RuqyahTreatment.

RuqyahTreatment. জ্বিন যাদু, কালো যাদু, বদনজর সহ শারীরিক ও মানসিক সমস্যার জন্য কোরআন-সুন্নাহ মোতাবেক রুকইয়াহ ও হিজামা চিকিৎসা করা হয়।

শরীয়াহ্ ভিত্তিক রুকইয়া চিকিৎসা ও পরামর্শ প্রদান করা হয় ।

শায়াত্বিন জ্বিন কি গর্ভপাত ঘটাতে পারে❓উত্তর হবে হ্যাঁ শায়াত্বিন জ্বিন একজন নারীর গর্ভপাত ঘটাতে পারে। এটি যাদুর একটি ধর...
12/04/2026

শায়াত্বিন জ্বিন কি গর্ভপাত ঘটাতে পারে❓

উত্তর হবে হ্যাঁ শায়াত্বিন জ্বিন একজন নারীর গর্ভপাত ঘটাতে পারে। এটি যাদুর একটি ধরন। এই যাদু সাধারণত স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটানোর উদ্দেশ্যে করা হয়। সেহেরুল আ'কম বা বন্ধ্যাত্বের যাদুর প্রাথমিক পর্যায়েও এমনটা হয়ে থাকে। শায়াত্বিন জ্বিন মহিলাদের পেটের নিচের অংশে বাসা বাঁধে। ভ্রূণ যখন শিশুতে পরিণত হওয়ার পর্যায়ে পৌঁছে যায়, ঠিক তখন'ই সাধারণত গর্ভপাত ঘটে প্রায় ৩ মাস (কম-বেশি) সময়ে।

জ্বিন যাদুর লক্ষণ ছাড়াও অতিরিক্ত যে লক্ষণগুলো দেখা দিতে পারেঃ

১) বারবার রক্তপাত হওয়া।
২) সপ্নে বার বার কিছু খেতে দেখা, বিশেষ করে আম, লিচু, কাঁঠাল, গোস্ত, কলিজা ইত্যাদি এবং মেডিসিন টাইপ কিছু খাওয়া বা শুধু দেখা।
৩) মৃত ব্যক্তিকে সপ্নে আপনার ব্যবহার্য কোনো জিনিসপত্র চাইতে দেখা।
৪) বাস্তবে নিজের ব্যক্তিগত ব্যবহার্য কাপড় কাটা/ছিড়া বা সুতা উঠানো দেখতে পাওয়া। এটা প্রায়শ নতুন কাপড়ের ক্ষেত্রে হতে পারে।
৪) অতিরিক্ত পর্যায়ে ওয়াশ ওয়াসা বেড়ে যেতে পারে।

এমনটা হয়ে থাকে সাধারণত শায়াত্বিন জ্বিন যখন গর্ভাশয় বা জরায়ু বা গর্ভধারণ সম্পৃক্ত নার্ভ বা রক্তনালীর উপর চাপ সৃষ্টি করে রক্তপাত ঘটানোর ফলে। কিছু কিছু মারাত্মক ক্ষেত্রে শ্বায়াত্বিন জ্বিন জরায়ুর আস্তরণে বা আশেপাশে ফাইব্রয়েড সৃষ্টি করতে পারে। আল্লাহুল আলাম।

উল্লিখিত সমস্যায় আক্রান্ত নারীদের উচিত মেডিকেল চিকিৎসার পাশাপাশি একজন অভিজ্ঞ শরীঈ রাক্বীর পরামর্শে ও তত্ত্বাবধানে থেকে সরাসরি রুকইয়াহ ও হিজামা চিকিৎসা গ্রহণ করা। ইনশাআল্লাহ সুস্থতা পাবেন।

Raqi Kamrul Haider
Raqi Kamrul Haider

01677-440419
➖➖➖➖➖➖

11/04/2026

আপনার যদি বাচ্চা কনসিভ না হয় কিংবা কন্সিভ করলেও একাধিকবার মিসক্যারেজ হয়ে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটে এবং পাশাপাশি হাসবেন্ড ও ওয়াইফ এর মধ্যে ছোটখাট বিষয় নিয়ে প্রায়'ই ঝগড়াঝাটি লেগে'ই থাকে, তাহলে আপনার উচিত বিষয়টিকে অবশ্যই বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়ে রুকইয়াহ কেইস হিসেবে রুকইয়াহ ডায়াগনসিস করে দেখা উক্ত সমস্যাগুলোর সাথে জ্বিন, যাদু, নজর, হাসাদ এর কোন প্রকার সম্পৃক্ততা রয়েছে কিনা।

Raqi Kamrul Haider
Raqi Kamrul Haider

01677-440419
➖➖➖➖➖➖

08/04/2026

মানব দেহে বেশীর ভাগ ক্যান্সারের জন্ম হয় শরীরে দীর্ঘদিন জ্বিন ও যাদু অবস্থান করার কারণে।
রুকইয়া করুন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন।

পেটের যাদু নষ্টের রুকইয়াহ।১) খাবার পানি দেড় থেকে দুই লিটার,২) কালোজিরা দুই চা চামচ, ৩) মধু টেবিল চামচ,৪) ভিনেগার তিন চ...
07/04/2026

পেটের যাদু নষ্টের রুকইয়াহ।

১) খাবার পানি দেড় থেকে দুই লিটার,
২) কালোজিরা দুই চা চামচ,
৩) মধু টেবিল চামচ,
৪) ভিনেগার তিন চা চামচ,
৫) অলিভ অয়েল দুই টেবিল চামচ,
৬) লবণ দুই বা তিন চা চামচ ,
৭) ১৪/২১ টা বড়ই পাতা পেষ্ট,
৮) গোলাপজল (যেটা খাওয়া যায়)।

সবগুলো সামনে রেখে নিচের আয়াতগুলো সাতবার করে পড়ে সবগুলো উপকরণ এ তিনটি ফুঁ দিবেন। তারপর সবগুলো একসাথে মিক্স করে সকালে খালি পেটে 'পেটে থাকা সকল প্রকার যাদু ধ্বংসের' নিয়াতে খেয়ে নিবেন এক বসাতে পাঁচ থেকে সাত মিনিটের মধ্যে।

১) দুরূদ শরীফ,
২) সূরা ফাতিহা,
৩) সুরা বাকারা ১০২ নং আয়াত,
৪) আয়াতুল কুরসি,
৫) সূরা আরাফ ১১২ থেকে ১২২ নং আয়াত,
৬) সূরা ইউনুস ৮০ থেকে ৮২ নং আয়াত,
৭) সুরা ত্বোহা ৬৫ থেকে ৭০ নং আয়াত,
৮) সূরা সফফাত এর প্রথম দশ আয়াত,
৯) সূরা কলম ৫১ ও ৫২ নং আয়াত
১০) সূরা জ্বিন এর প্রথম নয় আয়াত,
১১) সূরা ইখলাস,
১২) সূরা ফালাক,
১৩) সূরা নাস
১৪) দুরুদ শরীফ।

এরপর যদি বমি আসে বমি করার চেষ্টা করবেন। বমি আটকিয়ে রাখবেন না। যদি বমি বমি ভাব হয় কিন্তু বমি হতে না চায় তাহলে মুখে আঙ্গুল ঢুকিয়ে বমি করার চেষ্টা করবেন। কষ্ট হলে আঙ্গুল ঢুকিয়ে বমি করার চেষ্টা করার প্রয়োজন নেই। এভাবে ৫ থেকে ৭ দিন করবেন একাধারে।

২) তিন দিন নিচের দেওয়া নিয়ম অনুযায়ী সোনাপাতা খাবেনঃ

¤ সোনাপাতা খাওয়ার নিয়মঃ

প্রতিদিন চা চামচে এক চামচ সোনাপাতার গুড়া রাতে এক গ্লাস গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। সকালে আবার গরম করে যাদুর আয়াতগুলো ৩/৫/৭ বার করে পড়ে ফুঁ দিয়ে ছেঁকে পান করতে হবে। প্রথমে টানা তিনদিন খাবেন যদি বেশি সমস্যা না হয়, যেন পেট থেকে যাদুর বিষাক্ত জিনিসগুলো বের হয়ে যায়। যদি সমস্যা হয় তাহলে একদিন বা দুই দিন পর পর খাবেন। তারপর থেকে সপ্তাহে দুই বার খাবে। এভাবে এক থেকে দুই মাস খেতে পারেন।

¤ যাদুর আয়াতগুলোঃ

১. সূরা ফাতিহা ,
২. সূরা বাকারা ১০২ নং আয়াত,
৩. আয়াতুল কুরসি,
৪. সূরা আরাফ ১১৭-১২২ নং আয়াত,
৫. সূরা ইউনুস ৮০ থেকে ৮২ নং আয়াত,
৬. সূরা ফুরকান ২৩ নং আয়াত,
৭. সূরা ত্বহা ৬৫ থেকে ৭০ নং আয়াত,
৮. সূরা ইখলাস,
৯. সূরা ফালাক,
১০. সূরা নাস।

এইগুলো পড়ার প্রথমে ও শেষে দুরুদ শরীফ পড়ে নিবেন যতবার করে আয়াতগুলো পড়বেন।

খাবার ৪-৫ ঘণ্টার মধ্যে ওয়াশরুমের আশেপাশে থাকতে হবে। যে দিন সফর থাকবে সেদিন না খাওয়াই ভালো হবে।

এই পাতা কোষ্ট-কাঠিন্য দূর করতে চমৎকার কাজ করে। শরীরের ওজন কামায় ও উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।সোনাপাতায় বিদ্যমান এনথ্রানয়েড রেচক হিসেবে কাজ করে এবং হজম প্রক্রিয়াকে প্রক্রিয়াকে সক্রিয় করে। এতে কোলনের সঞ্চালন উদ্দীপিত হয়। ফলে খুব অল্প সময়ে এবং খুব সহজেই মল দেহ থেকে বাইরে নিষ্কাষিত হয়।

♦️ বিরুদ্ধ ব্যবহার ও সতর্কতাঃ
অন্ত্রের কোন রোগ থাকলে, যেমন-অন্ত্রের প্রদাহ, আলসার, এপেনডিসাইটিস, পিত্তথলির জটিলতা ইত্যাদি এসব ক্ষেত্রে সোনাপাতা ব্যবহার করা যাবে না। এছাড়া গর্ভবতী বা স্তন্যদানকারী মায়েদের ক্ষেত্রে এবং ৫ বছরের নিচের বাচ্চাদের এই হার্বস ব্যবহার করা উচিত নয়।

🛑 পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া ও সতর্কতাঃ

দীর্ঘদিন ধরে সোনাপাতা ব্যবহার করলে শরীরে পটাশিয়াম লেভেল কমে যায়। নিম্নলিকিত লক্ষণ গুলো দেখা দিতে পারে,

পেটে ব্যথা,
কোষ্ট-কাঠিন্য,
লো ব্লাড প্রেশার,
মাংস পেশীর দূর্বলতা,
বমি বমি ভাব,
বমি হওয়া,
দৃষ্টি ভ্রম,
শ্বাস-প্রশ্বাসে ব্যাঘাত ঘটে,
হৃদস্পন্দনে পরিবর্তন দেখা দেয়।
গর্ভবতী বা স্তন্যদানকারী মায়েদের ক্ষেত্রে সোনাপাতা ব্যবহার করা যাবেই না।
৫ বছরের নিচের বাচ্চদের এই হার্বল ব্যবহার করা উচিত নয়।

দৈনিক নিরাপত্তার মাসনুন আমলগুলো স্থায়ীভাবে চালিয়ে যাবেনঃ

https://m.facebook.com/groups/299568578010915/permalink/739601060674329/?mibextid=Nif5oz

Raqi Kamrul Haider
Raqi Kamrul Haider

01677-440419
➖➖➖➖➖➖

ইউটিউবে রুকইয়াহ্'র অডিও বা কুরআন তিলাওয়াত শুনলে অভিজ্ঞ কারো পরামর্শে বা যাচাই করে শুনাই উত্তম হবে। কারণ কালোযাদু মিশ্রিত...
06/04/2026

ইউটিউবে রুকইয়াহ্'র অডিও বা কুরআন তিলাওয়াত শুনলে অভিজ্ঞ কারো পরামর্শে বা যাচাই করে শুনাই উত্তম হবে। কারণ কালোযাদু মিশ্রিত তিলাওয়াতে ভরে গেছে ইউটিউব। যে শুনবে সেই কালোযাদুর কবলে পড়তে পারেন।

মহান আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা'য়ালা আমাদের সবাইকে কালোজাদুর ভয়াবহতা থেকে হেফাজত করুন, আমীন।

Raqi Kamrul Haider
Raqi Kamrul Haider

01677-440419
➖➖➖➖➖➖

04/04/2026

জ্বিন বা যাদুতে আক্রান্ত হওয়ার পর আক্রান্ত ব্যক্তি যত দ্রুত সম্ভব রুকইয়াহ চিকিৎসা নেওয়া উচিত। যতদ্রুত রুকইয়াহ চিকিৎসা করা হবে আল্লাহ তা'য়ালার হুকুমে আক্রান্ত ব্যক্তি তত দ্রুত সুস্থ হতে পারবেন ইনশাআল্লাহ।

কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো বর্তমানে রুকইয়াহ করতে যে পেশেন্টরা আসেন তাদের মধ্যে অনেকে'ই বেশি দেরী করে তারপর রুকইয়াহ চিকিৎসা নিতে আসেন। বর্তমানে জ্বিন ও যাদুতে আক্রান্ত পেশেন্টদের মধ্যে যারা আক্রান্ত হওয়ার পর রুকইয়াহ করতে আসেন তাদের ক্যাটাগরী মূলত দুই ধরনের হয়ে থাকে।

১) জ্বিন ও যাদুর প্রাথমিক লক্ষণগুলো প্রকাশ পেলে তা তারা ইগনোর করে এবং পেশেন্ট খুব বাজেভাবে আক্রান্ত হওয়ার পর তারপর রুকইয়াহ চিকিৎসা নিতে আসেন।

২) জ্বিন ও যাদুতে দীর্ঘদিন আক্রান্ত থাকার পর (৫-১০-১৫ বছর) সব ধরনের চিকিৎসায় ব্যর্থ হয়ে শেষ চেষ্টা হিসেবে রুকইয়াহ চিকিৎসা নিতে আসেন।

যার কারণে জ্বিন ও যাদুতে আক্রান্ত পেশেন্টদের দীর্ঘমেয়াদী অসুস্থতায় ভুগতে হয়। এমতাবস্থায় তাদের সুস্থ হতেও অনেক সময় লাগে। যার কারণে দীর্ঘমেয়াদি রুকইয়াহ চিকিৎসার প্রয়োজন হয়ে পরে।

Raqi Kamrul Haider
Raqi Kamrul Haider
Raqi & Ruqyah Consultant, RuqyahTreatment.

📞 01677440419
➖➖➖➖➖➖

পেটে থাকা যাদু।পেটের ভিতরে থাকা যাদু'ই  হচ্ছে মূলত মূল যাদু। পেটের ভিতরে থাকা যাদুকে সুরক্ষিত এবং শক্তিশালী করার জন্য এক...
01/04/2026

পেটে থাকা যাদু।

পেটের ভিতরে থাকা যাদু'ই হচ্ছে মূলত মূল যাদু। পেটের ভিতরে থাকা যাদুকে সুরক্ষিত এবং শক্তিশালী করার জন্য এক বা একাধিক খাদেম জ্বিন নিয়োজিত থাকে। অর্থাৎ পেটের যাদুকে এক্টিভ ও সুরক্ষা করাই এই জ্বিনের প্রধান কাজ। এই জ্বিন তার সর্বশক্তি খাটায় যাতে কোনভাবে পেটের যাদু নষ্ট বা বের হতে না পারে।

এই জ্বিনকে তাড়ানো এবং যাদু নষ্টের জন্য এমন কিছু করা যাতে সেই জ্বিন কষ্ট সহ্য করতে না পারে এবং পেটের যাদু সুরক্ষা করতে না পারে এবং আল্লাহর হুকুমে রুগীর শরীর থেকে বের হয়ে যায় বা শরীর ছেড়ে দুরে সরে যায় বা ধ্বংস হয়ে যায়। এতে এমন উপাদান ব্যবহার করা যা যাদুকে নষ্ট করে পেট থেকে বের করে দিবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে এই যাদু নষ্টের জন্য যে উপাদান গুলি ব্যবহার করা হবে সেগুলো হালাল কিনা।

এক্ষেত্রে বিভিন্ন হাদিসে উল্লেখ আছে যেমনঃ
১) মধু,
২) কালোজিরা,
৩) অলিভ অয়েল (এক্সট্রা ভার্জিন),
৪) সোনা পাতা।

এছাড়া প্রাকৃতিক কিছু ভেজষ রয়েছে যাতে অনেক উপকার রয়েছে এবং সেগুলো পেট পরিস্কার করতে সহায়ক।
যেমনঃ
১) শণ বীজ,
২) সরিষার বীজ,
৩) ক্রস বীজ,
৪) জিরা,
৫) মৌরি,
৬) ক্যামোমাইল,
৭) ডালিমের খোসা ইত্যাদি।

জ্বিনকে দুরে সরাতে এবং কষ্ট দেওয়ার জন্য সবচেয়ে কার্যকরী উপাদান হচ্ছে লবন ও হালাল প্রচন্ড সুগন্ধি। সুগন্ধি ক্ষেত্রে গোলাপ জ্বল ব্যবহার করা যায় যেহেতু এটা খাবারের জন্য তৈরি করা হবে। আর এই দুটো বেশী করে মিক্স করার পর যাদু নষ্টকারী উপাদান যোগ করতে হবে। পেটের যাদুর জন্য বমি করা বাধ্যতামূলক না। পেটের যাদু কয়েক ভাবে নষ্ট হতে পারে, যেমনঃ
১) রুকইয়াহ তিলাওয়াত করার মাধ্যমে,
২) বমির মাধ্যমে,
৩) প্রস্রাবের সাথে অথবা পায়খানার সাথে।

✔ পেটে খাওয়ানো যাদুর লক্ষণ সমুহঃ

১. খুদা আস্তে আস্তে কমে যায়। বেশি খুদা লাগেনা। পেট সবসময় ভরা ভরা লাগে। খেতে ইচ্ছে হয় না। খাবার খেলেও অল্প পরিমাণে খাবে।
২. অল্প কিছু খেলেই মনে হয় অনেক কিছু খেয়ে ফেলেছে।
৩. প্রায় সময় বমি বমি ভাব হয় কিন্তু বমি হয়না (আবার কখনো কখনো হয়তো বমি হয়েও যায়)।
৪. পেটে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি গ্যাস হয়।
৫. এর জন্য ওষুধ খেয়েও ভালো হয়না। কিছু দিন পরে ওষুধ খেলেও কাজ হয়না। গ্যাস কমে না এবং আস্তে আস্তে বেশি দামি গ্যাসের ট্যাবলেট খেতে হয়।
৬. পেটে জ্বালাপোড়া করা।
৭. পেট গরম থাকে। গরম খাবার খেলেই পেট গরম হয়ে যায়।
৮. লিভার দুর্বল হয়ে যায়। এর জন্য দুই তিন দিনেও বাথরুম হয় না।
৯. পায়খানা কসের মতো হয়।
১০. বন্ধ ঘরে একা থাকতে পারবেনা তার প্রচন্ড ভয় লাগবে মনে হবে তার পিছনে কে যেন রয়েছে।
১১. তার বুক ধড়ফড় করবে। সব সময় ভীতসন্ত্রস্ত অবস্থায় থাকে।
১২. কখনো কখনো তার শরীর থেকে পোড়া পোড়া গন্ধ বের হতে থাকে।
১৩. পেটে খাওয়ানো যাদুর রোগিকে রুকইয়াহ করতে শুরু করলে বমি বমি ভাব হয় বা বমির ভাবটা আরো বেড়ে যায় এবং কখনো কখনো বমি হয়েও যায়।
১৪. মাথা সব সময় ধব ধব করবে। মাথা সব সময় ভারি হয়ে থাকবে আগুনের মতো তাপ বের হতে থাকে, মনে হয় যেন প্রেসার বেড়েছে।
১৫. প্রায় সময় মাথায় ব্যাথা থাকে।
১৬. প্রায় সময় পেট ও বুকের ভেতর কাটার মতো ঘা দিয়ে বিঁধে।

পেটের যাদু জ্বিনের মূল শক্তি এবং যাদুর মূল। এটা নষ্ট বা দুর্বল না হলে জ্বিন সহজে যেতে চায়না।

📌 যে রাক্বীর কাছে রুকইয়াহর সাজেশন নিবেন অথবা সরাসরি রুকইয়াহ্ করাবেন সেই রাক্বীর সাজেশন ও পরামর্শ অনুযায়ী রুকইয়াহ্ করবেন। ইনশাআল্লাহ তাহলে খুব দ্রুতই সুস্থ হয়ে যাবেন। বারংবার রাক্বী বদল করাও শয়তানের একটি মারাত্মক ধোঁকা।

🎙 সরাসরি রুকইয়াহ ও রুকইয়াহ কনসালট্যান্সি এবং হিজামা'র জন্য যোগাযোগ করতেঃ

Raqi Kamrul Haider
Raqi Kamrul Haider

📞 01677440419
➖➖➖➖➖➖

01/04/2026

আমাদের কাছে অনেক পেশেন্টরা এসে বলেন যে, তাবিজ শরীরে থাকলে সমস্যা হয়না কিন্তু তাবিজ খুলে ফেললেই সমস্যা বেড়ে যায়। এমনটা কেনো হয় তা একটু ব্যাখ্যা করা যাক:

আমরা জানি শয়তান আমাদের ঘোষিত চিরশত্রু। সে তার কূট কৌশলের মাধ্যমে আমাদের ধোঁকা দিয়ে পাপ কাজে লিপ্ত করে জাহান্নামের দিকে নিয়ে যাবে। তো তাবিজ পড়লে সমস্যা হয় না কিন্তু খুলে ফেললে সমস্যা হয় এটাও শয়তানের একটা কূট কৌশল।
কিভাবে এটা কূট কৌশল?

আমরা সবাই জানি যে, তাবিজ ঝুলানো শিরক। তো ব্যক্তি যখন তাবিজ পড়ে তখন তো সে শিরকে লিপ্ত হয়ে যায়। আর এটাই তো শয়তানের চাওয়া। তাই ব্যক্তি যেনো শিরকের উপর অটল থাকে সেজন্য সে যখন তাবিজ পড়ে তখন শয়তান তার উপর জুলুম করা তথা তার ক্ষতি করা বা তাকে কষ্ট দেওয়া সাময়িক সময়ের জন্য বন্ধ রাখে। এর ফলে ব্যক্তির মনে একটা বিশ্বাস তৈরি হয় যে, এই তাবিজের কারণে তার সমস্যা হচ্ছে না বা তাবিজ নেওয়ার ফলে সে সুস্থ হয়ে গেছে। তখন ঐ ব্যক্তি তাবিজকে সবসময়ের জন্য আঁকড়ে ধরে এবং এর ফলশ্রুতিতে সে সবসময়ের জন্য শিরকের সাথে লিপ্ত হয়ে যায়। আর এভাবেই শয়তান তার পরিকল্পনায় সফল হয়।

সুতরাং, যারাই এমন আছেন যে তাবিজ পড়েন এবং এটার উপর বিশ্বাস স্থাপন করেছেন তারা দ্রুত এগুলো ছুঁড়ে ফেলে আল্লাহর কাছে তাওবা করেন। আর সুস্থ হতে চাইলে রুকইয়াহ শারিয়াহ গ্রহণ করেন।

Raqi Aminul Islam

জ্বিনের কুদৃষ্টি বা বদনজর।জ্বিনের কুদৃষ্টি বা বদনজর কথাটা আমরা খুবই কম শুনেছি। আমাদের মধ্যে যেটা প্রচলিত সেটা হচ্ছে, বাত...
31/03/2026

জ্বিনের কুদৃষ্টি বা বদনজর।

জ্বিনের কুদৃষ্টি বা বদনজর কথাটা আমরা খুবই কম শুনেছি। আমাদের মধ্যে যেটা প্রচলিত সেটা হচ্ছে, বাতাস লাগা, আলগা দোষ বা উপরি দোষ ইত্যাদি। এই বিষয়টি নিয়ে খুব কমই আলোচনা হয়ে থাকে। ইনশাআল্লাহ আজকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবো।

কুদৃষ্টি বা বদনজর বিষয়টি সম্পর্কে আমরা মোটামুটি সবাই জানি। বিষয়টি নিয়ে বিখ্যাত প্রায় সব হাদিস গ্রন্থেই কিছু কিছু হাদিস এসেছে।

হযরত আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, "রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা বদনজর থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাও, কেননা বদনজর সত্য।"

¤ ইবনে মাযাহ-৩৫০৮।

আরেকটি হাদিসে এসেছে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,"আল্লাহর ফায়সালা ও তাক্বদিরের পর আমার উম্মতের বড় অংশের মৃত্যু হবে বদনজরের কারণে।"

¤ মুসনাদে আবু দাউদ-১৮৫৮।

বিষয়টির প্রতি আমাদের সবার বিশেষভাবে গুরুত্ব দেয়া উচিত।

🔸 ️জ্বিনের কুদৃষ্টি বা বদনজর কিভাবে লাগে ?

গভীর রাতে বা ভর দুপুরে জনমানবহীন রাস্তা কিংবা পুকুর পাড়ে আপনি হাঁটছেন, সেখানে কিছু বদ-জ্বিন দাঁড়িয়ে ছিল, আপনি তাদের পাশে বা মাঝে দিয়ে গেলেন। হিফাজতের/নিরাপত্তার আমল করা হয়নি সেদিন, তখন লাগতে পারে নজর। বাচ্চারা সন্ধ্যার সময় বাইরে দৌড়াদৌড়ি করছে, জানালার ধারে বসে আছে, তখনও নজর লাগতে পারে ।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন এসময় শয়তানরা ছড়িয়ে পড়ে।

🔸 ️জ্বিনের কুদৃষ্টি বা বদনজরের প্রভাবে কি কি লক্ষন দেখা দিতে পারে বা কিভাবে বুঝবেন জ্বিনের নজর লেগেছে ?

সংক্ষেপে বলতে গেলে মানুষের বদনজরের প্রভাবে যা যা হয়ে থাকে তার সবকিছুই জ্বিনের বদনজর এর ক্ষেত্রেও হয়ে থাকে। এর সাথে প্রচণ্ড ওয়াস-ওয়াসার সমস্যা এবং জ্বিনের আছরের বেশ কিছু উপসর্গ দেখা যেতে পারে। চিকিৎসা না করা হলে ভবিষ্যতে তার ওপর সহজেই জ্বিন আছর করতে পারে।

এছাড়া কিছু কিছু লক্ষণ আছে যেগুলো জ্বিনের বদনজরে আক্রান্তদের মাঝে খুব বেশি দেখা যায়ঃ

১. কোনো কারণ ছাড়াই ভয় ভয় লাগে।

২. মনে হয় আশেপাশে কেউ আছে। কখনো মনে হয় একটা ছায়া চলে গেল।

৩. রাতে ঠিকমত ঘুম হয় না, বারবার ঘুম ভেঙে যায় আজে-বাজে স্বপ্ন দেখে চমকে ওঠে।

৪. ওসিডি/শুচিবাই/ওয়াসওয়াসা বৃদ্ধি পায়। অনেকের এটা খুব বাজে অবস্থায় চলে যায়।

৫. কিছু ক্ষেত্রে এনজাইটি, প্যানিক এটাক এমনকি বাইপোলার ডিজঅর্ডার দেখা যায়।

৬. জ্বিনের কিছু লক্ষণ স্বল্প মাত্রায় এবং বদনজরের অনেক লক্ষণ প্রকট আকারে দেখা দিতে পারে।

৭. কমন স্বপ্ন দেখা যেমন, লাল চোখ, কেউ তাকিয়ে আছে, মলমুত্র, মানুষ বা প্রাণীর ছায়া ইত্যাদি।

একটা বিষয় লক্ষ্য করবেন, বে-দ্বীন ছেলেদের মাঝে যারা প্যারানরমাল বিষয়গুলো নিয়ে ফ্যান্টাসিতে থাকে, কোনো গাইড ছাড়া, হিফাজতের আমল না করে জাদু, জ্বিন-ভুত নিয়ে অনলাইন অফলাইনে ঘাটাঘাটি করে, তাদের অনেকের উপরে বলা সমস্যাগুলোয় আক্রান্ত হয়। এর মূল কারণ হচ্ছে জ্বিনের নজর।

মহান আল্লাহ্ তায়ালা আমাদেরকে জ্বিনের কুদৃষ্টি বা বদনজর এর ভয়াবহতা থেকে হেফাজত করুন,আমীন।

Raqi Kamrul Haider
Raqi Kamrul Haider

01677-440419
➖➖➖➖➖

29/03/2026

মুসলিম জ্বিনেরা কখনোই মানুষের সামনে বা সংস্পর্শে আবির্ভূত হয় না।

হযরত উমার (রাঃ) মিম্বারে দাড়িয়ে বলতেন, জ্বিনেরা তোমাদেরকে ভীতি প্রদর্শন করার পূর্বেই তোমরা তাদেরকে ভীতি প্রদর্শন করো। এদের মধ্যকার মুসলিম জ্বিনেরা কখনোই তোমাদের সামনে আবির্ভূত হবে না।

¤ আল-আদাবুল মুফরাদ, হাদিস নাম্বারঃ ৪৪৮।

Raqi Kamrul Haider
Raqi Kamrul Haider

01677-440419
➖➖➖➖➖➖

"বদনজর এর সেল্ফ রুকাইয়াহ্।"কিভাবে বুঝবেন আপনি  বদনজরে আক্রান্ত ? বদনজর এর লক্ষণগুলো নিচের লিঙ্কে পাবেন,https://www.face...
27/03/2026

"বদনজর এর সেল্ফ রুকাইয়াহ্।"

কিভাবে বুঝবেন আপনি বদনজরে আক্রান্ত ? বদনজর এর লক্ষণগুলো নিচের লিঙ্কে পাবেন,

https://www.facebook.com/share/p/1azpq59Xa7/

🔰 বদনজর এর সেল্ফ রুকাইয়াহঃ

✔ ১ম পদ্ধতিঃ
➖➖➖➖➖
যদি জানা যায় কার নজর লেগেছে তাহলে সাহল ইবনে হুনাইফ (রাঃ) এর হাদিসটা অনুসরণ করলেই হবে।

যার নজর লেগেছে তাকে অযু করতে বলবেন। অযুর পানিগুলো একটা পাত্রে জমা করবেন। এরপর সেই পানি রোগীর গায়ে ঢেলে দিবেন। তাহলেই নজর কেটে যাবে ইনশাআল্লাহ্।

এই পদ্ধতিতে সাধারণত একবারেই বদনজরের প্রভাব দূর হয়ে যায়। তবে প্রয়োজনে ২-৩ দিন করা লাগতে পারে। অনেকের ক্ষেত্রে এই ওযু করার পানি ঢালার পর প্রচণ্ড পায়খানা বা প্রসাবের বেগ আসে। সেটা হয়ে গেলে আলহামদুলিল্লাহ্ দ্রুত সুস্থ হয়ে যায়।

📌 যদিওবা এক হাদিসে আছে কুলির কথা, তবে না নিলেও সমস্যা নেই। এমনকি অধিকাংশের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র একজনের হাত-মুখ ধোয়া পানি নিয়ে অপরজন হাতমুখ ধৌত করলেই বদনজর নষ্ট হয়ে যায়।

📌 যদি নিজের নজর নিজেরই লাগে? তাহলে ওই রোগীকে ওযু করাবে এবং পানিগুলো জমা করবে, এরপর সেটা রোগীর গায়ে ঢেলে দিবে।

✔ ২য় পদ্ধতিঃ
➖➖➖➖➖
যদি জানা না যায় কার নজর লেগেছে তাহলে নিচের পদ্ধতি ফলো করতে হবে।

নিন্মে বর্ণিত দোআ ও সূরাগুলো নিজের মাথায় বা বুকে হাত রেখে পড়তে পারেন অথবা পড়ার পর হাতে ফুঁ দিয়ে পুরো শরীরে হাত বুলিয়ে নিতে পারেন। এই পদ্ধতি বাচ্চা-বয়স্ক, ছেলে-মেয়ে সবার জন্য প্রযোজ্য ।

🔰 দোয়া ১ :
==========

أُعِيْذُكُمْ بِكَلِمَاتِ اللّٰهِ التَّامَّةِ ، مِنْ كُلِّ شَيْطَانٍ وَهَامَّةٍ ، وَمِنْ كُلِّ عَيْنٍ لَامَّةٍ

উচ্চারণ : উ"ঈযুকুম বিকালিমা তিল্লা হিত্তাম্মাতি, মিন কুল্লি শাইত্বা-নিও- ওয়া হাম্মাতি, ওয়ামিন কুল্লি আ'ঈনিল্লা-ম্মাতি।

🔰 দোয়া ২ :
==========

بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِيكَ، مِنْ كُلِّ شَيْءٍ يُؤْذِيكَ، مِنْ شَرِّ كُلِّ نَفْسٍ أَوْ عَيْنِ حَاسِدٍ، اللَّهُ يَشْفِيكَ، بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِيكَ

উচ্চারণ : বিসমিল্লা-হি আরকীক্, মিন্ কুল্লি শাইয়িই ইউ'যীক্। মিন্ শার্রি কুল্লি নাফসিন্ আও আ'ইনি হাসিদিন, আল্লা-হু ইয়াশফীক্, বিসমিল্লা-হি আরকীক্।

🔰 দোয়া ৩ :
==========

بِاسْمِ اللَّهِ يُبْرِيكَ، وَمِنْ كُلِّ دَاءٍ يَشْفِيكَ، وَمِنْ شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ، وَشَرِّ كُلِّ ذِي عَيْنٍ

উচ্চারণ : বিসমিল্লা-হি ইউবরীক্, ওয়ামিন কুল্লি দা-ই ইয়াশফীক। ওয়ামিন শার্রি হাসিদিন ইযা- 'হাসাদ। ওয়া শার্রি কুল্লি যী "আঈন ।

🔰 দোয়া ৪ :
==========

اللَّهُمَّ رَبَّ النَّاسِ أَذْهِبْ الْبَاسَ، اشْفِ وَأَنْتَ الشَّافِي لَا شِفَاءَ إِلَّا شِفَاؤُكَ شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا

উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মা রাব্বান না-স আযহিবিল বা'স , আশফি ওয়া আনতাশ শা-ফী লা-শিফাআ ইল্লা-শিফাউকা শিফাআল লা-ইউগা-দিরু সাক্বামা।

🔰 এরপর পড়বেনঃ
===============
১. সুরা ফাতিহা ৭বার,
২. আয়াতুল কুরসি ৩বার,
৩. সুরা ইখলাস ৩ বার
৪. সুরা ফালাক ৩ বার,
৫. সুরা নাস ৩ বার পড়বেন।

(আগে ও পরে কয়েকবার দুরূদে ইব্রাহীম পড়ে নিবেন)।

এরপর দুই হাতে ফুঁ দিয়ে পুরো শরীর মাসেহ্/মুছে নিবেন। চাইলে সুরা ফালাক নাস অনেকবার পুনরাবৃত্তি করতে পারেন (৭,১১,২১)। সবধরনের রুকইয়ায় এগুলো বিশেষভাবে উপকারী। আর বাচ্চা বা অন্যের জন্য রুকাইয়াহ করতে চাইলে বাচ্চা/রোগীর মাথায় হাত রেখে এই দুয়াগুলো পড়বেন এবং মাঝেমাঝে বাচ্চা/রোগীর গায়ে ফুঁ দিবেন, এভাবে কয়েকবার করবেন।

সমস্যা বেশি হলে উল্লেখিত পদ্ধতিতে রুকইয়া করা শেষে আরেকবার এগুলো পড়ে পানিতে ফুঁ দিয়ে প্রতিদিন খাবেন এবং গোসল করবেন। সমস্যা ভালো হওয়া পর্যন্ত প্রতিদিন এই দুটো কাজ করবেন।

✪ এছাড়া কোন অঙ্গে ব্যাথা থাকলে যা করবেনঃ

১. সূরা ফাতিহা,
২. আয়াতুল কুরসি,
৩. সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত, ৪. সূরা ইখলাস,
৫. সূরা ফালাক,
৬. সূরা নাস।

(আগে ও পরে কয়েকবার দুরূদে ইব্রাহীম পড়ে নিবেন)

প্রতিটি সুরা ও আয়াত তিন বা ততোধিক বার পরে হাতে ফুঁ দিবেন এবং ডান হাত দিয়ে ব্যথার জায়গা মুছে দিবেন।
[ইবনু হাজার, ফাতহুল বারি]

উল্লেখিত সবগুলো দোয়া রাসুল (সাঃ) থেকে বিশুদ্ধ সনদে বর্ণিত হাদিস থেকে নেয়া।

✔ বিঃদ্রঃ দোআগুলো বাংলায় উচ্চারণ লিখে দেয়া হয়েছে কিন্তু বাংলা উচ্চারণ সহিহ্ হয় না। আরবিতে পড়তে সর্বাত্মক চেষ্টা করবেন।

💎 বদনজর থেকে বাঁচার দোয়াঃ

ইবনু আববাস (রাঃ) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাসান এবং হুসাইন (রাঃ)-এর জন্য নিম্নোক্ত দু'আ পড়ে পানাহ চাইতেন আর বলতেন, তােমাদের পিতা ইবরাহীম (আঃ) ইসমাঈল ও ইসহাক (আঃ)-এর জন্য দুআ পড়ে পানাহ চাইতেন।

أعوذ بكلمات الله التامة من كل شيطان وهامة ومن كل عين لامة

" আউযু বি কালিমাতিল্লাহিত্ তাম্মাতী মিন কুল্লি শায়তানিউ ওয়া হাম্মাতি ওয়া মিন কুল্লি আইনিল লাম্মাহ "

অর্থঃ “আল্লাহর পরিপূর্ণ কালামের সাহায্যে প্রত্যেক শয়তানের আক্রমণ থেকে আশ্রয় চাই। আরও আশ্রয় চাই বিষাক্ত প্রাণীর আক্রমণ ও প্রত্যেক ক্ষতিকর চোখ থেকে।"

মহান আল্লাহ্ তা'য়ালা আমাদের সকল প্রকার বদনজর থেকে হেফাজত করুন, সুস্থতা দান করুন, আমীন।

Raqi Kamrul Haider
Raqi Kamrul Haider

01677440419
➖➖➖➖➖

কিভাবে বুঝবেন আপনি বদনজরে আক্রান্ত ⁉️রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,لَوْ كَانَ شَيْءٌ سَابَقَ الْقَدَر...
25/03/2026

কিভাবে বুঝবেন আপনি বদনজরে আক্রান্ত ⁉️

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,

لَوْ كَانَ شَيْءٌ سَابَقَ الْقَدَرَ لَسَبَقَتْهُ الْعَيْنُ ‏
"কোন জিনিস যদি ভাগ্যকে অতিক্রম করতে পারতো তাহলে বদ-নজরই তা অতিক্রম করতে পারতো।"

¤ সূনান আত তিরমিজী, হাদিস নম্বরঃ ২০৫৯।

⬇️ কীভাবে বুঝবে আপনি বদনজরে আক্রান্ত ❓

এই বিষয়টি আমাদের জানা থাকা উচিত। কারণ বর্তমানে অসংখ্য মানুষ বদনজরে আক্রান্ত হচ্ছে। সুস্থতার জন্য হসপিটাল ও ডাক্তারের কাছে গিয়ে হাজার হাজার লাখ লাখ টাকা খরচ করেও কোনো সুফল আসছে না। ইনশাআল্লাহ বদনজরে আক্রান্ত হওয়ার উপসর্গ বা লক্ষণগুলো তুলে ধরবো।

⬇️ বদনজর এর ️উপসর্গ বা লক্ষণ সমূহঃ

১) কোনো কারণ ছাড়াই কান্না আসা বা চোখ দিয়ে পানি পড়া।
২) সব সময় শরীরে দুর্বলতা অনুভব করা, প্রচুর হাই ওঠা। বিশেষত ইবাদতের সময়।
৩) বুকের মধ্যে চাপ অনুভব করা, বুক ধড়ফড় করা, দম বন্ধ হয়ে আসা।
৪) শরীরে জ্বর আসা। কিন্তু সেটা থার্মোমিটারে না আসা। প্রায়ই শরীরে কাঁপুনি ওঠা।
৫) রুকইয়ার আয়াত ও দু‘আগুলো পড়লে শরীরে অস্বাভাবিকতা অনুভব করা বা মাথা ব্যথা করা।
৬) চেহারা মলিন বা হলদে হয়ে যাওয়া।
৭) কোনো কারণ ছাড়াই ঘামতে থাকা। বিশেষত বডির পেছনের দিকে।
৮) হাত-পা অবশ বা শক্তিহীন হয়ে যাওয়া। শরীরে ঝিমুনি ওঠা। নিজেকে মৃত্যুপথযাত্রী মনে হওয়া।
৯) স্বাস্থ্য অথবা ব্যবসায় ক্ষতি হওয়া, ক্ষুধামন্দা, বমি বমি ভাব। বিশেষত রুকইয়ার সময়।
১০) মানুষের উপস্থিতিতে বিরক্ত হওয়া, একা থাকতে ভালো লাগা। কখনো কখনো কারণ ছাড়াই ভয় লাগা।
১১) কোনো কারণ ছাড়াই বা ঠুনকো কারণে হঠাৎ প্রচণ্ড রেগে যাওয়া।

🔸 ️কু-দৃষ্টি, বদ-নজর বা চোখ লাগার আরো কিছু লক্ষণঃ

সবগুলো মিলতে হবে এমন কোন কথা নেই। ৩-৪ টা মিললেও বলা যায় অল্প-স্বল্প নজরের সমস্যা আছে। ৪-৫ টা মিলে গেলে দ্রুত রুকাইয়াহ্ শুরু করে দিন।

১.শরীরের সাধারণ দুর্বলতা থাকা, ক্ষুধা হ্রাস এবং বমি বমি ভাব লাগা।
২. চেহারা ফ্যাকাশে/ধূসর/হলুদ হয়ে যাওয়া।
৩. ক্ষুধামন্দা,খাবারে অরুচি।
৪. স্থায়ীভাবে/প্রায় সময় উচ্চ শারীরিক তাপমাত্রা/জ্বর থাকা কিন্তু থার্মোমিটারে না উঠা।
৫. কোন কারণ ছাড়াই কান্নাকাটি করা/অবসন্ন থাকা।
৬. কনস্ট্যান্ট জাগ্রত অর্থাৎ ঘুমিয়ে আছেন কিন্তু মনে হচ্ছে জাগ্রত।
৭. উভয় হাত এবং পায়ের মধ্যে প্রায়ই ব্যথা,শরীরের ব্যথা আবর্তিত, শরীরের ব্যথা এক জায়গায় স্থির না হওয়া।
৮. প্রায় সময় মাথাব্যাথা করা।
৯. বিভিন্ন অসুখ লেগেই থাকা, অনেক চিকিৎসার পরেও ভালো না হওয়া (ঠান্ডা,সর্দিকাশি,জ্বর,মাথাব্যথ ইত্যাদি)।
১০. পঞ্চমুখী মমুলাট অর্থাৎ কাজে মন না বসা, লেখাপড়া মন না বসা ইবাদত, নামাজ, যিকিরে মন না বসা।
১১. মহিলাদের/পুরুষদের অত্যধিক চুল পড়া যা শ্যাম্পু ব্যবহার করেও কাজ হয়না।
১২. আত্মীয়,বন্ধু ও সহকর্মীদের সাথে দেখা করতে অপছন্দ লাগা।
১৩. ব্যবসা, কাজ বা পেশায় বিঘ্ন এবং ক্ষতি, ঝামেলা লেগেই থাকা।
১৪. বুকে ধড়ফড় করা, দমবন্ধ বা অসস্তি লাগা।
১৫. পেটে প্রচুর গ্যাস হওয়া/ জমে থাকা।
১৬. মেজাজ খিটখিটে থাকা, কোন কারণ ছাড়াই রেগে যাওয়া।
১৭. অহেতুক মেজাজ বিগড়ে থাকা ।
১৮. একটি প্রাথমিক/বিশেষজ্ঞ কাজ সম্পাদন করতে অক্ষম হওয়া।
১৯. প্রাথমিক/যে কাজে অভিজ্ঞ তা করতে গেলেই অত্যন্ত অলস অথবা অসুস্থ হয়ে পড়া।
২০. স্বপ্নে উঁচু থেকে পড়ে যেতে দেখা, মৃত মানুষ দেখা অথবা স্বপ্নে কাউকে মরে যেতে দেখা।

মহান আল্লাহ্ তায়ালা আমাদের সবাইকে বদনজর এর ভয়াবহতার থেকে হেফাজত করুন, আমীন।

Raqi Kamrul Haider
Raqi Kamrul Haider

01677440419
➖➖➖➖➖

Address

নামাপাড়া, খিলক্ষেত।
Dhaka
1229

Opening Hours

Monday 09:00 - 22:00
Tuesday 09:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 22:00
Thursday 09:00 - 22:00
Friday 08:00 - 23:00
Saturday 09:00 - 22:00
Sunday 09:00 - 22:00

Telephone

+8801688309115

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when RuqyahTreatment. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to RuqyahTreatment.:

Share