Back In Motion: American Health & Wellness Center

Back In Motion: American Health & Wellness Center Back in Motion Ltd, specializes in Manual therapy, a distinct art supported by scientific knowledge

অন্যদের সাথে নিজের জীবনের তুলনা করা আমাদের সহজাত প্রবৃত্তি হলেও, বর্তমান সময়ে সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাবে এটি একটি মানসিক ব্...
29/04/2026

অন্যদের সাথে নিজের জীবনের তুলনা করা আমাদের সহজাত প্রবৃত্তি হলেও, বর্তমান সময়ে সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাবে এটি একটি মানসিক ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে। অন্যের সফলতার গল্প বা সুন্দর মুহূর্তগুলোর সাথে নিজের সাধারণ জীবনের তুলনা করতে গিয়ে আমরা অজান্তেই নিজেদের আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলি। আমি প্রতিনিয়ত এমন অনেক মানুষকে দেখি, যারা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন শুধুমাত্র এই তুলনা করার অভ্যাসের কারণে। আমরা প্রায়ই আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে বা মোবাইলের স্ক্রল করতে করতে ভাবি ওর জীবনটা কত সুন্দর, আমি কেন ওর মতো হতে পারলাম না? এই একটি চিন্তাই আপনার মস্তিষ্কে বিষক্রিয়ার মতো কাজ শুরু করে। বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় Social Comparison Theory। যখন আমরা নিজেদের নিচের দিকে তুলনা করি (Downward Comparison), তখন সাময়িক স্বস্তি পেলেও, যখন উপরের কারো সাথে তুলনা করি (Upward Comparison), তখন তা দীর্ঘমেয়াদী মানসিক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

আমরা যখন অন্যের সাথে তুলনা করে নিজেকে ছোট ভাবি, তখন আমাদের মস্তিষ্কে স্ট্রেস হরমোন কর্টিসল (Cortisol) নিঃসরণ বেড়ে যায়। এটি সরাসরি আমাদের প্রি-ফ্রন্টাল কর্টেক্সকে প্রভাবিত করে, যা আমাদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কমিয়ে দেয় এবং দীর্ঘমেয়াদী উদ্বেগ বা এংজাইটি তৈরি করে। ক্রমাগত তুলনা করার ফলে মনের মধ্যে Inferiority Complex বা হীনম্মন্যতা তৈরি হয়। আপনি যা অর্জন করেছেন, তা আপনার কাছে নগণ্য মনে হতে থাকে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে দেখা গেছে, লো-সেলফ এস্টিম সরাসরি ডিপ্রেশন বা বিষণ্ণতার সাথে যুক্ত। সোশ্যাল মিডিয়ায় আমরা যা দেখি, তা হলো মানুষের জীবনের সবচেয়ে সুন্দর অংশ। কেউ তার ব্যর্থতা বা কষ্টের গল্প সেখানে শেয়ার করে না। কিন্তু আমাদের মস্তিষ্ক এই কৃত্রিম বাস্তবতাকে সত্য মনে করে নিজের আসল জীবনের সাথে তুলনা করতে শুরু করে, যা এক ধরণের Cognitive Distortion বা চিন্তার বিকৃতি তৈরি করে। মানসিক চাপ কেবল মনে সীমাবদ্ধ থাকে না। দীর্ঘ সময় ধরে হীনম্মন্যতা ও দুশ্চিন্তায় ভুগলে তা অনিদ্রা (Insomnia), উচ্চ রক্তচাপ, এমনকি হজমের সমস্যারও সৃষ্টি করতে পারে। মন খারাপ থাকলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও ধীরে ধীরে কমতে থাকে।

এই চক্র থেকে বের হওয়ার কিছু কার্যকরী উপায়:

✔️ প্রতিদিন অন্তত তিনটি জিনিসের তালিকা করুন যা আপনার আছে। এটি মস্তিষ্কে ডোপামিন ও সেরোটোনিন নিঃসরণ বাড়িয়ে আপনাকে সুখী রাখতে সাহায্য করবে।

✔️ সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের সময় কমিয়ে দিন। মনে রাখবেন, স্ক্রিনের ওপাশের মানুষটি তার জীবনের মাত্র ১% আপনাকে দেখাচ্ছে।

✔️ প্রতিযোগিতামূলক মানসিকতা ত্যাগ করে দেখুন গতকালের চেয়ে আজকে আপনি নিজে কতটা উন্নত হলেন। এটাই প্রকৃত সফলতা।

✔️ যদি মনে হয় অন্যের সাথে তুলনা করার অভ্যাস আপনার স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে ব্যাহত করছে, তবে একজন মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ বা কাউন্সিলরের পরামর্শ নিতে দ্বিধা করবেন না।

ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

28/04/2026

ব্যথায় ভুগছেন?
জেনে নিন করণীয় কী!

সকালবেলা চোখ মেললেই এক কাপ গরম ধোঁয়া ওঠা চা বা কফি না হলে যেন আমাদের দিনটাই শুরু হতে চায় না। অলসতা কাটাতে বা নিজেকে চনমন...
28/04/2026

সকালবেলা চোখ মেললেই এক কাপ গরম ধোঁয়া ওঠা চা বা কফি না হলে যেন আমাদের দিনটাই শুরু হতে চায় না। অলসতা কাটাতে বা নিজেকে চনমনে করে তুলতে এই পানীয়গুলোর জুড়ি মেলা ভার। কিন্তু আপনি কি জানেন, পরম তৃপ্তিতে চুমুক দেওয়া এই অভ্যাসটিই আপনার অজান্তে শরীরের বড়সড় ক্ষতি করে ফেলছে? আমাদের ধারণা, খালি পেটে চা-কফি খেলে দ্রুত এনার্জি পাওয়া যায়। কথাটি আংশিক সত্য হলেও এর দীর্ঘমেয়াদী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কিন্তু বেশ ভয়াবহ। একজন সচেতন চিকিৎসক হিসেবে আমি চাই আপনার দিনটি কেবল সতেজতায় নয়, বরং পূর্ণ সুস্থতার সাথে শুরু হোক। আজকের পোস্টে আমরা জানবো, খালি পেটে চা বা কফি খেলে শরীরে আসলে কী কী ঘটে।

✅ হজম প্রক্রিয়ায় বিশৃঙ্খলা (অ্যাসিডিটি ও বুক জ্বালাপোড়া)
​চা এবং কফি দুটোই প্রাকৃতিকভাবে আম্লিক বা অ্যাসিডিক। আমাদের পাকস্থলীতে খাবার হজমের জন্য এমনিতেই হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড থাকে। কিন্তু যখন আমরা খালি পেটে ক্যাফেইন গ্রহণ করি, তখন পাকস্থলীতে অতিরিক্ত অ্যাসিড ক্ষরণ শুরু হয়। এর ফলে তীব্র বুক জ্বালাপোড়া বা হার্টবার্ন হতে পারে। গ্যাস্ট্রিক আলসারের ঝুঁকি বাড়ে। পেট ফাঁপা বা বদহজমের সমস্যা দেখা দেয়।

✅ মেটাবলিজম বা বিপাক প্রক্রিয়ায় বাধা
​সকালে আমাদের শরীর এমনিতেই পানিশূন্য থাকে। দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকার পর হুট করে চা বা কফি খেলে শরীরের মেটাবলিক ভারসাম্য নষ্ট হয়। চায়ে থাকা থিওফাইলিন এবং কফিতে থাকা ক্যাফেইন হজম প্রক্রিয়াকে ধীর করে দিতে পারে, যার ফলে কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা দেখা দেওয়া অস্বাভাবিক নয়।

✅ রক্তে শর্করার তারতম্য
​গবেষণায় দেখা গেছে, ঘুম থেকে ওঠার পর খালি পেটে কফি খেলে শরীরের ইনসুলিন সেন্সিটিভিটি বা ইনসুলিন গ্রহণ করার ক্ষমতা সাময়িকভাবে কমে যায়। এতে করে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যেতে পারে, যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য বেশ ঝুঁকিপূর্ণ।

✅ পানিশূন্যতা বা ডিহাইড্রেশন
​চা ও কফি হচ্ছে ডাই-ইউরেটিক (Diuretic), অর্থাৎ এগুলো খেলে ঘন ঘন প্রস্রাবের বেগ হয়। সারারাত ঘুমের পর শরীর এমনিতেই ডিহাইড্রেটেড থাকে। এই অবস্থায় চা-কফি খেলে শরীর থেকে আরও বেশি পানি বেরিয়ে যায়, যা থেকে মাথাব্যথা, ক্লান্তি এবং ত্বকের শুষ্কতা দেখা দিতে পারে।

✅ মেজাজ খিটখিটে হওয়া
​খালি পেটে ক্যাফেইন সরাসরি রক্তে মিশে দ্রুত মস্তিষ্কে পৌঁছায়। এতে হঠাৎ করে হার্টবিট বেড়ে যাওয়া, হাত-পা কাঁপা বা অহেতুক দুশ্চিন্তা অনুভূত হতে পারে। সাময়িকভাবে এনার্জি বাড়লেও কিছুক্ষণ পর শরীর আরও বেশি অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়ে।

✅ পুষ্টির শোষণে বাধা
​চায়ে থাকা ট্যানিন নামক উপাদান খাবারের আয়রন ও ক্যালসিয়ামের মতো গুরুত্বপূর্ণ খনিজ শোষণে বাধা দেয়। যারা রক্তাল্পতা (Anemia) বা হাড়ের সমস্যায় ভুগছেন, তাদের জন্য খালি পেটে চা খাওয়া অত্যন্ত ক্ষতিকর হতে পারে।

ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

ডায়াবেটিস শুধু রক্তে শর্করার পরিমাণ মেপে চলাই নয়, এটি একটি জীবনযাপনের নাম। সচেতন থাকলে ডায়াবেটিস নিয়ে সুস্থ থাকা সম্ভব, ...
27/04/2026

ডায়াবেটিস শুধু রক্তে শর্করার পরিমাণ মেপে চলাই নয়, এটি একটি জীবনযাপনের নাম। সচেতন থাকলে ডায়াবেটিস নিয়ে সুস্থ থাকা সম্ভব, কিন্তু অনেক সময় অসাবধানতায় বা শরীরবৃত্তীয় পরিবর্তনের কারণে হুট করে সুগার অনেক কমে যেতে পারে কিংবা বেড়ে যেতে পারে। এই অবস্থাগুলো অবহেলা করলে তা জীবনের জন্য ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আজকের পোস্টে আমরা ডায়াবেটিসের তিনটি বিশেষ জরুরি অবস্থা এবং তাতে আপনার করণীয় সম্পর্কে বিস্তারিত জানব।

1️⃣ হাইপোগ্লাইসেমিয়া (রক্তে সুগার কমে যাওয়া)
​রক্তে শর্করার মাত্রা ৩.৯ mmol/L (৭০ mg/dL) এর নিচে নেমে গেলে তাকে হাইপোগ্লাইসেমিয়া বলে। এটি সবচেয়ে দ্রুত গতির এবং বিপজ্জনক অবস্থা।
​লক্ষনঃ-
▪️হুট করে প্রচণ্ড ক্ষুধা লাগা।
▪️শরীর কাঁপানো এবং ঘাম হওয়া।
▪️মাথা ঘোরা বা বুক ধড়ফড় করা।
▪️অস্পষ্ট কথা বলা বা মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাওয়া।
▪️অজ্ঞান হয়ে যাওয়া (মারাত্মক অবস্থায়)।

​করণীয়ঃ-
▪️ দ্রুত শোষিত হয় এমন ১৫ গ্রাম শর্করা বা চিনি (যেমন: ৩-৪ চামচ চিনি মেশানো পানি, আধা কাপ ফলের রস বা ৩-৪টি গ্লুকোজ ট্যাবলেট) রোগীকে খাইয়ে দিন।
▪️ ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন এবং পুনরায় সুগার মাপুন।
▪️যদি সুগার এখনো ৪ এর নিচে থাকে, তবে আবার ১৫ গ্রাম চিনি খাওয়ান।
▪️ সুগার স্বাভাবিক হলে পরবর্তী বড় খাবার (যেমন ভাত বা রুটি) দ্রুত খেয়ে নিতে হবে।
রোগী অচেতন হয়ে পড়লে মুখে কিছু দেওয়ার চেষ্টা করবেন না, দ্রুত হাসপাতালে নিন।

2️⃣ হাইপারগ্লাইসেমিয়া (রক্তে সুগার বেড়ে যাওয়া)
​রক্তে শর্করার মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি (সাধারণত খালি পেটে ৭ বা খাওয়ার পর ১১-এর উপরে) থাকলে তাকে হাইপারগ্লাইসেমিয়া বলে।
​লক্ষণসমূহঃ-
▪️ প্রচণ্ড তৃষ্ণা পাওয়া এবং বারবার প্রস্রাব হওয়া।
▪️ মুখ ও জিহ্বা শুকিয়ে আসা।
▪️ দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা হয়ে যাওয়া।
▪️ প্রচণ্ড দুর্বলতা বা ক্লান্তি বোধ করা।

​করণীয়ঃ-
▪️ শরীরকে পানিশূন্যতা থেকে বাঁচাতে প্রচুর পানি পান করতে হবে।
▪️ সুগার খুব বেশি না হলে (১৫-এর নিচে থাকলে) হালকা হাঁটাচলা করা যেতে পারে।
▪️ ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ইনসুলিন বা ওষুধের ডোজ ঠিক আছে কি না তা যাচাই করুন।
▪️ সুগার ক্রমাগত বাড়তে থাকলে দেরি না করে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন।

3️⃣ ডায়াবেটিক কিটোঅ্যাসিডোসিস (DKA)
​এটি একটি অত্যন্ত জটিল ও প্রাণঘাতী অবস্থা। যখন শরীরে ইনসুলিনের চরম অভাব হয়, তখন শরীর শক্তির জন্য চর্বি পোড়াতে শুরু করে এবং রক্তে বিষাক্ত কিটোন তৈরি হয়। এটি সাধারণত টাইপ-১ রোগীদের বেশি হয়, তবে টাইপ-২ রোগীদেরও হতে পারে।
​লক্ষণসমূহঃ-
▪️ নিশ্বাসে ফলের মতো মিষ্টি বা এসিটোনের গন্ধ।
▪️ বমি বমি ভাব বা অনবরত বমি হওয়া।
▪️ পেটে তীব্র ব্যথা।
▪️ দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস এবং জ্ঞান হারানো।

​করণীয়ঃ-
এটি বাড়িতে চিকিৎসার বিষয় নয়। উপরের লক্ষণগুলো দেখা দিলে এক মুহূর্ত দেরি না করে রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে। এখানে শিরায় ফ্লুইড এবং ইনসুলিন দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে।

ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

26/04/2026

ডায়াবেটিস রোগীদের মধ্যে নীরব লিভার ড্যামেজের লক্ষণ

আমরা অনেকেই ভাবি ব্যথা হঠাৎ করেই শুরু হয়। আজকে নেই, কালকে হঠাৎ কোমর ব্যথা, ঘাড়ে টান, বা হাঁটুতে সমস্যা। কিন্তু বাস্তবতা ...
26/04/2026

আমরা অনেকেই ভাবি ব্যথা হঠাৎ করেই শুরু হয়। আজকে নেই, কালকে হঠাৎ কোমর ব্যথা, ঘাড়ে টান, বা হাঁটুতে সমস্যা। কিন্তু বাস্তবতা একটু আলাদা। আমাদের প্রতিদিনের ছোট ছোট অভ্যাস যেগুলো আমরা গুরুত্বই দিই না সেগুলোই ধীরে ধীরে শরীরে চাপ তৈরি করে, আর একসময় সেটা ব্যথা হিসেবে প্রকাশ পায়। আপনি হয়তো খেয়ালই করেন না ঘন্টার পর ঘন্টা মোবাইল দেখে থাকা, ভুল ভঙ্গিতে বসে কাজ করা, ভারী ব্যাগ এক কাঁধে বহন করা, কিংবা ঠিকমতো বিশ্রাম না নেওয়া এই ছোট ছোট কাজগুলোই শরীরের মাংসপেশি, জয়েন্ট ও লিগামেন্টে অপ্রয়োজনীয় চাপ সৃষ্টি করে। আর এই চাপ একদিনে সমস্যা তৈরি না করলেও, দীর্ঘদিনে সেটাই হয়ে ওঠে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথার মূল কারণ।

আমাদের শরীর একটি সমন্বিত কাঠামো। যখন আপনি নিয়মিত ভুল ভঙ্গিতে বসেন বা দাঁড়ান, তখন শরীরের কিছু নির্দিষ্ট অংশ অতিরিক্ত চাপ নেয়। যেমন দীর্ঘ সময় ঝুঁকে বসে থাকলে ঘাড় ও কাঁধে অতিরিক্ত চাপ পড়ে। সাপোর্ট ছাড়া বসলে কোমরের নিচের অংশে চাপ পড়ে। একদিকে ওজন বেশি বহন করলে শরীরের ভারসাম্য নষ্ট হয়। এই চাপগুলো প্রথমে সামান্য অস্বস্তি তৈরি করে, পরে সেটা মাংসপেশির টান, জয়েন্টের অস্বাভাবিক নড়াচড়া, এমনকি নার্ভে চাপ সৃষ্টি করতে পারে। যেসব ছোট কাজগুলো ভবিষ্যতের ব্যথার কারণ:

✔️ দীর্ঘ সময় একই ভঙ্গিতে বসে থাকা
✔️ মোবাইল/ল্যাপটপ ব্যবহারের সময় ঘাড় নিচু করে রাখা
✔️ ভুল ভঙ্গিতে ঘুমানো (উঁচু বা খুব নরম বালিশ)
✔️ হঠাৎ ভারী জিনিস তোলা
✔️ নিয়মিত শরীরচর্চা না করা
✔️ পর্যাপ্ত পানি ও পুষ্টিকর খাবারের অভাব
এই অভ্যাসগুলো শরীরের স্বাভাবিক মেকানিজমকে ধীরে ধীরে দুর্বল করে দেয়।

গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘ সময় খারাপ ভঙ্গিতে থাকা মাংসপেশির উপর chronic strain তৈরি করে। এতে মাংসপেশির শক্তি কমে যায়, জয়েন্টের স্থিতিশীলতা নষ্ট হয়, রক্ত সঞ্চালন কমে যায়, ব্যথা অনুভবের সংবেদনশীলতা বেড়ে যায়। ফলাফল আপনি হালকা কাজেও ব্যথা অনুভব করতে শুরু করেন।

যেভাবে প্রতিরোধ করবেনঃ-

🔹 প্রতি ৩০-৪০ মিনিট পরপর বসার অবস্থান পরিবর্তন করুন
🔹 মোবাইল চোখের সমান উচ্চতায় ধরে ব্যবহার করুন
🔹 বসার সময় পিঠ সোজা ও সাপোর্টযুক্ত রাখুন
🔹 নিয়মিত হালকা স্ট্রেচিং ও ব্যায়াম করুন
🔹 ঘুমানোর সময় সঠিক বালিশ ও ম্যাট্রেস ব্যবহার করুন
🔹 ভারী জিনিস তুলতে হলে সঠিক টেকনিক ব্যবহার করুন (কোমর নয়, হাঁটু ভাঁজ করে তুলুন)

ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

25/04/2026

অতিরিক্ত পিরিয়ড পেইন?
জেনে নিন করনীয়

অনেকেই ভাবেন রক্ত বেশি থাকলে শরীর শক্তিশালী হয়। কিন্তু বাস্তবটা ঠিক উল্টোও হতে পারে। শরীরে যদি স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি পরি...
25/04/2026

অনেকেই ভাবেন রক্ত বেশি থাকলে শরীর শক্তিশালী হয়। কিন্তু বাস্তবটা ঠিক উল্টোও হতে পারে। শরীরে যদি স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি পরিমাণে লোহিত রক্তকণিকা (RBC) তৈরি হয়, তখন রক্ত ঘন হয়ে যায় যার ফলে নানারকম জটিলতা তৈরি হতে পারে। এই অবস্থাকেই বলা হয় পলিসাইথেমিয়া (Polycythemia)। বিষয়টি অনেক সময় চুপচাপ থেকে যায়, আবার কখনো গুরুতর সমস্যার কারণও হয়ে দাঁড়ায়।

পলিসাইথেমিয়া মূলত ২ ধরনের:
1️⃣ প্রাইমারি পলিসাইথেমিয়া (Polycythemia Vera)
এটি একটি বিরল রক্তের রোগ। সাধারণত অস্থিমজ্জা (bone marrow) অস্বাভাবিকভাবে বেশি RBC তৈরি করে। এটি এক ধরনের মাইলোপ্রোলিফারেটিভ ডিজঅর্ডার (Myeloproliferative disorder)। অনেক ক্ষেত্রে JAK2 gene mutation এর সাথে সম্পর্কিত

2️⃣ সেকেন্ডারি পলিসাইথেমিয়া
শরীরে অক্সিজেনের ঘাটতি হলে (Hypoxia) RBC বেড়ে যায়। যেমন দীর্ঘদিনের ফুসফুসের রোগ
ধূমপান, উচ্চ পাহাড়ি এলাকায় বসবাস, কিছু টিউমার (যা erythropoietin বাড়ায়)।

রক্ত বেশি ঘন হয়ে গেলে রক্ত চলাচল ধীর হয়ে যায়, রক্ত জমাট বাঁধার (blood clot) ঝুঁকি বাড়ে, স্ট্রোক বা হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এই রোগে অনেক সময় কোনো লক্ষণই থাকে না। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে মাথা ব্যথা, মাথা ঘোরা, চোখে ঝাপসা দেখা, মুখ লালচে হয়ে যাওয়া, চুলকানি (বিশেষ করে গরম পানিতে গোসলের পর), দুর্বলতা বা ক্লান্তি, হাত-পা ঝিনঝিন করার মতো লক্ষন দেখা দিতে পারে।

পলিসাইথেমিয়া অনেক সময় নিঃশব্দে শরীরের ক্ষতি করে। তাই অস্বাভাবিক কোনো লক্ষণ দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত পরীক্ষা করানো জরুরি। সময়মতো ধরা পড়লে এবং সঠিক চিকিৎসা নিলে এই রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।পর্যাপ্ত পানি পান করুন। নিয়মিত ফলোআপ করুন। হালকা ব্যায়াম করুন৷ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ খাবেন না।

ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

24/04/2026

নি-রিপ্লেসমেন্ট কখন প্রয়োজন?

23/04/2026

হাঁটুর অসহ্য ব্যথায় যা করণীয়।

For contact ☎️
01313 71 72 72

Address

Zaraa Convention Center Building (4th Floor), House 7, Road 14, Gulshan-1
Dhaka
1212

Opening Hours

Monday 10:00 - 20:00
Tuesday 10:00 - 20:00
Wednesday 10:00 - 20:00
Thursday 10:00 - 20:00
Friday 10:00 - 20:00
Saturday 10:00 - 20:00
Sunday 10:00 - 20:00

Telephone

+8801313717272

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Back In Motion: American Health & Wellness Center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Back In Motion: American Health & Wellness Center:


Parse error: syntax error, unexpected '}', expecting end of file in /home/multisite/volt/findhealthclinics/%%home%%multisite%%apps%%geosite%%views%%unify01%%partials%%item_sidebar.volt.php on line 287