RuqyahTreatment.

RuqyahTreatment. জ্বিন যাদু, কালো যাদু, বদনজর সহ শারীরিক ও মানসিক সমস্যার জন্য কোরআন-সুন্নাহ মোতাবেক রুকইয়াহ ও হিজামা চিকিৎসা করা হয়।

শরীয়াহ্ ভিত্তিক রুকইয়া চিকিৎসা ও পরামর্শ প্রদান করা হয় ।

অভিশাপ বিফলে যায় না। এজন্য আমাদের যে সমস্ত রুক‌ইয়াহ পেশেন্ট দীর্ঘদিন ধরে জাদুকর অথবা জালিম জ্বিন পেছনে লেগে থাকার কারণে...
29/12/2025

অভিশাপ বিফলে যায় না। এজন্য আমাদের যে সমস্ত রুক‌ইয়াহ পেশেন্ট দীর্ঘদিন ধরে জাদুকর অথবা জালিম জ্বিন পেছনে লেগে থাকার কারণে সুস্থ হতে পারে না, তাদেরকে অভিশাপ দিতে বলি।

জালিমরা চায় আসমান থেকে গজব নেমে আসুক। এরা মজলুমের অভিশাপকে এতটুকু ভয় পায় না। গজব স্বচক্ষে না দেখা পর্যন্ত এদের বিশ্বাস হয়না। গজব দেখলে এদের কেউ কেউ তাওবা করতে চায় , তখন কিন্তু সুযোগ পায় না অথবা লাভ হয় না। কত জালেমের অহমিকা ধুলোয় মিশে যাওয়ার ধ্বংসাবশেষ এখনো পৃথিবীতে বিদ্যমান। নেটে সার্চ করলেই সেগুলো দেখা যায়।

قُلْ سِيرُوا فِي الْأَرْضِ فَانْظُرُوا كَيْفَ كَانَ عَاقِبَةُ الْمُجْرِمِينَ

অর্থঃ বলুন, পৃথিবী পরিভ্রমণ কর এবং দেখ অপরাধীদের পরিণতি কি হয়েছে।

¤ সূরা নমল, আয়াতঃ ৬৯।

Raqi Kamrul Haider
Raqi Kamrul Haider

01677-440419
➖➖➖➖➖

28/12/2025

আল্লাহর কসম, ৩ টি কাজ যে করবে তাকে কোন জ্বিন জাদু আক্রান্ত করতে পারবেনা,

১) সর্বদা অজু অবস্থায় থাকা,
২) নিজের কাছে মিসওয়াক রাখা,
৩) বিসমিল্লাহিল্লাজি লা ইয়া দুররু.... এই দুয়া সর্বদা সকাল সন্ধ্যা আমল করা।

🔹 মাওলানা মানযুর মেংগল হাফিযাহুল্লাহ।

যাদুর ক্ষতিকর প্রভাব ও এর বিভিন্ন প্রকারযাদু এমন একটি মারাত্মক বিষয়, যা মানুষের শারীরিক, মানসিক ও আত্মিক জীবনে ভয়াবহ প্র...
27/12/2025

যাদুর ক্ষতিকর প্রভাব ও এর বিভিন্ন প্রকার
যাদু এমন একটি মারাত্মক বিষয়, যা মানুষের শারীরিক, মানসিক ও আত্মিক জীবনে ভয়াবহ প্রভাব ফেলতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে যাদুর প্রভাবে রোগী দীর্ঘমেয়াদি অসুস্থতায় ভোগে এবং কখনো কখনো তা মৃত্যুর দিকেও ধাবিত করতে পারে। অতিমাত্রায় যাদুর প্রভাব মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে সম্পূর্ণভাবে বিপর্যস্ত করে দেয়।

যাদুর বিভিন্ন প্রকার রয়েছে, যেগুলো সম্পর্কে সচেতন থাকা অত্যন্ত জরুরি। নিচে সংক্ষেপে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি যাদুর ধরন তুলে ধরা হলো—

১. কালো জাদু
কালো জাদুর মূল উদ্দেশ্য হলো অন্যের ক্ষতি করা। এর মাধ্যমে মারাত্মক রোগ সৃষ্টি করা, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ বা ডিভোর্স ঘটানোসহ নানা ধরনের অশুভ প্রভাব সৃষ্টি করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে মানুষ বুঝতে পারে না যে এসব ঘটনার পেছনে যাদু কাজ করছে, আবার কেউ কেউ বিষয়টি উপলব্ধি করতে সক্ষম হয়।

২. খাওয়ানোর যাদু
এটি সবচেয়ে বিপজ্জনক যাদুগুলোর একটি। পানীয় বা খাবারের মাধ্যমে যাদু রোগীর শরীরে প্রবেশ করে এবং ধীরে ধীরে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। এর ফলে স্নায়বিক নিয়ন্ত্রণ ব্যাহত হয় এবং জ্বিন-যাদুর প্রভাব বৃদ্ধি পায়। এ ধরনের রোগী সুস্থ হতে সাধারণত দীর্ঘ সময় প্রয়োজন হয়।

৩. সাদা জাদু
সাদা জাদুর উদ্দেশ্য সাধারণত দুই ব্যক্তির মধ্যে কৃত্রিমভাবে প্রেম বা আকর্ষণ সৃষ্টি করা। যাদুকর মনে করে সে ভালো কিছু করছে, কিন্তু বাস্তবে এটি শরিয়ত ও মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে ক্ষতিকর। প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতায় ফেরাউন বংশধরদের মধ্যে এ ধরনের চর্চা ছিল। দুঃখজনকভাবে বর্তমান ডিজিটাল যুগে এর প্রভাব জাহেলিয়াতের যুগের তুলনায় আরও বিস্তৃত হয়েছে।

৪. মস্তিষ্ক বা জুনুনের যাদু
এই যাদু সরাসরি রোগীর মাথা বা মস্তিষ্কে প্রভাব ফেলে। এর ফলে রোগী অকারণে গভীর চিন্তায় মগ্ন থাকে, ভালো কাজে মনোযোগ দিতে পারে না, পড়াশোনায় অমনোযোগী হয় এবং অনেক সময় অশ্লীল চিন্তা বা অতিরিক্ত যৌন উত্তেজনায় আক্রান্ত হয়। মোবাইল বা অনর্থক কাজে আসক্তি বেড়ে যায়।

৫. পানির যাদু
এই যাদু নদী, সাগর বা পানিতে নিক্ষেপ করা হয়, যাতে তা সহজে খুঁজে না পাওয়া যায়। যাদু খুঁজে নষ্ট করা না গেলে রোগী দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকে। তবে অভিজ্ঞ ও আল্লাহভীরু রাকির মাধ্যমে চিকিৎসা করালে আল্লাহর ইচ্ছায় এ যাদু নষ্ট করা সম্ভব।

৬. আগুনের যাদু
এই যাদু আগুনে নিক্ষেপ করা হয় অথবা চুলার ভেতরে পুঁতে রাখা হয়। এর প্রভাবে রোগীর শরীরে তীব্র জ্বালাপোড়া অনুভূতি সৃষ্টি হয় এবং মনে হয় যেন শরীর জ্বলছে।

৭. বায়ু-সংক্রান্ত যাদু
এ ধরনের যাদু বাতাসের সঙ্গে সম্পৃক্ত। বাতাসের প্রবাহের মাধ্যমে একদল শক্তিশালী জ্বিন (যেমন ইফরীত ও মারিদ) দ্রুত গতিতে রোগীর ওপর প্রভাব বিস্তার করে।

৮. মাটি বা কবরস্থানের যাদু
এই যাদু মাটির নিচে বা কবরস্থানে পুঁতে রাখা হয়। এর প্রভাবে রোগী ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ে এবং কখনো কখনো মৃত্যুর কাছাকাছি পৌঁছে যায়।

৯. পারফিউম বা উপহারের মাধ্যমে যাদু
অনেক সময় পারফিউম বা উপহারের সঙ্গে যাদু করা হয়। এর ফলে রোগী সবসময় দুর্গন্ধ, পচা বা অস্বস্তিকর গন্ধ অনুভব করে। এটি অত্যন্ত ভয়াবহ প্রভাব ফেলতে পারে।

১০. বান মা-রা বা হ-ত্যার যাদু
এই যাদু নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে (২৪ ঘণ্টা থেকে শুরু করে দীর্ঘমেয়াদি) রোগীর জীবননাশের উদ্দেশ্যে করা হয়। এর লক্ষণ হিসেবে রোগীর মধ্যে তীব্র উদ্বেগ, বিষণ্নতা ও নিয়ন্ত্রণহীন আচরণ দেখা যায়। ফলে মৃ-ত্যুর ঝুঁকি বেড়ে যায়। এ ধরনের যাদু সাধারণত নদীর স্রোত, উজান বা বিশেষ সময়—বিশেষ করে অমাবস্যার রাতে—করা হয়।

কোরআন ও সুন্নাহভিত্তিক সরাসরি রুকইয়াহ চিকিৎসার জন্য যোগাযোগ করুন—

WhatsApp: +8801981-681952

Raqi Abrar Hosen

26/12/2025

রুকইয়াহ ও রাক্বী চেনার ক্ষেত্রে সাবধান ও সতর্ক হন। বর্তমানে অধিকাংশ ভন্ড কবিরাজ ও তাবিজ ব্যবসায়ী নিজেকে রাক্বী বলে পরিচয় দিচ্ছে।

24/12/2025

যে ব্যক্তি কোরআনের মাধ্যমে আরোগ্য তালাশ করে না, তার কোন শেফা নেই।

¤ তাফসীরে কুরতুবী, খন্ড-১০,পৃষ্ঠা ২৩৫।

ইউরিন ইনফেকশন অথবা প্রস্রাব আটকে বা বন্ধ হয়ে গেলে কিভাবে রুক‌ইয়াহ করবেন❓যাদের ইউরিনে ইনফেকশন আছে অথবা প্রস্রাব হয়না ব...
24/12/2025

ইউরিন ইনফেকশন অথবা প্রস্রাব আটকে বা বন্ধ হয়ে গেলে কিভাবে রুক‌ইয়াহ করবেন❓

যাদের ইউরিনে ইনফেকশন আছে অথবা প্রস্রাব হয়না বা প্রস্রাব আটকে/বন্ধ হয়ে যায় তারা উক্ত সমস্যা থেকে সুস্থতার নিয়তে পবিত্র কুরআনুল কারিম এর সূরা বাকারার ৬০ নং আয়াতটি ৭০ বার বা আরো বেশি বার পড়ে অধিক পরিমাণ পানিতে ফু দিয়ে দৈনিক ৪/৫ বার অথবা সারাদিন পান করবেন। এভাবে ৩/৫/৭ দিন বা সুস্থ হওয়ার আগ পর্যন্ত নিয়মিত চালিয়ে যাবেন।

সম্ভব হলে বেশি পরিমাণে পানি বড় পাত্রে একবারে'ই কয়েক দিনের জন্য তৈরি করে রাখতে পারেন কিংবা প্রতিদিনের পানি প্রতিদিন তৈরি করতে পারেন।

Raqi Kamrul Haider
Raqi Kamrul Haider

01677-440419
➖➖➖➖➖

রাতে ঘুমানোর পূর্বে অন্তত পক্ষে নিচের আমলগুলো করবেন ইনশাআল্লাহ।▪ প্রথমে'ই ওযু করে নিবেন।▪ বিছানা ঝেড়ে পরিষ্কার করে নিবেন...
23/12/2025

রাতে ঘুমানোর পূর্বে অন্তত পক্ষে নিচের আমলগুলো করবেন ইনশাআল্লাহ।
▪ প্রথমে'ই ওযু করে নিবেন।
▪ বিছানা ঝেড়ে পরিষ্কার করে নিবেন।
▪ কয়েকবার দুরুদ পড়ে নিবেন, সম্ভব হলে দুরুদে ইব্রাহিম পড়বেন।
▪ সূরা ফাতিহা।
▪ সূরা বাকারার শেষ তিন আয়াত (২৮৪ থেকে ২৮৬ নং আয়াত)।
▪ আয়াতুল কুরসী।
▪ সূরা কাফিরুন।
▪ তিন কুল (সূরা ইখলাস,সূরা ফালাক,সূরা নাস) তিনবার করে পড়ে হাতের তালুতে ফু দিয়ে সম্পূর্ণ শরীর মাসেহ্ করে নিবেন।
▪তিনবার ইস্তেগফার পাঠ করুন।
▪আবার কয়েকবার দুরূদ পড়ে নিবেন।

সবগুলো পাঠ করে ডান কাত হয়ে ঘুমানোর আগে,

اللهم باسمك أموت وأحيا

উচ্চারণঃ "আল্লাহুম্মা বিসমিকা আ'মুতু ওয়াহিয়া"

দোয়াটি পড়ে ঘুমিয়ে যাবেন।

Raqi Kamrul Haider
Raqi Kamrul Haider

01677-440419
➖➖➖➖➖

21/12/2025

বদনজর, হিংসা, জ্বিন ও যাদু সহ সমস্ত প্রকার অনিষ্ট থেকে বেচেঁ থাকতে সকাল ও সন্ধ্যার নিরাপত্তার মাসনুন আমলগুলো করার উত্তম সময় হচ্ছে ফজরের শুরু হ‌ওয়ার পর থেকে সূর্য ওঠার আগে এবং আছরের পর থেকে সূর্য ডোবার আগে।

অবশ্য কারো এই সময়ের মধ্যে পড়া সম্ভব না হলে, ফজরের পরে এবং মাগরিবের পরেও পড়া যাবে এবং এতেও নিঃসন্দেহে পরিপূর্ণ উপকারিতা পাওয়া যাবে ইনশাআল্লাহ্।

জ্বিন, যাদু, বদনজর ও হিংসা থেকে বাঁচতে নিরাপত্তা/হেফাজতের মাসনূন আমলের কোন বিকল্প নেই। অতএব, প্রত্যেক মুসলমানের‌'ই উচিত নিয়মিত স্থায়ীভাবে নিরাপত্তা বা হেফাজতের জন্য মাসনুন আমলগুলো করা। মাত্র কয়েক মিনিটের ব্যাপার। গুরুত্ব অনুধাবন করে মন থেকে চাইলেই ইনশাআল্লাহ পড়া সম্ভব এবং জ্বিন ও যাদুর মত মারাত্মক বিপদ থেকে বাঁচা সম্ভব।

✔ সকাল সন্ধ্যা ও রাতে ঘুমানোর আগের নিরাপত্তা ও হেফাজতের জন্য মাসনুন আমলগুলো কমেন্টে পেয়ে যাবেন ইনশাআল্লাহ।

Raqi Kamrul Haider
Raqi Kamrul Haider

01677-440419
➖➖➖➖➖

বিয়ে বন্ধের যাদু'র সেল্ফ রুকইয়াহ'র সাজেসন।প্রথমেই একটি পাত্রে বেশি করে পানি নিন, তারপর,১) দুরুদে ইব্রাহিম ৩/৫/৭ বার,২) স...
19/12/2025

বিয়ে বন্ধের যাদু'র সেল্ফ রুকইয়াহ'র সাজেসন।

প্রথমেই একটি পাত্রে বেশি করে পানি নিন, তারপর,

১) দুরুদে ইব্রাহিম ৩/৫/৭ বার,
২) সূরা ফাতিহা ৩/৫/৭ বার,
৩) সুরা বাকারা এর ১০২ নং আয়াত ৩/৫/৭ বার,
৪) সুরা বাকারা এর ২৫৫,২৫৬,২৫৭ নং আয়াত ৩/৫/৭ বার,
৫) সূরা আ'রাফ এর ১১২ থেকে ১২২ নং আয়াত ৩/৫/৭ বার,
৬) সুরা ইউনুস এর ৭৯ থেকে ৮২ নং আয়াত ৩/৫/৭ বার,
৭) সুরা কাহাফ এর ১ থেকে ১১ নং আয়াত এবং ১০১ থেকে ১১০ নং আয়াত ৩/৫/৭ বার,
৮) সুরা ত্বহা এর ৬৫ থেকে ৭০ নং আয়াত ৩/৫/৭ বার,
৯) সুরা ইখলাস ৩/৫/৭ বার,
১০) সুরা ফালাক ৩/৫/৭ বার,
১১) সুরা নাস ৩/৫/৭ বার,
১২) দুরুদে ইব্রাহিম ৩/৫/৭ বার,

উপরে দুরুদ সহ সবগুলো আয়াত ৩/৫/৭ বার করে পড়ে পানিতে ফু দিন।

১. এই পানি প্রতিদিন সকাল, সন্ধ্যা ও রাতে ঘুমানোর আগে আধা গ্লাস করে সমস্ত প্রকার যাদু নষ্টের নিয়তে পান করবেন।
২. প্রতিদিন গোসলের পানিতে মিশিয়ে যাদু নষ্টের নিয়াতে গোসল করবেন।
৩. যাদু নষ্টের নিয়াতে প্রতিদিন অন্তত দুই ঘন্টা রুকইয়াহ শুনতে হবে। আয়াতুল কুরসি ১ ঘন্টা এবং সূরা ইখলাস, ফালাক ও নাস ১ ঘন্টা।
৪. ৫ ওয়াক্ত সালাত যত্ন সহকারে আদায় করতে হবে এবং ফরজ ও ওয়াজিব ইবাদতে কোনো প্রকার ত্রুটি করা যাবে না।
৫. মুভি/মিউজিক সহ সব ধরণের হারাম বিষয় থেকে দূরে থাকতে হবে। মেয়েদের অবশ্যই শরিয়তের বিধান অনুযায়ী পর্দা করতে হবে। পর্দা করা ফরজ।
৬. জ্বিন শয়তান, যাদু, নজর, হাসাদ থেকে বাঁচতে সকাল-সন্ধ্যার ও রাতে ঘুমানোর আগে নিরাপত্তার মাসনুন আমলগুলো অবশ্যই নিয়মিত স্থায়ীভাবে গুরুত্ব সহকারে আদায় করতে হবে।
৭. যথাসম্ভব সার্বক্ষণিক ইস্তেগফার করা। উঠতে বসতে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে থাকা।
৮. সুরা ফুরকানের ৭৪ নং আয়াতটি পড়তে পারেন। প্রতি ফরজ নামাজের পর তো বটেই, সুযোগ পেলেই দোয়াটি গভীর আবেগ নিয়ে পড়বেন।

رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا

৯. সুরা কাসাসের ২৪ নং আয়াতে বর্ণিত দোয়াটাও বেশি বেশি পড়বেন,

رَبِّ إِنِّي لِمَا أَنْزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيرٌ

এই দোয়ায় বিয়ে, বাচ্চা, চাকুরি, ঘরবাড়ি সবকিছুর ব্যবস্থা হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ্।
১০. বেশি বেশি দোয়া করা। বিশেষ করে দুয়া কবুল হওয়ার সময়গুলো যেনো দোয়াবিহীন না যায়।
১১. আমল-দোয়ার পাশাপাশি হালাল পন্থায় পাত্র/পাত্রীর খোঁজ করাও জরুরী।
১২. নিয়মিত সাদাকা করা।
১৩. অন্য মুসলিম ভাই-বোনদের বিয়ের জন্য দোয়া করা।
১৪. মা-বাবার সাথে ভালো সম্পর্ক রাখাও জরুরি।
১৫. আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা রাখা।
১৬. বিয়ের জন্য ঘরে তাবিজ কবজ ঝুলানো থাকলে সেগুলো অবশ্যই রুকইয়াহ করে নষ্ট করবেন।
১৭. দ্রুত বিয়ের জন্য তান্ত্রিক, ওঝা, কুফুরী, কবিরাজ ও জ্বিনদের সাহায্য গ্রহন করা থেকে সম্পূর্ণ রূপে বিরত থাকতে হবে। এগুলো স্পষ্ট শির্ক ও কুফুরী।
১৮. বিয়ে বন্ধের ব্যাপার যদি যাদু কিংবা জ্বিন সংক্রান্ত কোন সমস্যা থাকে তাহলে একজন রাক্বীর তত্ত্বাবধানে ও পরামর্শে সরাসরি রুকইয়াহ করাবেন এবং রাক্বীর পরামর্শ অনুযায়ী রুকইয়াহ ও হিজামা চিকিৎসা গ্রহণ করবেন।

উপরে উল্লিখিত আমলগুলো ৩০ থেকে ৪৫ দিন করবেন। রুকইয়াহ'র পানি শেষ হয়ে গেলে আবার নতুন করে পানি নিয়ে সেই পানিতে উল্লিখিত আয়াতগুলো পড়ে ফু দিলেই হবে ইনশাআল্লাহ্।

Raqi Kamrul Haider
Raqi Kamrul Haider

01677-440419
➖➖➖➖➖➖

19/12/2025

মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'য়ালা হিংসুকের অনিষ্ট থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করতে বলেছেন।

وَمِنْ شَرِّ حَاسِدٍ اِذَا حَسَدَ

"এবং হিংসুকের অনিষ্ট হতে, যখন সে হিংসা করে।’'

¤ সূরা ফালাক, আয়াত: ৫

রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেছেন,

‘'তোমরা তোমাদের প্রয়োজন পূরণে সফলতা অর্জনের জন্য তা গোপন রেখে আল্লাহর নিকট সাহায্য প্রার্থনা করো। কারণ , প্রত্যেক নিয়ামতপ্রাপ্ত হিংসায়িত হয়।"

¤ তাবারানী, সিলসিলাহ সহীহাহ-১৪৫৩।

বেতন জিজ্ঞাসা করলে অনেকে তা বলতে চান না হিংসার ভয়ে।

বউ সুন্দরী হলে অথবা না হলে অনেকে'ই বলতে চান না কারণ হিংসার আশঙ্কা থাকে।

যেকোনো ধরনের আয়-উন্নতি হলে অনেকে'ই গোপন রাখেন হিংসার ভয়ে।

আসলেই তাঁরা ঠিক'ই করেন।

হিংসার আগুন কখনো নিভেনা।

ইমাম আবু হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন,"হাসাদ (হিংসা) করা হলো নীচু ব্যক্তিদের চরিত্র। আর হাসাদ (হিংসা) পরিত্যাগ করা সম্মানিত ব্যক্তিদের কাজ। প্রত্যেক জলন্ত আগুনের জন্য নিভানোর উপায় রয়েছে, কিন্তু হিংসার আগুন কখনো নেভেনা।"

¤ রওজাতুল উক্বালা,পৃষ্ঠাঃ ১৩৪।

Raqi Kamrul Haider
Raqi Kamrul Haider
➖➖➖➖➖➖➖

13/12/2025

‘আল্লাহ তা'য়ালা এমন কোনো রোগ সৃষ্টি করেননি, যার কোনো ঔষুধ তিনি সৃষ্টি করেননি।’

¤ বুখারি-৫২৭০।

11/12/2025

গান-বাজনা/মিউজিক এর প্রতি অতিরিক্ত আসক্তি জ্বিনে আক্রান্তের অন্যতম বিশেষ লক্ষণ।

Address

নামাপাড়া, খিলক্ষেত।
Dhaka
1229

Opening Hours

Monday 09:00 - 22:00
Tuesday 09:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 22:00
Thursday 09:00 - 22:00
Friday 08:00 - 23:00
Saturday 09:00 - 22:00
Sunday 09:00 - 22:00

Telephone

+8801688309115

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when RuqyahTreatment. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to RuqyahTreatment.:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram