Tibb-E-Nababi

Tibb-E-Nababi তিব্বে নববী - নবী কারীম (সাল্লাল্লাহু ?

তিব্বে নববী (সাঃ) রিসার্চ সেন্টার

নবী কারীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর চিকিৎসা বিষয়ক হাদীসসমূহের উপর গবেষণার আলোকে আমাদের সেবাসমূহ:

• ডায়াবেটিস
• পাইলস
• কোষ্টকাঠিন্য
• ক্ষুধামন্দা
• গ্যাস্ট্রিক
• আলসার
• পুরাতন আমাশয়
• অতিরিক্ত রক্তচাপ
• এলার্জি ও চর্মরোগ
• যৌন সমস্যা
• হাঁপানী
• বাত ব্যথা
• ফেটি লিভার
ও অন্যান্য জটিল রোগ।

ব্যবস্থাপকঃ শাইখুল হাদীস হাফেজ মাওলানা হাকীম মুহাম্মদ আব্দুস সামাদ।
রেজিস্টার্ড ইউনানী চিকিৎসক ও নবী কারীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর চিকিৎসা বিষয়ক হাদীসসমূহের গবেষক

13/02/2022

আপনার কি ব্রণ বা মেসতা আছে? আপনি কি আপনার ত্বক নিয়ে চিন্তিত?
আপনার ত্বক কি তৈলাক্ত? আপনার কি মুখে দাগ বা বলিরেখা আছে?
আপনি কি আপনার ত্বকের উজ্বলতা হারাচ্ছেন?

তাহলে আমাদের ন্যাচারাল ফেইস মাস্ক ব্যবহার করুন। আমাদের ন্যাচারাল ফেইস মাস্ক ব্রণ, মেসতা দূর করে ত্বকের সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনে। ত্বকের দাগ, বলিরেখা ও তৈলাক্ত ভাব দূর করে। ত্বকের উজ্বলতা ও তারুণ্য ফিরিয়ে আনে। এটি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপাদানের সমন্বয়ে তৈরি তাই এটি সম্পূর্ণ নিরাপদ ও পার্শ্ব- প্রতিক্রিয়া মুক্ত। এতে আছে গোলাপফুল, নিম, চন্দন, জাফরান ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপাদান।

বিস্তারিত জানতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

মৃত্যু বাতিত সকল রোগের মহৌষধ কালোজিরা ও মধু। এর মধ্যে মধু অন্যতম। পুষ্টিগুণ ও উপাদেয়তার দিকটি বিবেচনা করে যদি আমরা খাবার...
16/12/2021

মৃত্যু বাতিত সকল রোগের মহৌষধ কালোজিরা ও মধু। এর মধ্যে মধু অন্যতম। পুষ্টিগুণ ও উপাদেয়তার দিকটি বিবেচনা করে যদি আমরা খাবারের একটি তালিকা করি, সে তালিকার প্রথম সারিতেই থাকবে ‘মধু’র নাম। এটি শরীরের জন্য উপকারী এবং নিয়মিত মধু সেবন করলে অসংখ্য রোগবালাই থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায়। এটি বৈজ্ঞানিকভাবেই প্রমাণিত।
আমাদের কাছে পাবেন সুন্দরবন থেকে সরাসরি সংগ্রহ করা শতভাগ নিশ্চয়তাসহ পিওর মধু। ১০০% সুন্দরবনের পিওর মধু অর্ডার করতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

14/12/2021

লিভার সুস্থ রাখতে ও লিভারের বিভিন্ন সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে সার্ফলিভ (Sarfliv) অতুলনীয়। বিস্তারিত জানতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

ইসলামিক পদ্ধতিতে গরু জবাইয়ের সময় গরু ব্যাথা অনুভব করে কি না এ নিয়ে একটা পরীক্ষা করা হয়েছিল।। গরু জবাইয়ের সময়ে EEG পরীক্ষ...
24/07/2021

ইসলামিক পদ্ধতিতে গরু জবাইয়ের সময় গরু ব্যাথা অনুভব করে কি না এ নিয়ে একটা পরীক্ষা করা হয়েছিল।। গরু জবাইয়ের সময়ে EEG পরীক্ষা করে গরুর মস্তিষ্ক এবং ECG করে গরুর হার্ট দেখা হয়।

পরীক্ষায় দেখা যায়,
*জবাইয়ের প্রথম ৩সেকেন্ডে EEG গ্রাফে কোনো পরিবর্তন দেখা যায় না, অর্থাৎ গরু কোনো ব্যাথা পায় না।
*পরের ৩ সেকেন্ডের EEG রেকর্ডে দেখা যায়, গরু গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন থাকার মতো অচেতন হয়ে থাকে,শরীর হতে প্রচুর রক্ত বের হয়ে যাওয়ায় ব্রেইনে রক্ত সরবরাহ হয় না বলে এই অচেতন অবস্থা হয়।
*এই প্রথম ৬ সেকেন্ড পরে EEG গ্রাফে Zero level দেখাচ্ছিলো, তার মানে গরু কোনো ব্যাথা পাচ্ছিলো না।
*গরুর যে খিচুনি আমরা দেখি সেটা Spinal cord এর একটি Reflex Reaction, এটা মোটেও ব্যাথার জন্য হয় না।

(এই পরীক্ষাটি করেন জার্মানির হ্যানোভার বিশ্ববিদ্যালয়ের
প্রফেসর শুলজ এবং ডক্টর হাজিম।)

সুবহানাল্লাহ।
আল্লাহ রাব্বুল আল-আমীন এমন ভাবে সব কিছু সৃষ্টি করে দিয়েছেন, যা অত্যন্ত নিখুঁত। যারা ভাবেন যে পশু জবাইয়ের মাধ্যমে মুসলমানরা পশুকে কষ্ট দিচ্ছে তারা আল্লাহ রাব্বুল আল-আমীনের এই রহমতের কথা জানতে পারলে সত্যিই অবাক হবে।

তিব্বে নববী (সা‌ঃ) - নবী কারীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর চিকিৎসা পদ্ধতি।কোন রোগই দুরারোগ্য নয়। প্রত্যেক রোগেরই...
23/07/2021

তিব্বে নববী (সা‌ঃ) -
নবী কারীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর চিকিৎসা পদ্ধতি।

কোন রোগই দুরারোগ্য নয়। প্রত্যেক রোগেরই ঔষধ রয়েছে তবে শর্ত হলো সঠিক রোগ নিরুপণ ও রোগ অনুযায়ী সঠিক ঔষধ নির্বাচন করা।

১। হযরত জাবের ইবনে আব্দুল্লাহ রাযি. নবী কারীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন:
নবী কারীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইরশাদ করেন, প্রতিটি রোগের ঔষধ রয়েছে। সুতরাং যখন রোগ অনুযায়ী ঔষধ গ্রহণ করা হয় তখন আল্লাহর হুকুমে রোগী আরোগ্য লাভ করে। (মুসলিম শরীফ)

২। হযরত আবু হুরায়রা রাযি. বর্ণনা করেন, নবী কারীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইরশাদ করেন, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা এমন কোন রোগ সৃষ্টি করেননি যার জন্য তিনি প্রতিষেধক পাঠাননি। (বুখারী, মুসলিম)

৩। হযরত আবু হুরাইরা (রাযি.) বর্ণনা করেন, নবী করীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দুইজন চিকিৎসককে ডেকে পাঠালেন, খুব সম্ভব এরা দীর্ঘকাল মদিনায় অবস্থানরত ছিল। নবী কারীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কোন এক রোগীকে চিকিৎসা করার জন্য তাদের নির্দেশ দিলে চিকিৎসকদ্বয় বলল, হে আল্লাহর রাসূল! ইসলাম গ্রহণের পূর্বে জাহিলিয়াতের যুগে আমরা চিকিৎসা ও হিলা-বাহনা সবই করতাম, তবে ইসলাম ধর্মে এসে একমাত্র (আল্লাহর উপর) তাওয়াক্কুল করেই চলছি।
নবী করীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ তোমরা চিকিৎসা কর। যে মহা প্রভু রোগ পাঠিয়েছেন তিনি ঔষধও প্রেরণ করেছেন এবং তার মধ্যে নিরাময়ও রেখেছেন।
হাদীসের রাবী বর্ণনা করেন যে, চিকিৎসকদ্বয় নবী করীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর ইরশাদ অনুযায়ী চিকিৎসা করায় রোগী আরোগ্য লাভ করে। - যাদুল মা'আদ

উক্ত হাদীসের দ্বারা বুঝা যায় চিকিৎসা কখনো তাওয়াক্কুলের পরিপন্থী নয়। তাই নবী করীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকটে যখন এক সাহাবী আরয করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা কি ঔষধপত্র (চিকিৎসা) গ্রহণ করব? চিকিৎসক কি আল্লাহর বিধান রোগ ফেরাতে পারে? নবী করীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ "চিকিৎসাও আল্লাহর বিধান।" - মুসতাদরাকে হাকেম

ডায়াবেটিস বা বহুমূত্র রোগ একটি হরমোন সংশ্লিষ্ট রোগ। দেহযন্ত্র অগ্ন্যাশয় যদি যথেষ্ট ইনসুলিন তৈরি করতে না পারে অথবা শরীর...
15/07/2021

ডায়াবেটিস বা বহুমূত্র রোগ একটি হরমোন সংশ্লিষ্ট রোগ। দেহযন্ত্র অগ্ন্যাশয় যদি যথেষ্ট ইনসুলিন তৈরি করতে না পারে অথবা শরীর যদি উৎপন্ন ইনসুলিন ব্যবহারে ব্যর্থ হয়, তাহলে যে রোগ হয় তা হলো 'ডায়াবেটিস' বা 'বহুমূত্র রোগ'। মানুষের রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ সাধারণত ৩.৩ থেকে ৬.৯ মিলি.মোল/লি আর খাবার পর ১১ মিলি.মোল/লি পাওয়া যায়, তবে তার ডায়াবেটিস আছে বলে ধরে নেওয়া হয়। যাদের ডায়াবেটিস হয়েছে তাদের উচিত এটাকে নিয়ন্ত্রণে রাখা আর যাদের এখনো হয় নাই তাদের উচিত এটাকে প্রতিরোধ করা। কারণ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, ২০৩০ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে ডায়াবেটিস হবে ৭ম বৃহত্তম মরণ ব্যাধি। বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ১০% (৮.৪ মিলিয়ন) মানুষ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত, WHO-2014। ২০০৬ খ্রিষ্টাব্দে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ এর ৬১/২২৫ নম্বর ঘোষণায় ডায়াবেটিসকে দীর্ঘমেয়াদি, অবক্ষয়ী ও ব্যয়বহুল ব্যাধি হিসাবে বর্ণনা করা হয়েছে যা মানবদেহে মারাত্মক জটিলতার সৃষ্টি করতে পারে।
এ রোগের লক্ষন গুলির মধ্যে ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া, এ কারণে এ রোগটির নাম বহুমূত্র রোগ; অধিক পিপাসা লাগা এবং মুখ শুকিয়ে যাওয়া; অতিশয় দুর্বলতা; সার্বক্ষণিক ক্ষুধা; স্বল্প সময়ে দেহের ওজন হ্রাস; চোখে ঝাপসা দেখা; শরীরে ক্ষত বা কাটাছেঁড়া হলে দীর্ঘদিনেও সেটা না সারা; চামড়ায় শুষ্ক, খসখসে ও চুলকানি ভাব; বিরক্তি ও মেজাজ খিটখিটে হয়ে ওঠা; চোখে কম দেখতে শুরু করা।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা খুব জরুরি। বীজ যেমন- পরিবেশ পেলে গজিয়ে উঠে অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস ও তেমনই নানা ধরনের রোগ হওয়ার জন্য উপযুক্ত পরিবেশ। অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসে হার্ট, কিডনি, লিভার, চোখ নষ্ট হয়ে যায়, নানা রকম ক্যান্সার হতে পারে, এমনকি শরীরের মাংসেও পচন ধরতে পারে। গর্ভকালীন সময়েও নানা ধরনের জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে, গর্ভস্থ শিশু মৃত এবং প্রতিবন্ধী হতে পারে, অর্থাৎ ডায়াবেটিস, এহেনও কোনো রোগ বা জটিলতা নেই যেটা জন্মাতে সাহায্য করে না।
ডায়াবেটিস আজীবনের একটি অসংক্রামক রোগ। বংশগত, পরিবেশগত, অলস জীবন যাপন, অসম খাদ্যাভ্যাসের কারণে এ রোগ হতে পারে। এর চিকিৎসার মূল উপাদান হচ্ছে শিক্ষা, সঠিক খাদ্যাভ্যাস, ব্যায়াম এবং প্রয়োজনে ওষুধ। যেসব খাবার খেলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা দ্রুত বেড়ে যায় সেসব খাবার যেমন- মিষ্টি জাতীয় খাবার, সাদা ভাত, সাদা রুটি, সিদ্ধ আলু ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণে রেখে যেসব খাবার খেলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা দেরিতে এবং ধীরে ধীরে বাড়ে যেমন আঁশজাতীয় শাকসবজি, ফল, মাছ/মাংস, ডিম, দুধজাতীয় খাবার ইত্যাদি খাবারের তালিকায় যাতে থাকে সে দিকটা খেয়াল রাখতে হয়। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে কালো বেরি খাওয়া উচিত। ব্ল্যাকবেরি তে অনেক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। যা ইনসুলিন তৈরিতে সহায়তা করে। যার কারণে রক্তে সুগার স্বাভাবিক পর্যায়ে থেকে যায়। হিবিস্কাসের পাতায় উচ্চ পরিমাণে ফলিক অ্যাসিড থাকে। এটি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে খুব কার্যকর। ড্রামস্টিক পাতার রস ডায়াবেটিসে প্যানাসিয়ার মতো কাজ করে। ড্রামস্টিক পাতায় প্রচুর পরিমাণে অ্যাসকরবিক অ্যাসিড থাকে। যা চিনির স্তর নিয়ন্ত্রণ এবং ইনসুলিন বাড়ায়, এর ফলে প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী হয়। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতিদিন ৮ থেকে ১০টি নিম পাতা চিবানো উচিত। নিমের উপস্থিত অ্যান্টিভাইরাল দেহে চিনির স্তর নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে। ডায়াবেটিস রোগীদের সদাবাহার গাছ হতে তিন-চারটি পাতা ছিড়ে নিয়ে ধুয়ে চিবিয়ে রস খেলে অথবা এক কাপ ফুটন্ত পানিতে এর ফুল ভিজিয়ে খালি পেটে প্রতিদিন সকালে পান করলে মিলবে উপকার। শোধিত শিলাজতু রক্তের ইনসুলিনের মাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে। কুশতা খুবছুল হাদীদ বা আয়রন বা লৌহ আমরা বিভিন্ন খাবারের মাধ্যমে পেতে পারি যেমন কচুশাক, কাঁচাকলা, ডালিম, মৌরি ইত্যাদি খাবারে প্রচুর পরিমাণে আয়রন আছে, এই খাবার গুলো নিয়মিত খেলে শরীরে আয়রনের ঘাটতি পূরণ হয় এবং রক্তস্বল্পতা পূরণ করতে সহায়তা করে। কুশতা যমুররদ বা পান্না পাথর ডায়াবেটিস নিরাময়েও সাহায্য করে। কুশতা মারওয়ারীদ বাংলায় একে মুক্তা বলে। মুক্তা পাথর মনকে শান্ত করে, চোখের দৃষ্টিশক্তি প্রখর করে, অনিদ্রা থেকে মুক্তি দেয়, যেকোনো শারীরিক অসুস্থতায় মুক্তা অনেক উপকারী। ডায়াবেটিস রোগের কারণে চোখের সমস্যা, ঘুমের সমস্যার সমাধান দেয় এই মুক্তা। এছাড়া তুঁত, যব, লিচু, ভুট্রা, লিচু, ডালিম, পিয়াজ, মাশরুম, মেথী, নয়নতারা পাতা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে খুব কার্যকর।

যাইতুন (Olive) এক ধরনের ফল। যার বৈজ্ঞানিক নামঃ Olea Europaea। যাইতুনকে (Olive) অনেকেই জলপাই (Ceylon Olive এর বৈজ্ঞানিক ন...
14/07/2021

যাইতুন (Olive) এক ধরনের ফল। যার বৈজ্ঞানিক নামঃ Olea Europaea। যাইতুনকে (Olive) অনেকেই জলপাই (Ceylon Olive এর বৈজ্ঞানিক নামঃ Elaeocarpus Serratus) এর সাথে এক করে ফেলে, যদিও এ দুটি সম্পূর্ণ আলাদা ফল। যাইতুন গাছ একধরনের চিরহরিৎ বৃক্ষ। যাইতুন গাছ ৮-১৫ মিটার লম্বা হয়ে থাকে। এর পাতা ৪-১০ সে.মি. লম্বা ও ১-৩ সে.মি. প্রশস্ত হয়ে থাকে। যাইতুন ফল বেশ ছোট আকারের, লম্বায় মাত্র ১-২.৫ সে.মি. লম্বা হয়ে থাকে। এটি পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের উপকূলীয় এলাকা বিশেষ করে লেবানন, সিরিয়া, তুরস্কের সামুদ্রিক অঞ্চল, ইরানের উত্তরাঞ্চল তথা কাস্পিয়ান সাগরের দক্ষিণে বেশী জন্মে।
“তোমরা যাইতুনের তেল খাও এবং এর দ্বারা মালিশ কর বা শরীরে মাখ। কেননা, তা বরকতময় গাছ থেকে আসে।“ – হযরত মুহাম্মদ (সঃ) (তিরমিযী; ইবনে মাজাহ্, হাদিস নং ৩৩২০)।
যাইতুন তেল (Olive Oil) এ অনেক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান থাকে, যেগুলো আমাদের শরীরকে সুস্থ এবং সুন্দর রাখে। আরবিতে যাইতুন (زيت الزيتون)। যেটাকে Liquid Gold বা তরল সোনা নামেও ডাকা হয়। গ্রীক সভ্যতার প্রারম্ভিক কাল থেকে এই তেল রন্ধন কর্মে ও চিকিৎসা শাস্ত্রে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কোস্ট কাঠিন্য রোগীদের জন্য যাইতুন তেল অনেক উপকারী। যাইতুন তেলের আরেকটা গুণাবলি হল এটা পাকস্থলীর জন্য খুব ভালো। শরীরে এসিড কমায়, যকৃৎ (Liver) পরিষ্কার করে। গবেষকরা ২.৫ কোটি লোকজনের উপর গবেষণা করে দেখিয়েছেন, প্রতিদিন ২ চামচ কুমারী যাইতুন তেল (Virgin Olive Oil) এক সপ্তাহ ধরে খেলে ক্ষতিকর এলডিএল (LDL) কোলেস্টেরল কমায় এবং উপকারী এইচডিএল (HDL) কোলেস্টেরল বাড়ায়। স্প্যানিশ গবেষকরা দেখিয়েছেন, খাবারে যাইতুন তেল ব্যবহার করলে ক্লোন ক্যান্সার প্রতিরোধ হয়। আরও কিছু গবেষক দেখিয়েছে, এটা ব্যাথা নাশক হিসাবে কাজ করে। তাছাড়া ইউনানী মেটেরিয়া মেডিকায় বলা হয়েছে হাঁপানি ও ফুসফুসের রোগে যাইতুন তেল ব্যবহার হয়। যাইতুন তেল দ্বারা নিউমোনিয়া রোগের চিকিৎসা হয়। গোসলের পানিতে ১/৪ চামচ ব্যবহার করে গোসল করলে শরীরে শিথিলতা পাওয়া যায়। যাইতুন তেল গায়ে মাখলে বয়স বাড়ার সাথে ত্বক কুঁচকানো প্রতিরোধ হয়। মেয়েদের রূপ বর্ধনের জন্য এটা অনেকটা কার্যকর। সাধারণত সন্তান হওয়ার পর মহিলাদের পেটে সাদা রঙের স্থায়ী দাগ পড়ে। গর্ভধারণ করার পর থেকেই পেটে যাইতুন তেল মাখলে কোন জন্মদাগ পড়ে না।
বাজারে কয়েক ধরনের যাইতুন তেল পাওয়া যায়, যেমন-
১. Extra virgin - এটা প্রথম ধাপ। সরাসরি যাইতুন ফল থেকে তৈরি। এসিডেটি ১% এর নিচে। রান্নার জন্য বা সালাদে গবেষকরা এটা প্রস্তাব করেন।
২. Virgin - Extra virgin পরের ধাপ এটা। এতে এসিডের পরিমাণ ১ থেকে ২% থাকে।
৩. Refine Pure - ৩য় ধাপ। এতে এসিডের পরিমাণ ৩ থেকে ৪%।

সিনায়ে মাক্কী (আরবি) এর বাংলা নাম সোনা পাতা, সোনামুখী। ইংরেজী নাম: Senna, Tinnevelly Senna আর বৈজ্ঞানিক নাম: Cassia angu...
13/07/2021

সিনায়ে মাক্কী (আরবি) এর বাংলা নাম সোনা পাতা, সোনামুখী। ইংরেজী নাম: Senna, Tinnevelly Senna আর বৈজ্ঞানিক নাম: Cassia angustifolia Vahl, এটি Caesalpiniaceae পরিবারের সদস্য। এটি বীরূৎ জাতীয় গাছ। সিনায়ে মাক্কীর পাতা, ফুল, ফল ও বিচি ব্যবহৃত হয়। তবে পাতার ব্যবহারই বেশী। পাতা দেখতে অনেকটা মেহেদী পাতার মত। পাতার রং কাঁচা অবস্থায় হলুদাভ সবুজ এবং শুকনো হলে হলুদাভ সোনালী বর্ণ হয়। পাতা ঔষধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এতে খনিজ, লবণ, ক্যালসিয়াম ও ফ্লাবিনয়েড নামে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক উপাদান রয়েছে, যা প্রধানত জোলাপ বা রেচক হিসেবে কাজ করে। গাছটি উষ্ঞমন্ডলীয় দেশ সমূহে বেশী জন্মে। সুদান, সোমালিয়া, সুন্ধুপ্রদেশ, পাঞ্জাব ও দক্ষিণ ভারতে বাণিজ্যিক ভবে চাষ করা হয়। এছাড়া বাংলাদেশে সহ উপমাহাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সোনাপাতা বেশ দেখা যায়। আরব দেশের জঙ্গলে সোনাপাতা প্রচুর পরিমাণে জন্মে থাকে।

“যদি কোনো জিনিসের দ্বারা মৃত্যু থেকে রক্ষা পাওয়া যেত তবে তা সিনায়ে মাক্কীর দ্বারা পাওয়া যেত।” “তোমরা অবশ্যই সিনায়ে মাক্কী ব্যবহার করবে, কেননা এটা মৃত্যু ব্যতীত সব রোগের শেফাদানকারী মহৌষধ।” – হযরত মুহাম্মদ (সঃ) (তিরমীজি - ২০৩১)।

সোনাপাতায় বিদ্যমান ইমোডিন বিভিন্ন পরিমাণে চিকিৎসায় ব্যবহা করা হয়। এন্হ্রাকুইনোন সাইটোটক্সিক এবং কোষ পুনরুদ্ধার-এ রিজেনারেশনে উদ্দীপনা জাগায়, ডিটক্সিফিকেশন এবং পরিষ্কারক হিসেবেও কাজ করে। কোষ্ট-কাঠিন্য দূর করতে চমৎকার কাজ করে। সোনা পাতায় বিদ্যমান এনথ্রানয়েড রেচক হিসেবে উদ্দীপনা যোগায় এর কারণ হল সেনোসাইড এবং রেইন এনথ্রোন হজম প্রক্রিয়াকে সক্রিয় করে। রেচক (Laxative effect) বা শীতলকারক হওয়ার ফলে বৃহদন্তে পানি এবং ইলেক্ট্রোলাইট শোষণ বাধাপ্রাপ্ত হয় যা ইনটেস্টাইন্যাল উপাদান গুলোর ভলিউম এবং চাপ বৃদ্ধি করে। এতে কোলনের সঞ্চালন উদ্দীপিত হয়। ফলে খুব অল্প সময়ে এবং খুব সহজেই মল দেহ থেকে বাইরে নিষ্কাষিত হয়। এ জন্য সোনা পাতাকে কোষ্ঠকাঠিন্য রোগের মহৌষধ বলা হয়। এছাড়া এন্টি সেপটিক ও এন্টি আলসার হিসেবেও এটি কাজ করে। গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা রোধ করতে সাহায্য করে। ওজন কমাতে সাহায্য করে। রুচি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। কৃমিনাশক হিসেবে কাজ করে। উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া সোনাপাতার নানা বিধ ব্যবহারের মধ্যে রয়েছে - ক্ষুধা কমায়, যকৃত বিকৃতি, প্লীহা বিকৃতি, বদহজম, ম্যালেরিয়া, ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা এবং জন্ডিস।

বিশ্ব হার্বাল গবেষণা ইন্সটিটিউট এই ভেষজ উদ্ভিদকে অত্যন্ত শক্তিশালী ভেষজ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। কমিশন ই (E) কোষ্ট-কাঠিন্য নিরাময়ের জন্য সোনাপাতা গ্রহণের অনুমতি দেয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) মাঝে মধ্যে সংঘটিত কোষ্ট-কাঠিন্য দূর করার জন্য স্বল্প সময়ের চিকিৎসা হিসেবে সোনাপাতা ব্যবহারের অনুমতি দেয়। এছাড়া পায়ু পথের সমস্যা দূর করতে, অর্শের সমস্যায়, অপারেশনের পূর্বে ও পরে পেট পরিষ্কার রাখতে সোনাপাতা ব্যবহার করা হয়।

সোনা পাতার চা: সোনা পাতার চা খেতে সামান্য মিষ্টি এবং অধিক তিতা যদি কড়া করে বানানো হয়। তাই, সাধারণ চায়ের সাথে মিশিয়ে খাওয়া যায়।

তুলসী (ইংরেজি: holy basil, বা tulasī) (বৈজ্ঞানিক নাম: Ocimum Sanctum) একটি ঔষধিগাছ। তুলসী অর্থ যার তুলনা নেই। তুলসী গাছ ...
12/07/2021

তুলসী (ইংরেজি: holy basil, বা tulasī) (বৈজ্ঞানিক নাম: Ocimum Sanctum) একটি ঔষধিগাছ। তুলসী অর্থ যার তুলনা নেই। তুলসী গাছ লামিয়াসি পরিবারের অন্তর্গত একটি সুগন্ধী উদ্ভিদ।
তুলসী একটি ঘন শাখা প্রশাখা বিমিষ্ট ২/৩ ফুট উঁচু একটি চিরহরিৎ গুল্ম। এর মূল কাণ্ড কাষ্ঠল, পাতা ২-৪ ইঞ্চি লম্বা হয়। পাতার কিনারা খাঁজকাটা, শাখাপ্রশাখার অগ্রভাগ হতে ৫ টি পুষ্পদণ্ড বের হয় ও প্রতিটি পুষ্পদণ্ডের চারদিকে ছাতার আকৃতির মত ১০-২০ টি স্তরে ফুল থাকে। প্রতিটি স্তরে ৬টি করে ছোট ফুল ফোটে। এর পাতা, ফুল ও ফলের একটি ঝাঁঝাল গন্ধ আছে। বাতাসে প্রচুর পরিমাণে অক্সিজেন সরবরাহ করে ৷
বাংলাদেশ ও ভারতের প্রায় সর্বত্র দেখা যায়। ভারতে বাণিজ্যক ভাবে চাষ হয়। জুলাই আগষ্ট বা নভেম্বর ডিসেম্বর এতে মঞ্জরী দেখা দেয়।
তুলসী গাছের নানা ঔষধি ব্যবহার রয়েছে। সর্দ্দি, কাশি, ঠাণ্ড লাগা ইত্যাদি নানা সমস্যায় তুলসী ব্যবহার করা হয়। এ গাছের রস কৃমি ও বায়ুনাশক। ঔষধ হিসাবে এই গাছের ব্যবহার্য অংশ হলো এর রস, পাতা এবং বীজ। বাংলাদেশে যে চার প্রকার তুলসী গাছ দেখা যায় সেগুলি হলো: বাবুই তুলসী, রামতুলসী, কৃষ্ণ-তুলসী, ও শ্বেত তুলসী।, ঔষধের কাজে একটির পরিবর্তে আরেকটি ব্যবহার করা যায়।

কালিজিরার বৈজ্ঞানিক নাম নাইজেলা সাতিভা। নাইজেলা সাতিভাকে আরবি ভাষায় বলা হয় "হাব্বাত-উল-বারাকা(আশীর্বাদপুষ্ট বীজ)" এবং ...
05/07/2021

কালিজিরার বৈজ্ঞানিক নাম নাইজেলা সাতিভা। নাইজেলা সাতিভাকে আরবি ভাষায় বলা হয় "হাব্বাত-উল-বারাকা(আশীর্বাদপুষ্ট বীজ)" এবং ইংরেজিতে বলা হয় "লাভ ইন দ্য মিস্ট"।
কালিজিরা সহজেই শরীরের রোগ-জীবাণু ধ্বংস করে দিতে পারে। এই অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদানের জন্য দেহের ঘা, ফোঁড়া কম সময়েই সারে। শাকের সঙ্গে কালিজিরা খাওয়াই রীতি। এতে শিশুদের ক্ষেত্রে মেধার বিকাশ ঘটে। যারা মোটা হতে চায় তাদের জন্য কালিজিরা একটা ভালো পথ্য। কাঁচা কালিজিরা পিষে খেলে মায়ের দুধ বাড়ে। সন্তান প্রসবের পর কাঁচা কালিজিরা পিষে খেলে শিশু দুধ খেতে পাবে বেশি পরিমাণে। কালিজিরা নিজেই একটি অ্যান্টিবায়োটিক বা অ্যান্টিসেপটিক।
দাঁতে ব্যথা হলে হালকা গরম জলে কালিজিরা দিয়ে কুলকুচু করলে ব্যথা কমে। জিহ্বা, মাড়িতে থাকা খাদ্যের জীবাণু সহজেই মরে যায়। ফলে মুখে আর দুর্গন্ধ হয় না। কালিজিরা ক্রিমি দূর করতেও পারে।
তারুণ্য ধরে রাখতে মধ্যপ্রাচ্যে কালিজিরা খাওয়াটা দীর্ঘদিনের রীতি। কাজ করার শক্তিকে কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিতে পারে।
প্রায় দুই হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে মানুষ খাবারের সঙ্গে কালিজিরা গ্রহণ করে আসছে। মশলা হিসাবে ব্যাপক ব্যবহার হয়ে থাকে, এটি পাঁচ ফোড়নের একটি উপাদান। কালিজিরার তেলও আমাদের শরীরের জন্য নানাভাবে উপকারি। কালিজিরার তেলে ১০০টিরও বেশি উপযোগী উপাদান আছে। এতে আছে প্রায় ২১ শতাংশ আমিষ, ৩৮ শতাংশ শর্করা এবং ৩৫ শতাংশ ভেষজ তেল ও চর্বি। কালিজিরা আয়ুর্বেদীয়, ইউনানী, কবিরাজী ও লোকজ চিকিৎসায় ব্যবহার হয়।

“একমাত্র মৃত্যু ছাড়া সকল রোগের ঔষুধ কালিজিরা।’'
- হযরত মুহাম্মদ (সঃ)

শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, ইনসুলিন রোধ হ্রাস (এভাবে ডায়াবেটিস কমিয়ে রাখা), কাশি ও হাঁপানির উপশম, স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি, হৃজ্জনিত সমস্যার আশঙ্কা হ্রাস, চুল পড়া হ্রাস, ত্বকের সুস্বাস্থ্য, মায়ের দুধের পরিমাণ বৃদ্ধি, আর্থাইটিস ও মাংসপেশির ব্যথা কমাতে কালিজিরার তেল উপযোগী। প্রায় তিন হাজার বছর ধরে চলে আসা গল্পগাথায় যে কালিজিরার মহৌষধি গুণের কথা বলা হয়েছে, ৫০ বছরে সেই ভাষ্য অর্জন করেছে বৈজ্ঞানিকভাবে সম্মতি ও সম্মান।

মধু হল এক প্রকারের মিষ্টি ও ঘন তরল পদার্থ, যা মৌমাছি ও অন্যান্য পতঙ্গ ফুলের নির্যাস হতে তৈরি করে এবং মৌচাকে সংরক্ষণ করে।...
04/07/2021

মধু হল এক প্রকারের মিষ্টি ও ঘন তরল পদার্থ, যা মৌমাছি ও অন্যান্য পতঙ্গ ফুলের নির্যাস হতে তৈরি করে এবং মৌচাকে সংরক্ষণ করে। বাংলাদেশের জাতীয় মধু বোর্ডের সংজ্ঞা অনুযায়ী "মধু হল একটি বিশুদ্ধ পদার্থ যাতে পানি বা অন্য কোন মিষ্টকারক পদার্থ মিশ্রিত করা হয় নাই।" আমারা আগে জানতাম মৌমাছি বিভিন্ন ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করে তা মূখে করে সরাসরি মৌচাকে মজুদ করে। আসলে তা নয়, মৌমাছির শরীর থেকে মধু বের হয়। এটি উচ্চ ঔষধিগুণ সম্পন্ন একটি ভেষজ তরল ; এটি সুপেয়।
নিউজিল্যাণ্ডের মানুকা হানি বাজারে প্রাপ্য সকল মধুর চেয়ে বেশী ঔষধিগুণ সম্পন্ন গণ্য করা হয়। মানুকা নামীয় একপ্রকার ঝোপ জাতীয় উদ্ভিদের ফুল থেকে উৎপন্ন মধু "মানুকা হানি" নামে পরিচিত।
মধুর অনন্য গুণ হল এটি কখনো নষ্ট হয় না ৷ আদ্রতার মাত্রা ১৮% এর নিচে যতক্ষণ থাকে, ততক্ষণ মধুতে কোন জীবাণু বংশবৃদ্ধি করতে পারে না। পাস্তুরাইয্‌ড মধুতে মধুর প্রাকৃতিক ঔষধি গুণাবলী হ্রাস পায়।

"মৌমাছির পেট থেকে নির্গত হয় বিভিন্ন রঙে পানীয়,
তাতে মানুষের জন্য রয়েছে রোগের প্রতিকার"
- সূরা আন-নাহল (১৬ : ৬৮, ৬৯) ৷

মধুর মধ্যে রয়েছে প্রচুর খাদ্যগুন, আছে প্রচুর ভিটামিন কে, ফ্রুক্টোজ ও গ্লুকোজ ৷ নিয়মিত মধু পানে রোগ-বালাই হ্রাস পায় কেননা মধু মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। রাতে ঘুমানোর আগে মধু খেলে মস্তিষ্কের ক্রিয়াক্ষমতা ভালো থাকে। এক গবেষণায় (২০০৫) জানা যায়, ডায়রিয়ার জীবাণুগুলোর বিরুদ্ধে মধু দারুণ কার্যকর। আরেক পরীক্ষায় জানা যায়, মধু টাইফয়েড জ্বরের জীবাণুর বিরুদ্ধেও খুব কার্যকর। যারা অনিদ্রায় ভোগেন তাদের জন্য মধু অত্যন্ত উপকারী। সর্দি-কাশিতে মধুর উপকারিতা প্রমাণিত। মধু হৃদপিন্ডকে শক্তিশালী করে। ডায়াবেটিকসের চিকিৎসায় মধু অতুলনীয়। মুত্রথলির সংক্রমণে মধু অসাধারন কাজ করে। মধু রক্তনালীর সমস্যা দূর করে এবং রক্তের খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ ১০% পর্যন্ত কমিয়ে দেয়। হার্ট অ্যাটাকের ঝুকি কমে যায়। মধুর ভাইরাস প্রতিরোধী ক্ষমতা উচ্চ। প্রাচীন কাল থেকে গ্রিস ও মিশরে ক্ষত সারাইয়ে মধু ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

!!এক চমকপ্রদ ইতিহাস!!হজ্জ কিংবা উমরাহ করতে যাঁরা মক্কায় হারাম শরীফে গিয়েছেন, তাঁরা সবাই নিশ্চয়ই একটা ব্যাপার লক্ষ্য করে...
03/07/2021

!!এক চমকপ্রদ ইতিহাস!!

হজ্জ কিংবা উমরাহ করতে যাঁরা মক্কায় হারাম শরীফে গিয়েছেন, তাঁরা সবাই নিশ্চয়ই একটা ব্যাপার লক্ষ্য করেছেন- চামড়া পোড়ানো প্রখর রোদে খোলা আকাশের নিচে কাবার চারপাশে তাওয়াফ করার সময় পায়ের তলাটা পুড়ে যায় না, বরং বেশ ঠান্ডা অনুভূত হয়।
কারণ, এর নেপথ্যে রয়েছে এক চমকপ্রদ ইতিহাস।
ড. মোহাম্মাদ কামাল ইসমাইল (১৯০৮-২০০৮) একজন মিশরীয় প্রকৌশলী ও স্থপতি; লোকচক্ষুর অন্তরালে থাকতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতেন। মিশরের ইতিহাসে তিনিই ছিলেন প্রথম সর্বকনিষ্ঠ শিক্ষার্থী- যিনি হাইস্কুল শেষে ‘রয়েল স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিং’-এ ভর্তি হয়ে স্নাতক সম্পন্ন করেন। ইউরোপে পাঠানো ছাত্রদের ভেতরেও তিনি ছিলেন সর্বকনিষ্ঠ, ইসলামি আর্কিটেকচার-এর ওপর তিনটি ডক্টরেট ডিগ্রিপ্রাপ্ত প্রথম মিশরীয় প্রকৌশলী।

ড. মোহাম্মাদ কামাল ইসমাইল প্রথম প্রকৌশলী- যিনি হারামাইন (মক্কা-মদিনা) সম্প্রসারণ প্রকল্পের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের ভার নিজের কাঁধে তুলে নেন। এই সুবিশাল কর্মযজ্ঞ তত্ত্বাবধান করার জন্য সৌদি বাদশাহ ফাহাদ এবং বিন লাদেন গ্রুপের সুপারিশ থাকা সত্ত্বেও তিনি কোনো পারিশ্রমিক গ্রহণ করেননি; মোটা অংকের চেক উনি ফিরিয়ে দেন! তাঁর সততা ও কাজের প্রতি আন্তরিকতা তাঁকে বাদশাহ ফাহাদ, বাদশাহ আব্দুল্লাহসহ সকলের প্রিয়পাত্র ও বিশেষ আস্থাভাজন করে তোলে।

তিনি বাকার বিন লাদেনকে বলেছিলেন, এই দু’টি পবিত্র মসজিদের কাজের জন্য পারিশ্রমিক নিলে শেষ বিচারের দিনে আমি কোন মুখে আল্লাহর সামনে গিয়ে দাঁড়াবো?

ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ৪৪ বছর বয়সে বিয়ে করেন। তাঁর স্ত্রী সন্তান জন্ম দিয়ে মারা যান। এরপর তিনি আর বিয়ে করেননি। মৃত্যু পর্যন্ত তাঁর পুরোটা জীবন আল্লাহর ঘর রক্ষণাবেক্ষণে উৎসর্গ করেন। অর্থ-বিত্ত, খ্যাতি-যশ, মিডিয়ার লাইম লাইট থেকে দূরে সরে থেকে তিনি তাঁর ১০০ বছরের জীবনের পুরোটা সময় মক্কা ও মদীনার দুই মসজিদের সেবায় বিনিয়োগ করে গেছেন।

মক্কা-মদিনার হারাম শরীফের মার্বেলের কাজের সঙ্গে উনার জীবনের একটি বিস্ময়কর ঘটনা রয়েছে। উনি চেয়েছিলেন- মাসজিদুল হারামের মেঝে তাওয়াফকারীদের জন্য এমন মার্বেল দিয়ে আচ্ছাদিত করে দিতে- যার বিশেষ তাপ শোষণ ক্ষমতা রয়েছে। এই বিশেষ ধরনের মার্বেল সহজলভ্য ছিল না। এই ধরনের মার্বেল ছিল পুরো পৃথিবীতে কেবলমাত্র গ্রিসের ছোট্ট একটি পাহাড়ে।

ড. মোহাম্মাদ কামাল ইসমাইল গ্রিসে গিয়ে পর্যাপ্ত পরিমাণে মার্বেল কেনার চুক্তিস্বাক্ষর করে মক্কায় ফিরে এলেন এবং সাদা মার্বেলের মজুদও চলে এলো। যথাসময়ে বিশেষ নকশায় মাসজিদুল হারামের মেঝের সাদা মার্বেলের কাজ সম্পন্ন হলো।

এর ঠিক ১৫ বছর পরে সৌদি সরকার তাঁকে মাসজিদুন নব্বীর চারদিকের চত্বরও একইভাবে সাদা মার্বেল দিয়ে ঢেকে দিতে বললেন। কিন্তু ড. মোহাম্মাদ কামাল ইসমাইল দিশেহারা বোধ করলেন! কেননা ওই বিশেষ ধরনের মার্বেল কেবলমাত্র গ্রিসের ওই ছোট্ট জায়গা বাদে গোটা পৃথিবীর কোথাও পাওয়া যায় না এবং সেখানে যতটুকু ছিল, তার অর্ধেক ইতোমধ্যেই কিনে মক্কার হারাম শরীফে কাজে লাগানো হয়ে গেছে। যেটুকু মার্বেল অবশিষ্ট ছিল- সেটা মাসজিদুন নব্বীর প্রশস্ত চত্বরের তুলনায় সামান্য!

ড. মোহাম্মাদ কামাল ইসমাইল আবার গ্রিসে গেলেন। সেই কোম্পানির সি.ই.ও-র সঙ্গে দেখা করে জানতে চাইলেন, ওই পাহাড় আর কতটুকু অবশিষ্ট আছে? সি.ই.ও জানালেন, ১৫ বছর আগে উনি কেনার পরপরই পাহাড়ের বাকি অংশটুকুও বিক্রি হয়ে যায়! এই কথা শুনে তিনি এতটাই বিমর্ষ হলেন যে, তাঁর কফি পর্যন্ত শেষ করতে পারলেন না! সিদ্ধান্ত নিলেন- পরের ফ্লাইটেই মক্কায় ফিরে যাবেন। অফিস ছেড়ে বেরিয়ে আসার আগে কী মনে করে যেন অফিস সেক্রেটারির কাছে গিয়ে সেই ক্রেতার নাম-ঠিকানা জানতে চাইলেন- যিনি বাকি মার্বেল কিনেছিলেন।

যদিও এটা অনেক দুরূহ কাজ, তবু কামালের পুনঃপুন অনুরোধে সে পুরোনো রেকর্ড চেক করে জানাবে বলে কথা দিলো। নিজের নাম এবং ফোন নম্বর রেখে বেরিয়ে আসার সময় কামাল মনে মনে ভাবলেন- কে কিনেছে, ১৫ বছর পরে তা জেনেই-বা আর লাভ কী?

পরদিন এয়ারপোর্টের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার আগে অফিস সেক্রেটারি ফোনে জানাল, সেই ক্রেতার নাম-ঠিকানা খুঁজে পাওয়া গেছে! কামাল ধীর গতিতে অফিসের দিকে যেতে যেতে ভাবলেন- ঠিকানা পেয়েই-বা লাভ কী? মাঝে তো অনেকগুলো বছর পেরিয়ে গেছে...।

অফিসে পৌঁছলে সেক্রেটারি তাঁকে ওই ক্রেতার নাম-ঠিকানা দিলেন। ঠিকানা হাতে নিয়ে ড. মোহাম্মাদ কামাল ইসমাইলের হৃদ্স্পন্দন বেড়ে গেল, যখন তিনি দেখলেন- বাকি মার্বেলের ক্রেতা একটি সৌদি কোম্পানি!

কামাল সেদিনই সৌদি আরব ফিরে গেলেন। সেখানে পৌঁছে তিনি কোম্পানির ডিরেক্টর এডমিন-এর সঙ্গে দেখা করে জানতে চাইলেন- মার্বেলগুলো দিয়ে তাঁরা কী করেছেন, যা অনেক বছর আগে গ্রিস থেকে কিনেছিলেন?

ডিরেক্টর এডমিন প্রথমে কিছুই মনে করতে পারলেন না। কোম্পানির স্টক রুমে যোগাযোগ করে জানতে চাইলেন- ১৫ বছর আগে গ্রিস থেকে আনা সাদা মার্বেলগুলো দিয়ে কী করা হয়েছিল? তারা খোঁজ করে জানাল- সেই সাদা মার্বেল পুরোটাই স্টকে পড়ে আছে, কোথাও ব্যবহার করা হয়নি!

এই কথা শুনে কামাল শিশুর মতো ফোঁপাতে শুরু করলেন। কান্নার কারণ জানতে চাইলে তিনি পুরো ঘটনা কোম্পানির মালিককে খুলে বললেন। ড. কামাল ওই কোম্পানিকে সৌদি সরকারের পক্ষে একটি ব্লাংক চেক দিয়ে ইচ্ছেমতো অংক বসিয়ে নিতে বললেন। কিন্তু কোম্পানির মালিক যখন জানতে পারলেন- এই সাদা মার্বেলে রাসূল (সা.)-এর মসজিদ চত্বর বাঁধানোর জন্য ব্যবহৃত হবে, তৎক্ষণাৎ তিনি এর বিনিময় মূল্য নিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বললেন, আল্লাহ্ সুবহানুতায়ালা আমাকে দিয়ে এটা কিনিয়েছিলেন আবার তিনিই আমাকে এর কথা ভুলিয়ে দিয়েছেন; কেননা এই মার্বেল রাসূল (সা.)-এর মসজিদের উদ্দেশ্যেই এসেছে…!

-সংগৃহীত

Address

1/C (Ground Floor) Garden Road, Kazi Para, West Kawran Bazar
Dhaka
1215

Opening Hours

Monday 06:00 - 21:00
Tuesday 06:00 - 21:00
Wednesday 06:00 - 21:00
Thursday 06:00 - 21:00
Friday 06:00 - 21:00
Saturday 06:00 - 21:00
Sunday 06:00 - 21:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tibb-E-Nababi posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram