জার্মানি হোমিও শিক্ষালয়

জার্মানি হোমিও শিক্ষালয় ♦আসুন আমরা সঠিক হোমিও চিকিৎসা শিখি ও সফল হোমিও চিকিৎসক হই♦
(1)

 :-● Cadmium Sulph 30:  With foul smell; caries;● ulcerated nostrils.●Cale Carb 30: Polypus in nose associated with loss...
21/04/2026

:-

● Cadmium Sulph 30: With foul smell; caries;● ulcerated nostrils.

●Cale Carb 30: Polypus in nose associated with loss of smell: ulcerated; foul odour.

●Calcarea Phos 30: Large, pedunculated polypus.

●Gelsemium 200: With acute coryza, body pain, fever and sneezing.

●Phosphorus 200: Bleeding easily. Chronic catarrh.

●Teucrium Marum 30 : An all round remedy for polypus. Polypus in nose; polypus with stoppage of nose on side laid on. Sensation as if the nostrils were stopped: blowing nose or sneezing does not remove obstruction. Polypus in uterus or va**na; fibrous tumours of eyelids, esp. inside lower lid.

●Sanguinaria 30: Mucous polypus which tends to bleed. Nasal polypus may be associated with alternately fluent and dry coryza or acrid coryza.

Plz dont take any medicine without Dr's prescription


 #পাইলস ( ) – Repertory ভিত্তিক হোমিওপ্যাথিক ঔষধ নির্বাচন।( #শুধুমাত্র_শেখার_জন্যে_সংগৃহীত) পাইলস বা অর্শ হলো মলদ্বারের ...
21/04/2026

#পাইলস ( ) – Repertory ভিত্তিক হোমিওপ্যাথিক ঔষধ নির্বাচন।
( #শুধুমাত্র_শেখার_জন্যে_সংগৃহীত)
পাইলস বা অর্শ হলো মলদ্বারের ভেনাস প্লেক্সাসের অস্বাভাবিক প্রসারণ, যার ফলে ব্যথা, রক্তপাত, জ্বালা ও অস্বস্তি দেখা যায়। এটি অভ্যন্তরীণ (Internal) অথবা বাহ্যিক (External) উভয় ধরনের হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদী কোষ্ঠকাঠিন্য, সেডেন্টারি জীবনযাপন, গর্ভাবস্থা, লিভার কনজেশন ইত্যাদি এর গুরুত্বপূর্ণ কারণ।

Repertory বিশ্লেষণে “Rectum – Hemorrhoids” রুব্রিকের অধীনে বিভিন্ন গ্রেডে ঔষধ পাওয়া যায়, যা রোগীর উপসর্গের গুরুত্ব ও ঘনত্ব অনুযায়ী নির্বাচনে সহায়তা করে।

Grade System
Super Grade = 4
First Grade = 3
Second Grade = 2
Third Grade = 1

First Grade Remedies 25 no

মূল নির্দেশক ঔষধসমূহ ও নির্বাচন লক্ষণ)

Aesculus Hippocastanum
শুষ্ক, ব্যথাযুক্ত পাইলস; মলদ্বারে কাঠের মতো অনুভূতি; রক্তপাত তুলনামূলক কম কিন্তু ব্যথা তীব্র।

Aloe Socotrina
পাইলস আঙুরের মতো বাহিরে protrude করে; মল ধরে রাখতে অক্ষমতা; মলদ্বারে জ্বালা ও আর্দ্রতা।

Nux Vomica
অপর্যাপ্ত মলত্যাগের অনুভূতি; ঘন ঘন বেগ; কোষ্ঠকাঠিন্য; অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস ও সেডেন্টারি লাইফস্টাইল।

Sulphur
মলদ্বারে জ্বালা, চুলকানি ও রক্তপাত; সকালে তাড়াতাড়ি মলত্যাগ; তাপে উপসর্গ বৃদ্ধি।

Hamamelis Virginica
অতিরিক্ত রক্তপাত; ভেনাস কনজেশন; ব্যথা অপেক্ষাকৃত কম কিন্তু bleeding প্রধান উপসর্গ।

Collinsonia Canadensis
দীর্ঘস্থায়ী কোষ্ঠকাঠিন্য সহ পাইলস; গর্ভাবস্থাজনিত পাইলস; পোর্টাল কনজেশন।

Graphites
ফিশারসহ পাইলস; আঠালো স্রাব; ঠান্ডা প্রকৃতির ও স্থূল রোগী।

Nitric Acid
মলদ্বারে তীব্র সূচিবিদ্ধ বা ছুরিকাঘাতের মতো ব্যথা; রক্তপাত; মলত্যাগে ভীতি।

Lycopodium Clavatum
বিকালে উপসর্গ বৃদ্ধি; গ্যাস ও পেট ফাঁপা; ডানপাশীয় প্রবণতা।

Sepia Officinalis
মহিলাদের ক্ষেত্রে বিশেষ কার্যকর; পেলভিক অঞ্চলে bearing-down sensation; হরমোনাল ডিসঅর্ডার যুক্ত।

Second Grade Remedies 63 no
সহায়ক গুরুত্বপূর্ণ ঔষধ এর নির্বাচন লক্ষণ-

Apis Mellifica – ফোলা, জ্বালা ও stinging pain
Belladonna – আকস্মিক congestion ও তীব্র ব্যথা
Calcarea Carbonica – স্থূলতা, অতিরিক্ত ঘাম, কোষ্ঠকাঠিন্য
Capsicum – জ্বালাপোড়া ও রক্তপাত
Hydrastis Canadensis – chronic constipation সহ পাইলস
Ignatia Amara – মানসিক কারণ সংশ্লিষ্ট উপসর্গ
Kali Bichromicum – আঠালো স্রাব ও মিউকাস প্রবণতা

Third Grade Remedies 173 no

এখানে উল্লেখ্য ঔষধের তালিকা থেকে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি ঔষধ -

Aconitum Napellus, Arnica Montana, Alumina, Ambra Grisea, Ammonium Muriaticum, Antimonium Tartaricum প্রভৃতি ঔষধ রোগীর সামগ্রিক উপসর্গ (totality) অনুযায়ী প্রয়োগযোগ্য।

চিকিৎসার মূলনীতি

পাইলসের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় ২৬১ টি ঔষধ রয়েছে কিন্তু সঠিক ঔষধ নির্বাচন করতে কেবলমাত্র স্থানীয় উপসর্গ বিবেচনা যথেষ্ট নয়; রোগীর সম্পূর্ণ শারীরিক ও মানসিক লক্ষণসমষ্টি (totality of symptoms) মূল্যায়ন অপরিহার্য। সঠিক ঔষধ, উপযুক্ত potency এবং single remedy প্রয়োগই দীর্ঘমেয়াদী সফলতার প্রধান ভিত্তি।

সাথে খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাপনে সংশোধন যেমন—ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার, পর্যাপ্ত পানি পান, নিয়মিত ব্যায়াম এবং কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ন্ত্রণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষ সতর্কতা

অতিরিক্ত রক্তপাত, তীব্র ব্যথা, অ্যানিমিয়ার লক্ষণ বা দীর্ঘদিন উপসর্গ স্থায়ী হলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করা উচিত।

ফেসবুক পোস্টে প্রতিটি ঔষধের নির্বাচন লক্ষণ সহ লিখতে গেলে অনেক বড়ো হয়ে যায় তাই সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো। লেখাটি পড়ে নিজের চিকিৎসা নিজে করবেন না, একজন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক এর পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা নিন। শিক্ষার্থী বন্ধুদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি লেখাটি টাইমলাইনে শেয়ার করুন যাতে সময় মতো পড়ে নিতে পারেন। ভালো হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক হতে গেলে পড়ার কোন বিকল্প নেই।

---Dr. Yeakub Sarker

#পাইলস

♦♦   #থাইরয়েড  ♦♦ #শুধুমাত্র_শেখার_উদ্দেশ্যে_সংগৃহীত >>>আজ আপনাদের সামনে নিরবঘাতক (Silent killer) থাইরয়েড সম্পর্কে কিছু ...
21/04/2026

♦♦ #থাইরয়েড ♦♦
#শুধুমাত্র_শেখার_উদ্দেশ্যে_সংগৃহীত
>>>আজ আপনাদের সামনে নিরবঘাতক (Silent killer) থাইরয়েড সম্পর্কে কিছু কথা বলব।
>প্রথমে আসি থাইরয়েড কি? এবং এর কারনঃ
থাইরয়েড একটি বৃহৎ গ্ল্যান্ড যা আমাদের গলার মাঝামাঝি ও নিচের অংশে থাকে। এই অত্যন্ত গুরুত্ব পূর্ণ গ্রন্থি থেকে থাইরক্সিন নামের হরমোন নিঃসৃত হয়।থাইরয়েড হরমোন তৈরীর জন্য আয়োডিন লাগে, এবং সারা দুনিয়ার পরিসংখ্যানে আয়োডিনের অভাবই হাইপোথাইরয়েডিজমের সর্বপ্রধান কারণ। এমন একটি কারণ যা দূর করা কঠিন নয়। অথচ এখনো এই দূরণীয় কারণের প্রকোপ পৃথিবীতে লক্ষ লক্ষ শিশুর মানসিক জড়তা ঘটিয়ে চলেছে। আয়োডিনের অভাবই প্রধান কারণ হলেও হাইপোথাইরয়েডিজমের একমাত্র কারণ নয়। নানান কারণে থাইরয়েড গ্রন্থিতে হর্মোন উৎপাদনের অভাব হতে পারে, যার পরিণাম সাময়িক অথবা স্থায়ী হতে পারে। যেমন হাইপারথাইরয়েডিজমের ট্রিটমেন্ট করবার সময় তেজস্ক্রীয় আয়োডিন-১৩১ প্রয়োগ করা হয় যা থাইরয়েড গ্রন্থিতে জমা হয় ও থাইরয়েড গ্রন্থির তীব্র ক্ষতি করে যার স্থায়ী ফল হিসাবে আয়াট্রোজেনিক (অর্থাৎ ঔষধজনিত বা চিকিৎসাঘটিত) হাইপোথাইরয়েডিজম ঘটে এবং তখন বাকী সারা জীবন এই রোগীদের থাইরয়েড হর্মোন ওষুধ হিসাবে খেতে হয়।
থাইরয়েড গন্থি থেকে ২ ধরনের হরমোন বের হয়।
T3, T4,
থাইরয়েড আমাদের গলায় অবস্থিত ছোট্ট একটি গ্রন্থি যা আমাদের দেহে থাইরয়েড হরমোন তৈরি করে। থাইরয়েড হরমোন দুই ধরণের হয়ে থাকে। একটি হলো T3(০.১%) এবং অপরটি T4(৯৯.৯%)। এই হরমোন দুটি আমাদের শরীরের অনেক গুরত্বপূর্ণ কাজ করে থাকে।
হাইপোথালামাস, পিটুইটারি এই ২ টির যে কোন একটিতে সমস্যা থাকলে, শরীরে থাইরয়েড হরমোনের পরিমাণের তারতম্য ঘটে। এছাড়া আয়োডিন এর অভাব হলেও থাইরয়েড হরমোনের পরিমান কমে যায়। যদি শরীরে থাইরয়েড হরমোনের পরিমাণ কমে যায় তবে তাকে বলে হাইপোথাইরয়েডিসম আর যদি বেড়ে যায়, তাকে বলে হাইপারথাইরয়েডিসম। এই দুটোই শরীরের জন্য বেশ ক্ষতিকর। সঠিক সময়ে চিকিৎসা না হলে থাইরয়েডের সমস্যায় মৃত্যু পর্যন্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তবে দেখে নেয়া যাক থাইরয়েড সমস্যা প্রকাশ করে যে লক্ষণগুলো।
♦থাইরয়েডের লক্ষন সমূহঃ
মেজাজ খিটমিটে থাকা, খুব সহজে রাগান্বিত হওয়া, মাথা হালকা বোধ হওয়া, মাথা ঘোরানো বা মাথাব্যথা, সব কিছুকে স্নায়ু রোগের লক্ষণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। শারীরিক দুর্বলতা, শারীরিক অক্ষমতা, শক্তি প্রয়োগের কাজ করতে অপারগতা ইত্যাদি হলো শারীরিক কাঠামোগত অসুস্থতার লক্ষণ। বারবার প্রস্রাবের বেগ হওয়া, প্রস্রাব করার পরও পেটে প্রস্রাব জমা থাকার মতো ভাব হওয়া ইত্যাদি মূত্ররোগের লক্ষণ। চর্ম রোগের লক্ষণ হিসেবে চামড়া পাতলা হয়ে যাওয়া, খসখসে হয়ে যাওয়া, পশম ঝরে পড়া, চামড়ায় দাগ পড়া, চুলকানি হওয়া লক্ষ করা যায়। স্ত্রীরোগের লক্ষণ যেমন, ঋতুস্রাবের সমস্যা, পিরিয়ডের সময় অত্যধিক ব্যথা অনুভূত হওয়া, অত্যধিক পরিমাণে রক্তস্রাব হওয়া, বন্ধ্যত্ব দেখা দেওয়া। উল্লেখিত লক্ষণসমূহ যদিও বিভিন্ন শারীরিক সিস্টেমের (তন্ত্রের) সমস্যা কিন্তু একটি মাত্র কারণে কোনো ব্যক্তির শরীরে এগুলো পর্যায়ক্রমে বা এলোমেলোভাবে পরিলক্ষিত হতে পারে এবং তা হলো থাইরয়েড হরমোনজনিত সমস্যা। থাইরয়েড হরমোনজনিত সমস্যায় আরও অনেক উপসর্গ দেখা দিতে পারে যেমন- অত্যধিক গরম বা অত্যধিক ঠাণ্ডা অনুভূত হওয়া, শারীরিক ওজন কমে যাওয়া বা শারীরিক ওজন বৃদ্ধি পেতে থাকা।

♦ এবার মুলত ২ প্রকার থাইরয়েড সম্পর্কে বলবঃ

#হাইপারথাইরয়েডসিম অর্থাৎ থাইরয়েড হরমোনের পরিমাণ বেশি হলে এর লক্ষন সমূহ:
* অতিরিক্ত ঘাম হওয়া শুরু হয়।
* রোগী একেবারেই গরম সহ্য করতে পারেন না।
* হাত ও পায়ে হালকা কাঁপুনি অনুভব করা। অর্থাৎ কোনো কিছু করতে গেলে বা ধরতে গেলে হাত কাঁপা।
* কোনো কাজ বা সিদ্ধান্ত নিতে গেলে অতিরিক্ত নার্ভাস বোধ করা।
* সব সময় মেজাজ প্রচণ্ড খারাপ থাকা এবং খিটখিটে হয়ে যাওয়া।
* সাধারণের তুলনায় হার্টবিট বেশি মাত্রায় বেড়ে যাওয়া।
* হঠাৎ করে কোন কারন ছাড়াই ওজন কমতে শুরু করা।
* অল্প পরিশ্রমে ক্লান্ত হয়ে যাওয়া ও দুর্বলতা অনুভব করা।
* কাজেকর্মে মনোযোগী হতে না পারা বা একদিকে মনোনিবেশ করতে না পারা।
* চোখ বড় বড় হয়ে যাওয়া।
* ঘুম অনেক কম হওয়া ও অনিদ্রার সমসায় ভোগা।

#হাইপোথাইরয়েডিসম অর্থাৎ থাইরয়েড হরমোনের পরিমাণ কম হলে এর লক্ষন সমূহ:
* অল্প পরিশ্রমে ক্লান্ত হয়ে যাওয়া ও সব সময় দুর্বলতা অনুভব করা।
* স্মৃতিশক্তি অনেক কমে যাওয়া এবং কোনো কিছু মনে করতে না পারা।
* একেবারেই ঠান্ডা সহ্য করতে না পারা।
* ত্বক একেবারে বিবর্ন ও শুস্ক রুক্ষ হয়ে যাওয়া।
* মাংসপেশি এবং জয়েন্ট গুলোতে জড়তা বা ব্যাথা অনুভব করা।
* বিষণ্ণতায় ভোগা।
* চুল পাতলা হয়ে যাওয়া এবং মাত্রাতিরিক্ত আগা ফাটা ও চুল পরে যাওয়া অথবা নখে ফাটা দাগ পরা।
* সাধারণ হাঁটাচলায় কষ্ট হওয়া।
* হঠাৎ করে কোনো কারণ ছাড়াই ওজন বেড়ে যাওয়া।

♦ হাইপারথাইরয়েডিসম এ রোগীর লক্ষণ গুলো হলোঃ
১.বুদ্ধি কম
২.হজমে সমস্যা, যেহেতু মেটাবলিজম কম হয় তাই কোষ্ঠকাঠিন্য
৩.অরুচি
৪. মানসিক বিকৃতি
৫. শরীর শুকিয়ে যাওয়া
৬ লোম না উঠা
৭.ত্বক খসখসে
৮. শীর্নতা

♦হোমিও মেডিসিন : হোমিওপ্যাথিতে থাইরয়েডের চিকিৎসায় থাইরয়েডিনাম ছাড়াও আয়োডিন, নেট্রাম মিউর, লাইকোপিডিয়াম, সাইলেসিয়া, থুজা, মেডোরিনাম, স্পজ্ঞিয়া, লেপিস এলবা,ক্যাল ফ্লোর সহ আরো অনেক মেডিসিন লক্ষণের ওপর আসতে পারে তবে কথা হল" Treat the patient not the disease "
বাকি টুকু একজন চিকিৎসকের নিজিস্ব চিন্তা ধারার উপর নির্ভর করবে। তবে কথা হল ধাতুগত ট্রিটমেন্ট অতি জরুরী একে নিয়ন্ত্রন করার জন্য।

এছাড়াও লক্ষ্মণ ভিত্তিক আরো গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ আসতে পারে।

#বিঃদ্রঃ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া যে কোনো ওষুধ সেবন ই বিপদজনক।

 #কান_পাঁকা #কানের_পুঁজ যদি বহুদিনের পুরনো হয় চোখ বন্ধ করে Calcarea Fluor দিতে হয়। এই ঔষধটি যে রোগীকে নির্দোষভাবে আরোগ...
21/04/2026

#কান_পাঁকা
#কানের_পুঁজ
যদি বহুদিনের পুরনো হয় চোখ বন্ধ করে Calcarea Fluor দিতে হয়। এই ঔষধটি যে রোগীকে নির্দোষভাবে আরোগ্য করবে তা আমি নিতাই প্রত্যক্ষ করছি। পুরাতন কানের পুঁজে Calcarea Fluor এর চেয়ে ভালো কোন ঔষধ আছে কিনা আমি জানিনা ।

শিশুদের কর্ণপুঁজের কথা শুনলেন। কিন্তু বড়দের ঐ রোগ হলে কি করবেন? আপনাদের দুঃশ্চিন্তা দূর করার সরল উপায়টি বলেই দিই। Merc sol দিলেই ভাল হবে। চিকিৎসকের কর্তব্য হল রোগীকে বলে দেওয়া যে এই ধরনের বিশ্রী রোগটি সারতে একটু সময় লাগে ।

কানের ভিতরে যদি চুলকায় Tellurium, পুঁজ হলেও Tellurium এর পুঁজ জলবৎ ভীষণ দুর্গন্ধময়।

কানের ভিতর একরকমের ছোটছোট ফোঁড়া হয়। খুব ব্যথা যন্ত্রণা। রোগী অস্থির আপনি কিন্তু অস্থির হবেন না। আপনি আপনার বাক্স থেকে Calcarea Picricum টি টুক করে তুলে নিন। তারপর দুটি পুরিয়া দিলেই হবে। আপনার রোগী আহঃ বলে আরামে ঘুম যাবে।

সিফিলিনামের পর ঔষধটি চমৎকার কাজ করে।

কান থেকে রক্ত পড়লে কি দেবেন ? একটু চিন্তা করুন। এখনও যদি উত্তরটি না পান তাহলে Acid Nitric এর অধ্যায়টি খুলুন।

রাগী জেদি শিশুর কর্ণগুলে, Chamomilla. শান্ত শিশুর কর্ণগুলে Pulsatilla.

হোমিওপ্যাথিক বর্ণপরিচয় পড়া ছাত্র মাত্রই জানেন যে, কোন আঘাতের প্রাথমিক ঔষধ Arnica. কানেও যদি কোনোরকম আঘাত লাগে Arnica ই একমাত্র অস্ত্র।

কানের ভিতরকার যে কোনোরকম অপারেশনের পর যদি প্রদাহ ব্যথা স্ফীতি থাকে তাহলে ঘাবড়ানোর কিছু নেই। তূণের Calcarea Fluor নামক তীরটি ছুড়ুন। অব্যর্থ নিশানায় আঘাত করবে। রোগটিও সারবে। এই প্রসঙ্গে আফটার। অপারেশনে Staphysagria কেও মাথায় রাখতে হয়।

ডা. হাসান মির্জা (কলকাতা)

#বিঃদ্রঃ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া যে কোনো ওষুধ সেবন ই বিপদজনক।

 #রোগীলিপি( #শেখার_জন্য_সংগৃহীত)একজন দক্ষ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক হিসেবে রোগীর সঠিক ঔষধ নির্বাচনের জন্য এই পয়েন্টগুলো জানা ...
21/04/2026

#রোগীলিপি
( #শেখার_জন্য_সংগৃহীত)
একজন দক্ষ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক হিসেবে রোগীর সঠিক ঔষধ নির্বাচনের জন্য এই পয়েন্টগুলো জানা অত্যন্ত জরুরি।

​১. P/C - Present Complain (প্রেজেন্ট কমপ্লেইন) বা বর্তমান সমস্যা।

রোগী বর্তমানে যে কষ্টগুলো নিয়ে আপনার কাছে এসেছেন।
​a) Causation (কজেশন): কারণ। রোগটি কেন শুরু হলো? (যেমন: বৃষ্টিতে ভিজে, শোক থেকে বা কোনো খাবার খেয়ে)।
​b) Location (লোকেশান): স্থান। শরীরের ঠিক কোথায় সমস্যা হচ্ছে? (যেমন: ডান কান না কি বাম কান)।
​c) Sensation (সেনসেশন): অনুভূতি। ব্যথার ধরন কেমন? (যেমন: ছিঁড়ে ফেলার মতো ব্যথা না কি জ্বালাপোড়া)।
​d) Modalities (মোডালিটিজ): হ্রাস/বৃদ্ধি। কিসে রোগ কমে আর কিসে বাড়ে? (যেমন: গরমে কমে কিন্তু ঠান্ডায় বাড়ে)।
​e) Concomitant (কনকমিট্যান্ট): আনুষঙ্গিক লক্ষণ। প্রধান রোগের সাথে অন্য কোনো সমস্যা যা সাধারণত ওই রোগের সাথে হওয়ার কথা নয়।
​২. P/H - Past History (পাস্ট হিস্ট্রি) বা অতীত ইতিহাস।
অতীতে রোগীর কী কী বড় অসুখ হয়েছিল বা কোনো অপারেশন হয়েছিল কি না।
​৩. F/H - Family History (ফ্যামিলি হিস্ট্রি) বা পারিবারিক ইতিহাস।
রোগীর বংশে (বাবা-মা, দাদা-দাদি) ক্যান্সার (CA), যক্ষ্মা (TB), ডায়াবেটিস (D/M) বা হাঁপানি (Asthma) ছিল কি না।
​৪. P/H - Personal History (পার্সোনাল হিস্ট্রি) বা ব্যক্তিগত ইতিহাস।
রোগীর অভ্যাস, নেশা বা জীবনযাত্রার ধরন।
​৫. H/T - Here and there (হিয়ার অ্যান্ড দেয়ার) শরীরে আঁচিল বা টিউমার জাতীয় কিছু আছে কি না।
​৬. Mind (মাইন্ড) বা মানসিক অবস্থা।
রোগীর মেজাজ কেমন? রাগী না কি শান্ত? একা থাকতে পছন্দ করেন না কি মানুষের সাথে?
​General History (জেনারেল হিস্ট্রি - সাধারণ লক্ষণ)
​Agg - Aggravation (অ্যাগ্রাভেশন): বৃদ্ধি।
​Amel - Amelioration (অ্যামেলিওরেশন): উপশম বা কমা।
​App - Appetite (অ্যাপেটাইট): ক্ষুধা।
​Av - Aversion (অ্যাভারশন): অপছন্দ (যেমন: কোনো নির্দিষ্ট খাবারে অনীহা)।
​Bath - Bathing (বেদিং): গোসল। গোসল করতে পছন্দ করেন কি না বা গোসলে সমস্যা বাড়ে কি না।
​Br - Burning (বার্নিং): জ্বালাপোড়া।
​Cove - Catches Cold Very Easily: সহজে সর্দি-কাশি লাগার প্রবণতা।
​Cts - Cloth Take Stains: কাপড়ে দাগ লাগে কি না (যেমন: ঘাম বা প্রস্রাব থেকে)।
​Df - Desire for: পছন্দ বা প্রবল ইচ্ছা (যেমন: মিষ্টি বা লবণের প্রতি ঝোঁক)।
​Dream: স্বপ্ন। রোগী ঘুমের মধ্যে কেমন স্বপ্ন দেখেন?
​Fear: ভয়। (যেমন: কুকুর, অন্ধকার বা একাকীত্বের ভয়)।
​Hcr - Heat Cold Relation: কাতরতা। রোগী কি শীতকাতর না কি গরমকাতর?
​How - Healing of Wounds: ক্ষত শুকানোর হার। কেটে গেলে দ্রুত শুকায় নাকি দেরি হয়?
​Leucorrhoea: শ্বেতপ্রদর বা সাদাস্রাব।
​Mouth Cavity: মুখ গহ্বর বা মুখের ভেতরের অবস্থা।
​Menstruation: মাসিক।
​Sweat: ঘাম। ঘাম কেমন হয় এবং গন্ধ আছে কি না।
​Stool: মল। কোষ্ঠকাঠিন্য না কি পাতলা পায়খানা।
​Sleep: ঘুম। ঘুমের ধরন এবং সময়।
​Salivation: লালা। ঘুমের মধ্যে মুখ দিয়ে লালা পড়ে কি না।
​Th - Thirst: পিপাসা।
​Tongue: জিহ্বা। জিহ্বার রঙ বা আকার কেমন?
​Urination: প্রস্রাব।
​কেন এগুলো জানতে হবে?
​হোমিওপ্যাথিতে আমরা শুধু রোগ নয়, বরং #রোগীকে #চিকিৎসা করি। #স্যামুয়েল_হ্যানিম্যান এবং জে. টি. কেন্টের শিক্ষা অনুযায়ী:
​ব্যক্তিত্ব নির্ধারণ (Individualization): প্রতিটি মানুষ আলাদা। এই লক্ষণগুলোই একজন রোগীকে অন্যজন থেকে আলাদা করে।
​সঠিক ওষুধ ( ): সাধারণ রোগের নামের চেয়ে এই বিশেষ লক্ষণগুলো (যেমন: মডালিটিজ ও মাইন্ড) সঠিক শক্তি ও ওষুধ নির্বাচনে ১০০% সাহায্য করে।
​ #মায়াজম বোঝা: অতীত ও পারিবারিক ইতিহাস থেকে বোঝা যায় রোগীর রোগের গভীরতা কতটুকু।
​এই তথ্যগুলো ছাড়া #ক্লাসিক্যাল #হোমিওপ্যাথি চর্চা করা প্রায় অসম্ভব।


#হোমিও
#রোগীলিপি

 #সিজারপশ্চিমা এক ভয়াবহ  #ষড়যন্ত্র হলো সিজার৷ একজন মা কে চিরতরে পঙ্গু করে দেওয়ার নাম সিজার৷ পুঁজিবাদী হাসপাতাল গুলো এই ম...
21/04/2026

#সিজার
পশ্চিমা এক ভয়াবহ #ষড়যন্ত্র হলো সিজার৷
একজন মা কে চিরতরে পঙ্গু করে দেওয়ার নাম সিজার৷ পুঁজিবাদী হাসপাতাল গুলো এই মরণকামড় দিয়েছে৷ কারণ এই দেশে নেই কোনো আইন৷ নেই কোনো নিয়ম৷ সব চলছে ভয়াবহ সিন্ডিকেটে৷

সিজার হলো এক ভয়ানক মনস্তাত্ত্বিক আগ্রাসন। অর্থের লোভে ক-সাইখানা হাসপাতাল একটি জাতিকে চুরমার করে দিয়েছে৷

কিছুদিন পূর্বে আমার বন্ধুর বাচ্চা জন্ম নিয়েছে নরমাল ডেলিভারিতে। আমার ৪ আন্টির বাচ্চা হয়েছে নরমাল ডেলিভারিতে। এই ৩/৪ বছরের মধ্যে।

চাইলে নরমাল ডেলিভারি সম্ভব। কিছু ক্ষেত্রে ঝুঁকি আছে প্রয়োজন হয় সেটা ভিন্ন কথা৷

বেবি কনসিভ করার পর প্রথম ৩ মাস একটু রেস্ট ও সাবধানে থাকতে হবে৷ তারপর থেকে নিয়মিত কাজ করতে হবে (ভারী কাজ ব্যতিত)৷ ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে অবসরে যাওয়া মানে বেবির পজিশন সিজারের উপর্যুক্ত হওয়া৷

সবচেয়ে জরুরী খাদ্য অভ্যাসে পরিবর্তন। অতিরিক্ত খাদ্য গ্রহণ সিজারের দিকে ঠেলে দিবে৷ এক কথায় সম্পূর্ণ নরমাল জীবন যাপন করতে হবে৷

হাসপাতালে পরিকল্পিত ভাবে প্রসূতি মা কে ভয় দেখানো হয়৷ যে হাসপাতালেই যাবেন একই বক্তব্য পাবেন৷ কারণ সব গুলো একই সিন্ডিকেট।

একটা দেশে সিজারের স্বাভাবিক মাত্রা ১০/১২ থাকা দরকার৷ কিন্তু বাংলাদেশে এটা ৮০+ ছড়িয়ে গেছে৷ বিশেষ করে হাসপাতাল ক্লিনিকগুলোর কারণে রিসেন্ট ১০ বছরে ৫১% সিজার বৃদ্ধি পেয়েছে৷

সিজার হলো মাতৃত্বের সম্ভাবনা ধ্বংস করে দেওয়া।
মানব দেহের স্বাভাবিক সক্ষমতা দুর্বল করা।
স্ত্রীদের জৈবিক চাহিদা কমিয়ে দেয়।
দীর্ঘমেয়াদি মাইগ্রেন সৃষ্টি করে৷

সাবফার্টিলিটি ও মিসক্যারেজ: পরবর্তী গর্ভধারণে অসুবিধা বাড়ে।
হিস্টেরেক্টমি (জরায়ু কাটা): সিজারের পর জীবনের পরবর্তীতে হিস্টেরেক্টমির ঝুঁকি ৫০% বেশি, এবং অপারেশনে জটিলতা বেশি। শিশুর জন্য ক্ষতি।

স্বল্পমেয়াদি ক্ষতি:
শ্বাসকষ্ট: ট্রানজিয়েন্ট ট্যাকিপনিয়া (TTN) বা রেসপিরেটরি ডিসট্রেস সিন্ড্রোম — স্বাভাবিক প্রসবে জন্মনালী দিয়ে যাওয়ার সময় ফুসফুসের তরল বের হয়, সিজারে এটি কম হয়।
অ্যাজমা ও অ্যালার্জি: শৈশবে অ্যাজমার ঝুঁকি বাড়ে (OR ≈ 1.2-2.0)। অ্যালার্জিক রাইনাইটিস, অ্যাটোপিক ডার্মাটাইটিসও বেশি।
স্থূলতা (Obesity): শৈশব ও পরবর্তী জীবনে স্থূলতার ঝুঁকি বাড়ে (OR ≈ 1.5)।
ইমিউন সিস্টেমের সমস্যা: গাট মাইক্রোবায়োটা (অন্ত্রের ভালো ব্যাকটেরিয়া) কম হয়, ফলে ইমিউন-মিডিয়েটেড রোগ (যেমন: টাইপ-১ ডায়াবেটিস, সেলিয়াক ডিজিজ, ইনফ্লেমেটরি বাউয়েল ডিজিজ) এর ঝুঁকি বাড়ে।

আমার ফ্রেন্ড ছিলো একজন ডাক্তার৷ সে হাসপাতাল দেওয়ার ব্যাপারে বলেছিলো যে। সিজার আর রোগীর অপ্রয়োজনীয় রিপোর্ট না দিলে হাসপাতাল টেকানো সম্ভব নয়৷

যেখানে প্রয়োজন ছিলো এই সিজার স'ন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ ভাবে দাঁড়ানো। সেখানে সুকৌশলে সিজার কে মানুষের মনস্তত্বে ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে৷

সেলিব্রিটি নামক কূপের ব্যাঙরা দুই একটি বাস্তবতা কে রঙ মিশিয়ে গণহারে সিজার কে মানুষের মগজে ঢুকিয়ে দিচ্ছে। কত বড় অপদার্থ হলে এমন কাণ্ডজ্ঞানহীন ন্যারেটিভ দাঁড় করাতে পারে৷

আচ্ছা করোনাকালীন সময়ের কথা মনে আছে আপনাদের নিশ্চয়, সেই বছর কয়টা সিজার হয়েছিলো সারা দেশে? ১০% ও নয়।
তারপর এদেশের আলো বাতাসে রোহিঙ্গাদের প্রায় দেড় লক্ষ শিশু জন্ম নিয়েছে। কতোজনের সিজার লেগেছে? তাহলে কেন গণহারে সারা দেশে সিজার করানো হচ্ছে? আসলে এটা একটা ব্যাবসায়ে পরিণত হয়েছে। টিকা, সিজার, জন্ম নিয়ন্ত্রণের ইনজেকশন সবই পশ্চিমা পুঁজিবাদের একেকটা অ*স্ত্র!
আমরা এটা বুঝিনা বুঝতে চাইও না, কারন সাদা চামড়ার চামাররা মিথ্যা বললেও আমাদের কাছে সত্যি হয়ে যায়। আমরা সত্যি বললে তখন রাষ্ট্রিয় ভাবে আমাদের দমন করা হয়!

বাংলাদেশে শত শত গাউনী ডাক্তার সিজারের বিরুদ্ধে লড়াই করে যাচ্ছে৷ সেই জায়গায় সেলিব্রিটি নামক বই ব্যবসায়ীরা ভাসাভাসা যুক্তি দিয়ে জাতির মধ্যে সিজার স-ন্ত্রাস কে নরমালাইজেশন করে যাচ্ছে৷

--ডাঃ লতিফুজ্জামান রুবেল

 #ধ্বজভঙ্গের হোমিও ঔষধ ( #শুধুমাত্র_শেখার_জন্য_সংগৃহীত)🛑 ইমপোটেন্সি (Impotency) অর্থ হলো পুরুষের যৌন অক্ষমতা — অর্থাৎ যৌ...
21/04/2026

#ধ্বজভঙ্গের হোমিও ঔষধ
( #শুধুমাত্র_শেখার_জন্য_সংগৃহীত)

🛑 ইমপোটেন্সি (Impotency) অর্থ হলো পুরুষের যৌন অক্ষমতা — অর্থাৎ যৌন মিলনের সময় যথেষ্ট দৃঢ়তা বা ইরেকশন না হওয়া। আবার যৌন দুর্বলতা দেখা দেওয়া।

---♦️ প্রধান লক্ষণ:
- লিঙ্গে উত্তেজনার অভাব
- যৌন ইচ্ছা থাকলেও মিলনে অক্ষমতা
- মিলনের সময় ইরেকশন নরম হয়ে যাওয়া
- মানসিক লজ্জা, হতাশা

---♦️ কারণ:
- মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা বা ভয়
- অতিরিক্ত হস্তমৈথুন
- ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ
- টেস্টোস্টেরনের অভাব
- ধূমপান বা মাদকদ্রব্য সেবন

🔴🔴চিকিৎসার জন্য হোমিওপ্যাথিতে কার্যকর অনেক ঔষধ রয়েছে (যেমন: *AgnusCastus*,Conium *Caladium sag*,Argent met* *Lycopodium*, *Nuphar Luteum*
*Calcarea Carb*,* Salix Nigra, *Sabal serrulata,* *Selenium,* Staphysagria *Damiana,. *Nux vom*ইত্যাদি), তবে উপসর্গ অনুযায়ী যেকোনো মেডিসিন আসতে পারে

🛑এছাড়াও ব্যবহৃত কিছু কার্যকর ঔষধ 🛑
🔴Agnus Castus
অতিরিক্ত ইন্দ্রিয় সেবা জনিত অকালবার্ধক্য।যাদের সঙ্গমের ইচ্ছা অত্যন্ত প্রবল থাকলেও কার্যক্ষেত্রে ক্ষমতাহীন, লিঙ্গ শিথিল, ঠান্ডা,বক্র,আকারে একেবারে ছোট হয়ে গিয়েছে, স্ত্রীর আলিঙ্গনেও ইরেকশন হয় না। লিঙ্গ মুখে হলুদ বর্ণের চটচটে স্রাব লেগে থাকে তাদের ক্ষেত্রে এই ওষুধটি অনেক উপকারী।

---

🔴 Caladium Seguinum
- যৌন ইচ্ছা আছে, কিন্তু ইরেকশন হয় না ।
লিঙ্গ শিথিল। স্ত্রী সহবাসকালে লিঙ্গে উপযুক্ত উচ্ছ্বাস বা বীর্যপাত হয় না।
- মানসিক চাপ বা ভয়ের কারণে সমস্যা ।
- তামাক বা নেশার ইতিহাস

🔴 Lycopodium
- প্রথমে ইরেকশন দুর্বল, ধীরে ধীরে ভয় কাটলে ঠিক হয় ।পেনিস স্মল।
-প্রচন্ড সহবাসের ইচ্ছা কিন্তু অক্ষমতা।
- একবার ব্যর্থ হওয়ার ভয় থেকে বারবার ব্যর্থতা
- লাজুক, আত্মবিশ্বাস কম।
-এছাড়া গরম খাবার পছন্দ, মিষ্টি পছন্দ, গ্যাস বেশি।
রাগী এবং কৃপণ।

🔴Nuphar Luteum
- ইচ্ছা নেই, ইরেকশনও হয় না । লিঙ্গ শিথিল এবং কুচকে ছোট হয়ে যায়। পেনিস স্পর্শ করলেও উত্তেজিত হয় না।পায়খানা, প্রস্রাবে কোঁথ দিলে অসাড়ে শুক্রপাত হয়।
- এছাড়া অস্থিরতা, মানসিক চাপ, শরীরে দুর্বলতা ।
- দীর্ঘ রোগভোগের পর যৌন অক্ষমতা

🔴 Selenium
- হস্তমৈথুনের পর দুর্বলতা
- যৌন চিন্তা করলেও ইরেকশন দুর্বল ।
- শুক্রপাত হয়ে গেলেও পরিশ্রান্ত হয়ে পড়ে
-প্রস্রাব, পায়খানায় কোঁথ দিলে শুক্রপাত হয়।
-সকালবেলা পেনিস হার্ড হলেও রতিক্রিয়ার কোন ইচ্ছা থাকে না। স্ত্রী সহবাসের চেষ্টা করিলেই লিঙ্গ শিথিল হয়ে পড়ে।

🔴Nux vom
-ধূমপান, মদ পান, রাত্রি জাগরণ,
-অনিয়মিত লাইফ লিডের কারণে
সেক্সুয়াল ডেবিলিটি দেখা দিলে।
-প্রচন্ড রাগী,কটুভাষী, পাকাশয় এর গোলযোগে ভোগে।

🔴Conium
- অতিরিক্ত হস্তমৈথুন, রতিক্রিয়া আবার
একেবারে রতিক্রিয়া না করায় ধ্বজভঙ্গ দেখা দিলে উপকারি।
-স্ত্রীলোক দেখলে, মোবাইল ফোনে সেক্সুয়াল কথা বললে, মনে মনে এসব নিয়ে চিন্তা করলে এবং আলিঙ্গন করলেই অসাড়ে বীর্যপাত হয়।

♦️♦️ঔষধ নির্বাচনের জন্য রোগীর *মানসিক অবস্থা,শারীরিক অবস্থা, ইচ্ছা আছে কি না, শরীর দুর্বল কিনা, ভয় বা দুশ্চিন্তা আছে কিনা* — এগুলো বিবেচনায় নিতে হবে।

এছাড়া সম্পূর্ণ কেস টেকিং করে যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ আসতে পারে।

#বিঃদ্রঃ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া যে কোনো ওষুধ সেবন ই বিপদজনক।

 #হার্টে_ছিদ্র (Congenital Heart Defect) একটি জন্মগত সমস্যা। ( #শুধুমাত্র_শেখার_উদ্দেশ্যে_সংগৃহীত)লক্ষণগুলো ছিদ্রের আকার...
20/04/2026

#হার্টে_ছিদ্র (Congenital Heart Defect) একটি জন্মগত সমস্যা। ( #শুধুমাত্র_শেখার_উদ্দেশ্যে_সংগৃহীত)

লক্ষণগুলো ছিদ্রের আকার এবং অবস্থানের ওপর নির্ভর করে ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে। নিচে সাধারণ লক্ষণ এবং লক্ষণভিত্তিক কিছু হোমিওপ্যাথিক ওষুধের আলোচনা করা হলো:
​হার্টে ছিদ্রের সাধারণ লক্ষণসমূহ
​শিশুদের ক্ষেত্রে সাধারণত এই লক্ষণগুলো বেশি প্রকাশ পায়:
#​শ্বাসকষ্ট: দুধ খাওয়ার সময় বা কান্নার সময় শিশু হাঁপিয়ে ওঠে।
​ #ত্বকের_রঙ_পরিবর্তন: ঠোঁট, নখ বা আঙুলের ডগা নীলচে হয়ে যাওয়া (Cyanosis)।
#​ক্লান্তি: খুব দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়া এবং স্বাভাবিক বাড়ন্ত শিশুদের তুলনায় ওজন কম হওয়া।
​ #ঘাম হওয়া: বিশেষ করে কপালে এবং খাওয়ার সময় অতিরিক্ত ঘাম হওয়া।
​ ংক্রমণ: ফুসফুসে বারবার #নিউমোনিয়া বা #ঠান্ডা_লাগার_প্রবণতা।
​বড়দের ক্ষেত্রে #বুক_ধড়ফড় করা, দ্রুত হাঁপিয়ে যাওয়া বা #পায়ে_পানি আসার মতো লক্ষণ দেখা দিতে পারে।
​লক্ষণভিত্তিক কার্যকরী হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় সরাসরি ছিদ্র বন্ধ করার পাশাপাশি রোগীর শারীরিক ও মানসিক লক্ষণের ওপর ভিত্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এক্ষেত্রে ডাক্তাররা সাধারণত নিচের ওষুধগুলো বিবেচনা করেন:
​ ( #ল্যাকেসিস): যদি শিশুর শরীর নীলচে হয়ে যায় (Cyanosis) এবং শ্বাসকষ্টের কারণে শ্বাস নিতে কষ্ট হয়, তবে এটি অত্যন্ত কার্যকরী।
#​Digitalis ( #ডিজিটালিস): হৃদস্পন্দন খুব ধীর হয়ে গেলে বা অনিয়মিত হলে এবং রোগী খুব দুর্বল বোধ করলে এটি ব্যবহৃত হয়।
​ Grandiflorus ( #ক্যাকটাস গ্র্যান্ডিফ্লোরাস): যদি রোগী বুকে প্রবল চাপ বা খাঁচায় আটকে রাখার মতো অনুভূতি বোধ করে।
​ # ( #ক্র্যাটিগাস): একে #হার্টের জন্য " #টনিক" বলা হয়। এটি হৃদপিণ্ডের পেশিকে শক্তিশালী করতে এবং রক্তসঞ্চালন উন্নত করতে সাহায্য করে।
​ (নাজা): হৃদযন্ত্রের ভাল্ভের সমস্যা বা ছিদ্রজনিত কারণে যদি হৃদস্পন্দনে জটিলতা তৈরি হয়, তবে এটি ভালো কাজ করে।
#​হার্টের_ছিদ্র একটি সংবেদনশীল বিষয়। তাই কোনো ওষুধ নিজে থেকে গ্রহণ না করে একজন #অভিজ্ঞ #ক্লাসিক্যাল_হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ছিদ্রের আকার বড় হলে অনেক সময় সার্জারির প্রয়োজন হয়, তাই নিয়মিত একজন কার্ডিওলজিস্টের (হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ) অধীনে থেকে ইকো-কার্ডিওগ্রাম (ECHO) এর মাধ্যমে ছিদ্রের বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা জরুরি।

#বিঃদ্রঃ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া যে কোনো ওষুধ সেবন ই বিপদজনক ।

#হার্টের_ছিদ্র_সমস্যায়_হোমিওপ্যাথি

রিপোস্ট #হোমিওপ্যাথিক_মণিমুক্তা--( #শুধুমাত্র_শেখার_জন্য)হোমিওপ্যাথি শাস্ত্র একটি সমুদ্র বিশেষ, যেন এর কোন আদি ও অন্ত বল...
19/04/2026

রিপোস্ট
#হোমিওপ্যাথিক_মণিমুক্তা--
( #শুধুমাত্র_শেখার_জন্য)

হোমিওপ্যাথি শাস্ত্র একটি সমুদ্র বিশেষ, যেন এর কোন আদি ও অন্ত বলতে কিছুই নেই। এই সমুদ্র তীরে ডুবুরীর মত মণিমুক্তা খুঁজতে খুঁজতে বিভিন্ন হোমিও মহাপন্ডিত গণ তাঁদের অভিজ্ঞতার মহামূল্যবান তথ্যগুলো যাহা লিপিবদ্ধ করে গেছেন। তাহা এই অধ্যায় সকল চিকিৎসকের জন্য তুলে ধরলাম। যেন তাহা থেকে চিকিৎসাজীবনে উপকৃত হতে পারে।

 প্রত্যেক চিকিৎসকের হাতের কাছে 30, 200, 1M, 10M, 50M, CM, DM, & MM শক্তির ঔষধ মজুত রাখা উচিত। অত্যন্ত স্নায়ুবিক প্রকৃতির মহিলা ও শিশুদের উপসর্গে ৩০ হতে ১০এম শক্তি অত্যন্ত ফলপ্রদ। স্নায়ুবিক নয় এমন প্রকৃতির ক্রণিক রোগে ১০এম হতে এমএম শক্তি ভাল কাজ দেয়। তরুণ উপসর্গে ১এম হতে ১০এম শক্তি অত্যন্ত উপযোগী। (কেন্ট- লেসার রাইটিং)

 টিউবারকুলোসিস সন্দেহে সাধারণতঃ সালফার, সাইলি, অথবা ফস দিতে নেই কারণ এতে রোগীর কষ্ট বেড়ে যায়।

 আর্থাইটিস রোগের বর্ধিত অবস্থায় কেলি কার্ব দিতে নাই।

 সাধারণ বাতে সাধারণতঃ উত্তাপে, গরম সেঁক দিলে উপশম পায় কিন্তু ইউরিক এ্যাসিড বেড়ে গিয়ে গিটবাতে সাধারণতঃ ঠান্ডায় ও নড়াচড়ায় উপশম হয়।

 ল্যাকেসিস লক্ষণযুক্ত রোগীতে ২০০ শক্তি দিয়ে শুরু করতে নেই, এতে রোগ লক্ষণ বেড়ে যায়। ৩০ শক্তিই এক্ষেত্রে শ্রেয়।

 ল্যাকেসিসের পর মধ্যবর্তী ঔষধরুপে সালফার প্রয়োগ করলে উপকার পাওয়া যায়।

 কপালে আড়াআড়িভাবে হাত রেখে শোয়ার অভ্যাসযুক্ত রোগী লিভারের অসুখে ভুগছে বুঝতে হবে।

 স্নায়ুরোগ জনিত যন্ত্রণায় সদৃশ ঔষধ একমাত্রা দিয়ে উপযুক্ত সময় অপেক্ষা করাই শ্রেয় নতুবা পুনঃ প্রয়োগে রোগ যন্ত্রণা বহুলাংশে বেড়ে যায়। ৩০ শক্তির নীচে প্রয়োগ করা বাঞ্ছনীয়।

 পেপটিক আলসারের রোগী বিন্দুমত স্থানে আঙ্গুলটিপে যন্ত্রণার কথা বলে, ডুওডেনাল আলসারের বাথ্য সাধারণতঃ পিঠের মধ্য দিয়ে ডান দিকের স্ক্যাপুলায় নীচে ভেতরের কোণে হতে থাকে। পেপটিক আলসারের ব্যথা কিছু খাওয়ামাত্র বেড়ে যায়। ডুওডেনাল আলসারে খাওয়ার ২/৩ ঘন্টা বাদে বাথ্য শুরু হয়। কিছু খেলে সাময়িক উপশম হয়। সাধারণতঃ “এ” ব্লাড গ্রুপের রোগীতে পেপটিক আলসার, এবং “ও” ব্লাড গ্রুপের রোগীতে ডুওডেনাল আলসার হয়।

 রাত্রে ঘুম না হয়ে মাংসপেশীতে ব্যথা ব্যথা ভাব ও অত্যন্ত ক্লান্তিভাব, আর্ণিকা ২০০ শক্তি একমাত্রা ঐ সব উপসর্গ দুর করতে পারে।

 ধুমপায়ী যারা তাদের ইনফ্লুয়েঞ্জায় যখন ধুম পানের ইচ্ছা একেবারেই থাকে না এমন লক্ষণে আর্ণিকা ১এম শক্তি তিনঘন্টা বাদে বাদে ৩/৪ দিলে রোগ সেরে যায়।

 ক্যাল্কে- কার্ব সাধারনতঃ ডানদিকে রোগলক্ষণে কার্যকরী তবে বাঁদিকের টনসিলের ক্রণিক রোগে ভালই কাজ করে।

 হঠাৎ ঘুম ভেঙ্গে গেলে বা ঘুমের অসুবিধা হলে ক্যাল্কে কার্ব, এর শিশুরোগী নখ দিয়ে মাথা আচঁড়াতে থাকে।

 সিমিসিফুগার লক্ষণে সিমিসি দিয়ে রোগ সম্পূর্ণ না সারলে ঐ একই শক্তি কলোফাইলাম প্রয়োগে অবশিষ্ট লক্ষণ সেরে যায়।

 ব্লাড ইউরিয়ার পরিমাণ কমাতে Eel’s Serum ৬ বা ৩০ শক্তি দিনে দুবার প্রয়োগ দারুণ উপযোগী- স্বাভাবিক না হওয়া অবধি ঔষধ চলবে। ব্লাড ইউরিয়া স্বাভাবিক মাত্রা 15-40mg, 100ml.

 ইউফ্রেসিয়ার রোগীর তোৎলামো আছে, তবে আশ্চর্য এই যে গান গাইবার সময় একদম তোৎলামী থাকে না।

 প্রস্রাব হলুদ এমন অবস্থায় কখনই জেলস প্রয়োগ করা উচিত নয়।

 মেয়েদের গালে (দাড়ি) ও উপর ঠোঁটের উপর (গোফ) চুল গজালে রাত্রে শোওয়ার সময় থুজা ১এম একমাত্রা দিয়ে ওলিয়াম জ্যাকোরিস এ্যাসেলি ৩শক্তি দিনে দুবার দিয়ে যেতে হয়, যতক্ষণ না ঐ চুলদাড়ি উঠা বন্ধ হয়।

 খালি পেটে এবং ৬ শক্তির নীচে ফসফরাস ব্যবহার করতে নেই।

 মদ খাওয়ার অভ্যাস দুর করতে ষ্ট্রীকনিক নাইট্রি (Strychninc Nit.) ২ বা ৩ শক্তি দিনে দুবার করে অন্ততঃ ১৫ দিন ব্যবহার করতে হয়। যেই মুহুর্তে মদ খাওয়ার লিন্সা কমে আসে তখন ঔষধ বন্ধ করা উচিত।

 পেটে তীব্র যন্ত্রণায় (ডুওডেনাল আলসার জনিত) লাইকো ১২ শক্তির উর্দ্ধে ব্যবহার করা উচিত নয়, কারণ অন্ত্রে ফুটো হতে যেতে পারে। (ডা. এইচ.ডব্লিউ বয়েড)

 গর্ভবতী মহিলাদের লাইকো ২০০ শক্তি ব্যবহার না করাই ভাল এতে গর্ভপাত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে- বহুবার এ রকম হতে দেখেছি। ( ডা. মিস মাহেওয়ারি)

 লাইকো ও ল্যাকেসিস ২০০শক্তি অনেকক্ষেত্রে রোগ লক্ষণ অবাঞ্ছিতভাবে বাড়িয়ে দেয় বহুবার চিন্তা করে এই দুটো ঔষধের ক্ষেত্রে এই শক্তি ব্যবহার করা উচিত। ( ডা. জেমস টেইলার কেন্ট)

 নিশ্চিতভাবে সমস্ত রোগ লক্ষণ পালসেটিলাকে নির্দেশ না করলে তরল শ্লেষ্মাযুক্ত রোগীতে পালস দেওয়া নিষিদ্ধ; কারণ এই ঔষধ পায়ই কাশি কঠিন ও শুকনো করে তোলে। রোগ না সেরে কষ্ট বহুগুণ বেড়ে যায়। (ই.এ ফ্যারিংটন)

 সিপিয়া সন্ধ্যায় প্রয়োগ করা উচিত, কারণ সকালে সিপিয়া প্রয়োগ করলে সারাদিন রোগী কষ্টভোগ করতে থাকে। ( ডা. আর.এ.এফ জেক)

 সোরিনামের রোগী যতক্ষণ কফি পান অভ্যাস ত্যাগ না করে, ততক্ষণ উন্নতি লক্ষ্য করা যায় না। (ডা. প্রমদাপ্রসন্ন বিশ্বাস)

 ঠান্ডা লেগে ব্রঙ্কাইটিস লক্ষণে পালস এর রোগী ক্ষেত্রে পালস দিয়ে পরে কেলি সালফ দিলে দ্রুত সুফল দেয়। (ডা. ডি.এম ব্রল্যান্ড)

 কোমরের বাতে রাস- টক্স দিয়ে ব্যর্থ হলে ক্যাল্কেরিয়া ফ্লেুার সারিয়ে দেয়। (ডা. থ্রাস্টোন)

 কলোসিস্থ লক্ষণযুক্ত পেটে শূলবেদনায় কলোসিস্থ দিয়ে ব্যথা কমে আবার ব্যথা শুরু হয়। এইরুপ চলতে থাকলে পরে কেলি কার্ব প্রয়োগ করলে রোগ একেবারে সেরে যায়। (ডা. টি.কে মুর)

 যেক্ষেত্রে পর্যায়ক্রমে ঔষধ প্রয়োগ করতে হবে, সেক্ষেত্রে প্রথমে প্রদত্ত ঔষধের ক্রিয়াকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করার প্রয়োজন নেই। ( ডা. এইচ এলেন)

 ব্রঙ্কাইটিস ও তরুণ বাতরোগের লক্ষণে যেক্ষেত্রে ব্রায়োনিয়া প্রযোজ্য হবে সেক্ষেত্রে দু-একমাত্রা একোনাইট প্রয়োগ না করে ব্রায়োনিয়া দিলে শীঘ্র সুফল মেলে না। (ডা. ই.এম হেল)

 শিশুদের হাঁপানিরোগে যেক্ষেত্রে নেট সালফ, আর্স- এ ও আরও অন্যান্য ঐ জাতীয় ঔষধ দিয়ে সুফল না পেলে ঐসব রোগীতে মর্গান ২০০ বা ১০০০শক্তি দিয়ে সারিয়ে তুলেছি। রোগী সম্পূর্ণ সেরে উঠতে মর্গান ২০০ হতে লক্ষণশক্তি পর্যন্ত প্রয়োজন হয়। (ডা. ডব্লিউ.বি গ্রিগিস)

 আঙ্গুল থেৎলে গেলে হাইপেরিকামের ধারে কাছে কেউ আসে না। ( ই.এ ফ্যারিংটন)

 ভাঙ্গাহাড় জুড়তে সিম্ফাইটাম ৩০ শক্তির জুড়ি নেই। দিনে দু-তিনবার করে এক সপ্তাহ ধরে ঔষধ দিতে হয়। (ডা. পি সামিড)

 বোলতা ডাঁশ কামড়ালে তা থেকে প্রদাহ জ¦ালা ও ফোলা ক্যান্থারিস ২০০ শক্তির অভ্যন্তরীণ প্রয়োগ প্রায় সাথে সাথে সব কষ্ট দূর করে। (ডা. টি.কে মুর)

 প্রসবের পর প্রসূতিকে আর্ণিকা দিলে বহু উপসর্গ দুর হয়। (ডা. ক্রোফ্রেথ রাইট)

 সাইলিশিয়ার ক্রণিক রোগী শীতকাতর কিন্তু তরুণ রোগের ক্ষেত্রে গরমকাতর হতেও দেখা যায়। (ডা. এফ.কে বেলোকোসি)

 ঠান্ডা জলপানের অদম্য তৃঞ্চা ফসফরাসের একটি বহু আলোচিত লক্ষণ, কিন্তু বহুক্ষেত্রে তৃঞ্চা একদম থাকে না যা আমাদের নজর এড়িয়ে যায়। (ডা. আর.এফ রাভে)

 হোমিওপ্যাথিক শাস্ত্রে প্রচলিত রেপাটর্রীগুলোর মধ্যে সবচেয়ে উপযোগী কোনটি? এর উত্তরে জে.এইচ ক্লার্ক এর উক্তিটি প্রণিধানযোগ্য। তিনি বলেন,“চিকিৎসকের নিজের স্মৃতিশক্তিই সবচেয়ে উপযোগী রেপাটর্রী।”

 গিঁটবাতে লক্ষণে কলচিকাম দিয়ে সুফল না পেলে বেঞ্জায়িক এসিড দাও। (ডা. ডব্লিউ বোরিক)

 জ¦র হলেই জ¦ও কমাতে একোনাইট দিও না অথবা অন্য ঔষধের সাথে পর্যায়ক্রমে একোনাইট দিওনা। যদিও সত্য সত্যই একোনাইটের রোগী হয়, তবে একাই তা সারিয়ে দিবে। (ডা. ডারহাম)

 সন্তান জন্মদান কালে প্রসূতি অত্যন্ত কষ্টভোগ করলে একোনাইট সূচিত হয়, তবে যদি লোকিয়াস্রাব বন্ধ বা লুপ্ত হয়, তবে কখনই একোনাইট দেওয়া চলবে না। (ডা. জেমস টেইলার কেন্ট)

 এম্ব্রা গ্রিসিয়া সন্ধ্যায় প্রয়োগ করা অনুচিৎ কারণ এতে রোগের বৃদ্ধি হয়। (ডা. এইচ.সি মুরো)

 কেটে গেলে রক্ত সাথে সাথে জমাট বাঁধে এমন রোগীতে এনাকার্ডিয়াম দেওয়া চলবে না। (ই.এফ ফ্যারিংটন)

 টাইফয়েড রোগীতে সুস্পষ্টভাবে নির্দিষ্ট না হয়ে আর্সেনিক প্রযোজ্য হলে অপূরণীয় ক্ষতি করে। (ডা. এইচ.সি মুরো)

 বেলেডোনা বারে বারে প্রয়োগ অনুচিৎ। উচ্চশক্তির বেলেডোনার বারে বারে প্রয়োগে রোগীর মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। (ডা. কেইস)

 ডিজিটালিস দিয়ে রোগীর প্রস্রাবের প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে। যদি প্রস্রাব কমে যায় তবে তৎক্ষণাৎ ডিজিটালিস প্রয়োগ বন্ধ করতে হবে। (ডা. এইচ. সি এলেন)

 মেয়েদের ঋতুস্রাবের নির্দিষ্ট সময়ের ঠিক আগে আগে গ্লোনয়িন প্রয়োগ করতে নেই; প্রায়ক্ষেত্রেই ঋতুস্রাব বন্ধ হয়ে যেতে পারে। (ডা. এইচ.সি মুরো)

 যদি খুব তাড়া না থাকে তবে ইগ্নেশিয়া সকালে প্রয়োগ করাই ভাল, কারণ রাত্রে ঘুমের আগে দিলে অস্থিরতা বাড়িয়ে দিতে পারে। (হ্যানিম্যান)

 কোষ্ঠকাঠিন্য অবস্থায় রাস টক্স সায়েটিকা ব্যথা সারাতে পারে না। (ডা. এইচ.সি মুরো)

 স্যান্টোনাইন নিম্নক্রমে বিষময় ফল দিতে পারে। জ¦র অবস্থায় ও কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে শিশুকে কখনই স্যান্টোনাইন দেবে না। ( ডা. উইলিয়াম বোরিক)

 যে সকল বালকদের নিম্নাঙ্গ পক্ষাঘাত হয়, তাদের পক্ষে রাসটক্স উচ্চ শক্তি বিশেষ ফলপ্রদ। মাঝে মাঝে ২/১ মাত্রা সালফার প্রয়োগে দ্রুত আরোগ্য হয়। (হ্যানিম্যান)

 কানের সকল প্রকার যন্ত্রণায় পালসেটিলা ৩০ অথবা ক্যামোমিলা ১২ বা ৩০ শক্তির যে কোন একটি দিয়ে অত্যাশ্চর্য ফল পেয়েছি। (ডা. কেন্ট)

 গনোরিয়া রোগের তরুণ অবস্থায় গনোক্কাস ৩০ একমাত্রা করে দৈনিক ৩বার ব্যবহার্য। তবে ভেসিকেরিয়া কমিড ø ১০ ফোঁটা মাত্রায় জলসহ প্রত্যহ ৩বার বেশ কিছু দিন ব্যবহারে অব্যর্থ ফলপ্রদ। (ডা. বোরিক)

 প্রসূতির দুধ জ¦রে ব্রায়োনিয়া ২০০ দিনে ৩/৪বার প্রয়োগে আশ্চর্য ফল প্রদ। ( ই.এফ ফ্যারিংটন)

 গর্ভাবস্থায় প্রাতঃকালীন বমি এমগভেলাস পার্সিকা ø- ৫ ফোঁটা মাত্রায় দিনে ২/৩ বার ঠান্ডা জলসহ সেবন উত্তম ফলদায়ক। (ডা. এডমন্ড)

 শিশুদের পুরাতন বা জটিল চিকিৎসা শুরু করার প্রথমে আর্ণিকা ২০০শক্তি ১মাত্রা প্রয়োগ করার কথা স্মরণ রাখবেন। (ডা. এন.এম চৌধুরী)

 রোগীর প্রস্রাবে খুবই কষ্ট, প্রস্রাবের পরিমাণ অল্প, ক্যাথিটার প্রয়োগেও প্রস্রাব না হলে সলিডেগো ভিরগিউরা ø ৫-১০ ফোঁটা মাত্রায় ঠান্ডা জলসহ দৈনিক ৩/৪ বার সেবনে আশ্চর্য ফল পাওয়া যায়। (ডা. গ্যালভার্ডিন)

 আঙ্গুলহাড়ার প্রথম অবস্থায় লোবালিয়া ø তুলা ভিজিয়ে আক্রান্ত স্থানে দিনে ৩বার লাগাবেন এবং ফেরাম ফস ৬শক্তি ও সাইলিশিয়া ৬ শক্তি ৩টি ট্যাবলেট মাত্রায় গরম জলসহ ২ ঘন্টা অন্তর পর্যায়ক্রমে সেবনে রোগ তাড়াতাড়ি উপশম হয়। (ডা. টেসি জোন্স)

 ইনফ্লুয়েঞ্জা রোগীর একবার শীত, একবার গরম, তৎসহ পিঠের দিকে অত্যাধিক শীত অনুভূত হলে আর্স আয়োড ৩ শক্তি এবং জেলসিমিয়াম ৩শক্তি এক মাত্রা করে ২ ঘন্টা অন্তর পর্যায়ক্রমে সেবনে রোগ তাড়াতাড়ি উপশম হয়। (ডা. হেল)

 যে কোন বাতের রোগে আমি অন্য সকল ঔষধ ছাড়াই সালফার, কষ্টিকাম ও রাস টক্সেও উপর সম্পূর্ণ নির্ভর করতে পারি। ( ডা. ই.বি ন্যাশ)

 কোন প্রকার প্রদাহ জনিত পীড়ায় কফিয়া ও একোনাইট সমশক্তি সম্পন্ন পর্যায়ক্রমে ব্যবহার্য। উদরাময়ের বেদনার কোনও লেশমাত্র না থাকলে কফিয়া উপকারী (এসিড ফস, পডো, রিসিনাস)। (ডা. হেরিং)

 যে কোন চর্ম রোগে স্পাঞ্জিয়া ø ৫ ফোঁটা একমাত্রায় ঠান্ডা জলসহ দৈনিক ৩বার সেবনে শীঘ্রই রোগ আরোগ্য লাভ করে। (ডা. পার্স)

 উপদংশ জনিত নাসিকা ক্ষতের অনেক রোগীকে হিপার সালফ ২০০ শক্তি প্রয়োগ করে আরোগ্য করেছি। (ডা. উইলিয়াম কেন্ট)

 শরীর থেকে প্রমেহ বিষ সম্পূর্ণ রুপে দূর করতে হলে থুজা ৩০ একমাত্রা করে প্রতিদিন শয়নের পূর্বে বেশ কিছু দিন সেবন করতে হবে। (ডা. ই. জোন্স)

 এপেন্ডিসাইটিসের রোগীকে বেলেডোনা ৬ এবং মার্কসল ৬ শক্তি একমাত্রা করে এক ঘন্টা অন্তর পর্যায়ক্রমে প্রয়োগ করে অতি আশ্চর্য ফল পাইয়াছি। (ডা. হেল)

 হুপিং কাশিতে বেলেডোনা ৩ এবং ড্রসেরা ৩ শক্তি একমাত্রা করে ১ ঘন্টা অন্তর পর্যায়ক্রমে অনেক রোগীকে আরোগ্য করেছি। (ডা. এডমন্ড)

 পায়ের একজিমায় রাসভেন ৬ ও লিডাম পাল ৬ শক্তি একমাত্রা করে দিনে ৩বার প্রয়োগ উত্তম ফলপ্রদ। (ডা. স্পেসি)

 মাথা ঘোরার ঔষধ সমূহের মধ্যে ফসফরাস সর্বশ্রেষ্ট ঔষধ। (ডা. জার)

 শিরঃঘূর্ণের উৎকৃষ্ট ঔষধ হচ্ছে ককুলাস ৩০। ( ডা. হিউজেস)

 বয়স্কদের ডান পাশের অন্ত্র (হার্ণিয়া) বৃদ্ধিতে লাইকো একমাত্র ঔষধ। (ডা. জে.কে.এফ বেকার)

 বহুমূত্র রোগে এসিড ফস ২ ও ইউরোনিয়াম নাইট্রিকাম ৩ শক্তি পর্যায়ক্রমে প্রয়োগেই মহৌষধ। (ডা. আর বিশ্বাস)

 পিত্ত পাথরীতে খুব ব্যথা অনুভব করলে ক্যাল্কেরিয়া কার্ব ৩০ একমাত্রা করে ৩০ মিনিট অন্তর ব্যবহার্য। কিন্তু ৩/৪ ঘন্টার মধ্যে উপকার না পেলে বার্ব্বেরিস ø ৫ ফোঁটা মাত্রায় ঠান্ডা জলে সহ ৩০ মিনিট অন্তর প্রয়োগ অব্যর্থ ফলদায়ক। (ডা. হিউজেস)

 কলেরা বা উদরাময়িক কলেরায় কেলি ফস ৬ শক্তি অব্যর্থ ঔষধ। (ডা. সুসলার)

 পুরুষ বা মহিলাদের সঙ্গমেচ্ছা সম্পূর্ণরুপে নষ্ট হয়ে গেলে, বিশেষতঃ পুরুষদের ধ্বজভঙ্গ রোগে অসমোডিয়াম ৩ শক্তি একমাত্রা দৈনিক ৩/৪ বার সেবন করাই শ্রেয়। ( ডা. আর বিশ্বাস)

 প্রমেহ সহ বাতের রোগে ক্যালি বাইক্রম উচ্চশক্তি উপকারী। (ই.এফ ফ্যারিংটন)

 উদরাময় বা অন্য কোন কঠিন পীড়ায় ভোগার পর আহারান্তেই পাকস্থলীতে শূণ্যতা বোধ, দেহজীর্ণ, মল কঠিন, ও কালচে রঙের হয়, এই অবস্থায় সেনা নি¤œ শক্তি বলকারক টনিকের ন্যায় কাজ করে। (ডা. ক্লার্ক)

 রাস টক্সে ১- ৩০ শক্তি ক্রমশ প্রয়োগ করে আমি ৭৫% বালকের একজিমা আরোগ্য হবেই। (ডা. হিউজেস)

 বৃদ্ধদের নিউমোনিয়া ও প্লুরিসি রোগে সেনেগা ৩০ শক্তি বেশী দিন ব্যবহারে উত্তম ফল পাওয়া যায়। (ডা. গ্যারেসি)

 চাপ প্রয়োগে, সঞ্চালনে, শব্দে ও আলোর মধ্যে থাকলে যে সমস্ত রোগীর শিরঃপীড়া বৃদ্ধি হয় এবং বস্ত্রাদি দ্বারা ঢেকে রাখলে উপশম হয়, সে সকল রোগীকে সাইলিশিয়া প্রয়োগ করলে শীঘ্র রোগ আরোগ্য হয়। (ডা. ডানহাম)

 ষ্ট্যানাম ৩ শক্তি সেবনের পর লম্বা কৃমি ও সূতা কৃমি নির্গত হয়। কিন্তু মহাত্মা হ্যানিম্যান বলেন, ষ্ট্যানাম ৩ শক্তি বিচূর্ণ সেবনে কৃমি গুলো অচৈতন্য হয়ে পড়ে। (ডা. টেষ্টি)

 যদি কথা বললে স্বরভঙ্গ কমে, তবে কষ্টিকাম। আর কথা বলার যদি স্বরভঙ্গ বাড়ে, তাহলে ফসফরাস প্রয়োগ বিধেয়। (ডা. জি. সেলটান)

 দুর্বলতা হোক, আর রক্তহীনতাই হউক অথবা যে কোন পীড়ায় হোক না কেন, যদি সামান্য কারণে প্রচুর ঘাম হয়, কোমরে প্রচন্ড ব্যথা এবং অতিশয় দুর্বলতা থাকে তবে কেলি কার্ব এক মাত্রা ঔষধ স্বরণ কর। ( ই. এফ ফ্যারিংটন)

 শ^াসকষ্ট ও পেটের যন্ত্রণার সাথে যকৃত পুরাতন রক্তাধিক্য বর্তমান থাকে, আবার যকৃতের রক্তাধিক্য বশতঃ যদি রোগের অর্শরোগ জন্মে, তবে হিপার সালফ ব্যবস্থা করিবেন। (ডা. বেইস)

 যেখানে ক্রমাগত বাহ্য বমির সাথে শিশুরা অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়ে, শরীর ও হাত ঠান্ডা হয়ে যায়, অনবরত ছটফট করতে থাকে, সেখানে কেলি ব্রোম ৩ বা ৬ শক্তি ফলপ্রদ। (ডা. কেরো)

 ঋতুস্রাব বন্ধ, স্নায়ুবিক দুর্বলতা বশতঃ ঋতুলোপ, তৎসহ মুর্চ্ছাভাব প্রভৃতি রোগে জ্যাস্থক জাইলাম ৩ শক্তি বিশেষ ফলপ্রদ। (ডা. কলিন্স)

 শিরায় স্ফীতিতে বিশেষতঃ পুরাতন স্ফীতিতে জিঙ্কাম মেট উপযোগী। (ডা. এলেন)

 জরায়ুর নানাবিধ পীড়া, ডিম্বাশয় প্রদাহ, ডিম্বাশয়ে তীব্র বেদনা, রজঃস্রাব প্রভৃতি পীড়ায় অষ্টিলেগো মেডিউস ৬ বা ৩০ শক্তি চমৎকার ফলপ্রদ। (ডা. বার্ট)

 টার্ণেরা অ্যাফ্রা ø ঔষধটি স্ত্রী ও পুরুষ উভয়েরই জননেন্দ্রিয়ের উত্তেজনা বৃদ্ধি করে। ইহা ধ্বজভঙ্গ রোগের একটি বিশিষ্ট ঔষধ। (ডা. হেল)

 মেরুমজ্জার উত্তেজনায় নাক্স ভম ও সালফার শ্রেষ্ঠ ঔষধ। (ডা. জার)

 কলিক রোগ বা শূলবেদনা ম্যাগ ফস ৩০ শক্তি গরম জলে মিশিয়ে সেবন করবেন। (ডা. জি.সি মর্গান)

 ক্যাল্কে ফস ১ এবং সাইলিশিয়া ৩ শক্তি রোগ ৩বার এক সপ্তাহ অন্তর পর্যায়ক্রমে ব্যবহার করলে ভগন্দর রোগ আরোগ্য হয়। (ডা. সি.আর ফ্লুরি)

 শিশুদের নাক দিয়ে রক্তপড়া, নাভি দিয়ে রস রক্তপড়া, অন্ডকোষ ফোলা, তৎসহ দেহ শুকিয়ে যেতে থাকলে এব্রাটেনাম ৬ বা ৩০ শক্তি ভাল ফলপ্রদ। (ডা. কেন্ট)

 যখন কোনও শুষ্ক বা ক্ষীণ দেহ, ক্ষয়িত মাংস, চোপসান মুখ, কোঠরাগত এবং বৃদ্ধের অবয়বের মত ব্যক্তি দর্শন করবেন, তখনই একবার আর্জেন্ট নাইট স্মরণ করবেন। (ডা. এলেন)

 মাথায় বাম দিকের শিরঃপীড়ায় সিপিয়া উপকারী। (ডা. লিলি)

মন্ত্রের মত কাজ করে

 অতিরিক্ত লবণ খাইবার ইচ্ছা কমাতে এবং শিশুদের ঘাড় – গলা সরু ও মেজাজ খিটখিটে হলে নেট্রাম মিউর ২০০ শক্তি একমাত্রা করে একদিন অন্তর একদিন ২বার অথবা নেট্রাম মিউর ৬শক্তি ২/৩টি ট্যাবলেট গরম জলসহ দিনে ৩বার কিছু দিন প্রয়োগ করবেন।

 অবরুদ্ধ ঋতুস্রাব ঘটাতে (গর্ভপাত নয়) প্রথমে নেট্রাম মিউর ১এম একমাত্রা করে দৈনিক ১বার কয়েক মাত্রা প্রয়োগে উপকার না হলে, কেলি কার্ব ১এম একমাত্রা করে প্রত্যহ ১বার কয়েক দিন সেবনে ঋতুস্রাব ঘটাতে অব্যর্থ।

 অর্শ রোগে লাল বর্ণের রক্তস্রাব মিলিফোলিয়াম ø (কালো রক্তস্রাব হেমামেলিস ø) এবং রক্তকাশে ট্রিলিয়াম ø ১০- ১৫ ফোঁটা ঠান্ডা জলসহ দিনে ৩/৪ বার সেবনে অদ্ভুদ ফলদায়ক।

 অনবরত টক গন্ধযুক্ত ও বুক জ¦ালাসহ বমি হলে (গ্যাষ্টিক), বমির পরেও বুক জ¦ালা করে তাহলে আইরির্স ভার্স ৩০ এক ফোঁটা করে ও নেট্রাম ফস ৩ বা ৬ শক্তি ৩টি ট্যাবলেট গরম জলসহ ২ঘন্টা অন্তর পর্যায়ক্রমে কয়েক মাত্রা সেব্য।

 অত্যন্ত অসহনীয় প্রসব বেদনায় রোগিনী বলে, “আমি প্রসব করিতে পারিবো না” তৎসহ আধ কপালে পেরেক বেঁধার প্রচন্ড ব্যথা থাকলে কফিয়া ৩০ এক বা আধ ঘন্টা অন্তর ২/৪ মাত্রা প্রয়োগের সঙ্গে সঙ্গেই সহজে প্রসব হয়ে যাবে।

 আঁচিলের ঔষধ গুলোর মধ্যে থুজা অক্সি ২০০ অন্যতম ঔষধ। এছাড়াও লক্ষণানুসারে কষ্টিকাম, এসিট নাইট কার্যকরী ১ মাত্রা করে দৈনিক একবার কয়েকদিন সেবনীয়। থুজা ø তুলা দিয়ে বাহ্যিক প্রয়োগে অতি দ্রুত ফল পাওয়া যায়।

 ঋতুস্রাবের পূর্বে স্তনে বেদনা হলে ক্যাল্কেরিয়া কার্ব ২০০ বা কোনিয়াম ২০০ অথবা ল্যাক ক্যান ২০০ শক্তি সপ্তাহে ২/৩ মাত্রা সেবনের কথা মনে রাখবেন।

 ঋতুস্রাবের পূর্বে বা পরে উদরাময় হলে পালসেটিলা ৩০ একমাত্রা করে দিনে ২/৩ বার সেবনে ফলপ্রদ।

 ঋতুস্রাব শুরু হলেই দাঁতের ব্যথা শুরু হয়, এই অবস্থায় ষ্ট্যাফিসেগ্রিয়া ৩০ একমাত্রা করে রোজ ৩বার সেবনীয়।

 কানে অবুর্দ বা পলিপাস হলে, এই রোগের প্রধান ঔষধ থুজা অক্সি ৩০ একমাত্রা করে দৈনিক ৩বার কিছু দিন সেবনে অতিশয় সুফল পাওয়া যায়।

 কথা বললে যদি হাঁপানির টান বাড়ে, তাহলে ড্রসেরা ø বয়সানুসারে ৩ থেকে ৮ ফোঁটা মাত্রায় ঠান্ডা জলসহ একঘন্টা পর পর কয়েক মাত্রা সেবনে অব্যর্থ।

 গর্ভাবস্থায় হাত পা ফোলায় বোবেভিয়া ø – ৫/৭ ফোঁটা মাত্রায় জলসহ প্রত্যহ ৩বার কয়েক দিন সেবনীয়। এই অবস্থায় লবণ খাওয়া নিষেধ।

 গর্ভাবস্থায় কোন জিনিসের গন্ধ সহ্য না হলে বা খাদ্য দ্রব্যের গন্ধে গা বমি বমি করলে এবং ভ্রমণকালে বমি বা গা বমি বমি হলে ককুলাস ইন্ডিকা ৬ শক্তি একমাত্রা করে ২ঘন্টা অন্তর সেবনে অব্যর্থ ফলদায়ক। রোগ কঠিন হলে থেরিডিয়ন ৩০ ব্যবহার্য।

 গাত্র ত্বক খুব চুলকায়, চর্ম বিবর্ণ, সর্বাঙ্গ, ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র উদ্ভেদ, বিশেষতঃ গুহ্যদ্বারে ও জননেন্দ্রিয়ে অসহ্য চুলকানি হলে রেডিয়াম ব্রোমাইড ৩০ একমাত্রা করে দিনে দুবার সেবনীয়।

 গলগন্ড বা থাইরয়েড গ্রন্থির বৃদ্ধিতে ঔষধের লক্ষণুসারে আর্স আয়োড, ক্যাল্কেরিয়া আয়োড ৩০ অথবা বারাইটা আয়োড ৩০শক্তি মহৌষধ। একমাত্রা করে দৈনিক ২/৩ বার কিছু দিন সেবনীয়।

 চর্মে অত্যন্ত চুলকানি, চুলকাতে চুলকাতে রক্ত বের করে ফেলে এলুমিনা ৬ বা ৩০ শক্তি একমাত্রা করে ৩/৪ ফোঁটা ৩ ঘন্টা অন্তর কয়েক মাত্রা প্রয়োগের পর সালফার ৩০ একমাত্রা করে রোজ ২বার দিবেন।

 চুলকানির পুরাতন অবস্থায় লোবেলিয়া ৬ এবং ক্রোটন টিগ ৬ একমাত্রা করে ২ ঘন্টা অন্তর পর্যায়ক্রমে সেবনে অব্যর্থ।

 চোখের উভয় পাতায় শোথে বা ফোলায় ফসফরাস ৩০ একমাত্রা করে দৈনিক ২/৩ বার কয়েক দিন সেবনে অব্যর্থ ফলপ্রদ।

 চোখের ভ্রু উপর পাতায় মধ্যস্থল ফোলায় বা শোথে কেলি কার্ব ৩০ একমাত্রা করে দৈনিক ২/৩ বার সেবনে অব্যর্থ ফলপ্রদ।

 চোখের নীচের পাতায় শোথ বা পাতা ফুলে পুটলির মত হলে এপিস মেল ৩০ একমাত্রা করে দৈনিক ২/৩ বার সেবনে উপকারী।

 চোখের পাতা ঝুলে পড়লে জেলসিমিয়াম ৩ শক্তি প্রধান ঔষধ। একমাত্রা তিন ঘন্টা অন্তর সেবনীয় মনে রাখবেন।

 ছাত্র-ছাত্রীদের পরীক্ষার সময়ে খুব ঘুম পেলে, ঘুম তাড়াবার জন্য স্ক্রুফুলেরিয়া নোডেসা ø ৮/১০ ফোঁটা মাত্রায় ঠান্ডা জলসহ দৈনিক ২বার সকাল- সন্ধ্যায় বা ইহার ৩০ শক্তি রোজ ২বার অথবা ফেরাম ফস ১২ শক্তি ৬/৭টি ট্যাবলেট মাত্রায় উঞ্চ জলসহ সকাল- সন্ধ্যায় সেবনে উৎকৃষ্ট ফলদায়ক।

 ছুরি বা তীক্ষè ধারাল যন্ত্রে কেটে যাবার পর অথবা অস্ত্রোপচার করার পর কোন প্রকার সমস্যা উপসর্গ দেখা দিলে ষ্ট্যাফিসেগ্রিয়া ৩০ একমাত্রা করে দৈনিক ৩বার সেবনে সকল সমস্যা দুরীকরণে অব্যর্থ।

 জন্ডিস রোগের প্রধান ঔষধ হচ্ছে চেলিডোনিয়াম ø ও হাইড্রাষ্টিস ø প্রত্যেক ঔষধের ৮/১০ ফোঁটা মাত্রায় ঠান্ডা জলসহ একত্রে বা পর্যায়ক্রমে দৈনিক ৩বার সেবনে অব্যর্থ।

 জন্ডিস রোগে রোগীর মলের রং সাদা হলে ডলিকস ৩০ একমাত্রা করে দৈনিক ৩বার সেবনে ২/৩ দিনের মধ্যেই মলের রং স্বাভাবিক হয়, মনে রাখবেন।

 জরায়ুর স্থানচ্যুতির অমূল্য ঔষধ হলে সিপিয়া ১২ বা ৩০ শক্তি একমাত্রা করে দৈনিক ২/৩ বার সেবনীয়। জরায়ু স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে অব্যর্থ।

 জিহ্বার পক্ষাঘাতে বা কথা বলতে কষ্ট হলে কষ্টিকাম ২০০ শক্তি শ্রেষ্ট ঔষধ।

 জিহ্বা শুকিয়ে কাঠ হয়ে গেলে ক্লোরাম ৬ বা ৩০ একমাত্রা করে দৈনিক ৩/৪ বার সেবনে অব্যর্থ।

 ট্রেনে বা বাসে চলাকালীন সময়ে চোখে ধূলা বালি পড়লে প্রথমে সালফার ৩০ এক ঘন্টা অন্তর ২/৪ মাত্রা সেবনের পর, সাইলিসিয়া ২০০ দুই/এক মাত্রা প্রয়োগ করবেন।

 অসাড়ে মলত্যাগ, মলদ্বার ফাঁকা বা খোলা থাকে, সর্বদাই মল গড়িয়ে গড়িয়ে পড়ায় এলো ২০০ ও ৩০ খুবই উপকারী।

 অর্শ, অর্শের রক্তস্রাব, ভগন্দর, মলদ্বারে ফাঁটা ঘা, ক্ষত প্রভৃতি পীড়ায় পিওনিয়া ø খুবই উপকারী।

 অচৈতন্য রোগের পর বৃদ্ধদের স্মরণশক্তি হ্রাসে এনাকার্ডিয়াম ২০০ অপেক্ষা ব্যারাইটা কার্ব ২০০ অধিক উপকারী।

 আঘাত লাগা হেতু কোন পুরাতন পীড়ায় আর্ণিকার পর কোনিয়াম ২০০ বা ১এম খুবই উপকারী।

 এ্যালোপ্যাথিক এ.টি.এস এর মত হোমিওপ্যাথিতে লিডাম ২০০ বা আর্সেনিক ২০০ বা হাইপেরিকাম ২০০ শক্তি একই কার্যকরী। এছাড়াও কোরামিনের মত মস্কাস ø অথবা কার্বো ভেজ ২০০ একই কাজ করে।

 কোন স্থানে মচকানো বা থেঁৎলানোর ব্যথায় আর্ণিকা অপেক্ষা বেলিস পিরেনিস ø খুবই উপকারী।

 নাক দিয়ে রক্তস্রাব, মূত্রনালী দিয়ে রক্ত নির্গত হলে নেট্রাম নাইট্রি অব্যর্থ মহৌষধ।

 পায়ের তলায় ভীষণ জালা থাকলে সালফার, স্যানিকিউলা ২০০ শক্তি খুবই ফলদায়ক।

 প্রতি বছর শীতকালে যাদের কাশি, বুকে ও নাসিকায় পুরাতন সর্দিতে এন্টিমোনিয়াম সালফ কার্যকরী।

 বংশগত বাত রোগে মেডোরিনাম ও সাইলিসিয়া অধিক উপযোগী।

 মাথার পশ্চাৎ ভাগেই অধিক ব্যথা, তৎসহ বমি বা গা বমি বমি থাকলে- ককুলাস ইন্ডিকা।

 রোগীর প্রস্রাব ঘোলা, পাত্রে রাখলে খুব ঘন পুরু তলানী জমালে- অরাম মেটালিকাম উপযোগী।

 রাত্রে পা অত্যন্ত চুলকায়, অস্থির বোধ করে, এপাশ ওপাশ, ঠান্ডায় বৃদ্ধিতে রাস টক্স।

 শরীরের কোন স্থান মচকে যাবার পর বাত আক্রমণে এবং হাতের কবজী ও জানুসন্ধির প্রদাহে – রুটা।

 হাত পা অত্যন্ত ঠান্ডা। শরীর কিংবা নিম্নের অর্ধাঙ্গ সাংঘাতিক রকম ঠান্ডা হয়ে গেলে নেট্রাম মিউর অত্যন্ত কার্যকরী।

ক্রনিক ডিজিজ রোগ লক্ষণে কোন তাড়াহুড়া করে প্রেসক্রিপশসন করিবেন না। সম্পূর্ণ রোগলিপি নিয়ে বিচার বিশ্লেষণ না করে কোন ঔষধ প্রয়োগ করিবেন না। আমি বহু গ্রন্থ থেকে, বহু জার্নাল হতে এই সমস্ত মণিমুক্তা সংগ্রহ করেছি। ভবিষ্যতে আরও বেশী করে ঝুড়ি ভর্তি করে আপনাদের সামনে উপস্থাপ পরিকল্পনা রয়েছে। অবহেলা না করে সযত্ননে রেখে দিবেন, আশা করি আপনাদের চিকিৎসা জীবনে সুচিকিৎসার ক্ষেত্রে পরম উপকারী বন্ধুর মত কাজ করবে।

★অনেকের অনুরোধে পোস্টটা পুনরায় করা হল।

#বিঃদ্রঃ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া যে কোনো ওষুধ সেবন ই বিপদজনক।

Address

Mirpur
Dhaka
1216

Telephone

+8801737686868

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when জার্মানি হোমিও শিক্ষালয় posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to জার্মানি হোমিও শিক্ষালয়:

Share