Cure Pharma

Cure Pharma কখনো মিথ্যা কথা বলো না। সদা সত্য কথা বলিবে।

08/03/2026
04/03/2026
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত ১২জন খলিফা নিম্নরুপঃ- ১. ছিদ্দীক্বে আকবর হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্ব আলাইহিস সালাম। ২. ফা...
04/03/2026

পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত ১২জন খলিফা নিম্নরুপঃ-

১. ছিদ্দীক্বে আকবর হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্ব আলাইহিস সালাম।
২. ফারূক্বে আ’যম হযরত উমর ইবনুল খত্তাব আলাইহিস সালাম।
৩. হযরত উছমান যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম।
৪. আসাদুল্লাহিল গালিব হযরত আলী র্কারামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম।
৫. ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদু শাবাবি আহলিল জান্নাহ হযরত ইমাম হাসান আলাইহিস সালাম।
৬. ছাহিবুস সির হযরত মুয়াবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু।
৭. হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে জুবাইর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু।
৮. হযরত ওমর বিন আব্দুল আযীয রহমতুল্লাহি আলাইহি।
৯. সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি।
১০. হযরত আস সাফফাহ আলাইহিস সালাম।
১১. হযরত আল মানছুর আলাইহিস সালাম এবং
১২. হযরত ইমাম মাহদী আলাইহিস সালাম।

উপরে উল্লেখিত ১২ জনের মধ্যে ৯ জন দুনিয়া থেকে বিশালী শান মুবারক প্রকাশ করেছেন আর বাকী ৩ জন। উনারা হচ্ছেন শেষের ৩ জন মহান খলীফা আলাইহিমুস সালাম উনারা বাকী রয়েছেন। উনাদের মুবারক শানে আলাদা ভাবে সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেঃ-

عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰی عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنَّا السَّفَّاحُ وَمِنَّا الْـمَنْصُوْرُ وَمِنَّا الْـمَهْدِىُّ.

অর্থঃ “হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, আমার সম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মধ্য থেকে আখাছুল খাছ তিন জন বিশেষ খলীফা আলাইহিমুস সালাম হবেন। উনারা হচ্ছেন- এক. হযরত আস সাফফাহ আলাইহিস সালাম, দুই. হযরত আল মানছুর আলাইহিস সালাম এবং তিন. হযরত ইমাম মাহদী আলাইহিস সালাম।”

দলীল সুত্রঃ (দালাইলুন নুবুওওয়াহ লিল বাইহাক্বী-৬/৫১৪, খছাইছুল কুবরা লিস সুয়ুত্বী-২/২০৩, জামিউল আহাদীছ লিস সুয়ুত্বী-৭/৪১৯ এবং ২০/১৯৬, সুবুলুল হুদা ওয়ার রশাদ ১০/৯২ ইত্যাদি)

28/02/2026

ওসমানী খেলাফতের পর ব্রিটিশরা জাজিরাতুল আরবকে অনেকগুলো রাষ্ট্রে বিভক্ত করে ফেলে।

খণ্ড-বিখণ্ড এই আরব রাষ্ট্রগুলো নামে স্বাধীন রাষ্ট্র হলেও প্রকৃতপক্ষে এখন পর্যন্ত তারা আ"মেরিকার নিয়ন্ত্রণাধীন। অর্থাৎ তারা স্বাধীন নয়।

ইসsরাইলকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে আ"মেরিকা সমস্যা জিইয়ে রেখে আরব রাষ্ট্রগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করে যাচ্ছে দশকের পর দশক!

এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে ইsরায়েলকে জবাব দেওয়ার সক্ষমতা আছে একমাত্র ইরানের।

তাই, এই মুহূর্তে মধ্যপ্রাচ্যের মা"র্কিন তাঁবেদার আরব রাষ্ট্রগুলোর উচিত- ইরানের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে ইsরাইলকে নি"শ্চি"হ্ন করে দেয়া! এবং মা"র্কিন ঘাটিগুলো মধ্যপ্রাচ্য থেকে বের করে দেয়া।

এটা করতে পারলে মধ্যপ্রাচ্যের রাষ্ট্রগুলো ইsরাইলি হুমকি এবং আ"মেরিকার গোলামী থেকে মুক্তি পাবে! প্রকৃত স্বাধীনতা পাবে তারা!

27/02/2026

বিধর্মীদের চক্রান্তে পাকিস্তান আফগানিস্তান যুদ্ধ হচ্ছে।
মহান আল্লাহ পাক রমাদ্বান মাসের উছিলায় এই যুদ্ধ বন্ধ করে ভ্রাতৃত্ববন্ধন দান করুন।
আমিন।

23/02/2026

হুজ্জাতুল ইসলাম হযরত ইমাম গাজ্জালী রহমাতুল্লাহি আলাইহি তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ ইহইয়াউ উলূমিদ্দীন-এ জবানের গুনাহ ও তার ভয়াবহতা সম্পর্কে গভীর ও সতর্কতামূলক আলোচনা করেছেন। তিনি দেখিয়েছেন—মানুষের অধিকাংশ পাপ জিহ্বা থেকেই সৃষ্টি হয়!!
========================================
জবান দ্বারা সংঘটিত ১৯টি গুনাহের কাজঃ—
১. মিথ্যা বলা
২. গীবত (পরনিন্দা) করা
৩. অপবাদ/মিথ্যা দোষারোপ করা
৪. চোগলখোরি (একজনের কথা আরেকজনের কাছে লাগানো)
৫. গালি-গালাজ করা
৬. অশ্লীল কথা বলা
৭. তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য বা উপহাস করা
৮. কাউকে অভিশাপ দেওয়া
৯. মিথ্যা কসম খাওয়া
১০. অন্যায় প্রশংসা করা (তোষামোদ করা)
১১. আল্লাহ ও রাসূল ﷺ সম্পর্কে অসম্মানজনক কথা বলা
১২. কুরআন-হাদিস নিয়ে ঠাট্টা করা
১৩. ঝগড়া-বিবাদে কটু কথা বলা
১৪. মানহানি করা
১৫. অশান্তি সৃষ্টি করে এমন গুজব ছড়ানো
১৬. অকারণে বেশি কথা বলে অন্যকে কষ্ট দেওয়া
১৭. সত্য গোপন করা (যেখানে বলা ফরজ বা প্রয়োজনীয়)
১৮. অন্যের গোপন কথা ফাঁস করা
১৯. খারাপ কাজে উৎসাহ দেওয়া

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ!প্রিয় মুসলমান ভাই ও বোনোরা,বর্তমানে আমরা পবিত্র রমাদান শরীফ মাসে অবস্থান করছি। এই সম্মা...
22/02/2026

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ!

প্রিয় মুসলমান ভাই ও বোনোরা,
বর্তমানে আমরা পবিত্র রমাদান শরীফ মাসে অবস্থান করছি। এই সম্মানিত মাস মুসলিম উম্মাহর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মাস। এই পবিত্র মাসের একটি অন্যতম আমল হচ্ছে পবিত্র যাকাত ও ফিতরা আদায় করা। সম্মানিত দ্বীন ইসলামে এই পবিত্র মাসকে যাকাত আদায়ের মাস বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে।

পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন ছুবহে ছাদিকের সময় যাদের নিকট ৭.৫ ভরি স্বর্ণ অথবা ৫২.৫ ভরি রূপা অথবা এর সমপরিমাণ মুল্য, যা ৭ই শা'বান শরীফ ১৪৪৭ হিজরী মুতাবিক ২৯ ছামিন ১৩৯৩ শামসী তারিখের হিসাব অনুযায়ী ২ লক্ষ ৩৩ হাজার টাকা বা সমমূল্যের সম্পদ থাকে তাদের প্রত্যেককেই নিজের এবং অধীনস্থদের পক্ষ হতে নিজ নিজ এলাকা অনুযায়ী ১৬৫৭ গ্রাম আটা বা এর সমপরিমাণ মূল্য ছদক্বাতুল ফিতর হিসেবে আদায় করতে হবে। ঢাকা শহরে ভালো আটা ৭০/-টাকা কেজি হিসেবে এ বছর ছদক্বাতুল ফিতর ১১৬/- টাকা। ছদকাতুল ফিতর আদায় না করলে রোযাসমূহ আসমান-যমীনের মাঝে ঝুলন্ত অবস্থায় থাকে। রোযার ত্রুটি-বিচ্যুতিসমূহ পবিত্র ছদকাতুল ফিতর আদায়ের মাধ্যমে দূর হয়ে যায়। তা পবিত্র রমাদ্বান শরীফেই আদায় করা উত্তম।

সম্পদের যাকাতঃ নিত্য প্রয়োজনীয় সম্পদ ব্যতীত নিছাব পরিমাণ মাল অর্থাৎ এ বছর ২ লক্ষ ৩৩ হাজার টাকা বা সমমূল্যের সম্পদ যদি কারো মালিকানায় পূর্ণ এক বৎসর থাকে, তাহলে উক্ত সম্পদের শতকরা ২.৫ ভাগ যাকাত হিসেবে আদায় করা ফরয।

বিশ্বব্যাপী আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত উনার আক্বীদাহ-বিশ্বাস এবং সর্বোচ্চ সুন্নত মুবারক উনার প্রচার-প্রসারে এক অনন্য প্রতিষ্ঠান হচ্ছে- মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদরাসা ইয়াতীমখানা ও লিল্লাহ বোর্ডিং ।
তাই আপনার যাকাত এবং ফিতরা আমাদের মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদরাসা ইয়াতীমখানা ও লিল্লাহ বোর্ডিংয়ে দেয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করছি ।

মুহম্মদ খালেদুর রহমান খান
০১৭১৮৮৬৮৪৫১ (বিকাশ পারসোনাল)

সুওয়াল: বর্তমানে মসজিদের ভিতরে চেয়ারে বসে নামায আদায় করার ব্যাপারে তীব্র মতভেদ দেখা যাচ্ছে। কেউ বলছেন, মসজিদের ভিতরে চেয়...
21/02/2026

সুওয়াল: বর্তমানে মসজিদের ভিতরে চেয়ারে বসে নামায আদায় করার ব্যাপারে তীব্র মতভেদ দেখা যাচ্ছে। কেউ বলছেন, মসজিদের ভিতরে চেয়ারে বসে নামায আদায় করা জায়িয নেই। আবার কেউ বলছে জায়িয। উভয়েই পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ ও ফিক্বাহের কিতাব থেকে দলীল দিয়ে থাকে। এখন আমরা কোনটা গ্রহণ করবো? বহুল প্রচারিত দলীলভিত্তিক মাসিক আল বাইয়্যিনাত-এ এ বিষয়ে পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে সঠিক ফায়সালা তুলে ধরলে সাধারণ মুসলমানগণ উপকৃত হতো।

জাওয়াব: পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে মসজিদের ভিতরে বা মসজিদের বাহিরে চেয়ারে বসে নামায আদায় করার সঠিক ফায়সালা হচ্ছে, মসজিদের ভিতরে হোক অথবা মসজিদের বাহিরে হোক, দাঁড়াতে সক্ষম হোক অথবা দাঁড়াতে অক্ষম হোক, প্রত্যেক অবস্থাতেই চেয়ার, টেবিল, টুল, বেঞ্চ অথবা অনুরূপ (পা ঝুলে থাকে এমন) কোন আসনে বসে নামায আদায় করা কাট্টা হারাম, নাজায়িয ও বিদয়াতে সাইয়্যিয়াহ এবং নামায বাতিল হওয়ার কারণ। এ ফতওয়াটি ছহীহ, দলীলভিত্তিক ও গ্রহণযোগ্য। এর খিলাফ কোন ফতওয়াই ছহীহ, দলীলভিত্তিক ও গ্রহণযোগ্য নয়।

আমরা ধারাবাহিকভাবে উল্লিখিত বিষয়ে দলীল-আদিল্লাহ পেশ করার পাশাপাশি যারা চেয়ার, টেবিল, টুল ও বেঞ্চে বসে নামায পড়াকে জায়িয বলে, তাদের সে সমস্ত বক্তব্যগুলো নির্ভরযোগ্য দলীল দ্বারা খ-ন করবো। ইন্শাআল্লাহ!

উল্লেখ্য যে, বিগত দুটি সংখ্যায় আমরা প্রমান করেছি যে, মসজিদের ভিতরে, নামায পড়ার উদ্দেশ্যে চেয়ার, টেবিল, টুল, বেঞ্চ অথবা অনুরূপ (পা ঝুলে থাকে এমন) কোন আসন ইত্যাদি প্রবেশ করানো এবং চেয়ারে বসে নামায পড়া উভয়টিই বিদয়াতে সাইয়্যিয়াহ বা হারাম। অর্থাৎ সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে পবিত্র মসজিদের ভিতরে হোক বা অন্য যেকোনো স্থানেই হোক না কেন, কোন অবস্থাতেই চেয়ারে বসে নামায পড়া জায়িয নেই। বরং বিদয়াতে সাইয়্যিয়াহ বা হারাম এবং নামায বাতিল হওয়ার কারণ। কেননা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম, তাবিয়ীন, তাবি-তাবিয়ীন, ইমাম-মুজতাহিদ রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের কেউ অসুস্থ অবস্থাতেও কখনো চেয়ারে বসে নামায পড়েছেন এরূপ কোন প্রমাণ পাওয়া যায়না।

অথচ পবিত্র নামাযসহ প্রতিটি ইবাদতের ক্ষেত্রেই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মধ্যে উত্তম আদর্শ মুবারক রয়েছে। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-

لقد كان لكم فى رسول الله اسوة حسنة

অর্থ: অবশ্যই তোমাদের জন্য নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মধ্যেই রয়েছে উত্তম আদর্শ মুবারক। সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ২১)

আর তাই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ছিহহাতি শান মুবারক প্রকাশ করাবস্থায় (সুস্থাবস্থায়) কিভাবে নামায আদায় করেছেন তা যেরূপ সম্মানিত শরীয়ত উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে তদ্রƒপ মারীদ্বী শান মুবারক প্রকাশ করাবস্থায় (অসুস্থাবস্থায়) কিভাবে পবিত্র নামায আদায় করেছেন তাও সুস্পষ্টভাবে বর্ণিত রয়েছে। যদি তাই হয়ে থাকে তবে চেয়ারে বসে নামায পড়ার বিষয়ে এত মতভেদের কি কারণ থাকতে পারে? নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মারীদ্বী শান মুবারক প্রকাশ করাবস্থায় (অসুস্থাবস্থায়) কিভাবে নামায আদায় করেছেন সেটা লক্ষ্য করলেই তো হয়।

পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে সুস্পষ্টভাবেই জানিয়ে দেয়া হয়েছে যে-

عن حضرت مالك بن الحويرث رضى الله تعالى عنه قال قال لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم صلوا كما رأيتمونى اصلى

অর্থ: হযরত মালিক ইবনে হুয়াইরিছ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমাদেরকে বলেছেন, তোমরা ঐভাবে নামায পড়ো, যেভাবে আমাকে নামায পড়তে দেখেছো। (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ, মিশকাত শরীফ)

তাই আসুন এখন আমরা দেখে নেই যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মারীদ্বি শান মুবারক প্রকাশ করাবস্থায় (অসুস্থাবস্থায়) কিভাবে পবিত্র নামায আদায় করেছেন।

যেমন “বুখারী শরীফ” কিতাবের ১ম খণ্ডের ৯৫ পৃষ্ঠায় এ সম্পর্কিত একটি অধ্যায় রয়েছে। তাতে উল্লেখ আছে যে-

صلى النبى صلى الله عليه وسلم فى مرضه الذى توفى فيه بالناس وهو جالس

অর্থ: “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যে মারীদ্বি (অসুস্থতা) শান মুবারক প্রকাশ করার পর বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন, উক্ত মারীদ্বি শান মুবারকে তিনি হযরত ছাহাবায়ে কেরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে নিয়ে যমীনে বসেই পবিত্র নামায মুবারক আদায় করেছেন।”

অনুরূপভাবে বুখারী শরীফ উনার বিশ্বখ্যাত ও নির্ভরযোগ্য ব্যাখ্যাগ্রন্থ “উমদাতুল ক্বারী” কিতাবের ৫ম খ-ের ২১৩ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে-

صلى النبى صلى الله عليه وسلم فى مرضه الذى توفى فيه بالناس وهو جالس

অর্থ: “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যে মারীদ্বি (অসুস্থতা) শান মুবারক প্রকাশ করার পর বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন উক্ত মারীদ্বি শান মুবারকে তিনি হযরত ছাহাবায়ে কেরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে নিয়ে যমীনে বসেই পবিত্র নামায মুবারক আদায় করেছেন।”

“বুখারী শরীফ” কিতাবের ১ম খণ্ডের ৯৫ পৃষ্ঠায় ৩নং হাশিয়ায় উল্লেখ আছে-

فان النبى صلى الله عليه وسلم صلى فى مرضه الذى توفى فيه وهو جالس

অর্থ: “নিশ্চয়ই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যে মারীদ্বি (অসুস্থতা) শান মুবারক প্রকাশ করার পর বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন, উক্ত মারীদ্বি শান মুবারকে তিনি যমীনে বসেই পবিত্র নামায মুবারক আদায় করেছেন।”

“উমদাতুল ক্বারী” কিতাবের ৫ম খণ্ডের ২১৪ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে-

فان النبى صلى الله عليه وسلم صلى فى مرضه الذى توفى فيه وهو جالس

অর্থ: “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যে মারীদ্বি (অসুস্থতা) শান মুবারক প্রকাশ করার পর বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন উক্ত মারীদ্বি শান মুবারক প্রকাশ করার পর তিনি হযরত ছাহাবায়ে কেরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে নিয়ে যমীনে বসেই পবিত্র নামায মুবারক আদায় করেছেন।” (চলবে)

Address

House-71/C, Road-12A, Sector-10, Uttara
Dhaka
1230

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Cure Pharma posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram