ডা. কমল রায়

ডা. কমল রায় Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ডা. কমল রায়, Medical and health, Dhaka medical College hospital, Dhaka.

রোগীর শারীরিক সমস্যা ও মনের কথাগুলো মনযোগ দিয়ে শুনবে এমন একজন চিকিৎসকই পারে সুস্থ্য করে তুলতে। সঠিক চিকিৎসা ও পরামর্শ রোগীকে দিবে সুস্বাস্থ্য ও সুন্দর জীবন।
ডা. কমল রায়
হৃদরোগ ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
Appointment: 01516160328 (WA)

কোন কিছুর সাথে আমি সস খাই না। সস জিনিসটা দেখলেই কেমন জানি ২ নম্বর , ২ নম্বর মনে হয়। বাংলাদেশে সস যে ভেজাল তার প্রমাণ পাব...
01/02/2026

কোন কিছুর সাথে আমি সস খাই না। সস জিনিসটা দেখলেই কেমন জানি ২ নম্বর , ২ নম্বর মনে হয়।
বাংলাদেশে সস যে ভেজাল তার প্রমাণ পাবেন প্রতিনিয়ত।

সাপ্তাহিক মর্নিং সেশন একাডেমিক কার্যক্রমপুরো গ্যালারি ভর্তি। অনেকেই জায়গা না পেয়ে দাড়িয়ে দাড়িয়ে একাডেমিক আলোচনায় অংশগ্রহ...
01/02/2026

সাপ্তাহিক মর্নিং সেশন একাডেমিক কার্যক্রম
পুরো গ্যালারি ভর্তি। অনেকেই জায়গা না পেয়ে দাড়িয়ে দাড়িয়ে একাডেমিক আলোচনায় অংশগ্রহণ করেছেন।

31/01/2026

কাশির জন্য সিরাপ কি কার্যকর?

স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির বিজ্ঞানসম্মত উপায়ঃস্মৃতিশক্তি বাড়ানোর জন্য বিজ্ঞানসম্মত কয়েকটি সহজ উপায় রয়েছে, যা দৈনন্দিন জীবনে...
30/01/2026

স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির বিজ্ঞানসম্মত উপায়ঃ
স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর জন্য বিজ্ঞানসম্মত কয়েকটি সহজ উপায় রয়েছে, যা দৈনন্দিন জীবনে প্রয়োগ করা যায়। এগুলো মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য উন্নত করে এবং স্মৃতি ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

শারীরিক ব্যায়ামঃ
নিয়মিত ব্যায়াম মস্তিষ্কে নতুন নিউরন এবং সংযোগ গঠন করে, যা স্মৃতিকে শক্তিশালী করে। হাঁটা বা জগিং-এর মতো কার্যকলাপ প্রতিদিন ৩০ মিনিট করলে সাইন্যাপসিস বৃদ্ধি পায় এবং স্মৃতি উন্নত হয়।

পর্যাপ্ত ঘুমঃ
ঘুমের সময় শেখা তথ্য স্থায়ী স্মৃতিতে রূপান্তরিত হয়। প্রতি রাতে ৭-৯ ঘণ্টা ঘুমালে মস্তিষ্কের স্নায়ুকোষের সংযোগ মজবুত হয়।

স্বাস্থ্যকর খাদ্যঃ
ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ মাছ, বাদাম, দুধ এবং সবুজ শাকসবজি স্মৃতিশক্তি বাড়ায়। এগুলো মস্তিষ্কের গঠন এবং কার্যকারিতা সমর্থন করে।

মানসিক চ্যালেঞ্জঃ
পাজল, নতুন ভাষা শেখা বা স্পেসড রিপিটিশন (ক্রমবর্ধমান ব্যবধানে পুনরাবৃত্তি) মেমরি প্যালেস বা অ্যাকটিভ রিকলের মতো কৌশল ব্যবহার করুন। এতে মস্তিষ্কের প্লাস্টিসিটি বাড়ে এবং দীর্ঘমেয়াদী স্মৃতি উন্নত হয়।

ধ্যান ও মাইন্ডফুলনেসঃ
প্রতিদিন ৫-১০ মিনিট ধ্যান স্ট্রেস কমিয়ে হিপোক্যাম্পাসকে শক্তিশালী করে। এটি মনোযোগ বাড়ায় এবং স্মৃতি এনকোডিং উন্নত করে


ঘন ঘন হাঁচিঃ  থেকে বুকে ব্যথা ও হার্ট এ্যাটাকঃসাধারণত অ্যালার্জি, ধুলোবালি বা সর্দির লক্ষণ। এটি নাকের জ্বালাপোড়া দূর কর...
28/01/2026

ঘন ঘন হাঁচিঃ থেকে বুকে ব্যথা ও হার্ট এ্যাটাকঃ

সাধারণত অ্যালার্জি, ধুলোবালি বা সর্দির লক্ষণ। এটি নাকের জ্বালাপোড়া দূর করার শরীরের প্রাকৃতিক প্রতিক্রিয়া।

কারণসমূহঃ
•ধুলো, পরাগরেণু, ছাঁচ বা পোষা প্রাণীর খুশকি অ্যালার্জির সবচেয়ে সাধারণ কারণ।
•ঠান্ডা-সর্দি, ভাইরাস সংক্রমণ বা আবহাওয়া পরিবর্তনও ট্রিগার করে।
•সুগন্ধি, মশলা, উজ্জ্বল আলো বা নাকের পলিপ/মাংস বৃদ্ধির মতো সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হাঁচি ঘটাতে পারে।

চিকিৎসা ও প্রতিকারঃ
অ্যালার্জেন এড়িয়ে চলুন, নাক ধুয়ে পরিষ্কার রাখুন এবং অ্যান্টিহিস্টামিন ওষুধ নিন।

কখন ডাক্তার দেখাবেনঃ
যদি হাঁচির সাথে শ্বাসকষ্ট, ত্বক চুলকানি বা দীর্ঘদিন স্থায়ী হয়, তাহলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

ঘন ঘন হাঁচি এর কারণে সৃষ্ট জটিলতাঃ
১। বুকে ব্যথা
২। হার্ট এ্যাটাক
৩। হার্নিয়া
৪। ফিস্টুলা
৫। কানের পর্দা ফেঁটে যাওয়া।

ডা. কমল রায়
মেডিসিন ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ

চেম্বার-১: দয়াগঞ্জ ল্যাবএইড ডায়াগনস্টিক, গেন্ডারিয়া, ঢাকা।
চেম্বার -২ঃ ইম্পেরিয়াল রয়েল হাসপাতাল, শনির আখরা, ঢাকা।

28/01/2026
নাক দিয়ে রক্ত পড়াঃ (Epistaxis)একটি সাধারণ সমস্যা, কোন কোন ক্ষেত্রে মারাত্মক হতে পারে।  সাধারণত নাকের সামনের অংশের সূক্...
28/01/2026

নাক দিয়ে রক্ত পড়াঃ (Epistaxis)

একটি সাধারণ সমস্যা, কোন কোন ক্ষেত্রে মারাত্মক হতে পারে। সাধারণত নাকের সামনের অংশের সূক্ষ্ম রক্তনালী ফেটে যাওয়ার কারণে হয়। এটি দুই ধরনের: সামনের (অ্যান্টিরিয়র) এবং পশ্চাতের (পোস্টিরিয়র), যেখানে সামনেরটি বেশি সাধারণ এবং সহজে নিয়ন্ত্রণযোগ্য।

কারণসমূহঃ
•সর্দি, সাইনাসাইটিস, অ্যালার্জি বা উচ্চ রক্তচাপ: প্রদাহ বা চাপের কারণে রক্তনালী দুর্বল হয়।

•নাক খোঁচা, আঘাত বা শুষ্ক আবহাওয়া: নাকের ভিতরের ঝিল্লি শুকিয়ে ফেটে যায়।

•অন্যান্য: ওষুধ (রক্ত পাতলা করা), টিউমার বা রক্ত জমাট বাঁধার সমস্যা।

প্রাথমিক চিকিত্সাঃ
সোজা হয়ে সামনে ঝুঁকে বসুন, নাকের নরম অংশে ১০-১২ মিনিট জোরে চাপ দিন এবং মুখ দিয়ে শ্বাস নিন।

কখন ডাক্তার দেখাবেনঃ
•১০-১২ মিনিট চাপ দিয়েও রক্ত না বন্ধ হলে, উচ্চ রক্তচাপ থাকলে, বারবার হলে, মাথা ঘোরা বা অজ্ঞান অনুভূত হলে তাৎক্ষণিক বিশেষজ্ঞের চিকিৎসক এর কাছে যান। শিশু বা গর্ভবতীদের ক্ষেত্রে সতর্কতা বাড়াতে হবে।

রক্ত কাশি এবং রক্ত বমিঃউভয়ই গুরুতর লক্ষণ, যা শ্বাসনালী-ফুসফুস বা পাকস্থলীর সমস্যা নির্দেশ করে। এগুলোর কারণ চিহ্নিত করে ...
27/01/2026

রক্ত কাশি এবং রক্ত বমিঃ

উভয়ই গুরুতর লক্ষণ, যা শ্বাসনালী-ফুসফুস বা পাকস্থলীর সমস্যা নির্দেশ করে। এগুলোর কারণ চিহ্নিত করে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা জরুরি।

রক্ত কাশিঃ Hemoptysis:
এটি ফুসফুস, ব্রঙ্কাস বা শ্বাসনালী থেকে কাশির সাথে রক্ত বা রক্তমিশ্রিত কফ আসা। প্রধান কারণগুলো:

•ব্রঙ্কাইটিস, নিউমোনিয়া বা যক্ষ্মা।
•ফুসফুস ক্যান্সার বা অ-স্টেরয়েডাল ড্রাগের প্রভাব।
•নাক বা গলা থেকে রক্ত গিললে ভুল করে রক্ত কাশি বলে মনে হতে পারে (সিউডোহেমপ্টিসিস)।

অন্যান্য লক্ষণ: জ্বর, বুকব্যথা, শ্বাসকষ্ট। বেশি রক্ত হলে শক হতে পারে।

রক্ত বমি(Hematemesis):
এটি পাকস্থলী বা খাদ্যনালী থেকে রক্ত বমি, যা উজ্জ্বল লাল বা কফি গ্রাউন্ডের মতো গাঢ় হতে পারে। সাধারণ কারণ:

•পেপটিক আলসার, গ্যাস্ট্রাইটিস বা GERD।
•অতিরিক্ত কাশি/বমিতে খাদ্যনালী ছিঁড়ে যাওয়া, NSAIDs ওষুধ বা অ্যালকোহল।
•গুরুতর ক্ষেত্রে: ওসোফেজিয়াল ভারিসেস, লিভার সিরোসিস বা ক্যান্সার।

মারাত্মক বিপদজনক লক্ষণ: মাথা ঘোরা, দ্রুত নাড়ি, ফ্যাকাশে ত্বক বা শক।

করণীয় কিঃ
•অবিলম্বে হাসপাতালে যান, IV ফ্লুইড ও রক্ত পরীক্ষা দরকার।
•শুয়ে পা উঁচু করে রাখুন, কিছু খাবেন না।
•ডাক্তার দেখান: এন্ডোস্কপি বা ব্রঙ্কোস্কপি করে কারণ খুঁজে বের করতে হবে।

কাশি এবং বুক ব্যথাঃসাধারণত শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ, পেশী টান বা গ্যাস্ট্রিক সমস্যার কারণে হয়, তবে এটি হৃদরোগ বা ফুসফুসের ...
26/01/2026

কাশি এবং বুক ব্যথাঃ
সাধারণত শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ, পেশী টান বা গ্যাস্ট্রিক সমস্যার কারণে হয়, তবে এটি হৃদরোগ বা ফুসফুসের গুরুতর অবস্থার লক্ষণও হতে পারে।

সম্ভাব্য কারণসমূহঃ
•শ্বাসযন্ত্র সংক্রমণ (ব্রঙ্কাইটিস, নিউমোনিয়া): কাশির সাথে কফ এবং বুকে জ্বালাপোড়া হয়, বিশেষ করে জ্বর বা শ্বাসকষ্ট থাকলে।

•পেশী টান বা প্লুরিসি: তীব্র কাশির চাপে বুকের পেশী বা ফুসফুসের ঝিল্লি জ্বালা পায়, যা কাশির সময় ব্যথা বাড়ায়।

•GERD বা অ্যাসিড রিফ্লাক্স: পেটের অ্যাসিড ফিরে এসে বুকে জ্বালা করে, কাশি উস্কে দেয়।

•অন্যান্য: হাঁপানি, ফুসফুসের ক্যান্সার বা পালমোনারি এমবোলিজম (রক্ত জমাট) যেমন গুরুতর ক্ষেত্রে।

চিকিৎসা ও পরামর্শঃ
•ঘরোয়া উপায়: প্রচুর জল খান, বাষ্প শ্বাস নিন, লবণাক্ত জল দিয়ে কুলি করুন এবং বিশ্রাম নিন—এগুলো কফ পাতলা করে এবং ব্যথা কমায়।

•ওষুধ: চিকিৎসকের পরামর্শে

কখন চিকিৎসক দেখাবেনঃ
•জরুরি অবস্থা যেমন শ্বাসকষ্ট, রক্তমিশ্রিত কফ, তীব্র ব্যথা বা জ্বর থাকলে তাৎক্ষণিক কার্ডিওলজি ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখান।

মাইগ্রেন মাথা ব্যথাঃমাইগ্রেন পেইন বা ব্যথা একটি স্নায়বিক অবস্থা যা তীব্র, সাধারণত একপাশে স্পন্দিত মাথাব্যথা সৃষ্টি করে,...
25/01/2026

মাইগ্রেন মাথা ব্যথাঃ

মাইগ্রেন পেইন বা ব্যথা একটি স্নায়বিক অবস্থা যা তীব্র, সাধারণত একপাশে স্পন্দিত মাথাব্যথা সৃষ্টি করে, যা আলো-শব্দের প্রতি সংবেদনশীলতা এবং বমি বমি ভাবের সাথে যুক্ত।

লক্ষণসমূহঃ
•একতরফা থ্রবিং ব্যথা যা নড়াচড়ায় বাড়ে, আলো/শব্দে অস্বস্তি, বমি বা ঘাড়ে ব্যথা।

•কিছু ক্ষেত্রে অরা (দৃষ্টিভ্রম, ঝলকানি আলো) আগে হয় বা সাইলেন্ট মাইগ্রেনে ব্যথা ছাড়াই লক্ষণ।

•পর্যায়: প্রোড্রোম (ক্ষুধা/মুড চেঞ্জ), অরা, আক্রমণ (তীব্র ব্যথা), পোস্টড্রোম (ক্লান্তি)।

কারণ ও ট্রিগারঃ
•জেনেটিক ফ্যাক্টর, হরমোন পরিবর্তন, স্ট্রেস, অনিয়মিত ঘুম, নির্দিষ্ট খাবার (চকলেট, চিজ)।

•মহিলাদের মধ্যে বেশি দেখা যায়, বিশেষ করে ১৫-৫৫ বছর বয়সে।

চিকিৎসা ও পরামর্শঃ
•তীব্র আক্রমণে: অন্ধকার ঘরে বিশ্রাম এবং
NSAID, ট্রিপটান (সুমাত্রিপটান) জাতীয় ওষুধ চিকিৎসক এর পরামর্শ।

•প্রতিরোধ: প্রোপ্রানোলল বা টপিরামেট জাতীয় ওষুধ, লাইফস্টাইল চেঞ্জ (নিয়মিত ঘুম, হাইড্রেশন)।

•যদি সপ্তাহে ৪+ আক্রমণ হয় বা অস্বাভাবিক লক্ষণ (ঝিনঝিন, কথা বলতে সমস্যা) দেখা যায় দ্রুতই চিকিৎসক এর পরামর্শ নিতে হবে।

বুক ধড়ফড় বা হৃৎস্পন্দনের অনুভূতি সাধারণত হার্টের ছন্দে অস্বাভাবিক পরিবর্তনের কারণে হয়, যা স্বাভাবিক কারণেও হতে পারে বা গ...
25/01/2026

বুক ধড়ফড় বা হৃৎস্পন্দনের অনুভূতি সাধারণত হার্টের ছন্দে অস্বাভাবিক পরিবর্তনের কারণে হয়, যা স্বাভাবিক কারণেও হতে পারে বা গুরুতর রোগের লক্ষণও হতে পারে।

সাধারণ কারণসমূহঃ
•অতিরিক্ত পরিশ্রম, ব্যায়াম, সিঁড়ি ভাঙা বা খেলাধুলার কারণে হার্টের কাজ বেড়ে যায়, ফলে হৃৎস্পন্দন দ্রুত হয়।

•মানসিক চাপ, উদ্বেগ (অ্যাঙ্গজাইটি), আবেগপ্রবণতা বা স্ট্রেসে হার্ট বিট বেড়ে যায়।

•ক্যাফেইন (চা-কফি), নিকোটিন, অ্যালকোহল বা কিছু ওষুধের প্রভাবে এমন হয়।

চিকিৎসাগত কারণসমূহঃ
•জ্বর, রক্তশূন্যতা (অ্যানিমিয়া), পানিশূন্যতা (ডায়রিয়া-বমির কারণে) বা হাইপারথাইরয়ডিজমের কারণে হৃৎস্পন্দন বেড়ে যায়।

•হার্টের সমস্যা যেমন অ্যারিদমিয়া, এট্রিয়াল ফিব্রিলেশন, ভালভের রোগ, হার্ট ফেইলিওর বা হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ হতে পারে।

•হরমোনের পরিবর্তন (মেনোপজ, গর্ভাবস্থা) বা ডায়াবেটিসে রক্তশর্করা কমে গেলেও এরকম হয়।

যদি বুক ধড়ফড়ের সাথে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, মাথা ঘোরা বা অজ্ঞান হওয়ার মতো লক্ষণ থাকে, তাহলে তাৎক্ষণিক কার্ডিওলজিস্টের পরামর্শ নিন, ইসিজি ইকো বা হল্টার মনিটরিং করে দেখুন।

রোগীর শারীরিক সমস্যা ও মনের কথাগুলো মনোযোগ দিয়ে শুনি বলেই বিশ্ববিখ্যাত সার্চ ইঞ্জিন ও AI আমার সম্পর্কে এই তথ্যগুলো প্রকা...
23/01/2026

রোগীর শারীরিক সমস্যা ও মনের কথাগুলো মনোযোগ দিয়ে শুনি বলেই বিশ্ববিখ্যাত সার্চ ইঞ্জিন ও AI আমার সম্পর্কে এই তথ্যগুলো প্রকাশ করেছেন। আপনারা যারা রিভিউ দেখেছেন , বাস্তবে ঠিক একই রকম স্বাস্থ্যসেবা ও পরামর্শ পাবেন।

Address

Dhaka Medical College Hospital
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ডা. কমল রায় posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to ডা. কমল রায়:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram