারী এসব রূচিবর্ধক নিম্ন মানের ঔষধ পরিহার করুন।

"ইচ্ছেমাফিক নাপা খাওয়ার কুফল" পোস্টটি দেখে খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে হল বলেই শেয়ার করলাম।আমাদের মাঝে যারা ব্যথা বা হালকা...
30/01/2025

"ইচ্ছেমাফিক নাপা খাওয়ার কুফল"

পোস্টটি দেখে খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে হল বলেই শেয়ার করলাম।আমাদের মাঝে যারা ব্যথা বা হালকা জ্বর হলে নাপা অথবা নাপা এক্সট্রা, প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ খায় তাদের জন্য। পোষ্টটি খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে আমি শেয়ার করলাম সবাই শেষ পর্যন্ত পড়বে।

চেম্বারে রুগী এসেছে ,
আমিঃ জিজ্ঞাসা করলাম, কি সমস্যা??
রুগীঃ স্যার কিডনি ডেমেজ, সেরাম ক্রিয়েটিনিন ১৪
হিমোগ্লোবিন ৮.৪
আমিঃ কবে থেকে সমস্যা??
রুগীঃ স্যার ১ মাস হলো ধরা পরছে।
আমিঃ ধরেই ১৪ হয়ে গেলো কি করে? আগে টের পান নি??
রুগীঃ না স্যার,বুমী ভাব, পা গুলা ফুলা লাগায় ডাক্তার এর কাছে গেলে ডাক্তার সেরাম ক্রিয়েটিনিন লেভেল পরীক্ষা করে দেখে ১৪। এটা দেখে ডাক্তার সাহেব বলছে ডায়লাইসিস করার জন্য।
আমিঃ আচ্ছা আপনি কি কখনো নাপা, নাপা এক্সটা,পেরাসিট্যামল,ব্যাথার ঔষধ অনেক দিন খেয়েছেন??
রুগীঃ জি স্যার, নাপা খাইতাম একটু শরীর খারাপ লাগলেই।
আমিঃ আহ, কি ক্ষতিটাই না করলেন। কে বলছে আপনাকে কথায় কথায় নাপা, নাপা এক্ট্রা খাইতে??
রুগীঃ স্যার, এগুলাতো অনেকেই খায় তাই আমিও খাইতাম।
আমিঃ আমি আমার এইটুকু বয়সে যতো রুগী দেখেছি তার মধ্যে ৭০% কিডনী ডেমেজ এর রুগী, এবং এই সকল কিডনি রুগী গনের মধ্যে ৭০-৮০% হয় কিছু দিন ব্যাথার ঔষধ খেয়েছে, না হয় নাপা, নাপা এক্সট্রা, প্যারাসিটামল খেয়েছে না হয় এলার্জির ঔষধ দীর্ঘ দিন খেয়েছে।
রুগীঃ আগে জানলে কি আর খাইতাম ?? স্যার এই কথা বলার মানুষ পাই নাই, তাই জানতাম ও না।

"সময় থাকতে বুঝলে ভালো, না হয় যখন বুঝবেন অনেক দেরি হয়ে যাবে"

লেখা- Dr. Syed Golam Gous Ashrafi

Address

Rumaliar Chora
Cox's Bazar
4700

Opening Hours

Monday 09:00 - 22:00
Tuesday 09:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 22:00
Thursday 09:00 - 22:00
Friday 09:00 - 22:00
Saturday 09:00 - 22:00
Sunday 09:00 - 22:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মেহের মেডিকো posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share