UniMed UniHealth Pharmaceuticals Limited

UniMed UniHealth Pharmaceuticals Limited ইউনিমেড ইউনিহেল্থ ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড জনসচেতনতা বৃদ্ধি করার জন্য পরিচালিত হয়।

ইউনিমেড ইউনিহেল্থ ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড জনসচেতনতা বৃদ্ধি করার জন্য পরিচালিত হয়। মুখ্য উদ্দেশ্য স্বাস্থ্য সম্পর্কিত সাধারণ জ্ঞান ও সুন্দর জীবন পরিচালনা করতে সাহায্য করা। এছাড়াও আপনার ভিডিও ব্লগ unimedunihealth97@gmail.com ঠিকানায় ই মেইল করলে আমাদের ইউ টিউব চ্যানেলে আপলোড করা হবে। স্বাস্থ্য সম্পর্কিত সব ধরনের আলোচনাই আমাদের ইউ টিউব চ্যানেলে হোস্ট করা হবে।
_______________________________________

বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষ গ্রামে বাস করে। বাংলাপিডিয়া থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক চতুর্থাংশের বসবাস শহরাঞ্চলে। সঠিক হিসেবে ৩.৫ শতাংশের কিছু বেশি। বাকিদের সবারই গ্রামে বসবাস। গ্রামাঞ্চলের এই বিশাল জনসংখ্যা নানা দিক দিয়ে এখনও শহরের মানুষদের চেয়ে পিছিয়ে আছে। বিভিন্ন ধরনের প্রয়োজনীয় সেবাও তারা সঠিক সময়ে পায় না। এর মধ্যে চিকিৎসা সেবা অন্যতম।
বিশাল এ জনসংখ্যাকে উপযুক্ত স্বাস্থ্য সম্পর্কিত সাধারণ জ্ঞান ও সুন্দর জীবন করতে পারে সেই লক্ষ্যেই আমাদের এই আয়োজন।

আশাকরি আমাদের সাথেই থাকবেন ও সুস্থ থাকবেন।

   It is being informed with great sorrow that, Md. Khorshed Alam, Senior Area Sales Manager, Diagnostics & Medical Devi...
24/12/2025



It is being informed with great sorrow that, Md. Khorshed Alam, Senior Area Sales Manager, Diagnostics & Medical Devices, UniMed Limited; has passed away at about 8.00 AM on Wednesday 24 December 2025.
-----------------------------------------
Inna Lillahi wa inna ilayhi raji'un
He has been with us since June'1996. He was suffering from an ischemic stroke with heart attack (posterior circulation). He was admitted to the National Institute of Neurosciences & Hospital, where he was undergoing intensive medical treatment.
All the employees of UniMed UniHealth are condoling his family and praying for his eternal peace. May ALLAH (SWT) shower him with mercy and forgiveness and grant him Jannatul Firdaus,
Ameen.

হাতে-পায়ে পানি জমার কারণ ও এর প্রতিকারহাতে-পায়ে পানি জমা বা ফোলা বাংলাদেশে খুবই পরিচিত একটি শারীরিক সমস্যা। অনেক সময় দীর...
23/12/2025

হাতে-পায়ে পানি জমার কারণ ও এর প্রতিকার

হাতে-পায়ে পানি জমা বা ফোলা বাংলাদেশে খুবই পরিচিত একটি শারীরিক সমস্যা। অনেক সময় দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা বা হাঁটাহাঁটির কারণে সাময়িকভাবে পানি জমতে পারে। আবার কখনো হতে পারে গুরুতর কোনো রোগের সতর্ক সংকেত। তাই এর কারণ, লক্ষণ ও করণীয় সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা রাখা জরুরি।
এই সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়েছেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. আবেদ হোসেন খান।
শরীরে, বিশেষত হাতে-পায়ে পানি জমার কারণ কী?

ডা. আবেদ হোসেন খান বলেন, হাতে-পায়ে পানি জমার বেশ কিছু কারণ রয়েছে। যেমন:

১. কিডনি রোগ: কিডনি ঠিকমতো কাজ না করলে শরীরের বাড়তি পানি বের হতে পারে না। ফলে হাত-পা ফুলে যায়।
২. হার্টের সমস্যা: হৃৎপিন্ডের ক্রিয়া স্বাভাবিক না হলে রক্ত ঠিকভাবে সারা শরীরে সঞ্চালন হতে পারে না। এতে পায়ে ও গোড়ালিতে পানি জমে।
৩. লিভারের অসুখ: লিভারের সমস্যাজনিত কারণে শরীরে প্রোটিন কমে যায়। ফলে শরীর পানি ধরে রাখতে শুরু করে।
৪. থাইরয়েডের সমস্যা: শরীরে থাইরয়েড হরমোন কমে গেলেও মুখ, হাত, পা ফোলা দেখা দেয়।
৫. অন্তঃসত্ত্বাকালীন: নারীদের অন্তঃসত্ত্বাকালে হরমোনাল পরিবর্তন ও রক্তনালীর চাপের কারণে পায়ে পানি জমতে পারে।
৬. ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: স্টেরয়েড, উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ, ব্যথার ওষুধ—এসব পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণে ফোলাভাব দেখা দিতে পারে।
৭. অধিক লবণ খাওয়া: মাত্রাতিরিক্ত লবণ শরীরে পানি ধরে রাখে, ফলে শরীর ফুলে যায়।
৮. শিরার সমস্যা: শিরায় কোনো কারণে রক্ত জমাট বাঁধা। ডিপ ভেইন থ্রম্বোসিস (ডিভিটি) বা দীর্ঘমেয়াদি শিরার দুর্বলতা (ক্রনিক ভেনাস ইনসাফিসিয়েন্সি) হলে পা ফুলে যেতে পারে।
লক্ষণ
হাতে-পায়ে পানি জমার পাশাপাশি আরও কিছু উপসর্গ দেখা দিতে পারে, যা মূল কারণ সম্পর্কে ধারণা দেয়। সেগুলো হলো—
১. শ্বাসকষ্ট (বিশেষত শুয়ে থাকা অবস্থায়)
২. মূত্র গাঢ়, ফেনাযুক্ত হওয়া এবং মূত্রের পরিমাণ কমে যাওয়া
৩. দ্রুত ওজন বৃদ্ধি
৪. চোখ কিংবা শরীর হলুদাভ হওয়া
৫. পেটে পানি জমা
৬. চোখের নিচে ফোলা
৭. ক্লান্তি, দুর্বলতা
৮. হঠাৎ একপাশের পা ফুলে যাওয়া
৯. পায়ের ত্বক কালচে বা লাল হয়ে যাওয়া
১০. পায়ের ত্বকে ঘা দেখা দেওয়া
করণীয়:
ডা. আবেদ হোসেন খান বলেন, হাতে-পায়ে ফোলা দেখা দিলে অনেকেই নিকটস্থ ঔষধালয় থেকে মূত্রবর্ধক (ডিউরেটিক), যেমন: ফ্রুলেক বা ফুসিড ইত্যাদি ওষুধ খেয়ে থাকে। এতে সাময়িকভাবে ফোলার পরিমাণ কমে গেলেও এটি মূল রোগকে আড়াল করে রাখে। এ ছাড়া এই জাতীয় ওষুধ সেবনের ফলে শরীরে মারাত্মক পানিশূন্যতা, মাথা ঘোরা, দুর্বলতা, প্রেশার কমে যাওয়া ও লবণের তারতম্য দেখা দেয়।

উপসর্গ দেখা দিলে সাময়িকভাবে করণীয়:
পা কিছুসময় উঁচু করে রাখা
দীর্ঘক্ষণ একটানা দাঁড়িয়ে থাকা বা বসে থাকা এড়ানো
অতিরিক্ত লবণ না খাওয়া
পর্যাপ্ত পানি পান করা
ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপ থাকলে তা নিয়ন্ত্রণে রাখা
চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া।

কখন চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত:
নিম্নোক্ত পরিস্থিতিতে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে:
১. হঠাৎ দ্রুত হাত-পা ফুলে যাওয়া
২. শুয়ে থাকা অবস্থায় শ্বাসকষ্ট, বুকে চাপ বা ব্যথা অনুভূত হওয়া
৩. মূত্রের পরিমাণ হঠাৎ কমে যাওয়া
৪. ফোলার সঙ্গে লালচে ভাব, গরম ও ব্যথা (সংক্রমণের সম্ভাবনা)
৫. পেট, মুখ বা পুরো শরীরে পানি জমা
৬. ওজন দ্রুত বেড়ে যাওয়া
৭. অন্তঃসত্ত্বাকালে পায়ের ফোলার সঙ্গে মাথা ব্যথা বা চোখে ঝাপসা দেখা
৮. ফোলাভাব ২ থেকে ৩ দিনের বেশি স্থায়ী হলে।
ডা. আবেদ হোসেন খান বলেন, হাতে পায়ের পানি জমাকে ছোট সমস্যা ভেবে অবহেলা করা উচিত নয়। কারণ এটি অনেক সময় হার্ট, কিডনি কিংবা লিভারজনিত রোগের আগাম সংকেত হতে পারে। তাই সচেতনতা, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও সময়মতো চিকিৎসা গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি।

The Daily Star বাংলা

এইডস সচেতনতা মাস বলতে মূলত ডিসেম্বর মাসকে বোঝানো হয়, যা বিশ্বব্যাপী এইচআইভি/এইডস (HIV/AIDS) সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ...
21/12/2025

এইডস সচেতনতা মাস বলতে মূলত
ডিসেম্বর মাসকে বোঝানো হয়, যা বিশ্বব্যাপী এইচআইভি/এইডস (HIV/AIDS) সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং এইডস আক্রান্তদের প্রতি সংহতি প্রকাশের জন্য উৎসর্গীকৃত, আর এর মূল দিন হলো ১লা ডিসেম্বর, বিশ্ব এইডস দিবস, যা ১৯৮৮ সাল থেকে পালিত হয়ে আসছে। এই মাসে বিভিন্ন দেশ ও সংস্থা এইচআইভি সংক্রমণ প্রতিরোধ, চিকিৎসা, যত্ন এবং মানবাধিকার বিষয়ক কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।।

চিবুক (Chin) ফুলে ব্যথা, টনসিল নাকি অন্যকিছু?চিবুক ফুলে ব্যথা হয় অনেক সময়। সেটি টনসিল নাকি অন্য কোনো কারণে হয়, তা জানার ...
17/12/2025

চিবুক (Chin) ফুলে ব্যথা, টনসিল নাকি অন্যকিছু?

চিবুক ফুলে ব্যথা হয় অনেক সময়। সেটি টনসিল নাকি অন্য কোনো কারণে হয়, তা জানার জন্য আগে বুঝতে হবে চিবুক ফুলে কেন কিংবা ব্যথা হওয়ার পেছনেই বা কারণ কী?

চিবুক (Chin) ফুলে ব্যথা হওয়ার কারণ কী?
চিবুক (চিন) হলো মুখের নিচের অংশ, যা নিচের ঠোঁটের ঠিক নিচে এবং চোয়ালের অগ্রভাগ নির্দেশ করে। এটি থুতনি নামেও পরিচিত। মূলত চোয়ালের হাড়ের (ম্যানডিবল) নিচের অংশটুকুই হচ্ছে চিবুক। সেখানে অনেকগুলো লিম্ফ নোড থাকে।
চিবুক ফুলে ব্যথা হওয়ার পেছনে এই লিম্ফ নোডগুলোর ভূমিকাই গুরুত্বপূর্ণ। এখন জানতে হবে লিম্ফ নোড কী এবং এর কাজ কী?
অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আবু হানিফ বলেন, লিম্ফ নোড বা লসিকা গ্রন্থি হচ্ছে শরীরের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। লিম্ফ নোড শরীরকে সংক্রমণ ও রোগ থেকে রক্ষা করার জন্য শরীরে প্রবেশ করা ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, জীবাণু ফিল্টার করে ধ্বংস করে।

শরীরে প্রায় ৬'শ থেকে ৮'শ লিম্ফ নোড থাকে। তার মধ্যে প্রায় তিনশ লিম্ফ নোড থাকে গলায়, প্রতি পাশে দেড়শ করে। নাক, কান, গলা, শ্বাসনালীতে যদি কোনো রোগ হয়, যেমন: ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ক্যান্সার। কোনো জীবাণু যাতে শরীরের অন্যান্য জায়গায় যেমন- ফুসফস, কিডনি, মস্তিষ্কে, ব্লাড স্টেমে সহজে প্রবেশ করতে না পারে, তার বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করে লিম্ফ নোডগুলো। আর সে কারণেই লিম্ফ নোডগুলো ফুলে যায় এবং ব্যথা হয় চিবুকে।
চিবুক ফুলে ব্যথা সরাসরি টনসিলের কারণে সাধারণত হয় না। যদি টনসিলে ইনফেকশন হয়, তাহলে সেই ইনফেকশনের যে রোগজীবাণু সেগুলো লসিকা গ্রন্থির মাধ্যমে গলার যে লিম্ফ নোড আছে সেখানে যায় রক্তের মধ্যে প্রবেশের জন্য। কিন্তু গলার লিম্ফ নোডগুলো রোগজীবাণুদের ফিল্টার করে ধ্বংস করার চেষ্টা করে। ফলে লিম্ফ নোডগুলো ফুলে যায় এবং চিবুক ফুলে ব্যথা হয়। সুতরাং টনসিলে ইনফেকশন হলে গলা ফুলতে পারে ও ব্যথা হতে পারে।
এ ছাড়া জিহ্বা, দাঁত, মাড়ি, তালুর পশ্চাৎভাগ, নাক যেকোনো জায়গায় সংক্রমণ হলে লিম্ফ নোড ফুলে যায়, যার কারণে চিবুকে ব্যথা হয়।
তবে ক্যান্সারের জন্য চিবুকের নিচে যে লিম্ফ নোডগুলো বড় হয়, সেগুলোতে ব্যথা হয় না বললেই চলে বা খুব কম হয়। এক্ষেত্রে লিম্ফ নোডগুলো ধীরে ধীরে বড় হয় এবং ফোলাভাব শক্ত হয়ে যায়।
চিবুক ফুলে ব্যথা যদি দুই থেকে তিন দিনে না কমে যায়, সেক্ষেত্রে পরিস্থিতি অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

The Daily Star বাংলা

15/12/2025

UniMed UniHealth Pharmaceuticals Present "Mirror Cafe"
বিষয়: যৌন চিকিৎসায় যত বিভ্রান্তি
অতিথি:
ডা. নুসরাত জাহান দৃষ্টি
চর্ম ও যৌন স্বাস্থ্য পরামর্শক, বাইগাম ও জাপান বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশীপ হাসপাতাল
সঞ্চালক:
আরিফ রায়হান

   আমরা গভীরভাবে শোকাহতবিকন ফার্মা পিএলসি-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোহাম্মদ এবাদুল করিম স্যারের মৃত্যুতে ইউনিমেড ইউনি...
11/12/2025




আমরা গভীরভাবে শোকাহত
বিকন ফার্মা পিএলসি-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোহাম্মদ এবাদুল করিম স্যারের মৃত্যুতে ইউনিমেড ইউনিহেলথ ফার্মাসিউটিক্যালস পরিবার গভীরভাবে শোকাহত।
(ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)

আল্লাহ্ তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এই শোক সহ্য করার শক্তি দিন। (আমিন)

অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসার কেন হয়, লক্ষণ ও চিকিৎসা কীদেরিতে শনাক্ত হওয়া ক্যানসারের মধ্যে অগ্ন্যাশয় ক্যানসার অন্যতম। যে কারণে এ...
03/12/2025

অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসার কেন হয়, লক্ষণ ও চিকিৎসা কী

দেরিতে শনাক্ত হওয়া ক্যানসারের মধ্যে অগ্ন্যাশয় ক্যানসার অন্যতম। যে কারণে এই ক্যানসারে বেঁচে থাকা এবং সুস্থ হওয়ার হারও অনেক কম।
অগ্ন্যাশয় ক্যানসার সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়েছেন জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সাবেক পরিচালক এবং মেডিনোভা মেডিকেল সার্ভিসেস লিমিটেড মালিবাগ শাখার কনসালট্যান্ট অধ্যাপক ডা. স্বপন কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়।

অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসার কী
অধ্যাপক স্বপন কুমার বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মানবদেহে পাকস্থলীর ঠিক পেছনেই প্যানক্রিয়াস বা অগ্ন্যাশয়ের অবস্থান। অগ্ন্যাশয় দুটি বিশেষ কাজ করে। যেমন- খাদ্য গ্রহণের পর খাবার হজমের জন্য যে রস বা এনজাইম প্রয়োজন হয় সেই এনজাইম তৈরিতে কাজ করে। এছাড়াও ইনসুলিন তৈরি করে অগ্ন্যাশয়ের বিটা কোষ। যখন শরীর একেবারেই ইনসুলিন তৈরি করতে পারে না, তখন রক্তে গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণের উপায় থাকে না। তাই ইনসুলিনের ঘাটতির ফলেই ডায়াবেটিস হয়।

অগ্ন্যাশয় ক্যানসার হলো অন্য সব ক্যানসারের মতই অনিয়ন্ত্রিত কিছু সেলুলার অর্থাৎ কোষের পরিবর্তনজনিত বিস্তার। অগ্ন্যাশয়ের কোষগুলো অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়ে এবং নিয়ন্ত্রণহীনভাবে বিভাজিত হলে এক ধরনের চাকা বা টিউমার গঠিত হয়, যা ক্যানসারে পরিণত হতে পারে।
এটাই একমাত্র টিউমার যা ক্যানসারে পরিণত হলে আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে ৫ বছর বেঁচে থাকার হার শতকরা ৭ ভাগ। অত্যন্ত হতাশাজনক ও মারাত্মক রোগ হচ্ছে প্যানিক্রিয়াটিক বা অগ্ন্যাশয় ক্যানসার, কারণ এর কোনো নিজস্ব উপসর্গ নেই যার মাধ্যমে চিকিৎসক বুঝতে পারবেন অগ্ন্যাশয় ক্যানসার হয়েছে।

সাধারণত ৪০ বছরের বেশি বয়সীদের অগ্ন্যাশয় ক্যানসার হয়। এই বয়সী মানুষের পেটে ব্যথাকে গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা, পিত্তথলিতে পাথর বা অন্য কোনো কারণে ব্যথা হয়েছে বলে ধরে নেওয়া হয়। অগ্ন্যাশয়ে কোনো সমস্যা হয়েছে এই বিষয়টি মাথায় আসে না। অনেক সময় প্যানক্রিয়াসে কোনো রোগ থাকলেও সেটি সঠিকসময়ে শনাক্ত হয় না। অতএব রোগটি দেরীতে শনাক্ত হয়, যার কারণে অগ্ন্যাশয় ক্যানসার আক্রান্ত রোগীদের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা কমে যায়।
অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসার কেন হয়
অধ্যাপক স্বপন কুমার বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসার কেন হয় তার সরাসরি কারণ জানা যায়নি। তবে কিছু বিষয় রয়েছে যেগুলোর কারণে এই ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে। যেমন-
১. ধূমপানের কারণে অগ্ন্যাশয় ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে।
২. অ্যালকোহল গ্রহণ করেন যারা তাদেরও ঝুঁকি বেশি। অ্যালকোহল সেবনের কারণে প্রাথমিকভাবে অগ্ন্যাশয়ে প্রদাহ হয় এবং দীর্ঘমেয়াদী প্রদাহের ফলশ্রুতিতে অগ্ন্যাশয় ক্যানসার হতে পারে।
৩. ওবেসিটি বা অতিরিক্ত ওজন এই ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়।
৪. সাধারণত ৪০ বছরের বেশী বয়সীরাই আক্রান্ত হয়।
অগ্ন্যাশয় ক্যানসার বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অ্যাডেনোকার্সিনোমা ধরনের হয়। আরেক ধরনের ক্যানসার হলো নিউরোএন্ডোক্রাইন ক্যানসার, তবে এটি খুবই বিরল।

লক্ষণ
১. দীর্ঘমেয়াদী পেটে ব্যথা
২. ওজন কমে যাওয়া
৩. জন্ডিস, চোখের সাদা অংশে হলদে ভাব
৪. মলের রং ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া
৫. পেট ভরা ভরা লাগা
এই ধরনের উপসর্গ দেখা দিলে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়ে প্যানক্রিয়াসে কোনো সমস্যা হয়েছে কি না, ক্যানসার আছে কিনা তা শনাক্ত করে চিকিৎসা নিতে হবে। দ্রুত শনাক্ত হলে অগ্ন্যাশয় ক্যানসার রোগীদের বেঁচে থাকার হার ৭% এর বেশি বাড়ানো যাবে।
রোগ নির্ণয়
অধ্যাপক স্বপন কুমার বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, পেটে ব্যথা, ওজন কমে যাওয়া, পেট ভার ভার লাগা, জন্ডিস, মলের রঙ ফ্যাকাশে হয়েছে এসব উপসর্গ থাকলে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি। অগ্ন্যাশয়ে কোনো সমস্যা হয়েছে কি না বা ক্যানসার আছে কি না তা শনাক্তের জন্য প্রথমেই রোগীর সম্পূর্ণ পেটের আলট্রাসনোগ্রাফি করতে হবে। সেখানে প্যানক্রিয়াসে বা গলব্লাডারে কিছু পরিলক্ষিত হলে পেটের সিটি স্ক্যান করতে হবে।
একইসঙ্গে কিছু রক্ত পরীক্ষাও করতে হবে। রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে চেক করা যায় বিশেষ একটি মার্কার হচ্ছে CA 19-9 (Cancer Antigen 19-9) । রক্তে যদি এটি বাড়তি পাওয়া যায় তাহলে অগ্ন্যাশয়ে কোনো সমস্যা আছে বলে ধরে নেওয়া যেতে পারে।
এসব পরীক্ষার পাশাপাশি যদি রোগীর জন্ডিস থাকে তাহলে এমআরসিপি পরীক্ষা করতে হবে। সব পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে টিউমারের বৃদ্ধি কতখানি সেটি জানা যাবে।
চিকিৎসা ও প্রতিরোধ
পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর অন্যান্য ক্যানসারের মতোই দেখতে হবে অগ্ন্যাশয় ক্যানসারের বিস্তৃতি কি বহুদূর নাকি সীমাবদ্ধ? ক্যানসার অগ্ন্যাশয়ের বডিতে, হেডে, লেজে যদি বিস্তৃত হয় সেক্ষেত্রে একজন ক্যানসার বিশেষজ্ঞ এবং হেপাটোবিলিয়ারি সার্জন সমন্বিতভাবে সিদ্ধান্ত নেবেন রোগীকে কী ধরনের চিকিৎসা দিতে হবে।
ক্যানসারের ধরন ও পর্যায়ের ওপর ভিত্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হবে রোগীকে। অগ্ন্যাশয় ক্যানসার যদি প্রাথমিক অবস্থায় শনাক্ত হয় তাহলে অস্ত্রোপচার করতে হবে। এ ছাড়া কেমোথেরাপি, কখনো টার্গেটেড থেরাপি, মুখে খাওয়ার ওষুধ, রেডিওথেরাপি দেওয়া হয় রোগীকে।
অগ্ন্যাশয় ক্যানসার প্রতিরোধ সচেতন হতে হবে। ধূমপান, অ্যালকোহল পরিহার করতে হবে, ওজন কমাতে হবে। নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে, ফলমূল, শাকসবজি খেতে হবে, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করতে হবে।

Source: The Daily Star বাংলা The Daily Star


03/12/2025

UniMed UniHealth Pharmaceuticals Limited Presents "Mirror Cafe"
বিষয়: কিডনি রোগের চিকিৎসা, অপচিকিৎসা।

অতিথি :
ডা. হাসিনাতুল জান্নাত সুমি
সহকারী অধ্যাপক, কিডনী বিভাগ, জাতীয় কিডনি রোগ ও ইউরোলজি ইনস্টিটিউট

সঞ্চালক: ডা. আবদুল্লাহ আল খালিদ

চোখ রাখুন আজ রাত ৯ টায়!UUniMed UniHealth Pharmaceuticals LimitedPresents: "Mirror Cafe" দেখবেন আজ রাত ৯ টায়বিষয়: কিডনি র...
02/12/2025

চোখ রাখুন আজ রাত ৯ টায়!

UUniMed UniHealth Pharmaceuticals LimitedPresents:

"Mirror Cafe" দেখবেন আজ রাত ৯ টায়

বিষয়: কিডনি রোগের চিকিৎসা, অপচিকিৎসা।
অতিথি :
ডা. হাসিনাতুল জান্নাত সুমি
সহকারী অধ্যাপক, কিডনী বিভাগ, জাতীয় কিডনি রোগ ও ইউরোলজি ইনস্টিটিউট
সঞ্চালক:
ডা. আবদুল্লাহ আল খালিদ

https://www.facebook.com/share/p/1CBNkdiN2b/

Unimed Unihealth Pharmaceutical Presents "Mirror Cafe" দেখবেন আজ রাত ৯ টায়

বিষয়: কিডনি রোগের চিকিৎসা, অপচিকিৎসা।

অতিথি :
ডা. হাসিনাতুল জান্নাত সুমি
সহকারী অধ্যাপক, কিডনী বিভাগ, জাতীয় কিডনি রোগ ও ইউরোলজি ইনস্টিটিউট

সঞ্চালক:
ডা. আবদুল্লাহ আল খালিদ

কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয়, কী খাবেন, কী খাবেন নাকোষ্ঠকাঠিন্য খুব সাধারণ সমস্যা মনে হলেও এটি যন্ত্রণাদায়ক এবং অনেকেই ভুগছেন এই ...
02/12/2025

কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয়, কী খাবেন, কী খাবেন না

কোষ্ঠকাঠিন্য খুব সাধারণ সমস্যা মনে হলেও এটি যন্ত্রণাদায়ক এবং অনেকেই ভুগছেন এই সমস্যায়। কোষ্ঠকাঠিন্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়েছেন জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সাবেক পরিচালক, পরিপাকতন্ত্র ও লিভার রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. ফারুক আহমেদ।

কোষ্ঠকাঠিন্য কী
অধ্যাপক ফারুক আহমেদ বলেন, কোষ্ঠকাঠিন্য খুবই পরিচিত একটি সমস্যা, প্রতি ৭ জন্য ব্যক্তির মধ্যে ১ জনের কোষ্ঠকাঠিন্য রোগ রয়েছে। একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ দিনে ৩ বার অথবা সপ্তাহে ৩ বার মলত্যাগ করলে সেটিকে স্বাভাবিক মনে করা হয়।
কারো যদি সপ্তাহে ৩ বার মলত্যাগ না হয়, অর্থাৎ যদি সপ্তাহে ১ বার বা সপ্তাহে ২ বার মলত্যাগ হয় তাহলে সেই অবস্থাকে কোষ্ঠকাঠিন্য বলা হয়। এছাড়া মলত্যাগ করতে কষ্ট হয়, মলত্যাগে অতিরিক্ত চাপ দিতে হয়, শক্ত মলত্যাগ করে এবং কষ্ট হয়, কারো যদি মলত্যাগ করার পর মনে হয় পুরোপুরি মলত্যাগ হয়নি, পায়ুপথের কাছে এসে মল আটকে যাচ্ছে এমন অনুভূতি হয়- এই সব বিষয়গুলো যখন একত্রে পরিলক্ষিত হয় তখন তাকে কোষ্ঠকাঠিন্য বলে।
কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয়
বিভিন্ন কারণে কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে। যেমন-
১. জীবনযাত্রায় যদি কোনো পরিবর্তন আসে, ভ্রমণ অবস্থায়, নতুন কোনো জায়গায় বেড়াতে গেলে, খাদ্যাভাস পরিবর্তন হলে, আঁশযুক্ত খাবার কম খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে।
২. ঘুমের অভ্যাস পরিবর্তন হলে হতে পারে।
৩. কিছু কিছু ওষুধ আছে, যেমন- ব্লাডপ্রেশারের ওষুধ, ঘুমের ওষুধ, এরকম আরো অনেক ওষুধ আছে যেগুলো সেবনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে।
৪. কিছু কিছু পরিপাকতন্ত্রের রোগ যেমন- ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম (আইবিএস) যদি থাকে, পরিপাকতন্ত্রের কোথাও যদি টিউমার থাকে যার কারণে মলত্যাগ বাধাগ্রস্ত হয়, তাহলে কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে। পরিপাকতন্ত্রের স্বাভাবিক মুভমেন্ট বা চলন যদি কোনো কারণে অস্বাভাবিক হয়ে যায়, ধীর হয়ে যায় কিংবা কমে যায় তাহলে কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে।
৫. পরিপাকতন্ত্রের রোগ ছাড়াও কিছু অন্যান্য রোগ যেমন- হরমোনজনিত রোগ, থাইরয়েডের কারণে হতে পারে। স্নায়ুতন্ত্রের কোনো রোগ, যেমন- পারকিনসন রোগ, স্ট্রোক, নড়াচড়া করতে পারেন না, বিছানায় শুয়ে থাকতে হয় এমন রোগীদেরও কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে।
৬. পানি কম পান করার কারণে হতে পারে।
৭. নিয়মিত ব্যায়াম না করা, নড়াচড়া কম করা, কায়িক পরিশ্রম না করা।
লক্ষণ
১. সপ্তাহে ৩ বারের কম পায়খানা হওয়া।
২. মলত্যাগের সময় কষ্ট, অতিরিক্ত চাপ দিতে হয়।
৩. মল শক্ত হয়।
৪. অসম্পূর্ণ মলত্যাগের অনুভূতি হওয়া, পায়খানা পরিষ্কার না হওয়া।
৫. পেট ব্যথা হওয়া
৬. মলত্যাগে চাপ দেওয়া বা কোনো রোগের কারণে যদি কোষ্ঠকাঠিন্য হয় তাহলে পেট ফুলে যেতে পারে, মলত্যাগের সময় রক্ত যেতে পারে, রক্তশূন্যতা হতে পারে, ক্ষুধামন্দা, ওজন কমে যেতে পারে।

চিকিৎসা
অধ্যাপক ফারুক আহমেদ বলেন, কোষ্ঠাকাঠিন্য কী কারণে হয়েছে সেটি শনাক্ত করার পর প্রয়োজনে সেই অনুযায়ী চিকিৎসা নিতে হবে। কারো যদি হরমোন, থাইরয়েডজনিত রোগ থাকে, পারকিনসন বা অন্য কোনো রোগ থাকে তাহলে সেই রোগের চিকিৎসা নিলে কোষ্ঠকাঠিন্য ভালো হয়ে যাবে।
কোনো রোগ ছাড়া এবং পরিপাকতন্ত্রের অস্বাভাবিক মুভমেন্ট, ধীর হওয়া বা কমে যাওয়ার কারণে যদি কোষ্ঠকাঠিন্য হয় তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন করতে হবে।
ওষুধ খাওয়ার পরেও যদি কোষ্ঠকাঠিন্য ভালো না হয়, অন্ত্রের গঠনগত কোনো সমস্যা থাকে বা মলত্যাগের প্রক্রিয়া যদি কাজ না করে সেক্ষেত্রে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয়। এছাড়া মানসিক চিকিৎসা বায়োফিডব্যাক থেরাপিও দেওয়া হয় রোগীকে, যা রোগীর মানসিক ও শারীরিক অবস্থার উন্নতি ঘটায়।
কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণে তীব্র কষ্টে এনেমা নামক ওষুধ মলদ্বারের মাধ্যমে প্রবেশ করালে পায়খানা হয় এবং রোগীর কষ্ট লাঘব হয়।
প্রতিরোধ
অধ্যাপক ফারুক আহমেদ বলেন, কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে জীবনযাপনে পরিবর্তন আনতে হবে, সুস্থ স্বাভাবিক জীবনযাপন ও খাদ্যাভাসে অভ্যস্ত হতে হবে। যে খাবারে ফাইবার বা আঁশের পরিমাণ বেশি এমন খাবার, শাকসবজি, ফল খেতে হবে। প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করতে হবে কারণ কম পানি খাওয়ার কারণে কোষ্ঠকাঠিন্যের ঝুঁকি বাড়ে। নিয়মিত ব্যায়াম, হাঁটাহাঁটি ও কায়িক পরিশ্রম করতে হবে। পরিমিত ঘুম নিশ্চিত করতে হবে। যদি বেশি ভ্রমণ করতে হয় তাহলে ভ্রমণ অবস্থায় পর্যাপ্ত পানি পান করার পাশাপাশি খাবার খেয়ে নিতে হবে। এছাড়া যেসব ওষুধ খাওয়ার কারণে কোষ্ঠকাঠিন্য হয় সেসব ওষুধ যতটা সম্ভব কম খেতে হবে। প্রয়োজনে বন্ধ করে দিতে হবে।
কোষ্ঠকাঠিন্য হলে কী খাবেন
আঁশযুক্ত খাবার বেশি খেতে হবে। পুঁইশাক, কচু শাক, পালং শাকসহ সব ধরনের শাক খেতে হবে। শিম, শিমের দানা, বাদাম, ঢেঁড়স, মিষ্টি আলু, লাউ এবং আঁশ আছে এমন শাকসবজি বেশি পরিমাণে রাখতে হবে খাদ্যতালিকায়। আপেল, কলা, পাকা পেঁপে, আঙুর, পেয়ারার মত আঁশযুক্ত ফল খেতে হবে। প্রতিদিন আড়াই থেকে ৩ লিটার পানি পান করতে হবে। এছাড়া ওট মিল বা ইসবগুলের ভুসি উচ্চ মানের ফাইবার জাতীয় খাবার। তাই প্রতিদিন সঠিক পরিমাণে খাওয়া উপকারী।
কোষ্ঠকাঠিন্য হলে কী খাবেন না
কোষ্ঠকাঠিন্য হলে কম আঁশযুক্ত খাবার খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দিতে হবে। তৈলাক্ত খাবার, অতিরিক্ত ভাজাপোড়া জাতীয় খাবার পরিহার করতে হবে। ফাস্ট ফুড, যেমন- বার্গার, পিৎজা, চিপস, কোমল পানীয় ইত্যাদি পরিহার করতে হবে। রিফাইন্ড ফুড, ফ্রাইড ফুড পরিহার করতে হবে।

Source : The Daily Star বাংলা

#কোষ্ঠকাঠিন্য

শীতে অসুস্থ হলে কী খাবেন! শীতের তীব্রতা যত বাড়ে, অসুস্থতাও তত বাড়তে থাকে। এর মধ্যে সর্দি-কাশি, গলা ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, ডায়...
01/12/2025

শীতে অসুস্থ হলে কী খাবেন!

শীতের তীব্রতা যত বাড়ে, অসুস্থতাও তত বাড়তে থাকে। এর মধ্যে সর্দি-কাশি, গলা ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়া, পানিস্বল্পতা ইত্যাদি। এসব রোগ এমন কোনো বড় ব্যাপার নয়। অনেক সময় কাশি হঠাৎ করেই ভালো হয়ে যায়। তবে কাশির সঙ্গে জ্বর হলে সেটাকে অবশ্যই গুরুত্ব দিতে হবে।

সব সময় কুসুম গরম পানি পান করতে হবে ও গরম পানি দিয়ে গোসল করলে আরাম বোধ হবে। সর্দি-কাশি থেকে বাঁচতে হলে গরম স্যুপ, আদা বা দারুচিনি সিদ্ধ পানি, রসুন সিদ্ধ পানি, মধু-পুদিনা চা খাওয়া যেতে পারে। আবার আদা-লেবু-মধু চা খেলেও উপকার পাওয়া যাবে।
এগুলো আমাদের শরীর শোধনের কাজ করে। লেবুতে থাকা ভিটামিন সি ও মধুর খনিজ লবণের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট দেহকে সুরক্ষা দেয়। এছাড়া নিচের পথ্যগুলো ঠান্ডা কাশির জন্য উপকারী।
* মেথি : এক গ্লাস গরম পানিতে এক টেবিল চামচ মেথি গুঁড়া দিয়ে গার্গেল করলে গলাব্যথা দূর হবে।
* তুলসীপাতা : তুলসীপাতা সিদ্ধ পানি অথবা প্রতিদিন দুই-তিনটি পাতা চিবিয়ে খেলেও সর্দি কাশিতে উপকার হয়। গলা খুস্খুস্ করলেও তুলসীপাতায় উপকার পাওয়া যায়।
* সেলরি : সর্দি-কাশিতে ভুগলে সেলরি-সেলরি সিদ্ধ পানি বেশ উপকারী।
* রসুন : বেশি শীত অনুভূত হলে বা সর্দি-কাশি উপশম রসুন সিদ্ধ পানি বারবার পান করা যেতে পারে।
এ ছাড়া সর্দি-কাশি সারাতে খেতে হবে কালজিরার ভর্তা, সরিষার ভর্তা, সরিষা শাকের ভর্তা, পেঁয়াজ-মরিচ-সরষের তেলে ভর্তা ইত্যাদি।
ডিহাইড্রেশন
শীতকালে পানি খাওয়া কম হয় বলে ডিহাইড্রেশন হয়ে থাকে। ডিহাইড্রেশন বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। যেমন-খুব তৃষ্ণার্ত হওয়া, গাঁটে ব্যথা, মুখের ভেতর শুকিয়ে যাওয়া, পেশীর দুর্বলতা, মাথাঘোরা, মাইগ্রেন, মাথাব্যথা, বদহজম, পায়ে ক্র্যাম্প, দুর্বলতা ইত্যাদি। ডিহাইড্রেশনের ফলে আমাদের মস্তিষ্কে তৈরি হওয়া শক্তির মাত্রা কমতে থাকে। পানি ফুসফুসকে আর্দ্র রেখে শ্বাস-প্রশ্বাস চলাচল সহজ করে তোলে।
অ্যাজমার টান উঠলে পানি খেলে আরাম পাওয়া যায়। পানি শরীরের বর্জ্য পদার্থ বের করে দেয় এবং লুব্রিকেটের কাজ করে বলে আমাদের নাড়াচাড়া করতে সুবিধা হয়। পানি পান করলে রিডম্যাটিক আর্থ্রাইটিসের ব্যথা কমে যায়। গর্ভাবস্থায় প্রথম ট্রাইমস্টারে যে বমিভাব দেখা যায়, তা মায়ের পানির অভাবের জন্য হয়ে থাকে। মায়ের বুকের দুধ তৈরি হওয়ার জন্যও নিয়মিত পানি পান করা প্রয়োজন।
ডায়রিয়া
শীতের সময় যে ডায়রিয়া হয় তাকে কোল্ড ডায়রিয়া বলা হয়। ডায়রিয়া হলেও পুষ্টিকর খাবারের দিকে নজর দিতে হবে। ঘরের বা বাজারের তৈরি স্যালাইন বারবার খেতে হবে। স্যালাইনের প্যাকেটের ওপর নিয়মাবলি ভালো করে পড়ে শিশুদের খাওয়াতে হবে। তা না হলে ইলেকট্রোলাইট ইমব্যালেন্স হয়ে শিশুর মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।
সহজপাচ্য আমিষ যেমন-ঝালছাড়া মাছের ঝোল, কচি মাংস, সিদ্ধ ডিম, সরবিহীন দুধ, সুজি, সেমাই, বার্লি দেওয়া যাবে। যদি দুধ একেবারেই সহ্য না হয়, তাহলে দই-ঘোল, ছানা দেওয়া যায়। ডায়রিয়া রোগীদের ডিমের সাদা অংশ ও ঘোল খুবই উপকারী। হজমে ব্যাঘাত ঘটে বলে এ সময় ডাল না দেওয়াই ভালো।
মাছের মধ্যে শিং, মাগুর, পাবদা, শোল, কচি মুরগির মাংস ঝোল করে দেওয়া যায়। এতে আলু, কাঁচা পেঁপে, লাউ, জালি অথবা আঁশছাড়া অন্য যে কোনো সবজি দিলে ভালো হয়। সহজপাচ্য শর্করাযুক্ত খাবার দিতে হবে। যেমন-ফলের রস, পরিজ, সাগু, বিস্কুট, বার্লি, সুজি, নরম ভাত, ভেজানো চিড়া, চিড়ার পানি, পাউরুটি, ইত্যাদি। লাল চায়ের সঙ্গে মুড়ি, ধানের খই, টেস্টি বিস্কুট দেওয়া যাবে। ফলের মধ্যে কলা, কমলা, পাকা পেঁপে, ডাব, সিদ্ধ আপেল, ডালিম দেওয়া যাবে। ডাব ডায়রিয়ায় খুবই আদর্শ। খাবারে মাখন-তেল দিলে ক্ষতি নেই। তবে জমাট চর্বি যেমন-ঘি, ডালডা, মাংসের চর্বি সহজে হজম হয় না বলে না দেওয়াই ভালো।
ঘনঘন পাতলা পায়খানা হওয়ার ফলে শরীর থেকে বেশ পানি বের হয়ে যায়। এর সঙ্গে বমি থাকলে তো অবস্থা আরও মারাত্মক হয়ে থাকে। পানিস্বল্পতার ফলে ত্বক শুকনো বিবর্ণ ও গরম হয়ে যায়। হাত পায়ে খিঁচুনি হয়।
এ সময় এক ঘণ্টা পর পর দিতে হবে লবণাক্ত পানি, আঁশছাড়া ফলের রস, ঘোল, বার্লির শরবত, ডাবের পানি, ক্লিয়ার স্যুপ, চালের গুঁড়ার স্যালাইন, ওরস্যালাইন। এ ছাড়া মধু বা গুড় মেশানো লেবুর শরবত দিলে খনিজ লবণের ঘাটতি থেকে বাঁচা যাবে। সর্বোপরি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রোগীকে ওষুধ, খাবার ও বিশ্রামের ব্যবস্থা করতে হবে।
লেখক : চিফ নিউট্রিশন অফিসার ও বিভাগীয় প্রধান (অব.), বারডেম। সভাপতি, ডায়াবেটিস নিউট্রিশনিস্ট সোসাইটি অব বাংলাদেশ, পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, শ্যামলী ও অ্যাডভান্স হাসপাতাল, ঢাকা

Source : Daily Jugantor

Address

House# 520 Post Office# Shyamlapur, Washpur, After Bosila Bridge
Dhaka
1310

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when UniMed UniHealth Pharmaceuticals Limited posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to UniMed UniHealth Pharmaceuticals Limited:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram