Emedical Shopping

Emedical Shopping Health care, Equipment, Organic food, Beauty items available.

 #অদ্ভুত_এক_জীবন😢😢😢 #১৬বছর বয়সে ক্লাসমেট মেয়েদের পাশে যখন শত প্রেমের অফার আসে তখন ছেলেদের জাস্টবন্ধু হবার মতোও কেউ জুটে ...
15/01/2021

#অদ্ভুত_এক_জীবন😢😢😢

#১৬বছর বয়সে ক্লাসমেট মেয়েদের পাশে যখন শত প্রেমের অফার আসে তখন ছেলেদের জাস্টবন্ধু হবার মতোও কেউ জুটে না।

#১৮বছর বয়সে ক্লাসমেট মেয়েরা বিয়ের
যোগ্য হলেও ছেলেরা বাল্যকালের উপাধি পায়।

#২০বছর বয়সে একটা রিলেশনশিপের জন্য কি
অধীর আকুলতা অথচ ক্লাসমেট মেয়েরা হাসতে হাসতে তার সামনেই ৫ বছর সিনিয়র ভাইয়ের প্রশংসা করে

#২২বছর বয়সে যখন বান্ধবিদের বিয়ের সিরিয়াল
চলতে থাকে তখনো সমাজ ছেলেদের বলে
অনার্স এর "বাচ্চা ছেলে"!

#২৪বছরে মেয়েরা যখন পড়াশুনা প্রায় ক্ষ্যান্ত দিতে যাচ্ছে তখন ছেলেটার যেন যুদ্ধ শুরু!

নেশাগ্রস্ত হতাশাগ্রস্ত যাই হোক না কেন, যে ছেলেটার নিজেরই চালচুলো নেই তাঁকেও যেন বহুবার ভাবতে হয় ইনকাম না করলে বিয়ে হবে না তাঁকেও দায়িত্ব নিতে হবে,সংসার, বউ, বাচ্চার!
নীরব কান্নায় কাউকে খুঁজে না পেলেও একটা কথা সমাজ, আত্নীয়স্বজন, পরিবার ঠিকই মনে করিয়ে দিবে-
#ছেলে_কি_করে? #প্রতিষ্ঠিত_তো?"

"অনার্স মাস্টার্স শেষ মেয়েটার জন্য শত বিয়ের অপশন পরিবার দিলেও, ছেলেটার সামনে একটাই অপশন ,"কিরে আর কবে চাকরি পাবি!
বিশ্ববিদ্যালয়েরর অাগুন ঝরা দিনগুলোতে
প্রফেসর লেকচারে বলতেন
#ভালোবাসা_বিয়ে" এগুলো ভগবানের হাতে, এটা নিয়ে দুঃশ্চিন্তা করবে না" অথচ, তিনিও মেয়ের জন্য সরকারি চাকরিওয়ালা ছেলে চান।
চাকরি করে ভাইবোনদের সেটেল করতে বা
বাবার হাতকে শক্তিশালী করে ঘরবাড়ি একটু
সাজাতে বয়স পেরিয়ে যায়, ছেলেটার খেয়াল থাকে না। এতদিন পরে একটু স্বচ্ছল!
সুন্দরি মেয়ে খুঁজলেও যেন অনেকেই বলে,
এই, বুইড়া ব্যাটা সম্পদলোভী আবার অল্প বয়স্ক মেয়েও খুঁজে!".
#বিয়ের_পর-
পরিবার আর বাচ্চাদের কথা ভেবেই পাড়ি দেয় বিদেশে একা!..
কিংবা সন্তানের শহরের স্কুল কলেজের কথা
ভেবে নিজেই একা মেসে থাকে।
হয়তো পরিবার থেকে চাকরিস্থল অনেক দূরে।..
কাজের মাসির রান্না, একাকী বিষণ্ণতা আর
কোনো জেলা/উপজেলায় পাক্ষিক-মাসিক জার্নি
করতে করতে কখন হাড় ক্ষয় হয়,
#ডায়াবেটিস_বাঁধে_খেয়ালও_থাকে_না।..
বাবা মার মুখ উজ্জ্বল করতে যে ছেলেটার
ছোটবেলায় স্বপ্ন শুরু, সংগ্রামের যৌবনকাল
আর শেষবয়সে এসেও সন্তানের ভবিষ্যৎ
উজ্জ্বল করতে যুদ্ধ যেন আর শেষ হয় না।
তবুও এই সমাজ বলে- "আহ !
ছেলেরা কত স্বাধীন! এতো কিছু করার পরও
মেয়েরা বলে
#ছেলেরা_ভালবাসতে_জানেনা 🤔🤔🤔😥

 #গ্যাস্ট্রিক_আলসার_রোগের_লক্ষন_ও_প্রতিকার।পেপটিক বা গ্যাস্ট্রিক আলসার রোগটির সঙ্গে আমরা সবাই কমবেশি পরিচিত। রোগীরা সাধা...
01/11/2020

#গ্যাস্ট্রিক_আলসার_রোগের_লক্ষন_ও_প্রতিকার।

পেপটিক বা গ্যাস্ট্রিক আলসার রোগটির সঙ্গে আমরা সবাই কমবেশি পরিচিত। রোগীরা সাধারণত গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা, গ্যাসের ব্যথা, পেটের আলসার, খাদ্যনালির ঘা ইত্যাদি নামে সমস্যাটি উপস্থাপন করে থাকেন। এই রোগ সাধারণত দুই ধরনেরÑ পাকস্থলীর আলসার এবং অন্ত্রের আলসার। মূলত অনিয়মিত খাবার গ্রহণ, খাবার বাছাইয়ে অসতর্কতা এবং অগোছালো জীবনযাপন ইত্যাদি কারণে আমাদের দেশে এই রোগের প্রকোপ দেখা যায়।

#গ্যাস্ট্রিক_আলসার_রোগের_লক্ষণ

১. বুক ও পেটের ওপরের অংশে ব্যথা করা। পাকস্থলীর আলসারের ক্ষেত্রে খাবার খেলে এই ব্যথা কমে যায়। তবে অন্ত্রের আলসারের ক্ষেত্রে খাবার গ্রহণের পর এই ব্যথা বেড়ে যায়।
২. বুক জ্বালাপোড়া করা।
৩. টক বা তিক্ত স্বাদের ঢেকুর ওঠা।
৪. মাত্রাতিরিক্ত হেঁচকি আসা।
৫. বুকের পেছনের অংশে বা মেরুদণ্ডে ব্যথা অনুভূত হওয়া।
৬. ক্ষুধামান্দ্য।
৭. বমি বমি ভাব ও বমি হওয়া।

#প্রতিকারের_উপায়

পেপটিক আলসার ডিজিজ বা গ্যাস্ট্রিক আলসার জটিল কোনো রোগ নয়। ডাক্তারি পরামর্শ মোতাবেক ওষুধ সেবন ও খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন এনে সহজেই এই রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। চলুন, এই রোগ থেকে প্রতিকারের সহজ কিছু উপায় জেনে নিই
১. ভাজাপোড়া ও মসলাযুক্ত খাবার কম খাওয়া।
২. ধূমপান ও অ্যালকোহল গ্রহণ বর্জন করা।
৩. ক্যাফেইনযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলা।
৪. অ্যাসপিরিন ও ব্যথানাশক ওষুধ এড়িয়ে চলা। এই ওষুধগুলোর কারণে আলসারের সমস্যা বেড়ে যেতে পারে।
৫. ভিটামিন এ, সি ও ই-যুক্ত ফলমূল ও শাকসবজি বেশি পরিমাণে খাওয়ার অভ্যাস করা। এই ভিটামিনগুলো আলসারের ঘা শুকাতে সাহায্য করে।
৬. ফাস্ট ফুড, প্রক্রিয়াজাত খাবার ও কোমলপানীয় এড়িয়ে চলা।
৭. প্রয়োজনমাফিক বিশুদ্ধ পানি পান করা।

#চিকিৎসা

আলসারের সমস্যা হলে নিজে নিজে চিকিৎসা গ্রহণ না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। সময়মতো চিকিৎসা না নিলে সমস্যাটি প্রকট আকার ধারণ করতে পারে। বিশেষ করে, আলসারের কারণে অন্ত্র বা পাকস্থলীতে রক্তক্ষরণ হতে পারে এবং পায়খানার সঙ্গে রক্ত যেতে পারে। অনেক সময় অন্ত্র বা পাকস্থলীতে ফুটো হয়ে যেতে পারে। তাই অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক ওষুধ গ্রহণ করুন।

27/10/2020
 #বিশ্বে_প্রতি_দশজনের_একজন_কিডনি_রোগে_আক্রান্তবিশ্বের প্রতি দশজনের একজন ব্যক্তি দুরারোগ্য কিডনি রোগে ভুগছেন বলে সম্প্রতি...
19/10/2020

#বিশ্বে_প্রতি_দশজনের_একজন_কিডনি_রোগে_আক্রান্ত

বিশ্বের প্রতি দশজনের একজন ব্যক্তি দুরারোগ্য কিডনি রোগে ভুগছেন বলে সম্প্রতি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে মেডিস্কেপ মেডিকেল নিউজ। প্রথমবারের মতো কিডনি রোগের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রকাশিত বৈশ্বিক প্রতিবেদনে এ তথ্য বেরিয়ে এসেছে।

বিশ্বের ১২৫টি দেশের মানুষের (মোট জনসংখ্যার প্রায় ৯৩ শতাংশ) উপর পরিচালিত সমীক্ষার ভিত্তিতে এই আটলাস প্রকাশিত হয়। সমীক্ষাগ্রহণ করা হয় ২০১৬ সালের মে থেকে সেপ্টেম্বর এর মাঝে। যা এ বছর মেক্সিকো শহরের ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি অব নেফ্রোলজির বিশ্ব কিডনি পলিসি ফোরামে উপস্থাপিত হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, উচ্চ আয়ের দেশগুলোতে কিডনি রোগ নির্ণয় ও কিডনি প্রতিস্থাপনের জন্য সব থেকে বেশি অর্থ ব্যয় করা হলেও এই দেশগুলোর প্রতি তিনজনের একজন কিডনির রোগকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখেন। যা শতকরা ২৯ শতাংশ।

অন্যদিকে স্বল্প আয়ের দেশগুলোর প্রতি তিনজনের দুইজনই কিডনি রোগকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয় দেখেন। যা প্রায় শতকরা ৫৯ শতাংশ। এছাড়া বিশ্বের মোট প্রাপ্ত বয়স্কদের মধ্যে প্রায় ১০ শতাংশ জীবনের কোনো না কোনো সময় কিডনি রোগে ভুগেছেন।

বিশ্ব কিডনি স্বাস্থ্য আটলাসের সহকারি লেখক ও কানাডার এডমন্টনের আলবার্টা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন বিভাগের সহকারি অধ্যাপক আমিনু বেলো মেডিস্কেপ মেডিকেল নিউজকে বলেন, প্রাপ্ত বয়স্কদের মধ্যে প্রায় ১০ শতাংশ জীবনের কোনো না কোনো সময় কিডনি রোগে ভুগেছেন। অনেকে আবার এ রোগ যে তাদের আছে তা সম্পর্কে জানেনই না।

প্রতিবেদনে বিশ্বব্যাপী কিডনি রাগ নিরাময়ে সফলতার বিষয়ও উঠে আসে। দক্ষিণ এশিয়ায় এ সফলতার হার ৭ শতাংশ, আফ্রিকাতে ৮ শতাংশ, উত্তর আমেরিকায় ১১ শতাংশ এবং মধ্যপ্রাচ্য, পূর্ব এশিয়া, ল্যাটিন আমেরিকা ও ইউরোপে ১২ শতাংশ। উচ্চ আয়ের দেশগুলোর মধ্যে কিডনি নিরাময়ে সব থেকে বেশি সফল দেশ সৌদি আরব এবং বেলজিয়াম। দুটি দেশই ২৪ শতাংশ সফলতা পেয়েছে। এরপরেই রয়েছে পোল্যান্ড (১৮ শতাংশ), জার্মানী (১৭ শতাংশ), যুক্তরাজ্য (১৬ শতাংশ) এবং সিঙ্গাপুর (১৬ শতাংশ)। এই তালিকায় সব থেকে নিচের দিকে রয়েছে নরওয়ে ও নেদারল্যান্ডস। দুটি দেশই মাত্র ৫ শতাংশ সফলতা পেয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সফলতার হার ১৪ শতাংশ। যুক্তরাষ্ট্রের উত্তরপ্রদানকারীদের মধ্য থেকে এটি জানা যায় যে দেশটির সরকার কিডনি রোগকে বেশি গুরুত্ব দেয় না। এর পিছনে দেশটির নীতি নির্ধারকদের সচেতনার অভাব রয়েছে বলে মনে করেন ডা. বেলো।

প্রতিবেদনের আরেকটি চমকপ্রদ তথ্য হচ্ছে, প্রাথমিক পর্যায়ে দুরারোগ্য কিডনি রোগ (সিকেডি) নির্ণয় এবং পরিচর্যার সুবিধা কয়েকটি দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিলো। গ্লোমারুলার ফিলট্রেশনের মাধ্যমে সিরাম ক্রেটেনাইনের পরীক্ষার সুবিধা মাত্র ১৮ শতাংশ দেশে পাওয়া যায়। অপরদিকে প্রোটেইনুইরা মেজারমেন্ট পরীক্ষার সুবিধা পেয়ে থাকে মাত্র ৮ শতাংশ দেশের মানুষ। এই শূণ্যস্থান পূরণ করতে কাজ করার পরামর্শ দেন ডা. বেলো।

ওই প্রতিবেদনে আরও জানা যায়, জার্মানি ও নেদারল্যান্ডস ব্যাতীত বিশ্বের প্রতিটি দেশেই কিডনি রোগ নির্ণয় ও নিরাময়ের জন্য পর্যাপ্ত দক্ষ চিকিৎসক নেই। আফ্রিকার মোট দশটি দেশের মধ্যে নয়টিতেই পর্যাপ্ত দক্ষ চিকিৎসক নেই। দ্রুত ডায়ালসিস দরকার বা প্রতিস্থাপন দরকার এমন রোগীদের সঠিক তথ্য জানাতে সক্ষম হয়েছে ৪১ শতাংশ দেশ।

 #স্তন_ক্যানসার_হ্রাস_আপনার_সচেতনতাই_প্রতিরোধ_করা_সম্ভব।বিশ্বব্যাপী অক্টোবর মাসকে স্তন ক্যানসার বিষয়ে সচেতনতার মাস হিসেব...
18/10/2020

#স্তন_ক্যানসার_হ্রাস_আপনার_সচেতনতাই_প্রতিরোধ_করা_সম্ভব।

বিশ্বব্যাপী অক্টোবর মাসকে স্তন ক্যানসার বিষয়ে সচেতনতার মাস হিসেবে পালন করা হয়। এই লক্ষ্যে এসকেএফ নিবেদিত ‘বিশ্বমানের ক্যানসার চিকিৎসা এখন বাংলাদেশে’ অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে অতিথি হিসেবে ছিলেন মহাখালী জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের মেডিকেল অনকোলজি বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. পারভীন শাহিদা আখতার। এ পর্বের আলোচ্য বিষয় ছিল স্তন ক্যানসার।
অনুষ্ঠানটি সরাসরি প্রথম আলোর ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেল এবং এসকেএফের ফেসবুক পেজে সম্প্রচারিত হয়। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন ডা. মো. শাহরিয়ার ইসলাম।

ডা. পারভীন শাহিদা আখতার বলেন, বিশ্বব্যাপী স্তন ক্যানসার নারীদের এক নম্বর ক্যানসার। গবেষণায় দেখা গেছে, ক্যানসারে আক্রান্ত প্রতি ৪ জন নারীর মধ্যে ১ জন স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত। এটি নারীদের মধ্যে ক্যানসারজনিত মৃত্যুর পঞ্চম কারণ। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়তে থাকে। ২০ বছর বয়সের নিচে এর তেমন কোনো ঝুঁকি থাকে না।

বর্তমানে পৃথিবীর সব দেশেই স্তন ক্যানসারের প্রাদুর্ভাব বাড়ছে বলে উল্লেখ করে ডা. পারভীন শাহিদা আখতার বলেন, সব দেশে স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার হার এবং মৃত্যুর হার এক নয়। উন্নত দেশগুলোতে স্তন ক্যানসারের হার অনেক বেশি হলেও মৃত্যুর হার অনেক কম।

ডা. পারভীন শাহিদা আখতার অবগত করেন, আন্তর্জাতিক স্তন ক্যানসার সচেতনতার রং হলো গোলাপি। সার্বিকভাবে ২০০৮ সালে স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীর যে সংখ্যা ছিল, তা ২০১২ সালে এসে ২০ শতাংশ বেড়ে গেছে। জাতীয় ক্যানসার ইনস্টিটিউটের গবেষণা অনুযায়ী আমরা দেখতে পাই, ২০০৮ থেকে ২০১০ সালের মধ্যে স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে ৬৪ শতাংশ।

পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, উন্নত দেশগুলোতে প্রতি ১ লাখ নারীর মধ্যে ৯০ থেকে ১১৫ জন স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত। আবার বাংলাদেশ বা আমাদের কাছাকাছি দেশগুলোতে দেখা গেছে, প্রতি লাখে ১৯ জন বা ২০ জন আক্রান্ত হচ্ছেন, যা উন্নত দেশগুলোর তুলনায় অনেক কম। কিন্তু তা আগের তুলনায় অনেক বেশি।

উন্নত দেশে আক্রান্তের সংখ্যা বেশি হলেও মৃত্যুর হার অনেক কম। কারণ, স্ক্রিনিং পদ্ধতি অবলম্বনের ফলে ৬০ শতাংশের বেশি রোগীর প্রাথমিক পর্যায়েই স্তন ক্যানসার শনাক্ত করা সম্ভব হয়। এতে ৯৯-১০০ শতাংশ রোগ নিরাময় করা যায়। আমাদের দেশের মানুষ এখনো এ বিষয়ে তেমন সচেতন নয়, তাই বিভিন্ন উপসর্গ নিয়ে তাঁরা চিকিৎসকের কাছে যাচ্ছেন। এ কারণে আমাদের দেশে প্রাথমিক পর্যায়ে ক্যানসার নির্ণয়ের হার ৫ শতাংশের নিচে। তাই স্তন ক্যানসার নিরাময়ের হারও অনেক কম। এর পেছনে পারিবারিক সমস্যা, অর্থনৈতিক সমস্যা, চিকিৎসার অপ্রতুলতা ইত্যাদি নানা কারণ রয়েছে বলে উল্লেখ করেন ডা. পারভীন শাহিদা আখতার।

ডা. পারভীন শাহিদা আখতার আরও বলেন, একেবারে শুরুর দিকে স্তন ক্যানসারের তেমন কোনো লক্ষণ দেখা দেয় না। এ জন্যই বেশির ভাগ রোগীই লক্ষণ দেখা দেওয়ার পর চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে আসেন। প্রায় শতভাগ রোগীই আসেন যে উপসর্গ নিয়ে তা হলো, স্তনে বা বগলে চাকা অনুভব করা এবং এসব রোগী কিন্তু লক্ষণ দেখামাত্রই চিকিৎসকের কাছে আসেন না। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ৩ মাস থেকে ৫ বছর অপেক্ষা করে চিকিৎসা নিতে আসেন। গড়ে তাঁরা প্রায় ১৮ মাস দেরি করে থাকেন। এ ক্ষেত্রে স্তনে চাকা অনুভূত হওয়ার সঙ্গে ব্যথাও অনুভূত হলে কিংবা শুধু ব্যথা অনুভূত হলেই রোগীরা স্তন ক্যানসার পরীক্ষা করাতে আসেন। অর্থাৎ ব্যথা না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা বিষয়টিকে তেমন আমলে নেন না বলে জানান তিনি।

তাই স্তনে শুধু চাকা অনুভব করলেই দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দিয়ে ডা. পারভীন শাহিদা আখতার বলেন, আরেকটি উপসর্গ হলো স্তনের আকার-আকৃতির পরিবর্তন হওয়া। এ ক্ষেত্রে স্তনবিন্দু দেবে যায় কিংবা স্তনের নিপল থেকে পানির মতো তরল বা রক্তক্ষরণ কিংবা হলুদ রঙের তরল ঝরতে পারে। আবার স্তনের আশপাশে ক্ষত কিংবা স্তনের রং লালচে হয়ে যায় কিংবা স্তনের তাপমাত্রা বেড়ে যায়। এসব লক্ষণ থাকলেই যে ক্যানসার নিশ্চিত তা নয়, তবে লক্ষণ দেখামাত্রই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

ডা. পারভীন শাহিদা আখতার মনে করেন, নারীদের ২০ বছর বয়স থেকেই সচেতন হতে হবে এবং নিয়মিত নিজেকে নিজে পরীক্ষা করতে হবে। এ ক্ষেত্রে ২০-৩৯ বছর বয়সী নারীদের প্রতি ২ থেকে ৩ বছরে একবার দক্ষ চিকিৎসক দ্বারা স্তন ক্যানসার পরীক্ষা করানো উচিত। আর বয়স ৪০ বছর হয়ে গেলে প্রতিবছরে একবার চিকিৎসক দ্বারা এবং প্রতি মাসে একবার নিজেকে নিজে পরীক্ষা করতে হবে।

ডা. পারভীন শাহিদা আখতার বলেন, অনেক ক্ষেত্রে পারিবারিক সূত্রেও স্তন ক্যানসার হয়ে থাকে এবং পরিবারের কারও স্তন ক্যানসার থাকলে তাঁর আক্রান্ত হবার ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়। তখন আমরা স্থূলতা কমানোর এবং হালকা ব্যায়াম কিংবা খাদ্যাভ্যাস ও লাইফস্টাইল পরিবর্তন করার পরামর্শ দিয়ে থাকি। তাই সার্বিক বিবেচনায় স্তন ক্যানসার নির্মূলে সচেতনতা এবং সময়মতো চিকিৎসা গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি।

 #অভিভাবকদের_জন্যে_বিশেষ_পোস্ট! যে কথা গুলো কখনই আপনার শিশুকে বলবেন না।১। “তুমি পচা” শিশুরা অবুঝ। তারা স্বর্গের সন্তান। ...
02/10/2020

#অভিভাবকদের_জন্যে_বিশেষ_পোস্ট!
যে কথা গুলো কখনই আপনার শিশুকে বলবেন না।
১। “তুমি পচা”
শিশুরা অবুঝ। তারা স্বর্গের সন্তান। তারা নিষ্পাপ।
কিন্তু তাই বলে তাদের আত্মসম্মানবোধের কোন কমতি নেই।
তারা ভুল করবে এটাই স্বাভাবিক।
তার জন্যে তিরস্কারও করা যেতে পারে, তবে তা মোটেও নেতিবাচক ভঙ্গিতে নয়।
“তুমি খারাপ”, এই সাধারণ কথাটাও তার মধ্যে হীনম্মন্যতা সৃষ্টি করতে পারে।
নেগেটিভ কথা বলতে হবে পজেটিভ ভঙ্গিতে।
যেমন, “তুমি তো অনেক ভালো।
ভালো বাবুরা কি অমন আচরণ করে?
এতে অন্যেরা কষ্ট পায় না?”।
এতে তার প্রশংসা করে উৎসাহও দেয়া হলো, এবং অন্যকে কষ্ট দেয়া ঠিক নয়, এই বোধও তার মাঝে জাগ্রত হলো।
২। ‘না’
সবসময় না শুনতে শুনতে তারা আপনার প্রতি শ্রদ্ধা এবং বিশ্বাস হারাতে পারে।
একদম চাছাছোলা না এর বদলে তাকে বিকল্প কিছু ব্যবহারের সুযোগ দিতে পারেন। যেমন, “এ্যাই, চিৎকার করবা না” এর দলে বলতে পারেন, “একটু আস্তে কথা বলতে পারো না সোনা!” অথবা “বাসার মধ্যে খেলবে না” এর বদলে বলুন, “বাইরে গিয়ে খেলো লক্ষ্ণী বাবা”।
৩। “চুপ কর, আর একটি কথাও নয়”
-এই কথাটি আপনার এবং তার মধ্যিকার সেতুটা গুড়িয়ে দেয়। তাকে বলতে দিন, যুক্তি উপস্থাপনের সুযোগ দিন, হোক না খানিক তর্ক! তার ভুলটা ধরিয়ে দিন। তার কথাও মন দিয়ে শুনুন। এই আচরণ তার মধ্যে একটা বোধ সৃষ্টি করবে, “আমার কথারও গুরুত্ব আছে”। সেই সাথে আপনার প্রতি সম্মানও বৃদ্ধি পাবে। জোর করে চাপিয়ে দেয়া যে কোন কিছুই শিশুর জন্যে ক্ষতিকর।
৪। “তুমি কেন ওর মত হতে পারো না?”
-এটা খুব কমন এবং মারাত্মক ক্ষতিকর একটা বাক্য। এতে যার সাথে তুলনা করে বলা হচ্ছে, তার প্রতি সে ঈর্ষান্বিত হবে এবং সম্পর্কের মান নেমে যাবে। নিজেকে সে ব্যর্থ মনে করবে। তার আত্মবিশ্বাস কমে যাবে।
৫। “যাও তো এখান থেকে!”
আপনার শিশুর কাছে আপনিই সব। সে আপনার কাছ থেকে ভালোবাসা চায়, মনোযোগ চায়। তাকে চলে যেতে বলা, অথবা তার কাছ থেকে চলে যেতে চাওয়া, এসব তার কোমল মনে গভীর প্রভাব ফেলে।
৬। “কেউ তোমার মত বাচ্চা চায় না”
সমস্যাগ্রস্ত শিশুরা কিন্তু আমাদের আচরণেরই বাইপ্রোডাক্ট। তারা যদি ভালো আচরণ শিখতে না পারে, তবে তার দায় আমাদেরই। কারণ আমাদের দেখেই তারা শেখে। আমাদের কারণেই তারা পৃথিবীতে এসেছে এবং জীবন যাপন করছে। তাই কোনভাবেই তাদের কে এমন কথা বলা উচিত নয়।
৭। “তুমি এটা পারবে না”
অনেক সময় তারা সাধ্যের অতীত কিছু করতে চায়। সেক্ষেত্রে সরাসরি না বলে ব্যাপারটা অন্যভাবে সমাধা করতে পারেন। ধরুন, সে একটি ভারী চেয়ার তুলতে চাইলো। তাকে এভাবে বলুন, “দেখো পারো কি না”, অথবা “তুমি ব্যথা পাবে সোনা, আমি করে দিই”। সবচেয়ে ভালো হয় যদি বলেন, “ চলো দুজনে মিলে করি”। এতে করে চেয়ারও তোলা যাবে, সাথে সে দলগতভাবে কাজ করার শিক্ষাও পাবে।
৮। “ছেলেরা/মেয়েরা এটা করে না”
শিশুরা তো শিশুই। তাদের মধ্যে লিঙ্গবিভেদ করা ঠিক না। সে তার মত করে চলুক। বাধা দিলে সে বরং জীবনের নব নব রূপ দেখা থেকে বঞ্চিত হবে। তারা হোক আরো কৌতুহলী, জিজ্ঞাসু এবং দক্ষ।
৯। “দাঁড়াও, তোমার বাবা/মা আসুক!”
এটা বহুলচর্চিত একটি ভুল। এতে শিশুরা উদ্বিগ্ন এবং শঙ্কিত হয়ে পড়ে, বিশেষ করে বারবার যদি এমন বলা হয়। যদি সে বারবার কোন একটা ভুল করতেই থাকে তাহলে আপনার অর্ধাঙ্গী/অর্ধাঙ্গীনিকে জানান ব্যাপারটা এবং আলোচনা করুন। অথবা বাচ্চাকে জিজ্ঞেস করুন, “তোমার বাবা/মা’কে তুমি বলবে নাকি আমি তাকে ব্যাপারটা বুঝিয়ে বলবো?” । এভাবে আপনার শিশুকে তার ভুলের দায়ভার নিতে শেখান।
১০। “এটা করো না, তুমি বড় হয়ে গেছ”
শৈশব তো একবার গেলে আর ফিরে আসবে না। তাই তাকে উপভোগ করার স্বাধীনতা দিন। সময় হলে বয়সের ভার সে নিজেই উপলব্ধি করবে। তার ওপর বয়স চাপিয়ে দেয়ার দরকার নেই। চাইলে আপনিও তার সাথে খেলায় মেতে উঠুন। আপনার শিশুকে আনন্দে রাখার দায়িত্ব তো আপনারই, তাই না?

 #ফ্লাসলাইট_জ্বালিয়ে_নবজাতকের_ছবি_তোলা_থেকে_বিরত_থাকুন। #ক্যামেরার ফ্ল্যাশলাইটে চোখের গুরুত্বপূর্ণ কোষ ঝলসে যাওয়ায় চিরদি...
23/09/2020

#ফ্লাসলাইট_জ্বালিয়ে_নবজাতকের_ছবি_তোলা_থেকে_বিরত_থাকুন।
#ক্যামেরার ফ্ল্যাশলাইটে চোখের গুরুত্বপূর্ণ কোষ ঝলসে যাওয়ায় চিরদিনের মতো #অন্ধ হয়ে গেল ছোট্ট প্রাণ।
#পারিবারিক জমায়েতে ছবি তুলছিলেন এক বন্ধু। মায়ের কোলে শুয়ে থাকা খুদের ছবিও তোলেন তিনি। কিন্তু অসাবধানে ক্যামেরার ফ্ল্যাশলাইট অফ করতে ভুলে যান। তার মুখ থেকে মাত্র ১০ ইঞ্চি দূর থেকে ক্যামেরা তাক করে শাটার টিপতেই ফ্ল্যাশের তীব্র আলো জ্বলে ওঠে। ছবি তোলার পর শিশুর মধ্যে অস্বস্তি লক্ষ্য করেন তার বাবা-মা। বোঝা যায়, তার দেখতে অসুবিধা হচ্ছে।
#চক্ষু বিশেষজ্ঞের কাছে নিয়ে যাওয়া হলে দেখা যায়, ফ্ল্যাশের ঝলকে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তার চোখের ভিতরে থাকা ম্যাকিউলা-র কোষ। উল্লেখ্য, এই ম্যাকিউলা অংশেই বাইরের আলোকরশ্মি প্রথম ফোকাস করে। এর সাহায্যেই সমান্তরাল দৃষ্টি ক্ষমতা তৈরি হয়। চিকিত্‍সকদের মতে, শিশুটির ডান চোখের দৃষ্টি সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গিয়েছে। বাঁ চোখের দৃষ্টিশক্তিও যথেষ্ট ক্ষীণ। জানা গিয়েছে, সার্জারির সাহায্যেও এই ক্ষতি মেরামত করা সম্ভব নয়।
#প্রসঙ্গত, শিশুর ৪ বছর বয়স না হওয়া পর্যন্ত ম্যাকিউলার গঠন সম্পূর্ণ হয় না। এই কারণে অতি উজ্জ্বল আলোর নীচে অত্যন্ত স্পর্শকাতর হয়ে পড়ে শিশু। বিশেষজ্ঞদের সতর্কবাণী: জোরালো আলোর সামনে নিজে থেকেই শিশু চোখ বন্ধ করে নিলেও সেকেন্ডের ভগ্নাংশ সময়েও সেই আলো প্রবেশ করলে চোখ পাকাপাকি ভাবে নষ্ট হতে পারে। তাঁরা জানিয়েছেন, সমস্যা এড়াতে শিশুকে স্নান করানোর সময় শৌচালয়েও উজ্জ্বল আলো ব্যবহার করা অনুচিত।
#সংগৃহিত —

 #নাক_দিয়ে_রক্ত_পড়া_কারণ_ও _প্রতীকার! #নাক দিয়ে হঠাৎ রক্ত পড়লে সবাই টেনশনে পড়ে যান।  #সাধারণত শিশু ও বৃদ্ধদের নাক দিয়ে র...
23/09/2020

#নাক_দিয়ে_রক্ত_পড়া_কারণ_ও _প্রতীকার!
#নাক দিয়ে হঠাৎ রক্ত পড়লে সবাই টেনশনে পড়ে যান।
#সাধারণত শিশু ও বৃদ্ধদের নাক দিয়ে রক্ত পড়ার ঘটনা বেশি ঘটে থাকে।
#নানা কারণে নাক দিয়ে রক্ত পড়তে পারে। আমাদের নাকের ভেতরের রক্তনালী খুব স্পর্শকাতর।
#অল্প আঘাত কিংবা জোড়ে লেগে গেলেও রক্ত পড়তে পারে।
নাক দিয়ে রক্ত পড়তে পারে নাকের সমস্যায় অথবা দেহের বিভিন্ন সমস্যাতেও।
#নাকে সাধারণত আঘাতজনিত সমস্যাই হয়। নাকে কোনো বস্তুর আঘাত লাগা, নাকের ভেতরে কিছু ঢূকে যাওয়া, নাকের নখের আঘাত লাগা ইত্যাদি। এছাড়া নাকের পলিস বা প্রদাহের কারণেও রক্তপাত হতে পারে।
হঠাৎ নাক দিয়ে রক্ত পড়লে টেনশন না করে সোজা হয়ে বসুন এবং দুই আঙুল দিয়ে নাকটা একটু চাপ দিয়ে টেনে ধরে রাখুন। এভাবে ৫ থেকে ১৫ মিনিট করুন, তবে এসময় নাকে নিঃশ্বাস নেওয়া যাবে না। নাকে একটু বরফ দিয়ে সেঁক দিলেও রক্তপাত বন্ধ হয়ে যাবে।
নাক দিয়ে রক্তপাত হলে মাথা পেছনে হেলাবেন না কিংবা মাথা উঁচু করে নাক দিয়ে নিঃশ্বাস টানবেন না। এতে রক্ত নাক থেকে গলায় এবং গলা থেকে পেটে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এই রক্ত শ্বাসনালীতে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। তাই নাকে রক্তপাত এলে এ বিষয়ে খেয়াল রাখা দরকার।
নাকে রক্তপাত হওয়ার পর কয়েকমিনিট পরও যদি না কমে, যদি এভাবে বাড়িতে বন্ধের চেষ্টা করে ২০ মিনিট পার হবার পরও যদি সমস্যার সমাধান না হয় তাহলে হাসপাতালে নিতে হবে। নাকে রক্তপাতের সাথে সাথে যদি মাথা ঝিমঝিম করে, কানে ভো ভো শব্দ, মাথা ব্যথা, চোখে দেখতে সমস্যা হলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব হাসপাতালে নিতে হবে।

বিঃদ্রঃ আমার পোষ্টগুলো যদি আপনাদের ভাল লাগে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।
নিয়মিত স্বাস্থ্যতথ্য পেতে পেইজে লাইক দিন৷
ভালো লাগলে শেয়ার করে অন্যদের জানান৷

চোখের পানি বা অশ্রু চোখের ভালো থাকার জন্য একটি অপরিহার্য উপাদান। এই চোখের পানি আমাদের কর্নিয়ার পুষ্টি, আর্দ্রতা ও বা...
22/09/2020

চোখের পানি বা অশ্রু চোখের ভালো থাকার জন্য একটি অপরিহার্য উপাদান। এই চোখের পানি আমাদের কর্নিয়ার পুষ্টি, আর্দ্রতা ও বাহ্যিক আঘাত থেকে প্রাথমিক প্রতিরোধব্যবস্থা গড়ে তোলে। দুই চোখের ওপরের ভ্রুর নিচে আছে এক জোড়া ল্যাক্রিমাল গ্ল্যান্ড বা অশ্রুগ্রন্থি, তা থেকে চোখের পানি তৈরি হয়ে ল্যাক্রিমাল থলে হয়ে ন্যাসোল্যাক্রিমাল নালি দিয়ে নাকের ভেতর চলে যায়। এ থেকেই নাকের পানি চোখের পানি একাকার কথাটার উৎপত্তি।

তবে কখনো কখনো কোনো কারণ ছাড়াই অতিরিক্ত চোখের পানি পড়তে থাকে, কখনো অবিরতভাবেই পড়তে থাকে। এই সমস্যাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় বলে এপিফোরা।

কেন বেশি পানি পড়ে?

কিছু কিছু সাধারণ ঘটনায় এমনিতেই বেশি পানি পড়ে চোখ থেকে। যেমন ঠান্ডা সর্দিতে বা অ্যালার্জি হলে, অনেকক্ষণ ধরে চোখ দিয়ে কোনো কাজ করলে যেমন পড়াশোনা বা স্ক্রিনের দিকে তাকালে। আবার চোখের পাতায় প্রদাহ বা গঠনগত সমস্যায় বেশি পানি তৈরি হতে পারে। কর্নিয়াতে কোনো আঘাত বা প্রদাহ, যেমন ধূলি বা ময়লা পড়লে সঙ্গে সঙ্গেই বেশি পানি পড়তে শুরু করবে। চোখের অভ্যন্তরীণ যেকোনো প্রদাহেও একই অবস্থা। শিশুদের ক্ষেত্রে বেশি বেশি চোখের পানি পড়ার অন্যতম কারণ হলো চোখ ও নাকের মধ্যকার নালিতে কোনো ব্লক বা বাধা, যা জন্মগত হয়ে থাকে। এ ছাড়া ল্যাক্রিমাল থলেতে প্রদাহ বা সিস্ট এবং নাকের ভেতর কোনো ব্লক বা বাধা থাকলেও বেশি পানি পড়তে পারে। চোখের অস্ত্রোপচারের পরও দেখা দিতে পারে এই সমস্যা।

সমাধান কী?

প্রথমে কারণটি খুঁজে বের করা জরুরি। এ জন্য চিকিৎসক হয়তো আপনাকে দু-একটি পরীক্ষা করতে বলবেন। যেমন ল্যাক্রিমাল থলেতে পাথর বা ব্লক আছে কি না কিংবা চোখ ও নাকের মধ্যে নালিতে কোথাও বাধা আছে কি না তা কিছু পরীক্ষার মাধ্যমে জানা যায়। তারপর সে অনুযায়ী ব্যবস্থা। শিশুদের ক্ষেত্রে একটু ভিন্নভাবে বাধা সরানোর বা নালিটি খুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। তবে বড়দের অস্ত্রোপচার প্রয়োজন হতে পারে।

মনে রাখবেন চোখ নিয়ে অবহেলা নয়।অনেক সময় বড় রোগেও খুব কম উপসর্গ দেখা যায় চোখে তাই কোন সমস্যা মনে হলেই চক্ষু বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিন....

খাবার রুচি কম থাকলে কি বাড়ানো  সম্ভব?খাবার রুচি কম হয় কেনো ??খাবার রুচি বাড়ানোর জন্য কি কোনো ফুড সাপ্লিমেন্ট অথবা মেডিসি...
22/09/2020

খাবার রুচি কম থাকলে কি বাড়ানো সম্ভব?
খাবার রুচি কম হয় কেনো ??
খাবার রুচি বাড়ানোর জন্য কি কোনো ফুড সাপ্লিমেন্ট অথবা মেডিসিন প্রয়োজন আছে না কি ???

Stomach ( পাকস্থলী ) যখন ফাকা হয়ে যায় , অর্থাৎ কোন খাদ্য থাকে না ,তখন ঘ্রেলিন নামক কেমিক্যাল মেসেঞ্জার , ব্রেন এর হাইপোথ্যালামাস এ গিয়ে ক্ষুধার সিগন্যাল তৈরি কারী নার্ভ গুলোকে একটিভ করে ক্ষুধা
বাড়িয়ে দেয় , তার মানে এই ঘ্রেলিন এর পরিমান যাদের কম হবে তাদের খাবার রুচিও কম হবে।

ঘ্রেলিন বিভিন্ন কারনে কম বেশি হতে পারে , যেমন-
-বয়স

-মেডিকেল কন্ডিশন
( IBS , Chrons Disease , Asthma , Hypothyrodism )

-কিছু মেডিসিন এর সাইড ইফেক্ট
(Paracetamol -Acetaminophen)
(Calcium phosphate )

আবার কিছু মেডিসিন এর জন্য খাবার রুচি বেড়েও যায়, যেমন-
-Anti histamine
-Anti depressent

এর জন্য আগে রুচি কম হবার পিছনের কারন খুজে বের করতে হবে , তার উপর ভিত্তি করে গাইডলাইন দিতে হবে।

খাবার রুচি বাড়ানোর কিছু নিয়ম -
-সারা দিনে তিনটি বড় মিল নেয়ার থেকে , ছোট ছোট পাচ /ছয়টি মিল খাবার অভ্যাস করতে হবে।

-সকালের ব্রেকফাস্ট অবশ্যই বড় হতে হবে।

-ক্যালোরি ইন্টেক বাড়ানোর জন্য কিছু ছোট
টিপ্স - ( বাটার দিয়ে ডিম ভাজি , মিল্ক দিয়ে ওটস রান্না)

-সলিড ফুড এর থেকে ও হাই ক্যালরি লিকুইড ফুড ইন্টেক বাড়াতে হবে।

-তবে FDA এপ্রুভ কিছু মেডিসিন , খাবার রুচি বাড়ানোর জন্য রিকমেন্ড করেছে -
-Marinol
-Synthetic Progestin
-Oxandrolone
তবে অবশ্যই ডাক্তার এর পরামর্শ অনুযায়ি নিতে হবে।

-কিছু ভিটামিন এবং মিনারেলস ও খাবার রুচি বাড়াতে সহায়তা করে থাকে -
-জিংক
-ফিশ অয়েল
-থায়ামিন

Address

Dhaka
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Emedical Shopping posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Emedical Shopping:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram