Chandpur Homoeo Health Care

Chandpur Homoeo Health Care Life is beautiful

06/11/2021

আঁচিল থেকে চির মুক্তি¡¡
আঁচিল (Wart) একটি ভাইরাসজনিত সংক্রামক রোগ। একে অনেকেই রোগ বলতে চাইবেন না। তবে হোমিওপ্যাথি বলে এটি রোগ। শরীরের যেকোন যায়গায় এটি হতে পারে। যেকোন বয়সের নারী-পুরুষই এতে সংক্রমিত হতে পারে। পাপিলোমা ভাইরাসের (এইচ পি ভি) সংক্রমণের ফলে এ রোগ হয়। মানব দেহে প্রায় ১৩০ ধরনের এইচপিভি ভাইরাস রয়েছে। এগুলোর ধরন অনুযায়ী আঁচিল ভিন্ন হয়ে থাকে। কোনটা গোটা গোটা, কোনটা রক্ত জমাট বাঁধার মতো, কোনটা আবার নাড়া লাগলেই রক্ত পরে। এই আঁচিল থেকে হতে পারে টিউমারের মতো জটিল সমস্যাও। কখনো কখনো ছোঁয়া লেগেও আঁচিল হওয়ার প্রমাণ রয়েছে। আবার কখনো গাছের শিকড়ের ন্যায় আকৃতিও পেয়েছে। এরকম রোগীর নজির বাংলাদেশের ঢাকা মেডিকেলেই পাওয়া গেছে। তাই অবহেলা না করে জেনে নিন আঁচিল কেন হয়, আঁচিল থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় ও চিকিৎসাসমূহ।
আঁচিল হওয়ার কারণ (Causes of Mole or Wart)
অনেকে মনে করে থাকে যে আঁচিল প্রাকৃতিকভাবেই হয়ে থাকে। এটি সত্য নয়। আঁচিল সংক্রমণের মূল করণ হচ্ছে দেহে মেলানোসাইট কোষের ভারসাম্যহীনতা। মানব দেহে ত্বকের পিগমেন্ট বা রঞ্জক পদার্থের জন্য দায়ী এই মেলানোসাইট। পিগমেন্টের জন্যই মানুষের গায়ের রঙের তারতম্য। মানুষের বেড়ে ওঠার সাথে সাথে এই কোষগুলো ত্বকের সব জায়গায় সমানভাবেই বৃদ্ধি পায়। কিন্তু যখন সমানভাবে না হয়ে কোন একটি নির্দিষ্ট জায়াগায় গুচ্ছাকারে বৃদ্ধি পায়, তখনই সেখানে জন্ম হয় আঁচিল বা মোল। এছাড়া ভাইরাল ইনফেকশন, বিশেষ করে, হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (human papillomavirus) বা সংক্ষেপে এইচ-পি-ভি (HPV) সংক্রমণের কারণেও ত্বকে আঁচিল হয়ে থাকে।
আঁচিলের প্রকারভেদ (Types of Wart or Mole)
আঁচিলের আকৃতি ও গঠন অনুযায়ী কয়েকটি ভাগে একে ভাগ করা যায়। যথা:

সাধারণ আঁচিল (Verruca Vulgaris)
এ ধরনের আঁচিল সাধারণত আঙুল, নখের কাছে অথবা হাতের উল্টোদিক হয়।

প্ল্যান্টার আঁচিল (verruca plantaris)
প্ল্যান্টার আচিঁল সাধারণত পায়ের পাতার নীচে, হাতের তালুতে হয়। এগুলোকে palmer warts-ও বলা হয়। কখনও বা অনেকগুলো আঁচিল পাশাপাশি একটার সঙ্গে আরেকটা লেগে ওঠে। এমন হলে মুক্তি পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। এ আচিল খুব যন্ত্রণাদায়ক হয়।

যৌনাঙ্গের আঁচিল (condylomata acuminata)
সঙ্গমজনিত কারণে এ ধরনের আচিল হয় বলে চিকিৎসকগণ ধারণা করে থাকেন। মহিলাদের যৌনাঙ্গে যদি এ আচিল থাকে তবে সন্তানেরও হতে পারে। চামড়ার রঙের সাদৃশ্য এ আচিল পুরুষের যৌনাঙ্গে, নারীর যৌনাঙ্গের ভেতরে বা পায়ুদেশে হয়। এগুলোকে Ge***al warts-ও বলা হয়।

সমতল আঁচিল (verruca-plana)
মেয়েদের পায়ে এবং ছেলেদের মুখে এ প্রকারের আচিল হলে থাকে। ছোট ছোট মসৃণ আঁচিল – এগুলো একসঙ্গে অনেকগুলি হয়। যে কোনও জায়গাতেই হতে পারে। লোম বা দাঁড়ি কামানোর সময় চামড়ার ওপর যে ঘষাঘষি হয় তার সঙ্গে এই ধরণের আঁচিল সৃষ্টির যোগ আছে বলে মনে হয়।

ফিলিফর্ম আঁচিল
কারো কারো মুখে বা গলায় এ ধরণের আঁচিল দেখা যায়। এর গঠন পাতলা সূতোর মতো হয়ে থাকে।
চেপ্টাকৃতি আঁচিল
বেশ কয়েকটি ক্ষুদ্রাকৃতি চেপ্টা গোটা একসাথে দেখা যায়। এ ধরণের গোটাকৃতি শরীরের নানা জায়গা তথা মুখে, গলায়, বুকে, হাটুতে, হাতে, কোমরে কিংবা বাহুতে জন্মে।
আঁচিল দূর করার সহজ চিকিৎসা
আঁচিলের চিকিৎসায় অনেক লোককথা প্রচলিত রয়েছে। কখনও কখনও এসব লোককথা দৈবক্রমে ফলে গেলেও এগুলো এড়িয়ে চলা মঙ্গলজনক। হোমিওপ্যাথি প্রক্রিয়ায় আঁচিলের চিকিৎসা করলে চিরআরোগ্য হয়।

আঁচিলের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা----
আঁচিল প্রতিরোধে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা অনেক বেশি জনপ্রিয় এবং ফলপ্রদ। হোমিওপ্যাথিতে নির্দ্দিষ্ট কোন ঔষধ নাই, লক্ষণ অনুসারে ঔষধ দিতে হবে। কেননা হোমিওপ্যাথির জনক বলেছেন: treat the patient not the disease,

সাবধানতা
• ত্বকে আঁচিল দেখা দিলে তা স্পর্শ করা যাবে না।
• নখ দিয়ে আঁচিল খোঁচানো যাবে না। এতে ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি সৃষ্টি হয়।
• আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত জিনিসপত্র অন্যদের ব্যবহার করা উচিত নয়।
• নিজে নিজে চিকিৎসা অর্থা কাঁচি, ব্লেড বা রেজার দিয়ে আঁচিল কাঁটা যাবে না।
• ব্লেড বা রেজার দিয়ে অবাঞ্চিত লোম দূর করার ক্ষেত্রে ঐসব জায়গায় আঁচিল থাকলে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। অন্যথায় আঁচিল কেঁটে গেলে ভাইরাস সংক্রামণের সুযোগ সৃষ্টি হয়।
• আক্রান্ত ব্যাক্তির নখের আচড়ে অন্যদেরও আঁচিল হতে পারে। তাই নিয়মিত হাতের নখ পরিস্কার করতে হবে।
• আক্রান্ত ব্যাক্তির হাত সবসময় পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।
• অন্য মানুষের আঁচিল স্পর্শ করবেন না।

09/08/2021

সবাইকে নূর হোমিও হলের পক্ষ থেকে হিজরি(১৪৪৩) নববর্ষের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

20/03/2020

প্রশ্ন : করোনাভাইরাসের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা সম্পর্কে জানতে চাই ।
উত্তর : আজ থেকে দুইশ বছর পূর্বে যখন হোমিওপ্যাথি আবিষ্কৃত হয়েছিল তখন হোমিওপ্যাথি দ্রুত জনপ্রিয়তা পেয়েছিল মহামারী রোগের চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথির অসাধারণ সফলতার কারণে । ইউরোপের দেশগুলোতে তখন কলেরা মহামারী শুরু হয়েছিল । ঐতিহাসিক নথিপত্রে দেখা যায় তখন এলোপ্যাথিক হাসপাতালগুলোতে কলেরা রোগীর মৃত্যুর হার ছিল ৯০% আর হোমিওপ্যাথিক হাসপাতারগুলোতে মৃত্যুর হার ছিল ৫% । সে যাক, বর্তমানে মহামারী আকারে সারা দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস রোগের একটি সেরা হোমিওপ্যাথিক ঔষধ হতে পারে Arsenicum album । এটি ৩০ বা ২০০ শক্তিতে ১ ফোটা বা ৫টি বড়ি করে ৪ ঘণ্টা পরপর হিসাবে খেতে পারেন । ২ দিন বা ৩ দিন খাওয়াই যথেষ্ট হবে । তবে প্রয়োজন হলে আরো বেশী দিন খাওয়াতে পারেন । এই ঔষধটি দোকানে পাওয়া না গেলে তার বদলে Aconitum napellus, Phosphorus, Rhus toxicodendrum ইত্যাদি ঔষধগুলোর কোন একটি একই নিয়মে খেতে পারেন । জ্বর বেশী থাকলে মাথায় পানি ঢালবেন এবং ভিজা গামছা দিয়ে ঘন ঘন শরীর মুছে দিবেন । তরল খাবার বেশী বেশী খাবেন । চিনি লেবু দিয়ে শরবত খেতে পারেন । সাধারণত এলোপ্যাথিক চিকিৎসা করলে করোনাভাইরাস চলে যাওয়ার পরেও অনেক দিন দুর্বলতা নিয়ে বিছানায় পড়ে থাকতে হয় । কিন্তু হোমিও চিকিৎসা করলে করোনাভাইরাস দ্রুত আরোগ্য হবে এবং রোগীর শারীরিক শক্তি সামর্থও সাথে সাথেই স্বাভাবিক পর্যায়ে চলে আসবে ।
প্রশ্ন : করোনাভাইরাসের হাত থেকে বাঁচার কোন উপায় আছে কি না ?
উত্তর : করোনাভাইরাস বা যে-কোন সংক্রামক রোগ থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় হলো আল্লাহ প্রদত্ত আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ শক্তিকে (immunity) শক্তিশালী করা । আর ইমিউনিটিকে শক্তিশালী করার একমাত্র উপায় হলো সকল রোগে হোমিওপ্যাথিক ঔষধ খাওয়া এবং পাশাপাশি সারা বছর হোমিওপ্যাথিক ভিটামিনগুলো খাওয়ার অভ্যাস রাখা । হোমিওপ্যাথিক ঔষধ ছাড়া আর যত রকমের ঔষধ আছে, সেগুলোর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অত্যন্ত বেশী এবং এগুলো কোন না কোন ভাবে আমাদের ইমিউনিটির ক্ষতি করে থাকে । পক্ষান্তরে প্রতিটি হোমিও ঔষধই রোগ নিরাময়ের পাশাপাশি আমাদের রোগ প্রতিরোধ শক্তিকে উন্নত করতে সাহায্য করে । যে-কোন রোগের টিকা নিয়ে কিছু সময়ের জন্য আপনি সেই রোগ থেকে বাঁচতে পারেন ঠিকই কিন্তু সে-সব টিকার কারণে তার চাইতে ও ভয়ংকর রোগে আক্রান্ত হতে পারেন । গবেষণায় দেখা গেছে টিকার কারণে মানুষ যে-সব ভয়াবহ রোগে আক্রান্ত হতে পারে তাদের মধ্যে আছে এনাফাইলেকটিক শক (Anaphylactic shock) বা হঠাৎ মৃত্যু, ক্যানসার, ডায়াবেটিস, এনসেফালোপ্যাথি (Encephalopathy) ব্রেনের ইনফেকশন, গুলেন বেরি সিনড্রোম (Guillain-Barré Syndrome), বুদ্ধিপ্রতিবন্দিত্ব (Autism), ডিমায়েলিনেটিং ডিজিজেজ অব সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেম, অপটিক নিউরাইটিস (Optic neuritis) দৃষ্টিশক্তির গোলমাল, মৃগীরোগ (Epilepsy), ট্রান্সভার্স মায়েলাইটিস (Transverse myelitis), হাঁপানি, কিডনী ড্যামেজ ইত্যাদি ইত্যাদি । কাজেই কোন রোগের জন্যই টিকা নেওয়াটা বুদ্ধিমানের কাজ নয় । আমার পরিবারের পাঁচ সদস্যের কেউই মশারী ব্যবহার করে না, চব্বিশ ঘণ্টাই আমাদেরকে মশায় কামড়াইতেছে । তারপরও কেবল মাত্র আমার ছোট মেয়েটি চিকনগুনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছিল, তা ও আবার হোমিও ঔষধ খাওয়ার কারণে তিন দিনেই জ্বর সেরে যায় । অন্য চারজনকে এখনও চিকনগুনিয়া আক্রমণ করতে পারে নাই । ইহার একমাত্র কারণ আমার পরিবারের সকলেই সকল রোগে হোমিও ঔষধ খেয়ে থাকে এবং সারা বছর ভিটামিন জাতীয় হোমিও ঔষধগুলো খেয়ে থাকে (যেমন-Calcarea phos, kali phos, ferrum phos, Carbo veg, Nux vomica, Alfalfa, Avena sativa ইত্যাদি ) । হোমিওপ্যাথিতে Influenzinum নামে একটি ঔষধ আছে যাহা প্রতি শুক্রবারে ১ ফোটা বা ৫টি বড়ি করে খেলে বার্ড ফ্লু, সোয়াইন ফ্লু, ডেঙ্গু, চিকনগুনিয়া, করোনাভাইরাস ইত্যাদি রোগ থেকে রক্ষা পাওয়ার সম্ভাবনা আছে (৩০ বা ২০০ শক্তিতে) ।
প্রশ্ন : করোনাভাইরাস থেকে সুস্থ হওয়ার পরে শারীরিক দুর্বলতা থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য কি ঔষধ খেতে পারি ?
উত্তর : Picricum acidum 30 নামক হো্মিও ঔষধটি ৩ দিন সকালে খাবেন ১ ফোটা বা ৫টি বড়ি করে ।

19/02/2020

★রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে হোমিওপ্যাথি ★

কোলেস্টেরল হল হাইড্রোকার্বন কোলেস্টেন থেকে উৎপন্ন যৌগ ।
মানুষের রক্তে ৩ ধরনের কোলেস্টেরল থাকতে পারে।

১) এলডিএল (LDL- low density lipo protein)
২) এইচডিএল (HDL-high density lipo protein)
৩) ট্রাইগ্লিসারাইড ।

১) এলডিএলঃ
রক্তে এলডিএল এর মাত্রা বেড়ে গেলেই মূলত সেটাকে
কোলেস্টেরল সমস্যা ধরা হয় । পূর্ণ বয়স্ক মানুষের
রক্তে ১.৬৮-১.৪৩ গ্রাম/ ডেসি লিটার এলডিএল থাকে।

২)এইচডিএলঃ
এইচডিএল আমাদের দেহ কে সুস্থ রাখে, শারীরিক বৃদ্ধি ঘটায়। আমাদের রক্তে .৯০-১.৬০ গ্রাম / ডেসি লিটার এইচডিএল থাকে। সহজ ভাষায় বলা যায়, এইচডিএল আমাদের বন্ধুর মত।

৩)ট্রাইগ্লিসারাইডঃ
আমাদের শরীরে মেদ/ চর্বি হিসেবে যা জমে তা– ই
ট্রাইগ্লিসারাইড। তাই যারা মোটা হয়ে যাচ্ছেন তাদের রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইড বেড়ে যাচ্ছে তাতে কোনো সন্দেহ নেই।

# কাদের_কোলেস্টেরল_বেশি_হয়?

কোলেস্টেরল সমস্যা যেকোনও বয়সেই হতে পারে।
কিন্তু আপনার বয়স যদি ৩৫/তার বেশি হয় আপনি
সহজেই কোলেস্টেরল সমস্যায় পড়তে পারেন ।
আমাদের দেশে মহিলাদের চেয়ে পুরুষদের কোলেস্টেরল এর ঝুঁকি বেশি।
যারা বসে বসে কাজ করেন সারাদিন তারা বেশি আক্রান্ত হতে পারেন।

# কোলেস্টেরল_বৃদ্ধির_কারণঃ

* ফাস্ট-ফুড বেশি খাওয়া।
* রেড মিট , চিংড়ি মাছ , চকলেট বেশি খেলে।
* আমাদের গৃহীত খাদ্য পরিশ্রমে ব্যয় না হলে, অতিরিক্ত খাবার দেহে ফ্যাট হিসেবে জমা হয়,ফলে কোলেস্টেরল বেড়ে যায়।
* খাবার পরপরই ঘুমানো।
* তৈলাক্ত খাবার বেশি খেলে।
* শারীরিক পরিশ্রম (যেমন, হাঁটা ) কম করলে ইত্যাদি।

# কোলেস্টেরল_বেড়ে_গেলে_যেভাবে বুঝবেনঃ

* অল্প পরিশ্রমেই ঘেমে যাওয়া ও হাঁপিয়ে ওঠা।
* মাথা ও ঘাড়ে ব্যথা।
* বুক ধরফর করা।
* দুর্বল বোধ করা।
* দেহের ওজন ক্রমান্বয়ে বাড়তে থাকা ইত্যাদি।

# উচ্চ_মাত্রার_কোলেস্টেরল_ঝুঁকিঃ
*উচ্চ মাত্রার কোলেস্টেরল ধমনীর রক্ত প্রবাহে বাঁধা সৃষ্টি করে, ফলে হার্ট এ ব্লক ধরা পড়তে পারে। মস্তিষ্কের ধমনী ছিরে গিয়ে তৎক্ষণাৎ মৃত্যু ঘটাতে পারে। মেদ জমার কারণে যকৃত বড় হয়ে যেতে থাকে। পিত্ত থলিতে কোলেস্টেরল জমে পিত্ত থলির পাথর সৃষ্টি হতে পারে। কিডনি তে প্রদাহ হতে পারে। স্বাভাবিক বিপাকীয় কাজ ব্যাহত হতে পারে।

# কোলেস্টেরল_নিয়ন্ত্রণ_ও_সুস্থ_জীবনঃ

* ব্যালেন্স ডায়েট করা, প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ভাত না খাওয়া। গরুর মাংস একেবারেই কম পরিমাণে খাওয়া। মোট কথা সবকিছু পরিমিত পরিমাণে খাওয়া।

* শারীরিক পরিশ্রমঃ অতিরিক্ত না ঘুমানো। হাঁটার অভ্যাস করা। বসে বসে কাজ করলেও আমরা শুধু পা নাড়িয়েই অতিরিক্ত ফ্যাট কিছুটা হলেও কমাতে পারি।

* ফাস্ট – ফুড জাতীয় খাবার পরিহার করা।
পেস্টি, চকলেট জাতীয় খাবার কম খাওয়া।

* চিনাবাদাম, সামুদ্রিক মাছ ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার
বেশি বেশি খাওয়া।

* রাতের খাবার ঘুমানোর বেশ কিছুক্ষণ আগে খেলে
ভালো। এসব কথা আমরা প্রায় সবাই জানি,কিন্তু জানলেও মানতে চাইনা। তাই, কোলেস্টেরল এর ঝুঁকি কমাতে আপনার লাইফস্টাইল ও খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন
আনুন । কেননা আমাদের সুস্বাস্থ্য,সুন্দর ও গোছানো লাইফস্টাইল এর উপর অনেকাংশেই নির্ভরশীল।

# হোমিওপ্যাথিক_চিকিৎসাঃ

রোগ নয় রোগীকে চিকিৎসা করা হয় এই জন্য একজন অভিজ্ঞ চিকিৎসক কে ডা.হানেমানের নির্দেশিত হোমিওপ্যাথিক নিয়মনীতি অনুসারে কোলেস্টেরল চিকিৎসা সহ যে কোন জটিল কঠিন রোগের চিকিৎসা ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্য ভিওিক লক্ষণ সমষ্টি নির্ভর ও ধাতুগত ভাবে চিকিৎসা দিলে আল্লাহর রহমতে চিকিৎসা দেয়া সম্ভব।

১। লাইকোপোডিয়াম ( LYCOPODIUM)ঃ রক্তের কোলেস্টেরল চিকিৎসার উল্লেখযোগ্য মেডিসিন লাইকোপোডিয়াম, কোলেস্টেরলের সহিত শরীরের ডান দিকে রোগ আক্রমন, সমস্যা বিকাল ৪টা থেকে রাত ৮ টার মধ্যে বৃদ্ধি। কৃপন স্বভাবের এবং মিষ্টি জাতীয় খাবার পচন্দ

২। মেডোরিনাম (MEDORRHINUM) ঃ সাইকোসিস দোষ প্রবনতা, চর্বি জাতীয় খাবারে আসক্তি, দিনের যেকোনো সময়ে রোগের বৃদ্ধি, রাত্রিতে ভালো থাকে। বংশে জটিল রোগ যেমন হাঁপানি, উচ্চ রক্তচাপ, হার্টের সমস্যা থাকলে সেসব রোগীদের ক্ষেত্রে মেডোরিনাম কার্যকরী।

৩। কোলেস্টেরিনাম (CHOLESTERINUM) ঃ কোলেস্টেরলের সহিত পিত্তথলিতে স্লাজ বা পাথর হওয়ার প্রথমিক পর্যায়ে কোলেস্টেরিনাম কার্যকরী

৪। সিয়ানান্থাস (Ciananthus) ঃ কোলেস্টেরলের কার্যকরী ঔষধ, ইহার মাদর টিংচার ১৫-২০ ফোঁটা দিনে ২বার করে খেলে কোলেস্টেরল আস্তে আস্তে কমতে থাকে।

৫। এলিয়াম স্যাটাইভা (Allium sativa) ঃ রসুন থেকে তৈরি হোমিওপ্যাথিক ঔষধটি রক্তের কোলেস্টেরল কমাতে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে, এলিয়াম স্যাটাইভার রোগীরা মনে করে তার জিহ্বায় চুল জাতীয় কিছু লেগে আছে।

৬। CURCUMA LONGA Q- এই ঔষধটি রক্তে কোলেস্টেরল কমানোর জন্যে সফলতার সহিত ব্যবহার করা হয়, এমনকি ১৯৮০ সনের দিকে এই ঔষধে রক্তের কোলেস্টেরল কমানোর সাইন্টিফিক এভিডেন্স ও রয়েছে।

৭। GARCINIA MORELLA 3X– কোলেস্টেরলের সহিত লিভারে জ্বালাময় ব্যথা।

৮। STROPHANTHUS HISPIDUS Q- রক্তে অতিরিক্ত মত্রায় কোলেস্টেরল সাথে বুক ধড়ফড়ানি, বুকে ব্যথা এবং নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয়। এটি কোলেস্টেরল কমানোর একটি চমৎকার ঔষধ বিশেষকরে ৫০ বছরের উপরের পুরুষ এবং মহিলা যাদের হার্টের মাংশপেশী দুর্বল তাদের ক্ষেত্রে ভালো কাজ করে।

Dr Ismail Hosain
DHMS ( Dhaka)
Badda, Dhaka
মোবাঃ 01822857011

রোগী দেখার সময়ঃ
বিকাল ০৫.০০ - রাত ১০.০০ টা পর্যন্ত।
চেম্বারে আসার আগে যোগাযোগ করে আসবেন।

বিঃ দ্রঃ একসাথে সকল পোস্ট দেখতে নিচের লিংকে টাচ্ করুন এবং লাইক বাটনে ক্লিক করে একটিভ থাকুন পরবর্তী পোস্ট সবার আগে পেয়ে যাবেন। ধন্যবাদ।

Dr.Sanzida Rahman
B.H.M.S.(Bechelor of Homeopathic Medicine and Surgery)
University of Dhaka(BHMCH)

18/02/2020
04/02/2020

Need to all of you

04/02/2020
04/02/2020

এলার্জির হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসাঃ

এলার্জির হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার জন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ঔষধঃ
★Pulsatilla - গরমকাতর এবং নরম মনের মানুষ, চর্বিযুক্ত খাদ্য যেমন - মিষ্টি,মাংস,পোলাও পিঠা খেয়ে এলার্জিতে পালসেটিলা - 30, 200 অতি কার্ষকরি ঔষধ।
★Urtica Urens - খোলসযুক্ত কোন প্রাণীর মাংস যেমন - চিংড়ি মাছ,কাঁকড়া,ঝিনুক,শামুক ইত্যাদি খেয়ে এলার্জি, হাত বোলালে উপশম, শয়নে মিলিয়ে যায়, বিছানা হতে উঠলে আবার বের হয়,চুলকালে ফুলে যায় তাহলে - আর্টিকা ইউরেন্স- Q, 3x, 30, 200 একটি চমৎকার কার্ষকরি ঔষধ।
★Lycopodium Claveta - খোলসযুক্ত মাছ খেয়ে এলার্জি, গরম খাদ্য পছন্দ ও কোষ্ঠবদ্ধতা থাকলে লাইকোপোডিয়াম - 200 একটি চমৎকার কার্ষকরি ঔষধ।

★Histamine - ধুলোবালি থেকে এলার্জি, গাঢ় সুগন্ধি থেকে এলার্জিতে হিস্টামিন - 200 , 1M কার্যকরী।
★Natrum Mur - রুটি থেকে অতিরিক্ত ঘাম হয়ে, এবং অতিরিক্ত লবন প্রিয়দের এলার্জিতে নেট্রাম মিউর - 200 একটি কার্ষকরি ঔষধ।
★Sepia - উষ্ণ সিদ্ধ দুধ থেকে এলার্জি, ঠান্ডা লেগে চাবুকের দাগের ন্যায় লম্বা এলার্জি বের হয়, তা গরমে মিলিয়ে যায় তাতে সিপিয়া - 200 কার্যকরী।
★Hepar Sulph - কড লিভার তেল থেকে এলার্জিতে হিপার সালফ - 200 কার্যকরী।
★Carbo Veg - অ্যাসপিরিন থেকে এলার্জি; খারাপ মদ, পচা, বাসীখাবার, লবণ, মাখন, খারাপ ডিম, পোল্ট্রি আইটেম থেকে এলার্জিতে কার্বোভেজ - 200 কার্যকরী।
★Sulphur/Nux Vom - এন্টিবায়োটিক বা যে কোন ঔষধ সেবন থেকে এলার্জিতে Sulpher200/Nux-Vom 200 কার্যকরী।
★Bryonia Alb - ক্যাস্টর তেল থেকে এলার্জিতে ব্রায়োনিয়া 30, 200 কার্যকরী।
★Nux Vom - কফি খেয়ে এলার্জিতে নাক্স ভম 200 কার্যকরী।
★Apis Mel - গরম থেকে বা ঘামের পর এলার্জিতে এপিস মেল 30, 200 কার্যকরী।
★Arsenic Alb - খোলসযুক্ত মাছ খেয়ে এলার্জি, অস্থিরতা, ঠান্ডায় বৃদ্ধি, গরমে উপশম, ঘনঘন অল্প অল্প পানি পান করে এমনকি ঠান্ডা পানীয়, ফল, পচা খাবার থেকে এলার্জিতে আর্সেনিক - 30, 200 কার্যকরী ঔষধ।
★Dulcamara - ঠান্ডা থেকে বা দিনে গরম রাতে ঠান্ডা এ রকম আবহাওয়ায় এলার্জিতে ডালকামারা 30, 200, 1M অতিকার্যকরী।
★Ailanthus - ফুলের গন্ধ থেকে এলার্জিতে আইল্যান্থাস কার্যকরী।
★Thuja - মিষ্টি, চর্বিযুক্ত খাবার, পেঁয়াজ থেকে এলার্জিতে থুজা - 200, 1M কার্যকরী।
★Argentum nit - বেশীবেশী চিনি/মিষ্টি খেয়ে এলার্জিতে আর্জেন্টাম নাইট ২০০ কার্যকরী।
★Petrolium - বাঁধাকপি থেকে এলার্জিতে,বিশেষ করে শীতকালে পেট্রোলিয়াম 30-200 কার্যকরী।
★Psorinum - নোংরা প্রকৃতির শীতকাতর,গম বা গম জাতীয় খেয়ে এলার্জিতে সোরিনাম - 1M.
★Dolicos- গর্ভ অবস্থায় এলার্জিতে ডলিকস - 30 অতি কার্ষকরি ঔষধ।
★Justicia adhatoda - ধুলো থেকে এলার্জি; সান্ধ্যকালীন প্রচুর নাক দিয়ে পানি পড়া সাথে হাঁচিতে জাস্টিসিয়া Q,3x,6,30. কার্ষকরি ঔষধ।

Dr M Ismail Hosain
DHMS
মোবাইলঃ- 01822857011
01679813036

Address

Dhaka
1212

Telephone

+8801822857011

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Chandpur Homoeo Health Care posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Chandpur Homoeo Health Care:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram