Back In Motion: American Health & Wellness Center

Back In Motion: American Health & Wellness Center Back in Motion Ltd, specializes in Manual therapy, a distinct art supported by scientific knowledge

আমরা সাধারণত উচ্চ রক্তচাপ (High Blood Pressure) নিয়ে বেশি কথা বলি, কিন্তু লো ব্লাড প্রেশার বা নিম্ন রক্তচাপও অনেক ক্ষেত্...
12/01/2026

আমরা সাধারণত উচ্চ রক্তচাপ (High Blood Pressure) নিয়ে বেশি কথা বলি, কিন্তু লো ব্লাড প্রেশার বা নিম্ন রক্তচাপও অনেক ক্ষেত্রে সমানভাবে ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। লো ব্লাড প্রেশার বলতে সাধারণত রক্তচাপ 90/60 mmHg-এর নিচে থাকাকে বোঝায়। কিছু মানুষের ক্ষেত্রে এটি জন্মগতভাবে কম থাকলেও কোনো সমস্যা হয় না, তবে অনেকের জন্য এটি হতে পারে গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যার একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্ক সংকেত।

লো ব্লাড প্রেশার হলে শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ বিশেষ করে মস্তিষ্ক, হৃদযন্ত্র ও কিডনিতে পর্যাপ্ত রক্ত ও অক্সিজেন পৌঁছায় না। এর ফলে মাথা ঘোরা, চোখে অন্ধকার দেখা, দুর্বলতা, মনোযোগের অভাব এমনকি হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো পরিস্থিতিও তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে বয়স্ক মানুষ, গর্ভবতী নারী, দীর্ঘদিন অসুস্থ রোগী ও নিয়মিত ওষুধ সেবনকারীদের ক্ষেত্রে লো ব্লাড প্রেশারকে হালকাভাবে নেওয়া একেবারেই উচিত নয়।

অনেক সময় পানিশূন্যতা, ঘুমের অভাব, দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকা বা কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণে সাময়িকভাবে রক্তচাপ কমে যেতে পারে। আবার কখনো এটি হতে পারে হরমোনজনিত সমস্যা, রক্তস্বল্পতা বা হৃদরোগের পূর্বাভাস। তাই লো ব্লাড প্রেশারের কারণ জানা এবং দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাপনে সচেতন পরিবর্তন আনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

লো ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণে খাদ্যাভ্যাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন। প্রতিদিন ৮–১০ গ্লাস বা তার বেশি পানি পান করুন। গরম আবহাওয়া, জ্বর, ডায়রিয়া বা বেশি ঘাম হলে পানির পরিমাণ বাড়াতে হবে। সকালে ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস পানি পান করা উপকারী। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরিমিত লবণ গ্রহণ উপকারী হতে পারে। কারণ সোডিয়াম রক্তচাপ বাড়াতে সহায়তা করে। তবে অতিরিক্ত লবণ হৃদরোগ ও কিডনির জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। নিজে নিজে মাত্রা বাড়াবেন না। পটাশিয়াম সমৃদ্ধ ফল, ফোলেট ও আয়রনযুক্ত খাবার, প্রোটিন ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট লো ব্লাড প্রেশারে সহায়ক।

লো ব্লাড প্রেশার সবসময় আলাদা কোনো রোগ না হলেও এটি শরীরের ভেতরের অসামঞ্জস্যতার একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রেই সঠিক সময়ে কারণ শনাক্ত করা গেলে এবং খাদ্যাভ্যাস, পানি পানের পরিমাণ ও জীবনযাপনে সামান্য পরিবর্তন আনলেই রক্তচাপকে স্বাভাবিক পর্যায়ে রাখা সম্ভব।

পর্যাপ্ত পানি পান, সুষম ও নিয়মিত খাবার গ্রহণ, প্রয়োজন অনুযায়ী লবণ ব্যবহার, পুষ্টিকর ফলমূল ও আয়রনসমৃদ্ধ খাদ্য এই সাধারণ বিষয়গুলো লো ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি পর্যাপ্ত ঘুম, অতিরিক্ত ক্লান্তি এড়িয়ে চলা এবং দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকা থেকে বিরত থাকাও সমান জরুরি।

ডা. মো: আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

আমাদের শরীর ও মস্তিষ্কের সম্পর্ক অনেক গভীর ও জটিল। কখনো কখনো শরীরের কোনো অঙ্গ কেটে ফেলার পরও (যেমন—হাত, পা, আঙুল) রোগী স...
11/01/2026

আমাদের শরীর ও মস্তিষ্কের সম্পর্ক অনেক গভীর ও জটিল। কখনো কখনো শরীরের কোনো অঙ্গ কেটে ফেলার পরও (যেমন—হাত, পা, আঙুল) রোগী সেই না-থাকা অংশেই ব্যথা, জ্বালা, চাপ বা অস্বস্তি অনুভব করেন। এই রহস্যময় অনুভূতিকেই চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় Phantom Pain বা ফ্যান্টম পেইন। চিকিৎসাবিজ্ঞানের দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি বোঝা খুব গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এখানে শরীর, স্নায়ুতন্ত্র ও মস্তিষ্ক তিনটিরই সমন্বিত ভূমিকা রয়েছে।

ফ্যান্টম পেইন হলো এমন এক ধরনের ব্যথা বা অনুভূতি, যা শরীরের এমন অংশে অনুভূত হয় যে অংশটি বাস্তবে আর শরীরে নেই। এটি শুধুই কল্পনা নয়, বরং বাস্তব শারীরবৃত্তীয় নিউরোলজিকাল প্রক্রিয়ার ফল। কারা ফ্যান্টম পেইনে বেশি ভোগেন?

✔️ যাদের হাত বা পা কেটে ফেলা হয়েছে (Amputation)

✔️ দুর্ঘটনা বা যুদ্ধজনিত আঘাতে অঙ্গ হারানো ব্যক্তি

✔️ কিছু ক্ষেত্রে স্তন অপসারণ (mastectomy) বা দাঁত তুলে ফেলার পরও

✔️ জন্মগতভাবে অঙ্গ না থাকলেও বিরল ক্ষেত্রে ফ্যান্টম অনুভূতি দেখা যায়

ফ্যান্টম পেইনে বিভিন্ন রকম অনুভূতি হতে পারে, যেমনঃ-

✔️ জ্বালাপোড়া বা পোড়া পোড়া ব্যথা
✔️ সূচ ফোটার মতো খোঁচা
✔️ চাপ বা মোচড় দেওয়ার অনুভূতি
✔️ বৈদ্যুতিক শকের মতো ব্যথা
✔️ চুলকানি বা ঝিনঝিনে ভাব
এইসব ব্যথা বাস্তব, রোগীর মনের ভুল নয়।

ফ্যান্টম পেইন সব সময় স্থায়ী নয়। অনেক রোগীর ক্ষেত্রে কয়েক মাস বা বছরের মধ্যে কমে যায়। কারও ক্ষেত্রে মাঝে মাঝে আসে, আবার কিছু রোগীর দীর্ঘমেয়াদী সমস্যাও হতে পারে। ব্যক্তিভেদে অভিজ্ঞতা ভিন্ন হয়।

ডা. মো: আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

নিত্যদিনের জীবনে আমরা প্রায়ই শুনি “বয়স্ক মানুষ, তাই সহ্য করতেই হবে” অথবা বড়দের সব কথাই মানতে হয়। কিন্তু সত্যিই কি সম্মান...
10/01/2026

নিত্যদিনের জীবনে আমরা প্রায়ই শুনি “বয়স্ক মানুষ, তাই সহ্য করতেই হবে” অথবা বড়দের সব কথাই মানতে হয়। কিন্তু সত্যিই কি সম্মান আর সহনশীলতা এক জিনিস? নাকি এই দুটির মাঝখানে আছে সূক্ষ্ম কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য যা আমাদের মানসিক স্বাস্থ্য, পারিবারিক সম্পর্ক এবং সামগ্রিক সুস্থতার উপর গভীর প্রভাব ফেলে।
বৃদ্ধদের সম্মান বনাম সহনশীলতা ফারাকটা ঠিক কোথায়?

মনোবিজ্ঞানের ভাষায় সম্মান মানে অন্যের মতামত শোনা, ভিন্নমত থাকলেও ব্যক্তিটিকে ছোট না করা, সীমারেখা (boundaries) স্বীকার করা। বয়স্কদের ক্ষেত্রে সম্মান আসে মূলত দীর্ঘ জীবনের অভিজ্ঞতা, সামাজিক ও পারিবারিক অবদান, বয়সজনিত শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনের প্রতি সচেতনতা থেকে। সম্মান স্বেচ্ছায় আসে, চাপিয়ে দেওয়া যায় না। অন্যদিকে সহনশীলতা হলো এমন একটি মানসিক অবস্থা যেখানে কেউ অস্বস্তি, কষ্ট বা অপমান অনুভব করলেও তা চুপচাপ মেনে নেয়। স্ট্রেস ও নিউরোসায়েন্সের দৃষ্টিতে, দীর্ঘদিন সহ্য করতে থাকলে কর্টিসল বেড়ে যায়। উদ্বেগ, বিষণ্ণতা ও রাগ জমতে থাকে, স্নায়ুতন্ত্র ক্রমাগত fight or flight অবস্থায় থাকে। সহনশীলতা অনেক সময় হয় ভয়, সামাজিক চাপ বা guilt থেকে, সম্মান থেকে নয়।

জেরিয়াট্রিক সাইকোলজি বলছে, বয়স বাড়ার সাথে সাথে কিছু পরিবর্তন হয়:
▪️ আবেগ নিয়ন্ত্রণ কমে যেতে পারে
▪️ স্মৃতিভ্রংশ বা personality change হতে পারে
▪️ ভয় ও অসহায়ত্ব থেকে রাগী আচরণ দেখা দিতে পারে

কিন্তু বয়স কখনোই মানসিক নির্যাতন, অপমান বা অন্যায় আচরণের বৈজ্ঞানিক অজুহাত হতে পারেনা।সম্মান মানে বোঝা, সহনশীলতা মানে নিজের ক্ষতি করে সহ্য করা এই দুই কখনোই এক নয়। চিকিৎসা ও মনোবিজ্ঞানের গবেষণায় দেখা গেছে দীর্ঘদিন নিজেকে দমিয়ে রেখে, “আমি বড়দের কষ্ট দিতে পারি না” এই ভাবনায় নিজের অনুভূতি উপেক্ষা করলে হতে পারে ক্রনিক স্ট্রেস, ডিপ্রেশন, পারিবারিক সম্পর্কে দূরত্ব, ইমোশনাল ব্রেকডাউন। যেটাকে আমরা ভদ্রতা ভাবি, সেটা কখনো কখনো নিজের উপর নীরব অত্যাচার হয়ে দাঁড়াতে পারে।

বৃদ্ধদের সম্মান করা আমাদের সামাজিক ও মানবিক দায়িত্ব। কিন্তু সেই সম্মানের নাম দিয়ে যদি কারো মানসিক শান্তি নষ্ট হয়, আত্মসম্মান কমে যায়, স্বাস্থ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয় তাহলে সেটা আর সম্মান থাকে না, হয়ে যায় অস্বাস্থ্যকর সহনশীলতা। সুস্থ পরিবার ও সমাজ গড়ে ওঠে সম্মান থেকে, ভয় বা চুপ করে সহ্য করার মাধ্যমে নয়।

ডা. মো: আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

08/01/2026

যেসব ব্যায়াম লো ব্লাড প্রেশারে ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

07/01/2026

গোলমরিচের উপকারিতাগুলো জেনে নিন

ডায়াবেটিস শুধু রক্তের শর্করার অসামঞ্জস্যের রোগ নয় এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি জীবনব্যাপী অবস্থা, যা প্রতিদিনের অভ্যাস, খাদ্য, ক...
07/01/2026

ডায়াবেটিস শুধু রক্তের শর্করার অসামঞ্জস্যের রোগ নয় এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি জীবনব্যাপী অবস্থা, যা প্রতিদিনের অভ্যাস, খাদ্য, কাজের সক্ষমতা এবং ভবিষ্যৎ স্বাস্থ্যঝুঁকির সঙ্গে জড়িয়ে থাকে। এই বাস্তবতার চাপ অনেক সময় রোগীর মনে গভীর প্রভাব ফেলে। বৈজ্ঞানিক গবেষণা বলছে, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের সফলতা অনেকটাই নির্ভর করে রোগীর মানসিক সুস্থতা ও ইতিবাচক মনোভাবের ওপর। তাই শারীরিক চিকিৎসার পাশাপাশি মানসিক যত্ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গেছে, ডায়াবেটিস রোগীদের মধ্যে বিষণ্নতা ও উদ্বেগের হার সাধারণ মানুষের তুলনায় প্রায় ২ গুণ বেশি। দীর্ঘদিন উচ্চ ব্লাড সুগার মস্তিষ্কে সেরোটোনিন, ডোপামিন এর ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে, যা মেজাজ খারাপ, অমনোযোগ ও ক্লান্তি বাড়ায়। আবার মানসিক চাপের সময় শরীরে কর্টিসোল ও অ্যাড্রেনালিন বেড়ে যায় এই হরমোনগুলো লিভার থেকে গ্লুকোজ নিঃসরণ বাড়িয়ে সুগার আরও বাড়িয়ে দেয়। এই কারণেই মন ভালো না থাকলে ওষুধ ঠিকমতো খেলেও অনেক রোগীর সুগার কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় আসে না।

নতুন ডায়াবেটিস ধরা পড়লে রোগীর মনে কয়েকটি স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়
“সারা জীবন কি ওষুধ খেতে হবে?”, প্রিয় খাবার ছেড়ে দিতে হবে, শোকবোধ, জটিলতার কথা শুনে অনিশ্চয়তা, পরিবার ও সমাজে বোঝা হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা, বারবার পরীক্ষা ও নিয়ম মানার ক্লান্তি। এগুলোকে বলে Diabetes Distress যা ক্লিনিক্যাল বিষণ্নতা না হলেও চিকিৎসা অবহেলার বড় কারণ।

ডায়াবেটিস রোগীদের যেসব মানসিক সমস্যা বেশি দেখা যায়ঃ-

▪️ উদ্বেগ (Anxiety):
সুগার কমে যাওয়ার অতিরিক্ত ভয়, ইনজেকশন নেওয়ার ভীতি, ভবিষ্যৎ নিয়ে অস্থিরতা।

▪️ বিষণ্নতা (Depression):
সারাক্ষণ ক্লান্ত লাগা, কোনো কাজে আনন্দ না পাওয়া, মনোযোগ কমে যাওয়া, নিজের যত্নে অবহেলা।

▪️ ঘুমের সমস্যা

▪️ Cognitive সমস্যা:
দীর্ঘদিনের ডায়াবেটিসে স্মৃতি ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কিছুটা কমতে পারে।

এই উপসর্গ থাকলে রোগীকে “আপনি তো নিয়ম মানছেন না” বলে দোষারোপ করা ঠিক নয়; বরং আগে তার মনের অবস্থা বুঝতে হবে।

যখন অবশ্যই বিশেষজ্ঞ সাহায্য নেবেনঃ-

▪️ ২ সপ্তাহের বেশি তীব্র মন খারাপ থাকলে

▪️ ওষুধ খেতে ইচ্ছে না করা

▪️ বারবার সুগার খুব ওঠানামা

▪️ আতঙ্ক বা একবারে ঘুম না হওয়া

▪️ নিজের যত্ন সম্পূর্ণ ছেড়ে দেওয়া

এ অবস্থায় মানসিক রোগের চিকিৎসা নিলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ আবার সহজ হয়ে ওঠে।

ডা. মো: আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

06/01/2026

জাফরানের উপকারিতাগুলো জেনে নিন

শীতকাল এলেই অনেকের দৈনন্দিন অভিজ্ঞতা প্রায় একরকম হয়ে যায়। গরম কাপড়, কুয়াশা, সকালে দেরিতে ঘুম ভাঙা। এসবের পাশাপাশি আরেকটা...
06/01/2026

শীতকাল এলেই অনেকের দৈনন্দিন অভিজ্ঞতা প্রায় একরকম হয়ে যায়। গরম কাপড়, কুয়াশা, সকালে দেরিতে ঘুম ভাঙা। এসবের পাশাপাশি আরেকটা জিনিস প্রায় সবাই খেয়াল করেন, ক্ষুধা যেন হঠাৎ করেই বেড়ে যায়।

একটু আগেই নাশতা করলেন, তবু কিছুক্ষণ পর আবার খেতে ইচ্ছে করছে। গরম কিছু খেলেই ভালো লাগছে, বারবার চা-কফি বা খাবারের দিকে হাত যাচ্ছে। অনেকেই বলেন, “শীতে না খেলে শরীর দুর্বল লাগে” কিন্তু কেন লাগে, সেটা পরিষ্কার করে জানি না। অনেকে মনে করেন এটা হয়তো অলসতা, কেউ ভাবেন শীতের কারণে হজম ভালো হয়, আবার কেউ বলেন শরীর বুঝি এমনিতেই বেশি খাবার চায়। আসলে প্রশ্নটা হলো শীতে ক্ষুধা বাড়াটা কি শুধু অভ্যাস, নাকি এর পেছনে শরীরের ভেতরে কোনো বৈজ্ঞানিক পরিবর্তন ঘটে? ভালো খবর হলো এটা কোনো কাকতালীয় ব্যাপার নয়। শীতকালে আমাদের শরীরের মেটাবলিজম, হরমোন ও শক্তির চাহিদায় পরিবর্তন ঘটে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ে ক্ষুধার ওপর।
কিন্তু একই সঙ্গে এটাও সত্য সব ক্ষুধার উত্তর খাবার দিয়ে দেওয়া ঠিক নয়। কী খাবেন, কতটা খাবেন আর কীভাবে খাবার বাছবেন এগুলো ঠিক না হলে শীতকালে অজান্তেই ওজন, সুগার বা কোলেস্টেরল বেড়ে যেতে পারে। তাই শীতে ক্ষুধা বাড়ার কারণটা জানা যেমন জরুরি, ঠিক তেমনি জরুরি হলো খাবার দিয়ে সেই ক্ষুধাকে বুদ্ধিমানের মতো নিয়ন্ত্রণ করা।

খাবার দিয়ে ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণের উপায়ঃ-

☑️ ফাইবারযুক্ত খাবার বেছে নিন। ফাইবার হজম ধীরে হয় এবং ক্ষুধা কমায়

☑️ গরম ও তরল জাতীয় খাবার খান। গরম খাবার পেট দ্রুত ভরায় পাশাপাশি অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবনতা কমায়।

☑️ খাদ্যতালিকায় প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবারের মাত্রা বাড়ান। প্রোটিন দীর্ঘক্ষন পেট ভরা রাখে।

☑️ অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেট এড়িয়ে চলুন। কার্বোহাইড্রেট সাময়িক তৃপ্তি দিলেও পরে আবার বেশি ক্ষুধা তৈরি করে।

☑️ দিনে অন্তত ৮-১০ গ্লাস পানি পান করুন। ঠান্ডা লাগলেও মনে রাখবেন, খাওয়ার আগে ১গ্লাস পানি ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

ডা. মো: আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

জন্ডিস মানেই কি সবসময় লিভারের রোগ? অনেকের ধারণা, জন্ডিস মানেই লিভারের বড় কোনো সমস্যা। কিন্তু চিকিৎসা বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে ...
05/01/2026

জন্ডিস মানেই কি সবসময় লিভারের রোগ?

অনেকের ধারণা, জন্ডিস মানেই লিভারের বড় কোনো সমস্যা। কিন্তু চিকিৎসা বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে এই ধারণাটি সম্পূর্ণ সঠিক নয়। জন্ডিস আসলে কোনো রোগ নয়, এটি একটি লক্ষণ। এটি শরীরের ভেতরে বিলিরুবিন নামক একটি রঞ্জকের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার ফলে দেখা দিয়ে থাকে।

আমাদের শরীরে পুরোনো লোহিত রক্তকণিকা ভাঙলে তৈরি হয় বিলিরুবিন।
এই বিলিরুবিন লিভারে গিয়ে প্রসেস হয়, পিত্তের মাধ্যমে অন্ত্রে গিয়ে বের হয়ে যায়। এই প্রক্রিয়ার যেকোনো ধাপে সমস্যা হলেই রক্তে বিলিরুবিন জমে যায় আর তখনই চোখ, ত্বক, প্রস্রাব হলুদ দেখায় এটাই জন্ডিস। জন্ডিসের কারণ শুধু লিভার নয়, আরও অনেক কিছু। চিকিৎসাবিজ্ঞানে জন্ডিসকে মূলত ৩টি বড় ভাগে ভাগ করা হয় যেমন:

☑️ Pre-hepatic Jaundice

এক্ষেত্রে লিভার স্বাভাবিক থাকে। কিন্তু লিভারে পৌঁছানোর আগেই অতিরিক্ত বিলিরুবিন তৈরি হয়।

সম্ভাব্য কারণ:
হেমোলাইটিক অ্যানিমিয়া (রক্তকণিকা দ্রুত ভেঙে যায়), থ্যালাসেমিয়া, ম্যালেরিয়া, ভুল গ্রুপের রক্ত সঞ্চালন, কিছু জেনেটিক রক্তের রোগ।

এক্ষেত্রে লিভার এনজাইম সাধারণত স্বাভাবিক থাকে, প্রস্রাব খুব গাঢ় হতে পারে নাও হতে পারে। মূল সমস্যা থাকে রক্তে, লিভারে নয়।

☑️ Hepatic Jaundice

এটাই সবচেয়ে পরিচিত ধরন।

সম্ভাব্য কারণ:
ভাইরাল হেপাটাইটিস (A, B, C, E), ফ্যাটি লিভার (বিশেষ করে NASH), অ্যালকোহলজনিত লিভার রোগ, লিভার সিরোসিস, কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, অটোইমিউন হেপাটাইটিস।

লক্ষণ:
চোখ ও ত্বকে হলুদ ভাব, দুর্বলতা, বমি ভাব, পেটের ডান পাশে ব্যথা, লিভার এনজাইম বেড়ে যাওয়া।

☑️ Post-hepatic Jaundice

এখানে লিভার বিলিরুবিন তৈরি ও প্রসেস করতে পারে, কিন্তু বিলিরুবিন বের হওয়ার পথে বাধা সৃষ্টি হয়।

সম্ভাব্য কারণ:
পিত্তথলির পাথর (Gallstone), পিত্তনালির সংকোচন, প্যানক্রিয়াসের টিউমার, পিত্তনালির ক্যান্সার, পরজীবী সংক্রমণ।

লক্ষণ:
খুব গাঢ় রঙের প্রস্রাব, পায়খানা ফ্যাকাশে/সাদা হয়ে যাওয়া, তীব্র চুলকানি, কখনো তীব্র পেট ব্যথা

🔺 যেসব উপসর্গ দেখা দিলে অবশ্যই ডাক্তারের শরণাপন্ন হবেনঃ-

🔹 ২-৩ দিনের বেশি জন্ডিস থাকলে
🔹 আগে থেকে লিভার ডিজিজ থাকলে
🔹 জ্বর বা পেট ব্যথা থাকলে
🔹 তীব্র দুর্বলতা বা বমি থাকলে
🔹 খুব গাড় প্রস্রাব/পায়খানা সাদা হলে

ডা. মো: আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

04/01/2026

বয়ষ্কদের স্মৃতিশক্তি ভালো রাখতে করনীয়

আমরা প্রায়ই বলি “বয়স হলে এসব স্বাভাবিক।” “বুড়ো মানুষ, ভুলবে না তো কে ভুলবে?”কিন্তু চিকিৎসা বিজ্ঞান বলে সব ভুলে যাওয়া স্ব...
04/01/2026

আমরা প্রায়ই বলি “বয়স হলে এসব স্বাভাবিক।” “বুড়ো মানুষ, ভুলবে না তো কে ভুলবে?”
কিন্তু চিকিৎসা বিজ্ঞান বলে সব ভুলে যাওয়া স্বাভাবিক নয়। আর বয়স্কদের ভুলে যাওয়া অবহেলা করা শুধু ব্যক্তিগত নয়, একটা সামাজিক সমস্যাও।

বয়সের সঙ্গে সঙ্গে মস্তিষ্কে কিছু স্বাভাবিক পরিবর্তন হয়। নিউরনের কার্যক্ষমতা ধীরে ধীরে কমতে থাকে, তথ্য প্রসেস করার গতি কমে, নতুন তথ্য মনে রাখতে সময় লাগে।
তাই চাবি কোথায় রেখেছেন, কারো নাম মনে পড়তে দেরি এগুলো স্বাভাবিক বয়সজনিত পরিবর্তন হতে পারে। কিন্তু এখানেই সব শেষ নয়। যখন ভুলে যাওয়া দৈনন্দিন জীবন ব্যাহত করে, ব্যক্তিত্ব বা আচরণ বদলে দেয়, পরিবার ও সমাজে সমস্যার সৃষ্টি করে। তখন সেটি আর বয়সজনিত ভুল নয় বরং রোগের লক্ষণ হতে পারে।

বয়স্কদের ভুলে যাওয়া সমস্যার বৈজ্ঞানিক কারণঃ-

✅ আলঝেইমার ডিজিজ:
সবচেয়ে সাধারণ ডিমেনশিয়া। এতে নতুন ঘটনা ভুলে যাওয়া, একই প্রশ্ন বারবার করা, পরিচিত মানুষ/জায়গা চিনতে সমস্যা দেখা দেয়।

✅ ডিমেনশিয়া:
এতে স্মৃতি, চিন্তা, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কমে যায়।

✅ ভাসকুলার ডিমেনশিয়া:
স্ট্রোক বা মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল কমে গেলে হয়।

✅ ভিটামিন B12 ঘাটতি:
একেবারে রিভার্সিবল কারণ। এটা চিকিৎসায় সম্পূর্ণ ভালো হয়।

✅ থাইরয়েড সমস্যা, ইনফেকশন, ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।

✅ ডিপ্রেশন-জনিত ভুলে যাওয়া
অনেক সময় বয়স্কদের ডিপ্রেশনকে ধরা পড়ে না, ভুলে যাওয়া, চিনতে না পারার লক্ষন দিয়ে শুরু হয়। যাকে বলা হয় Pseudodementia।

যে লক্ষণগুলো দেখলে সতর্ক হবেনঃ-

▪️ টাকাপয়সার হিসাব করতে সমস্যা
▪️ বারবার একই কথা বলা
▪️ হঠাৎ রাগ, সন্দেহ, আচরণে পরিবর্তন
▪️ পরিচিত রাস্তা ভুলে যাওয়া
▪️ নিজের যত্ন নিতে আগ্রহ কমে যাওয়া
▪️ সময়, ব্যক্তি, স্থান সম্পর্কে বিভ্রান্তি

ডা. মো: আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

অনেকেই চেম্বারে এসে বলেন, "স্যার রাতে ঠিকই ছিল, কিন্তু সকালে ঘুম থেকে উঠেই হাঁটু/কোমর/ঘাড় যেন জমে গেছে!”এই Morning stiff...
03/01/2026

অনেকেই চেম্বারে এসে বলেন, "স্যার রাতে ঠিকই ছিল, কিন্তু সকালে ঘুম থেকে উঠেই হাঁটু/কোমর/ঘাড় যেন জমে গেছে!”
এই Morning stiffness বা সকালে জোড়ার ব্যথা কাকতালীয় নয়। রাতভর শরীরের ভেতরে কিছু নির্দিষ্ট বায়োলজিক্যাল ও মেকানিক্যাল পরিবর্তন ঘটে যার প্রভাব আমরা সকালে টের পাই। চলুন বিষয়টা একটু গভীরভাবে বোঝা যাক।

Synovial fluid হলো জয়েন্টের প্রাকৃতিক লুব্রিকেন্ট। এটি কার্টিলেজকে পুষ্টি দেয়, জয়েন্টে ঘর্ষণ কমায়, নড়াচড়া মসৃণ রাখে। ঘুমের সময় আমরা দীর্ঘ সময় প্রায় একই ভঙ্গিতে থাকি। যার ফলে জয়েন্টের ভেতরের তরল (Synovial fluid) ঠিকমতো সঞ্চালিত হয় না। রাতে নড়াচড়া কম থাকলে এই তরল ঘন ও স্থির হয়ে যায়। জয়েন্টের কার্টিলেজে পুষ্টি পৌঁছানো কমে যায়, লিগামেন্ট ও ক্যাপসুল কিছুটা stiff হয়ে পড়ে। ফলাফল সকালে উঠে যখন হঠাৎ চাপ পড়ে তখন ব্যথা অনুভূত হয়।

এই ব্যথার পেছনে কর্টিসল হরমোনের ভূমিকাও কম নয়। কর্টিসল একটি প্রাকৃতিক এন্টি ইনফ্লামেটরি হরমোন। রাতে কর্টিসলের মাত্রা সবচেয়ে কম থাকে। ইনফ্লামেটরি রাসায়নিক তুলনামূলক বেশি সক্রিয় হয়। বিশেষ করে যাদের অস্টিওআর্থ্রাইটিস, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, দীর্ঘদিনের জয়েন্ট সমস্যা রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে সকালে ব্যথা বেশি অনুভূত হয়।

ঘুমের ভঙ্গিকেও অনেক সময় এই ব্যথার ক্ষেত্রে দায়ী করা যায়। ভুল ঘুমের ভঙ্গি হলে মেরুদণ্ডের স্বাভাবিক অ্যালাইনমেন্ট নষ্ট হয়। ঘাড়, কোমর, কাঁধের উপর অস্বাভাবিক চাপ পড়ে, পেশী সারারাত টানটান থাকে। একে বলা হয় Somatic dysfunction যার ফল সকালে ব্যথা ও stiffness দেখা দেয়।

সাধারণ morning stiffness কিছুক্ষণ নড়াচড়া করলে কমে যায়। কিন্তু যদি

🔸 ব্যথা ৩০–৬০ মিনিটের বেশি থাকে

🔸 ফুলে যাওয়া বা লালচে ভাব থাকে

🔸 প্রতিদিন সকালে একই সমস্যা হয়
তাহলে এটি কোনো Underlying joint disorder এর ইঙ্গিত হতে পারে।

Morning stiffness কমাতে সাধারণ কিছু অভ্যাসঃ-

🔸 ঘুম থেকে উঠেই হালকা gentle stretching করুন

🔸 গরম পানি দিয়ে হাত মুখ ধোয়ার অভ্যাস করুন

🔸 দীর্ঘক্ষণ একই ভঙ্গিতে শুয়ে বা বসে থাকবেন না

🔸 সঠিক বালিশ ও ম্যাট্রেস ব্যবহার করুন

ডা. মো: আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

Address

Zaraa Convention Center Building (4th Floor), House 7, Road 14, Gulshan-1
Dhaka
1212

Opening Hours

Monday 10:00 - 20:00
Tuesday 10:00 - 20:00
Wednesday 10:00 - 20:00
Thursday 10:00 - 20:00
Friday 10:00 - 20:00
Saturday 10:00 - 20:00
Sunday 10:00 - 20:00

Telephone

+8801313717272

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Back In Motion: American Health & Wellness Center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Back In Motion: American Health & Wellness Center:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category

OUR TREATMENT PHILOSOPHY

Back in Motion Ltd, specializes in Manual therapy, a distinct art supported by scientific knowledge and based on the philosophy and principles of Osteopathic Manual Medicine. Its philosophy embraces the concept that structure influences function. This system of manual diagnostic and treatment techniques includes soft tissue massage, myofascial release, joint mobilization/manipulation, and is used to relieve pain and restore normal musculoskeletal function, thereby enhancing the body’s capacity to heal. Our highly specialized level of treatment is at its best in finding and correcting the source of both acute and chronic conditions, rather than repeatedly treating the symptoms without correcting the underlying musculoskeletal dysfunctions.

Back In Motion clientele will receive the utmost in individualized, tailored treatment programs that immediately address each individual’s personal needs and goals.