15/02/2026
স্বামী ডক্টর। ডিউটিতে ব্যস্ত। তাই খুলনাতে থাকা এক মহিলা ঠিক করলো, ভালোবাসা দিবসে ঘরে বসে থাকা যাবে না। ১৪ ফেব্রুয়ারি বলে কথা। স্বামী সময় দিতে পারে নাই, সমস্যা নাই, ফ্রেন্ড তো আছেই।
ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে হাসতে হাসতে বলতেছে, সে নাকি খুব খুশি। সাংবাদিকদের দেখা পাইছে তাই, খুশি ডাবল হয়ে গেছে। পাশে যে ছেলে দাঁড়িয়ে আছে, সে নাকি “জাস্ট ফ্রেন্ড”। আর সেই ছেলেটা দাঁত বের করে বলতেছে, “আমি জাস্ট ফ্রেন্ড, অন্য কিছু না। ও ওর স্বামীর পরেই আমাকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসে। আরেকজন আছে, সে আমার ছেলে।”
মানে কথা শুনে মাথা ঘুরে যায় না?
স্বামী আছে, সংসার আছে। তাও ভালোবাসা দিবসে ফ্রেন্ড নিয়াই ঘুরতে আসতে হবে। আবার সেই ফ্রেন্ডও বিবাহিত। নিজের বউরে না নিয়ে বান্ধবীকে নিয়ে ঘুরতে আসছে, সেটাও ক্যামেরার সামনে এমন ভাব নিয়ে বলতেছে যেন খুব গর্বের কিছু করছে।
"আমরা আসলে কোন জায়গায় আসছি"?
বন্ধু থাকতে পারে, সমস্যা নাই। কিন্তু স্বামী থাকা অবস্থায়, বিশেষ একটা দিনে, এভাবে বের হওয়াটা কি সত্যিই এত স্বাভাবিক? আর সেটা আবার এমনভাবে বলা, যেন কেউ প্রশ্ন করলেই সে পুরানপন্থী!
সবচেয়ে অবাক লাগে, লজ্জা নাই, সংকোচ নাই। উল্টা হাসতেছে, মজা নিচ্ছে। যেন এটা খুব কুল একটা ব্যাপার।
শেষ কথা একটাই, আধুনিক হওয়া আর দায়িত্ব ভুলে যাওয়া এক জিনিস না। সম্পর্ক মানে শুধু নামের ট্যাগ না, কিছু সীমা আছে, কিছু সম্মান আছে। সেগুলো একে একে উঠায়ে ফেলতেছি, তারপর আবার বলি সমাজ খারাপ হইতেছে। সমাজ কি আকাশ থেইকা নামছে, না আমরা নিজেরাই বানাচ্ছি?
©