Life Care E-pharma

Life Care E-pharma সম্মানিত গ্রাহক
Life Care E-Pharma আপনাদের মেডি?

25/12/2022
08/04/2021

-19
অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রীনা ফ্লোরা লিখেছেন...
লকডাউন উঠে যাবে হয়ত কয়েকদিন পরই । কেন উঠবে সেটাও পরিষ্কার । হাজার হাজার মানুষ না খেয়ে মরবে। লকডাউন রাখা হয়েছিল ভাইরাসটা যেন ধীরে ছড়ায়, ততদিনে যেন ভ্যাক্সিন আবিষ্কার হয়ে যায় । কিন্তু দুঃখের কথা হলো, পুরো পৃথিবীর ৭০০ কোটির সবার হাতে হাতে এই ভ্যাক্সিন পৌঁছাতে, কম করে হলেও ৩-৪ বছর লাগবে। তাই এমন অনন্তকাল লকডাউন রাখা সম্ভব না, সে যত উন্নত রাষ্ট্রই হোক না কেন । চীন, ইতালিতেও উঠিয়ে নেওয়া হচ্ছে লকডাউন ।
তবে আমরা কি এভাবেই মরব ?
সহজ ভাষায় বলতে গেলে, হ্যাঁ এবং এটা একদমই প্রাকৃতিক ব্যাপার । প্রতিটা যুগে যুগে এমন Evolution হয়েছে । এক যুগে 'ডাইনোসর' ছিল, কিন্তু প্রকৃতিতে টিকে থাকতে পারেনি বলে তারা আজ নেই । অথচ সেই জুরাসিক যুগের 'তেলাপোকা' এখনো টিকে আছে । কারণ সে নিজেকে Evolve করে, নিজেকে চেঞ্জ করে প্রকৃতিতে টিকে থাকতে পেরেছে । ম্যামথও ছিল তখন, হয়ত 'ম্যামথ' তার রূপ চেঞ্জ করেই বর্তমানের হাতি হয়েছে। এগুলাই Evolution.
তো এগুলো বলার মানে কী ? এগুলো জেনে কী করব ?
আমাদেরও প্রকৃতির উপাদানের সাথে Evolve হতে হবে । লড়াই করে টিকে থাকতে হবে । আমাদের নিজেদেরও চেঞ্জ হতে হবে । কিছু নিয়ম মেনে চললেই এই টিকে থাকা সম্ভব ।
১) অভ্যাসঃ-
বাজে অভ্যাসগুলা ত্যাগ করতে হবে । কথায় কথায় মুখে আঙুল দেয়া, কলমের মুখ কামড়ানো, আঙুল জিহ্বায় লাগিয়ে কাগজ উল্টানো, থুতু দিয়ে টাকা গোনা ইত্যাদি যুগ যুগ ধরে চলে আসা বাজে অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে । সাথে মাস্ক পড়তে হবে এবং সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে । ২০০৩ এ জাপানে সার্স ভাইরাসের মহামারির পর তাদের মধ্যে এই অভ্যাসগুলো গড়ে উঠেছিল, যা আজ খুব ভাল কাজ করছে ইমিউনিটি বৃদ্ধি করতে । ধূমপান যথাসম্ভব পরিহার করা ।
২) এনভায়রনমেন্টঃ
আমরা খুব ভাগ্যবান যে আমরা এমন পরিবেশে আছি । নয়ত এই ঘনবসতিপূর্ণ দেশ কবেই শেষ হয়ে যেত। আর্দ্রতা এবং তাপমাত্রা খুব ভালো কাজ করছে । আর্দ্রতা বেশি থাকা মানে বাতাসে ধুলাবালি কম উড়বে । শীতে আর্দ্রতা কম থাকে, চারিদিক শুষ্ক থাকে বলে বেশি ধুলা ওড়ে । এজন্য শীতপ্রধান দেশে এই ভাইরাস হানা দিচ্ছে বেশি । তাই ঠান্ডা/এসি এভোয়েড করতে হবে, এসি রুমের আর্দ্রতা কমিয়ে দেয়।
৩) ইমিউনিটিঃ
এটাই মোস্ট ইম্পোর্টেন্ট । এই পুরো পোস্ট লিখার পেছনে এই পয়েন্টটাই দায়ী । হার্ড ইমিউনিটির বিকল্প নাই । আমাদের ইমিউনিটি বুস্ট করতেই হবে । সেটা কীভাবে ?
ফিজিক্যালি এন্ড মেন্টালি ।
ফিজিক্যালিঃ
* নিয়ম মাফিক ঘুমাতে হবে, রাত জাগা খুব খারাপ শরীর ও ইমিউন সিস্টেমের জন্য । প্রতিদিন কমপক্ষে ৬-৮ ঘন্টা ঘুমাতে হবে ।
* প্রতিদিন ব্যায়াম করতে হবে, প্রায় ১৫-৩০ মিনিট । মাসল এক্টিভিটি বাড়াতে হবে ।
* প্রায়ই রোদে ঘুরতে হবে ছাদে । রোদ দরকার, ভিটামিন ডি লাগবেই লাগবে ।
খাবারঃ
• ভাতে কোন ঘোড়ার আন্ডার পুষ্টিও নাই, উল্টা অতিরিক্ত ভাত খেলে আপনি মোটা হবেন । ভাত কম খেয়ে তরকারি এবং প্রোটিন জাতীয় খাবার খেতে হবে ।
• প্রচুর পানি খেতে হবে (এটা খুব বাজে অভ্যাস আমরা পানি খেতে চাই না )।
• এন্টি অক্সিডেন্ট-যুক্তখাবার খেতে হবে । শাক সবজি খেতে হবে । প্রয়োজনীয় প্রটেকশন নিয়ে বাজারে যান, নয়ত ইমিউনিটির অভাবে এমনিও মরতে হবে।
• ভিটামিন সি বা টকযুক্ত ফল, কমলা, লেবু খেতে হবে । এছাড়াও সিজনাল ফল খেতে হবে । প্রতিদিন সকালে লেবু সিদ্ধ গরম পানি খান ।
• ফাস্ট ফুড টোটালি অফ, চিনি কিংবা লবণ খাওয়াও কমাতে হবে ।
• আমাদের দেশের মশলাগুলো দারুণ কাজের । লং, লবঙ্গ, জিরা, হলুদ, দারুচিনি এইগুলো মারাত্মকভাবে ইমিউনিটি বুস্ট করে । দুধে হলুদ মিশিয়ে খাবেন, হলুদ অনেক কাজের । চায়ে মশলা মিশিয়ে খাবেন । গ্রিন টি (এন্টিঅক্সিডেন্ট) বেস্ট, গ্রিন টিতে এই মশলাগুলো খেলে অনেক ভালো।
• কালোজিরা কার্যকরী একটা জিনিস । প্রতিদিন সকাল বেলা উঠে এক চামচ মধুর সাথে কালোজিরা অনেক বেটার একটা কম্বিনেশন । এছাড়া কালোজিরা ভর্তা/ভাজি খাবারের সাথেও খেতে পারেন ।
মেন্টালি:
ইমিউন বুস্টের জন্য সঠিক হরমোনাল ব্যালেন্স ঠিক রাখা খুব জরুরি । তাই মনকে শান্ত রাখতে হবে, হাসি খুশি থাকতে হবে । ধর্মীয় প্রার্থনায় মন দিন, মন সুন্দর থাকবে।
সবাই ভাল থাকুক, সবাই সুস্থ থাকুক । সবাইকে নিয়েই বাঁচতে চাই । বাকিটুকু আল্লাহ ভরসা ।
----অধ্যাপক মীরজাদী সেব্রীনা ফ্লোরা
ধন্যবাদ।
সংগ্রহীত

 #মাত্র_দুটি_কাজ_করলেই_ক্যান্সার_উধাও  :ওশ স্টেট মেডিকেল ইউনিভার্সিটি, মস্কো, রাশিয়ার ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডা. গুপ্তপ্রসাদ...
14/09/2020

#মাত্র_দুটি_কাজ_করলেই_ক্যান্সার_উধাও :

ওশ স্টেট মেডিকেল ইউনিভার্সিটি, মস্কো, রাশিয়ার ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডা. গুপ্তপ্রসাদ রেড্ডি (বি ভি) বলেছেন, ক্যান্সার কোনো মরণব্যাধি নয়, কিন্তু মানুষ এই রোগে মারা যায় শুধুমাত্র উদাসীনতার কারণে।

তার মতে, মাত্র দুটি উপায় অনুসরণ করলেই উধাও হবে ক্যান্সার। উপায়গুলো হচ্ছে:-

১. প্রথমেই সব ধরনের সুগার বা চিনি খাওয়া ছেড়ে দিন। কেননা, শরীরে চিনি না পেলে ক্যান্সার সেলগুলো এমনিতেই বা প্রাকৃতিকভাবেই বিনাশ হয়ে যাবে।

২. এরপর এক গ্লাস গরম পানিতে একটি লেবু চিপে মিশিয়ে নিন। টানা তিন মাস সকালে খাবারের আগে খালি পেটে এই লেবু মিশ্রিত গরম পানি পান করুন। উধাও হয়ে যাবে ক্যান্সার।

মেরিল্যান্ড কলেজ অব মেডিসিন- এর একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, কেমোথেরাপির চেয়ে এটি হাজার গুণ ভাল।

৩. প্রতিদিন সকালে ও রাতে তিন চা চামচ অর্গানিক নারিকেল তেল খান, ক্যান্সার সেরে যাবে।

চিনি পরিহারের পর নিচের দুটি থেরাপির যেকোনো একটি গ্রহণ করুন। ক্যান্সার আপনাকে ঘায়েল করতে পারবে না। তবে অবহেলা বা উদাসীনতার কোনো অজুহাত নেই।

উল্লেখ্য, ক্যান্সার সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে ডা. গুপ্তপ্রসাদ গত পাঁচ বছর ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে এই তথ্যটি প্রচার করছেন।

সেই সঙ্গে তিনি সবাইকে অনুরোধ করেছেন এই তথ্যটি শেয়ার করে সবাইকে জানার সুযোগ করে দেয়ার জন্য।

তিনি বলেছেন, “আমি আমার কাজটি করেছি। এখন আপনি শেয়ার করে আপনার কাজটি করুন এবং আশেপাশের মানুষকে ক্যান্সার থেকে রক্ষা করুন।”

সূত্র: রেডিট
#কালেক্টেড

মধুর উপকারিতা The benefits of honey
24/07/2020

মধুর উপকারিতা
The benefits of honey

বিনা ঔষধে উপযুক্ত খাবারের দ্বারা রোগ নিরাময় করুন | How to Prevent Disease without Medicine | Bangla Health Tips & Guideব...
24/07/2020

বিনা ঔষধে উপযুক্ত খাবারের দ্বারা রোগ নিরাময় করুন | How to Prevent Disease without Medicine | Bangla Health Tips & Guide

বিনা ঔষধে উপযুক্ত খাবারের দ্বারা রোগ নিরাময় করুন How to Prevent Disease without Medicine Bangla Health Tips & Guide

খাওয়া একটা স্পর্শকাতর বিষয়। আমাদের বাচার জন্য খাওয়া উচিৎ, কিন্তু এখন ব্যপারটি হয়েছে উল্টা, এখম আমরা “খাওয়ার জন্য বাচি”। খাওয়ার আগে আমাদের জেনে নেয়া উচিৎ আমরা কী খাচ্ছি? আর এই খাওায়াই আমাদের জন্য কতটুকু উপযোগী বা ক্ষতিকর।

(১) বিজ্ঞানীরা বলে থাকেন ‘আপনি যা খান, আপনি তা-ই’ এখনকার সময়ে আমাদের যে সমস্ত জটিল রোগ আমাদের পিছু নিয়েছে তার বড় একটা কারণ হল আমারা কৃত্রিম সার ও কীটনাশক বিষ ব্যাবহারকৃত খাবার খাচ্ছি যেটার কারণে বলতে গেলে অনেকটাই খাবারের বিশুদ্ধতা হারিয়ে গিয়েছে। এর উপরে আবার বিবিধ স্টাইলে প্রক্রিয়াজাত করন, ভেজাল মিশ্রিত এবং রাসায়নিক উপায়ে সংরক্ষিত খাদ্য যেটা কোনভাবেই খাটি বা টাটকা খাবারের সমকক্ষ হতে পারে না। শুধু তাই নয় ফ্রিজে দীর্ঘদিন রেখে দেয়া খাবারও স্বাস্থ্যের জন্য হানিকর। আমাদের শরীরের খাদ্য সরবরাহকারী হল রক্ত, যেটা শরিরের সমস্ত কোষের কাছে খাদ্য পৌঁছে দেয়, আর সেই রক্ত কে বিশুদ্ধ্য রাখতে যেটি প্রয়োজন সেটি একমাত্র টাটকা খাবার থেকেই পাওয়া সম্ভব।

(২) খাদ্যের গুণগত একটি উপাদান হচ্ছে আঁশ, যেটা অন্ত্রনালি পরিস্কার রাখে এবং ক্যান্সার হতে শরিরকে দূরে রাখতে সাহায্য করে। এই আঁশ গমের আটায় পাওয়া যায় তবে ময়দায় নেই কারণ ময়দা হচ্ছে একটি প্রক্রিয়াজাত মৃত খাদ্য যেটাও অবশ্য ক্যান্সার বা পাকস্থলীর জন্য উপকারি। এরকম আরও একটি প্রক্রিয়াজাত মৃত খাদ্য হল চিনি, যেটা শরিরের বড় বড় বেশ কয়েকটি রোগ সৃষ্টিতে পটু, এমনকি রক্ত ঘন করা ও হাড় ক্ষয় করাতেও এর জুড়ি নেই। সেই হিসাবে ময়দা এবং চিনির তৈরি খাবার যদি সম্ভব হয় পুরোপুরি বর্জন করাই শ্রেয়। সেই সাথেয় লবন, তেল এবং মশলা নামেমাত্র ইউজ করা উচিৎ।

(৩) শরিরের চাহিদানুযায়ী আমাদের প্রতিদিনের খাবারের শতকরা ৪০% শ্বেতসার, ১৫% আমিষ ও ৪৫% শাকসবজি এবং ফল ফলাদি দিয়ে পুরন করা উচিৎ। আরেকটি ব্যাপার মাথায় রাখা উচিৎ, শ্বেতসার জাতীয় খাবার তথা ভাত, রুটি বা আলু জাতীয় খাবারের সাথে ফল না খাওয়াই ভাল, অন্তত আধা ঘন্টা পার্থক্য রেখে খাওয়া উচিৎ। থিক একই ভাবে শ্বেতসার জাতীয় খাবারেরে সাথে মাছ, মাংস ও ডিন না খাওয়াও ভাল। সবজিই হচ্ছে একমাত্র খাবার যেটা আমিষ ও শ্বেতসার জাতীয় উভয় খাবারের সাথে চলানো যায়। বিশেষজ্ঞদের মতানুযায়ী দিনে অন্তত আধ কেজি সবজি খাওয়া ভাল। আমাদের শরিরের চাহিদা অনুযায়ী সকালের নাস্তা হওয়া উচিৎ কাঁচা পেপে বা ফল খেয়ে এতে যকৃৎ ভাল থাকে। অঙ্কুরিত ডাল, ছোলা, গম, সিমের বিচি প্রভৃতি আটার তৈরি খাবারের সাথে নাস্তা হিসাবে ভাল। তবে শাক, সিম ও কপি রাতের বেলায় না খাওয়াই ভাল, কারণ এতে পেটের ভিতর বায়ু তৈরি করে।

(৪) আমিষের উৎস হিসাবে ডাল কিন্তু চমৎকার একটি খাদ্য, বিশেষ করে মসুর, মুগ ও মাসকলাই। সব বয়সের আমিষের ঘাটতি পুরন করার জন্য এবং মহুমুত্র রোগীদের বেশ উপকার করে ছোলার ডাল বা অঙ্কুরিত ছোলা।প্রাণীজ আমিষের জন্য মাছ, মুরগীর মাংস এবং ডিমের স্বেতাংশ ভাল। গরু কিংবা খাসির মাংসও বেশ উপকারী তবে এতে চর্বি থাকায় এখন অনেকেই এড়িয়ে চলেছেন।

(৫) সকালে খালি পেটে পানি খাওয়ার কথা আমরা অনেকেই শুনে থাকি, জ্বী হ্যা! কোন কিছু খাওয়ার আগে খালি পেটে ৫০০-৬০০ গ্রাম পানি নিয়মিত খেতে থাকলে পাকস্থলী পরিস্কার, অম্লতা সহ আরও অনেক জোটিল রোগের উপশম হয়। দিনে কমপক্ষে ৮-১০ গ্লাস তথা ৪-৫ লিটার পানি খাওয়া জরুরী। সেই সাথে এটাও জানা জরুরী যে দাঁড়িয়ে পানি পান করা স্বাস্থ্যের জন্য হানিকর, বিশেষ করে মেয়েদের জন্য কারণ এতে জরায়ুর উপর প্রেশার পড়ে। কথায় আছে ‘শরীরে পানিও নয়, পানির প্রয়োজন’, যদিও এখনকার সময়ে মুনাফালোভী ফর্মুলায় বাজারজাত এবং ঝলমলে বিজ্ঞাপনে দেখানো ফাটাফাটি সব বোতলে ভরা, প্রচুর চিনিগোলা ও সুস্বাধু এসব সরবত ডায়াবেটিস সহ বড় বড় বহু রোগের কারণ। এরমধ্যে আবার ফাস্টফুড এড করে আমাদের ম্রিত্যুর সময় অনেকটাই কাছে টেনে এনেছি।
বিনা ঔষধে উপযুক্ত খাবারের দ্বারা রোগ নিরাময় করুন How to Prevent Disease without Medicine Bangla Health Tips & Guide

রোগ প্রতিরোধক খাদ্য এবং পানীয়ের ছোট একটি তালিকা দেওয়া হলঃ

(>>) গমাংকুর ক্যান্সার প্রতিরোধক

(>>) বহুমত্রে যব বেশ উপকারি এবং এটি কোলেস্টরেল কমায়, সাথে ত্বকও ভাল রাখে

(>>) কাঁচা বেল ফাটিয়ে রোদে শুকিয়ে গুট বানিয়ে ভিজিয়ে বা সেদ্ধ করে নিয়মিত পানিসহ খেলে পেটের পুরানো অনেক অসুখ যেমন; আমাশয়, অজীর্ণ সেরে যায়

(>>) সকালে টক দই কিংবা সবুজ সব্জির রস (এটা হতে পারে; থানকুরি, বাধাকপি, কলমি, লেটুস, পাশরকুচি বা তেলাকুচা ইত্যাদি), আর যদি সম্ভব হয় তাহলে এতে আরও মিশাতে পারেন মধু, শুকনো আমলকি, হরিতকি ও বহেরার গুড়ো। এটি শরিরকে সতেজ রাখতে খুবই কার্যকরী। ঠিক একইভাবে পান করা যায় কাঁচা পেপে, গাজর বা লাউয়ের মত সব্জির রস।

(>>) থানকুনি পেট, চুল ও চোখ ভাল রাখে। এটি আবার ব্রেইন সতেজ করতেও সাহায্য করে

(>>) কচু শাক রক্ত তৈরি এবং পরিস্কার রাখে

(>>) কলমি শাক ত্বক ভাল রাখে সেই সাথে খোস পাচড়া সারায়

(>>) পুদিনা পাতা ফুসফুস, পেট ও হৃদপিন্ড ভাল রাখে

(>>) ভিটামিন ‘সি’ এর মহা উৎস হচ্ছে আমলকি

(>>) বাত ও মাথা ব্যাথার জন্য আদা উপকারি, এটি আবার হজমেও সাহায্য করে

(>>) তিল খান, এটি তারুন্য ধরে রাখবে

(>>) কাঁচা হলুদ রক্ত পরিস্কারে হেল্প করে

(>>) কালিজিরার কথা কী আর বলব, এটি সকল রোগের মহাঔষধ, যেটি প্রাচীন কাল থেকেই ব্যাবহ্রিত

(>>) সর্দি-কাশির জন্য রসুন সেদ্ধ পানি বেশ উপকারি

(>>) মুখের অপরিচ্ছন্নের কারণে অনেক রোগ হয়, তাই রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ব্রাশ করা উচিৎ এবং শক্ত বিছানায় ঘুমাতে চেষ্টা করুন।

উপরিউক্ত পয়েন্টগুলি জাস্ট স্বাস্থ্য সম্পর্কিত বিশাল ভান্ডারের ক্ষুদ্র একাংশ মাত্র। আসুন আমরা যতটুকু পারি সচেতনতার সাথে জীবন যাপন করি এবং রোগ-জীবানু থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করি, তাহলেই একমাত্র সুন্দর-সুখকর জীবন যাপনের মাদ্ধ্যমেই সময় অতিবাহিত করতে পারব।
from daily happy kids.

জেনে নিন , স্বাস্থ্য রক্ষায় রসুন !! চিকিৎসা বিজ্ঞানের জনক বলে পরিচিত হিম্পোক্রিটস মানবদেহের ক্যান্সার, ঘা, কুষ্ঠ সারাতে...
24/07/2020

জেনে নিন , স্বাস্থ্য রক্ষায় রসুন !! চিকিৎসা বিজ্ঞানের জনক বলে পরিচিত হিম্পোক্রিটস মানবদেহের ক্যান্সার, ঘা, কুষ্ঠ সারাতে, রোগ সংক্রমণ প্রতিরোধ ও পরিপাকতন্ত্রের হজমজনিত সমস্যা দূর করতে রোগীদের রসুন খাওয়ার পরামর্শ দিতেন। শুধু তাই নয়, আধুনিক ভেষজ চিকিৎসকরাও সর্দি, কাশি, জ্বর, ফ্লু, ব্রঙ্কাইটিস, কৃমি, রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ, খাদ্য পরিপাকের সমস্যাসহ লিভার ও পিত্তথলির নানা উপসর্গ দূর করতে রসুন খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। এক গবেষণায় দেখা গেছে, একটি মাঝারি সাইজের রসুনে ১ লাখ ইউনিট পেনিসিলিনের সমান অ্যান্টিবায়োটিকের কার্যক্ষমতা রয়েছে। শুধু তাই নয়, ব্যাকটেরিয়া ও প্রোটোজোয়ার মাধ্যমে সৃষ্টি অ্যামিবিক ডিসেনট্রি নির্মূলের ক্ষেত্রে রসুন বেশ কার্যকরী। আর তাই শরীরের রোগ সংক্রমণ দূর করার জন্য একসাথে তিন কোয়া রসুন দিনে তিন থেকে চারবার চিবিয়ে খান। রক্তের চাপ ও রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমানোর জন্য প্রতিদিন তিন থেকে ১০ কোয়া রসুন খেতে পারেন। তা ছাড়া রসুনের জল সেবন করতে হলে ছয়কোয়া রসুন পিষে এককাপ ঠাণ্ডা পানিতে ৬ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। তারপর ভালোভাবে ছেঁকে রসুন জল সেবন করুন।
উচ্চরক্তচাপ ও রক্তের কোলেস্টরলের মাত্রা কমিয়ে হৃদরোগ প্রতিরোধে রসুনের ভূমিকা অপরিসীম। এটি প্রমাণের জন্য বিজ্ঞানীরা একদল লোকের প্রত্যেককে দৈনিক চার আউন্স পরিমাণ মাখন খেতে দিয়েছিলেন। মাখন খাওয়ার ফলে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যাওয়াটা স্বাভাবিক। তারপর এ দলের অর্ধেককে একটি নির্দিষ্ট মাত্রায় রসুন খাওয়ান হলো। রসুন খাওয়ার পর মাখন গ্রহণকারীদের রক্তের কোলেস্টেরল পরীক্ষা করা হলো। ফলে দেখা গেল রসুন সেবনকারীদের রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা অন্যদের চেয়ে শতকরা সাত ভাগ কম। পাশাপাশি হৃদরোগ কমানোর জন্য রসুন রক্তনালীতে রক্ত জমাটবাঁধা প্রতিরোধে সাহায্য করে। আর তাই তো গবেষকদের অভিমত, রসুন রক্ত জমাট নিরোধী অ্যাসপিরিনের মতোই শক্তিশালী।
রসুন কিভাবে খাবেন?
রসুন খেতে হলে কাঁচা রসুন চিবিয়ে খেতে হবে। কারণ চিবিয়ে না খেলে রসুনের রাসায়নিক উপাদান এলিসিন নির্গত হবে না। কারণ এই এলিসিনই হচ্ছে শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিক। রসুনের এই অ্যান্টিবায়োটিক ক্ষমতা কাজে লাগানোর জন্য কাঁচা রসুন চিবিয়ে খাওয়াই উত্তম।
সাবধানতা
যাদের শরীর থেকে রক্তপাত সহজে বন্ধ হয় না, অতিরিক্ত রসুন খাওয়া তাদের জন্য বিপজ্জনক। কারণ, রসুন রক্তের জমাট বাঁধার ক্রিয়াকে বাধা প্রদান করে। ফলে রক্তপাত বন্ধ হতে অসুবিধা হতে পারে। তা ছাড়া অতিরিক্ত রসুন শরীরে এলার্জি ঘটাতে পারে। এসব ক্ষেত্রে অতিরিক্ত রসুন না খাওয়াই উত্তম। রসুন খাওয়ার ফলে পাকস্থলীতে অস্বস্তি বোধ করলে রসুন খাওয়া বন্ধ রাখুন। শিশুকে দুগ্ধদানকারী মায়েদের রসুন না খাওয়াই ভালো। কারণ রসুন খাওয়ার ফলে তা মায়ের দুধের মাধ্যমে শিশুর পাকস্থলীতে ঢুকে শিশুর যন্ত্রণার কারণ ঘটাতে পারে।

13/07/2020

সম্মানিত গ্রাহক,
Life Care E-Pharma আপনাদের মেডিসিন সেবায় নিয়োজিত আছে 24 ঘন্টা ।

কিভাবে আমাদের সেবা পাবেন?

১। আপনার চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন টি মোবাইলে ফটো তুলে আমাদের ইনবক্সে পাঠিয়ে দিন ।

Life care E-Pharma আপনার প্রেসক্রিপশন অনুযায়ি অর্ডারকৃত মেডিসিন আপনার বাসার ঠিকানায় সরাসরি পৌছে দিবে ।

২। র্অডারের পূর্বে অবশ্যই আপনার মোবাইল নাম্বার এবং বাসার
ঠিকানা ইনবক্সে লিখে দেবেন ।

৩। মেডিসিন পৌছানোর পর প্রেসক্রিপশনের সাথে মিলিয়ে নেবেন । এটি আপনার আমার সবার দায়িত্ব ।

Life Care E-Pharma Online Medicine Service.

Address

Dhaka
1219

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Life Care E-pharma posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram