Dr.Tahmeed Kamal - Pain, Paralysis and Rehabilitation Medicine Specialist

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • Dr.Tahmeed Kamal - Pain, Paralysis and Rehabilitation Medicine Specialist

Dr.Tahmeed Kamal - Pain, Paralysis and Rehabilitation Medicine Specialist Dr.Tahmeed Kamal,
FCPS ( Physical Medicine and Rehabilitation)
(2)

21/03/2026
রমজান  ও ডায়াবেটিসরমজান মুসলমানদের জন্য খুবই বরকতময় সময়। সবাই চান এই মাসের রহমত ও বরকতে অংশ নিতে। তবে ডায়াবেটিস থাকলে কি...
19/02/2026

রমজান ও ডায়াবেটিস

রমজান মুসলমানদের জন্য খুবই বরকতময় সময়। সবাই চান এই মাসের রহমত ও বরকতে অংশ নিতে। তবে ডায়াবেটিস থাকলে কিছু বিষয় জানা জরুরি, যাতে রোজা নিরাপদে রাখা যায়।

প্রথম কথা হলো—ডায়াবেটিস রোগীদের অনেকেই রোজা রাখতে পারেন, কিন্তু সবার জন্য নিয়ম এক নয়। কারো শারীরিক অবস্থা ভালো থাকলে তিনি রোজা রাখতে পারেন, আবার কারো ক্ষেত্রে ঝুঁকি বেশি হতে পারে। তাই রোজা শুরু করার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করা প্রয়োজন। বিশেষ করে যাদের সুগার খুব অনিয়ন্ত্রিত, সুগার কমে গেলে বুঝতে পারেন না, সম্প্রতি ডায়াবেটিক কিটোএসিডোসিস হয়েছে, হার্ট-কিডনি-লিভারের জটিল সমস্যা আছে, সাম্প্রতিক হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোক হয়েছে, খুব দুর্বল বৃদ্ধ, গর্ভবতী বা বুকের দুধ খাওয়ান—তাদের সাধারণত রোজা না রাখাই নিরাপদ।

সঠিকভাবে রোজা রাখলে কিছু উপকারও হতে পারে। অনেকের ক্ষেত্রে শরীরের মেটাবলিজম ভালো হয়, ওজন কমতে সাহায্য করে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং নিয়ম মেনে চলার অভ্যাস তৈরি হয়। কিছু রোগীর ইনসুলিনের কার্যকারিতাও উন্নত হতে পারে।

তবে ঝুঁকিও থাকে। রোজায় সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো রক্তে সুগার কমে যাওয়া, যাকে হাইপোগ্লাইসেমিয়া বলা হয়। এছাড়া সুগার বেড়ে যাওয়া, পানিশূন্যতা এবং ওজনের অস্বাভাবিক পরিবর্তনও হতে পারে। সুগার কমে গেলে সাধারণত অতিরিক্ত ঘাম, হাত কাঁপা, বুক ধড়ফড়, প্রচণ্ড ক্ষুধা, ঝিমুনি, মাথা ঘোরা বা কথা জড়িয়ে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা যায়। এসব লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে রোজা ভেঙে ফেলতে হবে, ইফতারের সময় কাছাকাছি হলেও। তখন দ্রুত এক গ্লাস পানিতে চার থেকে ছয় চামচ চিনি মিশিয়ে খাওয়া বা মিষ্টি কিছু খাওয়া প্রয়োজন।

অনেকেই জানতে চান, রোজা রেখে রক্তে সুগার মাপা যাবে কি না। এতে কোনো সমস্যা নেই—রোজা ভাঙে না। বরং নিয়মিত সুগার মাপা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে সেহরির প্রায় দুই ঘণ্টা পর এবং ইফতারের প্রায় এক ঘণ্টা আগে সুগার চেক করা ভালো।

কিছু অবস্থায় রোজা অবশ্যই ভাঙতে হবে। যদি রক্তে সুগার ৩.৯ mmol/L এর নিচে নেমে যায় বা ১৬.৬ mmol/L এর বেশি হয়ে যায়, তাহলে রোজা চালিয়ে যাওয়া বিপজ্জনক।

খাবারের ক্ষেত্রে রমজানে সুষম ও পরিমিত খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখতে হবে। সেহরিতে এমন খাবার খাওয়া ভালো যা ধীরে হজম হয়, যেমন ভাত, রুটি বা ওটসের সঙ্গে ডাল, সবজি, মাছ বা ডিম, দুধ ও ফল। সেহরি যতটা সম্ভব দেরিতে খাওয়াই ভালো। ইফতারে অতিরিক্ত ভাজা ও মিষ্টি খাবার এড়িয়ে চলতে হবে, মিষ্টি শরবত কম খেতে হবে এবং অল্প অল্প করে খাবার গ্রহণ করতে হবে। ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত পর্যাপ্ত পানি পান করা খুব জরুরি।

শরীরচর্চার ক্ষেত্রে স্বাভাবিক দৈনন্দিন কাজ করা যাবে, তবে দিনের বেলা ভারী পরিশ্রম এড়িয়ে চলাই নিরাপদ। ইফতারের পর ৩০ থেকে ৬০ মিনিট হালকা ব্যায়াম করা যেতে পারে। তারাবীহ নামাজকেও শারীরিক কার্যকলাপ হিসেবে ধরা যায়।

ওষুধ ও ইনসুলিনের ব্যাপারটি খুবই ব্যক্তিনির্ভর। তাই নিজের ডাক্তারের পরামর্শই এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণভাবে অনেক ক্ষেত্রে ওষুধের সময় ইফতার ও সেহরি অনুযায়ী সমন্বয় করা হয়, কিন্তু নিজে নিজে ডোজ পরিবর্তন করা ঠিক নয়।

আপনি ডায়াবেটিস রোগী হোন বা না হোন, লক্ষ্য হওয়া উচিত সুস্থভাবে রোজা পালন করা। যদি শারীরিক কারণে চিকিৎসক রোজা রাখতে নিষেধ করেন, তাহলে মন খারাপ করার কিছু নেই। আল্লাহ নিয়্যাত দেখেন। পরে কাজা আদায় করা যাবে, ইনশাআল্লাহ। এই রমজান হোক আমাদের জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ রমজান। আমীন।

আমাদের সমাজে ডায়াবেটিস ও হৃদরোগ যেভাবে মহামারীর রূপ নিয়েছে, তার পেছনে বড় একটি ঐতিহাসিক কারণ আছে—ব্রিটিশ উপনিবেশিক শোষণ। ...
03/02/2026

আমাদের সমাজে ডায়াবেটিস ও হৃদরোগ যেভাবে মহামারীর রূপ নিয়েছে, তার পেছনে বড় একটি ঐতিহাসিক কারণ আছে—ব্রিটিশ উপনিবেশিক শোষণ। দক্ষিণ এশীয়রা যে সহজেই শরীরে চর্বি জমায় আর তুলনামূলকভাবে কম মাসল ধরে রাখে, সেটাকে শুধু “জেনেটিক দুর্বলতা” বলে দায় সারা যায় না। এই বৈশিষ্ট্য আসলে তৈরি হয়েছে দীর্ঘদিনের অনাহার, শোষণ আর ট্রমার মধ্য দিয়ে।

খুব সম্ভবত ব্রিটিশদের আগমনের আগে আমাদের গড় উচ্চতা ও শারীরিক গঠন ইউরোপিয়ানদের কাছাকাছিই ছিল। সুলতানি ও নবাবি আমলে এই অঞ্চলের খাদ্যতালিকা ছিল সমৃদ্ধ—মাছ, তেল, ঘি, মাখন, দুধ, দই ছিল নিত্যদিনের খাবার। প্রায় প্রতিটি ঘরেই ছিল গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগি। সে সময় বাংলা ছিল পৃথিবীর অন্যতম ধনী অঞ্চল। স্প্যানিশরা পুরো আমেরিকা লুট করেও যা অর্জন করতে পারেনি, ব্রিটিশরা তা ছাড়িয়ে গেছে শুধু বাংলা, ভারত, পাকিস্তান ও মিয়ানমার শোষণ করেই। ব্রিটিশদের শিল্প বিপ্লবের পেছনে মূল জ্বালানি ছিল বাংলার কৃষকের রক্ত ও ঘাম।

ব্রিটিশ শাসনের শুরুতে বাংলাদেশ ছিল বিশ্বে মাথাপিছু উৎপাদনে দ্বিতীয় স্থানে। প্রথম স্থানে ছিল দক্ষিণ ভারতের মহীশুর সালতানাত। মুঘল সাম্রাজ্যের মোট রাজস্বের প্রায় অর্ধেক আসত শুধু বাংলা থেকেই—এত সম্পদের পরও।

কিন্তু ব্রিটিশ শাসন শুরুর অল্প কিছু বছরের মধ্যেই ঘটে ভয়াবহ ছিয়াত্তরের মন্বন্তর—যা মানব ইতিহাসের অন্যতম ভয়ংকর দুর্ভিক্ষ। তখন বাংলাদেশের প্রতি তিনজনের একজন মারা যান; মোট মৃতের সংখ্যা প্রায় এক কোটি। এরপর একে একে আসে ১৮৬৬ সালের উড়িষ্যার দুর্ভিক্ষ, ১৮৯৬–৯৮ সালের বাংলার দুর্ভিক্ষ—যেগুলোতে প্রাণ হারান আরও লক্ষ লক্ষ মানুষ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় পঞ্চাশের মন্বন্তরে মারা যান আনুমানিক ১৫ থেকে ৫০ লাখ মানুষ।

এই বড় দুর্ভিক্ষগুলোর মাঝখানে ছোট-বড় মিলিয়ে আরও ডজনখানেক দুর্ভিক্ষ হয়। মোট কথা, ব্রিটিশ ইন্ডিয়াতে দুর্ভিক্ষের সংখ্যা ছিল ৩০টিরও বেশি। আজ আমরা যারা বেঁচে আছি, তারা সবাই সেই দুর্ভিক্ষ-জয়ী মানুষগুলোরই উত্তরসূরি।

ড. মবিন সাঈদের মতে, এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে টিকে থাকা মানুষের শরীরে স্বাভাবিকভাবেই দুটি বড় অভিযোজন (adaptation) তৈরি হয়—
1. স্টারভেশন এডাপ্টেশন
2. ট্রমা এডাপ্টেশন

স্টারভেশন এডাপ্টেশনের কারণে শরীর খাবার পেলেই সেটাকে দ্রুত ফ্যাটে রূপান্তর করতে শেখে—যাতে ভবিষ্যতে আবার না খেয়ে থাকতে হলে সেই ফ্যাট পুড়িয়ে বেঁচে থাকা যায়। একই সঙ্গে শরীর মাসল ধরে রাখতে চায় না, কারণ মাসল মেইনটেইন করা ব্যয়বহুল—এতে বেশি ক্যালরি পোড়ে, বেশি প্রোটিন দরকার হয়। অথচ আমাদের পূর্বপুরুষরা প্রায় দুই শতাব্দী ঠিকমতো ভাতই পাননি, প্রোটিন ছিল বিলাসিতা।

আর ট্রমা এডাপ্টেশনের ফলে শরীর দীর্ঘদিন কর্টিসোল-ডমিনেটেড অবস্থায় থাকে। এতে কার্বোহাইড্রেটের প্রতি প্রবল আকর্ষণ তৈরি হয় এবং তা সহজেই ফ্যাটে জমে। তখন যে যত বেশি ফ্যাট জমাতে পেরেছে, তার বেঁচে থাকার সম্ভাবনা তত বেশি ছিল। বেশি মাসল মানে বেশি খাবারের প্রয়োজন—দুর্ভিক্ষে যা ছিল মারাত্মক অসুবিধা। তাই শুকনো, কম-মাসলের পরিবারগুলোই টিকে থাকার ক্ষেত্রে তুলনামূলক সুবিধাজনক অবস্থায় ছিল।

এইভাবেই অভিযোজনের মাধ্যমে টিকে থাকা আমাদের শরীর আজও খুব সহজে ফ্যাট জমায়, দ্রুত মাসল ভাঙে, খিটখিটে থাকে, অলস হয়ে পড়ে, আর ভাত দেখলেই ঝাঁপিয়ে পড়তে চায়। মানসিকভাবে আমরা হয়ে পড়েছি চাপগ্রস্ত ও সুযোগসন্ধানী।

ব্রিটিশরা যখন এই দেশ ছেড়ে যায়, তখন আমরা ছিলাম নিঃস্ব—হাড় জিরজিরে শরীর, সামনে ঝুলে থাকা ভুঁড়ি, শারীরিক দুর্বলতা আর দীর্ঘদিনের অপুষ্টির বোঝা নিয়ে। আমাদের থালা থেকে হারিয়ে গেছে সেই ঘি-ভাত, আর তার পরপরই এসেছে সবুজ বিপ্লব।

সব মিলিয়ে, ব্রিটিশ শাসন আমাদের ইউরোপিয়ানদের তুলনায় ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি প্রায় ৬০০% বাড়িয়ে দিয়েছে, আর হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়িয়েছে প্রায় ২৫০%।
হ্যাঁ, আমরা প্রযুক্তিগত অগ্রগতি আর ইংরেজি ভাষা পেয়েছি—
কিন্তু তার বিনিময়ে হারিয়েছি আমাদের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ: স্বাস্থ্য।

বাংলাদেশ একটি ক্রমবর্ধমান স্বাস্থ্য সংকটের মুখোমুখি হয়েছে, কারণ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-এর এক নতুন প্রতিবেদনে বলা হ...
18/10/2025

বাংলাদেশ একটি ক্রমবর্ধমান স্বাস্থ্য সংকটের মুখোমুখি হয়েছে, কারণ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-এর এক নতুন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, বহু প্রচলিত অ্যান্টিবায়োটিক এখন কার্যকারিতার প্রায় ৯৭% পর্যন্ত হারিয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ এখন সবচেয়ে বেশি অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী দেশগুলোর একটি, যা এমন সংক্রমণের আশঙ্কা বাড়াচ্ছে যেগুলো আর সাধারণ ওষুধে নিরাময় করা সম্ভব নয়।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন যে, অবাধ অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি, চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই ব্যবহার, এবং গবাদি পশুতে অনিয়ন্ত্রিতভাবে ওষুধ প্রয়োগ—এইসবই সংকটকে আরও বাড়িয়ে তুলছে।

এর ফলে হাসপাতালগুলোতে সংক্রমণের সময়কাল ও তীব্রতা দুই-ই বেড়ে গেছে, এবং চিকিৎসকেরা কার্যকর ওষুধের অভাবে পড়ছেন চরম বিপাকে।

ব্যথা কমাতে ঠান্ডা সেঁক নাকি গরম সেঁক?ব্যথা কমানোর সবচেয়ে পুরোনো একটি চিকিৎসা হলো ঠান্ডা বা গরম সেঁক দেওয়া। এই দু’টি পদ্...
04/08/2025

ব্যথা কমাতে ঠান্ডা সেঁক নাকি গরম সেঁক?

ব্যথা কমানোর সবচেয়ে পুরোনো একটি চিকিৎসা হলো ঠান্ডা বা গরম সেঁক দেওয়া। এই দু’টি পদ্ধতিই ব্যথা বা আঘাত, ফোলা বা জ্বালাপোড়া কমাতে বেশ কার্যকরী। তবে কোন পরিস্থিতিতে কোন পদ্ধতিটি ব্যবহার করা উচিত, তা হয়তো অনেকেরই জানা নেই।

তাই সবসময় মনে রাখবেন পেশির ব্যথা কমাতে গরম সেঁক আর যেকোনো পোড়া বা ফোলা ব্যথা কমাতে ঠান্ডা সেঁক দেওয়া উচিত। অনেক সময় চিকিৎসক আঘাতের অবস্থা বুঝে দুইটির সমন্বিত পদ্ধতির পরামর্শ দিতে পারেন। চলুন তবে ব্যথা কমানোর দুই পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক-

থার্মোথেরাপি বা গরম সেঁক-
যেকোনো আঘাতপ্রাপ্ত স্থানে গরম সেঁক দিলে, ওই স্থানের রক্ত চলাচল বেড়ে যায়। এমনকি একটু বেশি গরম সেঁক দিলে ব্যথার উপশম দ্রুত হয়। এর ফলে আঘাতপ্রাপ্ত পেশি নড়াচড়া করাটা সহজসাধ্য হয়।

অনেক সময় চিকিৎসকরা ভারি কাজ করার পূর্বে হট শাওয়ার নেওয়ার পরামর্শ দেন। এর ফলে শরীরের পেশিগুলো শিথিল হয়। তবে মনে রাখবেন, কোনো ধরনের কাটাছেঁড়া বা ফোলা ব্যথাতে গরম সেঁক দেওয়া উচিত নয়। এতে করে কাঁটা স্থানে রক্ত চলাচল আরও বেড়ে গিয়ে ক্ষত তৈরি হতে পারে।

যেসব ক্ষেত্রে গরম সেঁক দেওয়া যেতে পারে-
- মচকানো - টান লাগা -অস্টিওআর্থারাইটিস - পেশি টিস্যুর ব্যথা - পিঠ বা কোমর ব্যথা

এই গরম সেঁক আবার দুই ধরনের হতে পারে-

১. ড্রাই হিট বা শুষ্ক তাপ: সাধারণত ইলেক্ট্রিক হিটিং প্যাড, হট ওয়াটার বোতল, স্টীম বাথ ইত্যাদির মাধ্যমে যে সেঁক দেয়া হয়, সেগুলো ড্রাই হিটের অন্তর্ভুক্ত। এটি ব্যবহার খুব সহজ।

২. ময়েস্ট হিট বা আর্দ্র তাপ: মূলত স্টীমড তোয়ালে বা আর্দ্র গরম পানির ব্যাগ দিয়ে যে সেঁক দেয়া হয় সেটি ময়েস্ট হিট। বাড়িতে হাতের কাছের উপকরণ দিয়ে সহজেই এই সেঁক দেওয়া যায়। ছোটো খাটো আঘাতের ক্ষেত্রে এ সেঁকটি ১৫-২০ মিনিট দিতে হয়। আর মাঝারি আঘাতের ক্ষেত্রে হট শাওয়ার নেওয়া যেতে পারে।

সতর্কতা: কখনো এই হিট থেরাপি কাঁটাস্থান বা জালাপোড়ায় দেওয়া যাবে না। গর্ভবতী নারী কিংবা ডায়াবেটিস রোগীরা এই পদ্ধতি অনুসরণের আগে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন। অনেক সময় মাত্রাতিরিক্ত গরম সেঁক দিলে চামড়া পুড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই এক্ষেত্রে অনেক বেশি সচেতন থাকতে হবে।

কোল্ড থেরাপি বা ক্রায়োথেরাপি-
ক্রায়োথেরাপির মাধ্যমে মূলত ক্ষতস্থান বা প্রদাহে সাময়িকভাবে রক্ত চলাচল বন্ধ থাকে। এর মাধ্যমে ক্ষতস্থানে তীব্র ঠান্ডা প্রয়োগের কারণে ক্ষতস্থানের টিস্যুগুলো ক্ষতি হওয়া থেকে রক্ষা পায়। যেকোনো স্থানে ব্যথা পাওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ক্রায়োথেরাপি কার্যকরী। তবে কখনোই ক্ষতস্থানে সরাসরি বরফ দেয়া যাবে না। এতে আরো বেশি ক্ষতির আশঙ্কা থাকে।

যেসব স্থানে ক্রায়োথেরাপি প্রয়োগ করা যেতে পারে -
-সাময়িক আঘাত - মাইগ্রেন- অস্টিওআর্থ্রাইটিস - আকস্মিক টান

ক্রায়োথেরাপি বিভিন্নভাবে প্রয়োগ করা যেতে, যেমন-

১. ক্রায়োথেরাপি উপকরণ: আইস ব্যাগ, আইস মেসাজ, কুলেন্ট স্প্রে ব্যবহার করে ক্রায়োথেরাপি করা যায়।

২. ক্রায়োস্ট্রেচিং: এর মাধ্যমে মূলত তাপমাত্রা কমিয়ে পেশি শিথিল করা হয়।

৩. ক্রায়োকাইনেটিক্স: এটি মূলত ঠান্ডা চিকিৎসা ও ব্যয়ামের একটি সমন্বিত পদ্ধতি। পেশির লিগামেন্টে আঘাত লাগলে এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

৪. আইস বাথ: এর মাধ্যমে সাধারণত বরফ কাপড় বা ব্যাগে নিয়ে ক্ষতস্থানে ১৫-২০ মিনিট প্রয়োগ করা হয়। এর বেশি সময় রাখলে চামড়া, স্নায়ু ও টিস্যুর ক্ষতি হতে পারে।
হার্টের রোগীরা এই থেরাপি নেওয়ার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। আর ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এটি কার্যকরী না হলেও ডাক্তার দেখাতে হবে।

ডা: তাহমীদ কামাল
ফিজিক্যাল মেডিসিন এ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিশেষজ্ঞ
যোগাযোগ - ০১৬১৬৭১৭৮৮১

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে চান?           খেতে ভুলবেন না এই ১৫টি খাবার! আপনার শরীরকে ভাইরাস-ব‍্যাকটেরিয়ার হাত থেকে বাঁচা...
30/07/2025

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে চান?
খেতে ভুলবেন না এই ১৫টি খাবার!

আপনার শরীরকে ভাইরাস-ব‍্যাকটেরিয়ার হাত থেকে বাঁচাতে কিছু খাবার সত্যিই ম্যাজিকের মতো কাজ করে! চলুন জেনে নিই সেই ১৫টি ইমিউন-বুস্টিং খাবার👇

🥦 ১. ব্রকলি – ভিটামিন C, A ও ইরich অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর।
🧄 ২. রসুন – সংক্রমণ রোধে দারুণ কার্যকর।
🍊 ৩. সাইট্রাস ফল (লেবু, কমলা) – রোগ প্রতিরোধে ভিটামিন C সেরা।
🥣 ৪. দই (ইয়োগার্ট) – প্রোবায়োটিক থাকে, যা অন্ত্র ভালো রাখে।
🍠 ৫. মিষ্টি আলু – বিটা-ক্যারোটিন যা শরীরকে রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।
🥚 ৬. ডিম – প্রোটিন, ভিটামিন D ও জিঙ্কে ভরপুর।
🍄 ৭. মাশরুম – ইমিউন সিস্টেম সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে।
🌶️ ৮. ক্যাপসিকাম (বেল পেপার) – লাল, হলুদ – দারুণ ভিটামিন C এর উৎস।
🥕 ৯. গাজর – বিটা-ক্যারোটিনে ভরপুর যা ত্বক ও চোখের যত্নে সহায়ক।
🥬 ১০. সবুজ শাক-সবজি (ডার্ক গ্রিনস) – আয়রন ও ফাইবার সমৃদ্ধ।
🫚 ১১. আদা – ঠান্ডা-কাশিতে আর ইনফ্ল্যামেশন কমায়।
🥣 ১২. ডাল (লেন্টিলস) – প্রোটিন আর আয়রনের ভালো উৎস।
🍄 ১৩. মাশরুম (আবার) – নানা রকম প্রজাতি রোগ প্রতিরোধে আলাদা আলাদা ভাবে কাজ করে!
🥜 ১৪. বাদাম-বীজ (যেমন সূর্যমুখীর বীজ) – জিঙ্ক ও ভিটামিন E এর উৎস।
🥭 ১৫. পেঁপে – হজম ভালো রাখে, আর ভিটামিন C বেশি থাকে।

📌 প্রতিদিনের ডায়েটে এই খাবারগুলো একটু একটু করে রাখলে আপনার শরীর থাকবে সুস্থ, সতেজ আর রোগমুক্ত! 😊

❤️ শেয়ার করুন আপনার প্রিয়জনদের সাথে – সবাই থাকুক সুস্থ!
#সুস্থতা #ইমিউন_সিস্টেম #স্বাস্থ্যকর_খাদ্য

Address

Mirpur DOHS
Dhaka
1216

Telephone

+8801616717881

Website

https://dr-tahmeed-kamal.business.site/

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr.Tahmeed Kamal - Pain, Paralysis and Rehabilitation Medicine Specialist posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr.Tahmeed Kamal - Pain, Paralysis and Rehabilitation Medicine Specialist:

Share

Category