Nutriful Life with Jinnatun Nahar

Nutriful Life with Jinnatun Nahar Who doesn't want a healthy life? And I will empower you with the insights of reliable health advise By My Health Guest !! High blood pressure?

Fighting with liver disease? Fighting breast cancer? Worried of heart disease? Tensed about being overweight? Having an unhygienic lifestyle?

- Okay, but, this doesn't have to be the case in your life. By following my advice, all of it backed up by strong & reliable evidence, you will learn essential health & nutrition advice, improved lifestyle advice, and diet planning that will help you live healthy longer life. I will empower you with the insights of reliable advice and health information you need to lead a natural, healthy life. You will get the knowledge you need to make decisions for yourself and also those who you care for.

"শীতকালীন সবজি বাঁধাকপির যত গুনাগুন"শীতকালীন সবজি গুলোর মধ্যে বাঁধাকপি একটি অতি জনপ্রিয় সবজি। মুলত শীতের আমেজ যখন জেঁকে ...
31/12/2023

"শীতকালীন সবজি বাঁধাকপির যত গুনাগুন"

শীতকালীন সবজি গুলোর মধ্যে বাঁধাকপি একটি অতি জনপ্রিয় সবজি।

মুলত শীতের আমেজ যখন জেঁকে বসে তখন আমাদের দেশে এই সব্জির ভরা মৌসুম। এটি পাতাকপি নামেও বেশ পরিচিত। এই সময়ে প্রতিদিনকার খাদ্য তালিকায় আমরা খুব সহজেই এই সব্জির ব্যাবহার করতে পারি। এই সব্জির রয়েছে নানা রকম গুনাগুন।

বর্তমানে বাজারে সবুজ ও লাল বর্নের বাঁধাকপি পাওয়া যাচ্ছে। বিভিন্ন গবেষনায় দেখা গিয়েছে, সবুজ বাঁধাকপির তুলনায় লাল বাধাকপিতে পুষ্টি উপাদানের পরিমান অনেকগুন বেশী থাকে।

বাঁধাকপি যে সকল পুষ্টি উপাদান রয়েছে সেগুলো হচ্ছে— ভিটামিন-সি, ভিটামিন-ই, ভিটামিন-কে , বিটা কেরাটিন, ফাইবার, ক্যালসিয়াম, আয়রন, লৌহ, পটাশিয়াম, ফোলেট, থায়ামিন, মিথিওনিন, পলিফেনল, গ্লুকোসিনোলেট ইত্যাদি।

এগুলো আমাদের দেহের বিভিন্ন রোগের উপশম হিসেবে গুরুত্বপুর্ন ভুমিকা পালন করে থাকে।

চিকিৎসা বিজ্ঞানে বাঁধাকপির আবির্ভাবঃ
আধুনিক চিকিৎসায় বাঁধাকপির প্রবেশ ঘটে ইংরেজদের হাত ধরে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে ব্রিটিশরাই সারা পৃথিবীতে বাঁধাকপির গুণগানকে ছরিয়ে দিয়েছে। এছাড়াও প্রাচীন গ্রীক দেশে একাধিক রোগের চিকিতসায় ব্যাবহার করা হতো বাঁধাকপির রস কে।

বিশেষ করে কোষ্ঠ্যকাঠিন্যতা রোগের প্রকোপ কমাতে গ্রীক চিকিৎসকেরা এই সবজিটির উপরেই ভরসা রাখতেন। এই একই চিকিৎসা পদ্ধতি আবার মিশরীয়রাও ব্যাবহার করতেন। এরা শরীরের অতিরিক্ত টক্সিনের মাত্রা কমাতে প্রতিদিনের খাবারে এই সবজি রাখতেন।

চলুন পুষ্টিগুনে ঠাসা এই সব্জির গুনাগুন গুলোকে সংক্ষেপে দেখে নেয়া যাকঃ

১. বাঁধাকপি বিভিন্ন রোগের প্রকোপ কমায়ঃ

® বাধাকপিতে থাকা বিটা-কেরাটিন, ভিটামিন- সি মেয়েদের স্তন ক্যান্সার , পাকস্থলীর ক্যান্সার এর ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে থাকে। সে সাথে এটি
চোখের সুরক্ষায় অনেক কার্যকরী।

® বাধাকপিতে থাকা পলিফেনল এবং গ্লুকোসিনোলেট নামক উপাদান শরীরে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি এর মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।

® বাধাকপিতে বিদ্যমান এন্স মিথাইল মিথিওনিন নামক উপাদান পেপটিক আলসারের ব্যাথা কমাতে সাহায্য করে। তাই নিয়মিত বাঁধাকপির রস পানে এই রোগে বিশেষ উপকার পাওয়া যায়।

® হরমোনজনীত বিভিন্ন সমস্যায় যেমন—জরায়ু ক্যান্সার প্রতিরোধের ক্ষেত্রে বাঁধাকপির রস অনেক উপকারি।

® ডায়াবেটিসের প্রকোপ কমাতে সাহায্য করে বাধাকপিতে থাকা ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং হাইপার গ্লাইসেমিক প্রপার্টিজ গুলো।

® বাঁধাকপির রস খেলে ঘা/ ফোঁড়া সারিয়ে তোলা যায়।

২. ত্বকের সুরক্ষায় বাঁধাকপিঃ
বাধাকপি ত্বকের জন্যে উপকারি ফাইটো কেমিকেলের অন্যতম উৎস। এটি শরীর ও ত্বকের কোষকে রক্ষা করে। এছাড়াও এতে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমানে পানি ও ভিটামিন- সি। যা আমাদের চাহিদার ৪৭ ভাগ পুরন করে থাকে যা ত্বক এবং চুলের রক্ষা করে।এছাড়াও নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।

৩. স্মৃতিশক্তি বাড়ায় অনেকগুনঃ
প্রচুর পরিমানে ভিটামিন কে থাকে যার ফলে মস্তিষ্ক বৃদ্ধিতে ও শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এছাড়াও নার্ভের ক্ষতির আশংকা কমায় যার ফলে বৃদ্ধ বয়সে অ্যালঝাইমারস সহ একাধিক মস্তিষ্ক রোগের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়।

৪. লিভারের কার্যক্ষমতা বাড়ায়ঃ
বাঁধাকপি শরীরে পর্যাপ্ত পরিমানে গ্লুটাথায়ন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সরবরাহ করে যা লিভারের কর্মক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

৬. দাঁতের পায়রিয়া জনিত সমস্যার উপশম করে থাকে। এ জন্যে অনেক সময় কাঁচা বাঁধাকপির পাতা চিবিয়ে খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

৭. ওজোন কমাতে উপযোগীঃ
যারা ওজোন কমাতে চেষ্টা করছেন তারা এই শীতে তাদের খাদ্য তালিকায় বাধাকপিকে রাখতে পারেন নানাভাবে। কখনো সালাদ হিসেবে আবার কখনো শুধুমাত্র সিদ্ধ করেও খেতে পারেন এই সবজি। কারন এতে রয়েছে ৯৩.৩% পানি যা খেলে আমাদের অতিরিক্ত ক্যালোরী গ্রহন করা থেকে বিরত রাখবে। এছাড়াও রয়েছে প্রচুর পরিমানে ফাইবার, যা আমাদের শরীরে জমে থাকা অতিরিক্ত মেদ ঝড়াতে সাহায্য করে। ফাইবার থাকাতে এটি গ্রহনে দীর্ঘ সময় পেট ভরাভাব বজায় থাকে যা বাড়তি খাদ্য গ্রহন এর পরিমান কমায়। অন্যদিকে বাঁধাকপিতে রয়েছে অনেক কম ক্যালরি এবং কম পরিমানে কার্বোহাইড্রেট (প্রতি ১০০ গ্রাম এ ৪.৭ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট)থাকে। এছাড়াও আপনি পাচ্ছেন পর্যাপ্ত আমিষ, ফ্যাট ও খনিজ লবন। যারা ওজোন কমাতে চান তারা খাদ্য তালিকায় এটি রাখতে পারেন। দিনে ২ বার যদি আপনি ১০০ গ্রাম বাঁধাকপির সালাদ গ্রহন করেন তাহলে আপনি পাবেন মাত্র ৫২ ক্যালরি যা ওজোন কমাতে দারুনভাবে কার্যকরি।

বাঁধাকপির অনেক গুনাগুন থাকা সত্বেও এর কিছু অসুবিধা বা অপকারিতা রয়েছে—

১. বাধাকপি পরিপাকে অসুবিধা হলে গ্যাসট্রিটাইটিসের সমস্যা বাড়াতে পারে।

২. বাধাকপির মতো ক্রুসিফেরাস সবজিটি পেটে গ্যাসের সৃষ্টি করতে পারে।

৩. অনেক সময় অতিরিক্ত খেলে পেটে ফাঁপা ভাব হতে পারে।

জিন্নাতুন নাহার
ক্লিনিক্যাল ডায়েটিশিয়ান এন্ড নিউট্রিশনিস্ট
বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হসপিটাল

গর্ভাবস্থায় ডাবের পানির বিশেষ বিশেষ গুনাগুন================================গর্ভাবস্থায় একজন মা যে সকল খাদ্য ও পানীয় গ্রহ...
19/06/2023

গর্ভাবস্থায় ডাবের পানির বিশেষ বিশেষ গুনাগুন
================================
গর্ভাবস্থায় একজন মা যে সকল খাদ্য ও পানীয় গ্রহন করে থাকেন তার সব কিছুর প্রভাব পরে তার গর্ভস্থ শিশুটির উপর। তাই সকল মাকেই এমন খাবার ও পানীয় গুলো বেছে নেওয়া প্রয়োজন যেগুলো গর্ভস্থ শিশুর সঠিক বৃদ্ধি ও বিকাশে সহায়ক হবে।
বেশিরভাগ গর্ভবতী মায়েদের ক্ষেত্রে লক্ষ্য করা যায়, তারা তাদের গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে রুচির পরিবর্তনের কারনে তেমন কোন খাবারই খেতে পারেন না। তবে এই সময়টাতে গর্ভবতী মায়েদের খাবারের গ্রহনের প্রতি যতটা না আগ্রহ থাকে তার চেয়েও বেশি থাকে বিভিন্ন রকম পানীয় গ্রহণের প্রতি। অবাক হচ্ছেন! জী, ঠিকি শুনেছেন…
আর তাই এসব দিক গুলো বিবেচনা করে গর্ভাবস্থার প্রথম ৩ মাসের খাদ্য তালিকায় এমন পানীয় অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন যা মা ও শিশুর জন্যে অত্যন্ত উপকারি। আর এই বিভিন্ন পানীয়ের মধ্যে রয়েছে--- ডাবের পানি, লেবু পানি, যে কোন মৌসুমি তাজা ফলের রস, জিরা পানি, আইস টি, দুধ, বিশুদ্ধ পানি, লাচ্ছি, কাঁচা আমের শরবত, সবজি সিদ্ধ করে ছেঁকে নেওয়া পানি ও পুদিনা পাতার চা । তবে এগুলোর মধ্যে গর্ভবতী মায়েদের জন্যে সবচেয়ে উপযোগী ও গুরুত্বপুর্ন পানীয় হলো ডাবের পানি।

গর্ভাবস্থায় ডাবের পানি পানের সুফল
========================

১. কোষ্ঠ্যকাঠিন্যতা প্রতিরোধঃ
------------------------------------
গর্ভকালীন সময়ে মায়েদের একটি কমন সমস্যা হলো Constipation বা কোষ্ঠ্যকাঠিন্যতা। এর কারন হচ্ছে গর্ভকালীন সময়ে প্রোজেস্টেরন হরমোন শরীরে বেড়ে যাওয়া। এছাড়াও মায়েদের বেশ কিছু সাপ্লিমেন্ট যেমন—ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফলিক এসিড ও আয়োডিন খেতে হয়। এর ফলেও অনেক সময় কোষ্ঠ্যকাঠিন্যতা দেখা দেয়। আর তাই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে হলে গর্ভকালীন সময়ে মায়েদের নিয়মিত ডাবের পানি পান করতে হবে। ডাবের পানিতে বিদ্যমান আঁশ কোষ্ঠ্য পরিষ্কার করতে সাহায্য করবে।

২. হজমের সমস্যা ও বুক জ্বালাপোড়া কমায়ঃ
----------------------------------------------------
গর্ভাবস্থায় মায়েরা সঠিক সময়ে খাদ্য গ্রহন না করার দরুন অনেক সময় বুক জ্বালাপোড়া সমস্যায় ভুগে থাকেন। ঔষধের পরিবর্তে ডাবের পানি পান করলে এ সমস্যা থেকে অনেকটাই উত্তোরন করা যায়। কারন ডাবের পানিতে বিদ্যমান পুষ্টি উপাদান গুলো শরীরে এসিডের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। ফলে ডাবের পানি পান করার মাধ্যমে বুক জ্বালাপোড়া ও হজমের সমস্যা প্রতিরোধ করা যায়।

৩. কর্মক্ষম ও দুর্বলতা রোধ করেঃ
--------------------------------------
গর্ভকালীন সময়ে মায়েদের শরীরে বিভিন্ন হরমোনের পরিবর্তনের কারনে তাদের মধ্যে অবসাদ, কর্ম দুর্বলতা দেখা দেয়। আর তাই গর্ভবতী মায়েদের কর্ম উদ্দীপনা কে বাড়ানোর জন্যে নিয়মিত ডাবের পানি পান করা জরুরী। কারন এতে রয়েছে গুরুত্বপুর্ন ইলেক্ট্রোলাইট যা কর্মক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে থাকে।

৪. শরীরে পানি আসা ও লেগ ক্রাম্প প্রতিরোধঃ
-------------------------------------------------------
গর্ভাবস্থায় আরও দুইটি কমন সমস্যা শরীরে পানি আসা ও লেগ ক্রাম্প হওয়া। ডাবের পানিতে বিদ্যমান গুরুত্বপুর্ন ইলেক্ট্রোলাইট গুলো গর্ভাবস্থায় পায়ের মাংস পেশিতে ব্যাথা জনীত সমস্যা অর্থাৎ লেগ ক্রাম্প ও পায়ের পাতায় পানি জমা রোগ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে থাকে।

৫. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনে রাখেঃ
-------------------------------
অনেক গর্ভবতী মায়েদের গর্ভকালীন সময়ে উচ্চ রক্তচাপ জনীত সমস্যা দেখা দেয়। এটি মা ও শিশু উভয়ের জন্যে ক্ষতিকর। ডাবের পানিতে বিদ্যমান পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম গর্ভকালীন সময়ে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনে সাহায্য করে থাকে।

৬. প্রাকৃতিক মুত্রবর্ধক হিসেবে কাজ করেঃ
-----------------------------------------------
গর্ভাবস্থায় শরীরের ইউরিক এসিড এর মাত্রা ঠিক থাকা অত্যন্ত জরুরী, এটি ঠিক রাখতে সাহায্য করে ডাবের পানি।কারন ডাবের পানিতে রয়েছে প্রাকৃতিক মুত্রবর্ধক উপাদান। যা ইউরিনারি ট্রাক্ট ইনফেকশন প্রতিরোধ করে ফলে প্রি টার্ম লেবার এর ঝুঁকি কমে যায়।বিভিন্ন গবেষনায় দেখানো হয়েছে ডাবের পানি গর্ভাবস্থায় প্রস্রাবের পরিমান ও বেগ দুটোই বাড়ায় যার ফলে যে সকল ব্যাকটেরিয়া গুলো প্রস্রাবের সংক্রমন ঘটানোর জন্যে দায়ী তাদের কে শরীর থেকে প্রস্রাবের সাথে বের করে দিতে সাহায্য করে থাকে।

৭. সঠিক ওজোন রাখতে সাহায্য করেঃ
---------------------------------------------
গর্ভকালীন সময়ে নারীদের সবচেয়ে বড় সমস্যা হয় সঠিক সময়ে ওজোন বাড়ানো। কারো ওজোন খুব দ্রুত বাড়তে থাকে আবার কারো ওজোন কমতে থাকে। আর গর্ভকালীন সময়ে মায়েদের এই ওজোন বাড়া বা কমা দুটোই মা ও শিশুর জন্যে ঝুকিপুর্ন। তবে নিয়মিত অন্যান্য খাবারের পাশাপাশি ডাবের পানি পান করার ফলে গর্ভবতী মায়েদের সঠিক ওজোন রাখতে সাহায্য করে থাকে।

৮. মাতৃদুগ্ধ তৈরি করেঃ
---------------------------
গর্ভাবস্থায় ডাবের পানি, ভেতরের শ্বাস বা নারকেল খেলে তা পরবর্তিতে শিশুর জন্যে পুষ্টিকর মাতৃদুগ্ধ তৈরি করতে সাহায্য করে। নারকেলে রয়েছে দুগ্ধ উৎপাদনকারী উপাদানের প্রধান সহায়ক লোরিক এসিড। তাই গর্ভাবস্থায় ডাবের পানি নিয়মিত পান করা জরুরি।

সতর্কতাঃ
=======
গর্ভাকালীন সময়ে ডাবের পানি পানের অনেক সুফল থাকা সত্ত্বেও এটি গ্রহনে বেশ কিছু সতর্কতা পালন করতে হয়, সেই বিষয়ে এবার একটু সংক্ষেপে বলে নেয়া যাকঃ
১. সারাদিনে ২ গ্লাস ডাবের পানি পান করাই যথেষ্ট। খুব বেশি পরিমানে পান না করা ভালো।
২. ডাবের পানি ফ্রিজে রেখে বা বাসি করে পান না করাই ভালো।
৩. কচি ও সবুজ রঙ এর ডাব খাওয়ার জন্যে বাছাই করবেন, ডাব কাটার কিছুক্ষনের মধ্যেই পান করুন।
৪. আপনার যদি নারকেলে জাতীয় খাবারে এলার্জি জনীত সমস্যা থাকে তাহলে তা ডাবের পানি পান করলেও হতে পারে। তাই পান করার পুর্বেই জেনে নিন আপনার এলার্জি আছে কিনা।
৫. গ্যাস্টেশনাল ডায়াবেটিস বা গর্ভকালীন ডায়াবেটিস থাকলে অবশ্যই ডক্টরের পরামর্শ মত গ্রহন করবেন।

এই বিষয়ে আপনার মতামত বা কোন প্রশ্ন থাকলে নিচে কমেন্ট বক্সে আমাকে কমেন্ট এর মাধ্যমে জানাতে পারেন। এছাড়াও কোন পুষ্টি পরামর্শের জন্য আমার ফেসবুক পেজে কানেক্ট হতে পারেন।

ওজন কমাতে মানসিক প্রস্তুতির পর্ব ৪র্থঃআমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যাদের ওজন তাদের উচ্চতার তুলোনায় অনাকাঙ্ক্ষিত ভাবেই অনেক ব...
04/07/2021

ওজন কমাতে মানসিক প্রস্তুতির পর্ব ৪র্থঃ

আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যাদের ওজন তাদের উচ্চতার তুলোনায় অনাকাঙ্ক্ষিত ভাবেই অনেক বেশি থাকে। আবার অনেকেই আছেন যাদের ওজন উচ্চতার তুলোনায় কিছুটা বেশি থাকে। কেও কেও এমন আছেন যাদের আদর্শ ওজ থেকে কিছু ওজন বেশি থাকে। তাদের এই বাড়তি ওজন ঝাড়াতে হলে শরীরের বাড়তি ক্যালরি ক্ষয় করা প্রয়োজন এটা অনেকেই বুঝে না।

আমরা খাবার খাই, শরীরে সেটা প্রবেশ করে পুষ্টি উপাদান হিসেবে। শরীর তা বিভিন্নভাবে কাজে লাগিয়ে যা জমা করে ও ওজন বাড়ায় তা ফ্যাট বা চর্বি হিসেবে। এখন আমাদের ওজন কমাতে হলে এই ফ্যাট বা চর্বিকেই ক্ষয় করতে হবে।

সরাসরি কোন খাবার নেই যা ফ্যাট কে বার্ন করে শরীরের ওজন কমাবে। আর তাই যেমন সঠিক খাদ্যাভ্যাস জরুরি তেমনি সঠিক শারীরিক অনুশীলন ও জরুরি।

ওজন কমানোর জন্যে শুধু খাবার কম খাওয়ার উপরই আমরা জোড় দিয়ে থাকি। ব্যায়াম বা শরীরচর্চার বিষয়ে আমরা একেবারে ভাবিনা বললেই চলে। তবে যাদের বিশেষ বিশেষ সমস্যা রয়েছে বা বয়স জনিত কারন রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে বিষয়টি সম্পুর্ন আলাদা।

স্বাস্থ্যকর উপায়ে ওজন কমাতে খাবার এবং বিভিন্ন শরীরচর্চার গুরুত্ব অনেক।

আমদের মধ্যে অনেকেই বলে থাকেন আমার ওজন বেশি, কিভাবে ওজন কমাবো বলেন কিন্তু ব্যায়াম ছাড়া!!

এই বিষয়টি অনেকের সাথেই মিলে যাবে। আজকের আলোচনা তাদের জন্যেই যারা এমনটা ভেবে থাকেন।

ওজন কমাতে হলে ব্যায়াম আপনাকে করতে হবে অবশ্যই। কেননা প্রতিদিন আপনি যে ক্যালোরি খাচ্ছেন তা সহ বাড়তি ক্যালোরি যদি বার্ন না করেন আপনার জন্যে ওজন কমানো অনেক কঠিন চ্যালেঞ্জ হবে। পাশাপাশি কম খেয়ে ওজন কমালে আপনার স্ট্যামিনা কমে যাবে, মাসল তৈরি হবেনা। পিঠের চর্বি, পেটের চর্বি, হিপ ও থাইয়ের চর্বি গলে যাওয়ার ফলে ঝুলে পরবে। এসব সমস্যা থেকে নিজেকে দূরে রাখতে ও সব সময় প্রফুল্লচিত্তে নিজের ওজন কমানোর জার্নি টাকে উপভোগ করতে ব্যায়াম দরকার সবার আগে।

ব্যায়াম যে কোন সময় করা যায়। খুব ভালো হয় সকালে ঘুম থেকে উঠে বা রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে অথবা বিকেলের দিকে ।

দ্রুত ওজন কমাতে খুব ভারী কোন ব্যায়াম নয় শুরু করতে হবে ৫ মিনিট করে করা। সপ্তাহে ২ থেকে ৩ মিনিট করে বাড়িয়ে ধীরে ধীরে ৩০ থেকে ৪০ মিনিট পর্যন্ত করা।

সপ্তাহে ১ বা ২ দিন বন্ধ রাখতে হবে। শুধু ব্যায়াম করলেই হবেনা মাসল গঠনেরও সময় দিতে হবে।

ব্যায়ামের সময় পর্যাপ্ত পরিমানে পানি পান করতে হবে। অনেকেই জানতে চান সকালে খালি পেটে লেবু পানি খেলে ওজন কমে কিনা?? তাদের জন্যে খুব ভালো হয় যদি ব্যায়ামের সময় কুসুম গরম লেবু পানি পান করেন। এতে করে ক্যালোরি বার্ন অনেক বেশি বুস্ট হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

তবে প্রতিদিন যে একই ব্যায়াম করতে হবে তা কিন্তু নয়। একেক দিন একেকটা করতে পারেন। এখন যেহেতু করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের তীব্রতার কারনে আমাদের আবারও গৃহে বন্দীদশা শুরু তাই যে সকল ব্যায়াম গুলো ঘরে বসে করা যায় সেগুলো দিয়েই শুরু করা যায়।।

ওজন কমাতে তাই আপনি চাইলে আজ থেকেই শুরু করতে পারেনঃ
১. মেডিটেশন,
২. Yoga,
৩. ফ্রি- হ্যান্ড এক্সারসাইজ,
৪. জুম্বা ডান্সিং,
৫. এরোবিক ডান্সিং ইত্যাদি

অথবা ফলো করতে পারেন নিচের দেওয়া কিছু এক্সারসাইজঃ

1. Squat
2. Lunges
3. Side lunges
4. Jumping Jacks
5. Frog Jacks
6. Crunches
7. Bicycle crunches
8. Abdominal Crunches
9. Leg Raises
10. Holo Hold
11. Butt kicks
12. Spider Women
13. Flatter Kicks
14. Full Plank
15. Half Plank
16. Left leg raises plank
17. Right leg raises Plank
18. Heel touch
19. Leg lifting balance and
20. Wall Push ups for women, Pish ups for Men.

বিঃদ্রঃ প্রতিটি এক্সারসাইজ যদি ৫ বার ১ সেট করেও করা হয় যে কোন ১০ টি এদের মধ্যে তাহলেও কিন্তু আমরা আমাদের ফ্যাট বার্ন করতে পারি। সময় এবং এক্সারসাইজ এর পরিমাণ বাড়াতে হবে ধীরে ধীরে। তবে খেয়াল রাখতে হবে ব্যায়াম করার সময়ে যেন অবশ্যই ম্যাট ব্যবহার করা হয় এবং সেই সাথে ঢিলেঢালা পোশাক পরিহিত অবস্থায় থাকতে হবে।

01/07/2021

আবারো শুরু হলো লকডাউন। গত বারের লকডাউনে সবারই একটা কমন সমস্যা ছিলো অতিরিক্ত মাত্রায় ওজন বেড়ে যাওয়া এবং সেই সাথে মানসিক বিষন্নতা। এবারের লকডাউনে শুধু নিজেকে করোনা মুক্ত রাখা নয় সেই সাথে বাড়তি ওজন ও বিষন্নতা কাটিয়ে উঠাটাও আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই সম্পুর্ন ঘরে তৈরি স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহন করুন, রান্নায় পরিমিত পরিমানে ভোজ্য তেল ব্যবহার করুন, খাদ্য তালিকায় ভিটামিন ও মিনারেলের ভরপুর চাহিদা পুরনে শাক- সবজি ও ফল রাখুন, সপ্তাহে ৩ থেকে ৪ দিন মাছ/ মাংস রাখুন অন্যান্য খাবারের পাশাপাশি। সকালে ও বিকেলে ঘরে থেকে যে সকল ব্যায়াম গুলো করা যায় সেগুলো করার চেষ্টা করুন।

নিজেকে করোনা ভাইরাস থেকে সুরক্ষিত রাখতে হলে ঘরে থাকা যেমন নিরাপদ তেমনি শরীরের বাড়তি ওজন কমাতে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া ও নিরাপদ।

ওজন কমাতে মানসিক প্রস্তুতির পর্ব ৩য়ঃ-আমরা ওজন কমাতে কত কিছুই না করতে চাই। খাবার কমাতে চাই, খাবার বাদ দিতে চাই, ব্যায়াম ক...
29/06/2021

ওজন কমাতে মানসিক প্রস্তুতির পর্ব ৩য়ঃ-

আমরা ওজন কমাতে কত কিছুই না করতে চাই। খাবার কমাতে চাই, খাবার বাদ দিতে চাই, ব্যায়াম করতে চাই এমন অনেক চাওয়া আমাদের মনে জাগে প্রতিনিয়ত। কিন্তু আমরা আমাদের ওজন কমাতে সেই চাওয়া টাকে পরিপূর্ণ করতে পারিনা। আর এর কারন হলো মানসিকভাবে নিজেকে প্রস্তুত না করেই আমরা এসব চাই।

আর তাই আমাদের আজকের বিষয় ওজন কমাতে আমরা খাদ্য গ্রহনের ক্ষেত্রে কিভাবে মানসিক প্রস্তুতি নিতে পারিঃ

১. খাদ্য তালিকা থেকে প্রথমেই আপনাকে যেটা বাদ দিতে হবে সেটা হচ্ছে বাহিরের প্যাকেটজাত ও বোতলজাত খাবার- বিস্কুট, চানাচুর, বাদাম ভাজা, মটর ভাজা, ব্রেড, চিপস, আইস্ক্রিম, বিভিন্ন ধরনের আচার, সস, মেয়নেজ, কোকা কোলা সহ অন্যান্য কোল্ড ড্রিংকস, প্রক্রিয়াজাত জুস ইত্যাদি।

২. দোকানের ভাজা পোড়া খাবার- পরোটা, সমুচা, সিংগারা, আলুর চপ, পেয়াজু, বেগুনি, মোগলাই ইত্যাদি।

৩. ফাস্ট ফুড ও চায়নিজ জাতীয় খাবার, চটপটি, ফুসকা, প্যাকেটজাত মসলা ইত্যাদি।

এই খাবার গুলো আমরা প্রায় প্রতিদিন কোননা কোনটি সকাল বা বিকেলের নাস্তায় গ্রহন করেই থাকি। এসব খাবারে থাকে প্রচুর পরিমানে তেল, লবন, চিনি সহ আরো অনেক উপাদান যা আমরা গ্রহনের মাধ্যমে নিজের অজান্তেই ওজন বাড়িয়ে ফেলি।

এবার আসি এগুলোর পরিবর্তে আমাদের কি গ্রহন করা উচিৎ সেই বিষয়ে।

১. যে কোন মৌসুমি ফল। অর্থাৎ যে মৌসুমে যে ফল পাওয়া যাবে তখন সে ফল আমরা আমাদের খাদ্য তালিকায় যোগ করতে পারি। প্রতিদিন ২ বার আমরা ফল খেতে পারি। তবে আমাদের দেশীয় ফলের মধ্যে কলা ও আমের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্যালোরি থাকে তাই আমরা এগুলোকে মিল হিসেবে গ্রহন করতে পারি নাস্তা হিসেবে নয়।

২. ওজন কমাতে প্রয়োজন ক্যালোরি কম এমন খাবার খাওয়া। যেমন - শাক ও সবজি তে ক্যালোরি খুব কম থাকে যা অত্যাধিক মাত্রায় খেলেও আমাদের ওজন বাড়ার সম্ভাবনা থাকে না বললেই চলে। তাই প্রতিদিন আমরা ৪ থেকে ৫ বার শাক ও সবজি খাদ্য তালিকায় রাখতে পারি।

৩. যে কোন ধরনের সালাদ খাবারে যোগ করা। শশা, গাজর, টমেটো, কাচা পেপে, পেয়াজ, কাচা মরিচ, ধনিয়া পাতা, লেবু ও বিভিন্ন বীজ জাতীয় খাবার যেমনঃ শিমের বিচি, কাঠালের বিচি, মিষ্টি কুমড়ার বিচি ইত্যাদি। ক্যালোরি খুব কম থাকে বলে যে কোন সময় এগুলো খেতে পারি আমরা।

৪. সকালে ও বিকেলে গ্রিন টি, লিকার টি ও হার্বাল টি পান করতে পারি। এর সাথে রাখতে পারি কিশমিশ, বাদাম, খেজুর, খুড়মা ইত্যাদি।

৫. আমরা অনেকেই ৩ বেলা ভাত খাই। ৩ বেলা ভাত না খেয়ে শর্করা এর অন্যান্য উৎস গুলো আমাদের গ্রহন করা উচিৎ। যেমনঃ আলু, রুটি, ওটস, সুজি ইত্যাদি।

আমাদের কে খেতে হবে স্বাস্থ্যকর খাবার আর বাদ দিতে অস্বাস্থ্যকর খাবার গুলোকে। তাহলেই আমরা আমাদের ওজন কমাতে পারবো সঠিক ও স্বাস্থ্যকর উপায়ে।

না খেয়ে নয় বা কোন খাবার কে একে বারে খাদ্য তালিকা থেকে বাদ দিয়ে নয়। স্বাস্থ্যকর উপায়ে খাবার খাওয়ার মাধ্যমেও ওজন কমানো যায় এটাতে আমাদের মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি সবার আগে।

ওজন কমাতে মানসিক প্রস্তুতির ২য় পর্বঃ-------------------------ওজন কমাতে মানসিক প্রস্তুতির ১ম পর্বে আমরা জেনেছিলাম স্বল্প ...
24/06/2021

ওজন কমাতে মানসিক প্রস্তুতির ২য় পর্বঃ-
------------------------
ওজন কমাতে মানসিক প্রস্তুতির ১ম পর্বে আমরা জেনেছিলাম স্বল্প সময়ে ওজন কমানো নয় বরং প্রফুল্লচিত্তে স্বাস্থ্যকর উপায়ে কিভাবে ওজন কমাতে নিজেকে প্রস্তুত করতে হবে সেই বিষয়ে।
সেই সাথে নিজের মধ্যে কিভাবে Positiveness বাড়াতে হয় এবং কিভাবে perfect Daily Routine করা যায় সেই বিষয়ে।
আশাকরি লিখাটি আপনাদের ভালো লাগেছে এবং সেই অনুযায়ী আপনারা নিজেদের প্রস্তুতি গ্রহন করছেন।।

এবার ওজন কমাতে মানসিক প্রস্তুতির ২য় পর্বে আমরা জানবো ওজন কমাতে কিভাবে আমরা নিজেদের বুঝবো এবং ডায়েটের জন্যে নিজেকে কিভাবে প্রস্তুত করবো। তাহলে চলুন জেনে নিই আজকের বিষয় গুলোঃ

আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা খাবার তুলনামূলক কম খেয়ে থাকেন তবুও তাদের ওজন কাম্য ওজনের চেয়ে অনেক বেশি থাকে।
ডায়েট কাউন্সেলিং করার সময় আমি লক্ষ্য করেছি অধিকাংশ অতিরিক্ত ওজনের ব্যাক্তিদের একটা সাধারণ Complain থাকে যেটা হচ্ছে- আমিতো অনেক কম খাই তাহলে আমার ওজন এতো বেশি কেন??

আর এই সকল রোগীদের জন্যেই মানসিকভাবে প্রস্তুতি গ্রহন তাদের খাদ্য তালিকার চেয়ে বেশি জরুরি হয়ে পরে। তাদের মধ্যে Positiveness বাড়াতে ডায়েটের পুর্বে কাউন্সেলিং করতে হয়।

এর কারন হলো- কম খাওয়া মানেই ওজন কম থাকবে সেটা সঠিক নয়। আগে আপনাকে জানতে হবে আপনার প্রকৃত ওজনাধিক্য থাকার কারন সম্পর্কে।

ওজন নানা কারনে বেশি থাকতে পারে-

** হতে পারে বংশগত কারনে ওজন বেশি।
** হতে পারে Unhealthy Life Style এর কারনে ওজন বেশি।
** হতে পারে হরমোনের কারনে ওজন বেশি।
** হতে পারে শারীরিক কোন অসুস্থতার কারনে ওজন বেশি।

এমন আরো অনেক কারন রয়েছে যার জন্যে একজন ব্যক্তির ওজনাধিক্য হতে পারে।
কম খেলেও তখন আপনার ওজন কমবেনা যখন আপনি জানছেন ঠিক কোন খাবার আপনাকে খাদ্য তালিকা থেকে কমাতে হবে এবং ঠিক কোম কারনে আপনার ওজন বেড়েছে।

আর তাই প্রকৃত কারন জানতে হলে আপনাকে ফেসবুক, ইউটিউবে বা আপনার বন্ধুদের ওজন বাড়ার কারন জানা নয় বরং আপনাকে একজন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে যিনি আপনাকে কেবলমাত্র আপনার শারীরিক বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী সঠিক গাইডলাইন দিয়ে সহায়তা করবেন। যেটা কনা শুধুমাত্র আপনার জন্যেই প্রযোজ্য হবে।

আর তাই আমাদেরকে বুঝতে হবে নিজের মনকে স্থির করতে হবে ওজন কমাতে একজন বিশেষজ্ঞ নির্বাচন করতে হবে।

আমাদেরকে বুঝাতে হবে আমরা যাদের কাছ থেকে শুনে নিজেদের খাদ্য গ্রহনের পরিমান কমিয়ে দিচ্ছি তারা এই বিষয়ে কতটুকু অভিজ্ঞ।

আর তাই ওজন কমাতে নিজের মানসিক প্রস্তুতিতে একজন ডায়েটিশিয়ান বা পুষ্টিবিদের সহায়তা নিন যিনি আপনাকে সার্বিকভাবে ওজন কমাতে মানসিক প্রস্তুতি নিতে পুর্নাঙ্গ সহায়তা করবেন সেই সাথে আপনাকে কিভাবে স্বাস্থ্যকর উপায়ে নিজের কাংখিত ওজনের লক্ষ্যে পৌছাবেন সে জন্যে আপনাকে সচেষ্ট রাখবেন।

আজ বিশ্ব যোগ ব্যায়াম দিবস। যোগ ব্যায়াম একটি অতি প্রাচীন পদ্ধতি। ভারতীয় উপমহাদেশে এর বিভিন্ন কলা- কৌশল আবিষ্কার ও আয়ত্ত ক...
21/06/2021

আজ বিশ্ব যোগ ব্যায়াম দিবস। যোগ ব্যায়াম একটি অতি প্রাচীন পদ্ধতি। ভারতীয় উপমহাদেশে এর বিভিন্ন কলা- কৌশল আবিষ্কার ও আয়ত্ত করা হয়ে থাকলেও এর নানাবিধ উপকারিতার জন্যে উনবিংশ-বিংশ শতাব্দীতে পৃথিবীর সর্বত্র ছড়িয়ে পরেছে।

যোগ ব্যায়াম মূলত " মানুষের দেহ ও মনের সুস্থ্যতা বজায় রাখার এক অনন্য কৌশল "।

ইতিবাচক মনোভাব, প্রাণায়াম, মেডিটেশনের সমন্বয়ে একজন মানুষ তার শরীরের পাশাপাশি মানসিক সুস্থতা ও বজায় রাখে।

যোগ ব্যায়াম যেমন রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ করে তেমনি রোগ নিরাময়ে ও আমাদের সাহায্য করে।

চলুন আজ জেনে নেই Yoga বা যোগ ব্যায়ামের কিছু চমৎকার উপকারীতাঃ

** নিয়মিত যোগ ব্যায়াম করলে উচ্চ রক্তচাপ, ডায়বেটিস, করো নারি আর্টারি ব্লক ইত্যাদি জনিত রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

** যোগ ব্যায়াম শক্তিশালী ও নমনীয় শরীর, শক্তিশালী পেশী, উজ্জ্বল ত্বক ও শান্ত মন গড়ে তুলতে সাহায্য করে।

** ওজন কমাতে প্রথমেই প্রয়োজন বেহিসেবী খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করা। যোগ ব্যায়াম যেহেতু শরীরের পাশাপাশি মনকে ও আপনার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে তাই সঠিক খাদ্যাভ্যাস গ্রহনের ক্ষেত্রে ব্যক্তি নিজের মনের ওপর পুর্ন নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারেন। তাই বলা যায় ওজন কমাতে যোগ ব্যায়াম কার্যকরী পদ্ধতি গুলোর মধ্যে একটি।

** যারা এজমা, বদহজম, কোষ্ঠকাঠিন্য, মাইগ্রেন, দুশ্চিন্তা ও অবসাদজনীত সমস্যায় ভুগছেন তারা নিয়মিত যোগ ব্যায়াম করলে এ সকল সমস্যার প্রকোপ কমাতে পারেন খুব সহজেই।

** আমরা প্রতিনিয়ত নানাবিধ কাজের চাপে থাকি, যোগ ব্যায়াম করলে আমাদের মনের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করবে যার ফলে আমাদের স্নায়ু থাকবে শান্ত আর আমরা থাকতে পারবো চাপ মুক্ত।

** যোগ ব্যায়াম জীবনের প্রতিটি মুহুর্তকে গভীরভাবে উপলব্ধি করতে সাহায্য করে। বিশেষ করে যাদের রয়েছে অতিরিক্ত রাগ ও অতিরিক্ত আবেগ জনিত সমস্যা। নিয়মিত যোগ ব্যায়াম করলে তারা খুব সহজেই যে কোন কঠিন পরিস্থিতি মোকাবেলা ঠান্ডা মাথায় করতে পারে।

** এছাড়াও নিয়মিত যোগ ব্যায়াম করলে আমাদের শরীরে বিভিন্ন ধরনের হরমোনের প্রভাব নিয়ন্ত্রণে থাকে। এর ফলে শরীরে যখন যে ধরনের হরমোন প্রভাবিত হওয়া প্রয়োজন তখন সে ধরনের হরমোন প্রভাবিত হবে যা শারীরিক সৌন্দর্য কে বজায় রাখার পাশাপাশি আমাদের কর্মক্ষমতাকে ও বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করবে।

তাই বলা যায়, সর্বোপরি নিজের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে যোগ ব্যায়ামের তুলনা নেই।

বিঃদ্রঃ- দিনের যে কোন সময় যোগ ব্যায়াম করা যায়। তবে খুব ভালো হয় যদি ভোরে ঘুম থেকে উঠে বা বিকেলে বা রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ২০ থেকে ৩০ মিনিট করা যায়।

ওজন কমানোর জন্য মানসিক প্রস্তুতি - পর্ব - ১ঃ--------------------------------------------------আমরা অনেক সময় হুট করেই সিধ...
20/06/2021

ওজন কমানোর জন্য মানসিক প্রস্তুতি - পর্ব - ১ঃ
--------------------------------------------------

আমরা অনেক সময় হুট করেই সিধান্ত নিয়ে ফেলি ওজন কমানোর ব্যপারে। যাদের মধ্যে অনেকেই জানিনা আমাদের উচ্চতা অনুযায়ী কতোটুকু ওজন থাকা জরুরি। অনেকেই আছেন আবার আরো অনেক ধাপ এগিয়ে- কতো তাড়াতাড়ি ওজন কমানো যায় সেই ধরনের ডায়েট খুঁজে খুঁজে বের করেন ফেসবুক বা ইউটিউবের কল্যানে। আসলে এগুলো কতোটা কার্যকরী আর কতোটা স্বাস্থ্যের জন্যে কল্যানকর তা যতক্ষণ পর্যন্ত নিজে বুঝতে পারে ততক্ষণে শরীর ও মনের উপরে বয়ে যায় অস্বাস্থ্যকর ঝড়।

আমাদের শরীরের ওজন কমানোর আগে জানতে হবে এর প্রস্তুতি কিভাবে নিতে হবে!! প্রথমেই বলে নিই---
আমাদের ওজন ১ দিনে, ১ সপ্তাহে বা ১ মাসে ততোটা বাড়েনা যতোটা আমরা ঝড়াতে চাই। ওজন কমাতে এখন অনেক সহজেই ডায়েট চার্ট পাওয়া যায় অনেকের কাছেই। সেগুলো কি আপনার শরীরের পুষ্টি চাহিদা পুরনে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে? কখনোই না।। সাময়িক ওজন কমালেও বাড়াতে পারে স্বাস্থ্যের ঝুঁকি।

তাই চলুন জেনে নেই ডায়েট এর মানসিক প্রস্তুতি কিভাবে নেওয়া যায়ঃ

ওজন কমাতে চাইলে আমি বলবো সবার আগে জরুরি মানসিকভাবে প্রস্তুতির। কেননা ওজন কমানোর জার্নি হতে পারে কারো কারো জন্যে দীর্ঘ সময়ের আবার কারো কারো জন্যে স্বল্প সময়ের। তাই ব্যক্তি বিশেষে তাদের ডায়েট পরিকল্পনার শুরুতেই জরুরি মানসিকভাবে প্রস্তুতি নেওয়ার।

যার ওজন যতো থাকবে তা কমানোর জন্যে প্রতি সপ্তাহের নয় মাসিক পরিকল্পনা থাকা জরুরি। কেননা WHO এর মতে ' একজন ব্যক্তি প্রতি সপ্তাহে ১ কেজি করে ওজন কমালে সেটা স্বাস্থ্যের জন্যে উপযোগি আবার প্রতি সপ্তাহে ১ কেজি করে ওজন বাড়ানো ও স্বাস্থ্যের জন্যে উপযোগি'।

তাই হুট করে কারো দ্বারা প্রভাবিত হয়ে নয়, নিজের সুস্বাস্থ্যের জন্যে ওজন কমাতে জরুরি স্বাস্থ্যকর উপায় অবলম্বন করা।

মানসিকভাবে নিজেকে প্রস্তুত করতে চাই একটা পার্ফেক্ট ডেইলি রুটিন মেইনটেইন করা। এতে থাকবে সারাদিনের খাবারের যথোপযুক্ত সময়ের নির্দেশনা, ব্যক্তিগত কাজ, বিশ্রাম ও ঘুমানোর সময়ের সঠিক নির্দেশনা। সাথে থাকতে হবে দৈনিক শরীর চর্চার জন্যেও উপযুক্ত নির্দেশনা।

একজন ব্যক্তি যদি তার শরীরের বাড়তি ওজন ঝড়াতে চান তাহলে উপরের দেওয়া টিপস অনুযায়ী মানসিকভাবে প্রস্তুতি গ্রহন করা আজ থেকেই শুরু করুন। নিজেকে কোন বাড়তি চাপ প্রয়োগ নয়, মনের প্রফুল্লতা বাড়ান এতে ওজন কমানোর জার্নি আপনি উপভোগ করতে পারবেন কেননা ওজন কমাতে প্রয়োজন মানসিক স্বস্তি যা কেবল আপনি নিজেই দিতে পারেন নিজেকে।।।।

24/05/2021

আজ থেকে আগামী সাত দিন (২৩-২৮ মে) নিজে বেশি বেশি পানি পান করুন এবং পরিবারের সকলকে পান করতে বলুন।
বিজ্ঞানিদের ভাষায় এই সময়কে বলা হচ্ছেঃ
(EQUINOX)
(Astronomical event where the Sun is directly above the Earth's equator).
অর্থাৎ এই সাতদিন সুর্য সরাসরি (ডিরেক্ট) আমাদের মাথার উপর থাকবে যার ফলে আমাদের শরীরের পানি দ্রুত শুকিয়ে যাবে। এই শুকিয়ে যাওয়া পানির শুন্যতা দুর করতে আপনাকে বেশি বেশি পানি পান করতে হবে। সেহেতু এই কাজটা করা সবার জন্য অতি জরুরী।
নিজে সুস্থ থাকুন, সচেতনতার মাধ্যমে অপরকে সুস্থ রাখুন।
বেশি বেশি পানি পান করুন।

(Collected)

গত বছর থেকে এই বছরে করোনা ভাইরাসের ভয়াবহতার মাত্রা ছাড়াচ্ছে বহুগুনে। ভ্যাক্সিন নেওয়ার পরেও তা কার্যকরী হতে সময় লাগছে ব্য...
11/04/2021

গত বছর থেকে এই বছরে করোনা ভাইরাসের ভয়াবহতার মাত্রা ছাড়াচ্ছে বহুগুনে। ভ্যাক্সিন নেওয়ার পরেও তা কার্যকরী হতে সময় লাগছে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে ভিন্ন মাত্রায়। আমরা কতোটা নিজেদেরকে সুরক্ষিত রাখতে চাই তা প্রকাশিত হোক আমাদের সচেতনতায়।
আর এই সময়ে আমাদের পরিবারের থাকতে পারে এমন একজন সদস্য, যিনি হতে পারেন একজন গর্ভবতী মা। এই সংকট কালীন সময়ে তার যেন যত্নের কোন কমতি না থাকে, আমাদের সকলেরই সেই দিকে একটু বেশি খেয়াল রাখতে হবে। কেননা, গর্ভবতী মা সুস্থ থাকলে সুস্থ থাকবে গর্ভস্থ শিশু। আর তাই প্রতিটি আগত শিশুর সুস্থ্যতা নিশ্চিত করতে, নিজের প্রতি একটু বাড়তি যত্ন নিতেই পারেন গর্ভবতী মায়েরা। চলুন জেনে নেই সেসব যত্ন গুলো কেমন হবেঃ

✅ সুষম খাবার গ্রহন করাঃ
যেহেতু তাদের খাবারে বাড়তি পুষ্টি প্রয়োজন, তাই অবশ্যই মায়েদের খাবার হতে হবে সুষম। প্রথম তিন মাসে মায়ের খাবারে বাড়তি ১৫০ ক্যালোরী যোগ করতে হয় এবং পরের ৬ মাসে বাড়তি ৩৫০ ক্যালোরী করে যোগ করতে হয়। আর এই বাড়তি চাহিদা পুরনের জন্যে তাদের প্রতিদিনের খাবারে সকালের নাস্তায় অন্যান্য খাবারের পাশাপাশি ১টি করে সিদ্ধ ডিম , ১ গ্লাস করে দুধ ও ১টি মৌসুমী ফল যোগ করা যেতে পারে।
এছাড়াও তাদের ২ বেলার প্রধান খাবারে ভাত বা রুটির সাথে ২ টুকরা মাছ অথবা মাংস, পর্যাপ্ত পরিমানে ডাল ও পর্যাপ্ত পরিমানে মৌসুমী শাক- সবজি রাখতে হবে। কারো অতিরিক্ত মাত্রায় গ্যাসের সমস্যা হলে মশুর ডালের পরিবর্তে মুগ ডাল বা বুটের ডাল খেতে পারেন।
রাতে ঘুমানোর ১ ঘণ্টা আগে ১ গ্লাস দুধ বা ১ কাপ পরিমান টকদই গ্রহন করতে পারেন।
বাড়তি কিছু এনার্জি পেতে বাদাম, খেজুর, কিসমিস ও অন্যান্য শুকনো ফল দিনের যে কোন সময়ে গ্রহন করতে পারবেন। সম্ভব হলে ২ থেকে ৩ দিন অন্তর অন্তর কচি ডাবের পানি পান করতে পারেন। এর সাথে সারাদিনে পর্যাপ্ত পরিমানে পানি গ্রহন করতে হবে। পানি আমাদের শরীরে থাকা দূষিত পদার্থ গুলো খুব সহজেই শরীর থেকে বের করে দিতে সাহায্য করে।
তবে লক্ষ্যনীয় যে , যেহেতু এই সময়ে ঘরের বাহিরে যেতে মানা, তাই ঘরে তৈরী খাবার গুলোই মায়েদের জন্যে বেশি নিরাপদ। তবে খেয়াল রাখতে হবে কোন গর্ভবতী মায়ের যদি রক্তের শর্করা বেশি থাকে, তাকে অবশ্যই সাদা চালের ভাত, সাদা ময়দার বা আটার তৈরী যে কোন খাবার পরিমিত গ্রহন করতে হবে। কেননা এই সময়ে রক্তের শর্করা বেড়ে যাওয়া বা কমে যাওয়া দুটোই ঝুকিপূর্ন।
করোনার এই সময়ে ফল ছাড়া অন্য কোন খাবার কাঁচা না খাওয়াই ভালো, আর ফল খেতে হলে সেটি ভালো ভাবে ধুয়ে তারপর গ্রহন করতে হবে। তবে এর সাথে প্রতি বেলার খাবারে কাঁচা মরিচ ও লেবু রাখুন।

✅ সঠিক মেডিকেশন গ্রহন করাঃ
প্রতিদিন গর্ভবতী মায়েদের যে মেডিসিন গুলো নিয়মিত গ্রহন করা প্রয়োজন সেগুলো গ্রহণ করতে হবে। এই সময়ে কিছু সাপ্লিমেন্ট নিতে হয় যেমন-- ফলিক এসিড, আয়রন, আয়োডিন ও ক্যালসিয়াম ইত্যাদি নিয়মিত সেবন করা। তবে কারো যদি এসিডিটির সমস্যা থাকে বা ঘুমে কোন সমস্যা হয় অথবা কোষ্ঠ্যকাঠিন্যতার সমস্যা হয়ে থাকে, তবে অবশ্যই ডক্টরের পরামর্শ গ্রহন করতে হবে। ডক্টরের পরামর্শ ছাড়া নিজে থেকে কোন প্রকার মেডিসিন গ্রহন করা যাবেনা। যেহেতু সে ঘরের বাইরে যেতে পারছে না তাই অবশ্যই তাকে যে কোন জরুরী প্রয়োজনের জন্যে তার নিয়মিত যে ডক্টরের সেবা নিচ্ছেন, সেই ডক্টরের সাথে তার যোগাযোগ করার ব্যবস্থা রাখতে হবে।

✅ মানসিক চাপ মুক্ত থাকাঃ
যতোটা সম্ভব গর্ভবতী মায়েদেরকে এই বর্তমান পরিস্থিতির ভয়াবহতা থেকে নিজেকে চাপ মুক্ত রাখতে হবে। আর এই চাপ মুক্ত থাকতে হলে তাদেরকে অবশ্যই নিজের পছন্দের বই পড়তে হবে। প্যারেন্টিং এর বিভিন্ন বই রয়েছে যেগুলো সে এই সময়ে পড়তে পারেন, যা প্রসব পরবর্তীতে নবজাতকের যত্ন নিতে সাহায্য করবে। এছাড়াও পছন্দের গান বা মিউজিক শুনতে পারেন । প্রতিদিনের ঘুমটাকে নিশ্চিত করতে হবে অর্থাৎ ৬ থেকে ৮ ঘন্টা ঘুম যেন হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। কেননা, পর্যাপ্ত ঘুম থেকেই সে পর্যাপ্ত বিশ্রাম পাবে, আর এই পর্যাপ্ত বিশ্রামই দিতে পারে তাকে যে কোন মানসিক চাপ থেকে মুক্তি। পাশাপাশি নিজ নিজ ধর্মীয় বিধি গুলো অনুসরন করতে পারে।

✅ শারীরিক পরিচর্যাঃ
গর্ভাবস্থায় যে কোন ধরনের ভারী কাজ করা থেকে গর্ভবতী মাকে দূরে রাখতে বলা হয়, তবুও অনেক পরিবারেই গর্ভবতী মাকে একাই গৃহস্থালীর দৈনন্দিন কাজ গুলো করতে হয়। যেহেতু এখন করোনা পরিস্থিতিতে পরিবারের সকলেই বাসাতেই থাকছেন, তাই এই সময়ে তার সঠিক পরিচর্যায় পরিবারের সকলে তার কাজ গুলো করতে সাহায্য করতে পারেন। তাই বলে গর্ভবতী মা একেবারেই কোনো কাজ করা থেকে বিরত থাকবেন সেটাও কিন্তু ঠিক নয়। ছোট-খাট কাজ গুলো করার পাশাপাশি সে তার শারীরিক কার্যক্ষমতা সঠিক ভাবে পরিচালনার জন্যে ঘরের ভিতরে কিছু হালকা ব্যায়াম বা হাটাহাটি করতে পারেন। এছাড়া গর্ভকালীন বিভিন্ন স্টেজের কিছু মেডিটেশন, শরীর চর্চা ও যোগ ব্যায়াম রয়েছে, সেগুলো সকালে বা বিকেলে ২০ থেকে ৩০ মিনিট ঘরে বসেই করতে পারেন।

✅ ওজোন বৃদ্ধির প্রতি খেয়াল রাখাঃ
গর্ভাবস্থায় বাড়তি খাবার গ্রহনের ফলে মায়েদের ওজোন বেড়ে থাকে। প্রথম দিকে ওজোন বেশি বাড়ালে পরবর্তীতে বিভিন্ন জটিলতা দেখা দিতে পারে। তাই মায়েদের ওজোন বাড়ার সাথে যেন গর্ভস্থ শিশুর ওজোন বাড়ে সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। আর যারা কর্মজীবি গর্ভবতী মা তাদের এই করোনা পরিস্থিতিতে যেহেতু ঘরে বসে সময় কাটাতে হচ্ছে, সেক্ষেত্রেও তাদের অতিরিক্ত ওজোন বাড়তে পারে। তাই অবশ্যই সঠিক খাবারটি তাদের খাদ্য তালিকায় রাখতে হবে, আর খাদ্য তালিকাই বজায় রাখবে মায়েদের সঠিক ওজোন।

⭕️ গর্ভবতী মায়েদের কিছু সাবধানতাঃ
ক. অতিরিক্ত ভাজাপোড়া খাবার, চিনি ও লবন যুক্ত খাবার বাদ দিতে হবে, বিশেষ করে যাদের উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে।
খ. প্যাকেটজাত খাবারগুলো যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন।
গ. আনপাস্তুরাইজড(Unpasteurized) দুধ, আধা সিদ্ধ মাছ-মাংস, খাবার গ্রহন করা থেকে বিরত থাকতে হবে, কারণ এতে ভাইরাস বা ব্যাক্টেরিয়া দ্বারা আক্রান্তের ঝুকি থাকে।
ঘ. যাদের ঘুমের সমস্যা হয়, তারা বিকেলের পরে কোলা ও ক্যাফেইন জাতীয় পানীয়/চা/কফি নেয়া থেকে বিরত থাকুন।
ঙ. ধুমপান ও এলকোহলের অভ্যেস থাকলে, তা এখনি পরিত্যাগ করার উপযুক্ত সময়।
চ. যে কোন ধরনের শারীরিক সমস্যায় দ্রুত ডক্টরের পরামর্শ গ্রহন করুন।
সর্বোপরি পরিবারের সকলে মিলে গর্ভবতী মায়ের উপযুক্ত যত্ন নিয়ে মা ও গর্ভস্থ শিশুর সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করুন এবং ঘরে থাকুন ও নিরাপদ থাকুন।

করোনা ভাইরাসঃগত বছর থেকে এই বছরে এর ভয়াবহতার মাত্রা ছাড়াচ্ছে বহুগুনে। ভ্যাক্সিন নেওয়ার পরেও তা কার্যকরী হতে সময় লাগছে ব্...
10/04/2021

করোনা ভাইরাসঃ
গত বছর থেকে এই বছরে এর ভয়াবহতার মাত্রা ছাড়াচ্ছে বহুগুনে। ভ্যাক্সিন নেওয়ার পরেও তা কার্যকরী হতে সময় লাগছে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে ভিন্ন মাত্রায়। আমরা কতোটা নিজেদেরকে সুরক্ষিত রাখতে চাই তা প্রকাশিত হোক আমাদের সচেতনতায়।
আসুন আগের মতোই সব স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলি, নিজেকে, পরিবারকে ও অপরের সুস্থতা নিশ্চিত করি।

করোনাভাইরাস(কোভিড-১৯) থেকে সুরক্ষায়, কি কি করনীয় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতায়ঃ

সকলেই এখন সবার নিজ নিজ গৃহে বন্দি সময় কাটাচ্ছেন। আর বন্দি আমরা কেন হয়েছি তা এখন সবারই জানা বিষয়। করোনা ভাইরাস আক্রান্ত ব্যক্তি’র সংস্পর্শ, হাঁচি-কাশি’র মাধ্যমে আমরাও আক্রান্ত হতে পারি, তাই সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখার পাশাপাশি এখন শারীরিক দুরত্বও অনেক জরুরী। এরই সাথে, পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে যত ধরনের সতর্কতা এখনো পর্যন্ত দেয়া হয়েছে, তার মধ্যে সবচেয়ে জোর দেয়া হয়েছে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার ব্যাপারে।
বিশ্বব্যাপী এই ভাইরাসটি সংক্রমনের মাত্রা দিন দিন বেড়েই চলেছে। ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে ছড়িয়ে আক্রান্তের সংখ্যাই শুধু বাড়াচ্ছেনা, বাড়ছে মৃতের সংখ্যাও। আর তাই শুধুমাত্র ব্যক্তি নিজে পরিষ্কার থেকে এই ভাইরাস মুক্ত করতে পারবেন সেই চিত্র পাল্টে গেছে কিছুদিন আগেই, এখন পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা’র বিষয়ে নিজের পাশাপাশি আরো অনেক কিছুর উপরই গুরুত্বারোপ করা উচিত, এবং সুস্থ থাকতে পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতার সকল প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনাই আমাদের আজকের আলোচনার বিষয়। চলুন জেনে নেয়া যাক, আমাদের দৈনন্দিন জীবনে/কাজকর্মে কোন কোন দিকগুলো পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার আওতায় আনা দরকার…

১. ব্যক্তিগত ও পরিবারিক পরিচ্ছন্নতাঃ
ব্যক্তির নিজের ও পারিবারের প্রতিটি সদস্যের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতায় নিম্নোক্ত বিষয়গুলো খেয়াল রাখা বিশেষ জরুরী...

(ক) হাত ধোয়াঃ আমরা নিজেরা প্রতিদিনই বিভিন্ন ভাবে নিজেকে পরিষ্কার করে থাকি, তার উপরে এখন আবার ঘরে বন্দি। “যেহেতু বাহিরে যাচ্ছিনা সেহেতু অহেতুক হাত ধুয়ে হাতের চামড়া নষ্ট করার মতো বোকামি না করাই ভালো”- হয়তো এমনটাই ভাবছেন অনেকে। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কিন্তু ঘরের ভিতরে এবং বাইরে, সকলেরই হাত ধোয়ার ব্যাপার বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। তাই আমাদের সকলকেই সঠিক নিয়মে কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড সময় নিয়ে হাত ধুতে হবে। এবার জেনে নিই হাত ধোয়ার পাশাপাশি আমাদের কি কি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা মেনে চলতে হবে…

(খ) নিত্য ব্যবহার্য জিনিস পরিষ্কার রাখাঃ নিজের ব্যবহৃত যে সকল জিনিস রয়েছে যেমনঃ মোবাইল, চার্জার, হেডফোন, ল্যাপটপ, কি-বোর্ড, মাউস, বই-পত্র, সাজ-সজ্জা, চশমা, ঘড়ি, মানি ব্যাগ ও নিত্য প্রয়োজনীয় সারাদিনে যা কিছু কাজের জন্যে ব্যবহার করা হবে তার সব কিছুই জীবানুমুক্ত করে নিতে হবে। বাচ্চারা সব কিছুই মুখে দিয়ে থাকে তাই তাদের খেলনা বস্তু গুলোকেও প্রতিদিন জীবানুমুক্ত করে নিতে হবে। বাসায় বয়স্ক যারা রয়েছেন তাদের ব্যবহৃত জিনিস গুলোকেও জীবানুমুক্ত করা জরুরী। কেননা বয়স্ক ও শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকার ফলে নভেল করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন তারা।

(গ) নিয়মিত গোসল ও জামাকাপড় ধোয়াঃ এখন গরমের সময়ে আমরা সারাদিন ঘরে থাকা সত্বেও নানা কাজ করার ফলে আমাদের শরীরে ঘামের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া তৈরি হতে পারে। তাই প্রতিদিন নিজেকে পরিষ্কার ও জীবানুমুক্ত রাখতে আমাদের প্রতিদিন গোসল করা জরুরী। বাচ্চাদের কেও প্রতিদিন গোসল করাতে হবে, খেলাধুলা করার ফলে তাদের ও ঘাম হয় প্রচুর। খুব ছোট বাচ্চাদের ক্ষেত্রে একদিন পর পর গোসল করালেও হবে, তবে পরিধেয় বস্ত্র প্রতিদিন পালটিয়ে দিতে হবে ও ধুয়ে নিতে হবে। পরিবারে এমন অনেকেই থাকতে পারেন যিনি নিজের কাজ করতে পারেন না বা চলা-ফেরায় অক্ষম। তাদেরকেও প্রতিদিন পরিষ্কার করতে হবে সাথে তার ব্যবহৃত সকল জিনিস।
নিজেদের পরিধেয় বস্ত্র অবশ্যই সাবান পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। সম্ভব হলে কাপর ধুয়ে নেওয়ার পরে তা স্যাভলন বা ডেটল পানি দিয়ে জীবানুমুক্ত করতে হবে। তবে যারা বাহির থেকে ঘরে আসবেন তাদের কাপড়ের সাথে ঘরে থাকা ব্যক্তির কাপড় না ধোয়াই ভালো। যে ব্যক্তি বাহির থেকে আসছেন তার কাপড় আলাদা ধোয়ার ব্যাবস্থা থাকতে হবে। আর এক্ষেত্রে খুব ভালো হয় যদি ব্যক্তি তার নিজের ব্যবহৃত কাপড় নিজেই ধুয়ে নেন। তবে খেয়াল রাখতে হবে যেন সেই কাপড় ৩০ মিনিট থেকে ৪০ মিনিট সাবান পানিতে ভেজানো থাকে। আরো ভালো হয় যদি গরম পানি ব্যবহার করা যায়।


২. খাবারের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাঃ

বর্তমানে সবচেয়ে বেশি আমরা যে জিনিসের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা নিয়ে ভাবছি সেটা হলো কিভাবে আমরা আমাদের খাবার থেকে ভাইরাস বা ব্যাক্টেরিয়া দূর করতে পারি। অনেকেই আবার খাবার পরিষ্কার করার সময় বাড়তি সতর্কতা আবলম্বন করতে গিয়ে বিভিন্ন কেমিক্যাল ব্যবহার করে খাবারের পুষ্টিমান ও জীবনের ঝুঁকি তৈরী করছেন। এখন ফেসবুক বা ইউটিউব খুললেই খাবার জীবানুমুক্ত করার এমন অনেক পদ্ধতিই চোখে পরে, যা্র অধিকাংশই ভিত্তিহীন এবং ক্ষতিকর। এমন অনেক গুলো পদ্ধতির মধ্যে একটি রয়েছে খাবারের মধ্যে ব্লিচিং পানি মিশিয়ে ভাইরাস দুরীকরন। আমরা না জেনেই কিন্তু এসব ব্যবহার করে খাবারের পুষ্টিমান নষ্ট করছি সাথে যোগ করছি পরিবারের স্বাস্থ্য ঝুঁকি। নানা রকম খাবার ও এর ভিন্নতার কারণে এর পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার ধরনও ভিন্ন হবে এটাই স্বাভাবিক। চলুন জেনে নিই, খাবার পরিষ্কার করার সেসব পদ্ধতি যাতে আমাদের খাবারের গুনগুত মান অক্ষুণ্ণ থাকে …

(ক) বাজার থেকে আনা খাবারের পরিচ্ছন্নতাঃ বাজার থেকে যে কোন খাবার আনার সাথে সাথে প্রথম যা করনীয়, সেটা হচ্ছে বাহির থেকেই যে ব্যাগে করে খাবার আনা হয়েছে তা বদলিয়ে ফেলা। দ্বিতীয়ত যেটা করা প্রয়োজন সেটা হচ্ছে কাঁচা খাবার, প্যাকেটজাত খাবার, বোতলজাত খাবার এগুলোকে আলাদা করে নেওয়া।
কাঁচা খাবারের মধ্যে থাকা শাক-সব্জিকে ভালো করে পানিতে ধুয়ে নিতে হবে। এরপর আমরা সেই শাক-সব্জি, তরকারিকে পানিতে ভিনেগার / লেবু/ লবন দিয়ে এবং ভারী চামড়া যুক্ত সবজির ক্ষেত্রে পানি হাল্কা গরম ব্যবহার করে পরিস্কার করে নিব। এক্ষেত্রে আমরা শাক-সব্জিকে ৩০ থেকে ৪০ মিনিট ভিজিয়ে রাখতে পারি ।
এখন যেহেতু আমাদের প্রতিদিন বাজার করার সুবিধা নেই, আর চাইলেই যখন তখন বাজারে যেতে পারছিনা, তাই অবশ্যই খাবার সংরক্ষনেও খেয়াল রাখতে হবে। যে সবজি গুলো আমরা সংরক্ষন করবো সেগুলোকে ভালোভাবে পরিষ্কার করে শুকনো জীবানুমুক্ত কাপড় দিয়ে মুছে বা বাতাসে শুকিয়ে রাখতে পারি।
মাছ বা মাংসের ক্ষেত্রে অবশ্যই ভালো করে ধুয়ে নিবো প্রথমে। এরপর হালকা কুসুম গরম পানিতে লবন/ ভিনেগার যোগ করে রেখে দিবো ৩০ থেকে ৪০ মিনিট। ফ্রিজে রাখার পুর্বে ভালো করে পানি ঝড়িয়ে প্যাকেট করে নিবো বা বক্সে করে রাখবো প্রয়োজন মতো। ডিমের ক্ষেত্রেও আমরা একইভাবে পরিষ্কার করে নিবো, তবে ফ্রিজে রাখার আগে শুকিয়ে নিতে হবে জীবানুমুক্ত কাপড় দিয়ে মুছে বা বাতাসের সাহায্যে।
প্যাকেটজাত বা বোতলজাত খাবারগুলোর ক্ষেত্রে আমরা সাবান পানিতে কাপর ভিজিয়ে সেটা মুছে নিতে পারি। তবে প্যাকেটজাত খাবার সাবান পানিতে না ডুবানোই ভালো। কেননা প্যাকেটে কোন লিকেজ থাকলে তাতে করে ভিতরে পানি যেতে পারে।

(খ) বাসায় তৈরী করা খাবারের পরিচ্ছিন্নতাঃ খাবার তৈরী করার আগে যে পাত্রে খাবার কাটা হবে, ধোয়া হবে, তৈরী করা হবে ও পরিবেশন করা হবে সেই সকল জিনিস ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। খাবার তৈরী করার পূর্বে ভালো করে ২০ থেকে ৩০ সেকেন্ড সাবান পানিতে হাত ধুয়ে নিতে হবে।

৩. বাসগৃহের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাঃ
আলাদা আলাদা বাসগৃহের ধরনে ভিন্নতা থাকলেও নিজ নিজ বাসগৃহ নিজের কাছে স্বর্গ। কিছুদিন আগেও যেখানে আমরা সারাদিনের ক্লান্তি শেষে ফিরে যেতে চেয়েছি আর শান্তি খুঁজে পেয়েছি বারবার। আর বর্তমানে আমাদের সকলকেই সবসময় থাকতে হচ্ছে নিজ নিজ গৃহে। অনেকেই আবার ঘরে থাকতে থাকতে বিরক্ত বোধ করছেন তবুও থাকছেন নিজের ও সকলের সুস্থ্যতা বজায় রাখার জন্যে।
প্রতিটি গৃহের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা একটি নিত্য নৈমিত্তিক কাজ। তবে বর্তমানে যে পরিস্থিতির মধ্যে আমরা আছি এক্ষেত্রে আমাদের সকলের জন্যে বাসগৃহই কেবল একমাত্র নিরাপদ জায়গা। আর এই নিরাপদ জায়গার পরিষ্কার- পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখাও আমাদের দায়িত্ব।

(ক) ঘরের মেঝের পরিচ্ছন্নতাঃ ঘরের মেঝের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এখন অনেক জরুরী। প্রতিদিন মেঝে পরিষ্কার করতে হবে, এবং ঝাড়ু দেওয়ার চেয়ে মেঝেতে থাকা ময়লা ভেজা কাপড়ের সাহায্যে মুছে নেওয়া ভালো। কেননা ঝাড়ু দেওয়ার সময় বাতাসে ধুলো বালি উড়তে থাকে, যা ভাইরাস বা ব্যাক্টেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই, ঝাড়ু দেয়ার পরিবর্তে চেষ্টা করবো ভেজা কাপড় দিয়ে পরিস্কার করতে।

(খ) রান্নাঘর পরিচ্ছন্ন রাখাঃ প্রতিদিন ভালোকরে রান্নাঘর পরিষ্কার করতে হবে। খাবার রান্নার পরে ভালোভাবে জীবানুনাশক দিয়ে রান্না ঘরের মেঝে, সিংক, কল, চুলা, চুলার নিচ ও ব্যবহৃত সকল জিনিস ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। এছাড়াও রান্না ঘরে রাখা অন্যান্য যে সকল জিনির ব্যবহৃত হবে সেগুলো ও ভালো করে পরিষ্কার করে নিতে হবে। ঘরের বাহিরে বা ভিতরে রান্নাঘর যেখানেই থাকুক না কেন, পরিষ্কার করার প্রক্রিয়া একই থাকবে।

(গ) আসবাবপত্র পরিষ্কার রাখাঃ . আমাদের সকলের বাসাতেই কম বা বেশি আসবাবপত্র রয়েছে (খাট, আলমারি, টেবিল, চেয়ার, ড্রেসিং টেবিল, কেবিনেট, পড়ার টেবিল, ঘর সাজানোর সামগ্রী ইত্যাদি)। সাধারণত আমরা প্রতিদিন না হলেও চেষ্টা করি যেন মাঝে মাঝে সেগুলোর উপরে পড়ে থাকা ধুলা-বালি পরিষ্কার করার। তবে এখন যেহেতু আমাদের সকলের অবস্থান বাসাতেই রয়েছে তাই আমরা এই কাজটি চাইলে প্রতিদিনই করতে পারি। আর যে সকল পরিবারে লোক সংখ্যা কম বা ছোট পরিবার সেখানে কাজ গুলোকে ভাগ করেও নেয়া যায়।
আমাদের নিত্য ব্যবহার্য জিনিসের মধ্যে পাপোশ বা কার্পেট ও রয়েছে। সবচেয়ে বেশি ধুলা আটকে থাকে এসব জিনিসে। তবে এগুলো চাইলেই প্রতিদিন ধুয়ে ব্যবহার করা সম্ভব নয়। তবে, আমরা যা পারি, এগুলোর উপরের অংশ আমরা প্রতিদিন চাইলে কাপড়ে জীবানুনাশক মিশিয়ে পরিষ্কার করে নিতে পারি। এতে করে ছোট বাচ্চা সহ সকলেই সেইফ থাকবে।
অনেকের ঘরেই বাচ্চাদের কিছু বড় বড় খেলনা বা প্রয়োজনীয় সামগ্রী থাকে যেমনঃ গাড়ি, ঘোড়া, ওয়াকার, ট্রলি ইত্যাদি। এগুলো বাচ্চারা ব্যবহার করার পুর্বে অবশ্যই জীবানুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে।

(ঘ) বাথরুম পরিচ্ছন্ন রাখাঃ বাসার আর একটি গুরুত্বপুর্ন জায়গা হচ্ছে বাথরুম। কোন কোন পরিবারে একের অধিক বাথরুম থাকে তাই চেষ্টা করবেন নিয়মিত বাথরুমে ব্যবহৃত বেসিন, কমোড, ঝর্না, কল, বালতি, মগ সহ মেঝে জীবানুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করার। অনেকের বাসাতে বাথরুম ঘরের বাহিরে থাকে, সেক্ষেত্রেও পরিষ্কারের ধরন একই থাকবে।

৪. ইলেক্ট্রনিক্স জিনিসের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাঃ
টিভি, ফ্রিজ, আয়রন, ফ্যান, মাল্টি সকেট এসবের পাশাপাশি প্রায় অনেক বাসা বাড়িতেই এখন ওভেন, টোষ্টার, রুটি মেকার, ওয়াশিং মেশিন, আয়রন, বৈদ্যুতিক চুলা, এয়ারকন্ডিশনার, মশকিটো ব্যাট, কম্পিউটার, রাউটার, ইত্যাদি সহ আরও নানাবিধ প্রয়োজনীয় জিনিস রয়েছে। এগুলোকে অবশ্যই নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে।
ইলেকট্রনিক্স জিনিসে সরাসরি তরল কোন জীবানুনাশক ব্যবহার না করাই ভালো। এক্ষেত্রে কাপড় জীবানুনাশক দিয়ে ভিজিয়ে ও ভালো করে পানি ঝড়িয়ে ইলেকট্রনিক্স জিনিস মুছে নিতে হবে।

৫. ঘরের বাহিরের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতাঃ
বাসায় থাকবো বলে শুধুমাত্র বাসার ভিতরের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখবো আর বাহিরের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখবোনা সেটা কিন্তু নয়। আমরা চেষ্টা করবো -

ক. ব্যবহৃত ময়লা-আবর্জনা নির্দিষ্ট স্থানে ফেলার জন্য।
খ. যেখানে সেখানে কফ বা থুথু না ফেলা।
গ. যাদের বাগান করার শখ রয়েছে তাদেরকে অবশ্যই গাছ-পালা পরিচর্যার সময় সতর্ক থাকতে হবে।
ঘ. যে কোন পশু পাখির সংস্পর্শে না যাওয়া।
ঙ. বাসার আশেপাশে জীবানুণাশক ছিটিয়ে দেওয়া।


বাড়িতে তৈরিকৃত জীবানুনাশকঃ

১. বিশুদ্ধ পানিতে ভিনেগার/ লবন/ লেবু মিশিয়ে কাঁচা শাক-সব্জী জীবাণুমুক্ত করার জন্যে ব্যবহার করা যায়।

২. বিশুদ্ধ পানিতে ভিনেগার ও স্যাভলন মিশিয়ে ঘরের যে কোন আসবাবপত্রে থাকা কাঁচের অংশগুলো পরিস্কার করে নিতে পারেন।

বাড়তি সতর্কতাঃ

বছেরের এই সময়ে ডেঙ্গুর প্রকোপ সবচেয়ে বেশি দেখা যায়, তাই করোনা ভাইরাসের পাশাপাশি আমাদেরকে ডেংগু মশার উপক্রম থেকেও নিজেদেরকে রক্ষা করতে হবে। বাড়ির ভেতরের টবে অতিরিক্ত পানি, রান্না ঘরের কোথাও পানি জমে আছে কিনা সেগুলোও দেখতে হবে। বাড়ির বাহিরের কোথাও পানি জমে থাকলে তাও পরিষ্কার করতে হবে। কেননা এই জমে থাকা পানিই হচ্ছে ডেঙ্গু রোগ ছড়ানো এডিস মশার বংশবিস্তারের আদর্শ জায়গা। পাশাপাশি ঘুমানোর আগে অবশ্যই মশারী টাঙ্গাতে হবে।


আসুন সকলে ঘরে থাকি, পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকি, নিয়ম মেনে চলি, করোনা ভাইরাসের প্রকোপ থেকে নিজে বাঁচি এবং পরিবার ও দেশকে বাঁচাই।

… … … ।।। ঘরে থাকুন, নিরাপদে থাকুন ।।। … … …

— পুষ্টিবিদ জিন্নাতুন নাহার

#ঘরেথাকুননিরাপদেথাকুন 🇧🇩

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nutriful Life with Jinnatun Nahar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Nutriful Life with Jinnatun Nahar:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category