Safe Delivery Rights: সচেতন নারী, নিরাপদ মাতৃত্ব

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • Safe Delivery Rights: সচেতন নারী, নিরাপদ মাতৃত্ব

Safe Delivery Rights: সচেতন নারী, নিরাপদ মাতৃত্ব Safe delivery is the right of all mothers. Thus, the page aims to listen and inform mothers about the

This page is managed by a health communication professional trained in the USA. It plays a role in enriching the knowledge of the mothers about safe pregnancy in order to nourish their health and make capable them to attend meaningful discussions during their doctors' visits.

03/04/2026

হাম সাধারণত শুরু হয় তীব্র জ্বর, কাশি, নাক দিয়ে পানি পড়া, চোখ লাল/পানি পড়া, কখনও মুখের ভেতরে ছোট সাদা দাগ, তারপর মুখ থেকে শুরু করে সারা শরীরে র‍্যাশ দিয়ে। মনে রাখতে হবে, হামে অনেক সময় বিপদ র‍্যাশে না, বরং নিউমোনিয়া, তীব্র ডায়রিয়া ও পানি শূন্যতা, আর মস্তিষ্কে প্রদাহের মতো জটিলতায়।

এই সময় প্রথম দায়িত্ব কী?

ছোট শিশুরা যেহেতু ঝুঁকিতে বেশি, তাই প্রথমে ভয় না পেয়ে বাসায় রাখুন। ডাক্তার/ক্লিনিকে আগে ফোন করে জানান যে হাম সন্দেহ হচ্ছে, কারণ এটি খুব দ্রুত অন্যদের মধ্যে ছড়ায়। র‍্যাশ ওঠার পরও অন্তত ৪ দিন আলাদা রাখা ভালো। বাসার গর্ভবতী নারী, ছোট বাচ্চা, বা যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম তাদের থেকে দূরে রাখুন। কাপ, চামচ, তোয়ালে, বালিশ যা ব্যবহার করে, আলাদা রাখুন।

আপনার কাজ মূলত লক্ষণ অনুযায়ী সেবা নিশ্চিত করা!
�শিশুকে বিশ্রাম দিন এবং বয়স অনুযায়ী পানি, বুকের দুধ, ফর্মুলা, বা অন্য উপযুক্ত তরল বারবার দিন । জ্বর বা অস্বস্তি থাকলে ডাক্তারের পরামর্শ এবং শিশুর বয়স অনুযায়ী প্যারাসিটামল বা আইবুপ্রোফেন দিন। চোখে ময়লা জমলে সিদ্ধ করে ঠান্ডা করা পানি দিয়ে আলতো করে পরিষ্কার করে দিন।
এই সময় বাচ্চার খাবার অনীহা দেখা দেয়া খুব স্বাভাবিক কিন্তু “খাচ্ছে না, পানিও ঠিকমতো নিচ্ছে না”—এটা হালকা করে দেখা যাবে না।

শিশু মৃত্যুর কারণ হয়ে থাকে পানিশূন্যতা!

পানি শূন্যতা মানে বাচ্চা যতটুকু পানি খাচ্ছে, তার চেয়ে বেশি বের হয়ে যাচ্ছে। এটা শুধু মাত্র খাবার খাওয়াতে অনাগ্রহের জন্য নয় বরং হাম জনিত আর একটা লক্ষণ তীব্র ডায়রিয়ার কারণে। এক্ষেত্রে খালি পানি দিলে ডায়রিয়ার সাথে বমির পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে, তাই অল্প অল্প পরিমাণে ফ্রিকোয়েন্টলি ওরস্যালাইন দিন।

পানি শূন্যতা হয়েছে কি না বুঝবেন কীভাবে?
�রেগুলারের চেয়ে প্রস্রাব কমে যাওয়া বা ডায়াপার কম ভেজা, মুখ-জিহ্বা-ঠোঁট শুকিয়ে যাওয়া, কান্না করলেও চোখে পানি না আসা, চোখ বসে যাওয়া, বাচ্চা অস্বাভাবিক ঘুম ঘুম বা বিরক্ত হয়ে যাওয়া, আর বড় বাচ্চাদের ক্ষেত্রে গাঢ় হলুদ প্রস্রাব।

তীব্র জ্বর হলে কী করবেন?
�হামের জ্বর অনেক সময় খুব বেশি হতে পারে। তাই জ্বর হলে শুধু গায়ে হাত দিয়ে আন্দাজ না করে থার্মোমিটারে মাপুন, শিশুকে তরল দিন, আর বয়স অনুযায়ী জ্বরের ওষুধ দিন। কিন্তু যদি ওষুধ দেওয়ার পরও জ্বর না নামে, তাহলে কুসুম গরম পানি দিয়ে গা, কপাল, মাথা, বগলের নিচে, পিঠে ভালোভাবে মুছে দিন। জ্বর যদি টানা ১০২ ডিগ্রী ফারেনহাইটের উপরে থাকে তাহলে মাথা ধুয়ে দিন। ঠাণ্ডা পানি ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।

তবে যে লক্ষণগুলো একদম এড়িয়ে যাওয়া যাবে না, তা হলোঃ

শ্বাস নিতে কষ্ট,
হাঁপানো, বুক ভেতরে ঢুকে যাওয়া,
মুখ/ঠোঁট নীলচে হওয়া
খিঁচুনি হওয়া
একেবারে ঝিমিয়ে যাওয়া, চোখ খুলে রাখতে পারে না
অস্বাভাবিক আচরণ,
বিভ্রান্ত লাগা,
অস্থির হয়ে যাওয়া বা থামছে না এমন কান্না

হাম হলে শরীরে ভিটামিন A-এর মাত্রা কমে যেতে পারে, আর এতে চোখ, শ্বাসতন্ত্র ও শরীরের প্রতিরোধক্ষমতা আরও দুর্বল হয়ে পড়ে। তাই ডাক্তারের পরামর্শে ভিটামিন A খাওয়ালে চোখের জটিলতা, নিউমোনিয়া, তীব্র ডায়রিয়া ও মৃত্যুঝুঁকি কিছুটা কমতে পারে।

[তবে মনে রাখতে হবে, ভিটামিন A হাম প্রতিরোধের টিকা নয়, এটি হামের পর জটিলতা কমাতে সহায়ক চিকিৎসার অংশ। তাই নিজে থেকে বেশি ডোজ না দিয়ে, অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শে দিবেন।]

রাবেয়া সুলতানা!
০৫/০৪/২০২৬

সোর্স : অধ্যাপক সালাউদ্দিন মাহমুদ স্যার
03/04/2026

সোর্স : অধ্যাপক সালাউদ্দিন মাহমুদ স্যার

বাচ্চার গায়ে হাম উঠলে ভয়ের কিছুই ছিলনা যদি আমাদের সিম্পটম রিলেটেড ম্যানেজমেন্ট গুলা সঠিক হইতো। বেশির ভাগ বাবা মা রা জানে...
02/04/2026

বাচ্চার গায়ে হাম উঠলে ভয়ের কিছুই ছিলনা যদি আমাদের সিম্পটম রিলেটেড ম্যানেজমেন্ট গুলা সঠিক হইতো। বেশির ভাগ বাবা মা রা জানেন না যে-

১। সব র‍্যাশ এক নয়!
২। জ্বর নিয়ে হেলা ফেলা নয়!
৩। ডিহাইড্রেশন কোন সাধারণ বিষয় নয়!

হাম যদি এই তিন টা বিষয়ে আটকা থাকতো তাও একটা ব্যাপার ছিল, এটার সাথে যে নিউমোনিয়া, ব্রেনের প্রদাহের মতো মারাত্বক সিম্পটম ও দেখা দিতে পারে এটাও অনেকের অজানা।

খুব সিরিয়াস অবস্থা হচ্ছে মুলত ঘর থেকে যেখানে বাচ্চার আর্লি সিম্পটম এর ম্যানেজমেন্ট সময়েই অনেকটা ডিটেরিওরেট করছে। বাংলাদেশে হাসপাতালের দৈন দশা সম্পর্কে নতুন করে বলার কিছু নেই। বেড শর্টেজ থাকায় এমনিতেই গাদাগাদি অবস্থা, এর মাঝে এই বাচ্চাগুলাকে একই বেডে ৩ জনের জন্যে জায়গা দিয়েছে।

এখানে গরীব দেশ, রিসোর্স কম, এর চেয়ে বড় প্রবলেম হলো ম্যানমেইড ক্রাইসিস! আর সত্যিকার ক্রাইসিসে তো কথাই নেই।

প্রতিটা দিন বাচ্চার মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে! এক একটা মায়ের বুক খালি হচ্ছে! অথচ এখন পর্যন্ত যে পরিমান ন্যাশনাল এওয়ার্নেস প্রোগ্রামের দরকার ছিল, তার চেয়ে বেশি হাইপ পার্লামেন্টারি জোকারির!

মিসেলস/হাম এর ক্ষেত্রে সিম্পটমেটিক ট্রিটমেন্ট এবং ঘরোয়া ম্যানেজমেন্ট ছাড়াও, ভিটামিন "এ" এর গুরুত্ত্ব ফলাও করে প্রচার করা উচিৎ!

আপনারা যারা বাপ মা, দয়া করে আগে ম্যানেজমেন্ট গুলা রপ্ত করেন। প্যারেন্টিং এর হাবিজাবি শেখার আগে বাংলাদেশে বেঁচে থাকার টোটকা শিখে রাখেন। আমি আমার ছোট্ট মেয়েকে নিয়ে হাসপাতালে পাগলের মতো আচরন করতাম, ডাক্তাররা সবাই বিরক্ত ছিল, কারন তারা বসে থাকতে চাইতো, আর আমি তাদের আরামে ব্যাঘাত ঘটাতাম। আমার পরিবারের কিছু মানুষ আমার বিপক্ষে ছিল কারন আমি তাদের প্রচলিত মতামতের বাইরে গিয়ে বাচ্চাকে সেইফ করার চেস্টা করছিলাম!

আপনাদের ফাইট আরো অনেক জটিল! আমি ব্যস্ততার কারনে প্রয়োজনীয় এওয়ার্নেস পোস্ট গুলা দিতে পারছিনা! কাল থেকে আলাদা আলাদা করে পোস্ট করার চেস্টা করবো ইনশাআল্লাহ্!

রাবেয়া সুলতানা
কো-ফাউন্ডার, Safe Delivery Rights: সচেতন নারী, নিরাপদ মাতৃত্ব

সঠিক সময়ে হাম রুবেলা(MR) টিকা নিন,এটা সম্পূর্ণ নিরাপদ।
02/04/2026

সঠিক সময়ে হাম রুবেলা(MR) টিকা নিন,এটা সম্পূর্ণ নিরাপদ।

🛑 প্রশ্ন: হামের টিকা ৯ মাসে দেয়, আমার বাচ্চার তো ৯ মাসের আগেই হাম হলো, এইটা কেন হলো?✅উত্তর: এর প্রথম কারণ হতে পারে আ...
01/04/2026

🛑 প্রশ্ন: হামের টিকা ৯ মাসে দেয়, আমার বাচ্চার তো ৯ মাসের আগেই হাম হলো, এইটা কেন হলো?

✅উত্তর: এর প্রথম কারণ হতে পারে আপনি, মানে বাচ্চার মা নিজে। হাম প্রতিরোধে রক্তে যে অ্যান্টিবডি প্র‍য়োজন,সেটা বাচ্চা প্রথমে মায়ের কাছ থেকেই পায়। মা ভ্যাক্সিন না দিলে বাচ্চা সেটা পাবে না।

ভ্যাক্সিনেটেড মা অর্থাৎ যে মা টিকা দিয়েছে তার কাছ থেকে পাওয়া অ্যান্টিবডির মেয়াদ ৬ থেকে ১১ মাস, এরপর ভ্যাক্সিন নিতেই হয়।

সব বাচ্চা এই অ্যান্টিবডি মায়ের কাছ থেকে সমানভাবে পায় না, যে কম পায় তার আক্রান্ত হবার ঝুঁকি থাকে। কিন্তু এটা সিরিয়াস সংক্রমণ করার বা জীবন সংশয় হবার সম্ভাবনা কম।

সারমর্ম: ভ্যাক্সিন না দেয়া মায়ের বাচ্চার হামের ঝুঁকি শতভাগ, ভ্যাক্সিন দেয়া মায়ের বাচ্চার হামের ঝুঁকি কম, এরপরে হলেও হতে পারে। যদি হয়ও, সেটা সিরিয়াস জটিলতা হবার সম্ভাবনা কম।

যেসব এলাকায় হামের মহামারী আছে সেসব জায়গায় হামের টিকা ৬ মাসে দেবার গাইডলাইন আছে। বাংলাদেশে হাম টিকা দিয়ে একদমই নিয়ন্ত্রণে ছিলো। এখন টিকাবিরোধী প্রচারণায় আর অসেচতনতায় এই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গেছে।

🛑প্রশ্ন: আমি ছোটবেলায় ভ্যাক্সিন নিয়েছি, এরপরও তো আমার হাম হলো?

✅উত্তর: হামের ভ্যাক্সিন এক ডোজ দিলে সেটার কার্যক্ষমতা ৯৫ ভাগ, দুই ডোজ দিলে সেটার কার্যক্ষমতা ৯৭ ভাগ।

অর্থাৎ ঠিকঠাক ভ্যাক্সিন নিলেও ৩ ভাগ মানুষের হাম হতে পারে।

তবে নিশ্চিত থাকুন, টিকা নিয়ে হাম হলেও সেটা হবে নিরীহ পর্যায়ের, জীবন ঝুঁকি করবে না। টিকার মাহাত্ম্য এখানেই।

টিকা নিন, অন্যকে টিকা নিতে উৎসাহিত করুন এবং টিকাবিরোধী প্রচারণা ও প্রচারকদের দৌড়ের উপর রাখুন।

সোর্সঃDr. Sifat Khandoker

শিশু হামের ভ্যাকসিন পেয়েছে কি না, টিকা কার্ড থেকে যেভাবে জানবেন....মাথা ঠান্ডা রেখে টিকা কার্ড চেক করুন,সতর্ক থাকুন।হাম ...
31/03/2026

শিশু হামের ভ্যাকসিন পেয়েছে কি না, টিকা কার্ড থেকে যেভাবে জানবেন....
মাথা ঠান্ডা রেখে টিকা কার্ড চেক করুন,সতর্ক থাকুন।
হাম হলো ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত একটি রোগ। এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলে শিশুদের জ্বর, কাশি, নাক দিয়ে পানি পড়া, রক্তবর্ণের চোখ এবং সারা শরীরে লালচে র‍্যাশ দেখা দেয়।।

ধন্যবাদ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর 💐
30/03/2026

ধন্যবাদ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর 💐

হাম কি❓হাম মূলত ‘রুবেলা’ নামের এক অতিসংক্রামক ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত রোগ। উচ্চমাত্রার জ্বর, কাশি, নাক দিয়ে পানি পড়া, রক্...
30/03/2026

হাম কি❓

হাম মূলত ‘রুবেলা’ নামের এক অতিসংক্রামক ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত রোগ। উচ্চমাত্রার জ্বর, কাশি, নাক দিয়ে পানি পড়া, রক্তবর্ণের চোখ এবং জ্বরের চার দিনের মাথায় মুখ থেকে শুরু করে সারা শরীরে লালচে র‍্যাশ নিয়ে হাম আবির্ভূত হয়।

কেন এটি বিপজ্জনক?
হাম শুধু একটি সাধারণ জ্বর নয়, এটি শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সাময়িকভাবে নষ্ট করে দেয়। এর ফলে দেখা দিতে পারে নানা জটিলতা........

১.শারীরিক জটিলতা : নিউমোনিয়া, মারাত্মক ডায়রিয়া, কানপাকা ও মুখে ঘা।

২.দৃষ্টিশক্তি হারানো : শরীরে ভিটামিন এ-র অভাব দেখা দেয়, যা থেকে রাতকানা এমনকি অন্ধত্ব হতে পারে।

৩.মস্তিষ্কের ক্ষতি : কিছু ক্ষেত্রে মস্তিষ্কের প্রদাহ বা মারাত্মক অপুষ্টি দেখা দিতে পারে।

হাম নিয়ে সতর্ক আছেন তো??? 🙏
30/03/2026

হাম নিয়ে সতর্ক আছেন তো??? 🙏

হাম কেনো ভয়াবহ?১.একজন আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে ১৮ জন সুস্থ মানুষ সংক্রমিত হতে পারে।২.Rash উঠার আগেই রোগটি ছড়ায়।
29/03/2026

হাম কেনো ভয়াবহ?
১.একজন আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে ১৮ জন সুস্থ মানুষ সংক্রমিত হতে পারে।
২.Rash উঠার আগেই রোগটি ছড়ায়।

আসেন দুইটা ঘটনা বলি। ঘটনা ১। টেক্সাসে ২৩ বছরের একজন মেয়ে কন্সিভ করলে তার পার্টনার কে প্রথমে জানায়। উনি প্রথমেই বাচ্চা অ্...
28/03/2026

আসেন দুইটা ঘটনা বলি।

ঘটনা ১।
টেক্সাসে ২৩ বছরের একজন মেয়ে কন্সিভ করলে তার পার্টনার কে প্রথমে জানায়। উনি প্রথমেই বাচ্চা অ্যাবোরশন পরামর্শ দেয়। কিন্তু মেয়েটা এই সন্তান রাখবে বলে অ্যাবোরশন করতে জোর অসম্মতি জানায়। ছেলে কিছুটা সম্পর্কে লইয়াল থাকায় সরাসরি আর মতবিরোধে যায় নাই। ফার্মেসি থেকে অ্যাবোরশন পিল এনে গুড়ো করে ওয়াইফ এর কফিতে মিশিয়ে দেয়। কয়েক ঘন্টা পর মেয়েটার প্রচন্ড ক্র‍্যাম্পিং এবং ব্লিডিং হলে জরুরী ভিত্তিতে মেডিকেলে নেয়া হয়। অনেক টেস্ট আর চেইক আপের পর জানতে পারে তার গর্ভের সন্তান আর নেই।

ঘটনা ২।
১৬ বছরের এক নাবালিকা বিয়ে বহির্ভূত সম্পর্কে জরিয়ে কন্সিভ করলে গোপনে অ্যাবোরশন সিদ্ধান্ত নেয়। এম এম কিট সহজলভ্য আর হাতের কাছে পাওয়ায় সে ঘরে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই এটা নেয়। অতিরিক্ত ব্লিডিং শুরু হলেও সে প্রানপনে আড়ালে রাখে। যতক্ষনে পরিবারের অন্য সদস্য এই বিষয়ে জানতে পারে ততক্ষনে অনেক দেরী হয়ে যায়।

এই যে বাজারে এম এম কিট পাওয়া যায় তার বহুল ব্যাবহার বিভিন্ন শারিরীক জটিলতা সৃস্টি করতে পারে। এটা এতটাই সহজে আর হাতের নাগালে চলে এসেছে যে মানুষ সেইফ প্রিকশন চিন্তা না করে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হচ্ছেন, এবং গর্ভে সন্তান আসলে ইজি সল্যুশন হিসেবে অ্যাবোরশন এর চিন্তা করছেন।

এম এম কিট (মিফেপ্রিস্টোন - মিসোপ্রোস্টোল) ব্যবহারে যা জানা জরুরীঃ

গর্ভাবস্থার প্রাথমিক পর্যায়ে (শেষ মাসিকের ৭০ দিনের মধ্যে) গর্ভপাত ঘটাতে চাইলে এবং সার্জারির বিকল্প চিন্তা করলে এটি চিকিৎসকরা সাজেস্ট করেন, যার নাম মিফেপ্রিস্টোন ও মিসোপ্রোস্টল অথবা এম এম কিট।
এগুলো কাজ করে মূলত এভাবে,

* মিফেপ্রিস্টোন গর্ভধারণে প্রয়োজনীয় প্রোজেস্টেরন হরমোনকে বাধা দেয়।
* মিসোপ্রোস্টল গর্ভাশয়ে সংকোচন ঘটিয়ে গর্ভপাত ঘটায়।

ওষুধ যেভাবে ব্যবহার করার পরামর্শ দেয়া হয়ঃ

* প্রথম দিন: একটি মিফেপ্রিস্টোন ট্যাবলেট খেতে হবে।
* ২৪–৪৮ ঘণ্টা পরে: গালের ভেতর (প্রতিটি পাশে ২টি করে) ৪টি মিসোপ্রোস্টল ট্যাবলেট ৩০ মিনিট ধরে রাখতে হবে, তারপর যা গলে যায়নি তা পানি দিয়ে গিলে ফেলতে হবে।
* ফলো-আপ: ৭–১৪ দিনের মধ্যে চিকিৎসকের কাছে গিয়ে পরীক্ষা বা আল্ট্রাসাউন্ড করতে হবে, যাতে নিশ্চিত হওয়া যায় গর্ভপাত সম্পূর্ণ হয়েছে।

এই ওষুধ খাওয়ার পর রক্তপাত, পেট ব্যথা ও ক্র্যাম্প হওয়া স্বাভাবিক। এছাড়া মাথাব্যথা, বমি বমি ভাব, ডায়রিয়া বা যোনিতে জ্বালা–চুলকানি হতে পারে।

কিন্তু কিছু লক্ষণ আছে যা এড়িয়ে গেলেই ঘটতে পারে বড় রকমের বিপদ!

অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ঝুঁকি:
গর্ভপাত (স্বাভাবিকভাবে বা ওষুধ/অপারেশনের মাধ্যমে) হলে মারাত্মক রক্তক্ষরণ হতে পারে। যাদের অ্যানিমিয়া, রক্তক্ষরণজনিত সমস্যা বা রক্ত পাতলা করার ওষুধ (যেমন ওয়ারফারিন, হেপারিন) চলছে, তাদের এই ওষুধ ব্যবহার করা উচিত নয়। যদি প্রতি ঘণ্টায় ২টি বড় স্যানিটারি প্যাড পরপর ২ ঘণ্টা ভিজে যায়, তবে দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন বা নিকটস্থ হাসপাতালে যান।

সংক্রমণের ঝুঁকি:
অল্প কিছু ক্ষেত্রে এই ওষুধ ব্যবহারের পর গুরুতর সংক্রমণ ও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। সংক্রমণ সবসময় তীব্র উপসর্গ দেখায় না, তাই সতর্ক হতে হয়।
* ১০০.৪°F (৩৮°C)-এর বেশি জ্বর ৪ ঘণ্টার বেশি স্থায়ী হওয়া
* কোমর বা পেটের নিচের অংশে তীব্র ব্যথা বা ফুলে যাওয়া
* শীত লাগা, দ্রুত হার্টবিট, মাথা ঘোরা বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়া
* ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে বমি, ডায়রিয়া, দুর্বলতা বা অসুস্থতা থাকা

এসব উপসর্গ দেখা দিলে অবিলম্বে চিকিৎসকের কাছে যান।

বার বার এম কিটের মাধ্যমে এবোরশন করালে পরবর্তীতে সন্তান কন্সিভ করাতে সমস্যা হবে এমন কোন প্রমাণ চিকিৎসা বিজ্ঞানে না থাকলেও এটার সাথে জড়িত কম্পলিকেশনস একজন নারীর স্বাভাবিক শারিরীক সুস্থ্যতা ব্যাহত করতে পারে। ধরেন, একজনের একটপিক প্রেগন্যন্সি কিন্তু সে জানেনা, এম এম কিট এই কেইসে এবোরশন কমপ্লিট করতে পারবেনা। সেক্ষেত্রে একজন মারাত্বক ঝুকিপূর্ণ পরিস্থিতির সম্মুখিন হবেন সন্দেহ নাই।
আবার, বাড়িতে এই ওষুধ সেবন করে বিনা আল্ট্রা সনোগ্রাফি করিয়ে জাস্ট ধরে নিলেন যে আপনার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু ইনকমপ্লিট এবোরশন (বাচ্চার কিছু অংশ থেকে যাওয়া) হলে জরায়ুতে ইনফেকশন ছাড়াও আরো মারাত্মক স্বাস্থ্যহানী হতে পারে।

আমাদের Safe Delivery Rights গ্রুপে এই এম এম কিট সম্পর্কিত সাহায্য চেয়ে গত ৩/৪ মাসে মোট পোস্ট এসেছে প্রায় ৪৫ টি। এর মধ্যে শুধুমাত্র গতকাল ই পোস্ট এসেছে ১০ টি! অ্যানোনাইমাসলি পোস্ট করলেও আমরা যারা পোস্ট এপ্রুভ করি তারা দেখতে পাই পোস্ট দাতা কি একজন ছেলে নাকি মেয়ে?
যখন দেখি কোন ছেলে এই বিষয়ে পোস্ট করছেন আর আরজেন্সি দেখাচ্ছেন তখন বিষয় গুলো অন্য অনেক কিছুর ইঙ্গিত দেয়।

এই গ্রুপ থেকে সামাজিক অবক্ষয় নিয়ে কনসার্ণ দেখানো গ্রুপের পলিসি বহির্ভূত কাজ। কিন্তু আমরা যে বিষয় টা সামনে এনেছি তা হলো, এম এম কীটের অপব্যবহার, তা সম্পর্কিত স্বাস্থ্যঝুঁকি ও সম্ভাব্য সমাধান!

ধন্যবাদ
রাবেয়া সুলতানা
কো ফাউন্ডার, Safe Delivery Rights: সচেতন নারী, নিরাপদ মাতৃত্ব
০৪/০৯/২০২৫

ফলিক অ্যাসিড নিয়ে আজানা সব প্রশ্ন আর উত্তর!প্রশ্ন ১: ফলিক অ্যাসিড কী?উত্তর: ফলিক অ্যাসিড হলো একটি ভিটামিন (বি-ভিটামিনের ...
27/03/2026

ফলিক অ্যাসিড নিয়ে আজানা সব প্রশ্ন আর উত্তর!
প্রশ্ন ১: ফলিক অ্যাসিড কী?
উত্তর: ফলিক অ্যাসিড হলো একটি ভিটামিন (বি-ভিটামিনের অংশ)। এটা কিছু খাবারে থাকে, আবার অনেক সময় ট্যাবলেট/প্রিন্যাটাল ভিটামিনেও থাকে।

প্রশ্ন ২: এটা কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর: গর্ভের প্রথম দিকেই বাচ্চার “নিউরাল টিউব” নামে একটা অংশ তৈরি হয়। এই অংশ থেকেই পরে বাচ্চার মস্তিষ্ক, মেরুদণ্ড/স্পাইন তৈরি হয়। ফলিক অ্যাসিড এই অংশ গুলোর গঠনটা ঠিকভাবে হতে সাহায্য করে।

প্রশ্ন ৩: কখন থেকে ফলিক অ্যাসিড খাওয়া সবচেয়ে ভালো?
উত্তর: গর্ভধারণের অন্তত ১ মাস আগে থেকে এবং গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাস অর্থাৎ প্রথম ট্রাইমেস্টার পর্যন্ত নিয়ম করে খেলে সবচেয়ে বেশি উপকার হতে পারে।

প্রশ্ন ৪: ফলিক অ্যাসিড কী ধরনের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে?
উত্তর: ফলিক অ্যাসিড নিয়ম করে নিলে বাচ্চার মস্তিষ্ক বা মেরুদণ্ডের কিছু জন্মগত সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি কমতে পারে। এগুলোকে বলা হয় “নিউরাল টিউব ডিফেক্ট”।

প্রশ্ন 5: স্পাইনা বিফিডা আর অ্যানেনসেফালি কী?
উত্তর:স্পাইনা বিফিডা হলো বাচ্চার মেরুদণ্ড ঠিকভাবে তৈরি না হওয়া। অনেক সময় একে “ওপেন স্পাইন”ও বলা হয়। আর অ্যানেনসেফালি হলো বাচ্চার মস্তিষ্ক ও মাথার খুলি খুব কম তৈরি হওয়া—এটা খুব গুরুতর অবস্থা।

প্রশ্ন 6: ফলিক এসিড গর্ভের আগে থেকেই কেন খেতে বলা হয়?

উত্তর: অনেক সময় নারী শুরুতে বুঝতেই পারেন না যে তিনি গর্ভবতী। কিন্তু বাচ্চার মস্তিষ্ক-স্পাইন তৈরির কাজটা খুব দ্রুত, গর্ভের শুরুতেই শুরু হয়ে যায়। তাই আগে থেকেই ফলিক অ্যাসিড নেওয়া জরুরি বলা হয়।

প্রশ্ন 7: দৈনিক কতটা ফলিক অ্যাসিড নেওয়ার কথা বলা হয়?
উত্তর: সাধারণভাবে সন্তান ধারণের বয়সে নারীদের জন্য ৪০০ মাইক্রোগ্রাম (mcg) ফলিক অ্যাসিডের কথা বলা হয়। আবার গর্ভধারণের চেষ্টা করলে অনেক প্রিন্যাটাল ভিটামিনে ৮০০–১০০০ mcg থাকে। আপনার জন্য কতটা দরকার—ডাক্তারই সবচেয়ে ভালোভাবে বলতে পারবেন।

শেষ কথা,
ফলিক অ্যাসিড এমন একটা ভিটামিন, যেটা “শুধু গর্ভাবস্থায় না”—অনেক সময় “গর্ভধারণের আগেই” সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যদি প্রেগন্যান্সি প্ল্যান করেন, তাহলে আপনার প্রেনাটাল ভিটামিনে ফলিক অ্যাসিড আছে কি না, সেটা দেখে নিন এবং প্রয়োজনে ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করুন।

রাবেয়া সুলতানা
কো-ফাউন্ডার

Address

305 Noyatola
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Safe Delivery Rights: সচেতন নারী, নিরাপদ মাতৃত্ব posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Safe Delivery Rights: সচেতন নারী, নিরাপদ মাতৃত্ব:

Share