Ahsan Habib Dental Care.

Ahsan Habib Dental Care. প্রতিদিন দুই বেলা দাঁত ব্রাশ করবেন রাতে ঘুমানোর এবং আগে সকালে নাস্তার পরে।

 #বি. #ডি. #এস নয়তো,  #ডেন্টিস্ট নয়।
29/04/2025

#বি. #ডি. #এস নয়তো, #ডেন্টিস্ট নয়।

24/08/2023
29/10/2022

প্রশ্ন : ফিলিং করার ক্ষেত্রে অনেকে এসে বলে আমি লেজার ফিলিং করতে চাই। এই বিষয়টি কী?
উত্তর : আসলে ফিলিং এর বিষয় আমরা আলট্রাভায়োলেট রশ্মি দিয়ে ফিলিং করি। এলইডিএ এখন চলে আসছে। আমরা একটি আলো দিতাম, আলট্রাভায়োলেট আলো, দিলে ফিলিংয়ের উপাদানটা তখনই শক্ত হয়ে যেত। এখন আরো শক্ত হয়। এখন আট সেকেন্ডের মধ্যে আলোটা দিলে ফিলিংটা সঙ্গে সঙ্গে শক্ত হয়ে যাচ্ছে। এলইডি লাইট চলে আসছে। দিন দিন উন্নত হচ্ছে। তবে মেশিন বিক্রির ক্ষেত্রে বিক্রেতাদের বলে দেওয়া দরকার যে কতবার এটি দিয়ে ফিলিং করা যাবে। দেখা যায়, কোনো একটি পর্যায়ে হয়তো নিরাময় হয় না, কিন্তু শক্ত হয়ে যায়। এমন যেন না হয় যে রোগী অভিযোগ নিয়ে আসে আপনার ফিলিংটা উঠে গেছে। আসলে ফিলিংটা পরীক্ষা করার একটি যন্ত্রপাতি রয়েছে।

প্রশ্ন : যাঁরা দাঁতের ফিলিং করে থাকেন, সাধারণত তাঁরা বলে থাকেন, এটি কত বছর টিকবে। কী বলে থাকেন এই ক্ষেত্রে?
উত্তর : আসলে এটি খুবই মজার বিষয়। আমি মনে করি, তিন থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে প্রত্যেকটি ফিলিং পরিবর্তন করে নেওয়া ভালো। আর যেহেতু অগ্রবর্তী চিকিৎসা আসছে, কেন আমি তাকে এ অবস্থায় রাখব।
প্রশ্ন : ফিলিংয়ের পরে কেউ কেউ অভিযোগ করে দাঁত শিরশির করছে। এটি দূর করার জন্য আপনার পরামর্শ কী?
উত্তর : উপাদানের কিছু বিষয় রয়েছে। অনেক অনেক উপাদান রয়েছে, যেগুলোতে একটি স্পর্শকাতরতা তৈরি হয়। আমরা দেখেছি পেস্ট ধরনের কিছু কম্পোজিট ফিলিং রয়েছে, যেগুলো স্পর্শকাতর হয়। তবে যদি ক্ষয়টা খুব গভীর হয়ে যায়, সেকেন্ড লেয়ারে চলে যায়, তখন দেখা যায়, তার সঠিক ফিলিং যদি না হয়ে থাকে, যেমন আমরা লাইনিং দিই, যদি এটি ঠিকমতো না হয়, সে ক্ষেত্রে বিষয়টি স্পর্শকাতর হয়। যদি আমরা উপাদানটা পরিবর্তন করে দিই, দেখা গেল, তার স্পর্শকাতরতা নেই। এরপরও যদি শিরশির অনুভূতি না যায়, আমরা যদি দেখি সাধারণ ফিলিং দিয়ে আর রাখতে পারছি না; কারণ রোগীকে তো আর কষ্ট দেওয়া যাবে না, আস্তে আস্তে দেখা যায় ব্যথায় পরিবর্তন হয়, তখন বিকল্প হিসেবে আমরা রুট ক্যানেল করতে পারি

 #আক্কেল  #দাঁত  #ওঠা  #মানেই  #আক্কেল  #হওয়া। #বিষয়টি  #কিন্তু  #ঠিক  #নয়। #আক্কেল  #দাঁত আসলে কী? #কেনই বা এই দাঁত ওঠা...
28/10/2022

#আক্কেল #দাঁত #ওঠা #মানেই #আক্কেল #হওয়া। #বিষয়টি #কিন্তু #ঠিক #নয়।
#আক্কেল #দাঁত আসলে কী? #কেনই বা এই দাঁত ওঠার সময় এতো #ব্যথা হয়? #প্রচণ্ড #ব্যথা হলে করণীয়?
আক্কেল দাঁত ওঠার অভিজ্ঞতা সবারই জানা। প্রচণ্ড ব্যথা সহ্য করতে হয় এই দাঁত উঠলে। কয়েকদিন পর্যন্ত ব্যথা থাকে। সেইসঙ্গে খাবার চিবানোসহ গিলতে গেলেও প্রচণ্ড কষ্ট হয়।অনেক সময় আক্কেল দাঁত ওঠার বথা সহ্য করতে না পেরে ব্যথানাশক ওষুধ খেতে হয়। এ ছাড়াও অসহ্য যন্ত্রণা হলে সার্জারি পর্যন্তও করতে হয় অনেকের ক্ষেত্রে।
#আক্কেল #দাঁত আসলে কীঃ
মুখের একদম শেষ মাথায় ওপরে ও নীচে দুইপাশের মোট ৪টি দাঁতকে বলা হয় আক্কেল দাঁত। সাধারণত ১৮-২৫ বছররের মধ্যে যেকোনো সময় আক্কেল দাঁত ওঠে। মুখে ৩২টি দাঁত ধরার জায়গা না থাকলে আক্কেল দাঁত ওঠার সময় প্রচণ্ড ব্যথা হয়।কারণ দাঁত বেরিয়ে আসার জায়গা পায় না। অনেক সময় অপারেশন করে ওই দাঁতের জন্য জায়গা করে দিতে হয়।আক্কেল দাঁত ওঠার সঙ্গে সঙ্গে প্রথমত প্রচণ্ড ব্যথা হয়। সেখানকার মাড়িটা ফুলে যায়।এই ফোলাভাব এতো মারাত্মক হয় যে, মুখের ভেতরসহ গালে ও গলার দিকেও ফুলে ওঠে। রোগী হয়তো অনেক সময় দ্বিধায় পড়ে যায় টনসিলের ব্যথা বা মামস হয়েছে ভেবে। আক্কেল দাঁতের জন্য যে গলা, মুখ ফুলে যেতে পারে, এ বিষয়ে আমাদের ধারণা কম।

আক্কেল দাঁত ওঠার সময় যদি বারবার ব্যথা হয়, আবার কমে যায়-এতে অনেকেই একে এড়িয়ে যান। ভাবেন এটি সাধারণ বিষয়। তবে জানেন কি, দাঁতটি যেহেতু একটি হাড়ের মধ্যে আছে, সেই সংক্রমণ বাড়তে বাড়তে হাড়টি ক্ষয় হয়ে গলার দিকে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

#আক্কেল #দাঁতের #ব্যথা #কমানোর #ঘরোয়া #উপায়-

>> লবণ পানিতে কুলকুচি করুন। দাঁত ব্যথা কমাতে লবণ পানি দিয়ে কুলি করা উপকারী। হালকা গরম পানিতে লবন (সোডিয়াম ক্লোরাইড) মিশিয়েও কুলি করতে পারেন। এটি ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াগুলো মেরে ফেলে এবং মাড়িকে সুস্থ রাখে।কখনও কখনও আক্কেল দাঁতের কারণে, অন্য দাঁতে ব্যথা শুরু হয় বা সিস্ট হয়। লবণ পানিতে ধুয়ে ফেললে ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। দাঁত, মাড়ি, গলায় ব্যথা কমাতে খুব ভালো কাজ করে লবণ গরম জল। এক গ্লাস গরম পানিতে এক চা চামচ লবণ মিশিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। এতে যেকোনো ইনফেকশন সেরে যাবে।

>> পিপারমিন্ট পাতায় উপস্থিত থাকে, যা ব্যথা এবং প্রদাহ দূর করতে সহায়তা করে। পিপারমিন্টের নির্যাসে এক টুকরো তুলো ডুবিয়ে মাড়িতে লাগান। পিপারমিন্ট চাও খুব ভালো।

>> ক্লোভ অয়েলে অ্যানালজেসিক বৈশিষ্ট্য আছে, যা দাঁতের ব্যথা উপশম করে। এটি ব্যাকটেরিয়ার সঙ্গে লড়াই করতে সহায়তা করে এবং সংক্রমণের ঝুঁকি দূর করে। ব্যথা উপশম করতে লবঙ্গ তেল বা ছয়টি লবঙ্গের কুঁড়ি পানি ফোটান এবং মাড়িতে ম্যাসাজ করুন। এতে ব্যথা থেকে মুক্তি মিলবে।

>> অ্যালোভেরা আক্কেল দাঁত ও আশেপাশের দাঁতে ব্যথা হলে সহজে উপশম পাওয়া যায়। দাঁতের ফোলাভাব দূর করে। দাঁতের গোড়ায় অ্যালোভেরা জেল লাগাতে পারেন। এটি সেই অংশটি শীতল রাখে এবং ব্যথা হ্রাস করে।

এসব ভূয়া ডাক্তারদের থেকে দূরে থাকি।।।।বি.ডি এস নয় তো ডেন্টাল ডাক্তার  নয়।।একমাত্র বি. ডি এস ই ডেন্টাল ডাক্তার।।।
20/10/2022

এসব ভূয়া ডাক্তারদের থেকে দূরে থাকি।।।।বি.ডি এস নয় তো ডেন্টাল ডাক্তার নয়।।একমাত্র বি. ডি এস ই ডেন্টাল ডাক্তার।।।

 #ডেন্টাল  #ব্রিজ কী এবং  #কীভাবে তারা  #কাজ করে?একটি ব্রিজ গঠিত হয় দুটি ফাঁকের প্রতিটি পাশে দাঁতগুলির জন্য দুই, তিন বা...
07/08/2022

#ডেন্টাল #ব্রিজ কী এবং #কীভাবে তারা #কাজ করে?
একটি ব্রিজ গঠিত হয় দুটি ফাঁকের প্রতিটি পাশে দাঁতগুলির জন্য দুই, তিন বা ততোধিক মুকুট (মাঝখানে দাঁত হিসাবে পরিচিত) এবং মাঝখানে একটি মিথ্যা দাঁত বা দাঁত পন্টিকস হ'ল নকল দাঁত যা সোনার, অ্যালো, চীনামাটির বাসন বা এই উপকরণগুলির মিশ্রণ দিয়ে তৈরি। প্রাকৃতিক দাঁত বা দাঁত রোপন দাঁতের সেতুগুলিতে সহায়তা করে।আপনার দাঁত অনুপস্থিত থাকলে কয়েকটি রয়েছে দাঁত প্রতিস্থাপনের জন্য বিকল্প এবং আপনার হাসি পুনরুদ্ধার,এটি মূলত একটি নকল দাঁত যা প্রতিবেশী প্রতিটি দাঁতে সংযুক্ত থাকে। আপনাকে এটিকে প্রতিস্থাপন করতে হবে না কারণ এটি স্থানে তালাবদ্ধ রয়েছে অর্থাত্ এটি একটি স্থায়ী দাঁতের চিকিৎসা।

 #দাঁতে  #ক্যাপ  #লাগিয়েছেন?ডেন্টাল ক্রাউন বা ক্যাপ সম্পর্কে আমাদের কিছুটা ধারণা হয়তো রয়েছে। ত্রুটিপূর্ণ দাঁতকে তার স্বা...
31/07/2022

#দাঁতে #ক্যাপ #লাগিয়েছেন?
ডেন্টাল ক্রাউন বা ক্যাপ সম্পর্কে আমাদের কিছুটা ধারণা হয়তো রয়েছে। ত্রুটিপূর্ণ দাঁতকে তার স্বাভাবিক কার্যক্রমে রাখার জন্য চিকিৎসকরা ক্যাপ ব্যবহারের পরামর্শ দেন।

#সাধারণত দাঁতে প্রদাহজনিত রোগ হলে সেই দাঁতে রুট ক্যানেল করার পর দাঁতটি যেন স্বাভাবিক থাকে এবং পুনরায় যেন ভেঙে না যায়, সে জন্য দাঁতটিতে ক্যাপ লাগানো অপরিহার্য হয়ে পড়ে। এ ছাড়া বিভিন্ন আঘাতের কারণে দাঁত ভেঙে গেলে বা ফেটে গেলে অথবা দাঁতের রং কালো হয়ে গেলে ক্যাপ লাগানো জরুরি হয়ে পড়ে।

ক্যাপের রং দাঁতের রঙের সঙ্গে মিল থাকার কারণে মুখের সৌন্দর্য অটুট থাকে। এই কারণেই বাংলাদেশসহ অনেক দেশেই এটি বেশ জনপ্রিয়। তবে এই ক্যাপ লাগানোর প্রক্রিয়া এতটা সোজা নয়। বেশির ভাগ সময়ই ক্যাপ লাগানোর পর বিভিন্ন জটিলতা দেখা দেয়। এর মধ্যে ব্যথা সাধারণ অভিযোগ। রুট ক্যানেল সঠিকভাবে সম্পন্ন না হওয়া এর অন্যতম কারণ হিসেবে মনে করা হয়।

ক্যাপ দাঁতটিকে কেটে সেপ করার সময় অসচেতন বা অনিচ্ছাকৃতভাবে পাশের দাঁতের আঘাত পায়, এই জন্য দাঁত দুটিতে শিরশির অনুভূতি হতে পারে। অনেক সময় এখান থেকে ডেন্টাল ক্যারিজ এবং পরে দাঁতে প্রদাহজনিত রোগ হতে পারে। অনেক সময় দাঁতকে এমনভাবে কাটা হয় যে সেটি নষ্ট হয়ে যায়। আবার ক্যাপটি লাগানোর জন্য যে উপাদান ব্যবহার করা হয়, তার মৌলিক গুণ কোনো কারণে নষ্ট হলে খুব সহজেই ক্যাপটি দাঁত থেকে খুলে যায়।

দাঁতের ক্যাপটি ধাতব পদার্থ দিয়ে তৈরি হয়। এতে পাশের দাঁতটিতে খাবার জমে থাকার প্রবণতা থাকে, সেখান থেকে দাঁত ও মাড়ির রোগ হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে। অনেক সময় ক্যাপ লাগানো দাঁত মাড়ি থেকে সরে গিয়ে ধীরে ধীরে দাঁতের গোড়া বেড় হতে থাকে। এতে দাঁতের গোড়ার শক্তি কমে যায়। এক সময় দাঁতটি নড়তে থাকে এবং পড়ে যায়।

আধুনিক ক্যাপের উপরিভাগ পোরসেলিন দিয়ে তৈরি করা হয়। এটি দাঁতের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে করা হয়। যদি কোনো কারণে সেটি ত্রুটিযুক্ত হয়, তাহলে ক্যাপের উপরিভাগটি আস্তে আস্তে ফেটে যেতে থাকে এবং ফাটা অংশটি ধারালো হওয়ার কারণে জিহ্বা বা মুখের ভেতরের অংশ আঘাতপ্রাপ্ত হতে পারে। এ থেকে আলসার হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

#সতর্কতা ও #পরিচর্যাঃ

দাঁতে ক্যাপ লাগানোর পর ওই দাঁতের বিশেষ যত্ন নিন। দাঁত ব্রাশের সময় মাড়ি ম্যাসাজ করুন। এতে মাড়ি ভালো থাকবে, দাঁতের গোড়া ভালো থাকবে। দুই দাঁতের মাঝখানে ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহার করুন। এতে দাঁতের মাঝখানে খাবার কম জমবে, ডেন্টাল ক্যারিস, দাঁত বা মাড়ির প্রদাহজনিত রোগ কম হবে।

প্রতিদিন একবার লবণ গরম পানি দিয়ে কুলি করুন। এতে খাবারের অবশিষ্ট কণা বের হয়ে যাবে, দাঁত ও মাড়ির রোগ অনেক কম হবে। ক্যাপ যদি কোনো কারণে খুলে যায়, আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। ক্যাপটি যত্ন করে রাখুন। কারণ, পুনরায় সেটি ব্যবহার সম্ভব। সমস্যা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

কোরবানির ঈদে মজার মাংস আর হাড় চিবিয়ে খেতে কার না ইচ্ছে হচ্ছে ? 😋 কিন্তু একটু অসতর্কতার কারণে দাঁতে সংক্রমণ হতে পারে। 🚨📌স...
12/07/2022

কোরবানির ঈদে মজার মাংস আর হাড় চিবিয়ে খেতে কার না ইচ্ছে হচ্ছে ? 😋 কিন্তু একটু অসতর্কতার কারণে দাঁতে সংক্রমণ হতে পারে। 🚨

📌সাধারণত সুস্থ ও মজবুত দাঁত মাংস ও হাড় খাওয়ার পর দাঁতে চাপ সহ্য করতে পারে, তবে অবশ্যই এর একটা সীমা আছে। যে দাঁতে বড় গর্ত আছে, বড় ফিলিং করা দাঁত, রুটক্যানেল করা দাঁত দিয়ে মাংস হাড় না খাওয়াই ভালো। টুকরো হাড়ের অসাবধানতাবশত কামরে ভেঙে যেতে পারে মূল্যবান দাঁত। 🦷

👉 এছাড়াও এই সময়ে অনেকেই দাঁতের ফাঁকে মাংস আটকে মাড়িতে প্রদাহজনিত সমস্যায় পড়েন। বিশেষ করে যাদের দাঁত ফাঁকা থাকে এবং দাঁত ফেলে দিয়ে সেখানে কৃত্রিম দাঁত সংযোজন না করলে, মাংসের আশ সহজেই দাঁতের ফাঁকে ঢুকে যায়, আর একে সঠিক পদ্ধতিতে বের না করলে দ্রুত সেখানে সংক্রমণ হয়।

🦷 দাঁত শরীরের অন্যতম শক্ত ও মজবুত অঙ্গ হলেও কোনো কোনো পরিস্থিতিতে তা ভেঙে যেতে পারে। দাঁত ভাঙলে অসহনীয় ব্যথার পাশাপাশি সংক্রমণের ঝুঁকিও থাকে। এ ছাড়া ভবিষ্যতে এই ভাঙা দাঁতের স্থায়ীত্ব নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। নানা কারণেই দাঁত ভাঙতে পারে:

সড়ক দুর্ঘটনা বা অন্য কোনো দুর্ঘটনা, খেলাধুলায় আঘাতে কিংবা পড়ে গিয়ে দাঁত ভাঙতে পারে।

শক্ত খাবার যেমন হাড়, শক্ত ক্যান্ডি কিংবা শক্ত কিছু কামড়াতে গিয়ে দাঁত ভাঙতে পারে। ছোটখাটো দানা, বিচি, যেমন শুকনা মরিচের বিচি, পেয়ারার বিচিতে কামড় লেগেও দাঁত ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

দাঁতের ক্ষয়রোগেও এ অবস্থা হতে পারে।

দীর্ঘদিন মেডিকেটেড টুথপেস্ট বা একই টুথপেস্ট ব্যবহারের কারণেও দাঁত ভাঙতে পারে।

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে, বিশেষত বয়স পঞ্চাশের পর অনেকেরই দাঁতে ফাটল ধরে।

অনেক সময় দাঁত এমনভাবে ভাঙে যে বোঝাও যায় না। দাঁতে ক্ষয় না থাকলে কোনো কিছু কামড় দিয়ে ব্যথা লাগলে কিংবা ঠান্ডা বা গরমের অনুভুতি বেশি হলে, বুঝতে হবে দাঁত ভেঙেছে বা ফাটল ধরেছে। দাঁত ভাঙার ধরনেও রয়েছে ভিন্নতা:

● দাঁতের এনামেলে (বাইরের শক্ত আবরণ) ছোট ফাটল দেখা দিতে পারে। এতে কোনো ব্যথা হয় না, চিকিৎসারও প্রয়োজন নেই।

● মাড়ির উপরিভাগে দৃশ্যমান দাঁতের অংশ বা দাঁতের ফিলিংয়ের অংশজুড়ে ভেঙে যেতে পারে। এতেও খুব একটা ব্যথা হয় না।

● দাঁতের উপরিভাগ থেকে মাড়ি পর্যন্ত এ ফাটল দেখা যায় বা ভেঙে যায়। এভাবে ভাঙলে দাঁত শিরশির করে। ব্যথাও হতে পারে। এ ক্ষেত্রে চিকিৎসার মাধ্যমে দাঁতটি রক্ষা করা যায়।

● মাড়ির নিচে দাঁত ভাঙলে বা ফাটল ধরলে সংক্রমণ না হওয়া পর্যন্ত খুব একটা বোঝা যায় না। এ ক্ষেত্রে দাঁত তুলে ফেলতে হয়।

● অনেক সময় উপরিভাগ থেকে মাড়ির নিচ পর্যন্ত দাঁত ভেঙে যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে পুরো দাঁত না ফেলে একটি অংশ রেখে দেওয়া যায়।

দাঁত ভাঙার ধরন অনুযায়ী চিকিৎসা ভিন্ন। এর মধ্যে অন্যতম কয়েকটি হলো:

১. ভেঙে যাওয়া অংশ আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে ক্রাউন পদ্ধতি কার্যকর। মেটাল, পোরসেলিন, সিরামিকের তৈরি ক্রাউনে দাঁত আগের মতোই আকার, রং, চেহারা ফিরে পায়।

২. সামনের দিকের আংশিক ভাঙা দাঁতে ভেনিয়ার বা কম্পোজিট রেজিনের ব্যবহার একটি আধুনিক চিকিৎসা।

৩. ভেঙে যাওয়া দাঁতটি রক্ষা করা না গেলে একটি আধুনিক ও স্থায়ী সমাধান হতে পারে ডেন্টাল ইমপ্লান্ট।

৪. দাঁত ভাঙার পর পাল্প টিস্যুতে সংক্রমণ হতে পারে।

৫. ভাঙা দাঁতে কোনো ব্যথা না থাকলে ফিলিং একটি নিরাপদ পদ্ধতি।

সবচেয়ে বড় কথা, দাঁত ভেঙে গেলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। নয়তো এই ভাঙা অংশগুলো থেকে জিহ্বা বা ঠোঁট কেটে যেতে পারে। ভাঙা দাঁত দিয়ে চিবানো বা কামড়ানো থেকে বিরত থাকতে হবে। কুসুম গরম পানিতে লবণ দিয়ে কুলকুচি করে পরিষ্কার রাখতে হবে।

সবাইকে পবিত্র মাহে রমজানের শুভেচ্ছা।রোজা রাখা অবস্থায় কারো কারো ক্ষেত্রে দাঁতের চিকিৎসা করানো জরুরি হয়ে পড়তে পারে। রো...
04/04/2022

সবাইকে পবিত্র মাহে রমজানের শুভেচ্ছা।
রোজা রাখা অবস্থায় কারো কারো ক্ষেত্রে দাঁতের চিকিৎসা করানো জরুরি হয়ে পড়তে পারে। রোজা রাখা অবস্থায় দাঁতের চিকিৎসা করাতে গিয়ে অনেকেই দ্বিধায় পড়ে যান।পবিত্র রমজান মাসে আমাদের খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন হয়। দাঁত ব্রাশের সময়টাও পরিবর্তন হয়। সাহ্‌রির পর অবশ্যই দাঁত ব্রাশ করতে হবে। তেমনি ইফতারের পরও একবার দাঁত ব্রাশ করে নেওয়া ভালো। ইফতার বা সাহ্‌রির সময় যখনই মিষ্টি খাবার যেমন জিলাপি, রসগোল্লা বা রসমালাই খাবেন, তখন অবশ্যই দাঁত ব্রাশ করে নেওয়া উচিত। শর্করাজাতীয় উপাদান দাঁতের এনামেলকে ক্ষয় করতে পারে।
১.অ্যাসিডিটি বা গ্যাস্ট্রিকের জন্য মুখে দুর্গন্ধ হতে পারে। এ ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ খেতে পারেন। ইফতারের ভাজাপোড়া খাবারের সঙ্গে অনেকেই পেঁয়াজ, রসুন ইত্যাদি খান। তাঁদের খাবারের অভ্যাস পরিবর্তন করতে হবে এবং টাটকা ফলমূল, সালাদ জাতীয় খাবারের অভ্যাস করতে হবে। পেঁয়াজ, রসুন খেলেও সঙ্গে সঙ্গে দাঁত ব্রাশ করলে ভালো হয়।

২. সাহ্‌রির পর কুলিকুচি করে নিয়ে ডেন্টাল ফ্লসের সাহায্যে প্রতিটি দাঁতের মধ্যবর্তী অংশ থেকে সূক্ষ্ম খাদ্যকণা বের করে আনুন।
ক্লোরহেক্সিডিন জাতীয় মাউথওয়াশ ব্যবহার করে (২ চামচ ৩০ সেকেন্ড সময় মুখের ভেতর রেখে ফেলে দেওয়া) কুলিকুচি করতে পারেন। টাং স্ক্রাবার ব্যবহার করুন।

ফ্লোরাইডযুক্ত টুথপেস্ট দিয়ে ৩-৪ মিনিট ধরে সব পাটির দাঁতকে পরিষ্কার করে ধুয়ে ফেলুন।

৩. এই সময় দাঁত ব্রাশের নিয়ম ঠিকমতো না মানার ফলে খাবার জমে মাড়িতে প্রদাহ সৃষ্টি হয়।

ভিটামিন-স্বল্পতার কারণেও (বিশেষত ভিটামিন সি) মাড়ি থেকে রক্তপাত হয়। ইফতারিতে প্রচুর ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার যেমন লেবুর শরবত, জাম্বুরা, কমলালেবু, কামরাঙা, আমড়া, মাল্টা, আমলকী, আনারস, সেই সঙ্গে সালাদ যেমন গাজর, শসা, টমেটো, লেটুস পাতা ইত্যাদির সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে খাওয়া ভালো।
#রোজা রেখে #দাঁত তোলা যাবে। #দাঁতের কনজারভেটিভ ফিলিং করা যাবে বা #ড্রিল ব্যবহার করা যাবে। এছাড়া #দাঁত #পরিষ্কার করার সময় #অসাবধানতাবশত কিছু গিলে ফেললে #রোজা নষ্ট হবে না।

#রোজায় অন্যান্য #চিকিৎসা:
১. রোজা অবস্থায় ইনহেলার, নাকের স্প্রে ব্যবহার করা যাবে।
২. রোজা অবস্থায় চোখ, ও কানের ড্রপ ব্যবহার করা যাবে।
৩. হার্টের এনজাইনার সমস্যার জন্যে বুকে ব্যথা উঠলে ব্যবহৃত নাইট্রোগ্লিসারিন ট্যাবলেট বা স্প্রে জিহবার নিচে ব্যবহার করলে রোজা নষ্ট হবে না।
৪. রোজা রেখে শিরাপথে খাদ্য-উপাদান ছাড়া কোনো ওষুধ ত্বক, মাংসপেশি বা হাড়ের জোড়ায় ইনজেকশান হিসেবে প্রয়োগ করলে রোজার কোনো ক্ষতি হবে না।
৫. রোজা রাখা অবস্থায় স্যালাইন বা গ্লুকোজ জাতীয় কোনো তরল শিরাপথে গ্রহণ করা যাবে না।
৬. চিকিৎসার প্রয়োজনে রোজা রেখে অক্সিজেন কিংবা চেতনা নাশক গ্যাস গ্রহণে রোজা নষ্ট হবে না।
৭. চিকিৎসার প্রয়োজনে ক্রিম, অয়েনমেণ্ট, ব্যাণ্ডেজ, প্লাস্টার ইত্যাদি ব্যবহার করলে এবং এসব উপাদান ত্বকের গভীরে প্রবেশ করলেও রোজার কোনো সমস্যা হবে না।
৮. রোজা রেখে দাঁত তোলা যাবে। দাঁতের ফিলিং করা যাবে এবং ড্রিল ব্যবহার করা যাবে। এছাড়া দাঁত পরিষ্কার করার সময় অসাবধানতাবশত কিছু গিলে ফেললে রোজা নষ্ট হবে না।
৯. রোজা রেখে রক্ত পরীক্ষার জন্যে রক্ত দিতে বাধা নেই।
১০. কাউকে রক্তদানে এবং রক্তগ্রহণেও বাধা নেই।
১১. চিকিৎসার জন্যে যোনিপথে ট্যাবলেট কিংবা পায়ুপথে সাপোজিটোরি ব্যবহার করলে রোজার কোনো ক্ষতি হয় না।
১২. পরীক্ষার জন্যে যোনিপথ কিংবা পায়ুপথে চিকিৎসক বা ধাত্রী আঙুল প্রবেশ করালেও রোজার সমস্যা হবে না।
১৩. রোজা রেখে জরায়ু পরীক্ষার জন্যে হিস্টেরোস্কপি এবং আই.ইউ.সি.ডি ব্যবহার করা যাবে।
১৪. হার্ট কিংবা অন্য কোনো অঙ্গের এনজিওগ্রাফি করার জন্যে কোনো রোগ নির্ণয়কারক দ্রবণ শরীরে প্রবেশ করানো হলে রোজার ক্ষতি হবে না।
১৫. কোনো অঙ্গের আভ্যন্তরীণ চিত্রধারণের জন্যে সেই অঙ্গের প্রবেশপথে কোনো ক্যাথেটার বা নালীর মাধ্যমে প্রয়োজনীয় তরল রঞ্জক প্রবেশ করালে রোজা নষ্ট হবে না।
১৬. রোগ নির্ণয়ের জন্যে এণ্ডোস্কোপি বা গ্যাস্ট্রোস্কোপি করলেও রোজা নষ্ট হয় না। তবে এণ্ডোস্কোপি বা গ্যাস্ট্রোস্কোপি করার সময় ভেতরে তরল কিংবা অন্য কোনো কিছু প্রবেশ করানো যাবে না যার খাদ্যগুণ রয়েছে।
১৭. রোজা রাখা অবস্থায় না গিলে মাউথওয়াশ, মুখের স্প্রে ব্যবহার করা যাবে এবং গড়গড়া করা যাবে।
১৮. রোজা রাখা অবস্থায় লিভারসহ অন্য কোনো অঙ্গের বায়োপসি করা যাবে।
১৯. রোজা রাখা অবস্থায় পেরিটোনিয়াল কিংবা মেশিনে কিডনি ডায়ালাইসিস করা যাবে।
রোজা রাখা অবস্থায় চিকিৎসা সংক্রান্ত কী কী করা যাবে আবার কী কী করা যাবে না তা নিয়ে যেমন সাধারণ রোগীদের মধ্যে জ্ঞান ও সচেতনতার অভাব রয়েছে, তেমনি নানা সংশয় ও বিভ্রান্তি রয়েছে চিকিৎসকদের মাঝেও। এ সমস্ত বিভ্রান্তি দূর করার জন্যে ১৯৯৭ সালের জুন মাসে মরক্কোতে অনুষ্ঠিত নবম ফিক্বহ-চিকিৎসা সম্মেলন থেকে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এ সম্মেলনে জেদ্দা ইসলামিক ফিকহ একাডেমি, আল আজহার ইউনিভার্সিটি, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, আলেকজান্দ্রিয়া, মিশর এবং ইসলামিক শিক্ষা বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা (আইএসইএসসিও) প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞ প্রতিনিধিবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। এই সম্মেলনের মূল আলোচনার বিষয় ছিল--রোজা অবস্থায় যেসব পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং ওষুধ প্রয়োগে রোজা নষ্ট হবে না সে বিষয়ে একটা সঠিক দিকনির্দেশনা দেওয়া। এ লক্ষ্যে ইসলামিক চিন্তাবিদগণ চিকিৎসা বিজ্ঞানের সংশ্লিষ্টদের সাথে আলোচনা ও গবেষণা করে রোজা অবস্থায় ওষুধ প্রয়োগ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পর্কে সুচিন্তিত তথ্য উপস্থাপন করেন যা ২০০৪ সালে বিখ্যাত ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালে (বিএমজে) বৈজ্ঞানিক নিবন্ধ হিসেবে প্রকাশিত হয়।
(তবে নাকের ড্রপের ব্যাপারে অনেক স্কলার আপত্তি করেন। অনেকসময় এসব ফিক্বহী বিষয়ে বিভিন্ন স্কলারদের মধ্যে মতপার্থক্য থাকতে পারে। সব স্কলারের মতামতের প্রতিই আমাদের শ্রদ্ধা থাকা প্রয়োজন।)

 #কৃত্রিম  #দাঁতেরও  #যত্ন  #চাইঃআপনার স্বাভাবিক দাঁতের মতো নকল দাঁতটিরও যথাযথ যত্ন দরকার। সাধারণ দাঁতের মতো এই দাঁতকেও ...
02/03/2022

#কৃত্রিম #দাঁতেরও #যত্ন #চাইঃ
আপনার স্বাভাবিক দাঁতের মতো নকল দাঁতটিরও যথাযথ যত্ন দরকার। সাধারণ দাঁতের মতো এই দাঁতকেও নিয়মিত ব্রাশ করুন। ব্রাশ করার জন্য নরম শলাকার টুথ ব্রাশ ব্যবহার করুন। টুথপেস্টের চেয়ে এগুলো তরল হাত পরিষ্কারক সাবান বা ডিশ ওয়াশিং লিকুইড দিয়ে পরিষ্কার করা ভালো। প্রতিদিন রাতে ব্রাশ করা ছাড়াও প্রতিবার খাওয়ার পর খুলে বেশি পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। এগুলো প্লাস্টিকের মোল্ডে তৈরি বলে অল্প আঘাতেই ভেঙে যেতে পারে। তাই সাবধানে ধরুন। নিজে নিজে জোর করে বাঁকানো বা সোজা করার চেষ্টা করবেন না। সব সময় যে নকল দাঁত খুলে ঘুমাতে হবে এমন কোনো কথা নেই। তবে খুলে রেখে ঘুমালে মুখের একটা বিশ্রাম হয়। দাঁত খুলে পরিষ্কার পানির মধ্যে ডুবিয়ে রাখতে হবে। দাঁত রাখার দ্রবণও পাওয়া যায়। কখনোই গরম পানিতে রাখা যাবে না।

Address

Muddafarganj/Chitosi/Ramganj Road, Muddafarganj
Cumilla
3570

Telephone

+8801324404722

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ahsan Habib Dental Care. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Ahsan Habib Dental Care.:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category