Back In Motion: American Health & Wellness Center

Back In Motion: American Health & Wellness Center Back in Motion Ltd, specializes in Manual therapy, a distinct art supported by scientific knowledge

26/02/2026

মাইগ্রেন প্রতিরোধের উপায়গুলো জেনে রাখুন।

25/02/2026

পায়ের আঙুল বেকে যাওয়া সমস্যার লক্ষণ-

আপনি কি আসক্ত? কিভাবে বুঝবেন? ধরুন আপনি ধূমপান বা স্মোকিং করেন। আপনি এতে আসক্ত কিনা কিভাবে বুঝবেন? 1. Tolerance: মানে আগ...
25/02/2026

আপনি কি আসক্ত? কিভাবে বুঝবেন? ধরুন আপনি ধূমপান বা স্মোকিং করেন। আপনি এতে আসক্ত কিনা কিভাবে বুঝবেন?

1. Tolerance: মানে আগে ২ টা সিগারেট খেলেই ভালো লাগত। এখন আর ২ টাতে তৃপ্তি হচ্ছে না। আরও বেশি লাগছে। কিছুদিন পর আরও লাগছে।

2. Dependence: মানে এটা খারাপ জানা সত্ত্বেও থামাতে পারছেন না। থামানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হওয়া।

3. Withdrawal: বন্ধ করলে, শারীরিক, মানসিক সমস্যা বা উপসর্গ দেখা দেওয়া।

এই তিন টার উত্তর যদি হ্যাঁ হয়, তাহলে আপনি আসক্তিতে ভুগছেন। সেটা যেমন হতে পারে মাদক, মদ, জুয়া, তেমনি হতে পারে কফি, নারকোটিক ওষুধ, চিনি, সোস্যাল মিডিয়া, এমনকি খাবারের আসক্তি।

আসক্তি এর মধ্যে সবচেয়ে খারাপ হচ্ছে ধূমপান বা সিগারেট আসক্তি। সব পাপ এর মা যেমন মিথ্যা, তেমনি সব আসক্তি এর মা বলা যায় এই সিগারেট আসক্তিকে। একবার এই আসক্তিতে পড়লে বের হয়ে হয়ে আসা সহজ নয়।

একটা সময় ছিলো জাতে উঠবার জন্য সিগারেট এ টান দেওয়া হত। আবার cool হবার জন্য সুখটান। সিগারেট কোম্পানি গুলো মুভি সিনেমা টা ইনভেস্ট করল: নায়ক সিগারেট ফুকছেন, আপনাকেও ফুকতে হবে।

কিন্তু একটা পর্যায় পর্যন্ত এটা পুরুষদের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিলো। নারীরা অনেক চেষ্টা করতেন তার প্রিয় পুরুষ টিকে সিগারেট ছাড়ানোর জন্য। এমন ও হয়েছে, তুমি না ছাড়লে, আমিও সিগারেট খাবো, এই থ্রেট অনেক পুরুষকে সিগারেট ছাড়তে বাধ্য করেছে।

সময় পাল্টেছে। পরবর্তীতে বিদেশে নারীরা সিগারেট ধরল। একটা সময় পার হবার পর, অনেক পশ্চিমা দেশে পাবলিক প্লেসে ধূমপান নিষিদ্ধ হলো। আমার একটা ধারণা ছিলো আমাদের দেশের নারীরা সিগারেট খান না। কিন্তু ইদানিং অনেক কফি শপে বা খোলা জায়গাতেও দেখছি নারীরা ধূমপান করছেন।

আর এটা ঠিক জাতে উঠবার জন্য নয় বা পুরুষকে নিষিদ্ধ করার জন্য নয়। আসক্ত হয়ে টানছেন এবং সাথের মেরুদণ্ডহীন পুরুষ এটা মেনে নিয়ে একসাথেই টানছেন।

যারা ধূমপান করেন, তাদের আমার কথা অবশ্যই ভালো লাগবেনা। কিন্তু কেন বলছি, আসুন একটু দেখে নেই। ধূমপানে একজন পুরুষের যা ক্ষতি হয়, তার থেকে অনেক বেশি ক্ষতি হয় একজন নারীর এবং একজন নারীর (মা) ধূমপান করলে তার ক্ষতি কমপক্ষে তিন জেনারেসন থাকবে।

মায়ের ধূমপান গর্ভের সন্তানের জন্য খুবই ক্ষতিকর। সিগারেটের নিকোটিন, কার্বন মনোক্সাইড ও অন্যান্য বিষাক্ত রাসায়নিক প্লাসেন্টার মাধ্যমে সরাসরি শিশুর শরীরে পৌঁছে যায় এবং অক্সিজেন সরবরাহ কমিয়ে দেয়।

🤰 গর্ভাবস্থায় সম্ভাব্য ক্ষতি
• গর্ভপাতের ঝুঁকি বৃদ্ধি
• অকাল প্রসব (প্রিম্যাচিউর বার্থ)
• কম ওজনের শিশু জন্ম
• প্লাসেন্টার সমস্যা (প্লাসেন্টা আলাদা হয়ে যাওয়া বা রক্তক্ষরণ)
• একটোপিক প্রেগন্যান্সি (গর্ভাশয়ের বাইরে ভ্রূণ স্থাপন)

👶 জন্মের পর শিশুর ঝুঁকি
• হঠাৎ শিশুমৃত্যু সিনড্রোম (SIDS) এর ঝুঁকি বেশি
• শ্বাসকষ্ট, অ্যাজমা ও ফুসফুসের দুর্বলতা
• ঘন ঘন সর্দি-কাশি ও নিউমোনিয়া
• শেখার সমস্যা বা মনোযোগের ঘাটতি
• শারীরিক বৃদ্ধি ধীর হওয়া

🚬 পরোক্ষ ধূমপানও ক্ষতিকর

মা নিজে ধূমপান না করলেও, যদি আশেপাশে কেউ ধূমপান করে (প্যাসিভ স্মোকিং), তবুও গর্ভের শিশুর ক্ষতি হতে পারে।

ধূমপান নারীদের শরীরের প্রায় সব অঙ্গের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

🚺 প্রজনন ও হরমোনজনিত সমস্যা
• বন্ধ্যাত্বের ঝুঁকি বৃদ্ধি – ধূমপান ডিম্বাণুর ক্ষতি করে, ফলে গর্ভধারণ কঠিন হতে পারে।
• আগে মেনোপজ হওয়া – ধূমপায়ী নারীদের সাধারণত ১–২ বছর আগে মেনোপজ হয়।
• অনিয়মিত মাসিক – হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়।

❤️ হৃদরোগ
• হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়।
• জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি ব্যবহার করলে রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি আরও বেশি হয়।

🫁 ফুসফুস
• ফুসফুসের ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়।
• দীর্ঘমেয়াদি কাশি, ব্রংকাইটিস ও শ্বাসকষ্ট হতে পারে।

🦴 হাড়
• অস্টিওপোরোসিস (হাড় ক্ষয়) হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়, বিশেষ করে মেনোপজের পর।

💄 ত্বক ও সৌন্দর্য
• ত্বকে দ্রুত বলিরেখা পড়ে।
• দাঁত হলুদ হয়ে যায় ও মুখে দুর্গন্ধ হয়।

যেকোনো ধরনের আসক্তি ইসলামের দৃষ্টিতে হারাম আর ধূমপানের মতো আসক্তি থেকে মুক্ত হবার চমৎকার সুযোগ হচ্ছে এই রমজান। তাই এই রমজানে ধূমপানকে না বলুন এবং আপনার প্রিয়জনকে এর থেকে দূরে রাখুন। স্রষ্টা আমাদের সবাইকে আসক্তি মুক্ত জীবন যাপন করা সহজ করে দিন।

রোজার মাসে আমাদের দৈনন্দিন রুটিন অনেকটাই বদলে যায়। ইবাদতের সময় বেড়ে যায়, বিশেষ করে তারাবির নামাজে অনেকেই দীর্ঘ সময় ...
25/02/2026

রোজার মাসে আমাদের দৈনন্দিন রুটিন অনেকটাই বদলে যায়। ইবাদতের সময় বেড়ে যায়, বিশেষ করে তারাবির নামাজে অনেকেই দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকেন। অনেকে খেয়াল করেন—রোজার মাঝামাঝি এসে কোমর বা পিঠের নিচের অংশে ব্যথা শুরু হয়েছে। অনেকেই ভাবেন, নামাজ তো ভালো কাজ, তাহলে ব্যথা কেন? আসলে সমস্যা নামাজে নয় সমস্যা ভঙ্গিতে, প্রস্তুতিতে এবং শরীরের সহনশীলতায়।

আমাদের মেরুদণ্ড ৩৩টি কশেরুকা, মাঝখানে ডিস্ক (intervertebral disc), লিগামেন্ট ও পেশী দিয়ে গঠিত। দীর্ঘ সময় একই ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে থাকলে লাম্বার স্পাইনে (কোমরের অংশে) চাপ বেড়ে যায়। বিশেষ করে নিচের অংশে শরীরের ওজন বেশি পড়ে। দীর্ঘক্ষণ একই ভঙ্গিতে দাঁড়ালে ডিস্কের উপর চাপ বাড়ে। পিঠের গভীর পেশী multifidus, erector spinae এগুলো দীর্ঘ সময় শরীর সোজা ধরে রাখে। বিশ্রাম না পেলে এগুলো ক্লান্ত হয়ে টান ধরায়। স্থির অবস্থায় দাঁড়িয়ে থাকলে পেশীতে রক্তপ্রবাহ তুলনামূলক কম হয়। এতে ব্যথা ও অস্বস্তি বাড়ে। রোজায় পানি কম খাওয়ার কারণে ডিস্কের ভেতরের তরল কিছুটা কমে যায়। ফলে স্পাইনের কুশনিং কমে ব্যথা বাড়তে পারে।

নামাজের সময় ব্যাকপেইন প্রতিরোধে করণীয়ঃ-

✔️ দাঁড়ানোর সময় কাঁধ শিথিল রাখুন, পেট টেনে শক্ত করে না রেখে স্বাভাবিক রাখুন, হাঁটু একদম লক করে সোজা করবেন না, সামান্য নরম রাখুন, শরীরের ওজন দুই পায়ে সমান ভাগে ভাগ করে দিন। অনেকেই না জেনে হাঁটু শক্ত করে লক করে দাঁড়ান এতে কোমরে চাপ বাড়ে।

✔️ হঠাৎ ঝুঁকে পড়া বা দ্রুত উঠে দাঁড়ানো স্পাইনের উপর অতিরিক্ত চাপ ফেলে। ধীরে, নিয়ন্ত্রিতভাবে নড়াচড়া করলে পেশীর ওপর চাপ কম পড়ে।

✔️ তারাবির আগে হালকা স্ট্রেচিং। ৫-৭ মিনিটের সহজ ব্যায়াম সাহায্য করতে পারে। হালকা হ্যামস্ট্রিং স্ট্রেচ, ক্যাট-কাউ মুভমেন্ট, কোমর ঘোরানো, পেলভিক টিল্ট এগুলো পেশীকে প্রস্তুত করে।

✔️ নরম কিন্তু সাপোর্টিভ জায়নামাজ ব্যবহার করুন। খুব শক্ত মেঝেতে সিজদা করলে হাঁটু ও কোমরে চাপ বাড়ে। অতিরিক্ত নরম ম্যাটও ভালো নয় তাতে শরীরের ভারসাম্য নষ্ট হয়। মাঝামাঝি সাপোর্টিভ প্যাড ভালো।

✔️ ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত পর্যাপ্ত পানি পান করুন। ডিস্কের স্বাস্থ্য ও পেশীর কার্যকারিতা বজায় রাখতে হাইড্রেশন জরুরি।

নামাজ ব্যথার কারণ নয়। ভুল ভঙ্গি, দুর্বল পেশী, ডিহাইড্রেশন এবং প্রস্তুতির অভাব এগুলোই আসল কারণ। রোজার মাসে ইবাদত বাড়বে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু শরীরের যত্ন না নিলে ব্যথা বাড়বে এটাও বাস্তব।

ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ইউএসএ

অনেকেই বলেন—টেনশন হলেই আমার পেট খারাপ হয়ে যায়,ইন্টারভিউ বা পরীক্ষা থাকলে সকালে পেটে মোচড় দেয়, দুশ্চিন্তা বাড়লেই গ্যাস, ব...
24/02/2026

অনেকেই বলেন—টেনশন হলেই আমার পেট খারাপ হয়ে যায়,ইন্টারভিউ বা পরীক্ষা থাকলে সকালে পেটে মোচড় দেয়, দুশ্চিন্তা বাড়লেই গ্যাস, বমিভাব, ডায়রিয়া শুরু হয়। এগুলো কিন্তু কোনো হাস্যকর কথা নয় কিংবা মানুষের কল্পনাও নয়।

আমাদের মস্তিষ্ক ও অন্ত্রের মধ্যে সরাসরি স্নায়বিক সংযোগ আছে, যাকে বলা হয় গাট–ব্রেইন অ্যাক্সিস (Gut–Brain Axis)। এই যোগাযোগের বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করে Vagus nerve নামের একটি প্রধান স্নায়ু যা মস্তিষ্ক থেকে পাকস্থলী ও অন্ত্র পর্যন্ত সংকেত পাঠায়। অর্থাৎ, আপনি যখন মানসিক চাপে থাকেন, তখন শুধু মনে চাপ পড়ে না পেটও সেই সংকেত পায়।

এংজাইটি বাড়লে শরীর ফাইট অর ফ্লাইট মোডে চলে যায়। এতে কয়েকটি জিনিস একসাথে হয় যেমন।
▪️ স্ট্রেস হরমোন বেড়ে যায়
স্ট্রেসের সময় শরীরে কর্টিসল ও অ্যাড্রেনালিন নিঃসরণ বাড়ে। এর ফলে পাকস্থলীতে অ্যাসিডের পরিমাণ বাড়ে, খাবার হজমের স্বাভাবিক গতি ব্যাহত হয়, পেট মোচড়ানো বা জ্বালাপোড়া শুরু হতে পারে।

▪️ অন্ত্রের নড়াচড়া অস্বাভাবিক হয়
স্ট্রেস কখনও অন্ত্রের গতি বাড়িয়ে দেয় ফলে ডায়রিয়া, আবার কখনও কমিয়ে দেয় ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য হয়।
যাদের আগে থেকেই Irritable bowel syndrome আছে, তাদের ক্ষেত্রে এংজাইটি সরাসরি উপসর্গ বাড়িয়ে দেয় যেমন পেট ফাঁপা, পেট ব্যথা, অনিয়মিত মলত্যাগ।

▪️ পাকস্থলীর সুরক্ষাব্যবস্থা দুর্বল হয়
দীর্ঘমেয়াদি এংজাইটি পাকস্থলীর মিউকোসাল লেয়ার দুর্বল করে। এতে গ্যাস্ট্রিক, অ্যাসিডিটি, আলসারের ঝুঁকি বাড়তে পারে।

▪️ অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য নষ্ট হয়
আমাদের অন্ত্রে উপকারী ব্যাকটেরিয়া থাকে, যাকে বলা হয় গাট মাইক্রোবায়োম। দীর্ঘমেয়াদি স্ট্রেস এই ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে। ফলে গ্যাস, অস্বস্তি, হজমে সমস্যা দেখা দেয়।

ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

পুরুষের তুলনায় নারীরা কেন থাইরয়েডে বেশি আক্রান্ত হয়?আমাদের আশেপাশে এমন অনেক নারী আছেন যারা দীর্ঘদিন ক্লান্তি, ওজন বেড়ে য...
23/02/2026

পুরুষের তুলনায় নারীরা কেন থাইরয়েডে বেশি আক্রান্ত হয়?

আমাদের আশেপাশে এমন অনেক নারী আছেন যারা দীর্ঘদিন ক্লান্তি, ওজন বেড়ে যাওয়া বা কমে যাওয়া, চুল পড়া, মাসিকের অনিয়ম এসবকে স্বাভাবিক সমস্যা ভেবে এড়িয়ে যান। পরে পরীক্ষা করে জানা যায়, মূল কারণ থাইরয়েডের সমস্যা। প্রশ্নটা তাই স্বাভাবিক পুরুষদের তুলনায় নারীদের মধ্যে থাইরয়েড রোগ এত বেশি কেন?

নারীদের মধ্যে থাইরয়েড বেশি হওয়ার প্রধান কারণগুলোঃ-

🔸 অটোইমিউন প্রবণতা বেশি
বিজ্ঞানসম্মত গবেষণায় দেখা গেছে, নারীদের শরীরে অটোইমিউন রোগের ঝুঁকি পুরুষদের তুলনায় অনেক বেশি। থাইরয়েডের বেশিরভাগ সমস্যা যেমন: Hashimoto's thyroiditis,
Graves' disease এগুলো অটোইমিউন কারণে হয়, যেখানে শরীর নিজের থাইরয়েড গ্রন্থিকেই আক্রমণ করে। নারীদের ইমিউন সিস্টেম তুলনামূলক বেশি সক্রিয় যা সংক্রমণের বিরুদ্ধে ভালো হলেও অটোইমিউন ঝুঁকি বাড়ায়।

🔸 ইস্ট্রোজেন হরমোনের প্রভাব
নারীদের শরীরে বয়ঃসন্ধি, গর্ভাবস্থা সন্তান জন্মের পর, মেনোপজের কারনে ইস্ট্রোজেন হরমোনের মাত্রা ওঠানামা করে। থাইরয়েড হরমোনের প্রোটিন-বাইন্ডিং ও কার্যকারিতায় প্রভাব ফেলে। ফলে হরমোনের ভারসাম্য সহজেই বিঘ্নিত হতে পারে।

🔸 জেনেটিক কারণ
যদি পরিবারে (মা, বোন, খালা) কারও থাইরয়েড সমস্যা থাকে, তাহলে নারীদের ঝুঁকি আরও বাড়ে। গবেষণায় দেখা গেছে, একই পরিবারের নারীদের মধ্যে থাইরয়েড রোগের হার বেশি।

🔸 গর্ভাবস্থা ও প্রসব-পরবর্তী পরিবর্তন
গর্ভাবস্থায় থাইরয়েডের উপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে, কারণ তখন মা ও ভ্রূণ দুজনের জন্যই হরমোন দরকার হয়। অনেক নারীর ক্ষেত্রে সন্তান জন্মের পর Postpartum thyroiditis দেখা যায়, যা সাময়িক হলেও পরবর্তীতে স্থায়ী থাইরয়েড রোগে রূপ নিতে পারে।

🔸 আয়োডিন সংবেদনশীলতা
আয়োডিন থাইরয়েড হরমোন তৈরির মূল উপাদান। তবে আয়োডিনের অভাব বা অতিরিক্ততা দুই ক্ষেত্রেই সমস্যা হতে পারে।নারীদের হরমোনাল ওঠানামার কারণে আয়োডিনের ভারসাম্যহীনতায় থাইরয়েড দ্রুত প্রভাবিত হতে পারে।

ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

রোজার সময় অনেকেই অভিযোগ করেন মাথা ব্যথা করছে, দুর্বল লাগছে, প্রস্রাব গাঢ় রঙের হচ্ছে, ঠোঁট শুকিয়ে যাচ্ছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্...
22/02/2026

রোজার সময় অনেকেই অভিযোগ করেন মাথা ব্যথা করছে, দুর্বল লাগছে, প্রস্রাব গাঢ় রঙের হচ্ছে, ঠোঁট শুকিয়ে যাচ্ছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এর মূল কারণ ডিহাইড্রেশন বা শরীরে পানির ঘাটতি। দিনভর না খেয়ে থাকার চেয়ে অনেক সময় ঠিকভাবে পানি না খাওয়া বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়।

চলুন জেনে নেই রোজায় ডিহাইড্রেশন এড়ানোর কার্যকরী কিছু উপায়ঃ-

🔸 ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত রুটিন করে পানি গ্রহণ:
একসাথে ৩-৪ গ্লাস পানি খেয়ে লাভ নেই। শরীর একবারে সীমিত পরিমাণ পানি শোষণ করতে পারে। ইফতারে ১-২ গ্লাস, রাতের খাবারের পর ১-২ গ্লাস, ঘুমের আগে ১ গ্লাস, সেহরিতে ১-২ গ্লাস
এভাবে ভাগ করে খেলে শরীর পানি ভালোভাবে ধরে রাখতে পারে।

🔸 ক্যাফেইন কমান
চা, কফি, কোমল পানীয় এগুলো হালকা ডাইইউরেটিক হিসেবে কাজ করে। অর্থাৎ প্রস্রাবের পরিমাণ বাড়াতে পারে। ইফতার বা সেহরিতে বেশি কফি খেলে ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি বাড়তে পারে।

🔸 শুধু পানি নয়, ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য রাখুন:
ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে শুধু পানি নয়, সোডিয়াম, পটাশিয়ামও বেরিয়ে যায়। ডাবের পানি, লেবু-লবণ মিশ্রিত হালকা পানি, ফল (তরমুজ, বাঙ্গি) এগুলো খান। অতিরিক্ত চিনিযুক্ত শরবত এড়িয়ে চলুন এগুলো রক্তে শর্করা দ্রুত বাড়িয়ে পরে আবার তৃষ্ণা বাড়ায়।

🔸 প্রোটিন ও ফাইবারযুক্ত সেহরি বেছে নিন:
শুধু সাদা ভাত বা রুটি নয়। ডিম, ডাল, ওটস, শাকসবজি এই ধরনের খাবার ধীরে হজম হয় এবং শরীরে দীর্ঘসময় শক্তি ও তরল ভারসাম্য ধরে রাখতে সাহায্য করে।

রোজা শুধু ইবাদত নয়, এটা শৃঙ্খলার অনুশীলনও।
যদি সঠিকভাবে পানি ও খাবারের পরিকল্পনা করা যায়, তাহলে ডিহাইড্রেশন খুব সহজেই এড়ানো সম্ভব। নিজের শরীরের সংকেতকে অবহেলা করবেন না। সঠিক নিয়ম মেনে চললে রোজা হবে সুস্থ ও নিরাপদ।

ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

মহান মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা
21/02/2026

মহান মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা

সবাইকে মাহে রমজানের শুভেচ্ছা
18/02/2026

সবাইকে মাহে রমজানের শুভেচ্ছা

হঠাৎ গরম থেকে ঠান্ডা, বা ঠান্ডা থেকে গরম আবহাওয়ার এই দ্রুত পরিবর্তন আমরা প্রায়ই টের পাই শরীরে। কারও হালকা সর্দি লাগে, কা...
18/02/2026

হঠাৎ গরম থেকে ঠান্ডা, বা ঠান্ডা থেকে গরম আবহাওয়ার এই দ্রুত পরিবর্তন আমরা প্রায়ই টের পাই শরীরে। কারও হালকা সর্দি লাগে, কারও গলা বসে যায়, আবার অনেকেরই মাথা ব্যথা শুরু হয় কোনো পূর্ব সংকেত ছাড়াই। তাপমাত্রার হঠাৎ পরিবর্তন শরীরের ভেতরের কিছু সূক্ষ্ম প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে, যার ফলেই মাথা ব্যথা দেখা দিতে পারে।

হঠাৎ তাপমাত্রার বদলে মাথাব্যথার কারণঃ-

✔️ সাইনাসের চাপ পরিবর্তন
তাপমাত্রা ও আর্দ্রতার হঠাৎ পরিবর্তনে নাকের ভেতরের সাইনাস কেভিটিতে চাপের পরিবর্তন হয়।
সাইনাসের ভেতরে বাতাস আটকে গেলে বা মিউকাস জমে গেলে কপাল, চোখের চারপাশ ও নাকের উপরের অংশে চাপ ধরানো মাথা ব্যথা অনুভূত হতে পারে।

✔️ রক্তনালীর সংকোচন ও প্রসারণ
আমাদের মাথা ও ঘাড়ে অসংখ্য সূক্ষ্ম রক্তনালী আছে। ঠান্ডা পরিবেশে গেলে রক্তনালী সংকুচিত হয়, গরমে গেলে রক্তনালী প্রসারিত হয়। এই দ্রুত সংকোচন–প্রসারণ মস্তিষ্কের আশেপাশের স্নায়ুতে চাপ তৈরি করতে পারে, ফলে মাথা ব্যথা শুরু হয়। বিশেষ করে যাদের মাইগ্রেন প্রবণতা আছে, তাদের ক্ষেত্রে এই পরিবর্তন আরও বেশি প্রভাব ফেলে।

✔️ ডিহাইড্রেশন
গরমে ঘাম বেশি হলে শরীর থেকে পানি ও ইলেক্ট্রোলাইট বের হয়ে যায়। পানি কমে গেলে মস্তিষ্কের চারপাশের টিস্যু সামান্য সঙ্কুচিত হতে পারে, যা মাথা ব্যথার কারণ হয়।

✔️ পেশীর টান
হঠাৎ ঠান্ডা পড়লে ঘাড় ও কাঁধের পেশী স্বাভাবিকভাবেই শক্ত হয়ে যায়। এই পেশীগুলো টানটান থাকলে রক্ত সঞ্চালন কমে যায় এবং স্নায়ুর উপর চাপ পড়ে ফলে টেনশন টাইপ হেডেক শুরু হতে পারে। ঘাড় কাঁধের পেশীর ভারসাম্য নষ্ট হওয়াটাই এখানে বড় ভূমিকা রাখে।

প্রতিরোধ করণীয়ঃ-
✔️ হঠাৎ গরম থেকে ঠান্ডা রুমে ঢোকা বা ঠান্ডা থেকে গরমে যাওয়া এড়িয়ে চলুন। শরীরকে মানিয়ে নেওয়ার সময় দিন।

✔️ প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করুন

✔️ মানসিক স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণে রাখুন

✔️ ধুলোবালি এড়িয়ে চলুন

✔️ পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করুন

ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

Address

Zaraa Convention Center Building (4th Floor), House 7, Road 14, Gulshan-1
Dhaka
1212

Opening Hours

Monday 10:00 - 20:00
Tuesday 10:00 - 20:00
Wednesday 10:00 - 20:00
Thursday 10:00 - 20:00
Friday 10:00 - 20:00
Saturday 10:00 - 20:00
Sunday 10:00 - 20:00

Telephone

+8801313717272

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Back In Motion: American Health & Wellness Center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Back In Motion: American Health & Wellness Center:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category

OUR TREATMENT PHILOSOPHY

Back in Motion Ltd, specializes in Manual therapy, a distinct art supported by scientific knowledge and based on the philosophy and principles of Osteopathic Manual Medicine. Its philosophy embraces the concept that structure influences function. This system of manual diagnostic and treatment techniques includes soft tissue massage, myofascial release, joint mobilization/manipulation, and is used to relieve pain and restore normal musculoskeletal function, thereby enhancing the body’s capacity to heal. Our highly specialized level of treatment is at its best in finding and correcting the source of both acute and chronic conditions, rather than repeatedly treating the symptoms without correcting the underlying musculoskeletal dysfunctions.

Back In Motion clientele will receive the utmost in individualized, tailored treatment programs that immediately address each individual’s personal needs and goals.