শিশুর বিকাশ

শিশুর বিকাশ � সুস্থ শিশু, সুস্থ দেশ �

♦ সৃষ্টি জগতের মাঝে সব থেকে দূর্বল হয়ে জন্মগ্রহন করে একটি মানব শিশু। বিকাশের বিভিন্ন ধাপে পরবর্তিতে পরিবেশের বিভিন্ন ইতিবাচক ও নেতিবাচক নিয়ামকের ভেতর দিয়ে গিয়ে গড়ে তোলে নিজেকে একজন স্বতন্ত্র হিসেবে। তবে সবাই যে স্বাভাবিকভাবে নিজেকে প্রকাশ করতে পারে তেমনটি নয়।অনেকে নিজেকে আবিস্কার করতে গিয়ে জন্মগত বিকাশগত কিছু ত্রুটি বা পরিবার বা সমাজের ভুল কিছু আচরনের শিকারে হারিয়ে ফেলে নিজেকে। তখন’ই দেখা দেয় তার

ভেতরে বিভিন্ন আচরনগত সমস্যার। যার ক্ষতিকর প্রভাব সবাইকে পীড়িত করে। এর থেকে পরিত্রানের উপায় হিসেবে সন্তানের বিকাশে আমরাই পারি তার প্রিয় সহযোগী হতে। আসুন জেনে নেই তাহলে – শিশুর বিকাশ। ♦
♥ বিঃদ্রঃ আমরা কখনই অন্যকে বা অন্যদের পরিবর্তন করতে পারব না। তবে আমরা আমাদের পরিবর্তিত দৃষ্টিভঙ্গি, আচরণ ও পরিবেশের দ্বারা তাদের আচরণ পরিবর্তনে প্রভাবিত অর্থাৎ পরোক্ষভাবে উদ্বুদ্ধ বা উৎসাহিত করে তুলতে পারি।

♥♥♥ “উন্নত মন, সুস্থ জীবন ♥♥♥..♥♥ প্রতিদিন, প্রতিক্ষণ।” ♥♥...

ইদানিং দেখা যাচ্ছে অনেক শিশু ফ্রি ফায়ারসহ বিভিন্ন মোবাইল গেমে আসক্ত হয়ে পড়ছে, যা একটি গুরুতর সমস্যা। সময়মতো এটি নিয়...
13/04/2026

ইদানিং দেখা যাচ্ছে অনেক শিশু ফ্রি ফায়ারসহ বিভিন্ন মোবাইল গেমে আসক্ত হয়ে পড়ছে, যা একটি গুরুতর সমস্যা। সময়মতো এটি নিয়ন্ত্রণ না করলে ধীরে ধীরে শিশুর উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করে।
এর ফলে..
চোখে সমস্যা তৈরি হয়।
পড়াশোনায় মনোযোগ কমে যায়।
অল্পতেই রাগ ও বিরক্তি বেড়ে যায়।
খাবারের প্রতি অনীহা দেখা দেয়।
স্কুলে যেতে অনিচ্ছা তৈরি হয়।
বাবা-মায়ের সাথে দূরত্ব ও খারাপ আচরণ বাড়ে
তাই এখনই সতর্ক হওয়া জরুরি।
অভিভাবকদের উচিত সন্তানের স্ক্রিন টাইম সীমিত করা, নিয়মিত নজরদারি করা এবং বিকল্প ছোট ছোট ছোট কার্যক্রমে যুক্ত করতে হবে, প্রচুর সময় দিতে হবে। প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে ধন্যবাদ।

মোঃ নাজমুল হোসেন
সাইকোলজিস্ট
শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল বরিশাল।
চেম্বার: পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার বরিশাল।
01714767693

২ এপ্রিল – বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবসঅটিজম কোনো রোগ নয়; এটি একটি নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল (বিকাশজনিত) অবস্থা। অর্থাৎ, শিশুর মস...
01/04/2026

২ এপ্রিল – বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস
অটিজম কোনো রোগ নয়; এটি একটি নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল (বিকাশজনিত) অবস্থা। অর্থাৎ, শিশুর মস্তিষ্কের স্বাভাবিক বিকাশে কিছু ভিন্নতা দেখা যায়, যা তার আচরণ, যোগাযোগ ও সামাজিক দক্ষতার ওপর প্রভাব ফেলে।
সাধারণত অটিজমে আমরা তিনটি মূল বিষয় লক্ষ্য করি......
সামাজিক যোগাযোগের ঘাটতি – অন্যদের সাথে চোখে চোখ রাখা, সম্পর্ক তৈরি বা সামাজিকভাবে মিশতে সমস্যা হয়।
যোগাযোগের অক্ষমতা – কথা বলা দেরিতে শুরু হওয়া, ভাষা বোঝা বা প্রকাশে সমস্যা দেখা দেয়।
আচরণগত বৈশিষ্ট্য – একই কাজ বারবার করা, রুটিনের প্রতি অতিরিক্ত নির্ভরতা বা অস্বাভাবিক আগ্রহ দেখা যায়।
সঠিক ও সময়োপযোগী Psychological Assessment মাধ্যমে অটিজম নির্ণয় level বের করা সম্ভব। তাই অভিভাবকদের সচেতন হওয়া অত্যন্ত জরুরি।
অটিজমের কোনো নির্দিষ্ট ঔষধ দিয়ে নিরাময় নেই। তবে ব্যবহারিক থেরাপি (Behavior Therapy), স্পিচ থেরাপি এবং সঠিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিশুর দক্ষতা অনেকাংশে উন্নত করা যায় এবং তাকে স্বাভাবিক জীবনের কাছাকাছি আনা সম্ভব।
আসুন, আমরা সবাই সচেতন হই, অটিজম সম্পর্কে ভুল ধারণা দূর করি এবং বিশেষ শিশুদের প্রতি সহানুভূতিশীল হই।

মোঃ নাজমুল হোসেন
সাইকোলজিস্ট
শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল বরিশাল।
চেম্বার: পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার বরিশাল।
01714767693

মাদকাসক্তি থেকে মুক্তি পাওয়া একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। অনেকেই মনে করেন মাদক ছাড়ার জন্য কোনো একটি বিশেষ ওষুধই যথেষ্...
08/03/2026

মাদকাসক্তি থেকে মুক্তি পাওয়া একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। অনেকেই মনে করেন মাদক ছাড়ার জন্য কোনো একটি বিশেষ ওষুধই যথেষ্ট, কিন্তু বাস্তবে শুধুমাত্র ওষুধ দিয়ে মাদকাসক্তি সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। এ ক্ষেত্রে সাইকোথেরাপি বা মনস্তাত্ত্বিক চিকিৎসা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
সাইকোথেরাপির মাধ্যমে একজন মাদকাসক্ত ব্যক্তিকে প্রথমে তার আসক্তির পেছনের কারণগুলো বুঝতে সাহায্য করা হয়। অনেক সময় মানসিক চাপ, হতাশা, একাকিত্ব, পারিবারিক সমস্যা বা খারাপ সঙ্গের কারণে মানুষ মাদকের দিকে ঝুঁকে পড়ে। থেরাপির মাধ্যমে এই কারণগুলো চিহ্নিত করা সম্ভব হয়।
এছাড়া সাইকোথেরাপি মাদক গ্রহণের “ট্রিগার” বা যে পরিস্থিতিগুলো মাদক নেওয়ার ইচ্ছা বাড়িয়ে দেয় সেগুলো শনাক্ত করতে সাহায্য করে। যেমন—নির্দিষ্ট বন্ধুদের সাথে থাকা, মানসিক চাপ, রাগ বা একাকিত্ব ইত্যাদি। যখন ব্যক্তি তার ট্রিগারগুলো সম্পর্কে সচেতন হয়, তখন সে এগুলো এড়িয়ে চলা বা সঠিকভাবে মোকাবিলা করার কৌশল শিখতে পারে।
সাইকোথেরাপি ব্যক্তিকে সঠিক পথে ফিরে আসতে সহায়তা করে। এর মাধ্যমে তাকে নতুনভাবে জীবনযাপন, মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ, আত্মনিয়ন্ত্রণ এবং ইতিবাচক চিন্তার অভ্যাস গড়ে তুলতে শেখানো হয়। পাশাপাশি আবার যেন মাদকে ফিরে না যায় (রিল্যাপ্স প্রতিরোধ) সে বিষয়েও গুরুত্বপূর্ণ কৌশল শেখানো হয়।
সুতরাং বলা যায়, মাদকাসক্তি থেকে মুক্তি পেতে সাইকোথেরাপি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি শুধু মাদক ছাড়তেই সাহায্য করে না, বরং একজন মানুষকে সুস্থ, স্বাভাবিক এবং অর্থবহ জীবনে ফিরে আসতে সহায়তা করে।

মোঃ নাজমুল হোসেন
সাইকোলজিস্ট
শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল বরিশাল।
চেম্বার: পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার বরিশাল ।

অটিজম ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের বাবা-মায়ের মানসিক স্বাস্থ্যআমার কাছে... অটিজম বা অন্যান্য বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদে...
25/02/2026

অটিজম ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের বাবা-মায়ের মানসিক স্বাস্থ্য
আমার কাছে... অটিজম বা অন্যান্য বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের অনেক বাবা মা আসে যাদের অধিকাংশ মানসিক সমস্যায় ভুগে...
অটিজম বা অন্যান্য বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের লালন-পালন একটি দীর্ঘমেয়াদি ও চ্যালেঞ্জিং যাত্রা। সন্তানের থেরাপি, স্কুল, আচরণগত সমস্যা, সামাজিক চাপ—সব মিলিয়ে বাবা-মায়েরা প্রায়ই অতিরিক্ত মানসিক চাপ, উদ্বেগ ও হতাশায় ভোগেন।
অনেক সময় দেখা যায়..যেমন... . ঘুমের সমস্যা,অতিরিক্ত,দুশ্চিন্তা
অপরাধবোধ... আমি কি ঠিকভাবে করছি?
সামাজিক বিচ্ছিন্নতা,দাম্পত্য টানাপোড়েন
রাগ সহ বিভিন্ন সমস্যা দেখা যায়।

প্রত্যেক বাবা মায়ের উচিত নিজের মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া,নিজের জন্য সময় বের করা/ সময় ভাগ করে নেওয়া।

মোঃ নাজমুল হোসেন
সাইকোলজিস্ট
শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল বরিশাল।
চেম্বার: পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার বরিশাল।
01714767693

22/02/2026
বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ ও দ্বিতীয় বিবাহ: সন্তানের মানসিক বিকাশে নীরব প্রভাব পরে।আজকের সমাজে বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ (Separation/Di...
11/02/2026

বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ ও দ্বিতীয় বিবাহ: সন্তানের মানসিক বিকাশে নীরব প্রভাব পরে।
আজকের সমাজে বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ (Separation/Divorce) এবং দ্বিতীয় বিবাহের ঘটনা দিন দিন বাড়ছে। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, বাবা-মা নিজেদের আবেগ, কষ্ট বা নতুন জীবনের সিদ্ধান্তে ব্যস্ত থাকেন, কিন্তু সন্তানের মানসিক অবস্থার দিকে যথেষ্ট গুরুত্ব দেন না।
শিশু বা কিশোরের জন্য বাবা-মা হলো তার সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়। যখন সেই আশ্রয় ভেঙে যায় বা বদলে যায়, তখন শিশুর মনে তৈরি হয় রাগ ও হতাশা,.... এরকম সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আমরা সন্তানদের কথা চিন্তা করি, তাদেরকে ভালবাসি তারা কিন্তু ইচ্ছা করে আমাদের কাছে আসেনি....

মোঃ নাজমুল হোসেন
সাইকোলজিস্ট
শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল বরিশাল।
চেম্বার : পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার বরিশাল।
01714767693

11/02/2026

আপনি জানেন কি?
টিকটক ও শর্ট ভিডিও: শিশুদের মনোযোগ কমে যাওয়ার অন্যতম কারণ
আজকাল অনেক শিশুকেই দেখা যায়—
ঠিকভাবে কথা শুনতে চায় না,
এক কাজে বেশি সময় মনোযোগ ধরে রাখতে পারেনা,
পড়াশোনায় আগ্রহ কম,এবং সহজেই বিরক্ত হয়ে যায়।
এর অন্যতম বড় কারণ হতে পারে, TikTok, YouTube Shorts, Facebook Reels-এর মতো Short Video Addiction।
এই ভিডিওগুলোতে খুব অল্প সময়ে বারবার নতুন নতুন দৃশ্য দেখা যায়,
যার ফলে শিশুর মস্তিষ্ক দ্রুত আনন্দে অভ্যস্ত হয়ে পড়ে।
ফলাফল হিসেবে বই পড়া, ক্লাসে মনোযোগ দেওয়া বা হোমওয়ার্ক করা—সবকিছুই তাদের কাছে “বোরিং” মনে হয়।
স্কিন টাইম সীমিত করা কেন জরুরি?
শিশুর স্কিন টাইম সীমিত করলে—
মনোযোগ বাড়ে,ধৈর্য তৈরি হয়,শেখার গতি উন্নত হয়
আচরণে ইতিবাচক পরিবর্তন আসে।

শিশুর মোবাইলে এডিকশন বেশি হলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

মোঃ নাজমুল হোসেন
সাইকোলজিস্ট
শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল বরিশাল।
চেম্বার: পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার বরিশাল।
01714767693

Conversion Disorder (Hysteria) কী?শিশু ও কিশোরদের মধ্যেই এটি বেশি common।Conversion Disorder হলো এক ধরনের সাইকোসোমাটিক (...
10/02/2026

Conversion Disorder (Hysteria) কী?

শিশু ও কিশোরদের মধ্যেই এটি বেশি common।
Conversion Disorder হলো এক ধরনের সাইকোসোমাটিক (Psychosomatic) সমস্যা, যেখানে মানসিক চাপ বা ট্রমা শরীরের মাধ্যমে প্রকাশ পায়, কিন্তু কোন জৈবিক (medical) রোগ পাওয়া যায় না।.......
যে সমস্যা দেখা যায়!
হাত-পা অবশ বা কাজ না করা,হঠাৎ হাঁটতে না পারা,শরীর কাঁপা, জ্ঞান হারানো (Pseudo seizure),চোখে না দেখা,কানে না শোনা
শরীরের কোনো অংশে অনুভূতি না থাকা, কথা বলতে না পারা,গলা বন্ধ হয়ে যাওয়া...সাইকোথেরাপি ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা মাধ্যমে এ রোগ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।

মোঃ নাজমুল হোসেন
সাইকোলজিস্ট
শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল বরিশাল।
চেম্বার পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার বরিশাল
01714767693

অনেক বাবা-মা মনে করেন, শিশুর দেরিতে কথা বলা কোনো সমস্যা নয়—সময় হলে নিজে নিজেই ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু বাস্তবে  Speech Delay...
09/02/2026

অনেক বাবা-মা মনে করেন, শিশুর দেরিতে কথা বলা কোনো সমস্যা নয়—সময় হলে নিজে নিজেই ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু বাস্তবে Speech Delay একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্ক সংকেত (Red Flag) হতে পারে।
শিশু যদি বয়স অনুযায়ী কথা না বলে, তাহলে দেরি না করে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের (Psychologist / Child Development Specialist) পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। কারণ দেরিতে কথা বলার পেছনে থাকতে পারে—
Speech Delay / Language Disorder
Autism Spectrum Disorder (ASD)
Hearing Problem
Intellectual Disability
Environmental deprivation (অতিরিক্ত মোবাইল, কথা না বলা পরিবেশ)
চেম্বারে সম্প্রতি আমি একটি শিশুকে দেখেছি—বয়স ৬ বছর। বাবা-মা ভাবছিলেন, “ও দেরিতে কথা বলছে, এতে সমস্যা নেই; আমিও দেরিতে কথা বলেছিলাম।”
কিন্তু বিস্তারিত মূল্যায়নে দেখা গেছে, শিশুটির Autism Spectrum Disorder রয়েছে।
এই ধরনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় সমস্যা হয় দেরিতে Intervention শুরু করা। অথচ গবেষণায় প্রমাণিত
Early Intervention শুরু করলে শিশুর ভাষা, সামাজিকতা ও আচরণে উল্লেখযোগ্য উন্নতি সম্ভব।

মোঃ নাজমুল হোসেন
সাইকোলজিস্ট
শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল বরিশাল।
চেম্বার : পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার বরিশাল
01714767693

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when শিশুর বিকাশ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to শিশুর বিকাশ:

Share

Category