07/04/2026
পেটের যাদু নষ্টের রুকইয়াহ।
১) খাবার পানি দেড় থেকে দুই লিটার,
২) কালোজিরা দুই চা চামচ,
৩) মধু টেবিল চামচ,
৪) ভিনেগার তিন চা চামচ,
৫) অলিভ অয়েল দুই টেবিল চামচ,
৬) লবণ দুই বা তিন চা চামচ ,
৭) ১৪/২১ টা বড়ই পাতা পেষ্ট,
৮) গোলাপজল (যেটা খাওয়া যায়)।
সবগুলো সামনে রেখে নিচের আয়াতগুলো সাতবার করে পড়ে সবগুলো উপকরণ এ তিনটি ফুঁ দিবেন। তারপর সবগুলো একসাথে মিক্স করে সকালে খালি পেটে 'পেটে থাকা সকল প্রকার যাদু ধ্বংসের' নিয়াতে খেয়ে নিবেন এক বসাতে পাঁচ থেকে সাত মিনিটের মধ্যে।
১) দুরূদ শরীফ,
২) সূরা ফাতিহা,
৩) সুরা বাকারা ১০২ নং আয়াত,
৪) আয়াতুল কুরসি,
৫) সূরা আরাফ ১১২ থেকে ১২২ নং আয়াত,
৬) সূরা ইউনুস ৮০ থেকে ৮২ নং আয়াত,
৭) সুরা ত্বোহা ৬৫ থেকে ৭০ নং আয়াত,
৮) সূরা সফফাত এর প্রথম দশ আয়াত,
৯) সূরা কলম ৫১ ও ৫২ নং আয়াত
১০) সূরা জ্বিন এর প্রথম নয় আয়াত,
১১) সূরা ইখলাস,
১২) সূরা ফালাক,
১৩) সূরা নাস
১৪) দুরুদ শরীফ।
এরপর যদি বমি আসে বমি করার চেষ্টা করবেন। বমি আটকিয়ে রাখবেন না। যদি বমি বমি ভাব হয় কিন্তু বমি হতে না চায় তাহলে মুখে আঙ্গুল ঢুকিয়ে বমি করার চেষ্টা করবেন। কষ্ট হলে আঙ্গুল ঢুকিয়ে বমি করার চেষ্টা করার প্রয়োজন নেই। এভাবে ৫ থেকে ৭ দিন করবেন একাধারে।
২) তিন দিন নিচের দেওয়া নিয়ম অনুযায়ী সোনাপাতা খাবেনঃ
¤ সোনাপাতা খাওয়ার নিয়মঃ
প্রতিদিন চা চামচে এক চামচ সোনাপাতার গুড়া রাতে এক গ্লাস গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। সকালে আবার গরম করে যাদুর আয়াতগুলো ৩/৫/৭ বার করে পড়ে ফুঁ দিয়ে ছেঁকে পান করতে হবে। প্রথমে টানা তিনদিন খাবেন যদি বেশি সমস্যা না হয়, যেন পেট থেকে যাদুর বিষাক্ত জিনিসগুলো বের হয়ে যায়। যদি সমস্যা হয় তাহলে একদিন বা দুই দিন পর পর খাবেন। তারপর থেকে সপ্তাহে দুই বার খাবে। এভাবে এক থেকে দুই মাস খেতে পারেন।
¤ যাদুর আয়াতগুলোঃ
১. সূরা ফাতিহা ,
২. সূরা বাকারা ১০২ নং আয়াত,
৩. আয়াতুল কুরসি,
৪. সূরা আরাফ ১১৭-১২২ নং আয়াত,
৫. সূরা ইউনুস ৮০ থেকে ৮২ নং আয়াত,
৬. সূরা ফুরকান ২৩ নং আয়াত,
৭. সূরা ত্বহা ৬৫ থেকে ৭০ নং আয়াত,
৮. সূরা ইখলাস,
৯. সূরা ফালাক,
১০. সূরা নাস।
এইগুলো পড়ার প্রথমে ও শেষে দুরুদ শরীফ পড়ে নিবেন যতবার করে আয়াতগুলো পড়বেন।
খাবার ৪-৫ ঘণ্টার মধ্যে ওয়াশরুমের আশেপাশে থাকতে হবে। যে দিন সফর থাকবে সেদিন না খাওয়াই ভালো হবে।
এই পাতা কোষ্ট-কাঠিন্য দূর করতে চমৎকার কাজ করে। শরীরের ওজন কামায় ও উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।সোনাপাতায় বিদ্যমান এনথ্রানয়েড রেচক হিসেবে কাজ করে এবং হজম প্রক্রিয়াকে প্রক্রিয়াকে সক্রিয় করে। এতে কোলনের সঞ্চালন উদ্দীপিত হয়। ফলে খুব অল্প সময়ে এবং খুব সহজেই মল দেহ থেকে বাইরে নিষ্কাষিত হয়।
♦️ বিরুদ্ধ ব্যবহার ও সতর্কতাঃ
অন্ত্রের কোন রোগ থাকলে, যেমন-অন্ত্রের প্রদাহ, আলসার, এপেনডিসাইটিস, পিত্তথলির জটিলতা ইত্যাদি এসব ক্ষেত্রে সোনাপাতা ব্যবহার করা যাবে না। এছাড়া গর্ভবতী বা স্তন্যদানকারী মায়েদের ক্ষেত্রে এবং ৫ বছরের নিচের বাচ্চাদের এই হার্বস ব্যবহার করা উচিত নয়।
🛑 পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া ও সতর্কতাঃ
দীর্ঘদিন ধরে সোনাপাতা ব্যবহার করলে শরীরে পটাশিয়াম লেভেল কমে যায়। নিম্নলিকিত লক্ষণ গুলো দেখা দিতে পারে,
পেটে ব্যথা,
কোষ্ট-কাঠিন্য,
লো ব্লাড প্রেশার,
মাংস পেশীর দূর্বলতা,
বমি বমি ভাব,
বমি হওয়া,
দৃষ্টি ভ্রম,
শ্বাস-প্রশ্বাসে ব্যাঘাত ঘটে,
হৃদস্পন্দনে পরিবর্তন দেখা দেয়।
গর্ভবতী বা স্তন্যদানকারী মায়েদের ক্ষেত্রে সোনাপাতা ব্যবহার করা যাবেই না।
৫ বছরের নিচের বাচ্চদের এই হার্বল ব্যবহার করা উচিত নয়।
দৈনিক নিরাপত্তার মাসনুন আমলগুলো স্থায়ীভাবে চালিয়ে যাবেনঃ
https://m.facebook.com/groups/299568578010915/permalink/739601060674329/?mibextid=Nif5oz
Raqi Kamrul Haider
Raqi Kamrul Haider
01677-440419
➖➖➖➖➖➖