29/03/2026
প্রথমে শুধু হালকা জ্বর…
সাথে সর্দি, কাশি
বাচ্চা একটু খিটখিটে, খেতে চাইছে না…
এভাবেই শুরু হয়।
এই সময়ই শরীরে ঢুকে পড়ে Measles (হাম) ভাইরাস
কোনো আক্রান্ত মানুষ হাঁচি দিলো, কাশি দিলো…
সেই বাতাস থেকেই ভাইরাসটা ছড়িয়ে গেলো।
আপনি বুঝতেও পারলেন না
শিশুর শরীর ইতোমধ্যে আক্রান্ত।
প্রথম ২–৩ দিন:
শুধু জ্বর, সর্দি, কাশি…
চোখ লাল হয়ে যায়, পানি পড়ে।
অনেকে
ধরেই নেন এটা সাধারণ ভাইরাল জ্বর।
তারপর
জ্বর বাড়ে,
মুখের ভেতরে ছোট সাদা দাগ (Koplik spot) দেখা যেতে পারে…
আর ৩–৪ দিনের মাথায়
গায়ে লালচে র্যাশ উঠা শুরু।
মুখ থেকে শুরু হয়ে ধীরে ধীরে পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়ে।
এই পুরো সময়টাতেই বাচ্চা অন্যদের জন্য খুব সংক্রামক।
মানে, আপনি বুঝার আগেই
আরো কয়েকজন শিশুর মধ্যে এটা ছড়িয়ে যেতে পারে।
হাম হলে শিশুর যত্ন:-
১. বিশ্রাম ও আলাদা রাখা
ভিড় এড়িয়ে শান্ত ঘরে রাখুন। জ্বর বেশি হলে ভেজা কাপড় দিয়ে শরীর মুছান, প্রয়োজন হলে ডাক্তারের পরামর্শে প্যারাসিটামল দিন।
২. পর্যাপ্ত তরল দিন
পানি, দুধ, স্যুপ, ওরস্যালাইন—অল্প অল্প করে বারবার দিন। না খেতে চাইলেও চেষ্টা চালিয়ে যান।
৩. ভিটামিন A দিন
চোখ ও রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ—ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী দিন।
৪. আলো কম রাখুন
চোখে সমস্যা হলে হালকা অন্ধকার ঘরে রাখুন, পরিষ্কার পানি দিয়ে চোখ মুছান।
৫. ত্বকের যত্ন নিন
নখ ছোট রাখুন, চুলকাতে না দিন, শরীর পরিষ্কার রাখুন।
কেন ভয় পাবেন?
কারণ এটা শুধু “দানা উঠা” না
এই ভাইরাস ফুসফুস, চোখ, এমনকি মস্তিষ্কেও প্রভাব ফেলতে পারে।
শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া, এমনকি খিঁচুনি পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারে।
একটু সচেতন হন, সেভ করুন
আর পোস্টটা শেয়ার করে অন্যকেও জানিয়ে দিন।