Laboratory Medicine রোগ নির্ণয় শাখা

Laboratory Medicine রোগ নির্ণয় শাখা Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Laboratory Medicine রোগ নির্ণয় শাখা, Medical and health, Dhaka.

ফ্রেশ এবং টাটকা খাবার শরীরের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এগুলোতে ভিটামিন, মিনারেল, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফাইবার বেশি...
23/09/2025

ফ্রেশ এবং টাটকা খাবার শরীরের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এগুলোতে ভিটামিন, মিনারেল, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফাইবার বেশি থাকে। এই উপাদানগুলো শরীরকে সুস্থ রাখে এবং বিপদজনক রোগ থেকে দূরে রাখে। নিচে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের সাথে সম্পর্ক ব্যাখ্যা করা হলো—

১. মস্তিষ্ক (Brain):
টাটকা খাবারের ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ায়। কৃত্রিম বা পুরোনো খাবার মস্তিষ্কে টক্সিন জমায়, যা স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগে প্রভাব ফেলে।

২. হৃদপিণ্ড (Heart):
টাটকা ফল ও সবজির অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফাইবার রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে, কোলেস্টেরল কমায়, ফলে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে।

৩. লিভার (Liver):
ফ্রেশ খাবার লিভারের ওপর বাড়তি চাপ ফেলে না, বরং ক্ষতিকর টক্সিন বের করতে সাহায্য করে। প্রক্রিয়াজাত (processed) খাবার লিভারে চর্বি জমায়, যা “ফ্যাটি লিভার” এর ঝুঁকি বাড়ায়।

৪. কিডনি (Kidney):
টাটকা খাবারে সোডিয়াম ও কেমিক্যাল কম থাকে, ফলে কিডনির ওপর চাপ কমে। এতে কিডনি সহজে রক্ত পরিশোধন করতে পারে।

৫. পাকস্থলী ও অন্ত্র (Stomach & Intestine):
ফ্রেশ খাবারের ফাইবার হজম সহজ করে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে এবং গাট হেলথ ভালো রাখে। রাসায়নিকযুক্ত খাবার অন্ত্রে আলসার বা প্রদাহ তৈরি করতে পারে।

৬. ত্বক (Skin):
ফ্রেশ ফল-সবজির ভিটামিন সি ও ই ত্বককে উজ্জ্বল ও তরতাজা রাখে। টক্সিনযুক্ত খাবার ব্রণ, এলার্জি বা অকাল বার্ধক্য ঘটাতে পারে।

৭. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (Immune System):
ফ্রেশ খাবারের ভিটামিন সি, জিঙ্ক ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, ফলে সংক্রমণ ও জটিল রোগ থেকে শরীর বাঁচে।

For blood Draw🔴
12/09/2025

For blood Draw🔴

ডায়াবেটিস (Diabetes Mellitus) একটি দীর্ঘমেয়াদি (chronic) বিপাকজনিত রোগ, যেখানে শরীর পর্যাপ্ত ইনসুলিন (Insulin) উৎপাদন কর...
26/08/2025

ডায়াবেটিস (Diabetes Mellitus) একটি দীর্ঘমেয়াদি (chronic) বিপাকজনিত রোগ, যেখানে শরীর পর্যাপ্ত ইনসুলিন (Insulin) উৎপাদন করতে পারে না, অথবা উৎপাদিত ইনসুলিন কার্যকরভাবে কাজ করে না। ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়।

---

ডায়াবেটিসের ধরন

1. টাইপ–১ ডায়াবেটিস (Type 1 Diabetes)

শরীর একেবারেই ইনসুলিন তৈরি করতে পারে না।

সাধারণত শিশু বা কিশোর বয়সে দেখা দেয়।

ইনসুলিন ইনজেকশন ছাড়া নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়।

2. টাইপ–২ ডায়াবেটিস (Type 2 Diabetes)

সবচেয়ে সাধারণ ধরন (প্রায় ৯০–৯৫% রোগী এই ধরনের)।

শরীর ইনসুলিন তৈরি করে, কিন্তু কোষগুলো ইনসুলিনের প্রতি সাড়া দেয় না (insulin resistance)।

সাধারণত বয়স্কদের হয়, তবে বর্তমানে তরুণদের মধ্যেও বাড়ছে।

3. গর্ভকালীন ডায়াবেটিস (Gestational Diabetes)

গর্ভবতী নারীদের মধ্যে সাময়িকভাবে দেখা দেয়।

অনেক সময় সন্তান জন্মের পর স্বাভাবিক হয়ে যায়, কিন্তু ভবিষ্যতে টাইপ–২ ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়।

---

ডায়াবেটিসের প্রধান লক্ষণ

অতিরিক্ত পিপাসা (Polydipsia)

বারবার প্রস্রাব (Polyuria)

অতিরিক্ত ক্ষুধা (Polyphagia)

দ্রুত ওজন কমে যাওয়া (বিশেষত টাইপ–১ এ)

সহজে ক্ষত না শুকানো

বারবার সংক্রমণ (ত্বক, দাঁত, প্রস্রাবের পথ ইত্যাদিতে)

ঝাপসা দেখা বা চোখে সমস্যা

অবসাদ ও দুর্বলতা

---

ঝুঁকির কারণ

বংশগত (পারিবারিক ইতিহাস থাকলে ঝুঁকি বেশি)

স্থূলতা ও শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা

অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস (চর্বি, চিনি ও জাঙ্ক ফুড বেশি খাওয়া)

বয়স বৃদ্ধি

উচ্চ রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল সমস্যা

মানসিক চাপ

---

জটিলতা (দীর্ঘমেয়াদে)

যদি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে না থাকে, তাহলে—

হৃদরোগ ও স্ট্রোক

কিডনি বিকল (Diabetic nephropathy)

চোখের সমস্যা ও অন্ধত্ব (Diabetic retinopathy)

স্নায়ুর সমস্যা (Neuropathy), হাত–পায়ের অসাড়তা বা ব্যথা

পায়ে ঘা, যা গুরুতর হলে কেটে ফেলতে হতে পারে

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া

---

প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ

খাদ্যাভ্যাস নিয়ন্ত্রণ → শাকসবজি, ফল, আঁশযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া; চিনি ও তৈলাক্ত খাবার কম খাওয়া।

নিয়মিত ব্যায়াম → প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা বা শারীরিক কসরত।

ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা।

ধূমপান ও অ্যালকোহল পরিহার করা।

ডাক্তারি পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ/ইনসুলিন ব্যবহার।

রক্তের গ্লুকোজ নিয়মিত পরীক্ষা করা।

লিভার সিরোসিস (Liver Cirrhosis) হলো একটি দীর্ঘস্থায়ী রোগ, যেখানে লিভারের সুস্থ টিস্যু ধ্বংস হয়ে দাগ (scar tissue) পড়ে এব...
30/01/2025

লিভার সিরোসিস (Liver Cirrhosis) হলো একটি দীর্ঘস্থায়ী রোগ, যেখানে লিভারের সুস্থ টিস্যু ধ্বংস হয়ে দাগ (scar tissue) পড়ে এবং লিভারের কার্যকারিতা কমে যায়। এটি সাধারণত ধীরে ধীরে হয় এবং লিভারের কোষগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হলে পুনরায় স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে পারে না।

কেনো হয়?

লিভার সিরোসিসের কারণগুলো সাধারণত লিভারের দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতির সাথে সম্পর্কিত। প্রধান কারণগুলো হলো:

1. অ্যালকোহল সেবন:

দীর্ঘমেয়াদে অতিরিক্ত অ্যালকোহল পান লিভার কোষ ধ্বংস করে এবং সিরোসিসের কারণ হয়।

2. হেপাটাইটিস:

হেপাটাইটিস বি, সি, বা ডি ভাইরাস দীর্ঘস্থায়ী লিভার প্রদাহ ঘটিয়ে সিরোসিসের দিকে নিয়ে যেতে পারে।

3. ফ্যাটি লিভার ডিজিজ:

অতিরিক্ত চর্বি জমে লিভারে প্রদাহ সৃষ্টি হলে তা সিরোসিসের কারণ হতে পারে। এটি অ্যালকোহল-জনিত বা অ্যালকোহল-অজনিত উভয় ধরনের হতে পারে।

4. বিলিয়ারি ডিজিজ:

পিত্তনালীর সমস্যার কারণে লিভারের ক্ষতি হলে সিরোসিস হতে পারে।

5. অটোইমিউন লিভার ডিজিজ:

লিভারের কোষগুলোতে নিজস্ব রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থার আক্রমণ।

6. জেনেটিক কারণ:

কিছু বংশগত রোগ যেমন উইলসন ডিজিজ বা হেমোক্রোমাটোসিস লিভারে সিরোসিস ঘটাতে পারে।

7. ড্রাগ ও টক্সিন:

দীর্ঘমেয়াদে কিছু ওষুধ বা বিষাক্ত পদার্থ লিভার ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

লক্ষণ:

শুরুর দিকে সিরোসিসের তেমন কোনো লক্ষণ দেখা নাও যেতে পারে। তবে যখন লিভারের ক্ষতি গুরুতর হয়, তখন দেখা দিতে পারে:

ক্লান্তি ও দুর্বলতা।

ত্বক ও চোখ হলুদ হওয়া (জন্ডিস)।

পেট ফোলা (অ্যাসাইটিস)।

পা ফোলা।

প্রস্রাবে রঙ পরিবর্তন।

মল কালো বা রক্তাক্ত হওয়া।

ক্ষুধামন্দা ও ওজন কমে যাওয়া।

মানসিক বিভ্রান্তি (হেপাটিক এনসেফালোপ্যাথি)।

চিকিৎসা:

লিভার সিরোসিস পুরোপুরি নিরাময় সম্ভব নয়। তবে সঠিক চিকিৎসা এবং জীবনধারার পরিবর্তনের মাধ্যমে এর অগ্রগতি ধীর করা যায়:

1. মূল কারণ নির্ণয় ও চিকিৎসা:

হেপাটাইটিসের চিকিৎসা।

অ্যালকোহল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা।

2. ওষুধ:

প্রদাহ কমানো এবং জটিলতা প্রতিরোধে ব্যবহার করা হয়।

3. ডায়েট ও লাইফস্টাইল:

লবণ খাওয়া কমাতে হবে।

পুষ্টিকর খাবার খাওয়া।

4. শেষ পর্যায়ে লিভার প্রতিস্থাপন (Liver Transplant):

যদি লিভার সম্পূর্ণ অকার্যকর হয়ে যায়, তখন এটি প্রয়োজন হতে পারে।

ক্যান্সার (Cancer) হলো এমন একটি রোগ যেখানে শরীরের কোষগুলো অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে থাকে এবং নিয়ন্ত্রণহীনভাবে বিভাজন ঘটে। স...
28/01/2025

ক্যান্সার (Cancer) হলো এমন একটি রোগ যেখানে শরীরের কোষগুলো অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে থাকে এবং নিয়ন্ত্রণহীনভাবে বিভাজন ঘটে। সাধারণত শরীরের কোষগুলো নিয়মিত বৃদ্ধির এবং বিভাজনের একটি নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলে। কিন্তু যখন কোনো কোষ এই নিয়ম ভেঙে অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে ওঠে, তখন সেটি ক্যান্সারের রূপ নিতে পারে।

ক্যান্সারের বৈশিষ্ট্য:

1. অসীম বিভাজন ক্ষমতা: ক্যান্সার কোষগুলো বারবার বিভাজিত হতে থাকে।

2. পাশের টিস্যুতে ছড়িয়ে পড়া: এটি নিকটবর্তী কোষ বা টিস্যুকে আক্রমণ করতে পারে।

3. দেহের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে পড়া (Metastasis): রক্ত বা লিম্ফ সিস্টেমের মাধ্যমে শরীরের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

ক্যান্সারের কারণ:

জেনেটিক মিউটেশন

তামাকজাত পণ্য ব্যবহার

অতিরিক্ত অ্যালকোহল গ্রহণ

দীর্ঘদিন সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি (UV Ray) এর সংস্পর্শে থাকা

ইনফেকশন যেমন: HPV, H. pylori

পরিবেশগত বিষাক্ত পদার্থের প্রভাব (Carcinogens)

অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাপন

ক্যান্সারের চিকিৎসা:
ক্যান্সারের চিকিৎসা নির্ভর করে এর প্রকার, অবস্থান এবং ধাপের উপর। চিকিৎসার পদ্ধতিগুলোর মধ্যে রয়েছে:

1. সার্জারি: ক্যান্সার আক্রান্ত অংশ কেটে ফেলে দেওয়া।

2. কেমোথেরাপি: ওষুধ দিয়ে ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করা।

3. রেডিয়েশন থেরাপি: বিকিরণ ব্যবহার করে ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করা।

4. ইমিউনোথেরাপি: শরীরের ইমিউন সিস্টেমকে ক্যান্সারের বিরুদ্ধে শক্তিশালী করা।

5. টার্গেটেড থেরাপি: নির্দিষ্ট জিন বা প্রোটিনকে টার্গেট করে থেরাপি দেওয়া।

ক্যান্সার দ্রুত নির্ণয় করা এবং চিকিৎসা শুরু করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা এবং জীবনে সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাপন বজায় রাখা প্রয়োজন।

28/01/2025

CBC বা Complete Blood Count হলো একটি রুটিন ব্লাড টেস্ট, যা রক্তের বিভিন্ন উপাদানের সংখ্যা এবং গুণগত বৈশিষ্ট্য নির্ধারণে সাহায্য করে। এই টেস্টটি রক্তের স্বাভাবিক অবস্থার মূল্যায়ন এবং বিভিন্ন রোগ শনাক্ত করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

CBC-তে সাধারণত যেসব উপাদান মূল্যায়ন করা হয়:

1. হিমোগ্লোবিন (Hb): রক্তে অক্সিজেন পরিবহনের ক্ষমতা নির্ণয়।

2. রেড ব্লাড সেলস (RBC): রক্তে লোহিত কণিকার সংখ্যা।

3. হোয়াইট ব্লাড সেলস (WBC): দেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার কোষ।

4. প্লাটিলেট (Platelet): রক্ত জমাট বাঁধায় সাহায্যকারী কোষ।

5. হেমাটোক্রিট (HCT): রক্তের মধ্যে রেড ব্লাড সেলের অনুপাত।

6. MCV, MCH, MCHC: রেড ব্লাড সেলের গড় আকার এবং হিমোগ্লোবিন কন্টেন্ট।

CBC টেস্ট কেন করা হয়?

রক্তস্বল্পতা (Anemia) শনাক্ত করতে।

ইনফেকশন বা ইনফ্লেমেশন পরীক্ষা করতে।

রক্ত জমাট বাঁধার সমস্যা নির্ণয় করতে।

লিউকেমিয়া বা ব্লাড ক্যান্সার পরীক্ষা করতে।

রোগীর স্বাস্থ্যগত সার্বিক পরিস্থিতি মূল্যায়ন করতে।

27/01/2025

🔬 ল্যাবরেটরি মেডিসিন কী? 🔬

ল্যাবরেটরি মেডিসিন একটি বিশেষ শাখা যা রোগ নির্ণয়ের জন্য শরীরের বিভিন্ন নমুনা (যেমন রক্ত, মূত্র, শ্লেষ্মা, ইত্যাদি) পরীক্ষা করে তথ্য সংগ্রহ করে। এই পরীক্ষাগুলোর মাধ্যমে ডাক্তাররা রোগের সঠিক কারণ এবং ধরণ জানেন, যা তাদের রোগীকে সঠিক চিকিৎসা দিতে সহায়তা করে।

ল্যাবরেটরি মেডিসিনের মূল কাজ:

শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গের কার্যকারিতা পর্যালোচনা করা

সংক্রামক রোগের উপস্থিতি চিহ্নিত করা

হরমোন বা ইমিউন সিস্টেমের সমস্যা শনাক্ত করা

রোগের পর্যায় এবং গুরুতরতা নির্ধারণ করা

এটি চিকিৎসকদের জন্য একটি অপরিহার্য হাতিয়ার, যেহেতু রোগীর শরীরের গভীরে কী ঘটছে তা বাইরে থেকে সরাসরি দেখা সম্ভব নয়। ল্যাবরেটরি পরীক্ষাগুলোর মাধ্যমে রোগ নির্ণয় করার পরই চিকিৎসকরা সঠিক চিকিৎসা পদ্ধতি নির্ধারণ করতে পারেন।

তাহলে, ল্যাবরেটরি মেডিসিন শুধুমাত্র পরীক্ষা নয়, এটি রোগ নির্ণয়ে অপরিহার্য একটি অংশ, যা রোগীর সুস্থতার পথে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে।

ভ্যাক্সিন নিন সুরক্ষিত থাকুন, সুরক্ষিত রাখুন।🎗️
05/05/2023

ভ্যাক্সিন নিন সুরক্ষিত থাকুন, সুরক্ষিত রাখুন।🎗️

Address

Dhaka

Telephone

+8801879971707

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Laboratory Medicine রোগ নির্ণয় শাখা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Laboratory Medicine রোগ নির্ণয় শাখা:

Share