Doctor's Hijama: Cupping & Ruqyah Cumilla

Doctor's Hijama: Cupping & Ruqyah Cumilla A complementary therapy called Hijama, or wet cupping, needs tighter regulation, say experienced practitioners.
(1)

✅ হিজামা (কাপিং থেরাপি)
✅ রুকইয়াহ (জিন, জাদু, বদ নজর সংক্রান্ত চিকিৎসা)
✅ ফায়ার কাপিং, ফেসিয়াল কাপিং
✅ MBBS ডাক্তারের পরামর্শ সুবিধা
✅ ডায়েট এন্ড লাইফস্টাইল সাপোর্ট
✅ সুন্নতে খাৎনা(এনালগ/ কসমেটিক)


📞 01613 20 2727 Hijama is used to treat a wide range of conditions including migraines and hay fever and involves cutting the skin.

05/03/2026

সিহরে আক্রান্ত পেশেন্টরা তাহাজ্জুদ কে কাজে লাগান। এই সময় দু'য়া কবুল হয়। প্রব্লেম ধরে ধরে দু'য়া করেন।

রোজার দিনে রুকইয়ার ব্যাপারে ১০ টিপস…------------------রোজার মধ্যে সময় সুযোগ আর বরকতের জন্য অনেকেই রুকইয়াহ করেন। যেহেতু ব...
04/03/2026

রোজার দিনে রুকইয়ার ব্যাপারে ১০ টিপস…
------------------
রোজার মধ্যে সময় সুযোগ আর বরকতের জন্য অনেকেই রুকইয়াহ করেন। যেহেতু বড় বড় শয়তান এই সময় বন্দি থাকে, প্রতিদিন দোয়া কবুল হয় – তাই রুকইয়াহ করে উপকারও বেশি হয়। এই সময়ে কিছু টিপস খেয়াল রাখলে ইনশাআল্লাহ আমরা বেশি ফায়দা পাব…

১. তিলাওয়াত শোনার চেয়ে নিজে বেশি তিলাওয়াত করার চেষ্টা করুন।[1]
সুন্নাহ হিসেবে নিয়মিত তিলাওয়াত করে কোরআন খতম দেয়ার চেষ্টা তো করবেনই। এর বাইরে রুকইয়ার জন্য নির্দিষ্ট আয়াত বা সুরাগুলোও সময় নিয়ে পড়বেন।

২. রোজার শুরুর দিকে ভারি / কঠিন রুটিনের রুকইয়াহগুলো করার চেষ্টা করুন। যাতে শেষ দশকে দোয়া এবং ইবাদাতে বেশি সময় দিতে পারেন। তখন রুকইয়াহ কমিয়ে অল্প করলেও হয়ে যায়। সম্ভব হলে শুরুতেই ৭দিনের ডিটক্স রুকইয়াহ[2] করে ফেলুন। ডিটক্সের সাথে সাথে বেশি করে তিলাওয়াত। এরপর সহজ কোন নিয়ম শুরু করলেন।

৩. অন্য সময় রুকইয়ার পানি যেটা সকালে খেতেন, ওইটা সাহরির পরে খাবেন। আর রাতেরটা মাগরিব অথবা এশার পরে। ইনশাআল্লাহ যথেষ্ট হবে।

৪. অনেক বেশি বেশি দোয়া করুন। অনেক বেশি। প্রয়োজনীয় বিষয়ের জন্য বারবার দোয়া করতে থাকুন। দোয়ার পাশাপাশি এসময়ে দরুদ এবং ইস্তিগফারের পরিমাণ বাড়ানোও জরুরি। চাইতে থাকুন। কল্যাণ থাকলে অবশ্যই আল্লাহ্‌ দিয়ে দিবে।

৫. যাদের জটিল বা পূরানো শারিরীক রোগব্যাধি আছে, বাচ্চা শিশুর সমস্যা আছে।[3] তারাও এই সময়টাকে কাজে লাগাতে পারেন। অন্য যেকোনো সময়ের চাইতে এই মাসে কোরআনের প্রভাব বেশি দেখা যায়।

৬. যারা বিভিন্ন গুনাহের আসক্তিতে পড়েছেন। তাদের জন্য এই মাসে প্রবৃত্তিকে নিয়ন্ত্রণ করা বেশি জরুরী। পর্ণগ্রাফি এডিকশন থেকে মুক্তির জন্য বেশি বেশি সুরা নূর আর বাক্বারা তিলাওয়াত করা এবং শোনা উপকারী। এছাড়া “রুকইয়াহ যিনা” এর আয়াতগুলোও পড়া যায়।
চাইলে এসব তিলাওয়াতের পর পানিতে ফুঁ দিয়ে রাখতে পারেন। সন্ধ্যার পর এবং ভোরে কুপ্রবৃত্তি দমনের নিয়াতে, আসক্তি থেকে মুক্তির নিয়াতে পান করলেন।

৭. ওয়াসওয়াসা সমস্যা থাকলে সেটা তাড়ানোর জন্য প্ল্যান হাতে নিন। সমস্যা কম থাকলে ওয়াসওয়াসা সমস্যার প্রাথমিক পরামর্শগুলো ৭-৭দিন, আর বেশি থাকলে ওগুলোর পাশাপাশি প্রতিদিন সুরা বাকারা পুরাটা শুনবেন / পড়বেন। ইনশাআল্লাহ দুই সপ্তাহ পর বিরাট চেঞ্জ চলে আসবে।
(প্রয়োজনীয় লিংক শেষে যুক্ত করা হয়েছে)

৮. নিয়মিত দান-সাদকাহ দিতে চেষ্টা করুন। যাকাতের হিসাব থাকলে পরিশোধ করে ফেলুন। হাদিসে আছে, তোমাদের সম্পদের হিফাজত করো যাকাতের মাধ্যমে, আর রোগের চিকিৎসা করো সাদকার মাধ্যমে।

৯. সাধ্যের অতিরিক্ত চাপ নেবেন না। এমন কিছু করতে যাবেন না, যাতে কদিন পর বাকি সবকিছুর দম ফুরিয়ে যাওয়ার ভয় হয়। যতটুকু ইবাদত সাধ্যে কুলাবে, অল্প হলেও নিয়মিত করতে থাকুন।
রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ্‌ ত’আলার নিকট সবচেয়ে প্রিয় আমল হল স্থায়ী আমলগুলো, যদিও এর পরিমাণ অল্প হয়। (বুখারি)

১০. রুকইয়াহ করতে থাকলে রোজার মাস শেষ হওয়ার সাথে সাথেই বাদ দিয়ে দিবেন না। সুস্থতাকে স্থায়ী করতে দীর্ঘদিন রুকইয়াহ এবং সর্বদা হিফাজতের আমল চালিয়ে যান।[4]

বোনাস টিপস: রাতে বিছানায় শুয়ে সুবহানাল্লাহ ৩৩বার, আলহামদুলিল্লাহ ৩৩বার, আল্লাহু আকবার ৩৪বার পড়তে পারেন। তাহলে একেতো অনেকগুলো সওয়াব হবে, এরপর সারাদিনের বাকি কাজকর্ম সহজ হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।
আল্লাহ্‌ এই রমাযান মাস থেকে আমাদের সর্বোচ্চ উপকৃত হওয়ার তাওফিক দিন। সঠিকভাবে সবগুলো রোজা সমাপ্ত করার তাওফিক দিন। আমিন!
-------------
প্রয়োজনীয় লিংক:
[1] https://ruqyahbd.org/pdf
[2] https://ruqyahbd.org/blog/308/7-days-detox
[3] https://ruqyahbd.org/blog/927/self-ruqyah-guide-baby
[4] https://ruqyahbd.org/blog/387/protection-from-evils-magic-jinn

©Abdullah Al Mahmud
Ruqyah support bd

রুকইয়াহ বিষয়ক পিডিএফ ই-বুক, রুকইয়ার আয়াত, রুকইয়াহ শারইয়াহ, রুকইয়াহ পিডিএফ, রুকইয়াহ বই, রুকইয়ার কমন আয়াত, জিন হত্যার ...

03/03/2026

মৃত্যুর কারণ-
কোনো রোগ বা দূর্ঘটনা নয়,
জন্মই মৃত্যুর কারণ!

02/03/2026

পৃথিবীতে যা হচ্ছে তা হওয়ারই কথা ছিল, চূড়ান্ত বিজয় মুমিনদেরই।

পশ্চিমা দেশগুলোতেও যা*দু চলে রীতিমত। একজন স্কুবা ড্রাইভার লন্ডনের এক এলাকা থেকে পানির নিচে থেকে এই যা*দুর পুতুল উদ্ধার ক...
01/03/2026

পশ্চিমা দেশগুলোতেও যা*দু চলে রীতিমত। একজন স্কুবা ড্রাইভার লন্ডনের এক এলাকা থেকে পানির নিচে থেকে এই যা*দুর পুতুল উদ্ধার করে। দেখে বুঝাই যাচ্ছে এটা বশ করার যা*দু।
(সংগ্রহীত)

আমাদের দেশেও চলে এমন ব্যাপক জঘন্য কাজ। মানুষ দিনদিন যাদুটোনা, তান্ত্রিকে বিশ্বাসী হয়ে ঈমান নষ্ট করছে। ঘরে ঘরে শয়তানি শক্তির খেলা চলছে। আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে হেফাজত করুন।

28/02/2026

শুধু আল্লাহই চিরস্থায়ী।
আল্লাহ বাদে অন্য কিছুতে শান্তি যে খুঁজতে যাবে, সেই ধরা খাবে।

লিখে দিলাম।

 #পরিবারের বড় ছেলে শাহাদাৎ খান ফয়সাল রাহিমাহুল্লাহ-একটি ভাই আছে প্রতিবন্ধী আর একটি বোন আছে-ছোট বেলা থেকেই পরিবারের হাল ধ...
26/02/2026

#পরিবারের বড় ছেলে শাহাদাৎ খান ফয়সাল রাহিমাহুল্লাহ-একটি ভাই আছে প্রতিবন্ধী আর একটি বোন আছে-ছোট বেলা থেকেই পরিবারের হাল ধরেছিলেন...কাজের পাশাপাশি বই পড়তে খুব ই ভালোবাসতেন- তিনি ছিলেন প্রচন্ড মেধাবী আলোকিত জ্ঞানি প্রশ্নউত্তরে প্রথম হয়ে ৩ লক্ষ টাকা পুরুষ্কার পেয়েছিলেন-তার উস্তাদ ছিলেন শাইখ মুসলেহ উদ্দিন হাফিয্বাহুল্লাহ-সালাফি আহলে যুবসংঘঠন এর সভাপতি ছিলেন। ❤️

শাইখ মুসলেহ উদ্দিন হাফিযাহুল্লাহর সাথে কোনো কোনো সময় রাতে ওয়াজ শেষ করে বের হতেন-তখন শাইখ বলতেন আমার বাসায় থেকে যাও সকাল হলে যেও-তখন তিনি বলতেন শাইখ আপনি থাকেন আমি দেখি আশে পাশে কোনো মসজিদ আছে কি না-তাহলে সেখানে যিকির আজকার করতে করতে সালাত আদায় করতে করতে ফজর পড়ে বাসায় যাবো-
আবার তিনি বাসায় এসে ২ মুঠো খেয়েই আবার অফিসে চলে যেতেন একই ভাবে প্রায় ৮ বছর কত শত রাত যে তিনি ঘুমান নি-তার এক ফেইসবুক পোষ্ট এ তিনি বলেন-
দুনিয়া কাজের জায়গা আর জান্নাত বিশ্রামের জায়গা-প্রথমটি না করলে দ্বিতীয়টি পাওয়া যায় না..

পরিবার/পড়া/কাজের চাপে বিয়েও করতে পারেন নি-হয়তো তিনি জানতেন তিনি বেশিদিন বাচবেন না-একটা ফেইসবুক পোষ্টের মাধ্যমে তিনি জানিয়েছিলেন ইস যদি একটা বই একদিনে পড়ে ফেলতে পারতাম একটা বই একদিনে লিখে ফেলতে পারতাম-
বয়স যখন ৩৩ হটাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে কাশের সাথে র ক্ত বের হয়ে আসতো-অবশেষে আল্লাহ তাকে উঠিয়ে নিয়েছেন-

তার মৃত্যুর পর ১২০ বস্তা বই তার বাসা থেকে পেয়েছেন-প্রায় ২৫ হাজারের মতো বই ছিলো অবাক করার বিষয় হলো তার এই সবগুলো বইয়ের মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ লেখা গুলোতে দাগানো ছিলো/তিনি প্রত্যেক টা বই পড়েছেন-তিনি মুসলিম উম্মাহর জন্য কেধেছেন ভেবেছেন-অনেক গুলো বই লিখেছেন-এবং আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ বই লিখতেছিলেন সেগোলা অসম্পূর্ণ রয়ে গেলো-তার বই গুলো কিনে পড়ার চেষ্টা করবেন-বাচ্চাদের নিয়েও তিনি অনেক চিন্তা করতেন এবং বাচ্চাদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে বাচ্চাদের নিয়েও অনেক গুরুত্বপূর্ণ বই লিখে গেছেন সেগোলা কিনে আপনাদের বাচ্চাদের পড়াতে পারেন এবং শিখাতে পারেন-

অবশেষে যখন আল্লাহ উঠিয়ে নিলেন আমাদের সালাফি আলেমদের উদ্যেগে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা তার দারিদ্র্য পরিবারের মাঝে হস্তান্তর করা হয়-
আল্লাহ ভাইয়ের ভুল ক্রুটি ক্ষমা করে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুক আমিন। 🖤 رحمه الله

তার ভাই রবিউল তাকে বলেছিলেন ভাই আমি কি কোনোদিন আপনার মতো হতে পারবো-তখন তিনি বলেছিলেন আমার মতো কেনো হবে বরং আমার চেয়ে ভালো জ্ঞানি হওয়ার চেষ্টা করবে শাইখ মুসলেহ উদ্দিন হাফিযাহুল্লাহর মতো-

তার জানাযায় শাইখ মুসলেহ উদ্দিন হাফিয্বাহুল্লাহ কাধতে কাধতে বলেন আজ আমার ড|ন হাত কাট| গিয়েছে💔

তার লেকচার গুলো অন্তরে নাড়া দেওয়ার মতো ছিলো-মৃত্যুর ৫ দিন আগে একটা ফেইসবুক পোষ্ট করেছিলেন যেটা পুরো বাংলাদেশে ভাইরাল হয়েছিলো-

"মরীচিকা পৃথিবী" মিছে সব মায়া-কেউ কাউকে মনে রাখে না-মনে রাখে ততক্ষন যতক্ষন প্রয়োজন💔
جزاك الله خيرا

24/02/2026

সৌদি আরবে বসবাসকারী এক প্রবাসী বলছেন:

একদিন আমার কাফিল (স্পনসর) যাকাত বিতরণ করার সিদ্ধান্ত নিলেন। আমাকেও সঙ্গে নিলেন। গাড়িতে যাকাতের খাম রাখা ছিল, প্রত্যেক খামে পাঁচ হাজার রিয়াল ছিল। এটা ছিল পবিত্র রমজান মাস। আমরা দুজন উপকূলীয় এলাকার গ্রামের দিকে রওনা দিলাম, যেখানে দারিদ্র্য ও অভাবের বাস।

একটা গ্রাম থেকে বেরিয়ে জেদ্দা-জাজান মহাসড়কে এসে দূর থেকে এক অদ্ভুত দৃশ্য দেখা গেল। জ্বলন্ত রোদে এক বৃদ্ধ একা, খোলা মরুভূমির রাস্তায় হাঁটছেন। বয়স দেখে মনে হয় সত্তর বছর বা তার কিছু বেশি, কিন্তু শরীরে এখনও শক্তি অবশিষ্ট ছিল। বন্ধু বললেন: “এই বৃদ্ধ এই মরুভূমিতে কী অবস্থায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন?” ড্রাইভার বলল: “নিশ্চয়ই এ কোনো ইয়েমেনি, অবৈধ পথে এসেছে।”

গাড়ি থামানো হল, বৃদ্ধের কাছে গিয়ে সালাম দিলাম। জিজ্ঞাসা করলাম: “কোথা থেকে এসেছেন?” তিনি বললেন: “ইয়েমেন থেকে।” তারপর জিজ্ঞাসা করা হল: “কোথায় যাচ্ছেন?” উত্তর এল: “মক্কা মুকাররমায়, বাইতুল্লাহর দর্শন করতে, উমরাহ করতে।”

আমরা বললাম: “আইনি পথে এসেছেন?”

তিনি বললেন: “না, আমার কাছে এত সম্পদ কোথায়। প্রবেশের জন্য দুই হাজার রিয়াল জামানত দেওয়া বাধ্যতামূলক ছিল, আর আমার কাছে মোট দুইশ রিয়াল ছিল। একশ রিয়াল যানবাহনে খরচ হয়ে গেছে, একশ রিয়াল বাকি আছে। তারপর থেকে পায়ে হেঁটে চলছি।”

বন্ধু জিজ্ঞাসা করলেন: “কতদিন ধরে হাঁটছেন?”

তিনি বললেন: “ছয় দিন ধরে একটানা যাত্রায় আছি।”

তারপর জিজ্ঞাসা করা হল: “রোজা রেখেছেন?”

তিনি বললেন: “হ্যাঁ, রোজাদার।”

এটা শুনে আমরা সবাই অবাক হয়ে গেলাম। রোদ, ক্ষুধা, তৃষ্ণা, দীর্ঘ যাত্রা—তবুও রোজা! আমরা জিজ্ঞাসা করলাম: “এত চেকপয়েন্ট থেকে কীভাবে পার হয়ে গেলেন?”

বৃদ্ধ বললেন: “ওই রবের কসম যিনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, আমি প্রত্যেক চেকপয়েন্টের কাছ দিয়ে গেছি কিন্তু কেউ আমাকে থামায়নি।”

তিনি আরও বললেন: “কিছুক্ষণ আগে একটা দল আমাকে ধরে থানায় নিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু যখন আমি বললাম আমার উদ্দেশ্য শুধু বাইতুল্লাহর জিয়ারত, তখন তারা আমাকে ছেড়ে দিয়েছে।”

এটা শুনে আমাদের হৃদয় কেঁপে উঠল। সুবহানাল্লাহ! আল্লাহ নিজেই এই বান্দার জন্য রাস্তা সহজ করে দিয়েছেন। আমার কাফিল সাহেব অজান্তেই দুটো খাম বৃদ্ধের হাতে দিয়ে দিলেন। তিনি ধন্যবাদ জানালেন কিন্তু জানতেন না যে তাতে কত টাকা আছে। আমি বললাম: “খাম খুলে টাকা নিরাপদে রাখুন।” যখন তিনি খাম খুলে দেখলেন দশ হাজার রিয়াল, তখন অবাক ও বিস্ময়ে গাড়ির মধ্যে পড়ে গেলেন। চোখ থেকে অশ্রু ঝরতে লাগল আর জিভে শুধু এই কথা: “এসব আমার জন্য? এত বড় অঙ্ক সব আমার জন্য?”

আমরা তাকে সচেতন করতে পানি ছিটিয়ে দিলাম। হুঁশ ফিরে এলে তিনি বলতে লাগলেন: “ইয়েমেনে আমার একটা ছোট বাড়ি আছে। তার সঙ্গে একটা জমি ছিল যেটা আমি আল্লাহর নামে ওয়াকফ করে দিয়েছি। সেই জমিতে আমি ছেলেমেয়েদের সঙ্গে মিলে মসজিদ তৈরি করেছি। ভবন তৈরি হয়ে গেছে, কিন্তু মেঝে আর কিছু জিনিস বাকি আছে। আমি এই চিন্তায় ছিলাম যে টাকা কোথা থেকে আসবে। আজ আল্লাহ আপনাদের মাধ্যমে আমাকে তা দান করেছেন।”

এটা শুনে আমাদের চোখেও অশ্রু ঝরতে লাগল। তখন মনে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বাণী গুঞ্জরিত হল:

“যার উদ্দেশ্য আখিরাত হয়, আল্লাহ তার অন্তরে স্বচ্ছলতা দান করেন, তার কাজগুলোকে সংগঠিত করে দেন এবং দুনিয়া নিজেই তার কাছে মাথা নত করে আসে। আর যার চিন্তা শুধু দুনিয়া নিয়ে, আল্লাহ তার দারিদ্র্যকে তার চোখের সামনে রেখে দেন, তার কাজগুলোকে ছিন্নভিন্ন করে দেন এবং দুনিয়া থেকে তাকে তাই দেওয়া হয় যা তার ভাগ্যে লেখা।”

আমার কাফিল ইশারা করলেন আর আরও দুটো খাম বৃদ্ধকে দিয়ে দিলেন। এভাবে মোট টাকা হল বিশ হাজার রিয়াল। বৃদ্ধের চোখ থেকে অশ্রুর ঝর্ণা থামছিল না। তিনি একটানা দোয়া করতে থাকলেন আর বারবার বলতে থাকলেন: “আল্লাহ পাখির মতো আমার রিজিক পৌঁছে দিয়েছেন।”

সত্যিই সেই মুহূর্তে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাদিস মনে পড়ে গেল:

“যদি তোমরা আল্লাহর উপর তেমনি ভরসা কর যেমনটা করা উচিত, তাহলে আল্লাহ তোমাদেরকে তেমনি রিজিক দেবেন যেমন পাখিদের দেন সকালে খালি পেটে বের হয় আর সন্ধ্যায় ভরা পেটে ফিরে আসে।”

এই ঘটনা এটার জীবন্ত প্রমাণ যে, যে বান্দা খাঁটি মনে আল্লাহর দরজা আঁকড়ে ধরে, তার জন্য রাস্তাগুলো সহজ হয়ে যায়। এটা খাঁটি দিল থেকে বের হওয়া দোয়া ও তাওয়াক্কুলের শক্তির জ্বলজ্বলে প্রমাণ। আল্লাহ তাআলা আমাদেরকেও এই সম্পদ নসিব করুন।

Collected

গর্ভবতী নারীদের রুক্বইয়্যাহর বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল। কারণ এই সময়ে মা এবং গর্ভস্থ শিশু—উভয়ের সুরক্ষার প্রশ্ন জড়িয়ে...
24/02/2026

গর্ভবতী নারীদের রুক্বইয়্যাহর বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল। কারণ এই সময়ে মা এবং গর্ভস্থ শিশু—উভয়ের সুরক্ষার প্রশ্ন জড়িয়ে থাকে। আমরা এর ভালো-মন্দ নিচে পেশ করছি—

— গর্ভবতী নারীদের রুক্বইয়্যাহ করা অবশ্যই জায়েয। শুধু জায়েযই নয়, বরং গর্ভাবস্থায় মা ও শিশুর নিরাপত্তার জন্য রুক্বইয়্যাহ করা অত্যন্ত উপকারী।

— পবিত্র কুরআন বলা হয়েছে, “আমি কুরআনে নাযিল করি যা মুমিনদের জন্য আরোগ্য ও রহমত” (সূরা বনী ইসরাঈল, ১৭:৮২)। এখানে গর্ভবতী বা অন্য কারো জন্য কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই।

— জ্বিন শয়তান অনেক সময় গর্ভস্থ শিশুর ক্ষতি করতে চায়। রুক্বইয়্যাহ এই অনিষ্ট থেকে শিশুকে সুরক্ষা দেয়।

আমরা প্রতিবারই বলে এসেছি নিজের রুক্বইয়্যাহ নিজেই করা। তাই গর্ভবতী নারীরা নিজেরাই নিজেদের উপর রুক্বইয়্যাহ করবে। আর একান্ত অপারগ অবস্থায় রাক্বী তত্ত্বাবধানে রুক্বইয়্যাহ নিবে।

রাক্বী থেকে রুক্বইয়্যাহ নিলে কিছু সাবধানতা :

— শারীরিক চাপ প্রয়োগ নিষেধ : সাধারণ রুক্বইয়্যাহতে অনেক সময় রাক্বীরা শরীরে চাপ দেন বা জোরে মর্দন করেন। গর্ভাবস্থায় এটি পুরোপুরি নিষিদ্ধ। এতে ভ্রূণের ক্ষতি হতে পারে। (নারীদের শরীরে নারী রাক্বী বা সহযোগী হাত দিবে)

— রুগী যদি খুব মারাত্মক জ্বিনে আক্রান্ত হয় তাহলে তিলাওয়াতে তীব্র আযাবের আয়াত এড়িয়ে চলতে হবে। আমাদের উস্তায রাক্বী শায়খ হাবাশির মতে, যদি রুগীর শরীরে শক্তিশালী জ্বিন থাকে এবং রাক্বী খুব কঠোরভাবে আযাবের আয়াত পড়েন, তবে জ্বিনের ছটফটানি বা প্রতিক্রিয়ার কারণে জরায়ুতে চাপ পড়তে পারে। তাই গর্ভাবস্থায় রহমত, শিফা এবং হিফাযতের আয়াতগুলো বেশি পড়া উচিত।

— দীর্ঘক্ষণ রুক্বইয়্যাহ যাবে না। যাতে রুগীর শারিরীক কষ্ট হয়। এতে যেন গর্ভস্থ শিশুর ক্ষতি হতে পারে। এক্ষেত্রে রুগী যেন আরামদায়কভাবে বসে বা শুয়ে রুক্বইয়্যাহ তিলাওয়াত শোনে, যাতে তার শারীরিক ক্লান্তি না আসে।

গর্ভবতী নারী নিজেই রুক্বইয়্যাহ করলে :

— রুক্বইয়্যাহ করা পানি পান করবে এবং পেটে আলতোভাবে রুক্বইয়্যাহ করা অলিভ অয়েল মালিশ করা খুবই কার্যকর। এটি শিশুর ওপর জ্বিনের আক্রমণ প্রতিরোধ করে।

— সূরাহ বাক্বারার তিলাওয়াত : ঘরে নিয়মিত সূরাহ বাক্বারাহ পাঠ করা বা অডিও শোনা মা ও শিশু উভয়ের মানসিক প্রশান্তি ও নিরাপত্তার জন্য সেরা মাধ্যম।

— সকাল-সন্ধ্যার যিকির : এটি গর্ভাবস্থায় বাধ্যতামূলক। কারণ মায়ের সুরক্ষা বা হিফাযতের জন্য এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এতেকরে শিশুও নিরাপদ থাকবে।

— যাদু বা জ্বিনের কারণে গর্ভপাত রোধে
শায়খ আদিল আল-মুকবিল উল্লেখ করেছেন যে, অনেক যাদুকর ‘সিহরুল আরহাম’ (জরায়ুর যাদু) করে থাকে যাতে সন্তান নষ্ট হয়ে যায়।

এর প্রতিকার হলো :

এমতাবস্থায় রুগীকে নিয়মিত সূরাহ ফালাক্ব, সূরা নাস এবং আয়াতুল কুরসী পড়ে পেটে ফুঁ দিতে হবে। এটি আল্লাহর ইচ্ছায় যাদুর প্রভাব থেকে গর্ভস্থ সন্তানকে রক্ষা করে।
➖➖➖➖➖➖➖➖
🏥 ঝাউতলা, রবি/এয়ারটেল কাস্টমার কেয়ার বিল্ডিংয়ের লিফটের 5 তলা, পুরাতন গ্রামীণফোন সেন্টারের সামনে, কুমিল্লা।

📞 +8801613202727

🕘 প্রতিদিন সকাল ৯ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত খোলা।

23/02/2026

ইবনে তাইমিয়া (রহ.) বলেন:
যে রুকইয়াহ কুরআন, আল্লাহর নাম ও সহীহ দোআ দ্বারা করা হয়—তা বৈধ এবং এতে শিরকের কোনো স্থান নেই।

23/02/2026

আল্লাহপ্রেমী, কুরআনপ্রেমী মানুষের "বন্ধু" হয়ো।
ভাইয়ের চেয়েও আপন "ভাই" হয়ো।

দিনগুলো সব বদলে যাবে।
কারণ, আল্লাহ অন্তরকে বদলে দিবেন ইন-শা-আল্লাহ।

🚪 দরজার সামনে সন্দেহজনক কিছু দেখলে করণীয়যদি ঘর বা ফ্ল্যাটের দরজা খুলে দেখেন—দরজার সামনে পানি ঢালা আছে, তেল, পালক, পেরেক...
23/02/2026

🚪 দরজার সামনে সন্দেহজনক কিছু দেখলে করণীয়
যদি ঘর বা ফ্ল্যাটের দরজা খুলে দেখেন—

দরজার সামনে পানি ঢালা আছে, তেল, পালক, পেরেক, রক্ত, গুঁড়া, বালি বা কোনো অচেনা/অস্বাভাবিক জিনিস রাখা আছে, তাহলে নিচের নির্দেশনাগুলো অনুসরণ করুন:
🔹 প্রথম করণীয়
আপনি যদি বাড়ির বাইরে থাকেন → ভেতরে প্রবেশ করবেন না।
আপনি যদি বাড়ির ভেতরে থাকেন → বাইরে বের হবেন না।
উচ্চস্বরে তাকবীর (আল্লাহু আকবার) বলুন।
কাউকে গালি দেবেন না।
কোনো সৃষ্টির প্রতি কটু কথা বা শারীরিক/মৌখিক আক্রমণ করবেন না।
বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে আল্লাহর ওপর সোপর্দ করুন (তাওয়াক্কুল করুন)।
💧 এরপর যা করবেন
১️⃣ একটি পাত্রে পরিষ্কার পানি নিন।
২️⃣ সেই পানির ওপর নিচের আয়াত ও দোয়াগুলো পড়ুন:
📖 সূরা ইউনুস — আয়াত ৮১
﴿قَالَ مُوسَىٰ مَا جِئْتُم بِهِ السِّحْرُ ۖ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ ۖ إِنَّ اللَّهَ لَا يُصْلِحُ عَمَلَ الْمُفْسِدِينَ﴾
বাংলা অনুবাদ:
মূসা (আ.) বললেন, “তোমরা যা নিয়ে এসেছ, তা তো যাদু। নিশ্চয়ই আল্লাহ অচিরেই তা বাতিল করে দেবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ ফাসাদকারীদের কাজ সফল করেন না।”
🔁 পড়ার সংখ্যা: ৭ বার
📖 সূরা আল-ফুরকান — আয়াত ২৩
﴿وَقَدِمْنَا إِلَىٰ مَا عَمِلُوا مِنْ عَمَلٍ فَجَعَلْنَاهُ هَبَاءً مَّنثُورًا﴾
বাংলা অনুবাদ:
আর তারা যে সমস্ত কাজ করেছে, আমরা সেগুলোর দিকে অগ্রসর হব এবং সেগুলোকে উড়ন্ত ধূলিকণার মতো করে দেব।
🔁 পড়ার সংখ্যা: ৭ বার
📿 অন্যান্য আমল (প্রতিটি ৭ বার)
আয়াতুল কুরসি
সূরা ফালাক
সূরা নাস
দরুদে ইব্রাহিম
🧹 পরিষ্কার করার পদ্ধতি
প্রথমে দূর থেকে সেই জিনিসগুলোর ওপর পড়া পানি ঢালুন।
তারপর মপ/ঝাড়ু দিয়ে পরিষ্কার করে দরজার সামনে থেকে সরিয়ে ফেলুন।
📌 গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ
ঘরে ঢোকা ও বের হওয়ার সময় দরজার সামনে/চৌকাঠ খেয়াল রাখুন।
প্রতিদিনের যিকির বজায় রাখুন।
ঘরে প্রবেশ ও বের হওয়ার দোয়া পড়ুন।
নিয়মিত সালাত আদায় করুন এবং কোরআন তিলাওয়াত করুন।
🤲 দোয়া
আল্লাহ আমাদের সবাইকে মানুষ ও জিনের শয়তান থেকে হেফাজত করুন।
আল্লাহই সর্বাধিক জ্ঞানী।
হে আল্লাহ, আপনি আমাদের সকলকে সঠিক বুঝার তৌফিক দিন এবং সুস্থ শরীরে আপনার ইবাদত-বন্দেগি করার তৌফিক দান করুন। আমিন।

Address

ঝাউতলা, রবি/এয়ারটেল কাস্টমার কেয়ার বিল্ডিংয়ের লিফটের 5 তলা, কুমিল্লা।
Cumilla
3500

Opening Hours

Monday 09:00 - 21:00
Tuesday 09:00 - 21:00
Wednesday 09:00 - 21:00
Thursday 09:00 - 21:00
Friday 09:00 - 11:30
15:00 - 22:00
Saturday 09:00 - 21:00
Sunday 09:00 - 21:00

Telephone

+8801613202727

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Doctor's Hijama: Cupping & Ruqyah Cumilla posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Doctor's Hijama: Cupping & Ruqyah Cumilla:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram