Dr. Mujahid

Dr. Mujahid To bring a revulation in Health Sector of �

এইজন্যই বাংলা ভাষার মাস অমর ফেব্রুয়ারি!!!
27/02/2026

এইজন্যই বাংলা ভাষার মাস অমর ফেব্রুয়ারি!!!

27/02/2026
21/02/2026
আরে নামে তো মিল আছে!!
21/02/2026

আরে নামে তো মিল আছে!!

ঠিক এভাবেই জাহান্নামেও বেজ্রাইলিরা নিজেদের অস্তিত্ব খুঁজে পাবে না!
21/02/2026

ঠিক এভাবেই জাহান্নামেও বেজ্রাইলিরা নিজেদের অস্তিত্ব খুঁজে পাবে না!

21/02/2026

💕 ১৯ বছর বয়েসী এক হা'মা' স যোদ্ধা: স্বপ্নে তার দেখা হলো নবীজি ﷺ এঁর সাথে!

যোদ্ধার চাচাতো ভাই আহমদ নায়েফ লিখে—

আমরা পাঁচজনের ছোট্ট একটি টিম ছিলাম। আমাদের মোতায়েন করা হয়েছিল পূর্ব গাজার শিজাইয়্যাহ এলাকায়।

সঙ্গে ছিল ১০টি ট্যাংক ও এপিসি ধ্বংস করার মতো গো'লাবারুদ। দুই সপ্তাহের মধ্যে আল্লাহর রহমতে আমরা তা করেও ফেলি। একে একে ধ্বংস করে ফেলি দখলদারদের ৯টি মারাকাভা-৪ ট্যাংক।

বাকি ছিল একটিমাত্র শেল। ইয়াসীন-১০৫ এর। হঠাৎ আমাদের সামনে উদয় হলো একটি নামির ক্লাস এপিসি। যা ১৬ জন করে দখলদার সেনা বহন করতে পারে।

আমাদের মাঝে শুরু হলো নীরব প্রতিযোগিতা—কে ছুঁড়বে এই শেষ আরপিজি শেল।

আর এপিসির অবস্থানও এমন জায়গায় ছিল, সেখানে সশরীরে পৌঁছে ওটার গায়ে শেল রেখে আসা ছাড়া উপায় ছিল না। আর স্বাভাবিক-ই এক্ষেত্রে একরকম নিশ্চিত ছিল, যে শেল নিয়ে যাবে, সে আর ফিরে আসবে না, শ'হীদ হয়ে যাবে।

শাহাদাতের এই আকাঙ্ক্ষা আরও তীব্র করে তুলছিল আমাদের মধ্যকার প্রতিযোগিতাকে।

দলনেতা লটারির নির্দেশ দিলেন। আমরা লটারি করলাম। একজনের নাম উঠল।

অমনি আমার চাচাতো ভাই মাটিতে গড়িয়ে কান্না শুরু করল! অনেক চেষ্টা করেও আমরা ব্যর্থ হলাম ওকে থামাতে। জিজ্ঞাসা করলাম, কেন কাঁদছো?

ও বললো, আমি চেয়েছিলাম বিষয়টি গোপন রাখতে। কিন্তু তা আর পারলাম কই? আফসোস!

গতরাতে আমি প্রিয় নবীজী ﷺ কে স্বপ্নে দেখেছি। তিনি আমার নাম ধরে বলছিলেন, তোমাকে দাওয়াত। আগামীকাল দুপুরের খাবার তুমি আমার সঙ্গে খাবে।

তো আমি একরকম নিশ্চিত ছিলাম, লটারিতে শেলটি আমার ভাগেই পড়বে। কিন্তু তা তো হলো না।

একথা বলে ও আবার কাঁদতে শুরু করল।

যার নাম উঠেছিল, আমরা ওকে বোঝাতে লাগলাম। সে শেল দিয়ে দিতে রাজি হলো। কিন্তু শর্ত দিলো—তুমি নবীজী ﷺ এঁর কাছে যখন পৌঁছবে, আমার শাফায়াতের জন্য তাঁর কাছে একটু সুপারিশ করবে।

যাইহোক, শেল নিয়ে আমার ভাই রওয়ানা হলো। আমরা দূর থেকে ওকে দেখতে লাগলাম। সফলভাবেই ও ওটাকে ডিটোনেট করতে সক্ষম হলো।

দাউদাউ করে জ্ব'লতে লাগলো হায়নাদের নামির ক্লাস এপিসি। স্পষ্ট চোখে আমরা গলে গলে পড়তে দেখলাম ওটার বডি আর্মারকে।

আমরা জানতাম না যে এখানে সাধারণ সেনাদের সাথে আইডিএফ ওদের বিশেষ ইউনিটও মোতায়েন করেছে। মুহূর্তে সক্রিয় হয়ে উঠলো ওরা।

কাকতালীয়ভাবে ওরা আগে আমাদের চারজনের অবস্থান লক্ষ্য করেই এগুতে লাগল! আমরা শাহাদাতের প্রস্তুতি নিয়ে ফেললাম।

হঠাৎ দেখি, আমার চাচাতো ভাই ভাঙা বিল্ডিংয়ের আড়াল ছেড়ে বের হয়ে আসলো এবং আমাদের ঠিক উল্টো দিকে দৌড়াতে শুরু করল।

ও জানতো আমরা এখানে আছি। হায়নাদের চোখ আমাদের থেকে ফেরানোর জন্যেই কাজটা করেছিল ও।

তারপর আমরা ধীরে ধীরে সরে এলাম শিজাইয়্যাহ থেকে। জানতাম না, আমার ভাইয়ের সাথে শেষপর্যন্ত কী হয়েছে।

তিনদিন পর আইডিএফ সাময়িক সেনা উইথড্র করল। আমরা শিজাইয়্যাহ গেলাম। গিয়ে ওর লা'শ উদ্ধার করে একটা বাড়ির ভেতর দাফন করলাম।

মাসকয়েক পর যুদ্ধবিরতি হলো। নিয়মানুযায়ী আমরা আবার সেখানে গেলাম—জাবালিয়ায় আমাদের পারিবারিক কবরস্থানে ওর লা'শ দাফন করার জন্য।

যখন কবর খোঁড়লাম, দেখলাম এখনো ওর লা'শ থেকে র'ক্ত ঝরছে! দেখতে অবিকল প্রথম দিনের মতো দেখাচ্ছে!

শাহাদাতের সময়ে আমার ভাইয়ের বয়েস ছিল মাত্র ১৯ বছর।

রহিমাহুল্লাহ!

ক্রেডিট -Khalid Mahmud

Address

Mirpur
Dhaka

Telephone

+8801673325999

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Mujahid posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category