Cure Pharma

Cure Pharma কখনো মিথ্যা কথা বলো না। সদা সত্য কথা বলিবে।

সুওয়াল: আপনারাই কেবল বলেন যে, ক্বলবী যিকির করা ফরয। এছাড়া কোন ইমাম, খতীব, ওয়ায়িয, মাওলানা, মুফতী, মুহাদ্দিছ, মুফাসসিরে ক...
10/01/2026

সুওয়াল: আপনারাই কেবল বলেন যে, ক্বলবী যিকির করা ফরয। এছাড়া কোন ইমাম, খতীব, ওয়ায়িয, মাওলানা, মুফতী, মুহাদ্দিছ, মুফাসসিরে কুরআন তাদের কাউকে তো ক্বলবী যিকির ফরয বলতে শোনা যায় না। যার কারণে তারা নিজেরা যেমন ক্বলবী যিকির করে না তদ্রুপ তাদের যারা অনুসারী সাধারণ মুসলমান ও মুছল্লীবৃন্দ তারাও ক্বলবী যিকির সম্পর্কে জানে না এবং ক্বলবী যিকির করেও না। এক্ষেত্রে ক্বলবী যিকির যারা করছে না, তাদের আমলের কোন ত্রুটি বা ক্ষতি হবে কিনা? দলীলসহ জানতে ইচ্ছুক।
সংখ্যা: ২৪৯তম সংখ্যা | বিভাগ: সুওয়াল জাওয়াব
মুহম্মদ উমর ফারূক, হবিগঞ্জ

প্রথমত: ক্বলবী যিকির করা কি? জাওয়াব হচ্ছে ক্বলবী যিকির করা ফরয।

দ্বিতীয়ত: ক্বলবী যিকির না করলে কি ক্ষতি? জাওয়াব হচ্ছে শয়তান বন্ধু বা সঙ্গী হবে এবং নেক কাজ থেকে ফিরে বদ কাজে মশগুল থাকবে। নাউযুবিল্লাহ! ক্বলবী যিকির করা ফরয, এটা আমাদের নিজস্ব বা বানানো কোন ফতওয়া নয়। এটা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার ফতওয়া। অর্থাৎ পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র সুন্নাহ শরীফ এবং অনুসরণীয় হযরত ইমাম, মুজতাহিদ ও আউলিয়ায়ে কিরাম উনাদেরই ফতওয়া।

মূলত অন্তর পরিশুদ্ধ করা ও হুযূরী ক্বলব হাছিল করার একমাত্র মাধ্যম হচ্ছে পবিত্র “ক্বলবী যিকির”। অর্থাৎ পবিত্র ইলমে তাছাওউফ তথা মুহলিকাত (বদ খাছলতসমূহ) ও মুনজিয়াত (নেক খাছলতসমূহ) সম্পর্কিত পবিত্র ইল্ম্ অর্জন করার সাথে সাথে ক্বলবী যিকির করতে হবে, তবেই অন্তর পরিশুদ্ধ হবে ও হুযূরী ক্বল্ব্ অর্জিত হবে এবং নামাযসহ সকল ইবাদত-বন্দিগী শুদ্ধভাবে বা ইখলাছ উনার সাথে আদায় করা সম্ভব হবে। যার ফলে হযরত ইমাম-মুজতাহিদ, আওলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা পবিত্র ক্বলবী যিকির করাকে ফরয বলেছেন।

এ প্রসঙ্গে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার পবিত্র কালাম পাক উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-

الا بذكر الله تطمئن القلوب

অর্থ : “সাবধান! খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির মুবারক দ্বারাই ক্বলব (অন্তর) ইতমিনান বা পরিশুদ্ধ হয়। অর্থাৎ হুযূরী বা খুশু-খুযূ হাছিল হয়।” (পবিত্র সূরা রা’দ শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ২৮)

উপরোক্ত পবিত্র আয়াত শরীফ উনার ব্যাখ্যায় পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-

عن حضرت عبد الله بن عمر رضى الله تعالى عنه عن النبى صلى الله عليه وسلم انه كان يقول لكل شىء صقالة وصقالة القلوب ذكر الله

অর্থ : হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “প্রত্যেক জিনিস পরিষ্কার করার উপকরণ রয়েছে, আর ক্বল্ব্ বা অন্তর পরিষ্কার (পরিশুদ্ধ) করার উপকরণ (মাধ্যম) হচ্ছে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্র যিকির (ক্বলবী যিকির)।” (বাইহাক্বী শরীফ, মিশকাত শরীফ, মাছাবীহুস সুন্নাহ শরীফ, মিরকাত শরীফ)

অর্থাৎ পবিত্র ক্বলবী যিকির দ্বারা ক্বলব পরিষ্কার হয়ে পবিত্র ইখলাছ তথা খুশু-খুযূ বা হুযূরী হাছিল হয়।

উক্ত পবিত্র আয়াত শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের দ্বারা বুঝা গেলো যে, অন্তর পরিশুদ্ধ করার অর্থাৎ ইখলাছ তথা হুযূরী বা খুশু-খুযূ হাছিল করার একমাত্র মাধ্যম হচ্ছে যিকির অর্থাৎ পবিত্র “ক্বলবী যিকির।”

হযরত ইমাম-মুজতাহিদ ও আওলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ উনারা পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে ইজতিহাদ করতঃ পবিত্র যিকির উনাকে দু’ভাগে ভাগ করেছেন- লিসানী যিকির অর্থাৎ মৌখিক যিকির এবং পবিত্র ক্বলবী যিকির অর্থাৎ অন্তরের যিকির।

লিসানী যিকির হচ্ছে বিভিন্ন প্রকার তাসবীহ-তাহলীল, দোয়া-দুরূদ, পবিত্র কুরআন শরীফ তিলাওয়াত, ওয়াজ-নছীহত ইত্যাদি। মূলত লিসানী যিকির উনার দ্বারা সার্বক্ষণিক বা দায়িমীভাবে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্র যিকিরে মশগুল থাকা সম্ভব নয়। কারণ উল্লিখিত যিকিরসমূহ সময় ও স্থান বিশেষে করা সম্পূর্ণই অসম্ভব। যেমন ওযূ-ইস্তিঞ্জা, খাওয়া-দাওয়া, কথাবার্তা, নিদ্রা ইত্যাদি। অথচ পবিত্র শরীয়ত উনার নির্দেশ মুবারক হচ্ছে সার্বক্ষণিক বা দায়িমীভাবে যিকিরে মশগুল থাকা। কারণ বান্দা যে মুহূর্তে বা যে সময়ে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্র যিকির করা থেকে গাফিল বা অমনোযোগী হয়, তখনই শয়তান তাকে ওয়াসওয়াসা দিয়ে পাপ বা নাফরমানীতে লিপ্ত করে দেয়। নাউযুবিল্লাহ! যিকির থেকে গাফিল থাকলে কি ক্ষতি হয়, সে প্রসঙ্গে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার কালাম পাক উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-

ومن يعش عن ذكر الرحـمن نقيض له شيطنا فهو له قرين. وانـهم ليصدونـهم عن السبيل ويـحسبون انـهم مهتدون.

অর্থ : “যে ব্যক্তি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্র যিকির থেকে বিরত (গাফিল) থাকে, আমি (খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক) তার জন্য একটি শয়তান নিযুক্ত করে দেই। অর্থাৎ তার গাফলতীর কারণেই তার সাথে একটা শয়তান নিযুক্ত হয়ে যায়। অতঃপর সেই শয়তান তার সঙ্গী হয় এবং তাকে সৎ পথ থেকে ফিরিয়ে রাখে অর্থাৎ পাপ কাজে লিপ্ত করে দেয়। অথচ তারা মনে করে, তারা সৎ পথেই রয়েছে।” (পবিত্র সূরা যুখরূফ শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ৩৬, ৩৭)

আর পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-

عن حضرت ابن عباس رضى الله تعالى عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم الشيطان جاثـم على قلب ابن ادم فاذا ذكر الله خنس واذا غفل وسوس

অর্থ : “হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, শয়তান আদম সন্তানের ক্বলবে আসন পেতে বসে থাকে। যখন সে পবিত্র যিকির করে, তখন শয়তান পালিয়ে যায়। আর যখন সে পবিত্র যিকির থেকে গাফিল হয়, তখন শয়তান ওয়াসওয়াসা দেয়।” (বুখারী শরীফ, মিশকাত শরীফ, মাছাবীহুস সুন্নাহ শরীফ)

উক্ত পবিত্র আয়াত শরীফ উনার ব্যাখ্যায় ‘তাফসীরে রূহুল বয়ানে’ উল্লেখ আছে যে-

فيه اشارة الى ان من دوام على ذكر الرحـمن لـم يقربه الشيطان بـحال قال بعضهم من نسى الله وترك مراقبته ولـم يستحى منه او اقبل على شىء من حظوظ نفسه قيض الله له شيطانا يوسوس له فى جـميع انفاسه ويغرى نفسه الى طلب هواها حتى يتسلط على عقله وعلمه وبيانه.

অর্থ : “উক্ত পবিত্র আয়াত শরীফ উনার দ্বারা এটাই বুঝানো হয়েছে, যে ব্যক্তি সর্বদা খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্র যিকিরে মশগুল থাকে, শয়তান কোনো অবস্থাতেই তার নিকটবর্তী হতে পারেনা। হযরত মুফাসসিরীনে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ উনারা বলেন, যে ব্যক্তি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভুলে যায় এবং উনার মুরাক্বাবা পরিত্যাগ করে এবং যতক্ষণ সে তার এ অবস্থা থেকে ফিরে না আসে অর্থাৎ যিকির-আযকার, মুরাক্বাবা-মুশাহাদা না করে, অথবা সে খাহেশাতে নফসের কোনো একটির প্রতি অগ্রসর হয় তখন খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি তার জন্য একটা শয়তান নিযুক্ত করে দেন। অর্থাৎ তার গাফলতীর কারণেই তার সাথে একটা শয়তান নিযুক্ত হয়ে যায়। উক্ত শয়তান প্রতি মুহূর্তে তাকে ওয়াসওয়াসা দেয় এবং ধোঁকা দেয় খাহেশাতে নফসকে অনুসরণের জন্য। পরিণামে খাহেশাতে নফস তার আক্বল, ইলম ও বয়ানের উপর প্রবল হয়।” নাউযুবিল্লাহ!

উল্লেখ্য, খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই যাদের ক্বলব মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির থেকে গাফিল তাদেরকে অনুসরণ করতে নিষেধ করেছেন। তিনি উনার কালাম পাক উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-

ولا تطع من اغفلنا قلبه عن ذكرنا واتبع هوه وكان امره فرطا

অর্থ : “ঐ ব্যক্তিকে অনুসরণ করোনা, যার ক্বলবকে আমার পবিত্র যিকির থেকে গাফিল করেছি। অর্থাৎ যার ক্বলবে আমার পবিত্র যিকির নেই, সে নফসকে (শয়তানকে) অনুসরণ করে। ফলে তার কাজগুলো (আমলগুলো) হয় পবিত্র শরীয়ত উনার খিলাফ।” (পবিত্র সূরা কাহফ শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ২৮)

অতএব বুঝা গেলো যে, পবিত্র ক্বলবী যিকির ব্যতীত শয়তান ও শয়তানী ওয়াসওয়াসা থেকে বেঁচে থাকা যেমন অসম্ভব তদ্রƒপ শরীয়ত উনার খিলাফ কাজ থেকে বেঁচে থাকাও অসম্ভব।

তাই অন্তর পরিশুদ্ধ করতে হলে বা শয়তানী ওয়াসওয়াসা থেকে বাঁচতে হলে পবিত্র ক্বলবী যিকির করতে হবে। কারণ পবিত্র ক্বলবী যিকিরই সার্বক্ষণিক বা দায়িমী যিকির উনার একমাত্র মাধ্যম।

যেমন দায়িমী বা পবিত্র ক্বলবী যিকির সম্পর্কে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার কালাম পাক উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-

واذكر ربك فى نفسك تضرعا وخيفة ودون الـجهر من القول بالغدو والاصال ولا تكن من الغفلين.

অর্থ : “সকাল-সন্ধ্যা স্বীয় অন্তরে, সবিনয়ে, সভয়ে, অনুচ্চ আওয়াজে তোমার রব তায়ালা উনার পবিত্র যিকির (স্মরণ) কর। আর (এ ব্যাপারে) তুমি গাফিলদের অন্তর্ভুক্ত হয়োনা।” (পবিত্র সূরা আ’রাফ শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ২০৫)

এ পবিত্র আয়াত শরীফ উনার ব্যাখ্যায় বিখ্যাত মুফাসসির, ইমামুল মুফাসসিরীন হযরত ইমাম ফখরুদ্দীন রাযী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার জগদ্বিখ্যাত তাফসীর গ্রন্থ ‘তাফসীরে কবীরে’ উল্লেখ করেন-

من الناس من قال ذكر هذين الوقتين والـمراد مداومة الذكر والـمواظبة عليه بقدر الامكان.

অর্থ : “কেউ কেউ বলে, শুধুমাত্র সকাল-সন্ধ্যা যিকির করার কথা উক্ত পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে বলা হয়েছে। মূলত উক্ত আয়াত শরীফ উনার মধ্যে সকাল-সন্ধ্যা যিকির করার দ্বারা উদ্দেশ্য হলো দায়িমী বা সার্বক্ষণিক যিকির এবং সাধ্যানুযায়ী যিকিরে মশগুল থাকা।” অনুরূপ ‘তাফসীরে রূহুল বয়ান’ উনার মধ্যেও উল্লেখ আছে।

প্রমাণিত হলো যে, অন্তরের পরিশুদ্ধতা ও দায়িমী হুযূরী অর্জন করতে হলে অবশ্যই পবিত্র ক্বলবী যিকির করতে হবে। কারণ পবিত্র ক্বলবী যিকির ব্যতীত যেরূপ অন্তরের পরিশুদ্ধতা লাভ করা সম্ভব নয়, তদ্রুপ দায়িমী বা সার্বক্ষণিক হুযূরীও হাছিল করা সম্ভব নয়। তাই “তাফসীরে মাযহারী”তে উল্লেখ করা হয়েছে-

دوام الـحضور بالقلب اذ لايتصور دوام الذكر باللسان.

অর্থ : “দায়িমী হুযূরী বা যিকির কেবলমাত্র ক্বলবের দ্বারাই সম্ভব। কেননা লিসান বা মুখ দ্বারা দায়িমী বা সার্বক্ষণিকভাবে পবিত্র যিকির করা সম্ভব নয়।”

তাই সকলেই পবিত্র ইলমে তাছাওউফ উনার কিতাবসমূহে “পবিত্র ক্বলবী যিকির” করাকে ফরয বলেছেন এবং আরো বলেছেন ক্বলবী যিকির জারী না করতে পারলে শয়তান সঙ্গী বা সাথী হয় এবং সম্মানিত শরীয়ত উনার খিলাফ কাজে মশগুল থাকে। অতএব, ক্বলবী যিকির করা ফরয।

10/01/2026

চকচকে রাস্তা, সুউচ্চ দালানকোঠা—এই বাহ্যিক উন্নয়ন দেখে কিছু মুসলমান নামধারী মানুষ অমুসলিম শক্তির প্রশংসায় মেতে ওঠেন। কিন্তু তারা কি কখনো ভেবে দেখেন, এই উন্নয়নের পেছনে কোন আদর্শ ও কোন মূল্যবোধ কাজ করছে? একজন মুমিন হিসেবে আমাদের দায়িত্ব শুধু দৃশ্যমান উন্নয়ন দেখে মুগ্ধ হওয়া নয়; বরং বিশ্বাস, চিন্তা ও কর্মে আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন এবং উনার পেয়ারা হাবিব নূরে মুজাসসাম হাবিবুল্লাহ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার নির্দেশনাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া। আসুন, আমরা আত্মসমালোচনা করি।
আসুন, তাওবা করে আল্লাহর পথে ফিরে আসি।
আল্লাহ রব্বুল আলামীন যেন আমাদের সবাইকে সঠিক হিদায়াত দান করেন। ভ্রান্ত আদর্শের প্রভাব থেকে মুক্ত হয়ে দুনিয়ার সব মুসলমান যেন বিশ্বাস, চিন্তা, কর্ম ও মন-মানসিকতায় ভ্রাতৃত্ব ও ঐক্যে আবদ্ধ হতে পারি—এই দোয়া রইল।

10/01/2026
💞 পবিত্র ২৭ শে রজবুল হারাম শরীফ, পবিত্র লাইলাতুল মিরাজ শরীফ! যা পবিত্র মি’রাজ শরীফ বিশ্বের সকল মুসলমান উনাদের জন্য খুবই ...
10/01/2026

💞 পবিত্র ২৭ শে রজবুল হারাম শরীফ, পবিত্র লাইলাতুল মিরাজ শরীফ! যা পবিত্র মি’রাজ শরীফ বিশ্বের সকল মুসলমান উনাদের জন্য খুবই তাৎপর্যমন্ডিত এবং ফযীলতপূর্ণ দিন।।
কেননা,পবিত্র মিরাজ শরীফ লক্ষ-কোটি কারনের মধ্যে অন্যতম হল মহান আল্লাহ পাক উনার সাথে নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার দিদার মুবারক হয়েছে! সুতরাং পবিত্র মিরাজ শরীফের আমল ও রোযার ফযিলত অনেক! যা দলীলভিত্তিক আলোচনা করা হলঃ---

এ প্রসঙ্গে,আওলাদে রসূল, ৬ষ্ঠ হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ, ক্বাদিরিয়া তরীক্বার ইমাম, গাউছুল আযম, বড়পীর হযরত মুহিউদ্দীন শায়খ সাইয়্যিদ আব্দুল ক্বাদির জ্বিলানী হাম্বলী রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন, আমাদের কাছে খবর দিয়েছেন হযরত শায়েখ আবুল বারাকাত হাব্বাতুল্লাহ সাকতী রহমতুল্লাহি আলাইহি। উনার এ সনদটি এসেছে বিশিষ্ট তাবিয়ী হযরত হাসান বছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকে। হযরত হাসান বছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, বিশিষ্ট ছাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমা ২৭ রজব আসলে সারারাত্র ইতিকাফ করে কাটাতেন। সকাল হতে যোহর পর্যন্ত নফল নামায আদায় করতেন। যখন ছলাতুয যোহর আদায় করতেন আবারো নফল নামাযে মশগুল হয়ে যেতেন। এভাবে তিনি চার রাকায়াত নফল নামায আদায় করতেন। এতে প্রত্যেক রাকায়াতে সূরা ফাতিহার পর সূরাতুল ফালাক্ব একবার, সূরা নাস একবার, সূরাতুল ক্বদর তিনবার, সূরাতুল ইখলাছ পাঁচবার পড়তেন। অতঃপর আছর নামায পর্যন্ত দুয়া কালাম, তাসবীহ-তাহলীল, দুরূদ শরীফ, মীলাদ শরীফ-এর মধ্যে ব্যস্ত থাকতেন। এ ব্যাপারে তিনি বলতেন, এই ২৭ রজব তারিখ দিন-রাতে সাইয়্যিদুনা হযরত রসূলে পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরূপই করতেন। (গুনইয়াতুত ত্বালিবীন ৩য় পর্ব, ৩৩২ পৃষ্ঠা)

পবিত্র ছহীহ হাদীছ শরীফে আরো বর্ণিত রয়েছেঃ----
أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللهِ الْحَافِظُ، حَدَّثَنِي أَبُو نَصْرٍ رَشِيقُ بْنُ عَبْدِ اللهِ الرُّومِيُّ إِمْلَاءً مِنْ كِتَابِهِ بالطَّابِرانِ، أَخْبَرَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ إِدْرِيسَ الْأَنْصَارِيُّ، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ الْهَيَّاجِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ سُلَيْمَانَ التَّيْمِيِّ، عَنْ أَبِي عُثْمَانَ، عَنْ سَلْمَانَ الْفَارِسِيِّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " فِي رَجَبٍ يَوْمٌ وَلَيْلَةٌ مَنْ صَامَ ذَلِكَ الْيَوْمَ، وَقَامَ تِلْكَ اللَّيْلَةَ كَانَ كَمَنْ صَامَ مِنَ الدَّهْرِ مِائَةَ سَنَةٍ، وَقَامَ مِائَةَ سَنَةٍ وَهُوَ ثَلَاثٌ بَقَيْنَ مِنْ رَجَبٍ.
অর্থ: হজরত সায়্যিদুনা সালমান ফারসী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, রজব মাসে এমন একটি দিন ও একটি রাত রয়েছে, যিনি এদিন রোযা রাখবেন, আর রাত জেগে ইবাদত করবেন, তবে তিনি যেন ১০০ বছরের রোযা রাখলেন এবং ১০০ বছরের রাত জেগে ইবাদত করলেন, আর তা হচ্ছে পবিত্র রজব উনার ২৭ তারিখ। সুবহানাল্লাহ! (শোয়াবুল ঈমান লিল বায়হাক্বী- বাবু তাকছিছু শাহরী রজব বিয যিকরী, ৫ম খন্ড ৩৪৫পৃ, হাদিস-৩৫৩০,ফাদ্বায়িলুল আওকাত লিল বায়হাক্বী ১/৯৬, জামিউল আহাদীছ ১৪/৪৯৬: হাদীছ ১৪৮১২, কানযুল উম্মাল ১২/৩১২: হাদীছ ৩৫১৬৯, জামেউ জাওয়ামে ১ খন্ড,নেদায়ে রাইয়ান ফি ফিক্বহিস সওমে ওয়া ফদলী রমাদ্বান ১/৪২১)

হাদীছ শরীফের বিখ্যাত ইমাম হযরত বায়হাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি সনদ সহকারে হাদীছ শরীফ বর্ণনা করেছেন,
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللهِ الْحَافِظُ، أَخْبَرَنَا أَبُو صَالِحٍ خَلَفُ بْنُ مُحَمَّدٍ بِبُخَارَى، أَخْبَرَنَا مَكِّيُّ بْنُ خَلَفٍ، وَإِسْحَاقُ بْنُ أَحْمَدَ، قَالَا: حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ الْحُسَيْنِ، أَخْبَرَنَا عِيسَى وَهُوَ الْغُنْجَارُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْفَضْلِ، عَنْ أَبَانَ، عَنْ أَنَسٍ، عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَنَّهُ قَالَ: " فِي رَجَبٍ لَيْلَةٌ يُكْتَبُ لِلْعَامِلِ فِيهَا حَسَنَاتُ مِائَةِ سَنَةٍ، وَذَلِكَ لِثَلَاثٍ بَقَيْنَ مِنْ رَجَبٍ، فَمَنْ صَلَّى فِيهَا اثْنَتَيْ عَشْرَةَ رَكْعَةً يَقْرَأُ فِي كُلِّ رَكْعَةٍ فَاتِحَةَ الْكِتَابِ وَسُورَةٌ مِنَ الْقُرْآنِ يَتَشَهَّدُ فِي كُلِّ رَكْعَتَيْنِ، وَيُسَلِّمُ فِي آخِرِهِنَّ، ثُمَّ يَقُولُ: سُبْحَانَ اللهِ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ، وَلَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ، وَاللهُ أَكْبَرُ مِائَةَ مَرَّةٍ، وَيَسْتَغْفِرُ اللهَ مِائَةَ مَرَّةٍ، وَيُصَلِّي عَلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِائَةَ مَرَّةٍ، وَيَدْعُو لِنَفْسِهِ مَا شَاءَ مِنْ أَمْرِ دُنْيَاهُ وَآخِرَتِهِ، وَيُصْبِحُ صَائِمًا فَإِنَّ اللهَ يَسْتَجِيبُ دُعَاءَهُ كُلَّهُ إِلَّا أَنْ يَدْعُو فِي مَعْصِيَةٍ "
অর্থ: পবিত্র রজব মাসে একটি রাত আছে সে রাতের আমলকারীর সমস্ত আমলের ছওয়াব ১০০ গুণ করে লিপিবদ্ধ করা হয় সে রাতটি হলো পবিত্র ২৭শে রজব। যে ব্যক্তি ওই রাতে ১২ রাকায়াত নামায আদায় করবে যাতে পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ সহ অন্য কোনো পবিত্র আয়াত শরীফ পাঠ করবে প্রতি দু’রাকায়াতে তাশাহুদ (পবিত্র দুরূদ শরীফ ও দুয়ায়ে মাছুরাসহ) পাঠ শেষে সালাম ফিরাবে। এবং নিম্নোক্ত দুআ ১০০ বার পাঠ করবে,
سُبْحَانَ اللهِ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ، وَلَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ، وَاللهُ أَكْبَرُ
অতপর ১০০ বার ইস্তেগফার পাঠ করবে অতপর ১০০ বার পবিত্র দুরূদ শরীফ পাঠ করবে। ওই ব্যক্তি দুনিয়া ও আখিরাতের সমস্ত কল্যাণকর যত দোয়া করবে এবং সকালে রোযাদার অবস্থায় অবস্থান করবে তার সকল দোয়াই কবুল করা হবে,শুধুমাত্র গুনাহের কাজের জন্য দোয়া ব্যতীত। সুবহানাল্লাহ। (শোয়াবুল ঈমান লিল বায়হাক্বী- বাবু তাকছিছু শাহরী রজব বিল যিকরী, ৫ম খন্ড ৩৪৬ পৃ,হাদিস-৩৫৩১, ফাদ্বায়িলুল আওকাত লিল বায়হাক্বী ১/৯৭ : হাদীছ ১২, তাবয়িনুল আযাব বিমা উরিদা ফি ফাদলি রজব ১/৩১, জামিউল আহাদীছ ১৪/৪৯৬ : হাদীছ ১৪৮১২, কানযুল উম্মাল ১২/৩১২: হাদীছ ৩৫১৭০, জামেউ জাওয়ামে ১ খন্ড বাবু হারফূ ফা, আসারুল মারফুয়া ১/৬১ ,তানযিয়াতু শরীয়াতিল মারফুয়া ২/৮৯)!

সুতরাং, পবিত্র মিরাজ শরীফের আমল ও রোযার ফযিলত অনেক!তাই,পবিত্র মিরাজ শরীফে খালিছ-তওবা,দোয়া-ইস্তিগফার,,দুরুদ শরীফ পাঠ,জিকির-আসগার,ও মীলাদ ও ক্বিয়াম শরীফ পাঠ করে মুনাজাত করা!মহান আল্লাহ পাক যেন,মুজাদ্দিদে আযম,মামদুহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিসসালাম উনার উছিলায় পবিত্র মিরাজ শরীফের আমল করার তৌফিক দান করেন।আমীন!!


#শবেমিরাজ

চট্টগ্রাম বন্দর: বিদেশি লিজের যুক্তি কি আদৌ গ্রহণযোগ্য?চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন টার্মিনাল বিদেশি অপারেটরদের হাতে লিজ বা...
09/01/2026

চট্টগ্রাম বন্দর: বিদেশি লিজের যুক্তি কি আদৌ গ্রহণযোগ্য?

চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন টার্মিনাল বিদেশি অপারেটরদের হাতে লিজ বা কনসেশন চুক্তিতে দেওয়ার পক্ষে অন্তর্বর্তী সরকার যে দুটি প্রধান যুক্তি তুলে ধরছে—(১) বন্দরে দুর্নীতি হয় এবং (২) দেশীয় অপারেটরদের সক্ষমতা কম— এই যুক্তিগুলো বাস্তবতা, তথ্য ও অভিজ্ঞতার আলোকে গভীরভাবে প্রশ্নবিদ্ধ।

প্রথমত, দুর্নীতির দায় কোনো অবকাঠামো বা জনগোষ্ঠীর নয়, বরং শাসনব্যবস্থার দুর্বলতার ফল। যদি বন্দরে দুর্নীতি থেকে থাকে, তবে তার দায় বর্তমান ও পূর্ববর্তী প্রশাসনিক কাঠামো, তদারকির ঘাটতি এবং নীতি প্রয়োগের ব্যর্থতার ওপরই বর্তায়। দুর্নীতির অজুহাতে জাতীয় কৌশলগত সম্পদ বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়া মানে সমস্যার সমাধান না করে দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়া। বরং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, ডিজিটালাইজেশন, শক্তিশালী অডিট ব্যবস্থা এবং জবাবদিহি বাড়ানোই হওয়া উচিত সংস্কারের মূল পথ।
লক্ষণীয় বিষয় হলো—বিশ্বের বহু দেশে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় বন্দর পরিচালিত হয় এবং কার্যকর সংস্কারের মাধ্যমেই দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে।

দ্বিতীয়ত, দেশীয় অপারেটরদের সক্ষমতা কম— এই বক্তব্যটি একপেশে ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। গত এক দশকে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার হ্যান্ডলিং, জাহাজ পরিচালনা, ইয়ার্ড ম্যানেজমেন্ট ও লজিস্টিক সাপোর্টে দেশীয় প্রতিষ্ঠান ও জনবল উল্লেখযোগ্য দক্ষতা অর্জন করেছে। নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (NCT) বা অন্যান্য টার্মিনালের কার্যক্রমই প্রমাণ করে যে সীমিত অবকাঠামো ও নীতিগত সরকারি সহায়তার মধ্যেও দেশীয় ব্যবস্থাপনায় বন্দর সচল রাখা সম্ভব হয়েছে।

শুধু তাই না, নিউমুরিং টার্মিনাল তথা চট্টগ্রাম বন্দর একটি বিশ্বমানের বন্দরে পরিণত হয়েছে আমাদের দেশীয় অপারেটরদের অক্লান্ত পরিশ্রমে।

এরপরেও সক্ষমতা যদি কোথাও সীমাবদ্ধ থেকেও থাকে, তা বাড়ানোর দায়িত্ব রাষ্ট্রের। কিন্তু সক্ষমতার ঘাটতি আছে- অজুহাতে বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়ার যুক্তি অগ্রহণযোগ্য।

আরও গুরুত্বপূর্ণ হলো, চট্টগ্রাম বন্দর কেবল একটি বাণিজ্যিক স্থাপনা নয়; এটি জাতীয় নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব ও কৌশলগত স্বার্থের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। বিদেশি অপারেটরদের দীর্ঘমেয়াদি লিজ বা কনসেশন চুক্তি ভবিষ্যতে নীতি নির্ধারণে রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ সীমিত করতে পারে এবং অপ্রয়োজনীয় ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

অতএব, দুর্নীতি ও সক্ষমতার ঘাটতির যুক্তি দেখিয়ে তড়িঘড়ি করে বিদেশি লিজের পথে হাঁটা কোনো টেকসই বা দেশস্বার্থসম্মত সিদ্ধান্ত নয়। চট্টগ্রাম বন্দরের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে আবেগ নয়, বরং তথ্য, স্বচ্ছতা ও জাতীয় স্বার্থই হওয়া উচিত একমাত্র মাপকাঠি।

06/01/2026

হাজী ফখরুদ্দিন ছিলেন ভারতের পাটনার দারভাঙ্গার বাসিন্দা। ভারত ভাগের পর ১৯৫৬ সালে সপরিবারে চলে আসেন চট্টগ্রামে। জীবিকার কোনো ঠিক ছিল না। অনেকটা ভাগ্যান্বেষণেই তিনি ১৯৬৫ সালে ঢাকায় আসেন। এটা-ওটা নানা কাজের পর ভিকারুননিসা নূন স্কুলে দারোয়ানের চাকরি পান তার পরের বছর। তখন স্কুলটিও এমন বড় ছিল না, ছাত্রীও ছিল কম। স্কুল কতৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে তিনি স্কুলের কম্পাউন্ডে ক্যান্টিন চালানো শুরু করেন। রান্নায় কোনো প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ ছিল না। তবে রান্না শিখেছিলেন দিল্লির নবাব পরিবারের পাচকদের উত্তরসূরি মুসলিম মিয়ার কাছ থেকে। গুরুর তালিম আর নিজের হাতযশে দ্রুতই তাঁর রান্নার খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে। যারাই তাঁর রান্না খেয়েছেন, হাতে তাঁর জাদুর ছোঁয়া আছে বলে স্বীকার করেছেন। ক্রমেই পরিণত হয়ে উঠেন ঢাকার কিংবদন্তির বাবুর্চি হিসেবে। সেই ক্যান্টিন থেকেই আজকের ফখরুদ্দিন বিরিয়ানী ও রেষ্টুরেন্ট এর জন্ম। বর্তমানে এই রেস্টুরেন্টের ঢাকায় সাতটি শাখা রয়েছে। এর মধ্যে মতিঝিলের জুট এসোসিয়েশন ভবনে রয়েছে একটি শাখা। ২০০৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সিঙ্গাপুরে এই রেস্টুরেন্টের একটি প্রবাসী শাখা খোলা হয়।

রোজার সময় স্কুল কলেজ বন্ধ থাকবে এই বিষয়ে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছে রাজারবাগ দরবার শরীফ বিস্তারিত কমেন্টে
05/01/2026

রোজার সময় স্কুল কলেজ বন্ধ থাকবে এই বিষয়ে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছে রাজারবাগ দরবার শরীফ
বিস্তারিত কমেন্টে

অধিকাংশ লোকের অনুসরণ কিংবা যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলা কতটুকু শরীয়ত সম্মত ?মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার বিভ...
03/01/2026

অধিকাংশ লোকের অনুসরণ কিংবা যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলা কতটুকু শরীয়ত সম্মত ?

মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার বিভিন্ন জায়াগায় অধিকাংশ লোকের অনুসরণ করা থেকে বান্দাদের সতর্ক করেছেন। এখানে কয়েকটি পবিত্র আয়াত শরীফ উল্লেখ করা হলোঃ-

(১) “যদি তুমি দুনিয়ার অধিকাংশ লোকের অনুসরণ কর তবে তারা তোমাকে মহান আল্লাহ পাক উনার পথ হতে (হেদায়েতের পথ থেকে) বিচ্যুত করবে; আর তারা শুধু অমূলক ধারণার অনুসরণ করে এবং সম্পূর্ণ কাল্পনিক কথা বলে।” (পবিত্র সূরা আনআম শরীফঃ পবিত্র আয়াত শরীফ ১১৬)

(২) “(হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) সম্মানিত নবুওওয়াত মুবারক উনার প্রমাণ পাওয়া সত্বেও) অধিকাংশ লোক ঈমাণ গ্রহণ করছে না; যদিও আপনি আকাংখা করছেন।” (পবিত্র সূরা ইউসুফ শরীফঃ পবিত্র আয়াত শরীফ ১০৩)

(৩) “অধিকাংশ লোক মহান আল্লাহ পাক উনাকে মেনেও থাকে এবং তারা শিরিকও করে থাকে।” (পবিত্র সূরা ইউসুফঃ পবিত্র আয়াত শরীফ ১০৬)

(৪) “বরং অধিকাংশ লোক জ্ঞানহীন (অজ্ঞ)! (পবিত্র সূরা নামল শরীফঃ পবিত্র আয়াত শরীফ ৬১) উপরোল্লেখিত পবিত্র আয়াত সমূহ ছাড়াও আরো অনেক পবিত্র আয়াত শরীফেই অধিকাংশ লোকদের অনুসরণ না করার জন্য আদেশ করা হয়েছে।
পক্ষান্তরে যুগে যুগে অল্প সংখ্যক লোকই নাজাত প্রাপ্ত হয়েছেন তার বর্ণনাও পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফে এরশাদ হয়েছে।
(১) “তোমরা ছলাত প্রতিষ্ঠা কর এবং যাকাত আদায় কর; অতঃপর স্বল্প সংখ্যক লোক ব্যতীত তোমরা বিরুদ্ধভাবাপন্ন হয়ে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলে।” (পবিত্র সূরা বাকারা শরীফঃ পবিত্র আয়াত শরীফ ৮৩)

(২) “তারা বলে আমাদের অন্তর আচ্ছাদিত বরং তাদের কুফরের কারণে মহান আল্লাহ পাক তিনি তাদের উপর লা’নত বর্ষণ করেছেন। অতএব তাদের অল্প লোকই ঈমান আনে।” (পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফঃ পবিত্র আয়াত শরীফ ৮৮)

(৩) “কিন্তু তাদের কুফরীর জন্য মহান আল্লাহ পাক তাদের প্রতি লা’নত বর্ষণ করেছেন। তাদের অল্প সংখ্যকই ঈমান আনে।” (পবিত্র সূরা নিসা শরীফঃ পবিত্র ৪৬)
(৪) “আপনি সর্বদা তাদের অল্প সংখ্যক ব্যতীত সকলকেই প্রতারণা করতে দেখতে পাবেন।” (পবিত্র সূরা মায়েদা শরীফঃ পবিত্র ১৩)

উপরোল্লেখিত প্রথম ৪টি পবিত্র আয়াত শরীফে স্পষ্ট ভাবে প্রতীয়মান হলো যে, অধিকাংশ লোকই বিপথগামী, জ্ঞানহীন এবং তারা মুসলমানদের জন্য অনুসরণীয় নয়। আর পরের ৪ টি পবিত্র আয়াত শরীফে দেখা গেলো স্বল্প সংখ্যক লোকই সব সময় মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক অর্জন করতঃ কামিয়াবী হাছিল করেছে এবং করবে। সুবহানাল্লাহ!

02/01/2026

আমাদের সবচেয়ে বড় পরিচয় হচ্ছে সম্মানিত মুসলমান!! ঢাকা রাজারবাগ শরীফ ও মালিবাগ মোড় থেকে সুন্নি প্রেমিক মুসলমানরা আজ বাদ জুমুয়া শরীফ উনার পরপর বিশাল এক জুলুস মিছিল ও মানববন্ধন সারা ঢাকায় অনুষ্ঠিত করেন। বললেন শবে মেরাজের ছুটি ও রমজান মাসে ছুটির দেওয়ার দাবিতে প্রতিবাদী সমাবেশ ও সরকারকে কঠিন হুঁশিয়ারি ও সর্তকতা করে দিলেন। ছুটি চাই ছুটি দিতেই হবে এটা ৯৮ % মুসলমানদের দাবি

02/01/2026
থার্টি ফার্স্ট নাইট এর ইতিহাস!======================অনেক মুসলিম ভাই বোনরাই জানেননা যে এই থার্টি ফার্স্ট নাইট উৎযাপন কে শ...
31/12/2025

থার্টি ফার্স্ট নাইট এর ইতিহাস!
======================
অনেক মুসলিম ভাই বোনরাই জানেননা যে এই থার্টি ফার্স্ট নাইট উৎযাপন কে শুরু করল? কেন শুরু করা হলো? না জেনে তারা সবার মত উৎযাপন করে যায় বছর বছর। অথচ এটা চিন্তা করে দেখেনা অন্য দিনের মত এটাও তো একই রকম একটা দিন। কেন এটাকে সেলিব্রেট করতে হবে? এর তো অন্য দিনের তুলনায় কোন আলাদা বৈশিষ্ট্য নেই তাহলে উৎযাপন করার প্রয়োজন কি?
হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম উনার জন্মের ৪৬ বছর আগে রোমান মুশরিকরা Janus নামে এক ইশ্বরের ইবাদত করত যাকে তারা God of beginnings বা শুরুর স্রষ্টা রূপে জানত। মূলত তারা অনেকজন সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাসী ছিল তার মধ্যে Janus ছিল অন্যতম। তাদের বিশ্বাস ছিল Janus অতিত ভবিষ্যৎ এর সব কিছুই জানে ও ভবিষ্যৎ নিয়ন্ত্রনে ক্ষমতা রাখে। এই Janus এর নাম অনুসারে বছরের প্রথম মাসের নাম দেয়া হয় January। এই মাস চলে আসলে তারা সেলিব্রেট করে তাদের ইশ্বর Janus কে খুশি করে যেন Janus তাদের বছরটি মঙ্গলের মধ্যে রাখে। আপনারা যদি Janus এর মূর্তির ছবি দেখেন তাহলে দেখবেন এর দুইটা মাথা। দুপাশে দুইটা মাথা দ্বারা নির্দেশ করে এটি সামনে পিছনে সব দিকেই দেখতে পায় প্রতীকী ভাবে বোঝান হয় এটি অতিত ভবিষ্যৎ সবই দেখতে পায়।
এই বিশ্রি-শিরকী আকিদায় কোন মুসলিমই সমর্থন দিতে পারেননা। আসলে সকল দিনই মহান আল্লাহ পাক উনার। শুধুমাত্র আল্লাহ-ই জানেন ভবিষ্যতে কি ঘটবে। না জেনে অনেকেই এই থার্টি ফার্স্ট নাইটের নোংরামিতে মেতে থাকে। তারা চিন্তাও করে দেখে না সকল দিনই তো মহান আল্লাহ পাক উনার নির্দেশে শুরু হয় তাহলে এই একটি দিনে কি আছে যে সেলিব্রেট করতে হবে?
এই দিনের জন্য আগে থেকেই মদ গাজা সহ বিভিন্ন ধরনের নেশা জাতীয় দ্রব্য পর্যাপ্ত পরিমানে প্রস্তুত রাখা হয় যেন মদ, গাজা খেয়ে নেশায় মেতে থাকতে মুনাফিক গুলোর কোন সমস্যা না হয়। তরুন তরুনিরা হোটেলে হোটেলে নোংরামিতে মেতে থাকে। ডিজে পার্টি, বারবিকিউ পার্টির নামে ছেলে মেয়েরা অশ্লীলতায় মেতে উঠে। কোন রুচিশীল মানুষই এগুলো সমর্থন করতে পারেনা।
সকল মুসলিম ভাই-বোনদের কাছে অনুরোধ রইল এই থার্টি ফার্স্ট নাইটের নোংরামি থেকে দূরে থাকুন ও যতদূর সম্ভব সবাইকে দূরে থাকতে বলুন। Happy new year বলা বর্জন করুন। কেউ Happy new year বললে তাকে নসীহত করুন আপনার সাধ্যানুযায়ী।
বি:দ্র: মুসলমানদের জন্য বরকত লাভ করার জন্য মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা সহ আরো,, একটি দিবস দিয়েছেন। সেটা হলো পবিত্র আশূরা শরীফ তথা মুহররমুল হারাম মাসের ১০ তারিখ। এই দিনে ভালো খাদ্য খেলে এবং পরিবারকে খাওয়ালে মহান আল্লাহ পাক তাকে এক বছরের সচ্ছলতা দান করবেন। সুবহানাল্লাহ! যেটা পবিত্র হাদীছ শরীফ দ্বারা প্রমাণিত। এছাড়াও এদিনের আরো অনেক ফযীলত রয়েছে। মহান আল্লাহ পাক সমস্ত মুসলিমদেরকে কাফিরদের বদ রসম থেকে হিফাজত করুন। আমীন!

28/12/2025

সারা দেশেই কয়েকদিন ধরে দাপট দেখাচ্ছে শীত। তবে আজ রবিবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলায়।

হাওর অধ্যুষিত এ উপজেলায় সকালে তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

নিকলী আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম মাছুম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

Address

House-71/C, Road-12A, Sector-10, Uttara
Dhaka
1230

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Cure Pharma posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram