05/03/2026
আপনার কন্যা ও ছেলে সন্তানকে আগলে রাখুন, কোন সময় দৃষ্টির আড়াল করবেন না ।
কোন পুরুষ বা নারীকেই বিশ্বাস করে সন্তান দিয়ে রাখবেন না সে যত আপনই হোক না কেন । কে কি মনে করবে, কে কি বলবে, কে কত কষ্ট পাবে এসব চিন্তা করে আপনার সন্তানের ক্ষতি করবেন না। কখন কার মাথায় কু চিন্তা এসে বসে বা কখন কার সে-ক্স উঠে যায় আর আপনার সন্তান তার বলি হবে না এটা কেউ বলতে পারেনা । চারপাশের ঘটনা থেকে শিক্ষা নিন ।
আপনারা জানলে অবাক হবেন না নিজ বাবা অনেকক্ষেত্রে নিজ মায়ের কাছেও তার নিজের শিশুরা নিরাপদ নয় । কতটা ভয়াবহ অবস্থা একবার চিন্তা করে দেখবেন এবং এগুলো আসলেই ঘটে ।
সন্তান আল্লাহর দেওয়া একটা আমানত বা নিয়ামত । আপনার অধিকার নয় সন্তান । তাঁকে সুস্থ, সুন্দরভাবে লালন পালন করা বাবা মায়ের জন্য ফরজ । তাই তাঁকে দেখে রাখা, তার একটা সুন্দর সুস্থ পরিবেশ দেওয়াও আপনরাই দায়িত্ব । আপনার কষ্ট হয়ে যাচ্ছে বলে তাঁকে অন্যের কাছে দিয়ে দুশ্চিন্তা মুক্ত হয়ে বসে থাকবেন না ।
বিকৃত যৌ-না-চারণের ব্যক্তিরা আপনার আশেপাশেই বাস করে । আর আপনি জানলে অবাক হবেন যে বেশির ভাগ মানুষই এই বিকৃত মন মানসিকতার ! তারা আপনার কন্যা শিশুর অপরিপক্ব বুক ধরেই একধরনের পাশবিক আনন্দ পায়, আপনার শিশুর কোমল গায়ে আদরের নামে হাত দিয়েও সমান আনন্দ পায় । আর ছেলে শিশুর যৌ-না-ঙ্গ ধরেও সমান আনন্দ পায় । বছরের পর বছর কুদৃষ্টিতে রাখে এবং সময় সুযোগ বুঝে সর্বনাশ করে দেয় । আর জরিপ করলে দেখা যাবে যে ১০০ টি কেসের মধ্যে ৯০ টি কেসই ঘটিয়ে থাকে নিকট আত্মীয় বা দূরের আত্মীয়রাই । যেমন বাবা-চাচা-মামা-ফুফা-শ্বশুর-নানা-দাদা-চাচাতো, খালাতো, মামতো ভাই-খালা-ফুফু-আপন ভাই,বোন ❗️অস্তগফিরুল্লাহ, নাউজুবিল্লাহ!
এজন্য দয়া করে এসব মানুষ নামের নরপিশাচ দের জন্য নিজের সন্তান দের হেফাজত করে রাখবেন, সতর্ক থাকবেন এবং আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইবেন ।
শিশু ধ-র্ষ-ণ ও ধ-র্ষ-ণ পরবর্তী খুনের সংখ্যা অনেক । হয়তো অল্প কিছু আমাদের সামনে আসছে কিন্তু যেগুলো সামনে আসছে না, এসবের সংখ্যাই বেশি । তাই সতর্ক থাকুন, সতর্ক হোন । আপনার সন্তান নিয়ে কোন কমপ্রোমাইজ করবেন না ।