Back In Motion: American Health & Wellness Center

Back In Motion: American Health & Wellness Center Back in Motion Ltd, specializes in Manual therapy, a distinct art supported by scientific knowledge

11/04/2026

খাবার থেকে তেল সম্পুর্ন বাদ দিবেন না। কারন---

অনেক মানুষই শরীরের সমস্যাকে প্রথমে হালকাভাবে নেয়। কিছু হবে না, নিজে থেকেই ঠিক হয়ে যাবে এই ভাবনায় সময় কাটায়। কিন্তু যখন স...
11/04/2026

অনেক মানুষই শরীরের সমস্যাকে প্রথমে হালকাভাবে নেয়। কিছু হবে না, নিজে থেকেই ঠিক হয়ে যাবে এই ভাবনায় সময় কাটায়। কিন্তু যখন সমস্যা একটু সিরিয়াস হয়ে ওঠে, তখনও অনেকেই ডাক্তার দেখাতে দেরি করে। কেন? বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এর পেছনে থাকে ভয় আর লজ্জা যা আমাদের অজান্তেই বড় ধরনের ঝুঁকির দিকে ঠেলে দেয়।

✅ অনেকেই মনে মনে ভাবে ডাক্তার দেখালে যদি বড় কোনো রোগ ধরা পড়ে? এই ভয় থেকেই তারা চেকআপ এড়িয়ে চলে। কিন্তু রোগ লুকিয়ে রাখলে বা দেরি করলে সেটাই আরও জটিল হয়ে যায়। প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পড়লে বেশিরভাগ রোগই সহজে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

✅ বিশেষ করে কিছু সমস্যা যেমন যৌন স্বাস্থ্য, প্রস্রাব বা পায়খানার সমস্যা, স্তন বা প্রজনন অঙ্গের সমস্যা এসব নিয়ে অনেকেই লজ্জা পায়। ফলে তারা চুপ করে থাকে। কিন্তু মনে রাখতে হবে, ডাক্তারদের কাছে এসব একেবারেই স্বাভাবিক বিষয়। আপনার জন্য যা লজ্জার, তাদের জন্য তা দৈনন্দিন কাজের অংশ।

✅ অনেকেই ভাবে মানুষ জানলে কি বলবে?বিশেষ করে মানসিক স্বাস্থ্য, যৌন রোগ বা দীর্ঘস্থায়ী রোগের ক্ষেত্রে এই ভয় বেশি কাজ করে।এই সামাজিক চাপের কারণে অনেক রোগী চিকিৎসা না নিয়ে সমস্যাকে আরও বাড়িয়ে ফেলে।

✅ আগে কখনো ডাক্তার বা হাসপাতাল নিয়ে খারাপ অভিজ্ঞতা থাকলে অনেকেই আবার যেতে চায় না। কিন্তু একবারের অভিজ্ঞতার জন্য পুরো চিকিৎসা ব্যবস্থাকে এড়িয়ে যাওয়া নিজেরই ক্ষতি।

✅ অনেকেই ইউটিউব, গুগল দেখে নিজেই চিকিৎসা শুরু করে। এতে সাময়িক উপশম হলেও মূল সমস্যা থেকে যায় বা আরও খারাপ হতে পারে। ভুল চিকিৎসা অনেক সময় নতুন জটিলতা তৈরি করে।

ভয় আর লজ্জা এই দুইটা অনুভূতি স্বাভাবিক, কিন্তু এগুলোর কারণে যদি আপনি চিকিৎসা থেকে দূরে থাকেন, তাহলে সেটাই বড় ভুল। শরীরের সমস্যাকে লুকিয়ে রাখা কখনো সমাধান নয় বরং সময়মতো সঠিক চিকিৎসাই আপনার সুরক্ষা।

ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

09/04/2026

মেনোপজের আগাম লক্ষণ।

08/04/2026

American Physiotherapy in Bangladesh

08/04/2026

লিভার সুস্থ রাখার সহজ উপায়

ঘরের পরিবেশ সুন্দর করতে, হালকা সুগন্ধ ছড়িয়ে দিতে অনেকেই সুগন্ধি মোমবাতি ব্যবহার করেন। নরম আলো আর মন ভালো করা ঘ্রাণ দুটোই...
08/04/2026

ঘরের পরিবেশ সুন্দর করতে, হালকা সুগন্ধ ছড়িয়ে দিতে অনেকেই সুগন্ধি মোমবাতি ব্যবহার করেন। নরম আলো আর মন ভালো করা ঘ্রাণ দুটোই মিলিয়ে একটা আরামদায়ক আবহ তৈরি হয়। দিনের শেষে ক্লান্তি দূর করতে বা একটু শান্ত সময় কাটাতে এই অভ্যাস অনেকের কাছেই বেশ আকর্ষণীয়। কিন্তু আরামদায়ক এই অভ্যাসের পেছনে লুকিয়ে থাকতে পারে কিছু অদৃশ্য স্বাস্থ্যঝুঁকি যা আমরা বেশিরভাগ সময় গুরুত্ব দিই না।

মোমবাতি জ্বালানোর সময় শুধু আলো বা ঘ্রাণই তৈরি হয় না, এর সঙ্গে নির্গত হয় কিছু ক্ষুদ্র কণা ও গ্যাস, যা সরাসরি আমাদের শ্বাসপ্রশ্বাসের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে। বিশেষ করে সুগন্ধযুক্ত মোমবাতিতে ব্যবহৃত কৃত্রিম রাসায়নিক উপাদান পোড়ানোর সময় কিছু ক্ষতিকর যৌগ তৈরি করতে পারে।

সুগন্ধি মোমবাতির সম্ভাব্য ক্ষতিকর প্রভাবঃ-

🔹 অনেক সুগন্ধি মোমবাতি তৈরি হয় সস্তা প্যারাফিন, কৃত্রিম রং ও সুগন্ধি দিয়ে। এগুলো পোড়ালে বাতাসে বিভিন্ন ক্ষতিকর গ্যাস ও সূক্ষ্ম কণা ছড়িয়ে পড়ে।

🔹 দহন প্রক্রিয়ায় তৈরি হওয়া অতিক্ষুদ্র কণাগুলো (PM2.5) সহজেই ফুসফুসে প্রবেশ করে এবং দীর্ঘমেয়াদে শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা তৈরি করতে পারে।

🔹 কিছু মোমবাতি থেকে ফর্মালডিহাইড, বেনজিন বা অন্যান্য ক্ষতিকর রাসায়নিক নির্গত হতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

🔹 বন্ধ ঘরে দীর্ঘ সময় মোমবাতি জ্বালালে বাতাসে অক্সিজেনের মাত্রা কমে গিয়ে শ্বাসকষ্ট, মাথাব্যথা বা অস্বস্তি দেখা দিতে পারে।

🔹 ত্বক, চোখ ও গলার জ্বালাপোড়া, অ্যালার্জি কিংবা মাইগ্রেনের মতো সমস্যাও তৈরি হতে পারে।

সম্ভব হলে কৃত্রিম সুগন্ধিযুক্ত মোমবাতি এড়িয়ে চলুন। ঘর বন্ধ রেখে কখনোই মোমবাতি জ্বালাবেন না বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখুন। দীর্ঘ সময় ধরে মোমবাতি জ্বালানো থেকে বিরত থাকুন। বেড রুমে মোমবাতি ব্যবহার না করাই ভালো। কালো ধোঁয়া তৈরি হলে সঙ্গে সঙ্গে মোমবাতি নিভিয়ে ফেলুন। মোমবাতির খুব কাছে বসে বা দাঁড়িয়ে শ্বাস নেওয়া এড়িয়ে চলুন।

ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

আমরা প্রায়ই শুনি বেশি পানি খাও, শরীর ভালো থাকবে। গরমে, অসুস্থতায়, বা ফিটনেস নিয়ে সচেতন হলে এই কথাটা আরও বেশি বলা হয়। ফলে...
07/04/2026

আমরা প্রায়ই শুনি বেশি পানি খাও, শরীর ভালো থাকবে। গরমে, অসুস্থতায়, বা ফিটনেস নিয়ে সচেতন হলে এই কথাটা আরও বেশি বলা হয়। ফলে অনেকেই মনে করেন, যত বেশি পানি খাবেন, ততই ভালো। কিন্তু আসল প্রশ্ন হচ্ছে সত্যিই কি বেশি পানি খাওয়া সবসময় শরীরের জন্য উপকারী? নাকি এরও একটা সীমা আছে, যেটা অতিক্রম করলে উল্টো ক্ষতি হতে পারে?

পানি আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে, হজম প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে, রক্ত সঞ্চালন ঠিক রাখে, বর্জ্য পদার্থ বের করে দিতে সহায়তা করে, কোষের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখে। অর্থাৎ, পানি ছাড়া শরীর ঠিকভাবে কাজই করতে পারে না। কিন্তু অনেকেই ভাবেন, বেশি পানি মানেই বেশি উপকার। কিন্তু বাস্তবে অতিরিক্ত পানি শরীরের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে যেমনঃ-

🔹 ওভারহাইড্রেশন
অতিরিক্ত পানি খেলে শরীরে পানি জমে যায়, যাকে বলে ওভারহাইড্রেশন। এতে শরীরের স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট হয়।

🔹 সোডিয়ামের মাত্রা কমে যাওয়া
আমাদের রক্তে সোডিয়ামের একটি নির্দিষ্ট মাত্রা থাকে। অতিরিক্ত পানি খেলে এই সোডিয়াম পাতলা হয়ে যায়। এর ফলে হতে পারে মাথা ঘোরা, বমি ভাব, বিভ্রান্তি, খিঁচুনি (গুরুতর ক্ষেত্রে)।

🔹 কিডনির উপর চাপ
একটি সুস্থ কিডনি প্রতি ঘণ্টায় নির্দিষ্ট পরিমাণ পানি ফিল্টার করতে পারে। তার বেশি পানি খেলে কিডনির উপর অপ্রয়োজনীয় চাপ পড়ে।

🔹 বারবার প্রস্রাব ও ঘুমের সমস্যা
অতিরিক্ত পানি খেলে বারবার টয়লেটে যেতে হয়, ফলে ঘুম ব্যাহত হয়।

পানির প্রয়োজন নির্ভর করে বয়স, ওজন, আবহাওয়া (গরম/ঠান্ডা), শারীরিক পরিশ্রম, অসুস্থতার উপর। সাধারণভাবে একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দিনে প্রায় ২-৩ লিটার পানি প্রয়োজন হতে পারে। তবে এটা নির্দিষ্ট সংখ্যা না ব্যক্তিভেদে পরিবর্তন হয়।

ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

06/04/2026

From Pain to Strength - Back In Motion: American Health & Wellness Center

06/04/2026

ভিটামিন B12 এর ঘাটতির লক্ষনগুলো জেনে নিন-

ডায়াবেটিস মানে শুধু রক্তে শর্করা বেশি থাকা নয় এটি ধীরে ধীরে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গকে প্রভাবিত করে, যার মধ্যে চোখ সবচেয়ে ঝুঁ...
06/04/2026

ডায়াবেটিস মানে শুধু রক্তে শর্করা বেশি থাকা নয় এটি ধীরে ধীরে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গকে প্রভাবিত করে, যার মধ্যে চোখ সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ একটি। অনেক সময় রোগীরা বুঝতেই পারেন না, ভিতরে ভিতরে চোখের ক্ষতি শুরু হয়ে গেছে। যখন লক্ষণ বোঝা যায়, তখন অনেক দেরি হয়ে যায়। তাই সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এবং সঠিক নিয়ন্ত্রণ এই তিনটিই চোখকে নিরাপদ রাখার মূল চাবিকাঠি।

ডায়াবেটিসের কারণে চোখের রেটিনার (চোখের ভেতরের আলোক-সংবেদনশীল স্তর) ছোট ছোট রক্তনালী ক্ষতিগ্রস্ত হলে তাকে ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি বলা হয়। দীর্ঘদিন রক্তে শর্করা বেশি থাকলে রক্তনালী ফুলে যায় বা লিক করে, নতুন কিন্তু দুর্বল রক্তনালী তৈরি হয় ফলে দৃষ্টি ঝাপসা বা স্থায়ী অন্ধত্বও হতে পারে। শুরুতে অনেক সময় কোনো লক্ষণ থাকে না। কিন্তু অবহেলা করলে দেখা দিতে পারে ঝাপসা দেখা, চোখে ভাসমান কালো দাগ (floaters), রাতের বেলায় কম দেখা, হঠাৎ দৃষ্টি কমে যাওয়া। সমস্যা হলো লক্ষণ দেখা মানেই অনেক ক্ষেত্রে ক্ষতি ইতিমধ্যে হয়ে গেছে।

ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি শুরুতে কোনো লক্ষণ দেয় না। তাই শুধু ভালো দেখছি বলে চোখ ভালো আছে এটা ভুল ধারণা। চোখের বিশেষ পরীক্ষা (ডাইলেটেড ফান্ডাস এক্সাম) ছাড়া ভিতরের ক্ষতি ধরা পড়ে না। বছরে অন্তত ১ বার পরীক্ষা করলে খুব শুরুর পর্যায়ে সমস্যা ধরা পড়ে, চিকিৎসা শুরু করা যায়, স্থায়ী ক্ষতি বা অন্ধত্ব প্রতিরোধ করা সম্ভব। যারা দীর্ঘদিন ডায়াবেটিসে ভুগছেন বা শর্করা নিয়ন্ত্রণে নেই, তাদের ক্ষেত্রে আরও ঘন ঘন পরীক্ষা প্রয়োজন হতে পারে।

ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

05/04/2026

অস্টিওপ্যাথিক ম্যানুপুলেটিভ ট্রিটমেন্ট দিবে দীর্ঘদিন কোমর ব্যথা থেকে মুক্তি।

Address

Zaraa Convention Center Building (4th Floor), House 7, Road 14, Gulshan-1
Dhaka
1212

Opening Hours

Monday 10:00 - 20:00
Tuesday 10:00 - 20:00
Wednesday 10:00 - 20:00
Thursday 10:00 - 20:00
Friday 10:00 - 20:00
Saturday 10:00 - 20:00
Sunday 10:00 - 20:00

Telephone

+8801313717272

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Back In Motion: American Health & Wellness Center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Back In Motion: American Health & Wellness Center:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category

OUR TREATMENT PHILOSOPHY

Back in Motion Ltd, specializes in Manual therapy, a distinct art supported by scientific knowledge and based on the philosophy and principles of Osteopathic Manual Medicine. Its philosophy embraces the concept that structure influences function. This system of manual diagnostic and treatment techniques includes soft tissue massage, myofascial release, joint mobilization/manipulation, and is used to relieve pain and restore normal musculoskeletal function, thereby enhancing the body’s capacity to heal. Our highly specialized level of treatment is at its best in finding and correcting the source of both acute and chronic conditions, rather than repeatedly treating the symptoms without correcting the underlying musculoskeletal dysfunctions.

Back In Motion clientele will receive the utmost in individualized, tailored treatment programs that immediately address each individual’s personal needs and goals.