Children's Eye Care & Orthoptic Centre.

Children's Eye Care & Orthoptic Centre. Our Eyes On Your Future. We Give All types Of Consultancy About Eye Problem. We Also Have facilities Of Power Glass.

We Are Special On Children Eye Problem Like Squint,Amblyopia,Myopia,Astigmatism,ROP, Catarct,Gaucoma..etc.

31/07/2021

" ট্যারা বা বাকা চোখের চিকিত্‍সা"

আমরা অনেক সময় কারো দিকে তাকালে বুঝতে পারি না যে আমাদের অপজিটের মানুষটি আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে নাকি অন্য দিকে তাকিয়ে আছে। আবার এমনও হয় যে কেউ আপনাকে ডাকছে, কিন্তু মনে হয় যেন অন্য কাউকে ডাকছে।

এমনটা হয়ে থাকে তার চোখের জন্য। কারণ তার চোখটি ট্যারা। এটা নিয়ে অনেককেই অনেক অসস্থিতে পরতে হয়। আপনার মুখশ্রী দেখতে যতই সুন্দর হোক না কেনো সব সৌন্দর্য মাটি করে দেয়ার জন্য ট্যারা চোখই যথেষ্ট। তাই আসুন আজ আমরা জেনে নেই ট্যারা চোখ কেনো হয় এবং এর চিকিত্‍সা।

ট্যারা চোখ কেনো হয়:

চোখের আশেপাশের মাংসপেশি চোখকে একটি নির্দিষ্ট দিকে অবস্থান করতে সাহায্য করে। মাংসপেশীর সাহায্যে আমরা চোখকে ঘোরাতে পারি। মাংসপেশী দুর্বল হয়ে গেলে উল্টো দিকে বেঁকে যায়। একে ট্যারা বলে।

চোখের যেসব মাংসপেশী চক্ষুগোলককে নাড়াচাড়া করায় তাদের কোনো কোনোটি দুর্বল বা প্যারালিসিস হলে কোনো একটা দিকে চোখ নড়তে পারে না, ফলে চোখ ট্যারা হয়ে যায়।

যে সব মস্তিষ্ক স্নায়ু ওই মাংসপেশীদের কাজ নিয়ন্ত্রণ করে তাদের ক্রিয়াকলাপে গোলমাল হলে কিংবা মস্তিষ্কের কিছু রোগের ফলেও চোখ ট্যারা হতে পারে। এছাড়া দু'চোখের পাওয়ারের তফাত যদি বেশি থাকে, সেটা যদি সময়ে চশমা পরিয়ে ঠিক না করা হয়,তা হলে দুর্বল চোখটি ট্যারা হয়ে যেতে পারে।

কারো কারো একটি চোখ, বাইরে থেকে দেখে স্বাভাবিক মনে হলেও খুব কম দৃষ্টিশক্তি থাকতে পারে। একে অ্যামব্লায়োপিয়া বা 'লেজি আই' বলে। লেজি আই পরে ট্যারা হতে পারে।

ট্যারা চোখের চিকিত্‍সা:

প্রথমেই ট্যারা হওয়ার কারণটা নির্ণয় করে চিকিত্‍সা-ওষুধ, চশমা, চোখের ব্যায়াম করতে হবে। তারপর কতটা উপকার হল দেখে দরকার হলে বাকি ট্যারাভাব অপারেশন করে ঠিক করা যেতে পারে।

আসলে চিকিত্‍সার ক্ষেত্রে টেরা চোখের কারণ খুঁজে বের করা জরুরি। শিশুদের ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিত্‍সা জরুরি। চশমা দিযে দৃষ্টিস্বল্পতা দূর করে শিশুদের অনেক ট্যারা চোখ সোজা করা যায়।

কখনো চোখের ব্যায়ামের ম্যধ্যমে প্রাথমিক অবস্থায় ট্যারা চোখের চিকিত্‍সা শুরু করা যেতে পারে।

চোখের ক্যান্সারে প্রাথমিক অবস্থায় শিশুর চোখ ট্যারা হতে পারে। ট্যারার চিকিত্‍সায় রোগীর নিয়মিত ডাক্তারের পরামর্শ ও চোখ পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া উচিত।
# # Kazi Sabbir Anwar.

‘প্রিম্যাচিউর’ শিশুদের অনেকেরই  জন্মান্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে"শিশুটির বয়স তিন বছর। বাবা মা তাকে নিয়ে এসেছেন চোখের ডাক্...
25/07/2021

‘প্রিম্যাচিউর’ শিশুদের অনেকেরই জন্মান্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে"

শিশুটির বয়স তিন বছর। বাবা মা তাকে নিয়ে এসেছেন চোখের ডাক্তারের কাছে। শিশুটি কিছু দেখতে পায় না। পৃথিবীতে এত আলো। কিন্তু ওর ছোট দুটি চোখে শুধু অন্ধকার। ডাক্তার অনেকক্ষণ ধরে ওকে পরীক্ষা করলেন। তারপর জানালেন, যদি ওর জন্মের ৩০ দিনের মধ্যে চিকিৎসা করা হতো তাহলে আজ অন্য দশজন শিশুর মতো সেও দুচোখ মেলে দেখতো সব আলো, সব রং।

‘রেটিনোপ্যাথি অফ প্রিম্যাচিউরিটি’ সংক্ষেপে ‘আরওপি’। ‘প্রিম্যাচিউরিটি’ বা পূর্ণ সময় গর্ভবাসের আগেই অনেক শিশু জন্মগ্রহণ করে। তাদের ওজনও হয় স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কম। এই স্বল্প ওজনের শিশুদের মধ্যে আরওপির শিকার হয় অনেক শিশু।

তারা দৃষ্টি প্রতিবন্ধী হয়ে যেতে পারে। অথচ জন্মের পর ২০ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে সঠিক চিকিৎসা করতে পারলে তাদের বাঁচানো যেতে পারে অন্ধ হওয়ার দুর্গতি থেকে।

৩৪ সপ্তাহের আগে যে শিশু জন্মগ্রহণ করে তাকে অপরিণত বা প্রিম্যাচিউর শিশু বলা হয়।

বিশ্বজুড়ে চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নতির ফলে শিশুমৃত্যুর হার কমছে। বাংলাদেশেও শিশুমৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্য ভাবে কমেছে। আগে সাত বা আট মাস গর্ভবাসের পর যেসব শিশু জন্মাতো তাদের বেশির ভাগকেই বাঁচিয়ে রাখা যেত না।

২০১৮ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী বর্তমানে বাংলাদেশে প্রতি হাজার জীবিত জন্মের মৃত্যুর হার ৩০। আগে এই হার ছিল অনেক বেশি। এখন সময়ের আগে জন্ম নেওয়া শিশু সোজা কথায় প্রিম্যাচিউর শিশুকে এনআইসিইউ (নিওন্যাটাল ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট)-এ রাখা হয়। ফলে শিশুটি বেঁচে যেতে পারে।

কিন্তু প্রিম্যাচিউর শিশুদের অনেক শিশুর রেটিনায় রক্তসঞ্চালনের ধমনী ও শিরাগুলো পূর্ণতা পায় না। সে কারণে তাদের অন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। অনেক শিশু আরওপির শিকার হয়ে অন্ধ হয়ে যায়। এজন্য জন্মের ২০ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে পরীক্ষা করে দেখতে হয় শিশুটির আরওপি আছে কিনা। থাকলে সঙ্গে সঙ্গে সঠিক চিকিৎসা নিতে হয়। কারণ ৩০ দিনের পর এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে ৪০ দিনের পর আর চিকিৎসা নিয়েও লাভ নেই।

তাই যে পরিবারে অপরিণত বয়সে শিশুর জন্ম হলো, সেই নবজাতকের সঠিক সময়ে চক্ষু পরীক্ষার ব্যবস্থা করা সেই পরিবারের সদস্যদেরও দায়িত্ব এবং নবজাতক বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের দায়িত্ব তো অবশ্যই আরও বেশী।
-সূত্রঃকাজি সাব্বির আনোয়ার।

আপনাদের সেবাই আমাদের কর্ম।
21/07/2021

আপনাদের সেবাই আমাদের কর্ম।

01/06/2020
চোখে  ড্রপ ব্যবহার করলে তা গলায় যায় এবং তিতা স্বাদ পাওয়া  যায়। তাহলে  #রোযা রেখে ড্রপ কিভাবে ব্যাবহার করবো।? সমস্যা জটিল...
18/05/2020

চোখে ড্রপ ব্যবহার করলে তা গলায় যায় এবং তিতা স্বাদ পাওয়া যায়। তাহলে #রোযা রেখে ড্রপ কিভাবে ব্যাবহার করবো।?

সমস্যা জটিল,,,,,,, #সমাধান_বিজ্ঞানভিত্তিক,,,,,,,
মূল আলোচনাঃ

এইরকম সমস্যা সমাধানের জন্য এবং
আলোচনা সহজে বুঝতে কিছু ছবি দেয়া হলো-

#প্রশ্ন ১ঃ চোখের সাথে কি নাক/ গলার সম্পর্ক আছে?
উত্তরঃ অবশ্যই আছে। চিকিৎসা বিজ্ঞান এই সম্পর্কের নামকরণ করেছে " #নেত্রনালী"**। এই নালীর মাধ্যমেই চোখের পানি প্রথমে নাকের ভিতর যায়,তারপর তা চলে যায় গলায়।

#প্রশ্ন ২ঃ কিভাবে এই নেত্র নালীর মাধ্যমে চোখ থেকে নাকে পানি আসে?
উত্তরঃ আমাদের চোখের চারপাশ ও তার পাতা গোলাকারে সজ্জিত মাংস পেশী** দিয়ে তৈরি। যেই মাংস পেশীর কিছু অংশ জড়িয়ে থাকে নেত্র নালীর গায়ে।
ফলে স্বাভাবিকভাবে আমরা যখন চোখ খুলি ও বন্ধ করি তখন মাংস পেশীর সংকোচন ও প্রসারণ হয়। যে কারণে নেত্র নালী একটি পাম্প বা ড্রপার** এর মতো আচরণ করে। আর চোখ থেকে পানি টেনে প্রথমে নালীর ভেতর এবং পরে তা নালী থেকে বের হয়ে যায়।

#প্রশ্ন৩ঃ কিভাবে তাহলে চোখের ড্রপ নাকে/ গলায় যাওয়ার পরিমাণ কমান যায়?
উত্তরঃ খুব সহজেই আমরা এ কাজটি করতে পারি।
আমরা যদি পাম্পের কাজ বন্ধ করে দেই তাহলেই তো পানি এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে পারবে না।
অর্থাৎ, চোখে ড্রপ দেয়ার পর আমরা যদি কিছুক্ষণ (৩-৫ মিনিট) চোখ বন্ধ করে রাখি তাহলে চোখের পানি/ ড্রপ নলী হয়ে নাকে/গলায় যেতে পারবে না।

এ কাজটি শুধু রোযায় না সবসময় অভ্যাস করা প্রয়োজন। এতে করে চোখের ড্রপ এর systemic absorption কমে যাবে ও local absorption বেড়ে যাবে, মানে চোখে ঔষধের কাজের পরিমাণ ও সময় দুটোই বেড়ে যাবে।

আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ। 🙂

A conference was held with Mr. Prodip Sharma,   Speaker of   Opthalmology,  who had come from India... We gathered a lot...
06/04/2020

A conference was held with Mr. Prodip Sharma, Speaker of Opthalmology, who had come from India... We gathered a lot of knowledge from him as well as from our domestic mentors.... It was a great day indeed...
Thank you so much Kazi Sabbir Anwar sir for everything...

Dear followers, Please stay connected with us... 🙂


06/04/2020


 ... ...
05/04/2020

...
...

*শিশুর প্রতি বিশেষ যত্ন*  পৃথিবী যেন এক মৃত্যু উপত্যকা হয়ে উঠেছে। করোনার কবলে মৃত্যুর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। পুরো পৃথিবী ...
03/04/2020

*শিশুর প্রতি বিশেষ যত্ন*

পৃথিবী যেন এক মৃত্যু উপত্যকা হয়ে উঠেছে। করোনার কবলে মৃত্যুর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। পুরো পৃথিবী লকডাউন। প্রকৃতি যেন মানুষের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে। প্রধানমন্ত্রীর বাসগৃহ থেকে সাধারণের জীবনে পড়ছে এর থাবা। কেউ বাদ থাকছেন না। কোয়ারেন্টাইনে আছে যেন পুরো বিশ্ব।

এ দুর্যোগের সময়টায় লক্ষ্য রাখতে হবে পরিবারের ছোট সদস্যটির প্রতি। করোনা ছাড়াও এখন আবহাওয়া পরিবর্তনের সময়। নজর রাখতে হবে বিশেষ করে ছোট্টমণিদের দিকে। প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের চেয়ে শিশুরা অনেক দিক থেকেই অসহায়। তাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম। ছোট শিশু মুখেও তার সমস্যার কথা বলতে পারে না। তাই এই অসময়টায় শিশুর চাই বিশেষ যত্নআত্তি ও সতর্কতা।

যে মহামারি আকারে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে তাতে শিশুর স্বাভাবিক বিকাশ একটু হলেও ব্যাহত হতে পারে। কিন্তু দুঃসময় মোকাবিলায় এখন চাই বাড়তি সতর্কতা।

এ সময় বাসায় যেটির বেশি দরকার, তাহলো একটি ভালো স্যানিটাইজার। বাইরে থেকে এসেই ঘরের শিশুকে স্পর্শ করা যাবে না। ভালো করে স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধুয়ে ফেলতে হবে। বাইরের পোশাক বদলাতে হবে। তারপর শিশুর কাছে যেতে হবে। শিশুরা খেলনা, ঘরের মেঝে, দরজার হাতল, টেবিল ইত্যাদি যেসব বস্তু বেশি স্পর্শ করে থাকে সেগুলো একটু পর পর ডিটারজেন্ট ও পানি দিয়ে পরিস্কার রাখুন।

যেহেতু এখন স্কুল বন্ধ, শিশু ঘরে থেকে বিরক্ত হতে পারে। তাই ঘরেই তার সঙ্গে খেলায় মেতে উঠতে পারেন বাবা-মা। শিশুকে বই পড়তে, গান শুনতে বা কিছু লিখতে দিন। এভাবে সৃষ্টিশীল কাজে বাড়ির শিশুকে নিয়ে মেতে থাকুন। সারা দিন মোবাইল বা টিভি দেখলে শিশুর আসক্তি তৈরি হতে পারে। তাই তা না করাই ভালো।

বাড়ির কেউ সর্দি-কাশি-জ্বরে আক্রান্ত হলে সঙ্গে সঙ্গে তাকে আলাদা করা প্রয়োজন। অসুস্থ ব্যক্তির কাছে শিশুকে যেতে দেবেন না।

বিদেশফেরত কাউকে দেখতে যাওয়ার দরকার নেই। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া হাসপাতাল বা চিকিৎসকের চেম্বারে না যাওয়াই এ সময় ভালো। মুভি থিয়েটার, মার্কেট, খাবার দোকান, স্বজনের বাড়ি বা দূরে কোথাও বেড়াতে যাওয়ার সময় এখন নয়। স্কুলপড়ূয়া শিশুর কোচিং, নাচ, গান, সাঁতারের ক্লাসে যাওয়াও বন্ধ রাখা উচিত।

শিশু বড় হলে তাকে শেখানো যেতে পারে করোনা কীভাবে ছড়ায়, এর প্রতিরোধের উপায় কী এই বিষয়গুলো। স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধোয়ার নিয়ম দেখিয়ে দিতে হবে। হাত দিয়ে নাক স্পর্শ না করা, হাঁচি-কাশির সময় টিস্যু দিয়ে নাক-মুখ ঢাকা এবং তারপর টিস্যু যথাস্থানে ফেলা- এসব বিষয়ে শিশুকে প্রশিক্ষিত করে তুলুন।

ছাদ বা বারান্দা যেসব জায়গায় করোনাভাইরাস সংক্রমণের আশঙ্কা আছে সে জায়গাগুলো এড়িয়ে চলুন। অল্প ক'দিনের জন্য হলেও এ সময়ে এগুলো মেনে চলা উচিত। শিশুকে একান্তভাবে কাছে পাওয়ার সময় এখনই। তাই ঘরেই যেন আনন্দে থাকে শিশু, এমন ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। শিশুকে বোঝাতে হবে, আমরা কিছু দিনের জন্য একটি দুঃসময় পার করছি।

STAY HOME
02/04/2020

STAY HOME

আমরা কতটুকু ঠিক?জানতে হবে...
01/04/2020

আমরা কতটুকু ঠিক?
জানতে হবে...

29/03/2020

জানা জরুরি.......

Address

27/F Monipuripara, Tejgaon
Dhaka

Telephone

+8801970882355

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Children's Eye Care & Orthoptic Centre. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Children's Eye Care & Orthoptic Centre.:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram