Dr. Faiz Ahmad Khondaker

Dr. Faiz Ahmad Khondaker Associate Professor, Dept. of Hepatology (Liver), Shaheed Suhrawardy Medical College, Dhaka.

At the sideline of ASLDB conference with hepatologists of home and abroad, recently held in Chattogram.
27/12/2025

At the sideline of ASLDB conference with hepatologists of home and abroad, recently held in Chattogram.

আকস্মিক অস্বাভাবিক আচরন- হতে পারে লিভারের রোগের লক্ষণ।ডা ফয়েজ আহমদ খন্দকার লিভার ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ সহযোগী অধ্যাপক,  হেপ...
25/12/2025

আকস্মিক অস্বাভাবিক আচরন- হতে পারে লিভারের রোগের লক্ষণ।
ডা ফয়েজ আহমদ খন্দকার
লিভার ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ
সহযোগী অধ্যাপক, হেপাটোলজি বিভাগ
শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ।
faizkhondaker@gmail.com
গত ২০ ডিসেম্বর, ২০২৫ দৈনিক যুগান্তরে প্রকাশিত।
#লিভারসিরোসিস

বাউল সম্রাট লালন শাহের আখড়ায়। কুষ্টিয়ার কুমারখালি উপজেলার ছেউড়িয়া গ্রামে।।
24/12/2025

বাউল সম্রাট লালন শাহের আখড়ায়। কুষ্টিয়ার কুমারখালি উপজেলার ছেউড়িয়া গ্রামে।।

রবীন্দ্রনাথের স্মৃতি বিজড়িত শহর কুষ্টিয়ায়।। #কুঠিবাড়ি  #শিলাইদহ
23/12/2025

রবীন্দ্রনাথের স্মৃতি বিজড়িত শহর কুষ্টিয়ায়।।
#কুঠিবাড়ি #শিলাইদহ

At the 19th Annual Conference of ASLDB, Chattogram 2025.
21/12/2025

At the 19th Annual Conference of ASLDB, Chattogram 2025.

 #হেপাটাইটিস সি এবং তূষের আগুন:Hepatitis C ভাইরাস হেপাটাইটিস বি এর মত  দীর্ঘদিন পর্যন্ত কোনো উপসর্গ ছাড়া থাকতে পারে। সময়...
17/12/2025

#হেপাটাইটিস সি এবং তূষের আগুন:
Hepatitis C ভাইরাস হেপাটাইটিস বি এর মত দীর্ঘদিন পর্যন্ত কোনো উপসর্গ ছাড়া থাকতে পারে। সময়মতো শনাক্ত না হলে এবং চিকিৎসা না করালে এই ভাইরাস ধীরে ধীরে লিভার সিরোসিস ও লিভার ক্যান্সারের দিকে নিয়ে যেতে পারে।

#হেপাটাইটিস সি কীভাবে ছড়ায়?
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সংক্রমণের প্রধান ঝুঁকিগুলো হলো
-অপরিষ্কার সুচ ও সিরিঞ্জ ব্যবহার
-নিরাপদ নয় এমন রক্ত গ্রহণ
-অনিরাপদ ডেন্টাল বা সার্জিক্যাল প্রক্রিয়া
-সেলুনে একই ব্লেড বারবার ব্যবহার
-ইনজেকশন ড্রাগ ব্যবহার

#এই ভাইরাস কিভাবে সনাক্ত হয়?
রক্তের Anti HCV test এর মাধ্যমে এটি স্ক্রিনিং করা হয়। এই টেস্ট পজিটিভ বা রিএক্টিভ হলে HCV RNA test করে দেখতে হয় ভাইরাসটি সক্রিয় কিনা।

#চিকিৎসা কাদের জন্য, সফলতা কতটা?
রক্তের HCV RNA টেস্টে ভাইরাস সনাক্ত হলেই চিকিৎসা শুরু করতে হয়। এক্ষেত্রে ভাইরাস কম না বেশি, লিভারে কোন প্রদাহ বা ডেমেইজ করছে কি করছে না এগুলো দেখা হয় না।

সুখের বিষয়, হেপাটাইটিস সি এখন সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য। আধুনিক Direct Acting Antiviral (DAA) ওষুধে ৯৫%-এর বেশি রোগী সম্পূর্ণ ভালো হয়ে যান। চিকিৎসার সময়ও লাগে কম। মাত্র ১২-২৪ সপ্তাহ।
আমাদের দেশেই এসব ঔষধ পাওয়া যায়।

#হেপাটাইটিস সি এর বিরুদ্ধে কোন টিকা আছে?
এর উত্তর হচ্ছে, না। হেপাটাইটিস বি এর কার্যকরী টিকা আছে। কিন্তু এখনো হেপাটাইটিস সি এর কোন টিকা আবিষ্কার হয় নি।

#তাহলে প্রতিরোধ কিভাবে?
যেহেতু টিকা নেই, তাই যেসব উপায়ে এই ভাইরাস শরীরে ঢুকে (উপরে বর্ণিত), সেসব ক্ষেত্রে সচেতন হতে হবে।

#শেষ কথা
আমাদের দেশে হেপাটাইটিস বি এর তুলনায় হেপাটাইটিস সি এ আক্রান্তের সনখ্যা অনেক কম। কম হলেও যেহেতু ভাইরাসটি নীরবে তূষের আগুনের ন্যায় লিভারের ক্ষতি করে তাই নিচে উল্লেখিত সবার অবশ্যই হেপাটাইটিস সি screening করা উচিত।

-একাধিকবার রক্ত নিয়েছেন
-১৯৯০-এর আগে বড় কোনো অপারেশন হয়েছে
-দীর্ঘদিন ইনজেকশন নিয়েছেন বা ড্রাগ ব্যবহার করেছেন
-হেমোডায়ালাইসিস রোগী
-স্বাস্থ্যকর্মী

#ডাঃ ফয়েজ আহমদ খন্দকার
MD, FCPS, FRCP
সহযোগী অধ্যাপক, হেপাটোলজি
✅চেম্বার :
🏨পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিঃ ঠিকানাঃ ভবন- ৩, শান্তিনগর, ঢাকা , 09666787803, 01859264767

#হেপাটাইটিসসি

16/12/2025
ফ্যাটি লিভারে কেমন ব্যায়াম। ফ্যাটি লিভারে আক্রান্ত ব্যাক্তিকে আমরা প্রায়ই Moderate Intensity Physical Activity বা মাঝারি...
08/12/2025

ফ্যাটি লিভারে কেমন ব্যায়াম।
ফ্যাটি লিভারে আক্রান্ত ব্যাক্তিকে আমরা প্রায়ই Moderate Intensity Physical Activity বা মাঝারি তীব্রতার শারীরিক কার্যকলাপ করতে বলি। প্রশ্ন হচ্ছে এটি আসলে কী ধরনের ব্যায়াম?

মাঝারি তীব্রতা ব্যায়ামের বৈশিষ্ট্য:
শ্বাস-প্রশ্বাস: স্বাভাবিকের চেয়ে দ্রুত ও গভীর হয়, কিন্তু অসহনীয় নয়।
টক টেস্ট (Talk Test) : কথা বলা যায় কিন্তু গান গাওয়া কঠিন।
হৃদস্পন্দন: স্বাভাবিকের চেয়ে দ্রুত হয়।
ঘাম: দশ মিনিটের মধ্যে হালকা ঘাম হয়।

উদাহরণ:
দ্রুত গতিতে হাঁটা (Brisk walking)(ঘন্টায় ২.৫-৪ মাইল)
সাইক্লিং (সাধারণ গতিতে)।
নাচা ( Dancing)
হালকা জগিং বা দৌড়ানো।
জলজ ব্যায়াম (Water aerobics)।
বাগান করা (কোদাল দিয়ে মাটি আলগা করা, আগাছা পরিষ্কার করা)

কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ:
এটি হৃদরোগ, ডায়াবেটিস এবং অন্যান্য দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি কমায়।
ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। লিভারের অতিরিক্ত চর্বি কমায়।
মানসিক চাপ ও উদ্বেগ কমায় এবং মেজাজ ভালো রাখে।
শারীরিক শক্তি ও সহনশীলতা বাড়ায়।

কত দিন, কত সময় করা উচিত? :
বেশিরভাগ প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট মাঝারি-তীব্রতার ব্যায়াম করা উচিত (যেমন প্রতিদিন ৩০ মিনিট, সপ্তাহে ৫ দিন)।

ডাঃ ফয়েজ আহমদ খন্দকার
লিভার ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ
সহযোগী অধ্যাপক, হেপাটোলজি
✅চেম্বার :
🏨পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিঃ ঠিকানাঃ ভবন- ৩, শান্তিনগর, ঢাকা , 09666787803, 01859264767

রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন।।রাগ আমাদের জীবনে একটি স্বাভাবিক অনুভূতি, কিন্তু নিয়ন্ত্রণহীন রাগ হেরে যাওয়ার কারন হয়ে দাঁড়ায়। ...
05/12/2025

রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন।।
রাগ আমাদের জীবনে একটি স্বাভাবিক অনুভূতি, কিন্তু নিয়ন্ত্রণহীন রাগ হেরে যাওয়ার কারন হয়ে দাঁড়ায়। শরীরের জন্যও ক্ষতিকর।

কেন রাগলে হেরে যাই?
কারন- রাগ যুক্তি ও আত্মনিয়ন্ত্রণ কমিয়ে দেয়। ফলে রাগী ব্যক্তির কথা অন্যের নিকট যৌক্তিক মনে হবে না। আপনি হেরে যাবেন। মুহূর্তের উগ্র আচরণ সম্পর্ক নষ্ট করে। রাগ অন্যকে নয়, বরং নিজের মনকে সবচেয়ে বেশি আহত করে।

রাগ শরীরের জন্য কেন ক্ষতিকর?

রাগের সময় শরীর স্ট্রেস হরমোন (অ্যাড্রেনালিন, কর্টিসল) অতিরিক্ত মাত্রায় তৈরি করে। এর ফলে—

রক্তচাপ হঠাৎ বেড়ে যায়, হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে।

হৃদস্পন্দন দ্রুত হয়, হৃদপিণ্ডের উপর চাপ পড়ে।

ঘুমের ব্যাঘাত, মাথাব্যথা ও ক্লান্তি বাড়ে।

লিভারেও প্রভাব পড়ে—কারণ স্ট্রেস হরমোন বাড়লে লিভারকে অতিরিক্ত কাজ করতে হয়।

দীর্ঘমেয়াদে ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশন, গ্যাস্ট্রিক আলসার, ওজন বৃদ্ধিসহ নানা রোগ পর্যন্ত হতে পারে।

রাগ চাপা থাকলে বিষণ্নতা, উদ্বেগ ও সামাজিক দূরত্ব তৈরি হয়।

ডা: ফয়েজ আহমদ খন্দকার
লিভার ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ


শৈশবে হেপাটাইটিস বি সংক্রমণ: কিভাবে এবং কেন বিপজ্জনক ? হেপাটাইটিস বি যে কোনো বয়সে সংক্রমিত হতে পারে, কিন্তু শিশু বয়সে সং...
04/12/2025

শৈশবে হেপাটাইটিস বি সংক্রমণ: কিভাবে এবং কেন বিপজ্জনক ?
হেপাটাইটিস বি যে কোনো বয়সে সংক্রমিত হতে পারে, কিন্তু শিশু বয়সে সংক্রমণ সবচেয়ে বিপজ্জনক।

শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পূর্ণ পরিপক্ব থাকে না।
তাই শিশুর ইমিউন সিস্টেম ভাইরাসকে শক্তভাবে প্রতিরোধ করতে পারে না। ফলে ভাইরাসটি কোন ভাবে প্রবেশ করলে এটি শরীরে থেকে যায় এবং দীর্ঘমেয়াদি (Chronic) সংক্রমণে পরিণত হওয়ার ঝুঁকি অত্যন্ত বেশি।

নবজাতক সংক্রমিত হলে ৯০-৯৫%% পর্যন্ত Chronic Hepatitis B হয়ে যায় এবং সঠিক সময়ে চিকিৎসা গ্রহন না করলে দীর্ঘমেয়াদে লিভারে মারাত্মক জটিলতা তৈরি করতে পারে। প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে যেখানে এই ঝুঁকি মাত্র প্রায় ৫%।

গবেষণায় দেখা গেছে—যেসব দেশে হেপাটাইটিস বি বেশি, সেসব দেশে সংক্রমণের প্রধান উৎস হলো Mother-to-Child Transmission (MTCT)—অর্থাৎ জন্মের সময় বা জন্মের পরপর হেপাটাইটিস নি আক্রান্ত মায়ের কাছ থেকে শিশুর দেহে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়া।

⭐ কিভাবে মায়ের কাছ থেকে সন্তান সংক্রমণ বেশি হয়?
অনেক মায়েরই কোনো লক্ষণ থাকে না—তারা জানেন না যে তারা হেপাটাইটিস বি বহন করছেন।

জন্মের সময় রক্ত/দেহতরলের সংস্পর্শে এবং কিছু ক্ষেত্রে
গর্ভাবস্থায় প্লাসেন্টার মাধ্যমে শিশুর দেহে ভাইরাস যেতে পারে। জন্মের পর ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শেও সংক্রমণ ঘটতে পারে।

⭐ প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়
১️. প্রতিটি গর্ভবতী নারীর HBsAg টেস্ট করা জরুরি।
মা পজিটিভ হলে এবং রক্তে ভাইরাল লোড বেশি হলে গর্ভাবস্থার শেষ ৩ মাসে বিশেষ অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ দেওয়া হয়, যাতে সন্তানের সংক্রমণ ঝুঁকি কমে। এজন্য হেপাটোলজিস্টের পরামর্শ প্রয়োজন হয়।

২. জন্মের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রথম ডোজ ভ্যাকসিন
হেপাটাইটিস বি প্রতিরোধে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রমাণিত পদক্ষেপ। যত দ্রুত দেওয়া যায় তত ভালো। এই প্রথম ডোজকে বলা হয় Birth Dose Vaccine।

এরপর নিয়ম অনুযায়ী ৬ সপ্তাহ বয়স হতে সরকারিভাবে বিনা মূল্যে প্রদত্ত টিকা নেয়ার বাকি ডোজ সম্পন্ন করতে হবে।
৩. ভ্যাকসিনের পাশাপাশি একই সাথে নবজাতকের অন্য উরুর পেশিতে HBIG (Hepatitis B Immunoglobulin) দেওয়া হলে সংক্রমণ প্রতিরোধের সাফল্য আরও বাড়ে।

তাই হেপাটাইটিস বি প্রতিরোধে সবচেয়ে কার্যকর পদক্ষেপ হলো গর্ভবতী মায়েদের স্ক্রিনিং, নবজাতকের টিকা এবং সময়মতো চিকিৎসা। যাদের আগে টিকা নেয়া হয়নি, এবং যাদের পরিবারে হেপাটাইটিস বি রোগী আছেন—তাদের অবশ্যই টিকা নেওয়া উচিত।

ডা: ফয়েজ আহমদ খন্দকার
Dr Faiz Ahmad Khondaker
FCPS, MD, FRCP
লিভার ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ
সহযোগী অধ্যাপক
চেম্বার :
🏨পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিঃ ঠিকানাঃ ভবন- ৩, শান্তিনগর, ঢাকা , 09666787803, 01859264767

হেপাটাইটিস বি : কি এবং কেন? হেপাটাইটিস বি একটি ভাইরাস। এটি আমাদের লিভারকে সংক্রমণ করে। এই ভাইরাসে আমাদের দেশে অনেকেই আস্...
01/12/2025

হেপাটাইটিস বি : কি এবং কেন?
হেপাটাইটিস বি একটি ভাইরাস। এটি আমাদের লিভারকে সংক্রমণ করে। এই ভাইরাসে আমাদের দেশে অনেকেই আস্ক্রান্ত। এর মধ্যে কেউ কেউ জানেন যে তিনি আক্রান্ত। আবার বড় একটা অংশ জানেনই না যে তিনি আক্রান্ত বা এই ভাইরাস শরীরে বহন করছেন। কারন বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এটি উপসর্গহীন।

জানেন যারা তাদের কেউ কেউ ভাবেন এটা তেমন কিছু নয়। কষ্ট তো হচ্ছে না। এটা বড় ভুল। এই ভাইরাস চুপচাপ লিভার ড্যামেজ করতে পারে। বছর পরে গিয়ে দেখা যায় এদের কেউ কেউ সিরোসিস বা লিভার ক্যান্সারের মতো জটিলতায় ভুগছে।

সুখবর হলো—সময়মতো পরীক্ষা আর চিকিৎসা নিলে এই রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। আর সচেতনতা থাকলে সহজে প্রতিরোধও করা সম্ভব।

কীভাবে এটি শনাক্ত হয়?
একটি সহজ রক্ত পরীক্ষায়—HBsAg।
পজিটিভ বা Reactive হলে আরো কিছু টেস্ট করে দেখতে হয় ভাইরাসটি সক্রিয় না নিষ্ক্রিয়, চুপচাপ বসে আছে নাকি লিভারে প্রদাহ বা ড্যামেজ করছে। এগুলোর উপর ভিত্তি করে চিকিৎসা নির্ধারণ করা হয়।

হেপাটাইটিস বি কীভাবে ছড়ায়?
আক্রান্ত ব্যক্তির রক্ত বা শারীরিক কোন তরলের মাধ্যমে
জন্মের সময় মায়ের কাছ থেকে শিশুর মধ্যে, একই সূচ বা ব্লেড ব্যবহার করলে, অনিরাপদ ব্লাড ট্রান্সফিউশনে,
এবং অনিরাপদ যৌন সম্পর্কের মাধ্যমে।

কিভাবে ছড়ায় না
একই প্লেটে খাবার খাওয়া, হাত মেলানো, কাশি-হাঁচি বা একই বাসন ব্যবহার—এগুলোতে হেপাটাইটিস বি ছড়ায় না।

চিকিৎসা কি সবার দরকার?
সব HBsAg পজিটিভ ব্যাক্তিরই ওষুধ প্রয়োজন হয় না।
লিভারের অবস্থা, ভাইরাসের পরিমাণ, বয়স, অন্যান্য রোগ—এসব বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হয় এখনই এন্টিভাইরাল ঔষধ খেতে হবে কিনা।
সঠিক সময়ে চিকিৎসা শুরু করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ডা: ফয়েজ আহমদ খন্দকার
লিভার ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ
সহযোগী অধ্যাপক, হেপাটোলজি
✅চেম্বার :
🏨পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিঃ ঠিকানাঃ ভবন- ৩, শান্তিনগর, ঢাকা , 09666787803, 01859264767

জন্ডিসে হলুদ-মশলা কি সত্যিই ক্ষতিকর?আমাদের দেশে জন্ডিস হলেই অনেকেই রোগীকে হলুদ বা মশলা-যুক্ত খাবার খেতে সরাসরি নিষেধ করে...
30/11/2025

জন্ডিসে হলুদ-মশলা কি সত্যিই ক্ষতিকর?

আমাদের দেশে জন্ডিস হলেই অনেকেই রোগীকে হলুদ বা মশলা-যুক্ত খাবার খেতে সরাসরি নিষেধ করে দেন। অনেক পরিবারের ধারণা—“হলুদ খেলে শরীর আরও হলুদ হয়ে যাবে”, “মশলা খেলেই জন্ডিস বাড়ে”—এ কারণে রোগীকে দিনকে দিন মশলা-বিহীন জাউভাত খেতে বাধ্য করা হয়।
কিন্তু বিজ্ঞান বলে ভিন্ন কথা।

✅ ১. জন্ডিস বাড়ায় লিভারের রোগ, খাবার নয়

জন্ডিস তখনই হয়, যখন লিভার প্রদাহগ্রস্ত (যেমন Hepatitis), অথবা পিত্ত প্রবাহে বাধা থাকে (gallstone, bile duct blockage ইত্যাদি)।
কোনো খাবার—হলুদ, লাল মরিচ বা মশলা—জন্ডিস “বাড়িয়ে দেয়” এমন বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।

✅ ২. হলুদ (Turmeric) বরং লিভারের জন্য উপকারী

হলুদের সক্রিয় উপাদান কারকিউমিন প্রদাহ-বিরোধী (anti-inflammatory) ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।
পরিমিত পরিমাণ হলুদযুক্ত রান্না লিভারের ক্ষতি করে না—বরং প্রদাহ কমাতে সহায়তা করে।
(অতিরিক্ত মাত্রায় হলুদ সাপ্লিমেন্ট নেয়া উচিত নয়—কিন্তু সাধারণ রান্নার হলুদ নিরাপদ।)

✅ ৩. সাধারণ মশলা স্বাভাবিক লিভার রোগীদের ক্ষতি করে না

জিরা, ধনিয়া, দারুচিনি, লবঙ্গ—এসব মশলা অল্প পরিমাণে রান্নায় ব্যবহার করলে লিভারের ওপর বাড়তি চাপ পড়ে না।
চিকিৎসক সাধারণত শুধু চর্বি ও অতিরিক্ত ভাজা-পোড়া খাবার এড়িয়ে যেতে বলেন কারণ এগুলো হজমে বাড়তি চাপ তৈরি করে।

৪. শুধু জাউভাত খাওয়ানো — রোগীকে দুর্বল করে দেয়।
জন্ডিসে রোগীর শক্তি, ভিটামিন ও প্রোটিনের প্রয়োজন আরও বেড়ে যায়। কেবল জাউভাত খেতে দিলে রোগী—শরীর দুর্বল হয়, পেশি ক্ষয় হয়, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়, রোগ থেকে সেরে ওঠার সময় দীর্ঘ হয়।।

ডা: ফয়েজ আহমদ খন্দকার
লিভার ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ
পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, শান্তিনগর, ঢাকা।
#জন্ডিস

Address

Popular Diagnostic Limited, 15 Shantinagar
Dhaka
1217

Opening Hours

Monday 18:00 - 21:30

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Faiz Ahmad Khondaker posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Faiz Ahmad Khondaker:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

ডাঃ ফয়েজ আহমেদ খন্দকার

লিভার রোগ ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

ডাঃ ফয়েজ আহমেদ খন্দকার

এমবিবিএস (ডিএমসি), এফসিপিএস (মেডিসিন)

এম ডি (হেপাটোলজি)