As-sunnah hijama and ruqyah centre Uttara

As-sunnah hijama and ruqyah centre Uttara assalamuaikum wa rahmatullahi wa barakatuh

থার্টি ফাস্ট নাইট :অপসংস্কৃতির বিষবাষ্প। খ্রিস্টবর্ষের ৩১ শে ডিসেম্বর রাত ১২ টা ১ মিনিটকে থার্টিফার্স্ট হিসাবে উদযাপন কর...
29/12/2025

থার্টি ফাস্ট নাইট :অপসংস্কৃতির বিষবাষ্প।

খ্রিস্টবর্ষের ৩১ শে ডিসেম্বর রাত ১২ টা ১ মিনিটকে থার্টিফার্স্ট হিসাবে উদযাপন করা হয়। পুরনো বছরকে বিদায় জানানো ও নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর উপলক্ষে নেশা ও অবৈধ যৌনতার উন্মাদনায় মেতে উঠে মানবসন্তানেরা। অপচয় ও অপব্যয়ের প্লাবনে ভাসে একেকটি আয়োজন। ইসলামি জীবন বিধান অনুযায়ী একাজগুলো মারাত্মক অপরাধ। সারাবিশ্বের মুসলিম মনীষীগণ এ দিবস পালনের অপসংস্কৃতিকে হারাম বলে অভিহিত করেছেন।

থার্টিফার্স্ট নাইটের উৎপত্তি

বিজ্ঞাপন

ইংরেজি বা গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার প্রবর্তিত হয় ১৫৮২ খ্রিস্টাব্দে। এই ক্যালেন্ডার চালু করেন খ্রিস্টধর্মের যাজক পোপ গ্রেগরি। ইতিপূর্বে নববর্ষ পালনের রীতি বিভিন্ন সভ্যতায় থাকলেও পাকাপোক্তভাবে ১লা জানুয়ারি নববর্ষ পালনের রেওয়াজ শুরু হয় এ সময় থেকে।

বাংলাদেশে প্রসার কখন থেকে

বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশে ২০০০ সালের ৩১ শে ডিসেম্বর মধ্যরাতের মিলেনিয়াম বা সহস্রাব্দ পালনের মধ্য দিয়ে। এরপর এ অপসংস্কৃতির ব্যাপক প্রসার ঘটে। বিত্তশালী ও উচ্চমধ্যবিত্ত পরিবারের যুবক-যুবতীদের মধ্যে ক্যানসারের মতো ছড়িয়ে পড়ে। এ রাতে নতুন বর্ষে পদার্পন উপলক্ষে বেহায়া-বেলেল্লাপনার সাগরে হারিয়ে যায় যুবক যুবতিরা। আমাদের সমাজে সংঘটিত পরিস্থিতি সামাল দিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনকে হিমশিম খেতে হয়।

এ দিবস পালনের ক্ষেত্রে যা যা ঘটে—

এক. বিধর্মীদের সঙ্গে সাদৃশ্য

থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপনের রীতি চালু হয়েছে খ্রিষ্ট জগতে। সুতরাং এ দিবস পালনের মাধ্যমে বিধর্মীদের সাদৃশ্য অর্জন করা হয়। ইসলামবিজাতীয় সংস্কৃতি পালন করাকে কঠোরভাবে নিষেধ করেছে।

আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট ইসলামই একমাত্র মনোনীত দীন। (সুরা আল ইমরান : আয়াত ১৯)

তিনি আরও বলেন, ‘
(ومن يبتغ غير الاسلام دينا فلن يقبل منه.وهو في الاخرة من الخاسرين)
যে ব্যক্তি ইসলাম ছাড়া অন্য
কোনো ধর্মের অনুসরণ করবে কখনো তার সেই আমল গ্রহণ করা হবে না। আর পরকালে সে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে। (সুরা আল ইমরান : আয়াত ৮৫)

আল্লাহর রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন٫
من تشبه بقوم فهو منهم.رواه ابو داود ٤\٣٩١

যে ব্যক্তি কোনো সম্প্রদায়ের সাদৃশ্য অবলম্বন করলো; সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত।’(সুনানে আবু দাউদ)

দুই. আঁটসাঁট পোশাক পরা

তরুণ-তরুণীরা নগ্নপ্রায় পোশাক পরে। নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ প্রসঙ্গে বলেন,
(نساء كاسيات عاريات مميلات ماءلات رؤوسهن كا سنمة البخت الماءلة لايدخلن الجنة ولا يجدن ريحها وان ريحها ليوجد من مسيرة كذاوكذا. صحيح مسلم ٢١٢٨)
যে নারীরা পোশাক পরা সত্ত্বেও উলঙ্গ, পরপুরুষকে আকৃষ্ট করে, নিজেরাও আকৃষ্ট হয়, যাদের মাথা বাকা উঁচু কাঁধ বিশিষ্ট উটের মতো; তারা জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। এমনকি জান্নাতের সুগন্ধিও পাবে না।” (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২১২৮)

তিন. ট্যাটু আঁকা

ট্যাটু বা উল্কি অঙ্কন বলতে বুঝায়, শরীরের চামড়ায় সুঁই বা এ জাতীয় কোনো কিছু দিয়ে ক্ষত করে তাতে বাহারি রং দিয়ে নকশা করা। ইসলামের দৃষ্টিতে ট্যাটু আঁকা হারাম।

উমর (রা.) বর্ণনা করেন,
যে নারী নকল চুল ব্যবহার করে, অন্য নারীকে নকল চুল এনে দেয়, নিজ শরীরে উল্কি অঙ্কন করে নেয় কিংবা অন্যের শরীরে উল্কি অঙ্কন করে দেয়, আল্লাহর রাসুল (সা.) তাদের অভিশাপ দিয়েছেন।’ (বুখারি, হাদিস: ৫৫৯৮, মুসলিম, হাদিস : ৫৬৯৩)

চার. আতশবাজি, পটকাবাজি

আনন্দের আতিশয্যে মধ্যরাত থেকে শুরু হয় আতশবাজি ও পটকাবাজির মহড়া। বিভিন্ন সড়কে, ভবনের ছাদে, প্রকাশ্যে স্থানে উঁচু আওয়াজের পটকা ফুটানো হয়, এ ধরনের অসুস্থ বিনোদনের মাধ্যমে জনমনে ব্যাপক আতঙ্ক ও ভীতি সৃষ্টি হয়। সাধারণ জনগণ বিরক্ত হোন এবং হৃদরোগীরা ভীষণ কষ্ট পান। আল্লাহ তাআলা এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘
(والذين يؤذون المؤمنين والمؤمنات بغير مااكتسبوا فقد احتملوا بهتانا واثما مبينا )
যারা বিনা অপরাধে মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীদের কষ্ট দেয়; তারা মিথ্যা অপবাদ ও প্রকাশ্য পাপের বোঝা বহন করে।’ (সুরা আল আহজাব, আয়াত : ৫৮)

পাঁচ. গান-বাজনা করা

ডিজে পার্টি, ফ্যাশন শো, ফায়ার প্লে, কনসার্ট, অশ্লীল নৃত্য, ফানুস উড়ানো ইত্যকার কাজগুলো ছাড়া কোনো বর্ষবরণ অনুষ্ঠান হয় না। অথচ আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘
(ومن الناس من يشتري لهو الحديث ليضل عن سبيل الله بغير علم ويتخذها هزوا.اولؤك لهم عذاب مهين)
এক শ্রেণীর লোক আছে যারা মানুষকে আল্লাহর পথ থেকে পথভ্রষ্ট করার উদ্দেশ্যে অবান্তর কথাবার্তা সংগ্রহ করে অন্ধভাবে এবং তা নিয়ে ঠাট্টা বিদ্রুপ করে। এদের জন্যে রয়েছে অবমাননাকর শাস্তি’। (সুরা লুকমান, আয়াত : ৬ আয়াত)

আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেন, ‘আমার উম্মতের কিছু লোক মদের নাম পরিবর্তন করে— তা পান করবে। আর তাদের মাথার উপর বাদ্যযন্ত্র ও গায়িকা রমনীদের গান বাজতে থাকবে। আল্লাহ তাআলা তাদের পৃথিবীতে ধসিয়ে দেবেন। (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ৪০২০; সহিহ ইবনু হিব্বান হাদিস : ৬৭৫৮)

ছয়. মাদক সেবন করা

এ রাতে তরুণ-তরুণীরা মাদক রাজ্যে অবগাহন করে। মাতাল হয়ে ঘটায় নানা অপকর্ম। আল্লাহ তাআলা মাদক থেকে নিষেধ করে বলেন, ‘মুমিনগণ, মদ-জুয়া, মূর্তিপূজার বেদি, ভাগ্য নির্ণায়ক শর ঘৃণ্য বস্তু, শয়তানের কাজ। সুতরাং তোমরা তা বর্জন করো, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পারো। মদ ও জুয়ার মাধ্যমে শয়তান তোমাদের মাঝে শত্রুতা ও বিদ্বেষ সৃষ্টি করতে চায়, চায় আল্লাহর স্মরণ ও সালাত থেকে তোমাদের বাধা দিতে। কাজেই তোমরা কি এসব থেকে বিরত হবে না? (সুরা মায়েদা, আয়াত: ৯০-৯১)

সাত. জেনা ব্যভিচার

এ রাতে যুবক-যুবতীরা অবাধে মেলামেশা ও অপকর্মে লিপ্ত হয়। আবাসিক হোটেল, কমিউনিট সেন্টার, পানশালা, নাচঘর, সমুদ্র সৈকত, নাইট ক্লাবগুলো পরিণত হয় একেকটি অঘোষিত পতিতালয়ে। সতীত্ব হারায় আমাদের উঠতি বয়সের ছেলে-মেয়েরা। আল্লাহ তাআলা জেনা ব্যভিচারের নিকটবর্তী হতেও বারণ করে বলেন, ‘
(ولا تقربوا الزنا انه كان فاحشة.وساء سبيلا)
তোমরা ব্যভিচারের কাছে যেয়ো না, নিশ্চয় তা অশ্লীল কাজ ও মন্দ পথ।’ (সুরা বানি ইসরাইল, আয়াত ২২)

নবিজি (সা.) বলেন, অবশ্যই কোন পুরুষ কোন নারীর সাথে নির্জনে একত্রিত হলে তাদের তৃতীয়জন হয় শয়তান।

আট. অর্থ অপচয়

এ রাত উপলক্ষে যেসব আয়োজন করা হয়— সর্বক্ষেত্রেই থাকে অর্থ-অপচয়ের প্লাবন। অথচ ইসলাম যাবতীয় অর্থ অপচয় থেকে বারণ করেছে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আদম সন্তান, তোমরা প্রত্যেক সালাতের সময় সুন্দর পোশাক পরো। খাও, পান করো। কিন্তু অপচয় করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ অপচয়কারীদের ভালবাসেন না।’ (সুরা আল আরাফ, আয়াত : ৩১)

নয়. সময়ের অপচয়

ইসলাম ধর্মানুযায়ী মানুষের প্রতিটি মুহূর্তই অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আমরা থার্টি ফাস্ট নাইট উদযাপন করে যে সময়গুলো নষ্ট করছি সেগুলো কি কখনও ফিরে আসবে? এ সময়টিতে আত্মপর্যালোচনা করার প্রয়োজন ছিল, বিগত বছরটা কতটুকু উৎপাদশীল ও কল্যাণকর কাজে ব্যয় করতে পেরেছি? আমি তো দিনদিন মৃত্যুর দিকে ধাবিত হচ্চি। সুতরাং আগামীর দিনগুলো যেন এরচেয়েও বেশি ফলপ্রসূ হয়।

দশ. শিরকযুক্ত স্লোগান

এ রাতে বর্ষবরণ উপলক্ষে শিরকযুক্ত স্লোগান দেওয়া হয়। লোকজন বলে, ‘মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা/অগ্নি স্নানে সূচি হোক ধরা।’

এ স্লোগানে অগ্নিপূজকদের আগুন দ্বারা পবিত্র হওয়ার ভ্রান্ত বিশ্বাসের প্রতিধ্বনিত হয়। যা শিরক। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘নিশ্চয় আল্লাহ তাআলা তার সঙ্গে অংশীস্থাপনকারীকে ক্ষমা করবেন না।’ (সুরা আন নিসা, আয়াত : ১১৬)

কোনো জাতিকে ধ্বংস করতে হলে ধ্বংস করতে হয়— তাদের সভ্যতা সংস্কৃতি ঐতিহ্য; তাহলে ধ্বংসযজ্ঞের বাকি কাজ এমনিতেই সমাধা হয়ে যায়। বদলে যায় ইতিহাসের গতিপথ। উইলিয়াম হ্যান্টিংটন ক্লাস অব সিভিলাইজেশন বইয়ে লিখেন, ইসলামি সভ্যতাই পশ্চিমা বিশ্বের প্রধান সমস্যা। তাই তারা সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের মাধ্যমে আমাদেরকে কাবু করতে চায়।

অথচ বাস্তবতার নিরিখে যাচাই করলে দেখা যায়— এ দিবস শুধু বাংলাদেশের রাষ্টধর্ম ইসলামের মানদণ্ডেই অবৈধ তা নয় বরং বাঙালি সংস্কৃতিতেও এর কোনো বৈধতা নেই। আজ বাংলাদেশে ধর্মীয় মূল্যবোধ নষ্ট হওয়া ও পারিবারিক বন্ধন টুটে যাওয়ার বড় অনুঘটক হিসেবে এ ধরনের দিবস পালনের দায় এড়ানো যাবে না। সুতরাং থার্টি ফার্স্ট নাইটের মতো অসাংবিধানিক সাস্কৃতিক আগ্রাসন রোধে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করা সময়ের দাবি।

আসুন, আমরা অনতিবিলম্বে ঈমান ও সমাজবিধ্বংসী অপসংস্কৃতি পরিত্যাগ করে আচার-আচরণে, সভ্যতা-সংস্কৃতিতে নিজেদের স্বকীয়তা বজায় রাখতে ও সুস্থ সংস্কৃতির বিকশে সচেষ্ট হই। আল্লাহ তাআলা তাওফিক দিন।আমিন

তথ্যসূত্র :
১.মাসিক আল কাউসার,
২.তথ্য ছেড়ে জীবনে শরীফ আবু হায়াত অপু,
৩.বাকিটা আমার ক্ষুদ্র প্রচেষ্টার ফল প্রসূ।

থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপনের রীতি চালু হয়েছে হৃদরোগীরা ভীষণ কষ্ট পান। আল্লা

এ রাতে তরুণ-তরুণীরা মাদক রাজ্যে অবগাহন করে। মাতাল হয়ে ঘটায় নানা অপকর্ম। আল্লাহ তাআলা মাদক থেকে নিষেধ করে বলেন, ‘মুমিনগণ, মদ-জুয়া, মূর্তিপূজার বেদি, ভাগ্য নির্ণায়ক শর ঘৃণ্য বস্তু, শয়তানের কাজ। সুতরাং তোমরা তা বর্জন করো, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পারো। মদ ও জুয়ার মাধ্যমে শয়তান তোমাদের মাঝে শত্রুতা ও বিদ্বেষ সৃষ্টি করতে চায়, চায় আল্লাহর স্মরণ ও সালাত থেকে তোমাদের বাধা দিতে। কাজেই তোমরা কি এসব থেকে বিরত হবে না? (সুরা মায়েদা, আয়াত: ৯০-৯১)

সাত. জেনা ব্যভিচার

এ রাতে যুবক-যুবতীরা অবাধে মেলামেশা ও অপকর্মে লিপ্ত হয়। আবাসিক হোটেল, কমিউনিট সেন্টার, পানশালা, নাচঘর, সমুদ্র সৈকত, নাইট ক্লাবগুলো পরিণত হয় একেকটি অঘোষিত পতিতালয়ে। সতীত্ব হারায় আমাদের উঠতি বয়সের ছেলে-মেয়েরা। আল্লাহ তাআলা জেনা ব্যভিচারের নিকটবর্তী হতেও বারণ করে বলেন, ‘তোমরা ব্যভিচারের কাছে যেয়ো না, নিশ্চয় তা অশ্লীল কাজ ও মন্দ পথ।’ (সুরা বানি ইসরাইল, আয়াত ২২)

নবিজি (সা.) বলেন, অবশ্যই কোন পুরুষ কোন নারীর সাথে নির্জনে একত্রিত হলে তাদের তৃতীয়জন হয় শয়তান।

আট. অর্থ অপচয়

এ রাত উপলক্ষে যেসব আয়োজন করা হয়— সর্বক্ষেত্রেই থাকে অর্থ-অপচয়ের প্লাবন। অথচ ইসলাম যাবতীয় অর্থ অপচয় থেকে বারণ করেছে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আদম সন্তান, তোমরা প্রত্যেক সালাতের সময় সুন্দর পোশাক পরো। খাও, পান করো। কিন্তু অপচয় করো না। ন

তথ্যসূত্র :
১.মাসিক আল কাউসার,
২.তথ্য ছেড়ে জীবনে শরীফ আবু হায়াত অপু,
৩.বাকিটা আমার ক্ষুদ্র প্রচেষ্টার ফল প্রসূ।

23/12/2025

রিজিকে বাধার রুকিয়াহ।
রাকী : ইউনুস মাদানী।

18/12/2025

হে আল্লাহ, আমার ভাই ওসমান হাদীর সকল ভুল-ভ্রান্তি ক্ষমা করে তাকে শাহাদাতের দরজা দান করুন। জান্নাতুল ফেরদৌসের মেহমান হিসেবে তাকে কবুল করুন। তার এই চেতনা, ইসলাম প্রিয়তা ও দেশপ্রেমের আগুন যুগযুগান্তর ধরে অগ্নিস্ফুলিঙ্গ হয়ে বাংলার প্রতিটি ঘরে প্রবাহিত করে দিন।

হারিয়ে যাওয়া একটি সুন্নাহ চিকিৎসা পদ্ধতিআধুনিক পদ্ধতিতে সুন্নাহ ভিত্তিক চিকিৎসাআবু হুরায়রা (রা:) সূত্রে, রাসূলুল্লাহ (সা...
04/12/2025

হারিয়ে যাওয়া একটি সুন্নাহ চিকিৎসা পদ্ধতি

আধুনিক পদ্ধতিতে সুন্নাহ ভিত্তিক চিকিৎসা

আবু হুরায়রা (রা:) সূত্রে, রাসূলুল্লাহ (সা:) হতে বর্ণিত তিনি বলেছেন:

"আল্লাহ এমন কোন রোগ পাঠাননি যার আরোগ্যের ব্যবস্থা দেননি

(সহীহ বুখারী হা/৫৬৭৮ আত তিরমিযী হা/ ২০৩৮ সহী ইবনে মাজাহ হা/ ৩৪৩৬)

হিজামার মাধ্যমে যে সব রোগ প্রতিরোধ ও চিকিৎসা করা হয়:

1.ব্যাক পেইন
2.উচ্চ রক্তচাপ
3.বাতের ব্যাথা
4.পায়ের ব্যাথা
5. হাটু ব্যাথা
6.মাথা ব্যাথা ,মাইগ্রেইন
7.ঘাড়ে ব্যাথা
8.কোমড়ে ব্যাথা
9. জয়েন্টে পেইন
10. গ্যাস্টিক আলচার যাদু
11. (Black Magic)
12. ঘুমের ব্যাঘাত
13. জ্ঞান এবং স্মৃতি শক্তিহীনতা

14.ত্বকের বর্জ্য পরিষ্কার
15.মহিলাদের ইউট্রেস
16যৌন দুর্বলতা
ইত্যাদি।

হিজামা থেরাপী সমগ্র বিশ্বে ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে

এটি শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। হিজামা পার্শ্ব প্রক্রিয়া মুক্ত সুন্নাতি চিকিৎসা।

প্রতিরোধক ও প্রতিষেধক হিসাবে হিজামা থেরাপী ব্যবহার করুন। সুস্থ ও সুন্দর জীবন যাপন করুন।

রাসূলুল্লাহ (সা:) বলেছেনঃ- "নিশ্চয়ই এর (হিজামার) মধ্যে রয়েছে নিরাময়"।

(সহীহুল বুখারী হা/৫৬৯৭ (তাপা)

ইবনে মাসউদ (রা) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, মিরাজের রাত প্রসঙ্গে রাসূলুল্লাহ (সা:) বলেছেন যে, "এই রাতে ফেরেস্তাদের যে দলের সম্মুখে দিয়েই তিনি যাচ্ছিলেন তারা বলেছেন, "আপনার উম্মতকে হিজামার নির্দেশ দিন"।

(সহীহ ইবনে মাজাহ হা/৩৪৭৭ আত তিরমিযী হা/২০৫২)

03/12/2025

আপনি কীভাবে বুঝবেন আপনি জিন দ্বারা আক্রান্ত কিনা?
পর্ব:০২

03/12/2025

قصة عجيبة في حقيقة الجن ان توقع مع عمر بن عبد العزيز.
ওমর ইবনে আব্দুল আজিজ রহিমাহুললাহ এর সাথে জিনকেন্দ্রিক ঘটে যাওয়া একটি আশ্চর্যজনক ঘটনা।

اخرج البيهقي عن ابي معمر الانصاري قال. بينما عمر بن عبد العزيز يمشي الي مكة بفلاة من الارض.اذ رؤي حية ميتة فقال علي بمحفار.فقالوا نكفيك - اصلحك الله- قال .لا٬ ثم اخذه فحفر له ثم لفه في خرقة٬ ودونه. فاذا يهاتف يهتف لا يرونه. رحمة الله عليك يا سرق فاشهد لسمعت رسول الله ص. يقول تموت يا سرق في فلاة من الارض.فيدفنك خير امتي٬فقال له عمر بن عبد العزيز من انت يرحمك الله؟ قال رجل من الجن.وهذا سرق ولم يبق ممن بايع رسول الله ص: -احد من الجن غيري وغيره.واشهد لسمعت رسول الله ص. يقول تموت يا سرق في فلاة من الا رض ويدفنك خير امتي»

رواه البيهقي في دلا ؤل النبوة ٦\٩٣ باب:ما جاء من اخباره ص. بالشر.
অর্থাৎ: আবু মামার আনসারী (র:)বলেন একদা ওমর ইবনে আব্দুল আজিজ রাহিমাহুল্লাহ মক্কার মরুপ্রান্তর দিয়ে চলছিলেন, হঠাৎ দেখতে পেলেন মৃত একটি সাপ। তখন তিনি বললেন আমার উপরে করণীয় হলো খননযন্ত্র দিয়ে একটি গর্ত খনন করে সেখানে তাকে দাফন করে রাখা। সে সময় সঙ্গীরা বলে উঠলেন, হে খলিফাতুল মুসলিমিন. আমরাই খননকার্য সম্পাদন করছি। তখন তিনি বললেন,না। অতঃপর তিনি একটি কোদাল হাতে নিলেন, সাথে কাপড়ের তেনাও পেচিয়ে নিলেন হাতে। সেই সময়েই গায়েব থেকে একটি আওয়াজ আসলো, যে আওয়াজ কে দিয়েছে তা তারা অনুভব করতে পারলেন না। তোমার প্রতি রহমত বর্ষিত হোক" হে সুরুক "আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আমি আল্লাহর রাসুল সা:কে শুনেছি বলতে, হে সুরুক. তুমি কোন মরুপ্রান্তরে মারা যাবে আর তোমাকে আমার উম্মতের সর্বোত্তম ব্যক্তি দাফন করবে। তখন ওমর ইবনে আব্দুল আজিজ রাহিমাতুল্লাহ বললেন তুমি কে
আল্লাহ তোমার প্রতি রহম বর্ষণ করুন? তখন জ্বীনদের কোন এক লোক বলল, আমার এবং তার ব্যথিত আর ঐ সমস্ত জিনদের মধ্য থেকে যারা আল্লাহর রাসুলের কাছে বায়াত গ্রহণ করেছে তাদেরকেও আর নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আমি আল্লাহর রাসূল সা:বলতে শুনেছি হে সুরুক তুমি মারা যাবে মরো প্রান্তরে আর তোমাকে আমার উম্মতের সর্বোত্তম ব্যক্তি দাফন করবে।

( বায়হাকী,দালাইলুন নবুওয়া,৬/৯৩)

ايها القاريء الكريم.
ماكنا نفهم من هذه القصة هي تحقيق الجان وتاثير الجان في جسم الانسان وغير ذالك صدق.

تحمل هذه الكتابة من لقط المرجان في احكام الجان
للسيوطي رحمه الله.( صفحة ٤٦)

28/11/2025

জ্বিন মানুষের শরীরে আসর করার আদৌ কি কোন বাস্তবতা রয়েছে শরয়ী দৃষ্টিকোণ থেকে?
পর্ব : ০১

القرين:هو جني ملازم للانسان يدفع المرء لفعل السيؤات وعصيان اوامر الله تعالي.وهذا الجني القرين ان لم يعصه ملازمه من البشر...
23/11/2025

القرين:هو جني ملازم للانسان يدفع المرء لفعل
السيؤات وعصيان اوامر الله تعالي.وهذا الجني القرين ان لم يعصه ملازمه من البشر ويتوجه الي فعل الخيرات فانه يتحول لشيطان بامر الله تعالي لقوله تعالي «ومن يعش عن ذكر الرحمان نقيض له شيطانا فهو له قرين»(الزخرف ٣٦)

অর্থাৎ :قرين সেটি হল আমাদের প্রতিটি মানুষের শরীরে থাকা এমন একটি জিন যা মানুষকে মন্দ কাজ করার এবং আল্লাহর নির্দেশের অবাধ্যতা করার ব্যাপারে মানুষকে কুমন্ত্রণা দিয়ে থাকে।
আর যদি কোন মানুষ قرين জিনের কুমন্ত্রণায় পাত্তা না দেয়, এবং কল্যাণকর কাজের দিকে মনোনিবেশ করে,তখন এই قرين জিনটা আল্লাহর নির্দেশে শয়তানে পরিণত হয়। তাইতো আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তা'য়ালা কুরআন কারীমের মধ্যে বলছেন।
(যে ব্যক্তি দয়াময় রহমানের স্মরণ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, আমি তার জন্য শয়তান নিযুক্ত করে দেই, যে তার সঙ্গীতে পরিণত হয়।) (সুরা যুখরুফ:৩৬)।

اسباب تسلط القرين.
কারিন জিন মানুষের মন মস্তিষ্কে যে সমস্ত প্রভাব বিস্তার করে থাকে।
١. الوسوسة في العقيدة ثم في العبادات٠
আকিদা সংক্রান্ত বিষয়ে কুমন্ত্রণা দেয়া, অতঃপর ইবাদত সংক্রান্ত বিষয়ে কুমন্ত্রণা দেয়া।
٢.كوابيس.
নিদ্রায় দুঃস্বপ্ন দেখা।
٣.نسيان شديد للفراؤض والسنن.
ফরজ এবং সুনানগুলোর কথা প্রচন্ড রকমের ভুলে যাওয়া।
٤.عدم الاستقرار في مكان واحد٠
এক স্থানে স্থির না থাকতে পারা।
٥. حب العزلة والا نفراد٠
একাকীত্ব থাকতে পছন্দ করা।
٦.الشك في الله والرسول.
আল্লাহ এবং তার রাসূল সম্পর্কে আজে বাজে চিন্তা করা।
٧.سلوك مدعوم بشهوة جامحة للجماع.
ব্যভিচারের এবং অশ্লীল কাজের প্রতি আকৃষ্ট
করা।
٨.عدم طلب العلم النافع او عدم فعل الخيرات.
জ্ঞান চর্চা, ও কল্যাণকর কাজের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলা ও।
٩.فقدان الشهية للاكل.
খাবারের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলা।

العلاج لتسلط القرين.
কারিন জিনের প্রভাব থেকে বাঁচার প্রতিকার।

١.الاستغفار خاصة مع التوبة من ذنب معين تعلمه انت.
নির্দিষ্ট গোনাহ যা ব্যক্তি জানে তা থেকে তাওবার সাথে ইসতেগফার করা।
٢.اذكار الصباح والمساء خاصة وتقرء كلها وتجدها في كتا ب حصن المسلم للقحطاني.
সকাল সন্ধ্যার জিকির মনোযোগ সহকারে পড়া।
٣.الابتعاد عن العزلة والانطواء.
لقوله ص.﴿فعليك بالجماعة ﴾(رواه ابو داود)فان الذنب ياكل القاصية .
قال العيني في شرح ابي داود ١٨|٣. القاصية اي الشاة المنفردة عن القطيع البعيدة منه.
একাকীত্ব থাকা পরিহার করা।
٤.تحصين البيت وديمومة الراءحةالطيبة في البيت والجسم.
ঘর কে শয়তানের সরঞ্জাম থেকে হেফাজত করা।
٥.شرب الماء المرقي والاغتسال به علي الدوام وكلما كان الماء اكثر برودة كلما اثر في القرين وطرده من الجسد لان الشياطين خلقت من مارج من نار فالماء البارد يؤذيهم.
সব সময় রুকিয়া করা পানি পান করা, এবং রোকিয়ার পানি দিয়ে গোসল করা।
٦.القيام بالرياضة.
ব্যায়াম চর্চায় অভ্যস্ত হওয়া।
٧.جلسات حجامة كل خمس عشرة يوما لازالة الشواءب والسموم وتضييق مجرى الدم كما اخبر المصطفي ص.﴿ان الشيطان يجري مجري الدم ﴾
প্রতি 15 দিনে একবার হিজামা করানো।

تحمل هذه الكتابة من كتابة كتاب (في كل بيت راق حول الرقية والحجامة سنة وعلاج)للشيخ الراقي ابو فاطمة عصام الدين ابراهيم غفر الله له ولوالديه ولشيخه وللمسلمين.

21/11/2025

ভেবে দেখেছেন কি? আজ ভূমিকম্পের তীব্রতা আরো ভয়াবহ হলে খুব কম সংখ্যক মানুষের শেষ আমল হতো ফজরের নামাজ। সেই লিস্টে আপনি থাকতেন তো? উত্তর 'না' হলে, শুধরে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে এখনো। এই কম্পনে টের না পেলেও, চূড়ান্ত কম্পন কিন্তু ঠিকই টের পাইয়ে দিবে। তাই আসুন, সময় থাকতে নিজেদের শুধরে নিই।

''তোমরা কি নিশ্চিত হয়ে গেছো যে, যিনি আসমানে রয়েছেন তিনি তোমাদেরকেসহ এ জমিনকে ধ্বসিয়ে দেবেন না, অতঃপর আকস্মিকভাবে তা থর থর করে কাঁপতে থাকবে?'' [সূরা আল-মুলক : ১৬]

20/11/2025

জিন কি কি কারণে মানুষের শরীরে আসর করে থাকে ?

20/11/2025
20/11/2025

দুশ্চিন্তা-ডিপ্রেশন থেকে পরিত্রাণের উপায়।

Address

Road/6c, House/34, Sector-12, Uttara, Opposite Sector 12 Grave, Near Ena Mart Superstore, Lift 3
Dhaka
1230

Telephone

+8801786457909

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when As-sunnah hijama and ruqyah centre Uttara posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram