Diabetes & Hormone Care

Diabetes & Hormone Care ডায়াবেটিস ও হরমোন জনিত রোগের বিষয়ে সচ?

গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিস হলে কী করবেনপ্রশ্ন : গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিস কি?উত্তর : ডায়াবেটিস মানে রক্তের শর্করার আধিক্য।সাধারণত...
23/05/2021

গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিস হলে কী করবেন

প্রশ্ন : গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিস কি?

উত্তর : ডায়াবেটিস মানে রক্তের শর্করার আধিক্য।
সাধারণত গর্ভাবস্থায় ২ ধরনের ডায়াবেটিস হয়।

১) আগে থেকেই ডায়াবেটিস আছে এমন রোগী গর্ভবতী হলে।
২) গর্ভবতী হবার কারনে ডায়াবেটিস দেখা দিলে।

প্রশ্ন : গর্ভাবস্থায় একজন নারী কীভাবে বুঝবেন তিনি ডায়াবেটিস আক্রান্ত?

উত্তর : এদের তেমন কোনো আলাদা লক্ষণ থাকে না। তবে ডায়াবেটিসের সাধারন লক্ষণগুলো থাকতে পারে। এসব ক্ষেত্রে চিকিৎসকরা রোগীর ইতিহাস জানেন। এ ছাড়া আগে শিশু জন্মানোর সময় ডায়াবেটিস ছিল কি না, আগের শিশু চার বা সাড়ে চার কেজির ওপরে ছিল কিনা, আগে যদি মৃত শিশু প্রসব হয়েছিল কিনা, —এসব তথ্য জানা হয়। এসব ক্ষেত্রে ওজিটিটি পরীক্ষা করানো হয়।

প্রশ্ন : গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিস হলে চিকিৎসকরা কী পরামর্শ দেন?

উত্তর : ডায়াবেটিস রোগী গর্ভধারণের পূর্বে অবশ্যই চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে ডায়াবেটিস আগে নিয়ন্ত্রণ করবেন এবং পরে গর্ভধারণ করতে হবে। যদি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে না থাকে তবে শিশু অস্বাভাবিকভাবে জন্ম নেওয়ার আশঙ্কা থাকে। এতে শিশু ও মা উভয়ের ক্ষতি হবে। শিশু স্বাভাবিকের থেকে একটু বড়/ বিকলাঙ্গ হয়ে জন্ম নিতে পারে। জন্মের পর শিশুর শরীরে শর্করার পরিমাণ বেশি হতে পারে। তাই এসব সমস্যা রোধে প্রথম থেকেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

অধিকাংশ ক্ষেত্রে গর্ভাবস্থার ডায়াবেটিস শুধু ডায়েট এবং ব্যায়ামের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে আনা যায়। এতে নিয়ন্ত্রণে না আসলে নিদিষ্ট কিছু ইনসুলিন ব্যবহার করা যায়। যাদের আগে থেকেই ডায়াবেটিস ছিল তাদের ইনসুলিন প্রয়োজন হয়।

প্রশ্ন : ডায়াবেটিসে আক্রান্ত সন্তানসম্ভবা মা কীভাবে নিজেকে সাহায্য করবে? কীভাবে তাঁর পরিবার তাঁকে যত্ন নিতে পারে?

উত্তর : ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ডায়েট মেনে চলা উচিত। যেসব খাবার ধীরে ধীরে হজম হয়ে শর্করা বাড়ায়, সেসব খাবার খাওয়া উচিত। চিনি ক্যান্ডি, যা দ্রুত রক্তের শর্করাকে বাড়িয়ে দেয় এসব খাবার এড়িয়ে যাওয়া উচিত। এসব ক্ষেত্রে তাঁর পরিবারের সদস্যদেরও সতর্ক থাকতে হবে।

প্রশ্ন : ডেলিভারির সময় কি আলাদা কোনো সতর্কতা নিতে হবে?

উত্তর : এসব রোগে শেষের দিকে শিশুটি মারা যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। সব সময় চেকআপের ভেতর থাকতে হবে। আলট্রাসনোগ্রামের মাধ্যমে গর্ভের শিশুটির শারীরিক বৃদ্ধি দেখতে হবে।

ডেলিভারির সময় ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ ও শিশু বিশেষজ্ঞে চিকিৎসকপর পরামর্শ নিতে হবে।

ডাঃ মোঃ জহুরুল হক
ডায়াবেটিস ও হরমোন বিশেষজ্ঞ

ডায়াবেটিস রোগীদের সবচেয়ে কমন যে জটিলতা হয় তা হল ডায়াবেটিক নিউরোপ্যাথি। এতে পায়ের সাধারণ অনুভূতি কমে যেতে পারে।ফলে পায়ে ক...
22/05/2021

ডায়াবেটিস রোগীদের সবচেয়ে কমন যে জটিলতা হয় তা হল ডায়াবেটিক নিউরোপ্যাথি। এতে পায়ের সাধারণ অনুভূতি কমে যেতে পারে।ফলে পায়ে ক্ষত তৈরি হতে পারে। পায়ে অস্বাভাবিক অনুভূতিও হতে পারে, যেমন- মরিচের মত জ্বলা, পিপড়া হাটার মত লাগা।
কিভাবে পায়ের যত্ন নিবেন?

- খালি পায়ে হাঁটবেন না।
-আরামদায়ক জুতা পরুন।
-মোজা ছাড়া জুতা পরবেন না।
-জুতা পরার আগে চেক করুন কোন কিছু রয়ে গেছে কিনা।
-সামনে প্রশস্ত এমন জুতা পরুন।
-পা শুষ্ক হতে দিবেন না।
-পায়ে গরম পানি বা বরফ লাগাবেন না।
-কোন কেমিক্যাল ব্যবহার করবেন না।
-নিয়মিত বাড়তি নখ কাটুন।
-প্রতিদিন নিজেই নিজের পা পরীক্ষা করুন।

ডায়াবেটিস নিউরোপ্যাথি থেকে বাঁচতে রক্তের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে রাখুন। আপনার এরূপ সমস্যা ইতোমধ্যেই হয়ে গিয়ে থাকলে ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

19/05/2021

মেয়েদের হরমোনের সমস্যা বুঝবেন কী করে?

হরমোনের স্বমন্বয়হীনতা থেকে নানা উপসর্গ দেখা দেয়।প্রতি মাসেরই একটি নির্দিষ্ট সময়ে নারীদের শরীরে হরমোনের ক্রিয়াকলাপ বেড়ে যায়। এ সময়ে হরমোন শারীরিক এবং মানসিক অবস্থার ওপর বেশ বড় প্রভাব রাখে। পিরিয়ডের পর শরীর স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এলেও মাঝে মাঝে দেখা যায় অনেক দিন ধরে রয়ে গেছে এসব উপসর্গ। শরীরে হরমোনের ভারসাম্য এভাবে ব্যহত হবার পেছনে থাকতে পারে গুরুতর কোনো শারীরিক সমস্যা। বিশেষ করে কয়েকটি বিপজ্জনক লক্ষণ দেখতে পেলে বিশেষজ্ঞদের কাছে স্বাস্থ্য পরামর্শ নেওয়া জরুরী। এগুলো হচ্ছে-
অবসাদ : অবসাদের অনেক অনেক কারণ থাকতে পারে। শুধুমাত্র ক্লান্তি মনে করে একে উড়িয়ে দেন অনেকেই। কিন্তু সারাক্ষণই ক্লান্ত থাকা এবং তার পাশাপাশি ওজন বেড়ে যাওয়া, রুচির পরিবর্তন এবং বদহজমের উপসর্গ থাকলে তা হলে পারে আন্ডারঅ্যাকটিভ থাইরয়েডের লক্ষণ।
ত্বকের অবনতি : ত্বকে ব্রণ ওঠার ব্যাপারটিও হেলাফেলার নয় মোটেই। প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের মুখের নিচের অংশে ব্রণ ওঠার সাথে শরীরে উঁচুমাত্রার টেস্টোস্টেরনের সংযোগ থাকতে পারে। শরীরের গোপন অঙ্গে হঠাৎ করে পশম জন্মাতে শুরু করতে পারে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বেড়ে যাবার কারণে। আর টেস্টোস্টেরন এভাবে বেড়ে যেতে পারে যদি শরীরে এক ধরণের টিউমার থেকে থাকে।
অনিয়মিত পিরিয়ড : অবসাদের মতই অনিয়মিত পিরিয়ডের পেছনেও থাকতে পারে অনেক কারণ। যেমন স্ট্রেস, থাইরয়েডের সমস্যা, ইস্ট্রোজেনের অভাব অথবা পি সি ও এস (পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোম)। পি সি ও এস এর লক্ষণ হলো অনিয়মিত পিরিয়ড, অনিয়ন্ত্রিত ওজন বাড়া অথবা শরীরে পশমের আধিক্য। তবে পিরিয়ড অনিয়মিত হবার পেছনে এটাই কি কারণ কিনা তা জেনে নিতে হবে, এরপর বিভিন্ন ধরণের চিকিৎসা পদ্ধতির মাধ্যমে এর প্রতিকার করা সম্ভব।
ঘুমের মাঝে ঘেমে যাওয়া : অনেকেই ঘুমের মধ্যে ঘেমে যান। বেডরুমে ইলেক্ট্রিসিটি থাকা সত্ত্বেও ঘেমে যাওয়া মানে, হতে পারে ইস্ট্রোজেনের অভাব এবং অনিয়মিত ডিম্বপাত। এই জটিলতাকে বলা হয় প্রি মেনোপজ। মেনোপজ হবার মতো বয়স হবার আরও বছর দশেক আগেই দেখা দিতে পারে প্রি মেনোপজ। এসব উপসর্গ দেখা দিলে অবশ্যই ডাক্তার দেখিয়ে নিশ্চিত হতে হবে।

ডাঃ মোঃ জহুরুল হক
ডায়াবেটিস ও হরমোন রোগ বিশেষজ্ঞ।

17/05/2021

















17/05/2021

ডায়াবেটিসের সুনির্দিষ্ট লক্ষণঃ
-ঘন ঘন প্রসাব হওয়া।
-বেশি পানি পিপাসা লাগা।
-বেশি ক্ষুধা পাওয়া।
-যথেষ্ট খাওয়া সত্ত্বেও ওজন কমে যাওয়া।
-ক্লান্তি ও দুর্বলতা বোধ করা।

সবাইকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা। ঈদ মোবারক। আপনার প্রতিটি মুহূর্ত হয়ে উঠুক বরকতময়। আল্লাহ আমাদের সবাইকে ক্ষমা করে দিন।
13/05/2021

সবাইকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা। ঈদ মোবারক। আপনার প্রতিটি মুহূর্ত হয়ে উঠুক বরকতময়। আল্লাহ আমাদের সবাইকে ক্ষমা করে দিন।

ভাষা শহীদদের প্রতি রইল বিনম্র শ্রদ্ধা।
21/02/2021

ভাষা শহীদদের প্রতি রইল বিনম্র শ্রদ্ধা।

11/02/2021

#ভ্যাকসিন_বিষয়ে_কিছু_বিভ্রান্তি_পরিষ্কার_হই ।

বাংলাদেশে আসা ভারতের ২০ লক্ষ উপহার আর পরে ৫০ লক্ষ কেনা ভ্যাকসিনের নাম কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন। এই ভ্যাকসিনের আবিষ্কারক ইংল্যান্ডের
অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা প্রতিষ্ঠান আর প্রস্তুতকারক ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট ।

সুতরাং এইটা ভারতের ভ্যাকসিন না। বাংলাদেশে যে ভ্যাকসিন এসেছে কিংবা আসবে বলে চুক্তি হয়েছে সেটা অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন। সেরাম ইনস্টিটিউট প্রস্তুতকারক মাত্র ।

আরও সহজে বলতে আইফোনের কথা ভাবতে পারেন। আইফোন এপলের আবিষ্কার। বানানো হয় চায়নায়। কিন্তু কেউ দাবী করে না আইফোন চায়না মাল। এখন আইফোনের স্থলে কোভিশিল্ড বসিয়ে নিলেই বিষয়টা সহজ হয়ে যাবে।

কেন ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট?
আর কোনো দেশ ছিল না?

নাহ্ ছিলো না।
সত্যি বলতে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিনের এতো বিশাল প্রডাকশন এই মুহুর্তে সেরাম ছাড়া অন্য কেউ এতো অল্প মূল্যে দিতে পারবে না। ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট পঞ্চাশ বছরের অধিক সময় ধরে ভ্যাকসিন উৎপাদন করে আসছে। সেরাম ইনস্টিটিউট দুনিয়ার সবচাইতে বড় ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান। সেরাম প্রতিদিন তেইশ লক্ষ করোনা ভ্যাকসিন উৎপন্ন করতে সক্ষম। মাসে পঞ্চাশ মিলিয়ন।তাদের টার্গেট এক বিলিয়ন ডোজ ভ্যাকসিন উৎপাদন যা নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে সাপ্লাই করা হবে। এবং এই মুহুর্তে তারাই একমাত্র এতো বৃহৎ স্কেলে অক্সফোর্ডের ফর্মুলায় ভ্যাকসিন উৎপাদনে সক্ষম। যা তারা ভুটান শ্রীলঙ্কা মালদ্বীপ সহ আনুমানিক আরও ত্রিশটা দেশে রপ্তানি করবে।
( হেপাটাইটিস বি, বিসিজি, সোয়াইন ফ্লু ভ্যাকসিন , ইনফ্লুয়েঞ্জা , সাপের কাপড়ের এমন বহু বহু ভ্যাকসিন সেরামের তৈরি )।

ভারতের ভ্যাকসিন বাংলাদেশে ট্রায়াল হচ্ছে কি ??

'ভারত বায়োটেক' নামে ভারতের আরেকটি প্রতিষ্ঠান নিজেরা ভ্যাকসিন তৈরি করেছে বলে দাবী করছে। তাদের ভ্যাকসিনের নাম কোভ্যাক্সিন। যা এখনও বিপণন বা বাজারজাতকরণের অনুমোদন পায়নি। কেবল ট্রায়ালের জন্য অনুমোদন পেয়েছে। প্রথম ধাপের ট্রায়াল শেষ হয়েছে, ভারত চাইছে দ্বিতীয় বা তৃতীয় ধাপের ট্রায়াল বাংলাদেশে করতে। 'ভারত বায়োটেকের' সেই ভ্যাকসিন বাংলাদেশে আসেনি। এখনো আসেনি। ট্রায়ালের কোন অনুমোদন এখন পর্যন্ত হয়নি।

কার্যকারিতা বা এফেক্টিভনেসের কথা ভাবলে মর্ডানা কিংবা ফাইজারের ভ্যাকসিন এগিয়ে।
সাকসেস রেট প্রায় ৯০ শতাংশ। অপরদিকে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিনের ৬২-৯০ %।

তবুও অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন কেন ? কেন মর্ডানা কিংবা ফাইজারের ভ্যাকসিন নয় ?

কারণ মর্ডানা কিংবা ফাইজারের ভ্যাকসিন কেনা, সংরক্ষণ এবং দেওয়ার মত সামর্থ্য বাংলাদেশের নাই।

অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিনের দাম
৩-৪ ডলার ( প্রতি ডোজ)। দিতে হবে দুই ডোজ।
খরচ পড়বে ৮ ডলার।

মর্ডানার ভ্যাকসিনের দাম ৩৩ ডলার ( প্রতি ডোজ(। দিতে হবে দুই ডোজ। খরচ পড়বে ৬৬ ডলার।

ফাইজারের ভ্যাকসিন দাম ২০ ডলার ( প্রতি ডোজ)। দিতে হবে দুই ডোজ। খরচ পড়বে ৪০ ডলার।

ধরলাম, দাম ইস্যু না। আমাদের পি কে হালদার একাই যদি দশ হাজার কোটি টাকা মেরে দিতে পারে, তবে টেকা-পয়সা আমাদের হাতের ময়লা। যদি টাকার হিসাব বাদও দেই, তবু মর্ডানা কিংবা ফাইজারের ভ্যাকসিন সংরক্ষণের সক্ষমতা আমাদের নেই । মর্ডানা ভ্যাকসিন মাইনাস ২০ ডিগ্রী সেলসিয়াসে সংরক্ষণ করতে হবে আর ফাইজারেরটা মাইনাস ৭০ ডিগ্রীতে। কোটি কোটি ডোজের এতো ভ্যাকসিন সংরক্ষণের কোল্ড স্টোরেজ আমাদের নেই, আমাদের কেনো অনেক দেশের নেই। অপরদিকে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন সাধারণ তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা যায়। বাসার ফ্রিজেও সেরামের ভ্যাকসিন সংরক্ষণ করা যায়।

না জেনে সমালোচনা নয়। যদি সমালোচনা করতে হয় আওয়াজ তুলুন চার ডলারের বদলে বন্ধু রাষ্ট্র ( ! ) হিসেবে আমরা আরও কমে প্রতি ডোজ ভ্যাকসিন কিভাবে পেতে পারি। ডিলিংসে আমাদের পররাষ্ট্র নীতি কতটা মজবুত।

ভারত বানাচ্ছে বলেই অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন ভালো না, অনিরাপদ, ভ্যাকসিন দিমু না। এইসব বালখিল্যতা বাদ দিতে হবে।
বরং আত্ম সমালোচনা করতে হবে ভারত একটা সেরাম ইনস্টিটিউট গড়তে পারলে আমরা আজ কেন পারলাম না।

আমাদের এমনভাবে এগিয়ে যেতে হবে একদিন অক্সফোর্ড যেন বাংলাদেশের কোন ভ্যাকসিন উৎপাদন সংস্থাকে আমন্ত্রণ জানিয়ে বলে ----
বস্ আপনারা আমাদের ভ্যাকসিনটা বানিয়ে দিন, বাংলাদেশ ছাড়া আমাদের যাওয়ার আর জায়গা নেই।

পৃথিবীর সেরা সেরা কিছু মাথা করোনার ভ্যাকসিন তৈরি করেছে, গ্রহণ করছে দুনিয়ার কোটি কোটি মানুষ। গ্রহণ করছে কারণ এইটা বিজ্ঞানের যুগ অযথা ঘৃণা কিংবা মিথ্যা তথ্যের না।

ফেসবুকের গুজবে নয়,পুর্ণ তথ্যে ভরসা রাখুন। বিজ্ঞানে বিশ্বাস করুন।

মহান আল্লাহ্‌ রাব্বুল আলামিন নিশ্চয়ই আমাদের মঙ্গল করবেন।

সূত্রঃ ডাঃ মোঃ ইকবাল হোসেন
বিভাগীয় প্রধান ও সিনিয়র সায়েন্টিস্ট
ICDDR'B, ঢাকা।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখুন, সুস্থ থাকুন।
30/09/2020

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখুন, সুস্থ থাকুন।

29/09/2020
29/09/2020

কোন সময়ে ব্যায়াম করা ভালো, আর কখন ব্যায়াম করা ঠিক নয় সে বিষয়ে
প্রফেসর ডাঃ এ বি এম আবদুল্লাহ স্যারের পরামর্শ হলো—
 সকালে ঘুম থেকে উঠেই ব্যায়াম করা যেতে পারে। দীর্ঘ সময় ঘুমের পর সকালে ব্যায়াম সারা দিন ফুরফুরে রাখতে পারে।
 এ ছাড়া সন্ধ্যার আগে বিকেলটাও ব্যায়াম করার জন্য উপযুক্ত সময়। যেহেতু ব্যায়াম করলে শরীরের ঘাম ঝরে, তাই ঠান্ডা আবহাওয়াতেই ব্যায়াম করা ভালো।
 দুপুরবেলা বা বেশি গরমে ব্যায়াম করলে সহজেই ক্লান্ত মনে হতে পারে। তাই এ সময়ে ব্যায়াম না করাই ভালো।
 অনেকে ব্যস্ততার জন্য সারা দিন সময় করে উঠতে পারেন না, তাঁরা রাতে ব্যায়াম করেন। এতে কোনো সমস্যা নেই।
 যাঁরা সারা দিন বাসায় থাকেন, তাঁরা চাইলে যেকোনো সময় ব্যায়াম করতে পারেন।
 ব্যায়ামের সময় অনেক বেশি খাবার খাওয়া ঠিক নয়। হালকা খাবার যেমন, একটা কলা বা বিস্কুট খেয়ে ব্যায়াম করলে উপকার পাওয়া যাবে।
 সকালে ব্যায়াম করতে গিয়ে অনেকে ব্যায়াম শেষে ভরপেট খেয়ে বাসায় ফেরেন। এতে ব্যায়ামের কোনো উপকারিতা থাকে না।
 যাঁরা নিয়মিত ব্যায়াম করেন, তাঁরা বেশি দিনের অবসর কাটালে বা কোথাও ঘুরতে গেলে খাবারের দিকে নজর রাখা উচিত। ঘুরতে গিয়ে বেশি দিন থাকার পরিকল্পনা করলে সুযোগ থাকলে টুকটাক ব্যায়াম করা যেতে পারে।
 ব্যায়াম করার আগে বা পরপরই বেশি পরিমাণে পানি খাওয়া ঠিক নয়। ব্যায়ামের পর একটু বিশ্রাম নিয়ে তারপর পানি খেতে পারেন।
 খাবারের মেন্যু থেকে যতটা সম্ভব মিষ্টি, কোমলপানীয়, ফাস্টফুড ইত্যাদি খাবার বাদ রাখাই ভালো। কারণ, এসব খাবার খেলে আপনার ব্যায়াম করা বৃথা হয়ে পড়বে।
 নিজে অসুস্থ থাকলে ব্যায়াম করার দরকার নেই। বিশেষ করে গর্ভকালীন চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ব্যায়াম করা উচিত নয়।
 যেকোনো ধরনের ব্যায়াম বা ডায়েট পরিকল্পনার জন্য চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে নেওয়া উচিত।

গ্লুকোমিটারের ব্যবহার নিয়ে আজকের প্রথম আলোতে  লিখেছেন ডা. এ বি এম কামরুল হাসান স্যার।
20/08/2020

গ্লুকোমিটারের ব্যবহার নিয়ে আজকের প্রথম আলোতে লিখেছেন ডা. এ বি এম কামরুল হাসান স্যার।

Address

Dhaka

Opening Hours

Monday 17:00 - 20:00
Wednesday 17:00 - 20:00
Saturday 17:00 - 20:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Diabetes & Hormone Care posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram