Dr. Sumon’s Health & Harmony with Homeopathy

Dr. Sumon’s Health & Harmony with Homeopathy Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr. Sumon’s Health & Harmony with Homeopathy, Medical and health, Dhaka.
(1)

27/04/2026

🌿 AYUSH GRAM ক্যাম্পেইন – হোমিওপ্যাথি সচেতনতা কার্যক্রম

তেলেঙ্গানা রাজ্যের বিভিন্ন স্কুলে শিক্ষার্থীদের মাঝে হোমিওপ্যাথি বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে লেকচার প্রদান করতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। স্বাস্থ্য শিক্ষা, প্রতিরোধমূলক চিকিৎসা ও জীবনধারা সচেতনতার গুরুত্ব শিশুদের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়াই এই কার্যক্রমের মূল উদ্দেশ্য।

এই AYUSH GRAM ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীদেরকে হোমিওপ্যাথির মৌলিক ধারণা, সুস্থ জীবনযাপন এবং রোগ প্রতিরোধে প্রাকৃতিক পদ্ধতির ভূমিকা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। পাশাপাশি গরমে হিট এক্সপোজারের ঝুঁকি থেকে সুরক্ষার জন্য প্রতিরোধমূলক হোমিওপ্যাথিক ওষুধ Natrum carbonicum বিতরণ করা হয়েছে, যা শরীরের তাপ সহনশীলতা ও সামগ্রিক সুস্থতা বজায় রাখতে সহায়ক হিসেবে বিবেচিত।

শিশুরা আমাদের ভবিষ্যৎ—তাদের মাঝে স্বাস্থ্য সচেতনতা গড়ে তুলতে পারলেই একটি সুস্থ সমাজ গঠন সম্ভব। এই মহৎ উদ্যোগে অংশ নিতে পেরে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

সচেতন থাকুন, সুস্থ থাকুন 🌱

26/04/2026

অনলাইন চিকিৎসা পরিষেবা (Online Consultation Service)

যারা দূরে থাকেন বা সরাসরি ক্লিনিকে আসতে পারেন না, তাদের জন্য হেলথ & হারমোনি হোমিওপ্যাথি ক্লিনিক ; Dr. Sumon’s Health & Harmony with Homeopathy এর পক্ষ থেকে অনলাইন চিকিৎসা পরিষেবা চালু করা হয়েছে।

রোগীর জন্য নির্দেশিকা
১. অনলাইন চিকিৎসা নেওয়ার জন্য রোগীকে প্রথমে তার সমস্ত সমস্যা বিস্তারিতভাবে লিখে / ভয়েস ম্যাসেজ পাঠাতে হবে।
যেমন –
• বর্তমান রোগের সমস্ত লক্ষণ
• কতদিন ধরে সমস্যা আছে
• পূর্বের কোনো রোগের ইতিহাস
• বর্তমানে কোনো ওষুধ খাচ্ছেন কিনা
• অন্যান্য শারীরিক বা মানসিক সমস্যা

২. রোগীর তথ্য বিশ্লেষণ করার পর হোয়াটস্যাপ কল এ সরসরি ডাক্তারের সাথে কনসাল্ট করিয়ে এক মাসের হোমিওপ্যাথিক ওষুধ দেওয়া হবে।

৩. অনলাইন চিকিৎসা পরিষেবার মোট খরচ:
১৫০০ টাকা (এক হাজার পাঁচশত টাকা)

এই টাকার মধ্যে থাকবে:
• চিকিৎসা পরামর্শ ফি
• এক মাসের ওষুধ
• কোরিয়ার চার্জ

৪. পরিষেবা নেওয়ার জন্য ১৫০০ টাকা অগ্রিম পেমেন্ট করতে হবে।

৫. পেমেন্ট সম্পূর্ণ হওয়ার পর রোগীর জন্য ওষুধ প্রস্তুত করে কোরিয়ারের মাধ্যমে পাঠানো হবে।

৬. সাধারণত তিন থেকে (3-7) দিনের মধ্যে ওষুধ রোগীর ঠিকানায় পৌঁছে যাবে।

৭. অনলাইন পরিষেবা নেওয়ার সময় রোগীকে সঠিক তথ্য প্রদান করতে হবে, যাতে সঠিক চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হয়।


ডা: সুমন কুমার বিশ্বাস
BHMS; MD (Hom); MPH

📞 মোবাইল: 01987-367955

স্বাস্থ্যই সম্পদ – সঠিক চিকিৎসায় সুস্থ থাকুন।

25/04/2026

শিশুদের রুচি বাড়ানোর হোমিও ঔষধ
♦️Cina
-শিশুদের কৃমির লক্ষণ থাকে।
-শিশু খিটখিটে, রাগী,
দাঁত কাটে, নাক ঘষে, খোটে, চুলকায়।
-ক্ষুধা থাকলেও খেতে চায় না।
-মিষ্টির প্রতি চাহিদা বেশি।
-অনেক সময় খায় দায় বেশি কিন্তু গায়ে লাগেনা।

♦️Calcarea phosphorica
-শিশু দুর্বল, চিকন, বাড়তে দেরি হয়।
-খেতে চায় না, সহজে ক্লান্ত,মাথার ব্রহ্মতালু
এবং পেছনে জোড়া লাগেনা।
–দাঁত দেরিতে ওঠে,দুর্বলের কারণে হাঁটতে পারে না।

♦️ Natrum muriaticum
-চুপচাপ, সংবেদনশীল,কথা শিখতে দেরি হয়।
-শিশুর খাবার খেতে অনীহা।
-নুন বা লবণাক্ত খাবার পছন্দ।কাঁচা লবণ হাতে নিয়ে খেয়ে বেড়ায়।
-চিকন চাকান বিশেষ করে গলার দিকে বেশি চিকন।

♦️Antimonium crudum
-জিহ্বা সাদা, মোটা আবরণ পড়ে,দুধের সরের মতো প্রলেপ।
-বেশি খেলে বমি হয়।
-সহজে বদহজম হয়।ডায়রিয়া এবং কোষ্ঠকাঠিন্য পর্যায়ক্রমে চলতে থাকে।
-গোসল করতে চায় না, ঠান্ডা পানির প্রচন্ড ভয়।

♦️Silicea
-শিশু রোগা, দুর্বল, লাজুক,ভীরু।
পায়ের দিকে বেশি শীর্ণ।
-খেতে অনাগ্রহ, দুধ সহ্য হয় না।
-ঠান্ডা সহ্য করতে পারে না।
-কান পাকা সমস্যা থাকে।
-পায়খানা কষা থাকে, মল রিসিভ করে
অর্থাৎ একবার ঢুকে একবার বের হয়।

♦️Tuberculinum
--খুব খামখেয়ালি প্রকৃতির।
-এক খাবার একবার ভালো লাগে, পরক্ষণেই বিরক্ত।
-ওজন বাড়ে না।
-খুব সহজেই সর্দি কাশি লাগে, কিভাবে সর্দি লাগে শিশুর মা সেটা বুঝে উঠতে পারে না।

♦️Lycopodium
-ক্ষুধা আছে, কিন্তু দু–এক লোকমা খেলেই খাওয়া বন্ধ।
-বিকেল ৪–৮টার মধ্যে সমস্যা বেশি।
পেট ও হজম
-পেট ফাঁপা,খাবারের পর ঢেঁকুর ওঠে।
-ডান পাশে পেটের সমস্যা বেশি।
-মল কষ্টকর, কোষ্ঠকাঠিন্য।
-মিষ্টি এবং গরম খাবার পছন্দ করে।

♦️ Ferrum metallicum
-শিশু ফ্যাকাসে, রক্তস্বল্পতা।
-খেতে চায় না, দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়ে।

♦️Colchicum
-শিশুর খাদ্যদ্রব্যে অভক্তি
খাবার ইচ্ছা তো দূরের কথা, খাবার
দেখলেও অস্বস্তি লাগে।
-খাদ্যদ্রব্যের গন্ধে বমি আসতে চায়।
-খাবার খাওয়াতে গেলে ওঁক টানে।
-পেটে অত্যাধিক বায়ু জমে, পেট ফুলে ওঠে।

♦️Nux vomica
-শিশুর অরুচি, যা খায় তা ভালোভাবে হজম হয় না।
-পেটে গ্যাস হয়, পেট ব্যথা সহ ঘনঘন মলত্যাগের ইচ্ছা।
-সামান্য পরিমাণে মল বের হয় এবং মলত্যাগের ইচ্ছা থেকেই যায়। শিশু খিটখিটে, শীতকাতর।

♦️Hydrastis can
-শিশুর পেটে ক্ষুধা থাকে
কিন্তু খেতে ইচ্ছা হয় না।
-কোন খাদ্যদ্রব্য মুখে ভালো লাগেনা।
-জিহ্বা হলদে, অপরিষ্কার ও পুরু।
-কোষ্ঠকাঠিন্য,পাকস্থলীতে বহুদিন মল জমে থাকে।

🔴এর সাথে Amloky, Alfalfa,Avena Sat (Mother Tincture) লক্ষণ সাদৃশ্যে ব্যবহার করতে পারেন।
এছাড়া শিশুর লক্ষণ সাদৃশ্যে যেকোনো মেডিসিন আসতে পারে।

সবাইকে শেয়ার করার অনুরোধ রইলো।

💊 ওষুধে কি আসলেই S*x Power বাড়ে?মেডিকেল সায়েন্স কী বলে? সরাসরি উত্তর: সব ওষুধে “স্থায়ীভাবে” সেক্স পাওয়ার বাড়ে না।মেডিকেল...
18/04/2026

💊 ওষুধে কি আসলেই S*x Power বাড়ে?
মেডিকেল সায়েন্স কী বলে?
সরাসরি উত্তর: সব ওষুধে “স্থায়ীভাবে” সেক্স পাওয়ার বাড়ে না।

মেডিকেল ভাষায় S*x Power মানে শুধু মিলন নয় -
ইচ্ছা (Libido)
শক্তি (Er****on)
সময় ধরে রাখা (Stamina)
মানসিক প্রশান্তি (Mental satisfaction)

বাজারে অনেক ওষুধ আছে যেগুলো -
- সাময়িক উত্তেজনা বাড়ায়
- রক্ত প্রবাহ বাড়ায়
- কিন্তু মূল সমস্যা ঠিক না করলে স্থায়ী সমাধান হয় না।

🧬 S*x Power কমে যাওয়ার মূল কারণ (মেডিকেলি সত্য)
রাত জাগা
অতিরিক্ত মোবাইল ও পর্ন আসক্তি
মানসিক চাপ (Stress, Anxiety)
ডায়াবেটিস, প্রেসার
হরমোনের সমস্যা
অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন

তাই শুধু ওষুধ নয়, লাইফস্টাইলই মূল চাবিকাঠি।

আসল সমাধান: Healthy Lifestyle
নিয়মিত রাতে ঘুম (৭–৮ ঘন্টা)
প্রতিদিন শরীর চর্চা / হাঁটা
ধূমপান ও অতিরিক্ত চা-কফি বাদ
মানসিক শান্তি, স্ট্রেস কমানো

💡 শরীর ভালো থাকলে, S*x Power নিজে থেকেই জাগে।

S*x Power বাড়াতে প্রাকৃতিক খাবার -
ডিম
দুধ
বাদাম, কাজু, আখরোট
কলা
খাঁটি মধু
শাকসবজি
সামুদ্রিক মাছ
অল্প পরিমাণ আদা ও রসুন

এগুলো নিয়মিত খেলে
রক্ত সঞ্চালন ভালো হয়
হরমোন ব্যালেন্স থাকে।

ধর্মীয় ও নৈতিক দিক
যার যার ধর্মীয় নিয়ম মানা জরুরি
আত্মসংযম ও শালীনতা
হারাম অভ্যাস থেকে দূরে থাকা

ধর্ম + পরিশ্রম + সৎ জীবন =
মানসিক শান্তি
প্রকৃত শক্তি।

🌿 হোমিওপ্যাথি কী বলে?

✔️ হোমিওপ্যাথিতে
শরীরের মূল কারণ ধরে চিকিৎসা করা হয়
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া তুলনামূলক কম
দীর্ঘমেয়াদে ভালো ফল দেয়।

অনেকেই আমার কাছ থেকে সফলভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন।
সমস্যা অনুযায়ী আলাদা চিকিৎসা লাগে — এক ওষুধ সবার জন্য না।

শেষ কথা
ওষুধ নয়,
জীবন ঠিক করলেই
S*x Power নিজে থেকেই ফিরে আসে।

Dr. Sumon Kr Biswas
BHMS, MD (Hom), MPH
WhatsApp: 01987-367955

স্কোয়াট (Squat) বা উঠ-বস করার ব্যায়ামকে চিকিৎসাবিজ্ঞানে পুরুষের জন্য 'মাদার অফ অল এক্সারসাইজ' বলা হয়। এটি কেবল পায়ের পেশ...
17/04/2026

স্কোয়াট (Squat) বা উঠ-বস করার ব্যায়ামকে চিকিৎসাবিজ্ঞানে পুরুষের জন্য 'মাদার অফ অল এক্সারসাইজ' বলা হয়। এটি কেবল পায়ের পেশি মজবুত করে না, বরং শরীরের অভ্যন্তরীণ হরমোন সিস্টেমকে আমূল বদলে দেয়।

​১. প্রাকৃতিক হরমোন বুস্টার (Hormonal Surge)
​পায়ের পেশি (Quadriceps এবং Glutes) শরীরের সবচেয়ে বড় এবং শক্তিশালী পেশি। বিজ্ঞানে প্রমাণিত যে, আপনি যখন শরীরের বড় পেশি নিয়ে কাজ করেন, তখন পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে প্রচুর পরিমাণে টেস্টোস্টেরন (Testosterone) এবং গ্রোথ হরমোন (HGH) নিঃসৃত হয়। এটি আপনার শরীরের হরমোন ফ্যাক্টরিকে সচল করে তোলে।

​২. পেলভিক এরিয়াতে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি
​স্কোয়াট করার সময় আপনার তলপেট এবং কুঁচকির চারপাশের পেশিগুলোতে প্রচণ্ড চাপ পড়ে। এতে ওই অঞ্চলের রক্তনালীগুলো প্রসারিত হয়।

​যৌন স্বাস্থ্যে প্রভাব: লিঙ্গে রক্ত প্রবাহ বৃদ্ধির জন্য যে নাইট্রিক অক্সাইড প্রয়োজন, স্কোয়াট সেই সরবরাহ সচল রাখে। ফলে উত্থানজনিত সমস্যা (ED) সমাধানে এটি জাদুর মতো কাজ করে।

​৩. কোর (Core) ও স্ট্যামিনা বৃদ্ধি
​সেক্সুয়াল হেলথ শুধু হরমোনের ওপর নয়, শারীরিক সহনশীলতা বা স্ট্যামিনার ওপরও নির্ভর করে। স্কোয়াট আপনার মেরুদণ্ড এবং তলপেটের গভীর পেশিগুলোকে (Core Muscles) শক্তিশালী করে। এটি মিলনের সময় আপনার শরীরকে দীর্ঘক্ষণ ধরে রাখার শক্তি এবং নিয়ন্ত্রণ প্রদান করে।

​৪. ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স ও চর্বি নিয়ন্ত্রণ
​শরীরের মেদ (বিশেষ করে পেটের চর্বি) টেস্টোস্টেরনকে ইস্ট্রোজেনে (নারী হরমোন) রূপান্তর করে ফেলে। স্কোয়াট করলে মেটাবলিজম দ্রুত বাড়ে এবং চর্বি কমে। এতে পুরুষ হরমোন সংরক্ষিত থাকে এবং পুরুষত্ব ভেতর থেকে মজবুত হয়।

​৫. মানসিক আত্মবিশ্বাস ও নিউরোলজিক্যাল প্রভাব
​ভারী স্কোয়াট করলে মস্তিষ্কে এন্ডোরফিন এবং ডোপামিন নিঃসৃত হয়। এটি মানসিক চাপ কমায়। স্ট্রেস বা মানসিক চাপ যৌন সক্ষমতার প্রধান শত্রু; স্কোয়াট সেই শত্রু নির্মূল করে আপনার আত্মবিশ্বাস কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেয়।

​কিভাবে শুরু করবেন?
​রুটিন: সপ্তাহে অন্তত ৩ দিন স্কোয়াট করুন।
​সেট: শুরুতে কোনো ওজন ছাড়াই (Bodyweight Squat) ১০-১৫ বার করে ৩ সেট দিন।

​সতর্কতা: কোমর সোজা রেখে হাঁটু ভাঁজ করে বসুন, যেন চেয়ারে বসার মতো পজিশন হয়। সঠিক টেকনিক না জানলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

​সারসংক্ষেপ: আপনি যদি নিয়মিত স্কোয়াট করেন, তবে আপনার শরীর নিজেই একটি 'হরমোন ফ্যাক্টরি'তে পরিণত হবে, যার জন্য বাইরে থেকে কোনো কৃত্রিম ওষুধের প্রয়োজন পড়বে না।

পোস্টটি হারাতে না চাইলে সেভ করে রাখুন। আর একটি লাইক দিয়ে আমাদেরকে অনুপ্রেরণা দিন। নইলে আমরাও হারিয়ে যাবো উৎসাহের অভাবে।
Dr. Sumon’s Health & Harmony with Homeopathy

ভারতের AIIMS Bhopal-এর একটি গবেষণায় দেখা গেছে, অ্যানাল ফিশার রোগীদের ব্যথা ৯৯% পর্যন্ত কমেছে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায়।গবেষণ...
16/04/2026

ভারতের AIIMS Bhopal-এর একটি গবেষণায় দেখা গেছে, অ্যানাল ফিশার রোগীদের ব্যথা ৯৯% পর্যন্ত কমেছে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায়।

গবেষণায় অংশগ্রহণকারী অধিকাংশ রোগী উল্লেখযোগ্য উপকার পেয়েছেন—
✅ তীব্র ব্যথা দ্রুত কমেছে
✅ মলত্যাগের সময় কষ্ট ও চাপ কমেছে
✅ রক্ত/স্রাব ও জ্বালাপোড়া হ্রাস পেয়েছে
✅ bowel movement স্বাভাবিক হয়েছে
✅ দৈনন্দিন স্বস্তি ও জীবনমান উন্নত হয়েছে

বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে, ৮৮% রোগী সম্পূর্ণ আরোগ্য লাভ করেছেন কোনো গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই।

এই গবেষণা প্রমাণ করে যে, হোমিওপ্যাথি নিরাপদ, সাশ্রয়ী এবং নন-ইনভেসিভ চিকিৎসা পদ্ধতি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

💚 সঠিক রোগনির্ণয় ও অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শে হোমিওপ্যাথি অনেক জটিল সমস্যার কার্যকর সমাধান দিতে সক্ষম।
Dr. Sumon’s Health & Harmony with Homeopathy
Dr. Sumon Kr Biswas
BHMS; MD (Hom); MPH

#বাংলাহোমিওপ্যাথি

ভারতের শীর্ষস্থানীয় চিকিৎসা শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান All India Institute of Medical Sciences (AIIMS) ভোপাল সমন্বিত চি...
13/04/2026

ভারতের শীর্ষস্থানীয় চিকিৎসা শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান All India Institute of Medical Sciences (AIIMS) ভোপাল সমন্বিত চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রসারে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বিশ্ব হোমিওপ্যাথি দিবস উপলক্ষে প্রতিষ্ঠানটি ঘোষণা করেছে যে, আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাশাপাশি হোমিওপ্যাথিকে অন্তর্ভুক্ত করে ইন্টিগ্রেটেড মেডিসিন-ভিত্তিক গবেষণা ও রোগীসেবাকে আরও সম্প্রসারিত করা হবে।

প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গেছে, অ্যালোপ্যাথি ও হোমিওপ্যাথির সমন্বিত ব্যবহারের মাধ্যমে অ্যালার্জিক রাইনাইটিস, প্রোস্টেট বৃদ্ধিজনিত সমস্যা, কিডনির পাথর এবং সিকেল সেল রোগের মতো জটিল অসুস্থতার দীর্ঘমেয়াদি সমাধান অনুসন্ধানে কাজ চলছে।

AIIMS ভোপালের হোমিওপ্যাথি ইউনিট ইতোমধ্যে ইএনটি ও জেনারেল সার্জারি বিভাগের সঙ্গে যৌথ গবেষণা পরিচালনা করেছে। বিশেষত অ্যালার্জিক রাইনাইটিস এবং এনাল ফিশার-সংক্রান্ত গবেষণায় আশাব্যঞ্জক ফলাফল পাওয়া গেছে বলে সংশ্লিষ্ট বিভাগ জানিয়েছে।

এছাড়া নতুন পর্যায়ে যেসব রোগ নিয়ে সমন্বিত গবেষণা শুরু হচ্ছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে—
• সিকেল সেল রোগ
• টিনিটাস
• ফ্যাটি লিভার
• ডায়াবেটিক ফুট আলসার

এ ধরনের বহুবিভাগীয় গবেষণা ভবিষ্যতের চিকিৎসা ব্যবস্থায় সমন্বিত পদ্ধতির কার্যকারিতা মূল্যায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে বিশেষজ্ঞদের অভিমত।

প্রতিষ্ঠানের কার্যনির্বাহী পরিচালক Madhavanand Kar জানিয়েছেন যে, AIIMS ভোপাল বর্তমানে এভিডেন্স-বেসড রিসার্চ-কে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

তিনি আরও জানান, শিগগিরই Central Council for Research in Homoeopathy-এর সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হবে। এর মাধ্যমে বিশেষ করে সিকেল সেল রোগের ওপর গবেষণা আরও গতিশীল হবে।

অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স মোকাবিলায় নতুন সম্ভাবনা

মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান বিশ্বে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স একটি গুরুতর জনস্বাস্থ্য সমস্যা। ডায়াবেটিক ফুট সংক্রমণে হোমিওপ্যাথিক ওষুধের সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে গবেষণা ভবিষ্যতে অ্যান্টিবায়োটিকের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমাতে সহায়ক হতে পারে।

এটি চিকিৎসা বিজ্ঞানের জন্য একটি সম্ভাবনাময় গবেষণা ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

অ্যালার্জি, কিডনি ও ইউরোলজিতে ইতিবাচক ফল

ইএনটি বিভাগের বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন যে, হোমিওপ্যাথি ও Fluticasone-এর সমন্বিত ব্যবহারে অ্যালার্জি রোগীদের দীর্ঘমেয়াদি উপশম দেখা যাচ্ছে।

অন্যদিকে, ইউরোলজি ও বায়োকেমিস্ট্রি বিভাগের যৌথ পর্যবেক্ষণে কিডনির পাথর এবং পুনঃপুন ইউরিন ইনফেকশনের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক ফলাফল লক্ষ্য করা গেছে।

এছাড়াও এনাল ফিশার ও ডার্মাটোফাইটোসিস-এর মতো সমস্যায়ও গবেষণা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

ভবিষ্যতের চিকিৎসা: সমন্বিত পদ্ধতির দিকে অগ্রযাত্রা
AIIMS ভোপালের এই উদ্যোগ চিকিৎসা ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনার একটি স্পষ্ট ইঙ্গিত বহন করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী দিনের স্বাস্থ্যসেবায় বিভিন্ন চিকিৎসা পদ্ধতির সমন্বিত ব্যবহারই হবে মূল ধারা, যেখানে রোগীকেন্দ্রিক, দীর্ঘমেয়াদি এবং বহুমাত্রিক ফলাফলকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে
Dr. Sumon’s Health & Harmony with Homeopathy
…………………………………………………………………………
Dr. Sumon Kr Biswas
BHMS (NIH Kolkata)
M. D (Gold medalist) (Govt Homeopathy Medical College Hyderabad)
MPH ( Epidemiology) Tata Institute Mumbai
PhD (Scholar)

টেস্টোস্টেরন হরমোন বাড়ানোর ১০টি সেরা উপায় (বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত)১. ভালো ঘুম নিশ্চিত করুন৭-৮ ঘণ্টা নিয়মিত গভীর ঘুম টেস্...
24/03/2026

টেস্টোস্টেরন হরমোন বাড়ানোর ১০টি সেরা উপায় (বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত)

১. ভালো ঘুম নিশ্চিত করুন
৭-৮ ঘণ্টা নিয়মিত গভীর ঘুম টেস্টোস্টেরন লেভেল স্বাভাবিক রাখে। ঘুম কম হলে হরমোন কমে যায়।

২. নিয়মিত ব্যায়াম করুন (বিশেষত kegel,ওজন তোলা ও HIIT)
স্ট্রেংথ ট্রেনিং ও হাই-ইনটেনসিটি ইন্টারভ্যাল ট্রেনিং টেস্টোস্টেরন দ্রুত বাড়ায়।

৩. সুষম খাবার খান (Protein + Fat + Zinc)
হাঁসের ডিম, সামুদ্রিক মাছ, গরুর মাংস, বাদাম, অলিভ অয়েল, দই, দুধ—এসব খাবার টেস্টোস্টেরন বৃদ্ধিতে সহায়ক।

৪. ভিটামিন D লেভেল ঠিক রাখুন
সূর্যের আলো বা সাপ্লিমেন্টের মাধ্যমে ভিটামিন D গ্রহণ টেস্টোস্টেরন বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

৫. Stress কমান (Cortisol কমান)
নেগেটিভ চিন্তা,অতিরিক্ত মানসিক চাপ কর্টিসল বাড়ায়, যা টেস্টোস্টেরন কমিয়ে দেয়।

৬. নেশা, গাজা ,অ্যালকোহল, ধূমপান ও মাদক থেকে দূরে থাকুন
এগুলো সরাসরি টেস্টোস্টেরন উৎপাদনে বাধা দেয় এবং শুক্রাণুর মানও নষ্ট করে।

৭. Healthy Body Weight বজায় রাখুন
অতিরিক্ত চর্বি বা স্থূলতা টেস্টোস্টেরন হ্রাসের বড় কারণ।

৮. যৌ-ন সক্রিয়তা বজায় রাখুন
নিয়মিত বৈবাহিক যৌ-ন জীবন টেস্টোস্টেরন লেভেল স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে।

৯. Zinc ও Magnesium সমৃদ্ধ খাবার খান
কুমড়ার বিচি, কাজুবাদাম, পালং শাক, ডিম, মাংস—এগুলো টেস্টোস্টেরন বৃদ্ধি করে।

১০. প্রতিদিন অন্তত ১৫-২০ মিনিট নিরিবিলি জায়গায় থাকুন ও মানসিক প্রশান্তি রাখুন
রোদে থাকা, ধ্যান, নামাজ, বা প্রকৃতির মাঝে সময় কাটানো হরমোন ব্যালান্সের জন্য কার্যকর।
Dr. Sumon’s Health & Harmony with Homeopathy
Dr. Sumon K Biswass
BHMS(National Institute of Homeopathy, Kolkata)
M.D(Hom)(Gold Medalist)Govt. Homoeopathic Medical College, Hyderabad)
MPH (Epidemiology)( Tata Institute Mumbai)
Ex-House Physician (NIH-Saltlake Homeopathy Hospital)
Ex-Health officer Save the Children International BD.

নমস্কার। শুভ সন্ধ্যা। আশা করি সবাই সুস্থ আছেন। আমি ডা. সুমন কুমার বিশ্বাস।আমরা ফেসবুকে স্ক্রল করার সময় অনেক স্বাস্থ্য সচ...
17/03/2026

নমস্কার। শুভ সন্ধ্যা। আশা করি সবাই সুস্থ আছেন।
আমি ডা. সুমন কুমার বিশ্বাস।

আমরা ফেসবুকে স্ক্রল করার সময় অনেক স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক পোস্ট দেখি—হার্টের স্বাস্থ্য, কিডনির স্বাস্থ্য, বা ওজন কমানো নিয়ে। কিন্তু একটি বিষয় নিয়ে আমরা সবাই জানি, অথচ কথা বলতে দ্বিধা করি বা লজ্জাবোধ করি, তা হলো পুরুষদের 'যৌন স্বাস্থ্য' বা 'সেক্সুয়াল ভাইটালিটি' [Sexual Vitality]।

আজকে আমি কোনো জাদুকরী ওষুধের কথা বলব না। একজন চিকিৎসক এবং এপিডেমিওলজিস্ট [Epidemiologist] হিসেবে আমি আপনাদের সামনে এই সমস্যার আসল এবং বৈজ্ঞানিক কারণগুলো তুলে ধরব, যা সাধারণ বিজ্ঞাপনে বলা হয় না।

অনেকেই আমাকে প্রশ্ন করেন, "ডাক্তারবাবু, আমার তো কোনো বড় অসুখ নেই, ডায়াবেটিস নেই, প্রেসার নেই। তবুও কেন আমি সবসময় ক্লান্ত অনুভব করি? কেন আমার পারিবারিক জীবনে আগের মতো উৎসাহ পাচ্ছি না?"
এর উত্তর আমার M.D গবেষণা এবং MPH (Epidemiology)—উভয় ক্ষেত্রেই আমি দেখেছি: যৌন সমস্যার মূল কারণগুলো অধিকাংশ সময় শারীরিক নয়, বরং মানসিক এবং জীবনযাত্রার সাথে জড়িত।
আমরা একটি ভুল ধারণা নিয়ে চলি যে, যৌন সক্ষমতা মানেই কেবল একটি শারীরিক বিষয়। কিন্তু চিকিৎসা বিজ্ঞান বলে, এটি আপনার মনের এবং শরীরের হরমোনাল ব্যালেন্সের [Hormonal Balance] নিখুঁত সমন্বয়। বর্তমান সময়ের দ্রুতগতির জীবনযাত্রা এবং অতিরিক্ত প্রতিযোগিতা আমাদের এই ভারসাম্য নষ্ট করে দিচ্ছে।

আসুন, এবার এর বৈজ্ঞানিক কারণটি সহজভাবে বুঝে নিই। যখন আমরা অতিরিক্ত মানসিক চাপে [Chronic Stress] থাকি—সেটা অফিসের কাজের চাপ হোক, পারিবারিক চিন্তা হোক বা আর্থিক দুশ্চিন্তা—তখন আমাদের শরীরের একটি বিশেষ সিস্টেম, যাকে আমরা HPA Axis বলি, তা অতিমাত্রায় সক্রিয় হয়ে ওঠে।
এর ফলে কী হয়?
• আপনার শরীরে Cortisol [এটি একটি স্ট্রেস হরমোন] এর মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়।
• এই বর্ধিত কর্টিসল সরাসরি পুরুষদের প্রধান হরমোন, Testosterone এর উৎপাদন কমিয়ে দেয় [Testosterone Reduction]। টেস্টোস্টেরন কমে গেলে কেবল যৌন আকাঙ্ক্ষাই কমে না, আপনার শরীরের এনার্জি লেভেল, পেশীর গঠন এবং আত্মবিশ্বাসও কমে যায়।
• এছাড়াও, স্ট্রেস আমাদের রক্তনালীগুলোকে সংকুচিত করে তোলে [Vascular Constriction]। সঠিক রক্ত সঞ্চালন ছাড়া সুস্থ যৌন কার্যকারিতা অসম্ভব।

#এপিডেমিওলজিক্যাল ডাটা [Epidemiological Data] বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বর্তমান তরুণ এবং মধ্যবয়সী পুরুষদের ৭০% যৌন সমস্যার কারণ হলো এই হরমোনাল এবং নিউরোলজিক্যাল ইন্টারাপশন
আপনার শরীর আপনাকে কিছু প্রাথমিক সংকেত [Early Warning Signs] দেয়, যা আমরা প্রায়শই 'স্বাভাবিক ক্লান্তি' বলে অবহেলা করি। এই লক্ষণগুলো খেয়াল করুন:
১. সারাদিন অবসাদ বা চূড়ান্ত ক্লান্তি অনুভব করা [Constant Fatigue]।
২. হুটহাট মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাওয়া বা বিষণ্ণতা।
৩. রাতে ঠিকমতো ঘুম না হওয়া বা অনিদ্রা [Insomnia]।
৪. সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতার অভাব বা আত্মবিশ্বাসের অভাব বোধ করা।
৫. স্বাভাবিক পারিবারিক সম্পর্কের প্রতি আগ্রহ কমে যাওয়া [Low Libido/Intimacy]।
যদি এই লক্ষণগুলোর মধ্যে ৩টি বা তার বেশি আপনার মধ্যে থাকে, তবে এটি আর 'স্বাভাবিক ক্লান্তি' নয়—আপনার শরীর চিকিৎসার দাবি করছে।

এখন প্রশ্ন হলো, এর সমাধান কী?
এর সমাধান কোনো চটকদার বিজ্ঞাপন বা সাময়িক 'শক্তিবর্ধক' বড়ি নয়। এই ওষুধগুলো সমস্যার সমাধান তো করেই না, বরং হার্ট এবং কিডনির মারাত্মক ক্ষতি করে।
প্রকৃত সমাধান হলো:
একটি পূর্ণাঙ্গ ক্লিনিক্যাল এবং বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি [Holistic and Clinical Approach]। আমাদের শরীরের অভ্যন্তরীণ ভারসাম্য পুনরুদ্ধার করতে হবে। আমি আমার দীর্ঘ অভিজ্ঞতায় দেখেছি, সঠিক কনস্টিটিউশনাল চিকিৎসার [Constitutional Treatment] মাধ্যমে এই ধরণের সমস্যাগুলো চিরস্থায়ীভাবে নির্মূল করা সম্ভব।

আপনার ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য সম্পর্কিত কোনো প্রশ্ন থাকলে বা গোপনীয়তা বজায় রেখে আলোচনা করতে চাইলে, আপনি সরাসরি আমাকে ইনবক্স করতে পারেন। লজ্জা বা দ্বিধা নয়, সচেতনতাই সুস্থতার চাবিকাঠি।
ধন্যবাদ। সুস্থ থাকুন, সচেতন থাকুন।
Dr. Sumon’s Health & Harmony with Homeopathy

Dr. Sumon Kr Biswas
BHMS(National Institute of Homeopathy, Kolkata)
M.D(Hom)(Gold Medalist)Govt. Homoeopathic Medical College, Hyderabad)
MPH (Epidemiology)( Tata Institute Mumbai)
Ex-House Physician (NIH-Saltlake Homeopathy Hospital)
Ex-Health officer Save the Children International BD.

বর্তমান বিশ্বে মানুষ প্রতিনিয়ত তার মন ও দেহের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলছে। এর ফলে যে ভয়াবহ সংকটের দিকে আমরা ধাবিত হচ্ছি, ...
15/03/2026

বর্তমান বিশ্বে মানুষ প্রতিনিয়ত তার মন ও দেহের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলছে। এর ফলে যে ভয়াবহ সংকটের দিকে আমরা ধাবিত হচ্ছি, চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় তাকে বলা হয় মেটাবলিক সিনড্রম বা মেটাবলিক ডিসঅর্ডার। এটি কোনো সাধারণ অসুস্থতা নয়, বরং শরীরের ভেতরে ঘটে যাওয়া এক মহাবিপর্যয়ের সংকেত!

কীভাবে বুঝবেন আপনি এই মরণফাঁদে পা দিয়েছেন?
নিজের শরীর নিজেই পরীক্ষা করে দেখুন। আপনার বাহুর নিচের চামড়া যতটা পাতলা, পেটের চামড়া কি তার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি পুরু? আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে দেখুন তো আপনার ভুঁড়ি কি বুক ছাপিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে আছে? যদি উত্তর ‘হ্যাঁ’ হয়, তবে নিশ্চিত থাকুন আপনি ইতিমধ্যেই ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স এবং ফ্যাটি লিভার নামক নীরব ঘাতকের কবলে পড়েছেন!

মনে রাখবেন, ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স আর ফ্যাটি লিভার হলো ধ্বংসের শুরু, যার শেষ পরিণতি হতে পারে ক্যানসার! চিকিৎসকদের মতে, প্রায় ৬০ রকমের প্রাণঘাতী রোগ এই মেটাবলিক অসুস্থতার ডালপালা। এর তালিকায় রয়েছে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, স্থূলতা, হৃদরোগ, আর্থ্রাইটিস, হাঁপানি, অ্যালার্জি, ব্রেন স্ট্রোক, দীর্ঘস্থায়ী ডিপ্রেশন, অনিদ্রা, রক্তে বি/ষা/ক্ত চর্বি বা ট্রাইগ্লিসারাইড বেড়ে যাওয়া, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, থাইরয়েড সমস্যা, মেয়েদের পিসিওএস এবং সবশেষে ক্যানসার!

এখনো কি সচেতন হওয়ার সময় আসেনি?
পঙ্গুত্ব কিংবা চিরস্থায়ী অক্ষমতা আপনাকে গ্রাস করার আগেই নিজের দেহের ওপর লাগাম টানুন। যখন ইচ্ছা তখন এবং যা ইচ্ছা তা খাওয়ার রাক্ষুসে অভ্যাস আজই বর্জন করুন। সুস্থ থাকতে হলে দিনে ১ বার বা সর্বোচ্চ ২ বার খাবার খান। খেলে দুই খাবারের মাঝে কমপক্ষে ৫ থেকে ৮ ঘণ্টার বিরতি দিন। এই সময়ের মধ্যে এক মুঠো মুড়ি কিংবা দুটো বিস্কুটও মুখে দেবেন না! মনে রাখবেন, বারবার খাবার গ্রহণ আপনার ইনসুলিন লেভেলকে সবসময় উঁচুতে রাখে, যা শরীরকে সুস্থ হতে দেয় না।

পেট পুরে খাওয়ার বদভ্যাসটি ভুলে গিয়ে সঠিক পুষ্টির দিকে নজর দিন। খাদ্য তালিকায় পর্যাপ্ত প্রোটিন, ভালো মানের ফ্যাট এবং অল্প পরিমাণে মরসুমি শাকসবজি-ফল ও হোলগ্রেইনস ও লিগিউমস রাখুন। অপ্রয়োজনীয় কার্বোহাইড্রেট ও চিনি থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে নিন।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম হলো, ঘুমানোর অন্তত ৩ ঘণ্টা আগে রাতের খাবার শেষ করা। পাকস্থলী যখন খালি থাকে, তখন শরীর মেরামতের সুযোগ পায়। খালি পেটে ঘুমানোর মানে কিন্তু না খেয়ে কষ্ট পাওয়া নয়; কারণ আপনার পাকস্থলী খালি হলেও ক্ষুদ্রান্ত্রে তখনও হজম প্রক্রিয়া চলতে থাকে। শুধু এই একটি অভ্যাস আপনার জীবন থেকে বহু বড় বড় রোগকে চিরতরে বিদায় করে দিতে পারে।

এটা কি খুব কঠিন মনে হচ্ছে?
একবার ভেবে দেখুন তো, এই সামান্য নিয়ম মেনে চলা কি সেই পরিস্থিতির চেয়েও কঠিন, যখন আপনার শরীরের অর্ধেক অংশ অবশ হয়ে পড়ে থাকবে? কল্পনা করুন সেই মুহূর্তটি, যখন আপনি চাইলেও নিজের এক গ্লাস পানি তুলে খেতে পারবেন না, কারণ ব্রেন স্ট্রোক আপনাকে অন্যের ওপর চিরকাল নির্ভরশীল করে দিয়েছে। আপনার নিজের হাত-পা আর আপনার কথা শুনছে না। দয়া করে হাসপাতালের ওয়ার্ডে অর্ধাঙ্গ রোগে আক্রান্ত মানুষদের করুণ চেহারার দিকে তাকান। তাদের অসহায়ত্ব আপনাকে মনে করিয়ে দেবে যে, আজ যে বদভ্যাসকে আপনি আনন্দ মনে করছেন, কাল তা আপনার জীবনকে নরক বানিয়ে দিতে পারে।
এখনই সিদ্ধান্ত নিন। আপনি কি সুস্থ দেহের মালিক হবেন, নাকি এই মেটাবলিক অসুখের দাসে পরিণত হবেন?

আপনার মেটাবলিক স্বাস্থ্য পুনর্গঠন করার জন্য প্রোটিন এবং ফ্যাট হলো সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র।
আপনার শরীরের ইঞ্জিন চালানোর জন্য জ্বালানি প্রয়োজন। যখন আপনি কার্বোহাইড্রেট বা চিনি খান, শরীর সেটাকে দ্রুত পুড়িয়ে ফেলে এবং আবার ক্ষুধার্ত হয়ে পড়ে। কিন্তু প্রোটিন এবং ফ্যাট শরীরকে দীর্ঘক্ষণ শক্তি দেয় এবং কোষের মেরামত করে।
এজন্য প্রোটিন হলো সবার আগে। প্রোটিন হলো শরীরের প্রধান গাঠনিক উপাদান। হরমোন তৈরি থেকে শুরু করে পেশি গঠন, সবখানেই এর প্রয়োজন।
আপনার মস্তিষ্ক ততক্ষণ পর্যন্ত ক্ষুধার সংকেত পাঠাতে থাকবে, যতক্ষণ না শরীর তার প্রয়োজনীয় প্রোটিন পায়। যদি প্রোটিন কম খেয়ে ভাত-রুটি-শাকসবজি বেশি খান, তবে আপনার বারবার খিদে পাবে এবং প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ক্যালোরি খেয়ে ফেলবেন!

প্রোটিন হজম করতে শরীরের অনেক বেশি শক্তি খরচ হয়। একে বলা হয় থার্মিক ইফেক্ট। অর্থাৎ প্রোটিন খেলে আপনার বিপাক প্রক্রিয়া বা মেটাবলিজম বাড়ে।
প্রোটিন খেলে শরীরে 'পেপটাইড ওয়াই-ওয়াই' নামক হরমোন নিঃসৃত হয় যা পেট ভরা থাকার অনুভূতি বা তৃপ্তি দেয়।

প্রোটিন খেয়ে মেটাবলিজম বাড়ানো শরীরের জন্য কোনো সমস্যা নয়, বরং এটি একটি অত্যন্ত পজিটিভ এবং প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া।
কার্বোহাইড্রেট হজম করতে শরীর মাত্র ৫ থেকে ১০% শক্তি খরচ করে। ফ্যাট হজম করতে খরচ হয় মাত্র ০ থেকে ৩%।
কিন্তু প্রোটিন হজম করতে শরীরকে ২০ থেকে ৩০% শক্তি খরচ করতে হয়।
অর্থাৎ, আপনি যদি ১০০ ক্যালোরি প্রোটিন খান, তবে শরীর সেটি প্রসেস করতেই প্রায় ৩০ ক্যালোরি পুড়িয়ে ফেলে। এটি কোনো অস্বাভাবিক চাপ নয়, বরং শরীরের একটি স্বাভাবিক মেকানিজম যা আপনার ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে!

মেটাবলিজম বাড়া মানে আপনার শরীর অলস বসে নেই। এটি আপনার শরীরের তাপমাত্রা ঠিক রাখছে, হরমোন তৈরি করছে এবং কোষ মেরামত করছে। এটি বাড়লে আপনি আরও বেশি কর্মক্ষম এবং এনার্জেটিক অনুভব করবেন!

অনেকে মনে করেন বেশি প্রোটিন খেলে কিডনির সমস্যা হয়। কিন্তু আসল সত্য হলো, যাদের আগে থেকেই গুরুতর কিডনি রোগ আছে তাদের প্রোটিন মেপে খেতে হয় ঠিক আছে। কিন্তু একজন সুস্থ মানুষের জন্য ঐতিহ্যবাহী খাদ্য যেমন- গরুর মাংস, মাছ, মুর্গি, ডিম ইত্যাদি থেকে পাওয়া প্রোটিন কিডনির কোনো ক্ষতি করে না। বরং এটি নানাভাবে কিডনি সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। তবে অবশ্যই খেয়াল রাখবেন- প্রোটিন যেন প্রাকৃতিক উৎস থেকে আসে এবং সাথে পর্যাপ্ত পানি ও হালকা শাকসবজি বা ফাইবার থাকে।

এবার আসি ফ্যাটের কথায়। ফ্যাট হলো আপনার কোষের আসল জ্বালানি।
দীর্ঘদিন ধরে আমাদের শেখানো হয়েছে- স্যাচুরেটেড ফ্যাট মানেই ক্ষতিকর, কিন্তু আসল সত্য হলো ঐতিহ্যবাহী খাদ্যের ফ্যাট আপনার হরমোন এবং মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য! আমাদের মস্তিষ্কের প্রায় ৬০ শতাংশই চর্বি! তাই পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যকর ফ্যাট না খেলে বিষণ্নতা বা ডিপ্রেশন এবং মনোযোগের অভাব দেখা দেয়! (কাজেই এবার বুঝতেই পারতেছেন যারা আপনাকে বলে ফ্যাট থেকে দূরে থাকতে তারা আসলে কি চায়!)

তারপর কার্বোহাইড্রেট খেলে ইনসুলিন অনেক বেড়ে যায়, যা চর্বি জমানোর হরমোন। কিন্তু ভালো মানের ফ্যাট যেমন- ঘি, মাখন, গরু-খাসির তেল, ফিশ অয়েল, নারকেল তেল ইত্যাদি খেলে ইনসুলিন প্রায় বাড়ে না বললেই চলে। এটি ফ্যাটি লিভার ও ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স সারাতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে!
ভিটামিন এ, ডি, ই এবং কে কেবলমাত্র ফ্যাটের উপস্থিতিতেই শরীর শোষণ করতে পারে! তাই ফ্যাট ছাড়া ডায়েট করলে শরীর কনফার্ম পুষ্টিহীনতায় ভোগে!

সুস্থ হতে হলে আপনাকে রিয়েল খাবারের দিকে ফিরে যেতে হবে। যেমন- ডিম (কুসুমসহ), চর্বিযুক্ত মাছ, দেশি মুরগি, গরু-খাসি-ভেড়ার মাংস, ঘি, মাখন ইত্যাদি। এগুলো হলো বায়ো-অ্যাভেলেবল প্রোটিন ও ফ্যাটের উৎস যা শরীর সহজে গ্রহণ করতে পারে।
বাদ দিন সব ধরনের রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেট, রিফাইন্ড সুগার, প্রসেসড ফুড, রাইসব্র‍্যান তেল, পাম তেল, ক্যানোলা তেল, সয়াবিন তেল, সানফ্লাওয়ার তেল ইত্যাদি। এগুলো শরীরের ইনফ্লামেশন বা প্রদাহ বাড়িয়ে দেয়।

দিনে ১/২ বারে খাওয়া সম্পন্ন করে বাকী সময় অনাহারে থাকুন। যখন আপনি কিছু খাচ্ছেন না, তখন শরীর জমানো চর্বি বা ফ্যাট পুড়িয়ে শক্তি উৎপাদন করবে। একেই বলা হয় ফ্যাট অ্যাডাপ্টেশন। প্রোটিন এবং ফ্যাটকে গুরুত্ব দিয়ে আপনি আপনার হরমোনাল ভারসাম্য সহজেই ফিরিয়ে আনতে পারেন।
মেটাবলিক সিনড্রম কোনো ভাগ্য নয়, এটি আপনার ভুল খাদ্যাভ্যাসের ফল।

দ্রুত বীর্যপাত হলে যে ৫টি পরীক্ষা করা ভালোদাম্পত্য জীবনে দ্রুত বীর্যপাত (Premature Ej*******on) একটি সাধারণ সমস্যা। সঠিক...
14/03/2026

দ্রুত বীর্যপাত হলে যে ৫টি পরীক্ষা করা ভালো
দাম্পত্য জীবনে দ্রুত বীর্যপাত (Premature Ej*******on) একটি সাধারণ সমস্যা। সঠিক কারণ খুঁজে বের করতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা করা প্রয়োজন।
১️..Semen Analysis (বীর্য পরীক্ষা)
এই পরীক্ষায় দেখা হয়—
স্পার্মের সংখ্যা
স্পার্মের গতি
স্পার্মের গঠন
এর মাধ্যমে বীর্যের মান সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।
২️.. Testosterone Test
টেস্টোস্টেরন হলো পুরুষদের প্রধান যৌন হরমোন।
এই হরমোন কম থাকলে অনেক সময়
যৌন দুর্বলতা
আগ্রহ কমে যাওয়া
দ্রুত বীর্যপাত
দেখা দিতে পারে।
৩️.. Blood Sugar Test
ডায়াবেটিস থাকলে অনেক সময় যৌন সমস্যার ঝুঁকি বাড়ে। তাই রক্তে শর্করা পরীক্ষা করা গুরুত্বপূর্ণ।
৪️... Thyroid Test (TSH)
থাইরয়েড হরমোনের সমস্যা থাকলেও অনেক সময় দ্রুত বীর্যপাত বা যৌন দুর্বলতা দেখা দিতে পারে।
৫️.. Urine R/E Test
মূত্রনালী বা প্রোস্টেটের কোনো সংক্রমণ (Infection) আছে কিনা তা বোঝার জন্য এই পরীক্ষা করা হয়।

🏥 Dr Sumon's Health & Harmony – Advanced Homeopathy Clinic

👨‍⚕️ ডা. সুমন কুমার বিশ্বাস
PhD Scholar (IISER Kolkata)
MD (Hom) – Gold Medalist
MPH – Epidemiology (TATA, Mumbai)
BHMS – National Institute of Homeopathy, Kolkata
Ex-Health Officer, Save the Children International

💊 নিরাপদ ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন চিকিৎসা
🌱 শরীর, মন ও জীবনের সামগ্রিক সুস্থতার জন্য

📞 অ্যাপয়েন্টমেন্ট: 01987-367955

📩 পরামর্শের জন্য ইনবক্স করতে পারেন।

আপনার পরিচিত কেউ যদি এই সমস্যায় ভোগেন, পোস্টটি তাকে শেয়ার করুন।

13/03/2026

সকালে ঘুম থেকে উঠেই পায়ের গোড়ালিতে তীব্র ব্যথা?
প্রথম পা ফেলতেই মনে হয় সুচ ফুটছে? অবহেলা করবেন না!
এই সমস্যা অনেক সময় Plantar Fasciitis এর কারণে হয়। সারারাত বিশ্রামের পর পায়ের নিচের টিস্যু শক্ত হয়ে যায়, তাই সকালে ব্যথা বেশি অনুভূত হয়।
🎥 এই ভিডিওতে জানুন—
✅ কেন গোড়ালি ব্যথা হয়
✅ কারা বেশি ঝুঁকিতে থাকেন
✅ কীভাবে ঘরোয়া উপায়ে উপশম পাবেন
✅ কোন কোন হোমিওপ্যাথিক ওষুধ উপকারী
🌿 প্রাকৃতিক টিপস:
✔ কুসুম গরম পানিতে লবণ দিয়ে ১০ মিনিট পা ডুবিয়ে রাখুন
✔ নিয়মিত স্ট্রেচিং করুন
✔ শক্ত সোলের জুতো এড়িয়ে চলুন
💊 লক্ষণ অনুযায়ী হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন:
Ruta, Rhus tox, Calcarea fluor, Ledum pal (চিকিৎসকের পরামর্শে)
দীর্ঘদিন ব্যথা থাকলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
Kr Biswas

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Sumon’s Health & Harmony with Homeopathy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Sumon’s Health & Harmony with Homeopathy:

Share