Dr Md Mohiuddin

Dr Md Mohiuddin INTERNATIONAL CLASSICAL HOMEOPATHY
A Center For Real Healing!

28/02/2026

মসজিদ থেকে নামাজ পড়ে বের হইতে একজন লোক আমাকে থামিয়ে জিজ্ঞেস করতেছে আমার বাড়ি কোথায়, উত্তর পেয়ে উনি আরও নিশ্চিত হয়ে বলতেছে "আমিত আপনাকে চিনি"
-আপনি কানের ডাক্তার! (উনার অই এলাকায় কয়েকজন কানের রোগী ভালো হইছিল উনি রোগীর এটেন্ডেন্স হয়ে আসছিলেন)

যে রোগীর যে রোগ ভালো হয় তখন অই রোগী মনে করে চিকিৎসক এই রোগে বিশেষজ্ঞ।
অনেক সময় তারা একই টাইপের রোগীর কাছে প্রচার করে ।
কিন্তু হোমিওপ্যাথিক সিস্টেমে এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল।হোমিওপ্যাথিতে রোগের নাম ধরে চিকিৎসা হয়না। যেকোনো ভালো চিকিৎসকের কাছে যেকোনো আরোগ্য যোগ্য রোগ ভালো হতে পারে,আর সঠিকভাবে রোগীর কেইস মূল্যায়ন করতে না পারলে যেকোনো সাধারণ রোগও ভালো হবেনা।
অনেক সময় দশজন পাইলসের রোগী দেখে যদি কোনমতে দুইজন উপকার পায় তখন অই দুইজনের রিভিউ নিয়ে প্রচার করা হয় , এই দিকে মানুষ মনে করে তার কাছে গেলেই এই রোগ সেরে যাবে।
সাধারণ মানুষের এই ভুলগুলো না শোধরালে প্রতিনিয়ত প্রতারিত হতে হবে।

আরোগ্য না করতে পারলেও অজ্ঞতা, অবহেলা, লোভ কিংবা দম্ভের কারণে আপনি রোগীর ক্ষতির কারণ হবেন না।
25/02/2026

আরোগ্য না করতে পারলেও অজ্ঞতা, অবহেলা, লোভ কিংবা দম্ভের কারণে আপনি রোগীর ক্ষতির কারণ হবেন না।

24/02/2026

অনেকেই এরূপ মন্তব্য করে থাকেন যে, হোমিওপ্যাথিক ঔষধ ভালো করতে না পারলেও কোন ক্ষতি করে না।
তাদের উদ্দেশ্যে ডা. ন্যাশ বলেন - যদি সাধারন কেউ একথা বলে থাকেন তাদের বুঝিয়ে বলা উচিত - যার উপকার করার ক্ষমতা আছে তার অপকার করারও ক্ষমতা আছে।
কিন্তু যদি কোন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক একথা বলে তবে তখনই তার গালে একটি চড় মেরে স্তব্ধ করে দিন।

ইদানীং প্রায় রোগীর ক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় কেইস ইনভেস্টিগেশন করার পর দেখা যায় তাদের মানসিক চঞ্চলতার বিশাল পরিবর্তন, কোন কিছুর...
23/02/2026

ইদানীং প্রায় রোগীর ক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় কেইস ইনভেস্টিগেশন করার পর দেখা যায় তাদের মানসিক চঞ্চলতার বিশাল পরিবর্তন, কোন কিছুর প্রতি মায়া আবেগ অনুভূতি আর কিছুই কাজ করেনা। মূলত পুরাতন তীব্র শোকের পর রোগীর আবেগ একই রকম থাকে না। ধীরে ধীরে আবেগের ধার ভোঁতা হয়ে আসে। মনে হয় যেন অনুভূতির তীব্রতা কমে গিয়ে এক ধরনের নীরব নরমতা নেমে এসেছে।

- শুরুতে থাকে গভীর দুঃখ ও মানসিক আলোড়ন
- পরে আবেগের প্রতিক্রিয়া কমতে থাকে
- ধীরে ধীরে জন্ম নেয় উদাসীনতা (Indifference) এবং
- শেষ পর্যন্ত দেখা দেয় অনাগ্রহ ও মানসিক নিস্পৃহতা (Apathy)

এই অবস্থায় রোগী আর আগের মতো প্রতিক্রিয়াশীল থাকে না। আশপাশের ঘটনা, সম্পর্ক বা দায়িত্ব, কিছুই যেন তাকে আগের মতো নাড়া দেয় না। এটি অনেক সময় দীর্ঘস্থায়ী মানসিক ক্লান্তি ও আবেগগত নিঃশেষতার ইঙ্গিত বহন করে।

হোমিওপ্যাথিক কেস-টেকিংয়ে এই ধরনের মানসিক ক্রমপরিবর্তন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ রোগের প্রকৃতি বুঝতে রোগীর আবেগের সময়ের সাথে পরিবর্তন (emotional evolution) গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন!

রাগ, দুর্ব্যবহার, হিস্টিরিয়া স্বভাবের দোষ নাকি মনের অসুস্থতা?অনেক সময় আমরা কাউকে দেখি হঠাৎ রেগে যায়, অকারণে কাঁদে বা চিৎ...
22/02/2026

রাগ, দুর্ব্যবহার, হিস্টিরিয়া স্বভাবের দোষ নাকি মনের অসুস্থতা?

অনেক সময় আমরা কাউকে দেখি হঠাৎ রেগে যায়, অকারণে কাঁদে বা চিৎকার করে, কখনো খুব চুপচাপ, আবার কখনো অস্বাভাবিক উত্তেজিত। পরিবার ও সমাজ তখন দ্রুত আমাদের একটি লেবেল লাগিয়ে দেয় "তার স্বভাব খারাপ”, “ও খুব বদমেজাজী” ইত্যাদি ইত্যাদি! কিন্তু বাস্তবতা অনেক সময় ভিন্ন।

আমাদের ভাবতে হবে কী ঘটছে ভেতরে! এ ধরনের আচরণের পেছনে অনেক কারণ থাকতে পারে। যেমন: দমিয়ে রাখা মানসিক কষ্ট, দীর্ঘদিনের অবহেলা বা আঘাত, অতিরিক্ত সংবেদনশীল স্নায়বিক প্রতিক্রিয়া, হরমোনাল ও মানসিক ভারসাম্যহীনতা ইত্যাদি। অর্থাৎ, এটি সব সময় চরিত্রের সমস্যা নয়; অনেক ক্ষেত্রে এটি মনের ও স্নায়ুর অসামঞ্জস্যের বহিঃপ্রকাশ।
এক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথি আপনাকে চমৎকার ও কার্যকরী সমাধান দিতে পারে। হোমিওপ্যাথিতে রোগীকে শুধু আচরণ দিয়ে বিচার করা হয় না।
রোগীর মানসিক অবস্থা, আবেগের তারতম্য, শারীরিক উপসর্গ, উদ্দীপক কারণ (etiology) সবকিছু মিলিয়ে সম্পূর্ণ চিত্র (totality) মূল্যায়ন করা হয়। রেপার্টরিতে এ ধরনের অবস্থার জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু রুব্রিক্স রয়েছে, যেমন
Mind; Hysteria
Mind; Emotional excitement; easily
Mind; Anger; violent
Mind; Weeping; easily
অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক এই সামগ্রিক চিত্র বিশ্লেষণ করে উপযুক্ত চিকিৎসা নির্বাচন করেন।

আশার বিষয় হলো, সঠিকভাবে কেস মূল্যায়ন করে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা দেওয়া গেলে আপনার আবেগের অস্থিরতা কমবে, স্নায়বিক উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে আসবে, ঘুম, ক্ষুধা ও মানসিক স্থিরতা ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হবে ইনশাআল্লাহ!

তাই কাউকে “স্বভাব খারাপ” ট্যাগ দেওয়ার আগে মনে রাখা জরুরি, যে, অনেক সময় এটি সাহায্য পাওয়ার নীরব আর্তনাদ।

শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা অমর একুশের শহীদদের প্রতি! 🖤
20/02/2026

শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা অমর একুশের শহীদদের প্রতি! 🖤

19/02/2026

একজন মানুষের বিয়ের পর সংসার ভেঙে যায়। বাধ্য হয়ে সে বাবার বাড়িতে ফিরে থাকে। ধীরে ধীরে সে সবার কাছে অবহেলার শিকার হতে থাকে। জীবনযুদ্ধে টিকে থাকার জন্য সে চাকরি করে যাচ্ছে। কিন্তু তার জীবনে নেই কোনো নিশ্চিত আশ্রয়, নেই কোনো নিশ্চিত ভবিষ্যৎ।
এখন আর কেউ তাকে আগের মতো মূল্যায়ন করে না, কেউ তাকে আন্তরিকভাবে ভালোবাসেও না। সবচেয়ে কাছের মানুষগুলোর কাছ থেকেও সে উপেক্ষিত। সবাই তাকে প্রয়োজনের সময় ব্যবহার করে, কিন্তু আপনজন হিসেবে কেউ তাকে গ্রহণ করে না।
ফলে বর্তমানে তার কাছে কোনো কিছুই ভালো লাগে না।
যাই হোক, এমন একজন রোগী আমার কাছে এলেন কোমর ব্যথা, পায়ের গোড়ালি ফোলা এবং ঠান্ডাজনিত সমস্যা নিয়ে।
এমন অবস্থায় একজন চিকিৎসক হিসেবে আমাদের কীভাবে এবং কোন ভিত্তিতে মেডিসিন প্রেসক্রাইব করা উচিত? রোগী যদিও তার মানসিক কষ্টের জন্য চিকিৎসা নিতে আসেনি, তবুও যদি আমরা তার মানসিক অবস্থাকে যথাযথভাবে মূল্যায়ন না করি, তাহলে কি এই রোগীর প্রকৃত আরোগ্য সম্ভব বলে আপনি মনে করেন?

বাস্তবতা হলো বর্তমান চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রেক্ষাপটে মানুষের ভিতরের ব্যাপারগুলো একদমই উপেক্ষিত থাকে। অথচ অধিকাংশ ক্ষেত্রে মানুষের জীবন যাত্রা ও মানসিক অবস্থাকে কেন্দ্র করে রোগ সৃষ্টি হয়, কিন্তু সেই কারনকে মূল্যায়ন করার প্রয়োজনীয়তাই কেউ মনে করিনা।সত্যিকারের আরোগ্যের জন্য উভয় বিষয় বিবেচনা করা অনেক বেশি জরুরী

মারহাবা ইয়া মাহে রামাদান!মাহে রমজান আমাদের জীবনে বয়ে আনুক রহমত, মাগফিরাত ও নাজাত। এই পবিত্র সময় হোক আত্মশুদ্ধি, ধৈর্য ও ...
18/02/2026

মারহাবা ইয়া মাহে রামাদান!
মাহে রমজান আমাদের জীবনে বয়ে আনুক রহমত, মাগফিরাত ও নাজাত। এই পবিত্র সময় হোক আত্মশুদ্ধি, ধৈর্য ও আল্লাহর নৈকট্যের! সবাইকে পবিত্র মাহে রমজান এর শুভেচ্ছা!

জীবনের কোনো এক ঝড়ে সবকিছু হঠাৎ করে পাল্টে যায়। রাতগুলো বদলে যায়! চোখে আর ঘুম আসে না, পেটে ক্ষুধা থাকে না। মাসের পর মাস ঘ...
16/02/2026

জীবনের কোনো এক ঝড়ে সবকিছু হঠাৎ করে পাল্টে যায়। রাতগুলো বদলে যায়! চোখে আর ঘুম আসে না, পেটে ক্ষুধা থাকে না। মাসের পর মাস ঘুমের বড়ি ছাড়া ঘুম হয় না। কোনো কিছু খেতে ইচ্ছে করে না। মনটা সবসময় ভারী লাগে। অজানা ভয়, দুশ্চিন্তা, ভেতরে ভেতরে এক ধরনের ক্লান্তি কাজ করে। মন ছটফট করে, নানা চিন্তা মাথায় এসে ভীড় জমায়। যার জীবনে এই ঝড়, সেই জানে একটি নির্ঘুম রাত কতটা কঠিন।

এটা কি স্থায়ী?
না।
এর থেকে মুক্তি সম্ভব?
হ্যাঁ—অবশ্যই।

আশার বানী হলো - এটি একটি চিকিৎসাযোগ্য অবস্থা। এই অবস্থাটি মূলত মানুষের সামগ্রিক শারীরিক-মানসিক ভারসাম্য নষ্ট হওয়ারই প্রকাশ।

হোমিওপ্যাথিতে আপনাকে দীর্ঘদিন এর জন্য চিকিৎসা নিতে হবেনা। প্রায় ক্ষেত্রে এক সপ্তাহের মধ্যেই অনেকের সেরে যায়। অধিকাংশ রোগীরা অন্য রোগ নিয়ে আসলেও, এখানে মানুষটিকে সম্পূর্ণভাবে বিবেচনা করা হয়। তার মানসিক অবস্থা, শারীরিক উপসর্গ, ভয়-দুশ্চিন্তা, জীবনযাপনের ধরণ, এমনকি সমস্যার শুরু হওয়ার প্রেক্ষাপটও গুরুত্ব পায়।

এই সামগ্রিক মূল্যায়নের কারণেই বহু ক্ষেত্রে দেখা যায়, অন্য কোনো সমস্যার জন্য দেওয়া সঠিক মেডিসিনের পর রোগীর ঘুম ও মানসিক অস্থিরতাই আগে উন্নত হতে শুরু করে।

অভিজ্ঞতায় দেখা যায়, যথাযথ কেস-টেকিং ও সঠিক নির্বাচিত মেডিসিনে অনেক রোগীর ক্ষেত্রেই তুলনামূলক স্বল্প সময়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়, এবং দীর্ঘদিন ঘুমের বড়ি বা সাপোর্টিভ ওষুধের উপর নির্ভরশীল থাকতে হয় না।

তারপর কী হয়?
ঘুম ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়। ক্ষুধা ফিরে আসে। মনের ভেতরের চাপটা হালকা হতে শুরু করে। সব সমস্যা একদিনে শেষ না হলেও, মানুষ আবার নিজের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পায়।

এখানে মূল বিষয় হলো চিকিৎসার গভীরতা ও ব্যক্তিভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গি। একজন দক্ষ ও দায়িত্বশীল হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে মানসিক সমস্যার ক্ষেত্রে শুধু উপসর্গ কমানোই একমাত্র লক্ষ্য নয়, বরং ভেতরের সামগ্রিক ভারসাম্য ফিরিয়ে আনার কাজ করা হয়।
সঠিক চিকিৎসা ও মানবিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে এই ধরনের মানসিক অস্থিরতা থেকে সুস্থ জীবনে ফেরা সম্ভব!

সকল প্যাথির নীতি প্রায় সেইম,কিন্তু কেউ মানে কেউ মানেনা।আর আমাদের ক্ষেত্রে তা মূল্যায়ন না করলে মেডিসিন দেয়ার কল্পনাই করা ...
15/02/2026

সকল প্যাথির নীতি প্রায় সেইম,কিন্তু কেউ মানে কেউ মানেনা।আর আমাদের ক্ষেত্রে তা মূল্যায়ন না করলে মেডিসিন দেয়ার কল্পনাই করা যায়না!

11/02/2026

সেক্সুয়াল মেনিয়া (Sexual Mania)

দেড় মাস আগে এমন একজন রোগী দেখছিলাম। তিনি আসছিলেন কিডনিজনিত সমস্যা নিয়ে। একই সঙ্গে তার মধ্যে স্বাস্থ্যগতভাবে অনেক বেশি এনজাইটি ছিল। আমাদের কিছু হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক তার চিকিৎসা দিয়েছিলেন। তিনি আরও অনেক রোগ থেকেই মুক্তি পেয়েছিলেন, কিন্তু একটা মারাত্মক রোগ ভেতরেই ছিল, যার ফলে অন্যান্য সমস্যাগুলো ভালো হয়েও বারবার ফিরে আসছিল। তাই তারা বাধ্য হয়ে আমার কাছে রেফার করে।

কেস নেওয়ার এক পর্যায়ে জিজ্ঞেস করলাম—আপনার মনের কষ্ট কী?
তিনি উত্তর দিলেন—বিয়ে!
আমি বললাম—বিয়ে? আপনি কি বিয়ে করে অসুবিধায় আছেন?
উত্তর হলো—না। তিনি আসলে বিয়ে করতে চাচ্ছেন, কিন্তু এই মুহূর্তে তার বিয়ে করা সম্ভব নয়।

আমি তখনও ব্যাপারটার সিরিয়াসনেস বুঝিনি। আরও কিছু দূর যাওয়ার পরে তথ্য আসলো—উনার ভয়ানক লেভেলের হস্তমৈথুনের অভ্যাস আছে। কিন্তু এই অভ্যাস শুধু এই জায়গাতেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং তাকে এখন পতিতার কাছে যেতে হয়।
যখন তার যৌন উচ্ছ্বাস আসে, তখন তিনি পাগলের মতো হয়ে যান, কোনো কিছুতেই কন্ট্রোল করতে পারেন না। তখন তার একমাত্র সমাধান হয় পতিতার কাছে যাওয়া।

তিনি একজন সম্ভ্রান্ত পরিবারের ভদ্র ছেলে। এই সমস্যার জন্য তিনি একজন প্রফেশনাল মানসিক বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়েছিলেন। তিনি এর একমাত্র সমাধান হিসেবে দিলেন বিয়ে। যে কেউই এমন পরামর্শ দেবে, সঙ্গে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার পরামর্শও দেবে।

রোগী তার পরিবারকে কৌশলে বুঝিয়ে বলেছেন—বিয়ে না করলে সে নষ্ট হয়ে যাবে।
তার পরিবারের উত্তর ছিল—“তোমার বয়সী অন্য ছেলেরা তো কন্ট্রোল করতে পারছে, তারা তো নষ্ট হচ্ছে না। তোমার কেন অসুবিধা?”

মূল ব্যাপারটা এখানেই। এই বয়সে যৌনতার প্রতি একটি স্বাভাবিক আগ্রহ সবারই থাকে, কিন্তু অতিরিক্ত সবকিছুই খারাপ। এই আগ্রহ যখন মাত্রা অতিক্রম করে, তখন এটি একটি রোগ বা প্যাথলজি হয়ে যায়। রোগের চিকিৎসা নীতিবাক্য আর ধর্ম দিয়ে সবসময় হয় না; সেক্ষেত্রে উপযুক্ত চিকিৎসার প্রয়োজন হয়।
হোমিওপ্যাথিক রেপার্টরিতে কিছু রুব্রিক্স আছে, যেমন—
Mind – madness – sexual mania,
Mind – insanity – madness – erotic,
Sexual desire increased; attempt to satisfy it by every means, until it drives him to onanism and madness.
এখানে বিভিন্ন রুব্রিকের অধীনে বিভিন্ন মেডিসিন আছে। অভিজ্ঞ চিকিৎসক বিচার–বিশ্লেষণ করে মেডিসিন দেবেন।
যাইহোক, আমি রোগীকে বিশেষভাবে বিশ্লেষণ করে ওষুধ দিয়েছিলাম। আলহামদুলিল্লাহ, এক মাসের মধ্যেই উনার অস্বাভাবিক ইচ্ছা এখন আর নেই। মূলত সঠিকভাবে মূল্যায়ন করে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা দিতে পারলে এই জাতি অনেক বেশি উপকৃত হতো।

10/02/2026

হোমিওপ্যাথি কোনো অকার্যকর পদ্ধতি নয়, বরং
অপর্যাপ্ত জ্ঞান, অগভীর স্টাডি, ভুল অবজারভেশন ও ভুল প্রেসক্রিপশনই নিরাশার কারণ। জে টি কেন্ট

Address

House-3, Road-2, Block-A, Section-6, Mirpur/2
Dhaka
3860

Opening Hours

Monday 09:00 - 22:00
Tuesday 09:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 22:00
Thursday 09:00 - 22:00
Saturday 09:00 - 22:00
Sunday 09:00 - 22:00

Telephone

+8801926027550

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr Md Mohiuddin posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr Md Mohiuddin:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category