Dr.Rajib Paul

Dr.Rajib Paul স্বাস্হ্যই সকল সুখের মূল...

প্রথমে শুধু হালকা জ্বর…সাথে সর্দি, কাশিবাচ্চা একটু খিটখিটে, খেতে চাইছে না…এভাবেই শুরু হয়। এই সময়ই শরীরে ঢুকে পড়ে Measles...
29/03/2026

প্রথমে শুধু হালকা জ্বর…
সাথে সর্দি, কাশি
বাচ্চা একটু খিটখিটে, খেতে চাইছে না…
এভাবেই শুরু হয়।
এই সময়ই শরীরে ঢুকে পড়ে Measles (হাম) ভাইরাস
কোনো আক্রান্ত মানুষ হাঁচি দিলো, কাশি দিলো…
সেই বাতাস থেকেই ভাইরাসটা ছড়িয়ে গেলো।
আপনি বুঝতেও পারলেন না
শিশুর শরীর ইতোমধ্যে আক্রান্ত।

প্রথম ২–৩ দিন:
শুধু জ্বর, সর্দি, কাশি…
চোখ লাল হয়ে যায়, পানি পড়ে।
অনেকে
ধরেই নেন এটা সাধারণ ভাইরাল জ্বর।
তারপর
জ্বর বাড়ে,
মুখের ভেতরে ছোট সাদা দাগ (Koplik spot) দেখা যেতে পারে…
আর ৩–৪ দিনের মাথায়
গায়ে লালচে র‍্যাশ উঠা শুরু।
মুখ থেকে শুরু হয়ে ধীরে ধীরে পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়ে।
এই পুরো সময়টাতেই বাচ্চা অন্যদের জন্য খুব সংক্রামক।
মানে, আপনি বুঝার আগেই
আরো কয়েকজন শিশুর মধ্যে এটা ছড়িয়ে যেতে পারে।

হাম হলে শিশুর যত্ন:-

১. বিশ্রাম ও আলাদা রাখা
ভিড় এড়িয়ে শান্ত ঘরে রাখুন। জ্বর বেশি হলে ভেজা কাপড় দিয়ে শরীর মুছান, প্রয়োজন হলে ডাক্তারের পরামর্শে প্যারাসিটামল দিন।
২. পর্যাপ্ত তরল দিন
পানি, দুধ, স্যুপ, ওরস্যালাইন—অল্প অল্প করে বারবার দিন। না খেতে চাইলেও চেষ্টা চালিয়ে যান।
৩. ভিটামিন A দিন
চোখ ও রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ—ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী দিন।
৪. আলো কম রাখুন
চোখে সমস্যা হলে হালকা অন্ধকার ঘরে রাখুন, পরিষ্কার পানি দিয়ে চোখ মুছান।
৫. ত্বকের যত্ন নিন
নখ ছোট রাখুন, চুলকাতে না দিন, শরীর পরিষ্কার রাখুন।

কেন ভয় পাবেন?
কারণ এটা শুধু “দানা উঠা” না
এই ভাইরাস ফুসফুস, চোখ, এমনকি মস্তিষ্কেও প্রভাব ফেলতে পারে।

শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া, এমনকি খিঁচুনি পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারে।

একটু সচেতন হন, সেভ করুন
আর পোস্টটা শেয়ার করে অন্যকেও জানিয়ে দিন।

পা'য়ুপথ পথ দিয়ে ছোট বাচ্চার খেলনা ঢুকিয়ে দিয়েছেন। বারণ করলে তো শুনবেন না তাই আর বারণ করবো না বরং একটা বুদ্ধি দিতে পা...
28/03/2026

পা'য়ুপথ পথ দিয়ে ছোট বাচ্চার খেলনা ঢুকিয়ে দিয়েছেন। বারণ করলে তো শুনবেন না তাই আর বারণ করবো না বরং একটা বুদ্ধি দিতে পারি। যা-ই ঢুকাবেন অন্তত তার সাথে একটা শক্ত সুতা আগে থেকে বেঁধে রাখবেন। বলা তো যায় না কখন সেটা আপনার গুলিস্তান পার হয়ে পাকিস্তান চলে যেতে পারে।

এর আগে কুমড়া, লাউ, বৈদ্যুতিক বাল্ব দেখেছিলাম এবার বাচ্চাদের খেলনা।

একটা ছোট্ট প্রাণের হাসি চিরতরে ম্লান হয়ে গেলো...একটা ফুটফুটে শিশু। শ্বাসকষ্টে কাঁপছে, মায়ের কোলে শুয়ে। বাবা-মা রাত জেগে ...
21/03/2026

একটা ছোট্ট প্রাণের হাসি চিরতরে ম্লান হয়ে গেলো...

একটা ফুটফুটে শিশু। শ্বাসকষ্টে কাঁপছে, মায়ের কোলে শুয়ে। বাবা-মা রাত জেগে দোয়া করছে। হাসপাতালের বিছানায় ভর্তি। ডাক্তাররা সবরকম চেষ্টা করছেন। ওষুধ, স্যালাইন, নজরদারি—সব চলছে।

কিন্তু অদক্ষ নার্সের ভুলে, ক্যানুলা করতে যেয়ে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ধীরে ধীরে সেই হাতে পচনের ধরে

আর কোনো উপায় থাকে না। জীবন বাঁচাতে চিকিৎসকদের
কনুই থেকে হাতটি কেটে ফেলতে হয়।

কোনো মা-বাবা কি কখনো চায় এমন সিদ্ধান্ত নিতে? কোনো শিশু কি এমন যন্ত্রণা পাওয়ার যোগ্য?

হে আল্লাহ, রহমানুর রাহিম...
এমন জটিলতা যেন কোনো বাচ্চার জীবনে না আসে।
কোনো মায়ের বুক যেন এমন ক্ষত না পায়।
সব শিশুর হাসি যেন অটুট থাকে, তাদের ছোট্ট হাত দুটো যেন সুস্থ থাকে। আমিন

পিতা-মাতারা, একটা অনুরোধ—
হাসপাতালে শিশু ভর্তি হলে IV লাইন করছে যে ডিনি কি ডিপ্লোমা বা বিএসসি’ নার্স কিনা সতর্ক থাকুন। একটু অবহেলা অনেক বড় ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন।
যাতে আর কোনো পরিবারকে এমন অসহায় মুহূর্তের মুখোমুখি হতে না হয়।

ঈদ মোবারক....
20/03/2026

ঈদ মোবারক....

পোড়ে গেলে নিজে নিজে ঠিক হয়ে যাবে”—এই ধারণাটাই বড় ভুল।এই লোকটা প্রথমে গুরুত্বই দেয়নি।হালকা ছিল… একটু লাল,ফোস্কাভাবছিল, “ক...
19/03/2026

পোড়ে গেলে নিজে নিজে ঠিক হয়ে যাবে”—এই ধারণাটাই বড় ভুল।
এই লোকটা প্রথমে গুরুত্বই দেয়নি।
হালকা ছিল… একটু লাল,ফোস্কা
ভাবছিল, “কিছু হবে না, ঠিক হয়ে যাবে।”
ডাক্তার দেখায়নি।
ঘরে বসেই যা শুনেছে তাই করেছে
কেউ বলেছে টুথপেস্ট, কেউ বলেছে ডিম, কেউ বলেছে তেল।
কয়েকদিন পর শুকালো ঠিকই…
কিন্তু
চামড়া শক্ত হয়ে টান ধরতে লাগল।
যে জায়গাটা নরম থাকার কথা, সেটা শক্ত হয়ে বেঁকে গেল।
মুখের আকৃতিও বদলে গেল ধীরে ধীরে।
সময় থাকতে চিকিৎসা নিলে আজ এমন হতো না।”

আমরা যেটা বুঝি না
পোড়া জায়গায় টুথপেস্ট, ডিম, তেল লাগানো → ইনফেকশন বাড়ায়
দেরি করলে → চামড়া কুঁচকে যায়, স্থায়ী দাগ পড়ে
জয়েন্টের কাছে হলে → হাত-পা বেঁকে যেতে পারে
মুখে হলে → চেহারাই বদলে যেতে পারে
সবচেয়ে বড় হলো—
পোড়া
এটা ভুলভাবে হ্যান্ডেল করলে আজীবনের সমস্যা হয়ে যায়।

কী করবেন?

সাথে সাথে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন (১০–২০ মিনিট)

কিছু লাগাবেন না নিজের মতো করে

যত দ্রুত সম্ভব ডাক্তারের কাছে যান
সময়টাই এখানে আসল।

একটু দেরি = অনেক বড় ক্ষতি

আপনার আশেপাশে কেউ পোড়া নিয়ে অবহেলা করছে?
তাকে বলুন।
আর এই পোস্টটা শেয়ার করুন
কারণ অনেক সময় একটা ছোট সচেতনতাই
একটা জীবনকে বিকৃত হওয়ার হাত থেকে বাঁচাতে পারে।

একদিনের জ্বর, দ্বিতীয় দিনে ঠোঁট, মুখ ও চোখে এরকম অবস্থা।সাসপেক্টেড ড্রাগ রিএকশন কিন্তু সাড়াশি অভিযানের পরেও "জ্বর উঠছে ত...
09/03/2026

একদিনের জ্বর, দ্বিতীয় দিনে ঠোঁট, মুখ ও চোখে এরকম অবস্থা।সাসপেক্টেড ড্রাগ রিএকশন কিন্তু সাড়াশি অভিযানের পরেও "জ্বর উঠছে তাই একটা প্যারাসিটামল খাইছে" পড়ে কোনো ড্রাগের হিষ্ট্রি পাওয়া গেলো না।

আমরা পেশেন্ট ভর্তি নিলাম এবং পরের দিন অবস্থা আরও খারাপ হতে শুরু করলো।শরীরের বিভিন্ন জায়গায় বুলাস লেশন(Bullous lesion-অনেকে ফুসকুড়ি বলে থাকেন) দেখা গেলো।এ ধরনের লেশন ড্রাগ রিএকশনেও হয় আবার ইমিউন হাইপারসেন্সিটিভিটিতেও হতে পারে।

যেহেতু সিগনিফিক্যান্ট ড্রাগ খাওয়ার হিষ্ট্রি নাই এবং বুলাস লেশন হতে পারে ইমিউন বুলাস ডিজিজগুলোতে।কিন্তু বয়স এবং অন্যান্য লক্ষনের সাথে সে রোগও প্রমাণ করা যাচ্ছে না।

কনফার্মেশনের জন্য স্কিন ডিপার্টমেন্টের শরনাপন্ন হলাম।উনারা বায়োপসি ফর হিস্টোপ্যাথলজি এবং DIF(Direct Immunofluorescence) দিলেন।

ফাইনালি,বায়োপসিতে আসলো ড্রাগ রিএকশনের কারনেই হইছে।এবং সেই একটা ড্রাগের নাম প্যারাসিটেমল।

যেহেতু প্যারাসিটামল মানুষ মুড়ির মত খায় এবং এটা একটা OTC(drugs you can buy without a prescription) ড্রাগ। তাই প্যারাসিটামল কারনে এমন হতে পারে আমাদের চিন্তাতেও ছিলো না।

"প্যারাসিটামল"ও মারনঘাতি হতে পারে এরকম কপাল হয়তো খুবই অল্পকিছু মানুষের আছে।পৃথিবীর বুকে এই ছেলেটাও সেই বিরল কিছু মানুষের একজন।

সংগৃহীত তথ্য

পেটের ডান পাশে হঠাৎ করে তীব্র ব্যথা শুরু হলে আমরা অনেকেই প্রথমে কি ভাবি জানেন?“গ্যাস হয়েছে… একটু পরে ঠিক হয়ে যাবে।”“গতকা...
07/03/2026

পেটের ডান পাশে হঠাৎ করে তীব্র ব্যথা শুরু হলে আমরা অনেকেই প্রথমে কি ভাবি জানেন?
“গ্যাস হয়েছে… একটু পরে ঠিক হয়ে যাবে।”
“গতকাল হয়তো বেশি খেয়েছি…”
“ওষুধ খেলেই ঠিক হয়ে যাবে…”
কিন্তু অনেক সময় এটা হতে পারে অ্যাপেন্ডিক্সের কারনে।
আমাদের শরীরে এই ছোট্ট নলটার কথা বেশিরভাগ মানুষ জীবনে কখনো ভাবেও না। যখন এটি সংক্রমিত বা ফুলে যায়, তখন
প্রথমে ব্যথাটা সাধারণত নাভির আশেপাশে শুরু হয়।
অনেকে তখনও বিষয়টা গুরুত্ব দেয় না।
কিছুক্ষণ বা কয়েক ঘণ্টা পর ব্যথাটা পেটের ডান পাশের নিচে চলে যায় এবং ধীরে ধীরে তীব্র হতে থাকে।
এর সাথে দেখা দিতে পারে
• বমি বমি ভাব বা বমি
• হালকা বা মাঝারি জ্বর
• খেতে ইচ্ছা না করা
• হাঁটা বা নড়াচড়া করলে ব্যথা আরও বেড়ে যাওয়া
অনেকে তখনও ব্যথা সহ্য করে বাড়িতে বসে থাকে।
কেউ গ্যাসের ওষুধ খায়, কেউ ব্যথার ওষুধ।
কিন্তু যদি সেই ফোলা অ্যাপেন্ডিক্স ফেটে যায় (rupture)
তাহলে পেটের ভেতরে মারাত্মক সংক্রমণ ছড়িয়ে যেতে পারে।
কিছু ক্ষেত্রে এই অবস্থা গ্যাংগ্রিনাস অ্যাপেন্ডিসাইটিস হয়ে যায়, যেখানে অ্যাপেন্ডিক্সের টিস্যু পর্যন্ত নষ্ট হয়ে যায়। তখন চিকিৎসা আরও জটিল হয়ে যায়।
একটা ছোট অঙ্গ…
কিন্তু অবহেলা করলে সেটাই জীবনহানির কারণ হতে পারে।
তাই মনে রাখবেন
যদি এমন ব্যথা হয় যা
নাভি থেকে শুরু হয়ে ডান পাশে নেমে যায়
এবং সাথে বমি, জ্বর বা অস্বস্তি থাকে,
তাহলে এটাকে সাধারণ পেটব্যথা ভেবে বসে থাকবেন না।
সময়মতো হাসপাতালে গেলে
একটি ছোট অপারেশনেই সমস্যার সমাধান হয়ে যায়।
কিন্তু দেরি করলে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বদলে যেতে পারে।
আমাদের শরীর অনেক এ সংকেত গুলো আমরা কি শুনি?
পোস্টটি শেয়ার করুন।
হোন সচেতন...

আমরা এমনভাবে বড় হয়েছি যে “পাদ দেওয়া” মানেই লজ্জার কিছু। কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এটা হজম প্রক্রিয়ার একদম স্বাভাবিক ...
04/03/2026

আমরা এমনভাবে বড় হয়েছি যে “পাদ দেওয়া” মানেই লজ্জার কিছু। কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এটা হজম প্রক্রিয়ার একদম স্বাভাবিক অংশ।
ভাবুন তো—আপনি ডাল খেলেন, শাকসবজি খেলেন, ফল খেলেন। এসব খাবারে প্রচুর আঁশ থাকে। এই আঁশের একটা অংশ আমাদের ছোট অন্ত্রে পুরো ভাঙে না। সেগুলো বড় অন্ত্রে যায়। সেখানে থাকা উপকারী ব্যাকটেরিয়াগুলো সেই খাবার ভেঙে শক্তি তৈরি করে। আর এই ভাঙার সময়ই গ্যাস তৈরি হয়।
মানে, আপনার অন্ত্রের ভেতর কাজ চলছে বলেই গ্যাস হচ্ছে।
প্রতিদিন ১০–২০ বার পর্যন্ত গ্যাস নির্গমন অনেকের ক্ষেত্রেই স্বাভাবিক। বেশিরভাগ সময় আমরা টেরই পাই না।
সমস্যা তখনই, যখন এর সাথে থাকে
তীব্র পেটব্যথা
অস্বাভাবিক পেট ফুলে থাকা
রক্তপাত
দীর্ঘদিনের ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্য
অকারণে ওজন কমে যাওয়া
এসব থাকলে অবশ্যই গুরুত্ব দিতে হবে।

শুধু গ্যাস হওয়া মানেই রোগ না।
কিন্তু গ্যাসের সাথে অস্বাভাবিক উপসর্গ থাকলে সেটাই সমস্যা..
আপনার কি নিয়মিত গ্যাস হয়?
আপনার খাবারের তালিকায় কি আঁশ বেশি?
গ্যাস ছাড়ুন, তবে জায়গামতো,
ভরা মজলিসে মেরে নিজের ইজ্জতের ফালুদা করবেন না।

ইলেকট্রিক শকে পুড়ে যাওয়া একটা হাত…ইলেকট্রিক বার্নে ভেতরে ভেতরে মাংসপেশি, স্নায়ু, রক্তনালী—সব পুড়ে যেতে পারেইলেকট্রিক শ...
25/02/2026

ইলেকট্রিক শকে পুড়ে যাওয়া একটা হাত…
ইলেকট্রিক বার্নে ভেতরে ভেতরে মাংসপেশি, স্নায়ু, রক্তনালী—সব পুড়ে যেতে পারে

ইলেকট্রিক শকের সবচেয়ে ভয়ংকর দিক হলো—
বাইরে ক্ষত ছোট হলেও ভেতরের ক্ষতি অনেক বড় হতে পারে।
হার্টের রিদম পর্যন্ত বিগড়ে যেতে পারে।
দেরি হলে আঙুল বা হাত বাঁচানো কঠিন হয়ে যায়।

কি করবেন যদি এমন হয়?
সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করুন

রোগীকে সরাসরি খালি হাতে ধরবেন না, শুকনা কাঠ বা প্লাস্টিক ব্যবহার করুন

যত দ্রুত সম্ভব হাসপাতালে নিন—even যদি ক্ষত ছোট মনে হয়

মনে রাখবেন, ইলেকট্রিক বার্নের চিকিৎসায় অনেক সময় সার্জারি লাগে, ফিজিওথেরাপি লাগে, দীর্ঘ পুনর্বাসন লাগে।

একটা মুহূর্তের অসতর্কতা সারা জীবনের অক্ষমতা হয়ে যেতে পারে।
আমরা প্রতিদিন হাসপাতালে এমন হাত দেখি।

ঘরের বৈদ্যুতিক লাইন ঠিক আছে কিনা আজই দেখে নিন।
খোলা তার, নষ্ট সুইচ, ভাঙা প্লাগ—ফেলে রাখবেন না।
নিজে সচেতন হোন। পরিবারকে সচেতন করুন।

একটা হাত কারও রুজির উৎস, কারও সন্তানের মাথায় হাত রাখার শক্তি।
আল্লাহ সকলকে নিরাপদ রাখুন। আমিন।

পোস্টটি শেয়ার করুন। হয়তো আপনার একটুখানি সচেতনতাই কারও হাত বাঁচিয়ে দেবে।

ছবি: মেডিকেল মিডিয়া

একই গর্ভে, একই পানির থলিতে, কোনো পর্দা ছাড়াই পাশাপাশি বড় হওয়া দুইটি শিশু।চিকিৎসাবিজ্ঞানে এদের বলা হয় Monoamniotic twins ...
15/02/2026

একই গর্ভে, একই পানির থলিতে, কোনো পর্দা ছাড়াই পাশাপাশি বড় হওয়া দুইটি শিশু।
চিকিৎসাবিজ্ঞানে এদের বলা হয় Monoamniotic twins বা “মোনো-মোনো” টুইন।
এই গর্ভধারণ খুবই বিরল, আর ঝুঁকিপূর্ণও।
কারণ দুই শিশুর নাড়ি একই জায়গায় ভাসতে থাকে। সামান্য জড়িয়ে গেলেই রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যেতে পারে। হতে পারে কর্ড এন্ট্যাঙ্গেলমেন্ট, টুইন-টু-টুইন ট্রান্সফিউশন, হঠাৎ জটিলতা।
এই মায়ের ৫৭ দিন কেটেছে কঠোর বিছানাবন্দী অবস্থায়। নিয়মিত মনিটরিং, দুশ্চিন্তা, অজানা ভয়। অবশেষে পরিকল্পিত সিজারিয়ান অপারেশনে ৪৮ সেকেন্ড ব্যবধানে জন্ম নিল দুই কন্যা।
আর জন্মের পর যখন পাশাপাশি রাখা হলো—
একজন হাত বাড়িয়ে আরেকজনের হাত শক্ত করে ধরে ফেলল।
মুহূর্তটা শুধু আবেগ না। এটা আল্লাহর সৃষ্টির এক নিঃশব্দ রহস্য।
গর্ভের অন্ধকারেও যে বন্ধন তৈরি হয়, তা ভাষার বাইরে।
আমরা অনেক সময় সন্তানকে স্বাভাবিকভাবে জন্মাতে দেখেই স্বাভাবিক ধরে নিই। কিন্তু কত মা প্রতিটি মুহূর্তে শঙ্কা নিয়ে দিন কাটান, কত শিশু জন্মের আগেই লড়াই শুরু করে—তা আমরা জানি না।
আল্লাহ চাইলে সবকিছু সম্ভব।
ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভধারণ থেকেও সুস্থ শিশু জন্ম নেয়।
আবার সামান্য অবহেলাতেও বড় ক্ষতি হয়ে যায়।
তাই—

নিয়মিত প্রেগন্যান্সি চেকআপ করুন

উচ্চঝুঁকির গর্ভধারণে বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে থাকুন

অস্বাভাবিক কিছু মনে হলে দেরি করবেন না
আজ সুস্থ সন্তানের মুখ দেখে যদি মনে হয় সব স্বাভাবিক—একবার আলহামদুলিল্লাহ বলুন।

প্রিয় মানুষকে নিয়মিত চেক-আপ করান,
শেয়ার করুন, ছড়ান স্বাস্থ্য সচেতনতা।

চার বছরের ছোট্ট লুকা ডি গ্রুট।মায়ের পাশে দাঁড়িয়ে কাপড় ধোয়ার কাজে সাহায্য করছিল।হঠাৎ ঘরের এক কোণে রাখা ডিটারজেন্ট পড,খেলন...
03/02/2026

চার বছরের ছোট্ট লুকা ডি গ্রুট।
মায়ের পাশে দাঁড়িয়ে কাপড় ধোয়ার কাজে সাহায্য করছিল।
হঠাৎ ঘরের এক কোণে রাখা ডিটারজেন্ট পড,
খেলনার মতো দেখতে বলে লুকা সেটায় কামড় দিয়েছিল।
এক মুহূর্তেই পড ফেটে যায়।
তীব্র রাসায়নিক ছিটকে পড়ে ওর চোখে।
এরপর অসহনীয় ব্যাথা ও
লুকাকে নিতে হয়েছে একের পর এক অস্ত্রোপচার।
হাসপাতালে কেটেছে দীর্ঘ সময়।
ডাক্তাররা স্পষ্ট করে বলেছেন—
এই রাসায়নিক পোড়া থেকে স্থায়ী অন্ধত্বের ঝুঁকি ছিল।

ঘরের ভেতরে যেসব জিনিস থেকে আজই সতর্ক হবেন

১/ডিটারজেন্ট পড, ফ্লোর ক্লিনার, গ্লাস ক্লিনার
রঙিন ও সুন্দর বোতল।
চোখে বা মুখে গেলে মারাত্মক রাসায়নিক পোড়া হয়।

২/ব্লিচ ও টয়লেট ক্লিনার
এক ফোঁটাই টিস্যু ধ্বংস করার জন্য যথেষ্ট।

৩/ কেরোসিন, পেট্রোল, থিনার
পানির বোতলে রাখা সবচেয়ে ভয়ংকর অভ্যাস।

৪/ঔষধ ও ভিটামিন সিরাপ
শিশুর কাছে ক্যান্ডির মতো।

৫/ বাটন ব্যাটারি, রিমোট সেল
গিলে ফেললে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে খাদ্যনালি পুড়ে যেতে পারে।ৃা

৬/ম্যাচ, লাইটার, মশা নিধন কয়েল
এক মুহূর্তের আগুন—আজীবনের ক্ষত।

৭/কসমেটিকস, নেল পলিশ রিমুভার, পারফিউম
সুগন্ধি হলেও ভেতরে বিষ।

শিশুরা কৌতূহলী।
আমরাই দায়িত্বশীল হবো কি না—
সেটাই আসল প্রশ্ন।
আজই ঘরের সব বিপজ্জনক জিনিস শিশুর নাগালের বাইরে রাখুন।
উঁচু তাকে, তালাবদ্ধ জায়গায়।
ভুল বোতলে ঢালবেন না।
লুকা হয়তো বেঁচে গেছে।
সব শিশু সেই সুযোগ পায় না।

এই লেখাটা শেয়ার করুন।
হয়তো আপনার এক ক্লিক
কারো সন্তানের চোখ
কারো সন্তানের জীবন
বাঁচিয়ে দেবে।

ক্যানুলা করার পর ক্যানুলা সাইট ইনফেকশন কমন বিষয়।এজন্য ডাক্তাররা সবসময়ই ক্যানুলার দিকে নজর রাখে এবং ৩ দিন পর পর ক্যানুলা ...
28/01/2026

ক্যানুলা করার পর ক্যানুলা সাইট ইনফেকশন কমন বিষয়।এজন্য ডাক্তাররা সবসময়ই ক্যানুলার দিকে নজর রাখে এবং ৩ দিন পর পর ক্যানুলা পরিবর্তন করা হয়।
জামালপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ক্যানুলা করার পর বাচ্চার হাতের অবস্থা এমন হয়ে যায়। বিভিন্ন পোস্টে দেখলাম স্বাস্থ্য কর্মী বা নার্সদের দোষ দেয়া হচ্ছে কারন, ক্যানুলা করার পর হাতের রঙ পরিবর্তন হলে তিনি বলেন ঠিক হয়ে যাবে। অবশ্যই উচিৎ ছিল ডাক্তারকে জানানো ও উপযুক্ত ব্যাবস্থা নেয়া। পরবর্তীতে বাচ্চার হাত কেটে ফেলতে হয় ইনফেকশন এর জন্য।

ক্যানুলার সঠিক ম্যানেজমেন্ট এর পরও বিশ্বের বড় বড় হাসপাতালে ও ক্যানুলা সাইট ইনফেকশন থেকে রোগী মারা পর্যন্ত যায়।

কিন্তু হাসপাতালে যদি রোগী মিসম্যানেজমেন্টের এর স্বীকার হয় তাহলে তবে অবশ্যই নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের শাস্তি হওয়া উচিৎ।

Address

Noakhali
Comilla
3881

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr.Rajib Paul posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr.Rajib Paul:

Share