কুরআনী তাদবীর, ruqyah soriyyah

কুরআনী তাদবীর, ruqyah soriyyah দীর্ঘ ছত্রিশ বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন নির্ভরযোগ্য আলেমে দ্বীনগন আপনাদের খেদমতে আছে।

24/01/2026

ঘুমের মধ্যে মেয়ে সারাক্ষণ গোঙাতে থাকে। দিনের বেলায় উল্টো পাল্টা বকে।
দুই দিনেই সুস্থ হয়ে উঠেছে।

সরাসরি সাক্ষাত করতে হবে।ঠিকানা: কামরাঙ্গীরচর ঢাকা
06/04/2025

সরাসরি সাক্ষাত করতে হবে।

ঠিকানা: কামরাঙ্গীরচর ঢাকা

09/11/2023

আসসালামু আলাইকুম। শুরুতেই বলে নেই যেহেতু পাপ কারো সামনে প্রকাশ করতে নেই তাই সঙ্গত কারণে আমি আমার কিছু বিষয় স্কিপ করে যাবো, তবে হ্যাঁ যেটুকু বলবো অবশ্যই সেখান থেকে মোটামুটি ভাবে চেষ্টা করব ক্লিয়ার ভাবে বলার যেন সবাই ভালোভাবে বিষয়টি বুঝতে পারেন। আর এই লেখনীর মধ্যে দিয়ে আমি আমার নিজের সম্পর্কে কোন সাফাই গাইছি না যে আমি খুব ফেরেশতা লেভেলের একজন মানুষ। আমারও অন্ধকারে ঢাকা অতীত আছে, কিন্তু কিভাবে যেন এই পাপী বান্দাকে আল্লাহ তায়ালা একজন কাফেরের ওসিলায় হেদায়েতের রাস্তা দেখিয়েছেন আলহামদুলিল্লাহ।

# # আমার জীবনের ব্যক্তিগত উপলব্ধি থেকে সকল ভাই-বোনদের উদ্দেশ্যে বলবো একটা কথা সকলে মনে রাখবেন আমাদের জীবনে যখন যা ঘটে তা পারোত পক্ষে আমাদের চর্ম চক্ষে মনে হয় খুব খারাপ কিছু ঘটে গেছে, আমার সাথে কেন এমন হয়, কেন আমাকেই এই খারাপ ঘটনার শিকার হতে হবে? কিন্তু না আমাদের জীবনে যখন যেটা ঘটে তখন সেটার প্রয়োজন ছিল বিধায় ঘটে। উপর ওয়ালা অপ্রয়োজনে কোন কিছু ঘটান না। আপনার জীবনের ঘটা সবকিছুকে যখন আপনি হাসিমুখে মেনে নিতে পারবেন, ঘটনার বিপরীতে কোন কমপ্লেইন রাখবেন না ঠিক সেই মুহূর্ত থেকে আপনার জীবনের আমূল পরিবর্তন হতে শুরু করবে ইন শা আল্লাহ্।

আমি যথেষ্ট ধার্মিক একটি পরিবারের সর্বকনিষ্ঠ সন্তান। আমাদের পরিবার ধার্মিক হলেও মডারেটেড হওয়ার কারণে ধর্মের মূল ভীত গুলো সম্পর্কে মোটামুটি জ্ঞান থাকলেও গভীর জ্ঞান ছিল না। আব্বা আম্মা সব সময় চেষ্টা করেছেন আমাদের চার ভাই বোনকে ধর্মের নৈতিক শিক্ষা দেয়ার। বাড়ির সবার ছোট হওয়ার কারণে বেশ উশৃংখল ও বেপরোয়া জীবনযাপন ছিল আমার। ২০১৩ সালে অনার্স তৃতীয় বর্ষে পড়া অবস্থায় নিজের পছন্দের ছেলেকে পরিবারের অমতে গিয়ে বিয়ে করি। ঠিক এখান থেকেই শুরু হয় আমার জীবনে করা সকল পাপের শাস্তি। বিয়ের পরে শ্বশুর বাড়ি গিয়ে বুঝতে পারি নিজের পছন্দে আমি জান্নাত ত্যাগ করে জাহান্নামকে বেছে নিয়েছি। বিয়ের ছয় মাসের সময় সাড়ে চার মাসের বেবি মিস ক্যারেজ হয়ে যায় এবং দশ মাসের সময় আমার স্বামী হার্টের ভাল্ব ড্যামেজ হয়ে মারা যান। তার মারা যাওয়ার চতুর্থ দিনে আমার পরিবার আমাকে ওখান থেকে নিয়ে চলে আসে। আমি মাঝে মাঝে ও বাড়িতে যেতাম আবার চলে আসতাম। এই যাওয়া আসার মধ্যে একদিন বুঝতে পারি ও বাড়ির কেউ আমার পরনের একটি নতুন ওড়নার সাইড থেকে কাপড় কেটে রেখেছে। এই বিষয়টা তখন একজন হুজুরকে জানানো হলো পরবর্তীতে এটা নিয়ে তেমন কোন মাথা ব্যথা দেখাইনি। কারণ তাবিজ কবজ হুজুর কবিরাজ এসব বিষয়ে আমাদের পরিবার টোটালি অজ্ঞ ছিলো। এই চ্যাপ্টারের শেষ এখানেই হয়ে যায় আর এই চ্যাপ্টারটা বলার কারণ হলো এই চ্যাপ্টারের সাথে পরবর্তী চ্যাপ্টার খুবই ওতপ্রতভাবে জড়িত। এরপর থেকে আমি আর বিয়ে শাদী করতে চাইতাম না তারপরেও আত্মীয়-স্বজন বাবা-মা ভাই-বোন সকলের ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল এর কারণে এক পর্যায়ে বিয়ের জন্য মতামত দেই এবং ২০১৪ সালের শেষে আমাকে পারিবারিকভাবে আরেক জায়গায় বিয়ে দেয়া হয়। বিয়ের পর ও বাড়িতে গিয়ে জানতে পারি লোকটা অসুস্থ। জীবনের প্রতি আমার কখনো কোন কমপ্লেইন ছিল না আমি চুপচাপ মেনে নেই। সেই লোকটার স্কিনে কি যেন একটা রোগ ছিল যেটা আস্তে আস্তে বাড়তে থাকে এবং এক পর্যায়ে তার সারা শরীর থেকে ভয়াবহ দুর্গন্ধ হতে থাকে। তারপরেও আমি কোন কমপ্লেইন করিনি, তার দেখাশোনা করেছি তাকে গোসল করিয়ে দেয়া পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করিয়ে দেয়া ওষুধ লাগিয়ে দেয়া সব করেছি নিজের হাতে। এক পর্যায়ে এসে ডাক্তারের কাছ থেকে জানতে পারলাম তার এই রোগ কখনোই পুরোপুরিভাবে সুস্থ হবে না তাতেও আমার কোন প্রবলেম ছিল না প্রবলেমটা হলো গিয়ে যখন জানতে পারলাম সে মানুষটা সন্তান জন্মদানে অক্ষম এবং সে এটা জেনেও আমাদের পরিবারকে না জানিয়ে আমাকে বিয়ে করেছে। সে পর্যায়ে এসে সবকিছু পরিবারকে জানালাম এবং পরিবার আমাকে ওখান থেকে নিয়ে আসলো ২০১৫ সালের শেষে। এরপর টোটালি বাড়িতে বলে দিলাম বিয়ে-শাদী সংসার আমার জন্য নয় এ বিষয়ে যেন আমার সাথে আর কেউ কোন কথা না বলে। যতই হোক বাবা-মা সন্তানের জন্য টেনশন করবেই। আব্বা আম্মার আমাকে নিয়ে চিন্তা টেনশন দেখে এক পর্যায়ে দীর্ঘ পাঁচ বছর পর আবার বিয়ের জন্য রাজি হলাম। যথারীতি ২০২০ সালের আগস্ট মাসে আমার আম্মার এক আত্মীয়ার ছেলের সাথে আমার বিয়ে হয়। আমার পরিবার ওই পরিবারে আমাকে বিয়ে দিতে রাজি হওয়ার একটাই মাত্র কারণ ছিল যে ওরা অনেক বেশি আগ্রহ দেখিয়েছিলো আর ছোট থেকে ওরা আমাকে অনেক আদর করতো। ওদের পরিবারটা একেবারেই দরিদ্র একটা পরিবার ছিল কিন্তু ছেলেটা শুধুমাত্র শিক্ষিত ছিল এবং আমার পরিবার তাকে এস্টাবলিশ করে দিবে সে চিন্তা থেকে আমাকে বিয়ে দেয়া হয়। সেই সময় আমার বিয়ে পড়িয়ে রাখা হয় এবং ঠিক হয় ছয় মাস পরে ওদের বাড়িতে নিয়ে যাবে। ওই সময় সে এবং আমি দুজনেই ঢাকায় চাকরি করতাম। তাই দুই পরিবারের মতামত অনুযায়ী আমরা ছোট্ট একটি বাসা নিয়ে একসাথে থাকা শুরু করি। কিন্তু কিছুদিন পরেই বুঝতে পারি তারা লোভের কারণেই এত বেশি আগ্রহ দেখিয়েছিলো আমাকে বিয়ে করার জন্য। যা হোক আমি ওসব কিছু মনে না করে সংসার করা শুরু করি। বিয়ের চার মাস এর সময় আমি বুঝতে পারি ধার্মিকতার দিক থেকে এরা কিছুটা আলাদা কিন্তু ঠিক ধরতে পারি না যে সমস্যাটা কোথায়। এরপর থেকে আমি একটু একটু করে চেষ্টা করতে থাকি এদের সম্পর্কে খোঁজ খবর নেয়ার। বিভিন্ন দিবসে যেমন মিলাদুন্নবী বা বিদাআতি যে সমস্ত দিনগুলো রয়েছে সে সমস্ত দিনে কোথায় যেন যেতো। তারপরে ওদের বিভিন্ন রকম আচার অনুষ্ঠানের গল্প শোনাতো আমাকে, পীরের গল্প শোনাতো। তো আমি একদিন তাকে অনুরোধ করি আমাকে তার সাথে নিয়ে যাওয়ার জন্য। সে আমাকে তাদের পীরের ছোট বোনের সাথে দেখা করতে নিয়ে যায়। সেই মহিলাটি পুরুষ মানুষের সাথে দেখা করে না জন্য আমাকে ওখানে রেখে সে বাসা থেকে বের হয়ে যায়। তারপর সেই পীরের ছোট বোন যখন তার দুজন সেবিকার সাথে আসে আমার সামনে আমি যথারীতি নরমালি সালাম দিয়ে কুশলাদি বিনিময় করি। কিন্তু তার সেবিকা দুজন আমাকে বারবার বলতে থাকে বুবুজানকে সিজদা করো। তাদের কথা শুনে তো আমার তখন বুকের মধ্যে টর্নেডো শুরু হয়ে যায়। আমি তাদের কথায় কান না দিয়ে যথারীতি নরমালি কথাবার্তা চালিয়ে যাই। সেজদার কথা শুনে আমার খুব অরুচি লাগায় আমি ২-৩ মিনিটের মধ্যে সেখান থেকে প্রস্থান করি। তারপর থেকে ওদের সম্পর্কে আরো বেশি বেশি করে জানার চেষ্টা করি। এরপর আমার জানার ভিত্তিতে বিভিন্ন আলেম-ওলামাদের দ্বারস্থ হই। বিভিন্নজন বিভিন্ন রকম পরামর্শ দিতে থাকেন যা নিয়ে আমি সন্তুষ্ট হতে পারছিলাম না এবং ক্রমান্বয়ে কনফিউজ হতে থাকছিলাম। বিভিন্ন জায়গায় পাগলের মতন সমাধান খুঁজতে থাকি আর আল্লাহ তায়ালার কাছে সাহায্য চাইতে থাকি। আমার সারা জীবনের সবচেয়ে উত্তম রূপে আল্লাহ তায়ালাকে ওই সময় ডেকেছি। ওয়াল্লাহি তিনি আমার ডাকে সাড়া দিয়েছেন এবং আমাকে সঠিক রাস্তা দেখিয়েছেন। এক পর্যায়ে আমার এক কাজিন এর মাধ্যমে ঢাকার মোহাম্মদপুরের রহমানিয়া মাদ্রাসার দারুল ইফতা বিভাগে প্রশ্ন করাই। ইফতার ফাতওয়ার কপি আমি কমেন্টসে সংযুক্ত করে দিবো ইন শা আল্লাহ্। ওদের ফুল কনফিডেন্স ছিল যেহেতু আমার অতীত রয়েছে সেহেতু আর যাই করি ডিভোর্স পর্যন্ত যাবো না। আর যেহেতু ওরা সম্পূর্ণ ভ্রান্ত একটা মতের অনুসারী তাই ওদের মধ্যে ব্ল্যাক ম্যাজিকের চর্চা অত্যান্ত বেশি। সবকিছুর পাশাপাশি ওরা আমার উপর ব্ল্যাক ম্যাজিক করে রাখে যেন আমি চাইলেও কখনো ওর থেকে আলাদা না হতে পারি। এছাড়াও আমাদের সকল আত্মীয়-স্বজনদের কাছে, আমার অফিসে গিয়ে এবং বিভিন্ন জায়গায় যখন যেখানে যেভাবে পেরেছে আমার সম্পর্কে জঘন্য সব মিথ্যাচার বদনাম করে গিয়েছে যার সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন। ছোট্ট একটা উদাহরণ দেই - সবার কাছে বলেছে আমি রাত বিরাতে শার্ট প্যান্ট পড়ে বাসা থেকে বের হয়ে যাই অথচ আমি ২০২০ সালের জানুয়ারি মাসে জব জয়েন করার কিছুদিন আগে থেকে পরিপূর্ণরূপে পর্দা মেইনটেন করার চেষ্টা করি। হাত মোজা পড়তাম না কিন্তু পা মোজা সহ বাকি পুরো পর্দা মেইন্টেন করে চলতাম। যাহোক তার মুখের ভাষা ছিল অতিমাত্রায় অশালীন যেসব ভাষা আমার কল্পনাও আসা সম্ভব না, এবং চিন্তাভাবনা ছিল অতিমাত্রায় লো কোয়ালিটির। যখন আমি ওদের বিষয় পুরোপুরি ক্লিয়ার হয়ে গেলাম তখন বাসা ছেড়ে ওর কাছ থেকে আলাদা হয়ে গেলাম। কিন্তু ও আমাকে ফোন করে বলতো তুমি আমাকে ছেড়ে কখনোই থাকতে পারবে না। এরপর ধীরে ধীরে আমি বুঝতে পারি আমার সাথে প্রবলেম হওয়া শুরু করছে। এত খারাপ স্মৃতি এত জঘন্য অশালীন ভাষা সবকিছুর উপরে সে আমার জন্য টোটালি হারাম তারপরেও আমার কেন যেন শুধু তার কথাই মনে হয় তার কাছে যেতে মন চায়। তখন আমি নিজে থেকেই অনুধাবন করলাম কিছু একটা সমস্যা আছে। সে অবস্থায় আমার এক কাজিনের মাধ্যমে এক হুজুরের কাছে যাই। সেই হুজুর আমার মুখে সব কিছু শুনে আমাকে প্রচন্ডরকম সাধুবাদ জানান এবং বলতে থাকেন যে তোমার উপর তোমার বাপ-মা এবং পূর্বসূরীদের প্রচুর দোয়া আছে মা সেজন্য তুমি এখান থেকে আসতে পেরেছো কেননা এদের মধ্যে একবার যে প্রবেশ করে সে আর কখনোই বের হতে পারে না। এক পর্যায়ে হুজুর আমার হাত দেখে বলেন যে আমার প্রথম স্বামী মারা যাওয়ার পরে আমাকে এমন কিছু একটা ব্ল্যাক ম্যাজিকে আটকে রাখা হয়েছে যার কারণে আমার যদি দশটা বিয়েও হয় আমি সংসার টিকিয়ে রাখতে পারব না। এগুলো শুনে মাথায় আসমান ভেঙে পড়ে এবং অতীতের সব কিছু মেলাতে পারি। আর এই সময়টার জন্যই আমি আমার অতীতটা আগে বলে নিয়েছি। তারপরে সেই হুজুরের দেয়া নিয়ম অনুযায়ী আমি আমল করা শুরু করি কিন্তু তাতে খুব বেশি ফল পাই না এবং পরবর্তীতে বুঝতে পারি তার পদ্ধতিতেও ভুল আছে, শিরকের মিশ্রণ আছে। বোঝার সাথে সাথে তাৎক্ষণিক সেটা আমি বন্ধ করে দেই। বিশ্বাস করবেন কিনা জানিনা একমাত্র সেই ব্যক্তিই জানে যে একবার জীবনে ব্ল্যাক ম্যাজিকের শিকার হয়েছে, ওই সময় গুলো আমার সব সময় মনে হতো কেউ আমার কলিজাটাকে দুই হাতের মধ্যে নিয়ে প্রতি মুহূর্তে কচলাচ্ছে। আধা পাগল হয়ে গিয়েছিলাম সে সময়। সব সময় শুধু ওর কথাই মনে হতো, মনে হতো ওর কাছে চলে যাই, ওকে ফোন দেই, একটু কথা বলি। আমাকে নিয়ে যেতে বলি। আর সব সময় কান্না করতাম রুম থেকে বের হতাম না। ওই সময়টায় নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো করে কেঁদেছি। তারপরেও সব সময় উপরওয়ালার ওপর তাওয়াক্কুল রেখে তার কাছে দুহাত তুলে একটাই কথা বলে গিয়েছি ইয়া আল্লাহ আমার কলিজাটা যদি কষ্টে বুক ফেটে গলা দিয়ে বের হয়েও আসে তারপরেও তুমি আমার মধ্যে এইটুকু সাহস রেখো, এটুকুন ধৈর্য দিও যেন আমি আমার এই ছোট্ট জীবনের সামান্য সুখের বিনিময়ে আমার চিরস্থায়ী জীবনকে বরবাদ না করে দেই। ওয়াল্লাহি আমার ওপরওয়ালা সে সময় আমার দোয়া গুলো কিভাবে কবুল করেছেন আর দোয়া কবুল হওয়ার যে কি আনন্দ তা কাউকে বলে বোঝানো সম্ভব না, এটা একমাত্র সেই অনুধাবন করতে পারবে যার দোয়া আল্লাহ তায়ালা কবুল করেছেন। এই অবস্থায় একদিন আমি যে অফিসে চাকরি করতাম সেখানকার এক ছোট ভাইয়ের মাধ্যমে রুকইয়াহ সাপোর্ট বিডি গ্রুপের সন্ধান পাই। আমার এক কাজিন সে সময় আমাকে প্রচুর হেল্প করে সকল ব্যবস্থা করে দিতে এবং রুকইয়াহ সাপোর্ট বিডি গ্রুপের আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ ভাইয়ের মাধ্যমে আমি সরাসরি রুকইয়াহ করি এবং তার সাজেশন ফলো করে দীর্ঘ আড়াই মাস self রুকইয়াহ কন্টিনিউ করি এবং আল্লাহ তাআলার অসীম কৃপায় পুরোপুরি সুস্থতা অর্জন করি। আসলে এর মাঝেও আরো অনেক কথা আছে যা হয়তো এই মুহূর্তে মনে করে বা গুছিয়ে বলতে পারছি না। আর একদম শুরুতে আমি যে কথাটা বলেছিলাম আমাদের জীবনে যখন যেটার প্রয়োজন তখনই সেটা আল্লাহ তাআলা ঘটান। আমার জীবনে যদি এই খারিজি(কাফের) ব্যক্তিটা না আসতো তাহলে কিন্তু আমি কখনোই এই ব্ল্যাক ম্যাজিক বা এই সংক্রান্ত বিষয়ে ঘাটাঘাটি করতাম না এবং আমার জীবনের মূল সমস্যাটা জানতে ও পারতাম না (কবিরাজ এবং তাদের কথা বিশ্বাস করা শিরক কিন্তু সে সময় আমার আকিদা এতখানি মজবুত ছিল না যে আমি বুঝবো এই বিষয়টা) এবং জীবনে কন্টিনিউয়াসলি আমার সাথে অঘটন ঘটতে থাকতো।

"নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালার পরিকল্পনা সর্বোত্তম"

আর কারো যদি কিছু জানার থাকে আমাকে জিজ্ঞেস করলে আমি উত্তর দিতে চেষ্টা করব ইন শা আল্লাহ্।

04/11/2023

তিন কুলের আমলের সবচেয়ে বড় ফায়েদা হলো দুনিয়াবী ঝামেলা থেকেও নিরাপদ থাকা।

06/08/2023
19/02/2023

মানুষগুলো বিভিন্ন কবিরাজের পিছনে যে হারে ঈমান বিলিয়ে দিচ্ছে ভবিষ্যতে তো ঈমানদার মুসলমান খুঁজেই পাওয়া যাবে না।

26/12/2022

ফরজ নামাজ পরবর্তী মাসনূন আমল।
১ঃ তিনবার ইস্তেগফার।
আস্তাগফিরুল্লাহ। আস্তাগফিরুল্লাহ। আস্তাগফিরুল্লাহ।
২ঃ তারপর এই দোয়া,
اللَّهُمَّ أَنْتَ السَّلامُ وَمِنْكَ السَّلامُ، تَبارَكْتَ يَا ذا الجَلالِ والإِكْرامِ.
আল্লা-হুম্মা আনতাস্ সালা-মু ওয়া মিনকাস্ সালা-মু তাবা-রকতা ইয়া যালজালা-লি ওয়াল-ইকরা-ম
হে আল্লাহ! আপনি শান্তিদাতা, আপনি যাবতীয় ত্রুটি-বিচ্যুতি ও অসম্পূর্ণতা থেকে মুক্ত। আপনার কাছ থেকেই শান্তি অবতীর্ণ হয়। আপনার কাছেই দুনিয়া-আখেরাতের যাবতীয় অনিষ্ট থেকে মুক্তি ও নিরাপত্তা চাইছি। আপনি বরকতময়। হে মহিমান্বিত ও সম্মানিত দুনিয়া-আখেরাতে আপনার প্রভূত কল্যাণ ও বরকত ছড়িয়ে আছে (মুসলিম ৫৯১)।
৩ঃ আয়াতুল কুরসি পড়ব।
৪ঃ সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক, সূরা নাস একবার করে পড়ব।
৫ঃ এই দোয়াটি পড়তে পারি,
اللَّهمَّ أعنِّي على ذِكْرِكَ، وشُكْرِكَ، وحُسنِ عبادتِكَ
আল্লাহুম্মা আইন্নী আলা যিকরিকা ও শুকরিকা ওয়া হুসনি ইবাদাতিক।
হে আল্লাহ! আপনার জিকির, আপনার শুকরিয়া আদায় এবং আপনার উত্তম ইবাদাতে আমাকে সাহায্য করুন (মুআয বিন জাবাল রা.। আবূ দাউদ ১৫২২)।
৬ঃ তেত্রিশবার সুবহানাল্লাহ, তেত্রিশবার আলহামদুলিল্লাহ, তেত্রিশবার আল্লাহু আকবার পড়ে এই দোয়াটি পড়তে পারি,
لا إله إلا اللهُ وحده لا شريك له، له الملكُ، وله الحمدُ، وهو على كلِّ شيءٍ قديرٌ،
লা-ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু, ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদীর।
আল্লাহ ছাড়া কোনও ইলাহ (উপাস্য) নেই। তারই সমস্ত ক্ষমতা। তার জন্যেই সমস্ত প্রশংসা। তিনি সবকিছুর ওপর ক্ষমতাবান!
৭: এই দোয়াটি পড়তে পারি,
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْكُفْرِ وَالْفَقْرِ، وَعَذَابِ الْقَبْرِ
আল্লাহুম্মা ইন্নী আউযু বিকা মিনাল কুফরি ওয়াল ফাকরি ওয়া আযাবিল কবরী।
ইয়া আল্লাহ! আমি আপনার কাছে কুফরি, দারিদ্র ও কবরের আজাব থেকে মুক্তি চাই (নাসাঈ ৭৯০১)।
৮: এই দোয়াটি পড়তে পারি।
رَبِّ قِنِي عَذابَكَ يَومَ تَبْعَثُ، أَوْ تَجْمَعُ، عِبادَكَ
রাব্বি, কিনী আযাবাকা ইয়াওমা তাবআসু আও তাজমাউ ইবা-দাক।
হে আমার রব! যেদিন আপনি আপনার বান্দাদেরকে পুনরায় জীবিত করবেন বা একত্রিত করবেন সেদিনের আযাব থেকে আমাকে রক্ষা করবেন (বারা বিন আযিব রা.। মুসলিম ৭০৯)।
৯: এই দোয়াটি পড়তে পারি,
اللَّهمَّ إنِّي أسألُكَ عِلمًا نافعًا ورزقًا طيِّبًا وعملًا متقبَّلًا
আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা ইলমান নাফিআন, ওয়া রিযকান তাইয়িবান ওয়া আমালাম মুতাকাব্বালা।
হে আল্লাহ্! আমি আপনার কাছে উপকারী জ্ঞান, পবিত্র রিযিক ও এবং কবুলযোগ্য আমল প্রার্থনা করছি (ইবনে মাজাহ ৭৬২)।

@শাইখ আতিকুল্লাহ

25/12/2022

🔴স্বামী বা স্ত্রী যদি রুকইয়াহ না করে...তাহলে স্ত্রী /স্বামী এভাবে নিয়ত করবে যে,

হে আল্লাহ আমাদের স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে থাকা বিচ্ছেদ এর যাদু এবং মাথা থেকে পায়ের তালু পর্যন্ত জিনের কন্ট্রোল নষ্ট করার নিয়তে রুকইয়াহ করতেছি। তারপর স্বামীর নিয়তে রুকইয়াহ করবেন

তারপর নিয়ত করা শেষ হলে আসমাউল হুসনা (আন নূর) এই শব্দটা বারবার পড়বেন(দ্রুতগতিতে পড়ে যাবেন) সকল সমস্যা দূর হওয়ার নিয়তে।আমিন

-তেলাওয়াত এর সময়সীমা(কমপক্ষে-৩ ঘন্টা অথবা ৪ ঘন্টা অথবা ৫ ঘন্টা অথবা ৬ ঘন্টা দৈনিক)
-পড়ার ক্ষেত্রে তিন পদ্ধতি অনুসরণ করবেন.(
🟥প্রথম পদ্ধতিঃ- চোখ বন্ধ করে মহান আল্লাহকে অনুভব করবেন আর সমস্যাগুলো আল্লাহ কেটে দিচ্ছে এই নিয়ত করবেন তারপর..আন নূর দ্রুতগতিতে পড়তে থাকবেন)..(এই পদ্ধতিতে অনেক দ্রুত সমস্যা কাটবে)
🟥দ্বিতীয় পদ্ধতি:- এক জায়গায় বসে চোখ বন্ধ না করে..প্রথমে নিয়ত করে উপরের পদ্ধতিতে দ্রুত তেলাওয়াত করতে থাকবেন। কারন দ্রুত তেলাওয়াত করলে সমস্যা দ্রুত কাটবে।.।

🟥তৃতীয় পদ্ধতি:- উঠতে বসতে,চলতে ফিরতে.. আগে নিয়ত করে... তারপর আন নূর...পড়তে থাকবেন।..

এই তিন পদ্ধতির এক পদ্ধতিতে করতে পারেন..যাদের সমস্যা বেশি..তারা প্রথম পদ্ধতিটি বেশি ফলো করবেন

-জিন যাকে যেভাবে পজেসড করে শারীরিক ও মানসিক রোগের ক্ষেত্রে..সেই সমস্যা গুলো সেইম রুকইয়াহ করলে রিয়্যাকশন আকারে দেখা গিয়ে শরীর থেকে বের হবে।,

হাসবেন্ড এর নিয়তে আপনি তেলাওয়াত করেন বলা নিয়মঅনুযায়ী। প্রচুর থেকে প্রচুর তেলাওয়াত করবেন।

18/12/2022

আজ বিশ্ব আরবি ভাষা দিবস। ২০১২ সাল থেকে প্রতি বছর ১৮ ডিসেম্বর জাতিসংঘেরশিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা বা

16/12/2022

বাংলাতে এমন একটা শব্দ লেখেন! যেটাতে কোনো আকার ওকার নেই।😞

যেমন : জনগন _ আতর

14/12/2022

জ্বীন, কালো যাদু, বান মারা, বিবাহ আটকে থাকা, স্বামী স্ত্রীর পরকীয়া, সন্তান অবাধ্য, আর রোজগারে সমস্যার স্থায়ী চিকিৎসা।

Address

Kamrangir Char
Dhaka
1211

Telephone

+8801871552337

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when কুরআনী তাদবীর, ruqyah soriyyah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category