Cure Pharma

Cure Pharma কখনো মিথ্যা কথা বলো না। সদা সত্য কথা বলিবে।

ত্বককে রাসায়নিকের ক্ষতি থেকে বাঁচান❗আমরা ত্বকের জন্য কত কিছু ব্যবহার করি…কিন্তু কখনো ভেবেছেন—প্রাকৃতিক ও সুন্নতী সমাধান...
28/04/2026

ত্বককে রাসায়নিকের ক্ষতি থেকে বাঁচান❗

আমরা ত্বকের জন্য কত কিছু ব্যবহার করি…
কিন্তু কখনো ভেবেছেন—প্রাকৃতিক ও সুন্নতী সমাধান কী হতে পারে?

মহান আল্লাহ্‌ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন—
“তাতে মানুষের জন্য রয়েছে শিফা…”
📖 (সূরা নাহল শরীফ: ৬৯)

মৌমাছি—মহান আল্লাহ পাক উনার এক আশ্চর্য নিদর্শন
এর উৎপাদিত মোম ও মধু—মানবজাতির জন্য রহমত

✨ সেই প্রাকৃতিক উপাদান দিয়েই তৈরি—
সুন্নতী প্রসাধনী “শামউন নাহল”

🌿 প্রাকৃতিক মৌমাছির মোম + এক্সট্রা ভার্জিন জয়তুন তেল

✨ কেন ব্যবহার করবেন?
✔ ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সহায়ক
✔ শুষ্ক ও ফাটা ত্বক নরম করতে সাহায্য করে
✔ ত্বকের স্বাভাবিক কোমলতা বজায় রাখতে সহায়ক

• প্রাকৃতিকভাবে ত্বকের যত্নে অনন্য

💭 ছোট একটি পরিবর্তন—
কেমিক্যাল থেকে দূরে থাকুন
প্রাকৃতিক ও সুন্নতী যত্নে ফিরে আসুন

✨ সুন্নতী জীবনযাপন শুধু খাবারে নয়—
আপনার দৈনন্দিন যত্নেও হোক

🛒 খাঁটি সুন্নতী প্রসাধনী পেতে ভিজিট করুন:
🌐 sunnat.info

‘গীবত’ শব্দটি আরবী। এর অর্থ পরনিন্দা, ছিদ্রান্বেষণ ও অপরের দোষ বর্ণনা করা। অর্থাৎ একজনের দোষ আরেকজনের কাছে প্রকাশ করা বা...
26/04/2026

‘গীবত’ শব্দটি আরবী। এর অর্থ পরনিন্দা, ছিদ্রান্বেষণ ও অপরের দোষ বর্ণনা করা। অর্থাৎ একজনের দোষ আরেকজনের কাছে প্রকাশ করা বা বর্ণনা করা। শরীয়তে গীবত করা কবীরাহ গুনাহর অন্তর্ভুক্ত।
আল্লাহ পাক সূরা হুজুরাত-এর ১২ নম্বর আয়াত শরীফ-এর মধ্যে গীবত করতে নিষেধ করেছেন এবং গীবত করাটাকে মৃত ভাইয়ের গোশত খাওয়ার সাথে তুলনা করেছেন। এ আয়াত শরীফ-এর তাফসীরে হুজ্জাতুল ইসলাম হযরত ইমাম গাযযালী রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেছেন, “কয়েক প্রকার লোক রয়েছে যাদের দোষ-ত্রুটি বর্ণনা করলে গীবত হয় না।”
👇 নিচে সেই ক্ষেত্রগুলো তুলে ধরা হলো:
১. কোন লোক যদি কাজী ছাহেবের কাছে বিচারের জন্য যায় এবং বিচারের জন্য যদি সে সত্য কথা বলতে গিয়ে বিপরীত পক্ষের দোষ-ত্রুটি বর্ণনা করে, তাহলে সেটা গীবত হবে না।
২. কোন লোক যদি মুফতী ছাহেবের কাছে যায় ফতওয়ার জন্য তখন সত্য কথা বলতে গিয়ে যদি বিপরীত পক্ষের দোষ-ত্রুটি বর্ণনা করে তাহলে সেটা গীবত হবে না।
৩. যারা রাজা-বাদশাহ, আমীর-উমারা তাদের সংশোধনের জন্য যদি তাদের দোষ-ত্রুটিগুলো ধরিয়ে দেয়া হয়, তাহলে সেটা গীবত হবে না।
৪. যারা ফাসিক তাদের দোষ-ত্রুটি বর্ণনা করলে গীবত হবে না। ফাসিক হলো ঐ ব্যক্তি যে ফরয, ওয়াজিব, সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ তরক করে।
৫. কোন লোক লুলা-ল্যাংড়া, বোবা তোতলা হিসেবে মশহুর তাকে যদি লুলা-ল্যাংড়া, বোবা, তোতলা বলে ডাকা হয়, তাহলে সেটা গীবত হবে না।
৬. কোন পিতা তার ছেলেকে বিয়ে করাতে চায় বা মেয়েকে বিয়ে দিতে চাই তখন বিপরীত পক্ষের ছেলে বা মেয়ের প্রতিবেশীর কাছে গিয়ে যদি ঐ ছেলে বা মেয়ে সম্বন্ধে সংবাদ নেয় আর প্রতিবেশীর লোকেরা সত্য কথা বলতে গিয়ে যদি সেই ছেলে বা মেয়ের দোষ-ত্রুটিগুলো বলে দেয়, তাহলে সেটা গীবত হবে না।
৭. যারা উলামায়ে ছূ’ অর্থাৎ দুনিয়াদার আলিম বা মাওলানা, যারা দুনিয়াবী স্বার্থ হাছিলের উদ্দেশ্যে শরীয়তের খিলাফ মনগড়া ফতওয়া দিয়ে থাকে ও আমল করে থাকে।
#গীবত #ইসলামিকশিক্ষা #ইমামগাযযালী #সতর্কতা #সুন্নাহ

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-وَلَكِنَّ اللَّهَ حَبَّبَ إِلَيْكُمُ الْإِيمَانَ وَزَيَّنَهُ فِي قُلُوبِكُمْ وَكَ...
25/04/2026

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-

وَلَكِنَّ اللَّهَ حَبَّبَ إِلَيْكُمُ الْإِيمَانَ وَزَيَّنَهُ فِي قُلُوبِكُمْ وَكَرَّهَ إِلَيْكُمُ الْكُفْرَ وَالْفُسُوقَ وَالْعِصْيَانَ أُولَئِكَ هُمُ الرَّاشِدُونَ

অর্থ: কিন্তু মহান আল্লাহ পাক তিনি আপনাদের অন্তর মুবারকে সম্মানিত ঈমান উনার মুহব্বত মুবারক সৃষ্টি করে দিয়েছেন এবং আপনাদের অন্তর মুবারকসমূহ সম্মানিত ঈমান উনার দ্বারা সৌন্দর্যম-িত করে দিয়েছেন। পক্ষান্তরে কুফরী, শিরকী, নাফরমানী ইত্যাদির প্রতি ঘৃণা সৃষ্টি করে দিয়েছেন। (হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম) উনারাই সঠিক পথপ্রাপ্ত। সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা হুজুরাত শরীফ: আয়াত শরীফ ৭)

25/04/2026

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- وَلَكِنَّ اللَّهَ حَبَّبَ إِلَيْكُمُ الْإِيمَانَ وَزَيَّنَهُ فِي قُلُوبِكُمْ وَكَرَّهَ إِلَيْكُمُ الْكُ...

পবিত্র কুরবানি নিয়ে কোন প্রকার ষড়যন্ত্র বরদাশত করা হবেনা।=====================প্রতি বছর পবিত্র কুরবানির সময় শুরু হয় নানা...
25/04/2026

পবিত্র কুরবানি নিয়ে কোন প্রকার ষড়যন্ত্র বরদাশত করা হবেনা।
=====================

প্রতি বছর পবিত্র কুরবানির সময় শুরু হয় নানা ধরণের ষড়যন্ত্র। ইতিপূর্বে পবিত্র কুরবানির আগে গরুর মধ্যে ‘এ্যানথ্রাক্স’ ভাইরাসের নামে এক ধরণের ফোবিয়া (কুরবানির পশু ভীতি) ছড়ানো হয়েছিলো। সেই এ্যানথ্রাক্সের এখন কোন নামগন্ধও পাওয়া যায়না। এরপর শুরু হয়েছে, গরু মোটা তাজাকরণের ইনজেকশন ভীতি। এসব খবর গত বছরও মিডিয়া ব্যপক প্রচার করেছে। এই ট্রিক্সের দ্বারা ষড়যন্ত্রকারীরা তারা দু’ধরণের ফায়দা লুটেছিলো। মানুষের মনে বড় গরুর প্রতি ভীতি ছড়ানো এবং দেশী গরুর খামারগুলোর ব্যবসায় ধস নামানো। এসব ছাড়াও গত বছর কুরবানির পশু বহনকারী গাড়িগুলো ঢাকায় আসতে খুব সমস্যা সৃষ্টি করেছিলো। আবার যেসব গাড়ি ঢাকায় এসে পৌঁছেছে সেসব গাড়ি থেকে গরু নামাতে দেয়া হয়নি অনেক হাটে। অনেক হাটে ঈদের দুইদিন আগে হাটে গরু উঠানোর নোটিশ এসেছিলো। এসব ছাড়াও পরিবেশ রক্ষার নামে গৃহিত হয়েছিলো নির্দিষ্ট একটি জায়গায় সব গরু কুরবানি করার পরিকল্পনা। কয়েক বছর আগে কুরবানি না করে সে টাকা গবিবদের দান করে দেয়ার জোর প্রচারণাও চালানো হয়েছিলো অনলাইনে।
বিগত বছরগুলোর ধারাবাহিকতায় এবছরও পবিত্র কুরবানি নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। এবার কথিত জনদুর্ভোগের কথা বলে রাজধানির ব্যস্ত স্থানে পবিত্র কুরবানির পশুর হাট না বসানোর জন্য গত বছর ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়রদের চিঠি দিয়েছে পুলিশ। (খবর: প্রথম আলো,

প্রকৃতপক্ষে পশুর হাট সরানো হলে কিংবা কোন হাট বন্ধ করে দিলে জনদুর্ভোগ আরো বহুগুণে বাড়বে। মানুষকে দুর দূরান্ত থেকে পশু কিনে আনতে হলে পশু ক্রেতাদের, পথচারীদের ও গাড়ি চলাচলে আরো বেশি বিঘ্ন ঘটবে। মানুষ দুরদুরান্ত থেকে পশু কিনতে টাকা বেশি খরচ হবে।
বলার অপেক্ষা রাখেনা, এই পশুর হাট সরানোর উদ্যোগটি প্রশাসনের বিষফোঁড়া ইসলাম বিদ্বেষী হিন্দুদের একটি ষড়যন্ত্র, যা সরকারকেও বেকায়দা ফেলানোর ফন্দি। আর সরকার যদি এসব হিন্দু মালউন, নাস্তিকদের ইসলাম বিরোধী উদ্দ্যেগকে সমর্থন দেয় তবে এর জন্য কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে।

সুন্নতী সাওয়ীক্ব – প্রাকৃতিক শক্তির উৎস ❗ সারাদিন ক্লান্ত লাগে? শরীর দুর্বল মনে হয়?সহজ সমাধান হতে পারে সুন্নতী খাবার—সাও...
24/04/2026

সুন্নতী সাওয়ীক্ব – প্রাকৃতিক শক্তির উৎস

❗ সারাদিন ক্লান্ত লাগে? শরীর দুর্বল মনে হয়?
সহজ সমাধান হতে পারে সুন্নতী খাবার—সাওয়ীক্ব (ছাতু)

📖 সাওয়ীক্ব একটি সুন্নতী খাদ্য। হাদীস শরীফে বর্ণিত—
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ ﷺ উনি
উম্মুল মু’মিনীন হযরত সিদ্দিকা আলাইহাস সালাম উনার ওলীমা মুবারক খেজুর ও সাওয়ীক্ব পরিবেশন করেছিলেন।
(আবু দাউদ শরীফ, তিরমিযী শরীফ, ইবনে মাজাহ শরীফ)

🌾 সাওয়ীক্ব কী?
আরবি “সাওয়ীক্ব”—বাংলায় আমরা বলি ছাতু
পুষ্টিকর শস্য ও প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি, অত্যন্ত পুষ্টিকর একটি খাবার।

✨ কেন খাবেন?
✔ শরীরে প্রাকৃতিক শক্তি যোগায়
✔ দীর্ঘসময় পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে
✔ হজমে সহায়ক
✔ ভিটামিন ও খনিজে সমৃদ্ধ
✔ সব বয়সের জন্য উপযোগী

🥣 উপাদানসমূহ:
যব, গম, ভুট্টা, খেজুর, কালোজিরা, কাঠ বাদাম, কাজু বাদাম, পেস্তা বাদাম, আখরোট, চিনা বাদাম, তিল, ছোলা, শুকনো নারকেল, এলাচসহ
➡️ ১৯টিরও বেশি পুষ্টিকর উপাদানে প্রস্তুতকৃত।

🥛 খাওয়ার নিয়ম:
এক কাপ কুসুম গরম পানি বা দুধের সাথে
২–৩ চা-চামচ মিশিয়ে পান করুন

💡 বার্তা:
⚠️ প্রক্রিয়াজাত খাবার বাদ দিন
☀️ সুন্নতী ও প্রাকৃতিক খাদ্যে ফিরুন

🛒 সুন্নতী সাওয়ীক্ব সংগ্রহ করুন এখনই
💰 মূল্য: ৳১২০ মাত্র
📞 01782-255244
🌐 sunnat.info

✨ সুন্নতী খাবার—সহজ জীবন, সুস্থ শরীর

24/04/2026

গরুর গোশত খাওয়া খাছ সুন্নত মুবারক

বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ, নাসায়ী শরীফ, আবু দাউদ শরীফ

শরীর রক্ষায় গরুর গোশতের উপকারিতাঃ

১। গরুর গোশত থেকে উচ্চমাত্রায় প্রোটিন পাওয়া যায়। গোশত ছাড়াও হাড়, কলিজা, মগজ ইত্যাদি থেকেও প্রোটিন চলে আসে। গরুর গোশতের প্রোটিন থেকে যে অ্যামাইনো এসিড পাওয়া যায়, তা হাড় ও পেশির কাজে অনেক সাহায্য করে থাকে।

২। গরুর গোশতের জিংক শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

৩। গরুর গোশতের ফসফরাস মজবুত হাড় ও দাঁতের জন্য জরুরি।

৪। গরুর গোশতের আয়রন রক্তস্বল্পতা সমস্যা দূর করতে এবং শরীরের সব কোষে অক্সিজেন সরবরাহে সাহায্য করে।

এজন্য সবাই বেশি বেশি গরুর গোশত খাবেন এবং বাংলাদেশের প্রত্যেক হোটেলে গরুর গোশত রাখাও অতীব জরুরী!!

24/04/2026

কিশোরগঞ্জ থেকে ঢাকা মহাখালীর দুরত্ব ১১০ কিলো। কিন্তু এখানে বাস ভাড়া কত? সরকার নির্ধারিত দূরপাল্লার বাস ভাড়া কিলোমিটার প্রতি ২.২৩ পয়সা। এবং ঢাকার ভিতর বাস ভাড়া কিলো. প্রতি ২.৫৩ পয়সা। (আজকের সর্বশেষ বর্ধিত প্রতি কি. মি.১১পয়সাসহ তারিখ ২৩.৪.২০২৬)

তাহলে ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জের দুরত্ব অনুযায়ী বাস ভাড়া হওয়ার কথা ২.২৩ × ১১০ = ২৪৫ টাকা, ধরলাম ২৫০ টাকা।

আর ঢাকার ভিতরের বাস ভাড়া হিসাব করলেও হওয়ার কথা ২.৫৩ × ১১০ = ২৭৮ টাকা, ধরলাম ২৮০/-।

তাহলে আগে থেকেই ৩৪০/- করে নিচ্ছে কেন?কেউ যদি বলতেন!

এখন ১১ পয়সা বৃদ্ধির অজুহাতে যদি আবারও বাসভাড়া বাড়াতে চায় মালিকপক্ষ তবে কি এখনো মুখে কুলুপ এঁটে বসে থাকবে এ রোডের যাত্রীরা?সেটাই এখন দেখার পালা

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মহাসম্মানিত হযরত আব্বা-আম্মা আলাইহিমুস সালাম উনারা সম...
23/04/2026

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মহাসম্মানিত হযরত আব্বা-আম্মা আলাইহিমুস সালাম উনারা সম্মানিত জান্নাত মুবারকসহ সমস্ত সৃষ্টির মালিক
------------------------------------------

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন,

عَنْ حَضْرَتْ جَابِرٍ رَضِىَ اللهُ تَـعَالـٰى عَنْهُ عَنِ النَّبِـىِّ صَلَّى اللهُ عَلَـيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا تَـمَسُّ النَّارُ مُسْلِمًا رَاٰنِـىْ اَوْ رَاٰى مَنْ رَاٰنِـىْ

অর্থ: “হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ঐ ব্যক্তি উনাকে জাহান্নামের আগুন স্পর্শ করবে না, যিনি আমাকে দেখেছেন অথবা আমাকে যিনি দেখেছেন— উনাকে যাঁরা দেখবেন।” সুবহানাল্লাহ! (তিরমিযী শরীফ, মেশকাত শরীফ)

এখানে স্পষ্টভাবে ইরশাদ মুবারক করা হয়েছেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে যাঁরা পবিত্র ঈমান উনার সাথে এক পলক দেখেছেন (প্রতি ২ সেকেণ্ডে ৫টি পলক পড়ে) অর্থাৎ হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনারা জান্নাতী, আবার উনাদেরকে যাঁরা দেখেছেন হযরত তাবেয়ী রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারাও জান্নাতী। সুবহানাল্লাহ!

এখানে দেখার বিষয় বলা হয়েছে। আর দেখার চেয়ে স্পর্শের ফযীলত আরো বেশি। সুবহানাল্লাহ! যেমন— এ বিষয়ে ইজমা প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন,

اِنَّ الـتُّـرْبَةَ الَّتـِىْ اِتَّصَلَتْ اِلـٰى اَعْظُمِ النَّبِـىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَفْضَلُ مِنَ الْاَرْضِ وَالسَّمَاءِ حَتـَّى الْعَرْشِ الْعَظِيْمِ

অর্থ: “নিশ্চয়ই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল মুজাসসাম মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র জিসিম মুবারক) উনার সাথে এক মুহূর্তের তরেও স্পর্শ মুবারক করেছেন, যেই মাটি, ধূলি—বালি অর্থাৎ পদার্থ—বস্তু যা কিছুই হোক না কেন, সব কিছুই আসমান—যমীন; এমনকি মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত আরশে আযীম মুবারক থেকেও কোটি—কোটিগুণ বেশি ফযীলতপূর্ণ হয়ে গিয়েছেন।” সুবহানাল্লাহ!

অন্য বর্ণনায় রয়েছেন, পবিত্র কুরসী মুবারক; এমনকি পবিত্র কাবা শরীফ থেকেও লক্ষ কোটিগুণ বেশি ফযীলতপূর্ণ হয়ে গেছেন।” সুবহানাল্লাহ!

এখন বলার বিষয় হচ্ছে, যদি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পবিত্র ঈমান উনার সাথে এক পলক দেখলে জাহান্নাম হারাম হয়ে যায়, আবার নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে যাঁরা দেখেছেন এবং উনাদেরকে যাঁরা দেখেছেন— উনাদের জন্যও জাহান্নাম হারাম হয়ে যায় এবং উনার সাথে এক মুহূর্তের তরেও স্পর্শ মুবারক করেছেন যেই মাটি, ধুলি—বালি অর্থাৎ পদার্থ— বস্তু যা কিছুই হোক না কেন সব কিছুই আসমান—যমীন, পবিত্র কুরসী মুবারক, পবিত্র কাবা শরীফ; এমনকি মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত আরশে আযীম মুবারক থেকেও কোটি—কোটিগুণ বেশি ফযীলতপূর্ণ হয়ে যান। সুবহানাল্লাহ! আর যদি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় ইসিম বা নাম মুবারক—এ শুধুমাত্র একবার বুছা দিয়ে সবচেয়ে বড় নাফরমান ব্যক্তি সর্বোচ্চ জান্নাতী হিসেবে সাব্যস্ত হন, তাহলে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আব্বা—আম্মা আলাইহিমাস সালাম উনাদের ফায়ছালা মুবারক কি? বিশেষভাবে উল্লেখ্য, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আব্বা আলাইহিস সালাম তিনি দীর্ঘ ২৫ বছর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মূল নূর মুবারক ধারণ করেছেন এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আম্মা আলাইহাস সালাম তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র খিদমত মুবারক—এ (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রেহেম শরীফ—এ) ৮ মাস সোয়া ১১ দিন ধারণ করেছেন অত:পর দীর্ঘ ছয় বছর উনাকে অত্যন্ত মুহব্বত মুবারক উনার সাথে আদর—স্নেহ মুবারক করেছেন এবং অসংখ্য ও অগনিতবার পবিত্র বুছা মুবারক দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ! তাহলে উনাদের ফায়ছালা মুবারক কী?
তাহলে উনাদের ব্যাপারে এরূপ প্রশ্ন কিভাবে করা যেতে পারে যে, ‘উনারা জান্নাতী নাকি জাহান্নামী’? না‘ঊযুবিল্লাহ! না‘ঊযুবিল্লাহ! না‘ঊযুবিল্লাহ!
মূলত উনারা জান্নাত উনার মুহতাজ (মুখাপেক্ষী) তো ননই; বরং জান্নাত উনাদের মুহতাজ নিজের ওজুদ (অস্থিত্ব) মুবারক বজায় রাখার জন্য। প্রকৃতপক্ষে, উনারাই হচ্ছেন সম্মানিত জান্নাত মুবারকসহ সমস্ত সৃষ্টির মালিক। সুবহানাল্লাহ! সম্মানিত জান্নাত উদগ্রীব হয়ে রয়েছেন কখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আব্বা এবং হযরত আম্মা আলাইহিমাস সালাম উনারা সম্মানিত জান্নাত মুবারক—এ দয়া করে প্রবেশ করবেন তাহলে সম্মানিত জান্নাত উনার ওজুদ মুবারক ও নাম মুবারক সার্থক হবেন। সুবহানাল্লাহ!

এ বিষয়টি আরো স্পষ্টভাবে বুঝার জন্য স্বয়ং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব ও মাহবূব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, আর তা হচ্ছেন—

عَنْ حَضْرَتْ طَلْقِ بْنِ عَـلِــىٍّ رَضِىَ اللهُ تَـعَالـٰى عَنْهُ قَالَ سَـمِعْتُ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَـقُوْلُ لَوْ اَدْرَكْتُ وَالِدَىَّ اَوْ اَحَدَهُـمَا وَاَنَا فِىْ صَلوةِ الْعِشَاءِ وَقَدْ قَـرَاْتُ فِـيْـهَا بِفَاتِـحَةِ الْكِتَابِ تُـنَادِىْ يَا مُـحَمَّدُ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَاَجَبْـتُـهَا لَـبَّــيْكِ

অর্থ: “হযরত ত্বলক্ব ইবনে আলী রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি শুনেছি— নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, যদি আমি আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আব্বা—আম্মা আলাইহিমাস সালাম উনাদের দু’জনকে অথবা উনাদের দু’জনের একজনকে দুনিয়ার যমীনে পেতাম, আর আমি সম্মানিত ইশা উনার নামায (ফরয নামায) মুবারক—এ দাঁড়িয়ে সম্মানিত ও পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ পাঠ করতে থাকতাম। এমতাবস্থায় উনারা যদি আমাকে এই বলে সম্মানিত আহ্বান মুবারক করতেন— হে মুহম্মদ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! তাহলে অবশ্যই অবশ্যই ওই অবস্থায় থেকেও (নামায ছেড়ে দিয়ে) আমি উনাদের সম্মানিত আহ্বান মুবারক—এ সাড়া দিয়ে ইরশাদ মুবারক করতাম— লাব্বাইক, হে আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আব্বাজান আলাইহিস সালাম! হে আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আম্মাজান আলাইহাস সালাম! আমি উপস্থিত, হাযির।” সুবহানাল্লাহ! (শুয়াবুল ঈমান ১০/২৮৪, দায়লামী শরীফ ৩/৩৪৫, জামিউল আহাদীছ ১৮/৭৪, কাশফুল খফা ২/১৬০, আল মাক্বাছিদুল হাসানাহ ১/৫৫১, কানযুল উম্মাল ১৬/৪৭০, জামউল জাওয়ামি’ ১৬৮/ ১৩, মাছালিকুল হুনাফাহ ৩৭ পৃষ্ঠা, হাওই শরীফ ২/২৮১ ইত্যাদি)

উপরোক্ত হাদীছ শরীফ দ্বারা স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নিজেই উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আব্বা—আম্মা আলাইহিমাস সালাম উনাদের শান—মান, ফাযায়িল— ফযীলত, বুযূর্গী—সম্মান মুবারক এবং পবিত্রতা মুবারক কতটুকু তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন যা সমস্ত কায়িনাতের কেউ কখনও চিন্তা—ফিকির করে মিলাতে পারবে না। সুবহানাল্লাহ!

মূলত উনারা জান্নাত উনার মুহতাজ (মুখাপেক্ষী) তো ননই; বরং জান্নাত উনাদের মুহতাজ নিজের ওজুদ (অস্থিত্ব) মুবারক বজায় রাখার জন্য। প্রকৃতপক্ষে, উনারাই হচ্ছেন সম্মানিত জান্নাত মুবারকসহ সমস্ত সৃষ্টির মালিক। সুবহানাল্লাহ! অতএব এখানে সন্দেহের কোন অবকাশ নেই। যে ব্যক্তি এই বিষয়ে সন্দেহ পোষণ করবে সে ঈমানদার হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে না, বরং সে একটা কাট্টা কাফির ও চির জাহান্নামী হবে। না‘উযুবিল্লাহ! কারণ সম্মানিত জান্নাত উদগ্রীব হয়ে রয়েছেন কখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আব্বা—আম্মা আলাইহিমাস সালাম উনারা সম্মানিত জান্নাত মুবারক—এ দয়া করে প্রবেশ করবেন তাহলে সম্মানিত জান্নাত উনার ওজুদ মুবারক ও নাম মুবারক সার্থক হবেন। সুবহানাল্লাহ!

মহান আল্লাহ পাক তিনি আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার সম্মানার্থে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আব্বা—আম্মা আলাইহিমাস সালাম উনাদের প্রতি সর্বোচ্চ বিশুদ্ধ আক্বীদাহ্ ও হুসনে যন মুবারক পোষণ করার তাওফীক্ব দান করুন। আমীন!

পবিত্র কুরবানির পশু নিয়ে ব্যঙ্গ করা, কার্টুন প্রকাশ করা, সেলফী তোলা প্রসঙ্গে।===============================কুরবানি যেমন...
22/04/2026

পবিত্র কুরবানির পশু নিয়ে ব্যঙ্গ করা, কার্টুন প্রকাশ করা, সেলফী তোলা প্রসঙ্গে।
===============================

কুরবানি যেমন পবিত্র তেমনি কুরবানির পশুও পবিত্র এবং মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শনসমূহ উনাদের অন্তর্ভুক্ত। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে ঈমানদারগণ! তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শনসমূহ, সম্মানিত হারাম মাস উনাদের, কুরবানির জন্য ওই সমস্ত পশু যাদেরকে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং ওই সমস্ত ব্যক্তি যারা মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টির জন্য হজ্জ পালন করতে যান উনাদেরকে ইহানত (অবমাননা) করো না।” (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ২)

উপরের পবিত্র আয়াত শরীফ দ্বারা স্পষ্টরূপে প্রমাণ হয় পবিত্র কুরবানি উনার পশুসমূহ পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার নিদর্শন, যা তা’যীম-তাকরীম করা মুসলমান উনাদের জন্য কল্যাণের কারণ। পাশাপাশি এই পবিত্র নিদর্শনসমূহ নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রƒপ করা, তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করা কুফরী এবং কবীরা গুনাহ। নাউযুবিল্লাহ!

প্রসঙ্গত, অনেকেই এই বিষয়টা না জানার কারণে পবিত্র কুরবানির জন্য নির্ধারিত পশুর ছবি তুলে থাকে, পশুর সাথে সেলফী তুলে, জবাই করার সময় ভিডিও করে থাকে। যার ফলে তার নিজের অজান্তেই কবীরা গুনাহ করে। অর্থাৎ যেহেতু প্রাণীর ছবি তোলা হারাম সেহেতু কুরবানির পশুর ছবি তুললে বা ভিডিও করলে মহান আল্লাহ পাক উনার অসন্তুষ্টির ফলে কবীরা গুনাহ হয়। নাউযুবিল্লাহ!

20/04/2026

আগামীকাল থেকে দেশব্যাপী শুরু হতে যাচ্ছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ২০২৬। এই গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী সকল শিক্ষার্থীর সুস্বাস্থ্য, আত্মবিশ্বাস ও সর্বোত্তম ফলাফলের জন্য দোয়া রইল। ফি’আমানিল্লাহ!!

প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখুন সুন্নতী ফল "জয়তুন"
20/04/2026

প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখুন সুন্নতী ফল "জয়তুন"

Address

House-71/C, Road-12A, Sector-10, Uttara
Dhaka
1230

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Cure Pharma posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share