Quranic healing center

Quranic healing center রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর চিকিৎসা পদ্ধতি (রুকইয়াহ শরিয়াহ,ও হিজামা)কে প্রোমোট করা, এবং জাদুকরদের থেকে মুমিনদের ঈমান বাঁচানো আমাদের লক্ষ্য।

📣 ঘোষণা: আগামী (21/22/23) অক্টোবর ২০২৫ইং  শুরু হতে যাচ্ছে ৩দিন ব্যাপী রুকাইয়ার ম্যাস সেশন— জিন ও জাদুতে আক্রান্ত বোনদের...
17/10/2025

📣 ঘোষণা: আগামী (21/22/23) অক্টোবর ২০২৫ইং শুরু হতে যাচ্ছে ৩দিন ব্যাপী রুকাইয়ার ম্যাস সেশন— জিন ও জাদুতে আক্রান্ত বোনদের জন্য।

প্রিয় বোনেরা,
আলহামদুলিল্লাহ, আমরা চালু করতে যাচ্ছি "রুকইয়াহ ম্যাস"সেশন — যেখানে জিন, জাদু ও নজর ইত্যাদিতে আক্রান্ত বোনদের জন্য ইসলামী শরিয়াভিত্তিক রুকইয়াহ করানো হবে।বিশেষ করে পারিবারিক বা বংশীয় জাদুতে আক্রান্ত দের জন্যে।

🔹 সেশন বিস্তারিত:
✅ প্রতি সেশন ৩ ঘণ্টা করে
✅ মোট ৩ দিন চলবে একটানা
✅ প্রতি দলে ৫-৬ জন বোন একসাথে
✅পরিপুর্ন শরিয়পর্দা মেইনটেইন করে আসতে হবে
✅যেই বোনের জন্যে বুকিং দেওয়া হবে শুধুমাত্র তিনিই রুকইয়াহ তে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।কোনো মাহরামকে ঢুকতে দেওয়া হবেনা🚫
✅একজন ফিমেল থেরাপিস্ট থাকবে।
✅ নামমাত্র খরচে, যাতে আর্থিক সীমাবদ্ধতার মাঝেও উপকার পাওয়া যায়
✅ কুরআনের আয়াত, দু'আ ও শরিয়তসম্মত পদ্ধতিতে রুকইয়াহ করা হয়
✅ ইনশাআল্লাহ নিয়মিত হিফাযতের আমলও শিখানো হবে

🎯 শুধু জিন, জাদু, নজর ইত্যাদি সমস্যায় আক্রান্ত বোনদের জন্য প্রযোজ্য
📍 লোকেশন: ( কুড়িল চৌরাস্তা, বসুন্ধরা, ঘাট পাড়, মিয়া বাড়ি জামে মসজিদের পাশে, খান ভিলা,ক-১৯)
📝 আগ্রহী বোনেরা ইনবক্সে যোগাযোগ করুন —
সিট সীমিত, আগে আসলে আগে সুযোগ!
বুকিং দেওয়ার সিরিয়াল নাম্বার 🟢01996520362
🔒 আপনার ব্যক্তিগত সমস্যা সম্পূর্ণ গোপন রাখা হবে ইনশাআল্লাহ।
সবাইকে অগ্রিম শুভেচ্ছা।
রুকইয়াহ ম্যাস সেশন— শরিয়াভিত্তিক চিকিৎসার জন্য একটি নির্ভরযোগ্য উদ্যোগ.
⭕আলোচনা সাপেক্ষে আপুদের সুবিধা অনুযায়ি তারিখ পরিবর্তন করা যেতে পারে

14/10/2025

🌸 দাম্পত্য জীবনে মিল ও ভালোবাসা ফিরিয়ে আনার সূরা 🌸

হাদীসে এসেছে— এমন একটি সূরা আছে যা স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মিল ও ভালোবাসা ফিরিয়ে আনে,
সমস্ত জাদু ও কলহ দূর করে, আর তা হলো সূরা আল-বাকারা (سورة البقرة)।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন —

> «اقْرَءُوا سُورَةَ الْبَقَرَةِ، فَإِنَّ أَخْذَهَا بَرَكَةٌ، وَتَرْكَهَا حَسْرَةٌ، وَلَا تَسْتَطِيعُهَا الْبَطَلَةُ»
📖 (সহীহ মুসলিম)

🔹 “البَطَلَةُ” অর্থ: জাদুকর ও শয়তান। অর্থাৎ, যারা নিয়মিত সূরা আল-বাকারা পাঠ করে, শয়তান ও জাদু তাদের ক্ষতি করতে পারে না।

🔹 সূরা আল-বাকারা-তে রয়েছে হাজারো আদেশ ও নিষেধ,
যা শয়তান ও তার সহযোগীদের দূরে সরিয়ে দেয়,
দাম্পত্য জীবনে শান্তি, মিল ও ভালোবাসা ফিরিয়ে আনে।

👉 পাঠ করা যেতে পারে —

পুরো সূরাটি, অথবা

প্রথম ৫ আয়াত, অথবা

آية الكرسي (আয়াতুল কুরসী), অথবা

শেষ দুই আয়াত (آمَنَ الرَّسُولُ ... إلى آخر السورة)।

---

🌿 স্বামী-স্ত্রীর জন্য রুকিয়াহ শরইয়াহ 🌿

দাম্পত্য সমস্যার ক্ষেত্রে পরস্পরকে এই দোয়াগুলো দ্বারা রুকিয়াহ করা যেতে পারে —

> «بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِيكَ، مِنْ كُلِّ شَيْءٍ يُؤْذِيكَ، مِنْ شَرِّ كُلِّ نَفْسٍ أَوْ عَيْنٍ أَوْ حَاسِدٍ، اللَّهُ يَشْفِيكَ، بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِيكَ.»

> «أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّةِ، مِنْ كُلِّ شَيْطَانٍ وَهَامَّةٍ، وَمِنْ كُلِّ عَيْنٍ لَامَّةٍ.»

> «بِسْمِ اللَّهِ الَّذِي لَا يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ، وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ.»

> «رَضِيتُ بِاللَّهِ رَبًّا، وَبِالْإِسْلَامِ دِينًا، وَبِمُحَمَّدٍ ﷺ نَبِيًّا.»

🕊️ এই দোয়াগুলোই সেই রুকিয়াহ যা দ্বারা জিবরীল (আঃ) রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে রুকিয়াহ করেছিলেন,
যখন এক ইহুদি তাকে জাদু করেছিল,
আর আল্লাহ তায়ালা তাঁকে আরোগ্য দান করেছিলেন।

---

💞 দাম্পত্য মিলন ও ভালোবাসার জন্য কুরআনের আয়াতসমূহ 💞

যে সব আয়াত পড়লে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মিল, মমতা ও ভালোবাসা ফিরে আসে,
দূর হয় কলহ, বিদ্বেষ ও জাদুর প্রভাব,
সেগুলো নিচে দেয়া হলো —

---

১️⃣ সূরা আলে ইমরান, আয়াত ১০৩

> وَاعْتَصِمُوا بِحَبْلِ اللَّهِ جَمِيعًا وَلَا تَفَرَّقُوا، وَاذْكُرُوا نِعْمَتَ اللَّهِ عَلَيْكُمْ إِذْ كُنْتُمْ أَعْدَاءً فَأَلَّفَ بَيْنَ قُلُوبِكُمْ، فَأَصْبَحْتُمْ بِنِعْمَتِهِ إِخْوَانًا...

📖 অর্থ: “তোমরা সবাই আল্লাহর রজ্জু (কুরআন)-কে দৃঢ়ভাবে ধারণ করো এবং বিভক্ত হয়ো না; আল্লাহ তোমাদের মধ্যে ভালোবাসা সৃষ্টি করেছেন।”

---

২️⃣ সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ৪৩

> وَنَزَعْنَا مَا فِي صُدُورِهِمْ مِنْ غِلٍّ، تَجْرِي مِنْ تَحْتِهِمُ الْأَنْهَارُ...

📖 অর্থ: “আমি তাদের অন্তর থেকে বিদ্বেষ দূর করে দেব, তাদের নিচে প্রবাহিত হবে জান্নাতের নদীসমূহ।”

---

৩️⃣ সূরা আল-হিজর, আয়াত ৪৭

> وَنَزَعْنَا مَا فِي صُدُورِهِمْ مِنْ غِلٍّ، إِخْوَانًا عَلَى سُرُرٍ مُّتَقَابِلِينَ.

📖 অর্থ: “আমরা তাদের অন্তরের হিংসা দূর করে দেব, তারা ভ্রাতৃসুলভভাবে পরস্পরের মুখোমুখি বসবে।”

---

৪️⃣ সূরা আল-আনফাল, আয়াত ৬৩

> وَأَلَّفَ بَيْنَ قُلُوبِهِمْ، لَوْ أَنْفَقْتَ مَا فِي الْأَرْضِ جَمِيعًا مَا أَلَّفْتَ بَيْنَ قُلُوبِهِمْ، وَلَكِنَّ اللَّهَ أَلَّفَ بَيْنَهُمْ، إِنَّهُ عَزِيزٌ حَكِيمٌ.

📖 অর্থ: “তুমি যদি পৃথিবীর সব কিছু ব্যয় করতে, তবুও তাদের অন্তরে ভালোবাসা সৃষ্টি করতে পারতে না; কিন্তু আল্লাহ তা করে দিয়েছেন।”

---

৫️⃣ সূরা আল-হুজুরাত, আয়াত ১০

> إِنَّمَا الْمُؤْمِنُونَ إِخْوَةٌ، فَأَصْلِحُوا بَيْنَ أَخَوَيْكُمْ، وَاتَّقُوا اللَّهَ لَعَلَّكُمْ تُرْحَمُونَ.

📖 অর্থ: “বিশ্বাসীগণ পরস্পর ভাই ভাই; সুতরাং তাদের মধ্যে মিল-মিশ করিয়ে দাও এবং আল্লাহকে ভয় করো।”

---

৬️⃣ সূরা আল-মুমতাহিনা, আয়াত ৭

> عَسَى اللَّهُ أَنْ يَجْعَلَ بَيْنَكُمْ وَبَيْنَ الَّذِينَ عَادَيْتُمْ مِنْهُمْ مَوَدَّةً، وَاللَّهُ قَدِيرٌ، وَاللَّهُ غَفُورٌ رَحِيمٌ.

📖 অর্থ: “সম্ভবত আল্লাহ তোমাদের ও যাদের সাথে তোমাদের শত্রুতা রয়েছে, তাদের মধ্যে ভালোবাসা সৃষ্টি করবেন।”

---

৭️⃣ সূরা আল-ইসরা, আয়াত ৫৩

> وَقُل لِعِبَادِي يَقُولُوا الَّتِي هِيَ أَحْسَنُ، إِنَّ الشَّيْطَانَ يَنزَغُ بَيْنَهُمْ، إِنَّ الشَّيْطَانَ كَانَ لِلْإِنسَانِ عَدُوًّا مُّبِينًا.

📖 অর্থ: “আমার বান্দাদের বলো তারা যেন উত্তম কথা বলে, কারণ শয়তান তাদের মধ্যে বিরোধ লাগাতে চায়।”

---

৮️⃣ সূরা আল-হাশর, আয়াত ১০

> رَبَّنَا اغْفِرْ لَنَا وَلِإِخْوَانِنَا الَّذِينَ سَبَقُونَا بِالْإِيمَانِ، وَلَا تَجْعَلْ فِي قُلُوبِنَا غِلًّا لِلَّذِينَ آمَنُوا، رَبَّنَا إِنَّكَ رَءُوفٌ رَحِيمٌ.

📖 অর্থ: “হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের ও আমাদের পূর্ববর্তী বিশ্বাসীদের ক্ষমা করো, এবং আমাদের অন্তরে যেন তাদের প্রতি কোনো বিদ্বেষ না থাকে।”

---

৯️⃣ সূরা আল-বাকারা, আয়াত ১৮৭

> هُنَّ لِبَاسٌ لَّكُمْ وَأَنْتُمْ لِبَاسٌ لَّهُنَّ...

📖 অর্থ: “স্ত্রীরা তোমাদের পোশাক, আর তোমরাও তাদের পোশাক — তোমরা একে অপরের আচ্ছাদন।”

---

🔟 সূরা আলে ইমরান, আয়াত ১৩৩–১৩৫

> وَسَارِعُوا إِلَى مَغْفِرَةٍ مِّن رَّبِّكُمْ وَجَنَّةٍ عَرْضُهَا السَّمَاوَاتُ وَالْأَرْضُ أُعِدَّتْ لِلْمُتَّقِينَ ۝ الَّذِينَ يُنفِقُونَ فِي السَّرَّاءِ وَالضَّرَّاءِ وَالْكَاظِمِينَ الْغَيْظَ وَالْعَافِينَ عَنِ النَّاسِ وَاللَّهُ يُحِبُّ الْمُحْسِنِينَ ۝ وَالَّذِينَ إِذَا فَعَلُوا فَاحِشَةً أَوْ ظَلَمُوا أَنفُسَهُمْ ذَكَرُوا اللَّهَ فَاسْتَغْفَرُوا لِذُنُوبِهِمْ...

📖 অর্থ: “যারা রাগ দমন করে, মানুষকে ক্ষমা করে, আল্লাহ তাদের ভালোবাসেন।”

---

১১️⃣ সূরা আলে ইমরান, আয়াত ১৫৯

> فَبِمَا رَحْمَةٍ مِّنَ اللَّهِ لِنتَ لَهُمْ، وَلَوْ كُنتَ فَظًّا غَلِيظَ الْقَلْبِ لَانفَضُّوا مِنْ حَوْلِكَ، فَاعْفُ عَنْهُمْ وَاسْتَغْفِرْ لَهُمْ، وَشَاوِرْهُمْ فِي الْأَمْرِ...

📖 অর্থ: “তুমি তাদের প্রতি কোমল ছিলে, ক্ষমা করো, তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করো — এটাই দাম্পত্যের রহমতের পথ।”

---

১২️⃣ সূরা আল-বাকারা, আয়াত ১০৯

> فَاعْفُوا وَاصْفَحُوا حَتَّى يَأْتِيَ اللَّهُ بِأَمْرِهِ، إِنَّ اللَّهَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ.

📖 অর্থ: “ক্ষমা করো এবং উপেক্ষা করো যতক্ষণ না আল্লাহর নির্দেশ আসে।”

---

১৩️⃣ সূরা আল-মায়িদাহ, আয়াত ১৩

> فَاعْفُ عَنْهُمْ وَاصْفَحْ، إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ الْمُحْسِنِينَ.

📖 অর্থ: “তুমি তাদের ক্ষমা করো ও উপেক্ষা করো, নিশ্চয়ই আল্লাহ সৎকর্মশীলদের ভালোবাসেন।”

---

১৪️⃣ সূরা আন-নূর, আয়াত ২২

> وَلْيَعْفُوا وَلْيَصْفَحُوا، أَلَا تُحِبُّونَ أَنْ يَغْفِرَ اللَّهُ لَكُمْ، وَاللَّهُ غَفُورٌ رَّحِيمٌ.

📖 অর্থ: “তারা যেন ক্ষমা করে ও উপেক্ষা করে — তোমরা কি চাও না আল্লাহও তোমাদের ক্ষমা করুন?”

---

🌺 সারাংশ 🌺

1️⃣ প্রতিদিন বা তিন দিনে একবার সূরা আল-বাকারা পাঠ করা।
2️⃣ ইস্তেগফার ও দরুদ শরীফ বেশি বেশি পড়া।
3️⃣ একে অপরকে রুকিয়াহ দোয়া দিয়ে ফুঁক দেওয়া।
4️⃣ উপরোক্ত আয়াতগুলো ধ্যান ও তিলাওয়াত করা।
5️⃣ এই দোয়া পড়া —

> اللهم ألِّف بين قلوبنا، كما ألَّفت بين قلوب عبادك الصالحين، وأبعد عنا وساوس الشيطان، واجعل بيوتنا عامرةً بذكرك وطاعتك.
📖 অর্থ: “হে আল্লাহ! আমাদের অন্তরগুলো একত্রিত করে দাও, যেমন তুমি তোমার সৎ বান্দাদের হৃদয় একত্র করেছ; শয়তানের কুমন্ত্রণা আমাদের থেকে দূর করো, এবং আমাদের ঘরগুলো তোমার স্মরণ ও আনুগত্যে পূর্ণ করে দাও।”

---

(((রাকী আবু আহনাফ)))

02/10/2025

🌸 সব ভুলই আল্লাহ ক্ষমা করে দেন 🌸
কিন্তু একটাই ব্যতিক্রম আছে —
👉 মানুষের উপর জুলুম ❌
এটা মাফ পাওয়া নির্ভর করে যাকে কষ্ট দেওয়া হয়েছে তার ক্ষমার উপর।

তাই বলি —
💔 যারা আমাদের প্রতি জুলুম করেছে, আল্লাহ তাদের না ক্ষমা করুন, না দয়া করুন।
আমাদের আঘাতগুলো যেন তাদের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সঙ্গী হয়ে থাকে…!

🌿 রুকিয়া প্রোগ্রাম – সব ধরণের যাদু ভাঙার আমল (ইনশাআল্লাহ) 🌿📖 যে সূরাগুলো পড়তে হবে:1️⃣ الفاتحة 2️⃣ آية الكرسي 3️⃣ آخر آي...
02/10/2025

🌿 রুকিয়া প্রোগ্রাম – সব ধরণের যাদু ভাঙার আমল (ইনশাআল্লাহ) 🌿
📖 যে সূরাগুলো পড়তে হবে:
1️⃣ الفاتحة
2️⃣ آية الكرسي
3️⃣ آخر آيتين من سورة البقرة
4️⃣ قَالَ مُوسَى مَا جِئْتُم بِهِ السِّحْرُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ
5️⃣ وَأَوْحَيْنَا إِلَى مُوسَى أَنْ أَلْقِ عَصَاكَ فَإِذَا هِيَ تَلْقَفُ مَا يَأْفِكُونَ فَوَقَعَ الْحَقُّ وَبَطَلَ مَا كَانُوا يَعْمَلُونَ
6️⃣ وَقَدِمْنَا إِلَى مَا عَمِلُوا مِنْ عَمَلٍ فَجَعَلْنَاهُ هَبَاءً مَّنثُورًا
7️⃣ وَإِنَّا عَلَى ذَهَابٍ بِهِ لَقَادِرُونَ
8️⃣ سورة الكافرون
9️⃣ سور الإخلاص والفلق والناس
🔁 এগুলো অন্তত ৭ বার করে পড়তে হবে। তার বেশি পড়লে আরও ভালো।

✨ ব্যবহারের নিয়ম:
1️⃣ ছিটানো যাদু (সিহর মারশুশ):
আয়াতগুলো পানি পড়ে নিতে হবে। সেই পানি দিয়ে দরজা ও চৌকাঠ ছিটাতে হবে, পা ধুতে হবে এবং তেল মিশিয়ে হাঁটুর নিচ থেকে পায়ের পাতা পর্যন্ত মালিশ করতে হবে।
2️⃣ খাওয়া বা পান করানো যাদু (সিহর মাকুল বা মাশরুব):
আয়াতগুলো পানি পড়ে নিতে হবে। তারপর সেই পানিতে সানামকি বা সিদর পাতা মিশিয়ে খেতে হবে যতক্ষণ না পেট পরিষ্কার হয়।
3️⃣ গর্ভাশয়ের যাদু বা অস্বাভাবিক রক্তপাত:
আয়াতগুলো পানি বা গোলাপজলে পড়ে নিতে হবে। এরপর তা দিয়ে তলপেট ও কোমরের অংশ মালিশ করতে হবে। যদি বাষ্প নেওয়া যায় তবে তা আরও ভালো।
4️⃣ শারীরিক রোগের চিকিৎসা:
কালোজিরার তেল, কুস্তে হিন্দি তেল বা অলিভ অয়েলে আয়াত পড়ে নিতে হবে। তারপর যেখানে ব্যথা আছে সেখানে মালিশ করতে হবে।
5️⃣ ঘরের ভেতর থেকে যাদুর খেদমতকারী জিন ও অদৃশ্য বাসিন্দাদের তাড়ানোর জন্য:
আয়াতগুলো মিসকে পড়ে নিতে হবে। তারপর সুগন্ধি ধূপ যেমন কুস্তে হিন্দি বা কালোজিরার সাথে মিশিয়ে ঘরে ধূপ দিতে হবে। এটি একটি মাধ্যম, আর আসল শিফা আল্লাহর কাছেই।

💚 আল্লাহ তাআলা সকল প্রকার যাদু, শয়তানি প্রভাব ও রোগ থেকে আমাদের হিফাযত করুন। আমীন।

01/10/2025

✨ যাদুর কিছু ধরন ও তার কিছু উপসর্গ ✨

১. ফারাক বা বিচ্ছেদের যাদু (سحر التفريق):

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অতিরিক্ত সন্দেহ তৈরি হওয়া।

বিশ্বাসহীনতা ও তুচ্ছ কারণে ঝগড়া-বিবাদ।

হঠাৎ ঘৃণা বা একে অপরকে দেখলেই প্রবল বিরক্তি অনুভব করা।

২. প্রেমের যাদু (সিহরুল মুহাব্বাহ / التِّولة):

কারও প্রতি অস্বাভাবিক ও অকারণ আকর্ষণ সৃষ্টি হওয়া।

তাকে নিয়েই সবসময় ভাবতে থাকা, দূরে থাকতে না পারা।

সে না থাকলে অস্থিরতা বা ব্যথা অনুভব করা।

৩. অসুস্থতার যাদু (سحر المرض):

শরীরে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ঘুরে বেড়ানো অজানা ব্যথা।

সবসময় ক্লান্তি বা কারণ ছাড়া মাথাব্যথা থাকা।

চিকিৎসা নেওয়ার পরও আরোগ্য না হওয়া।

৪. কল্পনার যাদু (سحر الخيال):

জিনিসপত্রকে আসল রূপে না দেখা, আকার পরিবর্তিত মনে হওয়া।

অবাস্তব শব্দ শোনা বা ভ্রান্ত চিন্তা আসা।

অদ্ভুত বা ভয়ঙ্কর স্বপ্ন বারবার দেখা।

৫. উন্মাদের যাদু (سحر الجنون):

চিন্তা ও কথাবার্তায় অস্থিরতা।

অস্বাভাবিক আচরণ বা অচেতনভাবে কাজ করা।

তীব্র ভোলাভাব ও একটানা উদাসীনতা।

৬. রক্তক্ষরণের যাদু (শুধু নারীদের ক্ষেত্রে) (سحر النزيف):

মাসিকের সময় ছাড়া অস্বাভাবিক রক্তপাত।

দীর্ঘমেয়াদী দুর্বলতা ও অবসাদ।

চিকিৎসা ব্যর্থ হওয়া।

৭. বিয়ে বন্ধ করার যাদু (سحر تعطيل الزواج):

পাত্রপক্ষ না আসা বা বারবার অকারণে প্রত্যাখ্যান।

প্রস্তাব এলে মেয়ের মাথাব্যথা, দমবন্ধভাব বা শরীর ব্যথা হওয়া।

বিয়ে সংক্রান্ত ভয়ানক স্বপ্ন দেখা।

৮. কাজ বা পড়াশোনা বন্ধ করার যাদু (سحر تعطيل العمل أو الدراسة):

মনোযোগ হারানো ও স্থিরভাবে কাজ না করতে পারা।

কাজের প্রকল্প নষ্ট হয়ে যাওয়া বা হঠাৎ ক্ষতি হওয়া।

কাজ বা পড়াশোনার জায়গা একেবারেই ভালো না লাগা।

৯. মৃত্যু বা ধ্বংসের যাদু (سحر الموت أو الهلاك):

দীর্ঘস্থায়ী রোগে ভোগা।

দমবন্ধভাব ও জীবনের প্রতি হতাশা।

মৃত্যুর স্বপ্ন বা কবর সংক্রান্ত দুঃস্বপ্ন বারবার দেখা।

⚠️ মনে রাখুন:
এসব উপসর্গ অনেক সময় যাদুর কারণে হতে পারে, আবার মানসিক বা শারীরিক সমস্যার কারণেও মিলতে পারে।

🤲 আল্লাহ আমাদের সবাইকে যাদুর ক্ষতি থেকে হেফাজত করুন।

--------------
আবু আহনাফ
--------------------

29/09/2025

★ জিনের স্বীকারোক্তি ★

১️⃣ আল্লাহর যিকর আমাদের উপর বাহ্যিক জাদুর সাহায্য কেটে দেয়।

২️⃣ সূরা আল-বাকারা আমাদের পরাজিত করে ও পুড়িয়ে ফেলে।

৩️⃣ আমরা কোনো কক্ষে প্রবেশ করতে পারি না যদি দরজা খোলার সময় "বিসমিল্লাহ" বলা হয়।

৪️⃣ আমরা ঠাণ্ডা পানি সহ্য করতে পারি না, কারণ তা আমাদেরকে বিদ্যুতের মতো আঘাত করে।

5️⃣ যে মুমিন আল্লাহকে অন্তর থেকে ইবাদত করে, তার হৃদয় থেকে এক ধরনের নূর বের হয় যা তার পুরো দেহকে ঘিরে রাখে, ফলে আমরা তাকে ভেদ করতে পারি না—ভয়ে আমরা পুড়ে যাব।

6️⃣ প্রতিদিন ১০০ বার
"لا إله إلا الله وحده لا شريك له، له الملك وله الحمد وهو على كل شيء قدير"
পড়লে মানুষের চারপাশে নূর তৈরি হয়।

7️⃣ আমরা ঘরে ঝুলানো ছবি ও মূর্তির দিকে আকৃষ্ট হই, কারণ সেগুলো থেকে আমরা শক্তি পাই।

8️⃣ আমরা কুমন্ত্রণায় ফেলে নামাজ বিলম্ব করাই, বিশেষত আসর ও মাগরিবের নামাজ। এছাড়াও যিকর থেকে দূরে রাখি, যাতে সহজে জাদু ও শয়তানি প্রভাব কাজ করতে পারে।

9️⃣ নাচ, গান ও বাদ্যযন্ত্রের জায়গায় আমরা ছড়িয়ে পড়ি এবং সেসব থেকে শক্তি সঞ্চয় করি।

🔟 যদি আমরা কারও কপালে হাত রাখি, তবে সে আমাদের ইচ্ছামতো চলতে শুরু করে।

1️⃣1️⃣ যেসব ঘরে কুরআন তিলাওয়াত হয় এবং আল্লাহর যিকর হয়, ফেরেশতারা সেই ঘরের দরজায় অবস্থান করেন, ফলে আমরা ভেতরে ঢুকতে পারি না।

1️⃣2️⃣ সৎকাজ আমাদের দুর্বল করে দেয় এবং দূরে সরিয়ে দেয়।

1️⃣3️⃣ কেউ বাথরুমে প্রবেশের সময়
"اللهم إني أعوذ بك من الخبث والخبائث"
পড়লে আমরা তাকে দেখতে পাই না।

1️⃣4️⃣ ভীতি বা আতঙ্কের সময় কেউ যদি
"أعوذ بالله من الشيطان الرجيم"
পড়ে, তবে আমরা তার শরীরে প্রবেশ করতে পারি না।

1️⃣5️⃣ সদকা আমাদেরকে প্রচণ্ড কষ্ট দেয়।

1️⃣6️⃣ তাহাজ্জুদ/কিয়ামুল লাইল আমাদের দুর্বল করে ও কষ্ট দেয়।

1️⃣7️⃣ আমরা নোংরা ও দুর্গন্ধ থেকে শক্তি পাই, কিন্তু অজু ও শরীরের পবিত্রতা আমাদের দুর্বল করে।

1️⃣8️⃣ দোয়া আমাদেরকে জ্বালিয়ে দেয় এবং ধ্বংস করে।

1️⃣9️⃣ মানুষ যখন ইস্তিখারা করে, তখন আমরা তাদের উপর প্রভাব ফেলতে পারি না।

2️⃣0️⃣ জুমার দিনে আমরা দুর্বল হয়ে যাই।

2️⃣1️⃣ দৃঢ় ঈমান ও পূর্ণ ইয়াকীন আমাদেরকে পরাজিত করে দেয়।

2️⃣2️⃣ রমজান মাসে আমরা খুবই দুর্বল হয়ে যাই।

2️⃣3️⃣ আজওয়া খেজুর ও কালোজিরা আমাদের শক্তি ভেঙে দেয়।

2️⃣4️⃣ সূরা যিলযালাহ (সুরা الزلزلة) ছিটানো বা পুঁতে রাখা জাদু নষ্ট করে দেয়।

25/09/2025

১️⃣ জিনের সাহায্য নেওয়া শিরক – সে মুসলিম হোক বা কাফির

দাবি: মুসলিম জিনের সাহায্য নেওয়াও বৈধ নয়।
রেফারেন্স:

আল্লাহ تعالى বলেন:

> "وَأَنَّهُ كَانَ رِجَالٌ مِّنَ الْإِنسِ يَعُوذُونَ بِرِجَالٍ مِّنَ الْجِنِّ فَزَادُوهُمْ رَهَقًا"
(সূরা আল-জিন: ৬)
🔎 ব্যাখ্যা: ইবনু কাসীর, কুরতুবী প্রমুখ মুফাসসিররা বলেন—মানুষ যখন জিনের কাছে সাহায্য চেয়েছিল, তখন জিনরা তাদেরকে আরও বিপদে ফেলেছিল। এ থেকে প্রমাণিত হয়, জিনের সাহায্য নেওয়া নিষিদ্ধ।

---

২️⃣ সাহায্য চাওয়া দুই ধরনের – আল্লাহর কাছে এবং মাখলুকের কাছে

দাবি: ইস্তিআনা (সাহায্য প্রার্থনা) দুই ভাগে বিভক্ত।
রেফারেন্স:

আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়া:

> "إياك نعبد وإياك نستعين"
(সূরা আল-ফাতিহা: ৫)
🔎 ব্যাখ্যা: এটা তাওহীদের মূল। ইবনু তাইমিয়্যা (الفتاوى الكبرى 11/307) বলেন: “ইয়াকা নাআবুদু ওয়া ইয়াকা নাস্তাঈন” – এর মধ্যে তাওহীদুল ইলাহিয়্যাহ ও তাওহীদুল রুবুবিয়্যাহ উভয়টি রয়েছে।

মাখলুকের কাছ থেকে সাহায্য চাওয়া:

জীবিত মানুষের কাছে, যেটা তার সাধ্যের মধ্যে 👉 বৈধ। (উদাহরণ: “وَتَعَاوَنُوا عَلَى الْبِرِّ وَالتَّقْوَىٰ” – সূরা মায়িদাহ: ২)

মৃত মানুষের কাছে 👉 শিরক। (সূরা ফাতির: ২২, সূরা নাহল: ২০–২১)

অদৃশ্য মাখলুকের কাছে (জিন, ফেরেশতা ইত্যাদি) 👉 শিরক। (সূরা জিন: ৬, সূরা ফাতিহা: ৫)

---

৩️⃣ রাসূল ﷺ কখনো মুসলিম জিনের সাহায্য নেননি

দাবি: নবী ﷺ মুসলিম জিনদের সাহায্য নেননি, না তথ্য সংগ্রহে, না যুদ্ধে।
রেফারেন্স:

নবী ﷺ–কে ইনস ও জিন উভয়ের নিকট প্রেরণ করা হয়েছে:

> "قُلْ أُوحِيَ إِلَيَّ أَنَّهُ اسْتَمَعَ نَفَرٌ مِّنَ الْجِنِّ"
(সূরা আল-জিন: ১)

কিন্তু সহীহ হাদীসে কোথাও প্রমাণ নেই যে, তিনি মুসলিম জিনদের ব্যবহার করেছেন। বরং তিনি শুধু দাওয়াত দিয়েছেন।

---

৪️⃣ ভণ্ড রুকিয়াহকারীরা জিন ব্যবহার করছে – এটা শিরক

দাবি: অনেকেই জিন ব্যবহার করে রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসা করে।
রেফারেন্স:

ইবনু তাইমিয়্যা (مجموع الفتاوى 11/307):
“যে কেউ জিনের সাহায্য নেয় এবং তাদের ওপর নির্ভর করে – সেটা শিরক। কারণ সে এমন কিছুর ওপর ভরসা করছে যা আল্লাহর অনুমতি ছাড়া কার্যকর নয়।”

ইমাম আশ-শাতিবী (الاعتصام 1/237):
“রুকিয়াহ নামে যদি জিনদের সাহায্য নেওয়া হয়, তবে সেটা কুসংস্কার ও শিরকের দরজা খুলে দেয়।”

---

৫️⃣ শয়তানের সাথে মানুষের সম্পর্ক শুধু শত্রুতার

দাবি: জিন হোক মুসলিম বা কাফির – তাদের সাথে মানুষের কোনো বন্ধুত্ব নেই, বরং সম্পর্কটা শত্রুতার।
রেফারেন্স:

আল্লাহ تعالى বলেন:

> "إِنَّ الشَّيْطَانَ لَكُمْ عَدُوٌّ فَاتَّخِذُوهُ عَدُوًّا"
(সূরা ফাতির: ৬)

রাসূল ﷺ বলেন:

> "إن الشيطان يجري من ابن آدم مجرى الدم"
(সহীহ বুখারী 3281, সহীহ মুসলিম 2174)
🔎 ব্যাখ্যা: শয়তান মানুষের শত্রু, সে সবসময় তাকে পথভ্রষ্ট করার চেষ্টা করে।

---

✍️ উপসংহার

মুসলিম জিনের সাহায্য নেওয়ার কোনো প্রমাণ কুরআন ও হাদীসে নেই।

কুরআনের স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা (সূরা জিন: ৬) প্রমাণ করে এটা শিরক।

উলামারা একমত – জিনের ওপর নির্ভর করা রুকিয়াহ শরিয়্যাহ নয়, বরং জাদুর মতো হারাম।

21/09/2025

যে কোন ধরনের সমস্যা থেকে মুক্তির একটি মুজাররাব আমল!

রুকইয়াহ...যে সমস্যায় যা উপকারীকাফের জ্বীন...... বারবার আজানপাখি জ্বীন.......... সূরা কাহাফআশিক জ্বীন...... সূরা নূর ও ক...
21/09/2025

রুকইয়াহ...

যে সমস্যায় যা উপকারী
কাফের জ্বীন...... বারবার আজান
পাখি জ্বীন.......... সূরা কাহাফ
আশিক জ্বীন...... সূরা নূর ও কস্তুরি আতর
জাদু/সিহর.... সূরা বাকারাহ
উক্বাদ/গিঁট ..... সূরা ফালাক
ঘ্রাণের জাদু..... কস্টাস
পেটের জাদু....... সোনাপাতা
কারিন জ্বীন... সূরা ক্বাফ
শয়তান..... আয়াতুল কুরসি
জ্বীনের আছর..... সূরা জ্বীন
খৃষ্টান জ্বীন...... সূরা ইখলাস
মৃগীরোগ........ সূরা জ্বীন
ওয়াসওয়াসা ........ সূরা নাস
জ্বীন বের করা....... সূরা যিলযাল

নরমাল ডেলিভারির জন্য রুকইয়াহ?

জ্বীন-জাদুর কারণে অনেক সময় নরমাল ডেলিভারিতেও সমস্যা হয়। অনেকের হয়তো মানতে কষ্ট হবে, কিন্তু এটাই বাস্তব। গর্ভবতী নারীরা আল্লাহর সাহায্যে নরমাল ডেলিভারির নিয়তে নিচের আমল করতে পারেন। অনেক উপকারী আমল আলহামদুলিল্লাহ।

ক)
গর্ভাবস্থায় এই আয়াত গুলো নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের পর 10/15 মিনিট করে তিলাওয়াত করবেন। পানিতে ফুঁ দিয়ে নিয়মিত পান করবেন। সেই পানি দিয়ে দৈনিক এক দুই বার পেট মালিশ করবেন।

খ)
‘গর্ভবতীর সন্তান প্রসবের ক্ষেত্রে কষ্টের সময় একজন মহিলা এআয়াতগুলো পাঠ করে সন্তান প্রসবীনীর উপর ফুঁক দিবে। অথবা যে কোন লোক তা পাঠ করে পানিতে ফুঁক দিবে। তারপর সে পানি গর্ভবতীকে পান করাবে এবং তা দিয়ে তার পেট মালিশ করবে।’

রুকইয়াহ আয়াত: ১) সূরা রা‘দের ৮নং আয়াত ২) সূরা ফাতির ১১ নং আয়াত ৩) সূরা নাহাল ৮৭নং আয়াত এবং ৪) সূরা যিলযাল।

আল্লাহ তাআলা সবাইকে নেককার সন্তান দান করুন আমীন।

20/09/2025

কোন ধরনের কারণ ছাড়া কোন জায়গায়, বারংবার আগুন লেগে যাওয়া ,এটা জীন থেকে হওয়ারই সম্ভাবনা বেশি

একজন বীর মুজাহিদের দুই হাতে দুই অস্ত্র 🗡️ডান হাতে রয়েছে জীবনসঙ্গীনী। যিনি নফস ও শয়তানের মত সবচেয়ে বড় দুশমন থেকে নিজের ঈম...
19/09/2025

একজন বীর মুজাহিদের দুই হাতে দুই অস্ত্র 🗡️

ডান হাতে রয়েছে জীবনসঙ্গীনী। যিনি নফস ও শয়তানের মত সবচেয়ে বড় দুশমন থেকে নিজের ঈমান ও চরিত্র রক্ষার অন্যতম হাতিয়ার।

বাম হাতে রয়েছে রাইফেল। যা কাফের মুশরিকদের মত ভয়ংকর দুশমনদের থেকে ইসলাম ও মুসলিম জাতিকে রক্ষার অন্যতম হাতিয়ার..

Address

East Of Kuril Intersection, Kuril Ghatpar, Next To Miabari Jame Masjid, Bashundhara Bhatara, House No. A-193/7 Khan Villa
Dhaka

Telephone

+8801996520362

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Quranic healing center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Quranic healing center:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram