ডাঃ নাহিদ রেজা

ডাঃ নাহিদ রেজা Doctor

01/12/2025

ডায়াবেটিস রিভার্স হয়ে যায় কিন্তু নিয়ন্ত্রণ যদি না থাকে তাহলে আবার আগের মত ডায়াবেটিস ফিরে আসতে পারে। দীর্ঘমেয়াদী নিয়ন্ত্রণ করতে গেলে আপনাকে নিয়ন্ত্রিত জীবন এবং নিয়ন্ত্রিত খাওয়া-দাওয়া টা জরুরী।
সাভার ডায়াবেটিস সেন্টার
ডাঃ নাহিদ রেজা

সাভার ডায়াবেটিস সেন্টারের পক্ষ থেকে সকলকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। #ফ্রি  #মেডিকেল  #ক্যাম্প #বিশ্ব  #ডায়াবেট...
11/11/2025

সাভার ডায়াবেটিস সেন্টারের পক্ষ থেকে সকলকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

#ফ্রি #মেডিকেল #ক্যাম্প

#বিশ্ব #ডায়াবেটিস #দিবস #উপলক্ষে
সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পরামর্শ এবং স্বাস্থ্য সেবা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
#সচেতন হন, #সেবা নিন, #সুস্থ থাকুন।।

সাভার ডায়াবেটিস সেন্টার
ডাঃ নাহিদ রেজা

সাভার ডায়াবেটিস সেন্টারের পক্ষ থেকে সকলকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। #ফ্রি  #মেডিকেল  #ক্যাম্প #বিশ্ব  #ডায়াবেট...
27/10/2025

সাভার ডায়াবেটিস সেন্টারের পক্ষ থেকে সকলকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

#ফ্রি #মেডিকেল #ক্যাম্প

#বিশ্ব #ডায়াবেটিস #দিবস #উপলক্ষে
সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পরামর্শ এবং স্বাস্থ্য সেবা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
#সচেতন হন, #সেবা নিন, #সুস্থ থাকুন।।
সাভার ডায়াবেটিস সেন্টার

 #ডায়াবেটিস  #রোগীর  #পায়ে  #ইনফেকশন  ( #ডায়াবেটিক  #ফুট)  #কেন  #হয়?ডায়াবেটিসের দীর্ঘস্থায়ী প্রভাবের কারণে পায়ে ...
24/10/2025

#ডায়াবেটিস #রোগীর #পায়ে #ইনফেকশন ( #ডায়াবেটিক #ফুট) #কেন #হয়?

ডায়াবেটিসের দীর্ঘস্থায়ী প্রভাবের কারণে পায়ে ইনফেকশন বা ক্ষত (আলসার) তৈরি হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে, যা মূলত দুটি প্রধান কারণে ঘটে:

১. স্নায়ু ক্ষতি (নিউরোপ্যাথি):
* ডায়াবেটিসের কারণে পায়ের স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হয়, ফলে ব্যথা, গরম বা ঠান্ডার অনুভূতি কমে যায়।
* এতে পায়ে আঘাত লাগলেও, ছোটখাটো কাটা-ছেঁড়া বা ফোস্কা হলেও রোগী তা সহজে বুঝতে পারেন না। ফলে ক্ষতস্থানের চিকিৎসা শুরু হতে দেরি হয় এবং সেখানে সহজে সংক্রমণ (ইনফেকশন) ঘটে।
২. রক্ত সঞ্চালন কমে যাওয়া (পেরিফেরাল ভাস্কুলার ডিজিজ):
* ডায়াবেটিসের কারণে পায়ের রক্তনালীগুলো সরু ও শক্ত হয়ে যায়, ফলে পায়ে রক্ত চলাচল কমে যায়।
* রক্ত চলাচল কমে যাওয়ায় ক্ষতস্থানে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন ও পুষ্টি পৌঁছাতে পারে না এবং রোগ প্রতিরোধকারী কোষগুলো ঠিকমতো কাজ করতে পারে না। এর ফলে:
* ক্ষত শুকাতে অনেক বেশি সময় লাগে।
* সংক্রমণের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়।
* সংক্রমণ গুরুতর হয়ে গ্যাংগ্রিন (পচন) পর্যন্ত হতে পারে।
৩. অন্যান্য কারণ:
* রক্তে শর্করার মাত্রা অনিয়ন্ত্রিত থাকা।
* পায়ের গঠনগত ত্রুটি, যেমন - পায়ের কড়া (Callosities)।
* অসুবিধা সৃষ্টি করে এমন জুতা বা মোজা পরা।
* নখের সমস্যা, যেমন - নখ ভেতরের দিকে বেড়ে যাওয়া (Ingrown toenail)।
* দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা।
করণীয় বা প্রতিকার:
ডায়াবেটিক ফুট ইনফেকশন প্রতিরোধ ও চিকিৎসার জন্য নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলো জরুরি:
১. ডাক্তারের পরামর্শ ও চিকিৎসা:
* পায়ে কোনো ক্ষত, লালচে ভাব, ফোলা বা ব্যথার লক্ষণ দেখা গেলে দেরি না করে দ্রুত একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার (ডায়াবেটোলজিস্ট, ভাস্কুলার সার্জন বা পডিয়াট্রিস্ট) এর সাথে যোগাযোগ করুন।
* চিকিৎসক প্রয়োজন অনুযায়ী অ্যান্টিবায়োটিক, ক্ষত ড্রেসিং এবং অন্যান্য চিকিৎসার ব্যবস্থা করবেন। গুরুতর ক্ষেত্রে হাসপাতালে ভর্তি বা অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে।
২. রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ:
* ডায়াবেটিস সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকলে স্নায়ু ও রক্তনালীর ক্ষতি কম হয় এবং ক্ষত দ্রুত শুকায়।
৩. পায়ের দৈনন্দিন যত্ন (Daily Foot Care):
* প্রতিদিন পরীক্ষা: প্রতিদিন পা ভালো করে দেখুন (যদি দেখতে অসুবিধা হয়, তবে অন্য কারো সাহায্য নিন)। খেয়াল করুন কোনো কাটা, ফোস্কা, লালচে ভাব, ফোলা বা নখের সমস্যা আছে কিনা।
* পরিষ্কার রাখা: প্রতিদিন হালকা গরম জল ও সাবান দিয়ে পা পরিষ্কার করুন। তবে পা দীর্ঘক্ষণ জলে ডুবিয়ে রাখবেন না।
* শুকনো রাখা: পা ধোয়ার পর আঙুলের ফাঁকগুলো সহ পুরো পা নরম তোয়ালে দিয়ে ভালোভাবে মুছে শুকনো রাখুন, যাতে ছত্রাক সংক্রমণ না হয়।
* ময়েশ্চারাইজার: ত্বক শুষ্ক হলে গোড়ালিতে ময়েশ্চারাইজিং লোশন ব্যবহার করুন, তবে আঙুলের ফাঁকে নয়।
* নখ কাটা: নখ সোজা করে কাটুন এবং গভীর করে কাটবেন না।
* জুতা ও মোজা: নরম, আরামদায়ক এবং সঠিক মাপের জুতা পরুন। ভেতরের দিকে কোনো সেলাই বা ধারালো অংশ আছে কিনা তা দেখে নিন। সুতির মোজা পরিধান করুন।
* খালি পায়ে হাঁটা নিষেধ: ঘরের ভেতরেও জুতা বা চপ্পল পরে থাকুন।
৪. নিজের চিকিৎসা এড়িয়ে চলা:
* পায়ে কড়া বা আঁচিল হলে নিজে নিজে কাটতে বা কোনো কেমিক্যাল প্রয়োগ করতে যাবেন না।
* ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোনো মলম বা ওষুধ ব্যবহার করবেন না।

★★★মনে রাখবেন, ডায়াবেটিক ফুট একটি গুরুতর সমস্যা। দ্রুত চিকিৎসা না করলে সংক্রমণ ছড়িয়ে যেতে পারে এবং অঙ্গচ্ছেদের প্রয়োজন হতে পারে। তাই নিয়মিত পায়ের যত্ন নিন এবং সামান্য সমস্যা হলেও ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
সচেতন হন,সেবা নিন,সুস্থ থাকুন।।
সাভার ডায়াবেটিস সেন্টার
ডাঃ নাহিদ রেজা

 #শিশুদের  #ডায়াবেটিস  #বাড়ছে  #উদ্বেগজনক  #হারে★★★খাদ্যাভ্যাস ও অনিয়ন্ত্রিত জীবনই ডায়াবেটিসের প্রধান কারণ😞😶তাসনিমের বয়স...
04/10/2025

#শিশুদের #ডায়াবেটিস #বাড়ছে #উদ্বেগজনক #হারে

★★★খাদ্যাভ্যাস ও অনিয়ন্ত্রিত জীবনই ডায়াবেটিসের প্রধান কারণ😞😶

তাসনিমের বয়স মাত্র সাত বছর। এ বয়সেই তার জীবন ইনসুলিনের ওপর নির্ভরশীল। হঠাৎ শরীর শুকিয়ে যাওয়া, ঘন ঘন প্রস্রাবের মতো লক্ষণ দেখা দিলে তার বাবার সন্দেহ হয়। পরে এক আত্মীয়ের পরামর্শে তাসনিমের বাবা রোকন উদ্দিন চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। পরীক্ষায় ধরা পড়ে, তাসনিম টাইপ-১ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত।

১৩ বছর বয়সি মাইমুনারও একই অভিজ্ঞতা। ৯ বছর বয়স থেকেই তার শরীরে ইনসুলিন তৈরি হচ্ছে না। মা শিল্পী আক্তার জানান, ঘন ঘন প্রস্রাব, ওজন কমে যাওয়া, অল্পতেই দুর্বল হয়ে পড়ার মতো উপসর্গ দেখা দিয়েছিল। একদিন হঠাৎ মাইমুনা অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, যেখানে পরীক্ষায় ধরা পড়ে সে টাইপ-১ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। এখন নিয়মিত চিকিৎসা নিতে হচ্ছে তাকে। শিল্পী আক্তার আমার দেশ-এর সঙ্গে আলাপচারিতায় বলেন, আমার এবং বাকি চার ছেলেমেয়ে কারো এ রোগ নেই। অল্প বয়সে ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের তালিকায় রয়েছে আরো অনেক শিশু, যেমন ছয় বছরের রাফসান। তার ক্ষেত্রেও একই ধরনের উপসর্গ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শে পরীক্ষা করিয়ে জানা যায়, সে টাইপ-১ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত।

চিকিৎসকদের মতে, এ রোগ এখন আর প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই—

শিশুদের মধ্যেও এই রোগ উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। বেশির ভাগ সময় বাবা-মায়েরাই বুঝতে পারেন না, কখন থেকে তার শিশু ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হলো। চিকিৎসকরা বদলে যাওয়া জীবনযাপন ও খাদ্যাভ্যাসকেই এর জন্য দায়ী করছেন।

#শিশুদের #ডায়াবেটিস :

রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বারডেম জেনারেল হাসপাতালের মা ও শিশু বিভাগে প্রতিদিন গড়ে সাত থেকে আটজন নতুন শিশু-কিশোর ডায়াবেটিস রোগী আসছে। লাইফ ফর অ্যা চাইল্ড প্রোগ্রাম (এলএফএসি) এবং চেঞ্জিং ডায়াবেটিস ইন চিলড্রেন (সিডিআইসি) কর্মসূচির প্রোগ্রাম ম্যানেজার কামরুল হুদা আমার দেশকে জানান, উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে শিশু-

কিশোরদের ডায়াবেটিস। বর্তমানে এ হাসপাতালে নিবন্ধিত ডায়াবেটিস আক্রান্ত শিশু-কিশোরের সংখ্যা সাড়ে ৯ হাজারের বেশি। এ হাসপাতালে বিনামূল্যে তাদের চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে।

★★★কেন শিশুদের মধ্যে ডায়াবেটিস বাড়ছে?

বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুরা বর্তমানে খেলাধুলা ও কায়িক পরিশ্রমের চেয়ে মোবাইল, টিভি, কম্পিউটারে বেশি সময় কাটাচ্ছে। সঙ্গে রয়েছে উচ্চ ক্যালরি ও চর্বিযুক্ত খাবার, কোমল পানীয়, ফাস্টফুড এবং অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন। এসব কারণে শিশুরা অল্প বয়সেই স্থূলতা ও টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হচ্ছে। টাইপ-২ ডায়াবেটিস আগে ৩০ বছর বয়সের পর দেখা যেত, এখন তা ১৫-১৬ বছর বয়সেও ধরা পড়ছে। চিকিৎসকরা বলছেন, শিশুর মোটা হয়ে যাওয়া, কম শারীরিক পরিশ্রম এবং অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এর মূল কারণ।

#টাইপ-১ ও #টাইপ-২ #ডায়াবেটিসের #পার্থক্য

টাইপ-১ ডায়াবেটিস একটি অটোইমিউন রোগ, যেখানে শরীর স্বাভাবিকভাবে ইনসুলিন উৎপাদন করতে ব্যর্থ হয়। এতে আক্রান্তদের প্রতিদিন ইনসুলিন নিতে হয় বেঁচে থাকার জন্য। এ ধরনের ডায়াবেটিস সাধারণত ছোট বয়সেই ধরা পড়ে।

অন্যদিকে টাইপ-২ ডায়াবেটিসে শরীর ইনসুলিন তৈরি করতে পারলেও তা যথাযথভাবে কাজ করে না। এটি সাধারণত অতিরিক্ত ওজন, শরীরের মেদ বৃদ্ধি ও জীবনধারার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত।

★★ঝুঁকিপূর্ণ শিশু কারা?

বারডেম হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. সাবরিনা জসীম আমার দেশকে বলেন, টাইপ-১ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত শিশু সাধারণত দ্রুত শুকিয়ে যায়, অতিরিক্ত প্রস্রাব করে এবং দুর্বলতা অনুভব করে। কখনো কখনো রক্তে শর্করার মাত্রা অতিরিক্ত বেড়ে গিয়ে কিটোসিস হয়, যা জ্ঞান হারানোর মতো জটিলতায় পরিণত হতে পারে। টাইপ-২ ডায়াবেটিস একটু বেশি বয়সের শিশু বা কিশোর-কিশোরীদের দেখা যায়। ওজন বেশি, ঘাড়ের চামড়ায় কালো দাগ অথবা কিশোরীদের পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম থাকলে তাদের টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি থাকে। তবে উভয় ক্ষেত্রেই কিছু জিনগত বৈশিষ্ট্য এ রোগ হওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিভিন্ন হরমোনের অসামঞ্জস্যতা বা কিছু ওষুধের কারণেও ডায়াবেটিস হতে পারে।

★★★মূল কারণ তিনটি:

শিশু-কিশোরদের ডায়াবেটিসে আক্রান্তের প্রধান কারণ তিনটি। বংশগত, গর্ভাবস্থায় মায়ের ডায়াবেটিস থাকা এবং কম বয়সে ওজন বেড়ে যাওয়া। এছাড়া অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের প্রতি ঝোঁক শিশুদের দৈহিক, মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। এ কারণে শিশুদের মধ্যে এই রোগের প্রকোপ বেশি বলে ধারণা করা হয়।

★★★বাংলাদেশের চিত্র

ডায়াবেটিস চিকিৎসার জাতীয় নির্দেশিকা অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে এক কোটি ৩১ লাখ মানুষ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। ২০ থেকে ৮০ বছর বয়সিদের মধ্যে ১৪ দশমিক ২ শতাংশ মানুষ এ রোগে ভুগছেন। বিশ্বে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান অষ্টম। চলমান হারে বাড়তে থাকলে ২০৪৫ সাল নাগাদ এ সংখ্যা দুই কোটি ২৩ লাখে পৌঁছাতে পারে। বিশ্বে প্রতি এক লাখ শিশুর মধ্যে চারজন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হচ্ছে।

#যেসব #উপসর্গ #দেখে #সতর্ক #হতে #হবে

নিচের এ লক্ষণগুলো দেখা দিলে শিশুর রক্তে শর্করার মাত্রা পরীক্ষা করানো উচিত-

অতিরিক্ত প্রস্রাব
অতিরিক্ত পিপাসা
ওজন কমে যাওয়া
দুর্বলতা, ক্লান্তি
ঘন ঘন সংক্রমণ
ঝাপসা দৃষ্টি
শরীরে র‌্যাশ বা কালো ছোপ
মাড়ি থেকে রক্তপাত
রুটিন চেকআপ কেন জরুরি?

যেসব শিশুর পরিবারে ডায়াবেটিসের ইতিহাস আছে বা যারা স্থূলকায়, তাদের নিয়মিত রক্তের গ্লুকোজ পরীক্ষা করা উচিত। এতে প্রাথমিক পর্যায়েই রোগ শনাক্ত করে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।

★★★চিকিৎসা ও ব্যবস্থাপনা

টাইপ-১ ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে প্রতিদিন ইনসুলিন নিতে হয়। এটি ছাড়া এ রোগ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে ইনসুলিন ছাড়াও ১০ বছরের বেশি বয়স হলে খাওয়ার ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা করা হয়। কিছু ক্ষেত্রে ইনসুলিনও লাগতে পারে। উভয় ক্ষেত্রে ওষুধের পাশাপাশি খাদ্যতালিকা মেনে চলা ও বয়স অনুযায়ী কায়িক পরিশ্রম অপরিহার্য।

★★প্রতিরোধ কীভাবে?

টাইপ-১ ডায়াবেটিস প্রতিরোধযোগ্য নয়। তবে নিয়ন্ত্রিত জীবনধারার মাধ্যমে টাইপ-২ ডায়াবেটিস অনেকাংশেই প্রতিরোধ করা সম্ভব।

#শেষ #কথা

বিশ্বজুড়ে ডায়াবেটিস একটি বড় স্বাস্থ্য সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। শিশুরা যেন অল্প বয়সেই এই রোগে না পড়ে, তার জন্য দরকার সচেতনতা, স্বাস্থ্যশিক্ষা ও সময়মতো চিকিৎসা। অভিভাবকদেরও তাই সন্তানদের খাদ্যাভ্যাস, দৈহিক সক্রিয়তা ও মানসিক স্বাস্থ্য সব দিক থেকেই আরো যত্নশীল হওয়া জরুরি।

#সংগৃহীত
#আমার #দেশ #অক্টোবর৪ #২০২৫ #ডায়াবেটিস

18/07/2025
★★"আপনার সুস্থ জীবন, আপনার হাতে!"★★প্রতিদিনের ব্যস্ত জীবনে আমরা কতো কিছুই তো করি। কিন্তু নিজের স্বাস্থ্যের দিকে কি যথেষ্...
17/07/2025

★★"আপনার সুস্থ জীবন, আপনার হাতে!"★★

প্রতিদিনের ব্যস্ত জীবনে আমরা কতো কিছুই তো করি। কিন্তু নিজের স্বাস্থ্যের দিকে কি যথেষ্ট নজর রাখি? বিশেষ করে যদি আপনার বা আপনার প্রিয়জনের ডায়াবেটিস থাকে।

👍👍ভালো খবর হলো, সঠিক ব্যবস্থাপনা এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তনে ডায়াবেটিস পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব!

# #ডায়াবেটিস মানেই জীবনের শেষ নয়। বরং এটি একটি নতুন জীবনধারার শুরু, যেখানে আপনি নিজের যত্ন নিতে শিখবেন। আপনার স্বাস্থ্য আপনার হাতে। সঠিক জীবনযাপন আর সচেতনতা আপনাকে সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবন দিতে পারে।

★★★"ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করুন, সুস্থ জীবন যাপন করুন!"🥰👍

ডাঃ নাহিদ রেজা
সাভার ডায়াবেটিস সেন্টার

22/06/2025

অনলাইনের বিজ্ঞাপন দেখে গাছের পাতা খেয়ে ডায়াবেটিস কন্ট্রোলের চেষ্টা🙄এতে করে রোগী ডায়াবেটিস কন্ট্রোলের পরিবর্তে আরো অনেক ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। চলুন রোগীর মুখে আমরা শুনি গাছের পাতা খেয়ে তার কি সমস্যা হয়েছিল।

সচেতন হন, সেবা নিন, সুস্থ থাকুন।।
সাভার ডায়াবেটিস সেন্টার
ডাঃ নাহিদ রেজা

06/06/2025

🌙 পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা, ২০২৫ 🌙

'তাকাব্বাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম'।
"ঈদ মোবারক"!
🕋
"قُلْ إِنَّ صَلَاتِي وَنُسُكِي وَمَحْيَايَ وَمَمَاتِي لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ"।
“বলুন, নিশ্চয়ই আমার সালাত, আমার কুরবানি, আমার জীবন ও মৃত্যু— সব কিছুই আল্লাহর জন্য, যিনি সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা।”
— (সূরা আল-আন’আম: ১৬২)

🕌
🌸 এই পবিত্র ঈদুল আযহার দিনে
আল্লাহ্‌ আমাদের কুরবানিকে কবুল করুন,
আমাদের জীবনে তাকওয়া, ত্যাগ ও ভ্রাতৃত্ববোধের শিক্ষা দান করুন🤲

✨ ঈদ মোবারক!
আপনার এবং আপনার পরিবারের জন্য থাকুক অফুরন্ত খুশি, শান্তি ও বরকতের বার্তা।

ডাঃ নাহিদ রেজা

05/06/2025

বাজার এখন আম, কাঁঠাল, লিচুতে ভরে গেছে। এর মধ্যে আম-লিচুর কদর বেশি। সবাই এই ফল দুটি খেতে পছন্দ করেন। এসব ফলে আছে নানা ধরনের পুষ্টি উপাদান।
আম, লিচু উপকারী ফল হলেও ডায়াবেটিস রোগীরা ফলগুলো খেতে ভয় পান। এর কারণ হলো আম-লিচু অত্যন্ত মিষ্টিজাতীয় ফল। অনেকের ধারণা, একেবারেই আম-লিচু খাওয়া যাবে না ডায়াবেটিস রোগীদের। তবে বিশেষজ্ঞরা কী বলছেন এ বিষয়, চলুন জেনে নেওয়া যাক- ডায়াবেটিস রোগীরা আম,কাঁঠাল,লিচু খেতে পারবেন কি না??
সচেতন হন,সেবা নিন,সুস্থ থাকুন।
সাভার ডায়াবেটিস সেন্টার
ডাঃ নাহিদ রেজা

18/05/2025

অনেকেই বুঝতে পারেন না যে, শরীরের ব্যথাটা সাধারণ ক্লান্তি থেকে হচ্ছে, নাকি এটি আসলে বাত বা জয়েন্টের সমস্যার কারণে। হাড়ের সন্ধিতে ব্যথা হলে সেটাকে আমরা সাধারণভাবে "বাত" বলে থাকি। তবে সব জয়েন্টের ব্যথাই বাত নয়। কখনো এটি হতে পারে ইনফ্ল্যামেটরি আর্থ্রাইটিস, অস্টিওআর্থ্রাইটিস, বা এমনকি হরমোনজনিত কারণেও হতে পারে।

যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে অজানা ব্যথায় ভুগছেন বা বারবার একই জায়গায় ব্যথা হচ্ছে, এই ভিডিওটি আপনার জন্য অত্যন্ত উপকারী হতে পারে।

#বাতব্যথা #জয়েন্টব্যথা #স্বাস্থ্যটিপস #বাংলাভাষায়স্বাস্থ্য

Address

Dhaka
1207

Telephone

+8801917106349

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ডাঃ নাহিদ রেজা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to ডাঃ নাহিদ রেজা:

Share

Category