Life Light Medicare

Life Light Medicare Life Light Medicare একটি মেডিকেল পোডাক্টের বিশ্বস্ত অনলাইন মার্কেট প্লেস। Medical Surgical

🧪 কোন রোগের জন্য কোন টেস্ট করাবেন? জেনে নিন, ভুল চিকিৎসা হতে নিরাপদে থাকুন!! 🧬🔹 জ্বর বা ইনফেকশন হলে:✅ CBC (Complete Bloo...
17/07/2025

🧪 কোন রোগের জন্য কোন টেস্ট করাবেন? জেনে নিন, ভুল চিকিৎসা হতে নিরাপদে থাকুন!! 🧬

🔹 জ্বর বা ইনফেকশন হলে:
✅ CBC (Complete Blood Count)
✅ ESR
✅ Dengue, Malaria বা Typhoid Test (উপসর্গ অনুযায়ী)

🔹 ডায়াবেটিস সন্দেহ হলে:
✅ Fasting Blood Sugar (খালি পেটে)
✅ 2 Hours After Breakfast (2HABF)
✅ HbA1c (গত ৩ মাসের গ্লুকোজের গড়)

🔹 থাইরয়েড সমস্যা হলে:
✅ TSH
✅ T3, T4

🔹 লিভারের সমস্যা বা হেপাটাইটিস সন্দেহ হলে:
✅ LFT (Liver Function Test)
✅ HBsAg
✅ Anti-HCV

🔹 কিডনির সমস্যা হলে:
✅ Creatinine
✅ Urea
✅ Urine R/E (Urine Routine and Microscopy)

🔹 হার্টের সমস্যা বা বুক ধড়ফড় করলে:
✅ ECG
✅ Troponin I
✅ Lipid Profile
✅ Echocardiogram (ডাক্তারের পরামর্শে)

🔹 পেট ব্যথা, গ্যাস্ট্রিক বা হজমে সমস্যা হলে:
✅ USG Whole Abdomen
✅ Endoscopy (প্রয়োজনে)
✅ H. Pylori Test

🔹 মেয়েদের PCOS বা অনিয়মিত পিরিয়ড হলে:
✅ USG Lower Abdomen
✅ LH, FSH
✅ Prolactin
✅ TSH
✅ AMH (বাচ্চা নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলে)।

🔹 প্রেগন্যান্সি টেস্ট:
✅ Urine β-hCG
✅ USG Pregnancy Profile

🔹 আর্থ্রাইটিস বা হাড়ের ব্যথা হলে:
✅ RA Factor
✅ CRP
✅ Uric Acid
✅ X-ray (প্রয়োজনে)।

🔹 রক্তস্বল্পতা (অ্যানিমিয়া) সন্দেহে:
✅ CBC
✅ Serum Iron
✅ Ferritin
✅ Vitamin B12

💡 মনে রাখবেন:
বিনা কারণে টেস্ট করানো যেমন ঠিক নয়, তেমনি দেরি করাও বিপজ্জনক। আপনার শরীরের সংকেতকে অবহেলা করবেন না। ভালো চিকিৎসার শুরু হয় সঠিক টেস্টের মাধ্যমে। তাই উপসর্গ দেখলেই দেরি না করে একজন রেজিস্টার্ড ডাক্তারের পরামর্শ নিন এবং প্রয়োজনীয় টেস্ট করান।

🩺 সচেতন থাকুন, সুস্থ থাকুন!..

28/08/2022
রোগ নিরাময়ে কার্যকর কিছু ভেষজ ঔষধের কথা।
27/07/2022

রোগ নিরাময়ে কার্যকর কিছু ভেষজ ঔষধের কথা।

প্রচণ্ড গরমে তৃষ্ণা নিবারণের জন্য সোডা ড্রিংস (কোক, ফানটা, স্প্রাইট, সেভেনাপ ইত্যাদি) পান করিলে ডিহাইড্রেশন উল্টো বেড়ে য...
19/07/2022

প্রচণ্ড গরমে তৃষ্ণা নিবারণের জন্য সোডা ড্রিংস (কোক, ফানটা, স্প্রাইট, সেভেনাপ ইত্যাদি) পান করিলে ডিহাইড্রেশন উল্টো বেড়ে যাবে এবং কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এই ড্রিংসগুলো মিষ্টি করার জন্য যে ফ্রুক্টোজ-গ্লুকোজ দ্রবণ থাকে তা ওসমোলারিটি এবং কোপেপ্টিন বাড়িয়ে দিয়ে শরীর থেকে আরো বেশি পরিমাণে পানি বের করে দেয়। উপরন্তু, এল্ডোজ রিডাক্টেজ এবং ফ্রুক্টোকাইনেজ অ্যাকটিভেট করে দিয়ে কিডনিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে (রেফারেন্স কমেন্টে)।
এই গরমে চা, কফি এবং সোডা ড্রিংক্স পরিহার করুন। শশা, টমেটো, আপেল, তরমুজ ইত্যাদি পানি-যুক্ত ফল-সব্জির উপর নির্ভরশীল হতে পারেন।

যে গাছের পাতা খেলে গলে বেরিয়ে যাবে কিডনির পাথরতুলসী আমাদের সবার পরিচিত একটি ঔষধিগাছ। এ গাছের পাতায় বহু রোগ সারানোর উপকা...
13/07/2022

যে গাছের পাতা খেলে গলে বেরিয়ে যাবে কিডনির পাথর

তুলসী আমাদের সবার পরিচিত একটি ঔষধিগাছ। এ গাছের পাতায় বহু রোগ সারানোর উপকারি গুণ রয়েছে। তুলসী পাতার রস বা চা প্রতিদিন একগ্লাস করে পান করলে, আমাদের কিডনিতে পাথর হওয়ার আশংকা কমে যায়।

আর যদি কিডনিতে পাথর জমে তাহলে তুলসী পাতার রস টানা ৬ মাস পান করলে সেই পাথর গলে প্রস্রাবের সঙ্গে বেরিয়ে যায়।এছাড়া সর্দি, কাশি, কৃমি, প্রস্রাবে জ্বালা কমায়, হজমকারক ও কফ গলাতে দারুন কাজ করে তুলসী পাতা।

এটি ক্ষত সারাতে এন্টিসেপটিক হিসেবেও কাজ করে।তুলসিপাতা দিয়ে চা ও মিশ্রণ তৈরির কয়েকটি প্রস্তুত প্রণালী নিম্নে দেয়া হলো :

তুলসী পানি। উপকরণ : দুই কাপ পানি ও কয়েকটি পাতা।
প্রস্তুত প্রণালী : একটি পাত্রে দুই কাপ পানি নিন। এর সঙ্গে কয়েকটি তুলসিপাতা সিদ্ধ করুন। ফুটে উঠলে নামিয়ে পান করতে পারেন। এই মিশ্রণটি গলা ব্যথা ও খুসখুসে কাশি কমিয়ে আপনাকে আরাম দেবে।

তুলসী-চা
উপকরণ : ১০-১৫টি তুলসীপাতা, গুড়, পানি ও লেবুর রস।

প্রস্তুত প্রণালী : প্রথমে গুড় ও তুলসীপাতা বেটে নিন। এর মধ্যে দেড় কাপ পানি ও এক চামচ লেবুর রস মিশিয়ে চুলায় বসান। মিশ্রণটি ফুটে উঠলে নামিয়ে ফেলুন। এই চা পান করলে আপনার শরীর উষ্ণ থাকবে।

উপকরণ : এক টুকরো আদা, গোলমরিচ, লবঙ্গ, তুলসীপাতা, দারুচিনি, এলাচ পরিমাণ মতো।

প্রস্তুত প্রণালী : পরিমাণমতো পানিতে উপরের উপকরণগুলো মিশিয়ে জ্বাল দিন।১০ মিনিট পর নামিয়ে ছেকে পান করতে পারেন। এই ভেষজ তুলসী-চা আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়া রোগ থেকে বাঁচানোর ক্ষমতা রাখে।

হার্বাল জুস
উপকরণ : আজওয়াইন, তুলসীপাতা, জিরা, আমচুর গুঁড়া, লবণ এবং পুদিনা পাতা পরিমাণ মতো।
প্রস্তুত প্রণালী : চার কাপ পানিতে উপরের উপকরণগুলো মিশিয়ে ১০-১৫ মিনিট জ্বাল দিন। এরপর পান করুন। এই জুস প্রতিদিন পান করেল হজমশক্তি বাড়বে এবং পানিশূন্যতা থেকেও আপনাকে রক্ষা করবে

এছাড়া বিভিন্ন রোগে তুলসী পাতার ব্যবহার
শক্তিহীনতা : তুলসী পাতা বেঁটে ১০ গ্রামের বড়ি বানিয়ে দৈনিক ১/২ বার খেলে দুর্বল ব্যক্তি শরীরে শক্তি ফিরে পাবেন।

আমবাত বা এলার্জী : তুলসী পাতার রসের সঙ্গে সমপরিমাণের কাঁচা হলুদের রস এবং দুর্বাঘাসের রস মিশিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যায়।

দাদ : কালো তুলসী পাতা বেঁটে অল্প সেবন দিয়ে ঘা জায়গায় ভালো করে চুলকিয়ে দিনে ২/৩ বার লাগালে দাদ কমে যায়।

কাশি : এক চামচ আদার রস সমপরিমাণ তুলসীর রস এবং মধু খেলে দীর্ঘস্থায়ী কাশি কমে যায়।

বহুমুত্র : তুলসী, বেলপাতা এবং নিমপাতা সমপরিমাণে বেঁটে লাড্ডু বানিয়ে শুকিয়ে রেখে দিতে হয়। দিনে ২/৩ বার এ বড়ি খেলে বহুমুত্র রোগ ধীরে ধীরে উপশম হয়।

অজীর্ণ : বদহজম বা অজীর্ণ রোগে তুলসী পাতা অপরিহার্য। কয়েকটি তুলসী পাতা বেঁটে ৩/৪টি গোলমরিচ গুঁড়ো করে খেলে বদহজম দূর হয়।

সাদা দাগ : তুলসী পাতার রস কাঁচা হলুদের রসের সঙ্গে সামান্য দুধ মিশিয়ে দিনে ৩/৪ বার লাগালে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সাদা দাগ দূর হয়।

খাদ্যে বিষক্রিয়া : খাদ্যে বিষক্রিয়া হলে কিংবা বিষ খেয়ে ফেললে রোগীকে প্রচুর পরিমাণে তুলসীর রস খাওয়ালে মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা করা যায়।

অন্ডকোষ টনটন করলে : তুলসী পাতার রস ছোট চামচের ৫ চামচের সাথে চামচ মিছরি মিশিয়ে রোজ ৩/৪ বার খেলে ব্যথা কমে যায়।

মুখে কালো দাগ : কালো তুলসীর রসের সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে ৭/৮ দিন ২/৩ বার লাগালে কালো দাগ উঠে যায়।

কান পাকা : তুলসী পাতার রস সামান্য গরম করে কানে দিলে কানপাকা ভালো হয়।

চুল পড়া : তুলসী পাতার রস এবং আমলকী বেঁটে আধা ঘণ্টা মাথায় রাখলে চুলপড়া বন্ধ হয়।

অতিরিক্ত বমি হলে : ঘন ঘন বমি হলে তুলসীর রস এবং মধু সমপরিমাণে মিশিয়ে খেলে শীঘ্রই বমি বন্ধ হয়ে যায়।

চোখ উঠলে : তুলসী পাতার রস দিনে ৩/৪ বার ব্যবহার করলে চোখের যন্ত্রণা কমে যায়।

হাঁপানি : আদার রসের সঙ্গে সমপরিমাণে মধু এবং কালো তুলসীর রস সকাল-বিকাল ২/৩ চামক করে খেলে কিছুদিনের মধ্যে এ রোগ ভালো হয়।

ম্যালেরিয়া : নিয়মিতভাবে প্রতিদিন সকালে ৫ গ্রাম তুলসীর রস খেলে ধীরে ধীরে ম্যালেরিয়া কমতে সাহায্য করে।

গুটি বসন্ত : এ রোগ আরম্ভ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রতিদিন সকালবেলা খালি পেটে তুলসীর রস খেলে উপকার পাওয়া যায়।

যকৃতের রোগ : যকৃত বৃদ্ধি বা যকৃতে কোনো রোগ হলে তুলসীর পাতা সিদ্ধ করে ঐ পানি ঠান্ডা করে খেলে উপকার হয়

 #কোন রোগের সন্দেহে কোন টেস্ট? জেনে নিনচিকিৎসকগণ যেসকল পরীক্ষা দিয়ে থাকেন তার মাঝে যে কয়েকটি রয়েছেঃ১. সিবিসি২. রুটিন একজ...
13/06/2022

#কোন রোগের সন্দেহে কোন টেস্ট? জেনে নিন

চিকিৎসকগণ যেসকল পরীক্ষা দিয়ে থাকেন তার মাঝে যে কয়েকটি রয়েছেঃ

১. সিবিসি

২. রুটিন একজামিনেশান অব ইউরিন

৩. লিভার ফাঙ্কশান টেস্ট

৪. কিডনি ফাঙ্কশান টেস্ট ইত্যাদি।

৫. আরবিএস

৬. সিবিসি

৭. সিআরপি

৮. প্রোক্যালসিটোনিন

৯. ফেরেটিন

১০. আরবিএস

১১. এস ক্রিয়েটিনিন

১২. ডি ডাইমার

১৩. এইচআর সিটি স্ক্যান

১৪. এবিজি

১৫. আইএল-৬

১৬. আরটি পিসিআর

#সিবিসি: একটি সিবিসি একটি সাধারণ রক্ত পরীক্ষা যা বিভিন্ন কারণে করা হয়।

রোগীর সামগ্রিক স্বাস্থ্য পর্যালোচনা: রোগীর সাধারণ স্বাস্থ্যের ওপর নজর রাখতে এবং রক্তস্বল্পতা জাতীয় বিভিন্ন রোগের জন্য স্ক্রিন করার জন্য ডাক্তার একটি রুটিন মেডিকেল পরীক্ষার অংশ হিসাবে সিবিসি করার পরামর্শ দিতে পারে।

রোগের সামগ্রিক অবস্থা নির্ণয় করা: রোগীর দুর্বলতা, অবসন্নতা, জ্বর, প্রদাহ, ক্ষত বা রক্তপাতের অভিজ্ঞতা থাকলে ডাক্তার সম্পূর্ণ সিবিসি পরামর্শ দিতে পারে। সিবিসি পরীক্ষা এই লক্ষণগুলি ও লক্ষণগুলির কারণ নির্ণয় করতে সহায়তা করতে পারে। ডাক্তার যদি সন্দেহ করে যে রোগীর কোনও সংক্রমণ রয়েছে তবে পরীক্ষাটি এটি নির্ণয় নিশ্চিত করতেও সহায়তা করতে পারে।

চিকিৎসারত রোগীর বর্তমান অবস্থা নিরীক্ষণ: রোগীর রক্তের সেলকে প্রভাবিত করে এমন একটি রক্ত ব্যাধি দ্বারা চিহ্নিত হয়ে থাকেন তবে ডাক্তার রোগীর অবস্থার উপর নজর রাখতে সিবিসি ব্যবহার করতে পারেন।

রক্তের সেলের পরিমাণকে প্রভাবিত করতে পারে এমন কিছু গ্রহণ করা হলে রোগীর স্বাস্থ্যের নিরীক্ষণের জন্য সিবিসি ব্যবহার করা হয়।

সিবিসি সাধারণত একটি চূড়ান্ত নির্ণয়ের পরীক্ষা নয় । চিকিত্সক যে পরীক্ষার জন্য এই পরীক্ষার পরামর্শ দিয়েছেন তার উপর নির্ভর করে স্বাভাবিক পরিসরের বাইরে ফলাফলগুলি অনুসরণ করতে পারে বা নাও পারে।

উদাহরণস্বরূপ, যদি আপনি স্বাস্থ্যবান হন এবং অসুস্থতার লক্ষণ বা লক্ষণ না থাকে তবে সিবিসি স্বাভাবিক পরিসরের বাইরে সামান্য ফলাফল উদ্বেগের কারণ নাও হতে পারে, এবং এর জন্য ফলোআপের প্রয়োজন নাও হতে পারে।

রোগীর জ্বর নানা কারনে হতে পারে, জ্বরকে সাধারন বলা যায় না।কারন পরিপূর্ণভাবে বের না করা ভবিষ্যতে আরও বড় কিছু হওয়ার ঝুঁকি থেকে যায়। রক্তের রিপোর্ট সেই কারণ বের করার প্রাথমিক ধাপ।

#ইউরিন বা প্রস্রাব পরীক্ষা

রক্তের সিবিসির পরবর্তী একেবারে কমন পরীক্ষা হল রুটিন ইউরিন একজামিনেশন। এর মাধ্যমে রোগী ডায়াবেটিসে আক্রান্ত কিনা, কিডনি থেকে প্রস্রাব করার রাস্তার একেবারে শেষ প্রান্ত পর্যন্ত কোনও ইনফেকশান আছে কিনা, ফাঙ্গাস আক্রান্ত কিনা, কিডনি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে কিনা তার প্রাথমিক ধারণা পাওয়া যায়। অনেক রোগ রয়েছে যা কিডনিকে ক্ষতি করে, ইউরিন বা প্রস্রাব পরীক্ষা করা ছাড়া তার সম্পরকে ধারণা পাওয়া দুষ্কর।

#লিভার ফাঙ্কশান টেস্ট

নিম্নলিখিত পরিস্থিতিতে প্রায়শই লিভার ফাংশন টেস্টের পরামর্শ দেওয়া হয়:

১. হেপাটাইটিস বি এবং হেপাটাইটিস সি এর মতো লিভারের সংক্রমণের ক্ষয়ক্ষতি পরীক্ষা করতে,

২. লিভার বা যকৃত প্রভাবিত করার জন্য পরিচিত কিছু ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলি পর্যবেক্ষণ করতে,

৩. রোগী যদি ইতিমধ্যে কোনও লিভারের রোগ থাকে তবে এই রোগটি পর্যবেক্ষণ করতে এবং একটি নির্দিষ্ট চিকিত্সা কতটা ভাল কাজ করছে,

৪. ডাক্তার যদি দেখেন রোগীর মাঝে লিভার ডিজঅর্ডারের লক্ষণগুলি রয়েছে।

৫. রোগী যদি উচ্চতর ট্রাইগ্লিসারাইডস, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, বা রক্তস্বল্পতার মতো কিছু নির্দিষ্ট শর্ত থাকে

৬. রোগী যদি পিত্তথলি রোগের ইতিহাস থাকে।



#কিডনি ফাঙ্কশান টেস্ট কেন করা হয়?

রোগীর কিডনিতে সমস্যা চিহ্নিত করতে পারে এমন লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে:



উচ্চ রক্তচাপ

প্রস্রাবে রক্ত

প্রস্রাব করার জন্য ঘন ঘন urges

প্রস্রাব শুরু করা অসুবিধা

বেদনাদায়ক প্রস্রাব

শরীরে তরল তৈরির কারণে হাত ও পা ফোলা



একক লক্ষণ বলতে মারাত্মক কিছু বোঝাতে পারে না। যাইহোক, একই সঙ্গে সংঘটিত হওয়ার সময়, এই লক্ষণগুলি পরামর্শ দেয় যে রোগীর কিডনিগুলি সঠিকভাবে কাজ করছে না। কিডনি ফাংশন পরীক্ষা কারণ নির্ধারণে সহায়তা করতে পারে।

আরবিএস কারও শরীরে ডায়াবেটিস আছে কি-না বা রক্তে সুগার লেভেল সম্পর্কে জানতে এই পরীক্ষা করা হয়।

#সিবিসি
একজন রোগীর শরীরে যে কোন সংক্রমণ দেখার জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ। এই টেস্টের মাধ্যমে চিকিৎসকরা শরীর সম্পর্কে একটি সাধারণ ধারণা পান। এটি একটি টেস্ট প্রোফাইল। এর মধ্যে অনেকগুলো ধ্রুবক থাকে। ব্লাড সেল বা রক্ত কণিকার কাউন্ট বা পরিসংখ্যান দেখা হয় এর মাধ্যমে। রক্তের কণিকা কোন পর্যায়ে আছে সেটি বোঝার জন্য করোনায় আক্রান্তদের এ টেস্টের পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা।

#সিআরপি
শরীরে কোন চলমান সংক্রমণ আছে কি না সেটি বোঝার জন্য চিকিৎসকরা এ টেস্টের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। সি-রিঅ্যাক্টিভ প্রোটিন (সিআরপি) পরীক্ষা ডাক্তারদের হৃদরোগ বা স্ট্রোকের ঝুঁকি নির্ধারণেও সাহায্য করতে পারে।

#প্রোক্যালসিটোনিন
করোনায় আক্রান্ত রোগীর অবস্থা অনেক সময় দ্রুত খারাপ হয়ে যায় মারাত্মক সংক্রমণের কারণে। জীবনকে হুমকির মুখে ফেলে এমন মারাত্মক ধরণের ব্যাকেটরিয়াল ইনফেকশন বোঝার জন্য এই টেস্ট করা হয়।

#ফেরেটিন
রক্তে আয়রনের মাত্রা দেখা এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দেখার জন্য পরীক্ষার জন্য এ টেস্ট করা হয়। করোনায় আক্রান্ত রোগীদের এক পর্যায়ে আয়রন ঘাটতি তৈরি হয়। সেটি বোঝার জন্যই চিকিৎসক এই টেস্টটি দিয়ে থাকেন।

#আরবিএস
কারও শরীরে ডায়াবেটিস আছে কি-না বা রক্তে সুগার লেভেল সম্পর্কে জানতে এই পরীক্ষা করা হয়।

#এস ক্রিয়েটিনিন
রক্তে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা নির্ণয় করলে বোঝা যায় কিডনি কতখানি কর্মক্ষম আছে। ক্রিয়েটিনের মাত্রা নির্দিষ্ট লেভেলের উপরে হলেই বোঝা যায় তার কিডনি সমস্যা হয়েছে। করোনায় আক্রান্তদের কিডনি নিয়ে সমস্যায় পড়ার আশঙ্কা থাকে। সেজন্য এ টেস্ট দিয়ে থাকেন চিকিৎসকরা।

#ডি ডাইমার
রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি মাপার আরেকটি একক হলো ডি-ডাইমার নামে একটি প্রোটিন। স্বাস্থ্যবান রোগীর রক্তে এটা দশক থেকে শ‌'য়ের হিসেবে মাপা হয়। কিন্তু কোভিড রোগীর দেহে এই স্তর ৬০, ৭০ বা ৮০,০০০ পর্যন্ত উঠতে দেখা গেছে। তাই রক্তে জমাট বাঁধছে কি-না সেটি বোঝার জন্য এই টেস্ট।

#এইচআর সিটি স্ক্যান
ফুসফুসের অবস্থা দেখার জন্য এটি করা হয়। এক রোগীর করোনা পরীক্ষায় দেখা গেল তিনি করোনা মুক্ত, কিন্তু উপসর্গ রয়েছে। পরে তাকে এইচআর সিটি স্ক্যান করোনো হলে দেখা গেল, তার নিউমোনিয়ার লক্ষণ রয়েছে। সুতরাং বলা যায়, করোনা পরীক্ষার পাশাপাশি এই পরীক্ষাগুলোরও বিশেষ কার্যকারিতা আছে। এছাড়া বুকের এক্স রে-র মাধ্যমেও প্রাথমিকভাবে ফুসফুসে সংক্রমণ আছে কি না দেখা যায়। সাধারণভাবে প্রাথমিক অবস্থা বোঝার জন্য এক্স রে করা হয়।

#এবিজি
আর্টেরিয়াল ব্লাড গ্যাস বা এবিজি টেস্টের মাধ্যমে রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা পরিমাপ করা হয়। রক্তচাপ ও হার্ট রেট দেখার জন্যও এটি গুরুত্বপূর্ণ।

#আইএল-৬
মূলত ফুসফুসে সংক্রমণের মাত্রা বোঝার জন্য এই টেস্টটি করা হয়। এর মাধ্যমে ফুসফুস কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হলো তা চিকিৎসকরা বুঝতে পারেন। এর আগে এক গবেষণায় দেখা গেছে, আইএল-৬ এর মাত্রা বেড়ে যাওয়ার সাথে কোভিড আক্রান্তদের মৃত্যুহারের সম্পর্ক আছে।

#আরটি পিসিআর
করোনার লক্ষ্মণ দেখা দিলে বা এমনকি কোন করোনা রোগীর সংস্পর্শে এলেই করোনা পরীক্ষার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞরা। আর করোনার ক্ষেত্রে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য টেস্টটির নামই আরটি পিসিআর টেস্ট। কোভিড-১৯ ভাইরাসটির কারণে উপসর্গ দেখা দিচ্ছে কিনা সেটা বুঝতে গলার ভেতরে এবং নাকের গোড়ার কাছ থেকে তুলা দিয়ে লালা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হয়। আর এই পরীক্ষাটির নাম হল 'রিয়াল টাইম পিসিআর' বা রিয়াল টাইম পলিমারেস চেইন রিঅ্যাকশন। পরে ল্যাবরেটরিতে নমুনা পরীক্ষা করে বোঝা যায় যে রোগী পজিটিভ নাকি নেগেটিভ।

সংগৃহীত

জেনে রাখা ভালো  (ইসিজি)_কি_এবং_কখন_ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাম_করতে_হয় ?ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাম একটি পরীক্ষা যা অসংখ্য হৃদরোগ ন...
13/06/2022

জেনে রাখা ভালো

(ইসিজি)_কি_এবং_কখন_ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাম_করতে_হয় ?

ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাম একটি পরীক্ষা যা অসংখ্য হৃদরোগ নির্ণয় করা সম্ভব করে। বিশেষজ্ঞ এটি কিভাবে কাজ করে এবং এটি কি নিয়ে গঠিত তা ব্যাখ্যা করে
স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুসারে, কার্ডিওভাসকুলার রোগ এখনও ইতালিতে মৃত্যুর প্রধান কারণ, যা মোট মৃত্যুর 34.8%।

ইলেকট্রোকার্ডিওগ্রাম সহ প্রাথমিক, প্রথম স্তরের পরীক্ষা দিয়ে অনেক কার্ডিওভাসকুলার রোগ নির্ণয় করা যায়।

#ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাম_(ইসিজি)_কি?

ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাম (ইসিজি) একটি পরীক্ষা যা মায়োকার্ডিয়াল ফাইবারের অভ্যন্তরীণ বৈদ্যুতিক কার্যকলাপ রেকর্ড করে।

সহজ ভাষায়, যান্ত্রিক বা বায়োইলেক্ট্রিকাল ডিসঅর্ডার আছে কিনা তা পর্যবেক্ষণ করার জন্য হৃদযন্ত্রের বৈদ্যুতিক কার্যকলাপ রেকর্ড করার এটি একটি ব্যবহারিক, সহজে পুনরাবৃত্তিযোগ্য এবং সস্তা পদ্ধতি।

ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রামের (ইসিজি) উদ্দেশ্য কী?
ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাম কার্ডিওলজিস্টকে কার্ডিয়াক ডিসঅর্ডার এবং প্যাথলজি নির্ণয়ের অনুমতি দেয় যার মধ্যে রয়েছে:

অ্যারিথমিয়াস: হার্টের ছন্দে পরিবর্তন: হার্ট অনিয়মিতভাবে স্পন্দিত হয়, খুব ধীরে বা খুব দ্রুত। অ্যারিথমিয়া রোগ নির্ণয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এগুলো প্রায়ই উপসর্গবিহীন এবং কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট এবং আকস্মিক মৃত্যু হতে পারে;
ইস্কেমিয়া এবং/অথবা ইনফার্কশন: ইসিজি কার্ডিয়াক সনাক্ত করতে পারে মর্মপীড়া হৃৎপিণ্ডে রক্তের প্রবাহ হ্রাসের কারণে (ইস্কেমিয়া) একটি করোনারি ধমনী সংকীর্ণ হওয়ার কারণে সৃষ্ট, যা মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন (হার্ট টিস্যুর মৃত্যু) হতে পারে;
জন্মগত বা অর্জিত পরিবর্তন এবং হার্টের গহ্বরের শারীরিক ব্যাধি যেমন ভালভুলোপ্যাথি, ভেন্ট্রিকুলার হাইপারট্রফি, প্রসারিত কার্ডিওমায়োপ্যাথি ইত্যাদি;
ইলেক্ট্রোলাইট ডিসঅর্ডার: রক্তের ইলেক্ট্রোলাইটের অতিরিক্ত বা ঘাটতির ঘনত্ব, যার ফলে কার্ডিয়াক রিদম পরিবর্তিত হয়;
কিছু ওষুধের বিষাক্ত প্রভাব: যা হার্টের পেশীর ক্ষতি করতে পারে।
ইসিজি পেসমেকার এবং অন্যান্য অভ্যন্তরীণ ডিভাইস যেমন ইমপ্লান্টেবল ডিফিব্রিলেটরগুলির কার্যকারিতা মূল্যায়নের অনুমতি দেয়।

#হৃদরোগের লক্ষণগুলি খেয়াল রাখতে হবে

হার্টের অ্যারেস্টের মতো কিছু গুরুতর ঘটনার আগে কিছু হৃদরোগ অসম্পূর্ণ হতে পারে বলে ধরে নেওয়া, লক্ষণগুলি খুঁজে বের করা এবং যা হৃদরোগ নির্দেশ করতে পারে তা খুব পরিবর্তনশীল, তবে এর মধ্যে থাকতে পারে:

নাড়ির অনুপস্থিতি;
বুক ব্যাথা
সহজ ক্লান্তি;
দুর্বলতার অনুভূতি (অ্যাথেনিয়া);
নীচের অঙ্গগুলির ঘন ঘন ফোলা;
দীর্ঘস্থায়ী মাথাব্যাথা এবং মাথা ঘোরা;
শ্বাসকষ্ট (ডিসপেনিয়া);
ধড়ফড়
অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের অনুভূতি;
ঘন ঘন মূর্ছা (লিপোথাইমিয়া)।

#কখন ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাম করতে হয়
ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাম একটি খুব সহজ ডায়াগনস্টিক পরীক্ষা, যা এমন ক্ষেত্রে নির্দেশিত হয় যেখানে:

উপরে উল্লিখিত লক্ষণগুলি উপস্থিত রয়েছে, যা হৃদরোগের কারণে হতে পারে;
পারিবারিক ঝুঁকির কারণ রয়েছে, যা রোগীর স্বাস্থ্যের অবস্থা মূল্যায়ন করার সময় খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বিভিন্ন হৃদরোগের পারিবারিক প্রবণতা থাকতে পারে;
একটি রোগীর ক্লিনিকাল-কার্ডিওসার্কুলেটরি ছবি সম্পন্ন করার প্রয়োজন আছে, উদাহরণস্বরূপ, অস্ত্রোপচার করতে হবে;
ক্রীড়াবিদদের স্বাস্থ্যের অবস্থা নিশ্চিত করার জন্য ক্লিনিকাল মূল্যায়নের পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিযোগিতামূলক খেলাধুলাসহ ক্রীড়া ক্রিয়াকলাপের জন্য সার্টিফিকেশন নেওয়া প্রয়োজন;
আপনাকে সময়ের সাথে হৃদরোগের বিকাশ মূল্যায়ন করতে হবে বা চিকিত্সার কার্যকারিতা পরীক্ষা করতে হবে।

#কিভাবে পরীক্ষা করা হয়

রেডিওএমএস এক্সপো 360 × 360 অংশীদার
ইসিজি কয়েক মিনিট স্থায়ী হয়।

হার্টের বৈদ্যুতিক ক্রিয়াকলাপ রেকর্ড করার জন্য রোগীর শরীরে (বাহু, পা এবং বুকে) দশটি ইলেক্ট্রোড স্থাপন করা হয়।

ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাফ তারপর এটি একটি ট্রেসে পুনরুত্পাদন করে যা বিশেষজ্ঞ দ্বারা মূল্যায়ন করা হয়।

কোন বৈদ্যুতিক উদ্দীপনা নেই এবং পরীক্ষার জন্য কোন বিশেষ contraindications নেই, যা ব্যথাহীন এবং অ আক্রমণকারী।

#ইসিজি কতবার করা উচিত?
পরীক্ষার ফলাফল এবং প্যাথলজি বা ঝুঁকির কারণগুলির উপস্থিতি বা অনুপস্থিতির উপর নির্ভর করে কতবার মেডিকেল চেক-আপ এবং ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাম করা উচিত তা বিশেষজ্ঞের উপর নির্ভর করে।

40 বছর বয়স থেকে, তাদের প্রতি দুই বছর এবং 50 এর পরে বছরে কমপক্ষে একবার করার পরামর্শ দেওয়া হবে।

#ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রামের প্রকারগুলি

উপসর্গ এবং সমস্যার ধরন হাইলাইট বা সন্দেহভিত্তিক উপর নির্ভর করে, অন্যান্য ধরনের ইসিজি আছে যা করা যেতে পারে:

বেসাল ইসিজি (বিশ্রামে): এটি ক্লাসিক পরীক্ষা পদ্ধতি, রোগী একটি পালঙ্কে শুয়ে থাকে এবং তার শরীরে ইলেক্ট্রোড থাকে;
হোল্টার ডায়নামিক ইসিজি: এটি একটি ছোট পোর্টেবল ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাফের সাহায্যে সঞ্চালিত হয় যা কার্ডিয়াক কার্যকলাপ 24 ঘন্টা অবিরত রেকর্ড করার অনুমতি দেয়, ঘটনাকে তুলে ধরে (অ্যারিথমিয়া, করোনারি অপর্যাপ্ততা, ইত্যাদি) যা অন্যথায় অজানা হবে;
ব্যায়াম ইসিজি: ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাম এবং রক্তচাপের রিয়েল-টাইম পর্যবেক্ষণ সহ শারীরিক চাপের মধ্যে হৃদয়ের মূল্যায়ন। এটি রক্তচাপের আচরণ পর্যবেক্ষণ করা এবং শারীরিক কাজের সময় অ্যারিথমিয়া এবং মায়োকার্ডিয়াল ইস্কেমিয়া ঘটনার সূচনাকে তুলে ধরা সম্ভব করে;
লুপ রেকর্ডার: এটি এমন একটি ডিভাইসের সাবকুটেনিয়াস প্রয়োগের মাধ্যমে সম্পন্ন হয় যা দিনের বেলায় কার্ডিয়াক ইলেকট্রিক্যাল কার্যকলাপ রেকর্ড করে এবং রাতে অপারেশন সেন্টারে তথ্য প্রেরণ করে। এই তদন্ত বেশ কয়েক মাস ধরে চলতে পারে এবং বিরল কিন্তু সম্ভাব্য গুরুতর বা বিপজ্জনক ঘটনার অস্তিত্ব মূল্যায়নের জন্য নির্দেশিত হয় যেমন ম্যালিগন্যান্ট অ্যারিথমিয়া, সিনকোপ ইত্যাদি।
অন্যান্য কার্ডিওলজিক্যাল পরীক্ষা
ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাম হল মৌলিক এবং মৌলিক কার্ডিয়াক পরীক্ষাগুলির মধ্যে একটি, কিন্তু এটি একমাত্র নয় যা কার্ডিয়াক ফাংশনের মূল্যায়ন করতে দেয়।

#এটি ছাড়াও, আমাদেরও উল্লেখ করা উচিত

colordoppler echocardiogram: হার্টের একটি অত্যাধুনিক আল্ট্রাসাউন্ড স্ক্যান, হার্টের ক্ষতি বা ত্রুটির সন্দেহ হলে আল্ট্রাসাউন্ড প্রোবের মাধ্যমে করা হয়;
বিশ্রাম এবং ব্যায়াম মায়োকার্ডিয়াল সিনটিগ্রাফি: নির্দেশিত পরীক্ষার প্রকারের উপর নির্ভর করে, ব্যায়াম পরীক্ষা বা ফার্মাকোলজিকাল উত্তেজক পরীক্ষার পরে, রোগীর মধ্যে দুর্বল তেজস্ক্রিয় ওষুধ প্রবেশ করা হয়। একটি টুকরা দ্বারা অর্জিত ছবি উপকরণ, যাকে গামা ক্যামেরা বলা হয়, কার্ডিয়াক ফাংশনের মূল্যায়নের অনুমতি দেওয়ার জন্য বিশ্রাম বা চাপের মধ্যে মায়োকার্ডিয়ামে (পেশী অঞ্চল) রক্ত ​​কিভাবে প্রবাহিত হয় সে সম্পর্কে তথ্য প্রদান করুন;
করোনারি অ্যাঞ্জিওগ্রাফি (ভার্চুয়াল করোনারি এঞ্জিওগ্রাফি, করোনারো টিসি): এটি একটি কম্পিউটারাইজড অক্ষীয় টমোগ্রাফি (সিটি) স্ক্যান যা কনট্রাস্ট মিডিয়াম দিয়ে করা হয়, যা করোনারি ধমনীর উচ্চ-সংজ্ঞা 3D ইমেজ তৈরি করতে পারে এবং এইভাবে অ-আক্রমণাত্মকভাবে কোন সংকীর্ণতার উপস্থিতির মূল্যায়ন করতে পারে (স্টেনোসিস );
করোনারোগ্রাফি: এটি একটি পরীক্ষা যা একটি বিপরীত মাধ্যমের প্রশাসনের সাথে জড়িত যা এক্স-রেতে করোনারি ধমনীকে দৃশ্যমান করতে ব্যবহৃত হয়, যাতে কোনও স্টেনোসিসের উপস্থিতি মূল্যায়ন করা যায়;
মায়োকার্ডিয়াল রেজোন্যান্স ইমেজিং (এমআরআই): এই পরীক্ষায় চুম্বকীয় অনুরণন ইমেজিং ব্যবহার করে এমন ছবি তৈরি করা হয় যা হৃদয়ের শারীরবৃত্তীয় গঠন, বিশেষ করে মায়োকার্ডিয়ামের মূল্যায়ন করে।

সংগৃহীত

খাওয়া না কমিয়েও স্লিম হবেন যেভাবেঅনেকেই ভাবেন কম পরিমাণে খেলে স্লিম হওয়া যায়। পেট খালি রেখে কষ্ট না করলেও যে ওজন ঝরানো য...
22/12/2021

খাওয়া না কমিয়েও স্লিম হবেন যেভাবে

অনেকেই ভাবেন কম পরিমাণে খেলে স্লিম হওয়া যায়। পেট খালি রেখে কষ্ট না করলেও যে ওজন ঝরানো যায়, তা অধিকাংশেই মানেন না। বরং পরিমাণমতো খেয়েও দিব্যি স্লিম হওয়া যায়। যদি একটু ভেবেচিন্তে খাওয়া-দাওয়া করা যায়, তবেই তা সম্ভব। খাওয়ার পরিমাণ না কমিয়েও যদি স্লিম হতে চান, তবে খেয়াল রাখুন কয়েকটি বিষয়-

* খনিজ পদার্থে ভরপুর যেসব খাবার, সে সবই খান। ফল, সবজি, বাদাম বেশি করে খাওয়া জরুরি। এই ধরনের খাবারের পুষ্টিগুণ বেশি, কিন্তু ক্যালোরি থাকে কম। ফলে ওজন বাড়ার আশঙ্কা মারাত্মক নয়।

* খাবারের পরিমাণ যাই হোক না কেন, বেশি চিনি থাকলে চলবে না। সামান্য পরিমাণ চিনিও দ্রুত বাড়াতে পারে ওজন। তার সঙ্গে বাড়াতে পারে ডায়াবিটিস, ক্যানসারের মতো অসুখের ঝুঁকিও।

* যথেষ্ট পরিমাণ প্রোটিন খাওয়া খুব জরুরি। তাতে পেশির শক্তি বাড়ে। তিন বেলা কিছুটা করে প্রোটিন খাওয়া গেলে অনেকক্ষণ পেট ভর্তি থাকে। তাতে কাজের ফাঁকে ভাজাভুজি, মিষ্টির মতো অস্বাস্থ্যকর খাবারের প্রতি টানও কম থাকে।

* কাজের মাঝে শরীরচর্চার সময় পান না? তা হলে এমন কিছু ঘরের কাজ করা যেতে পারে, যাতে হাঁটাচলা বেশি হবে। ঘর পরিষ্কার করা, কাপড় কাচা, রান্নাবান্নার মতো কাজ বেশি করে বেছে নিন। তবেই আর কম খেয়ে কষ্ট করতে হবে না।

তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা।

শীতে বাড়ছে খুশকি, পড়ছে চুল? ৫ পরামর্শশীতে ত্বক ও চুল শুষ্ক হয়ে পড়ে। এই শুষ্কতা থেকে বিভিন্ন সমস্যা হয়। এ সময় রাসায়নিক উপ...
22/12/2021

শীতে বাড়ছে খুশকি, পড়ছে চুল? ৫ পরামর্শ

শীতে ত্বক ও চুল শুষ্ক হয়ে পড়ে। এই শুষ্কতা থেকে বিভিন্ন সমস্যা হয়। এ সময় রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করলে চুলের আরও ক্ষতি হয়। শীতে ত্বক ও চুলের সমস্যা প্রতিরোধে আপনাকে অবশ্যই সঠিক যত্ন নিতে হবে।

ভারতের জীবনধারা ও স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের এক প্রতিবেদনে শীতে চুলের যত্নে কয়েকটি পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আসুন, আমরা পাঁচ পরামর্শ জেনে নিই—

ভালো করে চুল আঁচরান

শীতে চুলে একটু বেশি জট পাকে। আর আপনি যদি কোনও কিছুর তোয়াক্কা না করে চুল আঁচড়ান, শেষমেষ ক্ষতি আপনারই হবে। মানে চুল উঠবে, মাথার ত্বকের ক্ষতি হবে। তাই ধীরে চুল আঁচড়াতে হবে। একটু বড় দাঁতের চিরুনি ব্যবহার করা ভালো।

চুলে তেল দিন

শীতে ময়েশ্চারাইজার জরুরি। ভালো তেল দিয়ে মাথায় ম্যাসাজ করতে পারেন। নারকেল তেল ও অলিভ অয়েল দারুণ কাজ করে। আপনি এতে নিম পাতা, কারি পাতা ও আমলকি যুক্ত করতে পারে। আমলকির রসের সঙ্গে অ্যালোভেরার জেল মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে লাগাতে পারেন। দেখবেন দারুণ কাজ করবে।

গরম পানিতে গোসল এড়ান

শীতে গরম পানি দিয়ে গোলস বারণ করাটা খারাপ হবে। তবু আপনাকে তা করতেই হবে চুলের স্বার্থে। গরম পানি দিয়ে গোসল করলে চুল থেকে প্রাকৃতিক তেল ও ময়েশ্চার চলে যায়। তবে মাথার ত্বক শুষ্ক ও নির্জীব হয়ে পড়ে। অবশ্য হালকা বা কুসুম কুসুম গরম পানিতে গোসল করতে পারেন।

মাথায় টুপি বা স্কার্ফ পরতে পারেন

দূষণ ও ধুলোবালি থেকে দূরে থাকুন। কারণ, তা চুলকে রুক্ষ ও নির্জীব করে দিতে পারে। চুলের সুরক্ষায় আপনি মাথা ঢেকে রাখতে পারেন। ঘরের বাইরে গেলে পরতে পারেন টুপি বা স্কার্ফ।

স্বাস্থ্যকর খাবার খান

চুলের যত্নে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খান। স্বাস্থ্যকর চুল পেতে চাইলে পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার খাদ্যতালিকায় রাখুন, যেমন ডিম, মিষ্টিকুমড়া, বেরি, গাজর, বিটমূল ইত্যাদি। মাংস ও ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ খাবার খান। এতে শরীর ও চুল, দুইই সুস্থ থাকবে।

 #স্ট্রোক নিয়ে কিছু প্রশ্ন ও উত্তর! প্রশ্ন: স্ট্রোক হওয়ার পর যে পঙ্গুত্ব আসে, চিকিৎসা করলে সেটা নাকি কাটিয়ে ওঠা যায়?উত্ত...
11/12/2021

#স্ট্রোক নিয়ে কিছু প্রশ্ন ও উত্তর!

প্রশ্ন: স্ট্রোক হওয়ার পর যে পঙ্গুত্ব আসে, চিকিৎসা করলে সেটা নাকি কাটিয়ে ওঠা যায়?
উত্তর: হ্যাঁ। স্ট্রোক পরবর্তী ফিজিওথেরাপি চিকিৎসার মাধ্যমে স্ট্রোক রোগীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা যায়।

প্রশ্ন: একেবারে আগের মতো জীবনযাপন করতে পারবে?
উত্তর: অনেকটাই। তবে সেটা অধিকাংশই নির্ভর করছে কয়েকটি বিষয়ের ওপর।

প্রশ্ন: কী রকম?
উত্তর: মস্তিষ্কের কোন জায়গায় কতটা ক্ষতি হয়েছে তার ওপর। সোজা কথায়, স্ট্রোকের আঘাত কতটা ছিল। তা ছাড়া কত তাড়াতাড়ি রিহ্যাব বা ফিজিওথেরাপি শুরু করা হয়েছে, তার ওপরও রোগীর সুস্থ হয়ে ওঠা অনেকটাই নির্ভর করে।

প্রশ্ন: কখন রিহ্যাব বা ফিজিওথেরাপি শুরু করতে হবে?
উত্তর: স্ট্রোক স্থিত হওয়ার পর পরই ফিজিওথেরাপি শুরু করে দিতে হবে। স্ট্রোক হওয়ার ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সাধারণত স্ট্রোক স্থিত হয়।

প্রশ্ন: কিন্তু স্ট্রোক স্থিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেক সময় ফিজিওথেরাপি শুরু করা যায় না। সে ক্ষেত্রে কী হবে?

উত্তর: স্ট্রোক হওয়ার প্রথম ৪০ দিনের মধ্যে ফিজিওথেরাপি শুরু করতে পারলে সবচেয়ে ভাল। এর পর যত দেরি হয়, রোগীর সুস্থ জীবনে ফিরে আসার সম্ভাবনা তত কমতে থাকে। তাই স্ট্রোক হওয়ার পর পরই রিহ্যাবের কথা ভাবা দরকার।

#প্রশ্ন: রিহ্যাব ব্যাপারটা আসলে কী? রিহ্যাবে কী করা হয়?
উত্তর: স্ট্রোকের পর যে সব সমস্যা তৈরি হয়, তা এক জন চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী ওষুধ খেলেই পুরোপুরি সারে না, বরং নানা ধরনের শারীরিক অক্ষমতা থেকে যায়। সে জন্য ওষুধের পাশাপাশি আধুনিক বিজ্ঞানসম্মত কিছু প্রক্রিয়ায় ধীরে ধীরে রোগীকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হয়। এক জন ফিজিওথেরাপি চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে রোগীর বিভিন্ন শারীরিক প্রতিবন্ধকতা দূর করতে বিশেষ কিছু ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা করা হয়। সেটাই স্ট্রোক রিহ্যাব।

সংগৃহীত

অকালে চুল পাকছে? রোধ করবেন যেভাবে। অকালে চুল পাকছে? রোধ করবেন যেভাবেনির্দিষ্ট একটা বয়সে সবারই চুল পাকে। কিন্তু যখন ২০ থে...
25/11/2021

অকালে চুল পাকছে? রোধ করবেন যেভাবে।

অকালে চুল পাকছে? রোধ করবেন যেভাবে
নির্দিষ্ট একটা বয়সে সবারই চুল পাকে। কিন্তু যখন ২০ থেকে ৩০ বছর বয়সীদের চুল পাকতে শুরু করে তখন অকালপক্ব চুল বা প্রি-মেচিউর গ্রেয়িং অভ হেয়ার বলে হয়। চিন্তা, ভুল ডায়েট, হরমোনের প্রভাব, এমনকি প্রাকৃতিক কারণে অকালে চুল পেকে যেতে পারে। একজন সুস্থ মানুষের শরীরে কয়েক শ লাখ হেয়ার ফলিকন রয়েছে। চুলের রং নির্ভর করে মেলানিন নামক রঞ্জকের ওপর। চুলের রং সাদা বা কালো হওয়া নির্ভর করে মেলানিনের সংখ্যা, আকার এবং উপস্থিতির ওপর।

কিন্তু অকালে চুল পেকে গেলে তখন কী করবেন? এমন সমস্যায় চুল কালো করার প্রোডাক্ট ব্যবহার না করে চুল যাতে অকালে না পাকে তার ব্যবস্থা করাই ভালো। এজন্য ঘরোয়া জিনিস ব্যবহার করাই সবচেয়ে বেশি কার্যকর। চলুন জেনে নিই ঘরোয়া উপায়ে চুল পাকা রোধ করবেন কীভাবে

গাজরের রস
গাজরের রসের সঙ্গে পানি ও চিনি ভালো করে মিশিয়ে নিন। এভাবে এই মিশ্রণ বানিয়ে নিয়মিত খান। দ্রুত উপকার পাবেন।

পেঁয়াজের রস
পেঁয়াজের রস চুলের অকালে পেকে যাওয়া ঠেকাতে অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে পারে। পেঁয়াজ বেটে প্রতিদিন চুলের গোড়ায় মালিশ করুন। ৩০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। কয়েক দিনের মধ্যেই পাকা চুলের সমস্যা অনেকটাই কমে যাবে।


বাদামের তেল
বাদাম তেলের সঙ্গে তিলের বীজ গুঁড়া করে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এবার এই মিশ্রণটি চুলের গোড়ায় ভালোভাবে মেখে ২০-৩০ মিনিট রেখে দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত তিন দিন এই মিশ্রণ ব্যবহার করতে পারলে দ্রুত উপকার পাবেন।

আমলকি
আমলকির গুঁড়ার সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট চুলের গোড়ায় লাগাবেন। এরপর ভালোভাবে পরিষ্কার করুন। পাকা চুলের সমস্যায় দ্রুত উপকার পাবেন।

লেবুর রস
পাকা চুলের সমস্যা থেকে রেহাই পেতে হলে প্রতিদিন নারিকেল তেলের সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে চুলের গোড়ায় মাখুন। সপ্তাহ দুয়েকের মধ্যেই পাকা চুলের সমস্যা অনেকটাই কমে যাবে।

আলুর রস
আলুতে জাদুকরী সৌন্দর্যবর্ধক উপাদান আছে যা ত্বক ও চুলের জন্য উপকারী। আলু রস ও একটি ডিমের কুসুম ও ১ চা চামচ মধু মিশিয়ে নিন আলুর রসের সঙ্গে। মিশ্রণটি চুলের আগা থেকে গোড়া পর্যন্ত লাগিয়ে রাখুন। ৪০ মিনিট পর ভেষজ শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে নিন।

এসিএন/এম

Address

Dhaka
1207

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Life Light Medicare posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Life Light Medicare:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram