Dr.Tahasin Ahammad

Dr.Tahasin Ahammad I'm doctor Tahasin Ahammad emon.I'm medical assistant Professional physician. It's my page

গ্যাস্ট্রোইনটেস্টিনাল টিউবারকিউলোসিস (GI TB): গ্যাস্টিকের সমস্যা ভেবে ভুল করছেন না তো❓যক্ষ্মা শুধু ফুসফুসে হয় না, এবার ট...
25/09/2025

গ্যাস্ট্রোইনটেস্টিনাল টিউবারকিউলোসিস (GI TB): গ্যাস্টিকের সমস্যা ভেবে ভুল করছেন না তো❓যক্ষ্মা শুধু ফুসফুসে হয় না, এবার টার্গেট আপনার পেট! 🎯🕵️‍♂️

দীর্ঘদিন ধরে পেটের ব্যথা, ওজন কমে যাওয়া, আর হালকা জ্বরে ভুগছেন। গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খেয়েও কোনো লাভ হচ্ছে না। এন্ডোস্কোপি বা অন্যান্য সাধারণ পরীক্ষায় ধরা পড়ছে না তেমন কিছুই। আপনি হয়তো ভাবছেন, এটা এমন কী আর সমস্যা! কিন্তু আড়ালে লুকিয়ে থাকা আসল ভিলেনের কথা শুনলে আপনি চমকে উঠবেন।

আপনার কি ধারণা, যক্ষ্মা বা টিবি (TB) মানেই শুধু ফুসফুসের রোগ আর অবিরাম কাশি? যদি তাই ভেবে থাকেন, তবে আজ আপনার ধারণার দেওয়ালে একটা বড় ধাক্কা লাগতে চলেছে। পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি এক ছদ্মবেশী শত্রুর সাথে, যার নাম "গ্যাস্ট্রোইনটেস্টিনাল টিউবারকিউলোসিস" (Gastrointestinal Tuberculosis বা GI TB)—সেই চেনা যক্ষ্মা, কিন্তু এবার তার বিচরণক্ষেত্র ফুসফুস নয়, আপনারই হজমতন্ত্র!

💢 গ্যাস্ট্রোইনটেস্টিনাল টিউবারকিউলোসিস—নামের মাঝেই লুকিয়ে রহস্য 🔬🤔
আসুন, এই জটিল নামটিকে সহজভাবে বুঝে নিই।
🔸গ্যাস্ট্রোইনটেস্টিনাল (Gastrointestinal): এর মানে হলো আমাদের সম্পূর্ণ হজমপথ—অর্থাৎ মুখ থেকে শুরু করে খাদ্যনালী, পাকস্থলী, ক্ষুদ্রান্ত্র, বৃহদন্ত্র হয়ে মলদ্বার পর্যন্ত বিস্তৃত রাস্তা।
🔸টিউবারকিউলোসিস (Tuberculosis): এটি মাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকিউলোসিস নামক এক একগুঁয়ে ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট একটি রোগ, যাকে আমরা সংক্ষেপে টিবি বা যক্ষ্মা বলি।
যখন এই ব্যাকটেরিয়া ফুসফুসের বদলে আমাদের হজমতন্ত্রের কোনো অংশকে আক্রমণ করে ঘা বা ইনফেকশন তৈরি করে, তখন তাকেই বলা হয় জিআই টিবি (GI TB)।

✅ সেরা উপমা: ভাবুন তো, দেশের শত্রু বা গুপ্তচর কি শুধু প্রধান বিমানবন্দরেই (ফুসফুস) আক্রমণ করে? না! তারা দেশের ভেতরে যেকোনো জায়গায়, যেমন কোনো প্রত্যন্ত গ্রামে (অন্ত্র) গিয়েও গোপন আস্তানা গাড়তে পারে এবং ভেতর থেকে দেশের ক্ষতি করতে পারে।
জিআই টিবি ঠিক তেমনই এক ‘গুপ্তচর’ ব্যাকটেরিয়া। এটি কাশির মাধ্যমে ফুসফুসে সরাসরি আক্রমণ না করে, বরং অন্য পথে (যেমন: রক্ত বা লসিকার মাধ্যমে অথবা ফুসফুসের কফ গিলে ফেলার মাধ্যমে) পেটের ভেতরে প্রবেশ করে এবং নীরবে নিজের সাম্রাজ্য বিস্তার করতে থাকে। আর একারণেই একে শনাক্ত করা এত কঠিন!

💢 কেন এই গুপ্তচর হজমতন্ত্রকে বেছে নেয়? 🔗🗺️
এর আক্রমণের পথগুলো বেশ ধূর্ত।
👉 ফুসফুস থেকে পেটে: ফুসফুসে টিবি হলে, ব্যাকটেরিয়াযুক্ত কফ বা লালা যদি রোগী গিলে ফেলে, তবে সেই জীবাণু অন্ত্রে গিয়ে সংক্রমণ ঘটাতে পারে। এটাই সবচেয়ে সাধারণ কারণ।
👉 রক্তের মাধ্যমে বিস্তার: শরীরের অন্য কোনো অংশে টিবি হলে, সেই জীবাণু রক্তের মাধ্যমে বাহিত হয়ে হজমতন্ত্রের যেকোনো অংশে ঘাঁটি গাড়তে পারে।
👉 সংক্রমিত খাবার: (বর্তমানে খুব বিরল) টিবি আক্রান্ত পশুর অপরিশোধিত দুধ পান করার মাধ্যমেও একসময় এটি ছড়াত।

💢 শরীর কী কী বিপদ সংকেত পাঠায়? লক্ষণগুলো মিলিয়ে নিন 🚨🤒
জিআই টিবি'র সবচেয়ে বিপজ্জনক দিক হলো, এর লক্ষণগুলো অন্য অনেক সাধারণ পেটের রোগের (যেমন: ক্রোনস ডিজিজ, আইবিএস এমনকি ক্যানসার) সাথে হুবহু মিলে যায়। একারণে একে "The Great Mimicker" বা 'মহান নকলবাজ' বলা হয়।
🔸দীর্ঘমেয়াদী পেট ব্যথা: সাধারণত পেটের ডানদিকের নিচের অংশে ব্যথা বেশি অনুভূত হয়।
🔸অস্বাভাবিক ওজন হ্রাস: কোনো কারণ ছাড়াই দ্রুত ওজন কমে যাওয়াটা অন্যতম প্রধান লক্ষণ।
🔸জ্বর: বিশেষ করে সন্ধ্যার দিকে বা রাতে কাঁপুনি দিয়ে হালকা জ্বর আসা।
🔸ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্যের আসা-যাওয়া: হজমের অভ্যাসে বড় ধরনের পরিবর্তন আসা।
🔸পেট ফোলা বা পেটে চাকা/গোটা অনুভূত হওয়া।
🔸ক্ষুধামন্দা এবং দুর্বলতা।
🔸বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই লক্ষণগুলো কয়েক মাস বা বছর ধরে থেমে থেমে চলতে পারে, যা রোগ নির্ণয়কে আরও জটিল করে তোলে।

🍀 রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা: এই অদৃশ্য শত্রুকে ধরবেন কীভাবে? 🩺💊
🚩 রোগ নির্ণয়: যেহেতু এটি এক 'মহান নকলবাজ', তাই একে ধরতে ডাক্তারদেরও গোয়েন্দার মতো কাজ করতে হয়।
🔹কোলনস্কোপি (Colonoscopy): ক্যামেরা যুক্ত নল বৃহদন্ত্রে প্রবেশ করিয়ে ভেতরের অবস্থা দেখা হয় এবং সন্দেহজনক জায়গা থেকে মাংসের নমুনা (Biopsy) নিয়ে পরীক্ষা করা হয়।
🔹সিটি স্ক্যান (CT Scan): পেটের ভেতরের অঙ্গগুলোর বিস্তারিত ছবি দেখে ইনফেকশনের গভীরতা ও বিস্তার বোঝা যায়।
🔹রক্ত পরীক্ষা, বুকের এক্স-রে এবং মলের পরীক্ষাও সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

🚩 প্রচলিত চিকিৎসা:
একবার যদি এই গুপ্তচর ধরা পড়ে যায়, তবে সুখবর হলো—এটি সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য!
ফুসফুসের যক্ষ্মার মতোই, জিআই টিবি'র চিকিৎসাতেও একটি নির্দিষ্ট কোর্স (সাধারণত ৬-৯ মাস) অ্যান্টি-টিবি ড্রাগস (Anti-TB Drugs) গ্রহণ করতে হয়। সবচেয়ে জরুরি হলো, ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া একটি দিনের জন্যও ওষুধ বন্ধ না করা এবং সম্পূর্ণ কোর্স শেষ করা।

📗✅ ওষুধের পাশাপাশি যা আপনার দুর্গ মজবুত করবে ✅💚
জিআই টিবি'র বিরুদ্ধে লড়াইটা শুধু ওষুধের নয়, শরীরের অভ্যন্তরীণ শক্তি বাড়ানোরও।
👉 পুষ্টিকর খাবার: শরীর যখন একটি বড় সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়ে, তখন তার প্রচুর শক্তি প্রয়োজন। আপনার খাদ্য তালিকায় রাখুন সহজপাচ্য, উচ্চ প্রোটিনযুক্ত খাবার (যেমন: মাছ, ডিম, ডাল) এবং প্রচুর ভিটামিন-মিনারেল সমৃদ্ধ ফল ও সবজি।
👉 পর্যাপ্ত বিশ্রাম: শরীরকে সেরে ওঠার জন্য পর্যাপ্ত সময় দিন। রাত জাগা বা অতিরিক্ত পরিশ্রম থেকে বিরত থাকুন।
👉 মানসিক চাপকে বিদায়: যেকোনো দীর্ঘমেয়াদী অসুস্থতা মানসিক শক্তি কেড়ে নেয়। মনকে শান্ত রাখতে হালকা ব্যায়াম, মেডিটেশন বা পছন্দের কাজ করুন।
👉 নিয়মানুবর্তিতা: ওষুধ খাওয়ার সময়সূচী কঠোরভাবে মেনে চলুন। এটিই আরোগ্যের মূল চাবিকাঠি।

🌿 শেষ কথা
পেটের যেকোনো দীর্ঘমেয়াদী সমস্যাকে "সাধারণ গ্যাস্ট্রিক" ভেবে অবহেলা করবেন না। যদি আপনার ওজন inexplicably কমে যায়, পেটে ব্যথা থেকেই থাকে এবং হালকা জ্বর ছাড়ে না, তবে একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।

মনে রাখবেন, জিআই টিবি একটি ছদ্মবেশী রোগ হলেও, সঠিক সময়ে নির্ণয় করা গেলে এবং সঠিকভাবে চিকিৎসা সম্পন্ন করলে আপনি পুরোপুরি সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারেন।

সচেতনতাই প্রতিরোধের প্রথম ধাপ। নিজের শরীরের সংকেতগুলো শুনুন এবং সুস্থ থাকুন। ✅💚

©️ তথ্য সংকলন ও পরিমার্জন

08/08/2025

মরচে ধরা লোহায় এমন কী আছে, যা পা কাটলেই টিটেনাস ইনজেকশন দিতে হয়?🤔

১. মরচে পড়া লোহায় মরিচার সাথে আরও থাকতে পারে ময়লা-আবর্জনা এবং বিভিন্ন ধরণের জীবাণু। এই জীবাণুগুলোই আমাদের জন্য বেশি ক্ষতিকর।

২. একপ্রকার ব্যাকটেরিয়া Clostridium tetani, যা সাধারণত মাটি, আবর্জনা ও নোংরা স্থানে পাওয়া যায়। এই ব্যাকটেরিয়ার স্পোর যখন তীক্ষ্ণ পেরেক বা ওই জাতীয় জীবাণুবাহিত বস্তু দ্বারা চামড়া ভেদ করে শরীরের মাংসপেশিতে প্রবেশ করে, তখন সেগুলো বংশবিস্তারের মাধ্যমে একপ্রকার টক্সিন (tetanospasmin) তৈরি করে। এ টক্সিন মানবদেহের মোটর নিউরনে আক্রমণ করে, যা মাংসপেশির সঞ্চালন নিয়ন্ত্রণ করে।

৩. সংক্রমণ বৃদ্ধি পেলে পেশি খিঁচুনি ক্রমশ চোয়ালেও পরিলক্ষিত হয়, ফলে এই রোগের একটি সাধারণ নাম হল দাঁতকপাটি। এই রোগের অন্যান্য লক্ষণগুলি হল পেশির অনমনীয়তা, গিলে খেতে অসুবিধা এবং দেহের অন্যান্য অংশে খিঁচুনি। শরীরের পেছনের মাংসপেশিগুলো সংকুচিত হয় বলে পুরো শরীর ধনুকের মতো বেঁকে যায়। এই কারণে এই রোগকে (ধনুঃ + টঙ্কার) ধনুষ্টংকার বলা হয়।🏹

Clostridium tetani স্পোর:- এই ব্যাকটেরিয়ার স্পোর অনেক বছর পর্যন্ত টিকে থাকতে পারে এবং মাটিতে বা মরচে ধরা লোহার মতো স্থানে নিষ্ক্রিয় অবস্থায় থাকে। কিন্তু শরীরে প্রবেশ করার পর এটি সক্রিয় হয়ে উঠে।

টিটেনাস ইনজেকশন কেন জরুরি?

-টিটেনাস একটি মারাত্মক ও দ্রুতগতির স্নায়বিক সংক্রমণ। তাই প্রাথমিক ধাক্কায় চিহ্ন না পেলেও, শরীরে Clostridium tetani প্রবেশের সম্ভাবনা থাকলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে টিটেনাস টক্সয়েড ইনজেকশন দেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

প্রতিরোধের উপায়:-

১. টিটেনাস টক্সয়েড টিকা (TT) শিশুকালেই ডিপথেরিয়া, পারটাসিস, টিটেনাস (DPT) টিকার মাধ্যমে দেওয়া হয়।

২. প্রতি ১০ বছর অন্তর বুস্টার ডোজ নেওয়া ভালো।

৩. পায়ে পেরেক বা মরচে ধরা বস্তু ফুটলে তাড়াতাড়ি ক্ষত পরিষ্কার করে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।

সমাজের ভুল ধারণা:-
অনেকে মনে করেন, শুধুমাত্র মরচে থেকেই টিটেনাস হয়। কিন্তু বাস্তবে মরচে নিজে টিটেনাস সৃষ্টি করে না; বরং এর মাধ্যমে Clostridium tetani জীবাণুর সংক্রমণের সম্ভাবনা তৈরি হয়।🦠

সংগৃহীত

https://www.facebook.com/share/15gJPz6nNx/
05/05/2025

https://www.facebook.com/share/15gJPz6nNx/

✅ গর্ভাবস্থায় ফলিক এসিড (Folison 5mg ৫ টাকা পাতা) খেতে অবহেলা করছেন? বমি পায় বলে, অলসতার কারনে ফলিক এসিড ট্যাবলেট খেতে অবহেলা করছেন? নিজের অনাগত শিশুকে নিজেই বিপ'দে ফেলতে চলেছেন!!

আর অনেক পরিবার তো গর্ভবতী মা কে ডাক্তারের কাছেই নিয়ে যেতে চান না।পুষ্টিকর খাবারের বদলে পারলে আরও খাবার কমিয়ে দেন।
বিশেষ করে শুরুর দিনগুলোতে, যখন গর্ভের শিশুর মস্তিষ্ক, মাথার হাড় ও মেরুদণ্ড গঠিত হয়। গর্ভাবস্থার প্রাথমিক পর্যায়ে ফলিকঅ্যাসিড গ্রহণ না করলে গর্ভের শিশুর মাথা এবং মেরুদণ্ডের পূর্ণ বিকাশ বাধাপ্রাপ্ত হয়। শিশু জন্মগতভাবে আক্রান্ত হয় 'নিউরাল টিউব ডিফেক্ট' নামক স্নায়বিক রোগে।

✅ প্রতিরোধ:

● যেহেতু এসব রোগের চিকিৎসা ব্যয়বহুল ও জটিল, তাই প্রতিরোধই উত্তম। উন্নত দেশগুলো, এমনকি আফ্রিকা ও আফগানিস্তানের মতো দেশ খাদ্যে ফলিক অ্যাসিড যোগ করে এ রোগের হার ৭০–এ কমিয়ে এনেছে। অন্তঃসত্ত্বা নারীর ফলিক অ্যাসিডযুক্ত খাবার গ্রহণ স্পাইনা বিফিডাসহ অন্যান্য জন্মগত ত্রুটি, যেমন তালুকাটা, ঠোঁটকা'টা,মুগুর পা, হার্টে ছিদ্রও প্রতিরোধ করা সম্ভব।
● গর্ভধারণের আগে থেকেই এবং গর্ভধারনের শুরু থেকে মাকে ফলিক অ্যাসিড সাপ্লিমেন্ট ট্যাবলেট দিতে হবে ও দৈনন্দিন খাবারে ফলিক অ্যাসিড যুক্ত করতে হবে বা ফর্টিফায়েড করতে হবে।
● প্রতিরোধের উপায়টি বেশ সহজ। তেমন খরচ নেই, কিন্তু অভাব সদিচ্ছা ও সচেতনতার। এ বিষয়ে ব্যাপক জনসচেতনতা তৈরি করতে হবে। মস্তিষ্ক ও মেরুদণ্ডের এ জটিল রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধিতে প্রতিবছর ২৫ অক্টোবর বিশ্ব জলমাথা ও স্পাইনা বিফিডা দিবস পালিত হয়

✅ চিকিৎসা:

শিশুর জলমাথা (Hydrocephalus) ও মেরুদণ্ডের রোগের চিকিৎসা বেশ ব্যয়বহুল। জলমাথার একমাত্র চিকিৎসা অস্ত্রোপচার। সান্ট অপারেশন বা ইটিভি, যে অস্ত্রোপচারই করা হোক, জীবনের যেকোনো পর্যায়ে তা অকার্যকর হয়ে পড়তে পারে। শিশুটির জীবনে একাধিকবার অস্ত্রোপচার করা লাগতে পারে। আবার যথাসময়ে চিকিৎসা না করা হলে শিশুটি শারীরিক ও মানসিকভাবে প্রতিবন্ধিতার সম্মুখীন হবে।
স্পাইনা বিফিডা আরও ভয়াবহ জন্মরোগ। চিকিৎসার পরও অনেকে আজীবন হুইলচেয়ারে জীবন কা'টাতে বাধ্য হন।

*কালেক্টেড*
শিশুর স্বাস্থ্য বিষয়ক তথ্য ও পরামর্শ পেতে পেইজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন।

বি দ্রঃ আপাতত ২৪ ঘন্টার কম বয়সী ফলোয়ার কমেন্ট বন্ধ থাকবে। আপনার প্রশ্নের উত্তর বাকি কমেন্টগুলো দেখলে পেয়ে যাবেন।

সন্তানের নাক কতটুকু উঁচু হবে, চোয়াল কতটুকু শার্প ও দৃঢ় হবে তা নির্ভর করে মায়ের খাবারের ওপর।অনাগত সন্তানের চেহারা কেমন হব...
23/04/2025

সন্তানের নাক কতটুকু উঁচু হবে, চোয়াল কতটুকু শার্প ও দৃঢ় হবে তা নির্ভর করে মায়ের খাবারের ওপর।

অনাগত সন্তানের চেহারা কেমন হবে তা পুরোপুরি জেনেটিক। এ দায়িত্ব ডিএনএর। কিন্তু সঠিক পুষ্টির অভাবে কিছু জেনেটিক প্রক্রিয়া ভালোভাবে কাজ করতে পারে না। যার প্রভাব পড়ে সন্তানের চেহারার ওপরও।

যেমন ধরুন, গর্ভবতী মায়ের খাবারে প্রচুর প্রোটিন থাকলে তা সন্তানের চেহারা গঠনের জৈবিক প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে। এতে মাথার আকৃতি ঠিক থাকে, নাকের হাড় উঁচু হয়, চোয়াল দৃঢ় ও স্পষ্ট হয়। তাই গর্ভবতী মায়ের খাদ্য তালিকায় প্রোটিন বা আমিষ জাতীয় খাবার বেশি রাখতে হয়।

সম্প্রতি 'নেচার কমিউনিকেশন' জার্নালে এই গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে। তথ্য: বিজ্ঞানপ্রিয়।

কপি

Scabies বর্তমান সময়ে চর্ম রোগের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ একটা রোগ😢*Scabies (বাংলায় খোশ পাচড়া/ খাজলি গোটা) বর্তমানে বাংলাদেশে...
13/04/2025

Scabies বর্তমান সময়ে চর্ম রোগের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ একটা রোগ😢

*Scabies (বাংলায় খোশ পাচড়া/ খাজলি গোটা) বর্তমানে বাংলাদেশে একটি ভয়াবহ সংক্রামক ব্যাধি হিসেবে ছড়িয়ে পড়েছে।

🔹 এটি Sarcoptes scabiei নামক ক্ষুদ্র পরজীবি দ্বারা সৃষ্ট, যা শরীরের তীব্র চুলকানি, জ্বালাপোড়া, অস্বস্তি, এবং রাতে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়।
🔹 চুলকানোর জায়গায় অনেক সময় পুজ জমে চামড়ার ভয়ংকর অবস্থা ধারণ করে।
🔹 রোগটি খুব দ্রুত একজন থেকে আরেকজনের শরীরে ছড়িয়ে পড়ে, এমনকি আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত জিনিসপত্র থেকেও সংক্রমিত হয়।
🔹 এই রোগটা সবচেয়ে বেশি হয় স্কুল যাওয়া বাচ্চাদের এবং যারা হোস্টেলে থাকে।

Scabies-এর ভয়াবহতা....

★অনেক পরিবার এই রোগের চিকিৎসা পদ্ধতি সঠিকভাবে অনুসরণ করতে পারে না।
★পরিবারের যদি কোন সদস্যের এই সমস্যা থেকে থাকে, তার মাধ্যমে বাকি সদস্যরা আক্রান্ত হয়
★তাই চিকিৎসা সুস্থ অসুস্থসহ পরিবারের সব সদস্যদের করতে হয়
★যদিও চিকিৎসার খরচ কম, তবে পদ্ধতিটি অনেকের জন্য জটিল।

★আপনার করণীয়:
✅ ব্যক্তিগত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন।
✅ আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত পোশাক, বিছানার চাদর ইত্যাদি আলাদা রাখুন।
✅ চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিন।
✅ আশেপাশের মানুষদের সচেতন করুন।
✅ শুধুমাত্র Lorix/ Unix ক্রীম ব্যবহার করলে হয় না। স্কিনের অবস্থা বুঝে আরও ওষুধ প্রয়োজন হয়।

কপি পোস্ট

Address

Dhaka
7730

Telephone

+8801738156504

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr.Tahasin Ahammad posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr.Tahasin Ahammad:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category