07/05/2026
কেন সবাই হিজামার দিকে ঝুঁকছে?
🩺জটিল রোগের সহজ সমাধান হিজামা !!
🔰কারণ হিজামায় কোনো মেডিসিন নিতে হয় না। তাই মেডিসিনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।
🔰অন্যান্য চিকিৎসার মতো আনলিমিটেড খরচ নেই।
🔰 ব্যাথার ঔষধে কিডনি ড্যামেজ হবার আশংকা থাকে কিন্তু হিজামায় সেই আশংকা নেই।
🔰 সাধারণ ঔষধ নকল হবার আশংকা থাকে কিন্তু হিজামায় এজাতীয় কোনো আশংকা নেই।
🔰 সাধারণ ঔষধ প্রতিদিন ২/৩ বেলা খাওয়ার টাইম মেইনটেইন করতে হয় হিজামায় এজাতীয় কোনো ঝামেলা নেই।
🔰এন্টিবায়োটিক এর মতো নির্দিষ্ট কোনো কোর্স কমপ্লিট করার বাধ্যবাধকতা নেই।
🔰 আকুপাংচার, আকুপ্রেশার, কায়রোপ্যাথি ইত্যাদির মতো কাপিং থেরাপি একটি জনপ্রিয় ও প্রতিষ্ঠিত থেরাপি। এই কাপিং থেরাপির আরবি নাম হিজামা। আরব বিশ্বে হিজামা নামে আর ইউরোপ, আমেরিকা, চীন, রাশিয়ায় কাপিং থেরাপি নামে পরিচিত। এতে শরীর থেকে অসুস্থতার জন্য দায়ী রক্তরস, জীবানু বের করে দেয়া হয়।
🔰 হিজামা থেরাপি রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর সুন্নাহ। বিশ্বনবী (সাঃ) নিজে হিজামা নিয়েছেন, এবং উম্মাহকে নিতে বলেছেন।
🔰 হিজামা থেরাপি একটি প্রাচীন ও সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক চিকিৎসা পদ্ধতি।
📔হিজামা সংক্রান্ত কয়েকটি হাদিস:
🔸 মহানবী (সা.) বলেন: ‘জিব্রাইল (আ.) আমাকে জানিয়েছেন যে, মানুষ চিকিৎসার জন্য যত উপায় অবলম্বন করে, তার মধ্যে হিজামাই হলো সর্বোত্তম।’
(মুস্তাদরাকে হাকিম, হাদিস : ৭৪৭০)
🔸 রাসূল (সা.)বলেন: ‘আমি মেরাজের রাতে যাদের মাঝখান দিয়ে অতিক্রম করেছি, তাদের সবাই আমাকে বলেছে, ‘হে মুহাম্মদ, আপনি আপনার উম্মতকে হিজামার আদেশ করবেন’।’’ (তিরমিজি শরিফ, হাদিস : ২০৫৩)
🔸 হযরত জাবির (রাদি.) থেকে বর্ণিত : রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন: “নিশ্চয় হিজামায় শেফা রয়েছে।” (সহীহ মুসলিম, হাদীস : ২২০৫)
🌿 হিজামায় যেসব জটিল রোগের চিকিৎসা হয়-🔎
🔹উচ্চরক্তচাপ (High Blood Pressure)
🔹ঘুম জনিত সমস্যা (insomnia)
🔹যে কোন রকমের চর্মরোগ (Chronic Skin Diseases)
🔹জয়েন্টের ব্যথা (Gout Pain)
🔹বাতের ব্যথা (Arthritis)
🔹হাঁটু ব্যথা (Knee Pain)
🔹ঘাড়ে ব্যথা (Neck Pain)
🔹কোমড় ব্যথা (Waist Pain)
🔹ব্যথায় পায়ের পাতা ফেলতে সমস্যা
🔹মাংসপেশীর ব্যথা (muscles spasm)
🔹প্যারালাইসিস বা কোন অংগ অবশ হয়ে যাওয়া(Paralysis)
🔹ডায়াবেটিস (Diabetes)
🔹চুল পড়া (Hair fall)
🔹মাইগ্রেনের ব্যথা (Migraine)
🔹স্মৃতিহীনতা (Parkinson's disease)
🔹থাইরয়েডের সমস্যা (Thyroid Problem)
🔹সাইনুসাইটিস (Sinuses problem)
🔹ব্রণ (Acne)
🔹গ্যাস্ট্রিক সমস্যা ও যৌন রোগসহ নাম না জানা অনেক রোগ।
🔰 একজন সুস্থ মানুষও সুন্নাহ হিসেবে হিজামা করানোর মাধ্যমে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে নিতে পারেন।
👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇
🔰হিজামা সেন্টার ঈদগাঁও
📞 হিজামা সংক্রান্ত ফ্রি পরামর্শের জন্য কল করুন (ফোন/হোয়াট'স অ্যাপ): 01944-983264, 01615-062353
🥼 থেরাপিস্ট : হাফেজ মাওয়াজ বিন মনজুর (তামিম)
📍ঠিকানা: সেইফ ইসলামিয়া শপিং কমপ্লেক্স বাস স্টেশন, ঈদগাঁও, কক্সবাজার।
✅আমাদের হিজামা চার্জ-
✒প্রতি পয়েন্ট (শরীর) -১০০৳
✒প্রতি পয়েন্ট (মাথা ) -১৫০৳
★হোম সার্ভিস ফি-৫০০টাকা ( কক্সবাজার জেলাতে
✅ কতগুলো কাপ/পয়েন্ট লাগে?
-কাপ/পয়েন্ট নির্ধারণ করা হয়, রোগের প্রকোপ এবং বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী। যত বেশি সমস্যা তত বেশি কাপ/পয়েন্ট লাগে। কারো কোমর ব্যাথ, কারো কোমরের সাথে পিঠ ব্যাথা, কারো কোমর+পিঠ+হাটু+পায়ের মাংসপেশিতে ব্যাথা। তো বুঝতেই পারছেন একেক জনের একেক পরিমাণ কাপ লাগে। তবে সাধারণ সুন্নাহ পয়েন্ট ৯টা।
✅হিজামার পূর্ব প্রস্তুতি:
১. সকালে খালি পেটে নেওয়া উত্তম।
২. বিকেল, সন্ধ্যা, রাতে নিতে চাইলে ৩ ঘন্টা আগে থেকে খাওয়া, দাওয়া বন্ধ রাখবেন।
৩.হাই পেসার ,মাইগ্রেন, মাথাব্যথা , চুল পড়া, খুসকির জন্য চুল ফেলে হিজামা নিলে ভালো, না ফেলেও হিজামা করানোর মেশিন আছে আমাদের।
৪. দুই ঘন্টা আগে গোসল করলে ভালো, না করলেও সমস্যা নেই।
৫. হিজামা সেবা নিতে আসার এক দিন আগে অনুগ্রহ করে ফোনে বুকিং কন্ফার্ম করবেন
✅ আমাদের বৈশিষ্ট্য-
🔰 ১ বছরের অভিজ্ঞ সার্টিফাইড থেরাপিস্ট
🔰 সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যবিধিসম্মত প্রক্রিয়া ও পরিবেশে হিজামা