Online Medicine Shop Dhaka

Online Medicine Shop Dhaka Online Medicine Shop :
"Stay Safe & Get Your Required Medicine From Home"
Delivery Duration :-
Withi

17/02/2023
20/04/2021
✅ অফার মূল্য মাত্র : ৯২০/- টাকা (সীমিত সময়ের জন্য)✅ হিমালয় কনফিডো এবং হিমকোলিন জেল।👉 ইন্ডিয়া থেকে আমদানিক্রিত হিমালয় ক...
13/12/2020

✅ অফার মূল্য মাত্র : ৯২০/- টাকা (সীমিত সময়ের জন্য)
✅ হিমালয় কনফিডো এবং হিমকোলিন জেল।

👉 ইন্ডিয়া থেকে আমদানিক্রিত হিমালয় কনফিডো এবং হিমকোলিন জেল। প্রতিটা প্রোডাক্টে বারকোড দেওয়া থাকবে অরিজিনাল প্রোডাক্টে না হলে পণ্য ফেরতের দেওয়ার সুবিধা ।
✅ লিমিটেড স্টক শেষ হওয়ার আগে অর্ডার করুন
📞 অর্ডার দিতে কল করুনঃ
📞01303-048842
✅ বিশেষ মুহুর্তের দুর্ব_লতার এটি একটি চিরস্থায়ী_সমা-ধান। যা ✅ সম্পুর্ন পার্শ_প্রতিক্রিয়া মুক্ত, এটি সাইন্স ও হার-বাল এর এক যুগান্তকারি আবিস্কার ।
👉 অর্ডার করার জন্য আপনার নাম ঠিকানা ও ফোন নম্বর আমাদের ইনবক্স করুন । আমরা ঢাকাসহ সারা দেশে প্রডাক্ট ডেলিভারি দিয়ে থাকি (Cash on Delivery)। ঢাকার ভিতরে হোম ডেলিভারি (ক্যাশ অন ডেলিভারি) চাজ ৭০/- টাকা এবং ঢাকার বাইরে ১০০/-টাকা কুরিয়ার সার্ভিস এর মাধ্যমে ডেলিভারি দিয়ে থাকি ।
👉 নিয়মিত সেবনে আপনার বিশেষ অ_ঙ্গ মোটা শক্ত এবং আরো বৃদ্ধি করবে। যা, মাএ চার সপ্তাহে চার সেন্টি মিটার পর্যন্ত লম্বা করবে। যা আপনার বিশেষ অ_ঙ্গের প্রত্যেকটি রগ ও কোষকে পুনরায় উজ্জীবিত করবে। তাছাড়া, এটি আপনার বিশেষ মুহুর্তের সময়কে করবে আরো অধিক।
👉 ইন্ডিয়া থেকে আমদানিক্রিত (১০০% অরি-জিনাল) , এটি যাদের গো-প-না,ঙ্গের শীথিলতা বক্রতা আছে, নিস্তেজ ও বিশেষ মুহূর্তে দু,র্বল
মাত্র কয়েকদিনে এটা ব্যবহারে গো-প-না-ঙ্গের নার্ভ সিস্টেমকে পুনরায় উজ্জী'বিত করে।
এবং 100% রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে গো-প-নাঙ্গ মোটা ও ল'ম্বা করে যাহা পুরু'ষের স্বাভাবিক থাকা প্রয়োজন ।
উপকারিতাঃ-
►ইহা ব্যবহারে ৪০থেকে ৪৫ মিনিট স্ত্রী মিলন করতে পারবেন।
►বী-র্য গাড় করে এবং দেহের মধ্যে বী-র্য তৈরি করে।
►টানা ৩/৪ বার করে মিলন করতে পারবেন।
►চিরস্থায়ী যৌ ন শক্তি বৃদ্ধি পাবে।
►আপনার গো-প-না-ঙ্গে-র ভেতর থেকে লম্বা, √মো'টা, শ'ক্ত ও রগ সতেজ করে তুলবে।
►গো-প-না-ঙ্গ নিস্তেজ শিথিলতা দূর করবে।
►গো-প-না-ঙ্গ-কে মোটা ও ২-৩ ইঞ্চি লম্বা করে তুলবে।
►প্রসাবে ধাতু ক্ষয় দূর করবে।
👉 বিশেষ সময়ে তৃ,প্তি জন্য এটির কোন বিকল্প নেই
সব চিকিৎসা যেখানে ব্যর্থতা সেখানে আমাদের সফলতা, আমরা গ্যারান্টি দিচ্ছি এক ফাইলে যথেষ্ট।
👉পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াঃ-
►হিমালয় কনফিডো, এটির কোন প্রকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।
►হিমালয় কনফিডো সবচেয়ে বড় গুন হল এটি সেবনের ফলে খুব দ্রুত+কাজ করে।
👉আপনার মধ্যে পরিবর্তন হচ্ছে কিনা তা আপনি ঔষধ খাওয়ার অল্প সময়ের মধ্যে বুঝতে পারবেন।
১০০% অরজিনাল। আমাদের প্রতিটি পণ্য গায়ে বারকোড আছে, সেটি স্কেন করলে আপনি বুঝতে পারবেন।

20/11/2020

জেনেরিক নাম ওমিপ্রাজল

উপাদান : ওমিপ্রাজল বিপি। ২০ মি.গ্রা., ৪০ মি.গ্রা. ক্যাপসুল। ২০ মি.গ্রা. ডিআর ট্যাবলেট এবং ৪০ মি.গ্রা./ ভায়াল ইঞ্জেকশন ।

নির্দেশনা : ওমিপ্রাজল ক্যাপসুল এবং ট্যাবলেট গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ যেমন - রিফ্লাক্স ইসোফেগাইটিস, এসিড রিফ্লাক্স ডিজিজ, বিনাইন (মারাত্মক নয় এমন) গ্যাস্ট্রিক এবং ডিওডেনাল আলসার, হেলিকোব্যাকটার পাইলোরি জনিত পেপটিক আলসার ডিজিজ, এসিড এসপিরেশন প্রতিরোধে, জোলিঞ্জার-এলিসন সিনড্রোম এবং নন-স্টেরয়ডাল প্রদাহরোধী ওষুধ দ্বারা চিকিৎসার ফলে সৃষ্ট গ্যাস্ট্রিক আলসার এবং ডিওডেনাল আলসার এর চিকিৎসায় নির্দেশিত। ওমিপ্রাজল ৪০ আইভি ইঞ্জেকশন প্রধানতঃ জোলিঞ্জার- এলিসন সিনড্রোম এর চিকিৎসায় নির্দেশিত। তাছাড়া ইহা গ্যাস্ট্রিক আলসার, ডিওডেনাল আলসার এবং রিফ্লাক্স ইসোফেগাইটিস এর চিকিৎসায় ব্যবহার করা যায়।

মাত্রা ও ব্যবহারবিধি : ওমিপ্রাজল ক্যাপসুল এবং ট্যাবলেট: খাবারের পূর্বে গ্রহণ করা উচিত।

নির্দেশনা মাত্রা ও প্রয়োগবিধি : গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ স্বাভাবিক মাত্রায় ওমিপ্রাজল ২০ মি.গ্রা. দিনে ১ বার। অধিকাংশ রোগী ৪ সপ্তাহ পরে আরোগ্য লাভ করে। যেসব রোগীদের ক্ষেত্রে প্রাথমিক চিকিৎসায় পূর্নভাবে রোগ নিরাময় হয় না সেক্ষেত্রে অতিরিক্ত ৪-৮ সপ্তাহ চিকিৎসায় রোগ নিরাময় হয়।

রিফ্লাক্স ইসোফেগাইটিস রোগীদের চিকিৎসায় অন্যান্য ওষুধ ব্যবহারে যেখানে পর‌্যাপ্ত সাফল্য পাওয়া যায়নি, সেক্ষেত্রে ওমিপ্রাজল দৈনিক ৪০ মি.গ্রা. মাত্রায় সেব্য। ৮ সপ্তাহের মধ্যে স্বাভাবিক ভাবে নিরাময় হয়। পরবর্তীতে দৈনিক ২০ মি.গ্রা. মাত্রায় সেবন করা যেতে পারে।

এসিড রিফ্লাক্স ডিজিজ
দীর্ঘ মেয়াদী চিকিৎসায় ওমিপ্রাজল দৈনিক ১০ মি.গ্রা. মাত্রায় নির্দেশিত। লক্ষণসমূহ পূনরাবৃত্তি হলে দৈনিক ২০ মি.গ্রা. পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যেতে পারে। ডিওডেনাল এবং বিনাইন গ্যাস্ট্রিক আলসার ওমিপ্রাজল দৈনিক ২০ মি.গ্রা.। অধিকাংশ রোগী ৪ সপ্তাহ পরে আরোগ্য লাভ করে।

অধিকাংশ বিনাইন গ্যাস্ট্রিক আলাসারের রোগী ৮ সপ্তাহ পরে আরোগ্য লাভ করে। জটিল অথবা লক্ষণসমূহের পূনরায় আবির্ভাব হলে ওমিপ্রাজল দৈনিক ৪০ মি.গ্রা. মাত্রায় বৃদ্ধি করা যেতে পারে। আরোগ্য লাভের পরেও ডিওডেনাল আলসারের পূনরাবৃত্তি হয়েছে এরকম রোগীদের দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসায় ওমিপ্রাজল দৈনিক ২০ মি.গ্রা. মাত্রায় নির্দেশিত।

ডিডেনাল আলসারের পূনরাবৃত্তি প্রতিরোধে ওমিপ্রাজল দৈনিক ১০ মি.গ্রা. মাত্রায় নির্দেশিত। লক্ষণসমূহের পুনরাবৃত্তি হলে দৈনিক ২০ মি.গ্রা. মাত্রায় নির্দেশিত।

হেলিকোব্যাকটার পাইলোরিজনিত পেপটিক আলসার ওমিপ্রাজল দৈনিক ৪০ মি.গ্রা. অথবা ২০ মি.গ্রা. দিনে ২ বার এর সঙ্গে এমোক্সিসিলিন ১ গ্রাম ও ক্লারিথ্রোমাইসিন ৫০০ মি.গ্রা. ৭-১৪ দিন।

এসিড এসপিরেশন প্রতিরোধে এনেসথেসিয়া চলাকালে যেসব রোগীদের গ্যাস্ট্রিক উপাদানজনিত কারনে এসপিরেশন হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে সার্জারীর পূর্বের দিন সন্ধ্যায় ওমিপ্রাজল ৪০ মি.গ্রা. একক মাত্রায় সেব্য এবং সার্জারীর ২-৬ ঘন্টা পূর্বে ওমিপ্রাজল ৪০ মি.গ্রা. একক মাত্রায় নির্দেশিত।

জোলিঞ্জারএলিসন সিনড্রোম প্রাথমিকভাবে দিনে ৬০ মি.গ্রা. সেবনমাত্রায় শুরু করতে হবে। রোগীদের প্রয়োজন অনুযায়ী সেবনমাত্রা নির্ণয় করতে হবে এবং ক্লিনিক্যাল লক্ষণসমূহ দুরীভূত না হওয়া পর্যন্ত সেবন করতে হবে। অত্যধিক জটিল এবং অন্যান্য চিকিৎসায় সাফল্য পাওয়া যায়নি এরকম ৯০% রোগীদের ক্ষেত্রে দিনে ২০-১২০ মি.গ্রা. মাত্রায় সাফল্যের সঙ্গে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়। ৮০ মি.গ্রা. এর উপরে সেবনের ক্ষেত্রে দুটি বিভক্ত মাত্রায় সেবন করা উচিত।

নন-স্টেরয়ডাল প্রদাহরোধী ওষুধজনিত গ্যাস্ট্রিক আলসার ও ডিওডেনাল আলসার ওমিপ্রাজল দিনে ২০ মি.গ্রা. একক মাত্রায় নির্দেশিত। লক্ষণসমূহ দ্রুত দুরীভূত হয় এবং অধিকাংশ রোগীদের ক্ষেত্রে ৪ সপ্তাহের মধ্যে আরোগ্য লাভ করে। প্রাথমিক চিকিৎসায় যাদের পূর্ন আরোগ্য লাভ হয়নি, অতিরিক্ত ৪ সপ্তাহ চিকিৎসায় আরোগ্য লাভ হয়।

প্রতিরোধমূলক চিকিৎসায় এবং যেসব ক্ষেত্রে নন-স্টেরয়ডাল প্রদাহরোধী ওষুধ সেবন অপরিহার্য, ওমিপ্রাজল দিনে ২০ মি.গ্রা. একক মাত্রায় নির্দেশিত।

শিশুদের ক্ষেত্রে
গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিসিজ এবং অন্যান্য এসিডজনিত জটিলতায়:

গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিসিজ এবং অন্যান্য এসিডজনিত জটিলতায়
বয়স
ওজন
মাত্রা
> ১ বছর
১০-২০
কেজি
দৈনিক ১০
মি.গ্রা., প্রয়োজনে
দৈনিক ২০
মি.গ্রা.
> ২ বছর
> ২০
কেজি
দৈনিক ২০
মি.গ্রা., প্রয়োজনে
দৈনিক ৪০ মি.গ্রা.
আইভি ইঞ্জেকশন
ডিওডেনাল আলসার, গ্যাস্ট্রিক আলসার অথবা রিফ্লাক্স ইসোফ্যাগাইটিস
ডিওডেনাল আলসার, গ্যাস্ট্রিক আলসার অথবা রিফ্লাক্স ইসোফ্যাগাইটিস এর রোগীদের মধ্যে যাদের জন্য মুখে সেবনীয় ওষুধ অপর্যাপ্ত তাদের জন্য ৪০ মি.গ্রা. আইভি দৈনিক একবার নির্দেশিত।
জোলিঞ্জার-এলিসন সিনড্রোম
জোলিঞ্জার-এলিসন সিনড্রোম এর রোগীদের জন্য প্রাথমিকভাবে শিরাপথে দৈনিক ৬০ মি.গ্রা. ওমিপ্রাজল নির্দেশিত। উচ্চ মাত্রায় প্রয়োগ দরকার হতে পারে সেক্ষেত্রে ব্যক্তি বিশেষে মাত্রা ঠিক করে নিতে হবে। দৈনিক মাত্রা ৬০ মি.গ্রা. এর
বেশি হলে বিভক্ত মাত্রায় দৈনিক ২ বার প্রয়োগ করতে হবে।

বৃক্কের অসমকার্যকারিতা: মাত্রা নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন নেই।
যকৃতের অসমকার্যকারিতা: যেহেতু যকৃতের অসমকার্যকারিতার রোগীদের ক্ষেত্রে ওমিপ্রাজল এর প্লাজমা হাফ-লাইফ বেড়ে যায় তাই ১০-২০ মি.গ্রা. দৈনিক মাত্রা যথেষ্ট।
বয়ষ্কদের ক্ষেত্রে: মাত্রা নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন নেই।
শিশুদের ক্ষেত্রে: ওমিপ্রাজল আইভি ব্যবহারের পর‌্যাপ্ত তথ্য পাওয়া যায়নি।

সতর্কতা ও যে সব ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে না : ওমিপ্রাজল ব্যবহারে কোন অনুপযোগিতা জানা নাই। যখন গ্যাস্ট্রিক আলসার ধারনা করা হয় তখন ওমিপ্রাজল দ্বারা চিকিৎসা শুরু করার পূর্বে ম্যালিগনেন্সি আছে কিনা পরীক্ষা করা উচিৎ কারণ ওমিপ্রাজল ম্যালিগনেন্সির লক্ষণসমূহ উপশম করতে পারে ফলে ম্যালিগনেন্সি নির্ণয়ে বিঘ্ন ঘটাতে পারে। ওমিপ্রাজল দ্বারা লক্ষণসমূহ দূরীভুত হলেও ম্যালিগনেন্সির অনুপস্থিতি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবেনা।

পার্শ্ব - প্রতিক্রিয়া : ওমিপ্রাজল ভালভাবে সহনীয়। মৃদু এবং অস্থায়ী পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে বমি বমি ভাব, ডায়রিয়া, তলপেটে ব্যথা, অস্বস্থিবোধ, মাথা ঝিম্‌ ঝিম্‌ করা এবং মাথা ব্যথা। এসব ক্ষেত্রে সেবন মাত্রা কমানোর প্রয়োজন নেই।

অন্য ওষুধের সাথে প্রতিক্রিয়া : ওমিপ্রাজল ব্যবহারের সময় ডায়াজিপাম, ফেনাইটয়েন এবং ওয়ারফারিন এর নিঃসরণ বিলম্বিত হয়। যখন ওমিপ্রাজল সেবনের প্রয়োজন হয় তখন ওয়ারফারিন এবং ফেনাইটয়েন এর মাত্রা কমাতে হতে পারে। থিউফাইলিন, প্রোপ্রানোলল অথবা এন্টাসিড এর সাথে ওমিপ্রাজল এর ইন্টারঅ্যাকশনের কোন প্রমাণ নাই।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে ব্যবহার : তিনটি প্রসপেকটিভ এপিডেমিওলোজিক্যাল স্ট্যাডি থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে যে, ওমিপ্রাজল ব্যবহারে কোন ধরণের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া অথবা ভ্রুণ / সদ্যজাত শিশু স্বাস্থ্যের উপর কোন প্রতিক্রিয়া নেই। সুতরাং ওমিপ্রাজল গর্ভাবস্থায় ব্যবহার নিরাপদ। ওমিপ্রাজল মাতৃদুগ্ধে নিঃসৃত হয় কিনতু পরিমিত

25/10/2020

অহরহ অনেকের মুখে শুনে থাকবেন হঠাৎ করেই নাকি প্রেসার ওঠানামা করছে। জেনে রাখা ভালো এটি মোটেও কোনো ভালো লক্ষণ নয়। একজন মানুষ যদি শারীরিকভাবে সুস্থ থাকেন তাহলে অবশ্যই তার প্রেসার, পালস ও ওজন নিয়ন্ত্রণের মধ্যে থাকতে হবে।

যেসব লক্ষণে বুঝবেন প্রেসার ওঠানামা করছে
সাধারণত প্রেসার লো হলে মাথা ঘোরানো, ক্লান্তি, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, বমি বমি ভাব, বুক ধড়ফড় করা, অবসাদ, দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসা ও স্বাভাবিক শ্বাসপ্রশ্বাস নিতেও কষ্ট হয়। অতিরিক্ত ঘাম, ডায়রিয়া বা অত্যধিক বমি হওয়া, দেহের ভেতরে কোনো কারণে রক্তক্ষরণ হলে যেমন: রক্তবমি, পায়খানার সঙ্গে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হলে, শারীরিকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত বা দুর্ঘটনার ফলে রক্তপাত ঘটলে এবং অপুষ্টিজনিত কারণেও লো ব্লাড প্রেসার দেখা দিতে পারে।
আবার গর্ভবতী মায়েদের গর্ভের প্রথম ৬ মাস হরমোনের প্রভাবে লো প্রেসার হতে পারে। এ সময় মাথা ঘোরানো বা মাথা হালকা অনুভূত হওয়া, মাথা ঘুরে অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, বসা বা শোয়া থেকে হঠাৎ উঠে দাঁড়ালে মাথা ঘোরা বা ভারসাম্যহীনতা, চোখে অন্ধকার দেখা, ঘন ঘন শ্বাসপ্রশ্বাস নেয়া, হাত-পা ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়া, খুব বেশি তৃষ্ণা অনুভূত হওয়া, অস্বাভাবিক দ্রুত হৃদকম্পন, নাড় বা পালসের গতি বেড়ে যায়।
হঠাৎ প্রেসার বেড়ে গেলে কী করবেন?
শাকসবজি, ফল ও শস্যদানা
হঠাৎ প্রেসার বেড়ে গেলে কিছু খাবার আপনি খেতে পারেন। বেশি ম্যাগনেশিয়াম পাওয়া যায় দানা শস্য বা গোটা শস্য, বিচি জাতীয় খাবার, বাদাম, শিমের বিচি, ডাল, ছোলা, লাল চালের ভাত, লাল আটা, আলু, সবুজ শাকসবজি, টমেটো, তরমুজ, দুধ ও দই ইত্যাদি।এসব খাবারে বেশ উপকার পাবেন।
কম চর্বিযুক্ত খাবার
হঠাৎ প্রেসার বেড়ে গেলে কম চর্বিযুক্ত দুধ বা চর্বিবিহীন দুধ বা দুগ্ধজাত খাবার প্রতিদিন খেতে হবে ২ থেকে ৩ সার্ভিং। এক সার্ভিং দুধ বা দুগ্ধজাত খাবার মানে আধা পাউন্ড বা এক গ্লাস দুধ অথবা এক কাপ দই।
টুকরো করে আধাকাপ ফল
যাদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে তারা ফল খেতে পারেন।টুকরো টুকরো করে কাটা আধাকাপ ফল কিংবা মাঝারি সাইজের একটা আপেল বা অর্ধেকটা কলা অথবা আধাকাপ ফলের রস এতে হবে ফলের এক সার্ভিং। ফলের রসের চেয়ে আস্ত ফলই ভালো।
শাকসবজি ৪ থেকে ৫ সার্ভিং
শাকসবজি প্রতিদিন প্রয়োজন ৪ থেকে ৫ সার্ভিং। শাকসবজির এক সার্ভিং মানে এক কাপ কাঁচা শাক বা আধাকাপ রান্না করা শাক।
দানা শস্য ৭ থেকে ৮ সার্ভিং
দানা শস্য প্রতিদিন দরকার ৭ থেকে ৮ সার্ভিং। দানা শস্যের এক সার্ভিংয়ের উদাহরণ হলো এক স্লাইস রুটি অথবা আধাকাপ ভাত বা এক কাপ পরিমাণ গোটা দানা শস্য।
বিচি জাতীয় খাবার

বিচি জাতীয় খাবার প্রতি সপ্তাহে প্রয়োজন ৪ থেকে ৫ সার্ভিং। বিচি জাতীয় খাবারের এক সার্ভিংয়ের উদাহরণ হলো এক কাপের তিন ভাগের এক ভাগ বাদাম বা আধাকাপ রান্না করা শিম বা মটরশুঁটি।
হঠাৎ প্রেসার কমে গেলে কী করবেন?
ব্লাড প্রেসার বা রক্তচাপ মানবদেহে রক্ত সঞ্চালনে চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে। মানবদেহে রক্তচাপের একটি স্বাভাবিক মাত্রা আছে। তার ওপর ভিত্তি করেই উচ্চ রক্তচাপ বা হাই ব্লাড প্রেসার ও নিম্ন রক্তচাপ বা লো ব্লাড প্রেসার পরিমাপ করা হয়। উচ্চ রক্তচাপের মতোই নিম্ন রক্তচাপও কিন্তু শরীরের জন্য ক্ষতিকর। লো ব্লাড প্রেসারের আরেক নাম হাইপোটেনশন।
চিকিৎসকের মতে, একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের রক্তচাপ থাকে ১২০-৮০। অন্যদিকে রক্তচাপ যদি ৯০-৬০ বা এর আশপাশে থাকে তাহলে লো ব্লাড প্রেসার হিসেবে ধরা হয়। প্রেসার যদি অতিরিক্ত নেমে যায় তাহলে মস্তিষ্ক, কিডনি ও হৃদপিণ্ডে সঠিকভাবে রক্ত প্রবাহিত হতে পারে না তখন এ রোগ দেখা দেয়। আবার অতিরিক্ত পরিশ্রম, দুশ্চিন্তা, ভয় ও স্নায়ুর দুর্বলতা থেকে লো ব্লাড প্রেসার হতে পারে।
আসুন জেনে নেই হঠাৎ প্রেসার কমে গেলে কী করবেন।
লবণ-পানি
লবণ রক্তচাপ বাড়ায়। কারণ এতে সোডিয়াম আছে। তবে পানিতে বেশি লবণ না দেয়াই ভালো। সবচেয়ে ভালো হয়, এক গ্লাস পানিতে দুই চা-চামচ চিনি ও এক-দুই চা-চামচ লবণ মিশিয়ে খেলে। তবে যাদের ডায়াবেটিস আছে, তাদের চিনি বর্জন করাই ভালো।
কফি-হট চকলেট
হঠাৎ করে লো প্রেসার দেখা দিলে এক কাপ কফি খেতে পারেন। স্ট্রং কফি, হট চকোলেট, কমল পানীয়সহ যে কোনো ক্যাফেইনসমৃদ্ধ পানীয় দ্রুত ব্লাড প্রেসার বাড়াতে সাহায্য করে। আর যারা অনেক দিন ধরে এ সমস্যায় ভুগছেন, তারা সকালে ভারি নাশতার পর এক কাপ কফি খেতে পারেন।
বিটের রস
বিটের রস হাই ও লো প্রেসার দুটোর জন্য সমান উপকারী। এটি রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। এভাবে এক সপ্তাহ খেলে উপকার পাবেন।
বাদাম
লো প্রেসার হলে পাঁচটি কাঠবাদাম ও ১৫ থেকে ২০টি চিনাবাদাম খেতে পারেন। এটা প্রেসার বাড়াতে সহায়তা করে।
পুদিনা
ভিটামিন ‘সি’, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম ও প্যান্টোথেনিক উপাদান যা দ্রুত ব্লাড প্রেসার বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মানসিক অবসাদও দূর করে পুদিনা পাতা। এর পাতা বেটে নিয়ে এর সঙ্গে মধু মিশিয়ে পান করতে পারেন।
যষ্টিমধু
আদিকাল থেকেই যষ্টিমধু বিভিন্ন রোগের মহৌষধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এক কাপ পানিতে এক টেবিল চামচ যষ্টিমধু দিয়ে রেখে দিন। ২-৩ ঘণ্টা পর পান করুন। এছাড়া দুধে মধু দিয়ে খেলেও উপকার পাবেন।
স্যালাইন
শরীরে পানিশূন্যতা ও ইলেকট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতার কারণে নিম্ন রক্তচাপ হলে শুধু খাবার স্যালাইন মুখে খেলেই প্রেসার বেড়ে যায়। লো ব্লাড প্রাসারে খাবার স্যালাইন সবচেয়ে উপযোগী এবং তাৎক্ষণিক ফলদায়ক।

  প্রিয় গ্রাহক আপনাদের জন্য আবার নিয়ে এলাম ইন্ডিয়ান বিখ্যাত হিমালয়া কোম্পানির প্রডাক্ট * হিমকোলিন জেল * কনফিডো ট্যাবলেট ...
25/08/2020



প্রিয় গ্রাহক
আপনাদের জন্য আবার নিয়ে এলাম ইন্ডিয়ান বিখ্যাত হিমালয়া কোম্পানির প্রডাক্ট
* হিমকোলিন জেল
* কনফিডো ট্যাবলেট
এটি শুধুমাত্র পুরুষের যৌন দুর্বলতা ও সমস্যা সমাধানের জন্য অন্যতম সেরা প্রডাক্ট
যারা অতিরিক্ত হস্তমৈথুন করে পেনিস কে দুর্বল ও অন্যন্য সমস্যায় জড়িয়ে ফেলছেন,
তাদের জন্য এটি খুবই কার্যকরী
এবং যাদের মধ্যে উত্তেজনা কম বা ধরে রাখতে পারেন না তাদের জন্যও এই প্রডাক্ট খুবই কার্যকরী।
এটি ১০০% আয়ুর্বেদ প্রডাক্।
ফুড সাপ্লিমেন্টারী ।
তাই সবাই ইউজ করতে পারে।
কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নাই।
যারা নিতে চান আমাদের কে ইনবক্সে বা কল করে অর্ডার দিন।
সারা দেশে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে ডেলিভারি দেয়া হয়
ফোন:01303-048842

নিজে বাঁচুন আর সমাজকে বাঁচান....😥
23/08/2020

নিজে বাঁচুন আর সমাজকে বাঁচান....😥

সিগারেট এক ভয়ানক গোলকধাঁধা— একবার প্রবেশ করলে, ভেতরে শুধুই সীমাহীন অন্ধকার। না জেনে, না বুঝে শখে ও সুখে যাত্রা শুরু করলেও, পথে পথে শোক-রোগ আর দুর্ভোগ পেরিয়ে অকালমৃত্যুতেই শেষ হয় সে যাত্রা! বাঁচতে হলে, হতে হবে সাবধান; তামাক নামক আসক্তি থেকে থাকতে হবে দূরে— শপথ নিন, আজই!

 #সস্তায়_পেয়ে_বস্তায়_না_ভরে #ভেবে_দেখুন_কি_কিনে_আনছেন_ঘরে_?!! 🔺 করোনাকালীন মহামারি বা বক্ষব্যাধির কারণে সৃষ্ট অক্সিজেনের...
09/07/2020

#সস্তায়_পেয়ে_বস্তায়_না_ভরে
#ভেবে_দেখুন_কি_কিনে_আনছেন_ঘরে_?!!

🔺 করোনাকালীন মহামারি বা বক্ষব্যাধির কারণে সৃষ্ট অক্সিজেনের ঘাটতি জনিত শ্বাসকষ্ট সম্পর্কিত আগাম সর্তকবার্তা পেতে আপনার প্রয়োজন ভালো ব্র্যান্ডের সঠিক রিডিং দেয়া পালস অক্সিমিটার।
🔻 বাজারের কম দামি আর মানহীন অখ্যাত ব্র্যান্ডের পালস অক্সিমিটার কেনা থেকে বিরত থাকুন, পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন।

🔘Model : JPD-500E
🔘 Display : LED (Color)
⭐️ মুল্য : ২৫০০ টাকা।

🔘Model: F169
🔘Display:LED (Color)
⭐️মূল্যঃ 2250/-
⭐️সাথে ডেলিভারি একদম ফ্রি !!! (শুধুমাত্র ঢাকা শহরের জন্য প্রযোজ্য)
⭐️ঢাকার বাহিরে কুরিয়ারে পাঠানো যাবেঃডেলিভারি চার্য (১২০)
📦 অর্ডার করতে ইনবক্সে মেসেজ দিন অথবা কল করুন নিচের দেয়া নাম্বারে...
☞︎ 𝐶𝑜𝑛𝑡𝑎𝑐𝑡 : 01303-048842

আসসালামু আলাইকুম....ঔষধ কেনার জন্য আর ঘুরতে হবে না আপনাকে.... আমরা খুব সুলভ মূল্যে যে কোনো ধরনের দেশী অথবা বিদেশী ঔষধ সর...
01/07/2020

আসসালামু আলাইকুম....

ঔষধ কেনার জন্য আর ঘুরতে হবে না আপনাকে.... আমরা খুব সুলভ মূল্যে যে কোনো ধরনের দেশী অথবা বিদেশী ঔষধ সরবরাহ করি আপনার প্রয়োজন মত । দয়া করে আপনার প্রেসক্রিপশনটি ছবি তুলে আমাদের কাছে সেন্ড করুন। অর্ডার করার ৮-১২ ঘন্টার মধ্যে (ঢাকার মধ্যে) আর ঢাকার বাহিরে ১-৩ দিন এর মধ্যে আপনি আপনার অর্ডারকৃত পন্য পেয়ে যাবেন।আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন -01303-048842/ 01624-133431

Online Medicine Shop In BD. Order Online & Delivery. Get Your Medicine From Home.Delivery within 12 Hours Minimum and Maximum 24 hours in Dhaka city. Minimum 24 and Maximum 72 Hours in Delivery out of Dhaka city.
Contract: 01303-048842...

(স্বাস্থ্য বিধি মেনে সুস্থ থাকুন.,)

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Online Medicine Shop Dhaka posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram