Zunaed Islam

Zunaed Islam লেখক এবং ডক্টর

The devil is in the making 🦋
24/05/2025

The devil is in the making 🦋

টারমিনাসের হেডকোয়ার্টারে ইকাথেনিয়াস ঢুকে থেরেসার কার্ডটি ব্যবহার করে। কয়েকটি নীলাভ করিডর অতিক্রম করতেই খেয়াল করে একটি লা...
12/07/2024

টারমিনাসের হেডকোয়ার্টারে ইকাথেনিয়াস ঢুকে থেরেসার কার্ডটি ব্যবহার করে। কয়েকটি নীলাভ করিডর অতিক্রম করতেই খেয়াল করে একটি লাল কার্পেটের সিড়ি। সিড়িটি সরাসরি একটি প্রাসাদের দিকে এগিয়ে গিয়েছে। অনেক ক্ষোভ নিয়ে ইকাথেনিয়াস লাল কার্পেটের সিড়ি বেয়ে প্রাসাদের দরজার দিকে এগোয়। কাছে যেতেই প্রাসাদের দরজা নিজে থেকে খুলে যায়।
দরজার ওপারে কেউ নেই, অন্তত একজন বাদে। এক পলকেই সে লর্ড লু কে চিনে ফেলে। নীলাভ প্রাসাদের ভেতর হেটে হেটে ঢুকে। বিলিয়ন বছর আগে দেখা উদ্ভুট পোশাক পরা কোন আর্কএঞ্জেল না সে। তাকে এখন সে তার প্রাকৃতিক রুপেই দেখতে পারছে।
কিন্তু তার ডানা কে যেন কেটে ফেলেছে কোন কারনে। দেখতে খুবই বেখাপ্পা লাগছে তাকে, যদিও সে অনুভব করতে পারছে, একটি আর্কএঞ্জেল হিসেবে কোনভাবেই তার ক্ষমতা কমে যায় নি।
“তোমার ডানার কি হয়েছে লুসিফার?” প্রশ্নটি না করে পারে না ইকাথেনিয়াস। লুসিফার চিন্তিত মনে এ সপ্তাহের ডকুমেন্ট দেখছিল। হঠাৎ করে ইকাথেনিয়াসকে দেখে লাফিয়ে উঠে সে।
“ওহ শিট!” সিংহাসন থেকে উঠে দৌড় দেওয়ার চেষ্টা করে সে। কিন্তু দাউ দাউ করে কালো আগুন জ্বলে ঘিরে ধরে তাকে সবদিক থেকে কিছুক্ষণের মধ্যেই। সে নিজ স্থানে থেমে যায়।
“এফওয়াইআই, তোমার গার্লফ্রেন্ড নিজে থেকে সময়ের শেষ প্রান্তে গিয়েছে।“ লুসিফার কালো আগুন অতিক্রম করার চেষ্টাও করে না।
“আমি তোমাকে সেই প্রশ্ন করি নি।“ ইকাথেনিয়াস বলে। লুসিফার বিরক্তি চোখে ফিরে তাকায়, তারপর বলে,
“গড আমাকে ডিজওন করেছে।“ তাচ্ছিল্যের কন্ঠে সে বলে, “তোমার জাতের কাছে মাথা নিচু করি নি বলে। ডানা গায়েব সেদিন থেকে।”
“গুড।”
“ওহ বাই দ্য ওয়ে, সে বিশ্বজগতের সবাইকে বলেছে এডাম নাকি প্রথম মানুষ।”
“আমি অবাক না। সে যদি আমাকে অথবা সিলভিয়াকে আসলেই পছন্দ করতো তাহলে আমাদের নামই নিতো।”
“সে আমাকেও পছন্দ করে না। কিন্তু এখানে আমরা। হি হি হি।” লুসিফার বলে।
“তুমি সিলভিয়াকে ম্যানিপুলেট করেছো।”
“নিজের ইচ্ছেতে না। শুধু অর্ডার পালন করছিলাম।”
“আই… ডোন্ট… কেয়ার!” চিৎকার করে উড়ে যায় ইকাথেনিয়াস লুসিফারের কাছে। গলা চেপে ধরে সে লুসিফারের। তার লম্বা দাতগুলো বের করে সে কামড় দেওয়ার অপেক্ষায় থাকে। তার দাতগুলো থেকে কালো আগুন বের হতে থাকে।
“তুমি আমাকে হত্যা করবে না ইকাথেনিয়াস। তুমি আমাকে হত্যা করার জন্য আসো নি।”
“না, তার মানে এই না যে আমি তোমার কাছ থেকে তথ্য নেওয়ার পর তোমাকে হত্যা করবো না।“ তার কালো চোখ জ্বলজ্বল করতে থাকে, “তুমি সিলভিয়াকে কেড়ে নিয়েছো আমার কাছ থেকে, যার আদেশেই হোক না কেন।”
“এটা ব্যাক্তিগত ছিল না।”
“এখন তোমাকে যদি হত্যা করি আমি তাহলে এটা অবশ্যই আমার ব্যাক্তিগত সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে। আই হোপ তুমি এটা জানো।”
“আমাকে যদি তুমি হত্যা কর, করে ফেলো। আমার শেষ গন্তব্য যদি মৃত্যুই হয় তাহলে আমার দরকার নেই তোমাকে কোন তথ্য দেওয়া।“ চোখ টিপে লুসিফার বলে, “যদিও সাজেশন থাকবে আমাকে হত্যা না করার। আমি টারমিনাসকে নতুন জীবন দিয়েছি। ঘুরে দেখতে পারো এই উপগ্রহটা নিজের ইচ্ছেমত। দ্য বেষ্ট সার্ভিস ইউ উইল এভার গেট।“
“আমি ঘুরতে আসি নি।“
“গুড। আমি তোমাকে চাইও না ভিজিটর হিসেবে।“ দাঁত বের করে হেসে দেয় লুসিফার।
“আই নিড টু গেট হার ব্যাক।“
“এটা সম্ভব না ইকাথেনিয়াস।“ লুসিফার বলে, “তুমি তাকে সময়ের শেষ প্রান্ত থেকে এখানে নিয়ে আসা মানে অতীতে নিয়ে আসা। আর অতীতে তুমি তাকে আনতে পারবে না। কজালিটি ভাঙ্গবে।“
“তাহলে?”
“অন্য আরেকটি উপায় আছে। আমি তোমাকে সময়ের শেষ প্রান্তে যাওয়ার পদ্ধতিটি বলতে পারি।“
“ইউরিয়েলের হেলো, এডামের হাড়, এবং তার…রক্ত।“
“বাহ, জানো দেখি।“ চোখ টিপে লুসিফার বলে। ইকাথেনিয়াস লুসিফারকে ছেড়ে দেয়। লুসিফার তার আর্মর থেকে ধুলো ঝাড়তে ঝাড়তে থাকে। ইকাথেনিয়াস বলে,
“এটা আমার দ্বিতীয় প্ল্যান ছিল। প্রথম প্ল্যান ছিল সিলভিয়াকে ফেরত আনার।“
“আই এম স্যরি এটা সম্ভব না। বিশ্বজগতের কিছু নিয়ম আমি-তুমি-সে কেউই ভাঙতে পারবে না।“ ডানা গুটিয়ে লুসিফার বলে, “যেটা বললাম, আমার সাজেশন থাকবে ওখানে যাওয়ার। তোমার লাভারের কাছে।“
“কেন?”
“সে গল্পটি লিখছে সময়ের শেষ প্রান্তে বসে বসে।“ লুসিফার একটু চিন্তা করে বলে, “তোমরা নিজেদের মত করে গল্প লিখতে পারবে সময়ের শেষ প্রান্তে গিয়ে।“
হেসে দেয় ইকাথেনিয়াস। এক সেকেন্ডের জন্য ভয় ভেসে আসে লুসিফারের চেহারায়।
“কি হল?”
“তোমার মনে হয় সিলভিয়া গল্পটি লিখছে বসে বসে সময়ের শেষ প্রান্তে?”
“আমি যতটুকু জানি আরকি।“ লুসিফার গম্ভীর কন্ঠে বলে।
“অফ কোর্স সে তোমাকে মিথ্যে বলেছে। সিলভিয়া গল্পটি লিখছে না লুসিফার। সে কখনই গল্পটি লিখছিল না। “তার” দরকার ছিল একজন অবজার্ভারের, যে তার গল্পটি উপলব্ধি করতে পারবে। সিলভিয়াকে সময়ের শেষ প্রান্তে সে পাঠিয়েছে যেন সে সবটুকু অবজার্ভ করতে পারে। সিলভিয়া শুধুমাত্র দর্শক এক। বাস্তবতাকে প্রাণ দিতে হলে একজন দর্শকের প্রয়োজন।“
লুসিফার বিরক্তি চোখে তাকিয়ে থাকে ইকাথেনিয়াসের দিকে।
“সে তোমাকে মিথ্যে বলেছে লুসিফার।“ ইকাথেনিয়াসের চোখ দুটো কালো আগুনের উল্কিতে জ্বলজ্বল করতে থাকে, “সে আমাদের সবাইকে মিথ্যে বলেছে!”
হতবাক কন্ঠে লুসিফার জিজ্ঞেস করে, “কিন্তু… কে…কেন?”
ইকাথেনিয়াস এক দৃষ্টিতে লুসিফারের দিকে তাকিয়ে থাকে, তারপর ঘৃণা নিয়ে বলে,
“That’s what writers do. Writers lie.”

_______
Pre Edit Script
_______

দ্য ব্ল্যাক ফ্লেইম
কসমিক থ্রিলার
ফ্যান্টম সাগা'র শেষ বই

She’ll snare you in bonds, hearts glowing afireTo gore and torment ‘till eternity expire
25/05/2024

She’ll snare you in bonds, hearts glowing afire
To gore and torment ‘till eternity expire

“এটা কি?”“ব্রিলিয়ান্ট!” ডিন বলে উঠে।“কি এটা বলোনা?” লিসা বিরক্তি কন্ঠে জিজ্ঞাস করে।“মিনি রিয়েক্টর।“ ডিন বলে, “লেখক সাহেব...
21/05/2024

“এটা কি?”
“ব্রিলিয়ান্ট!” ডিন বলে উঠে।
“কি এটা বলোনা?” লিসা বিরক্তি কন্ঠে জিজ্ঞাস করে।
“মিনি রিয়েক্টর।“ ডিন বলে, “লেখক সাহেবের প্রচুর পাওয়ার প্রয়োজন, প্রশ্ন হচ্ছে, কিসের জন্য?“ ডিন আর অপেক্ষা করে না। লেখক সাহেব রিয়েক্টরটা ব্যাগে ভরতে যতক্ষন, ডিন মেঝের বড় বড় কেবল অতিক্রম করে এগিয়ে যায় ডিয়াটলভের দিকে। তাকে দেখেই উলটো দৌড় দেয় ডিয়াটলভ কিন্তু তার আগেই লিসা তার টেলেকেনেসিস ব্যবহার করে তারগুলো তুলে ধরে, সেগুলো সাপের মত দু হাত ধরে তাকে তুলে ফেলে মেঝে থেকে। ডিন ডিয়াটলভের ব্যাগটি কেড়ে নেয়। চেইন খুলে দেখার চেষ্টা করে ভেতরে আর কি আছে, আপাতত মিনি রিয়েক্টর বাদে কিছুই নেই।
“কে আপনারা! কি চান?! কি চান?!” চিৎকার করে গ্রাহাম ও ডিয়াটলভ।
“গুরুত্বপূর্ণ না। আমার বন্ধু শিন চা কোথায় সেটা বলুন।“ ডিন এক পা সামনে এগিয়ে আসে, “আমি জানি সে আপনার ভাড়াটিয়া ছিল।“
"আই এম স্যরি, আমি জানি না সে কোথায়। তাকে আমি পালিয়ে যেতে বলেছিলাম, সে আমার লেখা পড়েও পালায় নি!“
"ফ্যান্টম কেন আপনাকে খুজছে?”
চুপ থাকে গ্রাহাম। “ডিন সময় নিয়ে লোকটিকে পর্যবেক্ষন করে। তারপর তার মুখে হাসি ফুটে উঠে,
"রেস্পিরেটরি রেট বেশি, আপনি আমার চোখে চোখ রেখে তাকাচ্ছেন না, আপনার হাত দুটো বার বার মুঠো করছেন আর খুলছেন, আপনি বার বার বামে তাকাচ্ছেন তার মানে আপনার ব্রেইনের রাইট হেমিস্ফেয়ার কাজ করছে, যেটা হচ্ছে ক্রিয়েটিভ সেকশন অব দ্য ব্রেইন অর্থাৎ আপনি বানিয়ে বলার চেষ্টা করছেন, আপনি একই কথা দু বার রিপিট করেছেন, আর লাষ্ট বাট নট দ্য লিষ্ট, আপনি কিভাবে জানলেন আপনার লেখা পড়ার পরেও সে পালায় নি। আমি আপনার রুমে গিয়েছিলাম। আপনি সেই সময় রুমে ছিলেন না যখন ব্ল্যাক লোটাস শিন চা’কে আক্রমণ করে। সো, এক যোগ এক…? আপনি মিথ্যে বলছেন! এম এই রাইট? অর এম আই রাইট?” ডিন লিসা’কে ইশারায় আরো শক্ত করে লোকটিকে ধরে রাখতে বলে। মোটা পাওয়ার কেবলগুলো শক্ত করে ডিয়াটলভের হাত পা বেধে রাখে। কিছুটা নীল হয়ে যাচ্ছে তার হাত। সমস্যা নেই তাতে। এটা নিশ্চয়ই লেখক সাহেব জানে। তার ধ্যান সেখানে না, সে শুধু ডিনের কথাটি শোনার জন্য প্রস্তুত ছিল না। তার চেহারা থেকে ভয়ের ছাপ যায় না ঠিকই, কিন্তু এক ধরণের অদ্ভুত হাঁসি ফুটে উঠে। সে নাক ছিটকে বলে,
"পুরনো অভ্যাস। আমাকে দোষ দিয়ে লাভ নেই, আমি একজন লেখক।“ এক সেকেন্ড চুপ থেকে গ্র্যাহাম ও’ ডিয়াটলভ বলে,
"Writers lie.”

ঈনা সে প্রশ্নের উত্তর খোজে না। এলিজাবেথের হাত ধরে সে লাল দরজাটি অতিক্রম করে। দরজাটি পেছন থেকে বন্ধ হয়ে যায় নিজে থেকে। ওপ...
28/04/2024

ঈনা সে প্রশ্নের উত্তর খোজে না। এলিজাবেথের হাত ধরে সে লাল দরজাটি অতিক্রম করে। দরজাটি পেছন থেকে বন্ধ হয়ে যায় নিজে থেকে।
ওপাশে শুধু আলো আর আলো। ঈনা আশা করেছিল সেই দুনিয়াটি, পিরামিডের দুনিয়াটি। সমুদ্র আর পিরামিড যে দুনিয়াতে। আকাশ চিরে ড্যাগনলথের দেখা পেয়েছিল যে দুনিয়াতে।
এ দুনিয়া দেখতে সেরকম না মোটেও। এ দুনিয়া একটি ধ্বংসস্তুপ। শত শত দালান ধসে পরে আছে যতদুর চোখ যায়। তারপর শুধু মরুভূমি আর মরুভূমি। আকাশে একাধিক সূর্য, কিন্তু সে সূর্যের আলোতে উত্তাপ নেই। লাল দরজাটি ধুলোতে ধূসর হয়ে উঠছে ইতিমধ্যে।
“আমরা কোথায়?”
“ঈনা, তুমি জানো, ভবিষ্যত থেকে একদল মানুষ এসেছে? তাই না?”
ঈনা চুপ থাকে।
“তাদের আমাদের দুনিয়াতে আশার কথা না ঈনা। তারা স্পেস টাইমের ফ্যাব্রিক ভেদ করে অন্য একটি প্যারালাল ইউনিভার্স থেকে এসেছে। এটা ভয়াবহভাবে কজালিটি ভঙ্গন করেছে ঈনা।“
“প্যারালাল ইউনিভার্স?” ঈনা জিজ্ঞাস করে।
“হ্যা, আমাদের দুনিয়ার মতই এক দুনিয়া, কিন্তু সেটি ভিন্ন কোন না কোনভাবে।“
“তার সাথে এ ধ্বংসস্তুপের সম্পর্ক কি ফ্যান্টম?”
ফ্যান্টমকে দুর্বল দেখায়। ঈনা তার অদৃশ্য শুড়গুলো দেখতে পারছে না পেছনে কোন কারণে। দু সূর্যের লাল আলোতে সে খেয়াল করে, কেউ তার শুড়গুলো কেটে ফেলেছে! কিন্তু কে? কে হতে পারে ফ্যান্টমের চেয়ে শক্তিধর, যে তাকে এভাবে আঘাত করবে? অনেক প্রশ্ন মাথার ভেতর ঘুরপাক খেতে থাকে। একটু ভালো করে তাকাতেই সবুজ ক্ষতগুলো চোখে পরে। এলিজাবেথের দেহে আঘাতগুলো সবুজ, তাই সহজে চোখে পরে নি। রক্তিম হলে শুরুতেই চোখে পরতো।
“এলিজাবেথ?”
“ভবিষ্যৎ থেকে জিহান আর তার বন্ধুরা যখন আসে, তখন স্বল্প সময়ের জন্য হলেও স্পেসটাইমের ফ্যাব্রিক খোলা থাকে। সে স্বল্প সময়ের সদ্যব্যবহার করে সে আজ আমাদের দুনিয়াতে এসেছে।“
“কে?” ভয়ে ভয়ে জিজ্ঞাস করে ঈনা।
“আমি জানি না। এমনকি আমার ঈশ্বর, ড্যাগনলথ পর্যন্ত তার ব্যাপারে সজ্ঞান না।“ এলিজাবেথ উত্তর দেয়।
“কে সে এলিজাবেথ?” ঈনা আবার একই ভয়ার্ত কন্ঠে জিজ্ঞাস করে। ফ্যান্টম কংক্রিটের নিচে চাপা থাকা মৃতদেহগুলোর দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে। তারপর সে ঈনার দিকে তাকায়, বলে,
“তার নাম ইকাথেনিয়াস। সে হচ্ছে, সৃষ্টির প্রথম মানুষ। আমি এর চেয়ে বেশি কিছু জানি না। কিন্তু আমাদেরকে খুজে বের করতে হবে তার সত্য।“ সে হাত তুলে ধ্বংস হয়ে যাওয়া গ্রহটিকে দেখায়, “এ গ্রহের সবাইকে হত্যা করেছে ইকাথেনিয়াস। সে এখন পৃথিবীর উদ্দেশ্যে আসছে। সে থেমে থাকবে না। সে গ্রহ থেকে গ্রহ, গ্যালাক্সি থেকে গ্যালাক্সি ঘুরবে, যতক্ষন পর্যন্ত না সে বিশ্বজগতের সবকিছু ধ্বংস করছে।“ একটু থেমে এলিজাবেথ বলে, “আমি বলেছিলাম আমার রাজ্যে তোমাকে আমার পাশে রাখবো। কিন্তু সবাইকে যদি ধ্বংস করে দেয় ইকাথেনিয়াস, তাহলে কে অনুসারী হবে ড্যাগনলথের? কে থাকবে আমাদের রাজ্যে ঈনা?”
ঈনা চুপ থাকে। ধুলো আর বাতাসে তার চুলগুলো উড়ছে।
“কি করতে হবে আমাদের?”
“প্রথমত, পৃথিবীতে যত পারমাণবিক বিস্ফোরক আছে, সবগুলোকে দুনিয়া থেকে অপসারণ করতে হবে। কারন একবার ইকাথেনিয়াস যদি পৃথিবীতে অবতারণ করে, তার উদ্দেশ্যই থাকবে সেগুলো নিজের আয়ত্বে আনা।“
ঈনা জানে না এটা আদৌ সম্ভব কি-না। কিন্তু নিয়তিকে প্রশ্ন না করা শিখে গিয়েছে সে ভালো করেই এতদিনে।
“তারপর?”
“তারপর, আমরা তার সত্য উৎঘাটন করবো। কে সে। কি চায় সে।“
“তারপর?”
একটু চুপ থাকে ফ্যান্টম। তার চুলগুলোও আজ উড়ছে ডাইফেনিসলের ধুলোমাখা বাতাসে। সে চোখ বন্ধ করে বলে, “We’ll cross that bridge when we get to it.”

দ্য ফ্যান্টম সাগা২০২০-২০২৫
26/04/2024

দ্য ফ্যান্টম সাগা
২০২০-২০২৫

> যারা যারা ফ্যান্টম সাগা'তে আগ্রহী, সিরিজের বইগুলো হচ্ছে-১. দ্য রেড ডোর২. অসমাপ্ত ক্যানভাস৩. এক হাজার সূর্যের নিচে৪. ক্...
01/04/2024

> যারা যারা ফ্যান্টম সাগা'তে আগ্রহী, সিরিজের বইগুলো হচ্ছে-
১. দ্য রেড ডোর
২. অসমাপ্ত ক্যানভাস
৩. এক হাজার সূর্যের নিচে
৪. ক্রিমসন
৫. দ্য ব্ল্যাক ফ্লেইম (অপ্রকাশিত)

> ফ্যান্টম সাগা কি?
• ফ্যান্টম সাগা কিছুটা সাই ফাই, কিছুটা হরর, কিছুটা ভিক্টোরিয়ান এবং কিছুটা ডিটেকটিভ থ্রিলার (জনরা) বেসড একটি সিরিজ। সিরিজটির কেন্দ্রবিন্দুতে আছে ফ্যান্টম, যে সরাসরি এসসিপি ফাউন্ডেশন এবং লাভক্র‍্যাফটিয়ান সাহিত্য থেকে অনুপ্রাণিত এক নতুন চরিত্র। সিরিজটিকে সাজানো হয়েছে তার উত্থান থেকে শুরু করে তার পরবর্তী সব পরিকল্পনাকে নিয়ে। সিরিজের অন্যান্য চরিত্রগুলো কোন না কোন ভাবে ফ্যান্টমের সাথে সরাসরি জড়িত কাহিনী অনুযায়ী। ফ্যান্টম সাগা কে যদিও প্রথমে লেখার উদ্দেশ্য ছিল একটি যেখানে ১১টির মত বই থাকবে এন্থলজি সিরিজ হিসেবে। পরবর্তীতে সেই সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয় কন্টিনিউটি রক্ষার্থে এবং গল্পের মান বজার রাখার উদ্দেশ্যে। সিরিজটিকে সমাপ্তি দেওয়া হবে সিরিজের পঞ্চম বই দ্য ব্ল্যাক ফ্লেইম এর মাধ্যমে।

> দ্য ব্ল্যাক ফ্লেইম পড়ার আগে কি ফ্যান্টম সাগা'র সবগুলো বই পড়তে হবে?
• অবশ্যই।

>ফ্যান্টম সাগা'র পরে কি আসবে?
• তা বলতে পারি না। কিন্তু ফ্যান্টম সাগা'র সমাপ্তি দেওয়া হবে দ্য ব্ল্যাক ফ্লেইম এর মাধ্যমে এবং পরবর্তীতে সিরিজের কোন চরিত্র অথবা ইন্সিডেন্টকে মেনশন করা হবে না আমার পরবর্তী কোন লেখাতে।

>ফ্যান্টম সাগা কি এক প্যাকেজে পাওয়া যাবে?
• যেহেতু সিরিজের কিছু বই প্রিন্ট আউট, দ্য ব্ল্যাক ফ্লেইম বইটির পর যদি সেগুলো রিপ্রিন্ট করা হয় তাহলে এক প্যাকেজে আনার চেষ্টা করবো প্রকাশনীর সাথে যোগাযোগ করে। কিন্তু সেটা অনেক পরের কথা। আগে থেকে কিছু জানাচ্ছি না নিশ্চিত না হয়ে।

সবাইকে অনেক ধন্যবাদ।

জিহান শান্ত চোখে তাকিয়ে থাকে রুপালী ঘড়িটির দিকে, তারপর সে আলিফ আর লিসা'র দিকে ফিরে তাকায়। তার চোখ দেখেই আলিফ আর লিসা অনু...
31/03/2024

জিহান শান্ত চোখে তাকিয়ে থাকে রুপালী ঘড়িটির দিকে, তারপর সে আলিফ আর লিসা'র দিকে ফিরে তাকায়। তার চোখ দেখেই আলিফ আর লিসা অনুমান করতে পারে কি বোঝাতে চাচ্ছে সে। ঘড়িটি উষ্ণ হয়ে আছে এখন। সময় অতিক্রম করতে প্রস্তুত যন্ত্রটি। এরপরেও তারা অপেক্ষায় থাকে জিহানের।
জিহান বড় একটি শ্বাস নিয়ে বলে, "একবার আমরা সময়ের শেষ প্রান্তে পৌছালে, সেখান থেকে আর ফেরত আসতে পারবো না। এটাই আমাদের শেষ যাত্রা।"
লিসা চুপ থাকে কিছুক্ষণ। এখনও ডিনের চেহারা তার চোখে ভাসছে। সে চোখ থেকে অশ্রু মুছে বলে, "আমার আর কিছু হারানোর বাকি নেই। আলিফ?"
আলিফ শক্ত চোখে তাকিয়ে থাকে লিসা'র দিকে। তার অনেক কিছু বাকি আছে হারানোর। একজন তার অপেক্ষায় আছে ঠিকই। কিন্তু তার জন্যেই হয়তো তাকে শেষ যাত্রাটি নিতে হবে। সে মাথা নেড়ে বলে, "ভি ওয়াই কে চালু কর জিহান।"
জিহান এক পা এক পা করে এগিয়ে যায়, টাইম ট্রাভেল মেশিনটির ট্রিগার সে স্পর্শ করে ঠিকই, কিন্তু সাহস হয় না তার ট্রিগারটি টান দেওয়ার। হাত কাঁপতে থাকে তার। মানসিক বল পাচ্ছে না সে কাজটি করার। ঠিক তখনই সে খেয়াল করে আলিফ ট্রিগারটি স্পর্শ করেছে। এরপর লিসা এগিয়ে আসে। তারা তিনজন একসাথে টাইম মেশিনের ট্রিগারটি টানতে প্রস্তুত এখন। লিসা শেষ একবার আলিফ আর জিহানের দিকে তাকায়, তারপর ভাঙ্গা কন্ঠে বলে,
"একসাথে...?"
"একসাথে।"
ট্রিগারটি টান দেয় তারা।
(Pre-edit script)
________________________
Everything and everyone shall face the wrath of the Black Flame!
The most tragic chapter of the Fantom Saga awaits.

_______
দ্য ব্ল্যাক ফ্লেইম
কসমিক থ্রিলার
ফ্যান্টম সাগা'র শেষ বই

রয়্যালটি তো শুধু রয়্যালটি না, এটা হচ্ছে অন্বেষা টিমের সর্বোচ্চ ডেডিকেশন আর পাঠকদের আমার উপর আস্থা রাখার প্রমাণ। কৃতজ্ঞতা...
22/03/2024

রয়্যালটি তো শুধু রয়্যালটি না, এটা হচ্ছে অন্বেষা টিমের সর্বোচ্চ ডেডিকেশন আর পাঠকদের আমার উপর আস্থা রাখার প্রমাণ।
কৃতজ্ঞতা অবিরাম 💚

“মিস ক্যারোলিনা জেইন, আপনার লোকেশন বলুন। আমরা আপনাকে সেফ হাউজে নিয়ে আসছি।“ “লাগবে না ম্যাডাম প্রেসিডেন্ট। ফ্যান্টম কি কর...
21/03/2024

“মিস ক্যারোলিনা জেইন, আপনার লোকেশন বলুন। আমরা আপনাকে সেফ হাউজে নিয়ে আসছি।“
“লাগবে না ম্যাডাম প্রেসিডেন্ট। ফ্যান্টম কি করতে যাচ্ছে কিছুক্ষনের মধ্যেই, তা আমি অনুমান করতে পারছি।“
“কি সেটা?”
“ছাদে বসে থাকুন। কিছুক্ষনের মধ্যেই শুনতে পারবেন।“ বলে ক্যারোলিনা ফোন কেটে দেয়। তারপর শক্ত হাতে ফোনটি আঘাত করে ভেঙ্গে ফেলে যেন কেউ ট্র্যাক না করতে পারে। এলবার্ট চুপচাপ তার পাশে এসে বসে। হাতে বিয়ার তার। বিয়ারে চুমুক দিয়ে সে উজ্জ্বল আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকে।
“আপনি কি সত্যিই শিওর, মিস জেইন?”
“হুম। আমাকে একটা বিয়ার দেও।“
এলবার্ট একটি বিয়ার এগিয়ে দেয় ক্যারোলিনার দিকে। ক্যারোলিনা বিয়ারে চুমুক দিয়ে ফ্যালফ্যাল করে উজ্জ্বল আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকে। পারমাণবিক বোমার রেডিয়েশন এখন আকাশে অরোরা তৈরি করছে। উজ্জ্বল সবুজ আলো ঢেউ খেলছে বায়ুমন্ডলে।
ক্যারোলিনা মনে মনে কাউন্টডাউন শুরু করে ১০ থেকে। ১ এ পৌছানোর আগেই আকাশ থেকে শব্দ ভেসে আসে, ঠিক যেমনভাবে বিশ্বের সবাই সেদিন তার উত্থানের শব্দ পেয়েছিল। একই কর্কশ কন্ঠ চারিদিক থেকে ভেসে আসতে থাকে, এবং বলতে থাকে,
“মনুষ্যজাতি, আমি হচ্ছি ফ্যান্টম। আমি হচ্ছি সৃষ্টিজগতের সবচেয়ে ক্ষমতাধর অস্তিত্ব- ড্যাগলনথের প্রফেট। আমি আজ তোমাদের কাছ থেকে সকল পারমাণবিক অস্ত্র কেড়ে নিয়েছি, যেন তোমরা তুচ্ছ বিষয় নিয়ে নিজেদেরকে ধ্বংস করে না দিতে পারো। আর শুধু তাই না, শীঘ্রই আমি গড়ে তুলবো নতুন এক পৃথিবী, যেখানে থাকবে না কোন অন্যায়, কোন অবিচার। শুধু থাকবে মানবতা আর ভালোবাসা। কিন্তু সেটার জন্য, আমার কিছু সাহায্য লাগবে, তোমাদের সাহায্য লাগবে।
আগামী ১০ দিনের মধ্যে তোমরা এক লেখককে আমার হাতে তুলে দিবে। লেখকটির নাম হচ্ছে গ্রাহাম ও' ডিয়াটলভ। কে সে, কেন দরকার তাকে, কি করেছে সে সেটা জানা গুরুত্বপুর্ন না তোমাদের কাছে। আমি জানি না কোন রাষ্ট্রের কোন ছোট রুমে বসে সে তার উপন্যাস লিখছে, কিন্তু আমি জানি, সে আছে, এবং আমি জানি, সে গল্প লিখে যাচ্ছে।
তার গল্পকে সমাপ্তি দিতে হবে।
তারপর, তারপর থাকবে পৃথিবীতে চিরসুখ। থাকবে না কোন ভয়, থাকবে না কোন অবিচার। শুধু থাকবে, চিরন্তন মুক্তি।
আজ এক হতে আহবান করছি তোমাদেরকে। তোমরা সৃষ্টিজগতের সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন সৃষ্টি। আশা করি আমাকে আশাহত করবে না তোমরা।
আশা করি ড্যাগনলথকে আশাহত করবে না তোমরা।
১০ দিন।“
ক্যারোলিনা বিয়ার খাওয়া শেষ করে। ঝিম ধরে নিজ স্থানে বসে থাকে সে। ইতিমধ্যে রাস্তায় কোলাহল, হই হুল্লোড় শুরু হয়ে গিয়েছে। গ্র্যাহাম ও' ডিয়াটলভ খুবই কমন একটি নাম। কত মানুষকে যে এলিজাবেথ বিপদে ফেলেছে সে নিজেও জানে না। কিন্তু এটা ঠিক, গ্র্যাহাম ও' ডিয়াটলভ, কোন সাধারণ কেউ না। কোন সাধারণ কেউ হলে তাকে প্রয়োজন ছিল না এলিজাবেথের। ক্যারোলিনা জানে এ নামের কোন এসসিপি নেই। ফাউন্ডেশনের ডাটাবেসের এক্সেস আছে তার, বিশেষ করে গত বছর র‍্যাম্বলার মারা যাওয়ার পর থেকে। সেখানে এই নামের কাউকে খুজে পাওয়া যায় নি।
কে তাহলে এই গ্র্যাহাম ও ডিয়াটলভ?

_______
কসমিক থ্রিলার
দ্য ব্ল্যাক ফ্লেইম
ফ্যান্টম সাগা'র শেষ বই

সেই ২০১৯ এর শুরুর দিকে, এক সন্ধ্যায় পরিকল্পনা করেছিলাম এক সিরিজের, যেখানে থ্রিলারের একাধিক জনরাকে এক প্ল্যাটফর্মে আনা হব...
17/03/2024

সেই ২০১৯ এর শুরুর দিকে, এক সন্ধ্যায় পরিকল্পনা করেছিলাম এক সিরিজের, যেখানে থ্রিলারের একাধিক জনরাকে এক প্ল্যাটফর্মে আনা হবে এক মনোমুগ্ধকর গল্প বলার উদ্দেশ্যে। সেই উদ্দেশ্য থেকেই একে একে পরবর্তি বইগুলো বের করেছি,
দ্য রেড ডোর (২০২০),
অসমাপ্ত ক্যানভাস (২০২১),
এক হাজার সূর্যের নিচে (২০২৩),
ক্রিমসন (২০২৪)।
এখন সময় হয়েছে গল্পটিকে সমাপ্তি দেওয়ার। উপর্যুক্ত বইগুলোর যত অসমাপ্ত প্লটলাইন আছে, সেগুলোর সমাপ্তি সহ এক নতুন কাহিনী নিয়ে লেখা হবে ফ্যান্টম সাগা'র শেষ বইটি।
And the story will end in blazing flame.
In the scorching black flame.

_______
দ্য ব্ল্যাক ফ্লেইম
কসমিক থ্রিলার
ফ্যান্টম সাগা'র শেষ বই

Address

Fulbaria

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Zunaed Islam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share