Jurist's Health Club

Jurist's Health Club Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Jurist's Health Club, Medical and health, Dhaka.

দুশ্চিন্তা ১৬ কিংবা ৬১ কাউকেই কিছু ছাড়েনি.....
30/04/2023

দুশ্চিন্তা ১৬ কিংবা ৬১
কাউকেই কিছু ছাড়েনি.....

26/01/2023

শুভ সকাল ❤️

25/01/2023

❎ রক্তের কোলেস্টেরল কমানোর উপায়...

🔃 কোলেস্টেরল আমাদের দেহের একটি প্রয়োজনীয় উপাদান। এটি স্নায়ুতন্ত্র, হরমোন উৎপাদন, চর্বি ও নতুন কোষ গঠনে অংশগ্রহণ করে থাকে। তবে সমস্যা তখনই তীব্র হয় যখন প্রয়োজনের তুলনায় এটা রক্তে অতিরিক্ত হয়ে যায়। কোলেস্টেরল বেশি থাকার জন্য অ্যাথেরোস্কোলোরোসিস রোগ হয়। এতে রক্তনালির দেয়াল শক্ত ও সরু হয়ে যায়। সময় মতো চিকিৎসা না নিলে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে।

🚫 কোলেস্টেরল কমানোর উপায়ঃ

✅ কিছু কিছু খাদ্য অবশ্যই বর্জন করতে হবে। যেমন-ঘি, মাখন, মাংসের চর্বি, কলিজা মগজ, মাছের ডিম, বড় মাছের মাথা, বড় চিংড়ি, নারিকেল, দুধের সর, হাড়ের মজ্জা, ঘনীভূত দুধ, হাঁসের মাংস, কেক, পুডিং, কাস্টার্ড, আইসক্রিম, মিষ্টি, হালুয়া, ক্ষীর, মুরগির চামড়া।

✅ নায়াসিন কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। এটা পাওয়া যাবে-আলু ভুসিযুক্ত আটা, সবুজ শাকসবজি, মাছ ও পরিজে।

✅ খালিপেটে ১ কোয়া কাঁচা রসুন ও সঙ্গে ২০-২৫টি কাঁচা ভিজানো ছোলা খাওয়া যেতে পারে।

✅ অসম্পৃক্ত চর্বি খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে। যেমন-বিভিন্ন ধরনের উদ্ভিজ্জ তেল ও মাছের তেল।

✅ খনিজ লবণের মধ্যে ক্লোরিন, জিঙ্ক, ম্যাগনেশিয়াম, ক্যালসিয়াম কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখে। এ উপাদানগুলো যাতে খাদ্যের মধ্যে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

✅ মাছের তেলে আছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড। এটি রক্তজমাট বাঁধার কাজকে ঠেকায়। এ জন্য মাছের তেল খেলে রক্তের ক্ষতিকর চর্বি LDL-এর মাত্রা কমে যায় এবং ধমনির দেয়ালে এটা জমা হয়।

✅ কোলেস্টেরলের নেই-খাদ্যশস্য, চা, কফি, যে কোনো ফল, শাকসবজি, বাদাম তেল, সয়াবিন তেল, মাছের তেল, ডাল জাতীয় খাবার, মাছ ও ডিমের সাদা অংশ।

20/01/2023

❎ নিপাহ ভাইরাস আর খেজুর রসের মধুর স্বাদ!!!

♈ নিপাহ ভাইরাস যেভাবে ছড়ায়ঃ

➡️ নিপাহ ভাইরাস প্রাণী থেকে বিশেষ করে বাদুড় ও শূকর থেকে মানুষে সংক্রমিত হয়ে থাকে। আক্রান্ত বাদুড় কোনো ফল খেলে বা খেজুরের রস পান করলে এটির লালা, প্রস্রাব বা অন্যান্য বর্জ্য দিয়ে সরাসরি সেই ফল বা খেজুরের রস দূষিত হয়ে যায়। কোনো মানুষ যদি সেই ফল খায় বা কাঁচা খেজুরের রস পান করে, তাহলে সে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারে। এ ছাড়া আক্রান্ত মানুষের সরাসরি সংস্পর্শে থেকেও আরেকজন সংক্রমিত হতে পারে। জানুয়ারি থেকে এপ্রিলের মধ্যে বাংলাদেশে নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত ঝুঁকি থাকে। এতে মৃত্যুর হার ৫০ শতাংশ থেকে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে।

♈ লক্ষণ ও উপসর্গঃ

সাধারণত সংক্রমণের ৫–১৪ দিনের মধ্যে রোগের লক্ষণ দেখা দেয়। তবে লক্ষণ প্রকাশ না করেও ৪৫ দিন পর্যন্ত সুপ্ত অবস্থায় শরীরের মধ্যে থাকতে পারে। প্রাথমিকভাবে প্রচণ্ড জ্বর, সর্দি, কাশি, গলাব্যথা, বমি, মাথাব্যথা, মাংসপেশিতে ব্যথার মতো উপসর্গ দেখা যায়। মাথা ঘোরা, ঘন ঘন তৃষ্ণা পাওয়া, ঘুম ঘুম ভাব, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, প্রলাপ বকা ও মস্তিষ্কের তীব্র সংক্রমণজনিত নানাবিধ স্নায়বিক লক্ষণ দেখা দিতে পারে। কেউ কেউ নিউমোনিয়া, রক্ত জমাট বাঁধা, বুকে তীব্র যন্ত্রণাসহ তীব্র শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে আসে। তাদের দ্বারা এই রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও বেশি থাকে। এ ক্ষেত্রে অনেকে প্রাথমিকভাবে ভালো হয়ে উঠলেও পরে মস্তিষ্কের বিভিন্ন জটিলতায় ভুগতে পারে। আক্রান্ত ব্যক্তি সুস্থ হওয়ার কয়েক বছর পরও তার শরীরে পুনরায় নিপাহ ভাইরাস সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে, যাকে ‘রিল্যাপসিং এনকেফেলাইটিস’ বলা হয়।

♈ চিকিৎসা

➡️ নিপাহ ভাইরাসে কোনো ব্যক্তি আক্রান্ত হলে বা আক্রান্ত হয়েছে সন্দেহ হলে তাকে আলাদা করে রাখতে হবে। এরপর দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। যদিও এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোনো সুনির্দিষ্ট ওষুধ নেই, টিকাও আবিষ্কৃত হয়নি। তবে এটি যেহেতু একটি এনভেলপড ভাইরাস, তাই সাবান, ডিটারজেন্ট, ৭০ শতাংশ অ্যালকোহল এবং ৭০ ডিগ্রি তাপমাত্রার মাধ্যমে এই ভাইরাস ধ্বংস করা সম্ভব।

♈ প্রতিরোধঃ

➡️ নিপাহ ভাইরাস সংক্রমণের কোনো কার্যকর চিকিৎসা না থাকায় সঠিক রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা মেনে চলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

★ কাঁচা খেজুরের রস পান থেকে বিরত থাকুন।

★ যেকোনো ফল খাওয়ার আগে পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে নিন।

★ বাদুড় বা অন্য কোনো পাখির আংশিক খাওয়া ফল খাবেন না।

★ নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তি বা রুগ্‌ণ পশু থেকে দূরত্ব বজায় রাখুন।

★ প্রাণী বিশেষ করে শূকরের খামারে কাজ করার সময় সতর্ক থাকুন।

★ আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসায় নিয়োজিত চিকিৎসক-নার্সদের বিশেষ সতর্কতা, যেমন মুখে মাস্ক-গ্লাভস-গাউন ব্যবহার, রোগী দেখার পর হাত ভালোভাবে সাবান দিয়ে ধোয়া ইত্যাদি অবলম্বন করা উচিত।

★ রোগীর ব্যবহার করা কাপড় ও অন্যান্য সামগ্রী সাবান দিয়ে ভালোভাবে পরিষ্কার করুন।

★ নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর কফ ও থুতু যেখানে-সেখানে না ফেলে একটি পাত্রে রেখে পরে পুড়িয়ে ফেলতে হবে।

18/01/2023

❌ তরুণদেরও হতে পারে কলোরেক্টাল ক্যানসার...

➡️ অনেকেরই ধারণা, বয়স্কদেরই কেবল অন্ত্রের ক্যানসার হয়। তবে বর্তমানে অপেক্ষাকৃত কম বয়সী বা তরুণদের মধ্যেও কোলন ও রেক্টাম ক্যানসারের হার দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

সাধারণত ৫০ বছরের বেশি বয়সীদের কোলন ও রেক্টাম ক্যানসারের সবচেয়ে বেশি ঝুঁকি। পারিবারিক ক্যানসার ও পলিপের ইতিহাস, আইবিডি (ইনফ্ল্যামেটরি বাওয়েল ডিজিজ) ও জীবনযাত্রার মানের পরিবর্তন এই ঝুঁকিকে আরও বাড়িয়ে দেয়। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা যায়, ২০ থেকে ৪৯ বছর বয়সীদের ঝুঁকির মাত্রা দ্রুত বাড়ছে।

➡️ কারণঃ

যেসব ঝুঁকির কারণে কলোরেক্টাল ক্যানসার অল্প বয়সীদের মধ্যে বাড়ছে, সেগুলো হলোঃ

১.কায়িক পরিশ্রমের অভাব,
২.কম আঁশযুক্ত ও অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়া,

৩.তাজা ফলমূল ও শাকসবজি কম খাওয়া,

৪. ওজন নিয়ন্ত্রণে না থাকা,

৫.ধূমপান, অ্যালকোহল, আইবিডি ইত্যাদি

➡️ উপসর্গঃ

★ যে ধরনের উপসর্গ কলোরেক্টাল ক্যানসারের সন্দেহ সৃষ্টি করে, সেগুলো হচ্ছে মলদ্বার দিয়ে রক্ত পড়া বা কালো পায়খানা, আমযুক্ত পায়খানা, পেট ব্যথা, মলের অভ্যাসের আকস্মিক পরিবর্তন, কোষ্ঠকাঠিন্য, ওজন কমে যাওয়া, ক্ষুধামান্দ্য বা অরুচি, দুর্বলতা, রক্তশূন্যতা ইত্যাদি।

কারও যদি উপরিউক্ত লক্ষণগুলো থেকে থাকে, তাকে অবশ্যই দ্রুত একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে এবং চিকিৎসা নিতে হবে।

প্রাথমিক পর্যায়ে এই ক্যানসার ধরা পড়লে চিকিৎসায় ভালো ফল পাওয়া যায়।

16/01/2023

⭕ শীত এলেই বাড়ে কোষ্ঠকাঠিন্য, প্রতিকারের উপায় কী?

⛔ চলছে শীত মৌসুম। এই সময়ে মানবদেহে রোগব্যাধি বেশি দেখা দেয়। বিশেষ করে কোষ্ঠকাঠিন্যর সমস্যা বেড়ে যায়।

শীতে পানি পিপাসা কম লাগে। তাই শীতের শুরু ও শেষের সময়ে ডিহাইড্রেশনের সমস্যা বেশি দেখা দেয়।

ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় পানি পানের প্রবণতা কমে যায়। তাই কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাও দেখা দেয়। এ সময়টায় বেশি করে পানি পান করতে হবে।

যাদের সারা বছর সমস্যা হয় না, তাদেরও শীতে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

কোষ্ঠকাঠিন্য হলে পেট পরিষ্কার হয় না। ফলে গ্যাসের সমস্যা লেগেই থাকে। দীর্ঘদিন কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগলে সেখান থেকে কোলন ক্যান্সারও হতে পারে।

তাই এ সময় জীবনযাপন সবারই সচেতন থাকা দরকার।

আসুন জেনে নিই এ সময় কোষ্ঠকাঠিন্য রোধে কী করবেন-

১. সকালে খালি পেটে কিংবা রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে পানিতে ভিজিয়ে ইসবগুলের ভুসি খেতে পারেন। পানিতে ভিজিয়ে সামান্য চিনি বা মিসরি মিশিয়ে নিতে পারেন। দুধের সঙ্গেও এটি খেতে পারেন।

২. সকালের নাস্তায় বা রাতে খই খেতে পারেন। খই দুধ অথবা টকদই দিয়ে খাওয়া যায়। খইয়ের মধ্যে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার থাকায় এটি পেট পরিষ্কার করতে ভূমিকা রাখে। এ ছাড়া টকদইয়ের মধ্যে থাকা প্রোবায়োটিক হজমে সাহায্য করে।

৩. শীতেও পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি খেতে হবে। দিনের শুরুতে হালকা গরম পানিতে লেবু মিশিয়ে খান। এতেও উপকার পাবেন। সেই সঙ্গে নিয়মিত হাঁটুন। শরীরে পানির ঘাটতি পূরণে তরল জাতীয় খাবার খান।

৪. একটি বড় এলাচ এক কাপ গরম দুধে সারা রাত ভিজিয়ে রেখে দিন। সকালে ঘুম থেকে উঠে এই এলাচটি থেঁতো করে দুধের সঙ্গেই খেয়ে ফেলুন। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর হবে।

৫. বাঁ দিকে পাশ ফিরে ঘুমোলেও কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমে।

৬. কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যায় প্রতিদিন পাকা পেঁপে, আপেল খেতে পারেন। এ ছাড়া প্রচুর পরিমাণ শাকসবজি, ডাল খেতে পারেন।

৭. পেট পরিষ্কারের জন্য পর্যাপ্ত ঘুম দরকার। ঘুম ভালো হলেই অনেক সমস্যার সমাধান হয়।

12/01/2023

♻️ B12-এর ঘাটতির সংকেত, অবহেলা করলেই বিপদ...

🔸 ভিটামিন বি আট প্রকারের। যেমন B1, B2, B3, B5, B6, B7, B9 এবং B12। ভিটামিন বি-কে বি কমপ্লেক্স ভিটামিনও বলা হয়, যা শরীরকে ফ্যাট এবং প্রোটিন ব্যবহার করতে সাহায্য করে। এমনকি ত্বক, চুল, চোখ এবং যকৃতের স্বাস্থ্য বজায় রাখতেও অনেকটা সাহায্য করে এই ভিটামিন। এরমধ্যে ভিটামিন B12 খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সমস্ত বি ভিটামিনই জলে দ্রবণীয়, তাই শরীর সেগুলিকে সঞ্চয় করতে পারে না।

বর্তমানে বয়স্কদের পাশাপাশি যুবক যুবতীদের মধ্যেও ভিটামিন বি12-এর ঘাটতি দেখা যাচ্ছে। এর কারণ হতে পারে তাদের খাদ্যাভ্যাস। ভিটামিন B12 এর ঘাটতি হলে শরীরে নানা সমস্যা দেখা দিতে শুরু করে। আর দীর্ঘ সময় ধরে চিকিৎসা না করালে সেটি গুরুতর অসুস্থতার কারণও হতে পারে। ভিটামিন বি12-এর অভাবের লক্ষণগুলি কী কী এবং কীভাবে সেগুলি সনাক্ত করা যায়, সেই সম্পর্কে জেনে নিন।

১. ক্লান্তি - যদি কারও ভিটামিন B12-এর ঘাটতি থাকে তবে তিনি ক্লান্ত বোধ করবেন। আসলে, শরীরের কোষগুলি সঠিকভাবে কাজ করার জন্য ভিটামিন বি 12 প্রয়োজন। ভিটামিন B12-এর ঘাটতি হলে লোহিত রক্ত ​​কণিকার উৎপাদন কমে যাবে, যার কারণে শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে কম অক্সিজেন পৌঁছাবে এবং ক্লান্তি আসবে। ভিটামিন B12 বা B9 এর অভাবও মেগালোব্লাস্টিক অ্যানিমিয়া হতে পারে।

২. পেশী ক্র্যাম্প এবং দুর্বলতা - ভিটামিন B12 এর ঘাটতি সংবেদনশীল স্নায়ুর কার্যকারিতাকে প্রভাবিত করে, যা পেশীতে ক্র্যাম্প এবং দুর্বলতার কারণ হয়ে উঠতে পারে।

৩. হলুদ ত্বক - শরীরে ভিটামিন B12-এর অভাবে ত্বকের রং হলুদ হয়ে যায়। ভিটামিন বি 12-এর ঘাটতির কারণে জন্ডিস হতে পারে। ত্বকের সঙ্গে সঙ্গে চোখও হলুদ হয়ে যেতে পারে।

৪. মাথাব্যথা - প্রাপ্তবয়স্ক এবং শিশু, উভয়ের মধ্যেই ভিটামিন বি 12-এর অভাব হিসেবে মাথাব্যথার লক্ষণ দেখা যায়। কিছু গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যাঁদের প্রায়ই মাথাব্যথা হয় তাঁদের দেহে ভিটামিন বি 12-এর অভাব থাকে। ২০১৯ সালে ১৪০ জনের উপর চালান একটি সমীক্ষা অনুসারে, সাধারণ মানুষের তুলনায় যাঁদের মাইগ্রেনের সমস্যা ছিল, তাঁদের মধ্যে ভিটামিন বি 12-এর অভাব দেখা যায়।

৫. পেটের সমস্যা - ভিটামিন বি 12-এর অভাবে ডায়রিয়া, বমি বমি ভাব, কোষ্ঠকাঠিন্য, ফোলাভাব, গ্যাস এবং অন্যান্য অন্ত্র সম্পর্কিত সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। ভিটামিন বি 12 প্রাপ্তবয়স্ক এবং শিশু, উভয়কেই প্রভাবিত করতে পারে।

৬. মুখ ও জিভ ফোলা-ব্যথা - গ্লোসিটিস একটি মেডিকেল শব্দ যা জিভেব ফোলা, লালভাব এবং ব্যথা নির্দেশ করে। এটি ভিটামিন বি 12-এর অভাবের কারণে হতে পারে।

৭. হাত ও পায়ে জ্বালা - Paresthesia একটি চিকিৎসা পরিভাষা, যাতে শরীরের কিছু অংশ যেমন হাত ও পায়ে জ্বালাপোড়া বা কাঁটা ফোটার মতো অনুভূতি হয়। অনেক প্রাপ্তবয়স্ক এবং শিশু যাদের ভিটামিন বি 12-এর অভাব রয়েছে তাদের এই লক্ষণগুলি অনুভূত হতে পারে।

11/01/2023

📛 হাড়েও ইনফেকশন হয়,চিকিৎসা বিজ্ঞান কি বলে???

↙️ হাড়ের ইনফেকশনকে চিকিৎসা পরিভাষায় বলে অস্টিওমাইলাইটিস।

এক্ষেত্রে হাড় ও অস্থিমজ্জায় সংক্রমণ ও প্রদাহ হয়। সংক্রমণ রক্তের মাধ্যমে বা নিকটবর্তী টিস্যু থেকে ছড়াতে পারে। আবার সংক্রমণ হাড় থেকেও হতে পারে, যদি হাড়টি আঘাত পেয়ে জীবাণুর সংস্পর্শে আসে।

↙️ উপসর্গঃ

অস্টিওমাইলাইটিসের উপসর্গের মধ্যে রয়েছে-

★ জ্বর

★ইনফেকশনের স্থান ফুলে যাওয়া

★গরম হওয়া ও লাল হয়ে যাওয়া

★ইনফেকশনের স্থানে ব্যথা হওয়া

★ অবসন্নতা ইত্যাদি।

↙️ হাড়ের ইনফেকশনের কারণঃ

★ রক্ত শরীরের অন্য স্থানের জীবাণু-উদাহরণস্বরূপ নিউমোনিয়া আক্রান্ত ফুসফুস থেকে কিংবা প্রস্রাবের ইনফেকশন যুক্ত প্রস্রাবের থলি থেকে এই জীবাণু রক্তের মাধ্যমে হাড়ের দুর্বল স্থানে যেতে পারে।

★ ইনজুরি- আঘাতের দ্বারা ত্বকে মারাত্মক ক্ষত সৃষ্টি হলে জীবাণু শরীরের গভীরে ঢুকে যেতে পারে। যদি আঘাতের স্থানটি সংক্রমিত হয়, জীবাণু পার্শ্ববর্তী হাড়ে ছড়িয়ে পড়তে পারে। আবার যদি আঘাতের ফলে হাড় ভেঙে গিয়ে ভাঙা হাড় চামড়া ভেদ করে বেরিয়ে আসে, তাহলে জীবাণু শরীরে প্রবেশ করতে পারে।

★ সার্জারি- জয়েন্টে অপারেশন বা কোনো ভাঙা হাড় লাগানোর সময় সরাসরি জীবাণুর সংস্পর্শ ঘটতে পারে।

↙️ জটিলতাঃ

হাড়ের ইনফেকশনে বিভিন্ন জটিলতা দেখা দিতে পারে-

★ হাড়ে ইনফেকশন হলে হাড়ের মধ্যে রক্ত সঞ্চালন বাধাগ্রস্ত হয়। এর ফলে হাড় মরে যায়। হাড়ের যে স্থানটি মরে যায় সেটি অপারেশনের মাধ্যমে ফেলে দিতে হয়, তাহলে এন্টিবায়োটিক ভালো কাজ করে।

★ সেপটিক আর্থ্রাইটিস কখনো কখনো হাড়ের ইনফেকশন পার্শ্ববর্তী জয়েন্টে ছড়িয়ে যায়।

★ শিশুদের ক্ষেত্রে হাড় বা জয়েন্টের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয় যদি সংক্রমণ হাড়ের নরম এলাকা বা গ্রোথ প্লেটে ঘটে।

★ যদি হাড়ের ইনফেকশনের ফলে পুঁজ বেরিয়ে আসতে থাকে তাহলে সেখানকার ত্বকে ক্যান্সার হওয়ার উচ্চ ঝুঁকি থাকে।

↙️ যদি আপনার হাড়ের ইনফেকশনের উচ্চ ঝুঁকি থাকে তাহলে ঝুঁকি কমানোর জন্য আপনার চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলুন,সুস্থ থাকুন।

10/01/2023

⚠️ শীতকালে চোখ নিয়ে সচেতন হোন...

▶️ শীতকালে সাধারণত চুল ও ত্বকের যত্ন নিয়ে তৎপর হই আমরা। কিন্তু এই সময় বিশেষভাবে চোখের যত্ন নেওয়াও জরুরি। গবেষণামতে, অন্যান্য মৌসুমের তুলনায় শীতের দিনগুলোতে চোখের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা বেশি। কেননা এই সময় বাতাসে আর্দ্রতা কম থাকে। এতে চোখ শুষ্ক হতে পারে ও দৃষ্টিশক্তি কমে যেতে পারে। শুষ্ক চোখের সমস্যায় দরকার বাড়তি যত্ন।

★ শুষ্ক চোখের সমস্যা হলে নানা অস্বস্তি, জ্বালাপোড়া হতে পারে।

★ জোরালো আলো সহ্য করতে না পারা

★ঝাপসা দেখা

★ লাল হওয়া কিংবা চোখের ভেতরে ও বাইরে পিচ্ছিল আঠালো পদার্থ তৈরি হতে পারে।

তবে কয়েকটি বিষয় মেনে চললে এসব সমস্যা থেকে স্বস্তি মিলতে পারে।

▶️ এ সময় আপনার করণীয়ঃ

● চোখ সব সময় পরিষ্কার রাখুন। চোখে ধুলাবালু জমতে দেবেন না। বাইরে থেকে এসে ঠান্ডা পানিতে চোখ ধুয়ে ফেলুন।

● ঘন ঘন চোখ ঘষা এড়িয়ে চলুন। কারণ, এটি আপনার চোখের লেন্স বা কর্নিয়ার ক্ষতি করতে পারে। শীতকালে এই সমস্যা বাড়তে পারে। তাই সতর্ক থাকুন।

● শরীরে পানির ঘাটতি শুষ্ক চোখের সমস্যা বাড়িয়ে তোলে। তাই চোখকে আর্দ্র রাখতে এই সময় পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করুন। চাইলে তরল স্যুপও খেতে পারেন।

● কন্ট্যাক্ট লেন্স ব্যবহার করলে শুষ্ক চোখে সমস্যা বাড়তে পারে। দিনে পাঁচ-ছয় ঘণ্টার বেশি চোখে কন্ট্যাক্ট লেন্স পরে থাকা উচিত নয়।

● দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটার বা ল্যাপটপের পর্দার দিকে তাকিয়ে থাকলে চোখের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা বেশি। ২০ মিনিট পরপর ২০ সেকেন্ডের জন্য ২০ ফুট দূরত্বের দিকে তাকান।

● শীতকালেও নিয়মিত রোদচশমা বা কালো চশমা পরুন। রোদচশমার ব্যবহার কেবল গরমকালের জন্য নয়, বরং শীতকালে এর গুরুত্ব আরও বেশি। ঠান্ডা দিনগুলোতে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি চোখের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে।

● ড্রাই আইয়ের সমস্যা থাকলে চোখের ড্রপ ব্যবহার করতে পারেন। তবে সে ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উত্তম।

● ঘরের ভেতর আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য এয়ার হিউমিডিফাইয়ার ব্যবহার করতে পারেন। বিশেষ করে যাঁরা হিটার ব্যবহার করেন।

05/01/2023

সচেতনতাই মুক্তি

শুভ সকাল সতেজতায় ভরে থাকুক প্রতিটি সময় ❤️
05/01/2023

শুভ সকাল
সতেজতায় ভরে থাকুক প্রতিটি সময় ❤️

05/01/2023

‼️ করোনা আবার চোখ রাঙাচ্ছে...

🔹করোনাভাইরাস যাই যাই করেও পুরোপুরি চলে যাচ্ছে না, বরং নিয়মিত রূপ বদল করে যেন থাকতে চাইছে। আমরা আগেই করোনার নতুন ধরন যেমন অমিক্রন দেখেছিলাম।

এখন সেই অমিক্রনের উপশাখা হিসেবে চীনে গত বছরের অক্টোবরে দেখা দিয়েছে বিএফ.৭ নামের নতুন ভেরিয়েন্ট (উপধরন)। নভেল করোনাভাইরাসের থেকে এই নতুন ভেরিয়েন্টের ‘নিউট্রিলাইজেশন রেজিস্ট্যান্ট’ ক্ষমতা প্রায় সাড়ে চার গুণ বেশি। যুক্তরাষ্ট্রে ৫ শতাংশ এমন নতুন ভেরিয়েন্টের খোঁজ মিলেছে।

🔹 জ্বর, গলাব্যথা, কাশি বা শ্বাসকষ্টের মতো উপসর্গ দেখা দিলে উচিত হবে কোভিড পরীক্ষা করানো এবং নিজেকে অন্যদের কাছ থেকে আলাদা করে ফেলা। কারণ, ধারণা করা হচ্ছে, বিএফ.৭ উপধরন আগের ধরনগুলোর চেয়ে অনেক বেশি সংক্রামক।

মাস্ক পরে বাইরে বেরোনো, হাত ধোয়া বা স্যানিটাইজ করা, ভিড় এড়িয়ে চলা—এসব আমরা এত দিনে প্রায় ভুলে গেছি। কিন্তু মনে রাখবেন, এগুলো স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস। এই অভ্যাস থাকলে শুধু করোনা নয়, যেকোনো ভাইরাসঘটিত রোগের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। বিশেষ করে বয়স্ক ও ক্রনিক রোগে যাঁরা আক্রান্ত, তাঁদের আবার এসব স্বাস্থ্যবিধি মনে করিয়ে দেওয়া দরকার।

শীত এলে আমাদের উৎসব, পার্বণ, অনুষ্ঠান বা নিমন্ত্রণ বেড়ে যায়। ভিড়ে যেতে সাবধান হতে হবে।

🔹করোনা সংক্রমণ রোধে দেশে এখন টিকার চতুর্থ ডোজ প্রয়োগ শুরু হয়েছে। চতুর্থ ডোজ টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রথম ধাপে সম্মুখসারির যোদ্ধা, ষাটোর্ধ্ব ব্যক্তি ও অন্তঃসত্ত্বা নারীদের দেওয়া হচ্ছে। সুযোগ পেলে টিকা নেওয়া উচিত হবে।

মনে রাখবেন, করোনা চলে যায়নি এবং নতুন নতুন উপধরনে প্রকাশিত হচ্ছে। এর প্রকাশভঙ্গি ও বিস্তার কেমন হবে, তা এখনই বলা যাচ্ছে না। তাই সতর্ক থাকার বিকল্প নেই।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Jurist's Health Club posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram