27/12/2025
" আপনার সকল রিপোর্ট নরমাল মানেই আপনার নরমাল ডেলিভারি হবে ব্যাপারটা তেমন না "
এর সাথে নির্দিষ্ট সময়ে জরায়ুর মুখ খোলার সম্পর্কটাও অনেক বেশি ,তার উপর অন্যান্য ফ্যাক্টর, প্রেসার ,ডায়বেটিস ওজন ,উচ্চতা ,কোমড়ের হারের মাপ ,আর ও অনেক ফ্যাক্টর তো আছেই ।
অনেকে বলেন আচ্ছা ওষুধ দেন ,মুখ খোলার ওষুধ তো আছে ।
ধরেন আপনার জরায়ুটা একটা বেলুন ।বেলুনের মধ্যে একটা কিছু আছে আপ্নাকে বের করতে হবে । মুখ খোলার ওষুধের কাজ ওই বেলুনের উপরে চাপ দেয়া ।
এখন মুখ বাধা বেলুনকে আপনি চার পাশ থেকে চাপ দিলেন কি হবে ? নি:সন্দেহে বেলুন ফেটে যাবে । আর যদি বেলুনের মুখ টা অনেক খানি খোলা থাকে পিছন থেকে আপনি চাপ দেয়ার ওষুধ দিলেন তখন ভিতরের জিনিস বের হয়ে যাবে ।
(তবে পুরা মুখ খোলার পর ও আপ্নার ডেলিভারিতে অবস্ট্রাকশন বা বাধা আসতে পারে ) যা অবস্ট্রাক্টেড লেবার নামে পরিচিত।
তাই একটা নির্দিষ্ট সময় না যাওয়া পর্যন্ত ওষুধ দেয়া যায় না ,এর আগে দিলে মা ,বাচ্চার অনেক বড় ক্ষতি হতে পারে ।
এখন বলতে পারেন অনেকের তো ব্যাথা উঠায় ,সেটা অবশ্যই আপনার কন্ডিশন অনুযায়ী ডক্টর যদি সেইফ মনে করে ।সে সিদ্ধান্ত অবশ্যই একজন সিনিয়র গাইনোকোলজিষ্ট নিবেন ।
সর্বোপরি আল্লাহর কাছে চাইতে হবে ।
মানুষ এখন অনেক কিছু জানে ।সেটার ভালো খারাপ দুইদিক ই আছে । আমি চাই আমার লেখাগুলো পড়ে বুঝুন ,জানাকে ক্লিয়ার করুন । রোগীরা ভুল ধারনা গুলো দূর করুন ।
আপনার ডক্টর আপনার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন । পৃথিবীর কোন ডাক্তারই রোগীর ক্ষতি হোক এমন কিছু চান না ।