Tazaro Clinic

Tazaro Clinic সব ধরনের মেডিকেল সেবার জন্য আমরা আছি আপনার পাশে🩺

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাস কোন ১০টি খাবার না খাওয়াই ভালো, সেটা আপনি জানেন কি?সন্তানের মা হতে চলেছেন? আর কয়েকটা মাস পরেই ছ...
24/12/2021

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাস কোন ১০টি খাবার না খাওয়াই ভালো, সেটা আপনি জানেন কি?

সন্তানের মা হতে চলেছেন? আর কয়েকটা মাস পরেই ছোট্ট ছোট্ট হাত পা নেড়ে আপনাকে আদরে ভরিয়ে রাখবে সে, ভেবেই যেন গায়ে কাঁটা দিচ্ছে তাই না? কিন্তু অবাক ব্যাপার, পুঁচকের চিন্তার পাশাপাশি আপনার মাথায় নিত্য নতুন খাবারের কথা ঘুরছে কেনো? খালি মনে হচ্ছে, আজ এটা খাই, কাল ওটা আনবো, পরশু সেটা বানাবো। সত্যি বলতে অবাক হওয়ার কিছু নেই এতে। গর্ভাবস্থায় হবু মায়ের শরীরে হরমোনের যে নাচানাচি চলে, তার কারণে নানারকম খাবার খাওয়ার ইচ্ছে, তরিবত করে রান্না করে আঙুল চাটার ইচ্ছে আপনার হতেই পারে। ইচ্ছে হলেই যে উপায় হয়, এমনটাও বোধ করি সবসময় হয় না। বাড়ির গুরুজনেরা রে রে করে তেড়ে এসে অনেক কিছু খাবার খেতে বারণ করতে পারেন। এ ব্যাপারে কম যান না ডাক্তাররাও। মন খারাপ করবেন না; এঁরা প্রত্যেকেই আপনার ও আপনার ভাবী সন্তানের শুভাকাঙ্ক্ষী। গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাস কোন ১০ টি খাবার না খাওয়াই ভালো, সেটা আপনি জানেন কি? (Pregnancy-r prothom tin mas ei 10 ti khabar ekdom noy. Foods You Should Avoid In The First Trimester Of Pregnancy in Bangla)

গর্ভকালের প্রথম ৩ মাস খেতে মানা কোন কোন খাবার (Foods you should avoid in the first trimester of pregnancy)
#1. কাঁচা বা আধসেদ্ধ ডিম (Raw egg)
কাঁচা ডিম বা আধসেদ্ধ ডিম গর্ভাবস্থায় খাবেন না। কাঁচা ডিমে সালমনেল্লা ভাইরাসের সংক্রমণ হলে, সেই ডিম খেয়ে মায়ের ডায়েরিয়া, ফুড পয়েজনিং, জ্বর, বমি, মাথা ঘোরা বা পেটে ব্যথা হতে পারে। গর্ভস্থ শিশুর প্রত্যক্ষভাবে কোনও ক্ষতি না হলেও, মায়ের অসুস্থতার কারণে তারও অসুবিধা সৃষ্টি হয়। কাঁচা ডিম যেমন খাবেন না, তেমনি যেসব খাবারে কাঁচা ডিম মেশানো থাকে, সেগুলিও এসময় বর্জন করুন। মেয়নিজ, কাস্টার্ড বা কোনও স্যালাড ড্রেসিং এসময় ব্যবহার না করাই ভালো, কারণ এগুলিতে কাঁচা ডিম মেশানো থাকে।

#2.অর্ধেক রান্না করা চিংড়ি মাছ (Undercooked or raw prawn)
বাইরে দোকানে বা রেস্তোরাঁয় রান্না হওয়া চিংড়ি মাছ খাবেন না। স্বাদ ও গন্ধ বজায় রাখার জন্য এসব জায়গায় চিংড়ি মাছ ভালো করে সেদ্ধ করা হয় না বা ঠিকমতো পরিষ্কার করাও হয় না। চিংড়ি মাছ প্রোটিন ও ওমেগা ৩(Omega 3)-র ভালো উৎস হলেও আধসেদ্ধ চিংড়ি মাছ হবু মাকে পেটের সমস্যায় নাজেহাল করে দিতে পারে। ভালো করে রান্না না করা হলে, চিংড়ি মাছে থাকা বিভিন্ন প্যারাসাইট নষ্ট হয় না ও শরীরের ক্ষতি করে। এছাড়াও চিংড়ি মাছে অনেকের সাংঘাতিক এলার্জি থাকে। চিংড়ির মতো অন্যান্য সামুদ্রিক মাছ অর্ধেক রান্না করে খেলে লিস্টেরিয়া নামক ব্যাকটেরিয়ার প্রভাবে রক্ত দূষিত হয়ে যেতে পারে ও গর্ভস্থ শিশুর সমূহ ক্ষতি হয়।

#3.আধসেদ্ধ মাংস (Undercooked meat)
গর্ভাবস্থায় আধসেদ্ধ মাংস খাওয়া একেবারেই উচিত নয়। মাংস ভালো করে রান্না না করা হলে, এর মধ্যে উপস্থিত সালমনেল্লা, ই কোলাই ইত্যাদি মাইক্রোঅর্গানিজম নষ্ট হয় না এবং মারাত্মক ফুড পয়েজনিং-এর কারণ হতে পারে। কাঁচা মাংস ভালো করে ধোয়ার পর রান্নাঘরের বেসিন এবং নিজের হাত খুব ভালো করে জীবাণুনাশক সাবান দিয়ে পরিষ্কার করুন। মাংস সুসিদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত রান্না করে তবেই খান।

#4.কাঁচা সব্জি (Raw vegetables)
এসময় কাঁচা সবজি খাবেন না। সবজি ভালো করে ধুয়ে, ঠিকমতো রান্না করে তবেই খান। কাঁচা সবজিতে বিভিন্ন প্যারাসাইট বা পরজীবী ব্যাকটেরিয়া থাকে, যা আপনার এবং গর্ভস্থ সন্তানের ক্ষতি করতে পারে। বাজার থেকে কাটা ফল বা সবজি কোনও ভাবেই কিনে আনবেন না। ফল বা সবজি অনেকক্ষণ কাটা থাকলে অক্সিডেশনের কারণে তার গুণাগুণ কমে যায় আবার ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের ভয়ও বাড়ে। গোটা ও তাজা সবজি কিনে আনুন এবং ভালো করে রান্না করে তবেই খান।

#5.আনারস (Pineapple)
এই সুস্বাদু ফলটি আপনি খেতে পারেন তবে খুবই কম পরিমাণে এবং আপনার চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে। আনারসে উপস্থিত ব্রোমিলিন নামের উৎসেচক গর্ভপাতের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয় এবং নির্দিষ্ট সময়ের আগেই প্রসব হয়ে যেতে পারে। প্রথম তিন মাস এই ফলটি একটুও না খাওয়াই ভালো।

#6.কাঁচা পেপে (Raw papaya)
গর্ভাবস্থায় কাঁচা পেপে একেবারেই খাবেন না। কাঁচা পেপের পেপ্সিন ও প্যাপাইন ভ্রূণের ক্ষতি করে। আবার পেপের ল্যাটেক্স গর্ভপাতের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়।

#7.মৌরি ও মেথি (Fennel and Fenugreek seeds)
মৌরি বা মেথি দানা বেশি খেলে নির্দিষ্ট সময়ের আগে প্রসবের সম্ভাবনা বেড়ে যায় এবং প্রি-ম্যাচিওর বাচ্চার জন্ম হয়। রান্না করার সময়, অল্প পরিমাণে মশলা হিসেবে ব্যবহার করলে কোনও অসুবিধা হবে না। কিন্তু প্রত্যেকদিন অতিরিক্ত পরিমাণে মৌরি বা মেথি খাবেন না।

#8.আজিনামোটো (Mono Sodium Glutamate)
অনেক চাইনিজ খাবারে আজিনামোটো দেওয়া থাকে। ভালো স্বাদ ও গন্ধের জন্য এই আজিনামোটো ব্যবহার করা হয়। অনেকেরই এটা সহ্য হয় না। আজিনামোটো দেওয়া খাবার খেলে অনেকের মাথা ঘোরা, পেশীতে টান, হঠাৎ প্রচণ্ড ঘাম হওয়া ইত্যাদি অসুবিধা হয়ে থাকে। আপনারও যদি এই উপাদানটি থেকে এরকম শরীর খারাপ হওয়ার পূর্ব অভিজ্ঞতা আছে, তা হলে কোনও ভাবেই গর্ভাবস্থায় এটি খাবেন না।

#9.আনপাস্তুরাইজড দুধ (Unpasteurized milk)
আনপাস্তুরাইজড দুধে অনেক রকম ক্ষতিকর মাইক্রোবস থাকতে পারে যা আপনার ও গর্ভস্থ সন্তানের ক্ষতি করতে পারে। দুধ অবশ্যই খাবেন; তবে খাওয়ার আগে ভালো করে ফুটিয়ে খান বা পাস্তুরাইজড দুধ খান।

#10.অ্যালকোহল (Alcohol)
গর্ভাবস্থার কোনও সময়েই কোনও রকম মদ্য পান বা অ্যালকোহল সেবন করা উচিত নয়। অ্যালকোহল মায়ের রক্ত থেকে গর্ভস্থ শিশুর রক্তে চলে যায় এবং শিশুর মস্তিস্ক ও শিরদাঁড়ার ক্ষতি করতে পারে। অত্যধিক অ্যালকোহল সেবনে গর্ভপাত হয়ে যেতে পারে বা মৃত শিশুর জন্ম হতে পারে।

এছাড়াও এসময় অতিরিক্ত তেল মশলা দেওয়া খাবার খাবেন না বা বেশি ভাজাভুজি খাবেন না। সহজপাচ্য খাবার খেলে শরীর ঝরঝরে থাকে। কোনও খাবার খেয়ে সমস্যা হলে সঙ্গে সঙ্গে ডাক্তারের পরামর্শ নিন বা ডায়েটিশিয়ানের পরামর্শ মতো খাবার খান।

শীতে শুষ্ক ত্বকের ঘরোয়া যত্ন!শীতকালে সব ত্বকেরই চাই বাড়তি যত্ন। আপনার ত্বক যদি অয়েলি, মানে তৈলাক্ত হয়, তা হলেও শীতের দিন...
10/12/2021

শীতে শুষ্ক ত্বকের ঘরোয়া যত্ন!
শীতকালে সব ত্বকেরই চাই বাড়তি যত্ন। আপনার ত্বক যদি অয়েলি, মানে তৈলাক্ত হয়, তা হলেও শীতের দিনে শুষ্কতার হাত থেকে তাকে রক্ষা করতে পারে না কেউ। এই সময় তাই সবসময় আর্দ্র রাখুন আপনার ত্বক। সে বাইরে থেকে ভালো মানের স্কিন কেয়ার প্রোডাক্ট কিনে বা ঘরোয়া ভাবে।
ঘরোয়া পদ্ধতিই প্রয়োগ করার পরামর্শ দেব আমরা। এতে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া (বিশেষ করে আপনার ত্বক যদি স্পর্শকাতর হয়) হওয়ার কোনও আশঙ্কা থাকে না। ঘরোয়া টোটকাগুলি ভেতর থেকে আর্দ্র রাখে আপনার ত্বক, বাইরে থেকে কোমল আর উজ্জ্বল করে তোলে তাকে।

#1. মধু আর ডিমের কুসুম (Honey and egg yolk)
মধু আর ডিমের কুসুম খুব ভালো প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার। সমপরিমাণ মধু ও ডিমের কুসুম মিশিয়ে নিন। মুখে, ঘাড়ে ভালো করে লাগিয়ে নিন। খানিক রেখে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

#2. অলিভ অয়েল (Olive oil)
শীতে অনেকেই বডি লোশনের বদলে অলিভ অয়েল ব্যবহার করে থাকেন। ত্বক নমনীয় রাখতে এই অলিভ অয়েল শরীরের অন্য অংশের পাশাপাশি মুখেও ব্যবহার করতে পারেন।

#3. মধু এবং দুধ (Honey and milk)
২ টেবিল চামচ মধু আর ২ টেবিল চামচ দুধ মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি মুখে লাগান। কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেলুন। এটি ত্বকের টোনার ও ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করে থাকে।

#4. অ্যালোভেরা আর দুধ (Aloevera gel and milk)
অ্যালোভেরা জেলের সাথে ২ টেবিল চামচ গুঁড়ো দুধ মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। এই প্যাকটি মুখ এবং ঘাড়ে ব্যবহার করুন। ১০-১৫ মিনিট পর শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন।

#5. টকদই আর কলা (Curd and banana)
অর্ধেকটা কলা আর ৪ টেবিল চামচ টকদই মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। নিমেষে উজ্জ্বল ও কোমল ত্বক পেতে মুখে-গলায় ব্যবহার করুন। ২০ মিনিট রেখে ঠান্ডা জলে ধুয়ে ফেলুন।

বাচ্চার হাবভাবেই বোঝা যায় কী বলতে চাইছে সে; বুঝতে পারছো তো মা?সব্বাই বলে থাকেন, বাচ্চার মনের ভাবপ্রকাশের একমাত্র মাধ্যম ...
10/12/2021

বাচ্চার হাবভাবেই বোঝা যায় কী বলতে চাইছে সে; বুঝতে পারছো তো মা?
সব্বাই বলে থাকেন, বাচ্চার মনের ভাবপ্রকাশের একমাত্র মাধ্যম তার কান্না। আমি যদি এখন এটা মানবো না বলে বেঁকে বসি, তা হলে কেমন হয়? কেমন হয় যদি উদাহরণ দিয়ে বুঝিয়ে দিই যে শুধু কান্না নয়, নানাবিধ অঙ্গভঙ্গী করেও বাচ্চা কথা বলতে চায় বা মনের ভাব বোঝায়; কেমন হয় বলো দেখি! না, বানিয়ে বানিয়ে গল্প লিখবো না মোটেই, অভিজ্ঞ মায়েদের আর চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণেই সামনে এসেছে বাচ্চাদের এই “গোপন ভাষা।” (Signs That Can Help You Understand Your Baby)

বাচ্চা যদি হাত মুঠো করে থাকে, তা হলে তার খিদে পায়। জানতে এটা? বা, গলা দিয়ে নানারকম আওয়াজ বার করছে, তার মানেই বা কী? এরকম তথ্যতেই ভরপুর আজকের প্রতিবেদন। বাচ্চাদের ওপর সাধারণ একটা পর্যবেক্ষণ করে এই সিদ্ধান্তগুলি নেওয়া হয়েছে। বাচ্চার অঙ্গভঙ্গী বা বডি ল্যাঙ্গয়েজ, কান্নার রকমফের এবং গলার নানা আওয়াজের মাধ্যমে বাচ্চা কী বলতে চায় (Signs that Will Help You to Understand Your Baby Before They Can Speak), জানতে হলে পড়ে ফেলো প্রতিবেদন।



#1. বাচ্চার অঙ্গভঙ্গীই বুঝিয়ে দেবে ওর মনের কথা (Your Baby’s Movements)
আমরা না হয় কথা বলে পরিষ্কারভাবে নিজের চাহিদা, আবদার বা রাগ অন্য কাউকে জানাতে পারি। কিন্তু, ছোট্টগুলো? যারা কথা বলতেই শেখেনি তারাও কিন্তু ভাবপ্রকাশে কম যায় না। শুধু, পদ্ধতিটা অন্য। নানারকম অঙ্গভঙ্গী করে বাচ্চা মনের ভাব প্রকাশ করতে পারে। যেমন (Baby Signs & Language),

হাত মুঠো করে রাখা: বাচ্চার খিদে পেয়েছে।
হাতের মুঠো খুলে রাখা: বাচ্চার পেট ভর্তি, বেশ আরামে আছে ও।
মাথা ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখছে সমানে: ছোট্ট মাথা ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখা মানে ভয়ের কোনও কারণ নেই। বাচ্চা নিজেই নিজেকে শান্ত করছে বা নতুন লোকজন এসেছে আশেপাশে তাদের দেখছে। আবার এও হতে পারে যে ওর ঘুম পেয়েছে।
হঠাৎ দু’হাত ঝাঁকুনি দিয়ে সোজা করা বা তিড়কে ওঠা: বাচ্চা হয়তো ঘুমোতে ঘুমোতে একটু ভয় পেয়ে গেছে। জেগে থাকা অবস্থায় আশেপাশে জোরে আওয়াজ হলে বাচ্চা ভয় পেয়ে তিড়কে ওঠে।
নিজের কান ধরে টানা: জন্মের পর থেকে প্রত্যেকদিন বাচ্চা একটু করে বড় হয়। নিজের কান, নাকে হাত দেওয়া মানে খুদে উপলব্ধি করছে নিজের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ। তবে বাচ্চা যদি কানে হাত দিয়ে ক্রমাগত টানে বা কাঁদে; তা হলে কানে ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না কিন্তু। দাঁত ওঠার সময়েও বাচ্চাদের কানে এই ধরনের ব্যথা হয়।
পিঠ বাঁকানো: মায়ের কাছে দুধ খেতে খেতে পিঠ বাঁকানো মানে ওর পেট বেশ ভরে গেছে। আবার এই পিঠ বাঁকানো কিন্তু কলিকের জন্যও হতে পারে। বাচ্চার মুড খারাপ থাকলে বা ও খুব ক্লান্ত হয়ে থাকলেও বাচ্চা মাঝে মাঝে পিঠ বাঁকায়।
পেটের দিকে পা তুলে আনা: পেটে গ্যাস হয়ে অস্বস্তি হলে বা কলিকের ব্যথা হলে বাচ্চা পা পেটের দিকে মুড়ে তুলে আনে।
আড়মোড়া ভাঙা: আড়মোড়া ভাঙার অর্থ, শুয়ে শুয়ে খেলেই বড্ড ক্লান্ত হয়ে পড়েছে বেচারা। আবার একটু একটু ঘুম এলেও বাচ্চা এরকম করে।
হাত দিয়ে মুখ, নাক, চোখ ঘষা: খুব ঘুম পেয়েছে অথচ ঘুমনোর মতো পরিবেশ পাচ্ছে না বেচারি, একটু রেগে তো যাবেই! হাত দিয়ে বারবার নাক, চোখ ঘষা, একটু একটু কাঁদবো কাঁদবো ভাব এরকম হলে বাচ্চাকে একটু ঘুম পাড়িয়ে দিন।


আরও পড়ুন: ছোট্ট শিশুর কথা বলতে শেখার সময়টায় কোনটা স্বাভাবিক, কোনটা নয়!



#2. কান্নারও আছে রকমফের, খেয়াল করেছেন তো? (Your Baby’s Cry)
খিদের জন্য কান্না: জোরে জোরে কাঁদবে, ঘ্যানঘেনে ভাবে কেঁদে যাবে। অস্থিরভাবে মাথা নাড়াবে ও মুখে নানারকম আওয়াজ করবে।
“মা” কে ডাকার কান্না: এটা কিন্তু শুধুই কান্না নয়। মা’কে বা প্রিয়জনকে কাছে ডাকার একটা মাধ্যম। একটু করে কাঁদবে আবার চুপ হয়ে যাবে। কেউ কাছে না এলে আবার কাঁদবে।
অস্বস্তির কান্না: কান্না শুনেই বুঝতে পারবেন যে বাচ্চার অস্বস্তি হচ্ছে কোথাও। ওর বিরক্ত লাগছে। থেমে থেমে কাঁদবে বাচ্চা। এরকম কেন করছে তার কারণ খুঁজে না পেলে ডায়াপারটাই একটু দেখে নিন না হয়।
ব্যথার কারণে কান্না: একনাগাড়ে কাঁদবে বাচ্চা। কেঁদে ক্লান্ত হয়ে গেলে যেমন শোনায়; ওর কান্না শোনাবে অনেকটা ওরকম। ওর কান্না শুনে মনে হবে কাঁদতেও শক্তি নেই বেচারার, আটকে আটকে কাঁদবে।
ঘুম পাওয়ার কান্না: নরম নরম ঘ্যানঘেনে কান্না, মাঝে হাই তোলা, চোখ চুলকানো থাকলে খুদের ঘুম পেয়েছে।
থেমে থেমে কান্না: নিজের শরীরের নানা কাজকর্মের সাথে পরিচিত হওয়ার সময়েও বাচ্চার কান্না আসে। একটু নরম গলায়, বিরক্তির সাথে কাঁদে বাচ্চা।
খারাপ মুডের কান্না: নতুন কোনও জায়গায় গিয়েছেন বা নতুন লোকজনের মাঝে; বাচ্চা কোনও কারণ ছাড়াই ঘ্যানঘ্যান করতে শুরু করলো। চোখে জল আছে কি নেই, একনাগাড়ে কেঁদেই যাচ্ছে। হয় ওর খুব বিরক্ত লাগছে বা আশেপাশের পরিবেশটা একদমই পছন্দ হয়নি ওর।


#3. বাচ্চার গলার আওয়াজে কীভাবে বুঝবেন ওর কথা (The Noises Your Baby Makes)
নানা ধরনের আওয়াজের মধ্যেও লুকিয়ে থাকে অনেক কথা। মুখ থেকে যেসব দুর্বোধ্য আওয়াজ বার করে ছানার দল, তার মাধ্যমেও কিন্তু সে যোগাযোগ করতে চায় প্রিয়জনের সাথে।
গলার ভিতর থেকে উত্তেজনাপূর্ণ আওয়াজ (Squeals)-> কোনও কিছু দেখে উত্তেজিত হলে বা আনন্দ হলে বাচ্চা গলার ভিতর থেকে তীক্ষ্ণ একরকম আওয়াজ বার করে। সাধারণ আওয়াজের থেকে এটা বেশ জোরালোই হয়ে থাকে। ধরুন, আপনি কোনও খেলনা দেখাচ্ছেন বা অঙ্গভঙ্গী করছেন, হঠাৎ পুঁচকে হাত-পা নেড়ে মুখে অমনি আওয়াজ করলো। তার মানে, আপনি যা করছেন, সেটা ওর ভারি পছন্দ হয়েছে।

মুখ না খুলে গলার স্বর ভারি করা (Grunts )->১ বছর হওয়ার কয়েক মাস আগে থেকে বাচ্চা এইরকম আওয়াজ পটি করার সময় করতে শুরু করে। বাচ্চার বোর লাগলে বা বিরক্তি হলে অনেক সময় ওরকম ঠোঁট চেপে “হুম্মম হুম্মম” আওয়াজ করতে থাকে একটানা। আবার সে একটু বড় হয়েছে, পছন্দের কোনও খেলনা তার চাই, বা মা ঘরে ঢোকা মাত্র মায়ের কোলে চাপা চাই, এইরকম বিভিন্ন দাবি বুঝিয়েও বাচ্চা এই ধরনের আওয়াজ করে।
কিছু একটা উচ্চারণ করা (Babbles)->সাধারণত, বাচ্চার বয়স ৪-৬ মাস হলে বাচ্চা কিছু একটু অর্থপূর্ণ বলার চেষ্টা করে। হ্যাঁ, সে চেষ্টা করে, আমাদের কানে কিন্তু সেটা মিষ্টি কতগুলো শব্দ হয়েই আসে। চারপাশে ভেসে বেড়ানো যে কথা বা শব্দ শিশু সারাদিন শুনছে, তার মধ্যেই ১-২ টি শব্দ সে উচ্চারণের চেষ্টায় থাকে। আমাদের কাছে তার কোনও মানে না থাকলেও শিশুর কাছে সেটা কিন্তু অনেক বড় গল্প।
একটু আওয়াজ করে দীর্ঘশ্বাস ছাড়া (Sighs)->বাচ্চারাও দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে, মাঝে মাঝেই ছাড়া। শিশু আনন্দ পেলেও দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে, আবার নিজেকে রিল্যাক্স করতে চাইলেও তাই।
গরগর আওয়াজ করা (Growls)->৬ মাস বয়সের মধ্যেই বাচ্চারা গরগর করে একধরনের আওয়াজ করতে থাকে। গরগর আওয়াজ করা মানে আপনার বাচ্চা বদমেজাজি হবে, এরকম কিন্তু ভাববেন না। বাচ্চারা যখন গরগর আওয়াজ করে, তাদের গলার মধ্যে একটা অনুভূতি হয় এবং সেটা ওদের বেশ পছন্দের। একটু বড় হওয়ার পরে কিন্তু বিরক্ত হলে বা কোনও কাজ তার অপছন্দ হলে এই রকম আওয়াজ করে।
খিলখিল করে হাসা (Chuckles)-> চারমাসের আশেপাশে বয়স হলে বাচ্চা হাসতে শেখে। একটু মজার কাজকর্ম করুন না, বাচ্চা হাসবে ভুঁড়ি দুলিয়ে। ওর হাঁটুতে একটু সুরসুরি দিয়ে দেওয়াই হোক বা পেটে নাক দিয়ে ঘষে দেওয়া হোক, বাচ্চা খুব মজা পায় এবং খিলখিল করে হাসে।


খুদের সবচেয়ে কাছের মানুষ তার মা। বাচ্চার হাবভাব একটু ভালো করে কয়েকদিন লক্ষ্য করলেই মা বুঝে যায় সে কী চায়! আমরা সাধারণ একটা ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করলাম নতুন মায়েদের সাহায্যার্থে। কোনও কোনও বাচ্চার ক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রম হওয়া অস্বাভাবিক নয় একেবারেই। প্রতিবেদন থেকে একটা আন্দাজ নিয়ে রাখুন, তারপরে নিজের কুচোটির ভাবসাব নজরে রাখুন, কথা ফোটার আগেই দেখবেন মায়ে ছায়ে ভাব হবে জব্বর। (Signs That Can Help You Understand Your Baby)

গর্ভকালে মধু খাবেন, না খাবেন না! দ্বিধাদন্দ্ব মিটিয়ে ফেলুন_গর্ভকাল এমন একটা সময় যখন শুধু হবু মা নন, তার আশেপাশের সমস্ত ম...
10/12/2021

গর্ভকালে মধু খাবেন, না খাবেন না! দ্বিধাদন্দ্ব মিটিয়ে ফেলুন_
গর্ভকাল এমন একটা সময় যখন শুধু হবু মা নন, তার আশেপাশের সমস্ত মানুষ ব্যস্ত হয়ে পড়েন মায়ের খাওয়াদাওয়া নিয়ে; কী খাবে আর কী খাবে না এই বচসাতেই কেটে যায় দিনের একটা অংশ। অনেক সময় সিদ্ধান্ত হয় সঠিক আবার অনেক সময় ভুল। ঠিক এমনই একটা খাবার মধু! মধুর মতো মিষ্টি, প্রাকৃতিক জিনিসও মাঝে মাঝে সন্দেহের প্রকোপে পড়ে যায়। (Eating Honey during Pregnancy)

তবে কি জানেন, সবার শরীর যেমন সমান নয়; তেমনই একই খাবার/ পথ্য আবার সব্বার জন্য ঠিক নয়। একই কথা খাটে মধুর ক্ষেত্রে! কারও জন্য মধু খুব ভালো, আবার কেউ মধুকে “না” বললেই ভালো থাকেন। (Honey During Pregnancy; Benefits and Side Effects) আর এই সতর্কতাগুলো আরও জোরদার হয় প্রেগন্যান্সির সময়। প্রেগন্যান্সিতে মধু খাবেন কি খাবেন না, মধুকে নিয়ে কীসের সন্দেহ, খাঁটি মধু চিনবেন কীভাবে বা কতটা মধু খাওয়া সম্পূর্ণ নিরাপদ; এরকম নানা প্রশ্নের চুলচেরা বিচার রইল আজকের প্রতিবেদনে! জানতে হলে পড়ে নিন। (Eating Honey during Pregnancy)



#1. প্রেগন্যান্সিতে মধু খাওয়া কি ঠিক? (Can Pregnant Women Eat Honey?)
হ্যাঁ, গর্ভাবস্থায় বা প্রেগন্যান্সিতে মধু খাওয়া সম্পূর্ণ নিরাপদ। যদি আপনার কোনও ভাবে এলারজি না থাকে বা আপনার ডাক্তারবাবু কোনও নির্দিষ্ট কারণের খাতিরে আপনাকে মধু খেতে বারণ না করেন; সেক্ষেত্রে প্রেগন্যান্সিতে আপনি নির্ভাবনায় মধু খেতে পারেন।



#2. প্রেগন্যান্সিতে মধু খাওয়া নিয়ে সন্দেহ বা দ্বিধার সৃষ্টি হয় কেন? (Confusions around Eating Honey in Pregnancy)
একটি ছোট্ট বাচ্চার বয়স এক বছর না হওয়া পর্যন্ত তাকে মধু খাওয়ানো উচিত নয়। এছাড়া, গর্ভাবস্থায় অনেক সাধারণ খাবারদাবারের ওপরও নানা বিধিনিষেধ চেপে যায়। এইসব মাথায় রেখেই কখনও সখনও মধুকেও তোলা হয় কাঠগড়ায়। প্রেগন্যান্সিতে মধু খাওয়া উচিত কি না তাই নিয়েই দেখা দেয় দ্বিধাদন্দ্ব। আদৌ কি সেগুলো সত্যি, সত্যি না হলে বাস্তবে কী? সাজিয়ে দিলাম পয়েন্ট করে;

চাকভাঙা মধু সরাসরিই আমরা খাই। অর্থাৎ, এই মধু খাওয়ার আগে কোনও রকম ফোটানো, ধোওয়া বা সেদ্ধ করা হয় না; বা কঠিন ভাষায় বললে প্রসেসড হয় না। সরাসরি খাওয়া হয় বলে মধুতে থাকা এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া থেকে বটুলিজম (botulism) নামের একটি কঠিন অসুস্থতার সৃষ্টি হতে পারে। মধুর ওই ব্যাকটেরিয়া আমাদের শরীরে ঢুকে বটুলিনাম নিউরোটক্সিন (botulinum neurotoxin) নামের উপাদান তৈরি করে, যা আমাদের শরীরের জন্য খুবই ক্ষতিকর এবং প্যারালাইসিসের মতো রোগও ডেকে আনতে পারে।
ভয় পেয়ে গেলেন? জানেন কি, এই ব্যাকটেরিয়া মাটি, ধুলো বা আপনার বাড়ির অধিকাংশ জিনিসপত্রে যেমন মেঝে, পর্দা এবং কার্পেটেও থাকে! সে আপনি যতই পরিষ্কার করুন না কেন! তা হলে মধু কী দোষ করলো? সত্যি বলতে, এক বছরের বড় বাচ্চা বা স্বাস্থ্যবান বয়স্কদের ওপর বটুলিজম সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া খুব একটা প্রভাব ফেলতে পারে না।
একদম ছোট্ট বাচ্চা, যাদের বয়স ১ বছরের কম তাদের জন্য মধু একেবারেই ঠিক নয়। মধু খারাপ থাকলে তাতে ক্লসট্রিডিয়াম স্পরস নামের ব্যাকটেরিয়া উপস্থিত থাকে এবং সেটা সরাসরি বাচ্চার পরিপাকতন্ত্রের ক্ষতিসাধন করে।
একটি বাচ্চার থেকে একজন বড় মানুষের পরিপাকতন্ত্র অনেক বেশি সুগঠিত ও শক্তিশালী হয়। তাই, পূর্ণ বয়সের একজন গর্ভবতী মহিলা যদি মধু খান; সেক্ষেত্রে ব্যাকটেরিয়া ভ্রূণ পর্যন্ত পৌঁছতেই পারে না। তাকে আগেই আটকে দেয় মায়ের অমরা বা প্লাসেন্টা। কোনও ক্ষতিকর অ্যানটিজেন ভ্রূণ পর্যন্ত পৌঁছতেই পারে না, তাই বাচ্চার কোনও রকম ইনফেকশন হওয়ার আশঙ্কা থাকে না।
যে কোনও ভালো কোম্পানির প্যাকেটজাত মধু পাস্তুরাইজড করা হয়। মধুকে ১৬১ ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপমাত্রায় ১৫-৩০ সেকেন্ড উত্তপ্ত করা হয় এবং খুব তাড়াতাড়ি ঠান্ডা করা হয়। এই পদ্ধতিতে মধুর মধ্যে থাকা ইস্ট কোষগুলি নষ্ট হয়ে যায় এবং মধু খুব তাড়াতাড়ি গেঁজে যায় না বা খারাপ হয়ে যায় না। পাস্তুরাইজড মধুর ক্ষেত্রে ক্রিস্টালাইজেশন প্রসেসও ধীরে হয় যার ফলে মধু তাড়াতাড়ি জমাট বেঁধে যায় না। আবার বলছি, এই পদ্ধতিতে বটুলিজম স্পরগুলি কিন্তু নষ্ট হয় না। তবে, তারা পূর্ণবয়স্ক মানুষের শরীরে কোনও ক্ষতি করতে পারে না।
যদি চাকভাঙা মধু খেতে চান, তবে সেটা ভালো বি-ফার্ম থেকে কেনাই ভালো। রাস্তার ধারে অনেকেই চাকভাঙা মধু বিক্রি করেন; আশেপাশের পরিবেশের দূষণের ফলে বা অসাবধানে হাত লেগে যার গুণগত মান অনেকটাই বদলে যেতে পারে।


#3. গর্ভাবস্থায় মধু খাওয়ার কী কী উপকারিতা (Benefits of Honey During Pregnancy)
শুধু গর্ভাবস্থায় নয়, সাধারণ সময়েও নারী-পুরুষ নির্বিশেষে খেতে পারেন মধু। গর্ভাবস্থায় মধু খেলে হবু মা যে উপকারগুলি পাবেন (Honey Pregnancy Benefits);

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। মধুতে থাকা অ্যানটিঅক্সিডেনটস এবং মধুর অ্যানটিব্যাকটেরিয়াল ধর্ম মায়ের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ইনফেকশনের হাত থেকেও রক্ষা করে।
কুসুম গরম জলে মিলিয়েই হোক বা চায়ের সাথে; নিয়মিত মধুসেবনেসর্দি-কাশি হওয়ার/ সাধারণ ঠান্ডা লাগার ধাত কমে।
হঠাৎ গলা ব্যথা, সর্দি হলে আরাম দিতে পারে মধু। আদা, মধু, তুলসীর টোটকার কথা কে না জানে বলুন তো? দিদিমা-ঠাকুমার আমল থেকে চলে আসা এই টোটকা ভীষণ কার্যকরী গর্ভবতী মহিলাদের জন্যও।
গর্ভবতী মহিলাদের মধ্যে অনিদ্রার সমস্যা খুব প্রবল। এর সমাধানও দিতে পারে মধু। রাতে শুতে যাওয়ার আগে ঈষদুষ্ণ দুধে মধু মিলিয়ে পান করুন। সুন্দর ঘুম হবে।
গ্যাসট্রাইটিসের রোগীদের দারুণ আরাম দেয় মধু। যেসব হবু মা স্টমাক আলসারের সমস্যায় ভোগেন বা গ্যাসট্রাইটিসের সমস্যা আছে; নিয়মিত মধু সেবনে তা সেরে যায় দ্রুত। তবে, এই আলসার যেহেতু একটু গম্ভীর জিনিস; গর্ভাবস্থায় মধু হোক বা ওষুধ; ডাক্তারের অনুমতি ছাড়া খাওয়া উচিত নয় একেবারেই।
র‍্যাশ, এলারজি হওয়ার ধাতও কমিয়ে দিতে পারে। শরীর ভিতর থেকে চনমনে থাকলে বাইরের ত্বকেও তার প্রভাব দেখা যায়। আর নিয়মিত মধু সেবনে ঠিক তাই হয়।


আরও পড়ুন: গর্ভাবস্থায় সুস্বাদু চিংড়ি-ভোজনে কী কী বিষয় মাথায় রাখতে হবে, দেখে নিন একনজরে!



#4. আসল মধু ও নকল মধু চেনার উপায় (How to Choose Original or Pure Honey)
যে মধুটা কিনছেন, তার গুণগত মান কেমন খুব সহজেই কিন্তু সেটা বুঝে ফেলা যায়। কীভাবে? উপায় বাতলে দিচ্ছি আমরা;

আসল মধু দুই আঙুলের মাঝে নিয়ে ঘষলে কোনও চ্যাটচেটে ভাব পাবেন না। নকল মধু কিন্তু চ্যাটচেটে হয়; কারণ মিষ্টতা বাড়ানোর জন্য ওতে চিনি এবং অন্য মিষ্টি পদার্থ মেশানো হয়।
আসল মধু একটু ঘন হয় এবং পাত্রের মধ্যে সহজেই নাড়াচাড়া করে না; মধু ভালো না হলে তা পাত্রের মধ্যে তরলের মতো নাড়াচাড়া করে।
আসল মধু জলে তাড়াতাড়ি গুলে যায় না।
ব্লটিং পেপার আসল মধু সহজেই শুষে নিতে পারে না। নকল মধু ব্লটিং পেপার সহজেই শুষে নেয়।
এছাড়া, আসল মধুতে কিছু অবিশুদ্ধ জিনিস থাকে, যা পাত্রের নীচে থিতিয়ে পড়তে দেখা যায়। নকল বা বিশুদ্ধ নয় এমন মধু একদম পরিষ্কার হয়।


#5. গর্ভাবস্থায় মধু খেলে তার কোনও বিরূপ প্রভাব আছে কি? (Side Effects of Consuming Honey During Pregnancy)
কিছু ব্যতিক্রম তো সবক্ষেত্রেই থাকে, তাই না? প্রেগন্যান্সিতে অনেক সময়ই কারও কারও জেসটেশনাল ডায়াবেটিস বা গর্ভকালীন ডায়াবেটিসের উদ্রেক হয়। যদি এই ধরনের সমস্যা হয়ে থাকে, তা হলে মায়েদের নিয়মিত ব্লাড সুগার চেক করাতে হয়। (Honey in Pregnancy Side Effects) মধুতেও গ্লুকোজ থাকে বলে, কেউ যদি ডায়াবেটিস থাকা সত্ত্বেও মধু খেয়ে যান, সেটা ঠিক নয়।



#6. মধু খাবেন অবশ্যই, তবে এই সাবধানতাগুলি মেনে (Precautions You Should Take While Consuming Honey)
মধু গরম জলে ফেলে ফুটিয়ে খাবেন না বা রান্না করার সময় মধু মেলাবেন না। কোনও খাবারে মধু মেলাতে হলে গ্যাস থেকে নামিয়ে একটু ঠান্ডা করে মধু মেলান। মধু ফোটালে বা খুব গরম জলে ডিলে এর গুণাগুণ নষ্ট নয়।
সবকিছুই খাওয়া ভালো কিন্তু নির্দিষ্ট মাত্রায়। বেশি মাত্রায় কোনও জিনিসই খাওয়া ভালো নয়; তা সে যত খাদ্যগুণসম্পন্নই হোক। একই কথা খাটে মধুর ক্ষেত্রে। অতিরিক্ত মধু সেবনে পেটে ব্যথা, ডায়রিয়া, পেটে অস্বস্তি হতে পারে। (How Much Honey Should Pregnant Women Consume)
ভালো ব্র্যান্ডের প্যাকেটজাত মধুই খান এসময়।


প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQs):
#1. প্রেগন্যান্সিতে কতটা মধু খাওয়া নিরাপদ?
স্বাস্থ্য সচেতন অনেকেই চিনির বদলে মধু খাওয়া পছন্দ করেন। গর্ভবতী হলেও সেটা করা যায় তবে সাধারণ মাত্রায়। সারাদিনে ৩-৪ টেবিলচামচের বেশি মধু খাওয়া ঠিক নয়। মধু ফ্রুকটোজ, গ্লুকোজ এবং মলটোজের অন্যতম উৎস হওয়ায় যথেষ্ট ক্যালোরির জোগানও দেবে শরীরকে।

#2. খাওয়া ছাড়াও অন্য কোনও ভাবে কি মধু ব্যবহার করা যায়?
মধু ব্যবহার করুন ত্বক ও চুলের চর্চাতেও। ফেস প্যাক ও বা হেয়ার প্যাক; মধু মিলিয়ে নিলে বেড়ে যায় তার গুণাগুণ।

#3. প্রেগন্যান্সিতে কাদের মধু খাওয়া উচিত নয়?
ডায়াবেটিস থাকলে বা গর্ভকালীন ডায়াবেটিসের সমস্যা থাকলে মধু খাবেন না। এছাড়াও, আপনার শরীরের পরিস্থিতি বিচার করে আপনার ডাক্তার বা ডায়েটিশিয়ান যদি আপনাকে মধু খেতে বারণ করে; তবে মধু খাবেন না।

বুঝলেন তো, মধু খাওয়া সব্বার জন্য খারাপ মোটেই নয়। মা হতে চলেছেন, শরীর এখন নরম; তাই নিজের একটা ডায়েট চার্ট বানিয়ে নিন ডাক্তারবাবুকে বলে। সঙ্গে জেনে নিন কতটা মধু খাবেন আপনি! মেনে চলুন ওনার কথাই। আর যদি, মধু খেতে বারণ করেন ডাক্তারবাবু, না হয় মা হয়ে যাওয়ার পরেই আবার “মৌমাছি” হবেন। (Eating Honey during Pregnancy)

26/02/2021

আপনার যে কোন সমস্যার জন্য বাসায় বসেই অনলাইনের মাধ্যমে ডাক্তারের পরামর্শ নিন খুবই সহজে🩺
Tazaro Clinic আছে আপনার পাশে❤️

সব ধরনের সমস্যার জন্য যোগাযোগ করুন Tazaro Clinic🩺 এ❤️
19/01/2021

সব ধরনের সমস্যার জন্য যোগাযোগ করুন Tazaro Clinic🩺 এ❤️

 #যৌন_সমস্যার_সমাধানে_ডাক্তার_দেখান_আজই!আমাদের রয়েছে পুরুষ ও মহিলা ডাক্তার!🩺
17/01/2021

#যৌন_সমস্যার_সমাধানে_ডাক্তার_দেখান_আজই!
আমাদের রয়েছে পুরুষ ও মহিলা ডাক্তার!🩺

সব রোগের সমস্যার জন্য আজই ডাক্তার দেখান!আমাদের রয়েছে পুরুষ এবং মহিলা ডাক্তার!🩺
17/01/2021

সব রোগের সমস্যার জন্য আজই ডাক্তার দেখান!
আমাদের রয়েছে পুরুষ এবং মহিলা ডাক্তার!🩺

Address

Dhaka
1205

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tazaro Clinic posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram